বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার প্রধান বেনিফিশিয়ারি এবং স্বাধীন বাংলাদেশে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী প্রথম সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর বিএনপি একাধিক বার সংকটে পড়লেও এবারের সংকটের মাত্রা ও গভীরতা সব বিবেচনাতেই ভিন্ন। সেনা শাসক জিয়া তার ক্ষমতাবলয় শক্ত ও সংহত করার জন্যই ক্ষমতায় থেকে, সামরিক-বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে, রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ বিলিয়ে দলছুট, সুযোগ সন্ধানী, সুবিধাবাদী এবং উচ্চাভিলাষী কিছু মানুষকে একত্র করে তৈরি করেছিলেন বিএনপি।

জিয়া মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তার এক ধরনের পরিচিতি ছিল। তার রাজনৈতিক উচ্চাশাও ছিল। তিনি সময়ের সদ্ব্যবহারেও ছিলেন পারদর্শী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের সুযোগ পেয়ে প্রথমেই নিজেকে ‘প্রেসিডেন্ট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন জিয়া। এই ঘটনা থেকেই জিয়া ঠিক কোন প্রকৃতির মানুষ তার একটি আন্দাজ পাওয়া যায়। জিয়াকে অনেকে সৌভাগ্যের বরপুত্র বলেও উল্লেখ করে থাকেন। সৌভাগ্যবশতই তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন এবং রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের একটি শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তিনি সেনাবাহিনীর লোক, সে হিসেবে তার বড়জোড় সেনাপ্রধান হওয়ার কথা। অবসর গ্রহণের পর রাজনীতিতে যোগ দিলে হওয়ার কথা বেশি হলে একজন মন্ত্রী। তার মতো সেনা কর্মকর্তার তো দেশে অভাব নেই। কিন্তু জিয়া হয়ে গেলেন ব্যতিক্রম। তালগাছের মতো সব গাছ ছাড়িয়ে এক পায়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে গেলেন!

একবার ভাবুন তো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি তাকে সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে বিদেশে রাষ্ট্রদূত করে পাঠিয়ে দিতেন, যে পরিকল্পনা বঙ্গবন্ধু করেছিলেন, কিন্তু জিয়া বিভিন্ন জনকে ধরে বঙ্গবন্ধুর কাছে ধরনা দিয়ে, তদ্বির করে সে সিদ্ধান্ত বাতিল করিয়েছিলেন, তা যদি বাস্তবায়িত হতো তাহলে আজ জিয়ার অবস্থান কোথায় থাকতো ? অথবা ১৯৭৫ সালের অস্থির নভেম্বরে কর্নেল তাহের যদি জিয়ার প্রাণ রক্ষায় এগিয়ে না আসতেন, যেচে তার হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত না করতেন, তাহলেই বা জিয়া আজ কোথায় থাকতেন?

সেজন্যই বলা হয়, ভাগ্য একাধিকবার জিয়ার সহায় হয়েছিল বলেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি এখনও জনপ্রিয়, আলোচিত এবং প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছেন। দেশজুড়ে রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত, সমর্থক। তিনি ক্ষমতায় থেকে, ক্ষমতার জোরে যে রাজনৈতিক দল গড়েছিলেন, তার মৃত্যুর পর সে দলেরও অকাল মৃত্যু হবে বলে কোনো কোনো রাজনৈতিক পণ্ডিত মত দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের পরিণতিতে জিয়া প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামে নিহত হলেন। কিন্তু তার দল বিএনপি বেঁচে থাকলো এবং বিস্ময়করভাবে শক্তিশালী অবস্থানও ধরে রাখতে সক্ষম হলো।

জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরলেন তারই স্ত্রী – খালেদা জিয়া। এটাও বাংলাদেশের রাজনীতির এক অপরিণামদর্শী অভিযাত্রা। ভাবুন তো, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিয়া যাকে নিয়ে সংসার করতে অনিচ্ছুক ছিলেন, বন্ধবন্ধুর হস্তক্ষেপে যে-খালেদা ঘর ফিরে পেলেন, সেই খালেদাই আসলেন রাজনীতিতে এবং ধীরে ধীরে অবস্থান নিলেন বঙ্গবন্ধুবিরোধী রাজনীতিতে। অথচ যদি সেদিন জিয়া-খালেদার দুটি পথ দুটি দিকে বেঁকে যেতো তাহলে কি হতো?

