- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

কিম জং-উন বনাম ডোনাল্ড ট্রাম্প: কে জয়ী হবেন?

খুব নাটকীয়ভাবে কোরীয় উপদ্বীপের ভূ-রাজনীতি মেরুকরণ হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের ছোট বোন কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়াতে শীতকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই কোরীয় উপদ্বীপের ভূ-রাজনীতির মেরুকরণটি বিশ্ববাসী জানতে পারে। তবে পর্দার আড়ালে কয়েকমাস ধরেই আলোচনা চলছিল। আলোচনার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার উপর আরোপিত ছিল কঠোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। মোটা দাগে এই দ্বি-পক্ষীয় পদক্ষেপই উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে ভূমিকা রেখেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের আলোচনামুখী নীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নিষেধাজ্ঞা খুবই কার্যকর হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের উত্তর কোরিয়ার সাথে ‘আলোচনায় বিশ্বাসী’ নীতি উত্তর কোরিয়ার ও দেশটির মিত্র শক্তি চীনের রাজনৈতিক সমাজকে প্রবলভাবেই আশ্বস্ত করেছে। মুন জে-ইন যে কোরীয় উপদ্বীপ এলাকাকে স্থিতিশীল রাখতে চাচ্ছেন, কোন ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হতে চাচ্ছেন না সেই মেসেজটি খুব পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান সম্পর্কে উত্তর কোরিয়ার আরও কোন সন্দেহ নেই। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞায় উত্তর কোরিয়া বেশ বেসামাল হয়ে উঠে। সেই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব চীনের উপরেও ঋণাত্নকভাবে পড়ছে। উত্তর কোরিয়া যদি দেশটির পরমাণু কর্মসূচি বিশ্ব সমাজকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে চালিয়ে চায় এবং আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পরে, সেটি পশ্চিমা বিশ্বের সাথে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের অর্থনৈতিক যুদ্ধে রূপ নিবে। আর এই কারণেই পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে আসতে চীন বারবার উত্তর কোরিয়াকে চাপ দিচ্ছিল।

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অস্থির করে রেখেছে, বিষয়টি কেবল তা নয়। চীনও বড় ধরনের অস্বস্তিতে রয়েছে। উত্তর কোরিয়া চীনের জন্য বহুমুখীয় সমস্যা তৈরি করছে।

প্রথমত, উত্তর কোরিয়ার বেপরোয়া নীতির পিছনের শক্তি চীন, সেই ধারণাটি বিশ্ব সমাজে  প্রতিষ্ঠিত। এমনকি প্রাচ্যের দেশগুলির সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নের বড় বাঁধাগুলির একটি হল উত্তর কোরিয়ার বেপরোয়া আচরণের প্রতি চীনের মৌনতা।

দ্বিতীয়ত, উত্তর কোরিয়ার উপর অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিষেধাজ্ঞার ফলে চীনের অর্থনীতি জড়িয়ে পড়ছে। চীনের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে এমনিতেই ট্যারিফ যুদ্ধে দেশ দুটি লিপ্ত। এমতাবস্থায় উত্তর কোরিয়ার উপর ক্রমবর্ধিষ্ণু নিষেধাজ্ঞা থেকে চীন নিজের অর্থনীতিকে বেশিদিন আগলিয়ে রাখতে পারছে না।

তৃতীয়ত, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রকে কোরীয় উপদ্বীপে অবস্থানের বৈধতা দেয়। এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বহুমাত্রিকভাবেই চীনের উত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাছাড়া উত্তর কোরিয়া যদি পরিপূর্ণ পারমাণবিক বোমা অর্জনকারী দেশ হিসাবে আবির্ভূত হয়, সেটি কোন এক সময় চীনের জন্যও ‘ব্যাকলাশ’ হয়ে উঠতে পারে।

এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে দুটি প্যারামিটার বিবেচনায় নিতে হবে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে ধাবিত হতে পারে। প্রযুক্তির শীর্ষে থাকা জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে অল্প সময়ে শতশত পারমাণবিকবোমা বানানো অসম্ভব নয়। যদি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া পারমাণবিক বোমার অধিকারী হয় সেটি চীনের জন্যও ভাল হবে না।

তাছাড়া আজ উত্তর কোরিয়া চীনের কৌশলগত বন্ধু। সময়ের পরিক্রমায় ও ভূরাজনৈতিক নব্য মেরুকরণের কারণে উত্তর কোরিয়া আমেরিকার দলে ভিড় করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের জাপান এখন আমেরিকার বিশ্বস্ত বন্ধু। যে ভিয়েতনামকে আমেরিকা বিধ্বস্ত করে ফেলেছিল, সেই ভিয়েতনাম এখন আমেরিকার কাছের বন্ধু। আমেরিকার কাছ থেকে উত্তর কোরিয়ার অভিজ্ঞতা এখনো জাপান ও ভিয়েতনামের মত হয়নি। ফলে উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার বন্ধুত্ব যে কোন সময় হয়ে উঠতে পারে।

এখন প্রশ্ন হল, উত্তর কোরিয়া কী কেবল দক্ষিণ কোরিয়ার আলোচনার নীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণেই পরমাণু কর্মসূচির বাতিলের মত এজেন্ডা নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। নাকি আর অন্য কোন কারণ আছে?

