- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

পাওয়ার গেম থেকে ছিটকে পড়েছে বিএনপি !

গত কয়েক বছর যাবৎ ঈদের আগে আগেই বিএনপির তরফ থেকে একটা বিবৃতি আসে, ঈদের পরেই বৃহত্তর আন্দোলন। এবার সে বিবৃতি এখনো যে আসার সময় নেই তা নয়। সময় আছে, ঈদের দু একদিন আগেও তারা বলতে পারেন। বিবৃতি তাদের পক্ষ থেকে যাই আসুক না কেন, দেশের রাজনীতিতে এখন একটি বড় প্রশ্ন ঈদের পরে বিএনপি কী করবে? কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, কেন ‘ঈদের পরে’ কথাটা যোগ করা হচ্ছে। বাস্তবতা হলো দেশ এখন একটা ফেস্টিভ মুডে। ঈদের আনন্দের রঙ আকাশে বাতাসে লাগতে শুরু করেছে, মানুষ কেউ বা ছুটছে শপিং মলে কেউ বা বাড়ি ফেরার টিকেট কেনার জন্যে। এ সময়ে আর যাই হোক রাজনীতি কারো মাথায় নেই। তাই যা কিছু সব ঈদের পরেই।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি পাওয়ার গেমের একটি শক্তি ছিলো। ১৯৯১ থেকে বিএনপির একের পর এক ভুল পথ চলায়, ২০০৬ থেকে বিএনপি ক্রমান্বয়ে পাওয়ার গেমের সেই অবস্থান থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পরে বিএনপি নিজের চারপাশে একটা ধোয়াশা সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছিলো। প্রথমত শক্তিটি কি ডানপন্থী না মধ্যডান এটা পরিস্কার ছিলো না। তাই বিএনপি কিছু কিছু কাজে নিজেকে ডানপন্থী হিসেবে কাজে লাগাতে পারতো আবার সর্ব সাধারনের কাছে মধ্যডান হিসেবে থাকতে পারতো। এ ধরনের একটি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মত একটি মধ্যপন্থী উদার বাম গণতান্ত্রিক দলের লড়াই করা বেশ কষ্টকর ছিলো। কারণ তারা জনগণকে বলতে পারতো না আসলে বিএনপি কী? ১৯৯১ এর নির্বাচনের পরে শেখ হাসিনা এটা উপলব্দি করেন। তাই তিনি ৯১ তে দুটি কাজ করেন, নিজ দলের বাম অর্থনৈতিক কর্মসূচীকে পরিত্যাগ করে বাজার অর্থনীতিকে গ্রহন করেন। যা ছিলো রাজনৈতিক ভাবে ধোয়াশা সৃষ্টি করা বিএনপির জন্যে একটা চ্যালেঞ্জ। কারণ, বিএনপি বাজার অর্থনীতির একমাত্র প্রতিনিধি ছিলো এর আগে। আওয়ামী লীগকে অর্থনৈতিক ভাবে বাম ঘেষা বলে পুঁজিবাদী পৃথিবীতে কোনঠাসা করতে পারতো। অন্যদিকে ৯১ তে যেহেতু একক সংখ্যা গরিষ্টতা বিএনপি পায়নি, তাই শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিনকে লিখিতভাবে জানান, সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্টতা না দেখাতে পারলে কেউ যেন সরকার গঠন না করে। সাহাবুদ্দিনও বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্টতা প্রমান করতে বলেন। এ সময়ে জামায়াতে ইসলামী লিখিতভাবে বিএনপিকে সমর্থন করে। বলা যেতে পারে বিএনপির ধোয়াশা চরিত্রের ধোয়াশা কাটাতে বা জনসমক্ষে বিএনপির চরিত্র উম্মোচনে শেখ হাসিনার এটা প্রথম সাফল্য। রাষ্ট্রপতির কাছে জামায়াতের ওই লিখিত দেবার ভেতর দিয়ে প্রমানিত হয় বিএনপি ও জামায়াতের নৈকট্য বা একাত্মতা। যা পাওয়ার গেমে অনেকখানি হলেও বিএনপিকে একটা নতুন মাঠে খেলতে ফেলে দেন শেখ হাসিনা। আর তখন থেকেই বিএনপিকে ওই মাঠেই খেলতে হচ্ছে। অর্থাৎ মৌলবাদীদের মাঠে খেলতে হচ্ছে। অবশ্য এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন কলামে লেখা সম্ভব নয়, এর বিস্তারিত তুলে ধরতে হলে বই লেখার প্রয়োজন পড়ে।

যাহোক, ওই মাঠে খেলতে খেলতে ২০১২-১৩ তে এসে বিএনপি পাওয়ার গেম থেকে অনেকখানি ছিটকে পড়ে। বিএনপি বা বিএনপির অন্ধ সমর্থকরা স্বীকার করুণ আর নাই করুণ ভবিষ্যতে যারা নির্মোহভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আদিঅন্ত লিখবেন তারা ঠিকই লিখবেন, ২০১২-১৩ তে বিএনপির চরিত্র রাজনৈতিকভাবে পাওয়ার গেমের শক্তির বাইরে গিয়ে মৌলবাদী সন্ত্রসাীর দিকে বেশি অংশ ঝুকে যায়। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের খুব বেশি কোন পার্থক্য থাকে না। ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদরা একথাও স্বীকার করবেন, যদিও নেতৃত্ব ছিলো খালেদার তারপরেও তারেক রহমানই বিএনপিকে এখানে নিয়ে আসার জন্যে সব থেকে বেশি ভূমিকা রাখেন। জিয়াউর রহমানের আমলেও ছাত্রদলকে , ইসলামী ছাত্রসেনা বা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে এক করেননি জিয়াউর রহমান। ২০০১ এ ইসলামী মৌলবাদীদের নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে তারেক রহমান সরাসরি বলে দেন, শিবির ও ছাত্রদল একই মায়ের সন্তান। তাই এই ২০১৮তে এসে ছাত্রদলের কোন আলাদা চরিত্র নেই। শিবিরের সঙ্গে তাদের পার্থক্য করার কোন সুযোগ নেই। ২০১২ ও ১৩’র এই অবস্থানের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের পাওয়ার গেম থেকে আরো অনেকখানি ছিটকে পড়ে বিএনপি। কারণ, বাংলাদেশের মত একটি আর্গুমেনটেটিভ সোসাইটিতে কোন মৌলবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকারীরা কখনই পাওয়ার গেমের অংশ হতে পারবে না। এমনকি সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের নামেও কিন্তু সিরাজ শিকদার, কমরেড তোহা, হক- মতিন কেউ পারেননি। কোন আর্গুমেনন্টেটিভ সোসাইটিতে কখনই মৌলবাদী বা সন্ত্রাসী চরিত্র নিয়ে পাওয়ার গেমের প্লেয়ার হওয়া যায় না।

