- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার জন্যই ‘আমরা পারি’

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার কাছে লেখা এ চিঠি হতে পারতো শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের একটি আবেদন পত্র। দেশে এবং বিশেষ করে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি বিগত আটাশ বছরে। তবে এ চিঠি সে ধরনের কোনও আবেদনপত্র নয়।

এ চিঠি হতে পারতো বাংলাদেশে কোনও প্রযুক্তি কিংবা কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক পদের জন্য আবেদনপত্র। সে অভিজ্ঞতাও আছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে, এ চিঠি তাও নয়। গত নয়-দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ সেবাকালীন আপনি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষকে কী দিয়েছেন সেটাই তুলে ধরা এ চিঠির মূল বিষয়। সেই সাথে আমরা যারা প্রবাসী তারা আপনার কাজের সাথে কীভাবে সম্পৃক্ত হতে পারি তারই একটা সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ আছে এ চিঠিতে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আজ আর কারও সন্দেহ নেই যে, আপনার দৃঢ়চেতা ও সাহসী নেতৃত্বে গত নয় বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে। বিশেষ করে রাষ্ট্রসেবা প্রদানের গত পাঁচ বছরকে বর্ণনা করা যায় উন্নয়ন, অগ্রগতি, অর্জন আর সাফল্যের ধারাবাহিকতার সময় হিসেবে।

এ সময়ে দেশ অবকাঠামোসহ আর্থ-সামাজিক প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে। গত নয় বছরে মাথাপিছু আয়, রিজার্ভ, রেমিটেন্সসহ বিভিন্ন সূচকে উন্নতি হয়েছে। এই সময়ে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ছয় শ মার্কিন ডলারে, যা কি না পাকিস্তানের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে বেশি।

২০০৯ সালে রিজার্ভ ছিল মাত্র ৫০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি যা আজ উঠে এসেছে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। এর মানে, পূর্বে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশ হিমশিম খেত, আজ প্রায় আট মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত। মাত্র কয়েক  বছর আগেও বাংলাদেশের জিডিপি’র আকার ছিল একশ বিলিয়ন ডলারের নিচে, আজ তা ছাড়িয়ে গেছে আড়াই শ বিলিয়ন ডলার। আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫৭ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশে (সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭)। এক সময়ের ‘তলাহীন ঝুড়ি’র অপবাদ পাওয়া বাংলাদেশ, আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এ সবই সম্ভব হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার বিচক্ষণ, বলিষ্ঠ আর সাহসী নেতৃত্বের কারণে। এই সাফল্যের সঙ্গে জাতির জন্য এসেছে বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও প্রশংসা।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এ উন্নয়ন কী শুধুই ‘ফিজিক্যাল’ অর্থে? প্রকৃতপক্ষে, ফিজিক্যাল অর্থের পাশাপাশি উন্নয়নের একটি মনস্তত্ত্বিক দিক থাকে, যার মাধ্যমে একটি জাতির মাঝে জন্ম নেয় আত্নবিশ্বাস। যার সহজ মানে- ‘হ্যাঁ, আমরা পারি’। ধীরে ধীরে পদ্মার ওপর দাঁড়িয়ে যাচ্ছে দীর্ঘ সেতু- এটা ফিজিক্যাল, যা দৃশ্যমান বা স্পর্শনীয়। পাশাপাশি অন্যদিকটি মনস্তাত্ত্বিক ও অর্স্পশনীয়, যা আমরা দেখি না, যা জাতির কাছে ধরা দেয় শুধুই অনুভবে। তাই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মানের অপর  নাম- আত্নবিশ্বাস। ‘হ্যাঁ, আমরা পারি’।

ইতোমধ্যে দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি শর্ত যথা, আয়, মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে যা অর্জনে প্রয়োজন ছিল রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার। তাই স্বল্প সময়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার অপর নাম আত্নবিশ্বাস- আমরা পারি। উন্নত বিশ্ব যেখানে কয়েক হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে কিংবা রাজনৈতিক ছল-চাতুরির আশ্রয় নেয়, সেখানে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সরকার লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে আশ্রয় নিয়েছে, মানবিক দৃষ্টিকোণের বিচারে যা এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত।

