এ বছরের শেষ দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে নানামুখি জল্পনা-কল্পনা এবং হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক দলগুলো ঘর গোছানোর চেষ্টা করছে। ছোট দলগুলো বড়ো দলের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে সংসদে যাওয়ার কৌশল খুঁজছে। জোট-মহাজোটের রাজনীতিতেও নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। বিএনপির নেতৃত্বে ২০- দলীয় জোট থাকবে, না ভাঙবে সে আলোচনা যেমন আছে, তেমনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের কলেবর বাড়া বা কমার বিষয়েও আলোচনা আছে। নামসর্বস্ব দলগুলো নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার জন্য ঘুর ঘুর করছে, সিকে ছেড়ার উপায় খুঁজছে। আশা করা যায় রোজা এবং ঈদের ব্যস্ততা শেষ হলে দেশে নির্বাচনী রাজনীতির পালে হাওয়া লাগবে।

আমাদের দেশে নির্বাচনী রাজনীতি আসলে সীমাবদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি – এই দুই দলের মধ্যে। হয় আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে নতুবা বিএনপি। এরশাদ-পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচন থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই ধারাই চলছিল। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড আওয়ামী লীগ তৈরি করলো ২০১৪ সালে, সেটাও অনেকটা একতরফা নির্বাচনে। বিএনপি ওই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। নিয়মরক্ষার নির্বাচনে ক্ষমতায় বসে সরকার মেয়াদ পূরণ করতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল তথাকথিত গণতান্ত্রিক দুনিয়া এটা ভালো ভাবে নেবে না, সরকারের ওপর নানা ধরনের চাপ থাকবে। তাই তাদের পক্ষে মেয়াদ পূর্ণ করা সম্ভব হবে না। যেসব রাজনৈতিক পণ্ডিতরা সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন তারা এখন সরকারের মেয়াদ শেষে এসে বলছেন, আগের বার যেটা সম্ভব হয়েছে, এবার সেটা হবে না। আগামী নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক না হয় তাহলে দেশ বড়ো ধরনের সংকটের মধ্যে পড়বে। গণতান্ত্রিক বিশ্ব বিষয়টি ভালোভাবে নেবে না।
ব্যক্তিগতভাবে আমার অবশ্য এটা মনে হয় না যে, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে দেশে মারাত্মক কোনো সংকট তৈরি হবে। নির্বাচন অবশ্যই বিতর্কমুক্ত হওয়া ভালো। সুষ্ঠু নির্বাচন আমরা সবাই চাই। আবার আমরা এটাও চাই যে, আমার পছন্দের দলটি যেন নির্বাচনে জেতে । আমরা কেউ নিজেদের পরাজিতের দলে দেখতে চাই না।  অথচ জয়-পরাজয় গণতন্ত্রের স্বাভাবিক রীতি।
তাছাড়া আমাদের দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের অবস্থান এতোটাই বিপরীতমুখি যে এখানে একমত হওয়ার রাজনীতি আদৌ সম্ভব হবে কি না বলা মুশকিল। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির জনসমর্থন বা জনপ্রিয়তা যতোদিন কাছাকাছি থাকবে, ততোদিন অন্তত দেশের রাজনীতিতে সংঘাত-সংঘর্ষের ধারাও অব্যাহত থাকবে। দেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে আর একটি বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি গড়ে-বেড়ে উঠলে ভালো হতো। কিন্তু তেমন সম্ভাবনা এখন পর্যন্ত বাস্তবে দৃশ্যমান নয়।

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেমন জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদী, তেমনি বিএনপিও মনে করে জয় তাদের হাতের মুঠোয়। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হাইকোর্টের আদেশে তিন মাসের জন্য স্থগিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার নিশ্চিত পরাজয় জেনে নিজেদের লোক দিয়ে কারসাজি করে নির্বাচন স্থগিত করেছে। এটি সরকারের অপচেষ্টা। রিট আবেদনকারী আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা। এখান থেকেও বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা যায়।
সস্তা এবং মুখরোচক মন্তব্য করা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। গাজীপুর সিটি নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমও খুশি হতে পারেননি। সরকারই যে পরাজয়ের ভয়ে ওই নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে, সেটা বিএনপি মহাসচিব নিশ্চিত হলেন কীভাবে? দেশের আইন-আদালতের প্রতি বিএনপির আস্থা নেই। বিশেষ করে দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শাস্তি এবং জেলে যাওয়ার পর থেকে আদালতবিরোধী মনোভাব বিএনপির মধ্যে আরও প্রবল হয়েছে। একদিকে তারা আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি করছেন, অন্যদিকে দেশের আদলতকে ক্রমাগত সরকারের আজ্ঞাবহ বলে প্রচার করছেন। এই প্রচারণার পরিণতির কথা বিএনপির নেতারা একবারও ভাবছেন না। দেশের মানুষকে আইনের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল করে করে তোলা কি খুব ভালো ব্যাপার? বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার দল। অর্থাৎ দুদিন আগে হোক আর দুদিন পরে হোক এই দলের ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আজ বিরোধী দলে থেকে এমন কিছু বলা বা করা উচিত নয়, যা তারা ক্ষমতায় গেলে বুমেরাং হয়ে তাদেরই ঘায়েল করতে পারে।

