- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

তাহাদের কথা ২: নৈতিকতা বনাম ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী

একটা পুরনো ঘটনা দিয়ে শুরু করা যাক। ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন শুরু সকাল থেকে। বিকেলে তা ভাঙ্গানোর কথা ড. কামাল হোসেনের। ভোরের এক ফ্লাইটে ড. কামাল বিদেশে চলে যান। খবরটা ডা. বদরুদ্দোজা জানতে পারেন দুপুরের পর।

‘ক্ষুধার্ত’ ডা. বদরুদ্দোজা পড়েন বেকায়দায়। সাবেক রাষ্ট্রপতির অনশন কর্মসূচি যেন-তেন নেতাকে দিয়ে ভাঙালে দলের মর্যাদা থাকবে না। অনশনস্থলে টুপি পরে কোরান পাঠ শুরু করেন তিনি।

সন্ধ্যার অন্ধকার ঘন হতেই মাদুর, টুপি, তসবিসহ অন্য জিনিস গুটিয়ে অনশনস্থল থেকে এক প্রকার পালিয়ে যান ডা. চৌধুরী, তাঁর অনশনের নেতাকর্মীরা। ঘটনাটি চার দলীয় জোট সরকারের আমলের। সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের প্রেস নোটস কলামে ঘটনাটির রসাত্মক বিশ্লেষণ ছাপা হয়েছিলো।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিবিদ ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। যিনি রাজনীতিতে বি চৌধুরী হিসেবে খ্যাত। তিনি ছিলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তিনি উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি ছিলেন সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন। এর কিছুদিন পর ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক। এছাড়া তিনি একজন লেখক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, উপস্থাপক এবং সুবক্তা। ২০০২ সালে সৃষ্ট এক বিতর্কিত ঘটনার জের ধরে তিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ও পরবর্তীকালে আরেকটি রাজনৈতিক দল বিকল্পধারা বাংলাদেশ গঠন করেন।

তার কাঁচাপাকা গোঁফের আড়ালে সারাক্ষণ ঝিলিক দেয় রহস্যময় হাসি! এক অজানা রহস্য! তিনি আপাত শান্ত স্থির। থেমে থেমে কথা বলেন। যে রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জিয়াউর রহমানকে ব্রাশ ফায়ারে ঝাঝড়া করে দেয়া হয়, পাশের আরেকটি রুমে তিনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার ‘দুর্লভ সুযোগ’ পেয়েছিলেন। তিনি ‘শহীদ’ জিয়ার ‘রাজনীতির লাশ’টি অনেকদিন বহন করেছেন। একসময় সেই ‘লাশবাহী রাজনীতি’ পরিত্যাগও করেছেন (পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন)। এখন তিনিই আবার আওয়ামী শাসনের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না, কাদের সিদ্দিকী, আসম আবদুর রবসহ রাজনীতিতে ‘পরিত্যক্ত’ কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে জোট গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সরকারের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়ছেন। শিগগিরই ‘কিছু একটা করে ফেলবেন’-এমন একটা ভাব দেখাচ্ছেন।

কিন্তু বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে দিয়ে আদৌ কি কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব? তিনি আজ যে বড় বড় কথা বলছেন, নীতি-নৈতিকতার সবক দিচ্ছেন, সেই তিনি কোন রাজনীতির পথ মাড়িয়ে এসেছেন? এক সময় তিনি যে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক চরিত্র নিয়ে রাজনীতিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, তার সেই রূপ আমরা ভুলব কেমন করে? আমরা কেমন করে ভুলব ‘সাবাস বাংলাদেশ’ নামক সেই চরম সাম্প্রদায়িক টিভি অনুষ্ঠানটির কথা?

বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মানসিকতা, দর্শন, রুচি ইত্যাদির চূড়ান্ত পরিচয় আমরা পাই ২০০১ সালের বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায়। প্রকাশ্যে এত বেশি সাম্প্রদায়িকতা, (বলা ভালো হিন্দু-বিদ্বেষ) বাংলাদেশে অন্য কোনো রাজনীতিবিদ কখনও ছড়িয়েছেন বলে মনে পড়েনা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে টিভিতে বি চৌধুরীর উপস্থাপনায় ‘সাবাস বাংলাদেশ’ নামে ১১ পর্বের একটি অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। একুশে টেলিভিশন ও বিটিভিতে একযোগে প্রচারিত মিথ্যে, বানানো তথ্য আর প্রপাগাণ্ডায় ঠাসা এই অনুষ্ঠানে বি চৌধুরী এক হাতে গীতা আর অন্য হাতে কোরান নিয়ে বলতেন, বাংলাদেশের মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা কি গীতার (ভারত তথা আওয়ামী লীগ), নাকি কোরানের (বিএনপির) পক্ষে থাকবে। অনেকের ধারণা, ২০০১ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পিছনে সেই অনুষ্ঠানের একটা বড় ভূমিকা ছিল।

যে বিএনপির জন্য তিনি এত কিছু করেছেন, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়েছেন, নীতি-নৈতিকতা-বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে মিথ্যেকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়ার চেষ্টা করেছেন, সেই তিনিই শেষ পর্যন্ত বিএনপির গলাধাক্কার শিকার হয়েছেন!

