গত মার্চ মাসে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাফর ইকবালের জীবনের উপর হামলা হয় হামলার দুদিন পর তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক আসেন এক সাংবাদিক সম্মেলনে সেখানে তিনি বাংলাদেশ যে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে স্বাধীন হয়েছে তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আজকের ছাত্র সমাজ এবং নতুন প্রজন্মকে তা বোঝানোর উপর গুরুত্ব দেন স্বাধীনতার চার বছরের মাথায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে নতুন এক জাতীয়তাবাদের ধারণাদেওয়া হয়, যা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ হিসেবে পরিচিত সেই থেকে জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে দেশ আজও দ্বিধাবিভক্ত কেউ বাঙালি, আবার কেউ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী কিন্তু কেন? বিষয়ে একটি যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদানের তাগিদেই লেখা ।

আমরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছি তা আজ প্রায় সাতচল্লিশ বছর। যে জাতীয়তাবোধে দেশ স্বাধীন হলো, তা আজও বিতর্কিত। এ প্রশ্নে দেশ দ্বিধাবিভক্ত। কেউ বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী, কেউ আবার বিশ্বাসী বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে। বিশ্বাসের ভিত্তি কি যুক্তি না আবেগ? মানব সভ্যতার শিখরে দাঁড়িয়ে, এ প্রশ্নের জবাবে যুক্তি ও প্রাসঙ্গিকতা প্রাধান্য পাবে, তা নিশ্চয়ই প্রত্যাশিত!

পঁচাত্তরের পর জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে দেশ দ্বিধাবিভক্ত। কেউ বাঙালি, আবার কেউ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দাবিদার। আসলে আমি, আপনি, আমরা জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে কী? বাঙালি না বাংলাদেশী? এ দুয়ের মাঝে কী কোনও দ্বন্দ্ব আছে? বিশ্লেষণের শুরুতে একটি জনগোষ্ঠির মাঝে জাতীয়তার জন্ম ও তার প্রসার কীভাবে ঘটে তা উপলব্ধির বিশেষ প্রয়োজন।

মানুষে মানুষে মিলে হয় সমাজ। ভাষায় ঘটে আদান-প্রদান। গড়ে উঠে সম্পর্ক। সম্পর্ককে ঘিরে শুরু হয় বসবাস। আর বসবাসের পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতা যেমন জল, মাটি, বায়ু, এক কথায় জলবায়ুর ছোঁয়ায় রূপ নেয় গায়ের রঙ, দেহের গড়ন, আহার-নিদ্রার অভ্যাস এবং পোশাক-আশাকের ধাঁচ। এসবের প্রভাবে জন্ম নেয় আত্নপ্রকাশের ধরন। যেমন, নৃত্যের তাল ও সঙ্গীতের সুর। আর এসব কিছু মিলেই হয় সংস্কৃতি – যার নিত্যদিনের প্রকাশ আর অভিজ্ঞতার আলোকে জন্ম নেয় একটি জাতির জাতিসত্ত্বা। রাতারাতি গড়ে উঠে না এ জাতিসত্ত্বা। এটা বিবর্তনেরই অংশ। জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বলতে গিয়ে স্টিভেন অ্যালোস এবং ক্যাথরিন জোন্স তাদের গ্রন্থ অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনালিজম: আ ডকুমেন্টরি হিস্ট্রি (১৯৯১) তে বলেছেন – ‘To understand nationalism of a nation is to begin to understand it’s society and history’।

বাংলাদেশের মানুষের জাতিসত্ত্বা বোঝার জন্য প্রয়োজন এ দেশের মানুষ, সমাজ ও ইতিহাস জানার। শত শত বছর আগে মানুষ বসতি গড়ে, এখানে, আজ যাকে আমরা বলি বাংলাদেশ। বাংলা ভাষায় আদান-প্রদানের মাঝে গড়ে উঠে পারষ্পারিক সম্পর্ক। খাল-বিলে দেশ, বৃষ্টিতে ভেজা, রোদে পোড়া শ্যমলা বর্ণের মানুষগুলো তাই মাছে ভাতে আয়েশি। পোশাক-আশাকে জলবায়ুর প্রভাব সর্বত্র। সুরের রাগ ও নৃত্যের ঝংকারে মেলে এতদ অঞ্চলের প্রকৃতির ছবি। এসবই আমাদের জাতি-সত্ত্বার উপাদান। যুগ যুগ ধরে এসব মিলেই গড়ে উঠেছে বাংলা জাতিসত্ত্বা বা বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। যেহেতু, জাতিসত্ত্বার অন্যান্য উপাদানের মাঝে সমন্বয় ঘটায় ভাষা, তাই  জাতীয়তাবাদ গঠনে ভাষার প্রভাব প্রবল। এ বিষয়টি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে প্রতুলের গানে –

