ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার জন্য যে গণভোটটির আয়োজন করা হয়েছিল, পৃথিবীময় যা ‘ব্রেক্সিট’ হিসেবে পরিচিত তার প্রচারনায় ব্রিটিশ ইতিহাসের সর্বোচ্চ মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ দলের পক্ষে আরো জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য রাতারাতি ‘ইউকিপ’ (ইউকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টি) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়েছিল, যাদের মূল কাজ ছিল ভোটারদের মাঝে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে ব্রেক্সিটের পক্ষে ভোট আদায় করা। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন ব্রেক্সিটপন্থী না হয়েও যে পরিমাণ চাপের কারণে তিনি ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরুনোর জন্য একটি গণভোটের আয়োজন করেছিলেন তাতে ব্রিটেনের যে কেউ অবাক হয়ে এ প্রশ্ন তুলতেই পারতেন যে, যারা গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদের শিক্ষা ফেরি করে বেড়ায় বিশ্বময় তারাই কেন একটি বৃহৎ একত্ববোধ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করছে? কোন সে গুপ্ত কারণ এর পেছনে রয়েছে? ব্রিটিশ ভোটারদের কাছে এমন তথ্যও হাজির করা হয়েছে যে, প্রতিদিন/প্রতিসপ্তাহে ইউরোপিয় ইউনিয়নকে তিনশ মিলিয়ন পাউন্ড গুণতে হচ্ছে, যা ব্রিটিশ ট্যাক্স পরিশোধকারীদেরই অর্থ মূলতঃ। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলি থেকে অভিবাসীরা এসে ব্রিটেনকে পূর্ণ করে ফেলার গালগপ্প। ব্রিটেনের নিম্ন আয়ের লোকেরাও যে চাকুরি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত ক্ষুদ্র দেশগুলি (লাতভিয়া, লিথুয়েনিয়া, এস্তোনিয়া, পোল্যান্ড, রুমেনিয়া) থেকে আগত অভিবাসীরা সেসব অনায়াসে করে যাচ্ছিলো এবং এখন একথা প্রমাণ করা গেছে যে, ব্রিটেনের অর্থনীতিতে এই অভিবাসীরা নুতন মাত্রা যোগ করতে সক্ষম হয়েছে। গণভোটে ব্রিটেনবাসী ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরুনোর পক্ষে ভোট দিয়েছে, যদিও খুব কম ব্যবধান যারা ইউনিয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন তাদের সঙ্গে। কিন্তু প্রায় এক বছরেরও বেশি হতে চলেছে এখনও ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে এই ‘ডিভোর্সের’ হিসেব-নিকেশ করে ওঠা যায়নি, যাও গিয়েছে তাতে ব্রিটেনের যে ক্ষতিই হচ্ছে সেকথা এখন ব্রিটেনের পত্রপত্রিকা খুললেই জানা যায়। প্রকাশ্যেই এখন ব্রিটেনের সেইসব বুদ্ধিজীবীরা যারা ব্রেক্সিটের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন এবং দেশময় মিথ্যা প্রচারণার ঢোল পিটিয়েছিলেন তারাও স্বীকার করছেন যে, তাদের সে সময়কার অবস্থান ভুল ছিল এবং ব্রিটেনকে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনার সিদ্ধান্তটা আসলে চরম বোকামিই হয়েছে। এখন কেউ কেউ নতুন করে গণভোটের দাবীও জানাচ্ছেন কিন্তু যে থুতু একবার ফেলা হয়ে গিয়েছে জাত্যাভিমানী ব্রিটিশরা সেই থুতু আবার গিলবে, এরকমটি ভাববার কোনো কারণ আছে বলে বিশ্লেষকগণ মনে করেন না।

ব্রিটেনের বুদ্ধিজীবীকুলের যে অংশ ব্রেক্সিটকে সমর্থন করে মিথ্যা প্রচার-প্রপাগান্ডায় সামিল হয়েছিলেন তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি বিশাল বুুদ্ধিজীবীকুলের নিদারুণ মিল লক্ষ্য করা যায় বলেই প্রথমে ব্রেক্সিট সম্পর্কে এতো কথা বলা হলো। বাংলাদেশেও আমরা দেখতে পাই যে, একদল মানুষ ক্রমাগত একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বকে খারিজ করে দেন, এই ব্যক্তি বা দলটির কৃতকর্মের বিচার না করেই। তাদের এই বিদ্বেষ এতোটাই দৃষ্টিকটু হয়ে পড়ে যে, সেটি চরম নোংরামিতে পর্যবশিত হয়। কিছু উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক।

