পঁচাত্তরের আগস্টে মানবতার বহ্ন্যুৎসব ঘটিয়ে জিয়া-মোশতাক চক্র সময়ের চাকাকে উল্টোদিকে ঘোরানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে কুক্ষিগত করে। তাদের লক্ষ্য ছিল সুস্পষ্ট এবং হিংস্র। একটা হিসাব নেওয়া যাক তাদের চক্রান্তের। তা থেকেই প্রতীয়মান হবে, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির নির্মম নীলনকশা কীভাবে কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
প্রথমত, তারা নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ঘটানোর পরপরই বেতারকেন্দ্র দখল করে বদলে ফেলেছিল বাংলাদেশ বেতারের নাম; জয় বাংলা ধ্বনি বদলে চালিয়ে দিয়েছিল জিন্দাবাদ শব্দ, ঘোষণা দিয়েছিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার।
দ্বিতীয়ত, তারা মুক্তিযুদ্ধের প্রধান এবং কেন্দ্রীয় শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার সর্বাত্মক প্রয়াস গ্রহণ করেছিল হত্যা, গুপ্তহত্যা, বিতাড়নের মাধ্যমে। একাত্তরের পাকিস্তানি ঘাতকচক্রের মতো একই ধরনের কৌশলে এবং বঙ্গবন্ধু অথবা আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নির্মূল করার পাকিস্তানি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ত্বরিত ব্যবস্থা নিতে বিন্দুমাত্র বিলম্ব করেনি।
তৃতীয়ত, তারা মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগিতা প্রদানকারী ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে শত্রু গণ্য করে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গ্রহণ করেছিল।
চতুর্থত, প্রতিটি ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ব্যক্তি ও ব্যবস্থাপনার পুনর্বাসন ঘটিয়েছিল। যাদের নাগরিকত্ব মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করার জন্য চলে গিয়েছিল তাদের নির্লজ্জভাবে দেশে ফেরত এনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে বসিয়েছিল। তথাকথিত ভারসাম্যের রাজনীতির নামে শাহ আজিজুর রহমানকে জিয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়েছিল, এক নম্বর যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত গোলাম আযমকে দেশে ফেরত এনে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জামায়াত রাজনীতির পুনর্বাসন ঘটানো হয়েছিল, চিহ্নিত ঘাতকদের মিডিয়া শক্তি উপহার দেওয়া হয়েছিল এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদে পর্যন্ত বসানো হয়েছিল শিক্ষাঙ্গনে একাত্তরের ঘাতকদের– এভাবেই অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছিল শিক্ষাক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপচিন্তার।
পঞ্চমত, প্রশাসনকে সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানি আদলে সাজানোর লক্ষ্যে কুখ্যাত আমলা শফিউল আজমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারই অভিভাবকত্বে স্বাধীনতাবিরোধী এবং পঁচাত্তরের নৃশংস ঘাতকদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছিল এবং এভাবে অতি সুকৌশলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে পাকিস্তানি করদরাষ্ট্র তথাকথিত এবং অঘোষিত মুসলিম বাংলায় পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল ।
ষষ্ঠত, ঘটনাক্রমে জাতির জনকের দুই কন্যা দেশের বাইরে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন বলে নানাভাবে তাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। উপরন্তু, পঁচাত্তরের ঘাতকদের বিভিন্ন দূতাবাসে ঢুকিয়ে জাতিরজনকের দুই কন্যার ওপর বারবার গুপ্তহামলার ছক কষা হয়েছিল, যার প্রত্যক্ষ মদদদাতা ছিল বিভিন্ন স্থানের পাকিস্তানি দূতাবাসগুলো। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার গতিবিধির ওপর নজর রাখার জন্য গোপন সংযোগ স্থাপিত হয়েছিল বিভিন্ন দেশে– গোপন লিয়াজোঁ কেন্দ্র পর্যন্ত স্থাপিত হয়েছিল।
সপ্তমত, এতকিছুর পরও যদি আওয়ামী লীগের নেতারা কোনো প্রক্রিয়ায় জাতির জনকের কোনো উত্তরাধিকারকে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার ব্যবস্থা করেন তা হলে যেভাবেই হোক তার প্রাণসংহার করার নিষ্ঠুর ছক তৈরি করেছিল জিয়া-মোশতাকের সক্রিয় চক্র।
অষ্টমত, এই দুষ্টচক্র অতি দ্রুত সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্ব গ্রহণ করে প্রতিরক্ষা নীতিমালাকে পাকিস্তানি আদলে সাজিয়ে ফেলে এবং সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়াকে চীন-পাকিস্তানের অধীনস্থ করে ফেলে, এমনকি প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে পর্যন্ত পাকিস্তানি মাইন্ডসেট অনুসৃত হতে থাকে।
নবমত, অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ যাবতীয় রাষ্ট্রীয় উপাদান থেকে মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত বিষয়াবলি এবং বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত যাবতীয় কার্যক্রম অপসারিত করা হয়। বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ছদ্মবেশী পাকিস্তানি চরদের দেওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা।
দশমত, বাংলাদেশের ভেতরে প্রশাসনযন্ত্র থেকে শুরু করে সর্বত্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি এবং বিপক্ষ শক্তির এমন একটা মাইন্ডসেট গঠন করা হয় যা দ্বারা প্রতীয়মান হতে পারে যে, জাতি বিভক্ত, মানুষ বিভক্ত কাজেই এই বিভাজনকেই সাংবিধানিক এবং সংসদীয় রূপ প্রদান করতে হবে।

