১.

আমি শেষবার এই কথাটি শুনেছিলাম ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর মাসে। তাড়া খাওয়া পশুর মতো দেশের নানা জায়গা ঘুরে শেষ পর্যন্ত ঢাকা এসে আশ্রয় নিয়েছি। তখন দেশের অন্য যে কোনো জায়গায় যে কোনো সময় পাকিস্তান মিলিটারি যে কোনো মানুষকে অবলীলায় মেরে ফেলতে পারতো। সেই হিসেবে ঢাকা শহর খানিকটা নিরাপদ। দেশটা ঠিকমত চলছে দেখানোর জন্যে এখানে প্রকাশ্যে এক ধরনের শান্তিপূর্ণ অবস্থা দেখানো হয়। তারপরেও কম বয়সীদের অনেক বিপদ, তারা রাস্তাঘাটে বেশি বের হয় না। মাথায় লম্বা চুল থাকা রীতিমত বিপজ্জনক। একদিন আমি বিপদ কমানোর জন্যে নীলক্ষেতে একটা নাপিতের দোকানে চুল কাটাচ্ছি। তখন হঠাৎ করে সেখানে একটা মানুষ এসে ঢুকলো এবং আমার পাশের খালি চেয়ারটাতে খুব আয়েশ করে বসে নাপিতের সাথে আলাপ জুড়ে দিল। আলাপের বিষয় বস্তু সে নিজে, এখন সে কী করে তার কতো রকম সুযোগ সুবিধা এবং ক্ষমতা ইত্যাদি ইত্যাদি। নাপিত এক সময় মানুষটিকে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কী করেন ?” মানুষটি দাঁত বের করে হেসে বলল, “আমি রাজাকার।”

মানুষটি খানিকক্ষণ গালগল্প করে যেভাবে এসেছিল সেভাবে চলে গেল। নাপিত তখন একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে আমাকে বলল, “হারামজাদ রাজাকারের ভাবটা দেখেছেন ? শালার ব্যাটার কথা শুনলে মনে হয় দেশটা তার বাপের সম্পত্তি!”

১৯৭১ সালে রাজাকারদের সম্পর্কে এর চাইতে সম্মানজনক কোনো বিশেষণ ব্যবহার করা হয়েছে বলে আমি মনে করতে পারি না। রাজাকার কী বস্তু সে ব্যাপারে এখনো যাদের সন্দেহ আছে তাদেরকে আমি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে যেতে বলব। সেখানে এক জায়গায় একটা রাজাকারের অন্য একটা রাজাকারের কাছে লেখা একটা চিঠি বড় করে টানানো আছে। সেখানে একজন পাকিস্তানি মেজরের নাম উল্লেখ করে বলা আছে, মেজর সাহেব ভালো “মাল” পছন্দ করেন তাই প্রত্যেকদিন তাকে যেন একটি করে মেয়েকে ধরে এনে দেওয়া হয়।

আমরা যারা ১৯৭১ দেখেছি তাদের কাছে রাজাকারদের চাইতে ঘৃণিত কোনো প্রাণী আছে বলে মনে করতে পারি না। রাজাকারেরা নিজেরাও সেটা জানতো, তাই তারাও যে খুব বড় গলায় গর্ব করে বুকে থাবা দিয়ে “আমি রাজাকার” বলে বেড়িয়েছে সেরকম মনে করতে পারি না।

তাই ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে যখন দেখি একজন ছাত্র নিজের বুকে “আমি রাজাকার” কথাটি লিখে গর্বভরে দাড়িয়ে আছে আমি সেটি বিশ্বাস করতে পারিনি। মাথায় আগুন ধরে যাওয়া বলে একটা কথা আছে, এই কথাটির প্রকৃত অর্থ কী আমি এই ছবিটি দেখে প্রথমবার সেটি অনুভব করেছি।

২.

ঢাকা শহরের মানুষকে জিম্মি করে আন্দোলন করার জন্যে আমি যথেষ্ট বিরক্ত হযে সপ্তাহ দুয়েক আগে একটা লেখা লিখেছিলাম। (সেই সময়ে আমার মেয়ে হাসপাতালে ছিল তাই ঢাকা শহরকে জিম্মি করে ফেললে হাসপাতালে রোগীদের কী ধরনের কষ্ট হয় আমি নিজে সেটা জানতে পেরেছি।) সেই লেখার কারণে অনেক ছাত্র-ছাত্রী প্রতিবাদ করে আমার কাছে লম্বা লম্বা মেইল পাঠিয়েছিল।

আমার লেখালেখির প্রতিক্রিয়া আমি কখনো পড়ি না, আমার ধারণা তাহলে এক সময়ে নিজের অজান্তেই পাঠকদের প্রশংসাসূচক বাক্যের জন্যে লিখতে শুরু করব। পাঠকেরা আমার লেখা পড়ে কী ভাবছে আমি যদি সেটি না জানি তাহলে নিজের মত করে লিখতে পারব। কাজেই কোটা বিরোধী আন্দোলনের কর্মীদের লেখা সবগুলো মেইল আমি না পড়েই ফেলে দিয়েছি, তারা কী লিখেছে আমি জানি না।

তবে আমার সেই লেখাটি আমি যখন লিখেছিলাম তখন আমি জানতাম না এই বহুল আলোচিত কোটা বিরোধী আন্দোলনের অন্য একটি সাফল্য হচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে তরুণ সম্প্রদায়কে রাজাকার হিসেবে অহংকার করতে শেখানো, তাহলে অবশ্যই আমি ঢাকা শহরকে জিম্মি করার মতো সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে লিখতাম না। একটি সরকারী চাকরী পাওয়ার জন্য বাংলাদেশে জন্ম নেয়া তরুণদের পচে গলে পুতি গন্ধময় রাজাকার নামক আবর্জনায় পরিণত হয়ে যাওয়া নিয়ে আমার ঘৃণাটি প্রকাশ করতাম।

কিন্তু প্রশ্ন হলো বিষয়টি আমার জানতে এতো দেরি হলো কেন ? আমি ফেসবুক করি না, সামাজিক নেটওয়ার্কে সময় নষ্ট করি না সত্য কিন্তু আমি তো খুবই সম্ভ্রান্ত একটা ইংরেজী দৈনিক নিয়মিত পড়ি, ইন্টারনেটে খুবই জনপ্রিয় নিজউ পোর্টালে দিনে কয়েকবার চোখ বুলাই তাহলে কোটা বিরোধী আন্দোলন করে যে বাংলাদেশের মাটিতে নূতন রাজাকারের পূর্ণজন্ম হয়েছে, এই দেশের তরুণেরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে গর্ব করতে শিখেছে আমাদের সংবাদ মাধ্যম সেই খবরটি আমাদেরকে কেন জানালো না ? তারা যে সামাজিক নেটওয়ার্কের কোনো তথ্য প্রকাশ করে না তা তো নয়। আমাকে একটা বিভ্রান্ত তরুণ খুন করতে গিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর ফেসবুকে আফসোস করে কিংবা আক্রোশ প্রকাশ করে যে উক্তিগুলো লেখা হয়েছে সেগুলো গুরত্বপূর্ণ পত্রিকায় বিশাল বড় করে ছাপানো হয়েছে সেটা আমি নিজের চোখে দেখছি। এখানে বরং একটা উল্টো ব্যাপার ঘটেছে, কোটা বিরোধী আন্দোলনটি যে একটি “অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের আন্দোলন” তার উপর আমি বুদ্ধিজীবীদের বড় বড় লেখা দেখেছি। অর্থাৎ সংবাদ মাধ্যম এই আন্দোলনটিকে একটি ইতিবাচক আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে। এই আন্দোলনের কারণে যে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান হয়েছে এবং রাজাকারদের পুনর্জন্ম হয়েছে তাতে এই দেশের সম্ভ্রান্ত দৈনিক পত্রিকার কিছু আসে যায় না। কেন? এই প্রশ্নের উত্তর আমাকে কে দিবে?

৩.

প্রথম যখন কোটা সংস্কারের আন্দোলন শুরু হয় এবং সাংবাদিকেরা আমার বক্তব্য জানার আগ্রহ দেখায় তখন আমি সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছি এবং সাথে সাথে মনে করিয়ে দিয়েছি কোটার বড় একটি অংশ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্যে, কাজেই কোটার বিরুদ্ধে কথা বলার সময় খুব সাবধানে কথা বলতে হবে। কোনো ভাবে যেন আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান দেখানো না হয়। আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা কিছুই দিতে পারিনি এখন যদি জীবনের শেষ মুহূর্তে তাদের প্রতি অসম্মান দেখাই সেটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যাবে না।

আমি ঠিক যে বিষয়টি নিয়ে শংকিত ছিলাম সেটাই ঘটেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের চরম ভাবে অসম্মান করেই শেষ হয়ে যায়নি, বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটা আগে কখনো ঘটেনি সেটাও ঘটেছে-‘রাজাকার’ শব্দটিকে সম্মানিত করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে এবং রাজাকারদের জন্যে ভালোবাসা দেখিয়ে যে কথাগুলো উচ্চারিত হয়েছে সেগুলো এতো অশালীন যে আমার পক্ষে মুখ ফুটে উচ্চারণ করা সম্ভব না। যদি কারো কৌতূহল থাকে ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করে সেগুলো বের করে দেখতে পারেন।

আমি কখনোই বিশ্বাস করব না যে এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছেলেমেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে, রাজাকারদের জন্যে ভালোবাসা দেখিয়েছে।  যে বিষয়টি আমাকে ক্ষুদ্ধ করেছে সেটি হচ্ছে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কেউ বিষয়টার প্রতিবাদ করেনি। যারা আন্দোলন করছে তাদের কেউ বলেনি আমরা কখনোই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান দেখাইনি, রাজাকারদের জন্যে ভালোবাসা দেখাইনি, যারা দেখিয়েছে তাদের জন্যে আমাদের ভেতরে ঘৃণা ছাড়া আর কিছু নেই।

আমি বহুদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি, আমি অনেক আন্দোলন দেখেছি। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন সব সময়েই ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন হয়, যদি আন্দোলনটি দানা বাধতে শুরু করে তখন রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনটি নিজেদের কূটকৌশলে ব্যবহার করার জন্য “হাইজ্যাক” করে নেয়। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা যদি যথেষ্ট বুদ্ধিমান হয় তাহলে আন্দোলনটির নেতৃত্ব নিজেদের হাতে রাখতে পারে। তারা বুদ্ধিমান না বলে তখন নেতৃত্ব হাতছাড়া হয়ে যায়। এই আন্দোলনটির বেলায় কী ঘটেছে আমি জানি না। আমার একজন সহকর্মী একাত্তর টেলিভিশনে এই আন্দোলনের একজন নেতার সাক্ষাৎকার দেখিয়েছে – সেটা দেখে হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। রাজাকার প্রীতির বিষয়টা তখন খানিকটা বোঝা যায়।

আমরা যারা ১৯৭১ দেখেছি তাদের জন্যে মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটি একটি তীব্র আবেগের ব্যাপার। মুক্তিযোদ্ধার অসম্মান কিংবা রাজাকারের পূর্ণবাসন আমাদের কাছে শুধুমাত্র একটি ঘটনা নয় এটি আমাদের কাছে জাতীয় বিপর্যয়। নূতন প্রজন্ম কখনো সেটি আমাদের মত করে অনুভব করতে পারবে কী না আমরা জানি না। যদি নিজের একটা চাকরীর জন্যে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে, রাজাকারদের সাথে একাত্ম হয়ে যায় সেটি আমরা কখনো মেনে নেব না।

৪.

আমি যতদূর জানি বেশ অনেকদিন থেকে এই কোটা বিরোধী আন্দোলন চলে আসছিলো কিন্তু যে কারণেই হোক আন্দোলনটি সেভাবে দানা বেধে ওঠেনি। তারপর হঠাৎ করে এক রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে রূপান্তরিত হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের বাসাটি গুড়ো গুড়ো করে দেওয়া হল এবং দেখতে দেখতে আন্দোলনটি দানা বেধে উঠল। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ছাত্রছাত্রীরা জন্মেও এই চাকরীর পিছনে দৌড়াবে না, আমি দেখলাম তারাও হঠাৎ করে এই কোটা বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্যে ছুটে গেল!

যারা বিষয়টা লক্ষ্য করেছেন তারা সবাই কারণটা অনুমান করতে পারেন। এই আন্দোলনটা দানা বেধে ওঠার অন্যতম কারণ হচ্ছে ছাত্রলীগের দৌরাত্ম। এখন হয়তো অনেকের মনে নেই, বিএনপি জামাত আমলে দৌরাত্মটি ছিল ছাত্রদল এবং শিবিরের। মোটামুটি বলা যেতে পারে এই আন্দোলনটা ছিল ছাত্রলীগের দৌরাত্মের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ। বছর কয়েক আগে আমি নিজের চোখে “জয় বাংলা” এবং “জয় বঙ্গবন্ধ” শ্লোগান দিযে ছাত্রলীগের মাস্তানদের শিক্ষকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখিছি। কাজেই তারা ছাত্রছাত্রীদের উপর কী পরিমাণ নির্যাতন করতে পারে সেটা অনুমান করা কঠিন কিছু নয়। কাজেই পুলিশের সাথে সাথে যখন ছাত্রলীগের কর্মীরাও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে আন্দোলনটা দেখতে দেখতে একটা জনপ্রিয় আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে একসাথে দাঁড়ানোর সুযোগ এর আগে কখনো আসেনি।

কিন্তু এর পরের অংশটি বেদনাদায়ক। ছাত্রলীগের উপর যে বিতৃষ্ণাটুকু ছিল সেটি খুবই কৌশলে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার কাজে ব্যবহার করা হলো এবং দেখতে দেখতে সেটি রাজাকারদের প্রতিষ্ঠা করার কাজে লাগিয়ে দেয়া হলো।

আমর দুঃখ শুধু এক জায়গায়, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর কেউ এর প্রতিবাদ করে কিছু করল না, কেউ কিছু বলল না!

৫.

যারা বি.সি.এস, ক্যাডারে চাকরী পায় তাদের ট্রেনিং দেওয়ার জন্যে সাভারে বিশাল একটা প্রতিষ্ঠান আছে। সেই প্রতিষ্ঠানটি মাঝে মাঝেই আমাকে আমন্ত্রণ জানায় এই বি.সি.এস ক্যাডারদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য। আমি সুযোগ পেলে সেখানে যাই এবং এই তরুণ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলি। বেশিরভাগ কথা হয় দেশ নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। কথা বলা শেষ হলে অবধারিত ভাবে ছবি তোলা শুরু হয় আমি আগ্রহ নিয়ে সবার সাথে ছবি তুলি।

কোটা বিরোধী এই আন্দোলনটি ছিল আসলে চাকরী পাওয়ার আন্দোলন। এই সফল আন্দোলনের পর আন্দোলনের নেতা নেত্রীদের কেউ কেউ নিশ্চয়ই চাকরী পাবে এবং তাদের কেউ কেউ নিশ্চয়ই সাভারে ট্রেনিং নিতে যাবে। এটা এমন কিছু অস্বাভাবিক নয় যে হয়তো আমি তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলব।

কথা শেষ হলে কোনো একজন নেতা হয়তো এসে আমাকে পরিচয় দিয়ে বলবে, আমি ২০১৮ সালে কোটা বিরোধী আন্দোলন করেছিলাম খবরের কাগজে আমার ছবি ছাপা হয়েছিল, আমার বুকে লেখা ছিল, “আমি রাজাকার।”

তখন আমি অবধারিত ভাবে গলায় আঙুল দিয়ে তার উপর হড় হড় করে বমি করে দেব।

 

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০ Responses -- “আমি রাজাকার: একটি আলোকচিত্র”

  1. shamim

    I dont agree with the views of Professor Zafar Iqbal. I love my country, i am very much indebted to our valiant freedom fighters, i am proud to b a citizen of peoples republic of Bangladesh. At the same time i want to see my country as a prosperous one offering equal opportunities for all. These principles shouldnt b compromised; you couldnt discriminate your own citizens in the name of anything,on the other hand you couldnt degrade your best son of this land who give u liberation from occupying forces. But in this column, it seems Mr Professor cast light on the one issue of the two problems,completely avoiding the other. Matter of fact he fails to b neutral & can b easily considered as a member of interested group. So this biased writing is not trustworthy as it is intended to protect the interest of a particular community;not the masses.

    Reply
    • Helal Haque

      Excellent, I agree that in this article Professor Zafar Iqbal failed to maintain his neutrality. More importantly he missed the emotion of the student who wrote “ami Rajakar” on his chest. This was against the blunt statement of Matiya Chowdhury who blanketly marked all protesting students as rajakar. This is really sad Mr. Iqbal that you purposively tried to mislead this emotion.

      Reply
  2. adnan

    নেত্রী যাইতে দিমু না, পদ্মা সেতুর মত আরো বড় বড় কাজ কইরা দিয়া যাওন লাগব, জানি বয়স হয়েছে, তাই আমাদের ও চিন্তা লাগে, পেরেশানী লাগে। আপনার অনুপস্থিতি যেন অন্ধকার নিয়ে আসবে। যোগ্য নেতৃত্বের বিকাশও দেখছি না। ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র মিয়া ভাইরাও খালি ঢাল তলোয়ার পছন্দ করে, রাষ্টপরিচালনার ভবিষ্যত ছক আঁকেনা, মেধা থাকলেও বিকাশের পথ খোঁজে না, অথচ জঙ্গী মেয়েরা পর্যন্ত এখানে সেখানে বসে ফিসফিস করে, জঙ্গী কিতাব পড়ে ধরা ও খায়।

    Reply
  3. সত্যবাদী

    মন্তব্য করার সুযোগে অনেকে পূর্ব প্রস্তুতকৃত বস্তাপচা লেখা পেস্ট করে দিচ্ছে। এসব মন্তব্যের ফলে মুল লেখার থাকে না।
    আশা করা মন্তব্যগুলোর মডারেশন হবে।।

    Reply
  4. হাবিব

    অবাক লাগলো স্যার, কোনও কোনও ডুগডুগি বাজানো মন্ত্রী যদি এদেশের ছাত্র সমাজকে রাজাকার বলতে পারে। তাহলে রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিতে দোষ কিসের?