এক. বাংলাদেশের রাজনীতির একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করেছে দেশের দু’দু’টি সামরিক শাসন, যার দু’টিরই রয়েছে রক্তাক্ত ইতিহাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর, জেলের ভেতর জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ভেতর দিয়ে যে ভাবে ক্ষমতার পট পরিবর্তন হয়েছিল এদেশে সেই ধারাবাহিকতা থেকে দেশ এখনও মুক্ত হতে পারেনি। মুক্ত হতে না পারার অন্যতম কারণ, সামরিক বাহিনীর লেগেসি নিয়ে দু’দু’টো রাজনৈতিক দল তৈরি হওয়া এবং তাদের ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি। ক্ষমতার জন্য কখনও ধর্মকে, কখনও ভোট জালিয়াতিকে, কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে জিম্মি করে যে রাজনীতি এদেশে সামরিক লেগেসি থেকে আসা দলগুলো করেছে এতোদিন ধরে তা থেকে বেরিয়ে দেশকে একটি সঠিক ও গণতান্ত্রিক পথে নিয়ে যাওয়া যে সহজ নয় সেটা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলটির ক্রমাগত পিছু হঠার রাজনীতি থেকে বুঝতে পারছি। যেহেতু ভোটের রাজনীতি তাদেরকেও করতে হচ্ছে সেহেতু ভোটারদের ভেতর দশকব্যাপী অপপ্রচার, দুর্নীতির সুযোগ, ক্ষমতার দাপট, অগণতান্ত্রিক চেতনা এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো ভোট-বিক্রির জন্য কালোটাকার ব্যবহার থেকে দেশ ও রাজনীতিকে মুক্ত করাটা যে এই দলটির পক্ষে এককভাবে সম্ভবপর নয় সেটা বোঝার জন্য রাজনীতির পণ্ডিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এই দীর্ঘ অপ-রাজনীতি এখন এই দলটিকেও আস্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে। মজার ব্যাপার হলো, দেশের রাজনীতির এই গোড়ার ইতিহাস আমাদের বিশেষ বুদ্ধিজীবীকুল জানেন না তা নয়, বরং তারা কখনও এর সুবিধাভোগী, কখনও এর সঙ্গী এবং কখনও তারা প্রত্যক্ষদর্শীও। কিন্তু যে মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলটি বা তার নেতৃত্ব সামান্য সুযোগ পেয়ে দেশের রাজনীতি, সমাজ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বদলানোর একটুখানি চেষ্টা করেন তখনই এই বিশেষ বুদ্ধিজীবী সমাজ হা রে রে করে তেড়ে আসতে শুরু করেন।
কোথায় দেশের রাজনীতির এই গোড়ায় গলদকে আমলে নিয়ে সামরিক শক্তির রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের হাত থেকে দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য সকলের সহযোগিতা কাম্য ছিল, তা না করে আজকে সর্বত্রই কখনও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’, কখনও ‘গণতন্ত্র রক্ষা’র নাম করে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের ‘ধামাধরা’র ভূমিকায় তাদের দেখা যায়। ত্রিশের দশকের জার্মানিতে সমাজতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে হিটলারকে রক্ষা করতে একদল বুদ্ধিজীবী একাট্টা হয়েছিলেন, কিন্তু হিটলার যখন ‘দৈত্য’ হয়ে উঠেছিল তখন তাকে বধিবার জন্য এসব বুদ্ধিজীবীদের কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না, কারণ ততদিনে তারা মারা পড়েছিলেন হিটলারেরই হাতে। ২০০১ সালে যখন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বিরোধিতাকারীরা ক্ষমতায় বসেছিল এবং হাওয়া ভবন নামে একটি নতুন ‘গেস্টাপোকক্ষ’ তৈরি হয়েছিল তখন কিন্তু এই বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই সেখানে গিয়ে হয় ধর্না দিয়েছিলেন নয়, তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছিলেন। দুর্নীতিতে পর পর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশকে তখন তাদের কাছে খুব একটা অসহ্য মনে হয়নি। আজকে যাদেরকে আমরা টক-শো, পত্রপত্রিকার পাতা কিংবা সভা-সমিতেতে সোচ্চারকন্ঠ হিসেবে দেখি তাদের অনেকেই সে সময় হয় নিজেদের মিশিয়ে ফেলেছিলেন হাওয়া ভবনের সঙ্গে কিংবা দূরে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন “দেখি না কী করে” জাতীয় মনোভাব নিয়ে।

