আমি চট্টগ্রামের মানুষ। আমার বন্ধুদের মধ্যে যারা একটু দুষ্টু প্রকৃতির তারা দাবী করে আমরা নাকি কথায় কথায় “যে” বলি। আমরাও নিয়ম করে সাথে সাথে এর তীব্র প্রতিবাদ করি। কিন্তু সমস্যা হল এই প্রতিবাদের ভাষাতেও টুক করে দুই একটি “যে” ঢুকে যায়। টেকনাফের যুবলীগ নেতা একরামুল হকের বাচ্চা মেয়েটি যখন ফোনে বলছিল “আব্বু তুমি কানতেছো যে” আমি কেন যেন তার সাথে এক অদ্ভুৎ আত্মীয়তা অনুভব করলাম। আমার আর ওর বাংলায় একই আঞ্চলিক টান! আমার পুরো রেকর্ডটি শোনার সাহস বা মানসিক শক্তি হয় নি, কিন্তু আমার স্ত্রী শুনেছে। খেয়াল করে দেখলাম ও এবং আরো অনেকে যারা শুনেছে তারা এরপর এক ধরনের বিষন্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। কোন ক্ষোভ নেই, রাগ নেই, প্রতিবাদ নেই, কেবল বিষাদময় শূন্যতা। এই শূন্যতা বলে দেয় মৃত্যুর ঠিক আগে একরামুল হকের সাথে তার মেয়ের কথাগুলো যারাই পুরোপুরি শুনেছে এই সমাজ, এই দেশ, এই রাষ্ট্রের উপর থেকে তাদের আস্থা পুরোপুরি উঠে গেছে। কোনকিছুই আর কোনদিন ভালোর দিকে যাবে না।

আমি নিজে তাদের মধ্যে পড়ি না, কেন পড়ি না তাও জানি না। খুব সম্ভবত: নিজের বেঁচে থাকা একটু যৌক্তিক আর অর্থবহ করার জন্যই আশাটুকু কখনও ছাড়তে পারি না। এই আশাবাদ আসলে এক ধরনের স্বার্থপরতা। আমি দেশ নিয়ে আশাবাদী কেবল নিজের কারণে। কারণ এটি ছাড়া আর আমার একদম নিজের মত কোন জায়গা নেই। কিন্তু এই স্বার্থপর আশাবাদ নিয়ে আমার একরামুল হকের বাচ্চা মেয়ে বা ওর মত আর যারা আছে তাদের সামনে সোজা হয়ে দাঁড়ানো সম্ভব না। তাই আমি ভাবছি কেন এমন হল, আর কতদিন এমন হতে থাকবে।

আমার প্রথম দুঃখ পত্রিকাগুলো নিয়ে। এরা এখনও এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে ক্রসফায়ার বলে যাচ্ছে। এর কারণটি আমার মাথায় কখনই ঢুকে না। আমরা সবাই জানি “ক্রসফায়ারে” কোন বন্দুক যুদ্ধ হয় না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোন একটি অঙ্গ একজনকে তুলে নিয়ে যায়। তারপর তাকে মেরে ফেলে। এরপর মৃতদেহের আশে পাশে অস্ত্র, গুলি এসব রেখে প্রমাণ সাজায়। তারপর পত্রিকায় তারা জানিয়ে দেয় ওঁত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের আক্রমণ করেছিল। তাহলে আমরা সবাই যেটি জানি সেটি পত্রিকায় লিখতে সমস্যাটি কোথায়?

এর মানে কিন্তু এই নয় যে কখনই অভিযানে যাওয়া আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আক্রমণ হয় না। গত কয়েক বছরে যখনই তারা জঙ্গীদের ধরতে গেছে তখনই তাদের উপর আক্রমণ হয়েছে। সবসময়ই, এমন কি গভীর রাতেও, আশাপাশের লোকজন বুঝতে পেরেছে সত্যিই কিছু একটা হচ্ছে। কখনই পুলিশের প্রেসবিজ্ঞপ্তি দিয়ে বুঝাতে হয়নি ওঁত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করেছে।

এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস শুরু হয়েছিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের নামে। যেহেতু আমরা মাস্টারি করি একটি ব্যাপার আমরা খুব ভাল জানি। ছাত্রছাত্রীরা যদি বাড়ির কাজ জমা দেয়ার ঠিক আগের রাতে শুরু করে তাহলে তারা গোল্লা পায়। যে বাড়ির কাজ তিন দিনের পরিশ্রম হিসেব করে আমরা দিয়েছি কেউ সেটি আগের রাতে দুই ঘন্টায় করে ফেলবে এটি প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায়। নয় বছর গায়ে হাওয়া লাগিয়ে নির্বাচনের আগে এসে মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে সেটি ঠিক মত হওয়ার কথাও নয়। এতো শুধু মাত্র একটি দিক। এর পরের কথা হল মাদক ব্যবসায়ীদের আইন অনুযায়ী ধরবে, তদন্ত করবে, শাস্তি দিবে, নিয়ম অনুযায়ী তো এটাই মাদক নিয়ন্ত্রণ হওয়ার কথা।

কিন্তু সেটি না করে তাদের অপহরণ করে মেরে ফেলে হবে কেন? আমরা তো গোলাম আজমকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছি। এতদিন ধরে শাহবাগ আন্দোলন চলল, পাশেই পিজি হাসপাতালে গোলাম আজম বন্দি, কই কেউ তো একবারও বলেনি হাসপাতালে গিয়ে তাকে মেরে ফেলি? একজন মাদক ব্যবসায়ী কি গোলাম আজমের চেয়েও খারাপ? সংবিধান সবাইকে ন্যায়বিচার চাওয়ার ও পাওয়ার অধিকার দিয়েছে। যে সরকার আজকে একজন অপরাধীকে তার সংবিধানসম্মত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে কালকে সে একজন ভাল মানুষকেও তার সংবিধানসম্মত অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে। আওয়ামী লীগের কেউ কেউ বলতে পারেন মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষমতাশালী, তাদের শেকড় অনেক গভীরে, নিয়ম মেনে ধরতে গেলে ফাঁকফোঁকর দিয়ে বেরিয়ে যাবে। তাদের প্রতি আমার একটাই প্রশ্ন – গত নয় বছরে আপনারা তাহলে কি করলেন?

যখন মানুষ এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নিয়ে প্রশ্ন করা শুরু করল তখন প্রথমে প্রধান মন্ত্রী বললেন একটা ভাল কাজের কেন সমালোচনা করা হচ্ছে। আমি জানিনা এখানে ওনার ঠিক কোন জিনিসটি বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। কেউ একবারও বলেনি মাদকব্যবসায়ীরা ভাল মানুষ। সবাই যে বলছে সেটি হল সংবিধান লঙ্ঘন করা খারাপ। আমি আরো পরিষ্কার করে বলি –

সংবিধান লঙ্ঘন করা মাদকব্যবসার থেকেও খারাপ। একজন মাদক ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মাদকসেবী আর তার পরিবারের ক্ষতি করে। একজন সংবিধান লংঘনকারী দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের ক্ষতি করে।

আমি এরপর আমার বন্ধুদের মধ্যে যারা পুলিশ আছে তাদের একটু জিজ্ঞেস করেছি। শুনলাম র‌্যাবে নাকি প্রতিরক্ষাবাহিনী থেকে লোক নেয়া হয় যাদের আইন প্রয়োগের প্রশিক্ষণ নেই। সেটি অবশ্য আগে একবার কেন ডিবি অফিসের ছাদে মানুষের লাশ পাওয়া গিয়েছিল তার কোন ব্যাখ্যা দেয় না। যেহেতু সরকারের উপরের পর্যায় এভাবে মানুষ মেরে ফেলাকে খারাপ মনে করে না, দুই বড় রাজনৈতিক দলই এটিকে সমর্থন করে, এমনি এমনি এটি বন্ধ হবে বলে মনে হয় না। আইনে যদি কোন ফাঁকফোকর থাকে সেটিও কোন সাংসদ বন্ধ করার ব্যাপারে উদ্যোগী হবেন বলে মনে হয় না কারণ তাদের মাথায় এখন নির্বাচন ছাড়া আর কিছু নেই। পুলিশের জন্য সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হল দুই দিন পরই ঈদের পাঞ্জাবীর বিজ্ঞাপন তাদের এসব অন্যায়কে পত্রিকার পাতা থেকে সরিয়ে দিবে।

আমরা খুব সৌভাগ্যবান যে আইনশৃংখলা রক্ষাকারীর একজন সদস্যের ভুলে একরামুল হকের হত্যার প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড হয়ে গেছে। যারাই শুনেছে তাদের গায়ের রক্ত হিম হয়ে গেছে যখন দেখেছে ঠান্ডা মাথায় লাশের আশেপাশে বুলেট সাজানোর নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। আমি এখনও পুরো অডিওটি শুনিনি। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের কারো সাথে যদি আমার কোনদিন পরিচয় ও দেখা হয় তার সাথে  বসে প্রথমবারের মত এটি পুরোটা শুনার ইচ্ছে আছে।

 

ওমর শেহাবইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের ভিজিটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরামের (আইসিএসএফ) সদস্য

১৭ Responses -- “আব্বু তুমি কানতেছো যে”

  1. does it really important

    Synthetic Chemical made drugs that distorts human mind should be banned, for example yaba. also ban fensidil etc. We can loosen a bit restriction on canabis and wines that purely natural made. wine got license to sell and consume inside country, so shall weeds.