আওয়ামী লীগ টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় আছে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী মনোভাব আছে। বিএনপি এটাকে পুঁজি করেই রাজনীতিতে বাজি মাত করতে চাচ্ছে। বিএনপি ইতিবাচক ধারায় রাজনীতি করছে না। সর্বত্রই তারা বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা দেখছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ যে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, মানবউন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে যে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে যে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে, সেসব বিএনপি দেখতে চায় না, স্বীকার করতে চায় না। মানুষ বিরোধিতা পছন্দ করে, নেতিবাচক কথাবার্তা মানুষকে বেশি করে আকর্ষণ করে। তবে পরিবর্তনের সুফল যেহেতু মানুষ যতোটুকুই হোক পাচ্ছে, সেজন্য সরকারবিরোধী আন্দোলনেও মানুষ নামছে না।
আমাদের দেশের বড়ো সমস্যা হলো দুর্নীতি ও পুঁজি- লুন্ঠন বা সম্পদ পাচার। আজ যারা প্রচার করছেন তারা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন যে বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি ও পুঁজি-লুন্ঠন প্রক্রিয়া বন্ধ হবে? বিএনপি শাসনের রেকর্ড এতো বছরে হয়তো মানুষের মন থেকে একটু বিবর্ণ হয়েছে। কিন্তু একেবারে কি মুছে গেছে?
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মানুষ সরকারের জুলুম-অবিচারের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। ধরে নিলাম কথাটা ঠিক। মানুষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের হারিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের জিতিয়ে দিল। তাহলে কি জুলুম-অবিচার বন্ধ হবে? গত নির্বাচনেও তো কয়েকটি সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাতে কি লাভ হয়েছে? সরকার বদল হয়েছে, নাকি নগরবাসী উন্নয়নবঞ্চিত হয়েছেন?
রাজনৈতিক দলের উচিত সাধারণ মানুষের সামনে এমন বক্তব্য তুলে ধরা যাতে তারা রাজনৈতিকভাবে আরো অধিক সচেতন হয়ে উঠতে পারে। ভুলবার্তা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ভোটে জেতার রাজনীতি যে একটি দলের প্রকৃত জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থনের  প্রমাণ নয় – সেটা আমরা অতীতে একাধিকবার দেখেছি।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনই রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা মাপার উপায়। কিন্তু আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সুবিধামতো অবস্থায় এই পরীক্ষায় অংশ নিতে চায়। আর এখানেই বিরোধ, এখানেই বিতর্ক। এই বিরোধ-বিতর্কের আশু অবসান আশা করা যায় না। যারা ক্ষমতায় থাকে এবং যারা ক্ষমতার বাইরে থাকে তাদের স্বার্থ একবিন্দুতে মেলানোর চেষ্টা সহজ নয়।
আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়। সবদিক বিবেচনাতেই আওয়ামী লীগই আছে সুবিধাজনক অবস্থানে। আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিও আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বলে মনে হয় না। অন্যদিকে বিএনপি আছে ব্যাকফুটে। দলের প্রধান খালেদা জিয়া জেলে। তিনি জামিনে বের হয়ে আসতে পারলেও শারীরিক কারণেই আগামী নির্বাচনে সারাদেশে ছুটে বেড়িয়ে বিএনপির পক্ষে ভোট সংগ্রহ করতে পারবেন বলে মনে হয় না। বিএনপির দ্বিতীয় প্রধান নেতা তারেক রহমান দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকতে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা কম।

এই সব বিবেচনায় আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অবস্থান নড়বড়ে ভাবার কারণ দেখা যায় না। আওয়ামী লীগের একশ্রেণির নেতা-মন্ত্রী-এমপির দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বাড়াবাড়ি এবং প্রচন্ড দলাদলি হলো আওয়ামী লীগের বড়ো সমস্যা। আবার তার বিপরীতে আছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আকাশচুম্বী ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা। তার সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। আগামী নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হন তাহলে ভোটের বাক্সে নিঃসন্দেহে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিভুরঞ্জন সরকারসাংবাদিক ও কলামিস্ট।