২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর বি চৌধুরীকে বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে আসীন করে। কয়েক মাস না যেতেই আসে জেনারেল জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি নিজেকে ‘নিরপেক্ষ’ প্রমাণ করতে তিনি জিয়ার কবরে ফুল দিতে যাননি। এতেই ক্ষেপে যায় দলের সব এমপি। একপর্যায়ে ২০০২ সালের ১৯ ও ২০ জুন বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তাঁকে সরানোর জন্য `ইমপিচমেন্ট`-মানে গলাধাক্কা দেওয়ার প্রস্তাব গৃহীত হয়।

ওই প্রস্তাব সংসদে উত্থাপনের আগেই ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন বি চৌধুরী। জিয়ার মাজারে না যাওয়ার চেয়ে বড় কারণ তখন আলোচিত ছিল অধ্যাপক চৌধুরীর পুত্র মাহী বি চৌধুরীর সঙ্গে জেনারেল জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের ভাগাভাগির দ্বন্দ্ব। নিজ যোগ্যতায় মাহী বি চৌধুরী খুব দ্রুতই মিডিয়া ও শোবিজ জগতের দখল নিয়ে নেন। গণমাধ্যম, প্রচারমাধ্যম, ও বিনোদন জগতের একচেটিয়া ব্যবসা মাহীর কব্জায় চলে আসে। বিষয়টি তারেক রহমানের গোচরে আনেন বিএনপিরই কোনো কোনো তরুণ নেতা।

তারেক রহমান বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেন। তিনি মাহিকে উপযুক্ত শিক্ষা দেয়ার মওকা খোঁজেন। সে মওকা পেয়েও যান। জিয়ার মাজারে না যাওয়াটাকে ইস্যু হিসেবে নিয়ে তারেক রহমানের ঈঙ্গিতে দলের তরুণ এমপিরা বিদ্রোহ করেছিলেন। একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র আরেক দিকে রাষ্ট্রপতির পুত্র। অনেকে মনে করেন, এই দ্বন্দ্বেই বি চৌধুরীকে হারাতে হয় রাষ্ট্রপতির পদ।

বিএনপিতে মাহী বি চৌধুরীর উত্থানও ধুমকেতুর মতো। বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হলে তার ছেড়ে দেওয়া আসনে পুত্র মাহী বি চৌধুরী বিএনপির ব্যানারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর পর বাগ্নিতা ও বুদ্ধি খাটিয়ে খুব দ্রুতই মাহী বিএনপির ভবিষ্যৎ কান্ডারি হওয়ার এবং নতুন বলয় সৃষ্টির আভাস দেখান। আর এখান থেকেই পতনের বীজটাও বপন হয়ে যায়।

বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে বিএনপি অত্যন্ত অপমানজনকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই বি চৌধুরীই কথায় কথায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষপূর্ণ সব মন্তব্য করছেন। বেগম জিয়াকে জেলে পাঠানোর বিরুদ্ধে, লন্ডনে খালেদার চিকিৎসার পক্ষে ওকালতি করছেন। এখন বদরুদ্দোজা চৌধুরীর চোখে বিএনপি অনেক ভালো দল। রাষ্ট্রপতির চেয়ার থেকে থেকে গলা-ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনাই তিনি শুধু ভুলে যাননি, ভুলে গেছেন পুত্র ও পুত্রবধূকে অপমানের কথাও!

পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার পর তিনি নতুন দল গঠন করে রাজধানীতে একটি মিছিল বের করলে তার উপর বিএনপি কর্মীরা মারাত্মক ভাবে হামলা চালায়। ঢাকায় তার বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রী লোপা এক সঙ্গে মিলে তখন বিটিভিতে একটি অনুষ্ঠান করতেন, তাদের স্বামী স্ত্রীকে ঐ অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়নি এবং বের করে দেওয়া হয় বিটিভি থেকে। বন্ধ হয়ে যায় সেই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটি।

এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের ঘটনা সম্পর্কে তিনি স্বয়ং বলেছেন, তখন খুব দুঃসময় গেছে। পাথর মেরে মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। তাঁর কারখানার যেসব পণ্য রপ্তানির জন্য চট্টগ্রামে ছিল, জ্বালিয়ে দিয়েছে। তাঁর বিভিন্ন কারখানায় আক্রমণ করা হয়েছে। মাহীর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে দিয়েছে। আমার পেছনে পিস্তল দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে গেছে (কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সাক্ষাৎকার, ৭ অক্টোবর, ২০১৬)।

এরপরও তিনি যখন বিএনপির প্রতি নরম সুরে আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চরম সুরে কথা বলেন, তখন তার সুরের যথার্থতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।

বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অসংখ্য দোষ-ত্রুটি আছে মানি। কিন্তু দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন, গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক আচরণ নিয়ে যখন বদরুদ্দোজা চৌধুরী কথা বলেন, তখন কেমন যেন প্রহসনের মতো মনে হয়। এই দেশে ভোট নিয়ে খেলা এবং ভোট নিয়ে যতো অনিয়ম তা তো বদরুদ্দোজা চৌধুরীর হাতে গড়া দল বিএনপিরই সৃষ্টি। জিয়া সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় বিচারপতি সায়েমকে অস্ত্র ঠেকিয়ে যখন ক্ষমতা দখল তখন কি তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন? ১৯৮১ সালের নির্বাচন কেমন কেমন হয়েছিল? মাগুরার উপ-নির্বাচন কেমন হয়েছিল? ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনটাই বা কেমন হয়েছিল? বদরুদ্দোজা চৌধুরী কি তখন বিএনপির নেতা ছিলেন না?

ইতিহাসের পাঠ না নিয়ে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করে বি চৌধুরী এখন আবার ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী, আসম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীদের সঙ্গে নিয়ে জোট গঠন ও সরকার পতনের আওয়াজ দিচ্ছেন। বড় বড় বুলি আওড়াচ্ছেন।

কিন্তু ইতিহাস, দেশের মানুষ কি তাকে ক্ষমা করেছে? ক্ষমা করবে?

পুনশ্চ: ইতিহাসজ্ঞান না থাকলেও নকল করে কিংবা অন্যেরটা দেখে অনেক সময় পরীক্ষায় পাস করা যায়। কিন্তু তার ফলও হয় ভয়াবহ! এ বিষয়ে পাঠকদের জন্য একটা পুরনো কৌতুক।

ক্লাসের মেধাবী ছাত্র দুর্জয় লিখল ‘যুদ্ধে হারিয়া হুমায়ুন ভাঙ্গিয়া পড়িলেন না। তিনি পিতা ও গুরু বাবরের কথা স্মরণ করিলেন। বাবর কি যুদ্ধে হারিয়া কখনও ভাঙ্গিয়া পড়িয়াছেন? পড়েন নাই। বরং উল্লসিত হইয়া সহস্র সঙ্গী জোগাড় করিয়া আবার যুদ্ধ করিয়াছেন। যুদ্ধ-জয়ের জন্য ভালো সঙ্গী প্রয়োজন।’

পেছনে বসা আসিফ উঁকি দিয়ে এক ঝলক দেখে নিয়ে লিখল ‘যুদ্ধে হারিয়া হুমায়ুন জাঙ্গিয়া পড়িলেন না। তিনি পিতা ও গরু বাবরের কথা স্মরণ করিলেন। বাবর কি যুদ্ধে হারিয়া কখনও জাঙ্গিয়া পড়িয়াছেন? পড়েন নাই। বরং উলঙ্গ হইয়া সহস্র লুঙ্গি জোগাড় করিয়া আবার যুদ্ধ করিয়াছেন। যুদ্ধ-জয়ের জন্য ভালো লুঙ্গি প্রয়োজন।’

৩৩ Comments (Open | Close)

৩৩ Comments To "তাহাদের কথা ২: নৈতিকতা বনাম ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী"

#১ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On আগস্ট ২৮, ২০১৮ @ ৯:৫২ অপরাহ্ণ

বেতারে একসময় মাঝে মাঝে একটি ঘোষণা শোনা যেতো, – ‘এখন নির্ধারিত শিল্পীর অনুপস্থিতিতে গান পরিবেশন করছেন অমুক-তমুক।’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সে’রকমই একটা অবস্থা চলছে। সুর যত বেসুরোই হোক গান আমাদেরকে শুনতেই হবে। এক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের উক্তিটিও প্রণিধানযোগ্য, – “অলীক কুনাট্য রঙে, মজে লোকে রাঢ়ে বঙ্গে, নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।”

#২ Comment By Mahbub Kamal On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৬:১২ অপরাহ্ণ

উক্তিটি ঈশ্বর গুপ্তের নয়, এটি নাটুকে রামনারায়ণ নাম খ্যাত রামনারায়ণ তর্করত্নের উক্তি|

#৩ Comment By সৈয়দ আলী On আগস্ট ৩১, ২০১৮ @ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

ঠিক!