    Reply
  2. BD24TOUR

    একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের পূর্বে, মোবাইল ফোনে কথোপকথনের অডিও ট্র্যাজেডি নিয়ে একরামুলের পরিবার।
    পুরা অডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুনঃ http://bit.do/emMdq

    Reply
  3. আ ন ম আফজাল হো‌সেন

    আর কত দালালী আর কত অন্যা‌য়ের সমর্থন। ল‌জ্জিত হই এই সব কলামিস্ট‌দের দে‌খে।

    Reply
    • কাজী ফয়জুস সালেহীন

      ভাই লজ্জা আরেকটু পান যখন দেখবেন বিনা বিচারে প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা হয়। দোষী হলে বিচার পাওয়ার অধিকার সাংবিধানিক। যদি বিচার করতে না পারেন তাহলে আদালতগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন। মেয়ে দুটো সরাসরি শুনলো তাদের বাবা কিভাবে বিনা বিচারে মারা গেল। আপনাকে যেন এ ধরনের পরিস্থতি কখনো মোকাবেলা করতে না হয়। আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।

      Reply
  4. শাহিন

    উপরের নির্দেশেই সব হচ্ছে। এটা বলেই আজ আপনি পার পাবেন কিন্তু নির্দেশ দাতা কাল অস্বীকার করবে। তারা যখন ফেঁসে যাবে তখন পানি নিচেই গড়াবে। সব অস্বীকার। এতএব রাঘববোয়াল বাঁচাবার জন্য একরামুল হত্যার মত ছোট কর্তারাও জালে আটকে যাবেন। তাই বলি সাধু সাবধান!! যার যার কর্মের ফল সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে দিয়ে দেন ২দিন আগে আর পরে।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আমি শুধু ভাবছি মেয়ে দু’টির কথা। ওরা কি আর কোনদিন এই নিষ্পাপ হাসি হাসতে পারবে? আল্লাহ্‌ ওদেরকে হেফাজত করুন।

      Reply
  5. স্নেহা

    আমরা সরকার হতে জীবনের নিরাপত্তা চাই। স্বাধীন দেশে আমরা মনে হয় ফিলিস্তিনে বসবাস করছি। যারা নিরাপত্তা দিবে আজ তারা আইন নিজের হাতে নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করছে। তারা মনে হয় অন্য দেশের নাগরিক।তারা আজ জনগণের মুখোমুখী অবস্থানে। যে হত্যার নির্দেশ দিচ্ছে সেও তাকে বিশ্বাস করতে পারছে না। কাল তার কী হবে এ হতাশায় গোটা জাতি নিরাপত্তাহীন। পুলিশ বা নিজস্ব বাহিনী নিজেদের বা অন্য বাহিনীর লোককে বিশ্বাস করে না। মানে যার যার জায়গায় আজ সবাই কেন জানি নিরাপত্তাহীন। দেশে এক ধরনের চাপা আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। স্বাধীন দেশে আজ আমরা সবাই পরাধীন। কেউ ন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই গলাটিপে ধরা হচ্ছে। কিন্তু কেন??? সবকিছুর মূলে ক্ষমতার লোভ, টাকার লোভ, ধনী বা বড়লোক হবার লোভ। মানুষ হত্যা আজ নিত্য ব্যাপার। মনে হয় আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে আজ আবার বাঙ্গালি ফিরে এসেছে। মুক্তি চাই। মুক্তি চাই। মাননীয় সরকার। আপনারা জনগণকে জবাবদিহি করবেন? নাকি জনগণ আপনাদের জবাবদিহি করবে। ভোট ভিক্ষা যখন চান তখন জনগণের ভালোর জন্য সব করব এই বলে ২ হাত তুলে ভিক্ষা চান। আজ আমাদের শান্তির দেশ ফিরিয়ে দেন।

    Reply
  6. সিবগাতুর রহমান

    “একজন মাদক ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মাদকসেবী আর তার পরিবারের ক্ষতি করে। একজন সংবিধান লংঘনকারী দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের ক্ষতি করে।”

    একমত হতে পারলাম না। মাদক পুরো দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তবে আমি ক্রসফায়ার বা কথিত বন্দুক যুদ্ধ সমর্থন করি না। আমরা গোলাম আযমের মতো স্বীকৃত ও দাম্ভিক রাজাকারদেরকে ক্রসফায়ার করিনি, ডালিম-রশীদ গংদের মতো স্বীকৃত খুনিদেরকে ক্রসফায়ার করিনি। তাহলে এরা কেন আত্বশুদ্ধির সুযোগ পাবে না?