৫৩ Responses -- “জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে এগিয়ে কোন দল?”

  1. tutul

    আপনাদের মত লোকেরা চোঁখ থাকতেও অন্ধ। চামচামি না করলে সুবিধা পাবেন কি করে। দেশের প্রতিটি মানুষ আজ জিম্মি। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। মানুষ আজ ভোট কেন্দ্রে যায় না। গুম হওয়ার আতংক সারাক্ষণ। অজ্ঞাত আসামি সাধারণ লোক সাজানো অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার হচ্ছে। পুলিশ পুলিশকে বিশ্বাস করে না। তারা সর্বোচ্চ ক্ষমতা নিয়ে দাবড়ে বেড়াচ্ছে। আওয়ামী হলে যোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে চাকুরি পাবে। নাহলে উচিৎ কথা বললে রাজাকার। আপনার রাজনীতি না করা মেধাবি ভাইকে যখন অজ্ঞাত আসামী বানিয়ে মামলা দিবে! আপনি বলবেন দেশে শান্তি বিরাজ করছে? এদেশ কারো বাবার কারো স্বামীর আর বাকিরা সবাই ভেসে এসেছে? আমরা শান্তি চাই। চামচামি বাদ দিয়ে ভাল কিছু লিখেন। ভোট দিলেও কি না দিলেও কি। যাদের লাইসেন্সধারী সন্ত্রাসী আছে এদেশ তাদের। তারা অভিনয় করে জনগণ বাই অর্ডারে দেখেই যায়। আর পদে পদে পিষ্ট হয়।

    Reply
  2. mak

    আগামী নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হন তাহলে ভোটের বাক্সে নিঃসন্দেহে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
    —নয় বছর দুর্নীতিবাজদের লালন পালন করে এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা? কী দরকার? ক্ষমতায় থেকেই তো নির্বাচন করবেন। তাহলে অসুবিধে কী? দুর্নীতির কারণে কি ২০১৪ সালে ক্ষমতা হুমকির মুখে পড়েছিল? বিভূরঞ্জন মহাশয় কী সব ধানাই পানাই লিখলেন?

    Reply
  3. Md Fazlul Haque

    জনগনের কাছে বিএনপির উল্লেখ করার মতো কোন কমিটমেন্ট নেই।

    Reply
  4. mahfuja

    মামলা এত্ত ভাল জিনিস না। আজ যাদের এত্ত ক্ষমতা দিচ্ছেন কাল তাদের স্বার্থবিরোধী হলে সেই ক্ষমতা দিয়ে আপনার গলাটিপে ধরবে। এলাকায় ১টা চোরকে মেরে ফেলেছে ক্ষমতার দাপটে বিরোধীদলসহ যাদের সাথে শত্রুতা আছে তাদের হত্যা মামলার আসামী আছে তাদের নাম সহ অজ্ঞাত ১০০০জনের বিরুদ্ধে মামলা হল। হঠাৎ রাতে পুলিশ ৫জন নিরিহ ছাত্র ও প্রবাসীকে গ্রেফতার করল। আবার পেট্রোল বোমার সাজানো আস্তানা পেল ১০কিমি দুরে ২ গ্রাম হতে অশিক্ষত ৭জনকে ধরে নিয়ে টিভি পেপারিং করছে এরা অপরাধী। ১টা গাড়ি পোড়ার অভিনয় হল! মামলা হল ৫০০লোকের নামে। কেউ ১০০০টাকা দিয়ে তার জমির বিরোধিকারীদের নামটা ঢুকিয়ে দিল। আপনি মাষ্টারি বা চাকুরি করেন হঠাৎ বাড়ি হতে আপনাকে নিয়ে গেল। আপনি অজ্ঞাত মামলার আসামী। কি আজব দেশ? কার কাছে যাবেন?মানসম্মানেরর দিকে তাকিয়ে ২০-৫০হাজার টাকা দিয়ে ছুটে আসলেন। আর পুলিশের জাতপাত নেই। পুলিশ ছুটিতে তাকেও দেখি অন্য পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্চে। আর সেনা বা অন্য বাহিনীকে পেলেত কথাই নেই ক্ষমতা আমাদের। এবার সুযোগ পেয়েছি। এলাকায় অন্যায় জবর দখলের প্রতিবাদ করবেন? কাল ৫মামলা নিয়ে গ্রেপ্তার। এসব মামলা যারা লিখে তারা কি কোন ভদ্র মায়ের সন্তান নয়? তাদের অতি ক্ষমতা দিয়ে নিরপরাধ মানুষের জীবনে কলংক লেপেন? উপরের অর্ডার ১০০ গ্রেপ্তার করা লাগবে।প্রতি গ্রাম হতে ১০ জন ভাল লোককে ধরে চালান দিচ্ছেন। জীবনের তাগিদে নিরিহ মানুষেরা ২০-৫০ হাজার দিয়ে ছাড়ায় নিচ্ছে। বা? সোনার বাংলা!!আপনারা রাজনীতি করবেন আর জিম্মি করেই ধান্ধা করবেন এটাই কি আদর্শ? ক্ষমতায় যারাই থাকেন অন্তত মানুষকে নিরাপত্তা ও শান্তি দেন। দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি বাদ দেন। আদর্শ দেখান! জনগণ আপনাদের চাইবেই। নিজেদের অন্যায়কারী সোনার ছেলেদের লাগাম টেনে ধরেন!! আপনি রেহাই পেলেও এর ফল আপনার উত্তরসূরিরা পাবে। তাই বলি দেশকে আগতদের বাসযোগ্য করে যান। পাপ বাপকেও ছাড়েনা। লোভ ধ্বংস ডেকে আনে।

