আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করেছে সরকার। বাসা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেছে। এমনকি তাকে গাড়িতে তোলার সময়ও তার সাথে দুর্ব্যবহার করতে দেখেছে মানুষ। স্বাভাবিক কারণেই সরকারের এমন আচরণ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ফুঁসে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর বিপরীতে আবার অনেকে এই আটককে ‘জাস্টিফাই’ করার চেষ্টা করছেন নানাভাবে।

কেউ রাজাকার সবুর খানের সাথে তার সম্পর্ককে টানছেন, তো কেউ মুক্তিযোদ্ধা চাচাতো ভাইয়ের কথা বলছেন। কেউ তার মা আনোয়ারা মনসুরের স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তির কথা বলছেন, (যেটার সত্যতা পাওয়া যায়নি) কেউ বা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একাত্তরের দিনগুলিতে তার মায়ের পাকিস্তান আর্মির সাথে যোগসাজসের প্রমাণ হাজির করছেন।

কেউ ২০১৩-তে তার ডেভিড বার্গম্যানের পক্ষে দাঁড়ানোর কথা বলছেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিরোধী লবিস্ট হিসেবে’ কাজ করার। কেউ আবার সেই সময় দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তার লেখা শেয়ার করে শাহাবাগ আন্দোলনের পক্ষে তার অবস্থান প্রমাণ করতে চাইছেন।

এই প্রতিটি বিষয় নিয়েই অনেক কিছু বলার আছে। যদিও একজন মানুষের অন্যায়কে অন্যায় বলার জন্য তার অতীত পরিচয় টানার দরকার নেই, আবার এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করতে তাকে মহান বানানোরও প্রয়োজন নেই।

তাই, এসব বিতর্কে না গিয়ে আমি শুধু বাংলাদেশের যেকোনও গণআন্দোলনে তার ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা এবং বাংলাদেশ নিয়ে নানা সময় মিথ্যাচার নিয়ে কিছু তথ্য উপাত্ত দেয়ার চেষ্টা করবো। এ যাবতকালে বাংলাদেশের সেরা দুটি গণজাগরণ যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং নিরাপদ সড়ক। দুইটা নিয়েই শহিদুল আলম নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন দেশের মানুষ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে।

এই পর্বে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তার ছাপানো লেখায় মিথ্যাচারগুলো তুলে ধরা হলো-

মিথ্যা -১

প্রথমে আসি নিউইয়র্ক টাইমস এ ‘আ ফরটি ইয়ার কোয়েস্ট ফর জাস্টিস’ নিবন্ধে শহিদুল লিখেছেন,

Bangladesh’s founding leader, Sheikh Mujibur Rahman, set up special tribunals to try the collaborators. Several thousand cases were filed, but the quest for justice was derailed in late 1973 when Sheikh Mujibur declared a general amnesty for the collaborators against whom trial had not yet been initiated.

তার এ লাইনগুলোর মানে দাঁড়ায়, শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধাপরাধী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করলেও ১৯৭৩ সালের সাধারণ ক্ষমার কারণে সেটি কক্ষচ্যুত হয়। এবং কয়েক হাজার মামলা হয়েছিলো মাত্র।

অর্থাৎ ২০১৩ এর আগে যুদ্ধাপরাধের কোন বিচার হয়নি এবং সেই না হওয়ার কারণও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা।

আসুন দেখি ইতিহাস কি বলে।

১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি দালাল আইন ১৯৭২ বা দ্য বাংলাদেশ কোলাবোরেটরস (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল) অর্ডার ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়। সারাদেশে ট্রাইবুনাল গঠিত হয় ৭৩টি। ১৯৭৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এই আইনের আওতায় ২ হাজার ৮৮৪টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয় ৭৫২ জনকে।

১৯৭৩ সালের ৩০ শে নভেম্বর যাদের বিরুদ্ধে কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরেও প্রায় ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধী কারাগারে বন্দি ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই বিচারকার্য অব্যাহত ছিল।

প্রমাণস্বরূপ, সেসময়ের কিছু পত্রিকার শিরোনাম-

দুইজন আলবদরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (দৈনিক ইত্তেফাক,  ০৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩); দালালীর দায়ে বরিশালে ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ড (দৈনিক পূর্বদেশ, ০২ এপ্রিল ১৯৭৪); পাক দালালীর দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (দৈনিক সংবাদ ২০ এপ্রিল ১৯৭৫)।

 

মিথ্যা -২

এরপর শহীদুল আলম লিখেছেন-

Only in 2010 was a tribunal at last established to investigate the 1971 war crime.

এর মাধ্যমে তিনি ট্রাইব্যুনাল নিয়ে শুধু মিথ্যা তথ্য দিয়ে এবং শেখ মুজিবের সাধারণ ক্ষমাকে দায়ী করেই ক্ষান্ত হননি। আসলে দালাল আইনের কী হয়েছিলো এবং কে বন্ধ করেছিলো রাজাকার আলবদরদের বিচার সেটি সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন। আসুন আবার ইতিহাস খুঁজি।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট শেখ মুজিব সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এবং ৩১ ডিসেম্বর জিয়াউর রহমান দালাল আইন বাতিল করে রাজাকার আলবদলের বিচার বন্ধ করে দেন। আটক অপরাধীরা তো অবশ্যই, এমনকি ২০ জন ফাঁসির আসামীসহ দণ্ডপ্রাপ্ত ৭৫২ জন রাজাকার আলবদরকে ছেড়ে দেয়া হয়। তাহলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার ‘ডিরেইলড’ করেছিলেন কে? শেখ মুজিব? নাকি জিয়াউর রহমান?

 

মিথ্যা -৩

শহিদুল আলম লিখেছেন-

Bangladesh’s original Constitution had four basic principles: nationalism, democracy, socialism and secularism. Military dictators replaced that with “absolute trust and faith in the Almighty Allah as the basis of all actions” in 1977, and made another change in 1988 that led to our once-secular nation’s being redefined as an Islamist one. Martial law, amnesty and political deals allowed the collaborators to go free and Jamaat-e-Islami to gradually rejoin the political mainstream.

