পাকিস্তান সৃষ্টির বিরোধিতা করলেও পাকিস্তানি রাজনীতিতে জামায়াত ইসলাম ও তাদের ছাত্র সংগঠন রাজনৈতিক দল ও শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিলো। যে কারণে আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক) গঠিত হলে সেখানে জামায়াতে ইসলামী ছিলো। তবে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা দেবার পরে যখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশ সৃষ্টির রাজনীতি শুরু হয় সে সময়ে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশপন্থীদের অবস্থান কী হবে তা পরিস্কার হতে থাকে। ১৯৭০ এর নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের রাজনীতির অবিসংবাদিত যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মনি ও তাঁর সহযোগীদের নির্দেশনায় সেটা কার্যকর হয়। ১৯৭০ এর নির্বাচনের আগে পল্টনে শেষ জনসভা করতে পারেনি জামায়াতে ইসলামী। তারা সেদিন জনসভা ছেড়ে দলে দলে পালাতে বাধ্য হয়। শেখ ফজলুল হক মনি বুঝেছিলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধী শক্তি, এদের সঙ্গে কোন রাজনীতি নয়, এদেরকে দমন করতে হবে। সেদিন জনতা ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতিরোধের ফলে জনসভা ছেড়ে জামায়াত নেতা মওদুদী সহ সকলে পালিয়ে যায়। জামায়াতে ইসলামীর জনসভার সেদিন কী অবস্থা হয়েছিলো তার কোন টিভি ফুটেজ আছে কিনা আমার জানা নেই তবে আজকের প্রজম্ম ইচ্ছে করলে ওই সময়ের আজাদ পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে নিতে পারেন। হাজার হাজার স্যান্ডেল পড়ে ছিলো পল্টনে। তৎকালীন স্বাধীনতাপন্থী ছাত্র, শ্রমিক ও যুবকর্মীদের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যায় এই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। সত্যিকার অর্থে কোন নির্বাচনী এলাকায়ও সেদিন এই স্বাধীনতা বিরোধীদের দাঁড়াতে দেয়নি তৎকালীন প্রগতিশীল ছাত্র ও যুবসমাজ। ১৯৭০ এর নির্বাচন ছিলো বাঙালির স্বাধীনতার জন্যে জনতার রায় পাবার নির্বাচন- তাই ওই নির্বাচনের সব ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্তানপন্থীদের প্রতিহত করাই কর্তব্য ছিলো। কারণ, আর যাই হোক গণতন্ত্রে ‘আমি স্বাধীন থাকবো না’ এর পক্ষে কোন ভোট হতে পারে না। স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার, এর বিপরীতে কথা বলার, ভোট দেবার কোন সুযোগ নেই। গনতন্ত্র মানে এতটা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। বরং গণতন্ত্রে স্বাধীনতার স্বপক্ষে অস্ত্রধরা বৈধ এবং স্বাধীনতার বিপক্ষে যারা অস্ত্র ধরবে তারা যুদ্ধাপরাধী, খুনি- তাদের বিচার হবে, তাদের শাস্তি দিতে হবে এটাই বৈধ।

১৯৭০ এর নির্বাচনের আগে শেখ ফজলুল হক মনি ও তার সহযোগীরা যে শতভাগ সঠিক ছিলেন তার প্রমাণ ইতিহাসের অংশ। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন স্বাধীনতার বিরোধিতা শুধু করেনি, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, নারী ধর্ষণ, পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্যদের নারী জোগান দেয়া সহ যত কুকর্ম সব তারা করে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের শুরুতেই এই স্বাধীনতা বিরোধী, নরঘাতক, ধর্ষক ও হানাদার পাকিস্তানি  সৈন্যদের নারী জোগানদাতাদের রাজনীতি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়। পৃথিবীর সব দেশে এই ধরনের শক্তি ধর্মের নামে রাজনীতি করে। কেন করে তাও খুব পরিস্কার। কারণ, এই ধরনের অপশক্তির কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী থাকে না, তাই তারা সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্যে ধর্মের লেবাস পরে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভাষায় এরা ‘ধর্ম ব্যবসায়ী’। পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, হিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ, খৃষ্টান যে ধর্মের নামেই যে সব শক্তি রাজনীতি করে তাদের সকলের চরিত্র একই। আর এ কারণে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের শুরুতেই অর্থাৎ ৮ ডিসেম্বর যশোর বিজয়ের পরে, সেখানে জনসভায় দেয়া ভাষনে মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশে সব ধরনের ধর্মভিত্তিক সংগঠন করার অধিকার নিষিদ্ধ করেন- যা পরবর্তীতে সংবধিানের অংশ হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে সংবিধানের এই অংশ বাতিল করা হয়। এই বাতিল করার ভেতর দিয়ে জিয়াউর রহমানের আমলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধী এই জামায়াত শিবিরের রাজনীতি শুরু হয়।