দুই.
এত ভয়াবহ নীলনকশা এবং নব্য পাকিস্তান সৃষ্টির যাবতীয় অপচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেই সাঁয়ত্রিশ বছর আগে এই দিনে জন্মভূমির মাটি যার পদচুম্বন করেছিল তিনি বঙ্গবন্ধুর সাহসী কন্যা আওয়ামী লীগ নেত্রী এবং বিশ্ববন্দিত রাষ্ট্রনায়ক আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননন্দিত শেখ হাসিনা। তখন গণশত্রু নির্দেশিত ঘোষণা ছিল; যেভাবেই হোক আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করে বিধ্বস্ত করতে হবে, রাজনীতিকদের জন্য রাজনীতি করাকে অসম্ভব করে তুলতে হবে, মুক্তিযুদ্ধকে বিপর্যস্ত করার জন্য অর্থ কোনো সমস্যা হবে না, ভাগ করতে হবে, সব ভাগ করে করে এক সময় ক্ষয় করে ফেলতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, ভুয়া দেশপ্রেমিক, চতুর রাজনীতিক, ভুয়া ব্যবসায়ী, প্রতারক ধর্মব্যবসায়ী দিয়ে ছেয়ে ফেলতে হবে দেশ এবং পাশাপাশি অতি সন্তর্পণে চালাতে হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি নিধনযজ্ঞ। তাদের কৌশল, এভাবেই মুক্তিযুদ্ধকে করা যাবে বিতর্কিত, দুর্বল করে দেওয়া যাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে।
পঁচাত্তরের পর পরই কাজ তো সেভাবেই শুরু হয়েছিল। ভাগ করা হতে থাকল আওয়ামী লীগকে, আওয়ামী লীগের নামের পাশে লেগে গেল ব্র্যাকেট, বাড়তে থাকল সেই ব্র্যাকেটের সংখ্যা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্য সংগঠনগুলোতেও গজিয়ে উঠতে থাকল ব্র্যাকেটের রাজনীতি। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা তখন বিদেশের মাটিতে দ্বারে দ্বারে আশ্রয় প্রার্থনা করে চলেছেন গুপ্তঘাতক চক্রের দৃষ্টিকে ফাঁকি দিয়ে। আজ যারা বাংলাদেশের মাটিতে বসে দেশ বিক্রি করে, মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করে, বঙ্গবন্ধুকে বিক্রি করে নিরাপদ জীবনযাপন করছেন তারা কি আজ কল্পনা করতে পারবেন ওই সর্বস্বহারা-স্বজনহারা দুই নারীর সেই অসহায় অবস্থার কথা?
এরই মধ্যে ঘাতকের রোষকষায়িত লোচন এবং নির্মম প্রহারের শ্যেনদৃষ্টিকে উপেক্ষা করে সাঁয়ত্রিশ বছর আগের এই দিনে তিনি এসে দাঁড়ালেন তমসাবিনাশী আশার প্রদীপ নিয়ে হতাশা-সংক্ষুব্ধ জাতির সামনে। অন্তরের গভীরে বেদনার ফল্গুধারা আর হৃদয়ে শুভকর্মের প্রদীপ্ত চৈতন্য ধারণ করে শেখ হাসিনা যখন দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন তখন এ দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির নির্ভরযোগ্য সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেন জিয়নকাঠির ছোঁয়ায় জেগে উঠল। বারবার আক্রমণে জর্জরিত কর্মীরা দেখল এক সাহসী নারীর অবয়বে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির মুখচ্ছবিই যেন উদ্ভাসিত। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অন্তর্ঘাত সৃষ্টির পরিকল্পনাকারীরা এবার শঙ্কিত হলো, কারণ তারা এটা বুঝেছিল যে, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার যদি কোনোভাবে বাংলাদেশের মাটিতে আসতে পারে তবে সে তার স্বপ্নের ডালা বহন করেই আনবে এবং মুমূর্ষু জাতির দেহে প্রাণসঞ্চার করবেই। তাই তারা তাঁর যাত্রাপথে কণ্টক বিছিয়ে যেতে থাকল। বারবার তার জীবনের ওপর হামলা চালানো হতে থাকল। অদৃশ্য ঘাতকের আগ্নেয়াস্ত্রের নল দিবানিশি তাকে অনুসরণ করতেই থাকল।
কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা তো ষড়যন্ত্রের এবং দেশি-বিদেশি চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে অমিত বিক্রমে এগিয়েই চলেছেন। জেল-বেয়নেট-বোমা-গুলি দিয়ে তার যাত্রাপথ রুদ্ধ করার যে কোনো চেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। তার রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, অসামান্য মেধা, সততা এবং নিষ্ঠা তার কার্যক্রমের ক্ষেত্র বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানাকে অতিক্রম করে উপমহাদেশের গণ্ডি  ছাড়িয়ে অধিকতর বিস্তৃত হয়েছে। জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার স্বপ্নসৌধ সোনার বাংলা সৃষ্টির প্রয়াস।