    Reply
    • mathin

      apnara likhtey parten “”ami RAZAKAR na””
      keno likhlen ami razakar???? keu amakey chor bollo r ami chor likhey ghurbo! ajob cinta vabna…shamless

      Reply
  5. মুক্তি

    স্বাধীনতা কাকে বলে! এতো সাহস! ‘আমি রাজাকার’! দেশদ্রোহীকে গ্রেফতার করা হয়েছে? ওই কুলাঙ্গার সহ তার সমর্থক সবাইকে চরম শিক্ষা দেয়া উচিত।

    Reply
  6. শাহরিয়ার

    বিডিনিঊজের মন্তব্যে সময় উল্লেখ থাকে না। পড়তে গিয়ে বার বার হোঁচট খেতে হয় – কোনটা আর কোনটা পরে বুঝতে। আশা করি এডমিন এই বিষয়ে নজর দিবেন।

    Reply
  7. dibbya raihan

    @ Sarker Jabed Iqbal,
    dear Mr. Sarker Jabed Iqbal, thanks for your positive and balanced comment. however, i didn’t focus my comment on this recent mudslinging over the word Rajakar, rather i expressed my grave concern over the relentless anti-Jafar Iqbal campaign that’s been going on for years by some of the `wisest’ sons of the soil. we all know that many (NOT ALL) of them have an ill motive. looks like Dr. Jafar Iqbal is the most dangerous and harmfull person Bangladesh has ever seen and everybody else is dhoa tulshi pata. this is just not fare. that’ s all.

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      You are very right. A dirty politics is going on and an evil force is trying to take advantage of that. We need to remain vigilant against all odds so that nobody dares to malign the glorious image of our liberation war and the freedom fighters.

      Reply
  8. Unfortunate

    Freedom fighters of 71 is our pride. They didn’t let bullets to go through their chest for this so called quota. There is no doubt the present quota system is out dated and it has to be revised with the prevailing situation. Despite of took the whole city as a hostage, the movement may also right. But if there are any movement against unemployment then it will justifiable. Some one told me that the number of graduation come from DU solely is more than the total seat of BCS. I didn’t cross check the information but it is not exaggerate i firmly believe. But the slogan of “Ami Rajakar” is not acceptable in any circumstance. this is because the identity of our country is being questioned by from the date of its birth, History has been distorted intentionally. That’s why our identity as nation is yet to fix. Last sir please continue your voice for 1971 because you are really brave like our freedom fighters of 71 which i am not.

    Reply
  9. তাহসিন

    আপনার এত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ!!!!তো কয় নম্বর সেক্টর এ যুদ্ধ করেছেন আপনি!!!আপনি তো তখন যুদ্ধে যাওয়ার মতই ছিলেন!!! যুদ্ধের সময় পালিয়ে বেড়ানো যদি আপনার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হয় তাহলে আমি বলব সেই চেতনা নিয়ে আপনি ব্যবসা করছেন!!!!

    Reply
    • dibbya raihan

      @ TAHSIN
      is Md Jafar Iqbal worse than Rajakars? what is your problem? is Jafar Iqbal too dangerous for Bangladesh? Is he the number one enemy of the country? He doesn’t want to be the Prime minister. as far as we can see he doesn’t want to be a billionaire. why don’t you just leave him alone? HE won’t be able harm Bangladesh with so many patriots like YOU are around. RELAX.

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        Dear Mr. Dibbya Raihan, I do respect your feeling and emotion for Dr. Zafar Iqbal. Definitely he is a proud son of this soil. I do have due respect for him too. But he should apologise for echoing the statement of a powerful Minister where general students have been labelled as ‘Razakar’. This doesn’t go with an intellectual like him!

      • Bongo-Raj

        @dibbya raihan
        Those who reacts sharply against the word RAJAKAR they are (no doubt) either RAJAKAR or being carrying DNA of Rajakar.
        We have to fight with these filthy scum may be for another one or two generation.

      • তাহসিন

        @ dibbya raihan
        ভাই আপনি ঠিক বলেছেন।কিন্তু স্যার যখন এই লেখাটা নিয়ে লিখলই তখন কি মহান সংসদ এ দাঁড়িয়ে একজন মন্ত্রী সব ছাত্রসমাজকে যেভাবে রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিল সেটা লেখা উচিত ছিল। বিষয়টাকে কি উনি একটু বেশী একপেশে ভাবে লিখেন নি??? আশা করি ভেবে উত্তর দেবেন

  10. dibbya raihan

    মুহম্মদ জাফর ইকবালের একশ একটা দোষ থাকতে পারে। পৃথিবীতে কোন মানুষটি দোষহীন? বাংলাদেশের কয়জন বুদ্ধিজীবী খুব সৎ বা ভালোমানুষ? রাজনৈতিক নেতাদের কথা বললামই না। কিন্তু এক শ্রেণির লোক জাফর ইকবালকে মির জাফর বা খুবই খারাপ জঘন্য বলে গালিগালাজ করছে। মুহম্মদ জাফর ইকবালের বাবা মুক্তিযুদ্ধের শহিদ। তিনি অন্তরের কষ্ট থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নিন্দা করেন। এতে প্রত্যক্ষ রাজাকারদের গাত্রদাহ হতে পারে। কিন্তু জাফর ইকবালকে নরকের কীট রাজাকারদের চেয়েও খারাপ মনে করেন এরকম ‘আশ্চর্য’ তরুণ কিছু আছে। এ তরুণদের কথায় পরিস্কার: একাত্তর সম্পর্কে তাদের অনেকেরই ভালো ধারণা নেই। স্পষ্টই বোঝা যায়, অন্তত কারো কারো (সবার বলছি না কিন্তু) শ্রদ্ধাও নেই। এরা কারা? কী অপরাধে জাফর ইকবাল তাদের কাছে এত খারাপ? সেই অপরাধ কি বাংলাদেশে আর কেউ করে না? সুতরাং এদের বিদ্বেষের আসল কারণটি অন্য। বাংলাদেশটা আর সেই বাংলাদেশ নেই জাফর ইকবাল স্যার। আপনি এখনও বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছেন এর জন্য শোকর করেন। যদিও সে বাংলায়ও প্রতিনিয়ত ‘ভেজাল’ ঢুকছে। (আমি ভাষার গতিশীলতা, বিদেশি শব্দের বিরোধী নই। আরোপিত হওয়ার বিরুদ্ধে।) ৩/৪ দশকে একটা জাতি মানসিকভাবে এতটাই বদলে যায়? এই তা হলে প্রযুক্তি আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল্য?

    Reply
    • আমিরুল

      বাংলা ব্যবহার করেন। আর জাফর ইকবাল সম্পর্কে জানতে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি কি বলছেন তা youtube এ দেখে নিতে পারেন।
      তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিল কিনা দেখে নিন।

      Reply
  11. dibbya raihan

    Bdnews24.com should Bar publishing overtly Pro jamati, pro rajakar comments, there is no space for freedom of speech for Nazi like people.

    Reply
  12. 00000000000

    রাজাকার অথ৴ অপরাধী,পাকি দালাল,নর পিচাশ,খুনী,বাড়ি ঘড় জালানো পাকি সৈন্যদের
    সহযোগী !!

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      মতিয়া চৌধুরী কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যে যা বলেছেন, সেটা যারা বুঝার তারা ঠিকই বুঝেছেন, শুধু কিছু আম-অপ্রাপ্তবয়স্ক মেধাবী হুজুগে চিলের পিছনে ছুটেছে! মতিয়া চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালযে়র সব ছাত্র ছাত্রীদের রাজাকার বলবেন, এটা নিজ কানে শুনেও কেউ বিশ^াস করবে না। তিনি হয়তো ছাত্রদের আন্দোলনে যেতে নিরুৎসাহিত করার জন্য ওকথা বলেছেন। তিনি বলতে চেযে়ছেন মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যেও না, রাজাকার হযে় যাবে। তিনি কি ভুল বলেছেন? আন্দোলনে যাওয়া না যাওয়া ভিন্ন প্রশ্ন্। কিন্তু মতিয়া চৌধুরীর অবস্থান থেকে তিনি এই আন্দেলনের বিরুদ্ধে। আর তার কথা কি ঠিক হয়নি? আন্দোলনে না গেলে ঐ ছেলেটি কি ‘আমি রাজাকার’ লেখা টি সার্ট পরতো। আর কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিলে মুক্তিযোদ্ধারা শুধু নয়, এদেশের ৯০% ভাগ মানুষ তাকে রাজাকারই বলবে। বাকী ১০% ভাগ নিযে় রাজাকারের তালিকা করা যেতে পারে (এই ৪৮ বছরে, ঝাঁরে-বংশে তাদের বৃদ্ধি নেহাযে়ত কম হয়নি!)। আর এটা কি প্রমাণিত হয়নি, – এই আন্দোলনের পোষ্টারে, ফেষ্টুনে, শ্লোগানে, সোশাল মিডিয়ায় বাঁধাহীন ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নিযে় কটুক্তি শুধু নয়, রিতিমত গালী দেয়া হযে়ছে। এটা করেছে কেউ কেউ এবং এর প্রতিবাদ করেনি কেউই। তাই এই আন্দোলনের গাযে় মতিয়া চৌধুরীর দেয়া ঐ তমাটা একটু হলেও লেগেছে। দিন শেষে পরিনতি বুঝতে পারবেন সবাই।
      ভেবে দেখুন একাত্তোরে কেউ আপনাকে রাজাকার বললো – আর আপনি ক্ষোভে, না হয় মনের দুঃখে রাজাকারে ভর্তি হযে় গেলেন। এটাকি যুক্তির কথা হলো। যে রাজাকার হয় – এমনকি নিজেকে রাজাকার বলে সে রাজাকারই হযে় যায়। মনে রাখবেন – এদেশে হজার বছর পরেও রাজাকাররা মহান হযে় উঠবে না, ঘৃন্য, নর্দমার কীট হযে়ই বসাবস করবে এই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে।
      কোটা বিরোধী আন্দোলন বিষযে় বিতর্ক আছে। কোটা সংস্কারের যৌক্তিকতা সবাই বুঝে, এমনকি মুক্তিযোদ্ধারাও বুঝে, কিন্তু আন্দোলনের ধরণ নিযে় প্রশ্ন আছে। আমার কাছে আন্দেলনের সততা নিযে়ও প্রশ্ন আছে। কারন তাদের দাবীগুলির মধ্যে ভুল নয় – মিথ্য তথ্য আছে, বিবেচনাহীনতা ও দাযি়ত্বহীনতা আছে।
      ১. আন্দোলনকারীর বলছে – সংরক্ষিত কোটার পরিমান ৫৬% ভাগ। এটা মিথ্যা। (ভুল নয় – কারণ দেশের ভবিষ্যৎ সর্বোচ্চ কর্মকর্তরা এরকম ভুল করতে পারেন না! তারা ইচ্ছে করে মিথ্যে বলেছেন।) সংরক্ষিত কোটার পরিমান ৫৫% ভাগ। ১% প্রতিবন্ধী কোটা বাধ্যতামুলক নয়। যদি অন্য কোটা অপূর্ণ থাকে, সেখান থেকে ১% প্রতিবন্ধীকে নিযে়াগের জন্য বিবেচনা করতে হবে।
      ২. (ক) আন্দোলন কারীদের দাবীনামায় যে কোটার বিরণ আছে তা কেবল কেডার সার্ভিসের (১ম ও ২য় শ্রেনীর পদের) জন্য প্রযোজ্য, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর সরকারী চাকরীর জন্য কোটার বিন্যাস ভিন্ন, সেটা নিযে় তারা কোন কথা বলেন নি। অথচ এখানে সংস্কারের দরকার আরো বেশী – সেখানে বেশী মানুষের স্বার্থ জডি়ত। কেডার সার্ভিসে (১ম ও ২য় শ্রেনীর পদে) ব্যাচ প্রতি মাত্র দেড় দুই হাজার নিযে়াগ হয়।
      (খ) আন্দোলন হলো কোটা সংস্কার নিযে়, অথচ আজকে কোটা বাতিলের গেজেট প্রকাশের দাবী তোলা হচ্ছে। কোটা সংস্কারের দাবী যৌক্তি, কিন্ত কোট বিলোপের ঘোষণাকে সমর্থন করে কোটা বাতিল সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের দাবী শুধু অযৌক্তিক নয়, অবিবেচনা প্রসূত! কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমর্থক, প্রশাসন ভেজে খাওয়া ঝানু অবঃ আমলা. আকবর আলী খান সেদিন প্রতিবন্ধীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথীর বক্তৃতায় বলেছেন – দেশের জন সংখ্যার ১০% ভাগ প্রতিবন্ধী। তাদের জন্য ৬% ভাগ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে। ইউরোপ আমেরিকাসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে নারী জনসংখ্যার অনুপাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের চাকরীর সুযোগ নিশ্চিৎ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রযে়ছে। পৃথীবির সব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ দ্বিতীয় সর্ব নিম্ন – ১১% (সরকারী হিসাব ১২.৯%) ভাগ। আমাদের নিচে আছে কেবল সৌদি আরব – ২% ভাগ। আর আফগানিস্তানে পর্যন্ত সিভিস সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ ৩২.৬% ভাগ। এই পরিস্থিতিতে কতটা অবিবেচক, আর জ্ঞানহীন হলে বলা যায়, ‘আমি নারী, মেধা দিযে় করবো বিশ^ জয়। কোটা আমর জন্য নয়’। আর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান, নাতী নাতনীদের কোটার কথা বলবেন? হ্যাঁ, ওটার পরিবর্তন দরকার। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও নেই বলে বাতিল করে দেয়ার দাবি তোলা শুধু অবিবেচনা প্রসূতইন, ষড়যন্ত্র মূলক। ভারত এই সমযে় এসেও, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের বীরদের সম্মানিত করার জন্য নানান সুবিধার সূষ্টি করছে। ভরত ৪০ হাজার স্বদেশী আন্দেনের নেতা কর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনদের জন্য নানা রকমের সুজোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে। আমেরিকায় ওয়ার-ভেটার্নদের চাকরী দেয়ার জন্য ‘এ্যাফারমেটিভ এক্শান’এর আওতায় বিশেষ সুবিধা সৃষ্টি করা হযে়ছে। এমনকি ভেটার্ণদের ছেলে মেযে়দের লেখা পড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তিরও ব্যবস্থা রযে়ছে খোদ আমেরিকায়। ইউরোপে প্রথম বিশ^যুদ্ধ এবং পরবর্তিতে দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধে আহত ও বেকার ওয়ার-ভেটার্নদের চাকরীর বিশেষ সুবিধা সৃষ্টির জন্যই কোটা ধারণার প্রবর্তন হয়। আমেরিকায় ওয়ার-ভেটার্নদের মধ্যে ‘৭৫ পরবর্তি সমযে় ভিযে়তনাম প্রত্যাগত ওয়ার-ভেটার্নের সংখ্যাই সবচেযে় বেশী। এর পর আছে ইরাক, আফগান যুদ্ধ প্রত্যাগত ওয়ার-ভেটার্ন। এদের (যার মধ্যে ভিযে়তনাম যুদ্ধের যুধাপরাধীরাও আছে) চাকরীর বিশেষ সুবিধার জন্য আমেরিকায় ব্যবস্থা আছে। আর আমাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধারা – ‘ছলিমুদ্দি, কলিমুদ্দি’। মুক্তিযোদ্ধারা যদি জাতীয় ভাবে ‘ছলিমুদ্দি – কলিমুদ্দি’ হযে় যায়, তাহলে কেবল জাফর ইকবালের বমি নয়, সারা দুনিয়ার বিষ্ঠা এসে পরবে এ জাতির শরীরে। বিশ^বিদ্যালযে়র তরুণরা জাতির প্রতিনিধি, অতএব সাবধান, সময় কাউকেই ক্ষমা করে না!
      কোটা কাউকে সম অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য নয়, বরং কারো কারো অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই কোটা দরকার। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকে অধিকার সমান। সমঅধিকারের ধারানাটি এমন সোজা সাপ্টা নয়। সমান সুবিধাভোগীদের অধিকার সমান হবে। চাষি, মজুররা আপনার সমতুল্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করে না, তাই রাষ্ট্রের কাছে আপনার তুলনা তার দাবী বেশী। তার ছেলের জন্য আপনার সমতুল্য লেখা পড়ার সুযোগ তৌরী করেতে হবে। যত দিন সমাজে মানুষের মধ্যে বৈষম্য থাকবে, ততদিন বঞ্চতদের জন্য সকল ক্ষেত্রে বিশেষ বব্যস্থা করতেই হবে। সমঅধিকারের নীতি অনুযায়ী ওটাই তার অধিকার। বৈষম্যপূর্ণ সমাজে বিভিন্ন বঞ্চিত শ্রেনীর অস্তিত্ব থাকে, যত দিন এটা থাকবে ততদিন পশ্চৎপদ শ্রেনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখতেই হবে। শুধু চাকরীর কোটা নয়। তাকে চাকরীর যোগ্য করে গডে় তোলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোটার বাইরে সাধারণ (মেধা কোটায়) চাকরী প্রার্থীরা জনসংখার ১০০% ভাগ নয়, তাই যে কোন চাকরী ক্ষেত্রে ১০০% ভাগ উন্মুক্ত স্পেস দাবী করা অযৌক্তিক। এটা নিযে় আন্দোলন করাটা হিপোক্রেসি! কারণ, পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠির পক্ষে কোটার দাবীটি সমাজের সচেতন অংশকেই তুলতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্ররাই এ কাজটি করেছে। ঐতিহাসিক ভাবে তারাই হযে়ছে জাতীর কন্ডারী। আজ শুধু দেড়-দুই হাজার পদে চাকরীর সুযোগের জন্য তারা আন্দোলন করছে। অন্যদের কথা ভাবার দায় এডি়যে় তারা যদি ভাবে, অন্যদের কথা সরকার (প্রধানমন্ত্রী) ভাবুক, কিছু করলে করুক, না করলে নাই! তাহলে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ ঐতিহাসিক ভাবে কলঙ্কিত হবে। কামনা করি বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ দাযি়ত্ববান হউক।

      Reply
      • ০০০

        আপনি এতো ঘুরিয়ে পেচিয়ে ঠিকই বাস্তব সত্যটাকে লুকালেন। এককথায় বলতে পারতেন যে যারা ন্যায্য কথা বলবে নিজেদের অধীকার নিয়ে কথা বলবে যৌক্তিক দাবির জন্য কথা বলবে তারা সবাই নব্য রাজাকার।

  13. 00000000000

    ঐ দেখা যায় রাজাকার চাঁনদে
    ধরা পইরা ঢুইকা গেছে ফাঁনদে !
    আপনি যদি দেইখা থাকেন রাজাকার চাঁনদে
    জনাব ৭১ এর পাজী,
    ঢুইকা যাইবেন কারাগার
    আমি ধরতে বাজী রাজি!!