 

তাহলে কী দাঁড়ালো?  উনার ভাষ্যমতে, সামরিক আইন, বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা এবং রাজনৈতিক ঐক্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীকে ফিরিয়ে আনে। কি নির্লজ্জ মিথ্যাচার! আসুন আবার সত্য খুঁজি।

বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ ধারা অনুসারে সাম্প্রদায়িক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে জামায়েতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হয়।

এর বিপরীতে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দল বিধির আওতায় মওলানা আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ (আইডিএল) রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা এর ব্যানারে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়। ১৯৭৯ সালে জিয়া সরকার ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে জামায়াতে ইসলামী আবার স্বনামে বাংলাদেশে রাজনীতি শুরু করে।

মজার ব্যাপার হলো, জামাতকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্ষমার কোনও ভূমিকা না থাকলেও শহিদুল আলম তাই দাবী করেছেন।

অন্যদিকে ১৯৭৭ এবং ১৯৮৮ সালে কারা সংবিধান চেইঞ্জ করেছিলো সেই নামগুলো সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন। অনেকটা ভাসুরের নাম মুখে না আনার মতো। আবার ১৯৭৯ সালে জিয়া সরকারের জামাতকে পুরোদমে পুনর্বাসনের কথাও চেপে গেছেন।

 

মিথ্যা – ৪

শহিদুল আলম লিখেছেন-

Years of kleptocratic rule, nepotism, corruption and abuse of power have eroded trust in government in Bangladesh. People feel that the system is so corrupt that change cannot possibly emerge in the electoral arena. That’s why hundreds of thousands of Bangladeshis have gathered in the past month in a spontaneous movement that quickly spread across the country.

এই কথাগুলোরই পুণরাবৃত্তি করেছেন আবার শেষ প্যারায়। এটা নিয়ে আর কী বলবো? শাহাবাগ আন্দোলন কী নিয়ে ছিলো আপনারাই বলুন। হ্যা, অনেকেই দাবী তুলেছিলেন সরকারের নানা অনিয়ম নিয়েও শাহাবাগ সমাবেশ থেকে যেন প্রতিবাদ করা হয়। আর আমরা বলেছিলাম, আমরা আজ অংক পরীক্ষা দিতে এসেছি, অংক পরীক্ষাই দিবো। অন্য পরীক্ষা আরেকদিন দিবো। কী, মনে আছেতো আপনাদের?

 

মিথ্যা – ৫

আর্টিকেলের শেষ প্যারার আগের প্যারায় লিখেছেন-

Young kids baying for blood will make many justifiably uncomfortable. And no court should be forced to alter a verdict because of popular pressure.

 

ব্যস, এবার পুরো গণদাবিটাকেই বিতর্কিত করে ফেলা গেলো। এর ব্যাখ্যা আপনারাই বলুন, যারা শাহাবাগ আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন। ঘুরে ফিরে এই একই কথাগুলো পাবেন সেইসময়ে ডেভিড বার্গম্যানের লেখায়, আমার দেশ পত্রিকায়, টোবি কাডম্যানের লেখাসহ জামায়াতি ঘরানার অনেকের লেখায়।

টোবি কাডম্যানকে মনে আছে তো? জামায়েত ইসলামীর উপদেষ্টা একজন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ যিনি যুদ্ধাপরাধী বিচারের নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে মহা তৎপর ছিলেন।

একসময় এই তথ্যগুলো অধরা ছিলো। ২০১৩ সালে অমি রহমান পিয়ালসহ কলম যোদ্ধারা ইতিহাস খুঁড়ে বের করে এনেছিলেন সব সত্য। আপনারা চাইলে নিজেরাও জানতে পারেন সব।

 

৭০ Responses -- “বাংলাদেশ নিয়ে শহিদুলের মিথ্যাচার ও বিভ্রান্ত প্রজন্ম (পর্ব – ১)”

  1. সাত্ত্বিক

    জীবনে প্রথম দেখছি এরকম জঘন্য অনুবাদ আর আজগুবি ফ্যালাসি। নিজের অপরিণত চিন্তা, অপরিপক্ক ভাষাজ্ঞান ও ঠুনকো যুক্তি ইচ্ছেমত প্রয়োগ করে ”ব্যাটাকে শায়েস্তা করে ছেড়েছি” – জাতীয় এই “জবুথবু” লেখাতেও(!) হাততালির অভাব হবে না সেটা বেশ বোঝা যায়। অখাদ্য ভক্ষণ সর্বস্তরে চালু রয়েছে, এদেশে ফরমালিনযুক্ত খাবারের বাজার বেশ রমরমা!

    Reply
  2. modi kohen

    তানভীরের প্রথম প্রশ্ন . IS THIS ALL ABOUT ROAD SAFETY OR IS IT ABOUT SOMETHING LARGER ?
    শহিদুলের উত্তর :- THIS IS VERY VERY MUCH LARGER GOING ON FOR A LONG TIME. A NON ELECTED GOVT AND THEY HAVE NO MANDATE TO RULE ……..
    খুব পরিষ্কার যে কি প্রশ্ন করা হবে এবং কাকে করা হবে তা অনেক আগেই ঠিক করা হয়ে ছিল /

    Reply
  3. chathu

    I am an academic, living abroad for the past two months. I have read Swashati’s post, but prefer to answer in English as she has mixed the two mediums, through quotes and comments. I have known Shahidul, his institutions, his work and the person too. I can only add my voice to the deafening chorus of individual and organisational voices that have described him as a professional of the highest standards and a human being of outstanding honesty, warmth and integrity, fearless in taking on the past (Khaleda Zia/BNP) coterie as he has held the current (Hasina/AL) administration to task. But since that would not be sufficient to rid your wall of the misleading post from Swashati, let me reply in more detail.

    The post begins in the classic, ‘I refuse to say you are a liar though what you say are lies’ style, a method polished by politicians and their lackeys over many years of usage. It works in Swashati’s and her supporters’ mind because they think it is nuanced, polite and so very clever. Thus, she mentions Sabur Khan in passing without directly blaming him for being his relative. To be clear, yes, he was Shahidul’s maternal grandfather, though as Harper Lee mentions so succinctly, ‘you can choose your friends and not your family’. Thus if Swashati’s ancestors have a kleptomaniac or a serial killer amongst them, that is not her fault, though Asian, especially South Asian cultures, insist on ‘bongsho’. Ghulam Azam’s, the infamous collaborator’s son even served as a Brigadier General in the Bangladesh Armed forces till recently. On the other hand, Sabur Khan was pardoned by the AL in 1973 and the rest is history. During the ICT trial, the issue was not the formation of the tribunal, but D. Bergman’s right to give his opinion on the tribunal. It is that right which Shahidul and others fought for (as Voltaire would say “I disapprove of what you say, but I will defend to the death your right to say it”), the very same right that Swashati is exercising now by blogging her piece. What an irony it would be if she were to be dragged off at 10 pm out of her house by 35 men, after she finished writing her piece and no one was to protest for her right to write. That is what idealism embodies, the right to criticise. This does not mean that if we criticise one party, we automatically love the other. If one dislikes Hitler, that does not qualify as love for the Jews. One can be equally critical of both, because one is measuring against an ideal not against an imperfect opposition. This is the coarse trap that people like Swashati like to exercise, saying, if you do not support the AL, you must be BNP … the Bush doctrine of ‘you are either with us or them’, which resulted in the death and massacre of innocent millions, as, on another scale, this attitude is causing death, division and destruction in our own country.