জিয়াউর রহমানের আমল ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সপক্ষশক্তির জন্যে একটি চরম দুর্দিন। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির জন্যে এমন চরম দুর্দিন আর কখনো আসেনি। তখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম, ‘জয়বাংলা’ প্রভৃতি উচ্চারণ অবধি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিলো। দেয়ালে জয়বাংলা স্লোগান, বঙ্গবন্ধুর নাম লিখতে গিয়ে তখন জেলে যেতে হয়েছে, গুম হতে হয়েছে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল ছাত্র কর্মীদের। ওই দুঃসময়েও স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতি কোন অবস্থান পরিবর্তন করেনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি। কারণ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী এই শক্তিকে প্রতিহত করা, দমন করা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। যে কোন পরিস্থিতিতে এদেরকে দমন করতে হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যে। তাদেরকে যতই রাজনীতির নামে সুযোগ দেয়া হবে ততই তারা তাদের শিকড় গেড়ে বসবে ও আঘাত হানবে, ধ্বংস করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি তাই ওই প্রতিকূল সময়েও জামায়াত ইসলামীকে প্রতিহত করে। জিয়াউর রহমানের আমলে পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে এসে রাজনীতি শুরু করতে যায় গোলাম আযম, কিন্তু শুরুতেই প্রতিহত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার ধারক মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র জনতা। শুরুতেই গোলাম আযমকে প্রতিহত করে ঘরে তুলে দেয় মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র ও জনতা। বায়তুল মোকাররমে সেদিন কীভাবে গোলাম আযমকে প্রতিহত করা হয় তা আজকের প্রজম্ম সেদিনের ফটো সাংবাদিকদের কাছে রক্ষিত ছবি (যা কয়েক রিল ছিলো রশীদ তালুকদারের কাছে) দেখলে বুঝতে পারবে। কতটা ঘৃণা নিয়ে সেদিন মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র ও জনতা গোলাম আযমকে প্রতিহত করেছিলেন তা ওই সব ছবি দেখলে অন্তত আজকের নতুন প্রজম্ম বুঝতে পারবে,  তারা কতটা ঘৃণার সঙ্গে কিল, ঘুষি, জুতোর আঘাত, লাঠির আঘাত করেছিলো ওই যুদ্ধাপরাধীকে। যেন তাঁদের শিরার প্রতিটি রক্ত কণায় সেদিন উচ্চারিত হচ্ছিলো মওলানা ভাসানীর সেই আহবান, ‘ঘৃণাকে জাগ্রত করো’। বাস্তবে ঘৃণাকে জাগ্রত না করলে সত্যকে চেনা যায় না। মন্দকে ঘৃণা করতে শেখার ভেতর দিয়েই ভালো বা কঠিন সত্যকে চিনতে হয়। জিয়াউর রহমানের ওই দুঃশাসনের ভেতর বসে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে সেদিন বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও ৭৫ পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার যোদ্ধারা প্রতিহত করে স্বাধীনতা বিরোধী এই জামায়াত  শিবিরকে।

গোলাম আযমকে প্রতিহত করার পরের ইতিহাসও কম নয়। জিয়াউর রহমান, সাত্তারও এরশাদ সরকারের পৃষ্টপোষকতায় একদিকে একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আস্তানা গাড়ার সুযোগ পায় জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির। প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারা একের পর এক প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রদের হত্যা করে। ১৯৭৫ এর প্রতি-বিপ্লবের উত্তরাধিকার এই সব সামরিক ও আধা সামরিক শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় স্বাধীনতা বিরোধী ইসলামী ছাত্র শিবিরের ওই সব সদস্যরা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের অবস্থান নেয়। তাদের এই অবস্থান নেবার পক্ষে সেদিন আরো কাজ করে আমেরিকা ও মধ্য প্রাচ্যের অর্থ। কারণ তৎকালীন আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্জনকে ধ্বংস করা, আর মধ্য প্রাচ্যের নীতি ছিলো বাংলাদেশকে আবার পূর্ব পাকিস্তান বানানো। এ কারণে সেদিন ইসলামী ছাত্র শিবিরের জন্যে পেট্রো- ডলারের জোগান ছিলো সীমাহীন। একদিকে ১৯৭৫ এর প্রতি বিপ্লবের উত্তরাধিকার সরকারের সহযোগীতা, অন্যদিকে পেট্রো- ডলারের জোগান এ দুই মিলে ইসলামী ছাত্র শিবির তখন ছিলো শত ভাগ অনুকূল পরিবেশে। তারপরেও নিজেদের প্রতিকূলতাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে ছাত্র শিবিরকে একের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিহত করেছে বা প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে স্বাধীনতার সপক্ষ ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা সেদিন। যে কারণে ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন এমনকি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের অসংখ্য সদস্যকে শহীদ হতে হয়েছে, পঙ্গু হতে হয়েছে শিবিরের হাতে। তারপরেও স্বাধীনতা বিরোধী এই শক্তিকে প্রতিহত করা থেকে ওই দুর্দিনে স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি একটুও পিছিয়ে আসেনি। সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পীঠস্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র ভূমিতে তাদেরকে সব সময়েই প্রতিহত করেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষ ছাত্ররা। রাতের অন্ধকারে ইসলামী ছাত্র শিবির সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেছিলো অপরাজেয় বাংলা ভাঙতে। স্বাধীনতার স্বপক্ষ ছাত্রদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে তারা সেদিন অনেকেই পালিয়ে গিয়েছিলো। আর যারা স্বাধীনতার স্বপক্ষ ছাত্র সমাজের হাতে ধরা পড়েছিলো, তাদেরকে শুধু পেটানোই হয়নি, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে সারা ক্যাম্পাসে ঘোরানো হয়েছিলো। আর ওই সময় থেকে ৯০ অবধি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, গোটা বাংলাদেশে স্বাধীনতার স্বপক্ষ ছাত্র সংগঠনের যে কোন মিছিলে স্লোগান ছিলো, ‘একটা দুটো শিবির ধর, সকাল বিকাল নাস্তা কর’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও ১৯৭১ থেকে আজ অবধি জামায়াত ও শিবিরের কর্মকান্ড বিচার করলে, তারা যত নরহত্যা মুক্তিযুদ্ধের সময় ও স্বাধীন দেশে করেছে তা বিচার করলে তাদের বিরুদ্ধে এ স্লোগান অনিবার্য। এভাবে প্রতিহত করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। কারণ, তাদের মত একটি সন্ত্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ছাড়া কোন পথ খোলা থাকে না। আর দেশের স্বাধীনতার স্বার্থে, স্বাধীনতার চেতনার স্বার্থে এটা অনিবার্য। ওই স্লোগান জেগে ছিলো বলেই কিন্তু স্বনামে আজো শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারেনি।

