১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর চক্রান্তকারী খন্দকার মোস্তাক আহমেদ রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। সদ্যস্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের জাতির পিতাকে হত্যায় জাতি কেঁদেছিল, হাতেগোনা অল্প কয়েকজন মুজিবপ্রেমী এই হত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য কেউ বুক চেতিয়ে এগিয়ে আসেননি রাস্তায়। প্রতিবাদে কেঁপে ওঠেনি রাজপথ। অনেকে পালিয়েছিলেন বিদেশে। অনেকেই রাতের আঁধারে হয়ে গিয়েছিলেন মুজিববিদ্বেষী। জেনারেল জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে তৎপর হয়েছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগের অনেকেই!

২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল রাতে ঢাবির কবি সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগের সভাপতি ইশরাত জাহান এষাকে পেটাতে পেটাতে নিচে নামিয়ে এনে তর পরিধেয় কাঁপড় ছিড়ে ফেলা হয়েছিল। তাকে জুতোর মালা পরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়া হয়েছি। ‘এষা এক ছাত্রীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছে’- চক্রান্তকারীরা কথাটা রটিয়ে দিয়েছিল সারাদেশব্যাপী। ছাত্রলীগকতৃক বিভিন্ন হলের ছাত্রছাত্রীদের অত্যাচারের মুখরোচক কাহিনী খুব পরিকল্পিতভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল চারিদিকে। এমনকি সরকার ছাত্রলীগকে কোটা সংস্কারবাদীদের আন্দোলন ঠেকাতে মাঠে নামিয়েছে বলেও রটানো হয়েছিল। পরে জানা গেল মূল চক্রান্তকারীরা দলের ভিতরে থেকেই বাইরের ইন্ধনে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তুলছিল। ছাত্রলীগের শীর্ষনেতারা এসব রটনার প্রতিবাদ না করে দায় এড়াতে এষাকে বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রলীগ থেকে তাৎক্ষণিক বহিস্কার করেছিল। পক্ষান্তরে, এষাকে বহিস্কার করে চক্রান্তকারীদের রটনাকে সত্য বলে স্বীকার করে নিয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠণ ছাত্রলীগ, যা চক্রান্তকারীদের পালে হাওয়া দিয়েছিল দ্বিগুণ বেগে। দলের ক্রান্তিকালে নেতারা নৈতিক দায় নেয়া থেকে বিরত থেকেছিলেন। অথচ তারপরেও কি সরকার এবং আওয়ামী লীগ বদনাম থেকে রক্ষা পেয়েছিল!

’৭৫ এর প্রায় ৩৪ বছর পর মুজিবহত্যার বিচার হয়েছে। এষাকে বহিস্কারের তিনদিনের মাথায় বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পঞ্চম দিনে মূল চক্রান্তকারীদের বহিস্কার করা হয়েছে। তদন্তে চক্রান্তকারীদের পরিচয় জেনেছে জাতি। আওয়ামী লীগ ১৯৭৫এ ক্ষমতায় ছিল এবং ২০১৮তেও ক্ষমতায় আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর অনেক আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা অনৈতিকভাবে চুপ থেকেছিলেন, মোস্তাকদের বাঁধা দেননি কেউ। পালিয়ে জীবন রক্ষা করেছিলেন অনেকে। ২০১৮ সালে এষাকে বহিস্কার করে দায় এড়িয়েছে ছাত্রলীগের নেতারা। আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন হয়েও আওয়ামী লীগ নেতারা চুপ থেকে অনৈতিকতাকে প্রশ্রয়ই শুধু দেননি, একই সাথে পরোক্ষভাবে নোংরা রটনাকে স্বীকার করেও নিয়েছিলেন সেদিন। হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া কেউই প্রথম ২৪ ঘন্টা এষার নাম উচ্চারণ করেননি ভয়ে, লজ্জায় অথবা গা বাঁচাতে। সেদিনের বিশ্ববিদ্যালয় ছিল প্রায় ছাত্রলীগশূন্য। দখল নিয়েছিল সরকারবিরোধী চক্রান্তকারীরা!