    With regard to Shahidul’s remark that the war crimes trial was derailed during the 1970s, the facts are that 50,000 were arrested under the Collaborators’ Act 1972, of which 2,884 were found guilty and 752 punished, with one capital punishment only …. which obviously raises the question that for 3 million martyrs why only 1 person was found guilty! The Collaborators’ Act 1972 came into effect on 24th January 1972 and was amended three times during the first year. It is correct that Zia was the person who stopped the process completely in 1975 and ensured their rehabilitation, but the Act had proved ineffective to a large extent, as stated by the families of the martyrs themselves. Also, prominent collaborators such as Khawja Khairuddin (Chief of the Peace Committee), Khan A Sabur (yes, the same), Shah Aziz, and others, were freed after the amnesty in 1973 and even Sabur Khan’s medical treatment was supposedly paid by the then Government.

    Thus in execution and design, the Act was flawed.

    Now, let us not get into the argument of why this happened (a young country, many enemies, many challenges … etc. could be the reason) but it did. Shahidul in commenting on this event is siding with the martyrs, the Bir Shreshtos and not the Sabur Khans of Bangladesh.

    In point 3, one cannot even see what the debate is. Shahidul clearly states that military dictatorship brought back the Jamat into politics. He however, states, correctly, that a string of political concessions, starting from ‘martial law, amnesty and political deals’ have got Bangladesh into its current state, a state far from the ideals of the Freedom Fighters from our vision of the Liberation War.

    In Point 4, Swashati true to form distorts the argument. The Shahbagh movement was spontaneous, sparked by the fact that people saw the initial sentence of life imprisonment passed by the ICT, on Quader Molla, as being too lenient. This made the Government change tack, revisit the sentence through the ICT and replace it by death sentence. The people had their first taste of popular movements, not opposition led, but by citizens and this has been recurring. As more repressive laws were brought in by the Government to stop such occurrences, other issues sparked more protests; the quota reform movement was led by university students and the safe traffic movement by school children … what next, kindergarten students protesting for ‘freedom of speech’?

    Shahidul mentioned about bank looting; well, it is estimated that it is

    $35 billion to date which is enough to build ten Padma bridges and yet the looters were not arrested. (https://www.dhakatribune.com/business/banks/2018/04/04/sanem).

    He mentions about enforced disappearances, about 80 per year, (https://www.hrw.org/news/2017/07/06) but none have been investigated, about corruption (https://www.transparency.org/news/feature/corruption) but the index keeps getting worse …. these are truths, facts that those who benefit choose to ignore.

    Shahidul used his camera, his voice, his courage to protest against all forms of repressions, against the military dictatorship of Gen. Ershad, (which has brought in the political parties of today), subsequently wrote to Begum Khaleda against state failings, protesting against corruption and repression and has done the same about the current Awami League. He has invested his personal assets (building Pathshala on his parental property, subsidizing Drik often through his own funds), his time, his network and finally his freedom to ensure that the people of Bangladesh enjoy their liberty from all forms of repressions. This Government and its mouthpieces like Swashati have taken the benefits of his past protests, but ended up in jailing him when the focus shifted to them.

    ‘No activist or reporter should have to fear for their lives when speaking out…. Given current crackdowns on both civil society and the media worldwide, we need to do more to protect those who speak up.’

    Patricia Moreira, Managing Director, Transparency International

    And speak up is what Shahidul did, to the discomfort of the party and Swashati.

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      Thanks for clarifying the issue and drawing a very positive conclusion. Sometimes ‘Truths’ are revealed as ‘Lies’ according to the changed situation. So, time will say who is wrong and who is right. Let us hope the ‘Truth’ comes out finally.

      Can you please give me an answer to my question, – recently some distinguished freedom fighters of the country are bitterly criticising the role and activities of the government; should we mark them as ‘Razakar’ only because they are talking against the government? Only a truthful answer to this question can help to clarify whether Dr. Shahidul Alam was right or wrong, I think.

      Reply
    • মাহবুব কবীর

      সুপাঠ্য। সুবিচারপ্রসূত লেখা। ধন্যবাদ শিক্ষণীয় লেখার মধ্য দিয়ে চিন্তা ও বিবেক উষ্কে দেবার জন্য। অভিবাদন!

      Reply
    • Md. Ali Azgar

      Thanks brother, You have revealed the truth….the bitter truth which is hard to digest….. we have too many biased minded people who only speaks supporting particular Political party…

      Reply
    • জব্বার আলি

      chathu আপনার ইংরেজির গুণগত মাণ নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। ধরে নিচ্ছি আপনি বড় একাডেমিক লোক। কিন্তু যুক্তিখন্ডনে আপনার পারদর্শিতা অত্যন্ত দুর্বল। লেখিকা সবুর খানের সঙ্গে পারিবারিক যে যোগসূত্রতা তুলেছেন সেটা রাজনৈতিক আদর্শে একজনের বড় হওয়ার ইঙ্গিত। আজকে যে কারণে সাকা চৌধুরীর সন্তানেরা তার বাবার আদর্শের ধারণ করে। সে সম্ভাবনাকে আপনি কি বললেন যে পরিবারে একজন খুনি বা ছেলেধরা থাকলে বাকিদের কেন ধরা হবে। সবুর খান একটা বিচ্ছিন্ন খুনী বখে যাওয়ার সঙ্গে তুলনীয় নয় সেটা আপনার না জানার কথা না।

      আপনি দাবী করছেন খুব কাছ থেকে তাকে দেখেছেন, জেনেছেন। কিন্তু শেষে শহিদুল স্তুতি গাইতে গিয়ে দাবী করে বসলেন যে উনি সব উজাড় করে দিয়ে গড়ে তুলেছেন পাঠশালা। He has invested his personal assets (building Pathshala on his parental property । পাঠশালার পয়সার উৎস কোথায় এটুকু আমি আপনার চাইতে ভাল জানি। বাইরে থেকে আসা আট কোটি টাকার প্রজেক্টটিতে সার্টিফিকেট বানিজ্য ঘটেছে একদিকে অন্য দিকে পুরো টাকাটি আত্মসাৎ হয়েছে সুকৌশলে। এটা নিয়ে আলাদা লেখা লেখা যায়। আমাদের দেশে এরকম অনেক শহিদুলদের দেখেছি .. সুতরাং এটা নিয়ে আলাদা করে লেখার রুচি হয় নি।

