Khaleda Zia - 611

খালেদা জিয়া কোর্টে দাঁড়িয়ে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেছেন, তিনি শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা কী অন্যায় করেছেন তাঁর কাছে যে, তিনি তাঁকে ক্ষমা করলেন? তিনি বলেছেন, তিনি ২০০৮এর নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারতেন। কারণ জেনারেল মঈনরা তাঁর কাছে গিয়েছিলেন, নির্বাচন দিয়ে তারা চলে যাবে– তিনি যেন তাদের সঙ্গে সমঝোতা করেন।

মঈনরা তো খালেদা জিয়ারই লোক ছিলেন। তারা তাঁর কাছে যাবেনই। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দুদিন আগেও মঈন তাঁর সঙ্গে মিটিং করেছিলেন। যতদূর জানা যায়, তাঁর কথামতোই নির্বাচনের দিন-তারিখ ঠিক হয়। জনগণের জোয়ারে তিনি ভেসে যান– মঈনরাও।

শেখ হাসিনার তখন সরাসরি কথা ছিল, ‘কোনো সমঝোতা করতে হলে, কথা বলতে হলে আপনাদের ভাবির সঙ্গে বলেন। নির্বাচনটা দিন।’

আর পার্লামেন্টের মাধ্যমে ফখরুদ্দিন সরকারের কাজগুলোর বৈধতা দেওয়া! এ তো সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে। এ কাজ হয়েছে এ দেশে বার বার। এর নৈতিক বৈধতা নেই। তাছাড়া বিচারপতি খায়রুল হকের পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর এ বৈধতা দেওয়া যায় কিনা তা নিয়েও আইনগত প্রশ্ন রয়েছে। বিচার বিভাগের কাছে গেলে এ নিয়ে ভিন্ন মত আসতে পারে।

খালেদা বলেছেন, তিনি ওই সমঝোতায় যাননি। যদি না যেয়ে থাকেন তাহলে শেখ হাসিনা যে পার্লামেন্টে ফখরুদ্দিন সরকারের কাজের বৈধতা দিয়েছেন তা নিয়ে এই নয় বছরে কেন কোর্টে চ্যালেঞ্জ করলেন না? কোর্ট যদি অবৈধ ঘোষণা করত, তাহলে কি এতদিন ফখরুদ্দিন-ইয়াজুদ্দিন-মঈন উ আহমেদদের বিচার শুরু হত? সে কাজ খালেদা করলেন না কেন?

এখন তিনি বলছেন, আসুন অতীত ভুলে সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করি। বাংলাদেশের কোনো মানুষই প্রতিহিংসার রাজনীতি চায় না। শেখ হাসিনা কি গত নয় বছর ধরে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছেন? খালেদা ও তাঁর দলের লোকদের প্রতি যে আচরণ শেখ হাসিনার সরকার করছে সেটা কি প্রতিহিংসা না উদারতা?

 

Sheikh Hasina - 33333
খালেদা ও তাঁর দলের লোকদের প্রতি যে আচরণ শেখ হাসিনার সরকার করছে সেটা কি প্রতিহিংসা না উদারতা?

 

কেউ যদি শেখ হাসিনার কাজটি আপোষকামিতা দাবি করেন তা-ও খুব দোষের হবে না। তিনি কেন আপোষ করছেন তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে যে এক হাজারের বেশি মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে– কয়েক হাজারকে পুড়িয়ে পঙ্গু করা হয়েছে– আগুনে সব হারিয়ে অনেক তরুণী এখন নীরবে ঘরের ভিতর চোখের পানি ফেলেন– তাদের জীবনে আর স্বপ্ন নেই। এই সকল হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টা, তরুণীর যৌবন কেড়ে নেবার হুকুমের আসামি খালেদা জিয়া। এই ব্যক্তি যদি খালেদা জিয়া না হয়ে কোনো কেরামত আলী বা মেরামত আলী হতেন তিনি কি এতদিন জেলের বাইরে থাকতে পারতেন?