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নোংরা, বানোয়াট প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছিল বাঁধাহীনভাবে। মুজিবহত্যার চক্রান্তকারীরা জনসমর্থন আদায় করতে পেরেছিল মিথ্যার বেসাতী দিয়ে। ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিলের পর তিনদিন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরামহীম বিষোদ্গার এবং প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে সংঘবদ্ধ চক্রান্তকারীরা সাধারণের অনুভূতিতে নাড়া দিতে পেরেছিল এবং সরকারবিরোধী সমর্থণ আদায়েও অনেকাংশে সফল হয়েছিল।

১৯৭৫- এবং ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ আকাশচুম্বী জনসমর্থণ নিয়ে ক্ষমতায় থাকা সত্বেও বিপদকালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দলের পাশে নৈতিক সমর্থন নিয়ে এসে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। বরং তাদের দ্বিধাদ্বন্দ তৃণমূলকে বিভ্রান্ত করেছে অনেকাংশে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশের আকাশচুম্বী উন্নয়ন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আদর্শিক ও নৈতিক মননশীলতার কোন উন্নয়ন হয়েছে বলে প্রমাণ হয়নি! তুলনামূলক এই পর্যালোচনায় ১৯৭৫ এবং ২০১৮ সালের সুবিধাবাদী, অনাদর্শিক চরিত্রগুলোর মাঝে মৌলিক কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য শুধু এলার্মিংই নয়; একই সাথে ভয়াবহ! এ ব্যাপারে দলের নীতিনির্ধারকদের সতর্ক হওয়া জরুরী!

দুই.

যেকোন ধরনের আচারঅনুষ্ঠানেরই নির্দিষ্ট কিছু Dress-code বা পোশাকরীতি থাকে। এ রীতি সার্বজনীন এবং আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। বিয়ে, জন্মদিন বা মৃত্যুদিবস, খেলার মাঠ বা জাতীয় কোন দিবসে দেশভেদে নির্দিষ্ট পোশাক পরার রেওয়াজ থাকে। কোন বিশেষ গোত্রের জন্যেও নির্দিষ্ট ধরণের পোশাক থাকে, যা ব্যক্তিকে অন্যগোত্র থেকে আলাদা করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরিচয়বহনকারী বিশেষ ধরনের পোশাকরীতিও আছে, যা একদলের কর্মীদের অন্য দল থেকে সুস্পষ্টভাবে আলাদা করে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বার্মা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে পোশাকরীতির এ প্রবণতা অত্যন্ত জোরালো।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় যে দলগুলো আছে তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ অন্যতম। এদলের নেতা-কর্মীরা সাধারণত সাদা পাঞ্জাবীর উপর কালো মুজিবকোট পরে দলীয় পরিচয় প্রকাশ করেন। একইভাবে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিশেষ ধরণের সানগ্লাস এবং সাফারী টাইপের পোশাক পরেন। বামপন্থীরা কিছুটা অগোছালো সাদা পাজামা-পাঞ্জাবী পরেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পাজামা-পাঞ্জাবী ছাড়াও মাথায় ‘টুপি’ পরে থাকেন। টুপি পরে তারা একটি মৌলবাদী, ধর্মাশ্রয়ী দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটা গণমানুষের দল। এ দলে আছে সব ধর্মের মানুষ। জাতির পিতার জীবদ্দশায় তিনি বিদেশ সফর ছাড়া সব সময়ই সাদা পাঞ্জাবীর উপর কালো হাতাকাটা মুজিবকোট পরতেন এবং তা স্বাধীনতার আগে থেকেই। স্বভাবতই এই পোশাক কালেক্রমে হয়ে ওঠে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পোশাকরীতি। অথচ হালআমলে দেখা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রায় ৯০% নেতারা কালো মুজিবকোট পরুক বা না পরুক, তারা মাথায় টুপি পরে অফিস করছেন এবং বিভিন্ন জনসভা ছাড়াও কর্মীসভাতেও একই পোশাকে নিজেদের উপস্থাপন করছেন। এ প্রবণতা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপিদের বেলায় দেখা যায় প্রকটভাবে! তাঁরা টুপি পরে অফিস তো করছেনই, টুপি পরা ছবি দিয়ে অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমেও নিজেদের ঢালাও প্রচার করছেন। অথচ এ দলের যিনি প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কখনোই দেখা যায়নি হিজাব-বোরখা পরে অফিস বা প্রেস কনফারেন্স করতে। আরব দেশগুলোতে রাষ্ট্রীয় সফরেও তিনি সনাতনী শাড়ি পরেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন!