#৪ Comment By Miron On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

কাকে বললেন? বদরুদ্দোজাকে? উনি নির্ধারিত শিল্পীর অনুপস্থিতিতে গান করছেন?

#৫ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৪:১৮ অপরাহ্ণ

আমার মন্তব্যের সারমর্মটাই বুঝতে ভুল করেছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন কোন নির্ধারিত শিল্পী নেই – আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। তাতে অন্য কারো গোস্‌সা হবার কথা, আপনি কেন? আরও খুলে বলতে হবে?

#৬ Comment By মোঃ শামীম মিয়া On আগস্ট ২৮, ২০১৮ @ ১০:০৯ অপরাহ্ণ

সময় এখন বর্ষাকাল,
ব্যাঙয়ে চাটে বাঘের গাল।

#৭ Comment By younusur rahman On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

বি চৌধুরী এবং এইচ এম এরশাদের কর্মকান্ড দেখলে মাঝে মাঝে নিজের প্রতি খুব বিরক্ত লাগে, মনে হয় কেন আমার এরকম একটা দেশে জন্ম হইলো। আমার দেশের এতো বড় বড় লোকগুলি মনের দিক থেকে এতো ছোট কেন? একজন বাংলাদেশের নামকরা ডাক্তার আর একজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই দেশ থেকে তাদের আর কি পাওয়া থাকতে পারে। তাদের এখন বিভিন্নভাবে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলী খানের মতো করে এই দেশের ভাল খারাপ সংকটময় সময়ে সুন্দর সুন্দর পরামর্শ দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। কিন্তু না, তারা তা করেন না। তাদের একজন নতুন দল করে রাস্তায় ধাওয়া খায় আর একজন এমপি হয়ে স্পিকারের সামনে বসে থাকে। এগুলি তাদের উন্নতি না অবনতি মাথায় খেলে না তবে তারা দুইজনই প্রচন্ড খেচড়া টাইপের মানুষ এতোটুকু পরিস্কার। একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি যে একটি দেশের কতো বড় সম্মানিত ব্যক্তি তা মনে হয় তারা কখনোই ফিল করে না। আমার মনে হয় তাদের জীবনের এই মুহুর্তে তারা সেই সম্মানের দিকে নজর দিয়ে রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার সময় হয়েছে।

#৮ Comment By modi kohen On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ

অন্তত এই লেখাটি অত্যন্ত চমৎকার। চিররঞ্জন সরকারকে ধন্যবাদ।

#৯ Comment By Abdullah Rakeeb On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ১:৫১ অপরাহ্ণ

চিররঞ্জনের বর্ণিল বর্ননার জন্য অশেষ ধ্যনবাদ। অনেক জানা কথাও বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে এনে আমাদেরকে আবার স্মরণ করিয়ে দিলেন আর আশার গুঁড়ে ছিটালেন বালি! বাংলাদেশের আকাশে অনেক তারার ভীড়ে চন্দ্র সূর্য্যও অনুজ্জ্বল হয়ে পড়েছে! সামনে অন্ধকার নিশুতি যাত্রায় নাবিকেরা খোঁজে দিকপাল, নেই… আমরা খুঁজি ন্যায়পাল, নেই…

#১০ Comment By Anwar A Khan On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ২:৩১ অপরাহ্ণ

Dear Writer,

It is a hard-nosed analysis of your philosophical study of moral values and rules and the politics of Dr. B. Chowdhury, Dr. Kamal Hossain and their campanas.

Chowdhury’s father late Kafiluddin Chowdhury was a very senior politician (senior to Bangabandhu Mujib), belonged to AL and a MNA of the 1970 Pakistan-based national polls. B. Chowdhury personally drove his vehicle on-board of his father, crossed over the Indian border and joined our glorious Liberation War of 1971 to establish Bangladesh. But throwing away all his morals bare-facedly, he vauntingly pigged, guttled, downed and shored at the bivouac of anti-Bangladesh liberation force and bootlicked the self-declared president Gen. Zia and his anti-liberation compadres. He was thrown out from the palace of Bangababhan by Khaleda Zia and her confederates. Once I saw him fleeing away to salvage his life riding at the backside of a motorbike like a stooge or a laughingstock at Mohakhali Railway crossing being chased by some gawks of Begum Zia and her brigands.