      এখন আসল জায়গায় আসেন। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে অনেক অসিলা দেখেছি। কিন্তু জিয়া ও পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংযোগে, ফুলে ফেঁপে ওঠা জামাতি বিশাল পয়সাওয়ালা চক্র যখন যুদ্ধাপরাধীদের হাত থেকে বাঁচতে মেধাবীদের কিনতে শুরু করেছিল তখন ডেভিড বার্গম্যানেরা লিখে গেছে বিদেশী পত্রিকায়, আর শহিদুলদের দেখি নানান কায়দায় ফ্যালাসি যোগ করতে। আপনার নিজের টোনটাও পুচ্ছদর্শিত হয় যখন দেখি কেন অল্পলোকের ফাঁসি হলো এমন প্রশ্ন তোলা হয়। রেফরেন্সবাজী করার পক্ষে নই। কারণ শহিদুলদের মত শত সুবিধাবাদী লোক এবং তাদের সমর্থন তৈরি হয়েছে এই দেশে। এক সময় কয়জন এনায়েতুল্লাহ খান দেশের মিথ্যাচার করেছে। এখন সেটা তেলাপোকার মত বংশ বাড়িয়ে ছড়িয়ে গেছে অনেক পত্রিকায়। শহিদুল নিজে সেই মিথ্যাচারের দলের মানুষ এবং তার পক্ষেও আছে আরেকদল মিথ্যাচারী। আপনি সেই লিংকবাজী করে এমন কিছু প্রমাণ করেন নি। বরং মূল পয়েন্ট থেকে সরে এসেছেন। অথবা নিজেকে তাদের দলের একজন বলে প্রমাণ করেছেন।

      Reply
  4. হায়দার

    নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ শহিদুল আলমের আর্টিক্যালটি প্রকাশ হয়েছিল ২০১৩-র ফেব্রুয়ারী মাসে। আর এটি “মিথ্যা” প্রমাণের মন্তব্যটি করা হল ২০১৮-র আগষ্ট মাসে। মন্তব্যকারিনীর এই দীর্ঘ ৫ বছর ৬ মাস ঘুমিয়ে থেকে হঠাৎ জেগে ওঠার কারণ কি? উনি কিসের অপেক্ষায় ছিলেন? তাও আবার “মিথ্যুক” ব্যক্তিটি গ্রেফতার হওয়ার পরে। জেনেশুনে এরকম একটি “মিথ্যা” কে এত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত প্রকাশ না করার জন্য উনার বিচার হওয়া উচিত নয় কি।

    Reply
    • জব্বার আলি

      হায়দার সাহবে, আপনার যুক্তি অনুসারেতো মীরজাফরদের সমালোচনা করা যাবে না। এমনকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা নিয়েও যুক্তি ছিল এমনই – এত বছর যেহেতু বিচার হয় নি সুতরাং এখন কেন? শহিদুলদের স্বাধীনতা বিরোধীদের দলে আমি নেই না। তারা নিজেদের ফান্ডিং আনাতে ব্যবহার করে গেছে বিদেশী মিডিয়ার পায়ের কাছে পড়ে থেকেছে। এখানে তার উদ্দেশ্য এবং প্রোপাগান্ডার প্যাটার্ণটি লেখিকা তুলে ধরতে চেয়েছে। তার ভুল হলে পয়েন্টে থাকুক।

      Reply
    • বিপ্লব রহমান

      এই প্রশ্ন আমারো। বিলম্বিত এই শাশ্বতী বিপ্লবের হেতু কী?

      ঝোপ বুঝে কোপ মারা??

      Reply
  5. A Rahman

    Mr. Sarker is telling
    “আরেকটি কথা, আপনার ভাষা আমার কাছে অশোভন মনে হয়েছে।”-
    Where is her অশোভন language? And why you are reacting? If possible write an article defending Mr. Shahidul with sweet language. Many can understand the cause of gatrodaho like you.

    Reply
  6. আশরাফ

    প্রবন্ধ পড়ে যা জনলাম, তাতে মনে হলো তিনি (শহিদুল আলম) প্রগতির পতকা হাতে প্রতক্রয়াশীল গোস্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিয়োজিত।

    Reply
  7. Anwar A. Khan

    Please read an article titled, “Medhabi Alokchitri Shahidul Alam” written by Mr. Kabir Chowdhury Tonmoy which has appeared today in The Daily Janakantha.

    I saw in my own eyes what Jamaat-e-Islami sub-humans did in 1971. To understand these vile creatures, please read my two articles which were published in the English Opinion Pages in 2015 of http://www.bdnews24.com (vide the writers’ list therein).

    During our glorious Liberation War in 1971, they prounced our holy religion-Islam’s words in very louder tones repeatedly, “Naraye Takbir, Allahu Akbar. Pakistan is the holy place of Islam. Pakistan Zindabad” and then they slaughtered our freedom-loving people. They never allowed those dead bodies for burial. Instead they boastfully allowed those dead bodies to eat by the dogs, vultures, jackals and other human flesh eaters. Look at their audacity!

    They are so many people in our society irrespective of classes who have many hats.

    Reply
  8. Bulbul Sarwar

    আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না লেখিকাকে—।
    ছোট্ট দেশ আমরা, সেখানে শহীদুল আলমের মত একটা প্রতিভাবান মানুষকে নিয়ে হাংকি-পাংকি করে আর বিভক্তি নাইবা বাড়ালাম। আমরা মুসলিম লীগ-্নএর এন-এস-এফকে দেখেছি— ৭২-থেকে ৭৫ দেখেছি। জিয়া-এরশাদ আমল দেখেছি। বর্তমান সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং কিছু স্বৈরাচারী আচরণও দেখেছি। মূল দাবিটি- হলো উন্নয়ন ও শান্তি। ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু অসভ্য দেশের অবুঝ-রিকশাওয়ালাও প্রধানমন্ত্রীর নাম ধরে গালি দেয়ার ধৃষ্ঠতা যেমন দেখায় আবার সুনির্বাচিত-সুসভ্য সাংসদরাও কুৎসিত গালি দেন। সাংবাদিকদের এ-থেকে দূরে থাকা সর্বত্রভাবেই কাম্য।
    যে দুর্নীতি দমন কমিশন ৪০০০ কোটি টাকার চোরকে আসামীই করে না, আর নির্জন-সেলে পুরে রাখে দু-কোটি টাকার মামলায় অভিযুক্ত সম্মানীয় ব্যক্তিকে তাদের মুখে সাত্ত্বিকতা মানায় না। অনুগ্রহ করে সত্যের পক্ষে থাকুন, দেশের পক্ষে থাকুন।
    (আর, আপনার ইংরেজীর অনুবাদও পক্ষপাতপূর্ণ, এটা আপনার যোগ্যতাকেই খাটো করছে)।
    মনে রাখবেন, জ্ঞান আর চালাকী এক নয়। ধন্যবাদ।

    Reply
    • MSahadet

      আপনার ইংরেজীর অনুবাদ অপরিপক্ক, পক্ষপাতপূর্ণ। আপনি ইচ্ছাকৃতভাবেই এটা করেছেন। জ্ঞানচর্চা আর চালাকী এক নয়। ধন্যবাদ

