এবারের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে একটি ধারণা বিশেষভাবে প্রচারিত হয়েছে যে কোটা পদ্ধতির নিয়োগের ফলে সরকারি চাকরিতে মেধাহীনরা ঢুকে পড়ছে ফলে প্রশাসন মেধাশূন্য হয়ে পড়ছে। অনেকেই মনে করেন কোটায় দুর্বল প্রশাসন তৈরি হয়েছে এবং এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের উন্নয়ন ভীষণভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। পক্ষান্তরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভ জমা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় সব মহলই এ অন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। এবারের কোটা সংস্কার দাবির অন্যতম লক্ষ্য ছিল বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিলোপ অথবা একেবারেই কমিয়ে আনা। বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটাটি যেহেতু পুরো কোটার একটি বড় অংশ তাই এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার তৃতীয় প্রজন্মের অমেধাবী প্রার্থীরা ব্যাপক হারে সরকারি চাকরিতে ঢুকে পড়ছে।

প্রশ্ন হচ্ছে আসলেই কি কোটা ব্যবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অমেধাবীরা সরকারি চাকরিতে ঢুকে পড়ছে? ব্যাপক এ আলোচনার রেশ ধরে গত ১২ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে চ্যানেল আইয়ের টকশো তৃতীয় মাত্রায় অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও সাবেক পিএসসি-র চেয়ারম্যান ডঃ সাদ’ত হোসাইন কোটা পদ্ধতি, এর প্রয়োগ ও কোটা সুবিধায় নিয়োগের প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, কোটা প্রয়োগ করা হয় সকল রকম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মেধা তালিকার ভিত্তিতে। পরীক্ষায় কোনো কোটা সিস্টেম নেই। প্রার্থীরা প্রিলিমিনারী, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হয়। দুই/আড়াইলাখ পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে কমবেশি পাঁচ হাজার মেধা তালিকায় স্থান পায়। তারপর সেই তালিকা থেকে ৪৪ শতাংশ মেধা কোটায় নিয়োগ দেয়া হয়। তারপর জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও অন্যান্য কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়ে থাকে। অনেক সময় এই মেধা তালিকার একদম নীচের দিক থেকে পালি, উর্দু এমনকি অংক শিক্ষকও নিয়োগ দেয়া হয় যদি তালিকার উপরের দিকে শিক্ষক না থাকে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক মেধা তালিকায় আসতে সবাইকে পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখেই আসতে হয়। কোটা থাকে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে। তবে জেলা কোটার সাথে অন্যান্য কোটার সমন্বয় একটি জটিল প্রক্রিয়া। যেমন কোন জেলায় যদি কোটা বরাদ্দ থাকে দু’জন আর সেই জেলায় তিনজন প্রার্থী মেধা তালিকায় ১,২,৩ নম্বর সিরিয়ালেও থাকে তবে তৃতীয়জন চাকরী পাবেন না। কারণ তৃতীয় জনের আগেই সেই জেলা কোটা পূর্ণ হয়ে গেলে সেই জায়গায় হয়তো ২০০তম মেধাক্রমের কেউ চাকরি পেয়ে যাবেন যদি তার জেলায় কোটা খালি থাকে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার মাধ্যমে প্রশাসনে অমেধাবীদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে এমন প্রচারণার প্রতিবাদ করেন ডঃ সাদ’ত। তিনি বলেন, আড়াইলাখ পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে পাঁচ হাজার যারা উত্তীর্ণ হন তারা অত্যন্ত মেধাবী হিসেবেই মেধা তালিকায় আসেন।

এখানে উল্লেখ্ করা যায় যে, ৩৬তম বিসিএস এর প্রার্থী সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৬ জন। প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৩ হাজার ৮৩০ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৫ হাজার ৬৩১জন। এ ফলাফলে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ক্যাডারের বাইরে উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নন-ক্যাডার হিসাবে পরবর্তীতে মেধার সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

উপরোক্ত তথ্যাবলী থেকে এটি স্পষ্ট যে কোটা ব্যবস্থা থাকার পরেও সরকারি চাকরিতে কোনো অমেধাবীর নিয়োগ পাওয়া সম্ভব নয়। বিসিএস কারিগরি কোটায় অর্থাৎ শিক্ষা, চিকিৎসা, পুরোকৌশল ইত্যাদি ক্যাডারের নিয়োগে প্রচুর কোটাভিত্তিক পদ খালি থাকে বিধায় সেসবে সাধারণ মেধাভিত্তিক নিয়োগই দেয়া হয়। গত ২১, ২২ ও ২৫তম বিসিএস এ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত কোটার যথাক্রমে ১০ দশমিক ৮, ২ দশমিক ২ ও ৫ দশমিক ২ ভাগ পূর্ণ হয়। মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা ও পেশাগত ক্যাডারে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ২৮তম বিসিএসে ৮১০টি এবং ২৯তম বিসিএসে ৭৯২টি পদ খালি ছিল। পরে এসব পদে নিয়োগ দিতে ৩২তম বিশেষ বিসিএস হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সম্প্রতি কোটা পদ্ধতির এ বিষয়টি সংস্কার ক’রে মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করা হয়েছে। ৩৩ তম তে মেধাভিত্তিক ৭৭%+, ৩৫ তমতে মেধাভিত্তিক ৬৭%+ ও ৩৬ তমতে মেধাভিত্তিক ৭০%+ নিয়োগ হয়।

কোটা সংস্কারের দাবিতে গত কয়েকদিন যে আন্দোলন হয়েছে সেই সময়টাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন টকশোতে আন্দোলনের পক্ষে বিপক্ষে প্রচুর মতামত এসেছে। কেউ কেউ কোটা পদ্ধতি বাতিল চাইলেও অধিকাংশই কোটা কমিয়ে আনার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিপরীতে প্রচুর অসন্মানজনক উচ্চারণ শোনা গেছে। এটি জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সুবিধায় অমেধাবীরাই প্রশাসনে নিয়োগ পাচ্ছে। আন্দোলনের ফেস্টুন ব্যানারে ‘মুক্তিযোদ্ধার নাতি পুতি কোটা বাতিল কর’ বা শ্লোগান হয়েছে ‘গর্ধভ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের চেয়ে মেধাবী রাজাকারও ভালো’।

যদিও মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রতি ক্ষোভ বেশি তবে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থায় মেধাবীরা সবচাইতে বেশি বঞ্চিত হয় জেলা কোটার জন্য। বর্তমান কোটা ব্যবস্থায় জনসংখ্যার উপর নির্ভর করে কোটা বরাদ্দ হয়। ফলে যে জেলায় জনসংখ্যা বেশি, সেই জেলা থেকে লোক নেওয়া হয়। কম জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকার একজন প্রার্থী ভালো করলেও বাদ পড়ে যান। এছাড়া ১৯ টি জেলা থাকাকালীন জেলা কোটা চালু হয়েছিল। এখন জেলা ৬৪টি। অথচ কোনো কোনো নিয়োগে এত সংখ্যক পদই থাকেনা। জেলা কোটা ব্যবস্থা জটিল হওয়ায় এর অপব্যবহার হয় বেশি। এখানে দুর্নীতিরও সুযোগ থাকে বেশি। এবারের আন্দোলনে আন্দোলনকারীরা বর্তমান কোটার বরাদ্দ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এর বন্টন কিভাবে হবে সে বিষয়ে তারা কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। বর্তমানে দেশে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ৫৬ শতাংশ কোটার কথা বলা আছে এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ আর প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবিমতে এই কোটাকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনলে পাঁচ ধরনের কোটার জন্য জেলা পর্যায়ে প্রার্থী বরাদ্দ ভগ্নাংশে হবে মানে বরাদ্দ এক এর কম হবে। মানুষ যেহেতু ভগ্নাংশে ভাগ করা যাবেনা তাতে কোটা থাকলেও সেটা হবে শুভংকরের ফাঁকি, কেউ নিয়োগ পাবেনা। পাঁচ ধরণের কোটার মধ্যে ১০ শতাংশ ভাগ করে দেয়ার মত সংস্কার হলে কোটা থাকা না থাকার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য থাকেনা বরং হিসেবের জটিলতার ফাঁকে কিছু দুর্নীতি বেড়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।