    Reply
  14. ইসলাম

    ফেসবুকে আপনার এই একই পোস্টে হাজার হাজার সাধারণ ছাত্রছাত্রীর কমেন্ট পড়েছে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে। তারমধ্যে একটা হুবুহু কোট করলামঃ

    “সেইদিন খুব বেশী দূরে না যেদিন আপনার নিজের তৈরি করা জাফর প্রজন্মের কাছেই আপনি ‘স্যার/ডঃ’ জাফর ইকবালের পরিবর্তে ‘মীর’ জাফর ইকবাল হিসাবে পরিচিত হওয়া শুরু করবেন……”

    Reply
  15. Bongo-Raj

    কে রাজাকার তাতো পরিষ্কারই
    রাজাকার শব্দটা উচ্চারন করলেই যেই সমস্থ ভদ্রজন প্রতিক্রিয়া দেখাবেন তারা সবাই রাজাকার । যে জন সাথে সাথে মুখ থেকে থুথু ফেলবেন তিনি স্বাধীনতার পক্ষের।
    এতো সহজ হিসাব।
    মতিয়া চৌধুরী রাজাকার দের আন্দোলন বলেছেন ভুল কোথায় করেছেন?
    তা নাহলে ভিসির বাড়ী ভাঙল কেন?

    Reply
    • তানভির

      অনলাইন পত্রিকাগুলোর বিভিন্ন সংবাদের মন্তব্যের অংশে চোখ বুলালে দেখা যায় কি পরিমাণ জামাতি এখনও বাংলাদেশে শ্বাস নিচ্ছে। মতিয়া চৌধুরি ঠিকই বলেছেন আবার কখনো যুদ্ধ বাধলে এরাই হবে প্রথম রাজাকার। জামাত-শিবিরের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা এই কোটা-আন্দোলনটার উদ্দেশ্য ছাত্রছাত্রীদেরকে চাকরি পাইয়ে দেয়া নয়, জামাতি ধারণাগুলোকে সমাজের মধ্যে স্বাভাবিক বানিয়ে তোলা। রাজাকারদের প্রতি সাধারণ বাঙালির এলারজি আছে বলেই শাহবাগ আন্দোলন গড়ে উঠেছিলো। রাজাকার শব্দটায় গা সয়ে গেলে, আমাদেরই ভাই-বন্ধুরা রাজাকার হয়ে পড়লে জামাতের ঘুরে দাঁড়ানো সহজ হয়।
      আমাদের কাজ হবে এদেরকে ক্রমশ নগন্য সংখ্যালঘুতে পরিণত করা। শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া এটা সম্ভব হবে না।

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      Bongo-Raj, আপনি অই ইংরেজি না জেনে ইংরেজি লেখার মাল না? আপনার যুক্তি আর কতো ভালো হবে? ভিসির বাড়ি খাড়া আছে কেউ ‘গুঁড়িয়ে’ দেয় নাই। যেটুকু ভাংচুর ও জ্বালানো হয়েছে, তা’ প্রতিমন্ত্রীর লোকেরা করেছে। তাদের পুরনো অভ্যাস আছে। প্রমান করুন, নানকের লোকেরা ভিসি’র বাড়ি ভাঙ্গেনি!

      Reply
      • Bongo-Raj

        আপনি বলছেন নানকের লোকেরা ঐ ভাংচুর করেছেন, আর আমাকে বলছেন প্রমাণ করতে? মাথা ঠিক আছে জনাব?
        স্ক্রু কয়টা লুজ?

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        সৈয়দ আলী সাহেব, বুঝতেই পারছেন, বঙ্গরাজ আপনার অভিযোগ সত্য বলে মেনে নিয়েছেন।

      • সৈয়দ আলী

        বাহ্‌, আন্দোলনকারীদের বিরূদ্ধে ভিসির বাংলো ‘ একেবারে গুঁড়িয়ে দেয়ার (আহারে, ভিসি বেচারা এখন গাছতলায় থাকে!) আওয়ামী অভিযোগের বিপরীতে আমি বলেছি আওয়ামী লীগের পেশীবাজ নানকের লোকেরা ভাংচুর করেছে, নাহলে মুখোশ পড়ে ছিলো কেন। সে মুখোশ খোলার দায়িত্ব আওয়ামী পেটোয়াবাজদের।
        (আমি কি বলেছিলাম সেটি যে আপনি বুঝতে চেষ্টা করেছেন, তাতেই আমি খুশি। যদিও জানলাম, ইংরেজির মতো বাংলাও জানেন না)।

  16. Dr.Salam

    আপনি সবসময় বাহবা পাওয়ার আশায় লেখেন। তেতো বিষয় নিয়ে লেখেন না। আপনাকে বামপন্থী বলেই জানি। দাওরায়ে হাদিসকে এম.এ এর মান দেয়া, সারাদেশে মডেল মসজিদ নির্মাণ,সরকারিভাবে ১০০০ আলেম নিয়োগ এগুলো নিয়ে লেখেন না কেন? নাকি হাসিনা আপা রাগ করবেন তাই।

    Reply
  17. Shahriar

    জাফর সাহেবের প্রশ্নের যথার্থ উত্তর পিনাকী ভট্টাচার্য দিয়েছেন ফেসবুকে। সেটা সবারই পড়ে দেখা উচিত । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঢুলু ঢুলু আবেগ দেখানো এই লোকগুলোর রুমিকে বা আজাদকে নিয়ে কিছু লেখার মত নৈতিক সাহস আছে কি? মুক্তিযুদ্ধের সময় উনি রুমির বয়সেরই ছিলেন । রুমি কিন্তু পালায়নি ।

    আমি অবাক হয়ে যাই এই লোকটা রেগুলার পত্রিকায় কলাম লেখেন পাঠকের দিকে তাকিয়ে অথচ তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নাকি তার কোন আগ্রহ নাই! ব্রাভো !

    Reply
    • বাঙাল

      Shahriar, আপনার বাবাকে গিয়ে প্রশ্ন করুন কেনো সে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করে নাই। আমি ১০০% নিশ্চিত আপনার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিল না, সম্ভবত সেই সময় আপনার দাদা-চাচা-নানা-বাবা সবাই পাকিস্থানিদের সেবায় নিয়োজিত ছিল। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাই মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় কারও পরিবারে কেউ নিহত হলে, কি আবস্থায় তাদের দিন পার হয়েছে তা ভালো বলতে পারব। সেই সময় জাফর স্যারের বাবা নিহত হয়েছে, তাদের পরিবারকে কোন আত্মীয়-স্বজন আশ্রয় দিচ্ছে না। সেই সময় তিনি তাদের পরিবারকে বাঁচাবে, না যুদ্ধে যাবে। জীবনটা সিনেমা না যে, বাবা নিহত হয়েছে আর পরের দৃশ্যেই ছেলে মুক্তিযুদ্ধে গেছে। এটা সিনেমায়ই ভালো মানায়, বাস্তবে তা হয় না। এই মুহুর্তে যদি আপনার পরিবারের একমাত্র উপার্যনক্ষম ব্যক্তি আপনার বাবা মারা গেলে আপনি কি করবেন? যদি আপনি উপার্যনক্ষম না হন, বাবা যদি কোন সম্পদও না রেখে যান, তাহলে আপনি স্বাধীন বাংলাদেশেই বেঁচে থাকার জন্য দ্বারে দ্বারে হাত পাতবেন । আর একাত্তরের যুদ্ধের সময় – ১৯ বছরের একটি ছেলে (জাফর স্যার) যার বড় ভাই (হুমায়ন আহম্নদ) তখন পাক সেনাবাহিনির হাতে বন্দী, তিনি কোন পরিবার রেখে যুদ্ধে যায়নি তার কৈফত আপনাকে দিতে হবে? মুলত ডঃ জাফর ইকবালের লেখনির কারনে আপনার নেতা গো আজম, নিজামির ফাসির দাবিতে, নুতন প্রজন্ম এক হয়েছিল। তাই তো ওনার প্রতি রাজাকার এর বাচ্চাদের এতো ক্ষোভ।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        বাঙাল, প্রথমেই বলে নিই, আপনার পিতা মুক্তিযোদ্ধা হলে তাঁর প্রতি জাতির দায় আছে। আপনার প্রতি কেন দায় থাকবে? বাপের কীর্তি ভাঙ্গিয়ে খেতে চান? খেতে দেবোনা। পিরিয়ড। নিজে মহৎ কিছু করে সন্মান অর্জন করুন।
        নতুন কেচ্ছা বুনছেন? হুমায়ুন আহমদ পাকিদের হাতে বন্দি এই তথ্যটি কোন পেটরা থেকে বেচবার আশায় বের করেছেন? মুক্তিযুদ্ধ তো আপনাদের ব্যবসায়ের বিষয়। হুমায়ুন আহমদ নিজে লিখছেন যে যাত্রাবাড়ির গর্ত থেকে জাফর ইকবালকে উদ্ধার করতে গেছেন, আর আপনি মিথ্যে এক তথ্য বেচতে এসেছেন। বাহা। বাহা।
        শাহ জামান মজুমদার বীরপ্রতীককে চেনেন? তিনি সিনেমার মতোই পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। আর আপনার হিরো জাফর ইকবাল? ছারছিনা পীরের মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছেন।

      • বাঙাল

        @ সৈয়দ আলী, অামি আমার আগের লেখায় “ছাগু” বা “ছাগল” কাদের বলে তা বলেছিলাম। আমি সেখানে বলেছিলাম – “বাংলাদেশে একশ্রেণীর বেকুব আছে, যারা একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী জামাত-শিবির দ্বারা রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস কোন যাচাই-বাছাই না করে মুখস্ত করে, বিশ্বাস করে, নির্বোধের ন্যায় তা জায়গা-বেজায়গায় উগরে ফেলে ইতিহাসবিদ হওয়ার ভাব ধরে। যে কারণে এই ধরনের বেকুব বা আহম্মকদের কাণ্ডকারখানা দেখে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের উপর বিরক্ত হয়ে তাদের “ছাগু” বা ছাগল বলে সম্মাধন করে”। যে ভাবেই হউক আপনি ঐ সম্প্রদায়ের লোক। শুধু তাই না আপনি একজন বদ্ধ উম্মাদের মত মন্তব্য করেছেন। ছাগুদের একমাত্র জ্ঞানের আধার “বাশের কেল্লা” ছাড়া আপনি আর যে কিছুই পড়েন না, তা আপনার মন্তব্য থেকেই জানা গেল। মরহুম হুমায়ুন আহম্মদকে একাত্তরে মুহাসিন হল থেকে পাক বাহিনি ধরে নিয়ে গিয়েছিল, এবং পাক বন্দি শিবিরে তাকে যে ভয়াবহ অত্যাচার করা হয়েছিল, সেই অত্যাচারের কথা তিনি তার অনেক লেখায় উল্লেখ্য করেছেন। তার বই পড়ে থাকলে আপনি এই বেকুবের মত মন্তব্য করতেন না। আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, তার জন্য আমি গর্বিত। আমার বাবা রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোন সুবিধা নেননি, আমিও না। আমার বাকি ৮ ভাই বোন কেউ কোন সুবিধা নেয়নি। আমি নিজের যোগ্যতায় ৬ ডিজিটের বেতনে বেসরকারি প্রতিষ্টানে চাকরি করছি, এবং গত ১৫ বছর যাবত নিয়মিত সরকারকে আয়কর দেই। সেই আমাকে, আপনার মত রাজাকারে চাটুকারের কাছ থেকে জানতে হবে কি ভাবে সম্মান আদায় করতে হবে? কোন মন্তব্য করার আগে পড়াশুনা করেন, তাতে জ্ঞান বাড়বে, আশক্ষিত অন্ধের মত মন্তব্য করবেন না।

      • সৈয়দ আলী

        @ বাঙাল, আহা সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলেন আমি বাঁশের কেল্লা ছাড়া আর কিছু পড়ি না। হুমায়ুন দাবী করেছেন যে মহসীন হল থেকে তাঁকে পাকিরা ধরে নিয়ে গিয়াছিলেন। উল্টোও বলেছেন। ‘ কতনা অশ্রুজল’ বইতে আবার দেখা যাচ্ছে তিনি উদ্ধারকর্তা হয়ে ছুটেছেন ভাইকে গর্ত থেকে বের করতে (তাদের বড় পছন্দের জায়গা)।
        আপনার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, বিষয়টি সেখানেই শেষ, সন্মান পাওয়ার থাকলে তিনি পাবেন। আপনারা ফুটবল টিম না। আমিতো জানি না যে আপনি আওয়ামী হালুয়ারুটি খেয়েছেন কি না। তবে যে পরিমানের আওয়ামী লীগের বুট চাটছেন, বিশ্বাস হয় না যে আপনি সুবিধা না নেওয়ার লোক।
        এই অধম ২৯ বৎসর বহুজাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেছে, আয়কর দিয়েছে, আপনার চাকুরি নিয়ে অতো জোরে বলবেন না। আমি শুধু এটুকুই জানাই, চাকরীর শর্তানুসারে সপরিবারে কোম্পানীর পয়সায় কেনা টিকেটে বিলাত আমেরিকা-ভারত-সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছি। আপনার বেতন নিয়মিত হয় তো?

      • বাঙাল

        @সৈয়দ আলী, এতোক্ষনে পরিস্কার হলে, আপনি কে? নিজেই বলেছেন ২৯ বৎসর চাকরি করেছেন, সুতারাং বয়সে আপনি ডঃ জাফর ইকবালের চেয়ে অনেক বড়ই হবেন, বলা যায় “বুড়াভাম”। আপনি কেনো মুক্তিযুদ্ধে যাননি সেই প্রশ্ন আমি আপনাকে করব না, কারন আমি ১০০% নিশ্চিত আপনি একজন রাজাকার ছিলেন, আপনার কথায় তা স্পষ্ট। একজন রাজাকারকে কখনোই সম্মান করতে হয় না, সেই কথা আমাদের হুমায়ন আহম্মদ শিখিয়েছে – তাকে বলতে হয় তুই, রাজাকার। আমিও আপনাকে তাই বলছি তুই রাজাকার। অামার বেতন নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না, আমি ইউরোতে বেতন পাই। বর্তমান সরকারকে আমি মাঝে মাঝে গালি দেই- ইউরোর দাম যখন টাকার বিপরিতে হ্রাস পায়, তাতে করে আমার বেতন তখন কমে যায় টাকায়। বড় পদে কাজ করলে সত্যিই কিছু কিছু কোম্পানি তাদের কর্মীদের বিদেশ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে, সাথে করে কর্মীদের তাদের চাকর-বাকরদের নিয়ে যাওয়ার সুবিধা দেয়। আপনি কোন ক্যাটাগরিতে বিদেশে গেছেন, তা আপনিই ভালো জানেন।

      • mahfuja

        না হেসে পারলাম না। উনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাই সব খবর উনার কাছে ছিল—হা—হা

      • সজল কান্তি

        @ বাঙাল
        হা হা হা !!! ৬ ডিজিট বেতন !!! এখানে তার কি সম্পর্ক ? Have you lost it ? হা হা হা । এগুলা কিরে ভাই ? এখানে কি করে ?

      • সুনীল আকাশ

        হায়রে বাঙাল !!! তুমি রয়ে গেলে সরকারী দলের কাঙাল !!! ৬ ডিজিট বেতন !!! জাঙিয়া গেন্জীর সাইজ টাও যদি পাবলিক পোষ্টে দিয়ে দিতেন আমরা কৃতার্থ হতাম !!! হা হা হা ।

    • সৈয়দ আলী

      “আমি অবাক হয়ে যাই এই লোকটা রেগুলার পত্রিকায় কলাম লেখেন পাঠকের দিকে তাকিয়ে অথচ তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নাকি তার কোন আগ্রহ নাই!” এই হচ্ছে তাদের মৌলিক সততা!

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      হ – অ, অহন বুঝলাম জাফর ইকবাল কেন পাঠকের (!) প্রতিক্রিয়ার পডে়ন না। যে প্রতিক্রিয়ার বিষক্রিয়ায় আমারই বমি আসে, জাফর ইকাবালের তো বমির সাথে নাড়ীভুঁডি় বেরিযে় আসবে। মূর্খ, অর্বাচিনের দলও বঙ্গদেশে মেধাবী হয়! দূর্ভাগা দেশ আর কাকে বলে!!!!!!