At the time of Bangabandhu’s brutal murder in 1975, Dr. Kamal Hossain was abroad. After his return to Bangladesh (maybe in the middle of 1979), I heard a speech of Dr. Hossain at a seminar at the DU’s TSC Auditorium where many prominent figures of political and social classes were present. I found him that he could not speak Bengali well. He spoke Bangla mostly in Urdu tone. Now he can speak very good Bangla. But that is not my point. The point is: Bangabandhu loved him so much because of his mettlesome educational status and intellectual calibre. He made him as the Law Minister and then the Foreign Minister at his Cabinet at such a young age. But where are his humanistic lineaments? I have heard that he is the legal counsel of so many multinational organisations and looks after their interests only. He earns huge money through his legal profession. Have you ever heard that he has spent a single coin for the down-trodden people of our society? Have you ever heard that he has served his legal profession for poor people in the country? What about his reciprocation for Bangabandhu?

About Dr. Zafarullah, Manna…I can say many…, but I have desisted from commenting anything.

Rob and Siddiqui could have been the central gems in the history of Bangladesh’s politics because of their glorious yesteryear roles. But have they kept their status sacrosanct?

Thank you so much for your excellent write-up.

#১১ Comment By Mahbubur Rahman On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ

Yes, Mr. Anwar Khan, you are 100% sure that Kamal Hussain did not spent a single paisa from his hard earnings for poor like as others (many died during collection of Zakat at rich men’s house), because, you have arranged ( not paying from your pocket, from donation 20% you collected) air ticket Dacca-Delhi-Dacca (not Dhaka) to convince Sheikh Hasina to save AL and B’desh in the year 1981. His left hand does not know what right hand donates.

#১২ Comment By দীপক On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ

ভাল ও তথ্যবহুল লেখা।

#১৩ Comment By সুজন আহমেদ On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৪:০৭ অপরাহ্ণ

তাই, বি চৌধুরীর মুুখে এসব নীতি কথা ভূতের মুখে রাম নাম শুনায়।

#১৪ Comment By undergrad essays On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৪:৩৮ অপরাহ্ণ

ভালো বিশ্লেষণ, কিন্তু কিঞ্চিৎ “সাম্প্রদায়িক” যা লেখাটির গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

#১৫ Comment By Bongo Raj On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৪:৫৬ অপরাহ্ণ

চিররঞ্জন সরকার বাবুর লেখা সব সময়ই যুক্তিযুক্ত হয়ে থাকে, তাই পড়িও মন দিয়ে।
এবারের লেখাতেও বি চৌধুরী সাহেবকে নিয়ে যেই সব তথ্য উপাত্তা দিয়েছেন এর অনেক কিছুই জানা ছিল না। ধন্যবাদ।
একটা ব্যাপারে এই লেখার সাথে একমত নই তা হলো-
“বি চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী, আসম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীদের আস্ফালনকে পাত্তা দিতে চান না” এই অংশটা। আবার তাদের কে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেবার উপদেশও দেওয়া হয়েছে। এখানে একটা ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিতে চাই চিররঞ্জন বাবুকে- ১৯৭৫ এর ১৪ই আগস্ট পর্যন্ত জাসদ ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরোধিতাকারী সব চাইতে বেশী জন সমর্থন থাকা বিরোধী দল। কিন্তু ১৯৭৫ এর পট পরিবর্তন কিন্তু জাসদ দিয়ে শুরু হয়নি, শুরু হয়েছিল, কেউ চিন্তাও করতে পারেনি এমন একটা পয়েন্ট থেকে (অনেকে অবশ্য লেপন দেওয়ার জন্য বলে থাকেন সেনাবাহিনীর নষ্ট হওয়া কিছু সেনা সদস্য ঐ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছিল)।

এখানে মনে রাখতে হবে, আপাত দৃষ্টিতে গুটিকয়েক সেনা সদস্য ১৯৭৫ এর পট পরিবর্তন ঘটিয়েছিল বলে মনে হলেও এর পিছনে নির্দিষ্ট দুটো দেশের হাত ছিল তা আজ আর প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না। এখানেই দরকার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া, সেই বিদেশী দুটো রাষ্ট্র কিন্তু আবারো সক্রিয় হচ্ছে/হয়েছে। তার নমুনা কিছুটা হলেও বের হয়েছে যেমন, কিছুদিন আগের মোহাম্মদপুরের সেই গোপন বৈঠকটা হিমালয়সম এক হিমশৈলের জলের উপরে থাকা সামান্য অংশও হতে পারে। এর মানে, অপদার্থ কামাল হোসেন, বি চৌধুরী গংদের দিয়ে আবারো সাংঘাতিক কিছু ঘটে যেতেই পারে, কারন এই গংরা পিছনে থাকা নোংরা কিন্তু অতি শক্ত কিছু হাতের সাথে মিলে মিশে আছে। আরও অনেকেই আছে ধরে নিতে পারি কারন মিরজাফর পেতে এই দেশে বেশী দূর যেতে হয়না!!