সময়ের প্রয়োজনে বন্টন ও প্রয়োগ সুবিন্যস্ত করার লক্ষ্যে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হওয়া দরকার ছিল। জেলা কোটার জটিলতা থেকে কিভাবে মেধাবীরা সুবিধা পাবে সেটা নিয়ে কাজ করা দরকার ছিল এবং কোটা কমিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য মাত্রায় আনা দরকার ছিল যাতে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের শ্লোগান, ‘কাউকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া নয়’-এর উপর ভিত্তি করে উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নেয়া যায়।

দিনশেষে এই আন্দোলন থেকে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার হয়েছে যে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট কোনো ধারণা ছিল না ফলে কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের তারা অমেধাবী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সমাজের নানা স্তরের সুবিধার কথা না ভেবেই ১০ শতাংশ কোটা রাখার জন্য দাবি জানিয়েছে এবং এমন একটি জটিল বিষয়ের হিসেবনিকেশের কথা মাথায় না রেখে দাবি মানার সময়সীমা সাতদিনে বেঁধে দিয়েছে। এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি করেছে।

 

১০২ Responses -- “কোটা পদ্ধতিতে নিয়োগপ্রাপ্তরা কি অমেধাবী?”

  1. মো: আব্দুল হাকিম, সহকারী অধ্যাপক, ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ, যশোর ।

    প্রিয় বোন, আপনার বক্তব্য যদি সঠিক হয়, তাহলে মন্ত্রী কোটা, সাংসদ কোটা, সচিব কোটা সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তা কোটা চালু করলে হয় ।

    Reply
  2. তুর্য

    গত কিছুদিন আগে সাব-ইন্সপেক্টর পদে পরীক্ষা হলো। যেখানে প্রাক বাছাই থেকে শুরু করে রিটেন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটার ছেলেমেয়েদের আলাদা রাখা হলো। তাদের লিখিত পরীক্ষার সেন্টার আলাদা। কোন সীট প্ল্যান ছিল না। ফলে যে যার পাশে ইচ্ছামত বসে পরীক্ষা দিতে পারবে। তাছাড়া পাশের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হিসেব সেখানে। সাধারণ কোটায় ১০০ তে ৫০ পেলে পাস ধরা হয় আর মুক্তি যোদ্ধা কোটায় ১০০ তে ৪০ পাস ধরা হয়। অলিখিত নিয়ম এটা। বিশ্বাস না করলে খতিয়ে দেখতে পারেন। আর প্রবেশের বয়স সীমার কথা তো বাদ ই দিলাম। সাব ইন্সপেক্টর এ চাকরির প্রবেশের সাধারণ বয়সসীমা ২৭ বছর আর মুক্তি্যোদ্ধার সন্তান বা নাতিপুতিদের ক্ষেত্রে ৩২। এখানে বৈষম্য আছে কি নেই সেটার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ জরুরি বলে মনে করেননি লেখক/লেখিকা।

    Reply
  3. আমরা করব জয়

    কোটাধারীরা অনেক কম মেধাবী হয়েও চাকুরি পায়( ৪০০০-৫০০০), কোটাবিহীন ২৫০ মেধাক্রমেও চাকুরি হয় না। এ দুজনের মধ্যে তুলনা কি সমান হবে?

    Reply
  4. Mute Spectator

    কোটা বিতর্কে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে। বলতে গেলে এটা নিয়ে আন্দোলনটাকে Politicize করা হচ্ছে সরকার ও প্রশাসন থেকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে বক্তব্য দেবার পরও। এটা দুঃখজনক। মুক্তিযুদ্ধা কোটা কত শতাংশ হওয়া উচিৎ তা কখনই জরিপের মাধ্যমে যাচাই করা হয় নাই। জরিপ করা মোটেই কঠিন কাজ নয়। সনদধারী মুক্তিযোদ্ধাদেরই কোটার জন্য সরকারীভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে সরকার নিজেই স্বীকার করে যে সব সনদধারী মুক্তিযোদ্ধাই প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধা নন, অনেকেই ভুয়া। সরকার এদের চিহ্নিত করছে। অতএব এখন পর্যন্ত সরকার স্বীকৃত প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধার (এঁদের তালিকা কেন্দ্রীয়ভাবে মন্ত্রণালয়, ডিসি এবংইউএনও অফিসে আছে এবং এঁরা ভাতা পান) তালিকা ধরে প্রশাসনের মাধ্যমে খানা জরিপ করা যেতে পারে। এঁদের সন্তান এবং পৌত্রাদির সংখ্যা জানা অসম্ভব কিছু নয়। যারা কোটার সুবিধা পাবার যোগ্য এদের বর্তমান শিক্ষার অবস্থাসহ যাবতীয় তথ্যাদির একটা ডাটাবেইজ সংরক্ষণ করা যায়। মুক্তিযোদ্ধা শব্দটি দিয়ে এমন এক বীরকে বোঝায় যাঁর জন্ম ১৯৭১ সালের কমপক্ষে ১২/১৩ বছর হয়েছিল এবং এঁদের মোট সংখ্যা কখনও বাড়বার নয়। আমি বিশ্বাস করি এই পদ্ধিতিতে হিসাব করলে সব বিতর্কের অবসান হবে, কেউ এটা নিয়ে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজাকার শব্দটির সঠিক ব্যবহারের জন্য এদের একটি সরকারী তালিকায় থাকা উচিৎ। ১৯৭০ সালে অধিকাংশ মানুষ বঙ্গবন্ধুকে ভোট দিয়ে ছিলেন, অসহযোগ আন্দলনে অংশ নিয়েছিলেন। যাঁরা তখন দেশ ছেড়ে যেতে পারেননি তারাও এক অর্থে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন যদিও এঁরা তালিকায় নেই। সামান্য কিছু লোক পাকিদের সহযোগী ছিল, যারা রাজাকার আলবদর আলশামস ইত্যাদি। এখন এই অল্পদের সন্তানেরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেজরিটি হয় কিভাবে সবকিছুতেই আমাদেরকে যুক্তিনির্ভর ও হিসাব নির্ভর হওয়া উচিৎ। রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা উচিৎ।

    Reply
  5. Mukul Mia Talukder

    আবেগ বিহীন হয়ে ভাবুন। কোটা কমিয়ে ১৫ বা ২০% হলে ভালো হয়। বাকি ৮০% হবে সবার।

    Reply
  6. Uzzal Sarker

    কোটাধারীরা যদি মেধাবী হয় তাইলে কোটা থাকার দরকার কি ?
    বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর এতগুলা মেধাবী মুখ যখন একসাথে আন্দোলনে তখন অবশ্যই কিন্তু আছে …
    সেক্ষেত্রে এমন প্রতিবেদন তাদের মেধার এবং রুটি রুজির অসম্মান ছাড়া আর কিছু না…..