দুই. আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের কাছে বাংলাদেশ একটি ‘বাস্কেট কেইস’ হিসেবেই ভালো থাকে কারণ তাতে দেশটির ওপর ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ থাকে দেদার। প্যারিস কনসোর্টিয়ামের নাম এক সময় খুউব শোনা যেতো, যেখানে বসে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভাগ্য নির্ধারিত হতো। সেই কনসোর্টিয়াম সম্পর্কে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান প্রায়ই হাস্যরসাত্মক কথা বলতেন। আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতিমান বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদদের অনেকেই এই কনসোর্টিয়ামের হয়ে কাজ করতেন কিন্তু তারা বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের এই অক্ষমতা সম্পর্কে কোনোদিন কিছু বলেছেন বলে জানা যায় না। কারণ, তাদের আয়ের উৎসটাই ছিল সেটা। কিন্তু আজকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে, প্যারিস কনসোর্টিয়ামের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়েছে এবং বাংলাদেশকে উঠতি অর্থনীতির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলকে। ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার যে পক্ষটি এতোদিন এই প্যারিস কনসোর্টিয়ামের পক্ষে কাজ করে নিজেদের ভাগ্য গড়তেন তাদের ভাগ্যে একটু টান পড়েছে বৈকি, তারা সেই আক্ষেপটি এখন ক্ষোভে পরিণত করে দেশের যতোটুকু উন্নতিই হয়েছে, তার বিরুদ্ধে বলছেন। উন্নয়ন হলেও গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র থাকলেও কথা বলার সুযোগ নেই, কথা বলার সুযোগ থাকলেও কথা বলার জায়গা নেই ।  ছেলে চাকুরি পেলেও বেতন পাবে না, বেতন পেলেও তা ঘরে আনতে পারবে না, ঘরে আনতে পারলেও সেটা দিয়ে কিছু কেনা যাবে না’র মতো পরিস্থিতি এই মুহূর্তে বাংলাদেশে বিরাজমান।
তিন. মজার ব্যাপার হলো, এই বুদ্ধিজীবীকুলের প্রিয় কিছু গণমাধ্যম রয়েছে। সেখানে প্রকাশিত যে কোনো সংবাদই তাদের কাছে বেদবাক্যের মতো। যখন, যেভাবে এবং যে কোনো সূত্র উল্লেখ করেই সংবাদটি প্রকাশিত হোক না কেন তারা সেটিকে গ্রহণ করতে সময়ক্ষেপণ করেন না এবং তা নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। কিন্তু অন্য কোনো মাধ্যমে যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির সংবাদ/প্রতিবেদন প্রকাশিত/প্রচারিত হয় তাহলে তারা সেটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে থাকেন। আরো মজার ব্যাপার হলো, তারা কিন্তু এই একই প্রতিষ্ঠানে যখন সরকার-বিরোধী কোনো তথ্য বা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তখন সেটিকে গ্রহণ করতে দ্বিধা করেন না। বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাসনদের সঙ্গে তখন তারা এতোটাই অন্যায় করেন যে, তারা বুঝতেও পারেন না যে, অভিযোগ আর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এক ব্যাপার নয়। সব অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেই যে আত্মপক্ষের সুযোগ দেওয়া যায় না সে কথা একাধিক ব্যক্তির বুঝিয়ে বলার পরও তারা অনড় থাকেন তাদের প্রশ্নে, “খবরের সত্যতা কি?” “আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে আরেকটি অন্যায় করলেন”, “সংবাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কি?”

