দীর্ঘ পাঁচ বছরের সংঘবদ্ধ মিথ্যাচারের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিএনপি স্বীকার করল তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক আশ্রয়ে লন্ডনে অবস্থান করছে। ২০১২ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের প্রার্থনা করার পর ২০১৩ সালে বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্ট ত্যাগ করে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করে।

এই সত্য স্বীকার করে বিএনপি নিজেদের বিগত ৫ বছরের সকল অফিশিয়াল বক্তব্যকে নিজেরাই মিথ্যে ঘোষণা করলো। বাংলাদেশের অন্যতম দাপুটে বিরোধী দল হিসেবে দাবি করা বিএনপি বিগত ৫ বছর ধরে বলে এসেছে, ‘তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থান করছে’। সাম্প্রতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করার বিষয়টি সামনে এলেও বিএনপি তাদের মিথ্যের অবস্থানেই দাড়িয়ে থেকেছে। সোমবারও তারেক রহমানের আইনজীবী কায়সার কামাল বিবিসিকে একই কথা জানিয়েছে। সোমবার পর্যন্ত মীর্যা ফখরুল, রুহুল কবীর রিজভী ও কায়সার কামাল পাসপোর্ট সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিলেও, প্রত্যেকের ভাষ্যে যে-বিষয়ে অভিন্নতা  ছিলো তাহলো পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম মিথ্যাচার করেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে পাসপোর্ট দেখানোর দাবি জানিয়েছিলেন রিজভী। অন্যদিকে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল আরো একধাপ এগিয়ে তারেক রহমানের পক্ষ হয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং দুইটি পত্রিকার কাছে।

বিএনপির এই অবস্থানে সাধারণ মানুষ যখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে সরকার তারেক রহমান সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, ঠিক তখন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারেক রহমানের পাসপোর্ট প্রকাশ করলেন সাংবাদিকদের সামনে। বিএনপির আগের  বেশ কটি ইস্যুর পরিণতির মত এবারও দেশের জনগণ তাদের দ্বারা প্রতারিত অনুভব করলো। বিষয়টি শুরুতেই মেনে নিলে ক্ষতিটা যতটুকু হতো, জনগণকে পুনরায় প্রতারিত করে ক্ষতি অনেক গুণ বেশি হলো। জনসমর্থন বিবেচনায় লাভ কার বেশি হলো? সরকারের নাকি বিএনপির?

এখন মীর্যা ফখরুল দীর্ঘ পাঁচ বছর তারেক রহমানের রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার বিষয়টি জাতির সামনে বিস্তারিত জানাতে বাধ্য হচ্ছেন। বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত সংবাদে তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং এক বছরের মধ্যেই সেটি গৃহীত হয়েছিলো’। অর্থাৎ ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন না তারেক রহমান এবং চিকিৎসার উদ্দেশ্যেও তিনি লন্ডনে নেই। প্রশ্ন হল- বিষয়টি বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে কি বিগত ৫ বছর অজানা ছিলো? নাকি ইচ্ছে করে তারা তথ্যটি গোপন করেছে? আর গোপন করার কারণ কী?

এর উত্তর পাওয়া গেছে মীর্যা ফখরুলের বক্তব্যে। তিনি বিবিসিকে বলেন, আমরা সবাই জানি যে তারেক রহমান সাহেব বিদেশে চিকিৎসার জন্য গেছেন। তারপর এখানে দেশে বর্তমান সরকার তার বিরুদ্ধে যেভাবে মামলা-মোকদ্দমা এবং বিনা বিচারে সাজা দিচ্ছে সে কারণে তিনি অ্যাসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) চেয়েছেন।

অর্থাৎ এটি স্পষ্ট তারেক রহমান মামলার সাজার হাত থেকে রক্ষা পেতেই রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলাটির বিচার শুরু হয় ২০১১ সালের ৬ জুলাই। ক্রমশ তথ্য প্রমাণগুলো সামনে আসতে থাকায় মামলায় সাজার সম্ভাবনা স্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে। সাজা হবার ভয়েই তিনি ২০১২ সালে  রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। বিচার শেষে নিম্ন আদালতে মানি লন্ডারিং মামলার রায় হয় ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর। ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করে দুদক। এই বছর ব্রিটেনে সরকারের কাছে পাসপোর্ট জমা দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন তারেক রহমান।