    Reply
  7. আবুল হায়াত

    এতোগুলো মন্তব্য। ৯৩ টা এখন পর্যন্ত। কোনটার রিপ্লাই নাই মেধাবী লেখিকার পক্ষ থেকে।

    Reply
  8. Aynal pagla

    Freedom fighter ra ki desher jonne juddho koresen na sorkarer, vata, kota ar suvidar jonne juddho korechen, kota thakbe but setar ekta limit ase, ami ai porjonto 146 exam diyeci but kothao job hoyni, bolen ami medhabi nah? ta hole board ki amake gaza khaiya sob 1st class dise? asole amader desher sorkar bebostha rasto porichelonay bertho. Ekta small deshe keno 30 lakh BA pass kora bekar thekbe jatir kase amar prosno? asole amar majhe majhe sondeho hoy kara rajaker ar kara mutijoddha songa bujhi na?

    Reply
  9. ইঞ্জিনিয়ার শাহ্ জালাল

    ইনারা মুক্তিযোদ্ধা!!
    মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট বাতিল হওয়া পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- স্বাস্থ্য সচিব নিয়াজ উদ্দিন মিয়া, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সচিব এ কে এম আমির হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান (বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় বেসরকারিকরণ কমিশনের চেয়ারম্যান), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী (বর্তমানে ওএসডি) এবং একই মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (ওএসডি) আবুল কাসেম তালুকদার।

    তারা ‘অবৈধ প্রক্রিয়ায়’ মুক্তিযোদ্ধার সনদ নেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাম্প্রতিক এক তদন্তে বেরিয়ে আসে।

    চার সচিব ও এক যুগ্ম-সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে দুদক।

    Reply
    • জাকের আহমদ খোকন

      ওনারা মেধাবী। চাকরি নিয়েছিল মেধা কোটায়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটার মধুতে কোটারী হতে চেয়েছিলেন। এখন এনারাও মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে কাজ করতে পারেন।

      Reply
  10. Shopno

    kota paddotir ke dorker??? medhabi hole to tara amnite job pabe, ar mukti joddhader shommaner kotha ashle tader jonno to vatar babostha ase to kotay tader chakri dite hobe kon juktite

    Reply
  11. Cornell Macbeth

    “শকুন যত উপরেই উড়ুক না কেন, তার দৃষ্টি সবসময় ভাগাড়ের দিকেই থাকে!”
    কানিজ আকলিমা সুলতানা, আপনার অপরিপক্ক “মতামত” প্রমাণ করে যে ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’-কে আপনি শুধু শকুনের দৃষ্টিতেই পর্যবেক্ষণ করেছেন।

    Reply
  12. Md Shohag Mahfuz

    Actually, it is not easy to pass all the exam ( preliminary exam, written exam and viva exam). So, I think those who pass all these exams are obviously meritorious and quota apply only after that. Can you imagine what percent of candidate qualify in preliminary, written and viva exam? Please don’t the selected candidates from quota are not meritorious.

    Reply
  13. মো: হাসানুজ্জামান

    প্রিয় লেখক আপনাকে কিছু বলতে চাই না। শুধু একটা কথাতে চাই, আপনি পড়ালেখা না করেই মনে যা এসেছে তা লিখেছেন। অনুরোধ করব কোন কিছু লেখার আগে সেই বিষয়টি সম্পর্কে একটুও পড়ালেখা করবেন, চামচামি নয়।
    নিচের ভিডিও গুলো দেখতে আপনার জ্ঞান বাড়তে:
    ১। কোটা কিভাবে প্রয়োগ হয়..
    https://www.youtube.com/watch?t=7s&v=B2IEZ9aMdzU
    ২। কোটা ব্যবস্থা পাকিস্তানের প্রেতাত্মা-ড. আকবর আলী খান
    https://www.youtube.com/watch?t=10s&v=NBj3sqixop0

    Reply
  14. আশিক

    কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তরা তুলনামূলক অমেধাবী। আর আপনার লেখায় বিশেষ বিসিএস এর তথ্য সংযোজন প্রয়োজন ছিল।

    Reply
  15. Rabiul Ahasan

    আপনি এখন আর ছাত্রী অথবা শিক্ষিত বেকার নন, তাই আন্দোলনকারীদের বুকভরা আর্তনাদ আপনাদের মন গলাতে পারবে না। সঠিক শিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ এবং সঠিক শিক্ষা বাবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে কোটা প্রথার কোন প্রয়োজন হয় না। যে শিক্ষা বাবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি সেখানে কোটা প্রথা দুর্নীতিকে আরও তরান্বিত করবে। কোটা যদি থাকতে হয় তবে তা শুধু শিক্ষিত প্রতিবন্দীদের জন্য থাকতে পারে, অন্য কারও জন্য নয়।

    Reply
  16. লতিফ

    বাসভর্তি লোকজন যদি বদ মতলবে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে দাঁড়ায়, সেখানে নারীরা লজ্জায় বাসে উঠবে না, সেটাই বাস্তবতা। কোটা সংস্কারের আন্দোলন অনেকটা সেই বদ মতলবের যাত্রীদের মতো ছিল। এখন বাসভর্তি পুরুষ, কারণ তাদের পেশি আছে এবং তারা গুতোগুতি করে বাসে উঠতে পারবে, এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কী হতে পারে!

    Reply
    • এমদাদ

      বাসে সিট পেতে কি মেধা লাগে ? এ প্রসঙ্গটা আনা ঠিক হয়নি। চাকুরির বা নেতৃত্বের ক্ষেত্রে মেধা এবং যোগ্যতা বিবেচনা করা উচিৎ। তবেই সুন্দর একটা উন্নয়ন বিপ্লব আশা করা যায়। ধন্যবাদ

      Reply
    • মেহেদী

      ভাই, নারীদের জন্য কয়টি আসন সংরক্ষিত থাকে? ৫০ টির মত আসনের মধ্যে ৫-৭ টি। যা শতকরা হিসাবে হয় ১০-১৪! আর সরকারি চাকুরিতে ৫৬%। বাসে ৫০ টি আসনের মধ্যে ২৮ টি (৫৬%) সংরক্ষিত রাখলে সেখানেও প্রশ্ন উঠত। আশা করি, বুঝতে পারবেন।

      Reply
  17. আজিজ

    মুক্তিযোদ্ধাদের ভাল করে তৈল মারেন। দেখা যাক আপনাকে নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেওয়া হয় কি না।

    এত মেধা তাকতে কোটার জন্য ভিক্ষায় নামল কেন? আগামীকাল শাহবাগে কোটা ভিক্ষা করবে। পারলে আপনিও একটা তালা নিয়া যাইয়েন।

    Reply
  18. Md. Abdul Mannan

    I think you are wrong because you see the feedback most of the feedback opposite your writing. if you are right writing you can give feedback congratulate. so It is the timing of the remove of quota.You are most welcome for writing but not fulfill. I request to you please support the general student who are fighting the quota.

    Reply
  19. Shafayet

    Dear Mam how much nonsense the content of ur writing is u may get from all these reply. If u have any confusion come to argue with me. I am 28th and 29th bcs pass cadre but failed to get govt job. We should respect the freedom fighter but who gave us that power to dishonour a rickshaw puller?

    Reply
  20. তুর্য

    মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানের কথা আসছে। ধরে নিলাম আপনি ভাল পর্যায়ের বুদ্ধিমান মানুষ। সেই হিসেবে আপনার জানার কথা তরুণ প্রজন্মের শতকরা ৯৮.৫০ ভাগেরও বেশি চায় কোটা সংস্কার হোক। তাদের দাবিটা কিভাবে অযৌক্তিক হয় সেই ব্যাখ্যাতে আপনি যাননি। আর একটা শ্রেণি মুক্তিযুদ্ধকে বা মুক্তিযোদ্ধা কোটাকে পুঁজি করে সার্টিফিকেট ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে সেটা কি মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা নয়???

    মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোনটা বেশি অবমাননার?? শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী আন্দোলন নাকি তাদের নামে সার্টিফিকেট ব্যবসা?