তাই বাস্তচ্যুত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য শুধু ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি’ কিংবা ‘নিউ স্টার অফ দি ইস্ট’ উপাধি পাওয়াই নয়, এর অপর নাম আত্নবিশ্বাস- ‘আমরা পারি’। জাতির জনকের হত্যার বিচার এবং অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করার অপর নাম আত্নবিশ্বাস- হ্যাঁ, আমরা পারি।

১৯৭৫ এর পর স্বাধীনতা বিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী চক্র যেভাবে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর বিষয়টি ছিল অকল্পনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তাই স্বাধীনতা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর অপর নাম আত্নবিশ্বাস- ‘হাঁ, আমরা পারি’। দীর্ঘদিন জাতি আত্নবিশ্বাসহীনতায় ভুগেছে। আপনার আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্বে ‘হ্যাঁ, আমরা পারি’- এই আত্নবিশ্বাসে আপনি বিশ্বাসী করে তুলেছেন বাংলাদেশের জনগণকে। বাঙালি জাতির জন্য এটাই আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

অতীতে আরও একবার ‘আত্নবিশ্বাসে’ জেগে উঠেছিল বাংলার মানুষ। সেটা ছিল ১৯৭০-৭১ সালে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘জয় বাংলা’য় জনগণের মাঝে জাগিয়েছিল আত্নবিশ্বাস। যে আত্নবিশ্বাসে জন্মেছিল আত্ননিয়ন্ত্রণের শক্তি। যার মাঝে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। আপনার জাগানো আত্নবিশ্বাস- ‘আমরা পারি’তে ধাপে ধাপে আমরা অর্জন করে চলেছি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। দেশ গড়ার এই আত্নবিশ্বাসের সাথে আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও চাই সম্পৃক্ত হতে।

আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসী বা প্রবাসী হয়ে বসবাস করছে প্রায় ১০ মিলিয়ন বাংলাদেশি। সে তুলনায় আমরা যারা অস্ট্রেলিয়ায়, তাদের সংখ্যা অত্যন্ত নগন্য – মাত্র ৬০ থেকে ৬৫ হাজার। তবে আমরা দক্ষ। বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনবিদ, অর্থনীতিবিদ, কৃষিবিদ, শিক্ষক,  বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, ব্যবস্থাপনা এবং আইটি বিশেষজ্ঞ, সেবা প্রদানকারী এবং সফল ব্যবসায়ী।  

মাত্র ১৮ বছর বয়সে যখন প্রথম বিদেশে যাই, সেই সত্তরের দশকে, তখন ‘ব্রেইন-ড্রেইন’ ধারণার সাথে পরিচিত হই। আমি নিজেও তখন ভেবেছি – পড়ালেখা শেষে দেশের ছেলে ফিরে যাবে দেশে। তা না হলে দেশের ক্ষতি, সম্পদের অপচয়। তারপর এক সাগর জল বয়ে গেছে পদ্মা-যমুনায়- আমি নিজেও একদিন পাড়ি জমিয়েছি অস্ট্রেলিয়ায় এবং আমার মতো আরও ৬০ – ৬৫ হাজার বাংলাদেশি। নিঃসন্দেহে এটা ‘ব্রেইন-ড্রেইন’। তবে, আজকে আমাদের প্রশ্ন – কীভাবে এই  ‘ব্রেইন-ড্রেইন’কে ‘ব্রেইন-গেইনে’  রূপান্তরিত করা যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সমসাময়িক বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ‘ব্রেইন-ড্রেইন’ ও ‘ব্রেইন গেইন’কে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানি’র পর্যায়ে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে আমার বিশ্বাস। দুটো ধারণাকেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা অত্যাবশ্যক।

‘ব্রেইন-ড্রেইন’কে ভাবা যায় রপ্তানির ধারণায়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলদেশের মানব সম্পদ রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ হয় আধাদক্ষ কিংবা অদক্ষ শ্রেণিভূক্ত (এডিবি-২০১৬)। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারিগরি ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লাগসই দক্ষ এবং প্রফেশনাল কারিগর ও সেবাদানকারী তৈরি করে আমাদের চলমান মানব সম্পদ রপ্তানি প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করা সম্ভব।