[১]
তাই ২০১৪তে পাওয়ার গেমের মাঠ থেকে ছিটকে পড়ার পরে , বিএনপি এখন শেখ হাসিনার থাবার ভেতর। কারণ, ২০১৪তে বিএনপি পাওয়ার গেমের মাঠ থেকে ছিটকে পড়ার পরে বা তাদেরকে ফেলে দিতে সমর্থ হবার পরে শেখ হাসিনা এই মাঠটির দখল খুব ভালোভাবে নিয়ে নিয়েছেন। যার পরিণতি এসে দাঁড়িয়েছে, বিএনপি এখন কম বেশি মানবন্ধন ও প্রেসক্লাবে সেমিনারের ভেতর সীমাবদ্ধ একটি দলে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে বেগম জিয়াকে ঘিরে যে মিথ ছিলো সেটা ভেঙে দিয়ে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন, বেগম জিয়া আলাদা কেউ নন, রাজনীতির মাঠের অন্য দশ পাঁচ জনের মতই তাকে বিবেচনা করে শেখ হাসিনা তার নিজস্ব রাজনীতিতে এগুতে পারেন ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন। বেগম জিয়াকে নিয়ে তাঁর বাড়তি ভাবনার বা কারো কথায় কান দেবার কোন প্রয়োজন নেই। বিএনপিও এ সত্য বুঝতে পেরেছে। তাই কুমিল্লায় বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার হুকুমের আসামী হিসেবে বেগম জিয়ার যে মামলা আছে -ওই মামলায় জামিন না হওয়ার পরে মীর্জা ফখরুল বলেছেন, তারা সব হারিয়ে ফেলেছেন। এখন তাদের আন্দোলন করা ছাড়া অন্য কোন পথ নেই। তাদের আরেক নেতা মওদুদ আহমেদও প্রেসক্লাবে একটি সেমিনারে একই কথা বলেছেন।

তাদের এ কথার ভেতর দিয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট হচ্ছে, বিএনপি মুখে বিচার বিভাগ নিয়ে যাই বলুক না কেন, তারা বুঝে গেছেন আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এতদিন তারা প্রেসে বিভিন্ন সময়ে যে সব কথা বলেছেন এগুলো কথার কথা মাত্র। বেগম জিয়ার নাম করে শেষ অবধি বিচার বিভাগের কাছ থেকে বাড়তি কিছু পাবার কোন সুযোগ নেই। তাই ঈদের ছুটির পরে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জিয়া ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা হাইকোর্টকে শেষ করতেই হবে- যেহেতু এটা সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনা। আগেও এ কলামে লিখেছি এখানেও লিখতে হচ্ছে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে বেগম জিয়ার দুর্নীতির এই মামলা শেষ হতে সেপ্টেম্বর অবধি বা আরো কয়েকদিন লাগতে পারে। আর এ ভেতর দিয়ে নির্বাচনী রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়ে যাবেন বেগম জিয়া। অন্যদিকে ইতোমধ্যে বিএনপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জোবায়াদা রহমান সহ তার পরিবারের সদস্যরা বৃটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। রাজনৈতিক আশ্রয় পাবার স্বার্থে তারা তাদের বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্রিটিশ সরকারের কাছে সমর্পন করেছেন। এর থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হচ্ছে, একদিকে যেমন বেগম জিয়ার জেল থেকে বের হবার কোন সুযোগ নেই, অন্যদিকে তারেক রহমানও জেল জুলুম মাথায় নিয়ে এসে বাংলাদেশে বিএনপির হাল ধরবেন না।

এ কারণে বিএনপি যদিও ঈদের পরে কী করবে তা কিছুই বলেনি, তবে তাদের জেনারেল সেক্রেটারী বলেছেন, আন্দোলন ছাড়া তাদের আর কোন পথ নেই। তাঁর ভাষায়, তারা সব কিছু হারিয়ে ফেলেছেন। এখন প্রশ্ন, ঈদের পরে বিএনপি যদি আন্দোলনে যায়, তাহলে তারা কাদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে যাবে? জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটে যে সকল ইসলামিক মৌলবাদীরা আছে তাদের নিয়ে তারা আন্দোলনে যেতে পারে ঠিকই। কিন্তু বেগম জিয়াবিহীন বিএনপি জামায়াতে ইসলামী সহ অনান্য ইসলামিক মৌলবাদীদের নিয়ে আন্দোলনে গেলে সে আন্দোলন কি শেষ অবধি বিএনপির হাতে থাকবে? না, বিএনপির ওই মাপের কোন ক্যারিশম্যাটিক নেতা নেই, যিনি আন্দোলনের ফল তাদের ঘরে উঠাতে পারবেন। স্বাভাবিকভাবে এটা চলে যাবে সুচতুর জামায়াতে ইসলামীর হাতে। অনান্য ইসলামিক মৌলবাদী দলগুলো এটা তাদের জন্যে আরো এক ধাপ অগ্রগতি মনে করে, জামায়াতে ইসলামীকেই সমর্থন দেবে। এখানে মৌলবাদীদের ব্যালন্স করার জন্যে বিএনপি যুগপৎ হোক আর যেভাবে হোক কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরি এই গ্রুপটির সাহায্য চাইবে। নির্বাচন যতই কাছে আসবে ততই বদরুদ্দোজা চৌধুরি আওয়ামীলীগের জোট বা তার কাছাকাছি হবার চেষ্টা করবেন নিজের এলাকা ধরে রাখার স্বার্থে। কাদের সিদ্দিকীও সেটাই করবেন। থাকবেন শুধু ড. কামাল । তার পরামর্শে বিএনপি আরো জনবিচ্ছিন্ন হবে।

এই জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি আবার দুটো গ্রুপে বিভক্ত হতে পারে। তরুণ একটি গ্রুপ চাইবে বেগম জিয়া ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, এদের মত নেতারা সে গ্রুপেই থাকবে। কারণ, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি এদের আনুগত্য অনেক বেশি। অন্যদিকে মওদুদ আহমদ, খোন্দকার মোশারফ, রহুল কবীর দুলু এ ধরনের নেতারা সহানুভূতি ভোট পাব এমন স্লোগান তুলে নির্বাচনে যেতে পারে। যাহোক, নির্বাচন কেন্দ্র করে যাই ঘটুক না কেন বিএনপির মধ্যে- সেটা হবে একটা দুর্বল প্রচেষ্টা। মূল পাওয়ার গেমে কোন প্লেয়ার তাদের থাকবে না। সব মিলিয়ে এখন বলা যায় বাংলাদেশের পাওয়ার গেম থেকে ছিটকে পড়লো বিএনপি। এখন ভবিষ্যতে আরো পাঁচ দশ বছরের মধ্যে কোন ডানপন্থী নতুন দল আসবে নাকি  ডান ও মধ্যপন্থার সঙ্গে অধিক সমাজকল্যাণের মিশেল ঘটিয়ে শেখ হাসিনা যে-ভাবে এগুচ্ছেন সেটা  দিয়েই সবটুকু মাঠ দখল করে রাখবেন–সেটাই এখন দেখার বিষয়।

৫৫ Comments (Open | Close)

৫৫ Comments To "পাওয়ার গেম থেকে ছিটকে পড়েছে বিএনপি !"

#১ Comment By বিদিত কৈরী On জুন ৮, ২০১৮ @ ২:৫২ অপরাহ্ণ

এত তেল কই থেকে পান, বাবু?