    Reply
  5. মাসুদ

    আওয়ামী লীগের একশ একটা দোষ খুঁজে বের করুন, সমালোচনা করুন, পরামর্শ দিন।
    কিন্তু বিএনপির মতো ফালতু একটা দলের হয়ে ওকালতি করবেন না।

    আর মতের অমিল হলেই দালাল/চামচা এসব ভাষা প্রয়োগ ভদ্রলোকের পক্ষে উচিত নয়।

    Reply
    • mahfuja

      যাদের চোঁখ আছে তারা নিজের নিজের দোষ দেখেও না দেখার ভান করলে কি আপনি ধরিয়ে দিয়ে লাভ কি! পাছে আপনি কালার হবেন। কোন দলই তাদের পূর্বসূরীদের আদর্শ ফলো করে না। রাজনীতিবিদদের নীতি আদর্শ বলতে আজ কিছু নেই। এর নিজেরা সকল ক্ষমতা নিয়ে জনগণকে পুতুলে পরিণত করেছে।প্রতিবাদী হলেই কপালে শনি। আদর্শ কথাটার মানে কি রাজনীতিবিদরা জানেন?

      Reply
  6. Bongo-Raj

    কিছু কমেন্ট পড়ে মনে হচ্ছে উনারা বর্তমান হাসিনা সরকারকে সরিয়ে তারেকের সরকার বসিয়ে দিলে সব রোগের আছান হয়ে যাবে মনে করছেন। সত্যিই কি তাই?
    একবার হলেও বুকে হাত দিয়ে জেনে নি সত্যি সত্যিই কি আপনি তাই মনে করেন?
    টু বি অনেস্ট, আমি ১০০% তা মনে করি না-

    এখনকার চোর বদমাইশগুলোকে কায়দা করার ব্যবস্থা করলে, অন্তত বর্তমানের সামনে এগিয়ে যাবার ধারাটা বজায় থাকবে—

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      Bongo-Raj আমি কারো মন্তব্যে হাসিনা-রাজকে উল্টে তারেক-রাজ কায়েমের কথা দেখিনি। বরং লেখক উস্কানি দিচ্ছেন যেন পরবর্তী নির্বাচনটি ১৯১৪ সালের মতো হলেও সমস্যা নেই।
      আপনারা গোষ্পদে কুমীর দেখছেন কেন বলুনতো? আপনাদের কাছে কোন গোপন সংবাদ কি আছে যা আমরা জানিনা?

      Reply
      • Bongo-Raj

        গরুর পায়ের বানানো গর্ত তে কুমির দেখার মত বয়স এখনো হয়নি
        জনাব সৈয়দ আলী।
        কমেন্টের বর্ণনা থেকে একজন সাধু আর সৎ জন তাই পড়বে যে , এটাকে বদলাও ওটাকে আনো। বেশী চালাক নই বলে সোজাসাফটা অর্থটাই পড়ে ফেলি অন্য ভাবে নয় ।