না, যা হয়নি তা নিয়ে আলোচনা নয়। যা হয়েছে তা নিয়েই আলোচনা করা ভালো। জিয়াউর রহমাম এবং হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ একই প্রক্রিয়ায় শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন। সেনা ক্ষমতার জোরে, পেছন দরোজা দিয়ে এবং অনির্বাচিত হয়ে। দুই সেনাকর্মকর্তাই রাষ্ট্রক্ষমতা জবর দখলকারী। বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে যতো খারাপ উপসর্গ তার সবই জিয়ার হাত ধরে প্রবেশ করেছে। তিনি রাজনীতিকে রাজনীতিকদের জন্য ‘ডিফিকাল্ট’ করার প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলেন এবং সফলও হয়েছিলেন। তিনি সমন্বয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে রাজনীতিতে-সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার শুরু করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের ধারা অবজ্ঞা করে জিয়া দেশকে পাকিস্তানি ধারায় নিয়ে গেছেন। ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’- এই কথা বলে প্রকৃতপক্ষে নীতিহীনতার চর্চা উৎসাহিত করেছেন সবক্ষেত্রে। সেনাবাহিনীতে তার সময় যতো ক্যু পাল্টা-ক্যু হয়েছে এবং যতো নির্দোষ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে, তার কোনো তুলনা হয় না। তিনি ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন।

পরবর্তী সময়ে এরশাদও জিয়ার পথেই হেঁটেছেন। এরশাদ রাজনীতিতে নেমেছেন জিয়ার জুতো পায়ে দিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে দুই সেনাশাসকই নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়েছেন।
অথচ আমরা এরশাদকে ‘স্বৈরাচার’ বানালেও জিয়ার ব্যাপারে কত উদার! জিয়াকে যদি হত্যা করা না হতো তাহলে তাকেও গণআন্দোলনের মাধ্যমেই ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হতো। জিয়ার বিরুদ্ধে গণঅসন্তোষ বাড়ছিল। এরশাদের ভাগ্যই বরণ করতে হতো জিয়াকে। অথচ হলো উল্টোটা। একযাত্রায় পৃথক ফল। এখন জিয়া হচ্ছেন পূজিত, প্রশংসিত আর এরশাদ ঘৃণিত, নিন্দিত! আমাদের দেশের রাজনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে যে তীব্র বিরোধ তার জন্য আমাদের অনেকের স্ববিরোধী এই রাজনৈতিক অবস্থান কম দায়ী নয়!

জিয়ার ‘সৌভাগ্য’কে পুঁজি করে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় আছে বিএনপি। এতো বছর পরে এসে মনে হচ্ছে জিয়াটনিক বুঝি আর কাজে দিচ্ছে না। জিয়ার দল বিএনপি এখন সংকট-জর্জরিত। জিয়ার সৈনিকরাও ক্লান্ত, বিধ্বস্ত এবং পর্যুদস্ত। আওয়ামী লীগবিরোধিতা, ভারতবিরোধিতা, ধর্মের সুড়সুড়ি – বিএনপির রাজনীতির এই মূলধন এখনো অনেককে টানে কিন্তু তারপরও বিএনপি এখন দিশেহারা। ক্ষমতায় থেকে যে দলের জন্ম, ক্ষমতায় না থাকলে যাদের অস্বস্তি চরমে ওঠে সেই বিএনপি ক্ষমতার বাইরে আছে এক যুগ ধরে। মাছ যেমন পানি ছাড়া বাঁচে না, তেমনি বিএনপিও ক্ষমতা ছাড়া টিকতে পারে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার আর কোনো পথ নেই।

কিন্তু যেনতেন উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার অভিলাষ বিএনপিকে ভুল রাজনীতির পথে ঠেলে দিয়েছে। ষড়যন্ত্র এবং কৌশলের খেলা রাজনীতিতে থাকে। বিশেষ করে আমাদের মতো ভঙ্গুর গণতন্ত্রের দেশে। কিন্তু শুধু ওই দুইয়ের ওপর নির্ভর করে সব সময় সাফল্য পাওয়া যায় না। বিএনপি এতোদিন ওই দুইটাকেই মহৌষধ ভেবে এসেছে। কিন্তু বিএনপির প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ বার বার ঠকে এখন কিছুটা বিএনপির রাজনীতির ধারাটা বুঝতে পেরে চালের পাল্টা চাল দিতে শিখেছে। আওয়ামী লীগের চালে এখন বিএনপি দিশেহারা। আওয়ামী লীগ টানা দুই মেয়াদে শাসন ক্ষমতায় আছে। আগামী নির্বাচনেও জয়লাভ করে সরকার গঠন করতে চায় আওয়ামী লীগ। সেভাবেই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে, মাঠ সাজাচ্ছে। আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা গোপন নয়। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধান একাধিকবার বলেছেন, ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকেই উদযাপন করতে চায়। আওয়ামী লীগের ধারণা আগামী নির্বাচনেও তারা জিতবে, জনগণের সমর্থন তাদের দিকেই থাকবে।

আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার ক্ষমতা আছে একমাত্র বিএনপির। কিন্ত দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের পরিবর্তে বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় কি না সেটা যেমন একটি বড় প্রশ্ন, তেমনি ক্ষমতায় যাওয়ার মতো শক্তি-সামর্থ্য বিএনপির আছে কি না সেটাও কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে বিএনপি এখন সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি এতো দুর্দশার মধ্যে আর পড়েনি। দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে জেলে আছেন। তার কারামুক্তি দ্রুত হবে বলে মনে হয় না। তার বিরুদ্ধে আরো অনেক মামলা আছে। সরকার তাকে সহজে ছাড়বে না। আন্দোলন করে তাকে জেল থেকে বের করে আনার সক্ষমতা বিএনপির আছে বলেও মনে হয় না। শোনা যাচ্ছে, আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়া হয়তো অংশগ্রহণের অযোগ্য হবেন। বিএনপির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি তারেক রহমানও দণ্ডিত এবং বিদেশে অবস্থানরত। তার দেশে ফেরা অনিশ্চিত। বাজারে নানা রকম গুজব । খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতা নিয়েও বিএনপি উদ্বিগ্ন। চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ পাঠানোর কথাও উঠেছে। খালেদা জিয়ার আত্মীয়স্বজন উদ্যোগী হয়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চান বলেও খবর শোনা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কি হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এটা বলা যায় যে বিএনপির জন্য আশু কোনো সুসংবাদ অপেক্ষা করছে না।

বেগম জিয়া যদি দেশের বাইরে যান তাহলে নির্বাচনের আগে তার আর ফিরে আসার সম্ভাবনা কম। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতি বিএনপির অভ্যন্তরীণ টানাপড়েন বাড়াবে। তার শারীরিক অবস্থা তার অনুকূলে নয়। তার পক্ষে আর কতোদিন বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব হবে সে প্রশ্নও আছে। আগেই বলেছি, তারেক রহমান এখনই দেশে ফিরে বিএনপির হাল ধরতে পারবেন না। সব মিলিয়ে বিএনপি এবং খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন এক ক্রসরোডে এসে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির জন্য আপাতত সুখবর এটাই যে, নানা কারণে সরকারের ওপর অসন্তুষ্ট মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আর বিএনপিরও আছে একটি নিজস্ব বড় সমর্থকগোষ্ঠী। বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হবে নতুন সুযোগের। সরকার যদি আর কোনো বড় ভুল না করে তাহলে অবশ্য বিএনপির অপেক্ষা দীর্ঘতর হবে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন ।

বিভুরঞ্জন সরকারসাংবাদিক ও কলামিস্ট।

Responses -- “বিএনপি এবং খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ”

  1. Mute Spectator

    বিএনপি ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার হলে আপনার মত অনেকেই খুশী হবেন। বিএনপি দৃশ্যপট থেকে অপসৃত হলে দেশে বিরোধী দল পাবেন কোথায়? হোমমেইড বিরোধী দল কি কাজে লাগে? দেশে যদি একটা দল রাজত্ব করে তবে জনগণের কি উপকারটা হবে? বহুমাত্রিক সংকটে আক্রান্ত এই দেশে প্রকৃত পক্ষে দুটো দলেই মানুষের আস্থা। নীতি আদর্শ এবং গনতান্ত্রিকতায় আওয়ামীলীগ উত্তম কিন্তু সুশাসন ডেলিভারির ক্ষেত্রে মানুষ দুটো দলের মধ্যে পার্থক্য করে না, বলতে পারেন এটা মানুষের সীমাবদ্ধতা। আমাদের দেশের একটা বড় সমস্যা হচ্ছে ভারতের কর্মকান্ড, প্রতিবেশী হিসাবে ভারতের নানা কাজ বাংলাদেশীদের গায়ে জ্বালা ধরায়। এর প্রভাব পড়ে ভোটে। অনেকে মনে করেন ভোটের এই প্রভাবের সাথে দুর্নীতির ধারণা বা Perception যোগ করলে আওয়ামীলীগের ভোটের চেয়ে বিরোধী ভোট বেশী হবে। উদ্যোগটা যদি এই হয় বিএনপিকে ধ্বংস করা তবে প্রশ্ন থাকে আওয়ামীলীগবিরোধী ভোট কে পাবে? হয়ত দেখা যাবে বিএনপি’র চেয়ে আরও কট্টর দল সেই শূন্যস্থান পূরণ করবে। তখন কিন্তু আরও মহাসমারোহে বাংলাদেশে হিন্দুরা এবং ভারতে মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হবেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অস্তিত্ব বলতে কিছুই থাকবে না। যারা বিকল্প হিসাবে বিএনপি’র চেয়ে ভালো দল দৃশ্যপটে আসার আগেই বিএনপি’র ধবংস চান তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। আবার যথাযথ ভোটে খালেদা ছাড়াই বিএনপি’র ভাল করার সম্ভাবনা কি একেবারেই শূন্য? বিবর্তনের মধ্য দিয়ে চরম প্রতিক্রিয়াশীল মুসলিমলীগের ভেতর থেকে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে আওয়ামীলীগ একটা মহান দলে পরিণত হয়েছে। কে জানে সময়ের প্রয়োজনে কোন দল কি রূপ পরিগ্রহ করে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—