#২ Comment By ratan On জুন ৯, ২০১৮ @ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ

সম্ভবত কৈ থেকে

#৩ Comment By সৈয়দ আলী On জুন ৯, ২০১৮ @ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

ratan হা হা হা। লাগসই উত্তর। তবে স্বদেশ বাবুর তৈলের ডিপোও দেখা যায়।

#৪ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ৮, ২০১৮ @ ৩:০৫ অপরাহ্ণ

দাদা, আপনি প্রায়ই বিএনপি’কে আলোচনায় টেনে নিয়ে আসেন। কিন্তু কেন? ওদের ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা নিয়ে আপনি কি ভীত? তাই ‘কভারিং ফায়ার’ দিচ্ছেন? যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, ‘পেয়ারা পাকিস্তান’কে ফিরে পাওয়ার আসায় হা-হুতাশ করে তারা আর কোনদিনও ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে না, – এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। তাই, অগতির গতি, অগত্যা মধুসূদন হিসেবে জনগণ প্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিস্মৃত আওয়ামী লীগকেই বেছে নেবে, যদি না মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক নতুন কোন মোর্চা গড়ে ওঠে। মনে রাখতে হবে, জনগণের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতার প্রশ্নে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই সবচেয়ে বেশি প্রবলভাবে কাজ করে। প্রকৃষ্ট উদাহরণ ‘গণজাগরণ মঞ্চ’।

#৫ Comment By সৈয়দ আলী On জুন ৯, ২০১৮ @ ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ

সরকার জাবেদ ইকবাল, আপনার স্পষ্টবাদিতা খুবই চিত্তাকর্ষক। স্বদেশ রায়েরা হচ্ছে দেশে মানুষের মনে অস্বস্তির কাঁটা জাগিয়ে রাখার দায়িত্বে। তা না হলে, শেষটানের বিএনপিকে নিয়ে এই নিবন্ধ লেখার আর কি কারণ থাকতে পারে? আপনার মতো আমারও মনে প্রশ্ন আসে, তাহলে কি বিএনপিকে যতখানি মৃতপ্রায় ও কোমর-ভাঙ্গা বলে আওয়ামী লীগের নেতা-নেত্রীরা দাবী করেন তা কি সত্য নয়? বিএনপি’র কি ফিরে আসার আশঙ্কা আছে? ঝেড়ে কাশেন স্বদেশ রায়। আপনি ‘প্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিস্মৃত আওয়ামী লীগ’ বলেছেন। কথাটি খুবই সত্য তবে কেউ কেউ লাফ দিয়ে আপনাকে ফের রাজাকার বলবে, তৈরি থাকবেন। মেঠো বক্তৃতা দেয়ার সময় ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ স্মরণে থাকার আর কোন চিহ্ন তো আওয়ামী লীগের মধ্যে দেখি না!

#৬ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ৯, ২০১৮ @ ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

জনাব সৈয়দ আলী, আমি রেখে-ঢেকে কথা বলি না। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি আওয়ামী লীগের বিশ্বাস/শ্রদ্ধা/আস্থা ছিল না। যারা আমাকে রাজাকার বলতে চান এবং ‘আহা আওয়ামী লীগ’ বলে হাপিত্যেশ করেন তাদের কাছে আমার দু’টি প্রশ্ন। যদি তারা এই প্রশ্নগুলোর সদুত্তর দিতে পারেন তাহলে আমাকে দেয়া রাজাকার খেতাব আমি মাতা পেতে মেনে নেবো।

প্রশ্ন-১: বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বানে যখন দেশের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক, জনতা নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ‘মুক্তিবাহিনী’ শিরোপা নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তখন আলাদা করে ‘মুজিব বাহিনী’ কেন গঠন করা হয়েছিল?

প্রশ্ন-২: স্বাধীন দেশে নিয়মতান্ত্রিক সেনাবাহিনী থাকা সত্ব্বেও কেন রক্ষিবাহিনী গঠন করা হয়েছিল?

মোদ্দা কথা, আওয়ামী লীগের জনগণের উপর কোন বিশ্বাস কখনও ছিল না, এখনও নেই। তাই, ‘গোলমেলে’ নির্বাচনের আনজাম চলছে। আর তাতে মদদ জোগাচ্ছেন দাদাদের মত লোকজন।

#৭ Comment By সৈয়দ আলী On জুন ১০, ২০১৮ @ ৩:৪৬ অপরাহ্ণ

সরকার জাবেদ ইকবাল, সততার সাথে ইতিহাস বললে সংবিধান লঙ্ঘনের মামলায় পড়বো। তবে তাজউদ্দীন কন্যা সিমিন আহমদ সম্পাদিত ‘আলোকের অনন্তধারা’ সংকলনে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদ দুজনেই আক্ষেপ করে বলেছেন যে তাদেরকে কেউ জিজ্ঞেসও করেনি, ‘তোমরা কি ভাবে যুদ্ধটা করলা’? এই হচ্ছে মু্ক্তিযুদ্ধের চেতনা, আওয়ামী লীগের পণ্য।

#৮ Comment By Fazlul Haq On জুন ৮, ২০১৮ @ ৩:৪২ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে পাওয়ার পলিটিক্সের বিশ্লেষণ কিছুটা সত্য বলে ধরে নিয়েও বলা যায় যে, এখানে বিদেশি ফ্যাক্টর উপেক্ষা করলে ভুল হবে। বিশেষ করে আমেরিকার নেতৃত্বে পাকিস্তান ও সৌদি আরবসহ আরো কিছু দেশের স্বার্থ এই ভূ-অঞ্চল নিয়ে জড়িয়ে আছে যেখানে চায়না ও ভারত ফ্যাক্টরও সক্রিয়। তাই আওয়ামী লীগের পাওয়ার পলিটিক্স সফল হতে হলে খুব চতুর ও সতর্ক হতে হবে। লেখাটার জন্য ধন্যবাদ জানাই দাদা।

#৯ Comment By Bongo-Raj On জুন ৮, ২০১৮ @ ৪:৪২ অপরাহ্ণ

স্বদেশ রায় বাবুর লেখা
“পাওয়ার গেম থেকে ছিটকে পড়েছে বিএনপি ”
এই প্রবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে কমেন্ট করতে চাই না – উহা সময়ের অপচয়। তার কারন-
বিএনপির লোকজন এটাকে ১০০% সত্যি জেনেও যেমন মেনে নেবে না তেমনি বিএনপি বিরোধীরা এটাকে ১০০% সত্যি নয় জেনেও দৈব বানীর মত গিলে নেবে।