সাম্প্রদায়িক জামায়াত-বিএনপি নতুন প্রজন্মকে যুগের পর যুগ বিভিন্নভাবে প্রতারিত করছে এবং সফলও হয়েছে। প্রজন্ম জেনেছে, টুপি পরা রাজনীতিবিদ মানেই জামায়াত-বিএনপির রাজনীতিবিদ। কিন্তু হালের আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন দুর্দশা কেন হবে যে তাদের দেখলে জামায়াত-বিএনপির নেতাদের পোশাকরীতির সাথে আলাদা করা যাবে না! পোষ্টারে, ব্যালটে, ব্যানারে, দেয়াল লিখনে সর্বত্রই আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের পোশাকরীতি একীভূত হচ্ছে। সম্ভবত এ কারণেই জামায়াত-বিএনপি থেকে অনুপ্রবেশকারীরা খুব সহজেই সর্বস্তরের আওয়ামী লীগের সাথে মিশে যেতে পারছেন, অনেকটা বাহ্যিক ও আদর্শিক দৃষ্টিতে! নিজেদের লুকোতে জামায়াত-বিএনপির অনুপ্রবেশকারীদের আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েও টুপি খুলতে হয়নি। স্বাভাবিক কারণেই অনুপ্রবেশকারীদের আলাদা করা যাচ্ছে না মূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের থেকে। নির্বাচনে যদি এই প্রজন্মের ভোটাররা ছবি বা পোষ্টার দেখেও ভোট দেন, তাহলে সে ভোট কোন বাক্সে পড়বে, বোধকরি তা বোঝার জন্য কাউকে খুব বেশি জ্ঞানী হতে হবে না!

ধর্ম মানুষের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটা বিষয়। ধর্মালয় বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ধর্মীয় পোশাকরীতি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মন্ত্রনালয়, সচিবালয় বা দলীয় অফিসে কেন ধর্মীয় পোশাক পরতে হবে, তা আমার বোধগম্য নয়! এ চর্চায় আর যাই হোক প্রজন্মের ভোট পাওয়া যাবে না। বরং আওয়ামী লীগের এই ধর্মভিত্তিক পোশাকরীতির জন্য ভোটাররা বিভ্রান্ত হবেন এবং ধর্মীয় যুক্তিতে জামায়াত-বিএনপিকেই সঠিক মনে করবে। ধর্ম এবং ধর্মীয় পরিচয়বহনকারী পোশাকই যদি হবে ভোট দেয়ার আদর্শিক শর্ত, তাহলে কেন ভোটাররা আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে, প্রজন্মের এ প্রশ্নের উত্তর আওয়ামী লীগ কিভাবে দেবে আমার জানা নেই!

ধর্মীয় পোশাকরীতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রবেশদ্বারকে উন্মুক্ত করেছে জামায়াত-বিএনপির জন্য। এ দরজা বন্ধ করতে হবে এবং শীঘ্রই। ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে স্বাধীনতাউত্তর আওয়ামী লীগকে খেসারত দিতে হয়েছে একাধিকবার। আগামীতেও যে ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি হবে না সে গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। ব্যক্তিগত এবং ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মুজিববাদের পোশাকরীতিতে উৎসাহিত করতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না যে, জাতির জনকের ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানের সঠিক অনুবাদ ধর্মীয় পোশাকে নেই। নির্বাচনের পূর্বেই আওয়ামী লীগকে এব্যাপারে নির্দেশনামূলক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

 

সাব্বির খানবিশ্লেষক, লেখক ও সাংবাদিক

৫০ Responses -- “পোশাকরীতিতে আওয়ামী লীগের সতর্কতা জরুরি!”

  1. মাসুদ রহমান

    সুন্দর লিখেছেন,, প্রতিক্রিয়াশীলদের এলার্জি চোখে পড়ার মতো!! জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু!