#১৬ Comment By shopnilislam82@gmail.com On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৫:২২ অপরাহ্ণ

দলছুটদের এতো মুল্যায়ন ভালো দেখাচ্ছে না, বাংলাদেশে যত নির্ভেজাল নির্বাচনেও ডঃ কামাল, বি চৌ, রব, মান্না, বাঘা সিদ্দিকী, অলি ইব্রাহিমরা জিতবেন কিনা সন্দেহ ১০০%। দলছুট খলনায়কেরা রাজনীতির কানাগলি দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কিভাবে ক্ষমতার হালুয়া রুটির ভাগ বসাতে পারে তার জন্য মৌসুমি পাখির মতো নির্বাচনের আগে গর্ত থেকে বের হয়ে আসে। বাংলার মানুষ তাদের এই ভন্ডামিতে জড়াকে না।

#১৭ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৮:২৬ অপরাহ্ণ

চমৎকার মন্তব্য! ধন্যবাদ স্বপ্নিল। আমার মতে, – তুলতুলে গদিতে বসে, এসির হাওয়ার পেলব পরশে উন্মাতাল মানসিকতায় নেতা হতে চাইলেই নেতা হওয়া যায় না। পায়ে ধুলো লাগাতে হয়, জনতার কাতারে এসে দাঁড়াতে হয়, জনতার ঘামের সঙ্গে নিজের ঘাম একাকার করে নিতে হয়, রক্তে রক্ত মিলাতে হয়। তা না হলে নেতা হওয়া যায় না।

#১৮ Comment By Mahbubur Rahman On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ

Seems that Sopnil’s memory is not so sharp to share social media. Remember the election result of 1996.

#১৯ Comment By পিংকু On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে যা ই করেছে, প্রকৃতি কিন্তু তার হিসেব ঠিকই চুকিয়ে দিয়েছে, এবং নিজ মুদ্রায় হিসেব সবাইকেই নিতে হয়। এটাই সত্য বি চৌধুরী, কামাল হোসেন অার জাফরুল্লাহ বা মান্না সবাই তাদের নিজ নিজ গর্তে পড়েছেন।

#২০ Comment By লতিফ On আগস্ট ২৯, ২০১৮ @ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

তথ্যগত ভুলটা আগে বলি। ‘সাবাস বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেজর মান্নানকে নিয়ে আলোচনা হয় না, কিন্তু হওয়াটা জরুরি। ভদ্রলোক যুদ্ধাপরাদের সাথে যুক্ত কি না, তার তদন্ত হওয়া দরকার। ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল চট্টগ্রামের যুদ্ধে মেজর মান্নান পাকিস্তানের পক্ষে জিয়ার ৮ম বেঙ্গলের সৈনিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং তার সৈনিকদের গুলিতে লে. শমসের মবিন চৌধুরী আহত হয়। শমসের মবিনকে মেজর মান্নানের দল বন্দী করে নিয়ে যায়।

#২১ Comment By সৈয়দ আলী On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৫:০৩ অপরাহ্ণ

লতিফ, তথ্য সঠিক। যুদ্ধের শুরুতে শুভপুর সেতুর একপারে জিয়াউর রহমান এবং অপরপারে মান্নান অবস্থান নিয়েছিলেন। ইতিহাসের বিশুদ্ধতার জন্য এটিও উল্লেখ করা প্রয়োজন যে ফারুক খান (পরে মন্ত্রী) ও আমজাদ আহমদ চৌধুরী (প্রাণ পন্যের প্রতিষ্ঠাতা) ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিদের সাথে আত্মসমর্পন করে।

#২২ Comment By সৈয়দ আলী On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

বাবু শ্রীযুক্ত চিররঞ্জন সরকার ধুমসে বি. চৌধুরী গংকে গালি দিয়ে প্রমাণ করলেন যে এই গং কি নোংরা সুবিধাবাদী ও ক্ষমতার কাঙ্গাল। ঠিকইতো।