স্বনামে ঢুকতে না পারলেও ছাত্রলীগের ভুল অবস্থান ও ছাত্র ইউনিয়ন সহ বেশ কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের ভুলের কারণে কোটা আন্দোলনের ছদ্মাবেশে ‘ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বাংলাদেশ’ নামে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছে। তাদের প্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রলীগ, তাদের প্রবেশ করতে এখনো সাহায্য করছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। এ ব্যর্থতা ও এ ভুলের মাসুল এ জাতিকে অনেকদিন দিতে হবে। তবে দেরীতে হলেও ছাত্রলীগের কর্মী ও সাধারণ ছাত্ররা যে তাদের প্রতিহত করছে এটা দেশের স্বাধীনতার জন্যে, স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির জন্যে একটা শুভ সংবাদ। বিভ্রান্ত কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবি এই প্রতিহত করাকে সমালোচনা করতে পারেন, এটাকে নিন্দা করতে পারেন- তাতে কান না দেয়াই উচিত প্রগতিশীল ছাত্রদের। তাদের মনে রাখা উচিত আহমদ ছফার সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘ওই সব বুদ্ধিজীবিদের কথা শুনলে শেখ মুজিব কোন দিন দেশ স্বাধীন করতে পারতেন না।’ বাস্তবে স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার চেতনা রক্ষা করতে হবে বীরত্ব দিয়ে। বীর ছাড়া স্বাধীনতা আনতেও পারে না রক্ষাও করতে পারে না।

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

৪৬ Responses -- “জামায়াত শিবিরের বিপরীতে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির অবস্থান”

  1. শাওন

    একটা সমাজ কতটা অসভ্য হলে এই ধরনের আর্টিকেল গর্বসহকারে মানুষ লিখতে পারে! একাত্তরের রাজাকার আর ছাত্র-সংঘের সাথে এখনকার আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের যদি কোন মিল না পান তাহলে বলতে হবে আপনার মাথায় কিছু নাই। তখনকার সেই অপশক্তি যেমন ক্ষমতায় থেকে দেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করছিল এখনকার অপশক্তিও সেই একই কাজ করতেছে।

    Reply
    • jisu71

      You r right. In 71, the war was between Justice(Bangladesh) and injustice(Pakistan). Now the war is between the brilliant(Quota Reform Movement) and the Ignorant(muscle men). This conspirators(writer of the article) try to mislead the country by giving the smell of Jamat-shibir in the Quota movemnt. Shame, Shame. The chapter of Jamat shibir is over. Now the clash between Education and Ignorance, between talent and donkeys. It is very unfortunate that the Govt is giving support to the ignorant. the Govt should support the brilliant students for Quota reform.

      Reply
  2. Murad Kochi

    নিজেরা যখন একাত্তরের প্রমাণিত রাজাকার/স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে আত্মীয়তা করে বা রাজনৈতিক জোট গড়ে, তখন রাজাকারেরা আর রাজাকার থাকে না। নির্লজ্জতার কোন ন্যুনতম সীমারেখাও ওদের নেই।