২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে তারেককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। কিন্তু তারেক আত্মসমর্পণ না করলে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে লন্ডনের ঠিকানায় পাঠানো হয়। তারও কোন উত্তর পাওয়া না গেলে দুদকের করা আপিলের সঙ্গে কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে মামুনের করা আপিল একই সঙ্গে শুনানি শুরু হয়। ২০১৬ সালের ৪ মে হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়, শেষ হয় ১৬ জুন এবং রায় প্রদান করা হয় একই বছরের ২১ জুলাই। বিচার পর্যালোচনায় উচ্চ আদালত জানায়, ‘তারেক রহমান সচেতনভাবে এই আর্থিক অপরাধের অংশ ছিলেন। তাই তিনি কোনো ধরনের ছাড় পেতে পারেন না।’

শুধু এই একটি মামলা নয়, দুর্ভাগ্যক্রমে মা বেগম জিয়ার অধিকাংশ মামলার আসামি তারেক রহমান। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর আগে মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে অপর এক মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এই হিসেবে খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ডের প্রেক্ষিতে বর্তমানে ১৭ বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তাকে জরিমানা করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

এ ছাড়াও আরো বেশ কিছু মামলা এখনো চলমান রয়েছে তারেক রহমানের নামে। কিছু মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে ও তদন্তাধীন রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা যেখানে নিহত হন ২৪ জন। তার বিরুদ্ধে চলমান আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলা হলো- সোনালী ব্যাংক বনাম ড্যান্ডি ডাইং ঋণ খেলাপি মামলা ও অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি মামলা। বর্তমানে চারটি মামলায় পলাতক আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত প্রধান। এই মামলাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম ও শুনানি অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হলে তারেক রহমানের সাজার পরিমাণ হবে তার মায়ের থেকে প্রায় ৬ গুণ বেশি। যেখানে বেগম খালেদা জিয়া মাত্র ৫ বছরের কারাদণ্ড পাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত নতুন চেয়ারপার্সন তৈরি করতে হল বিএনপির, সেখানে তাদের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ১৭ বছরের কারাদণ্ড রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিতভাবে এই দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের ভেবে দেখা দরকার। সাজাপ্রাপ্ত একজনের কাছ থেকে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব তার থেকেও বেশি সাজাপ্রাপ্ত অপর একজনকে দেয়া কতটা যৌক্তিক। তাও এমন একজনের কাছে দায়িত্ব দেয়া যে পলাতক আসামি এবং নিজ দেশের আদালত থেকে তার বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অর্থাৎ নিজ দল ও জাতির উদ্দেশ্যে দলীয় প্রধান কোন কথাই বলতে পারবেন না! তাহলে সেই দলের ভবিষ্যৎ কী?

তারেক রহমান বর্তমানে অবস্থান করছেন লন্ডনে। সেখানেই বিএনপির কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না তিনি। লন্ডনে বিএনপি সম্মেলন করতে গিয়ে মারামারি করে লন্ডন পুলিশের নজরে এসেছে। চলতি বছরে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা করেছে বিএনপির লন্ডনে থাকা নেতৃবৃন্দ। এর মাধ্যমে দলটি গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে বিদেশে এবং দেশে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান লন্ডনে বসে করা বাংলাদেশের জন্য কতটা অসম্মানজনক তা জাতীয় পর্যায়ের একটি দল হিসেবে বিএনপির কি অজানা?

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতে ৭ বছরের সাজা পাওয়া পলাতক একজন আসামি তারেক রহমান। পলাতক এই আসামির জাতির উদ্দেশ্যে কিছু বলার ক্ষেত্র রয়েছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা। তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট নেই। নির্বাচনে একজন ভোটার হিসেবে ভোট দেয়ার জন্য নেই বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র। রাজনৈতিক আশ্রয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন তিনি। নিজের স্ত্রী ও মেয়ের জন্যও রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন লন্ডনে। এমন ব্যক্তিকে একটি দল তাদের শীর্ষ নেতা হিসেবে কিভাবে নির্বাচন করতে পারে? আর এমন একজন নেতার কাছ থেকে তার দল ভবিষ্যতে কিবা আশা করতে পারে! জনগণের প্রত্যাশার কথা না হয় ছেড়েই দিলাম।

৬২ Responses -- “তারেক রহমানের পাসপোর্ট ও বিএনপির দীর্ঘ মিথ্যাচার”

  1. হামিদ

    বিএনপি হচ্ছে মিথ্যার গাট্টি। এরা খুব সুন্দর করে বানিয়ে জাতিকে মিথ্যা গিলাতে জানে। আবার কিছু আবাল এই মিথ্যাগুলো সত্য মনে করে লাফালাফি করে।

    Reply
  2. Babul

    তারেকের নামে কোন কিছু পেপারে প্রকাশ করা আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে জানতাম। পাসপোর্ট নিজের জিনিস, তা এভাবে প্রকাশ করা যায় কি?