“আমি বাংলায় গান গাই,

আমি বাংলার গান গাই;

আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন

আমি বাংলায় বাঁধি সুর,

আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর;

…”

এখানে ভাষা, দেশ, প্রকৃতি, আত্নপরিচয় এবং প্রাণের আবেগ ‘বাংলা’ শব্দটির মাঝে মিলেমিশে একাকার। তাইতো জাতিসত্ত্বায় আমরা বাঙালি।

তাহলে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের উদ্ভব হলো কোথা থেকে? ১৯৭৫ পর যেভাবে ‘বাংলাদেশ বেতার’ নাম রাতারাতি ‘রেডিও বাংলাদেশ’ হয়ে যায়, তেমনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বদলে উদয় হয় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ। যারা এ কাজটি করেন, সেদিন হয়তো তাদের সঠিক উপলব্ধির অভাব ছিল। ‘বাংলাদেশ বেতার’ বা ‘রেডিও বাংলাদেশ’ একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান – একটি জড় বস্তু। অন্যদিকে, জাতিবোধ একটি সত্ত্বা যা জীবন্ত, যা রূপান্তরে সময় নেয় শত শত বছর।

জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আমরা কী, তা সঠিকভাবে বোঝার জন্য আরও ব্যখ্যার প্রয়োজন। এজন্য ধার নেব দুটি মৌলিক শব্দের। তার একটি হচ্ছে – Nation – মানে, ‘জাতি’। তা থেকে Nationalism – যার আভিধানিক অর্থ ‘জাতীয়তাবাদ’। পাশাপাশি আরও একটি শব্দ – Citizen – মানে, ‘নাগরিক’। তা থেকে Citizenship – যার অর্থ- ‘নাগরিকত্ব’। আর এ দুটি শব্দের মাঝেই মিলবে ৭৫ এর পর কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট সঙ্কট, বাঙালি না বাংলাদেশী, তার সমাধান।

Citizenship অর্থাৎ নাগরিকত্ব একটি contract বা চুক্তি, যা আইনে বাঁধা। চুক্তি যখন ভেঙ্গে পড়ে, তখন আইনগত সম্পর্কে ছেদ ধরে। অন্যদিকে, জাতীয়তা – জলবায়ু, ভাষা, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ঐতিহ্যে গড়া একটি সত্ত্বা এবং এ সত্ত্বার অনুভুতি – যার রূপান্তর আছে, ক্ষয় নেই। এককথায়, একটি চুক্তিতে আবদ্ধ, অন্যটি প্রকৃতি-কণায় বাঁধা।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গোলাম আজমের বাংলাদেশের নাগরিত্ব চলে যায় বটে। তাই বলে সে যে বাঙালি, তা অস্বীকার করার উপায় আছে কি? পাকিস্তানি নাগিরকত্ব গ্রহণ করেছিল ঠিকই, কিন্তু পাঞ্জাবি হতে পারেনি নিশ্চয়!

বাংলাদেশ জাতি হিসেবে একটি Homogeneous, অর্থাৎ সমরূপে গঠিত একটি রাষ্ট্র।  শতকরা ৯৯ ভাগের অধিক অধিবাসী বাঙালি জাতিসত্ত্বাভুক্ত, যা শত শত বছরের সৃষ্টি। তাই আমাদের জাতীয়তাবাদ বাঙালি। যেমন, ইংরেজ, রুশ, বা স্প্যানিশ। বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘জাতীয় মর্যাদার’ বিপরীতে ছাপা হয় ‘বাংলাদেশী’। এটা কী যুক্তি সঙ্গত? এ ভুল নিরসনে প্রয়োজন দুটি শব্দের ব্যবহার।

এক, জাতীয়তা (বা জাতীয় মর্যাদা) – বাঙালি। দুই, নাগরিকত্ব – বাংলাদেশী। বাঙালি আর বাংলাদেশীতে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। দ্বন্দ্ব শুধু এ শব্দদ্বয়ের সঠিক প্রয়োগে। একজন ইংরেজকে স্কটিশ বলা যায় না, অথবা, একজন স্কটিশকে ইংরেজ। তবে তারা উভয়েই ব্রিটিশ নাগরিক, এর মাঝে ভুল বোঝাবুঝির কোনও অবকাশ নেই।