উল্লেখিত দুটি কারণ ছাড়াও আর দুটি বড় কারণ উত্তর কোরিয়াকে আলোচনায় আসতে সহযোগিতা করছে।

প্রথমটি হল, যদি উত্তর কোরিয়া যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয় তবে অন্য কোন দেশকে উত্তর কোরিয়া পাশে পাবে না। সামরিক শক্তি দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উত্তর কোরিয়ার শিশুর মত। উত্তর কোরিয়া চীনের কাছে জানতে চেয়েছিল যদি উত্তর কোরিয়া আমেরিকার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তেমন চীন কি পাশে থাকবে? চীন উত্তর কোরিয়াকে সরাসরি ‘না’ জানিয়ে দিয়েছে।

দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে নিজেদের কী ক্ষতি হতে পারে সেই হিসাবটি উত্তর কোরিয়া ভালভাবেই পর্যালোচনা করেছে। উত্তর কোরিয়া যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপান হয়ে উঠতে পারে সেটি তারা ভাল করেই আন্দাজ করতে পেরেছে। এতে যদি শুধু উত্তর কোরিয়ার ‘কমিউনিস্ট’ শাসন ব্যবস্থারও পরিবর্তন হয়, দেশটির অস্তিত্বই থাকবে না।

এমতাবস্থায় উত্তর কোরিয়ার শাসক গোষ্ঠীর সামনে নিজেদের শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার প্রশ্নটি মুখ্য হয়ে উঠছে। উত্তর কোরিয়া আলোচনার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু কর্মসূচি বাতিল করার আলোচনার টেবিলে উত্তর কোরিয়া কী কী এজেন্ডা নিয়ে আসতে পারে। বিষয়টি এমন নয় যে উত্তর কোরিয়া একতরফাভাবে নিজেদের পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে আসবে। ডোলান্ড ট্রাম্প বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সাথে হয় একটি ভাল চুক্তি হবে নতুবা আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। ট্রাম্প প্রশাসন উত্তর কোরিয়াকে বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, আলোচনার টেবিলে উত্তর কোরিয়ার দাবি-দাবার ফর্দ লম্বা ও বাস্তবায়ন যোগ্য নয় এমন না হওয়াই ভাল।

উত্তর কোরিয়া আন্ত:কোরিয়া সংলাপে নির্ধারিত ছয় দফাকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় নিয়ে যাবে। উত্তর কোরিয়া দুটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে কথা বলতে পারে। প্রথমটি হল, যদি উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু কর্মসূচি বাতিল করতে হয়, কোরীয় উপদ্বীপেও যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্রকেন্দ্রিক আধিপত্য বন্ধ এবং সামরিক উপস্থিতি শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে হবে। উত্তর কোরিয়া চূড়ান্ত দাবী হয়ে উঠবে কোরিয়া উপদ্বীপ থেকে আমেরিকার সকল সামরিক কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার। যুক্তরাষ্ট্র যে দক্ষিণ কোরিয়াকে পারমানবিক নিরাপত্তার ছাতায় রেখেছে, সেই সকল কর্মকাণ্ডও বন্ধ করতে হবে। আরও পরিষ্কারভাবে বললে, উত্তর কোরিয়া নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইবে।

এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় টেবিলে সুবিধে করাটা বেশ কঠিন হয়ে পড়বে। উত্তর কোরিয়াকে ডি-নিউক্লিয়ারাইজেশন করতে গিয়ে এই গ্রহে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের জোট বাতিল করতে হতে পারে। এখানে আমাদেরকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে দক্ষিণ কোরিয়া তার নিজের মত করেই সিদ্ধান্ত নিবে। কোরীয় উপদ্বীপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ড চিরতরে বন্ধ করার বিনিময়ে যদি অঞ্চলটিতে শান্তি আসে, তাতে দক্ষিণ কোরিয়ার খুশি হওয়ারই কথা। আলোচনায় যদি এমনটি মনে হয় যে উত্তর কোরিয়া এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আসলেই সিরিয়াস, সেই ক্ষেত্রে আলোচনায় টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জোটের ইতি টানার দিকে চলে যেতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ প্রাধান্য নাও পেতে পারে। অধিকন্তু, কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক খরচের একটি বড় অংশ মেটাতে হয় দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণের ট্যাক্সের টাকায়।