    Reply
  3. Osman Goni

    বুঝলাম তারেক জিয়া দুর্নীতিবাজ, খালেদা জিয়া দুর্নীতিবাজ, বিএনপি দুর্নীতিবাজ।বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংকে কেন তারল্য সংকট, লোহার পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে কাদের আমলে ভবন কিংবা রাস্তা কিংবা ব্রিজ নির্মিত হচ্ছে , কার সম্মানী ভাতা ২ কোটি টাকা, কাদের আমলে প্রতিদিন শিশু ধর্ষিত হচ্ছে, কাদের আমলে একজন পাতি নেতা কোটি কোটি টাকার মালিক, ১০ টাকার চাল এখন কয় টাকায় বিক্রি হচেছ, ব্যবসা -বাণিজ্যের করুন দশা কেন (একমাত্র চাঁদাবাজি ও কমিশন ছাড়া ), বর্তমানে করা বেশি লাভবান হচ্ছে ? সব কিছু মিলিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে ভয় কেন ? জনগণের ওপর আস্থা নেই কেন ?

    Reply
  4. Ahmed Raju

    Here would be Bangladesh High Commission not the Embassy. Here addressed as Dear Sirs. Hope that British high commission not make such kind of silly mistakes.

    Reply
  5. স্ম্যাক হাসান

    তারেক জিয়া এক দুর্নীতিবাজ। তাকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে আর এক দুর্নীতিবাজকে ধরতে নেমে গেছে একটি অনির্বাচিত, অবৈধ সরকারের সকল লোকজন। কতো বড় প্রতারণা- “বাংলাডেশ এমবাসি” এটি কোথা থেকে আবিস্কার করলেন? এইটাও জানেন না যে- ইংল্যান্ড সরকার “বাংলাদেশ হাইকমিশন” বলে।
    নিচের সারিতে আরেক আবাল ম্যানেজারের স্বাক্ষর লাগাইছেন- যার নামটাই ভুলে কম্পোজ করতে ভুলে গেছে ব্রিটিশ এমবেসি!

    Reply
  6. মোঃ রিজন আলী।

    বর্তমানে দেশের খারাপ দল বিএনপি, এরা কখন কি বলে তারা নিজেরাই পরে ভূলে যায়….

    Reply
  7. M. Emad

    (1) High probability that Pakistan Security establishment supervised and arranged Tariq Rahman’s political asylum in UK in 2012. The Security establishment of Pakistan think that like mother Khaleda, son Tariq also could mobilize the different anti-Awami League (anti-Indian) factions to come to power and meet the basic requirement that Pakistan establishment desperately need at the eastern front of Indian subcontinent (pre-1971 status).

    (2) ‘ভুলে ভরা Home Office চিঠিটি’ is actually not from the proper Home Office but a letter from Passport Bank Manager of ‘Eaton House Repoting Centre’ which is mainly Asylum seekers detention (good word: Reporting) centre. Many low level staffs working there are half (/un)-educated Asylum seekers from Afghanistan/ Pakistam/ Middle East/ African countries. Most probably the letter was written by one of them. Many white British consider the asylum seekers like insect in their country. BREXIT (leaving European Union) is the result of too many immigrants in UK.

    Reply
  8. Ahsanul Haque

    কিছুদিন আগে জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছিলেন আমরা ‘আমরা সামাজিক মাধ্যমে কিছুটা পিছিয়ে আছি’। এখানকার মন্তব্য দেখে মনে হয় উনারা কাজে নেমে গেছেন। তারেক জিয়া নিয়ে সরকার যে সময় দিয়েছে তার অর্ধেক সময়ও যদি দেশের বেকারত্ব, দুর্নীতি, উন্নয়ন কাজে লুটপাট কমানো, ব্যাংক লুটপাট, শিক্ষা ব্যবস্থা, গরীবের জন্য সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা, আয় বৈষম্য ইত্যাদির প্রতি যদি জোর দিত তাহলে সামনের নির্বাচন নিয়ে এতো দাবা খেলার প্রয়োজন ছিল না । বিডিনিউজ আপনাদের বলছি একই টাইপের একচোখা দলান্ধ লেখা আর কত দিন? এবার ক্ষান্ত দেন।

    Reply
    • Bongo-Raj

      You mentioned that spending time against Tareq Zia is non-sense, why then you are reading article on Tareq and also making comment on it– doesn’t that non-sense too?