এর মাঝে একদিকে মানব সম্পদ রপ্তানি যেমন বাড়ানো সম্ভব, তেমনি সম্ভব কার্যক্ষেত্রে ‘হাই-ভ্যালু-অ্যাড’ করা। ফলে, রেমিটেন্সের বর্তমান পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন থেকে অদূর ভবিষ্যতে দ্বিগুণ বাড়ানো মোটেই অসম্ভব নয়।

একই ভাবে ‘ব্রেইন-ড্রেইন’কে আমদানির ধারণার বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশি প্রবাসী যারা বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কার্যরত, তাদের খণ্ডকালীন কিংবা দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশে এনে বা আসার সুযোগ সৃষ্টি করে কাজে লাগানোই ‘ব্রেইন-গেইন’ বলছি। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে রাজীব গান্ধী ভারতের অর্থনীতির দরজা খুলে দেন। ভারত উন্মুক্ত বাজারের অংশ হয়। ক্রমে আমেরিকায় কাজ করছেন এমন অনেক ভারতীয় আবার দেশে ফিরে আসেন পাকাপক্ত হয়ে।

ম্যাঙ্গালোরের সিলিকন ভ্যালিতে যারা আজ জড়িত, তাদের বেশির ভাগই একসময় প্রবাসে বহুজাতিক কম্পানিতে কাজ করতেন বিভিন্ন পদে। এটাই ‘ব্রেইন-গেইন’। ব্যাঙ্গালোরের  সিলিকন ভ্যালি একটি উদাহরণ মাত্র। এ প্রক্রিয়া ঘটেছে ভারতে আরও বহু শিল্পে। একই ব্যাপার ঘটেছে চীনের ক্ষেত্রেও। আশির দশকে শুরু থেকে যে ‘ব্রেইন-ড্রেইন’ হয়েছে, তা কমানো এবং সেটি ‘ব্রেইন গেইনে’ রূপান্তরের মাধ্যমে চীন পেয়েছে বড় সাফল্য।

আমরা প্রবাসীরা প্রতিবছরই দেশে বেড়াতে গিয়ে, অনেকেই নিজের মতো করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে কিছু অবদানের প্রয়াস চালাই। তবে তা নিতান্তই পিস্‌-মেল (সামান্য বা খণ্ড) প্রকৃতির। দেশের জন্য ‘ব্রেইন গেইন’ এর প্রচেষ্টায় এটা একটি বড় অন্তরায় বা চ্যালেঞ্জ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সংগঠিতভাবে আপনার সরকার ভাবতে পারে কী এ ব্যাপারে? কোনও স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে কী ‘ব্রেইন-গেইন’ এর ধারণাকে আওতায় নিয়ে? এ ধারণার সঠিক বাস্তবায়নে স্বল্প ব্যয়ে জাতি পেতে পারে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সেবা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এ বিষয়ে আপনার ইতিবাচক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি আমরা প্রবাসীরা।

আমার জানা মতে, বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে পৌঁছান, তখন তিনি বিলাতে অবস্থিত বাঙালি চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, দেশে ফিরে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে। আজকের ‘ব্রেইন-গেইন’ ধারণা সেদিনের সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। শিগগিরই আমরা আপনার ‘ভিশন টুয়েন্টি ওয়ান’ এর মাঝে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে দাঁড়াবো। ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজন আভ্যন্তরীণ এবং বহি:স্থ উভয় সম্পদের সমন্বয়। ‘ব্রেইন-গেইন’ সামগ্রিক বহি:স্থ সম্পদের এক ‘আন-ট্যাপড’ (কাজে লাগানো হয়নি এমন)  সম্পদ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এ লক্ষ্যে আমি প্রস্তাব করছি, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বে অবস্থানরত বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি গ্লোবাল নেটওর্য়াক অব বাংলাদেশি এক্সপার্টস (সংক্ষেপে জিএনওবিইক্স) গঠন করার। বিশেষজ্ঞদের ডেটা-বেস এবং বিশেষজ্ঞ-টিম তৈরিতে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন সমন্বয়কারীর ভুমিকা নিতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং মেগা প্রজেক্টের সাথে এই বিশেষজ্ঞরা টিম-বেসিসে অংশ নিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের দ্বারা গঠিত এ জাতীয় টিম উন্নত দেশের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সব ধরনের স্কিল দিয়ে খুব দ্রুতই আমাদের অর্থনীতি বিকীর্ণ করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের দেশের প্রতি মমত্ববোধের কারণে তাদের প্রচেষ্টায় ‘মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট’ পরিলক্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি । ‘ব্রেইন-গেইন’ এর প্রচেষ্টায় ভারত এবং চীন লাভবান হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস- ‘আমরাও পারবো’।