তবে সরকার মহাশয় ইতিহাসের পাঁক ঘেটে যা তুলে এনেছেন, ইতিহাসের সেই সময়ে আর কোন সুবিধাবাদী ও ক্ষমতার কাঙ্গাল তাঁর চোখে পড়েনি, না? আর কেউ কি স্বাধীনতার মন্ত্র জপতে জপতে স্বাধীনতা-বিরোধীদের সাথে আরাম কেদারায় বসে ক্ষমতায় যাওয়ার ছক কেটেছেন, কাটেন নি? স্বাধীনতাবিরোধী ও উগ্র ধর্মান্ধদের সাথে লিখিত চুক্তি করেছিলেন কি স্বাধীনতার পিলার কে মজবুত করতে? শ্রীমান সরকার জানেন কি না জানি না, স্বাধীনতার পরে স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক না রাখা ও আত্মীয়তা না করার একটি প্রতিশ্রুতি দেয় স্বাধীনতার মৌরসি পাট্টা ঝুলানো দলটি। কিন্ত দুত্তোরি বলে খাস শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করে কন্যাদায়গ্রস্থ মাতা শান্তি পেলেন। দু’দিন আগেই ‘যারা নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেঈমান’ বলে বুলন্দ ঘোষণা দিয়ে দু’দিন পরে কোন এক অজ্ঞাত কার্যকারণে নির্বাচন করাতো সুবিধাবাদ হয়নি, হয়েছে কি? (মতিউর রহমান রেন্টু কি লিখেছে তাকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না)। স্বৈরাচার এরশাদের নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও এর শাখার কর্মী নূর হোসেন, সেলিম-দেলোয়ারের রক্ত মাড়িয়ে ফের থুঁথু চাটার মতো স্বৈরাচার এরশাদকে কোলে টেনে নেয়াও সুবিধাবাদ হয়নি! হলো কি?
চিররঞ্জন সরকার, আপনাদের বি-টিমের ভূমিকা বাংলাদেশের মানুষ ভোলেনি, ভুলবেও না। সুবিধাবাদের কথা লিখছেন, জিয়ার সমর্থনে কারা কাঁধে কোদাল আর মাথায় টুকরি নিয়ে খাল কেটেছিলো? আপনাদের নির্লজ্জতার পরিসীমা নেই বলে বাংলাদেশের মানুষ লাজে রাঙ্গা হয়! আয়নায় নিজেদের এবং যাদের ধামা ধরেছেন তাদের চেহারা দেখুন।

#২৩ Comment By মেহেদী হাসান অর্পণ On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ১২:০১ অপরাহ্ণ

যারা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি তৈরী করছেন তাদের আসল উদ্দেশ্য কী? তারা কী গণ-মানুষের জন্য আদৌ কোন কাজ করবেন? বা করেছেন? নাকি তারা কোন ঝড়ের পূর্বাভাষ দিচ্ছেন?

#২৪ Comment By মনজুর মোর্শেদ On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৪:০৭ অপরাহ্ণ

এরা ঝড়েরই পূর্বাভাস দিচ্ছেন ।

#২৫ Comment By jisu71 On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

Dear brilliant Dada. Please write about the merits and demerits of EVM (Electronic Voting Machine). Why does Awami-league want EVM, But BNP doesnt want it? Is it Like EVM = Stealing Vote? Are Bangalees foolish or clever?

#২৬ Comment By Bongo Raj On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৪:১৬ অপরাহ্ণ

Again another idiotic comment!

When radio and television first appeared in Bangladesh there were people like today’s jisu71; they said, these are the box of satan, keep away from these.

#২৭ Comment By jisu71 On আগস্ট ৩১, ২০১৮ @ ১১:০২ অপরাহ্ণ

Dear Bngo Raj, every modern technology is good undoubtedly. But clever and cunning plan of using EVM is not good. Honesty is the best policy. Use of power in the wrong way is not good. People understand well in this modern age, they not foolish anymore. We can follow India, our neighbouring country which is the biggest democratic country. Their election system is very good. We should not excess clever. Excess of anything is very bad. Again, Honesty is the best policy. I respect your thinking about radio Television. Use of EVM is not like that. Database administrator should be the most honest, most reliable and most powerful person in respective field. We have to go a long way to reach that. Thank you very much for your updated thinking.

#২৮ Comment By Monjur Ahmed On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৩:১০ অপরাহ্ণ

ডঃ কামাল হোসেনকে পরিতেক্ত বলছেন কোন হিসেবে? উনি ধান্দাবাজের রাজনীতি করেন না, সেইজন্য? যে দেশে টাকা দিয়েও ভোট কেনা যায়, বড় দলগুলোতে আলতু ফালতু কলা গাছ দাঁড় করিয়ে দিলেও নির্বাচনে জিতে আসা যায়, সে দেশে ভোটের সংখ্যা দিয়ে ডঃ কামাল হোসেন এর মতো বড় মাপের রাজনীতিবিদকে মাপা অনুচিত। যারা মাপতে যান তাদের কাণ্ডজ্ঞান নয়ে প্রশ্ন তুলবো। এদেশে নষ্ট রাজনীতি ততদিন থাকবে, যতদিন এভাবে ভালো মানুষদের অবিবেচনাপ্রসূত সমালোচনা চলতে থাকবে।

#২৯ Comment By Bongo Raj On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৪:৩২ অপরাহ্ণ

Mr Kamal did nothing for Bangladesh, whatever he did it was for him only. He is a autonomous selfish.
Moreover, He doesn’t have any quality to become a politician except a conspirator; unfortunately he is a very lower class conspirator.
Even if his group win the conspiracy, he will be thrown to the trash box- my forecast!!