শুধু তাই নয়, এদেশের মানুষের একটি অংশ যদি রাজাকার তোষণকারী না হত, যদি তাদের বিবেক থাকত, তাহলে খালেদা জিয়াকে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ-হত্যার জন্য গ্রেফতার করতে রাজপথ কি উত্তাল হবার কথা নয়? এক হাজারের মতো মানুষ পুড়িয়ে হত্যার কথা বাদ দিন, শুধু টঙ্গিতে কিশোর মনিরকে যেভাবে পুড়িয়েছে খালেদা জিয়ার দলের কর্মীরা– দলীয় স্লোগান দিতে দিতে– যেভাবে পুড়ে যায় মনিরের শরীর– তারপরও কি খালেদা জেলের বাইরে থাকতে পারেন?

ইতিহাসের মানুষ হিসেবে বিচারপতি হাবিবুর রহমান, মুনতাসীর মামুন প্রমূখ বার বার সত্য বলেছেন– এদেশের মানুষের সমস্যা নিয়ে। এখানে কোথাও একটা ‘রাজাকারসুলভ বিষয়’ থাকলে এক শ্রেণির লোকের ভালো লাগে। খালেদা জিয়ার ক্ষে্ত্রে তা আছে বলেই এত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার হুকুম দিয়ে, আবার পরে ভদ্রবেশে বের হয়ে বলেন, আমি হাসিনাকে ক্ষমা করে দিলাম!

দেশের মানুষকে নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে এগুলো এক ধরনের মসকরা মাত্র। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ হলে নিজের অফিসে বসে এতসব হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করে আবার এভাবে কেউ কি ফিরতে পারত? সে সুযোগও কি মিলত? আবারও মুনতাসীর মামুনের আশির দশকের সেই ‘একতা’ র কলামের শিরোনাম ব্যবহার করতে হয়, ‘সব সম্ভবের দেশ এটা’।

ধর্ষক-হত্যাকারী একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার সাঈদীর রায়ের পর, মানিকগঞ্জে, বগুড়ায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে, রংপুরে যেভাবে নরহত্যা সঙগঠিত হয়, হাজার হাজার কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি পুড়িয়ে দেওয়া হয়, পোড়ানো হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হত্যা করা হয় পুলিশ সদস্যদের– এসব কি বেগম জিয়া সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে এসে বাইশ দলের মিটিং ডেকে তারপরে করেননি? ধরে নিলাম, তিনি যেহেতু শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, শেখ হাসিনাও তাকে ক্ষমা করলেন– যে জনগণের টাকায় এই সরকারি সম্পত্তি তৈরি হয়েছিল সেই জনগণ কি খালেদা জিয়াকে ক্ষমা করতে পারবেন? যে পুলিশ সদস্যরা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবার কি শেখ হাসিনাকে কোনো ক্ষমতা দিয়েছে যে, তিনি খালেদাকে ক্ষমা করে দেবেন?

মগবাজারের ওয়ারলেস রেলগেটে জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার আবুল কালামের মুখের ওপর পেট্রোল বোমা মারে। হাসপাতালের বেডে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে কদিন পরেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ২৫ বছরের তরুণ আবুল কালাম। তার মৃত্যুর কথা শুনে তার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। তার বড় ভাই তার সঙ্গে হাসপাতালে ছিলেন। এখনও ভুলতে পারেন না আবুল কালামের সেই যন্ত্রণাময় মুখচ্ছবি। তার একটাই দাবি– তাদের সংসারের সব শেষ হয়ে গেছে, এখন হত্যাকারীর বিচার হোক।

আবুল কালামের মূল হত্যাকারী কে? কার নির্দেশে ওই পেট্রোল বোমার আন্দোলন চলছিল?

 

জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বেশিসংখ্যক সেনাসদস্য হত্যা করেছেন আর বেগম জিয়া সবচেয়ে বেশি সিভিলিয়ান

 

বেগম জিয়া এখন খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলছেন, ভবিষ্যত প্রজম্মকে ভদ্রতা শেখাতে চাচ্ছেন, হানাহানি থেকে দূরে থাকতে চাচ্ছেন– নিজ মুখে আজ কি তিনি দাবি করতে পারেন যে, আবুল কালাম হত্যার হুকুমের আসামী তিনি নন?