তিন.
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্র কতিপয়ের ভোগবিলাসের উপকরণ নয়, শোষিত-অবহেলিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তির মন্ত্রের নামই গণতন্ত্র। তার আজন্মলালিত বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠা করার আগেই তাকে ঘাতকের হিংস্র হামলার শিকার হতে হয়। পিতার সেই অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণের সুদৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েই তিনি একের পর এক বাধা অতিক্রম করেই চলেছেন। বদলে দিচ্ছেন মানুষের ভাগ্য, বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশকে।
এসবই সম্ভব হতে পারল আজ থেকে সাঁয়ত্রিশ বছর আগে এই দিনে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন বলেই। তার অঙ্গিকার তিনি এই দেশকে উজ্জ্বল মানুষের বাসযোগ্য করে দিতে চান।
তাই এ দেশের আবালবৃদ্ধবনিতা ঊর্ধ্বে দুহাত তুলে বলবেই– ‘ভেঙেছ দুয়ার, এসেছো জ্যোতির্ময় তোমারই হউক জয়’।

 

আবেদ খানসম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক জাগরণ

৩০ Responses -- “এসেছো জ্যোতির্ময়”

  1. সরকার জাবেদ ইকবাল

    অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বস্তুনিষ্ঠ লেখা। লেখককে ধন্যবাদ। তবে বিশেষণ ব্যবহারের আধিক্য কানে লেগেছে (কোন অর্বাচীন প্রশ্ন করে বসতেই পারে, আপনার অভিলাষটি কি?)। আরেকটি কথা, ড: কামাল হোসেনের ঐকান্তিক উদ্যোগ এবং প্রাণান্ত প্রচেষ্টা না থাকলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা আরও বিলম্বিত হতে পারতো – এই কথাটি একবারও বললেন না কেন? আমরা কৃতজ্ঞতাবোধ কি একদম হারিয়ে ফেলেছি?

    Reply
  2. Bongo-Raj

    @Ms. Mahfuza
    you are continuously uttering ( in precise words, hitting same broken drums in moron way ) the same issues of BD society.
    Every one knows about it and it is the main headache of Bangladesh. These were started since the Brtish period; even if the Country Name or Government changes, the problem remains same. Question is whether the State Head or his/her family are involved with those or not.

    This simple fact you have to understand. Then only you can understand the theme of this writing and may feel to stop drumming a broken drum.
    otherwise, you are simply childish.