#৩০ Comment By মনজুর মোর্শেদ On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৪:১৮ অপরাহ্ণ

বি চৌধুরী আদর্শিকভাবে বিএনপি বা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সমার্থক রাজনীতি করেন। তিনি খালেদাকে নব্য সৃষ্ট ঐক্য জোটে নিতে চাইবেন, এখানে অনৈতিকতার কি আছে। এটাই তো স্বাভাবিক হওয়া উচিত। এটাই নৈতিক। ওনাকে গলাধাক্কা দেয়া হয়েছিল, ঢিল ছোড়া হয়েছিল এসব তো ব্যক্তির প্রতি সমষ্টির বিদ্বেষ, এতে উনার নৈতিকতা মানে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে রাজনীতি তার প্রতি উনার আনুগত্য তো বদলায়নি। আপনার লেখায় মনে হলো ব্যক্তি আক্রমণ করলে রাজনৈতিক আদর্শও পাল্টে ফেলতে হয়, এটা হাস্যকর এবং অনৈতিক যুক্তি।

#৩১ Comment By SYED ISHTIAQUE AHMED On আগস্ট ৩০, ২০১৮ @ ৫:৩২ অপরাহ্ণ

I read the article written by Mr. Chittoranjan Sarker. Its nothing but personal attack on some reknoened persons. There are some untrue references.
TV programme Sabash Bangladesh created by Prof. B. Chy. was telecasted only in ATN Bangla. He was an advisor to President, Deputy Priminister, Deputy leader of the house, the education minister, foreign minister etc. for long almost 17/18 years. But there was no rumors or perception about any corruption. Which is very very rare in our country where starting from a union ward member up to Priminister/President everybody is involved in corruption or at least there is a public perception about corruption. In our country, it is most common that a political leader who attacks his opponent by uncivilized words become more popular. But I never heard that he uttered any such word against his opponent.

Dr. Kamal Hossain was the main person who brings Priminister Sheikh Hasina as president of Awamiligue (Ref. Than Daily Ittefaq). In 1981 he got the nomination for the presidential poll. Now how he became conspirator?

#৩২ Comment By Anwar A Khan On আগস্ট ৩১, ২০১৮ @ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

Sajeda Chowdhury, Abdur Razzaque, Zohra Tajuddin … were also instrumental in bringing Sheikh Hasina back to Bangladesh to steerage the leadership of AL.

Dr. Kamal Hossain was in abroad at the time of Bangabandhu’s brutal murder, but he was then touring abroad being Bangabandhu Government’s Foreign Minister. He was then wellkown throughout the world because of his outstanding educational background (his teacher Henry Kissinger also praised him aloud uttering the words “Dr. Kamal Hossain can speak better English than me” when he visited Bangladesh after we achieved independence and The Daily Ittafaq carried this news on its front page), and was also an accepted persona to the Western World leaders. He could have convened a press conference or more than that in the overseas countries to condemn the savage putting to death of the country’s Founding Father in the harshest language and marshalled immense backing of the famed world leaders. The history of Bangladesh would then have been different. But he did nothing.

During pettifogger Ershad’s regime, he was once off-loaded from the plane when he tried to go abroad, but he chose to remain unsounded against this rough-cut shenanigan.

He is a man fond of ease and comfort. Politics is a very large science; here there is no short-cut pathway; politics means the mythos of political orientation and bring about greater welfare of people which are not the dominant allele in the character of Dr. Kamal Hossain. The same is the case with Dr. B. Chowdhury.

#৩৩ Comment By আব্দুল করিম On আগস্ট ৩১, ২০১৮ @ ১০:১০ অপরাহ্ণ

মনে হয় সামনে কিছু নাটক হতে পারে। আমি মনে করি হয় পন্ড হবে, নয়তো ফ্লপ হবে। খোন্দকার মোশতাক দ্রুত মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেও জিয়া টিকে ছিলেন কয়েক বছর। তবে জিয়া ও তার পরিবার অনেক পর্ব অতিক্রম করেও স্থায়ী আসন এখন ও পায়নি। আর এসব জগাখিচুড়ী ঐক‍্য দিয়ে গাঁজাখুরি রাজনৈতিক পথ যাঁরা খুঁজছেন তারা একটা বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু আনতে পারবে বলে মনে হয় না।