      Reply
  18. আরিফ

    আপনি বললেন, কাহার প্রতিক্রিয়া আপনি পড়েন না। তাহলে আপনাকে বলার কিছুই নেই। আপনি বুঝালেন আপনি রোবট, মানুষ না ।। মানুষ যে আপনাকে কতটা ঘৃণা করে তা আপনি জানেন। তাই কোন প্রতিক্রিয়া পড়েন না। কারণ লজ্জ থাকতে হয় ।।

    Reply
  19. MahibuL Ahsan

    যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের তারা রাজাকার, আলবদরদের ঘৃণা করে। রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি- এরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষের কাছে ‘রাজাকার’। যুদ্ধাপরাধী- বদর নেতা মতিউর রহমান নিজামিকে সবাই ‘মইত্তা রাজাকার’ বলে, ‘মইত্তা আলবদর’ বলে না! মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কোন ব্যক্তির মধ্যে ‘রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি’- এদের কারো প্রতিই কোন অনুকম্পা থাকতে পারে না। একটিকে বড়, অন্যটিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ‘রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি’ এদের সাবাইকে দেশপ্রেমিক বাঙালী ‘রাজাকার’ বলেই ডাকে। আর ‘রাজাকার’ শব্দটির প্রতি যাদের ঘৃণা নেই ‘মইত্তা রাজাকার’দের প্রতিও তাদের ঘৃণা নেই। তারা রাজাকারের উত্তসূরী না হলেও, তাদের অন্তরে রাজাকারের বীজ লুকিয়ে আছে। তাইতো, আজ এ সময়ে দাঁড়িয়ে জাফর ইকবালদের সমালোচনা করতে গিয়ে কেউ কেউ বলতে পারে- কিছুদিন পরে দেশের অর্ধেক মানুষ রাজাকার বা রাজাকারের সমর্থক হয়ে যাবে। (ধিক্, শতধিক্)
    জাফর ইকবাল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না (তিনি কখনো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধ বলেছেন বলে শুনিনি)। যারা মুক্তিযুদ্ধে যায়নি তারা রাজাকার – নিদেন পক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী একথাও তিনি বলেছেন বলে শুনিনি। তার মামা, চাচা, বাবা, খালু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন না তাই বলে জাফর ইকবাল রাজাকার বা রাজাকার সমতুল্য হয়ে যাবেন এমনতো নয়! এটা আপনারা জানেন ও বলেন (ধন্যবাদ!)। আর আপনার তার মামা, চাচা, বাবা, খালু সবাই মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন আর আপনি রাজাকার পক্ষে দু’কলম লিখলে বা কেউ রাজাকারের সমালোচনা করলে তার বিরুদ্ধে খর্গহস্ত হয়ে লেগে পড়বেন, তাহলে আপনাকে কি বলবে মানুষ– ‘রাজাকার’ নয় কি?
    ‘রাজাকার’, ‘মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে – এমনকি এই শব্দ দুটি নিয়ে কেচাল বন্ধ করুন। বুঝতেই পারবেন না নিজের অজান্তে রাজাকারের সমর্থক হয়ে যাবেন (মতিয়া চৌধুরীর ভাষায় রাজাকার হয়ে যাবে না)! কোটা সংস্কারের আন্দোলন প্রসঙ্গে জাফর ইকবাল ঠিকই বলেছিলেন – ‘মুক্তিযোদ্ধা’ বিষয়টি সতর্ক ভাবে কথা বলা উচিৎ, কাজ করা উচিৎ। এবার দেখলেন তো – কি করে অপরিণামদর্শী মেধাবীরা কি করে কোটা বিরোধী অবস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরোধী অবস্থানে এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরোধী অবস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী অবস্থানে চলে এসেছেন। এখনও যদি বোধোদয় না ঘটে, তাহলে দুঃখের সাথে বলতে হবে আমাদের মেধাবীরা সত্যি সত্যি ঘিলুহীন!

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      “রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি- এরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষের কাছে ‘রাজাকার’।” দুঃখিত, মনগড়া কথা বলবেন না। আমাদের মধ্যে যাদেরকে রাজাকার বা আলবদরদের সাথে আলাদা করে লড়তে হয়েছে, তারা জানি রাজাকারের সাথে আলবদরের পার্থ্যক্য কি। হতদরিদ্র কৃষক সন্তান রাজাকার হয়েছে, আর মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আগত ছাত্রসঙ্ঘের সদস্যরা নাজি/গেস্টাপো ধাঁচের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত, ভয়ঙ্কর খুনী, মতাদর্শগতভাবে সুদৃঢ়। দয়া করে আপনার বয়োজ্যষ্ঠদের সাথে কথা বলে জেনে নিন।
      মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজনীয় তথ্য আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শেখাতে না পারার ব্যার্থতা আমাদেরই।

      Reply
      • বাঙাল

        @সৈয়দ আলী, আপনি কোথাকার কোন হয়ে যাওয়া “হতদরিদ্র কৃষক সন্তান রাজাকার” এর সন্তান সেটা আপনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে আমি একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, পরিবারে বাবা-চাচা-মামা মিলিয়ে আরও ১০-১২ জন মুক্তিযোদ্ধা আছে। রাজাকাররা আমাদের বাড়িতে আগুন দিয়েছিল, লুট করেছে। তাই বাংলাদেশে একাত্তরে কারা রাজাকার ছিল, তাদের সম্মন্ধে আপনার চেয়ে ভালোই জ্ঞান রাখি। বাংলাদেশের সেই সময় কোন হতদরিদ্র কৃষকের ছেলে রাজাকার হয় নাই, রাজাকার হয়েছে তারাই যারা সেই সময় যারা মুসলিম লীগ বা জামাত করত। ১৯৭০ এর নির্বাচনে ২৭% ভোটার নৌকার বিরুদ্ধে মুসলিম লীগ জামাতকে ভোট দিয়েছিল, এরাই যুদ্ধের সময় রাজাকার হয়েছিল। আর জামাতের ছাত্র সংঘের কর্মিরা হয়েছিল – কুখ্যাত খুনি বাহিনি আলবদর ও আলসামস সদস্য। রাজাকার আর খুনি বাহিনি আলবদর ও আলসামস সদস্য এর মধ্যে কোন পাথ্যর্ক্য ছিল না, সেদিন সাধারণ মানুষের কাছে। এরা সবাই সেই সময় পাকিস্থানিদের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের পা চাটা কুকুর ছিল। বাংলাদেশের নুতন প্রজম্ন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানে না এই কথা আপনাকে কে বলেছে? তারা জানে বলেই আপনার নেতা গোলাম আজম, নিজামি, কাদের মোল্লা, আলি আহসান, সাকার মত কুখ্যাত রাজাকারদের ফাঁসি দিতে সরকারকে বাধ্য করছে। আর নুতন প্রজম্নের সামনে মুক্তিযোদ্ধের সেই ইতিহাসকে যে ব্যক্তি তুলে এনেছিলেন তিনি হলেন ডঃ জাফর ইকবাল। তিনিই নুতন প্রজন্মকে রাজাকারদের চিনিয়েছিলেন, তাই ওনার প্রতি আপনাদের জ্বালানিটা অর্থাৎ ক্ষেদটি একটু বেশিই।

      • MahibuL Ahsan

        হায় আল্লা! আপনে মইত্তা রাজাকারের কতা হুনেন নাই? হেয় তো আলবদ সরদার আছিলো। হেরে কেন মাইনষে রাজাকার কয়? দেহেন কান্ড, এই অভাগা দেশের মানুষ রাজাকারও চিনে না, আলবদরও চিনে না!
        আর ভাইচ্তা আমি আপনের চাচা অই। জন্মের পর ষইট বছর পার করছি। কসম কাইটা কইলাম, আমাগর গেরামে কে রাজাকার আছিলো, কে আলবদর আছিলো, কেরা কেরা শান্তি কমিটি করছে, হেগরে বালা কইরাই চিনি।
        আর কি কইলা ভইচতা। ‘হত দরিদ্ররা রাজাকার ছিলো!’ আমগো গেরামের বহু চোর ছেচ্চর হতদরিদ্র – আগেও আছিলো, অহনও আছে। হের লাইগা কি চোর আর চোর থাহে না? এই দেশের সব হাতদ্ররিদ্ররা রাজাকার অয়নাই – ৯৯.৯৯% ভাগ গরীবের মইদ্যে ৫% ভাগ মুক্তিযুদ্ধেগেছে, ৫% ভাগ পাকী আর রাজাকারের অত্যাচারে মরছে, ৮৯.৯৯% রাজাকার আর পাকিদের ভযে় এই গেরাম হেই গেরামে, দেশের এই পারে হেই পারে পালাইয়া বেরাইছে। খাইয়া না খইয়া কিছু মরছে আর আমার মতো কিছু বাঁইচা আছে। আর ঐ যে ০০.০১% ভাগ বাহি থকলো, হেরা পেটের দাযে় না, আত্মার টানে, না হয় নিজের সামাজিক প্রভুর টানে – যাইনা বুইঝাই রাজাকার অইছে। বিশ^াস করেন আমার কতা, রাজাকার ছিলো কেউটা সাপের মতন। তবে হেই কতাও ঠিক মুসলিম লীগ করতো বইলা কিছু লোক শান্তি কমিটিতে নাম লেখাই ছিলো। হেগর সবাই যে পাকী খুনখারাবীর লগে জডি়ত আছিলো হেইডা না, তবে লুটপাট করছে বেক বেটাই। হের লিগাইতো নাম লেহাছিলো শান্তি কমিটিতে।
        একটা বুদ্দি দেই ভাইচতা, এগুলান নিয়া পেচাল আচা বাদ দেও। কহন কে আবার তোমারে রাজাকার বইলা ফালাইব, বুঝতেই পারবা না। তহন আমি রাজাকার না, আমি রাজাকার না বইলা চিল্লাইতে চিল্লাইতে গলার রগ ফুলায়া ফালাইলেও মানুষ তোমারে রাজাকার ক্ইতেই থাকবো, কইতেই থাকবো। তার চাইতে বালা রাজাকার গরে গাইল্লাইতে থাকো। তুমিতো ঐগুলানরে চিন। আমি বিশ^াস করি তুমি ঐ নরকের কিটগুলানরে পছন্দ করো না। দেখবা মনে কত শান্তি। মনে আত্মায় মুক্তিযোদ্দা অই যাইবা।
        আমারে আবার গালি দিওনা ভাইচতা, আমার আবার ঐগুলান গাযে় লাগে বহুত। ঐ জাফর ইকবালারে যত পার গাইল্লাও। হের আবার ্গালি টালি গাযে় লাগে না! আর দেহ, কেমন কানে তুলা দিয়া রাখছে – যাতে তোমার গালি কানে না যায়।

        আরে ভাইচতা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের কতা কইলা? হ হেইডাও জানে অইবো ভালা কইরা। এইটার জন্য, ইন্টারনেটে খালি মুক্তিযুদ্ধ লেইখা সার্চ দেও – পাইয়া যাইবা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। খাঁটিডাও পাইবা বেজালডাও পাইবা। জুহুরির চোখ দিয়া আসলডা চিইন্না নিতে অইবো। কানে কানে একটা কতা কই – বুকে আত দিয়া দেহ আত্মায় মুক্তিযুদ্দ, মুক্তিযোদ্দা আছে কিনা। কি কইলা মুক্তিযোদ্দাগর কতা বাদ দিতে কইতাছ? আরে হেইডা অয় নিকি! মুক্তিযোদ্দা বাদ দিলে মুক্তিযুদ্দ আর থাহে নিহি। আত্মায় যদি মুক্তিযোদ্দার পাযে়র শব্দ ধুকপুক করে তাইলে তুমি আসল ইতিহাস চিনতে পারবা। মুক্তিযুদ্দ – মুক্তিযোদ্দা শব্দ গুলান অইলো পরশপাথরের মতন। ঐটা দিয়াই তুমি আসল দেশ – আসল মাÕরে চিনতে পারবা। এর জন্যতো মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাসটা জানতে অইবোই। পড়তে অইবো ভাইচতা, অনেক পড়তে অইবো। হের পর পোলাপান গরেওতো পড়াইতে অইবো।
        ধন্যবাদ। ভালা থইকো ভাইচতা।

      • Bongo-Raj

        রাজাকারের সাথে আলবদরের পার্থ্যক্য কি?
        জবাব দিচ্ছি
        পার্থক্য নেই। দুদলই স্বাধীনতা চায় মানুষদের জুলুম অত্যাচার করে খুন করেছে।

        সৈয়দ আলী সাহেবের যুক্তি দেখে মনে হচ্ছে
        চোখের ভ্রু তে সাপের কামড় খেয়ে মরে যাওয়া আর পায়ের গোড়ালিতে সাপের কামড় খেয়ে মরার মাঝের পার্থক্য খুঁজছেন!!

      • সৈয়দ আলী

        বাঙাল, মুখের কথা টান দিয়ে নিয়ে কদর্থ করার খাসলৎ আপনাদেরই। আমি পরিষ্কার আমার অবস্থান বর্ণনা বরেছি, তা এড়িয়ে আপনি আমাকে রাজাকার বানালেন। আপনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তনা তা গৌরবের কিন্তু যারা যুদ্ধে গেছে তারা আরো সন্মানের। আপনার উর্ধতন পুরুষ যুদ্ধ করেছেন, জাফর ইকবাল ছারছিনার মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলেন কেন? পিতৃহত্যার জন্য শাহ জামান বীর প্রতীকের মত যুদ্ধে কেন যাননি? জাফর ইকবাল মূল কারণটি এড়িয়ে নিবন্ধ লিখে দেশপ্রেম দেখাচ্ছেন, রাজাকারদের গালি দিয়ে আলবদরদের আড়াল করেছেন।
        আপনি ভুলে গেছেন, জনমতের চাপে স্বাধীনতা-বিরোধীদের ফাঁসি দেয়ার আগে ১৯৯৬ সালে ঝালমুড়ি খেয়ে অই স্বাধীনতা-বিরোধীদের পিয়ার করেছেন। কেন? ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। গু আজম কে চাচা ডেকে ফোন করেছেন, আপনারাই। প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থীকে দোয়া বখসানোর জন্য গু আজমের কাছে পাঠিয়েছেন, আপনারা। আপনাদের দেশপ্রেম সুবিধামত উথলায়।

      • সৈয়দ আলী

        Bongo-Raj, আহা পন্ডিত, এর বেশী আর আপনার জ্ঞানের দৌঁড় কোন মসজিদে শেষ হবে। অশিক্ষিত ও দরিদ্র (এ কথাতে আবার এক হালুয়া রুটিখোরের লেগেছে) রাজাকার আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাজি/গেস্টাপো জাতীয় ট্রেনিং পাওয়া আলবদরকে এক করে ফেলা? বললেই হতো নাজি বা গেস্টাপো কি আপনি জানেন না! অজ্ঞানতা প্রকাশ করলে জানবেন, না জানলে সারাজীবন মূর্খ থাকবেন, যেমন আছেন।

    • Mute Spectator

      আপনার শ্লোগানটার সাথে আমি একমত, আশাকরি রাজাকার ছাড়া সবাই একমত
      হবেন। কথা হল রাজাকারদের লিস্টি আছে কি ? অথবা আজকে কাদেরকে রাজাকার
      বলা হবে এই বিষয়ে সরকারী কোন নির্দেশনা আছে কি। না থাকলে পরে মন্ত্রী মতিয়া
      চৌধুরীর মতটাই কি নিতে হবে? যে যাকে পারে রাজাকার বলে পানি ঘোলা করতে
      থাকবে?
      রাজাকার আজীবনের জন্য একটা ঘৃণিত শব্দ, মীরজাফরের চেয়েও খারাপ। যাকে তাঁকে
      প্রমাণ ছাড়া বললে তাঁর আত্মসম্মানে লাগে। জোশের চোটে শব্দটির অপপ্রয়োগ
      বিরাট ক্ষতির কারণ হতে পারে। যেমন DU এর ছাত্ররা মন্ত্রীর কথায় অপমানিত হয়েছে।

      Reply
      • Bongo-Raj

        Those who bears the same concepts of rajakar, those who confess that AMI RAJAKAR, those who bears the DNA of Rajakar ,
        Moreover, who are advocating in favour of Rajakar
        These all deserves JUTA PETA

  20. Jafar Ahmed

    যে সমস্ত শক্ত সামর্থবান যুবক ৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন না করে মসজিদে মন্দিরে বা বনে বাদারে পালিয়ে ছিলো তাদের কে কি ” রাজাকার” বলা যাবে ?

    Reply
    • Bongo-Raj

      মুক্তিযোদ্ধারা দেশে ফিরে গেরিলা যুদ্ধ করার পর যাদের আশ্রয়ে থেকে বেঁচে দেশ স্বাধীন করেছিল তারাও মুক্তি যোদ্ধা- যেমন জাহানারা ইমাম
      দেশে থেকে যারা নিজের জাত ভাইকে মেরে, নিজের জাত বোনকে পাকিদের হাতে তুলে দিয়েছে তারা রাজাকার এমন সহজ ব্যাপার খানাও বুঝতে অসুবিধা হওয়াটা বড় বেদনার

      Reply
  21. si

    স্যার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। দেরিতে হলেও আপনি জাতির কাছে নিজের আসল পরিচয় তুলে ধরেছেন। আপনি যে এক শ্রেণীর মানুষের অন্ধ দালাল তা আজ পরিষ্কার।
    আর একটা পরামর্শ একটু কষ্ট করে নিজের লেখার উপর মানুষের করা মন্তব্যগুলো পড়বেন তা হলে আপনার নিজের উপরই বমি করতে ইচ্ছা হবে।
    বিঃ দ্রঃ আপনার প্রশংসা এখন আর সুশিক্ষিত মানুষ করে না ।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      জাফর ইকবালের ই-মেইল ঠিকানা (আইডি নয়!) দিযে় কি করবেন ভাই? গালি দিবেন নাকি? লাভ নাই, উনি ই-মেইল ঠিকানা পালটে ফেলবেন। তার চেযে় বাডি়র ঠিকানা নিন। সাথে একটা মাইক নিযে় যেতে ভুলবেন না যেন! প্রান খুলে গালি দিযে় আসবেন। তবে সাবধান, গেট টপকে ভিতরে ঢুকতে যাবেন না যেন! ধরা খেযে় যাবেন।
      হিপোক্রেসি কাকে বলে! ইন্টারনেটে – না, ইন্টারনেটে নয় – তথাকথিত সোসাল মিডিয়ায় এতো হিপোক্রেসি চলে, আগে জানা ছিল না। এ লাইনে নতুন কিনা! ধারণা করি মেধাবীরাই সোসাল মিডিয়ার চর্চ্চা বেশী করেন। সোসালমিডিয়ায় গুটি চালাচালি করে তারা এতোবড় একটা মুভমেন্ট করে ফেল্লেন। মেধা আর হিপোক্রেসির সাথে কোন যোগসূত্র আছে নাকি? মেধাবৃদ্ধির সাথে সাথে হিপোক্রেসি বাড়তে থাকে – ব্যাপারটা এ রকম নয়তো! সাবধান, মেধাবীরা মাঝে মধ্যে মনোবিজ্ঞানীর স্মরণ নিতে ভুল করবে না যেনো।
      তথাকথিত সোসাল মিডিয়ার একটা নতুন নাম দিলে কেমন হয় – ‘গালির সমুদ্র’। মন্দ নয়, কি বলেন! ভাগ্যিস উনসত্তোরের গন আন্দোলনের সময়, নিদেন পক্ষে স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় হাতে হাতে স্মার্ট ডিজিটাল গালির বাক্স ছিলোনা, আর রেসের ঘোড়ার গতি সম্পন্ন সোসাল মিডিয়াও ছিলো না। তাহলে তোফাযে়ল আহমেদ, রাশেদখান মেনন, মির্জ ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মাহমুদুর রহমান মান্নারা সে সমযে়র দালাল শিক্ষকদের গালি দিতে দিতে তুখোর ছাত্রনেতা নয়, তুখুর গালিবাজ হযে় যেতেন। আর মতিয়া চৌধুরীর কথা আলাদা। অন্তরে আগুন একটু বেশী কিনা। সেই উনসত্তোরের অগ্নিকন্যা বলে কথা। গালিবাজ না হউক, গলাবাজ হওয়ার জন্য তার সোসাল মিডিয়া লাগে না।

      Reply
      • প্রবীর কুমার দাশ

        হায়রে আগুন !!! বিনা ভোটে নির্বাচিত সেই আগুন একবার বলেছিলো ” অমুকের চামরা দিয়ে ডুগডুগি বানাবো ” !!! হায়রে আগুন !!!