এভাবে একটার পর একটা ঘটনা উল্লেখ করলে কয়েক হাজার পৃষ্ঠার বই লেখা যাবে। ১৯৭১এর পর তাঁর স্বামী জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বেশিসংখ্যক সেনাসদস্য হত্যা করেছেন। আর বেগম জিয়া বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সিভিলিয়ান হত্যা করেছেন। তিনি কি দায় এড়াতে পারেন একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার? যে হামলায় আইভি রহমানসহ প্রায় ৫০ জন নিহত হন? আওয়ামী লীগ অবশ্য বলে, হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৫। সাংবাদিক হিসেবে রমনা বিল্ডিংএর ছাদে উঠে দেখেছি, ট্রাক ভরে অন্তত ২০টির ওপর লাশ নিয়ে যেতে। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে শুনেছি আরও একটি ট্রাকে মৃতদেহ নিয়ে গেছে। এত মৃতদেহ কোথায় গেল?

এরশাদ আমলে নূর হোসেনের হত্যার দিনও একই ধরনের ঘটনার সাক্ষী ছিলাম। তাই আওয়ামী লীগ যাই বলুক, সব সময় বলে এসেছি, ২১ আগস্ট আইভি রহমানসহ পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। হামলাকারীদের নেতা তাইজুদ্দিনকে কি বেগম জিয়ার নির্দেশে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেওয়া হয়নি? তাইজুদ্দিনকে যিনি পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দেন, তিনি কীভাবে হত্যাকাণ্ডের দায় না নিয়ে পারেন?

শেখ হাসিনা ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের জন্য বেগম জিয়ার বিচার করছেন না। আদালত যেভাবে বিচার করছে তাই মেনে নিচ্ছেন। কিন্তু নিহতদের এই পরিবারগুলো কি বেগম জিয়াকে ক্ষমা করতে পারবে?

অন্যদিকে, সব সময় পৃথিবীর সব দেশে সংখ্যালঘুরা দুর্বল থাকে। তাদের ওপর আঘাত আসে নানাভাবে। তবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে। তাই এখানে হামলা-নির্যাতন কোনো ক্ষমতাশালীর স্বার্থে ছাড়া অন্যভাবে হয় না। ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণ সবচেয়ে বড় আকারে হয় ২০০১ সালে। বেগম জিয়ার সরকার তখন ক্ষমতায়। ওই এথনিক ক্লিনজিংএর বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছেন দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। সেখানে বেগম জিয়া থেকে শুরু করে তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আল্লার মাল’ নামে খ্যাত আলতাফ নিজেও ছিলেন জড়িত।

সংখ্যালঘুরা দুর্বল, তারা না-হয় বেগম জিয়াকে ভয় পেয়ে ক্ষমা করে দিলেন– যিনি প্রত্যেক ভিকটিমের বাড়িতে গেছেন, সেই বিচারপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু কি বেগম জিয়াকে ক্ষমা করতে পারবেন? তিনি তো সেই বেদনার্ত মুখগুলো দেখেছেন।

বিড়াল খুব সহজে কাঁটাওয়ালা গাছে ওঠে না– বলে না, ‘মাছ খাব না আর’। বেগম জিয়া এখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুর্নীতির মামলার শেষপ্রান্তে এসে বুঝতে পারছেন, আইন শেষাবধি কাউকে ছাড়ে না। তাই হঠ্যাৎ তিনি ‘লেডি গান্ধী ’হয়ে গেছেন, ক্ষমা করছেন, ‘অহিংস পরম ধর্ম’ বলে গ্রহণ করছেন! অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে ২০১৫ সাল অবধি বেগম জিয়ার নির্দেশে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারগুলো তাকিয়ে রয়েছেন শেখ হাসিনার দিকে।

তাদের একটাই দাবি– অপরাধীদের বিচার যেন হয়।

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

৩৪ Responses -- “খালেদা হাসিনাকে ক্ষমা করেছেন, খালেদাকে কে ক্ষমা করবেন?”

  1. তম্ময়

    শেখ হাসিনার সরকার এমন কি অপকর্ম করলেন দেশবাসীর প্রতি এখন তারা নিজেরাই বলছেন তাদের ক্ষমতা ছাড়ার দিনই লক্ষ লক্ষ আওয়ামী নেতা-কর্মী খুন হয়ে যাবে! তাদের এই আশংকার জবাবে খালেদার ক্ষমার ঘোষণা।

    Reply
  2. Md. Main Uddin

    Dear Mr. Shadesh Roy,
    Please go back & remember of General Ershad Period & Election, 1990, 2008 to 2017 against Bangladesh Awamileague. Please find out ans of bellows question.
    Q. Who was Firing bus with passenger ?