      Reply
    • Giashuddin Chowdhury

      বাঙ্গালী তার্কিক জাতি। সত্য বা প্রমাণিত সত্যকে মেনে নিবে না। শহিদুল আলম অনেক প্রতিভাবান মানলাম কিন্তু সেই প্রতিভা দিয়া দেশের ক্ষতি করলে তাকে জেলেই দেয়া উচিত।

      Reply
    • Jabber

      Bulbul Sarwar

      আপনার কথাটি সমর্থন না করার উপায় নেই কারণ জ্ঞান এবং চালাকী এক নয়। একই ভাবে প্রতিভাধর আর চালাকীও কাছাকাছি হয়ে গেছে। শহিদুল আলমের মত লোকদের প্রতিভা থাকা মানে তারা বিচার বিশ্লেষনের উর্ধ্বে অথবা আইনের উর্ধ্বে এমন আমি মানতে পারলাম না। যদিও আপনি সিরিয়াস কমেন্টের ভেতর হাংকি পাংকি টার্ম ব্যবহার করে বিষয়টাকে হালকা করে ফেলেলেন। শহিদুলদের ক্যামেরার টেকনিক নিয়ে প্রশ্ন নয়, আলো ছায়ায় পারদর্শিতা বিচারেও তাকে ভাবানো নয়। তার চোস্ত ব্রিটিশ ইংরেজিতে দক্ষতা নিয়ে কথা নয়। বরং তার প্রতিভার ব্যবহার করে কি করেছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন। বলাবাহুল্য স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালে যেমন প্রতিভাবানদের একটা দল বিবৃতি দিয়ে গেছে পাকদের পক্ষে, গণহত্যা দেখে শুনেও প্রতিভাবানদের দেখা গেছে নিজেদের সুবিধার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানীদে সমর্থনে রয়ে যেতে, এই প্রতিভাবানদের একটা গোষ্ঠীই নির্লজ্জ ভাবে মিথ্যাচার করে গেছে এবং শেষে মুজিব হত্যায় মিশন সাকসেস ফুল হয়ে জিয়ার হাতে পুরস্কার গ্রহণ করেছে। আমি কাছ থেকে দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ প্রাণের যে হৃদয় বিদারক দৃশ্য তার পাশা পাশি শহিদুল আলমদেরর মত প্রতিভাবান বিহারীদের উপর নির্যাতনকে হাইলাইট করতে ব্যস্ত। আমি শিক্ষকদের দেখেছি দেশের দুর্দশার দৃশ্য বিক্রি করে ফান্ড এনে সেটা নিজেদের সুবিধায় ব্যবহার করতে। শহিদুল আলমেরা এই কাজটি করেন। আজকে বাংলাদেশে ফিঙ্গার পয়েন্টিং এর যুক্তি বেশ চলে। আর একটা অপরাধের শাস্তিকে ঢাকতে অন্য অপরাধের যুক্তি টানা মানা গেল না।প্রতিটি অপরাধের বিচার হোক …

      Reply
  9. ওবাইদুল ইসলাম

    শিক্ষার্থীদের সামাজিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক রঙ দিয়ে বহু সুবিধাবাদীরা ফায়দা লুটার চেষ্টা করেছে। বিশেষ করে ঘাপটি মেরে থাকা বর্ণচোরা স্বাধীনতা বিরোধীরা। এইসব বর্ণচোরা স্বাধীনতা বিরোধীদের সহজে চেনা খুবই কষ্টকর। প্রায় সর্বক্ষেত্রেই তাদের সাধের পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের অনেক পিছনে, তারপরও এদের অন্তরে পাকিস্তান প্রীতি। বাংলাদেশে যেমন প্রচুর দেশপ্রেমিক আছে তেমন মীরজাফরদের সংখ্যাও কম নয়।

    Reply
  10. Faruk Kader

    Dr. Alam was arrested not for what he thought about the Shahabag movement. So his article in Newyork Times is irrelevant here. I think the writer of this article should have talked about what she thought about Dr. Alam’s role as a journalist in the movement for road safety which led to his arrest.

    Reply
    • Prodip Barua

      ছাত্ররা আন্দোলন করেছে নিরাপদ সড়কের জন্যে, আর বদিউল আলম এর বাসায় নিশি রাত বুড়ি চাঁদ, দেখা গেছে সড়ক বাতি লাগানোর জন্যে আর খসরু, মান্নার ফোনালাপ হয়েছে বদি মিয়ারা কেন চুপি চুপি বাঁশি বাজায় সে জন্যে, কোন কিছুই রাজনৈতিক নয়। শহিদুল আলজাজিরায় একখানা সুযোগ পাইয়া অবৈধ সরকার দিয়া শুরু কইরা ফেয়ার ইলেকশনের দাবী দিয়া শেষ কইরা মনের কথা কইলেন। এসব কোনটাই রাজনৈতিক নয় এবং ছাত্র আন্দোলনের লগে খুবই প্রাসঙ্গিক। স্বৈরাচারী সরকারের এজেন্ট রা এটারে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে। হা হা হা উনি এই কারণেই এরেস্ট হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমস এখানে অপ্রাসঙ্গিক

      Reply
    • Giashuddin Chowdhury

      you are wrong. He is a photographer, not a professional journalist.He has good international connection. He was not reporting for Road safety. He is working and telling the lie against our country and government. He should be punished.

      Reply
  11. Jeson shimul

    ইবলিশ ছিল খোদার সব চাইতে প্রিয় ফেরেশতা তার ভাল কাজের জন্য।
    এই কথাটি আপনি কোথায় পেয়েছেন রেফারেন্স দিন,
    মনে রাখবেন ফেরেশতাদেরকে আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন নুর দিয়ে, আর /জীন/ ইবলিশ কে সৃষ্টি করেছেন আগুন দিয়ে এবং আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দিয়ে তাহলে আগুনের তৈরী ইবলিশ ফেরেশতা হলো কিভাবে।

    Reply
    • Bongo Raj

      ধরে নিন জিনই ছিল, এখানের ডিবেট হলো আগে ভাল কাজ করেছে বলে, তার সারা জীবনের সব কাজকেই কি ভাল বলেই ধরে নিতে হবে? তা নয় বলেই অমন উপমা দেওয়া।
      কথা ঊঠলে বা সন্দেহ হলে তা যাচাই করার সময়টুকু দিতেই হবে তাই ছিল আমার কমেন্টের উদ্দেশ্য।

      Reply
  12. জুনায়েদ

    আপনি বাংলায় দুর্বল নাকি ইংলিশে ঠিক বোধগম্য হল না। নাকি ইচ্ছে করেই প্যাঁচ মারলেন? তবে, আপনার কল্পনাশক্তির প্রশংসা করতেই হয়! শহিদুল আলমের লেখাকে ইচ্ছেমত ভাবানুবাদ করে যেভাবে ঘুরেফিরে শ্মশানেই নিয়ে গেলেন…অসাধারণ!