      Reply
      • Ahsanul Haque

        Coz we donot expect bdnews24.com to be a bullshit online paper. Its was one of the leading online paper but now a days its loosing its credibility & honesty just to make a particular party to be happy. We bleed inside seeing this. We want this online paper to be completely unbiased & honest to regain its credibility. Hope they will change themselves before its too late.

  9. লতিফ

    বিএনপিতে যতদিন তারেক মার্কা নেতা দলীয় প্রধান হয়ে আছে ততদিন আওয়ামী লীগ ওবায়দুল কাদের মার্কা নেতা দিয়ে দল ও সরকার দুটোই চালাতে পারবে।

    Reply
  10. Tamal kumar

    লেখকের কথা গুলো 100 ভাগ সমর্থন করি। BNP চেয়ারপারসন হয়ে দলের এই দুর্দিনে তারেক জিয়া কি করে বিদেশে থাকে? তারেক বাংলাদেশের নাগরিক নন। এত দিন BNP বলে আসছে তারেক লন্ডনে চিকিৎসাধীন এখন বলছে রাজনৈতিক আশ্রিত। এ ধরনের লেখা আরো চাই । সত্য কোন দিন চাপা থাকে

    Reply
  11. আরিফ খান

    আমাদের আশপাশে যে কত বলদ আছে তা এই ধরণের পোস্টে পাবলিক কমেন্ট দেখলে বোঝা যায়। এই ধরণের বলদ আছে যারা কিছু বোঝে না তবে অবিবেচকের মত মন্তব্য করতে ওস্তাদ। আরও এক ধরনের বলদ আছে যারা ভাব করে অনেক বোঝে, শব্দের গাঁথুনি পোক্ত। তারা আসলে জ্ঞান পাপী, সুশীল। যাদের কাছে কোন সমস্যার কোন সমাধান নেই আছে শুধু নেতিবাচক কথা। সে যাই হোক এক শ্রেণী এই রকম উল্টা-পাল্টা বলবে আরেক শ্রেণী দেশের চলমান রাজনীতির উপর যুক্তি সঙ্গত মতামতের মাধ্যমে জনগণকে রাজনীতি সচেতন করবেন।

    লেখককে অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
  12. Young Bangla

    মোক্ষম একটি লেখা। বিএনপি যে রাজনীতিতে দেউলিয়া হয়ে গেছে এই লেখাটি সেই স্বাক্ষর বহন করে। বিএনপির মিথ্যাচার, খালেদা-তারেকের দুর্নীতি আজ জনগণের কাছে পরিষ্কার। লেখক খুব সুন্দরভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। সময় উপযোগী একটি লেখার জন্য জনাব সুফি ফারুককে ধন্যবাদ।

    Reply
    • Tamal kumar

      লেখকের কথা গুলো 100 ভাগ সমর্থন করি। BNP চেয়ারপারসন হয়ে দলের এই দূর দিনে তারেক জিয়া কি করে বিদেশে থাকে? তারেক বাংলাদেশের নাগরিক নন। এত দিন BNP বলে আসছে তারেক লন্ডনে চিকিৎসাধীন এখন বলছে রাজনৈতিক আশ্রিত। এধরনের লেখা আরো চাই । সত্য কোন দিন চাপা থাকে

      Reply
    • mak

      Young Bangla আপনি বলেছেন বিএনপি যে রাজনীতিতে দেউলিয়া হয়ে গেছে এই লেখাটি সেই স্বাক্ষর বহন করে। মানলাম আপনার কথা। এখন বলেন তো, এই দেউলিয়া বিএনপিকে কেন আওয়ামী লীগের এতো ভয়?

      Reply
      • mohammad osman gani

        জনাব, বি এন পি কে ভয় পায় এমন কথা আপনি কোন শিশুর কাছ থেকে শিখলেন?