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আত্মশুদ্ধির সুযোগ দেয়া হলেও ওরা শুদ্ধ হবে এমন কথার নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। যা জরুরি তা হলো মাদক প্রবেশের পথগুলো বন্ধ করা। এক্ষেত্রে সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সততা একান্ত প্রয়োজন। এর চেয়ে খোলাখুলিভাবে বলার প্রয়োজন আছে কি?

      Reply
    • আ ন ম আফজাল হো‌সেন

      ক্রসফায়ার কি সাং‌বিধানিক কোন আই‌নি অ‌ধিকার! ত‌বে খারাপ কিছু হয়‌নি। আর লেখ‌কের এত মায়া কান্না আ‌মি সহ্য কর‌তে পারলাম না।

      Reply
  7. মহিন

    সকল বিচারবহির্ভূত হত্যার সঠিক তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা বর্তমান সময়ে আমার মনে হয় একদম সহজ ব্যাপার। কিন্তু এটা অজ্ঞাত ভাবে মনে হয় নিষেধ। আর অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের উপর চড়িয়ে দেয়া এটা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ র‌্যাব, ডিবির বড় নির্দেশেকারী কর্মকর্তারা সব পুলিশের সদস্য। আর বর্তমান সময়ের পুলিশ ও ডিবির ক্ষমতা অনেক। আগে শুনতাম অপরাধীকে সতর্ক সংকেত বা আহত করার নির্দেশ দিত আর এখন সরাসরি হত্যা। গত কয়েক বছরে এরকম হত্যার অনেক নজীর রয়েছে। ওভারঅল সবকিছুর মূলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়। ওখান হতে নির্দেশ না আসলে এরা আইন নিজের হাতে নেবার সাহস পেত না। তাই বলতে চাই আপনাদের ভোট দিয়ে বা বিনা ভোটে জনগণ প্রতিনিধির দায়িত্ব দিয়ে বিনা বিচারে অপরাধী/নিরপরাধী হত্যা ও হাজার হাজার মামলা দেওয়া জনগণ একদম সাপোর্ট করে না। আজ গোটা জাতি অসহায় যা পূর্বে কখনো ছিল না। দেশের সমস্ত লোকই আজ জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা শান্তি চাই। স্বাধীন দেশে আজ গোটা জাতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অসহায়। জানতে ইচ্ছে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রকৃত কাজ কি মানুষ হত্যা, নাকি নিরাপত্তা দেওয়া!!!

    Reply
  8. সৈয়দ আলী

    চমৎকার যৌক্তিক নিবন্ধ। মাদকব্যবসায়ী খুন নিয়ে আমার প্রধান ক্রোধটি হল একটি রাষ্ট্রীয় হত্যাযজ্ঞকে দেশের প্রধান নির্বাহী ও তার চাকর-বাকরেরা যেভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে জাস্টিফাই করছেন তা দেখে। বন্ধ হোক এই হত্যাকাণ্ড। লেখকের সাথে সহমত ‘সংবিধান সবাইকে ন্যায়বিচার চাওয়ার ও পাওয়ার অধিকার দিয়েছে। যে সরকার আজকে একজন অপরাধীকে তার সংবিধানসম্মত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে কালকে সে একজন ভাল মানুষকেও তার সংবিধানসম্মত অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।’

    Reply
  9. সরকার জাবেদ ইকবাল

    “একজন মাদক ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মাদকসেবী আর তার পরিবারের ক্ষতি করে। একজন সংবিধান লংঘনকারী দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের ক্ষতি করে।” অত্যন্ত মূল্যবান কথা বলেছেন। বর্তমান সরকার সংবিধান লঙ্ঘন তথা আইন অমান্যের যে সংস্কৃতি তৈরি করছে তা একদিন তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া, এই চর্চা ব্যক্তি পর্যায়ে সঞ্চারিত হওয়ার মাধ্যমে দেশে ব্যাপক নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পারে!

    Reply
  10. Mute Spectator

    কিছু বলার নেই। শত সহস্র মানুষ আপনার অনুগামী হউক।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—