দীর্ঘ ও একাধিক উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে আলোচ্য বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে। কিন্তু তাতে নিবন্ধের কলেবর বাড়বে কেবল। নিবন্ধটি শুরু হয়েছিল ব্রিটেনের কথা দিয়ে, শেষও করা যাক সেটা দিয়েই। ব্রিটেনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল লেবার দলের বর্তমান নেতা জেরেমি করবিন প্রচলিত ধারার নেতা নন, তাকে বলা হয়ে থাকে, ধনতান্ত্রিক ব্রিটেনের সমাজতান্ত্রিক ব্যক্তি। তার এই পরিচয়ের কারণে তার বিরুদ্ধে ব্রিটেনের বুদ্ধিজীবীকুল বলতে গেলে একাট্টাই। তার আগে যিনি লেবার দলের নেতা হয়েছিলেন সেই মি. মিলিব্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রচারণায় তার শারীরিক ত্রুটিকে পর্যন্ত ব্রিটেনের বুদ্ধিজীবীকুল মানুষের সামনে আনতে দ্বিধা করেনি। সেটাও যে একটি ভুল ছিল সেকথা আজকে কেউ কেউ স্বীকার করেন। কিন্তু ব্রেক্সিট প্রচারণায় এইসব মিথ্যাচার যেন সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল যার ফল ব্রিটেন আজকে হাড়ে হাড়ে ভোগ করছে। বাংলাদেশেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সরকার-বিরোধিতা প্রায়শঃই হয়ে উঠছে দেশ-বিরোধিতা এবং তার ফলও বাংলাদেশকে ভোগ করতে হবে, এ থেকে আমাদের কোনো নিস্তার নেই । মজার ব্যাপার হলো, আজকে যারা এই সরকার-বিরোধিতার নামে দেশ-বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদেরকে তখন খুঁজেও পাওয়া যাবে না দেশোদ্ধারে বা গণতন্ত্র উদ্ধারে, যেমনটি তাদেরকে দেখা যায়নি ১/১১-র সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক আমলে, যখন এদেশে গণতন্ত্র তো ছিলই না, ছিল না কোনো উন্নয়নও। সরকার-বিরোধিতা করতে করতে কখন যে তারা দেশ-বিরোধিতাও করে ফেলছেন, সেটাও যেন তারা লক্ষ্য করতে পারছেন না। ব্রেক্সিট-বিরোধী বুদ্ধিজীবীরা এখন বুঝতে পারছেন এবং সেটা স্বীকার করছেন, ব্রিটেনের সেই সক্ষমতা আছে ভুলের মাশুল গোনার, বাংলাদেশের আছে কি?

১৭ Responses -- “সরকার-বিরোধিতা ও দেশ-বিরোধিতার পার্থক্যটাও আর থাকছে না”

  1. Muquit Ahmed

    ধন্যবাদ মাসুদা ভাট্টি । সত্য কথাগুলা সুন্দরভাবে লেখার জন্য ।অগনতান্ত্রিক সামরিক বাহিনীর ছাউনীতে জন্ম নেয়া দলের সমর্থকদের অবশ্য আপনার লেখা ভালো না লাগারই কথা । কারন তারা অন্ধ । যুক্তির ধার ধারেনা ।

    Reply
  2. Unnammed

    অনেক সুন্দর জোকস পড়লাম। একশ্রেণীর মানুষের কথা বলেছেন, যারা একটা কিছু নিয়ে লাফিয়ে পরবর্তীতে আফসোস করে। আপনি তারই একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত! গত নির্বাচনে আমার এলাকায় কেন্দ্র দখল হয়েছে এটা নিজের চোখে দেখা। এটার সমালোচনা কি দেশের সমালোচনা বলে গণ্য হবে?

    Reply
  3. Saiful Islam

    মাসুদা ম্যাডাম একটি বিশেষ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। উনাকে অনুরোধ করবো এ ধরণের একপেশে লেখা আসলে দেশের ক্ষতি করে। উনি হয়তো ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হতে পারেন কিন্তু দেশের অপুরণীয় ক্ষতি হয়। উনাকে অনুরোধ করবো যেন নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে লেখেন। না হলে এবার ৩০০ জন এম পি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হবেন যার ফলাফল আরো ভয়াবহ হবে।

    Reply
  4. Mesbah Uddin

    চোখে চশমা দিয়ে “আজকে যারা এই সরকার-বিরোধিতার নামে দেশ-বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন” জাতীয় কথা বলতে মুখে বাধে না, আর পচনধরা সমাজে এসব বস্তাপচা বোল ছাপানোর লোকেরও অভাব হয়না।