এবার নিজের কথা বলি। ১৯৯৫ এ অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্ট হাতে পেয়ে নেড়েচেড়ে দেখি। Nationality এর পাশে ‘অস্ট্রেলিয়ান’ শব্দটি দেখে আঁতকে উঠি। কি আশ্চর্য! রাতারাতি জাতিসত্ত্বা পরিবর্তিত হয়ে গেলাম ‘অস্ট্রেলিয়ান’। এ কীভাবে সম্ভব? আমি আইনের ভিত্তিতে এবং চুক্তি সাপেক্ষে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক – তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে জাতীয়তায় ‘অস্ট্রেলিয়ান’, সে প্রশ্নে দ্বন্দ্ব আছে।

বহুজাতি-কেন্দ্রিক দেশ যেমন, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকার জন্য এটা একটি বড় ধরনের সমস্যা। পল কিটিং এবং জন কেনেডির কথাই ধরুন। কিটিং-কেনেডি যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকার সরকার প্রধান ছিলেন। দুটি ভিন্ন দেশের নাগরিক হলেও, জাতিগতভাবে উভয়ই আইরিশ।

বহু জাতি-কেন্দ্রিক দেশের কোনও একটি জাতির প্রাধান্যের কারণে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙ্গে পড়ার সম্ভবনা থাকে। তাই ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও ভাষাভাষী জনগোষ্ঠিকে সংবদ্ধ করার প্রয়াসে তারা সৃষ্টি করে ‘রাষ্ট্র-ভিত্তিক’ জাতীয়তাবাদ। এটা একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

এখানে জাতীয় মর্যাদা (Nationality) ও নাগরিকত্বের মাঝে কোনও তফাৎ নেই। যেমন, আমরা অস্ট্রেলিয়াতে। জাতীয়তা ও নাগরিকত্ব- উভয় ক্ষেত্রেই আমরা অস্ট্রেলিয়ান। যদি কখনো অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব চলে যায়, তখন আমার অস্ট্রেলিয়ান জাতিসত্ত্বার কী হবে? আমাকে ফিরে যেতে হবে বাঙালি রূপে। আর এখানেই এই পদ্ধতির দুর্বলতা। এ পদ্ধতিতে দেশের প্রতি Loyalty  বা আনুগত্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় দারুণভাবে। তখন Nationality আর Loyalty এর মাঝের বৈসাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। তারতম্যটা এমন- ‘রাষ্ট্র-ভিত্তিক’ জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে ‘আনুগত্য’কে কাজে লাগায় জাতিবোধ বা জাতিসত্ত্বা গঠনে; আর ‘জাতি-ভিত্তিক’ জাতীয়তাবাদে Loyalty বা আনুগত্যকে ব্যবহার করে জাতীয়তা রক্ষায়।

অস্ট্রেলিয়ায় ষাট বছরের বেশি সময় বসবাসের পরও, অস্ট্রেলিয়া-ইতালির মাঝের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায়, অভিবাসী ইতালিয়ানদের সমর্থন যখন ইতালিয়ানদের পক্ষে যায়, তখন তাদের অস্ট্রেলিয়ার প্রতি loyalty সম্পর্কে কী ধারণা দেয়? তারা এ দেশের নাগরিক, সত্য। জাতীয় মর্যাদায় তারা অস্ট্রেলিয়ান, এটাও সত্য। তবে অস্ট্রেলিয়ান জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে দৃঢ়তার অভাব।

এ অনুভূতি শুধু মূল অভিবাসিদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, পরবর্তী প্রজন্মও এতে সংক্রামিত। বিশ্বকাপ ফুটবলই এর প্রমাণ। সেটাই হয়তো স্বাভাবিক। সত্যিকার অর্থে অস্ট্রেলিয়ান জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস তখনই আসবে, যখন এদেশের প্রকৃতি যেমন আয়ার্স রক বা উলুরু অথবা সমুদ্র-সৈকতে বিশ্বাসী হয়ে উঠবে; ইতিহাস (যেমন- Gallipoli, ANZAC বা The Man from Snowy River) এ আস্থা আসবে; যখন ‘অ্যাডভান্স অস্ট্রেলিয়া ফেয়ার’ (জাতীয় সঙ্গীত) হৃদয় থেকে বেজে উঠবে। এরজন্য প্রয়োজন দীর্ঘ সময়ের।