        সে যাইহোক , ২০১৪ সনের নির্বাচনটা অমন হয়েছিল কি কারনে?
        একদল নির্বাচনে আসেনি, তারও ঊপর কেউ যাতে নির্বাচন কেন্দ্রে না আস্তে পারে তারজন্য জ্বালাও পোড়াও করার প্রানডালা তপস্যা জুড়ে দিয়েছিল। তাহলে ২০১৪র নির্বাচন টা অমন হবার দোষ কাকে দেই?
        ১৯৯০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যতগুলো সংসদ ছিল তার মাঝে কোনটাতে বিরোদী দল কার্যকর ভুমিকা রেখেছিল খুজেতো পাইনা!! তারসাথে ছিল, গালাগালি, হাতাহাতি, আর ৯০% দিনই সংসদ বর্জন। পক্ষান্তরে ২০১৪ থেকে ২০১৮ র সংসদ , কিছু নাহোক দেশ সামনে এগোবার ডিসেসন তো কিছুটা হয়েছে।
        এই সব ভেবে কেউ যদি ভাবে কোন গনতন্ত্র আমাদের দরকার? জবাব টা ?
        বানরের গলায় যেমন মুক্তার মালা মানায়না (কামড়িয়ে নাস্তানাবুদ করে ফেলে) , বা, কুকুরের পেটে যেমন ঘি হজম হয়না (লোম উঠে যায়) তেমনি হলো আমাদের অবস্থা। আগে বাঙ্গাল থেকে বাঙ্গালী ( মানূষ) হই, তারপর নাহয় আসল গনতন্ত্র চাইবো!!

    • Mute Spectator

      জনাব সরকার লিখেছেন, “আওয়ামী লীগের একশ্রেণির নেতা-মন্ত্রী-এমপির দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বাড়াবাড়ি এবং প্রচণ্ড দলাদলি হলো আওয়ামী লীগের বড়ো সমস্যা।’
      মানুষের কাছে তার জীবন প্রিয় না ইতিহাস ঐতিহ্য প্রিয়। আওয়ামী লীগের নামে সমস্যার কথা উধৃতিতে জনাব সরকার যা উল্লেখ করেছেন তা মুলতঃ আওয়ামীলীগ সৃষ্ট সাধারণ মানুষের সমস্যা। মানুষ এর থেকে পরিত্রাণ চায়। কেউ যদি প্রকৃত আওয়ামী লীগ হন তিনি দলে এর প্রতিকার চাইবেন।

      নিবন্ধে আরও লেখা হয়েছে,
      ‘আগামী নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হন তাহলে ভোটের বাক্সে নিঃসন্দেহে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’ অর্থাৎ সাড়ে চার বছর যাচ্ছেতাই করে ছ’মাস উপোষ
      মানুষ মানবে কেন? আপনি যত ভালো আপনি যত খান্দানি হন না কেন চুরি করলে শাস্তি প্রাপ্য। বিভু বাবু খালেদা জিয়ার সম্পর্কে এই ওয়াজই তো করেছেন।
      সুতরাং যারা সমালোচনা করেন তাঁরা জনাব বংগ রাজের সুহৃদইতো মনে হয় । আপনি তারেকের লোক ভাবেন কেন?

      Reply
      • Bongo-Raj

        জনাব Mute Spectator
        আপনার ক্লাসিক কমেন্টা বুঝতে একটু সময় লেগেছিল!
        অতি বিদ্যান নই তাই এমনটা , কাকেই বা দোষ দেই !!

        আসলে, আমার কমেন্টা সব সমালোচকদের নিয়ে নয়।
        যারা ২০০১ – ২০০৬ এর সমালোচনা না করে ২০০৯- থেকের সমালোচনাই শুধু করে যাচ্ছেন, (ভালো দিকটা নিয়ে মুখে কলুপ এটে রেখেছেন)তাদের নিয়েই।

        Mute Spectator স্যার কি আমার সুহৃদ সমালোচক?
        সর‍্যি! ক্লাসিক নয় সোজাসাফটা জবাব দেবার জন্য।

    • Saiful Islam

      কিছু করতে হবেনা । শুধু ভোটটা দিতে দেন ভাই । আপনারা আরো ৫০ বার ক্ষমতায় আসেন সমস্যা নাই। জনগণের ভোট নিয়ে আসেন। বিনা ভোটে আর না। আওয়ামীলীগ যদি জনগণকে ভয় পায় তাহলে রাজনীতি করার দরকার কি? যেই আসুক নিরেপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের প্রতক্ষ ভোটে আসুক।

      Reply
  7. mahfuja

    আপনাদের মত অন্ধ পা চাটারা চোঁখ থাকতেও অন্ধ। চামচামি না করলে সুবিধা পাবেন কি করে। দেশের প্রতিটি মানুষ আজ জিম্মি। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। মানুষ আজ ভোট কেন্দ্রে যায় না। গুম হওয়ার আতংক সারাক্ষণ। অজ্ঞাত আসামি সাধারণ লোক সাজানো অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার হচ্ছে। পুলিশ পুলিশকে বিশ্বাস করে না। তারা সর্বোচ্চ ক্ষমতা নিয়ে দাবড়ে বেড়াচ্ছে। আওয়ামী হলে যোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে চাকুরি পাবে। নাহলে উচিৎ কথা বললে রাজাকার। আপনার রাজনীতি না করা মেধাবি ভাইকে যখন অজ্ঞাত আসামী বানিয়ে মামলা দিবে! আপনি বলবেন দেশে শান্তি বিরাজ করছে? এদেশ কারো বাবার কারো স্বামীর আর বাকিরা সবাই ভেসে এসেছে? আমরা শান্তি চাই। চামচামি বাদ দিয়ে ভাল কিছু লিখেন। ভোট দিলেও কি না দিলেও কি। যাদের লাইসেন্সধারী সন্ত্রাসী আছে এদেশ তাদের। তারা অভিনয় করে জনগণ বাই অর্ডারে দেখেই যায়। আর পদে পদে পিষ্ট হয়।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      মাহফুজা, আপনি দেশের আপামর জনসাধারণের না-বলা কথাগুলো অকপটে বলে দিয়েছেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা সুস্থ রাজনীতিভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।