    Reply
  5. mak

    রাজনীতি আর অর্থনীতিতে তত্ত্বের শেষ নেই। যে কোন পরিস্থিতিকে জায়েজ করার জন্য একটা তত্ত্ব পাওয়া যাবেই। তত্ত্ব প্রয়োগ করে অনেক অন্যায়কে ন্যায়রূপে চালিয়ে দেয়া যায়। এসব তত্ত্বের একটা বড় গুণ(?) হচ্ছে এগুলো সাধারণ মানুষের জ্ঞান বুদ্ধির অগম্য। সাধারণ মানুষ শুধু ভালো-মন্দ আর ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্যটাই ভালো বোঝে। এটাই সকল তত্ত্বের সারবস্তু। বিশ্বের তাবৎ তত্ত্বের সারবস্তুটা তারা বোঝে নিজেদের সরল অথচ গ্লানিময় এক জীবন-যাপনের মধ্য দিয়ে। দেশ আর সরকারের পার্থক্য বোঝার তত্ত্বও তাদের কাছে অস্পষ্ট আর ঘোলাটে। একজন ধর্ষিতা যখন বিচার পায় না তখন সে কাকে দোষারোপ করবে, সরকারকে নাকি দেশকে? দেশ আর সরকার কি কোন ভিন্ন ভিন্ন সত্তা?

    Reply
  6. Mute Spectator

    ম্যাডাম, বুদ্ধিজীবীরাতো নীরিহ প্রাণী, এদের প্রতি এতো ক্ষোভ কেন? বাকশাল এবং দু’টো সামরিক শাসন তো বুদ্ধিজীবীরা আনেন নি। এরা উচ্চগ্রামে সরকারের বিভিন্ন গণবিরোধী নীতি/কাজের সমালোচনা করেন মাত্র। বিরোধী দলের সমালোচনা করেন এমন বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা সরকারের সমালোচনাকারীর চেয়ে বহুগুণ বেশী। সরকারপন্থী বুদ্ধিজীবীরা যুক্তি দিয়ে সমালোচনাকারীদের পরাজিত করতে পারেন না বলেই খোঁড়া যুক্তি দিয়ে পত্রিকার পাতা ভরাতে হয়। আপনি ৫ বছর ধরে উড়াল সড়ক বানাবেন আর ৫ গুণ বাজেট বাড়াবেন উন্নয়নের এমন ফর্মুলা বোঝার জন্য বুদ্ধিজীবীদের বয়ানের দরকার হয় না, ছাত্ররাই অংক কষে শুভঙ্করের ফাঁকিটা ধরতে পারে। মানুষের রাজনৈতিক মন পরিবর্তনের জন্য বুদ্ধিজীবীদের ভুমিকা নেই। আছে জীবনের অভিজ্ঞতা। থানা, দলের ক্যাডার, তিস্তার পানি, ঢাকায় জনসভার অনুমতি, দলীয় ঠিকাদার, রোহিঙ্গা, হেফাজত এগুলো হল জীবনের অভিজ্ঞতা। শোনা কথা নয়, চর্মচক্ষে দেখে সাধারন মানুষ তাদের political mind set করে। টক শো শুনে নয়। একটা কথা আপনার মাথায় থাকা দরকার, ইন্টারনেটের যুগে হিটলারের সময়ের তুলনা নিছক কূপমণ্ডুকতা। মানুষ এখন গ্লোবাল ভিলেজে বাস করে। ব্রেক্সিটের উদাহরণটাও আপনাদের একদলীয় mind set এর সাথে যায় না।

    Reply
    • Megh Dut

      বুদ্ধিজীবীরাই বাকশাল এনেছেন। যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশে মানুষকে ক্ষেপিয়ে দিয়ে নিজেদের বুদ্ধিজীবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ৫০ টাকা দিয়ে বাসন্তীকে মডেল বানিয়ে অন্যায়ভাবে সরকারবিরোধী অসন্তোষ তৈরি করেছিল বুদ্ধিজীবীরাই। ঋণের টাকায় আনা খাদ্য শস্য পচিয়ে দেশে দুর্ভিক্ষ তৈরি করতে ষড়যন্ত্রকারীদের সহযোগিতা করেছিল বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই কামালের ব্যাংক ডাকাতি, ডালিমের বউ অপহরণ, শেখ মুজিবের বাড়িতে স্বর্ণের স্তুপ, বিদেশি ব্যাংকে বিলিয়ন ডলারের গল্প প্রচার করেছে।
      এখান থেকেই বাকশালের জন্ম। এর জন্য বুদ্ধিজীবীরাই দায়ী। এর পরেই দুই সামরিক শাসনও এর ধারাবাহিকতায় এসেছিল।