    Reply
    • কাজী ফয়জুস সালেহীন

      দুর্নীতি রোধ করতে না পারলে নেমে যান ! অন্য কেউ চেষ্টা করুক। সেটা যে দলই হোক। অনেক দিন ধরে চলে আসছে বলে আজীবন চলবে এ থিওরি কোথায় পেলেন? শুধু head of state দুর্নীতি মুক্ত আর সবাই আকন্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত থাকবে রডের বদলে বাঁশ দিবে এটা কেমন কথা? সরকারী কাজে পৃথিবীতে সবচে বেশি লুটপাট হয় বাংলাদেশে। আমার ট্যাক্সের টাকা। জনগণের টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা লোপাট হলো আজ পর্যন্ত কিছু করতে পারলাম না!!!

      Reply
      • Bongo-Raj

        জনাব কাজী ফয়জুস সালেহীন
        দাদা আমার কমেন্টা ছিল জনাব আবেদ খান এর লেখা রচনাটার বিপক্ষে লিখা জনাব/জনাবা মাহফুজার কমেন্টা নিয়ে। দুর্নীতি নিয়ে যে কথা গুলো ঐ কমেন্টে ছিল সেগুলো আবেদ খান সাহেবের লেখাটার উদ্দেশ্যের সাথে খাপ খায় না।
        জনাব/জনাবা মাহফুজার সব কমেন্টই, রচনা যা নিয়েই লেখা হোক না কেন, তার বিপক্ষে একই কথাই বলতে থাকেন তাই একটু ভদ্র ভাবে বলেছিলাম- একই ভাঙ্গা ড্রাম আর কতো দিন বাজাবেন।

        দুর্নীতি হলো আমাদের (দেশের) মাথাব্যাথার অন্যতম কারণ তাতো আমিও বলেছি। অনেকদিন থেকে আছে কিন্তু চলতে দিতে হবে অমন কথা বলেছি কি? (পাগলেও বলবে না)। শুধু বলেছি দিন পাল্টায় সাথে সাথে লোকও পাল্টায়, দুর্নীতির পরিমান একই রয়ে যায়!! 

        যদি আমরা সত্যিকার অর্থেই তা দূর করতে চাই তাহলে “অনিয়ম আর দুর্নীতি কেন হচ্ছে” তার কারণ খোঁজা এবং তা নিয়ে লেখা/উঠে দাঁড়ানো, এটাই সব চাইতে জরুরি নয় কি ?

        তাহলে প্রথমেই সামনে আসবে
        কারা দুর্নীতি করছেন? দুর্নীতি রোধ করার দায়িত্বে কারা আছেন?
        এরা কি ব্রিটিশ আমল থেকেই একই লোক? কিম্বা একই পরিবারের লোক?

        আমার কাছে জবাবটা অতি সহজ–
        যদি Ms. মাহফুজাকে (আমাকে কিম্বা আপনাকে) দুর্নীতি করা যায় এমন কোন পোস্টে কিম্বা দুর্নীতি রোধ করার কোন পোস্টে চাকুরি দেওয়া হয়, কী হবে- আমি আপনি মাহফুজা একই কাজই করবো ।
        তার প্রমাণ তো উপরেই দিলাম, দিনের পর দিন যায়, মাসের পর মাস, লোক বদলায় …… , এই দেশের দুর্নীতি একই পরিমানেই রয়ে যায়।

        তাহলে কি দাঁড়ালো?
        ছোট করে বললে বলা যায়, আপ ভালোতো জগৎ ভালো

  3. সুনীল আকাশ

    আসলে আমাদের মতো গরীব দেশের নাগরিকরা ভোটের অধিকারকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। ৫ বছরে তারা একবার নিজের মতামত জানাতে পারেন। বাকীটা সময় কেউ ভালো থাকেন কেউ বা অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটান। তবুও মনে শান্তি থাকে যে সে তার মনের মতো করে ভোটটা দিতে পারলো তার দল জিতুক বা হারুক। ভোটের অধিকার গত ১০ বছরে কতটা প্রতিষ্ঠিত হলো? গরীব দেশের সরকার তার নাগরিকদের পশ্চিমা বিশ্বের মতো সুযোগ সুবিধা দিতে পারবেনা স্বাভাবিক। কিন্তু ভোটের অধিকার ও কি দিতে পারবে না? তাহলে এত উন্নয়ন এত ব্যাক্তিপুজা কি কাজে আসলো? এ জ্যোতি দিয়া দেশের মানুষ কি করিবে?