      Reply
      • Bongo-Raj

        জনাব সরকার জাবেদ ইকবাল
        আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছিনা।
        বর্তমানের বাংলাদেশের অবস্থা কি অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে খারাপ?
        দুর্নীতি, পুলিশের জুলুম, রাজনীতিবিদদের বদমাইশি এসব কি ২০০১-২০০৬ সনের চাইতে বেড়েছে?
        তারমানে এই নয় যে সে সব সমর্থন করছি! কোন ভাবেই তা সমর্থন করি না।
        তাই বলে স্বাধীনতাবিরোধীদের ভজন শুনে তার তালে হাততালী দেওয়া —!!

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        প্রশংসা করলেই ‘চামচা’ আর সমালোচনা করলেই ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ আমাদের এ রকম অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। আমার কথা হলো, আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। তাই, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী’ বা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিচ্যুত’ কোন রাজনৈতিক দলকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চাই না। যারা পকেট ভারী করার জন্যই রাজনীতি করেন তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন আশা করা যায় না।

      • Md. Serajul Islam

        Bongo-Raj আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছি না । কারণ সবাই এগিয়ে যাচ্ছে আর আমরা পেছন নিয়ে টানছি। সেটাই যদি হয় ফকরুলের আমলটাই তাহলে ভালো ছিলো। কিন্তু সেটা কি ঠিক?

  8. Md. Abdullah Al Mamun

    Among 13 responder:-

    Critic- (62%)
    1. Advocate Md, mainuddin
    2. সৈয়দ আলী
    3. ঈশান আরসালান
    4. জাকির দেওয়ান
    5. Mute Spectator
    6. কাজী ফয়জুস সালেহীন
    7. জয় বাংলা
    8. Moinuddin

    In favor- (8%)
    1. S_KHAN1010@yahoo.com

    Diplomatic-(30%)
    1. সরকার জাবেদ ইকবাল
    2. Tania
    3. Mohammad AlAmin Islam
    4. Abullaish

    Everywhere we can find similar results- we always reject the sycophancy that does not mean we reject Awami League

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      Excellent analysis and concluding remarks! Thanks Mr. Mamun. Please keep up the practice.

      Reply
    • Bongo-Raj

      ৬২% রা BdNews24.com চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করেও এখানেই কমেন্ট করে শান্তি পান — আজব চিড়িয়া!!

      Reply
  9. ওয়াটার

    তরুণরাই পারে দেশে তৃতীয় একটি রাজনৈতিকদল গঠন করতে। যা দেশ কে নিয়ে যাবে স্থিতিশীল অবস্থায়। একবার ভাবুন অন্য দলে কর্মী না হয়ে, ২০-৩৫বছরের তরুণদের দ্বারা গঠিত রাজনৈতিক দলের কর্মী হলে কেমন হত।

    Reply
  10. Md.Ja.....

    বিভুরঞ্জন সরকারঃ আপনি যে আওয়ামী দালাল তা আপনার আগেকার লেখায় তা আমরা বুঝেছি। আপনি ঐ নেত্রীর প্রশংসা পাওয়ার আসায় লিখলেন তা লেখায় বোঝা যায়। এসব না লেখে কি করে এই অবস্তা থেকে ভবিষ্যত প্রজন্মের উন্নতি সধিত হয় তা বলুন এবং সৎ উপদেশ দিন সত্যকে সত্য বলুন, মিথ্যা দিয়ে সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করিয়েন না?

    Reply
  11. Advocate Md, mainuddin

    Amar mony hoy apnar moto lokder karone soirachar Aiub khaner kormo o niti 53 bochor pore Awamileague niti hesabe grohon kore Desher 12ta bajache.