  22. কাজী ফয়জুস সালেহীন

    জনাব বংগ রাজ
    আপনার কষ্ট দেখে খারাপ লাগছে । এই পেইজে আপনাকে একা একা অনেক বেশী দৌড়াদৌড়ি আর ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। সারা বাংলাদেশের এখন একই চিত্র। অন্যায় আর দলাদলি আর না। মানুষের পক্ষে লিখতে হবে। মানুষের কথা লিখতে হবে। সুবিধাভোগী পাতী নেতার মতো লিখলে এই অবস্থা হবে। জয় বাংলা।

    Reply
      • Bongo-Raj

        ভূতের মুখে রাম নাম

        কে যেন বলেছিল, সুস্বাদ খাবার পঁচে গেলে তার থেকে নাকি দুর্গন্ধ বেশি হয়।
        কিছু কিছু মুক্তিযোদ্ধা আছে যাদের ইতিমধ্যে পচন ধরেছে — দুর্গন্ধ কেমন তা লেখা থেকেই টের পাচ্ছি।
        NSF এর বহু বদমাইশ মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল, ওরা যে বিষফোঁড়া হয়ে আমাদের এখন জ্বালাচ্ছে তা ভালোই টের পাচ্ছি!!

    • MahibuL Ahsan

      জয়বাংলা বলে কি প্রমান করতে চাইছেন আপনি রাজাকার নন! রাজাকারের বিরুদ্ধে বলাটাও যে মানুষের পক্ষে বলা সেটা আসা করি বুঝেন। (অবশ্য যদি অন্তরে জয়বাংলা থাকে!)

      Reply
      • কাজী ফয়জুস সালেহীন

        মুহিবুল সাহেব
        রাজাকার শব্দ শেষ করার পর এখন জয় বাংলার পিছনে লাগছেন !!! 😂😂😂

    • MahibuL Ahsan

      শুধু নিজের মন বুঝলেতো হবে না, অন্যের – অন্যদের (এমনকি চামচা, দালাল, ভাঁড়দের) মনও বুঝতে হবে। না কি বলেন?
      এই অন্যরাওতো মানুষ (ঐ চামচা, দালাল, ভাঁড়’রাও)। যদি গণ্য না করেন তাহলে অবশ্য বুঝার দরকার নেই!

      Reply
  23. তানভির

    বিগত দশকগুলোতে বিএনপি-জামাত-জাতীয় পার্টির শাসনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার যে ইসলামিকরণ হয়েছিল তার ফল এই তরুণ রাজাকার প্রজন্ম। এই মন্তব্যগুলোতে চোখ বুলালে বোঝা যায় কি বিশাল সংখ্যক নীতিহীন তরুণ তৈরি করেছি আমরা। একটা শুদ্ধ প্রজন্ম তৈরি করতে হলে আরও বহু বছর স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে সরকারে থাকতে হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুযোগ পেলেই এই নীতিহীন প্রজন্ম বিএনপি তথা জামাতকে নির্বাচিত করে আনবে।

    Reply
    • Didarul Alam

      আপনাদের মতো so called মুক্তমনা(!) লোকের জন্য তরুণরা বুকে রাজাকার লেখে। রাজাকার শব্দটা আপনার সস্তা করে ফেলেছেন। এখন মানুষ রাজাকার শব্দ শুনলে হাসে। কথায় কথায় রাজাকার বা পাকি দেশটাকে শুধু বিভক্তি আর বিদ্বেষী করলো। নোংরামীর চুড়ান্ত। বিভক্ত দেশ কখনো এগোতে পারে না। প্রশ্নপত্র পেয়ে পাশ করা জাতির কাছে আর কি বা আশা করা যায়!

      Reply
      • MahibuL Ahsan

        কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা কি রাজাকারের উত্তরসূরী?

        যদি না হন তা হলে –
        ‘আমি রাজাকার নই’ লেখা টি সার্ট পরে কালই মাঠে নামুন না হাজারে হাজার। কসম খেয়ে বললাম, ওরা রাজাকার নয় এই কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের নামে সাড়ে সাত কোটি পোস্ট দেবো তথাকথিত সোসাল মিডিয়ায়। কে বলবে মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় রাজাকার আছে!

        রাজাকারের উত্তসূরী হলে ওরা তা করবে না।

        একজনকে কেউ রাজাকার বললে, তিনি ভদ্রলোক হলে বলবেন – না আমি রাজাকার নই।
        আর রাজাকারে উত্তরসূরীরা জোয়ার দেখে গর্ব করে বলবে আমি রাজাকার।
        আর বোকা, গোয়ার টাইপের কেউ, যে রাজাকার-মুক্তিযোদ্ধার বিভেদ বুঝে না, যার পিতৃপুরুষের কাছে এখনও পাকিস্তানই পেয়ারা, সেও হুজুগে বলবে আমি রাজাকার।

    • Bongo-Raj

      ১৯৭১ সনের রাজাকারও আছে।
      আবার রাজাকারদের ট্রেপে পড়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ডিএনএ ও পঁচতে বসেছে।
      দুঃখ এখানেই–

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      তানভির সাহেব।

      আরে ভয় পান কেন ভাই! চোয়াল শক্ত করুন। চাপাবাজদের চাপা দিয়েই সাইজ করতে হয়। চাপায় বাপ চাচাদের চড় খেয়েই তো আমরা মানুষ হয়েছি। এই চাপাবাজদের চাপায় মারুন ঠেশে, দেখুন কেমন দু’দিনেই মানুষ হয়ে যাবে।

      আর রাজাকার, আলবদর ও তাদের ঝাড়-বংশ, দোসরদের ঠেকানোর জন্য গণতন্ত্রের গলা চেপে ধরার দরকার নেই।

      তথাকথিত কোটা বিরোধীদের জোয়ার দেখে ভয় পেয়েছেন। ভাবছেন এর পুরোটাই আওয়ামী লীগবিরোধী মুভমেন্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্রোগান; আর শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ ব্যানার, ফেষ্টুন সম্বলিত আন্দোলন আওয়ামী লীগবিরোধী হয়? এটা বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে বলে আপনি মনে করেন? না মানুষ বোঝে। এর একটা ঠিক, আরেকটা মিথ্যা। হয় কোটাবিরোধী আন্দোলনটি আওয়ামী লীগবিরোধীদের আন্দোলন- এটা মিথ্যা। নয়তো আন্দোলনকারীদের মুখে জয় বাংলা ধ্বনি মিথ্যা। আন্দোলনকারীরা যে আওয়ামী লীগ বিরোধী এটা মানুষ বোঝে। আর এদের মুখের জয় বাংলা ধ্বনিও যে এক ধরণের ভান- (একটু সময় লাগলেও এখন) এটাও মানুষ বুঝে। আর মিথ্যবাদীদের এ দেশের মানুষ শেষ বিচারে সমর্থন করে না। যেমন, ‘৯৬ সালে ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মসজিদে উলুধ্বনি হবে’- এ কথাকে মিথ্যা জ্ঞান করেই এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিলো।

      অপপ্রচার চালিয়ে যে আন্দেলনে জোয়ার তুলতে হয়, সেই আন্দোলনের যত ক্ষমতাই থাকুক ভাসিয়ে নেয়ার ক্ষমতা নেই। জয় বাংলা’র মুখোশ পরা রাজাকারদের আসল চেহারা উন্মোচিত হবে সহসাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী রাজাকাররা এ দেশে চিরকাল মাইনরিটি। শুধু স্বাধীন বাংলাদেশেই নয় ‘৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর (২৪ বছরের পাকিস্তানি দখলদারিত্বের সময়) থেকেই ওরা মাইনরিটি। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর আমল, জিয়া- এরশাদ- খালেদা জিয়ার আমল, আর এখন শেখ হাসিনার আমল- সব সময়ই ঐ ঘৃণ্য কীট ও তাদের সহযোগী, লালনপালনকারীরা এদেশে মাইনরিটি ছিলো, আছে, থাকবে- যতকাল মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ থাকবে।

      অপপ্রচার, অপপ্রচার সৃষ্ট জোয়ার দিয়ে কোন কোন নির্বাচনে হয়তো বিপর্যয় ঘটিয়েছে এই ঘৃণ্য নর্দমার কীটেরা। কিন্তু চুড়ান্ত বিচারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিরই বিজয় হয়েছে এবং হবে। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা হচ্ছে- দেশপ্রেম, শোষণ-নিপীড়ন মুক্তি, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্র। তাই নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ বা দল বলে গলাবাজি করলেই হবে না। কাজেকর্মে প্রমাণ দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ বুঝে কারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, অসাম্প্রদায়িক, গরীবপ্রেমী ও গণতন্ত্রপ্রেমী। হুজুগ আর কৌশলের গণতন্ত্রে সাময়িক বিপর্যয় ঘটতে পারে- সত্যিকারের পরাজয় ঘটতে পারে না।

      আর পদস্খলনের কথা ভাবছেন, ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধার পদস্খলন ঘটতে পারে সমষ্টিগত ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের পদস্খলন হতে পারে না। তাদের বংশধরদের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটতে পারে।

      শুনেছিলাম, একজন যুদ্ধক্ষেত্রের মুক্তিযোদ্ধা ফেনী জেলা জামাতে ইসলামীর সেক্রেটারী হয়েছিলেন (এখনও আছেন কিনা জানা নেই)। এর পর তিনি কি আর মুক্তিযোদ্ধা আছেন? তাকে কি বলা হবে। মুক্তিযুদ্ধকালে কোন মুক্তিযোদ্ধা যদি ‘পাকি’দের পক্ষে কাজ করতো, তাহলে আমরা তাকে বিশ্বাসঘাতক রাজাকারই বলতাম, অন্য কিছু নয়। আজও তাই, ভবিষ্যতেও তাই বলবো; এমন কি মুক্তিযোদ্ধাদের পদস্খলিত উত্তরাধিকারীদেরও তাই বলবো।

      একই ভাবে আওয়ামী লীগ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ অন্য কোন রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও ব্যক্তি নেতার পদস্খলন হতে পারে, দলের হতে পারে না।

      মুক্তিযুদ্ধই এদেশের বীরনির্ধারণী মূল উপাদান, অন্য কিছু নয়। মুক্তিযুদ্ধের বীরেরাই এদেশের জনগণের নেতৃত্ব দেবে। মাঝে মধ্যে বিশ্বাসঘাতক- রাজাকারা হানা দিতে পারে, লুন্ঠন করতে পারে। আবার মুক্তিযুদ্ধের বীরেরাই এদেশ, দেশের মানুষকে উদ্ধার করবে। ভোটের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু আইয়ুব-ইয়াহিদের ভয় পাননি, আর বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরীরা আইয়ুব-ইয়াহিয়ার প্রেতাত্মাকে ভয় পাবে- এটা কি করে হয়!

      Reply
  24. শুভ্র

    নাপিত তখন একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে আমাকে বলল, “হারামজাদা রাজাকারের ভাবটা দেখেছেন ? শালার ব্যাটার কথা শুনলে মনে হয় দেশটা তার বাপের সম্পত্তি!” ( বুদ্ধিজীবী ইকবাল ১৯৭১)

    সাধারন জনগন লম্বা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে ” নাতিপুতিদের ভাব দেখে মনে হয় দেশটা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি, পাকিস্তান আমলে শোষণ করতো পাকিস্তানেরই ক্ষুদ্র একটি “এলিট শ্রেনি”, বাংলাদেশ আমলে হয় কায়েমি স্বার্থবাদী বাংলাদেশেরই ক্ষুদ্র আরেকটি “এলিট শ্রেণি”। (জনৈক ব্যক্তি ২০১৮)

    একথা শুনে মনে মনে ভাবনা হয়: দুটা কি একই? শুধু শোষণের তরিকা ভিন্ন?

    Reply
  25. Fahim Ahmed

    মাননীয় জাফর‌ ইকবাল, আপনাকে এ‌দেশের শিক্ষিত তরুণ‌ সমাজ দুই সপ্তাহ আগেও আদর্শ হিসেবে দেখত। আপনি ছিলেন আমাদের জন্য বীর, আপনার কলম ছিল অন্যায়ের ‌বিরুদ্ধে তরবারি। কিন্তু আজ আপনি আপনার লেখার মাধ্যমে প্রমাণ করলেন, আপনি বীর নন, আপনার কলম তরবারি নয়। আপনি হলেন ভাঁড়, আপনার কলম হলো মুলো। তিন মাস আগে আপনার জীবন যখন সংকটাপন্ন ছিল তখন আপনি মারা গেলেই ভালো হতো। চিরকাল আপনি এদেশের মানুষের জন্য বীরই থাকতেন। আপনি যাদেরকে রাজাকার হওয়ার গর্ব করছে বলে অপবাদ দিলেন তারা কোন সাংসদের প্ররোচনায় এই মেটাফর ব্যবহার করেছে তা জেনেও আপনি না জানার ভান করলেন। ভাঁড়েরা নিজেদের সমালোচনা পছন্দ করে না, আর আজ আপনিও তাদের মতই আপনার লেখার প্রতিক্রিয়া না পড়াকে নিজের স্বাধীনতা বলে চালিয়ে দিলেন। মস্তিষ্কে আঘাত পেলে মানুষের স্মৃতিশক্তি লোপ পায় জানতাম। কিন্তু এর ফলে কারো বোধশক্তি, যুক্তিশীলতা লোপ পেয়ে সে ভাঁড়ে পরিণত হয় তা জানতাম না। আপনি বলেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলন যারা করেছে তাদের গায়ে বমি করবেন। আমরা এত বড় অপমানের কোন প্রতিশোধ নেব না। তবে আজকে থেকে এ দেশের সচেতন,‌ শিক্ষিত ও মুক্তচিন্তাকামী তরুণ সমাজ আপনাকে “আসসালামুআলাইকুম” জানাল। মুলো আর ভাঁড়ামি নিয়ে অপশক্তির দাসত্ব লাভে আপনাকে অভিনন্দন।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      Fahim Ahmed সবার মনের কথা সৌকর্যের সাথে বলে দিলেন, অভিনন্দন। আওয়ামী প্রচার কুশলতা দিয়ে অনেক ছাগলকে বাঘ বানায়, অনেক ত্যাগী মানুষকে পরিত্যাগ করায়। ।

      Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আমি বিব্রত। ব্যক্তি জাফর ইকবালের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, – আমি ভাষা খুঁজে পাই না, এটাকে কি বলবো? বুদ্ধি-বিভ্র্রম? বুদ্ধি-ভ্রষ্টতা? বুদ্ধি-প্রতিবন্ধিতা? বুদ্ধিনাশ? বুদ্ধি-আপস? বুদ্ধি-সন্ধি? রাজনীতির কাছে বুদ্ধিবৃত্তির পরাজয়? নাকি আলোর কাছে পতঙ্গের আত্ম-বলিদান? শুভবুদ্ধির জয় হোক!

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      # শিক্ষা, মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞান-কে ‘আসসালামুআলাইকুম’ জানালে অন্ধকার পুতিগন্ধময় আবর্জনার কিট হযে়ই জীবন কাটাতে হয়।
      # শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ব্যানার ফেষ্টুন নিযে়, জয়বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দিযে় আন্দোলন করে, শেখ হাসিনাকে মাদার আব্ এডুকেশন উপাধি দিযে় (চুরান্ত চামচামী করে!), কাউকে আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার দালাল বা ভাঁড় বলাকে ভাঁড়ামী নয়, হিপোক্রেসি বলে।
      # একদিকে – মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিযে়; আওয়ামী লীগের সমর্থকজ্ঞান করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের (আন্দোলনের নয়!) সমালোচকদের দালাল, ভাঁড়, আরো জঘন্য ভাষায় গালি দিযে়; সোসাল মিডিয়ায় হাজার পোস্ট – প্রপাগান্ডা চালানো,
      অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ব্যানার ফেষ্টুন নিযে়, জয়বাংলা – জয়বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দিযে় মিছিল, মিটিং এবং শেখ হাসিনাকে মাদার আব্ এডুকেশন উপাধি দেয়ার সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি – এক কথায়, ‘মুখে শেখ ফরিদ/ বগলে ইট’ মার্কা এই আন্দোলনটি – বাংলাদেশের ছাত্রআন্দোলনের ইতিহাসে – একটা ব্যাপক ছাত্রউশৃঙ্খলতা হিসাবে বিবেচিত হবে। (সরকারকে, সরকারপ্রধাণকে তেলমেরে সরকার বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাপের জনমে প্রথম দেখলাম। চাকরীর খাতিরে পেশাজীবিদের কখনো সখনো এরকম করতে দেখেছি।)
      বাস্তবে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য কোটা সংকার নয়। তা হলে কই এখনতো আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কারের কথা বলছেন না। তারা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার (কোটা বাতিলের) গেজেট চাইছেন। তথাকথিত সচেতন, শিক্ষিত ও মুক্তচিন্তাকামী (এরকম শব্দ হয় নাকি!) তরুণ সমাজ, (মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবারের কথা বাদ দিযে়) বলবেন কি – কোটা বাতিল হলে সত্যিকার অর্থে দেশের কল্যাণ হবেতো? সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিৎ হবেতো?

      Reply
  26. Md. Abdullah Al Mamun

    Very disheartening article from you!!!! why sir????? Govt. already many times offered you to take the charge of VC!!!! So why sir????

    You only saw the written “Ami Rajakar” but unfortunately none of us could not feel the anger and agony of this boy!! Why sir??

    No doubt after many years (may be 50/100) many people will stand stood with “Ami Rajakar” if such discrimination will continue. I guarantee sir, Challenge.