    Reply
  13. সজল সাহা

    প্রথম মন্তব্য করার আগে নিউ ইয়র্ক টাইমস এর লেখাটা পড়ি নাই, বাট পড়ার পর যেইটা বুঝলাম, বিভিন্ন সময় এক্সট্রেমিস্টরা অনেক সুরা আয়াত মিসকোট বা পার্শিয়াল কোট করে, ওই অল্প জ্ঞানের সুযোগ নিয়ে ভুল পথে নেয়। এখন মনে হচ্ছে, পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আপনাকে ভুল ধরিয়ে দেয়াও ভুল হয়েছে, কারণ আপনি তো ভুল করেন নি, বরং জেনে শুনে বুঝে এই লেখাটি লিখেছেন ।

    যারা আসলেই বুঝতে চান, পড়ে আসতে পারেনঃ https://www.nytimes.com/2013/03/01/opinion/bangladeshs-40-year-quest-for-justice.html

    এতটা পরিস্কার এবং নেকেড ট্রুথ একমাত্র তারাই লিখতে পারেন যারা কোন পক্ষের ধার ধারেন না। নিজেকে কলম যোদ্ধা ভাবার আগে পরের বার ভালভাবে চিন্তা করবেন, কলমের অনেক দাম। এরকম প্ল্যাটফর্ম এর সদ্ব্যবহার করবেন বলে আশা করি।

    Reply
    • Prodip Barua

      ভাই কি বললেন, উনি কোথায় মিস ইন্টারপ্রেট করলেন। নিউইয়র্ক টাইমস এ তো সুক্ষ চাতুর্য সেই প্রতিবেদনে স্পষ্ট। শেখ মুজিবের নাম বার বার আসছে কিন্তু সেই মিলিটারি ডিক্টেটরটা কে, যে সামরিক শাসন জারি করে সংবিধান পাল্টে দিয়েছিলেন? ধরেন আমি জানি না। শহিদুল কি আমাকে সেটা জানার সুযোগ দিয়েছেন, নাকি তার নামটা উহ্য রেখে স্বস্তি পেয়েছেন, নাকি সেই নামটা এই প্রতিবেদনে রেলিভেন্ট নয়? উপরের লেখায় আরও অনেক প্রসঙ্গ বাদ গেছে যেখানে শহিদুল স্বজ্ঞানে অনেক চাতুর্য দেখিয়েছেন।

      Reply
    • বিপ্লব রহমান

      এ ক ম ত।

      শাশ্বতী বিপ্লব ইংরেজীতে দুর্বল, না বাংলায় দুর্বল, নাকি চাতুরীতে সবল?

      তার গল্পের গরু শেষ পর্যন্ত শ্মশানঘাটেই গেছে, এই জ্ঞানে আপাতত তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলাই যায়। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের রেফারেন্স অরপিসহ।

      Reply
  14. kamal

    Nothing in this universe happened, happens and will happen without the wish and direction of The Great Allah! Iblish and Mr Islam aren’t exceptions! That’s my understanding as a simple person!

    Reply
    • shamim

      Mr. Kamal, in which way or statement states that everything is happening with the wish of ALLAH? Then Why Did he gave us free will? please let me know the exact Ayah from Quran about your acquisition.
      and how can you mix Islam and Iblish in same line? and how can you call a religion Mr. ?

      Reply
  15. Anwar A. Khan

    Dear Writer,

    My hats-off goes to you. You have debunked the falsehood of anti-Bangladesh liberation forces with veritable references and information.

    Toby Cadman, LA Carlile, David Bergman… are the true compadres of Al-Badr, Al-Shams, Rajakars, Mujahid Bahinis who brutally committed genocide in our country in the name of Islam in 1971.

    If you wish, you may please read my article titled, “LA Carlile: The scapegrace will never listen to a moral lecture” which appeared on 10th July 2018 in Sri Lanka Guardian, a leading national English daily of Sri Lanka. Following internet link will help you to read it:

    https://www.slguardian.org/la-carlile-the-scrape-will-never-listen-to-a-moral-lecture/

    Whatever spiral bend or twist or coil, these rogue persons in the guise of humans want to make, it will finally fall flat. The war criminals’ trials which are still going on in Bangladesh are for the just cause and their verdicts be shinning us as bright stars. A noble cause has no death. But the place of those malefactors shall be the outfall at a far-off grime place.

    Reply
  16. আরিফ

    শাশ্বতী বিপ্লব আপনি কোন ঘরানার সেটাতো বললেন না। আপনি যে ঘরনার তারা যা বলে সব সত্যি। আর অন্য ঘরানার ব্যক্তিরা যা বলে সব মিথ্যা। কি বিচিত্র মানুষের চরিত্র।

    Reply
  17. Rabbani M M Golam

    তিন নম্বর মিথ্যেটি’র অনুবাদ কি ঠিক আছে?

    শহিদুল আলম লিখেছেন-

    Bangladesh’s original Constitution had four basic principles: nationalism, democracy, socialism and secularism. Military dictators replaced that with “absolute trust and faith in the Almighty Allah as the basis of all actions” in 1977, and made another change in 1988 that led to our once-secular nation’s being redefined as an Islamist one. Martial law, amnesty and political deals allowed the collaborators to go free and Jamaat-e-Islami to gradually rejoin the political mainstream.

    তাহলে কী দাঁড়ালো? উনার ভাষ্যমতে, সামরিক আইন, বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা এবং রাজনৈতিক ঐক্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীকে ফিরিয়ে আনে।

    শহিদুলের সমালোচনা নিশ্চয়ই হওয়া উচিত। সেটা গণমাধ্যমেই হওয়া উচিত। আপনার মতো আরও শ’য়ে শ’য়ে লেখা ভিডিও প্রকাশ করে তাঁকে তুলোধুনা করা উচিত। কিন্তু কারাগারে নেয়া একটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত, এই মুহূর্তে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত। কারাগার আরও পরের ব্যপার।

    Reply
    • mahibul ahsan

      ঐ গল্পটি শুনেনি? ঐ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হযে়ছে ২৬ মার্চ। ৩০ মার্চ ক্ষমতা ছাড়ার আগে বেগম খালেদা জিয়া ওটি দিয়ে গিয়েছিলেন। জুন বা জুলাই মাসে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা ও টি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছেন মাত্র।