    Reply
  3. আদিব

    ছিল কোটা সংস্কারের দাবী, সেটাকে এখন বানানো হয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীদের আন্দোলন। ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করলে পাকিস্তানী দালাল তথা রাজাকার বা নতুন রাজাকার প্রজন্ম, বিরোধীদলের সমালোচনা করলে ভারতীয় দালাল, নাস্তিক ইত্যাদি। জামাত-শিবির-বিএনপির মানুষ পোড়ানো রাজনীতির ফলাফল তারা ভোগ করছে। কেউ জেলে পঁচছেন, কেউ পরপারে। এতে গণজাগরণ মঞ্চ বিশাল ভূমিকা রেখেছিল বা রাখতে পেরেছিল কারণ ক্ষমতাসীন দলের সাপোর্ট ছিল। তারপর তারাই যখন আবার সরকারের নীতির বিরোধীতা করতে গেল তখন পুলিশের ডান্ডা-বাড়ি পড়ল ঘাড়ে। ইমরান সাহেবকে ডিবি ধরে নিয়ে গিয়ে কি থেরাপি দিল, আর কোন খবর নাই। এখনতো মানববন্ধন করতে গেলেও সরকার তথা পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। সুশীল সমাজ বা বুদ্ধিজীবিরা নিজেদের সম্মান রক্ষা করতে গর্তে সেঁধিয়ে আছেন, কারণ কিছু বলতে গেলে গায়ে যদি একবার তকমা লেগে যায়, সে আর এই জীবনে উঠবে না। বর্তমান ছাত্রলীগের কর্মকান্ড সারা বছর যারা খবরের কাগজ পড়েন সবারই জানা, নতুন করে বলার কিছু নাই। এরা যে স্বাধীনতার চেতনা রক্ষাকারী বীর, একথা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। অত্যাচারী, তারা যেই হোক, তাদের কর্মকান্ডের বিচার একদিন হবেই, অন্তত এদেশের ইতিহাস তাই বলে।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      আদিব, “এরা যে স্বাধীনতার চেতনা রক্ষাকারী বীর, একথা পাগলেও বিশ্বাস করবে না।” আপনার এই কথাটি নিদারুন সত্য কিন্তু এরপরেও আওয়ামী লীগ ও এর চাকরবাকরদের উগরানো কথাই আমাদের বলতে হচ্ছে।

      আমাদের শৈশব/কৈশোরে শুনতাম ‘শিশুরাষ্ট্র’ পাকিস্তান, অর্থাৎ পাকিস্তান যাই করুক, তার বিরূদ্ধে কিছু বলা উচিৎ হবে না। ৪৭ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখনো সেই আমলের ঘি এর গন্ধ শুকতে হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলেই রাজাকারের তকমা আঁটে। মজা হলো, নিজেরা যখন একাত্তরের প্রমাণিত রাজাকার/স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে আত্মীয়তা করে বা রাজনৈতিক জোট গড়ে, তখন রাজাকারেরা আর রাজাকার থাকে না। নির্লজ্জতার কোন ন্যুনতম সীমারেখাও ওদের নেই।

      স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই স্বাধীনতাবিরোধী দালাল, আলবদর, আলশামস, রাজাকার, মুজাহিদ বাহিনীর সদস্যদের বিচার না করে টাকার/আত্মীয়তার বিনিময়ে রক্ষা করা হয়েছে। আমি সুস্পষ্টভাবে এর প্রমাণ দিতে প্রস্তুত আছি।

      Reply
      • আদিব

        শ্রদ্ধেয় সৈয়দ আলী এবং সরকার জাবেদ ইকবাল, আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের লেখা পড়েই কিছু লেখার সাহস পাই।

      • Bongo Raj

        এই কমেন্টকারীর মাথাটা আসলেই খারাপ,
        এই অভাগাকে আল্লাহ হেফাজত করুন!!

      • Bongo Raj

        জনাব আদিব পাগলদের পাল্লায় পড়েছো ভায়া,
        আচিরেই টের পাবে যদি তুমি নিজেও সেই দলের একজন না হয়!!

      • আদিব

        জনাব বঙ্গদাদা, টের পাওয়া বলতে হাতুড়ির কথা বোঝাচ্ছেন তো? এ তো কিছুই না, সামনে আসবে chainsaw, মানুষের হাত-পা কেটে গাছে ঝুলিয়ে রাখবেন আপনারা। আর আপনার মত যারা “পাগল না”, তারা উল্লাসে হাততালি দিবে।

    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      সাবাশ আদিব! বর্তমান সময়কালের একদম সঠিক চিত্রটি তুলে ধরেছেন।

      Reply
    • সাইফুল ইসলাম

      দাদা বংগ
      আরেকজনকে যে পাগল বলছেন!! ঠিক বলছেন তো? যুক্তিতে না পেরে এখন ব্যাক্তিগত আক্রমন। আপনি দলান্ধ, দলকানা, দলদাস সেটা আপনার ব্যাপার তাই বলে যাকে তাকে পাগল বলে বেড়াবেন! শীতকাল আসতে এখনো অনেক দেরী!! এখনই আপনার এ অবস্থা!!!!