    Reply
  2. Choudhury

    What’s your point ?

    Wearing Hat, Cap, Shirt, Sharee, Borkha/Hizab or Mini Skirt is a person’s freedom of choice which may be based on nation, culture, religion or weather .

    What’s your damn problem with that ? Are you some sort of retard ?

    Reply
  3. shamim

    ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ এর সাথে ১০ এপ্রিল ২০১৮!! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে এষা’কে বহিস্কার!!! কি দারুণ তুলনা!!!! You are a great Asshole……

    Reply
  4. SAAD KHAN

    অনেকেইতো তেল নিয়ে ঘোরে, এ ভদ্রলোক দেখি গিরিজ নিয়া ঘুরছে। রক্ষা করো প্রভূ !

    Reply
  5. Ahmed Raju

    কি শিরোনাম? কি ছবি? আর কি লেখা? কোথায় ৭৫? কোথায় ১৮? কই মুজিব কোট? কই টুপি? কই এষা আর কই আছেন এই লেখক ভাই?

    Reply
  6. স্ম্যাক হাসান

    প্রতি মুহূর্তে ভাবি- দেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে, এ পথে আমরা উত্তাল গণস্রোত দেখছি। হতাশ হতেও সময় লাগে না- যখন দেখি- দেশে এ ধরনের লেখকও গণমাধ্যমে লিখছে!
    তিনি কী লিখলেন, তাতে যুক্তির কী প্রখরতা আছে, তা দিয়ে কী হবে- কিছুই বুঝতে সক্ষম হলাম না।

    Reply
  7. আসিফ

    কাঁচা তেল হাতে শহরে নতুন চাটার আবির্ভাব……
    আপাতত সাইডে চেপে যান, ময়দানে এখন শাহরিয়ার কবির আর জাফর ইকবালদের মত জাঁদরেল চাটারা খেলছেন। উনাদের অবসরের দিন গুনতে থাকেন আর ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন।

    Reply
  8. Muhammad Samad

    Congratulations for the creative article. I deeply appreciate the writer. The writer may write another article on religious culture of timing like Magreber pore, Eshar pore, etc. instead of 6pm, 9pm, and so on.

    Reply
  9. tawhid

    totally inappropriate and meaningless writing!!!..actually u don’t have any idea wht are you talking!?..tupi is not a political think and any Muslim have right to wear it.

    Reply
  10. Elias Hossain

    কিছু নিকৃষ্ট লেখাও আমাকে আকৃষ্ট করে। এই যেমন এই লেখাটি। একই পেশার মানুষ আমরা। তা উনি আবার কলামিষ্ট!

    Reply
  11. রাজু আহম্মেদ, টাঙ্গাইল

    চান মুজিব কোট আর ছবি দেন জিন্স প্যান্ট-বোরখার! আজাইরা মানুষের আজাইরা কাজ। আপনার জন্য দরকার ছিল “পিং ইয়ং কিম সরকার”

    Reply
  12. মোঃ রাকিবুল ইসলাম

    ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ এর সাথে ১০ এপ্রিল ২০১৮!! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে এষা’কে বহিস্কার!!! কি দারুণ তুলনা!!!!

    Reply
  13. M. R. Choudhury

    দুুঃখিত আপনার লেখার সাথে একমত হতে পারলাম না বরং আপনার লেখা এটাই প্রমাণ করলো যে, এখনকার আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর নীতি বিবর্জিত হয়ে পোশাকী হয়ে যাচ্ছে, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নয় বরং পোশাকের রাজনীতি করেন।

    Reply
  14. Qudrate Khoda

    অতি যুক্তিযুক্ত, সহজ, ও সাহসী লেখা। বাংলাদেশে এখন অনেক বেশি এই ধরণের সাহসী মানুষ দরকার।

    সৈয়দ ওয়ালীঊল্লা তার “লাল শালু” উপন্যাসে কয়েক দশক আগে বলেছিলেন- “… দেশে শস্যের চেয়ে টুপি বেশী”। কিন্তু দুঃখজনক যে সে অবস্থার এখন আরো অবনতি হয়েছে বাংলাদেশে।