      Reply
  7. শাহরিয়ার আমিন

    নতুন করে বলার কিছু নেই, আমি শুধু জনাব স্বাধীন এর সাথে আরও কিছু প্রশ্ন যোগ করতে চাই:

    ১১. একগুয়োমী, জেদ ও নিজ গোষ্ঠীর অর্থশালীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সুন্দরবন ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নিলে এবং তার সমালোচনা করা হলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে না কি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?
    ১২. ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকার অভিপ্রায়ে সরকারি কর্মকতা-কর্মচারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জবাবদিহিতার উর্দ্ধে নিয়ে যাওয়া ও পরিনতিতে সমাজে অপশাসন-অপরাধ-বৈষম্য মারাত্বক বেড়ে যাওয়ার সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে না কি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?
    ১৩. সরকারি দল না করলেই তারা দেশ বিরোধী, ফলে কোন চাকুরীতে নিয়োগ পাবে না; অনানুষ্ঠানিক ভাবে সরকারি দলের স্থানীয় নেতাদের প্রত্যায়ন দেখিয়ে চাকুরি পেতে হবে এধরণের সংবিধান বিরোধী উদ্যোগের সমালোচনা করা হলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে না কি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?
    ১৪. ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকার অভিপ্রয়ে ভারতকে একতরফা সুবিধা দিয়ে দেশকে দুর্বলতর রাষ্ট্রে পরিনত করার সমালোচনা করা হলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে না কি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    অনেক প্রশ্নই করা যায়, তবে আফসোস হ’ল আমাদের দেশে নিরপেক্ষ, তথ্য সমৃদ্ধ ও তেজস্বী বৃদ্ধিজীবির বড়ই অভাব তা আবারও মাসুদা ভাট্টি দেখালেন। আশাকরি তিনি এসকল প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর দিয়ে আমাদেরকেও সরকার তথা দেশের বিরূদ্ধে সমালোচনা করার পরিবর্তে প্রশংসা ও অকুন্ঠ সমর্থন করায় উৎসাহিত করতে পারবেন।

    Reply
    • Bongo-Raj

      সুন্দরবন এক বিরাট ঐতিহ্য বাংলাদেশের জন্য এই কথা নুতন করে বলার দরকার পড়ে না। বাঙ্গালির মাঝে এমন কোন বোকা নেই যে এই কথার বিরোধিতা করে বা করার সাহস রাখেন।
      তারপরেও গেলো দু বছর ধরে যারা
      রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে হৈ চৈ করছেন– আমাদের প্রিয় সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে দাবী করে আসছেন তাদের কাছে আমার সবিনয় নিবেদন– নিছের প্রশ্ন গুলো নিজেকেই জিজ্ঞাসা করে জবাব গুলো জেনে নিন। এরপরও যদি একই দাবী করতে চান, তাহলে সেখানে নিছের প্রশ্নগুলোর জবাবসহ দাবী করবেন বলে আশা করি

      প্রশ্ন ১
      রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমপরিমান বিদ্যুৎ উৎপাদন করা কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুনিয়াতে প্রচুর রয়েছে, যেখানে একই ধরনের প্রযুক্তিও ব্যাবহার হয়।
      ঐসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশের সব পরিবেশ (গাছ পালা, প্রাণী কি ধ্বংস হয়ে গেছে)??
      জবাব হ্যাঁ হলে সেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলোর লিস্টটা দিন।

      প্রশ্ন ২
      রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবন এলাকার পরিবেশ কতটুকুন (কিছুটা তো হবেই) খারাপ হবে? সেই উপাত্ত (ডেটা) আছে কি?
      থাকলে সেই উপাত্ত (ডেটা) কি সুন্দরবনের গাছপালা আর প্রাণীদের সহ্য ক্ষমতার থেকে বেশী হবে, হিসাব করেছেন?

      প্রশ্ন ৩
      রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের পরিবেশ কি আজকের ঢাকা শহরের পরিবেশ থেকেও খারাপ হবে? কারন– দশটা রামপাল হলেও সুন্দর বনের পরিবেশ ঢাকার পরিবেশের চাইতে খারাপ হবার নয় (ভুল হলে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা শুধরাবেন) ।
      তাহলে ঢাকার পরিবেশের জন্য, ঢাকাবাসীর জন্য মিছিল, লেখালেখি আমরা দেখি না/ পাই না কেন?