    Reply
  3. ওবাইদুল ইসলাম

    গ্রেনেড ও বন্দুক হামলা, এর পরও শেখ হাসিনা জীবিত থাকলেন। এটাই শেখ হাসিনার অপরাধ । আর এই অপরাধের জন্য শেখ হাসিনা বেগম জিয়ার কাছে ক্ষমা পাবার আশা করতে পারে !!! (মানুষের ধৃস্টটার একটা সীমা আছে কিন্তু বেগম জিয়ার নেই ।)

    Reply
  4. Cornell Macbeth

    ১৯৭৫-এ “হাসানুল হক ইনু” বিশেষ ভূমিকায় অবদান রাখা সত্বেও, শেখ হাসিনা তাকে ক্ষমা করে ‘মন্ত্রীর’ আসনে বসিয়েছেন। কিন্তু জাসদ কি আদৌ আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করতে পেরেছে?

    Reply
  5. junayed.barlekha@gmail.com

    * “শেখ হাসিনা কী অন্যায় করেছেন তাঁর কাছে যে, তিনি তাঁকে ক্ষমা করলেন?” সেটা আপনার চোখে পড়ার কথা না। একচোখা মানুষ সব দেখেননা। দেখতে হলে দুটি চোখ খোলতে হবে।

    * খালেদা বলেছেন, তিনি ওই সমঝোতায় যাননি। যদি না যেয়ে থাকেন তাহলে শেখ হাসিনা যে পার্লামেন্টে ফখরুদ্দিন সরকারের কাজের বৈধতা দিয়েছেন তা নিয়ে এই নয় বছরে কেন কোর্টে চ্যালেঞ্জ করলেন না? কোর্ট যদি অবৈধ ঘোষণা করত, তাহলে কি এতদিন ফখরুদ্দিন-ইয়াজুদ্দিন-মঈন উ আহমেদদের বিচার শুরু হত? সে কাজ খালেদা করলেন না কেন?– আপনার এইসব কেনো উত্তর একমাত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রীই ভালো দিতে পারবেন। তবে আমার মনে হয় উনি সম্ভবত ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন, কেচু কুড়তে যদি সাপ বেরুয়।

    * এখন তিনি বলছেন, আসুন অতীত ভুলে সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করি। বাংলাদেশের কোনো মানুষই প্রতিহিংসার রাজনীতি চায় না। শেখ হাসিনা কি গত নয় বছর ধরে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছেন? খালেদা ও তাঁর দলের লোকদের প্রতি যে আচরণ শেখ হাসিনার সরকার করছে সেটা কি প্রতিহিংসা না উদারতা?– চমৎকার প্রশ্ন তুলেছেন। ধন্যবাদ সরাসরি উদারতা দাবী না করার জন্য। তবে বেগম জিয়ার আহ্বানে সাড়া দেওয়া উচিত।

    * ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে যে এক হাজারের বেশি মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে– কয়েক হাজারকে পুড়িয়ে পঙ্গু করা হয়েছে– আগুনে সব হারিয়ে অনেক তরুণী এখন নীরবে ঘরের ভিতর চোখের পানি ফেলেন– তাদের জীবনে আর স্বপ্ন নেই। এই সকল হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টা, তরুণীর যৌবন কেড়ে নেবার হুকুমের আসামি খালেদা জিয়া। এই ব্যক্তি যদি খালেদা জিয়া না হয়ে কোনো কেরামত আলী বা মেরামত আলী হতেন তিনি কি এতদিন জেলের বাইরে থাকতে পারতেন? — কেরামত আলী বা মেরামত আলীরা টু শব্দ করলেও দোষ আর এহেন কর্মকাণ্ড!! তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বা বর্তমান সরকারের সৎ সাহস এতো প্রখর নয় যে এসব কর্মকান্ডের জন্য বেগম জিয়াকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করবে। জাতি ভুলেনি, ক্ষমতায় যাওয়ার পূর্বের কর্মকাণ্ড।