    Reply
  21. Noor hosain

    বাংলাদেশে দুর্নীতি বিহীন কারো সরকারি চাকুরি হয়নি। আমি হলফ করে বলতে পারি। দুর্নীতি বিহীন চাকুরি হলেও সে দুর্নীতির আশ্রয় নিতে চেয়েছিলো। আর কোটায় চাকুরী এ তো সম্পূর্ণ জাতির সাথে গাদ্দারী। দুর্নীতিরও উপরে।

    Reply
  22. khan

    কোটা পদ্ধতি আসলে একটি বৈষম্য, উন্নত দেশগুলোতেও কোটা পদ্ধতিটা প্রতিবন্ধিদের জন্য, সাধারণ নাগরিক সবাই সমান, ধরেন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির বা অন্যান্য কোটার ছাত্রদের কি পরিক্ষার খাতায় নম্বর কম দেয়া হয় এই জন্য কোটা লাগবে? মেধার ক্ষেত্রে
    নারী পুরুষ সহ সকল জনগোষ্ঠির সমান অধিকার থাকা উচিত, প্রতিবন্ধিদের জন্য কোটা অবশ্যই থাকবে, শুধু ডিফেন্স বা আইন
    শৃংখলা বাহিনীতে নিয়োগের বেলায় একটা নির্দিষ্ট কোটা থাকবে কারণ ডিফেন্স বা আইন
    শৃংখলা বাহিনীতে বেশিভাগ পুরুষরাই কাজ করে থাকে। এছাড়া সকল প্রকার চাকরি নিয়োগে শুধু মেধার মূল্যায়ন অবশ্যই করতে হবে। আমি মনে করি প্রজাতন্ত্রের টপ টু বটম পর্যন্ত অযোগ্যদের নিয়োগে সয়লাব। দেশের উন্নয়নে মেধার বিকল্প নাই।
    শহীদ সরোয়ার খান -স্পেন থেকে

    Reply
  23. শুভ্র

    যদিও মুখে বলা হয় “কোটা”র প্রয়োগ করা হয় প্রিলি, রিটেন ও ভাইবার পর প্রকৃতপক্ষে এটা প্রিলি থেকেই শুরু হয়। প্রিলিতে দেখা হয় মোটামোটি গড়ে কত সংখ্যক নিলে কোটা বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারীদের বেশিরভাগ অংশ উঠে আসবে। রিটেনে তাদের খাতার মূল্যায়নের একটা বিশেষ সুবিদা থাকতে পারে। কোন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী নাতি নাতনি সরকারী চাকরির কোন ভাইভাতে ২০০ নম্বরের মধ্যে ১৯০/১৯৫ এর কম না পেয়ে বোর্ড থেকে বের হয় না যেখানে একজন মেধাবী সাধারণ ছাত্রছাত্রীর ভাইবার গড় থাকে ১৪০/১৪৫, এই নাম্বারের ব্যবধানটা রিটেনে কম রেজাল্ট পেয়ে আসা কোটাধারীকে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য।

    শিরোনামের প্রক্ষিতে বলবো, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত প্রার্থী অমেধাবী না। বস্তুত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই মেধাবী। যারা কৃতকার্য হতে পারে না তারাও মেধাবী। পদের তুলনায় প্রার্থী বেশি হওয়ায় অকৃতকার্য হওয়া মেধাহীনতা প্রকাশ করে না। প্রশ্ন হচ্ছে, মেধার আপেক্ষিক স্কেল অনুসারে আমরা কাদের নির্বাচিত করবো, এগিয়ে যাওয়া প্রার্থীকে নাকি পিছিয়ে পড়া কোটাধারীকে? ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রচলিতভাবে ৩৩ পেলে পাশ। এখন একটি শূন্য পদের জন্য যদি ৩ জন প্রার্থী পরীক্ষা দেয় আর সাধারন কোটায় দুজন যদি ১০০ ও ৫০ পায় আর কোটাধারী যদি ৩৩ পায় তবে পাশকৃত উক্ত ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে কাকে নিয়োগ দিলে সামাজিক সাম্য ও সুশাসন নিশ্চিত হবে?

    সমাজের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য মেধা ও যোগ্যতার কোন বিকল্প থাকা উচিত নয়।

    Reply
  24. Harich Mahmud

    মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে তরুণ প্রজন্মের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে এবং যে অপমানজনক পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে সেটা একদমই কাম্য নয়। কোটা কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি ছিল না। দেশ স্বাধীনের পরে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুই মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ বিবেচনা করে কোটা ব্যবস্থা প্রণয়ন করেন। মুক্তিযোদ্ধারা এই সামান্য কোটা পাওয়ার জন্যে দেশ স্বাধীন করেন নাই। তারা পুরো দেশের মানুষের মুক্তির জন্যেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা যে সাহস নিয়ে দেশ স্বাধীনের জন্য যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের সন্তান-সন্ততিদেরও সেই সাহসটুকু আছে যে কোটা ছাড়াই তারা প্রতিযোগিতা করতে পারেন। এখন যদি পুরো মুক্তিযোদ্ধা কোটা তু্লেও দেয়া হয় আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাবো। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান- মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করবেন না।

    Reply
  25. সুমন

    “তিনি বলেন, আড়াইলাখ পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে পাঁচ হাজার যারা উত্তীর্ণ হন তারা অত্যন্ত মেধাবী হিসেবেই মেধা তালিকায় আসেন।” – দুই লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০০০ এর ভিতর যারা টিকে থাকেন তারা অত্যন্ত মেধাবী সন্দেহ নেই। কিন্তু স্যার আমি জানতে চাচ্ছিলাম যিনি সিরিয়ালে ২৫১ তম আর যিনি ৪০০০ তম তারা দুইজন কি সমান মেধাবী?

    ২৫১ তম হয়ে নন-ক্যাডার আর কোটা নিয়ে ৪০০০ তম হয়ে অ্যাডমিন ক্যাডার পাওয়া ব্যাপারটিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

    ধন্যবাদ।

    Reply
  26. সুমন

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়ে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়?কোটা তো মেধাহীনদের বিশেষ সুবিধা

    Reply
  27. Md. Tahsin Ul Islam Jacky

    সরকারী চাকুরীতে নিয়োগ এবং নিয়োগ পরবর্তী বাস্তবতা সম্পর্কে আপনার ধারণা অনেক কম বলেই মনে হলো। শুধু টকশোর উপর ভিত্তি করে, আবেগ দিয়েই কলামটি লিখেছেন।

    Reply
  28. Maruf Hossain

    এই আর্টিকেলে শুধু বিসিএস পদপার্থীদের কোটার ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। অন্য জবগুলাও তো আছে যেখানে একতরফা ভাবে কোটা ব্যবহার করা হয়। যেমন, কোন কোন নিয়োগে বিজ্ঞপ্তিই দেওয়া হয় শুধু মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের জন্য। এটা বৈষম্য কিনা সেটা এই আর্টিকেলের লেখক/লেখিকা ভেবে দেখেননি বা জানেনই না। অর্থাৎ তার জ্ঞানের ত্রুটি আছে এখানে। অন্য আরেকটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    গত কিছুদিন আগে সাব-ইন্সপেক্টর পদে পরীক্ষা হলো। যেখানে প্রাক বাছাই থেকে শুরু করে রিটেন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটার ছেলেমেয়েদের আলাদা রাখা হলো। তাদের লিখিত পরীক্ষার সেন্টার আলাদা। কোন সীট প্ল্যান ছিল না। ফলে যে যার পাশে ইচ্ছামত বসে পরীক্ষা দিতে পারবে। তাছাড়া পাশের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হিসেব সেখানে। সাধারণ কোটায় ১০০ তে ৫০ পেলে পাস ধরা হয় আর মুক্তি যোদ্ধা কোটায় ১০০ তে ৪০ পাস ধরা হয়। অলিখিত নিয়ম এটা। বিশ্বাস না করলে খতিয়ে দেখতে পারেন। আর প্রবেশের বয়স সীমার কথা তো বাদ ই দিলাম। সাব ইন্সপেক্টর এ চাকরির প্রবেশের সাধারণ বয়সসীমা ২৭ বছর আর মুক্তি্যোদ্ধার সন্তান বা নাতিপুতিদের ক্ষেত্রে ৩২। এখানে বৈষম্য আছে কি নেই সেটার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ জরুরি বলে মনে করেননি লেখক/লেখিকা।

    এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানের কথা আসছে। ধরে নিলাম আপনি ভাল পর্যায়ের বুদ্ধিমান মানুষ। সেই হিসেবে আপনার জানার কথা তরুণ প্রজন্মের শতকরা ৯৮.৫০ ভাগেরও বেশি চায় কোটা সংস্কার হোক। তাদের দাবিটা কিভাবে অযৌক্তিক হয় সেই ব্যাখ্যাতে আপনি যাননি। আর একটা শ্রেণি মুক্তিযুদ্ধকে বা মুক্তিযোদ্ধা কোটাকে পুঁজি করে সার্টিফিকেট ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে সেটা কি মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা নয়???

    মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোনটা বেশি অবমাননার?? শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী আন্দোলন নাকি তাদের নামে সার্টিফিকেট ব্যবসা?

    এই ব্যবসা বন্ধের জন্যে একটি রাস্তাই খোলা আছে তা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানদের জন্যে ৫% কোটা রাখা যদিও তাদের সংখ্যার পরিমাণ খুবই কম, মাত্র ১.৫% এর মত। আর অন্যান্য কোটা কমিয়ে সুবিধামত বন্টন করা।
    একপেশে কথা বলে লাভ কি রে ভাই?

    Reply
  29. Somratt

    ” মানুষ যেহেতু ভগ্নাংশে ভাগ করা যাবে না তাতে কোটা থাকলেও সেটা হবে শুভংকরের ফাঁকি, কেউ নিয়োগ পাবেনা.”..

    This is very funny .. I am astonished with her intellectual..

    Reply
  30. hgf

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়ে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়?

    Reply
    • Md Shoaieb Hossain Bhuiyan

      There is no loss but we could feel that we had done something for our Great freedom fighter.But as we are such a nation that we forget all when our personal benifit come in front of us than we do not want to give anything. We only understand about ourself. We are proud that we call our Freedom fighter “Gordov” . We prove that we can do it but no other nation cannot do such like a shameless thing.But My question is that where were you and your maretorious father when “Gordov” freedom fighter fought against pakistani army? Why they did not fought in 1971

      Reply
  31. দিনার

    “এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি করেছে।”
    মিথ্যাবাদী বরাহ শাবক বলেই এই মিথ্যাচরণ করছেন বুঝতে পারছি। আন্দোলনকারীরা কখনোই মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে কথা বলে নাই। এমন মিথ্যা বলতে আপনার বিবেক বাঁধা দেয় নাই একটুও?
    নাকি বিবেকরে বেচে দিছেন আগেই?

    Reply
  32. মোঃইসমাইল

    সকলেই যদি সমান মানের মেধাবী হয় তাহলে কোটা রাখার দরকার কী?

    Reply
  33. SK M Zaman

    Ms Kanij, Just wanted to flag some issues where some missing links exist.
    Firstly, In your example, you mentioned only 5 thousand passed from a lot of 250 thousand. So all passed are meritorious. Do you know that 45% is the passmark and the students got chance in merit used to get around 60% marks. While the quota people got job opportunity even getting only 45% or close to that marks. It is really injustice.
    Secondly, being a member of civil service, I know how very humble background students of simple degree colleges got opportunity in the BCS job using quota while my brilliant university chaps didn’t get any cadre because of having no quota.

    I hope, now you will understand. Best

    SK M Zaman

    Reply
  34. Subhash Paul

    Developed countries have limited Government job. Bangladesh is now a developing country means most jobs should be private where “quota” is not maintained. In my opinion Children of freedom fighter, poor family girls, underdeveloped district students and “Nri-goshti” students can get maximum amount of scholarship to develope themselves by high quality education and all types of other facilities and benefits. That will be perfect respect to them. Then they will not demand any “quota” at all. But disabled graduates definitely need “quota”. I believe Bangladesh Prime minister might think these kind of supports before declaring the “Quota free Govt. jobs” in Bangladesh.

    Reply
  35. Atik

    BPSC have to call for viva voice 10 person against one post due to the quota system. One general student does not get the cadre after obtaining 70% marks in written exam. On the other hand, a quota holder get the job after only 50% marks in written exam. Your column is just depthless & involved in quota holder interest.

    Reply
  36. shamim

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়ে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়? Mam ,please explain?

    Reply
  37. onarzo mohadev

    What is the definition of medhabi? Those who need quota for employment, certainly not meritorious. compare the result of any BCS , you will find the last one of merit got at least 150 marks more than the first one of Quota. So, please dont try to catch fish by making the water muddy. Only unfits want quota. Those who are meritorious can fight any exam.

    Reply
  38. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    গুরুত্বপূর্ণ বলে কোন কথা নয়, কারণ আজ পর্যন্ত জেনারেল ক্যাডার-এ কোন পদেই মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যকোন কোটা’র পোস্ট খালি থাকেনি। প্রফেশনাল ক্যাডার-এ খালি থাকে, কোটা না থাকলেও থাকবে এবং থাকতে বাধ্য।

    Reply
  39. kamrul hasan

    না ম্যাডাম,তারাও মেধাবী। তাহলে মেধাবীদের জন্য কোটার দরকারই বা কী? সব মেধাবীই সমান সুযোগ পাক। নিজের কথার জালেই কি ফেঁসে গেলেন না?

    Reply
  40. আমরা করব জয়

    কোটাধারীরা মেধাবী কিন্তু তার চেয়েও মেধায় এগিয়ে থেকে যে ছেলেটা চাকুরি বঞ্চিত হয় এ কেমন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

    Reply
  41. র হ

    বাস্তবতা হল প্রকৃত মেধাবীরা আজ হয় প্রাইভেট কোম্পানিতে বেগার খাটছে আর নয় হয় বাইরে চলে গেছে।

    Reply
  42. Arif

    কেউ মুক্তিযুদ্ধ কোটায় রিটেন এ পাশ করলে সাধারণত তাকে ভাইভাতে ফেইল করানো হয় না(যদি একেবারে গাধাগরু না হয়) কারণ ভাইভা বোর্ড জানে এখানে কোটা ফাঁকা থাকে। আপনি যা হিসেব দিলেন শুধু বিসিএস এর। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডারে(পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র..) মুক্তিযুদ্ধ কোটা ফাঁকা থ
    থাকলেও কখনোই মেধা থেকে পূরণ করা হয়নি।

    অন্যান্য সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কোটায় যেভাবে নিয়োগ হয় সেটা আপনি জানেন কিনা আমি জানি না তবে আমি বলতে পারি সেখানে অমেধাবীরাই সুযোগ পাচ্ছে আর মেধাবীরা চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছে।

    Reply
  43. Md. Rafiqul Islam

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়ে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়?