    Reply
    • Bongo-Raj

      ভোটের অধিকার হারানোর কথা যদি ২০১৪ সনের নির্বাচনের কথা দিয়ে বলে থাকেন, তাহলো উল্টো প্রশ্ন কারা জনগণকে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল?

      ভোট কেন্দ্র কারা পুড়িয়ে ছিল? কারা যানবাহনে আগুন দিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়াটাকে থামাতে চেয়েছিল? জবাবগুলো ভাবুন, এর মাঝেই আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

      Reply
      • স্নেহা

        জনাব,বিআর সাহেব! সেটা কি পূর্বের মত লেভেল নির্বাচন ছিল? আপনার মানুষ ক্ষমতালোভী তাই আমি নির্বাচন দিব, আপনি আমি ভোট দিব, প্রশাসন আমার তাই বিরোধীদলকে আসামি বানিয়ে ভোট কেন্দ্র আসলে গ্রেপ্তার করবেন এ আশায় নির্বাচন দিলে সেটা কি নিরপেক্ষ হয়? সংবিধান নিজের মত করে পরিবর্তন করবেন! দেশের ১০০দল ও বুদ্ধিজীবীরা রয়েছেন তাদের মতামত নিবেন না। নিজের চাইলাম জনগণ কি তা মানবে? জনগণের নাম দিয়ে রাজনীতি করেন। জনগণের ভোটাধিকার পরিবর্তন করবেন জনগণকে জিজ্ঞেস করেছেন? ডিজিটাল দেশে ডিজিটাল নির্বাচন আপনি না গেলেও ভোট আপনারটা হয়ে যাচ্ছে। কারা দিচ্ছে? জনগণের নাম ভাঙ্গিয়ে সব করেন জনগণকে জবাব দিবেন না? দেশের সব উন্নয়ন জনগণের জন্য জনগণের টাকায় করতেছেন। নিজের টাকায় দিচ্ছেন? আবার বড় করে অহংকার করে বলেন আমি এই করেছি সেই করেছি বলি নিজের টাকায় করেছেন? যে পরিমান ট্যাক্স নিচ্ছেন ও লোন নিচ্ছেন তার কি পরিমান কাজ করেছেন জনগণ কি জানার অধিকার রাখে না?

      • Bongo-Raj

        Dear @স্নেহা
        আপনার কৈফিয়ত গুলো একটিও জবাব দেবার মত উপযুক্ত নয়।
        যেমন ধরুন, সংবিধান বদলানোর জন্য সংবিধানে যে নিয়ম বলা আছে তা নিয়ে আপনার কোন ধারনাই নেই। তারপরও তা নিয়ে কথা বলছেন!!
        সংসদের ২/৩ অংশ সাংসদ যদি কোন কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেয় তাহলে সংবিধানের যে কোন অংশই পরিবর্তন করা যায়।
        সেই হিসাবে কেয়ারটেকার সরকারের যেই পরিবর্তনটা আনা হয়েছে তা সংবিধানের আ্ইন মেনেই করা হয়েছিল। জানি আপনি ২০১৪ সনের নির্বাচনের কথা টেনে আনবেন। তাই জেনে রাখুন ঐ পরিবর্তনটা এসেছিল ২০০৯ সনের নির্বাচনের সাংসদদের দিয়ে সৌভাগ্যবশত। আপনার মনে কষ্ট হবে এই কথা শুনে যে, বাংলাদেশের সংবিধান মাত্র একবারই পরিবর্তন হয়েছিল একজনের কলমের এক খোঁচায় আর তিনি হলেন সেই জন যিনি তারই জাতি ভাইদের হাতে নিহত ” জিয়া “।

        বাকী অংশের জবাব দেওয়া তো ছাই তে পানি ঢালার সমান।
        আপনি যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে এতই সজাগ নিশচই আপনি সেই “জিয়ার” বানানো বিএনপির সমর্থক নন বলেই ধরে নেব।
        আর যদি তা হোন তাহলে বলবো দুর্ভাগ্য/অভাগা(গিনি?)