    *এরশাদ আমলে নূর হোসেনের হত্যার দিনও একই ধরনের ঘটনার সাক্ষী ছিলাম। তাই আওয়ামী লীগ যাই বলুক, সব সময় বলে এসেছি, ২১ আগস্ট আইভি রহমানসহ পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। হামলাকারীদের নেতা তাইজুদ্দিনকে কি বেগম জিয়ার নির্দেশে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেওয়া হয়নি? তাইজুদ্দিনকে যিনি পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দেন, তিনি কীভাবে হত্যাকাণ্ডের দায় না নিয়ে পারেন? — আওয়ামীলীগ যাই বলুক বলে নিজেকে নির্দলীয় প্রমাণে অপচেষ্টা করে লাভ নেই। পাঠক অলরেডি শিওর আপনার উদ্দেশ্য কি! তবে ২১ আগস্টের সুষ্ঠু বিচার সবাই চায়।

    * শেখ হাসিনা ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের জন্য বেগম জিয়ার বিচার করছেন না। আদালত যেভাবে বিচার করছে তাই মেনে নিচ্ছেন। কিন্তু নিহতদের এই পরিবারগুলো কি বেগম জিয়াকে ক্ষমা করতে পারবে?– আদালতের বিচার মেনে না নিয়ে উপায় নেই। সবাই মেনে নেয়। আর নিহতের পরিবার ক্ষমা করার কথা নয়। আমি হলেও করতাম না।

    উফ! আজাইরা প্রশ্নের ছড়াছড়ি। আসলে ইয়োলো জার্নালিজম কথাটার সারমর্ম এসব নিবন্ধ পড়লে বুঝা যায়। জাতি অন্ধ নয়, জানে কে কি করছেন?! কেন করছেন। সুতরাং লিখালিখির পূর্বে চক্ষুলজ্জা কিছুটা হলেও রাইখেন। সাধারণের কথা মাথায় রাইখেন। এখন সাংবাদিকতার নামে বাটপারি জনগণ সহজে নেবে না।

    Reply
  6. বিল্লাল হোসেন

    আজকে সিনহা সাহেব ও বিশ্বজিত হিন্দুজনগোষ্ঠীর হয়েও আওয়ামীলীগের অমানবিক, ফ্যাসিস্ট, নিষ্ঠুর, নোংরা, কলুষিত, ক্ষমতার মোহে দিকভ্রান্ত নেতিবাচক শিষ্টাচার বহির্ভূত অপরাজনীতির Symbol হয়ে থাকবেন । সমস্থ রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক দলের মৃত্যু ঘটে যাচ্ছে.. এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের অবস্থা সম্ভবত সবচেয়ে খারাপ। গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার নিয়ে কোন মুখে তারা কথা বলবে? যদি নাই বলতে পারে তাহলে কি নিয়ে রাজনীতি করবে তারা ?

    Reply
  7. mahmud ehasan

    মাছ দিয়ে শাক, নাকি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা কোনটা ? হায়রে খালেদা জিয়া , আর কত ভণ্ডামি করবেন ম্যাডাম, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি আপনি জীবনে ও বদলাবেন না এবং আপনার ছেলে ও বদলাবে না, কারণ আপনার শরীরে পাকিস্তানিদের রক্ত , নাজায়েজ রক্ত যতক্ষন না শেষ হবে ততক্ষন আপনি , আপনার দলের নেতা , পাতি নেতা এবং আপনার পোলা কেও ভালো হবেন এটা আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু না , আল্লাহ না করুক আপনি যদি কোনোদিন আবার প্রধান মন্ত্রী হন তাহলে এই দেশ থাকবে বলে মনে হয় না ,

    Reply
  8. Ishfaqul alam

    You are absolutely right. I feel pity for these type of literate uncivilised people. They both holds most respectable position of Bangladesh. They deserve respect . I wonder what you teach your family members specially your kids. Hate? Dishonor? Or wisdom to be a true civilised citizen? I am sorry but hardly few people might know you but think about the two ladies. Everyone in this country know them as a prime minister. Please dont spread your dirty ideologies among citizen but speak something to be united and civilised and to move forward together. Thank you very much indeed.