    Reply
  44. মেহেদী হাসান

    আমি ব্যক্তিগত ভাবে লেখিকাকে চিনি না। কাজেই বলতে পারছি না তার বিভ্রান্তিকর ও ভুল তথ্য সম্বলিত লেখাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত নাকি একান্তই অজ্ঞতাপ্রসূত! যাই হোক, আন্দোলনকারীদের দ্বারা জাতির সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননাকর কোনো বক্তব্য, প্লাকার্ড কিংবা স্লোগানের প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য লেখিকাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি। অন্যথায়, লেখিকার বাজে মতলব কিংবা অজ্ঞতার দিকটিই ফুটে উঠবে।

    আর হ্যা, কোটাধারীদেরকে কেউ মেধাশূন্য বলেনি। বলা হয়েছে কোটা সুবিধা থাকায় তাদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি মেধাবীরা অন্যায্যভাবে বঞ্চিত হচ্ছে।

    Reply
    • সেতাব উদ্দিন

      ফেসবুক দেখলে বোঝা যায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কী নোংরা ভাষায় সমালোচনা করা হয়েছে! এছাড়া এদের শুধু অমেধাবী নয় অকর্মন্যও বলা হয়েছে। ভদ্র মহিলা লেখাটিতে বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চেষ্টা করেছেন। গত তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবীরা গড়ে ৭০% চাকুরিতে নিয়োগ পেয়েছে। কাজেই ৪৬% কাগজে থাকলেও বাস্তবে অনেক ফারাক।

      Reply
      • শাহ আলম

        মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এটা ঠিক। তাদের সন্তানদের চাকুরিতে কোটা দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা যদি সমালোচিত হওয়ার কাজ করে তা করা যাবে না কেন?
        একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চাকুরিতে কোটা কে তাদের বাবাকে/মাকে দেওয়া প্রধান ও একমাত্র সম্মাননা ভাবতে পারে না। রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয় রাষ্ট্রের সমর্থ্যের ওপর এটা মানতে হবে।
        আমি বিশ্বাস করি কোন মুক্তিযোদ্ধা সরকারি চাকুরিতে কোটা পাওয়ার জন্য স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন না। যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করে শুধু মাত্র রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিতে তাদের পরিজন রা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের জাতির সামনে উপস্থাপন করা উচিত। আমার মনে হয় তাদের সনদ ও পুনঃ মুল্যায়ন করা যেতে পারে………।

  45. Md. Rafiqul Islam

    দুই লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০০০ এর ভিতর যারা টিকে তারা অত্যন্ত মেধাবী সন্দেহ নেই। কিন্তু যিনি সিরিয়ালে ২৫০ তম আর যিনি ৪৫০০ তম তারা দুইজন কি সমান মেধাবী?

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়ে থাকেন, সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়?

    Reply
  46. shahriaf

    একটানা আন্দোলন বিরোধী অপিনিয়ন দিয়ে যাচ্ছেন। প্রথম আলো শুধু শুধুই দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী মিডিয়া হয়ে ওঠেনি। তাদের দিকে একটু খেয়াল করুন।

    Reply
  47. নাহিদ হোসাইন

    লেখিকার কাছে আমার প্রশ্ন, সরকারী চাকরিতে কোটায় এত এত পদ খালি থাকার কি কারণ?? আর কেনই বা এসব পদে কোটাধারীদের ঢুকানোর জন্য কোটায় স্পেশাল নিয়োগ পরীক্ষার প্রয়োজন হয়?? আর ৪০০০ তম হওয়া কোটাধারী কিভাবে ৫০০ তম হওয়া প্রার্থীকে পিছনে ফেলে ক্যাডার পায়? আপনাদেরকে চেনার বাকি নেই। স্বার্থে আঘাত লাগলেই আপনারা মুক্তিযুদ্ধ, চেতনা, জনদুর্ভোগ এসব বড় বড় বুলি আওড়ান

    Reply
  48. মোঃ নাজমুল হক

    মোঃ বেলাল আহমেদ আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলছিঃ
    1) মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের সন্তান/নাতি-নাতনি কেন সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা সুবিধা পাবেন “ এমন কোন যুক্তি লেখিকা দিয়েছেন কি?
    2) নারী কোটায় আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়টি কি সম্পৃক্ত?
    3) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলতে থাকবে “এমন কোন যুক্তি লেখিকা দিয়েছেন কি?
    4) জেলা কোটার ক্ষেত্রে আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়টি কি সম্পৃক্ত?
    5) একই ব্যক্তি একের অধিকবার কোটা সুবিধার জন্য বিবেচিত হওয়া উচিৎ এমন কোন যুক্তি লেখিকা দিয়েছেন কি?
    6) কোটা ধারিরা অমেধাবী এমন কথা বলতে আন্দোলন কারীরা বাদ রাখেনি। কোটাধারিদের জন্য মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন একথা যখন আন্দোলনের মূল সুর তখন আর কি বাকি থাকে।
    7) ”একজন উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা বাবার প্রতিবন্ধী মেয়ে কত পার্সেন্ট কোটা পাবেন? বা তিনি কোন কোন কোটায় বিবেচিত হবেন”” আপনাদের আন্দোলনে এমন নির্লজ্জ প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। আপনি এ্ই প্রশ্ন করে কোটা ধারিদের অপ্রয়োজনীয় অবমাননা অব্যাহত রাখলেন।

    পরিশেষে লেখিকার কণ্ঠে বলতে হয়: “এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তি করেছে।“

    কোটা সংস্কারের পক্ষে আছি।

    Reply
    • মোঃ বেলাল আহমেদ

      মোঃ নাজমুল হক আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলছিঃ
      “এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তি করেছে।“ আপনাদের এটা বলার কারণ আন্দোলনের যৌক্তিকতাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা আর অন্য কিছু নয়।
      ১। যদি এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তরই দিতে না পারেন তাহলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে কি না, থাকলে কোন কোন ধরনের মুক্তিযোদ্ধার জন্য থাকবে, এই কোটার শতকরা হার কত হবে, সেগুলো নির্ধারণ হবে কিসের ভিত্তিতে?
      ২। অবশ্যই সম্পৃক্ত হওয়া উচিত, সম্পৃক্ত না রেখে সরলীকরণের কারণেই এই কোটাসহ সকল কোটা অধিকতর বৈষম্য সৃষ্টি করেছে।
      ৩। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলতে থাকবে “এমন কোন যুক্তি লেখিকা দিয়েছেন কি?, না দেননি, তাহলে উনি কোন বায়বীয় যুক্তিতে/পদ্ধতিতে কোটার হার নির্ধারণ করবেন?
      ৪। জেলা কোটার ক্ষেত্রে আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়টি কি সম্পৃক্ত?, জি সম্পৃক্ত। যখন জেলা কোটা প্রণয়ন করা হয় তখনকার ব্যাখ্যা ঘেটে দেখুন।
      ৫। একই ব্যক্তি একের অধিকবার কোটা সুবিধার জন্য বিবেচিত হওয়া উচিৎ এমন কোন যুক্তি লেখিকা দিয়েছেন কি?, না দেননি এবং না দিয়েই তো উনি কতটুকু কোটা থাকা উচিত কিভাবে সেটা প্রয়োগ হবে এই মারপ্যাঁচ এড়িয়ে গিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে যা ইচ্ছা তাই লিখে গেছেন।
      ৬। ”মেধাহীন/অমেধাবী” এবং অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী শব্দগুলোর অর্থ এবং প্রয়োগ দেখে নিন।
      ৭। যে কোন বিধানে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং তার ব্যাখ্যা থাকা জরুরী- সেই বিধানের সুষ্ঠু প্রয়োগের জন্যই। প্রশ্ন করা মানে কাউকে ছোট/অপমান/অবমাননা করা নয় বরং প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে দুর্নীতি/অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি করাই অনেকের উদ্দেশ্য।
      লেখিকা উনার লেখায় যে দুটি স্লোগানের কথা বলেছেন এর দ্বিতীয়টি আমি কোথাও দেখিনি। আর প্রথমটি শতভাগ ন্যায্য আর আমি সেটি মনেপ্রাণে সমর্থনও করি। আমি নিজে কোটা সংস্কারের পক্ষে বাতিলের পক্ষে নই। “সংস্কার হতে হবে ন্যায্যতা এবং যুক্তির ভিত্তিতে” কোন রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি,….যারা আছে সবাই) মূলধন হিসেবে নয়।