 

গত ২৮ এপ্রিল ২০১৮ সোফিটেল সিডনি ওয়েন্টওয়ার্থ হোটেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্র শেখ হাসিনাকে দেওয়া গণসংবর্ধনায় লেখকের দেওয়া বক্তৃতার অংশ     

 

২১ Comments (Open | Close)

২১ Comments To "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার জন্যই ‘আমরা পারি’"

#১ Comment By সজল কান্তি On জুলাই ১৭, ২০১৮ @ ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

১ কোটি অধিবাসী বিদেশ থেকে মাসে ১ বিলিয়ন ডলার পাঠাতে কষ্ট হয়ে যায় । ভারত মাত্র ১০ লক্ষ লোক দিয়ে শুধু বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যায় ৪ বিলিয়ন ডলার !! স্বাধীনতার পর শুধু লেবার বানালেন ? যাহা মনে আসিলো তাহা লিখিলেন প্রচুর তৈলও প্রদান করিলেন দেখিয়া ভালো লাগিলো কিন্তু বাস্তবতা কি ? ১০ লক্ষ রোহিংগা যে পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশে ঢুকালেন কেন ? দেশের কি লাভ হলো ? কি ক্ষতি হলো ? এ ক্ষতির দায় ভার কে নেবে ?

#২ Comment By লতিফ On জুলাই ১৭, ২০১৮ @ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ

প্রস্তাবটি মহৎ। তবে, বড় দূর্বলতা হচ্ছে এর জন্য নির্ভর করতে হবে বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের উপর। অস্ট্রেলিয়ায় থাকার কারণে নিশ্চয় স্বীকার করবেন যে ওখানে সরকারকে পলিসি নির্ধারণের বাইরে খুব কম কাজেই জড়িত করা হয়, বিশেষ করে কাজটি যদি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকে। কাজেই, বাংলাদেশেও সরকারকে পলিসি নির্ধারণের বাইরে এসে কাজ করতে দিলে বিপত্তি ঘটবে। সেজন্য এমন উদ্যোগের পেছনে বাণিজ্যিক-সামাজিক সংগঠন থাকাটা বাঞ্চনীয়। সামাজিক সংগঠন বলতে ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অথবা এই জাতীয় কোন প্রতিষ্ঠান, যারা স্কিলের ঘাটতির বিষয়টি সবচে ভালোভাবে অনুভব করে। এরকম উদ্যোগের সাথে সরকারের কোন মন্ত্রণালয় অথবা বিদেশী মিশনগুলোর যুক্ত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সরকারের পলিসিতে যা যুক্ত করতে হবে তা হল ট্যাক্স― একটা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রবাসীদের দেশে এসে কাজ করার বিনিময়ে অর্জিত আয়কে করমুক্ত রাখতে হবে। নিশ্চয়ই মানবেন যে প্রবাসী বিশেষকরে দ্বৈত-নাগরিকত্ব অর্জনকারী প্রবাসীদের রেসিডেন্সির উপর নির্ভর করে তাদের সেই দেশে ট্যাক্স-ফাইল করতে হয় এবং গ্লোবাল আয়ের উপর ট্যাক্স প্রদান করতে হয়। কাজেই দ্বৈত-কর পরিহার করা এবং প্রণোদনা সৃষ্টি করা― এই দুই উদ্দেশ্য সাধনে করমুক্ত সময়সীমা কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

#৩ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুলাই ১৭, ২০১৮ @ ১০:০২ অপরাহ্ণ

‘গ্লোবাল নেটওর্য়াক অব বাংলাদেশি এক্সপার্টস’ একটি চমৎকার আইডিয়া এবং প্রস্তাবনা। এতে দু’টি কাজ হবে, – দেশ উন্নত সেবা পেয়ে উপকৃত হবে এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশের জন্য কিছু করতে পারার সুবাদে আত্মশ্লাঘা অনুভবের সুযোগ পাবে। আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন।

#৪ Comment By সৈয়দ আলী On জুলাই ১৮, ২০১৮ @ ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ

বাঃ, বিপণনতো ভালোই জানেন। আপনার চাকুরি হবে না কেন?