    Reply
  9. বাঙাল

    ত্রিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা আর চার লক্ষ নারিকে ধর্ষন করার পর, একাত্তরের পরাজিত পাকিস্থান এই মুহূর্তে যদি বলে বাংলাদেশকে আমরা ক্ষমা করে দিলাম। ঠিক সেই অনুভুই আমি অনুভব করলাম খালেদা জিয়ার এই অর্বাচিন উক্তির মাঝে। কে কাকে ক্ষমা করবে এখানে? ধর্ষক যদি ধর্ষিতাকে বলে, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম, কারন আমি তোমাকে আরও বিভৎস ভাবে ধর্ষন করতে পারতাম। তখন ধর্ষিতার কি অনুভুতি হবে আমি জানি না। তবে বেগম খালেদা জিয়াই এই উক্তিতে ক্ষুধ্য করে কোটি কোটি আওয়ামি সমার্থকদের। বেগম খালেদা জিয়া ভুলে গেছেন ২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার কথা। এই বেগম জিয়াই সেদিন পার্লামেন্টে ক্ষমাতার জোরে গ্রেনেড হামলার নিন্দার প্রস্তাব পাস করতে দেননি। বরাং সেদিন তিনি বলেছিলেন, শেখ হাসিনাই ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড সমাবেশ স্থলে নিয়ে গিয়েছিলেন।সেই অনুসারে ক্ষমতার সকল শক্তি দিয়ে গ্রেনেড হামলাকে ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য জজ মিয়া নাটক সেদিন সাজিয়েছিলন। কিন্ত পারনি সেই মিথ্যাকে প্রতিষ্টা করতে, সময়ের বিচারে প্রমানিত হয়েছে – কি ভাবে হাওয়া ভবনে বসে আওয়ামিলীগের সকল নেতাদের হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিভাবে রাষ্ট্রেয় সকল গোয়েন্দা সংস্থা, আইন-শৃংখ্যালা বাহিনিকে বিএনপির শীর্ষ নেতারা ব্যবহার করেছিল এই হামলা পারিচালনার জন্য। বেগম খালেদা জিয়া ভুলে গেছেন, কিভাবে রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্টান ব্যাবহার করে বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ট অর্থমন্ত্রি এস এম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছিল, কি ভাবে আহসান উল্লা মাষ্টারের মত ভাল মানুষকে হত্যা করেছে ওনারই কর্মিরা, ওনারই পরোক্ষ ইসারায়। তারা শুধু আওয়ামিলীগের নেতাও ছিল না, ছিল তৎকালিন সংসদের একজন সদস্যও । বেগম জিয়া অত্যান্ত সৌভাগ্য যে শেখ হাসিনার মত একজন মমতাময়ি প্রতিপক্ষ ওনার সামনে আছে। শেখ হাসিনার পরবর্তিতে অন্য কেউ যদি তার প্রতিপক্ষ থাকতে, তবে ওনাকে এতোদিন ২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার জন্য ১ নম্বার আসামি হিসাবে ওনার ফাসির আদেশ ও সেই রায় কার্য্যকর হয়ে যেত। বেগম জিয়া হয়তো ভেবেছেন ওনার এই আবেগময়ি ভাষনে বাঙালি ভেষে যাবে, ওনাকে ‘লেডি গান্ধী” হিসাবে উপাধি হয়তোও দিবে। সে আশায় গুরে বালি – বাংলাদেশের জনগন গত ৮ বছরে বেগম জিয়ার আনেক নৃসংষ রাজনৈতিক কর্মকান্ড দেখেছে, ওনাকে ক্ষমা করার মত উদার মনের মানুষ হিসাবে বাংলার জনগন মনে করে না।

    Reply
    • সুরুজ বাঙালি

      জনগণ ২৮ অক্টবর মানুষকে পিটিয়ে মারা দেখেছে এই কারণে কারো কি শাস্তি দেয়া যায় না ?