    Reply
  12. Moinuddin

    আপনার কথা মতে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলেও কোন সমস্যা নেই

    Reply
  13. সৈয়দ আলী

    বি-র-স এর একটি চমৎকার স্টাইল আছে আর তা হলো কলাম লিখতের বসে দিব্য চোখে সব দেখে ফেলা। স্টাইলটি তিনি তার গুরু শফিক রেহমানের কাছ থেকে নিয়েছেন। শফিক রেহমান তাঁর যায় যায় দিন সাপ্তাহিকীতে মইন-মিলা ফিকশন লিখতেন, যেন সব কিছু তার চোখের সামনে ঘটছে।
    ব-র-স বলছেন, ‘…….. দেশের আইন-আদালতের প্রতি বিএনপির আস্থা নেই।’ যেন বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের আইন-আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর ক্যারিকেচার ভুলেই গেছে। মানুষুষের মনেই নেই মুহম্মদ নাসিমের আদালত প্রাঙ্গনে বস্তি বসানোর কথা, ভুলে গেছে সংসদে দাঁড়িয়ে ভাঙ্গা গলায় বিচারপতিদের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধারের কথা, তত্বাবধায়ক সরকার আরও দু’দফা চলতে পারে অংশটুকু বাদ দিয়ে নিজের সুবিধামত আদালতের রায় হই হই করে বাস্তবায়ন করে ফেলা, আর সর্বশেষ প্রধান বিচারপতি দেশের প্রধান নির্বাহীর মনোমত না চলায় দেশত্যগে বাধ্য করা।
    বি-র-স? এতো অন্ধ কী করে হতে পারেন?

    Reply
  14. ঈশান আরসালান

    আজ বিডিনিউজ২৪ডটকম-এ যে পাঠক জরিপটি প্রকাশিত হয়েছে, তা নিম্নরূপঃ

    গাজীপুরে নির্বাচন স্থগিতে সরকারের ‘ষড়যন্ত্র’ রয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি বলছে, পরাজয়ের শঙ্কায় তারা এ কাজ করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

    হ্যাঁ – 71%, না – 29%, মোট ভোট সংখ্যাঃ 1551

    গত ৫ মে’র জরিপঃ

    বাংলাদেশে ‘সব পেশার’ মানুষের মধ্যে ‘দলবাজি-লেজুড়বৃত্তি’ তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেছেন, এই অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?

    হ্যাঁ – 70%, না – 30%, মোট ভোট সংখ্যাঃ 1410

    তাই বিরসবাবুকে বলব, এসব ‘ছাইপাশ’ লেখার আগে চোখ থেকে দলীয় ঠুলিটা খুলে রাখলে ভাল হয়।

    Reply
  15. সরকার জাবেদ ইকবাল

    আমার একটাই কথা – মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কোন দলকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চাই না। নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, ধর্ম, ভাষা নির্বিশেষে এদেশের মানুষ এক জাতি এক প্রাণ হিসেবে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিল। বাংলাদেশের প্রকৃতি, আলো-বাতাস এবং প্রতিটি ধুলিকণার আমরা সবাই গর্বিত উত্তরাধিকারী। এই অভিন্ন জাতীয়তাবোধ এবং জাতিসত্তার সঙ্গে যারাই বিশ্বসঘাতকতা করবে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। এদেশের মানুষ সঠিক সময়ে সঠিকভাবে জেগে উঠতে জানে।

    Reply
    • ঈশান আরসালান

      মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে লুটপাটের মচ্ছব চালালে কিংবা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করলেও কোন আপত্তি নাই, কী বলেন? এই ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা?

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        আপনিতো ধরেই নিয়েছেন ওরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী। আমিতো এমন কথা বলিনি!!!

    • আব্দুর রহমান

      জাবেদ সাহেব
      ভোট ছাড়া ভোটার ছাড়া নির্বাচন আর কত? এটাও কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নাকি? চেতনার ফেরিওয়ালারা নিজেরাও জানে না তারা দেশের কত বড় ক্ষতি করছে!

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        আপনার এবং আরসালানের প্রশ্নগুলো অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। আশা করি প্রশ্নগুলো যথাস্থানে পৌঁছে যাবে এবং তাঁরা সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। ‘ওয়াকওভার’ পেয়ে জেতায় কোন আনন্দ নেই। আশা করি এবার সে’রকমটি হবে না। আমরা লজ্জা পাই।

  16. জাকির দেওয়ান

    আওয়ামী লীগের দালালি করে সরকারের চোখে পড়ার জন্য। নিজের স্বার্থ বাদ দিয়ে জনগণের কথা ভাবুন

    Reply
  17. Tania

    We need another party with highly educated leaders. Political practices need to be reformed. Family politics should be banned.