#৫ Comment By Mortuza On জুলাই ১৮, ২০১৮ @ ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ

Great, Excellent !

#৬ Comment By Mosharraf Hossain On জুলাই ১৮, ২০১৮ @ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ

তোষামোদ ও চাটুকারিতা না করলে কিছু মানুষের মনে হয় ভাত হজম হয় না ! এসব তথাকথিত লেখকেরা মানুষকে যা গেলাতে চান, মানুষ কী এতই বোকা যে এসব বুলশিট চোখ বন্ধ করে গিলবে ?

#৭ Comment By স্থপতি জাকারিয়া জাবের On জুলাই ১৮, ২০১৮ @ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

অসাধারণ একটি উদ্যোগ, কিন্তু এর গুরুত্ব সরকারের কাছে কতটুকু আমি জানিনা, তবে এমন একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য একটি রেভুলেশন এর মত। কারন দেশের অনেক ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার, এগ্র স্পেশালিস্ট, অনেকেই বিদেশে উন্নত প্রযুক্তি তে কাজ করছেন তাদের কে নিয়ে আসতে পারলে একই সাথে দুইটি জিনিস হবে, এক তারা তাদের মেধা দিয়ে দেশের জন্য নতুন কিছু সম্ভাবনার দার উন্মুক্ত করতে পারবে, দুই তারা এদেশে এমন সব প্রযুক্তি পরিচিত করাতে পারবে যা আমাদের কৃষি , পোশাক, মৎস্য, চিকিৎসা, নির্মাণ, সবকিছুতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনবে। জানিনা এমন একটি প্রস্তাব সরকারের কর্ণগোচর হবে কিনা।
ধন্যবাদ।

#৮ Comment By কাজী মাহবুব হাসান On জুলাই ১৮, ২০১৮ @ ৮:২৫ অপরাহ্ণ

কতৃত্ববাদী এই প্রজাতন্ত্রে যখন যোগ্য দেশী বিশেষজ্ঞদের জায়গা মিলছে না, যাদের অনেককেই নিগৃহীত হয়ে নীরব অথবা দেশত্যাগ করতে হচ্ছে, যারা আপনার মত বিদেশী মাটিতেও সুযোগ করতে পারছে না, আগে সেটি বন্ধ করতে হবে। ভারতের প্রশাসনিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর সাথে বাংলাদেশের তুলনা হয় না। অতি পলিয়ানাসুলভ এই ভাবনাগুলো তিন বা চার দশক আগে দেশত্যাগী বিশেষজ্ঞের কাছে অপ্রত্যাশিত নয়। মৌলিক অনেক কিছুরই পরিবর্তন লাগবে, তবে সবচে আগে একটি সুস্থ রাজনৈতিক-সামজিক পরিবেশ, যেখানে আমাদের যুক্তি দেবার দক্ষতাগুলো দলীয় আনুগত্য প্রতিস্থাপিত না করতে পারে।

#৯ Comment By Bongo Raj On জুলাই ১৯, ২০১৮ @ ১০:১০ পূর্বাহ্ণ

আমাদের সমাজটা একটা প্রচণ্ড অবক্ষয় সমস্যার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে (যাচ্ছে বলার চাইতে বলা চলে আসছে, চলবেও?)। কেউ কোন কিছু বললেই তার মাঝের ছিদ্র খোঁজার একটা ঝড় উঠবেই। জনাব শামস রহমান একটা প্রস্তাব করেছেন, তার pros and cons থাকতেই পারে। তা নিয়ে আলোচনা এবং বিতর্ক হতেই পারে। তাই বলে প্রথম থেকেই চাটুকার, আত্মশ্লাঘা, বিপণনতো, তৈল প্রদান ইত্যাদি বিশেষণগুলোর ব্যবহার কি নোংরামি করা শাহাবাকুবা-র প্রমাণ নয়!