  13. খাইরুল ইসলাম

    বিএনপি এমন ভাব নেয় যে তারা ভাজা মাছটাও খেতে উল্টায়ে খেতে পারে না। বিএনপির কথা শুনে মনে পড়ে যায় সেই কথা যে, এই ধান কে লাগিয়েছে? বলে কানা। আরে তাহলে এই ধান কে লাগিয়েছে আবারো বলে কানা। তো কথা হল সব ধান যদি কানায় লাগাই তাহলে তোরা কি করছিস?

    বিএনপির ২০১৫ সালে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের উপর যে নির্যাতন চালিয়েছে তা কোন দিনই ভোলার মত না। যারা ক্ষমতাই যাওয়ার জন্য হাতিয়ার হিসেবে নিরীহ শিক্ষার্থীদের বেছে নেয়, তারা আবার দেশের কি উন্নতি করবে? ক্ষমতার লোভে যারা দেশকে অচল করতে চায় তাদের এই দেশের জনগণ চায় না, ক্ষমতার লোভে যারা বারবার মিথ্যার আশ্রয় নেয়, দেশের উন্নয়ন অস্বীকার করে তাদের কাছ থেকে এরথেকে ভাল আর কি পাওয়া যাবে? এরা বলল পদ্মা সেতু কোন দিনই এই দেশে আওয়ামী লীগ সরকার করতে পারবে না, এইবার যখন পদ্মা সেতু দৃশ্যমান তখন এদের ৮ম শ্রেণি পাশ নেত্রী বলল পদ্মা সেতু হচ্ছে ঠিকই ঐ সেতুতে কেউ উঠবে না, আবার দৃশ্যমান হওয়ার পরে এদের আরেক নেতা বলল আমরা তখন ঐ রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছিলাম যে পদ্মা সেতু হবে না। তো বিএনপি যে মিথ্যার উপর অবস্থিত তা এই দেশবাসী সবাই জানে। এই কথা এখন আর অজানা কারোরই নেই।

    Reply
    • mak

      জনাব খাইরুল ইসলাম, বিএনপির দুষ্কর্ম লিখতে গেলে লক্ষ লক্ষ পাতা লিখতে পারবেন। আপনি বলেছেন, বিএনপি যে মিথ্যার উপর অবস্থিত তা এই দেশবাসী সবাই জানে। ভালো কথা। তাহলে বলেন, এরপরও বিএনপিকে আওয়ামী লীগের কেন এতো ভয়? কারণটা তো খুব সোজা। কারণ বিএনপিই এদেশে একমাত্র দল যা নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।

      Reply
  14. সু চিন্তা -আমার মতামত

    লেখক তো খারাপ কিছু লেখেনি। যা সত্য তাই তুলে ধরেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান ও সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি নেত্রীকে আর এই বাংলার জনগণ দেখতে চায় না। পারলে দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান ও সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি নেত্রীকে বাদ দিয়ে মাঠে নামুক বিএনপি।

    Reply
  15. abdus salam

    তারেক নিজেকে রাজনীতিবিদ ভাবেন কেমনে? যে জেল জুলুমকে ভয় পায় তার রাজনীতিতে আসা কখনো ঠিক নয়। যিনি নিজেকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী মনে করেন অথচ তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়, হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন এমন কোন ভবন নেই যেখানে তার বিচরণ ছিলো না। আর আসলে সে তো অসুস্থ্য না, এটা খোদ বিএনপিও জানে। মিথ্যার উপর দাড়িয়ে বেশি দিন থাকা যায় না।

    Reply
  16. subash dutta

    বিএনপি যে একটি মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত একটা দল তা দেশবাসী সবাই জানে, শুধু জামাতি আর বিএনপি ছাড়া

    Reply
    • এম এ মাসুম

      লেখক খুব ভালোই আইন কানুন জানেন। লেখক যেহেতু বিএনপিকে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়েছেন, এই জন্যই তার উপরে এত রাগ।

      Reply
      • amjonota

        one simple example is:
        whoever is seeking any kind of asylum they don’t surrender but they submit documents.
        anyway ordinary people need more courage to minimise these kind of journalism.

    • Najim

      Writer only refer to the situation of present Mr. Tarik position living in UK. If any person dont having citizen passport while living overseas that is not ligal, either he should have Bangladeshi passport or Brithish passport. One question to you, why BNP hidden the fact?

      Reply
  17. সৈয়দ আলী

    ভারী মজাতো! যে ডকুমেন্ট দেখিয়ে শাহরিয়ার আলম বাঁশ খেয়ে মুখে গরম আলু নিয়ে চুপটি করে বসে আছে, এই লেখক সেগুলো নিয়ে হাজির হয়েছে! বিডিনিউজ২৪.কম কি আওয়ামী লীগের পতিত সমর্থকদের আশ্রয়ই হয়ে উঠলো?