‘রাষ্ট্র-ভিত্তিক’ জাতিসত্ত্বা সৃষ্টির পেছনে অনেক সময় কোনও একটি বিশেষ বিশ্বাসের আশ্রয় নেওয়া হয়, যা মৌলিক জাতিসত্ত্বার উর্দ্ধে। যেমন, ধর্ম। অথবা রাষ্ট্র পরিচালনার ধারা। যেমন, মার্ক্সবাদ বা সমাজতন্ত্র। এ ধারা কোনও বিশেষ জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নয়, বিশ্বাসী আন্তর্জাতিকতাবাদে। যেমন, আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্ববোধ। এ প্রক্রিয়ায় জনগণকে সঙ্গবদ্ধ করার চেষ্টা চলে প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নে এবং ইয়াগোস্লোভিয়ায়। সাত-দশকেও তারা পারেনি একটি জাতিবোধ বা জাতীয়তাবাদের জন্ম দিতে। তাই সমাজতান্ত্রিক ধারা ভেঙ্গে পড়ার সাথে সাথে জনগণ পুনরায় মৌলিক জাতিসত্ত্বায় ফিরে যায়। যেমন, রুশ, বেলারুশ প্রাক্তন সোভিয়ত ইউনিয়নে; ক্রোয়েশিয়ান, বসনিয়ান প্রাক্তন ইয়াগোস্লোভিয়ায়। পাকিস্তান একটি বহু জাতি-কেন্দ্রিক দেশ। গত সত্তর বছরের দুর্বল পাকিস্তানি-জাতীয়তাবাদ ধরে রাখার জন্য প্রতিনিয়ত নিতে হচ্ছে ধর্মের আশ্রয়।

জাতিগতভাবে বাংলাদেশ একটি homogeneous রাষ্ট্র। এদেশের মানুষের জন্য নতুন করে জাতীয়তা বোধের জন্ম দেওয়ার চেষ্টা একটি অর্থহীন পদক্ষেপ। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পক্ষে অনেক সময় পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের থেকে আমাদের থেকে আলাদা করে দেখানোর যুক্তি দাঁড় করা হয়। এটা আমাদের নয়, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের সমস্যা। পৃথক করে দেখানোর প্রয়োজন তাদের, আমাদের নয়। সমস্যা বহুজাতি-কেন্দ্রিক রাষ্ট্র ভারতের বলেই পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি জাতীয় মর্যাদা ‘ভারতীয়’, বাঙালি নয়।

১৯৭৫’এর পর বাঙালি থেকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের উত্তরণের কায়দাটা কৃত্রিম। এর কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। তাই আমরা নাগরিত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশী হলেও, জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে নিঃসন্দেহে বাঙালি।।

শামস রহমানঅস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক

৩৮ Responses -- “জাতীয়তাবাদ: বাঙালি না বাংলাদেশী?”

  1. Not applicable

    Big country , big population is always the best and money technology too. You should feel that in your heart, you are fully loaded with power. If you start to devide the country by writing this kinds of articles, it’s really not helpful. There will be always some leaders who can get some benefit for it. They may have their pictures in their currencies. But your individual powers are decreasing accordingly. My past generation had a big land to travel. Now we need a passport to travel there. I am not saying to stop loving your own country for that. All I am saying is: whatever you have just don’t loose it.

    Reply
  2. সরকার জাবেদ ইকবাল

    সুপ্রিয় সাওবান, আমাদের সময়কালে (১৯৭৭-১৯৮৩) জাবিতে মাত্র ৮টি বিভাগ ছিল। তোমরা অনেক ভাগ্যবান – এমন একটি বিভাগে পড়ার সুযোগ পেয়েছো। আমি তোমার স্যারের ব্যাখ্যাটি ভীষণ পছন্দ করেছি। উপরে আমার মন্তব্য দেখে নিও।