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      আ-হা-হা-হা! মেধার বিকাশ যে রাজাকারের বংশবৃদ্ধি ঘটাতে পারে সেটা জানা ছিলো না!

      Reply
  27. md.rojjob ali

    আপনাকে ভালো জানিতাম এখন ঘৃণা হয় খুব ঘৃণা হয় কারণ সেইদিন মতিয়া চৌধুরী সংসদে কোটা আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা বলেছিলো বিধায় তারা এইটা করেছে আপনি একজন স্যার হয়েও এইটা বুঝলেন না আর আপনি কিনা শিক্ষকতা করেন। হ্যা আপনার মেধা অনেক অনেক আছে কিন্তু আপনি কখনোই একজন পরিপূর্ণ মানুষ নন।আপনি জানেন ও না বোধহয় এই বাঙ্গালীর ছাত্র আন্দোলনের কথা আপনি জানেন না এই ছাত্রসমাজ সবসময়ই সঠিক এবং ন্যায়ের কারণেই আন্দোলন করে। একটা ভালো আন্দোলনের জন্য যদি রাজাকারের খেতাপ পাওয়া যায় তবে সেইটা ভালোই কারণ তারা কখনোই মুক্তিযোদ্ধাকে খাটো করে কথা বলেনি তারা কখনোই অসম্মান করেনি এবং একটা সুশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষও কখনই একটা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করতে পারে না।তারা কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেছে এই জিনিসটাও আপনাদের মতো সুশিলরা বুঝে না।কোটা সংস্কার করা মানে মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান করা নয় এই জিনিসটাও আপনাদের মাথায় ধরছে না।

    তাই আবারো বলি একজন শিক্ষিক যেই পরিমাণ শ্রদ্ধা পায় আপনি তার তিল পরিমাণ পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।

    তাই আবারো বলি আপনাকে খুব খুব ঘৃণা করি এখন যা আগে করতাম না।

    Reply
  28. younusur rahman

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতেও কোটা বাতিল করে দেন।
    সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা এক দিনেই নিতে হবে।

    Reply
  29. শুভ্র

    স্যার খুব সচেতনভাবে “আমি রাজাকার” লেখা সার্কাজম টাইপের অভিনব প্রতিবাদটির প্রেক্ষাপট খুব দক্ষতার সেঙ্গেই এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে মনে হয়। দেশের এক শ্রেনীর ব্যবসায়িরা “মুক্তিযুদ্ধ” ও “মুক্তিযোদ্ধা” নিয়ে ব্যবসায় মেতেছে। এ যেন ধর্ম নিয়ে ব্যবসাকারীদের মতোই। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের সবুজ ভূমি ৩০ লক্ষ শহীদের লাল রক্ত ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৬ কোটি মানুষের কাছে গচ্ছিত থাকলেও গুটিকয়েক অসাধু রাজনীতিবিদ সাধারণ জনসাধারণের কাছে রক্ষিত রক্তাক্ত এ অর্জন তাদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য লুন্ঠন করতে চাচ্ছে। এক শ্রেণি ধর্মকে তাদের ব্যবসায়িক পুজি বানাচ্ছে আরেক শ্রেনী মুক্তিযুদ্ধকে তাদের রাজনৈতিক পুজি বানাচ্ছে। এই দুই শ্রেণিই ডাকাত। জনসাধারণের কাছে গচ্ছিত আমানত কিংবা তাদের সাধারণ সম্পত্তি ব্যক্তিগত করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ভোগ করার উপায় তৈরী করাই তাদের কাজ। এসব ধান্দাবাজি ব্যবসা এদেশের মানুষ কখনোই মেনে নেবে না।

    যারা এদেশের মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে, উষ্কানি দেয়, কলহ বাধায় তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিত তা সে যত বড় রাষ্ট্রীয় পদেই থাকুক না কেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করতে যারা উষ্কানি দেয় তাদের জনগণের কাঠগড়ায় অবশ্যই আসতে হবে। একজন দায়িত্বপূর্ন ব্যক্তি কি করে দেশের মানুষকে “দুটি মাত্র সুনির্দিষ্ট শ্রেণি” মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার – এ রকম শ্রেণিতে বিভক্ত করে। ঐ রাষ্ট্রীয় পদাধিকারকারী ব্যক্তি পবিত্র স্থানে দাড়িয়ে কিভাবে একথা বলে? তবে কি সরকারী চাকরিতে এ পর্যন্ত যারা মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় নিয়োগ না নিয়ে সাধারণ কোটায় মেধা দিয়ে প্রজাতন্ত্রের সেবা করে যাচ্ছে ও যারা যাবে তারা সবাই “রাজাকারের বাচ্চা”? যারা চাকরির আবেদন করার সময় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও পারিবারিক মূল্যবোধের কারনে কোটায় চাকরি বাগিয়ে না নেওয়ার ইচ্ছায় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সাথে একই কাতারে এসে চাকরিযুদ্ধে অংশ নেয় তারাও কি “রাজাকারের বাচ্চা”? কোন লেখক যদি ৭১ এর সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেন তবে তার ছেলেমেয়েদের “রাজাকারের বাচ্চা” বলে কটাক্ষ করার কোন অধিকার কি কারো আছে? মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ব্যবসা না করলেই কি নয়? ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে তো এটা কোন ক্ষেত্রেই কম ঘৃণিত নয়। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের পরম পাওয়া ও পবিত্র অর্জন আর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। এরা কারো ব্যবসায়িক পুজি নয়। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইন্চি তাদের ধারন করে, তারা সর্বজনীন, শ্বাশত।

    লেখকের সাম্প্রতিক লেখাগুলো এ পর্যন্ত যতবার পড়েছি ততবারই দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে এ কথাটিই মনে এসেছে যে – “It’s difficult to make a man understand a thing when his salary depends on his not understanding it”,

    Reply
  30. Maksudur Rahman

    দেশে বেসরকারী খাতে বিনিযোগ নাই, নতুন চাকুরীর সুযোগ খুবই সীমিত। নির্বাচনী বছরে সরকার বিশাল অপব্যয়ের বাজেট নিয়ে দলীয় লোকদের খুশি করতে চাচ্ছেন।

    সরকারী চাকুরেদের বেতন আকর্ষনীয় ও সরকারী চাকরী করতে পরিশ্রম কম হয় কারণ সরকার সত্যিকার অর্থে কোন কাজে জনগণের সাহায্য করার চাইতে নিজেরা আয়েশে থাকতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তাই বহু “মেধাবী”দের প্রথম পছন্দ সরকারী চাকরী।সরকারী চাকরীতে পারর্ফমেন্সের কোন মুল্যায়ন নাই, তোষামদের ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরী নিশ্চিন্তে করা যায়। সমাজে সরকারী চাকুরীদের সম্মান আছে। এমতাবস্থায় সরকারী চাকরী একটি লোভনীয় দূনীর্তির ক্ষেত্র।

    জাফর ইকবাল “বুদ্ধিজীবি” কিন্তু সামাজিক সমস্যার মূল কারণ চিন্তা করতে অক্ষম, তিনি মুলত: একজন বিজ্ঞানী। তাঁর উচিত বিজ্ঞান নিয়ে থাকা। অযথা অর্বাচিনের মত সামাজিক সব সমস্যা নিয়ে কলাম লিখে তিনি এখন পর্যন্ত মানুষের কতটুকু উপকার করেছেন?তাঁর উদ্ভাবিত (১) সৃজনশীল প্রশ্ন (২) গণিত অলিম্পিয়ড (৩) সমন্নিত ভর্তি পরীক্ষা – গুটি কয়েক মানুষের জন্য আশির্বাদ হয়ে বহু মানুষের জন্য লেজেগোবরে অবস্থা করে ছেড়েছে।

    দেশের সাধারণ মানুষ যারা চাকরী করে না, কোন একটা ধান্ধা বা ব্যবসা করে কোন রকমে কষ্টেসৃষ্টে দিন চালায় তারা এই “স্বাধীনতার চেতনা” যন্ত্রনায় নিজেরা নিজেদের রাজাকার বলা শুরু করেছে অনেক দু:খে। জাফর ইকবালের মত অন্ধ বিজ্ঞানীদের এইসব থেকে দূরে থাকা উচিত, কারণ তাঁর দেখার চোখ আর বোঝার ক্ষমতা নাই

    Reply
    • সাইদুর রহমান

      অনেকেরই হয়তো চোখে
      পড়েনি,মি.জাফর ইকবাল
      প্রথমে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে স্বতস্ফূর্ত সমর্থন
      জানিয়েছিলেন ৷ কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রী ও মতিয়া চৌধুরীর
      প্রতিক্রিয়া দেখে ঘাবড়ে যান ৷ “রাজাকারের বাচ্চা” পদবি থেকে আত্মরক্ষা এবং কয়েক সপ্তাহ আগে ছুরিকাহত
      হওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর বিপূল অনুগ্রহ প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতায় নিজের অবস্হান 360 ডিগ্রী ঘুরিয়ে দেন৷ তিনি অতি বুদ্ধিমান মানুষ ৷ অবশ্যই বোঝেন “আমি রাজাকার” লেখা গেন্জি গায়ের ছেলেটা আসলে মতিয়া
      চৌধুরীর বেপরোয়া স্পর্ধার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে “আমি না,তুই রাজাকার”৷
      একাত্তর সালে জাফর ইকবাল সাহেবদের পরিবার যখন দিশাহারা হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছিলেন,কোথাও কেউ আশ্রয় দিতে সাহস পাচ্ছিলনা,সেই দুঃসময়ে পিরোজপুরের এক
      প্রত্যন্ত গ্রাম গুয়ারেখায় একজন কারীসাহেব তার মাকে মা ডেকে পূরো পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছিলেন৷সেখানে তারা প্রায় দুই মাস ছিলেন৷পরে তার নানা এসে তাদেরকে নেত্রকোনায় নিয়ে যান ৷ বিদায় বেলায় সেই সাদাদাড়ি কারী সাহেব নদীর পারে দাঁড়িয়ে বাচ্চা ছেলের মত কেঁদেছিলেন (জাফর ইকবালের মায়ের স্মৃতিগ্রন্হে এর উল্লেখ আছে) ৷ কিন্তু জাফর ইকবালের একাত্তরের স্মৃতিচারনামূলক লেখায় কখনোই ওই পরিবারটির প্রতি
      কোন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়নি ৷
      জাফর ইকবালের বাবাকে পাক হানাদাররা গুলি করে হত্যা করেছিল৷ আর সেই উদ্ধারকর্তা নানাকে মুক্তিযোদ্ধারা জবাই করেছিল “শান্তি কমিটির” কর্তা হওয়ার কারনে ৷ শুধু এই কারনে তাকে যদি কেউ রাজাকারের নাতি বলে আর তার মাকে বলে রাজাকারের মেয়ে তাতে কি উনি দুঃখিত হবেন?
      যে বমি ঐ রাজাকার বিজ্ঞাপিত ছেলেটার উপর করার ঘোষণা তিনি দিয়েছেন তার দূর্গন্ধময় ছিটে কি তার নিজের গায়েও লাগবেনা?

      Reply
  31. লিমন মাহমুদ

    হায়রে কোটা!!!!! কোটায় সমস্যা কই??
    ঃবাদ হইলে সরকারি চাকুরি পাবেন!!!
    ঃগ্যারান্টি কি??
    ঃচান্স তো বাড়ল!!
    ঃভালো!! এরপর!!!
    ঃচাকুরির বয়স ৩৫ চাই!!
    ঃকেন?!?!
    ঃনারে ভাই অনেক কম্পেটিশন। ৪-৫ বার দিতেই বয়স শেষ!!
    ঃতাইলে প্রাইভেট সেক্টর এ আসেন। অনেক জব আছে। বেতন একটু কম কিন্তু আস্তে আস্তে সরকারি ছারাইয়া যাবে।
    ঃ ভাই সম্মান নাই!!
    ঃ ভাই আপনি কি জানেন যখন আপনি সরকারি জব করবেন তখন আপনি আইনত সব প্রাইভেট চাকুরিজীবি বা ব্যবসায়ীর চাকর!! তাদের সেবা দেয়ার জন্য আপনি বসছেন???
    ঃ তারপরেও ভাই!!
    ঃ ক্ষুদ্র ব্যবসা করেন। একদিন অনেক বড় হবে ব্যবসা। সরকার তো বিনা শর্তে লোন দেয়।
    ঃ নারে ভাই এত বড় জায়গা থেকে মাস্টার্স শেষ করে ব্যবসা!!!!

    শালার ইগোই এই দেশটারে ডুবাইল!!!!

    আমি কোটা সংস্কারের পক্ষে। তাই আজাইরা উলটা পালটা কিছু বইলেন না…

    Reply
  32. শরীফ

    “আমার লেখালেখির প্রতিক্রিয়া আমি কখনো পড়ি না, আমার ধারণা তাহলে এক সময়ে নিজের অজান্তেই পাঠকদের প্রশংসাসূচক বাক্যের জন্যে লিখতে শুরু করব। ” হা হা হা হা…… উনার লেখার প্রশংসা ছাড়া আর কিছু নেই, তা উনি কিভাবে বুঝলেন? এমন নির্লজ্জ আওয়ামী পা-চাটামি কবে শুরু করলেন জাফর সাহেব। আর কিছু পা-চাটামি মন্তব্যও পাঠ করলাম। দুঃখ! জনাব সৈয়দ আলী সঠিক লিখেছেন।

    Reply
  33. ঈশান আরসালান

    মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে মুহম্মদ জাফর ইকবালের বাবা ফয়জুর রহমান আহমদকে পাক হানাদার বাহিনী হত্যা করেছিল। তখন মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তাঁর বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ দু’জনই প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেননি কিংবা মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ন্যূনতম ভূমিকাও রাখেননি। বরং প্রাণ বাঁচাতে দেশের একজন বড় রাজাকার শর্ষিণার পীরের মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বিভিন্ন লেখায় এসব কথা সবিস্তারে লিখে গেছেন। তিনি আরও লিখেছেনঃ

    “১৬ ডিসেম্বর, ভোর। ১৯৭১। আমার বুক ধক ধক করছে। বাজিছে বুকে সুখের মতো ব্যথা। বিশ্বাসই হচ্ছে না, আমরা স্বাধীন। এখন আর মাথা উঁচু করে হাঁটতে সমস্যা নেই।… ‘নিজের দেশের মাটি/দবদবাইয়া হাঁটি।’ আমি দবদবিয়ে হাঁটার জন্যে বের হলাম। প্রথমে খুঁজে বের করতে হবে আমার ছোট ভাইকে (জাফর ইকবাল)। শুনেছি, সে যাত্রাবাড়ীতে আছে। গর্তে বাস করে। যাত্রাবাড়ীতে আমার দূরসম্পর্কের এক মামা বাড়ির পেছনে গর্ত করেছেন। তিনি তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলে নিয়ে গর্তে বাস করেন। জাফর ইকবাল যুক্ত হয়েছে তাদের সঙ্গে।” (কত না অশ্রুজল/হুমায়ূন আহমেদ)

    পাক হানাদার বাহিনী নিজ পিতাকে হত্যা করার পরও সুস্থ, সবল, সক্ষম একজন যুবক দেশপ্রেম না হোক, অন্ততঃ পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যও কেন যুদ্ধে যাননি; বরং কেন প্রাণভয়ে ‘গর্তজীবী’ হয়েছিলেন, কিংবা রাজাকারের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন – সে প্রশ্ন তোলা যায়। সেই তিনিই যখন বলেন, “আমরা যারা ১৯৭১ দেখেছি তাদের জন্যে মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটি একটি তীব্র আবেগের ব্যাপার” – তখন হাসি পায়। অবশ্য নিজের সেই গ্লানিময় অতীতকে আড়াল করার জন্যই হয়ত তিনি এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে উচ্চকণ্ঠ হয়েছেন।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      আপনার বাবা কি মুক্তিযোদ্ধা? ধারণা করি নয়। আপনি কি আপনার বাবাকে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি কেন মুক্তিযুদ্ধে যাননি।
      জাফর ইকবাল সক্ষম হওয়ার পরও যেহেতু মুক্তিযুদ্ধে যাননি, তাই আজ আপনাদের মতো মেধাবীরা রাজাকারের পক্ষ নিলে দোষ কি? না কি বলেন!!!!!!!!!!!!
      কদিন অপেক্ষা করুন, রাজাকারগাঁথা স্তব্ধ হবে সহসাই।

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      ঈশান আরসালান, মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অশ্রদ্ধাপূর্ণ মন্তব্য করব না। তবে পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কয়েক বছর পূর্বে একটি বিবৃতি দিয়েছিলো, সেটির কথা কারো স্মরণে আছে কি না জানতে চাইবো।

      Reply
    • শরীফ

      এমন আরো অনেক
      উচ্চকণ্ঠি নিশ্চয়ই আছেন এ সমাজে।

      Reply
  34. Ahsanul Haque

    আসলে এখানে আপনারা যারা Sir এর সমালোচনা করছেন তারা প্লিজ ব্যাপারটা sir এর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি । কিছুদিন আগে উনার উপর যখন হামলা হলো তখন সরকার অনেক গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করালো । Sir এখন ইচ্ছা করলে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারেন না । আপনারা হলেও পারতেন না । উনার মুজবুরী বুঝার চেষ্টা করুন । উনার স্ত্রীকে একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠন অপমান করেছিলো তাও উনি ওদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারেন না ।

    আপনারা প্লিজ sir কে ভুল বুঝবেন না । উনি পরিস্থিতির শিকার ।

    Reply
  35. Saiful Islam

    Sir
    মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার লেখা চোখে পানি নিয়ে আসে । মর্মষ্পশ্শী সব লেখা। এতো আবেগ কোথায় পান?

    মুক্তিযুেদ্ধর সময় আপনার অবদান জাতি সারাজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আসলে নিজে সরাসরি যুদ্ধ না করলে এ ধরনের মর্মস্পর্ষী লেখা সম্ভব না । নিজের জীবন বিপন্ন করে আপনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমরা আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। আপনার মতো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা পেয়ে।

    আর আপনি নাকি লেখার পর পাঠকের প্রতিক্রিয়া পড়েন না। ভালো। পড়া উচিত ও না । একটি বিশেষ দলের কাছে তো আমাদের আত্না বিক্রি করে দিয়েছি। কে কি মনে করলো তাতে কি এসে যায় ?

    ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আপনার কোথায় জ্বলে আমরা বুঝি। তবে আপনাদের মতো তথাকথিত লেখকের কথায় কখনো ছাত্র আন্দোলন দমেনি দমবেও না।
    ছাত্ররা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাবে সারাজীবন ।

    পরিশেষে বলি দেশের জন্য শুধু কাগজে কলমে কান্না না করে মন থেকে কিছু করতে পারলে আসলে মনে অনেক শান্তি আসে

    Reply
  36. mahfuja

    মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ লোক শহীদ হয়েছিলেন তাদের পরিবারের কোটা কি আছে? মুক্তিযুদ্ধে যেসব লোক পানি খাবার লোটা বদনা দিয়ে সহযোগীতা করেছিলেন তাদের কোটা কি আছে? মুক্তিযুদ্ধে যেসব সৈন্যরা অংশগ্রহণ করেছে তাদের নাতি-পুতিদের কোটা কি আছে? যারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি তারা তো মুক্তিযুদ্ধ চায়নি তারা কি রাজাকার? আসলে মুক্তিযোদ্ধা কতজন বলবেন? আর ভুয়ারা কারা যারা এ কোটা নিয়ে টানাটানি করে? হাজার হাজার অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট নেয়নি বা পায়নি বা তাদের নাম দিয়ে অন্যজন পিতা পরিবর্তন করে সুবিধা নিচ্ছে।মুক্তিযোদ্ধারা সারাদেশের মানুষের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছেন অধিকার হরণের জন্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা আবাসন এক পরিবারের ১০-চলমান লোককে সরকারি/বেসরকারি সব চাকুরি দিবেন! চিন্তা করুন দেশে চাকুরিহীন মোট জনসংখ্যার মুক্তিযোদ্ধা বাদে কত%লোক রয়েছে। দেশের চাকুরি কোটা কত? বেকার কত? তারাভকি এই কোটা ও দলীয় তদবির হতে মুক্তি চেয়ে নাগরিক হিসেবে চাকুরি চাওয়া কি অন্যায়? কিছু গুষ্টির সমস্ত লোক আজীবন সরকারী চাকুরি পাবে আর ৯৫%লোক দেশের নাগরিক হিসেবে অধিকার রাখেন? ভুয়ারা দলীয় লোক আর তদবিরকারিরা দলীয় লোক। আর বাকিরা কি চাকুরি পাচ্ছে? দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাই দুঃখে এ লেখা তারা লিখেছে। আপনি তো তাদের অধিকারে কথা বলেননি কখনো! আর বাকি কোটাগুলোর নাতি-পুতিদের কোটা রখেননি কেন? দেশের সব সরকারি চাকুরি একসময় তাদের বংশরা ছাড়া বাকি কোন লোক এ চাকুরি কোটা পাবে না। এটাই কি সম বন্টন? যারা শহিদ হয়েছেন আহত হয়েছেন তাদের নাতি-পুতিদের জন্য কি করেছেন? ১দল দেয় ৭২ হাজার অন্যদল বলে ২৫০,০০০। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সমস্ত মানুষের অধিকার হরণ হবে নিজেরা সব সুবিধা নিবে এমন চিন্তা কখনো করেননি। আর করলে স্বাধিনতার দরকার কি ছিল? ইতিবাচক চিন্তা করুন।জনগণের অধিকারের কথা বলুন।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      মুক্তিযোদ্ধদের প্রতি সচেতন ক্রোধের আগুনে গোলাম আজম, নিজামী রাজাকার পুরেছে!
      আর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি নির্বোধ ও অজ্ঞানদের ঘৃনা মূর্খদের ভাসিযে় নিবে!!!!!

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      প্রশাসনে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা যেমন আছে বা ঢুকছে, তেমন অজশ্র ভূয়া মেধাবীও আছে। বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের ৫০% ভাগ অফিসার শুদ্ধ করে এক পাতা বাংলা লিতে পারবে না – এটা নিশ্চিৎ করে বলা যায়। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে কিছু হয় না। মুক্তিযোদ্ধা পদবী ধারী ভূয়া সিভিল সার্ভেন্টরা রাজাকারের অধম। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা খোঁজার আগে প্রশাসানে ভূয়া মেধাবী খঁজে বের করুন। মূর্খেমর মতো কোটায় চাকরী পাওয়া ৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের পিছনে না ছুটে ৩০ জন ভূয়া মেধাবীর খোঁজ করুন। তাতে সরকারী হালুয়া রুটির ভাগটা ১০ গুন বাড়বে।

      Reply
      • Asadul Islam

        @MahibuL Ahsan, ভাই, আপনি পাঁচ লাইনের মন্তব্য লিখতে গিয়ে দেড় কুড়ি ভুল করছেন, সেই আপনি প্রশাসনের ভুয়া কর্মকর্তা খুঁজতেছেন, যারা নাকি এক পাতা বাংলা লিখতে পারবে না, হা হা পে ব্য। ভাল থাকবেন।

  37. Mute Spectator

    তিলকে তাল করে তারপর ছাল ছাড়াতে হয়, কারণ তিল এতো ছোট যে ছাল ছাড়ানো যায় না। হাজার হাজার ছাত্র যে আন্দলনে অংশ নিয়েছে এর মধ্যে গুটি কয়েক হয় ক্ষোভে নতুবা মোটিভেটেড হয়ে রাজাকারের পক্ষে কিছু করে । ০.০০১% বা এর কম অংশগ্রহণকারীর (এরা ছাত্র না Transplanted তদন্ত করা দরকার) কর্মকান্ড নিয়ে এতো আলোচনা হবে এটা ভাবা যায় না। জাফর ইকবাল সাহেব এখন তিলকে তাল বানাচ্ছেন, ন্যায়ের পক্ষে আন্দোলনের ছাল ছাড়ানর জন্য। DU VC এর বাংলোয় আক্রমণকারীদের আইনসম্মত ভাবে চিহ্নিত না করে গয়রহ
    আন্দোলনকারীদের অপবাদ জনাব জাফর ইকবাল দিতে পারেন না। প্রবন্ধে জনাব ইকবাল লিখেছেন আন্দোলনটা ছিল ছাত্রলীগের দৌরাত্মের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ। আপনি যদি তাই মনে করেন ‘তবে ছাত্রলীগের দৌরাত্মের’ বিরদ্ধে আপনার সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন । এতে কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হবে?
    একদিন হয়তো এইদেশে রাজাকারে অবশেষ থাকবে না কিন্তু ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন সবসময় থাকবে। সেদিনের শাসকরাও এইরকম ছুতা বের করবেন আর একদল বুদ্ধিজীবী পত্রিকায় নিবন্ধ লিখবেন। কি বিচিত্র এই দেশ/ কুযুক্তির নেই শেষ।

    Reply
  38. Mute Spectator

    তিলকে তাল করে তারপর ছাল ছাড়াতে হয়, কারণ তিল এতো ছোট যে ছাল ছাড়ানো যায় না। হাজার হাজার ছাত্র যে আন্দলনে অংশ নিয়েছে এর মধ্যে গুটি কয়েক হয় ক্ষোভে নতুবা মোটিভেটেড হয়ে রাজাকারের পক্ষে কিছু করে । ০.০০১% বা এর কম অংশগ্রহণকারীর (এরা ছাত্র না Transplanted তদন্ত করা দরকার) কর্মকান্ড নিয়ে এতো আলোচনা হবে এটা ভাবা যায় না। জাফর ইকবাল
    সাহেব এখন তিলকে তাল বানাচ্ছেন, ন্যায়ের পক্ষে আন্দোলনের ছাল ছাড়ানর জন্য।
    DU VC এর বাংলোয় আক্রমণকারীদের আইন সম্মত ভাবে চিহ্নিত না করে গয়রহ
    আন্দোলনকারীদের অপবাদ জনাব জাফর ইকবাল দিতে পারেন না।

    কোটা সংস্কারের যৌক্তিকতা পিএসসি’র প্রতিবেদন সহ অন্যান্য সরকারী নথিতে আছে।সুতরাং ছাত্রদের দাবী অযৌোক্তিক এটা বলা যাবে না। কোটা প্রয়োগে দুটো বিষয়ে সরকার দ্বিমত করে না। প্রথমতঃ বাজারে প্রচুর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী আছে ( এমনকি সরকারী পদস্থরাও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এককালীন সচিব সহ) এবং দ্বিতীয়ত কোটায় নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব আছে।
    প্রবন্ধে জনাব ইকবাল লিখেছেন আন্দোলনটা ছিল ছাত্রলীগের দৌরাত্মের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ। আপনি যদি তাই মনে করেন ‘তবে ছাত্রলীগের দৌরাত্মের’
    বিরদ্ধে আপনার সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন । এতে কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হবে?
    একদিন হয়তো এইদেশে রাজাকারে অবশেষ থাকবে না কিন্তু ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন সবসময় থাকবে। সেদিনের শাসকরাও এইরকম ছুতা বের করবেন আর একদল বুদ্ধিজীবি পত্রিকায় নিবন্ধ লিখবেন। কি বিচিত্র এই দেশ/ কুযুক্তির নেই শেষ।

    Reply
  39. Prince

    “স্যার একটি জায়গায় লিখেছেন তিনি জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরির পর ঢাকা এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তার জন্ম ১৯৫২ সালে। মানে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ১৯। যে ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধে না গিয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ান তার এসব লেখা মানায় না। দেশপ্রেমে এতো হাবাডুবু খেলে তিনি কেন মুক্তিযুদ্ধে গেলেন না বুঝলাম না।
    তবে এই লেখাটি পড়ে রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর একটি কবিতার লাইন মনে পড়ছে। বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে বুদ্ধিজীবীর রক্তে স্নায়ুতে সচেতন অপরাধ।” True

    Reply
  40. আজিজ

    মনে রাখবেন সচেতন ছাত্র সমাজ আপনাকে দেখে আপনার মুখের সামনে বমি করে দেবে।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      ওয়াক!!!!!!!!!!!!!!
      ঐ সমস্ত সচেতন (!) ছাত্রদের প্রতি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

      Reply
  41. Bongo-Raj

    একটা প্রশ্নের জবাব কেউ দিলোনা!
    যত জন তথাকথিত মেধাবী সরকারী চাকুরীর জন্য আবেদন করেন তার মাঝে মাত্র ১% মেধাবী সরকারী চাকুরি পায় (২০১৭ সনের উপাত্ত অনুসারে) । তার মানে ৯৯% কেই অন্য চাকুরি খুঁজতে হচ্ছে।
    সহজ হিসাবেই সরকারী চাকুরীর কোটার জন্য আন্দোলন করার চাইতে বেকারত্বের জন্য আন্দোলন করা ৯৯ গুন বেশী দরকার। তাও আবার শুধু মাত্র মেধাবীদের সংখ্যার হিসাবেই ৯৯ গুন, যদি কোন বছরের পাশ করা সবাইকে ধরে হিসাব করা হয় তা হয়তো ৯৯৯ গুন বা আরও বেশীও হতে পারে — তা হলে??
    তা ছাড়া রাজাকারের বাচ্চা মেধাবী হলেও সরকারী চাকুরী পাবে কেন?

    তাই বলি দেশের স্বার্থেই ( রাজাকারদের আর স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনঃহাজির হবার ছিদ্র বন্ধ করার জন্য ) কোটাতে এবার ঢাকনা দেবার দরকার নয়কি (Don’t the Pot need a Lid now)?
    তাহলে ভিসির বাড়ীও পুড়বেনা, রাজাকার বলে রাজ পথে দাঁড়িয়ে দেশের মাটিকে অপবিত্রও করতে পারবেনা —

    Reply
  42. সরকার জাবেদ ইকবাল

    স্যার, আপনিও??? অনেক কথা আছে যেগুলো স্পষ্ট করে বলা যায় না, আপনিও যেমন বলেন না। আমিও তাই বলতে পারছি না। তাই, অন্যভাবে বলতে হচ্ছে।

    হড় হড় করে বমি করে দেয়ার আগে আপনাকে অধ্যক্ষ মিন্নাত আলীর লেখা ‘আমি দালাল বলছি’ বইটির কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। তিনি কোন দু:খে কোন অভিমানে নিজেকে দালাল বলে উল্লেখ করেছিলেন আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে? এই ছেলেটি সে’ রকম কোন অভিমান থেকে নিজেকে রাজাকার বলে ঘোষণা করেছে কিনা তা কি কখনও তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে? হয়তোবা ভিন্ন কোন তথ্য বেরিয়ে আসতেই পারে। আর, যদি সে গর্বিত অহঙ্কারে নিজেকে রাজাকার বলে ঘোষণা করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হোক।

    Reply
    • Bongo-Raj

      জনাব সরকার জাবেদ ইকবাল
      একটা প্রশ্নের জবাব দেবেন কি!
      কোটা আন্দোলনকারীদের মাঝে রাজাকার আর স্বাধীনতা বিরোধীরা ছিল, তারাই তো কোটা আন্দোলনের সাথে একদম সম্পর্ক নেই ভিসির বাড়ী ধ্বংস করে দিল — ভুল বলছি কি?
      যদি বলেন আন্দোলন কারীরাই ধ্বংস করেছে তাহলে পুরা আন্দোলন্ টাইতো রাজাকার দের দিয়ে করানো হচ্ছে বলে দাঁড়াবে — এমন ভুল করবেন না আশা করি।
      তাই মনে হচ্ছে —
      রাজাকার বুকে নিয়ে দাড়ানো ছেলেটার পক্ষে ওকালতি করা, আপনার জ্ঞান অপাত্রে ঢালছেন বলে মনে হচ্ছে!!!!!!

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        নিচে খালিদকে লেখা সৈয়দ আলী সাহেবের উত্তর দেখুন। আমার উত্তর পেয়ে যাবেন। আমি কোন রাজাকারের পক্ষে ওকালতি করিনি।

      • সৈয়দ আলী

        Bongo-Raj ‘কোটা আন্দোলনকারীদের মাঝে রাজাকার আর স্বাধীনতা বিরোধীরা ছিল, তারাই তো কোটা আন্দোলনের সাথে একদম সম্পর্ক নেই ভিসির বাড়ী ধ্বংস করে দিল’ পুলিশ কিন্তু গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে এমন বলছেনা।

    • আদিব

      “এই ছেলেটি সে’ রকম কোন অভিমান থেকে নিজেকে রাজাকার বলে ঘোষণা করেছে কিনা তা কি কখনও তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে?” এই প্রশ্নটাই সবার আগে মনে আসা উচিত। যেখানে দেশে আজ যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে কেন এরা জামায় “আমি রাজাকার” লিখল? অন্য অনেক কিছুই লিখতে পারত, কিন্তু এটা কেন? কারও কোন বক্তব্যের প্রতিবাদে কি?

      Reply
      • Bongo-Raj

        Why he need to turn to a Rajakar even he had tons of OVIMAN?
        There were lot more options, such as HATI GHORA BAGH, or Osama bin laden?

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        Dear Mr. Bongo-Raj, Please see below explanation from Mr. Syed Ali. Should I elaborate more? Please open your eyes; that was a blatant protest against labelling all agitating students as ‘Son of Razakar’. Hati, ghora and Osama don’t represent a Razakar. Have I been able to clarify your queries?

    • সৈয়দ আলী

      সরকার জাবেদ ইকবাল, আপনার সাথে সহমত। মতিয়া চৌধুরীর ঢালাওভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য, (রাজাকারের বাচ্চা আন্দোলনকারীরা, অর্থাৎ সরকারের নীতিমালার বিরূদ্ধে আন্দোলন করলে এমন লেবেল সাঁটা হবে) গালির প্রতিক্রিয়াতেই আন্দোলনকারীদের একাংশ নিজেদের রাজাকার বলেছে। ইনিয়ে বিনিয়ে এটিকে কতো কিছুই করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাক থাকলেও পুরো ঘটনা জানেন।

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      কোন যুক্তি দিযে়ই রাজাকার শব্দের গর্বিত ব্যবহার চলে না। আমি বেশ্যা বলছি বলে, নাটক, উপন্যাস করা যায়। বুকে পোষ্টার সেটে রাস্তায় আন্দোলন করা যায় না। এটা পারে একমাত্র বেশ্যাই – তার অধিকারের কথা বলার জন্য। ঐ রাজাকারের বাচ্চা কি রাজারের অধিকারের কথা বলার জন্য রাস্তায় নেমেছিলো! আর রাজাকারের শরীরে বহন করার কথা শুনে গাযে় লাগে কার? রাজাকারেরই। প্রিয় মেধাবীবৃন্দ, ঐ ছেলেটিকে থামানোর কথা কি আপনারা ভেবে ছিলেন? না! কেউ – ‘আমি রাজাকার বললে’ আপনাদের গাযে় লাগে না। রাজাকারকে গালি দিলে গায়ে লাগে!