      Reply
  18. আবু আহাদ শাওন

    এই লোক তো দেখা যায় মহা ধুরন্ধর। প্রথমে মনে হবে সে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য আকুল। কিন্তু আসলে লেখা তো যুদ্ধাপরাধীর বিচারেরই বিপক্ষে। এরকম জ্ঞানপাপীর জন্যই বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার যথোপযুক্ত বিচার করা হোক। যেন ছেড়ে না দেয়া হয়।

    Reply
  19. সজল সাহা

    মিথ্যা-১
    “but the quest for justice was derailed” ন্যায় বিচারের পথ বাধাগ্রস্থ হয়েছিল, শেষ হয়ে যায়নি। “against whom trial had not yet been initiated” অর্থাৎ যাদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুই হয়নি তখনো ।

    একদম কোন বিচার হয়নি, আর পুরোপুরি সুবিচার হয়নি এই দুইটা ধারনার মধ্যে অনেক ডিফারেন্স, কিন্তু তারপরও কিভাবে গুলিয়ে ফেললেন, বোঝা দায় ।

    মিথ্যা ২ঃ
    টু দা পয়েন্ট কোন মিথ্যা কথা কি? আপনি তো জাস্ট একটা কথা কেই সাপোর্ট করলেন আর ব্যাকগ্রাউন্ড যোগ করলেন।

    মিথ্যা ৩ঃ
    আপনি একিউজ করতেছেন একজনকে, এড়িয়ে যাওয়ার জন্যে, আসলে আপনি কিন্তু নিজেও শিওরলি জানেন না “আসলেও কি সে এড়াতে চেয়েছিল কিনা। কিন্তু নিজে এড়িয়ে গেলেন “Military dictators replaced। মার্শাল ল, কে দিয়েছিল? এমনেস্টি ও তারাই দিয়েছিল, আর পলিটিক্যাল ডিল এইটার কথা আপনারই ভাল জানার কথা। কিভাবে এইখানে বঙ্গবন্ধু কে ইন্ডিকেট করা হয়েছে, ফ্র্যাঙ্কলি স্পিকিং আমি বুঝি নাই ।

    মিথ্যা ৪ আর মিথ্যা ৫, অনেকে অনেক ভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে বাট যখনই আপনি অন্যের চিন্তাকে ডাইসেক্ট করতে যাবেন, কখনই আরেকজনের সঙ্গে আপনার মতের মিল হবে না। কারণ সবার আদর্শ আলাদা, আর চিন্তা আপনি না চাইলেও আদর্শ দিয়েই পরিচালিত হবে ।

    আমার একজন স্কুল শিক্ষক বলেছিলেন, স্কুলে আমরা কবিতা পড়ি, কিন্তু কখনো কি দেখেছো, কবি নিজের কবিতার অর্থ বলে দেন? দেন না। কারণ, এখানে বিটুইন দি লাইন অনেক কিছু বোঝার থাকে, সবাই সবার মত করে বুঝবে, সবাই সবার মত করে ব্যাখ্যা করবে।

    আমি জানি ইতিহাস কখনও কবিতা হবে না, হবে এক এবং অদ্বিতীয়। কিন্তু ইতিহাস নিয়ে মানুষের ব্যাখ্যা, আলোচনা খুব কমই দেখেছি এক হতে। তাই কারও কথা লাইন বাই লাইন তুলে, শিরোনাম মিথ্যা মিথ্যা বলে চিৎকার করার আগে ভাবা উচিৎ। হতেও তো পারে, আপনার বিবর্ধিত ব্যাখ্যা আর লেখকের চিন্তা আসলে এক ই ছিল।

    মানুষের ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে জুডিসিয়ারি চলে না, তেমনি জুডিশিয়ারি সব ধরনের প্রভাবমুক্ত একটি ইন্সটিটিউশন হওয়াও চাই। তাহলেই আপনার, আমার কাউকেই আর কোন কনভিক্টেড ক্রিমিনাল এর গুণগান গাইতে হবে না, কিংবা কনভিক্ট হবার আগেই তাকে নিয়ে, অতীত নিয়ে টানাটানি করতে হবে না।

    আপনার কথা দিয়েই শেষ করি “যদিও একজন মানুষের অন্যায়কে অন্যায় বলার জন্য তার অতীত পরিচয় টানার দরকার নেই, আবার এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করতে তাকে মহান বানানোরও প্রয়োজন নেই।”

    আপনি কোনটা করলেন?

    ধন্যবাদ।

    Reply
    • জিসান

      খুব সুন্দরভাবে শেষ করলেন। আপনি এই পত্রিকার অপিনিয়নে এই লেখার একটি রিবাটাল লিখুন না দয়া করে? কারণ কমেন্ট অনেকেই পড়ে দেখেনা। নাকি দেবে না লিখতে?

      Reply
  20. আরিফ আহমেদ

    শহিদুল আলম ধোয়া তুলসি পাতা নয়। তার কর্মকাণ্ড বিতর্কিত। কিন্তু তাকে একটু ভদ্রভাবে গ্রেফতার করা যেত। পুলিশের টানা-হেঁচরা ভাল লাগল না।

    Reply
    • Prodip

      কয়েনের উভয় দিকটা দেখা দরকার । উনাকে যখন টেনে হিচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আমার দেখেছি উনাকে এমন মার দেয়া হয়ছে যে হাড্ডী মাংস একাকার হয়ে গেছে। কিন্তু যখন কোর্টের আদেশ অনুযায়ী হাসপাতালে নেয়া হল তখন জানতে পারলাম উনি সুস্থ স্বাভাবিক। তাহলে কিভাবে দেখবেন উনার সেই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কে?

      Reply
  21. এম কে জামান

    ব্যক্তি এবং দেশ এদের মধ্যে আকাশ-জমিন পার্থক্য। ব্যক্তির চেয়ে দেশ অনেক বড়। শেখ মুজিব এদেশের প্রতিষ্ঠাতা, দেশ না হলে হয়তো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অন্তরালেই থেকে যেত আর দেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করে তা দেশদ্রোহীর সামিল। মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, আর তার নেতৃত্ত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত কুলাঙ্গার হচ্ছে জামাত শিবির। এই শ্যামল বাংলাকে তারা চায় জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে। শহিদুল হক ঐ জামাত শিবিরের একজন প্রতিনিধি এই জন্য সে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য, শেখ হাসিনা সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য, এই উস্কানিমূলক মিথ্যাচার করেছেন।

    Reply
    • মোঃ ইব্রাহিম

      কুলাঙ্গার জামাত-শিবির তাদের কুকর্মের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সৃষ্টি করে বিএনপি অর্থাৎ বিএনপি স্রষ্টা। এখন প্রশ্ন হলো কে বেশী খারাপ সৃষ্টি না স্রষ্টা? সৃষ্টিকে বিনাশ করে স্রষ্টাকে রাখা কি সমীচিন??