আমার উদ্দেশ্য হলো- বিএনপি দুর্বল হয়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে/প্রায় বিলীন হয়ে গেছে এই অংশটার প্রতিবাদ করা, কারন উহা ১০০%ই ভুল। তড়ফড়াবেন না মহাশয় ব্যাখ্যা দিচ্ছি–
১৯৭২-১৯৭৫ (আগস্ট)এর সময়টা বঙ্গবন্ধু সরকার যতটুকু বিরোধীতার সম্মুখীন হয়েছিলেন তার পরিমান কি বেড়েছে আজকের কিম্বা ১৯৯৬ এর হাসিনা সরকারের আমলের সময়ের চাইতে?
চোখের পাতা দুটোকে হাতের তালু দিয়ে আর একবার ঘষে, ফিরে দেখুন, দেখবেন বিরোধিতার করার লেবেল/প্রকৃতি একদম একই। ১৯৭০ সনে যারা বঙ্গবন্ধুর দলকে ভোট দেয়নি, সেই লোকগুলোই ( বিস্তৃতভাবে বললে বলতে হয় তাদের বংশধররাই) আজও বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়ার দলটাকে একই ভাবে, একই কারণে বিরোধীতা করছে, যেমন তারা এখনো পাকিস্তনকে ভালবাসে আর ভারতের বিরোধীতা করে এবং বিরোধীতা করার কারণটাও একই। তাই বিএনপি মুছে গেলেও একই লোকগুলো একই কারণে জড় হবে তখন হয়তো তার নাম হবে “CNP”, নয়তো বা “DNP”, নয়তো বা “ENP”… নয়তো “ZNP”

মজার ব্যাপার হলো, এই সব বিরোধীদের মাঝে কিছু লোক সাধু সেজে বিরোধীতার কারণ হিসাবে দুর্নীতি কিম্বা গণতন্ত্রকে টেনে আনে, কিন্তু কখনো জবাব দেবে না এখনকার হাসিনা সরকারের আমলে “দুর্নীতি কিম্বা গণতন্ত্র কি আগের চেয়েও খারাপ হয়েছে”? এইসব বিরোধীদের মাঝ থেকে ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছে এনএসএফ (NSF) এর প্রচুর সদস্য তারা সেই ১৯৭২ থেকে আজও একই কারণে বিরোধীতা করছে হাসিনা সরকারের মত মুক্তিযুদ্ধের দলকে!! তাই বিএনপিও মাঝেমধ্যে দাবি করে আমরাও মুক্তিযুদ্ধের দল!!

তবে এই অংশটুকু স্বীকার না করলে গুনাহ হবে, যেমন হাসিনা সরকারের মাঝেও এক দল কুলাঙ্গার আর বদমাইশ আছে যারা নিজের স্বার্থে দেশের ভাগ্যকে নিয়ে যেই ছিনিমিনি খেলে। এদের অপরাধ সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের চাইতে মোটেও কম নয়। এই লোকগুলো সেই আদিকাল থেকেই আছে (বিস্তৃত ভাবে বললে বলতে হয় তাদের বংশধররা) এবং হয়তো আজন্ম থাকবেও। এই ধরনের লোক দুনিয়ার সব দেশেই আছে কিন্তু বাঙ্গালি সমাজে মাথাব্যাথার কারণ হলো, এদের অনুপাত এখানে প্রায় ৯৯% ।

#১০ Comment By সুনীল আকাশ On জুন ৯, ২০১৮ @ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ

দাদা বংগ রাজ
বিএনপির অস্তিত্ব নাই তাও এতো ভয়!!!! আবার বিনা ভোটে আসার জন্য এতো তেলেসমাতি!! সব জায়গায় লোক বসানো হলো। নির্বাচন কমিশন কি করছে তা তো দেখছি। আবার ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন হবে। চেতনাবাদীরা একতরফা ভাবে আবার চেতনা বিক্রি করবেন। এভাবেই চলবে ” সোনার” বাংলা।

#১১ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

Dear Mr S.Akash
Either you didn’t understand the concept of my comment or intentionally wanted to keep away from it. Otherwise, such an irrelevant reply full with nonsense claims can not come out!!

#১২ Comment By কাজী ফয়জুস সালেহীন On জুন ৮, ২০১৮ @ ৭:১৬ অপরাহ্ণ

দাদা
চাটুকারিতা ছাড়েন। আপনাদের মতো লোক ক্ষমতার পালা বদলের সাথে রং বদলায় এটা সারা বাংলাদেশ জানে। নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেন না। নাকি আরেকটা ৫ জানুয়ারির মতো কলংকিত ভোটবিহীন ভোটার বিহীন নির্বাচন করে আরো ৫ বছর পগার পার করতে চান? দাদা একটা বাচ্চা মেয়ের ঐ কথাটা শুনেন নাই “বাবা তুমি কানতেছ যে —” সাধু সাবধান।

#১৩ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ

5th January election was soiled by BNP, not by AL.
BNP didn’t came to the election instead by force they stopped the people not to go to the voting center, burned the voting. Their reason for not participating to the election was CGT, which is against our cuerrent constitution.

#১৪ Comment By কাজী ফয়জুস সালেহীন On জুন ১০, ২০১৮ @ ৯:০৮ অপরাহ্ণ

দাদা বংগরাজ
নির্বাচনের কথা বলে লজ্জা দিয়েন না। গত ৫ বছর অনেক নির্বাচন দেখেছি। আপনার কথা শুনে ঘোর সরকারি দলদাসও লজ্জা পাবে। আশেপাশের সব দেশ এমনকি মিয়ানমারে পর্যন্ত নিরেপেক্ষ নির্বাচন হয়। আমরা পারলাম না। রাতের বেলায় ব্যালট বাক্স ভর্তি হয়ে যায় দাদা। সকালে আর ভোট দিতে যেতে হয় না। এই vicious circle চলতেই থাকবে। এ থেকে আমাদের আর মুক্তি নাই।

#১৫ Comment By লতিফ On জুন ৮, ২০১৮ @ ৮:০৪ অপরাহ্ণ

বিএনপি রাজনীতির সবচে বড় ভুল ছিল ১/১১-কে মূল্যায়ন না করা। খালেদা ও তারেক সেদিন স্বেচ্ছায় রাজনীতি ত্যাগ করেছিল, কিন্তু বিএনপি তাদের ধরে রেখেছে। এটা হল তালাক দেয়া স্ত্রীর সাথে সহবাস করার মতো অবস্থা। বিএনপিতে কোন সাহসী গৃহস্ত নেই।