      সব শেষে প্রশ্ন নয়, সামান্য উপাত্ত (ডেটা)
      বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩% এর কম কয়লা থেকে বানানো হচ্ছে!!
      ভারত, চায়নার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৭০% এর বেশী কয়লা থেকে বানানো হচ্ছে!!!
      আমেরিকার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩৫% এর বেশী কয়লা থেকে বানানো হচ্ছে!!!
      মজাত ব্যাপার হলো—
      ভারত, চায়না বা আমেরিকার ১% বিদ্যুৎ, বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চাইতেও বেশী– অর্থাৎ বাংলাদেশে রামপাল হবার পর যেই পরিমান বিদ্যুৎ কয়লা দিয়ে বানানো হবে , চায়নাতে তার কয়েকশ গুণ বেশী বিদ্যুৎ কয়লা থেকে আসছে!!

      Reply
  8. ইফতেখার নোমান

    পোলান্ড, রোমানিয়া ক্ষুদ্র দেশ!! হা হা, বললেই পারতেন গরীব দেশ।

    Reply
  9. শান্ত

    দুর্বল রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণেই রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর আবির্ভাব হয়।

    Reply
  10. স্বাধীন

    অসাধারণ লেখনশৈলী! দুর্দান্ত আবেগ! কিন্তু কিছু বিষয় পরিষ্কার হলো না।

    ১. ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ২. শিক্ষাব্যবস্থার আমূল ধ্বংসপ্রক্রিয়ার সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৩. প্রধান বিচারপ্রতিকে যে প্রক্রিয়ায় সরিয়ে বিচারবিভাগের স্বাধীনতাকে উপহাসের বিষয়বস্তু করা হলো সেটার সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৪. দেশের ভয়াবহতম বেকার সমস্যা, মানুষের পংগপালের মতন ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যাণ্ডে কাজের সন্ধানে ছুটে গিয়ে গুম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৫. দেশের বিচার বহির্ভুত হত্যা আর গুম নিয়ে সারা বিশ্বের মিডিয়ায় যে সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৬. ব্লগারদের হত্যা, সরকারের উদাসীনতা, জংগীদের অবাধে জেল থেকে জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসা আর মদীনার সনদে পেছন দিকে হাঁটার সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৭. সরকারের প্রত্যেকটি দুর্নীতি, মারামারি, লুটপাটের সময় আগের সরকারগুলোর কাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ সমালোচনা না করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৮. পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক আমলে বাঙালির অধিকারের কথা বললেই সেটাকে ইসলাম ও পাকিস্তান নামক দেশের পরিপন্থী খেতাব দিয়ে দেওয়া হতো। এখন এ প্রসংগে সেই ইতিহাস ও তার পরিণতির কথা স্মরণ করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ৯. ব্রিটিশ তরুণ জনগোষ্ঠীকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আসলে দেশ বিরোধী এবং তাদের সকল কাজই আসলে দেশ কে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র ইত্যাদি ইত্যাদি বুঝিয়ে তখনকার সরকারের কাজের সমালোচনার পরিবর্তে সকল দোষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে তাদের উত্তেজিত করে ব্রেক্সিটের মত সর্বনাশা পরিণতি ডেকে আনার কথা মনে করিয়ে দিলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ১০. নাজি পার্টির স্বার্থ আর জার্মানী দেশের স্বার্থে কোনো পার্থক্য নেই, কানেই নাজি পার্টির সমালোচনা মানেই জার্মান দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড, এই তত্ত্বে বিশ্বাসীদের পরিণতি ও ফলাফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঢালাও গণহত্যার কথা স্বরণ করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    ১১. সবশেষে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স আবারো বাল্যবিবাহের স্তরে নামিয়ে এনে আইন পাস করে মেয়েদের আবারো মধ্যযুগে ঠেলে দেওয়ার সমালোচনা করলে সেটা কি সরকারের সমালোচনা হবে নাকি দেশবিরোধী সমালোচনা হবে?

    আশা রাখি প্রবন্ধকার এসব প্রশ্নের জবাব দিতে পারবেন।

    অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
    • Jafar Ahmed

      এগুলো একপেশে একচোখা লেখা। জবাব আশা করবেন না। উনারা প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য লেখেন না। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা বলেন আর সম্পাদকীয় বলেন সবই একটি দলের প্রতিনিধিত্ব করে। নিরেপক্ষতা আশা করাটাও পাপ ।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—