  4. স্নেহা

    জ্যোতির মত এসেছেন। তবে টানা দশ বছর জবরদস্তি ক্ষমতা নিয়ে দেশকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। কিছু লোককে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়ে দেশের সম্পদ সব তাদের আয়ত্বে নিয়েছেন। দেশে পুলিশি রাজত্ব কায়েম করেছেন। মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছেন। ধর্মকে পর্যুদস্ত করেছেন। মানুষের কাছ হতে বিশ্বাস কেড়ে নিয়েছেন। কথা দিয়ে না রাখা মুনাফেকি করেছেন। শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। ফ্লাইওভার করতে গিয়ে ১০বছরে গ্রামের রাস্তাঘাটে নজর না দিয়ে ধ্বংস করেছেন। যানজটে পরিপুর্ণ করেছেন। দেশের সব কলেজ ভার্সিটি সোনার ছেলেদের সন্ত্রাসী অভয়ারণ্য করেছেন। কোটার নামে দলীয় লোকের সমাগম করেছেন। বাকি কোটা মন্ত্রীদের সুপারিশে দলীয় লোকে পুর্ণ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দল করলে বড়িতে পৌছে দিয়েছেন। ভুমিদস্যু দিয়ে গরিবের সম্পদ কেড়ে নিয়েছেন। ভোটকে কলংকিত করেছেন। বিচার ব্যাবস্থাকে ধ্বংস করে আয়ত্বে রেখেছেন। দেশের সকল বাহিনীকে পুতুলে পরিণত করেছেন। দেশকে উন্নত দুর্নীতির দেশে রুপান্তর করেছেন। চামচামির ও সুবিধাভোগির কারখানা তৈরি করেছেন। জনগণের টাকা নষ্ট করে বিভিন্ন নাম পরিবর্তন করেছেন। থাক অনেক প্রশংসা করলাম। জ্যোতির মত এসে ডিজিটাল চোরের দেশ উপহার দিয়েছেন।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      স্নেহা, চাইলে এই তালিকা আরও অনেক বড় করা যাবে। আমাদের আশাবাদী থাকা প্রয়োজন। ‘লেন্স’ বদলান। তাহলে অনেক ভাল চিত্রও দেখতে পাবেন। অন্তত আমরা দেশে রাজাকারের পুনর্বাসন এবং শাসন আর দেখতে চাই না।

      Reply
    • Bongo-Raj

      জনাব স্নেহা
      এর আগে কোন সময়টা গত দশ বছরের চাইতে ভাল ছিল?

      Reply
      • স্নেহা

        কোনটা ভাল ছিল এটা বলব না। কোন সরকার ১০ বছর টানা থাকেনি। আর এ সরকারের আমলেই দেশ সব অতীত রেকর্ড ছাড়িয়ে দুর্নীতিতে হ্যাট্রিক করেছে। দেশের ব্যাংক, বীমা, শেয়ার বাজার, ডেস্টিনি, যুবক, স্বর্ণের চালান সহ বড় বড় ফান্ড চুরি হয়েছে, সর্বোচ্চ বিদেশী লোন, জনগণের কাছ হতে ৫ গুণ ট্যাক্স নিয়েছে। টাকার পাহাড় গুলো গেল কোথায়? দেশে ফ্লাইওভার আর স্যাটেলাইট ছাড়া। আর কি করেছে গত দশ বছর? বিদ্যুৎ একটু বেড়েছে। সরকারে যেই থাকুক দেশ সামনে এগুবেই। এত চুরি অন্যকোন সরকারের সময়ে আমরা দেখিনি।

      • Bongo-Raj

        Dear স্নেহা
        তারপরও অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে মাথাপিছু আয় বেড়েছে, মাথাপিছু প্রোটিন গ্রহণের পরিমান বেড়েছে। মঙ্গা শব্দটা এখন ইতিহাসের অংশ, গড় আয়ু বেড়ছে, মহিলাদের সমাজে অংশগ্রহণ বেড়েছে, গরিবের শতাংশ কমে এসেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
        তারপরও যদি গোঁ ধরেন তাহলে বলবো উপাত্ত দিয়ে প্রমাণ করুন –
        আর হ্যাঁ –আপনি চাইলে আমার দেওয়া উপরের প্যরামিটারগুলোর উপাত্ত দিতে পারি, এখনিই দিলাম না। কারন আমি জানি আপনিও তা জানেন।

  5. মোঃ শামীম মিয়া

    প্রশংসা ভালো, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত নয়। ধন্যবাদ মহামানব বলেননি। ক্ষমতার পট পরিবর্তনে খালেদাকে নিয়ে এরকমভাবে প্রশংসা করবেন সেদিনের অপেক্ষায় থাকলাম। সেদিন হালুয়া রুটি খালেদার কাছ থেকে পাবেন, তাই নয় কি?