#১৬ Comment By NAJMUL On জুন ১২, ২০১৮ @ ৪:২৬ অপরাহ্ণ

LATIF VAI, RAJNITITE SOBAI VUL KORE KINTU POLICE DIE DESH CHALANO ETAKE KI BOLBEN? BAJETER BORO BORADDO THAKE HOME MINISTRY TE

#১৭ Comment By mesbah uddin ahmad On জুন ৯, ২০১৮ @ ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

জেগে ঘুমালে জাগানো কঠিন। নির্দলীয় সরকারের অধীনে আর্মি রেখে নির্বাচন দিয়ে দেখেন বি এন পি’র অবস্থান কোথায়।

#১৮ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ

Such an election will be a big shame for our nation as none of the so called democratic nations(UK, US, India etc) are doing so. Their elections are helded in the same way as our constitution being explaining .
Those who still re-proposing CGT, either they didn’t learned anything from 2006 CGT experiences or taking stance against our constitution.
Current constitution was changed by following the valid rule; it is not by a single touch of a pen of the stupid General like ZIA .
Thus most deserving is , a fair election by coperation of all citizens/parties is more important and should concentrate to it.

#১৯ Comment By nazim u chowdhury On জুন ৯, ২০১৮ @ ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

IF AWAMI LEAGUE MISS CALCULATE ABOUT THE POWER OF ALL OPPOSITIONS THAT’S WILL BE DISASTROUS FOR THEM LIKE 1991 ELECTION.ITS NOT WISE TO MAKE ALL OF THEM AS ENEMIES, STILL HAVE TIME TO MAKE SOME FRIENDS FROM OPPOSITION WHO CAN PLAY AS TRUMP CARD IN NEXT GENERAL ELECTION.

#২০ Comment By মহিন On জুন ৯, ২০১৮ @ ৫:০০ পূর্বাহ্ণ

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আজ পুলিশের কাছে আদালত জিম্মি। মামলার ক্ষমতা বলে কোটি কোটি মামলা দিয়ে দেশের ৭০% লোককে অপরাধী বানিয়ে আদালতের উপর দায় চাপানো হচ্ছে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে ইচ্ছামত জবরদস্তি নির্বাচন দেয়া হচ্ছে। চিন্তা করেছেন যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তবে ক্ষমতাসীন ও আপনাদের মত সুবিধাবাদীদের কি হবে! বেশি খুশিতে আত্নহারা হবেন না। জনগণ কি চায়? কাকে চায়? এটা আপনারাই ভাল জনেন। তাই এত ভয়। সত্যের পথে অাসুন, নিরপেক্ষ নির্বাচনেরর কথা বলুন। জানি বলবেন না কারণ সুবিধাবাদীরা সুবিধা পাবে কই? ক্ষমতাসীনদের যদি একবার বলেন খালেদার আন্ডারে নির্বাচনে যেতে! যাবে না। ৯৬তে যায়নি। তাই বলি জবরদস্তি বেশিদিন থাকে না। পতন নিশ্চিত তা চিন্তা করলে পায়ের তলায় মাটি খুজে পায় না। আপনারাও চান গতবারের মত ১টা ভোটারবিহীন নির্বাচন দিতে পারলেই আরো ৫বছর লুটেপুটে খাব তাই না দাদা? বিএনপি আওয়ামী বুঝি না বুঝি শান্তি খুঁজি শান্তি। তাই চাই একটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন। মানুষ আগের মত আনন্দে ভোট দিতে যাবে। হবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা। জনগণই খুঁজে নিবে স্বপক্ষে কারা বিপক্ষে কারা। আসুন ভাল কথা লিখি, অবৈধ পথকে উস্কে দিবেন না। দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে দোহাই দাদা ভাল কিছু লিখুন।

#২১ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ

This comment lost its authenticity/dignity by mentioning “70% people are under police cases!!” — ridiculous!!!!

#২২ Comment By মোঃ আলতাফ On জুন ৯, ২০১৮ @ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ

বেশি শিক্ষিতরা বেশি দালাল। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিক, পাওয়ার গেম কি সেটা জনগণ ঠিক করে দেবে। দালালি ছাড়ুন, মানুষ এখন আগের মত বোকা নয়। এখন সবাই শিক্ষিত।

#২৩ Comment By ibrar On জুন ৯, ২০১৮ @ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

yessss

#২৪ Comment By Md. Khan On জুন ৯, ২০১৮ @ ১২:২১ অপরাহ্ণ

I am agreed with your opinion. This opinion is the best for this situation. BNP is gone but AL going where!

#২৫ Comment By ibrar On জুন ৯, ২০১৮ @ ১:০০ অপরাহ্ণ

বেশি শিক্ষিতরা বেশি দালাল। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিক, পাওয়ার গেম কি সেটা জনগণ ঠিক করে দেবে। দালালি ছাড়ুন, মানুষ এখন আগের মত বোকা নয়। এখন সবাই শিক্ষিত।

#২৬ Comment By Bongo-Raj On জুন ৯, ২০১৮ @ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ

অনেক অর্বাচীন আওয়ালীগকে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী চেতনায় উজ্জবিত বলে বয়ান দিচ্ছে তাদের জন্য উপদেশ।

আদা যেমন পঁচে গেলেও তার ঝাল যায় না, তেমনি আওয়ামীলীগ নষ্ট হলেও, বাংলাদেশের যেকোন দল থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সব চাইতে কাছে থাকার দল। আর যারা আওয়ামীলীগের পরিবর্তে বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চান, ১০০% ধরে নেওয়া যায় তারা পাকিস্থান পন্থী আর ভারত বিরোধী!!!

এই ভাবে ঠোঁট কাঁটা ভাবে কথা বলছি বলে অনেকেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবেন তাতে সন্দেহ নেই কিন্তু এটাই বাস্তবতা। এখন দরকার শুধু আওয়ামী লীগের মাঝ থেকে দুর্নীতিবাজ আর বদমাইশ গুলোকে তাড়ানোর আন্দোলন করা, আওয়ামী লীগ কে সরানোর জন্য আন্দোলন হবে জঘন্য চেষ্টা।

#২৭ Comment By সজল কান্তি On জুন ১০, ২০১৮ @ ১:৫৫ অপরাহ্ণ

আরে ভাই ক্ষমতায় আরো ৫০ বছর থাকুন আপনি আর আপনার দল সমস্যা নাই, কিন্তু জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে আসুন। চুরি করে পেছনের দরজা দিয়ে নয়, চেতনা বিক্রি করে নয় ।

#২৮ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৬:৫২ অপরাহ্ণ

Last election was somewhat questionable! It was due to BNP, because they didn’t participated without any valid reason. Although they showed a reason but it was against our constitution, I mean, demand of election under caretaker govt. If they wanted to do the election under CTG , first they have to change the constitution as per the rule of change, not the way stupid Zia did it.

Do you understand upto this? If still you wanted to keep the same stance, give/show me the reason.
Otherwise, don’t write nonsense comment.