    Reply
  3. Ashad

    পাঠকরা ঠিকই ধরতে পেরেছেন লিখাটি জগাখিচুঁড়ি। হয়তো লেখক তাঁর ডমেইনের বাইরে লিখেছেন নয়তো ওনার অন্যকোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের কারনে বাঙ্গালী ও বাংলাদেশি জাতিয়তাবাদের সম্পর্কে সুষ্পষ্ট কিছু ব্যাখ্যা করতে পারেননি। জাতি ও জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে জানার আগ্রহ থাকলে ইহুদি লেখক শ্লোমো স্যান্ডের “কিভাবে ইহুদি জাতি আবিষ্কার হল” নামক বইটি পড়ে দেখতে পারেন। উক্ত লেখক ও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন জাতি কনসেপ্টটা পাকৃতিক কিছু নয় বরং চেতনার বিষয় এবং একটি জাতীয় চেতনা সবসময় গড়ে উঠে অন্যের বিরুদ্ধে, অনেকটা জার্মান দার্শনিক হেগেলের ফেনোমেনোলজি অব স্প্রিটে বর্নিত দৈতবাদের নিয়ম মতে। যেমন ফরাসি ও জার্মানরা একে অপরের একাধিকবার যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার সময় তাদের জাতীয়তার চেতনা লাভ করেছে। যদি তাই হয় তাহলে কার বিপরীতে আমাদের জাতীয় চেতনার জন্ম হবে। এখানেই মূল সমস্যা। পশ্চিম পাকিস্তান হাজার কিলোমিটার দুরে থাকায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিষেদগার এখন তেমন একটা কাজ করেনা। অন্য দিকে লেখক ও তাঁর ধারার লোকেরা কোন ভাবেই ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে অস্বিকার করছেন। এজন্যই তাদের লিখা জগাখিচুড়ি।

    Reply
  4. সাওবান ইবনে ফরিদ

    Rashidul Islam

    Bengali is an ethnic identity. Therefore, Bengali Nationalism is an ethnic nationalism, exclusively for the Bengalees. Bangladeshi is a politico-territorial identity. Therefore, Bangladeshi Nationalism is a political nationalism which is of ethnically inclusive nature. In independent Bangladesh M. N. Larma first differentiated between the Bengali and Bangladeshi identities and hence, laid out the foundation of Bangladeshi Nationalism. According to the theorists of nationalism, nationalism is primarily a political force with a clear political desire. Bangladeshi and Bengali Nationalisms both have validity, given their appropriate contexts.

    Reply
  5. Najmul

    Ethnicity এবং Nationalityর পার্থক্য বুঝতে হবে। আরব জাতির মাঝে কেউ কুয়েতি আর কেউ ইরাকি কেন?

    Reply
  6. মো মনজুরুল হক

    আমি বাংলাদেশি মসুলমান বাঙ্গালি।
    আপনি হয়তো বাংলাদেশি মসুলমান বিহারি।
    বা আপনি হয়তো বাংলাদেশি হিন্দু চাকমা।
    বাংলাদেশের সবাই বাঙ্গালি নন।
    তাই বাংলাদেশিদের জাতীয়তাবাদ বাংলাদশি।
    বাংগালি জাতীয়তাবাদের বিষ্যবস্তু শুধু বাঙ্গালিদের জন্য।
    বাংলাদেশ শুধুমাত্র বাঙ্গালিদের নয়। অনেক অবাঙ্গালিও আছেন। আছে তাদের স্বতন্ত্র জাতিয়তাবাদ।
    শুধুমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই পারে আমাদের এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে।
    আসেন আমরা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হই।

    Reply
    • Najmul

      ঠিক, ধন্যবাদ । তাছাড়া Ethnicity এবং Nationalityর পার্থক্য বুঝতে হবে ।আরব জাতির মাঝে কেউ কুয়েতি কেউ ইরাকি কেন ?

      Reply
  7. Md. Mahbubul Haque

    আমার মাতৃভাষা বাংলা, তাই আমি জাতিতে বাঙালি। আমার দেশ বাংলাদেশ, তাই আমার জাতীয়তা বাংলাদেশী। অতএব, আমি ভাষায় বাঙালি আর রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে বাংলাদেশী।

    Reply
    • Md. Mahbubul Haque

      ‘অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি তৈরি করেন ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম। অধ্যাপক আব্দুল মান্নান অনুষ্ঠানসূচি ঘোষণা করেন। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের পর অধ্যাপক ইউসুফ আলী নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। শপথ অনুষ্ঠানের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অভিভাষণ দান করেন। রাষ্ট্রপতির পরে তাজউদ্দীন আহম্মদ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তৃতা করেন। তিনি ঘোষণা করেন লক্ষ লক্ষ মৃতদেহের নিচে পাকিস্তান সমাধিস্থ হয়েছে। আর সেই সমাধির ওপর একটি নতুন জাতির জন্ম হল, সেই জাতি হল বাংলাদেশ।’