    Reply
  6. mak

    জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্র কতিপয়ের ভোগবিলাসের উপকরণ নয়।
    —আজ বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে কী বলতেন তা জানতে ইচ্ছে করে।

    Reply
  7. Shibu Pada Sarker

    The writing is absolutely right. But it may more more great including her simple personal life which you know in depth. Thanks a lot sir.

    Reply
  8. দানিয়েল

    এটাও লেখা উচিত ছিল ৩০ মে জিয়াউর রহমান শহিদ হন।

    Reply
    • Bongo-Raj

      Hyena killed a Great Human that is punishable,
      One Hyena killed another Hyena why it should get respect?
      If Human kills a Hyena there may prevails some respect for Hyena .

      Reply
  9. Mute Spectator

    খুব ভালো একটি প্রবন্ধ। ইতিহাসের দুটো কলংকিত দিন হচ্ছে ১৫ই আগষ্ট আর ২১শে আগষ্ট। বিএনপি ১৫ই আগষ্ট এর বেনিফিসিয়ারি আর ২১শে আগষ্ট এর পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারী।২১শে আগষ্ট এর নারকীয় বোমা হামলায় শেখ হাসিনা অলৌকিক ভাবে বেঁচে গিয়েছেলেন। ঘটনার আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে বলেছেলেন ” উনাকে (হাসিনা) আবার কে মারতে আসবে?” এই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য ‘জজ মিয়া’ নাটক মঞ্চস্ত হয়েছিল।
    আওয়ামীলীগের স্থির সিদ্ধান্ত এই, যারা ১৫ই আগস্ট ও ২১ আগস্টকে নিন্দা করে না বা সম্মর্থন করে এদের হাতে বাংলাদেশের রাজনীতি নিরাপদ নয়।

    বিএনপি যে ভাবেই হোক একটা বিশাল দল। বিএনপি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করলে বর্নিত দুই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করতে বাঁধা কোথায়? বরং নিন্দা না করলে বিএনপি তাঁদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশে একটি “ন্যায়বিচার বর্জিত বিবেক” সম্পন্ন প্রজন্ম তৈরি করতে থাকবে।
    তবে যে কোন অবস্থায় সুশাসনের অধিকার থেকে দেশের মানুষকে বঞ্চিত করা হলে
    মানুষ কিন্তু বিগড়ে যাবে।

    Reply
    • abullaish

      @Mute Spectator
      Ofcourse,it is not essential for common people to place a ‘made easy’ of problems for which they are aggrieved.But if some one like Mahfuja in disguise of common people acts as a political activist and try to best to gain some political scores in favor of a certain political party using opinion forum,he/she should also place a ‘made easy’ of problems,otherwise inspite of having factualities of comments made by any one like Mahfuja can be considered as populist big talk or propaganda.

      Reply
      • Mute Spectator

        Why should we consider a participant in this opinion forum is political activist? Every one opining here is serious observer of dynamics of society & political developments in our country. To me every one is enough matured in respect to political ups & downs of the nation as well as global trends.Conflicts of ideologies here unlike other nations, are very sharp & a battle has been in place. (1)Secular,(2) inclined to religion,(3) religious fundamentalist & (5) extremest, all players are playing here. The battle some time takes its course through ugly use of arms, assassinations. Ultimately two features are now prominent in present politics. First the secular forces leading by
        Awamy League has been struggling against a composite
        political force headed by BNP & its allies. And second is, difficult to segregate segments from “inclined to religion, religious fundamentalist & extremist”. Therefore a turbulent political unrest with some confusion is playing in the country. Young generation is the victim. Difficult to conclude whether a person appearing in the opinion forum of any newspaper is advocating for a particular political outfit or a fringe group.
        Most of the cases I find very emotional expression from participants.No doubt every one is very sharp, many things are there lo learn from each other.
        I hope newspaper authorities are enough to filter the opinions. It should be better to encourage a healthy debate.