    Reply
    • abdus salam

      আমরা আর বিশ্বাস করিতে পারছি না যে, তারেক এদেশে আসবে। বিএনপির কিছু নেতা কিছু দিন ভগর ভগর করে এক সময় থেমে যাবে। কারণ এমন ভাল কিছু বিএনপির নেই যা দিয়ে দীর্ঘ দিন চালানো যাবে। সবশেষ মিথ্যার উপর বেশিদিন থাকা যায় না।

      Reply
    • abdus salam

      প্রত্যেকের ভাষ্যে যে-বিষয়ে অভিন্নতা ছিলো তা হল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম মিথ্যাচার করেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে পাসপোর্ট দেখানোর দাবি জানিয়েছিলেন রিজভী। কিন্ত কই??

      Reply
      • খাইরুল ইসলাম

        সেটাও তো প্রতিমন্ত্রী দেখিয়ে দিয়েছে তা তো এই পোষ্টেই দেখানো হয়েছে।

    • Young Bangla

      দেশ ও রাজনীতির খবর খুব একটা রাখার সময় পান না মনে হয়। সে কারণে এইরকম অবিবেচকের মত মন্তব্য করলেন। শাহরিয়ার আলম কবে কোথায় বাঁশ খেল? আর যদি বাঁশ খাবে তাহলে মির্জা ফকরুল তার মিথ্যাচারের সত্যতা কেন স্বীকার করল?

      না বুঝেশুনে একটা মন্তব্য করলে হয় না ভাই। বিডি নিউজ কাদের কিভাবে আশ্রয় দিল না দিল সেটা আপনার বোধগম্য বিষয় হলে আপনি আজ মন্তব্য করতেন না বিএনপি এবং তারেক জিয়ার পক্ষে মতামত লিখতেন।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        যে ভুলগুলো নিয়ে দেশ টালমাটাল হচ্ছে, বৃটিশ সরকার যে চিঠি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সেগুলোর জবাব কেন শাহরিয়ার দিচ্ছেনা? বিএনপি কি করলো তা’নিয়ে বা তারেক চোরাকে নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই, আমার আগ্রহ একটি ভুলেভরা পত্রের ব্যাখ্যা কেন শাহরিয়ার দিচ্ছেনা?

    • নিউজ মিডিয়া

      লেখক সত্য কথা বলেছে বলে আজ বিএনপি নেতা কর্মীরা লেখককে নানা কথা শুনাচ্ছে। বিএনপি নেতা কর্মীরা কি জানে সত্য চিরদিন সত্যই থাকে তা বিএনপি মিথ্যাচার করার চেষ্টা করছে। কখনো তারা সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকতে পারবে না যতবারই ঢাকতে যাবে ততবারই কলমের কালি দিয়ে সত্য কে লেখা হবে। বিএনপি তো মিথ্যার রাজনীতি করে আজ এই পযর্ন্ত এসেছে। এখন লেখক সত্যকে তুলে ধরেছে বলে তারা বিডি নিউজ ২৪.কমকে জড়িয়ে নানা কথা বলছে।
      জনগণ বিএনপির মত মিথ্যা রাজনীতি করা দলকে আর দেখতে চায় না। যারা দুর্নীতি করে, যারা মিথ্যা কথা বলে বিদেশে পালিয়ে থাকে যে দলের নেতা কর্মীরা আবার বড় বড় কথা বলে কি করে?

      Reply
    • M.A. Masum

      গরম আলু মুখে নিয়ে বসে থাকার কথা তো আপনার! কারণ লেখক সুফি ফারুক তো তারেক রহমানের পাসপোর্ট ও বিএনপির দীর্ঘ মিথ্যাচার নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জনগনের সামনে তুলে ধরেছেন।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        চিঠিটি যে ভুলে ভরা সেটির ব্যাখ্যা না দিয়ে মুখে গরম আলু নিয়ে বসে আছে আপনাদের মন্ত্রী আমি না। সুফি ফারুক আগের চাইতে আর নুতন কি লিখেছে? একটি লাইন দেখানতো? বিএনপি’র মিথ্যাচারণ তো স্বাভাবিক, কিন্তু আপনারা যে অতো সতী তাহলে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফটো-অপ করাকে মিটিং বলে বৃটিশ সরকারের প্রতিবাদকে সত্যাচরন বলবেন কি? অথবা সিডনীতে দোকানদারনীদের সামিটে গিয়ে একখানি বাটি নিয়ে আসাকে রাষ্টকর্মের স্বীকৃতি বলেন কি?