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      সরকার জাবেদ ইকবাল, বিডিনিউজ২৪.কম বিভাগীয় সম্পাদক তার ‘খেইড়’ শুরু করেছেন। আমার প্রকাশিত তিনটি মন্তব্য সরিয়ে দিয়েছেন। আমি সতর্কতার সাথে মতামত লিখি তাই আমার মন্তব্যে বিডিনিউজ২৪.কম এর নীতিমালার একটিও লঙ্ঘিত হয়নি। তবু আমার তথ্যপূর্ণ মন্তব্য অন্যদের দৃষ্টিগোচর না করতেই এ কর্মটি করা হয়েছে বলে মনে করি।
      কথা যখন উঠেছেই, নিষ্পন্ন হোক একটি পুরাতন বিষয়। ‘ল্যাজে যদি তোর লেগেছে আগুন পোড়া সোনার লঙ্কা পোড়া’।
      ড. ইকবাল পাঠকের মতামত পড়্বেন না, তাই তাঁর পুজারীদেরকে আমার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে:
      ১. জাফর ইকবালের নানা ও মামা কার হাতে, কেন নিহত হয়েছিলেন?
      ২. পিরোজপুরের দায়িত্বরত এসডিপিওকে পাকি সেনাবাহিনী প্রত্যন্ত গ্রামে নিয়ে হত্যা করে নীল মোজা পায়ে (ড. জাফর ইকবালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্মৃতিকথন) কবর দিয়েছিলো? পাকিরা অত সহৃদয় ছিলো, না কি মানুষ খুন করে যেখানে সেখানে ফেলে যেতো? কে ভালোমানুষ এসডিপিও সাহেবকে খুন করেছিলো? পিরোজপুর জেলা কমান্ড কয়েক বছর আগে বিবৃতিতে কি বলেছিলো?
      ৩. ড. ইকবালের এক পুজারী লিখেছেন, সীমান্ত থেকে অস্ত্রসহ দেশে ফিরে এসেছিলেন ড. ইকবাল। কিন্তু তাঁর নিজ বয়ানে এমন কিছু নেই। বরং তিনি লিখেছেন, নভেম্বরে যখন যুদ্ধে যেতে চেয়েছিলেন তখন সব রিক্রুট বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থাৎ ড. ইকবালকে মহীয়ান করার নুতন গল্প চালু হচ্ছে।
      ৪. ড. ইকবাল খুব রাজাকার বিরোধী, তাই না? তিনি কখনো লিখেন না কেন যে তাঁর মামাকে দালাল আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিলো? চট্টগ্রাম বন্দরের দায়িত্বে থাকা ভদ্রলোক পুরো মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকি বাহিনীকে সোৎসাহে সর্বত সহায়তার জন্যই গ্রেফতার করা হয়েছিলো।
      ৫. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৫০ টাকা বেতন, রেশন ও গনিমতের মাল লুটের অংশ পাওয়া রাজাকারদের চাইতে আরো অনেকগুন ভয়ঙ্কর ছিলো রাজনৈতিক ও সামরিক প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত আল-বদর। তাদেরকে আড়াল করে তুচ্ছ রাজাকারদের সামনে আনা হচ্ছে কেন? ড. ইকবাল ও তাঁর জ্যষ্ঠভ্রাতা, দুজনকেই এই প্রশ্ন করা যায়।

      Reply
      • Didarul Alam

        সৈয়দ আলী
        চমতকার সব তথ্য। এগুলো ইনভেষ্টিগেট হওয়া উচিত। জাতির সামনে এগুলো আনা উচিত। আমার মতে যে যুবক মুক্তিযুদ্ধের সময় মসজিদ মাদ্রাসায় পালিয়ে ছিলো তার নৈতিক অধিকার নেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখার। ব্যাপারটা হাস্যকর।

      • MahibuL Ahsan

        যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের তারা রাজাকার, আলবদরদের ঘৃণা করে। রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি- এরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষের কাছে ‘রাজাকার’। যুদ্ধাপরাধী- বদর নেতা মতিউর রহমান নিজামিকে সবাই ‘মইত্তা রাজাকার’ বলে, ‘মইত্তা আলবদর’ বলে না! মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কোন ব্যক্তির মধ্যে ‘রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি’- এদের কারো প্রতিই কোন অনুকম্পা থাকতে পারে না। একটিকে বড়, অন্যটিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ‘রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিকমিটি’ এদের সাবাইকে দেশপ্রেমিক বাঙালী ‘রাজাকার’ বলেই ডাকে। আর ‘রাজাকার’ শব্দটির প্রতি যাদের ঘৃণা নেই ‘মইত্তা রাজাকার’দের প্রতিও তাদের ঘৃণা নেই। তারা রাজাকারের উত্তসূরী না হলেও, তাদের অন্তরে রাজাকারের বীজ লুকিয়ে আছে। তাইতো, আজ এ সময়ে দাঁড়িয়ে জাফর ইকবালদের সমালোচনা করতে গিয়ে কেউ কেউ বলতে পারে- কিছুদিন পরে দেশের অর্ধেক মানুষ রাজাকার বা রাজাকারের সমর্থক হয়ে যাবে। (ধিক্, শতধিক্)
        জাফর ইকবাল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না (তিনি কখনো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধ বলেছেন বলে শুনিনি)। যারা মুক্তিযুদ্ধে যায়নি তারা রাজাকার – নিদেন পক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী একথাও তিনি বলেছেন বলে শুনিনি। তার মামা, চাচা, বাবা, খালু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন না তাই বলে জাফর ইকবাল রাজাকার বা রাজাকার সমতুল্য হয়ে যাবেন এমনতো নয়! এটা আপনারা জানেন ও বলেন (ধন্যবাদ!)। আর আপনার তার মামা, চাচা, বাবা, খালু সবাই মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন আর আপনি রাজাকার পক্ষে দু’কলম লিখলে বা কেউ রাজাকারের সমালোচনা করলে তার বিরুদ্ধে খর্গহস্ত হয়ে লেগে পড়বেন, তাহলে আপনাকে কি বলবে মানুষ– ‘রাজাকার’ নয় কি?
        ‘রাজাকার’, ‘মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে – এমনকি এই শব্দ দুটি নিয়ে কেচাল বন্ধ করুন। বুঝতেই পারবেন না নিজের অজান্তে রাজাকারের সমর্থক হয়ে যাবেন (মতিয়া চৌধুরীর ভাষায় রাজাকার হয়ে যাবে না)! কোটা সংস্কারের আন্দোলন প্রসঙ্গে জাফর ইকবাল ঠিকই বলেছিলেন – ‘মুক্তিযোদ্ধা’ বিষয়টি সতর্ক ভাবে কথা বলা উচিৎ, কাজ করা উচিৎ। এবার দেখলেন তো – কি করে অপরিণামদর্শী মেধাবীরা কি করে কোটা বিরোধী অবস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরোধী অবস্থানে এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরোধী অবস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী অবস্থানে চলে এসেছেন। এখনও যদি বোধোদয় না ঘটে, তাহলে দুঃখের সাথে বলতে হবে আমাদের মেধাবীরা সত্যি সত্যি ঘিলুহীন!

      • বাঙাল

        @সৈয়দ আলী, বাংলাদেশে একশ্রেণীর বেকুব আছে, যারা একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী জামাত-শিবির দ্বারা রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস কোন যাচাই-বাচাই না করে মুখস্ত করে, বিশ্বাস করে, নির্বোধের ন্যায় তা জায়গা-বেজায়গায় উগরে ফেলে ইতিহাসবিদ হওয়ার ভাব ধরে। যে কারণণে এই ধরনের বেকুব বা আহম্মকদের কান্ডকারখানা দেখে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের উপর বিরক্ত হয়ে তাদের “ছাগু” বা ছাগল বলে সম্মাধন করে। ছাগু না বলে বা উপায় কি তাদের, ওরা তো জামাতের লেখা ছাড়া অন্য কোন লেখা পড়েও দেখে না, বিশ্বাসও করে না। তাই ওরা সব সময় অন্ধকারেই থাকে। তাই আপনাকে বলি, অাপনার লেখা “তথাকথিত তথ্যপূর্ণ মন্তব্য” বলে যা দাবি করেছেন তা নিতান্তই বোকামিতে ভরা কোন এক কোন উম্মাদের উক্তি বলে আমার কাছে মনে হল। ড. জাফর ইকবাল ও তাদের পরিবার সম্পর্কে যে সব বাজে উক্তি গুলি করেছেন, তা কোনটি সত্য নয়, আপনি যা জেনেছেন সত্যকে বিকৃতি করা লেখা কিছু কল্প-কাহিনি। সত্য কে জানুত তারপর মন্তব্য করতে আসুন, না হলে সবাই আপনাকে “ঐ” নামেই ডাকবে।

    • বাঙাল

      সরকার জাবেদ ইকবাল, সেদিন আমি লিখেছিলম, আপনি একজন রাজাকার সমার্থক। তার উত্তরে বলেছিলেন আপনি তা নয়। এখন বলি আপনি শুধু রাজাকার সমার্থকই নন, চিন্তা চেতনায় খাটি বাংলাভাষি পাকিস্থানি।

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        আকতার হোসেন সাহেবের আজকের লেখায় আমার মন্তব্য দেখুন। এ রকম একচোখা মন্তব্য উচিত নয়।

      • সৈয়দ আলী

        বাঙাল, আমাদেরকে স্বাধীনতাবিরোধীদের লিখা ইতিহাস পড়তে হয়না, বানোয়াটদের ইতিহাসও পড়তে হয়না। কারন, আমরাই বাংলাদশের ইতিহাস। আপনার বাপকে নিয়ে গর্ব করলে আমাকেও সন্মান করুন।
        যাচাই-বাছাই না করে এক ইতিহাসবিদের মিথ্যা ইতিহাস আপনারে গিলে বাকবাকুম করেন। অথচ অই ইতিহাসবিদের বাপ ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম পোর্ট্ট্রাস্টের সচিব ছিলো। বাপের চাকরিকে বিপদগ্রস্থ না করতে আপনাদের গুরু ইতিহাসবিদ আর যুদ্ধেই যাননি। এক কিশোর পত্রিকায় জানিয়েছেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘পোস্টার লাগিয়েছেন’। আহা বীর বটে। তো এই মালের রচিত ইতিহাস পড়লে আর কি জানবেন?
        জাফর ইকবালকে বাঁচাতে আপনাদের অতো আকুলি-বিকুলির কারন আমরা জানি। গত ১০ বছরের মধ্যে এই প্রথম একটি নেতৃত্বহীন কিন্তু তড়িৎ সংগঠিত আন্দোলন সৃষ্টি হয়ে আপনাদের হাঁটুতে কাঁপ তুলে দিয়েছিলো। তাই আপনাদের মূল উদ্দেশ্য জাফর ইকবাল রক্ষা নয়, সরকারকে রক্ষা। শেষরক্ষা হবে কি?

      • সৈয়দ আলী

        সরকার জাবেদ ইকবাল, অই বাঙাল নামের আওয়ামী লীগের রোটি হালুয়াখোর আপনাকে রাজাকার বললেই আপনি রাজাকার হয়ে যাবেন না। যেখানে সেখানে রাজাকার লেবেল সাঁটানো এদের অবসেশন। ওরা জানেওনা যে বহুলব্যবহৃত অই অস্ত্র আর কাজ করেনা।
        এরাই হচ্ছে বদরুদ্দীন উমরের ভাষায় আওয়ামী লীগের চাকর-বাকর। এদের ধারনা শেখ হাসিনা এবং তারাই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশে কারা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক। তাইতো নূরু রাজাকার রাজাকার নয়, তাঁর পুত্র পাকি ক্যাপ্টেনের রাইফেল বয়ে জিপে চড়ে বেড়ালেও (সাজেদা চৌধুরীর ভাষ্য) রাজাকার হয়না।
        তাই এই ইতরদের বক্তব্যে বিচলিত হবেন না।

      • সৈয়দ আলী

        আমি আমার তথ্য লিখেছি। আপনাদের ‘ছ্যার’কে বলুন চ্যালেঞ্জ করতে। তখন দেখা যাবে। আপনার বাপ যুদ্ধ করেছে বলে কি আপনার ল্যাজ-শিং গজিয়েছে? আপনি কেউ না, আই রিপিট, কেউ না! ফাজলামো করার জায়গা পান না, না? যান আওয়ামী লীগের রুটি হালুয়ার লাইনে গিয়ে বসে থাকুন, কিছু যদি মিলে।

  43. খালিদ

    স্যার একটি জায়গায় লিখেছেন তিনি জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরির পর ঢাকা এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তার জন্ম ১৯৫২ সালে। মানে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ১৯। যে ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধে না গিয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ান তার এসব লেখা মানায় না। দেশপ্রেমে এতো হাবাডুবু খেলে তিনি কেন মুক্তিযুদ্ধে গেলেন না বুঝলাম না।
    তবে এই লেখাটি পড়ে রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর একটি কবিতার লাইন মনে পড়ছে। বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে বুদ্ধিজীবীর রক্তে স্নায়ুতে সচেতন অপরাধ।

    Reply
    • Bongo-Raj

      ভাগ্য ভালো জাফর স্যার কমেন্ট পড়েন না!
      চরম বেয়াদবীরও একটা সীমা থাকে, এই কমেন্টে তাও নেই।

      থাকবে কিভাবে?!!
      যে লোক শুধু বুঝে সীমানার অপারে গিয়ে বন্দুক হাতে ফিরে এসে যুদ্ধ করাটাই মুক্তিযুদ্ধ তার পক্ষে বুঝা সম্ভবও নয়।

      শুধু বলবো অভাগা!!

      Reply
      • কাজী ফয়জুস সালেহীন

        সত্য কথা বড় খারাপ লাগেরে দাদা !!! কারোই ভালো লাগে না । ২০/২১ বছরের টগবগে যুবক মুক্তিযুদ্ধ না করে গ্রামে গ্রামে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এর চেয়ে লজ্জাষ্কর আর কি হতে পারে? আর এখন স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে হৃদয় বিদারক গল্প লিখে বেড়াচ্ছেন !!!

    • সৈয়দ আলী

      খালিদ, শুধু ঘোরাফেরা নয় বা (সেই ঘোরাফেরার মধ্যে ছারছিনা পীরের মাদ্রাসার তালেবানগিরিও ছিলো) বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষাক্রমে দুই ভাইয়েরই [বয়েস যথাক্রমে ২২ ও ২১] অংশগ্রহণই নয়, নিরাপদে থাকতে লম্বাচুলও কেঁটেছেন। এখন জানা যাচ্ছে কোটাবিরোধী আন্দোলনে রাস্তা আবরোধ করায় কেন তিনি কারারুদ্ধ, সেই সময়ে আমার মেয়ে হাসপাতালে ছিল তাই ঢাকা শহরকে জিম্মি করে ফেললে হাসপাতালে রোগীদের কী ধরনের কষ্ট হয় আমি নিজে সেটা জানতে পেরেছি।’ অর্থাৎ ব্যক্তিগত লাভালাভ ছাড়া ড. জাফর ইকবাল কিছুই জানেন না। ঢাকা শহরের আপটু যান নিয়ন্ত্রন ও সরকারী মস্তানদের (পুলিশসহ) চাঁদাবাজির কারনে সৃষ্ঠ জ্যামের কারণেও যে রোগীদের কষ্ট হয় তা’ তিনি জানেন না।
      ইনিয়েবিনিয়ে ড. ইকবাল ও সংবাদ মাধ্যমের দখল করা সবগুলো ফুঁটো দিয়ে যে আওয়ামী প্রচারণা চালানো হচ্ছে, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এবং ড. জাফর ইকবালকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তা’ পুরোই অসত্য। কোন ছাত্রই রাজাকার হওয়ার পরিচিতি পেতে ‘আমি রাজাকার’ গেঞ্জিটি পরেনি। এটি ছিলো মতিয়া চৌধুরীর দেয়া আন্দোলনকারীদেরকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে গালির প্রতিকী প্রতিবাদ। এইটি বুঝতে মগজ লাগে না, মুক্তিযুদ্ধে না গিয়ে, নিরাপদ দেশে বসে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উথলে পড়া দরদ দেখলে থুঁথু দিতে ইচ্ছে হয়।

      Reply
      • Bongo-Raj

        Poor mr S.A
        How you give spit to prof Zafar Iqbal ?
        He is staying a grand kilometer just above of your head
        Most probably you need to reborn dozon of times to reach to his feet.

      • MahibuL Ahsan

        শেখ হাসিনার ছবি ওয়ালা ব্যানার নিয়ে আন্দোলন করে। শেখ হাসিনাকে মাদার অব এডুকেশন উপাধি দিয়ে, জাফর ইকবালকে আওয়ামী লীগের দালাল বলা কি হিপোক্রেসি নয়? কাজে কর্মে, কথা বার্তায় আপাদমস্তক হিপোক্রেটের দল!!!!!!!!!!!!!

      • MahibuL Ahsan

        যে কোন কারণেই হউক, নিজেকে ‘আমি রাজাকার’ বলে (রুপক, টুপক যে অর্থেই হউকনা কেন!) প্রকাশ করে কেউ।
        সজ্ঞানে – অজ্ঞানে, জেনে – নাজেনে, বুঝে – নাবুঝে, যে ভাবেই হউক – ব্যক্তি রাজাকারতো পরের কথা, রাজাকার শব্দটির প্রতি – সমর্থনতো পরের কথা, সামান্যতম সহানুভুতিও যদি থাকে কারো।
        তাহলে ‘আমি রাজাকার নই’ বা ‘আমি রাজাকারের বাচ্চা নই’ – একথা বুঝাবার জন্য পাতার পর পাতা লিখে যেতে হবে, দিনের পর দিন বলে যেতে হবে।
        এটা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ! রাজাকাররা যাই ভাবুক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিনে দিনে শানিত হবেই!

      • সৈয়দ আলী

        Bongo-Raj, learn English first, then try to write in English, ok? Read here:
        You wrote: How you give spit to prof Zafar Iqbal ? Its wrong.
        Correct English: How can you spit ………….
        You wrote: He is staying a grand kilometer just above of your head
        Correct English: He is staying thousand of kilometers above your head.
        You wrote: Most probably you need to reborn dozon of times to reach to his feet.
        Correct English: Most possibly you need to reborn DOZENS of times …………..
        (The correct English examples could be written in other forms)
        আর কিছু বলার দরকার আছে পন্ডিতপ্রবর?

    • লিমন মাহমুদ

      খালিদ সাহেব!! অনেক বই পড়েছেন। তাহলে মুক্তিযুদ্ধ নিয়া স্যারের ইতিহাস টাও জানেন। হুদাই লাফান কেন??? ৭ কোটি মানুষের ৪ ভাগের ১ ভাগ হল ১ কোটি ৭৫ লক্ষ,যারা যুদ্ধ করার বয়সী ছিল। কিন্তু প্রকৃত যোদ্ধা কয় জন? তাইলে হুদাই লাফান কেন?!?!?!

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        লিমন মাহমুদ, সত্য প্রশ্ন। কিন্তু এ প্রশ্ন করার জন্যই (75 million collaborators?) হলিডে সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খানকে জেলে পাঠানো হয়েছিলো। তখন যে সব তরুণ যুদ্ধ যেতে পারেনি তা’ নিয়ে তাদের গ্লানি আছে। কিন্তু অন্যকে আক্রমন করে না।

      • Bongo-Raj

        জনাব লিমন মাহমুদ
        গাধাকে বুঝাতে যাওয়া জ্ঞানের অপচয়
        ঢেকি যত বারই চাপ দিন না কেন ক্যাচ ক্যাচ আওয়াজ চাড়া সুর বের হয়না
        তেমনি এদের হাজার বলেও লাভ হবেনা –

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—