      Reply
      • মোঃ নাজমুল হক

        মোঃ বেলাল আহমেদ আপনার মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে বলছিঃ

        লেখিকা মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের সন্তান/নাতি-নাতনি, নারী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, জেলা কোটা থাকা উচিৎ কি উচিৎ না বা উচিৎ হলেও কোটার হার কত হওয়া উচিৎ এমন কোন মন্তব্য বা মতামত করেছেন দেখিনি, এসব প্রশ্নের জবাব তার উপরে কেন চাপিয়ে দিচ্ছেন ?
        কোব যুক্তিতে/পদ্ধতিতে কোটার হার নির্ধারণ করবেন? এমন বায়বীয় আরোপ কেন জানতে চাচ্ছি ?
        প্রথমে প্রশ্ন করলেন “কোটাধারীদের অমেধাবী এই কথা কোন আন্দোলনকারী বলেছেন?” তারপর বলছেন ”মেধাহীন/অমেধাবী” এবং অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী শব্দগুলোর অর্থ এবং প্রয়োগ দেখে নিন।“ আসলে কোটাধারিদের জন্য আন্দোলন কারিদের কোন বিশেষণ বরাদ্দ ?
        “আপনার মন্তব্যগুলো অবিবেচনাপ্রসূত এবং কোন ধরনের যৌক্তিক চিন্তার কোন ছাপ নেই।“ লেখিকার মতামতের কোন কোন অংশ পড়ে কি কারনে এমন মনে হল জানতে ইচ্ছা করছে।
        “এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তি করেছে।“
        তার প্রমান হচ্ছে “একজন উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অর্ন্তভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা বাবার প্রতিবন্ধী মেয়ে কত পার্সেন্ট কোটা পাবেন?” বা তিনি কোন কোন কোটায় বিবেচিত হবেন?” এমন প্রশ্ন।
        সর্বশেষ বলছি “দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের” কোটার গ্লানি থেকে চিরতরে মুক্ত করা হউক ।

        (আমি কোটা সুবিধা ভোগী নই)

  49. রোকন

    সকলেই যদি সমান মানের মেধাবী হয় তাহলে কোটা রাখার দরকার কী? কোটা তুলে দিলে তাদের আন্দোলনে যাওয়ার কোন যুক্তি আছে? আমি মানছি দুই-আড়াই লক্ষের মধ্য থেকে নির্বাচিত ৫০০০ জনই মেধাবী। কিন্তু কোটার কারণে এদের মধ্য থেকেও অনেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে শুধু মাত্র তার কোটা না থাকার কারণে। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও কেন চাকরিটা সে পাবেন না, একটু বুঝিয়ে বলবেন?

    Reply
  50. Humayun Ahmed

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়েই থাকেন, আর কোটা যদি তাদের চাকুরী পাবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোন সাহায্য নাই করে থাকে তা হলে কোটা তুলে দিলে তাদের তো কোন ক্ষতিই নেই।

    Reply
  51. সাইদুর রহমান

    লেখাটি তথ্যনির্ভর ছিল। আশা করি লেখাটি কোটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির ইতি ঘটাবে। লেখিকা একাধিকবার বলেছেন, দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি করেছে, এ কথাটি মানতে পারলাম না। মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের সূর্য সন্তান। আমাদের মত একটা অনুন্নত দেশে কোটা বাদে অন্যান্য যেসব সুযোগ-সুবিধা বাংলাদেশ সরকার তাদের কে দিচ্ছেন, তা কম বৈকি? বর্তমানে চাকুরি প্রার্থীর সংখ্যা এবং চাকুরির পদসংখ্যা বিবেচনা করলে কোটা ব্যবস্থা কে অভিশাপই মনে হয়। যা হোক শ্রদ্ধেয় লেখিকার লেখায় ইহা পরিষ্কার যে, কোটা ব্যবস্থা থাকা বা না থাকা প্রায় সমান কথা। কাজেই আমরা আর “চাকুরীতে ৫৬% কোটা” এই বাগধারাটি দেখতে চাই না। নিপাত যাক কোটা ব্যবস্থা।

    Reply
  52. আসিফ

    লেখিকা বলেছেনঃ এ আন্দোলনের সবচাইতে গ্লানিকর দিক ছিল, তারা দেশের সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি করেছে।

    ম্যাডাম নিচের লিঙ্ক টা পড়বেন এবং বুঝতে চেষ্টা করবেন কাদের কটুক্তি করা হয় আসলে। আসুন নিজেরা লজ্জিত হই।

    লিঙ্কঃ https://goo.gl/YNZJfV

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা একাধিক বার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে সচিবদের সনদ বাতিলের বিষয়ে ধীরগতিতে চলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন সনদ বাতিল না করার জন্য বিভিন্নভাবে মন্ত্রণালয়ে তদবির করেছেন।

    Reply
  53. শরীফ

    মুক্তিযোদ্ধারাই বলছেন বর্তমান কোটা পদ্ধতিতে তারা অপমানিত বোধ করছেন বা তাদেরকে অবমাননা করা হচ্ছে!

    Reply
  54. Rasha

    কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে শ্লোগান দেয়া কতটা যৌক্তিক? কোটা সংস্কারের পক্ষে আমরাও তবে সচেতন থাকা জরুরী। সন্দেহ দানা বাধঁছে!
    একটি স্বাধীন দেশ, একটি পতাকা, একটি মানচিত্র কি জিনিস তা যারা জানে না, তারাই মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ করে!
    আন্দোলনে বিজয় লাভ করার পর, বিজয়ী নেতাদের এতো বিষন্ন চেহারা আমি পৃথিবীর আর কোথাও দেখি নাই। ওদের চেহারা এতো বিষন্নতায় ভরা কেনো? ওরা কি হারিয়েছে!
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মতো বিচক্ষণ মানুষ আমি আমার জীবনে দেখিনি। আমি আমার মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর ১৬ বছর বয়সে লেখা মুক্তিযুদ্ধকালের ভারতে প্রশিক্ষণকালীন ডায়েরী পড়েছি, দেখেছি কি অসীম কষ্ট তারা করেছেন। জেনেছি আমার শাশুড়ি মায়ের কিশোর ছেলের ঘর ছাড়ার পরের তৎকালীন অনিশ্চয়তা আর কষ্ট! আমি এবং আমার সন্তানেরা তার বিনিময়ে রাষ্ট্রের কাছে কিছু আশা করি না আর সেটা আমাদের অধিকারও নয়।আমাদের দু’টো সন্তানই আপনাদের সকলের শুভাশিষ ও ভালোবাসায় কোনোরকম কোটা সুবিধা ছাড়া দেশের বাইরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে লেখাপড়া শেষ করেছে। কিন্তু কখনো কখনো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে স্বার্থান্বেষী আর মিথ্যেবাদিরা যে গুজব রটায় তার থেকে মুক্তি চাই। আজ চোখে অশ্রু নিয়ে আপনি যে প্রতিবন্ধী আর আদিবাসী মানুষের কোটা ঠিক রেখে অন্যান্য কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তাকে সাধুবাদ জানাই। বন্ধ হোক সকল ষড়যন্ত্র আর নোঙরা রাজনীতি। ভবিষ্যৎে যেনো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিয়ে কখনো কেউ কটাক্ষ না করে সেটা দেখার অনুরোধ রইলো। মুক্তিযোদ্ধা এবং তার পরিবারের সদস্যরা সম্মান নিয়ে বাঁচতে চায়। জাতির দয়া, করুণা কিংবা ভিক্ষা নিয়ে নয়!?