    • খাইরুল ইসলাম

      আপনাদের পক্ষে যে কথা বলবে না, সেই কি আওয়ামি লীগ?
      দেশের উন্নয়নের কথা যে বলে সেই আওয়ামি লীগ হয়ে যাবে?
      যে তথ্য গুলো সুফি ফারুক দিয়েছে সেটা প্রমাণসহ দিয়েছে।
      আপনি ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফালাফি না করে পারলে এই কথার বিপরীতে প্রমাণ দেন!
      কে কি কথাই বলেছে সব তথ্যই কিন্তু সুফি ফারুক প্রমাণসহ দিয়েছে তাহলে আপনার বিশ্বাস করতে সমস্যাটা কোথায়?

      Reply
    • Bongo Raj

      Dr Sayed Ali
      Would you kindly provide appropriate arguments with proper logic and data that the writer is wrong.
      In fact I feel shame for you by seeing your reckless attempt with silly comments in every Motamot article.

      Reply
    • Bongo-Raj

      Dr(?) Sayed Ali
      Would you kindly provide appropriate arguments with proper logic and data that the writer is wrong.
      In fact I feel shame for you by seeing your reckless attempts with so many silly comments in each Motamot article!!!

      You are shading mud to the surname Sayed ( probably whose ancestors were from SaudiArabia are used this family name)

      Reply
  18. Mute Spectator

    সরকারী নথি অনুযায়ী তথ্য সঠিক। রাজনীতি কিন্তু নথি নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে না একথা সবাই জানে। কারো ভুলকেও রাজনীতি হজম করতে পারে, ভোটের মাধ্যমে। ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথাই ধরুন না। ২১ বছর সরকারী নথিতে একরকম ভাষ্য ছিল, যেন জনগণের ইচ্ছায় জাতির স্বার্থে ১৫ আগস্ট অনিবার্য ছিল। জেনারেল এরশাদ এই তরিকার লোক ছিলেন এবং প্রায় ১০ বছর ব্যাভিচার, লুটপাট সহ হেন কোন অপকর্ম নেই করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে মামলার তো ইয়ত্তা নাই। সেই মামলা এখন জ্বালানীর অভাবে চলে না। ফলে নথির দৃষ্টিতে তিনি অপরাধী থাকার কথা থাকলেও রাজনীতির মহিমায় এখন হিরো। তিনিই তো এখন বলতে গেলে সরকার। তার আর্থিক নীতি এখনও চলে (যেমন ব্যাংক লুট ইত্যাদি) রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম সংবিধানে বিদ্যমান। সুতরং রাজনীতি অর্থাৎ ভোটে আপনি যতক্ষণ জয়ী থাকবেন ততক্ষণ নথির বয়ান ঠিক আছে কিন্তু রাজনীতিতে হেরে গেলে নথিতে কিন্তু অন্য বয়ান লেখা হবে।

    Reply
    • Bongo-Raj

      Dear Mr. M. Spectator
      Reading your comment I have grown a perception that you are advocating the below point.
      i.e,
      ” Bad-doing and wrongdoing are the common problem of Bangladesh, why the writer is focusing on BNP chief’s issue only?.”
      Please correct if I’ m wrong!!

      “People like Ershad as well as the people of ruling party, who are doing bad things, should also face the appropriate verdict like current BNP is facing”.—
      Our comment should focus on these — isn’t it?