      Reply
  10. Hasan Chowdry

    This is a biased opinion. Both BNP and AL have done a great loss for the country. I ask the writer please write a review what AL did during non-cooperation movement when they were not in power.

    Reply
    • মুহম্মদ আবু রাজীণ

      এইটা তো সম্ভব না। ওনাকে কোন একটা পক্ষ তো অবশ‌্যই নিতে হবে। নয়তো ‘লাভ’ নাই তো—

      শ্রদ্ধেয় হাসান চৌধূরী সাহেব- আমাদের মনে রাখা উচিৎ আহমদ সফা’রা রোজ রোজ জন্মায় না। কখনও কখনও জন্মায়।

      Reply
  11. hamayet uddin

    তাকে ক্ষমা করে দেয়ার অর্থ হলো আরেকটি ২১ আগষ্ট ঘটানোর সুযোগ নিশ্চিত করা।
    সংখ্যালঘুসহ হাজার হাজার মানুষ হত্যর সুযোগ দেয়া। তার দাবী অনুসারে পাবলিকের ভোটে যেহেতু ক্ষমতা পরিবর্তন হয় না তাই প্রহসনের নির্বাচনের দরকার কি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। এমপি লীগ ও ছাত্র লীগকে থামাতে হবে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি একথা বলে যা ইচ্ছা তাই করার লাইসেন্স জাতি কাউকে দেয়নি।

    Reply
  12. মো: মাহবুব আলী

    আওয়ামীলীগ, বিএনপি , জাপার নেতারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা , ইসলাম , অসাম্প্রদায়িক চেতনা এইগুলা নিয়ে ব্যবসা করে করে ক্ষমতা আর টাকা বানায়। আর আমাদের বুদ্ধিজীবীরাও এদের তেল দিয়ে সুবিধা বাগিয়ে নেন। লেখক একজন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী। আর কত ভাই ? দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তায়নের পথ থেকে সাধারণ মানুষের পক্ষে লিখুন।কত আর ইনিয়ে বিনিয়ে ত্যানা পেঁচিয়ে হাসিনা-খালেদার পক্ষে লিখবেন?

    Reply
    • Salam

      We want to see another literate people who control our nation to improvise for our development of all works and sectors except with our two political leader (BNP & AL) with their bad colleagues. I think our people trying to save our nation and our country. We are all to give a beautiful gift to our nation through the leadership with the free and fare Election. Best of luck.

      Reply
  13. আনিস উজ জামান

    আপনার কাছে ক্ষমা কে চেয়েছে?
    আমি রাজনীতি বুঝি না, শুধু এটা বলে দেন ২১শে অগাস্ট এ কি পরিকল্পনা ছিল আপনাদের? একদল মানুষকে ঠিক একদল পিঁপড়ার মত পিষে মেরে ফেলতে চেয়েছেন। ধিক্কার জানাই আপনার মুখে আবার ক্ষমা। ১৫ই অগাস্ট এর মত আবার দেশকে নেতৃত্ব শূন্য করার অপচেষ্টা।

    Reply
  14. সুরুজ বাঙালি

    ২১ শে আগস্ট এর জন্য জাতি খালেদার বিচার যেমনি চায় তেমনি ২৮ শে অক্টবরের লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যাকাণ্ডের জন্য জাতি হাসিনার বিচার চায়।
    ন্যায়বিচারের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হচ্ছে নিরপেক্ষ থাকা।
    আশাকরি লেখক তার পরবর্তী লেখা গুলোতে নিরপেক্ষ থাকবেন।