    Reply
  55. তাজ

    অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাই,,, কোটার জন্য যাদের চাকরি হয় তারা এক্কেবারে মেধাহীন বললেই চলে

    Reply
    • মোহাম্মদ রহমান

      আমি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত ও বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিপ্রাপ্ত এবং আপনার কমেন্ট অনুযায়ী এক্কেবারে মেধাহীন। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করবেন না প্লিজ।

      Reply
    • মোঃ রফিকুল ইসলাম

      এত সত্য কথা আপনি জানলেন কিভাবে? আমি পেশাগত জীবনে এর সত্যতা খুঁজে পেয়েছি। একজনের নানা মুক্তিযোদ্ধা আর হয়েছেন ক্যাডার অফিসার। অন্যজন একটি বিসিএস-এর লাস্ট ম্যান (নারী কোটা) আর পোস্টিং নিয়েছেন সর্বোচ্চ ভালো জায়গায়। অদ্ভুত সব নিয়ম……….

      Reply
  56. আইরিন ইরা

    আপনার কথা যুক্তিসঙ্গত। ৫৬% কোটা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেশি হলেও একথা সত্য যে বেশিরভাগ আন্দোলনকারী তলিয়ে না দেখেই আন্দোলন করেছে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অবমাননা অন্যভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করে কথা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    Reply
  57. সরকার জাবেদ ইকবাল

    অত্যন্ত তথ্যনির্ভর এবং নিরপেক্ষ একটি লেখা। পড়ে ভাল লাগলো। লেখিকাকে অভিনন্দন। আশা করি এই লেখাটি কোটা নিয়ে সকল প্রকার ভুল বোঝাবুঝি/দ্বন্দ্ববিবাদের অবসান ঘটাবে। বাকি রইলো সরকার কিভাবে কোটা সংস্কার করে তা দেখা। একটা উইন-উইন সিচুয়েশন দেখতে চাই।

    Reply
  58. মোঃ বেলাল আহমেদ

    আপনার মন্তব্যগুলো অবিবেচনাপ্রসূত এবং কোন ধরনের যৌক্তিক চিন্তার কোন ছাপ নেই। আপনাকে কয়েকটি প্রশ্ন করি আশাকরি যুক্তি সহকারে গুছিয়ে উত্তর দিবেন।
    ১। “মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের সন্তান/নাতি-নাতনি কেন সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা সুবিধা পাবেন?”- দয়া করে আবেগ ছাড়া সুনিদির্ষ্ট তথ্য উপাত্তসহ ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেবেন।
    ২। নারী কোটা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কেন ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া/ভিকারুন্নিসা/হলিক্রস/ স্বনামধন্য (পাবলিক/প্রাইভেট বিশ্বিবিদ্যালয়ে পড়া)/ যাদের পারিবারিক আয় দেশের গড় পারিবারিক আয়ের চেয়ে অনেক বেশি এরকম পরিবারের মেয়েরাও বিবেচিত হবেন?
    ৩। কেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলতে থাকবে? এবং সেটাও জনসংখ্যার অনুপাত বিবেচনা না করে।
    ৪। কী কী কারণে জেলা কোটা জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে বন্টিত হবে? যেখানে আমরা জানি কুড়িগ্রাম জেলার জনগণ অধিকতর দরিদ্র আর লোকসংখ্যাও কম অপরপক্ষে ঢাকা জেলায় লোকসংখ্যা বেশি, নাগরিক সুবিধাও বেশি এবং লোকজনও অপেক্ষাকৃত ধনী অথচ জনসংখ্যা অনুপাতে ঢাকা জেলার প্রার্থীই অধিকতর জেলা কোটা পায়, কেন?
    ৪। একই ব্যক্তি কেন একের অধিকবার কোটা সুবিধার জন্য বিবেচিত হবেন? (প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া)।
    ৫। কোটাধারীদের অমেধাবী এই কথা কোন আন্দোলনকারী বলেছেন? আপনি শুনেছেন? কোন রেফারেন্স দিতে পারবেন?
    ৬। একজন উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অর্ন্তভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা বাবার প্রতিবন্ধী মেয়ে কত পার্সেন্ট কোটা পাবেন? বা তিনি কোন কোন কোটায় বিবেচিত হবেন? এই ধরনের সমস্যাগুলোতে কোন নীতিমালা আছে? থাকলে দয়া করে জানাবেন। আরও অনেক প্রশ্ন ছিলো তবে আপাতত এ কয়েকটিরই উত্তর দিন।

    Reply
  59. আসিফ

    “তিনি বলেন, আড়াইলাখ পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে পাঁচ হাজার যারা উত্তীর্ণ হন তারা অত্যন্ত মেধাবী হিসেবেই মেধা তালিকায় আসেন।” – দুই লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০০০ এর ভিতর যারা টিকে থাকেন তারা অত্যন্ত মেধাবী সন্দেহ নেই। কিন্তু স্যার আমি জানতে চাচ্ছিলাম যিনি সিরিয়ালে ২৫১ তম আর যিনি ৪০০০ তম তারা দুইজন কি সমান মেধাবী?

    ২৫১ তম হয়ে নন-ক্যাডার আর কোটা নিয়ে ৪০০০ তম হয়ে অ্যাডমিন ক্যাডার পাওয়া ব্যাপারটিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

    ধন্যবাদ।

    Reply
    • সেতাব উদ্দিন

      আসিফ, এমন কোন ঘটনা গত তিনটি বিসিএস এ ঘটেনি। অসত্য কথা বলে, সত্যের অপলাপ করে জেতা যায় না।

      Reply
  60. মো: মনির হোসেন

    প্রশ্ন: তোমার রোল নম্বর কত?
    উত্তর: ১
    প্রশ্ন: তোমার শ্রেণীতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত?
    উত্তর: ১
    আশাকরি আমার মন্তব্যটি আর বুঝিয়ে বলতে হবে না। যদি মেধাবী হন তাহলে বুঝে নিবেন।

    Reply
  61. রবিন

    কোটা ধারীরা যদি মেধাবী হয়েই থাকেন, আর কোটা যদি তাদের চাকুরী পাবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোন সাহায্য নাই করে থাকে তা হলে কোটা তুলে দিলে তাদের ত কোন ক্ষতিই নেই। সেই ক্ষেত্রে কোটা তুলে দিলে তাদের ক্ষতি কোথায়?

    Reply
      • Bikash Das

        যে জলে সে জ্বলে – হেলাল হাফিজ। তেমনি যে কোটাবিহীন ইনফরমেশন ক্যাডারে চাকরি করে দেখে, তাঁর সমান মার্ক নিয়ে প্রশাসনে চাকরি করে সে বোঝে। যে কোটাবিহীন চারবার রিটেন দিয়েও ক্যাডারে একটি চাকরি যোগাতে পারেনা সে বোঝে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক-দুই নাম্বারও অনেক। আর আপনি মু্ক্তিযোদ্বা কোটার বিশেষ নিয়োগ গুলোর কথা সুন্দর মতো এড়িয়ে গেলেন। আপনি যেমন আমাদের কাছে প্রশ্ন রেখছেন, আমারও প্রশ্ন মু্ক্তিযোদ্বাদের নাতি-নাতনিদের কোটা ব্যবস্থাটা কী বাড়াবাড়ি না?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—