#২৯ Comment By সজল কান্তি On জুন ১০, ২০১৮ @ ৮:১৮ অপরাহ্ণ

বিদেশী দাদা
সত্য কথা একটু কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো। একটু খারাপ তো লাগবেই আর যার লাগে তার কাছে “ননসেন্স” মনে হয় ??? , চোর সব যে এক হলো। দেশের ব্যাংকগুলো লুটেপুটে খেলো, দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে লুট হলো এ যে চেতনার ফল বিদেশী দাদা। পেছনের দরজা দিয়ে এসে ৫ বছর কাটিয়ে দিলেন। এটা তো মুক্তিযুদ্ধের “চেতনা” হতে পারে না। একবার দেশে আসেন দাদা। দেশে এলে যখন বিনা বিচারে_____ বুঝলেন তো দাদা। বিদেশে অনেক ভালো আছেন দাদা। এখানে স্বামী/ছেলে সকালে কাজে বের হলে রাতে ফিরবে কি না কেউ বলতে পারে না। ভালো থাকেন দাদা। আমরা আছি “সোনার” বাংলায়।

#৩০ Comment By Bongo-Raj On জুন ১১, ২০১৮ @ ১:১৮ অপরাহ্ণ

Are you uttering true fact?
To prove that overrule my comment contents with appropriate logic please!!

#৩১ Comment By সুনীল আকাশ On জুন ১০, ২০১৮ @ ৯:০১ অপরাহ্ণ

দাদা বংগরাজ
নামে বলছে আপনি রাজবংশীয় লোক। ২০১৪ সালে এদেশে একজন লোকও ভোট দিতে পারে নাই। ১৫৩ জন সাংসদ(!) বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত এটা কিন্তু বিশ্বরেকর্ড ছিলো দাদা। আপনার মতো আমরাও এতে গর্বিত! ২০১৪ সালের ভোট যদি আপনার ভাষায় “some what questionable” হয় তাহলে দাদা “দলান্ধতা ও দলদাসের” নোবেলটা আপনার পাওয়া উচিত। আপনার মতো লোক এ দেশে যত বেশী হবে এ দেশ তত দুর্নীতিগ্রস্থ হবে।

#৩২ Comment By Bongo-Raj On জুন ১১, ২০১৮ @ ১:২৫ অপরাহ্ণ

Please over-rule my comment with proper logic.
I mean who made the obstacle to voter not to go to the voting center – please answer?
Then decide who should to be blamed?

#৩৩ Comment By সুনীল আকাশ On জুন ১১, ২০১৮ @ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

লজিক আমার লেখাতেই আছে দাদা শুধু টিনের চশমাটা খুলতে হবে। ২০১৪ সালের কলঙ্কিত ভোটকে যদি “some how questionable” বলেন তাহলে কোন লজিক আপনি মানবেন না। অলরেডি বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় লজ্জার বিশ্বরেকর্ড আমাদের। গত ৫ বছরে এদেশে ভোট হয় নাই যা হলো “তামাশা”। সরকারি আজ্ঞাবাহী কমিশন প্রশাসন দিয়ে হয় না দাদা, হবে না। যেকোন সরকার হোক বিএনপি হোক আওয়ামী লীগ কারো আন্ডারে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সংবিধানের দোহাই দিয়ে যে যার মতো দেশটা লুট করে নিচ্ছে। গত ৫ বছর কোন ভোট দিতে পারি নাই। সামনেও পারব বলে মনে হয় না। খারাপ লাগে দাদা। এমন এক হতভাগা দেশে জন্ম নিজের ভোটটা পর্যন্ত দিতে পারি না। ক্ষমা করবেন দাদা। দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত এ দেশে গরীব আর মধ্ধবিত্ত কিভাবে বেঁচে আছে এক আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।

#৩৪ Comment By S M Abu Sadat On জুন ১৫, ২০১৮ @ ৮:০৫ অপরাহ্ণ

বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হওয়ার অর্থ হলো প্রার্থীকে ঐ নির্বাচনী এলাকার সকলেই সমর্থন করেছেন। এর অর্থ কখনই এমন নয় যে লোকে প্রার্থীকে বর্জন করেছে। যদি কেউ প্রার্থীকে বিরোধিতা বা বর্জন করতে চায় তবে তার উচিৎ নিজে প্রার্থী হওয়া বা নিজের সমর্থিত প্রার্থীকে ভোটে দাঁড় করানো। আপনারা সাংবাদিক বড় জ্ঞানী মানুষ কিন্তু স্মরণ করুন ২০১৪ সালের নির্বাচনকালীন সরকার কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেনি। সে কারণে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ বলার আগে ভাবুন কাকে প্রশ্ন করছেন। আমি প্রশ্ন করি, যে সমস্ত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ না করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচন হতে দিয়েছেন তারা তাদের সমর্থক জনগোষ্ঠীর সাথে প্রতারণা করেছেন।

#৩৫ Comment By সজল কান্তি On জুন ৯, ২০১৮ @ ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

দাদা
সারাক্ষণ আওয়ামী লীগের চাটুকারিতা করা কি আসলে একজন প্রফেশনাল সাংবাদিকের দ্বায়িত্ব হতে পারে! এতো বছর সাংবাদিকতা জীবনে আপনার প্রাপ্তি কি? শুধু একটি দলের চাটুকারিতা? এ রকম হলে সাংবাদিকতা করার জন্য শিক্ষা-দীক্ষার প্রয়োজন কি? আপনাদের মতো সাংবাদিকের জন্য আমজনতা সাংবাদিকদের ঘৃণা করে।

#৩৬ Comment By স্নেহা On জুন ৯, ২০১৮ @ ১০:১৪ অপরাহ্ণ

দাদা, ক্ষমতাসীনদের খাওয়ার গেম আরো বাকি আছে এটা বলেন না কেন? দেশের বড় বড় ফান্ড হাজার হাজার কোটি টাকা লাপাত্তা হয়ে গেল। ক্ষমতাসীনরা এর কূল কিনারা বের করতে পারল না। এর মানে কি? কারা জড়িত? টাকা কোথায় কারা নিল? এসব নিয়ে আপনাদের মাথাব্যথা নেই। আছে শুধু বাকি যা আছে এবার যদি আসতে পারি জাতিকে মূলো ঝুলিয়ে পথে বসাব এই পরিকল্পনা আটছেন? বা সত্যের পক্ষে লড়াকু সৈনিক, আপনাদের কলম ২ নম্বরির চিন্তায় মগ্ন।

#৩৭ Comment By Bongo-Raj On জুন ১০, ২০১৮ @ ৮:০০ পূর্বাহ্ণ

A comment full with saaaaame nonsense blames is going on. These blames are universally true for Bangalee and do not changes with time. These will remain same even after few decades and even the govt. is formed by Frestha(like Saint Gabriel)