  10. mahfuja

    প্রশংসামুখর জীবনী মোটামুটি ভালই লিখেছেন। আর কতটুকু সত্যমিথ্যা জিজ্ঞেস করব না। এবার একটু লিখুন এদেশের দুর্নীতির বর্তমান অবস্হা কি। আর সোনার ছেলেদের কার্যকালাপ, আর মানুষের নিরাপত্তা-গুম ও নব্য গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে ক্রসফায়ারে মারা, অজ্ঞাত মামলায় সাধারণ লোকদের গ্রেপ্তার বাণিজ্য, মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট বাণিজ্য, ইয়াবার ছড়াছড়ি, কোটা বাণিজ্য, সরকারী স্বাধীন প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপে প্রভাবিত ও আজ্ঞাবহ করা, প্রশ্নফাঁসে সেঞ্চুরি, প্রভাবশালীদের দেশের সম্পদ একচ্ছত্র গ্রাস, অসম বন্ঠন, গ্রামীণ রাস্তাঘাট উন্নয়ন, টেন্ডারবাজী, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, জনগণের আনন্দের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা। অারো অনেক আছে লিখে শেষকরা যাবে না। ১০টাকার চাল, ঘরে ঘরে চাকুরির প্রতিশ্রুতি পুরণ করা কিভাবে সম্ভব!! তাহলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন পুরণ হবে। খালি পাম্প দিলে হবে না। কি করলে দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকবে এসব লেখেন। আর ইসলাম ধর্মের সম্মান ও মর্যাদার কথা মুসলিম হলে বলারও কথা না।

    Reply
      • mahfuja

        অপেক্ষা করুন। এখনিই তো হিজাবী উপাধিসহ হুমকি দিচ্ছেন সোনার ছেলেরা।

    • abullaish

      Madam Mahfuja,reading very beginning sentence of your comment I have got that Abed Khan’s writing over Honorable prime minister seikh Hasina has made you resented and displeasure, as he’s praised the prime minister immensely and shown a lot of loves and respects towards the prime minister wholeheartedly, though you did not show your discontent directly.But human emotions such as love,hatred,like,dislike and anger can not be hidden.These emotions come out naturally.Furthermore,I would like to add that in your same comment you have highlighted various matters which as usual you were presenting in your all previous comments continuously like chathra league’s activities,police’s arresting business,common people’s security,law &order agency’s extra-judicial murder,government official’s bribe taking,drug like yaba’s addiction,voting-right,misgovernance,corruption,abuse of power,income inequality etc. And interesting matter is that you are highlighting above mentioned all problems such a way as if all ailments have been emerged since present government came into power.Presenting dismal picture of the country through your comments you are trying to your best to give a message to all readers that our country is heading into uncertain future.But reality is,Bangladesh has been progressed tremendously in last nine years with the stewardship of Seikh Hasin which has also been recognized by IMF,WORLDBANK,ADB,UN and all other international agencies.Bangladesh has been maintaining at average 6.5% GDP growth for long eight or nine years and that is really outstanding achievements for a country like Bangladesh. And this year,BBS is predicting that Bangladesh will achieve 7.65% GDP growth which will be a record for Bangladesh.In many development indexes like human development index,average life span,mother mortality,child mortality,use of toilet by 100%,birth control etc we are far ahead than our neighboring country like India,Pakistan.And above all,living standars of rural people have been improved a lot and rural people are enjoying electricity facilities as present government has increased electricity production hugely.Now the question is how we can address those problems that you have already written in your many comments though not suggesting anything about how to solve these diseases.Yet,having gone through your comments it seems to me that all those ailments of our country will be erased overnight if the people of Bangladesh can change present government.Personally I have no problem to change the prime minister seikh Hasina and her government.Now a million dollar question is,who will replace seikh Hasina?We have alternative leaders like begum zia,Tarek zia,Ershad and Makbul hussain(jamat ameer).Mah fuja madam,would you suggest me which one I should chose as my prime minister.

      Reply
      • Mute Spectator

        Common people have the opportunity to express their discontents as they feel. Even they can pass comments in line of their political alignment. But is it essential for one to place a ‘made easy’ of the problem for which he/she is aggrieved? Probably not.
        However this is my stand in general, should not understand that I am in agreement with the remarks made by Mahfuja on issues discussed over the days. thanks

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—