      https://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/46752

      Reply
  8. মিনার মাসুদ

    আমি একজন মানুষ। কোন প্রোডাক্ট নই। যা কিছুই আমার চারপাশে সবই বাংলাকে ঘিরে। যারা বাংলাদেশী শব্দটা প্রয়োগে অভ্যস্ত হতে চায় তারা ভারতের সাথে একটা জুজু যুক্ত করে এটি করতে চায়। আর কোন জ্ঞান তাদের মধ্যে নেই। আরব দেশগুলোর তো বিভিন্ন পরিচয় আছে সৌদি ‍দুবাই কাতার আরও কত কি তাদের জাতিসত্ত্বা কিন্তু আরব। তর্ক করে লাভ নেই। আমরা বাঙালি। জাতিসত্ত্বা ওটাই। নাগরিকত্বে আমি বাংলাদেশী। আসাম বা পশ্চিম বঙ্গ থেকে বাংলাভাষীদের বিতাড়িত করতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদটা তো ভারত খুব ভাল কাজেই লাগিয়ে ফেলছে। বোঝা দরকার পক্ষান্তরে ভারতের অবাঙালিদের দ্বারাই আমরা বাংলাদেশী হয়ে গেলাম কি না।

    Reply
    • younusur rahman

      আপনার কথাই মনে হয় সঠিক। ভারত থেকে আসা অথবা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভারত হয়ে আসা অবাঙালীরাই নিজেদের বাংলাদেশী বলতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আবার এদের মধ্যে যারা অনেকদিন মানে ১৯৪৭ সালের আগে থেকেই ঢাকায় থাকে তারা ঢাকাইয়া, সিলেটে থাকলে তারা সিলেটি, চট্রগ্রামে আছে চাটগাইয়ারা অন্যতম। এই ঢাকাইয়া, সিলটি, চাটগাইয়া সহ বিভিন্ন জেলায় কিছু কিছু অভিবাসী আছে তারা কখনই নিজেদের বাঙালি বলবে না। এদের শপথ পড়ানোর পর এদেশের নাগরিকত্ব দেয়া উচিৎ ছিল।

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        হা: হা: হা: সিলটিদের মধ্যে আবার একটি শাখা আছে যাদেরকে ‘লন্ডনী’ বলা হয়।

  9. লতিফ

    লেখককে অনুরোধ করব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের “বাংলাদেশ: জাতির অবস্থা” লেখাটি পড়তে। তাহলে যে বিভ্রান্তিতে তিনি নিজে আক্রান্ত, সেটাকে পাঠকের দরবারে হাজির করার আগে দুইবার ভাবতেন। পাকিস্তানের ভেতর থেকে বাঙালি জাতিসত্ত্বা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন থেকে স্বতন্ত্র আবাসভূমির সংগ্রামে লিপ্ত, তখন যে জাতির জন্ম হল ত্রিশ লক্ষ বাঙালির রক্তে, তাকে বাঙালি বলা ভুল, কারণ ততদিনে যে তার জন্য ‘পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’-র ৫৫ হাজার বর্গমাইল ভূমিটা ঠিকানা করে ফেলেছে। সেই দেশের নাম বাংলাদেশ, সেই জাতির নাম বাংলাদেশি― এই জাতি মূর্তমান, তাকে আপনি ছুঁতে পারবেন। বাঙালি জাতিসত্ত্বা একটি বিমূর্ত ধারণা, তাকে অনুভব করতে পারবেন, কিন্তু ছুঁতে পারবেন না। বাংলাদেশের কোন বাঙালিকে স্পর্শ করা মাত্র সেখানে বাংলাদেশি গন্ধটা পেয়ে যাবেন, আবার পশ্চিমবঙ্গের কোন বাঙালিকে ছুঁতে গেলে সেখানে ভারতের গন্ধটা পাবেন।

    Reply
  10. সরকার জাবেদ ইকবাল

    আমি এই বিতর্কের কোন কারণ এবং সুযোগ দেখতে পাচ্ছি না। আমার কাছে হিসাব সোজা, – আমার নৃতাত্ত্বিক পরিচয় আমি বাঙালি, আর, রাষ্ট্রীয় পরিচয় আমি বাংলাদেশী (ধন্যবাদ রশিদুল হাসান)।

    তবে লেখক কেন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাওতাল, ইত্যাদি জাতিগোষ্ঠীর কথা এড়িয়ে গেলেন বুঝতে পারলাম না। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ নৃতাত্ত্বিক জাতিসত্ত্বার পরিচয়ের অধিকারী। আর, রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে আমরা সবাই বাংলাদেশী। এখানে ‘বাঙালি’ নাকি ‘বাংলাদেশী’ এই বিতর্কের কোন কারণ দেখি না। আমরা সবাই নিজ নিজ জাতিসত্ত্বার পরিচয়ের অধিকারী। আশা করি বোঝাতে পেরেছি।