    লেখক একটি অপ্রীতিকর সত্য কথা বলার চেষ্টা করেছেন। এই জন্যে বোধকরি এই লেখার বিষয়বস্তু বোধগম্য নয় বলে কয়েকজন মন্তব্যকারী বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এগুলো বুঝতে অসুবিধা কারণ এটি একটি অসুবিধাজনক সত্য। ফলে হয় উনারা বুঝেও না বোঝার ভান করছেন আর না হয় উনাদের বাংলা ভাষা ভালো করে শেখা দরকার।

    পোশাকের মাধ্যমে মানুষ একটা বার্তা দিতে চায়। সাজ-পোশাক অনেকটা ব্র্যান্ডের মত কারণ সাজ-পোশাকের মাধ্যমে মানুষ নিজের পরিচয় প্রকাশ করে কমবেশি অথবা লুকায়।

    যে সব সমাজ অসভ্য, অনুন্নত সেখানে পোশাকের স্বাধীনতাও সীমিত, এটা সর্বজনবিদিত।

    Reply
  15. শাহীন মল্লিক

    জনাব কলামিস্ট, আমার মনে হয় আপনি একজন পা চাটা তেলবাজ । মনে রাখবেন ৭৫ সালেও জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করেছিলো তাদের নিজিস্ব মানুষেরাই যারা জাতির জনকের খাবার খেয়ে বড় হয়েছে। আমার মনে হয় ওই নিমক হারামরা আপনার মতোই পা চাটা ছিলো। আমি মনে প্রাণে জাতির জনককে শ্রদ্ধা করি আর ঘৃণা করি আপনার মতো দালালদের। আমার মতো পাবলিকের কাছে দেশের জাতির জনকের পরিবার নিরাপদ কিন্ত ভয় হয় শুধু আপনাদের মতো মানুষদের নিয়। বিডিনিউজ২৪ডটকম কে এরকম পা চাটা কলামিস্টদের থেকে দুরে থাকার অনুরোধ করছি…।

    Reply
  16. ফাহিম ফেরদৌস

    এইরকম অখাদ্য লেখা সচরাচর পাওয়া যায় না। লেখককে অভিনন্দন।

    Reply
  17. আশিক

    কাজ নেই তো খই ভাজ। আদর্শকে ধারণই আসল কথা, পোশাক গৌণ। আর এমন পোশাকের রেস্ট্রিকশন দিলে তো জামাত-বিএনপিরাই আগে সেই পোশাক পরে নেবে, রাস্তাঘাটে পিঠ বাঁচাতে এটাই হবে উত্তম উপায়। লেখকের সুবুদ্ধি জাগ্রত হোক, পদলেহন-মোসাহেবি বন্ধ হোক, বঙ্গবন্ধুর সঠিক আদর্শ ধারণ করুক। ধন্যবাদ।

    Reply
  18. Jafar Ahmed

    উনি কি আসলে লেখক? উনি কি বলতে চাইছেন উনি নিজেও জানেন না । বিডিনিউজ২৪.কম আপনাদের এ ব্যাপারে আরো সতর্ক হওয়া উচিত। এখানে লেখা বিবেচনা করা হয় মেরিট এর ভিত্তিতে নাকি যে যত দলকানা তার ভিত্তিতে? একচোখা দলকানা লেখা মানুষ প্রত্যাখান করে। শুধু শুধু সময় নষ্ট।

    Reply
  19. বিকাশ

    বিডিনিউজকে সবসময় ভালো লাগে । কিন্তু তাদের কলামিস্টদের জঘন্যরকম দলকানা মনে হয়। এইসব দলদাস কলামিস্ট তারা কোথায় পায়? উট পাখির মত এইসব কলামিস্টরা মাথা মাটিতে গুঁজে রাখে। জনগণ হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এরা । কোটা আন্দোলনকে বলছে তারা সরকারবিরোধী আন্দোলন!!! আপনারা হোমওয়ার্ক করে তারপর লিখতে বসুন।

    বিডিনিউজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করি এরকম দলান্ধ কলামিস্টদের লেখা প্লিজ আপনারা কম প্রকাশ করুন। (আমার কমেন্ট মনে হয় প্রকাশ ই হবে না )