দ্বিতীয়ত, উত্তর কোরিয়া গ্যারান্টি চাইবে যেন দেশটির কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থার অবসান না হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উত্তর কোরিয়াকে শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে যে যুক্তরাষ্ট্র পিয়ংইয়ং-এর শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা দেখাবে না। যদি সামান্যতম বিশ্বাসের ঘাটতি থাকে, আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিটি কেবল দেশটির নিরাপত্তার সাথেই সম্পর্কিত নয়, শাসক গোষ্ঠীর ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ারও বটে। প্রসঙ্গত ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগেও যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন প্রেসিডেন্ট: জর্জ ডব্লিউ বুশ, বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামা, উত্তর কোরিয়াকে দেশটির নিরাপত্তা ও শাসক গোষ্ঠীর অপরিবর্তনের বিষয়ে আশ্বস্ত করলেও উত্তর কোরিয়া বিশ্বাস করতে পারেনি। উল্লেখিত তিনজন প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়াকে নিরাপত্তার গ্যারান্টিও দিয়েছিল।

তৃতীয়ত, উত্তর কোরিয়া চাইবে খুব দ্রুতই যেন দেশটির উপর থেকে সকল ধরনের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে অর্থনৈতিকভাবে দেশটি ভেঙ্গে পড়ছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে দেশটি চীনের ছাতার নিচে থেকেই এগিয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য আলোচনাকে সামনে রেখে দুটি প্রশ্ন বিশ্লেষকদের সামনে আসছে।

এক. আলোচনা কী সফল হবে? দুই. যদি সফল না হয়ে সেক্ষেত্রে আলোচনা থেকে কে বেশি লাভবান হবে? উত্তর কোরিয়া নাকি যুক্তরাষ্ট্র?

যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অবস্থান হারিয়ে উত্তর কোরিয়াকে ডি-নিউক্লিয়ারাইজেশন করতে আগ্রহী হবে কিনা সেটি নিয়ে আমাদেরকে ভাবতে হবে। যদি যুক্তরাষ্ট্রকে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে জোট বাদ দিতে হয়, এই অঞ্চলে চীনের বহুমাত্রিক উত্থানকে মোকাবেলা করা দেশটির পক্ষে অসম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র এমন কৌশলী সুযোগ হাতছাড়া করবে কিনা সেটি এখন বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। ফলে উত্তর কোরিয়া এমন সম্ভাব্য শর্তে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

যদি আলোচনা ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়াই বেশি লাভবান হবে। দুটি কারণে উত্তর কোরিয়ার লাভ হবে। প্রথমত, দক্ষিণ কোরিয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অবিশ্বাস স্থাপন করতে উত্তর কোরিয়া সক্ষম হবে। কোরীয় উপদ্বীপে যে যুক্তরাষ্ট্র শান্তি ওস্থিতিশীলতা চায় না, সেটি উত্তর কোরিয়া প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। সেটির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্কে উপর পড়বে।

দ্বিতীয়ত, উত্তর কোরিয়া বিশ্বের কাছে নিজের নিরাপত্তার জন্য পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে নেওয়ার জন্য একটি বৈধতার সুযোগ পাবে। বহু দশক ধরে পিছিয়ে পড়া দেশটি সারা বিশ্বে নিজের ইমেজ গঠন করার সুযোগটিও কাজে লাগাবে।

ফলে আলোচনার ফলাফল যাই হোক, কিম জং উন বনাম ডোনাল্ড ট্রাম্পের ম্যাচে কিম জং উনই জয়ী হবেন।

১ Comment (Open | Close)

১ Comment To "কিম জং-উন বনাম ডোনাল্ড ট্রাম্প: কে জয়ী হবেন?"

#১ Comment By মিলটন On মার্চ ২১, ২০১৮ @ ১:১৪ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে আশস্ত করতে পারে যে তারা পরমানু কর্মসূচি চালিয়ে যাক আর ক্ষমতারও পরিবর্তন হবেনা। বিনিময়ে উত্তর কোরিয়াকে চীনের ছাতার নিচ থেকে বের হয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রের দলে যোগ দিতে হবে। কথা হল এই বিষয়টা কিম জং উন মানবে কিনা। ট্রম্পের পাতা এ ফাদে কিম জং উন ধরা দেবে কিনা এটাই দেখার বিষয়।