    Reply
  18. Mute Spectator

    নিবন্ধের শিরোনাম একটি প্রশ্ন দিয়ে, স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নটি নিবন্ধকের,’জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে কোন দল এগিয়ে’। এর নীচের ছবিটি নিশ্চয়ই নিবন্ধক সরবরাহ করেন নাই,পত্রিকা কতৃপক্ষ করেছে। সচেতন ভাবেই হোক বা প্রমাদেই, ছবি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নিবন্ধকের প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে পাঠককুল কিঞ্চিত ধারণা করতে পারবেন।
    এতো কসরত করে যা বোঝানোর চেষ্টা করা হল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ওয়ার্ড কমিটির সদস্যা সকিনা চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে তা বলে দিতে পারবে।

    যাঁহার কৃপা লাভের জন্য এই চেষ্টা, তিনি কি আপনার এই স্তুতি শু্নিবেন? বোধহয় না। বহু আলোকবর্ষ দুরবর্তী কোন উপগ্রহ হয়তো অত্যন্ত উন্মাসিক ভাবে এক পলকের জন্য বহু ক্লেশে রচিত আপনার প্রবন্ধামৃতখানাতে চোখ বুলাইবেন মাত্র ।
    পুলকিত হইবেন কি না ঠাহর করা যাইতেছে না,।

    Reply
    • কাজী ফয়জুস সালেহীন

      হালুয়া রুটির ভাগের জন্য বিভু দাদারা সব কিছু করতে পারেন। নেত্রীর সুনজরে পড়ার কি প্রানান্তকর চেষ্টা!!!

      Reply
      • Abullaish

        Mr. salehin, Bhivu Ranjan has been doing his journalism objectively from pro-liberation idealistic point of view for long time. So he is, I am sure, not interested in HALWA ROTI. And well, a person always judges another person looking at his own character.

      • কাজী ফয়জুস সালেহীন

        @ Abullaish
        আগে উনার লেখাটা ভালো করে পড়েন তারপর আরেকজনের চরিত্র নিয়ে কথা বলতে আইসেন। ওনার লেখাটাতো বাংলায় লেখা কষ্ট করে আগে পড়েন। দলদাস ও দলান্ধতার চুড়ান্ত ।

    • Moinuddin

      সুষ্ঠু নির্বাচন হুমকির আলামত পাওয়া যাচ্ছে

      Reply
  19. জয় বাংলা

    বিভুবাবু
    আপনার লেখার একটি লাইন মারাত্বক “ব্যক্তিগতভাবে আমার অবশ্য এটা মনে হয় না যে, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে দেশে মারাত্মক কোনো সংকট তৈরি হবে” !!!
    আপনি কি আরেকটি কলংকময় ৫ জানুয়ারী নির্বাচন চান? এদেশে কি আর নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না? আমরা কি কখনো ভোট দিতে পারবো না? একটি দলের দালালী করতে গিয়ে দেশের কত ক্ষতি করছেন!! দলের সুনজরে পড়ার জন্য দেশটা তো ধ্বংস করে দিচ্ছেন। ছিঃ ছিঃ। আপনাদের জন্যই এখানকার তরুণরা বুকে লিখে “আমি রাজাকার”।

    Reply
    • S_KHAN1010@yahoo.com

      Those who tattooed ” AMI RAZAKAR” on their chest are utterly audaci. You can not justify their acts by and political parameters. Those criminals should be punished.
      Mr. Bibhu has merely given his view about upcoming elections. There are many who opines the same.

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      জয় বাংলা, বি-র-স বোধ হয় “ব্যক্তিগতভাবে আমার অবশ্য এটা মনে হয় না যে, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে দেশে মারাত্মক কোনো সংকট তৈরি হবে” বলতে দেশের ক্ষতি না করে বরং কি ঘটবে তার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তিনি নিশ্চিত জানেন ২০১৪ সালের মতো অংশগ্রহণমূলক না হলে কেউ প্রতিবাদ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল পুলিশ, র‍্যাব ও সোনার ছেলেদের মিলিত রাষ্ট্রশক্তির প্যাঁদানীর চোটে জনগণ অংশগ্রহণমূলক শব্দজুগলই ভুলে যাবে।

      Reply
    • Nebedita Dey

      Joy Bangla:
      If BNP does not participate in the next election, what AL can do for that. What we saw in 2014 election, AL offered all opportunities to the BNP to paticipate in the election. But what BNP did ? We know everything. BNP now mainly depends upon his political partner Jamat.

      Reply
  20. S_KHAN1010@yahoo.com

    Thank you dada. An excellent analysisl indeed. The country is progressing fast, fact. People are disinterested in anti govt movement, true. But some organs of the government are malfunctioning at times.
    Prime Minister Sheikh Hasina is enjoying maximum popularity. She exudes tremendous command and authority. We, the common citizens are looking at her. She has to remove the ailing elements from her govt and party.
    Long live Bangladesh.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—