      Reply
      • সাইফুল ইসলাম

        আজকে বিশেষ দলের “সোনার ছেলেরা” ঢাকা বিশ্ববিদ্দালয়ের শিক্ষকদের ভালোমতো পিটাইছে !
        আশাকরি “বাংলার যত বংগ বা ভুজংগ” সবাই খুব খুশি হইছে। এটাই দেখার বাকী ছিলো।

  4. নোমান

    দালালীরও একটা রুচিবোধ থাকে। মানুষ কতটা অমানুষ হলে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মেরুদন্ড ও হাড় ভেঙ্গে দিতে পারে তা ছাত্রলীগে হাতুড়ী বাহিনী ও বিশ্বজিতের খুনীদের দিকে না তাকালে বোঝা যেত না। ছাত্রলীগের এহেন অপকর্মগুলোকে আপনি বলছেন দেশপ্রেম! আচ্ছা বিশ্বজিত শিবিরের কোন পর্যায়ের নেতা ছিলো। কিংবা ছাত্রলীগের গুলীতে মায়ের পেটে থাকা বাচ্চাটা শিবিরের কোন কমিটিতে ছিলো? জবাব দিলে ধন্য হবো রায় দাদা।

    Reply
  5. সেলিম

    দাদা আপনার লেখাটা পাঠকমহল বেশ মজা করেই পড়েন। কমেন্টগুলো পড়লে আপাতত তাই মনে হয়। ময়ূর নাকি যখন পেখম তুলে নাচতে থাকে তখন আনমনেই তার চোখ পায়ের দিকে চলে যায়। অমনি সে পেখম বন্ধ করে দেয়। তার পা এতটাই কুৎসিত। আপনিও আপনার পায়ের দিকে একবার হলেও তাকিয়ে দেখবেন। প্লিজ। ছাত্রলীগের ছেলেরা হাতুড়ি দিয়ে একটা ছাত্রের হাড় ভেঙ্গে দিলো- আপনি বলেছন এটা ছাত্রলীগের সাহসী কাজ! গাঁজার নৌকা নাকি পাহাড় দিয়েও চলে। লেখার আগে কয়টা টান দেন দাদা?

    Reply
    • jisu71

      Wonderful comment. This kind of roy people want to create war among the people of Bangladesh. They are the silent catalyzers( provocateurs) to destroy the independent existence of Bangladesh through igniting articles. The people of Bangladesh should love each other.The people of Bangladesh should acquire knowledge, higher studies, science and technologies, skill and efficiency to save the country. Two neighboring countries of Bangladesh are very dangerous. Be careful about this dangerous writers(Roy). They always try to destroy the progress of Bangladesh like Nepal and Srilonka.

      Reply
  6. সৈয়দ আলী

    ‘তবে দেরীতে হলেও ছাত্রলীগের কর্মী ও সাধারণ ছাত্ররা যে তাদের প্রতিহত করছে এটা দেশের স্বাধীনতার জন্যে, স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির জন্যে একটা শুভ সংবাদ।’- আইনকে নিজের হাতে তুলে নিতে উদ্ধুদ্ধ করা বাংলাদেশের ক্রিমিনাল কোড অনুযায়ী অপরাধ, এটি কি পণ্ডিত স্বদেশ বাবু জানেন?

    Reply
  7. প্রবীর কুমার দাশ

    নিচের লেখাটি আমার নিজের নয়। ফেইসবুক থেকে নেয়া। শেয়ার করলাম যদি এটা পড়ার পর আমাদের লজ্জা শরম কিছু হয়! বিকৃত বিবেক যদি জেগে উঠে এই আশায়।

    ছেলেটা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবী করেনি।
    শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবী করেনি।
    পদ্মা সেতুর অতিরিক্ত খরচ নিয়ে প্রশ্ন করেনি।
    বাংলাদেশ থেকে ৭৬ লক্ষ কোটি টাকা কোথায় পাচার হয়েছে সেই প্রশ্ন করেনি।
    সীমান্তে ফেলানী, কুমিল্লার তনু হত্যার বিচার দাবী করেনি।
    হাজার হাজার বিরোধী কর্মীর ক্রস ফায়ার গুম নিয়ে প্রশ্ন করেনি।
    ভারতের ১০ লক্ষ লোক প্রতি বছর ১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যায় কেন সেই প্রশ্ন করেনি।
    সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা ঘাটে পানি জমে যায় কেন সেই প্রশ্ন করেনি।
    ছেলেটা ৫৭ ধারা ভংগ করে জাতির পিতার পরিবার নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলেনি।
    ছেলেটার দাবীতে ক্ষমতাসীনদের অবমাননাকর কিছু ছিল না।

    সে শুধু কোটা প্রথার সংস্কার চেয়েছিল, বাতিল নয়। আর তাতেই হায়েনারা তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তার পা ভেঙে দেয়। তার পা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। আজীবন সুস্থ মানুষের মত হাঁটতে পারবে কিনা সন্দেহ!

    Reply
  8. মোঃ শামীম মিয়া

    আল্লাহ রায় সাহেবদের জ্ঞান দাও, এদের ক্ষমা কর।

    Reply
    • jisu71

      Mr. Roy and gong are very clever, They always bring the issue of Jamat -Shibir to spoil the progress of Bangladesh. They write such article to create anarchy and hatred among the people of Bangladesh. They are waiting for that time when they will be able to drive out Bangali Muslims from Bangladesh like Rohingya muslims from Myanmar. First they (Roy) are creating war among the Bangali muslims dividing them Shadhinotar pokko-Bipokko etc. They will make the bangali muslims weaker in this way. When the tallented people of Bangladesh will be lost, they will drive out the rest of the poor muslims from this country like Rohingyas from Myanmar. Be careful dear Chatro-leage workers. BongoBodhu was very careful about the real enemies.