বাঙ্গালীদের মত দুনিয়াতে এমন ২য় একটা জাতি নেই যারা নিজের জাতি ভাইদের কাউকে উপরে উঠতে দেখে তাকে টেনে নিচে নামানোতে এমন পাগল প্রাণ হতে। বিদেশে দেখে আসছি ইহুদিদের, শিখদের (যদিও জাতি নয়), চায়নিজদের তারা এমন এক চমৎকার সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলে, যখনি তাদের সমাজের কোন একজন একটু পিছিয়ে পড়ে তাকে টেনে তোলার সে কি অদম্য চেষ্টা।

#১০ Comment By সুনীল আকাশ On জুলাই ১৯, ২০১৮ @ ৮:২২ অপরাহ্ণ

জনাব বংগরাজ
আপনি যেসব জাতির কথা উল্লেখ করলেন তাদের কেউ আমাদের মতো দ্বিধাবিভক্ত নয়। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ নোংরা রাজনীতি চলছে। ওই জাতিগুলো আমাদের মতো অতীতে বাঁচেনা, তারা বর্তমান,ভবিষ্যত নিয়ে কাজ করে। স্বাধীনতা নিয়ে তারা ব্যাবসা করে না, দুর্নীতি নিয়ে আপোষ করে না। ওরা ব্যক্তিপুজা করে না, সবাইকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। সন্মান মন থেকে আসতে হয়, জোর করে কাউকে সন্মান করানো যায় না, এতে ঘৃণা আরো বেড়ে যায়। ওদের সাথে আমাদের কিছু পার্থক্য তো আছেই।

#১১ Comment By Bongo-Raj On জুলাই ২১, ২০১৮ @ ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ

Dear Mr Sunil akash
Bangladesh nationals are “divided in to two parts”, absolutely correct. However, they aren’t “divided in to two parts” since 47 years, but it is nice 43 years; because starting point isn’t 1971 but 1975, August 15th. The following days we had seen, people who were against our independence are in the govt. of Bangladesh. Now ponder, for this “divided in to two parts” who is responsible, and it should continue or not. I deem, all genuine Bangladeshi should stands against those who had created this situation of “divided in to two parts”, like Germans stands against Nazis since 1945 and continued even now, will continue for ever. Who denied to stands , certainly, he is a pseudo Bangladeshi…
Let me know your thoughts……

#১২ Comment By সুনীল আকাশ On জুলাই ২২, ২০১৮ @ ১:০৪ অপরাহ্ণ

দাদা বংগরাজ
কোথায় আগরতলা আর কোথায় চৌকির তলা!! জার্মানীর সাথে তুলনা অসম্ভব ভালো লাগছে দাদা। নিজেকে ইউরোপিয়ানদের মতো শেষ্ঠ মনে হচ্ছে। জার্মানীর বিভেদ আমাদের মতো নোংরা নয়। এর মধ্যেও একজন একজনকে শ্রদ্ধা করে। মতের মিল না হলে গুম করা বা ক্রসফায়ার বা হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে সারা জীবনের জন্য পংগু করে দেয় না। পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র আর দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের মানুষ যদি কে কোন পক্ষে বা বিপক্ষ নিয়ে সারাজীবন নোংরামী করে তাহলে সে দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংক সোনা থাকবে না, বাণিজ্যিক ব্যাংক দেউলিয়া হবে, লক্ষ লক্ষ টন চাল, কয়লা চুরি হবে, প্রথম শ্রেণি থেকে মাষ্টার্স পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁস হবে আর আমরা পাতি ইতিহাসবিদরা স্বাধীনতার পক্ষে বিপক্ষে গান গাইবো। গরীব ছেলেরা শিক্ষা জীবন শেষ করে রাস্তায় রাস্তায় চাকরি জন্য দৌড়াবে আর আমরা ওদের রাজাকার বলে হাতুরি দিয়ে কুত্তার মতো পিটাবো। এখন নাকি টাকা দিলে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। বাদ দেন দাদা। আর লিখতে ইচ্ছা করছে না। বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছি। দোয়া করবেন যেন এ জাহান্নাম থেকে উদ্ধার পাই। আপনি চালিয়ে যান দাদা। চলুক পক্ষ বিপক্ষ যতদিন বেঁচে আছেন।

#১৩ Comment By Bongo-Raj On জুলাই ২২, ২০১৮ @ ৪:২৯ অপরাহ্ণ

Sorry Sunil
You are correct agortola and chokir Tola there are huge differences.
My argument and your reaction reflects the same too.
Rog Kata, hathurir peta from where it has started ?