    Reply
  11. সেলিম

    সব কিছুতেই চলছে জগাখিচুড়ি। তা নাহলে দেশের নাম বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশী না হয়ে কিভাবে বাঙ্গালী হবো? ভারতের নাগরিকরা ভারতীয়, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রেলিয়ান, আমেরিকার নাগরিকরা আমেরিকান। শুধু আমরাই চেতনার কারণে বাঙ্গালী। এখন যদি আমরা বাঙ্গালী হই তাহলে বাংলার (পশ্চিম বঙ্গের) নাগরিকদের জাতীয়তা কেন ভারতীয় হবে? তারা কেনো বাঙ্গালী নয়?
    আপনার যুক্তি মেনে নিলে মগ, চাকমা, সাওতাল, তংচঙ্গা, কুরি, মনিপুরী, খেমু, মারমা ইত্যাদি খুদ্র জাতি সত্ত্বার নাগরিকদের যারা আমাদের ভুমিপুত্র বা আদিবাসী হিসেবে পরিচিত তাদের জাতীয়তা কি হবে ?
    কাজেই ধানাপানাই বাদ দিয়ে আমরা হক্কলেই বাংলাদেশী। এ নিয়ে কোনা অজুহাত না প্রশ্ন নেই।

    Reply
    • Not applicable

      They are minorities in Bangladesh. In order to protect their ethnicities, they have to be educated in the Bengali language as well as the second international language in English of course first then they can do their cultural activities to develop themselves. If one day they become majorities, then they can of course fight for their right. You can’t jump 100 floors in one jump. You have to go step by step. Think about it. If I give you food for one week and ask you to eat them all, will you eat or you will divide into 21 separates meals to eat them 3 times a day? It applies the same way for minorities. I hope I was able to help if not there are a place for help. You know what to do.

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        A bit ambiguous. But, I agree with you that the ethnic minority groups in Bangladesh must learn Bangla and English for the sake of their own existence to compete in the rapidly changing globalised world. That is a hard reality, which is also true for the majority Bangalees. But, at the same time ethnic minority groups should also nurture their own language and culture to protect and uphold their ethnic identity. They don’t need to be majority to claim their rights.

  12. Armasin Chisim

    পাসপোর্টে অস্ট্রেলিয়ান বা বাংলাদেশী লেখা থাকলে সে দেশে অবস্থানরত নাগরিকদিগকে বুঝানো হয়। অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন জাতিসত্তার অস্তিত্ব রয়েছে। সে কারণেই সেই দেশের সরকার এটা বলে না বা বলতে পারে না যে আমরা সবাই ইংলিশ জাতি। বাংলাদেশেও ভিন্ন জাতিসত্তার অস্তিত্ব রয়েছে। সে কারণেই আপনি বা সরকার এটা বলতে বা পুনরায় করতে পারেন না যে বাংলাদেশে বসবাসরত সবাই এক জাতি/বাঙালি জাতি। বাঙালি জাতি বলতে সুনির্দিষ্টভাবে বাংলা ভাষাভাষীদেরকে বুঝায়। ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন। কাউকেই মুর্খ ভাবতে নেই। জয় বাংলাদেশী nationality.

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      pothik, আমাকে ভুল বুঝেছেন ভাই। লেখক ঘোর বাঙালি এবং তিনি শুধু বাঙালি জাতিসত্বাকে বুঝিয়ে কর্তাভজা হতে চান। বাংলাদেশে ভিন্ন জাতিগত সংখ্যালঘুদের বাঙালি বানানো চুড়ান্ত বিশ্লেষনে ফ্যাসিবাদ।

      Reply
  13. Nader Jamil Chowdhury

    Nationalism is a narrow bond amongst people. It has no intellectual basis. People should unite by ideology and system not ethnicity. Nation-state is a relatively new idea; societies existed without being nation states for a long time in history; the idea of nation-state or nationalism is a tool used by the west, to divide and conquer the world; let us not be players in someone else’s game; nationalism can only divide people; What if we question: why just bangali nationalism, why not sylheti, chatgaya nationalism; how do we chose what nationalism to follow; nationalism is a vague idea and a weak bond to unite society

    Reply
  14. Fazlul Haq

    আমাদের জাতীয়তা বাঙ্গালী, নাগরিকত্ব বাংলাদেশী এবং রেস (নৃ-গোষ্ঠী) আর্য- মঙ্গলীয়- নিগ্রোয়ড এর সংমিশ্রন। এই সংমিশ্রন পৃথিবীর সব জনগোষ্ঠীর মাঝে আছে এবং পিওর নৃ-গোষ্ঠী বলে কিছু নেই।