#৩৮ Comment By সফি আহমেদ On জুন ১০, ২০১৮ @ ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ

লেখকের বিষয়টিকে পক্ষ বিপক্ষ কিছুটা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। এইটাই আমাদের জাতীয় জগাখিচুড়ি স্বভাব। “আগামীতে আমরা ক্ষমতায় যাবো” হীণমন্যতা থেকে কেউ বাইরে যেতে পারছি না। কারণ দেশপ্রেম অথবা আগামী দিনের একটি শক্তিশালী জাতি গঠনে আমাদের স্বপ্ন নেই। বিএনপি বাজার অর্থনীতি এবং ধর্মান্ধতা একসাথে পুঁজি করে যেই দিকভ্রম রাজনীতির পত্তন করেছিলো তার কোন ফলশ্রুতিতে বিএনপির সরকারগুলিতে কোন ক্যারিশমেটিক নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি। অশিক্ষা-ব্যক্তি বন্দনায় অভ্যস্থ বেশির ভাগ মানুষ মনের অজান্তে মিসেস জিয়া এবং তদ্বীয় পুত্রের উপর যে আশা ভরশা করে আসছিলো-নেহায়েত ফানুস ছাড়া কিছুই না। ইমোশনাল ভোটে বাংলাদেশের পার্লামেন্টে এ সদস্য নির্বাচন হয়ে আসছে বরাবরই। দেশ বিবেচনা অথবা জাতীর স্বার্থে নির্বাচন করে আমাদের দেশের মানুষজন ভোট দেয়- এটা বলা চলে না। খেয়াল করে দেখলাম যারা সরকার বিপক্ষে তথা বিএনপি সমর্থক তাদের একটিই দাবী- নিরেপেক্ষ নির্বাচন হতে দাও, দেখবে বিএনপি কতবড় ব্যবধানে জিতে আসে! এরা জানে না, নেতা এবং নেতৃত্বের পলায়নপর চরিত্রকে মুল্যায়ন করছে নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবিতে। পুলিশের ভয়ে ঘরে বসে নন্দলাল সেজে এরা ক্ষমতায় যেতে চাইলে কি ক্ষমতা ঘরে এসে যাবে!! সত্যিকারের জনগণের দাবি হলে, বলার অপেক্ষা রাখে না- জনগণ রাস্তায় নেমে যাবে। মনে হয় না জনগণ চাইছে। বরং কবির ভাষায় বলা চলে, একে একে নিভিছে দেউটি। আইন এবং অতীত ভুল, নেতৃত্বের অপরিনামদর্শীতার কারণে আগামী কয়েক বছরে মনে হয় পিদিমের সলতে জ্বালানোর কেউ থাকবে না বিএনপি’র।

#৩৯ Comment By Mute Spectator On জুন ১০, ২০১৮ @ ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ

এতকিছু জানেন জনাব স্বদেশ রায় কিন্তু এটা জানেন না যে নীরবে নিভৃতে নতুন প্রজন্মের ভোটার প্রতিদিন ভোটার তালিকায় যোগ হচ্ছে, আপনার এই প্যাচাল শোনার সময় এদের নেই। এরা বোঝে এরা স্বাধীন বাংলাদশের গর্বিত নাগরিক। নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য এরা সুশাসন আর গণতন্ত্র আশা করে। দুর্নীতিকে এরা মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। দুর্ভাগ্যক্রমে পত্রিকার পাতা জুড়ে আপনার মত লোকদের লেখা থাকে যার মধ্যে অপশাসন আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটা শব্দও খুঁজে পাওয়া যায় না। আপনারা স্বাধীনতার পক্ষের বলে দাবি করেন কিন্তু ন্যায়ের কথা লিখতে পারেন না যারাই অপশাসনের কথা বলে তাদের আপনারা অবলীলায় রাজাকার ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত করেন। আপনাদের হাতে থাকা রাজাকারদের তালিকাটি লম্বা হতে হতে একদিন না পনের কোটি ছাড়িয়ে যায়!!

#৪০ Comment By আইরিন On জুন ১৮, ২০১৮ @ ২:০৮ পূর্বাহ্ণ

নতুন প্রজন্মের ভোটার দিয়ে কি হবে, ওদের কে ভোট দিতে দিবে? আর নোমান ভাইতো বলেই দিলেন অধিকার বলে ওরা ক্ষমতায় থাকবে।

#৪১ Comment By Mohammed shamsuddin On জুন ১০, ২০১৮ @ ৮:৫০ অপরাহ্ণ

Don’t you feel shy to explain odd evil in the news. can you tell me the 2014 election really that was election it was blundering to the nation, you have snatched the right of the voting of the people, Self declared PM and parliament. whole world is criticizing don’t you feel shame to talk infavor of the unelected dictator. shame shame

#৪২ Comment By জিকরুল হক On জুন ১১, ২০১৮ @ ৫:৩১ অপরাহ্ণ

এখানে রায় বাবুর কি আর করার আছে! আসলে দলকানা আর দলদাস হলে যা হয় আর কি, বিবেক বিকৃত করে অন্ধ লেখালেখি। আর তাতে সলতে বাড়িয়ে দিতে bongoraj রা তো আছেনই!

#৪৩ Comment By SHAKIL On জুন ১২, ২০১৮ @ ৪:০৬ অপরাহ্ণ

AMAR MONER KOTHA BOLECHENEN. THANK YOU

#৪৪ Comment By সেলিম On জুন ১২, ২০১৮ @ ৩:২১ অপরাহ্ণ

বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেলেই বুঝতি পারি আপনার একটা লেখা সম্ভবত প্রকাশ হয়েছে। আপনার লেখা প্রকাশের পরপরই তেলের দাম হুহু করে বেড়ে যায়। এ জন্যই আপনার লেখটা আমি বেশ যত্ন করে মনোেযোগ দিয়ে পড়ি। বেশ মজাও পাই। তবে অতিমাত্রার তেলের মতো অতিরিক্ত গেমও ভালো না। অনেক সময় গেম গেম খেলতে গিয়ে কি অবস্থা হয় তা বুঝার জন্য প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের ইতিহাসধর্মী উপন্যাস ‘দেওয়াল’ পড়ে নেওয়ার অনুরোধ করছি দাদা।