      Reply
      • Mute Spectator

        আধুনিক গণতন্ত্রে আপনি শাসক কেন? কারণ জনগন ভোটের মাধ্যমে আপনাকে নির্বাচন করেছে। আপনার শাসনে যদি জনগণ অসন্তুষ্ট থাকে তবে ভোটে অন্য কাউকে ক্ষমতায় আনবে। তখন নৈতিকভাবে সরকারী narratives বদলানোর অধিকার বিজয়ী দল/সরকারের থাকে, মামলা তুলে নেয়ার অধিকার থাকে। এটা একটা রেওয়াজের কথা বলা হয়েছে মাত্র। ১৫/২০ বছর আগে মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি ছিলেন আনোয়ার
        ইব্রাহিম। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মাহথির সাহেব আনোয়ারকে ‘সমকামিতার’! অভিযোগে আদালতের মাধ্যমে জেলে দেন। মাহথিরের স্বাভাবিক মেয়াদের পর একই দলের নজীব রাজেক প্রধানমন্ত্রী হন। ইতোমধ্যে দুজনের মধ্যে মতভিন্নতার সৃষ্টি হয়। আনোয়ার এখনো জেলে। সর্বশেষ খবর মাহথির নতুন দল করে আনোয়ারের সাথে ঐক্য করেছেন নজীব রাজেককে নির্বাচনে হটানোর জন্য। জনসভায় ক্রন্দনরত অবস্থায় তিনি বলছেন ‘আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে নির্বাচনের জিতে দ্রুত আনোয়ারকে জেল থেকে বের করে প্রধানমন্ত্রী বানানো। রাজনীতিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের মাপে দেখা ঠিক নয়, ইতিহাস যে রাজনীতির শিক্ষক। কে কি মন্তব্য করবেন তা অন্যে কিভাবে ঠিক করে দেবে?

    • খাইরুল ইসলাম

      আপনাদের পক্ষে যে কথা বলবে না, সেই কি আওয়ামি লীগ?
      দেশের উন্নয়নের কথা যে বলে সেই আওয়ামি লীগ হয়ে যাবে?
      যে তথ্য গুলো সুফি ফারুক দিয়েছে সেটা প্রমাণসহ দিয়েছে।
      আপনি ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফালাফি না করে পারলে এই কথার বিপরীতে প্রমাণ দেন!
      কে কি কথাই বলেছে সব তথ্যই কিন্তু সুফি ফারুক প্রমাণসহ দিয়েছে তাহলে আপনার বিশ্বাস করতে সমস্যাটা কোথায়?

      Reply
      • সু মতামত

        লেখকের কলাম পড়ে বিএনপি’র সমর্থক কর্মীরা এখন নিজেরায় পাগল হয়ে গেছে। নেত্রী কারাগারে আর তারেক রহমান একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী এই নিয়ে তারা কি করবে। মির্জাসহ সবাই পাগল

    • M.A. Masum

      আমি মনে করি নতুন পাগল তো তারাই যারা বিএনপির এই মিথ্যাচার কে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। ধন্যবাদ জনাব সুফি ফারুক বিএনপির মিথ্যাচার ও তারেক রহমানের অসুস্থ থাকার নাম করে বিদেশে অবৈধভাবে থাকার বিস্তারিত তথ্য আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য।

      Reply
    • Young Bangla

      কেন ভাই? তথ্য প্রমাণসহ সত্যি কথা বলেছে তাই?

      এই লেখার কোন বিষয়টা দেখে আপনার এই সুচিন্তিত মন্তব্য করেছেন যদি একটু বলতেন।

      Reply
    • abdus salam

      পাগল তো ওরা যাহারা দণ্ডপ্রাপ্ত মানুষকে নেতা ভাবে। তাও আবার হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন কত কী!

      Reply
    • খাইরুল ইসলাম

      আপনাদের পক্ষে যে কথা বলবে না, সেই কি আওয়ামি লীগ?
      দেশের উন্নয়নের কথা যে বলে সেই আওয়ামি লীগ হয়ে যাবে?
      যে তথ্য গুলো সুফি ফারুক দিয়েছে সেটা প্রমাণসহ দিয়েছে।
      আপনি ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফালাফি না করে পারলে এই কথার বিপরীতে প্রমাণ দেন!
      কে কি কথাই বলেছে সব তথ্যই কিন্তু সুফি ফারুক প্রমাণসহ দিয়েছে তাহলে আপনার বিশ্বাস করতে সমস্যাটা কোথায়?

      Reply
  19. SAIDUL

    তা জনগণ ঠিক করবে লেখক বা বিডি নিউজ নয়। দালাল মিডিয়ার বিন্দুমাত্রও সততা নাই।

    Reply
      • Najim

        Bongo-Raj, You did nice feedback.. Thanks
        Some people have only one intetion to write negetive comments..when they will have sence, I mean they are still have non-sence

    • Young Bangla

      জনগন রাজনীতি সচেতন হয় কিসের উপর ভিত্তি করে? হাওয়ার উপর? আর মিডিয়া যদি দালালি করবে তা হলে সেই মিডিয়ার সংবাদ পড়েন কেন? কেনই বা মন্তব্য করেন?

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—