#১৪ Comment By সুনীল আকাশ On জুলাই ২২, ২০১৮ @ ৭:৪৪ অপরাহ্ণ

আপনার সাথে শতভাগ একমত বংগ দাদা । আসলেই ” কোথায় আগরতলা কোথায় চৌকির তলা” । ???

#১৫ Comment By আল আমীন On জুলাই ১৯, ২০১৮ @ ১২:৩৭ অপরাহ্ণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের শিখিয়েছেনঃ আমরাও পারি

#১৬ Comment By শাওন On জুলাই ১৯, ২০১৮ @ ৪:৩০ অপরাহ্ণ

তৈল বাদে অল্প যে প্রস্তাবনা আছে সেটা খারাপ বলে মনে হল না, তবে আমরা যারা বাইরে থাকি তারা নিজেদের চিন্তা ভাবনায় বিশাল পাণ্ডিত মনে করাও ঠিক না, দেশের ভেতরেও বড় বড় ব্রেইন আছে বা থাকতে পারে সেটাও বোঝা উচিৎ। পরের কথা হল (বর্তমান+ আগের) যত নেতৃত্বই এসেছে, কেউই চায়নি দেশের চেহারা পরিবর্তন করতে, সবাই নিজের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল সুতরাং মেধাহীন বাংলাদেশই তাদের অতি প্রিয় জায়গা। শুধু শুধু পাকনা লোকজন দেশে নিয়ে তারা বিপদে পড়বে নাকি!!!

#১৭ Comment By mak On জুলাই ২০, ২০১৮ @ ৬:২৫ অপরাহ্ণ

শামস্ রহমান সাহেব বর্তমান সরকারের আমলের উন্নয়নের ফিরিস্তিটি ভালোভাবেই দিতে পেরেছেন। কিন্তু এ উন্নয়নের প্রতিটি প্রকল্পের জন্য জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে এবং হচ্ছে। প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হচ্ছে তিন থেকে ছয় গুণ পর্যন্ত বেশি। কোন কোন প্রকল্প এতোটাই অপরিকল্পিত যে সেটা জনগণের কী কাজে লাগবে বা আদৌ কোন কাজে লাগবে কি না তা কেউ জানে না। আর ৩৩ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভের জন্য সরকারের কি কৃতিত্ব? ওটা তো এক কোটি প্রবাসী আর গার্মেন্টস কর্মীদের।

#১৮ Comment By মাসউদুল কাদির On জুলাই ২০, ২০১৮ @ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

দারুণ একটি বক্তৃতা। সবক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে…

#১৯ Comment By Kamrul Islam On জুলাই ২২, ২০১৮ @ ২:৩৭ অপরাহ্ণ

except your remarks

#২০ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুলাই ২২, ২০১৮ @ ৫:২২ অপরাহ্ণ

সুপ্রিয় সুনীল আকাশ, আমাদের দেশে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) একটি কথা আছে, – ‘নিয়া ঠ্যালা’ অর্থাৎ, যুক্তিহীনভাবে একই কথা বারবার বলতে থাকা, ঘ্যানর ঘ্যানর বকর বকর করতে থাকা, ফলশ্রুতিতে সবাইকে ত্যক্ত-বিরক্ত করে তোলা। ‘বিচার মানি, গাছ আমার’ জাতীয় লোকদের সঙ্গে অহেতুক কেন আলাপচারিতা চালিয়ে যাচ্ছেন? অযথা মেধার অপচয় করবেন না। আপনার মেধার অনেক মূল্য আছে। যথাযথ স্থানে তা বিনিয়োগ করুন। পাগলের পাল্লায় পড়ে নিজেও পাগল হবেন নাকি? ভাল থাকবেন।

#২১ Comment By সুনীল আকাশ On জুলাই ২৩, ২০১৮ @ ১১:০৯ অপরাহ্ণ

একমত দাদা। আর সময় নষ্ট করব না।