#৪৫ Comment By noman On জুন ১২, ২০১৮ @ ৩:৩৩ অপরাহ্ণ

দাদা আমিও আপনার সঙ্গে শতভাগ একমত। আপনার এ সুন্দর ও বিশ্লেষণধর্মী লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। যদিও কিছু লোক আপনাকে তৈলবাজ, দলদাস, কৃতদাস ও অর্বাচিন সাংবাদিক হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে। এটা তাদের অন্যায্য মন্তব্য। আওয়ামী লীগকে আরা এক হাজার বছর ক্ষমতায় দেখতে চাই। আমার এ চাওয়া কোনো অন্যায় আবদার নয়। বৃটিশরা কূটকৌশল আর গেম পলিটিক্সের মাধ্যমে প্রচণ্ড জনঅসন্তোষ আর ঘৃণা এবং কোনো ধরনের ভোট ছাড়াই এ বঙ্গদেশ প্রায় দুইশ বছর শাসন করে গেছে। আওয়ামী লীগ ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে ওই হিসেবে এক হাজার বছর ক্ষমতায় থাকার অধিকার রাখে। আওয়ামী লীগের এ অধিকারে কেউ ব্যাঘাত সৃষ্টির অধিকার রাখে না।

#৪৬ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ১২, ২০১৮ @ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

ক্ষমতায় থাকা অধিকার??? ভালই বলেছেন। তাহলে আর নির্বাচনের নামে তামাশা করার দরকার কি? অধিকার-বলে থাকুন ক্ষমতায় চিরকাল।

#৪৭ Comment By noman On জুন ১২, ২০১৮ @ ৪:৫১ অপরাহ্ণ

বৃটিশরা কূটকৌশল আর গেম পলিটিক্সের মাধ্যমে প্রচণ্ড জনঅসন্তোষ আর ঘৃণা এবং কোনো ধরনের ভোট ছাড়াই এ বঙ্গদেশ প্রায় দুইশ বছর শাসন করে গেছে। আওয়ামী লীগ ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে ওই হিসেবে এক হাজার বছর ক্ষমতায় থাকার অধিকার রাখে!

#৪৮ Comment By কাজী ফয়জুস সালেহীন On জুন ১২, ২০১৮ @ ৭:২৬ অপরাহ্ণ

Next joke plz ???

#৪৯ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ১৪, ২০১৮ @ ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ

Next joke is, – A man had nothing to do. One suggested him, “Join Awami League.”

#৫০ Comment By Elias Hossain On জুন ১২, ২০১৮ @ ১০:০০ অপরাহ্ণ

রেখ মা দাসেরে মনে। লেখককে দালাল বলতে চাচ্ছি না। কারণ আমিও যে একজন নগণ্য সাংবাদিক।

#৫১ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ১৪, ২০১৮ @ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

Learning is not only following good examples, but also avoid bad examples too. Hope you are learning in an appropriate way as a Journalist.

#৫২ Comment By S M Abu Sadat On জুন ১৫, ২০১৮ @ ৮:১৮ অপরাহ্ণ

সেকালের রক্ষী বাহিনী আর বর্তমানের র‍্যাব কী ভিন্ন আইনে তৈরি হয়েছে?? গাধার মতো রক্ষী বাহিনীকে সেনাবাহিনীর পর্যায়ে নিয়ে আসছেন । তখন সেনাবাহিনী তুলে দিয়েছিল নাকি? অনেক দেশেই এরকম বিশেষ বাহিনীর ব্যবস্থা থাক। আর একটা কথা আগবাড়িয়ে বলি, রক্ষিবাহিনীর সাথে আপনারা বরাবরই বাকশালের কথা বলেন কিন্তু বাকশাল বুঝতে হলে ১০০ বছর সাধনা করতে হবে। খালি পাগলে মত বললে হবে নাকি!!

#৫৩ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On জুন ১৭, ২০১৮ @ ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ

‘বাকশাল’ শেখানোর আগে আইয়ুব খানের ‘মৌলিক গণতন্ত্র’, আওয়ামী লীগের ‘বাকশাল’ এবং জিয়াউর রহমানের ‘বন্দুকের আগায় গণতন্ত্রের’ পার্থক্যগুলো অনুসন্ধান করুন। তাহলেই বাকশালী মন্ত্রের (গণতন্ত্রের গুপ্তহত্যা) হঠকারিতা বুঝতে পারবেন। আরও লেখাপড়া করুন, তারপর জ্ঞান দিতে আসবেন।

#৫৪ Comment By modi kohen On জুন ১৯, ২০১৮ @ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

মল্ল-যুদ্ধে নামার আগে নিজেকে বুঝতে হবে নিজের শক্তি কত ও প্রতিপক্ষের শক্তি কত। মোজেনা, হানা, গণমাধ্যম, টিভি টক শো’র নায়কদের, সুশীল সমাজের ভুল পরামর্শে বিএনপি নিজেদেরকে প্রতিপক্ষের চেয়ে শক্তিশালী ভেবে নির্বাচন বর্জন ও সহিংস পদ্ধতিতে বন্ধ করার চেষ্টা করে আম-ছালা দুইই হারিয়েছে। এখন ছালা ভর্তি আম আগে তাকে দিতে হবে তারপর সে অন্যকে আম খেতে দেবে দাবি করে কোনো লাভ নেই। হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়ে ছালার দোকানে প্রবেশ করতে হবে। তারপর সেই দোকান থেকে ছালা নিয়ে আমের দোকানে যেতে হবে। এ’র বিকল্প কোনো পথ নেই।

#৫৫ Comment By Young Overlord On জুন ২২, ২০১৮ @ ১০:১০ অপরাহ্ণ

I studied past SSC, HSC, Honours and masters for what? To learn how to differentiate between truth and lies. I don’t want to reason to with illiterates but still might as well present some Straight facts.
1.For your kind information, does handing over your power to your opponent make you great noble kind human? Now, what do you mean by fair election? An election where AL sits and suck their thumbs and watch BNP winning the election makes it fair? Nice logic! Low iq! In politics, it obvious you do your best to make the field yours! And when AL is doing that you call it unfair. Listen to how retarded you sound for once.
2.BNP didn’t participate in the previous election! At the end of the day truth hurts cause they knew they were gonna lose. Now you joke about that 39% attendance. Tell me if someone gives you a death threat about killing you when you go out, will you still go out? Isn’t the Strike of BNP and their pet terrorist organization(Now they have become BNP’s owner! WHAT a joke!) similar to death threat? What does innocent mass would’ve gained from ignoring the strike! Losing their lives? Are you really stupid?
3. What happened after the election! BNP organized their full force or at least that’s what they said and stopped every transport throughout the country. Their pet organization burned vehicles,people and resources. Man that period was really sad! I’ll never forget that. What was the difference between BNP and terrorists then! Nothing! What’s funny was that in the 2nd half of that period BNP was drinking tea in their hut and was never active in the movement! Only the pets were active. Now in recent days, BNP Calls strike and not even 50 people join the movement! LOL
4.You Badmouth AL all you want but what about BNP now? Who’s your Figurehead. Madam ZIA? who is drinking her medicine in the prison for corruption! Or is it MR ZIA, a wanted criminal who has forsaken his country for fear of prison and joined england.Shame on this traitor. MAjor ZIA is crying in his grave because of his son.
5.Now, the truth is no one cares about BNP anymore. Cause they are nothing but stray dogs now. Rather than blaming AL why don’t you piece of losers go reorganize BNP first