      Reply
  9. Bongo Raj

    একখানা মজার ব্যাপার লক্ষ করলাম,
    কেউ যদি ভিসির বাড়ীতে ৭১ এর মত তাণ্ডব চালানোকে নিয়ে সমালোচনা করে, সাথে সাথেই ডজনখানেক জিনিয়াস কমেন্ট করবেই, ছাত্রলীগাররা যে অপকর্ম করে তা কেন যোগ করলেন না?
    অথচ কেউ যদি ছাত্রলীগের অপকর্ম নিয়ে লেখেন তখন এই জিনিয়াসরা কিন্তু বলেন না শিবিরের অপকর্ম কিম্বা পেট্রোল বোমা মেরে বাসের যাত্রীদের BBQ করাটাকে কেন যোগ করলেন না?

    তাজ্জব বনে যাই!

    Reply
    • সোহেল আরমান মালিক

      একটি বিশেষ দলের ছাত্র সংগঠন আর শিবিরের মধ্যে এখন আর পার্থক্য নাই। দুটোই পেটোয়া বাহিনী। একজন রগ কাটে আরেকজন হাতুরি দিয়ে পিঠের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়। দুঃখ লাগে যখন দেখি এই দুই পেটোয়া বাহিনীর জন্য অতি শিক্ষিত লোকও মায়াকান্না করে। কথাটা দুই দলকেই বললাম। শিবিরের নাম নিতে পারলেও অন্য ছাত্র সংগঠনের নাম নিতে পারলাম না কারণ দেশে……

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      যতক্ষণ পুলিশ অপরাধীদের নামোল্লেখ না করছে বা মামলা না দিচ্ছে, তততক্ষণ ভিসি’র বাড়ি আক্রমণকারী হিসেবে কারো সমালোচনা করা আইনবিরূদ্ধ হবে। পুলিশ এতদিনেও সুস্পষ্ট মামলা দায়ের করতে পারেনি। পুলিশের কি কাজ নাপতেমি করা?

      Reply
  10. A Rahman

    Shabash Dear Swadesh Da. Thanks a lot for providing valuable information about Jamaat Shibir, what our generation is not aware of. Expect more article like this.

    Reply
  11. Muktijoddha Abul Basher

    Must not they (quota movement leaders) be persecuted and prosecuted.
    I think a massive resistance yet to be organised.
    Thanks to resisting student body.
    The quota shit is the proginated from the allied BNP Jamati reactionary elements to destabilize the country.
    The should be scuppered at any cost and right now.

    Reply
  12. Mute Spectator

    জনাব স্বদেশ রায়, বুদ্ধিমান আপনি তবে একটু বেশি। মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে আপনার জুড়ি মেলা ভার। প্রসঙ্গ যখন কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিকীকরণ, আপনাকে এখানেই থাকতে হবে। বিশেষত মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সংসদে এই বিষয়ে বক্তব্য দেবার পর সরকারকে সিদ্ধান্ত দিতেই হবে। এটাই হচ্ছে আসল মামলা। সরকার আড়াই মাস ঘুমিয়ে না থাকলে কোন সমস্যাই হতো না। আপনারা চান এই বিষয় নিয়ে একটা বিশৃংখলা সৃষ্টি করে প্রধান মন্ত্রীকে কোন ভাবে বিতর্কিত করা। মূল আওয়ামী লীগারদের চেয়ে আওয়ামী আশ্রিতরা যখন বেশি বুঝে তখনই বিপদ। সকল বিবেকবান মানুষ কোটার ব্যাপারে যুক্তিসঙ্গত সংস্কার চায়। শুধু কিছু ধান্ধাবাজ ছাড়া।
    জামাত শিবিরকে মোকাবেলার জন্য সরকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কৌশল নিশ্চয়ই থাকবে কিন্তু মানুষের দাবী আদায়ের সাংবিধানিক অধিকার বলে আন্দোলন করলেই আপনি যা খুশী তকমা লাগিয়ে দেবেন তাতো হতে পারে না। পাকিস্তান আমলে এবং স্বাধীনতার পর আমাদের দেশের ক্ষমতাশীনরা একই ভুল বারবার করেছে আর নেপোয় মেরেছে দই।

    Reply
    • Bongo Raj

      অতি সঠিক কথা।
      প্রশ্ন হলো “যুক্তিসঙ্গত” সমাসটার অন্তর্নীহিত অর্থটা কি?
      আমি পণ্ডিত নই বলে গভীরে যাওয়া ব্যাখ্যা দিলে বুঝবো না, তাই সহজ ব্যাখ্যা চাই।
      তবে ব্যাখ্যা যাই আসুক না কেন, তার মাঝে নিচের বাক্যটা না থাকলে তাকে ফাও বলবোই।
      “কোটার মাঝে এমন কোন সুযোগ থাকতে পারবে না যা দিয়ে দেশের স্বাধীনতা চায়নি এমন ব্লাড ( যে জন(রা) ১৯৭১ এর স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সে জন (রা) এবং তাদের জন্মজন্মান্তরের বংশধর গং) সরকারী চাকুরিতে ঢুকতে পারে।” কারণ হল, সেই জনরা যত মেধাবী হবেন সরকারী চাকুরিতে ঢোকার পর এদেশকে আবারো পাকিস্তান বানানোর তত বেশী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবেন “

      Reply
  13. সরকার জাবেদ ইকবাল

    কোটা-বিরোধী আন্দোলনের গায়ে আপনি শিবিরের চাদর পরালেন? আপনি কাদেরকে ‘প্রগতিশীল ছাত্র’ বলছেন? যারা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পা ভাঙ্গে তাদেরকে? Sorry দাদা, আমি আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। তবে হ্যাঁ, অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফোটানো জামাত-শিবিরের পুরনো অভ্যাস। ওরা সেই চেষ্টা করতেই পারে। সে’ জায়গায় আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

    আরেকটি কথা, অপরের সমালোচনা করার আগে আমরা কতটা সৎ তা ভেবে দেখতে হবে। একদিকে ‘মেহমানদারি’ অন্যদিকে ‘নিন্দাবাণ’ এরকম দুমুখো নীতিতে অবস্থান করলে জামাত-শিবিরতো আশকারা পাবেই। কাজেই, ‘চোরের কয় চুরি কর, গিরস্তরে কয় ধর ধর’ – এরকম নীতি থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    Reply
  14. সংবাদিক সাহেবের চক্ষু থাতেও অন্ধ

    চক্ষু থাকতেও অন্ধ বর্তমান সেক্যুলাররা।

    Reply
  15. মোঃ শামীম মিয়া

    “সময় এখন বর্ষাকাল, ব্যাঙ চাটে বাঘের গাল”। রায় সাহেব এরপর আরও ঋতু আছে!

    Reply
  16. সুনীল আকাশ

    দাদা
    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নাকি বাংলাদেশী জাহাজগুলোকে সমুদ্রপথে দিক নির্দেশনা দেবে। এই স্যাটেলাইট যদি ছাত্রলীগকেও একটু ‘দিক নির্দেশনা’ দিতো তাহলে সবার জন্য মঙ্গল হতো। এমনিতেই কিছুদিন ধরে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের পথে ঘাটে হাতুরি দিয়ে কুকুরের মতো মারছে আপনার এ লেখাটি তাদের এ ধরনের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো অত্যাচার করতে আরো বেশী উৎসাহ দেবে। এ ধরনের নোংরা লেখা দেশ জাতীর জন্য বিপদজনক। আমি লজ্জিত এ লেখা পড়ার জন্য।

    Reply
    • Bongo-Raj

      Proposal to give correct direction by our satellite to chatro league is definitely correct. however , why it is not proposed to give correct direction to Jamati , shibir and to the party who had BBQed the human being by using petrol bomb; are their activities better? Or you genius is part of them?

      Reply
      • সুনীল আকাশ

        সত্য কথা পড়েই গায়ে জ্বালা ধরে গেলো দাদা! এসি তে থাকেন তাও যদি আপনার গা জ্বালা করে আমাদের মতো গরীব হলে কি করতেন? যাই হোক ছাত্রলীগ বা শিবির কারোরই স্পন্সর আমি করি না। এদের দেশে কোন প্রয়োজন নাই। এরা করবে পড়ালেখা, নোংরা রাজনীতি নয়। ক্ষমতায় আসার জন্য আর থাকার জন্য এরা ঘুটি হিসাবে ব্যাবহার হয়। কত ছাত্রের জীবন নষ্ট হলো! পৃথিবীর আর কোথাও ছাত্রদের এভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য নোংরা ব্যাবহার করে কিনা জানি না। কিছু শিক্ষিত (!) মানুষ হাওয়া দিয়ে এদেশে শিক্ষা ব্যাবস্থা ধ্বংস করেছে। অভাগা দেশের অভাগা ছাত্র!

      • Bongo Raj

        জনাব শুনীল আকাশ
        ছাত্রদের আন্দোলন বাদ হয়ে গেলে, আমাদের মত এমন অনিয়মের সমাজ আর সামনে আগাতে পারবে না। যে সব কারণে বাংলাদেশ নামক দেশটার জন্ম হয়েছিল তার পিছনে এই ছাত্র আন্দোলনটা অনেকগুলো চাবির মাঝের একটা বড় চাবি ছিল, একথা আর নুতন করে ব্যাখ্যা করার দরকার নেই। তাই যতদিন দেশ থেকে অনিয়ম যাবে না ততদিন ছাত্র আন্দোলনটা জরুরি, এটা বাদ দেওয়া যায় না। তার মানে এই নয় যে, আজ ছাত্রলীগ যেই পর্যায়ে নেমে খারাপ কাজ করছে তাকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আজকালের ছাত্ররা কেন এত নিচে নেমে এমন জঘন্য কাজ করে যাচ্ছে তার কারন খোঁজা সব চাইতে বেশী দরকার নয় কি? সরকার বদলালে, অন্য একটা গ্রুপ আজকের ছাত্রলীগ যা করছে সেই একই কাজই করবে।

        তাই কারণ খুঁজতে গেলে, প্রথমেই জানতে হবে, ছাত্রদের হাতে অস্ত্র প্রথম কারা দিয়েছিল? গবেষণার দরকার নেই, বিএনপির জিয়াই তা প্রথম করেছিল। আজ ছাত্রলীগ যা করেছে, তা জিয়া এবং তার উত্তরসূরীরা ছাত্রদের দিয়ে যা করিয়েছিল শুধু তারই মিরর ইমেজ!