    Reply
  20. সৈয়দ আলী

    ‘অথচ এ দলের যিনি প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কখনোই দেখা যায়নি হিজাব-বোরখা পরে অফিস বা প্রেস কনফারেন্স করতে।’ এ বক্তব্যটি সত্যি নয়।

    Reply
  21. Shamsun Nahar

    ১. বঙ্গবন্ধু নিজের পরিচয়ে পরিচিত ছিলেন। উনার স্বকীয় মহিমার সঙ্গে পোশাকের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে, সেটা মানতে পারছি না।

    ২. উদার গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের যেকোনো রাজনৈতিক নেতার পরিচয় তিনি নিজে, তার পোশাক নয়।

    ৩. আওয়ামী লীগে এমনিতেই অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত সীমাবদ্ধতা গেড়ে বসে আছে। পোশাকের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে সীমাবদ্ধতার তালিকা আরো খানিকটা লম্বা না করলেই কি নয়? তবে হ্যাঁ, ধর্মনিরপেক্ষ পোশাকের প্রসঙ্গ অবশ্যই তোলা যেতে পারে।

    ৪. আওয়ামী লীগের সত্যিকার সমর্থক হয়ে থাকলে দয়া করে, মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে আরো বেশি যুক্তিনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করুন।

    ৫. ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। আশা করি, নিজের লেখায় ভুলটুকু বের করতে পারার মত যথেষ্ট জ্ঞানী আপনি। ভুলটা ইচ্ছে করে করেছেন নাকি সঠিক তথ্যটা ভুলে গেছেন, সেটা ঠিকঠাক বুঝতে পারছি না, সেজন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

    Reply
  22. জাহাংগীর

    টুপিধারী আঃলীগ নেতাদের আসল উদ্দেশ্য সরকার পরিবর্তন হলে যেন বিএনপি- জামায়েতের সাথে মিশে যেতে পারে।

    Reply
  23. Md. Rafiqul Islam Razib

    “দলের যিনি প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কখনোই দেখা যায়নি হিজাব-বোরখা পরে অফিস বা প্রেস কনফারেন্স করতে” ভালো কথা বলেছেন!!!! না দেখে থাকলে ৯৬ এর নির্বাচনের আগের টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণ দেখে নিতে পারেন।
    আর আওয়ামীলীগের নেতারা টুপি পরতে পারবে না কেন? টুপি জামাতের পোশাক নয়, টুপি মুসলিমের পোশাক। অতএব একজন মুসলিম টুপি পড়তেই পারেন, তাতে আপনার গায়ে জ্বালা ধরুক আর যাই হোক!!

    Reply
  24. আহা রুবন

    জামাত দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে তাই ওদের প্রতি মায়া করে আওয়ামী লীগাররা টুপি পরা ধরেছে।

    Reply
  25. সরকার জাবেদ ইকবাল

    আপনি কি বলতে চাচ্ছেন ঠিক বোঝা গেল না। আপনি কি ব্যক্তিকে (যোগ্যতা) বাদ দিয়ে পোশাককে ভোট দিতে বলছেন?

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      এই আৎকা (হঠাৎ) গজিয়ে উঠা বুদ্ধিবাজেরা কী যে বলে তার অর্থ নিজেরাই জানে না। সাথে মনের মাধুরী মিশিয়ে মিথ্যাচরণ (wistful) তো আছেই।

      Reply
  26. চারুকলা ইতিহাস

    ইশরাত জাহান এষাকে আপনি ভাল/ চক্রান্তের শিকার বুঝাতে চেয়েছেন। ইশরাত এর অডিও টি শুনেছেন কি ?
    আমি অরাজনৈতিক ছাত্র। ঢাবি তে আমার অনেক বন্ধু পড়ছেন।
    ছাত্রলীগ- কি না পারে ! দেশে প্রশ্ন ফাঁস হয়না বলতে পারে, যাকে তাকে চড় মারতে পারে। সামনে নির্বাচন- বিশ্বজিত যেন না হই, এ মোর প্রার্থনা।
    ৭২ এর সংবিধান আনতে পারবে না সরকার ভোটের রাজনীতির জন্য, তাই টুপি দিন দিন বাড়বে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—