    Reply
  15. সৈয়দ আলী

    অতো কথা বলারতো দরকার নেই। শেষ যুক্তিযুক্ত কথাটি তো বলেই দিয়েছেন, ‘তাই আমরা নাগরিত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশী হলেও, জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে নিঃসন্দেহে বাঙালি’। একখানি চাকুরি পেতে নিজেকে বিপণন করছেন সেটি বুঝতে পারি।

    Reply
  16. younusur rahman

    শতকরা ৯৯ ভাগের অধিক অধিবাসী বাঙালি জাতিসত্ত্বাভুক্ত, – কথাটা পুরাপুরি সঠিক নয়। ৯৯ ভাগ যদি নিজেদের বাঙালি মনে করতেন তাহলেতো এতো সমস্যা হওয়ার কথা না। আমাদের দেশের বিরাট একটা অংশ মনে করে তাদের পূর্বপুরুষরা এদেশে ধর্ম প্রচার করতে এসেছিল বা বাণিজ্য করতে এসে অথবা যে কোন পরিস্থিতিতে এদেশে এসে থেকে যায়। এদের মধ্যে বিহারি, কাশ্মীরি, আসামি, আফগান, ইরানি সহ অনেকে আছেন তারা নিজেদের বাংলাদেশী বলতেই সাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আবার তাদের সাথে আত্মীয়তা করে তাদের উভয়ের বংশধরেরা অথবা তাদের অনুসারীরাও নিজেদের বাঙালি বলতে একটু সময় চিন্তা করে বা বলতে চায় না। যা শত শত বছরের সৃষ্টি। তাই আমাদের ৯৯ ভাগের জাতীয়তাবাদ বাঙালি বলতে আরও অনেক সময় লাগবে। যেমন রোহিঙ্গারা কি কখনো মানে কমপক্ষে ১০০ বছর এদেশে থাকার আগে নিজেদের বাঙালি বলতে পারবে? আমার মনে হয় বলবে না। তবে এখন যারা বলবে না তাদের ধরে নিতে হবে তারা জাতে বাঙালি নয়। তবে আপনার পয়েন্ট ঠিক আছে কিন্তু মনে হয় না এত সহজে কাজ হবে। আরো অনেক সময় লাগবে। এখানে ধর্মও একটা ফ্যাক্টর। এই স্বঘোষিত অভিবাসিরা বাঙালীদের হিন্দু থেকে কনভার্ট মুসলমান অনেক সময় মনে করে। ঝামেলা আছে ভাই।

    Reply
    • Not applicable

      You are just trying to give a big mountain on the back of a donkey to carry. It’s really complicated to make people of Bangladesh to change mentality. That’s why I saw a people of Bangladesh sold his land to make biggest flag of Germany to support World Cup football team. It s just a madness nothing else. Will he sell his house to make a biggest flag of Bangladesh to support the national team as haa do do? I doubt. Now you understand how complex is your mind?

      Reply
  17. Rashidul Islam

    Bengali is an ethnic identity. Therefore, Bengali Nationalism is an ethnic nationalism, exclusively for the Bengalees. Bangladeshi is a politico-territorial identity. Therefore, Bangladeshi Nationalism is a political nationalism which is of ethnically inclusive nature. In independent Bangladesh M. N. Larma first differentiated between the Bengali and Bangladeshi identities and hence, laid out the foundation of Bangladeshi Nationalism. According to the theorists of nationalism, nationalism is primarily a political force with a clear political desire. Bangladeshi and Bengali Nationalisms both have validity, given their appropriate contexts.

    Reply
    • সাওবান ইবনে ফরিদ

      স্যার ! আমি এই লেখা পড়তে পড়তে আপনার কথাই ভাবছিলাম।

      জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে তৃতীয় বর্ষে পুরো একটি কোর্স ই আছে ‘Theories and problems of Ethnicity and Nationalism’ নামে। আমি চাচ্ছিলাম সেই আলোকে কিছু লিখব। কিন্তু খেয়াল করে দেখলাম আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এখানে কমেন্ট করেছেন। কমেন্ট দেখেই চিনে ফেলেছি যে আমার স্যার ছাড়া আর কেউ হতে পারেন না !

      সবাইকে অনুরোধ করব স্যারের এই কমেন্ট টা মনোযোগ দিয়ে পড়তে। তাহলে এথনিসিটি এবং ন্যাশনালিজম এর মূল সমস্যাটা ধরতে পারবেন।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—