        ছাত্রদের রাজনীতি বন্ধ করা সম্ভব যদি সব রাজনৈতিক দল বসে সিদ্ধান্ত নেয়। তা কি সম্ভব? আজ ছাত্রলীগ হাতুড়ি দিয়ে পিটাচ্ছে তার হাতেখড়ি কিন্তু শিবির আর ছাত্রদলের রগকাটা দিয়েই। তাই অনুরোধ, কমেন্ট যখন করবেন যার ভাবখান যেন এমন না হয়, এখনকার ছাত্রলীগই এমন অপকর্ম করছে আগের সবাই ছিল তুলসি পাতা এবং তারা ভবিষ্যতেও তুলসি পাতাই থাকবে। তা না হলে প্রপাগাণ্ডা করে সরকারই হয়তো বদলানো যাবে দেশ সামনে আগাবে না।

  17. শুভ্র

    লেখকের এ কথার সাথে আমিও একমত যে ছাত্র শিবির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান নেয়। তাদের মতাদর্শী বিভিন্ন স্কুল কলেজও আছে যেখানে অবচেতনভাবে কর্মী উৎপাদন করা হয়। বহুদূর চলে গেলে এদের অনেকে সচেতন হলেও চক্ষুলজ্জা, সামাজিকতা বা বিভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পক্ষ ছাড়তে পারে না। অবচেতনভাবে যেকোন ভাবধারার অনুগামী করানো বা প্ররোচিত করাকে আমার কাছে খুব বড় অন্যায় বলেই মনে হয়। তাই সরকারকে এদিকে মনযোগ দিতে হবে আর অভিবাবকদেরও বুঝাতে হবে যে কোনো স্কুলে ভালো রেজাল্ট করলেই তার সন্তানকে ভর্তি করানো উচিত না। অভিবাবকদের স্কুলের মতাদর্শগত নিরপেক্ষতাকেও আমলে নিতে হবে। নাহলে তাদের সন্তানরা জঙ্গী সাপ্লাইয়ের উৎসও হতে পারে।

    Reply
  18. সৈয়দ আলী

    আমার সংগ্রহেও নিজামী গঙের সাথে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী নেতাদের ছবি আছে। তাহলে স্বদেশ বাবু, জামাতের সাথে ঝালমুড়ি খাওয়া যায়, বৈঠক করে আন্দোলনের ছক করা যায়, তাতে দোষ হয় না। তাই না?

    Reply
    • Bongo-Raj

      Another lunatic comment…
      This moron reacts with a picture where two persons can be seen but this moron don’t reacts when he sees our national flag on nizami’s Car..
      this moron is a perfect filthy scum…

      Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      জনাব সৈয়দ আলী, এক বস্তা আলু পঁচাতে একটি পঁচা আলুই যথেষ্ট। বিডিনিউজের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পঁচা আলুটি সরিয়ে ফেলা। কি বলেন? একটা পঁচা আলুর কারণে এই সুন্দর ফোরামটি ক্রমশ দুর্গন্ধময় হয়ে উঠছে।

      Reply
  19. শুভ্র

    মনে রাখা উচিত আহমদ ছফার সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘ওই সব বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনলে শেখ মুজিব কোন দিন দেশ স্বাধীন করতে পারতেন না।’ বাস্তবে স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার চেতনা রক্ষা করতে হবে বীরত্ব দিয়ে। বীর ছাড়া স্বাধীনতা আনতেও পারে না রক্ষাও করতে পারে না। কথা সত্য।

    এখন সমাজে বুদ্ধিজীবীদের আত্নাগুলো বিক্রি হয়ে গেছে ভয় অথবা সুবিদাভোগের লালসার কাছে। কলামিস্টদের অনেকেও একই কাতারের। লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সুশীল থেকে সাধারন মানুষদের অনেকেও একই কাতারের।

    তবে কলামে যে কথাটা সজ্ঞানে উহ্য রাখা হয়েছে তা হলো নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে আপামর জনসাধারণের আকুন্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা। মেধাভিত্তিক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে দেশপ্রেমিক মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের কোন বিকল্প নেই। আর শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতির আওতাবহির্ভূত রাখা জ্ঞান সৃজন ও গবেষণার অন্যতম শর্ত। শিক্ষাঙ্গনে “জ্ঞান সৃজন ও আহরণ”-ই হোক একমাত্র কর্ম।

    ঘৃণা নয়, ভালোবাসাতেই হোক জয়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—