      Reply
  22. আবু সালেহ

    রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের রয়েছে একটি বিশাল propaganda মেশিন যা মিথ্যাচার এবং তার মতের বিরোধীদের চরিত্র হননে পারদর্শী। এখন শহিদুল ইসলামের চরিত্র হননের পালা। লেখিকাকে মনে করিয়ে দিতে চাই সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে শুধু জমায়াত নয় বাকসাল থেকে আবার আওয়ামী লীগে ফিরে যাওয়াও ওই একই আইনে ফল।

    Reply
  23. আসমা সুলতানা

    সত্য শেখাতে চান সবাইকে?
    শুনুন সত্যটা তাহলে: সেটা হলো; আমরা কেউই আমাদের মাতৃভূমিকে ভালোবাসি না। আমরা সবাই, সবাই মানে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাস্তার ভিখিরিটা, আমরা বাংলাদেশকে কতটুকু ভালোবাসি? আপনিই বা কতটুকু বাসেন? কে চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ও তাঁর পরিবারের হত্যার বিচার? শাহবাগ না জাগলে, সাধারণ মানুষ সেদিন না জাগলে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আজ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হত। দেশে বসে দেশের বাইরের চিত্র অনুধাবন করা সম্ভব নয়। দেশের বাইরের সমাজ অনেক বেশী শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান তারা জানেন কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা। তারা জানেন বাংলাদেশ সম্বন্ধে এবং তারা জনেন শহিদুল আলমকে।
    যে দেশে গুণীর কদর নেই সেই দেশে গুণীর জন্ম হয় না। হলেও দশা হয় এমন। শিল্পীদের হয় মৃত্যু হয়, না হয় বিতাড়িত!

    Reply
    • Bongo Raj

      ছোট্ট দিদি ভুল করেছো–
      যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর বঙ্গবন্ধুর ও তাঁর পরিবারের হত্যার বিচার শুরু হয়েছিল ১৯৯৬সন থেকেই। গণজাগরণের আন্দোলন থেকে নয়। গণজাগরণ-এর আন্দোলন দিয়ে তা Accelarate হয়েছিল শুধু।
      ২০০১ সন থেকে এক কুলাঙ্গার দল ক্ষমতায় এসে ১৯৯৬ সন থেকে শুরু হওয়া বিচারকে ভন্ডুল করে দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, আজ যে তুমি আর্ন্তজাল ব্যবহার করে তোমার পাণ্ডিত্য ঝাড়ছো তারা কিন্তু তাও বন্ধ করে দিয়েছিল (বঙ্গোপসাগরে পাতা অপটিক্যাল ফাইবার কেবল এর সাথে সংযোগ না দিয়ে)। হাসিনা এসেই তোমার মত পন্ডিতদের আরও পন্ডিত হতে সাহায্য করে যাচ্ছে।
      কেউ বাংলাদেশকে ভালবাসে না বলে ফেলেছো, তাহলেতো দাঁড়ায় সবাই পাকিস্তানকে ভালবাসে, কারণ পাকিস্থান থেকে সেপারেট যারা হতে চায়নি তারাই তো বাংলাদেশকে ভালবাসে না। এই কথাটাই কি বুঝাতে চেয়েছো?
      বড় দুর্ভাগা এই দেশ তার থেকেও বড় দুর্ভাগিনী তুমি!
      তবে তুমি যদি পাকিস্থানপ্রেমী হও তা ভিন্ন কথা!!

      Reply
    • Raquib

      Dear sister you are wrong may be you can’t love Bangladesh but you cant say nobody love Bangladesh. Because you are Pakistani beast like as sahidul Alam. As you mentioned he is an intellectual who is he try to understand deeply. Stupid

      Reply
    • জব্বার আলি

      ” দেশের বাইরের সমাজ অনেক বেশী শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান তারা জানেন কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা”

      এটা কোন রকম যুক্তি?? আপনার পুরো বক্তব্যকে নষ্ট করতে একটা কথাই যথেষ্ট

      Reply
  24. shochib

    The police did not arrest him for his previous remarks, but for the interview with al-jazeera. This article is written in the support of a autocratic power, using the “bosta pocha” anti-Jamat sentiment that has no connection at all to the main issue. If Jamat is your issue why not banning them right away? why does AL needs a Awami Olema party? does it not reflect how they back-stabbed the secularist ideology we fought for in 1971? Lets talk about why Mr.Shahidur was arrested. Any one, with naked eyes, can see what he said about the government which is all true. It is nothing connected to his previous remarks on politics but the current situation created by a irresponsible minister.

    Reply
  25. সরকার জাবেদ ইকবাল

    সুপ্রিয় শাশ্বতী, আপনি ঠিক কি বোঝাতে চাইলেন বুঝতে পারলাম না। আপনি ড: শহিদুল আলমের যেসব উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছেন সেগুলোতে সত্যের অপলাপ হয়েছে বলে আমার মনে হয়নি। তিনি তাঁর বিবৃতিগুলোতে কিছু দুর্ভাবনা/আশঙ্কার কথা বলেছিলেন যেগুলো পরবর্তীকালে বাস্তবে রূপ লাভ করতে দেখা যায়। সেই হিসেবে তাঁকে বরং একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষই বলা যায়। অন্তত তাঁকে বোধ হয় মিথ্যাবাদী বলা যায় না। বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

    আরেকটি কথা, আপনার ভাষা আমার কাছে অশোভন মনে হয়েছে। কথাগুলো আরও পরিশীলিত ভাষায় বলা যেতো। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ হিসেবে মানুষকে সম্মান করতে না পারলেও অসম্মান বোধ হয় করা যায় না।

    Reply
  26. Bongo Raj

    ইবলিশ ছিল খোদার সব চাইতে প্রিয় ফেরেশতা তার ভাল কাজের জন্য।
    সেই ইবলিশই কিন্তু একদিন তার একটা মাত্র খারাপ কাজের জন্য ( কারণটা সবার জানা, বোকার মত উল্লেখ নাই বা করলাম) মুহূর্তের মধ্যে শয়তান হয়ে গেল। লক্ষ লক্ষ হাজার কোটি বছরের ভাল কাজগুলোও যদি একটা মুহূর্তের খারাপের কারণে বিলীন হয়ে যেতে পারে, আমারা মানুষরা তো কোন ছার।
    তাই নিজকেই জিগাই বিচারের জন্য কি অপেক্ষা করবো নাকি ভেবে নিতে হবে শহিদুল আলম “ইবলিশ থেকে শয়তানও হতে পারে” বা তারও ঊর্ধ্বে।

    Reply
    • Nani Gopal Sarkar

      I think that it’s clear and healthy information of writer. So, we should all wait and see to know actual information within day about Shahidul sir.

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—