    Reply
    • বাঙাল

      সুরুজ বাঙালি@ ২৮শে অক্টোবারে সন্ত্রাসি জামাত-শিবির বাংলাদেশের রাজধানি ঢাকার রাজপথ দখল করতে চেয়েছিল, যাতে করে জোট সরকারের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আবারোও জামাত-বিএনপি জোট ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে। সারা দেশে থেকে জামাতের সন্ত্রাসিদের সেদিন ঢাকায় জড় করেছিল। চ্যানেল অাই টিভিতে সেদিন সরাসরি দেখা গেছে জামাতের নেতারা মচ্ঞ থেকে বলেছে ” বৃষ্টির মত গুলি কর, মরলে শহিদ, বাচলে গাজি”। সেই রেকর্ড রয়ে গেছে। সেদিন জনতার প্রতিরোধে পিছু হঠেছিল জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসিরা। সন্ত্রাসিদের জনতা ধরতে পারলে, যে শাস্তি হওয়া উচিত, সেদিন জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসিদের জনতা সেই শাস্তিই দিয়েছিল। জনতার বিজয় হয়েছিল। বিচার যদি হতেই হয় তবে বিচার হতে হবে – জামাতের সন্ত্রাসিদের সহ তাদের কেন্দ্রিয় নেতাদের বিচার করা প্রয়োজন।

      Reply
      • সুরুজ বাঙালি

        বাঙাল @ , আপনি আওয়ামীলীগ করেন, তাই আওয়ামীলীগ এর খুনিদের পক্ষে বলছেন। অবাক হই নি। নিরপেক্ষ থাকুন। নিরপেক্ষ না থাকতে পারলে নীরব থাকুন। কুনো দলের দালালি করে ওই দলের খুন খারাবিকে বৈধতা দেওয়া মনুষ্যত্বের মধ্যে পরে না।

  15. সৈয়দ আলী

    বেশ চমৎকার একটি নিবন্ধ। তবে, আমার দৃষ্টিতে নিবন্ধটি পরিবেশনায় খানিকটা গোলমাল আছে। যদি সত্যিই লেখকের অনুমান ‘…..মঈনরা তো খালেদা জিয়ারই লোক ছিলেন। তারা তাঁর কাছে যাবেনই’ সত্য হয়, তবেতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উৎকলিত ভাষ্য ‘শেখ হাসিনার তখন সরাসরি কথা ছিল, ‘কোনো সমঝোতা করতে হলে, কথা বলতে হলে আপনাদের ভাবির সঙ্গে বলেন। নির্বাচনটা দিন।’ এক্ষেত্রে বোঝা যায় মইনুরা প্রথমেই শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলেন, তাই তিনি অমন পরামর্শ দিয়েছিলেন।
    আমাদের স্মৃতিভ্রষ্ট হয়নি তাই স্মরণে আছে যে মইনুরা বিএনপি নামীয় লুটেরা সংঘকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসার পরে পরেই শেখ হাসিনা দাবী করেছিলেন যে, ‘এই সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল।’? কিংবা ‘আমরা ক্ষমতায় এলে এই সরকারের সকল পদক্ষেপকে বৈধতা দেব’। বিএনপি নামীয় লুটেরা সংঘে শিক্ষিত রাজনীতিবিদ থাকলে লেখকদের মতো জ্ঞানীদের দাবীর জবাব দিতে পারতো। আমরা দেখেছি, মইনুর শাসনকালে সবচেয়ে বেশী নিগ্রহের শিকার হয়েছিলো বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এটি নিশ্চয়ই প্রমান করেনা যে লেখকের উল্লেখিত বক্তব্য ‘ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দুদিন আগেও মঈন তাঁর সঙ্গে মিটিং করেছিলেন। যতদূর জানা যায়, তাঁর কথামতোই নির্বাচনের দিন-তারিখ ঠিক হয়’।
    শেখ হাসিনাকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য কিছু লেখকেরা এমন লেখা অহরহ লিখে চলেছেন। যদিও আমার উপরের ব্যাখ্যা মতো কোন কোন লেখাতে গোজামিল বড়ই চোখে পড়ে।

    Reply
  16. সোলায়মান আলী

    আমরা
    নিরপেক্ষ বিচার চাই। পরোক্ষভাবে অনেক কিছু স্বীকার করে ফেললেন বিএনপি নেত্রী, সুতরাং কালক্ষেপণ না করে বিচার চূড়ান্ত করা হোক।

    Reply
  17. মুহম্মদ আবু রাজীণ

    ‘খালেদা হাসিনাকে ক্ষমা করেছেন, খালেদাকে কে ক্ষমা করবেন?’

    বেগম খালেদা জিয়া-প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা উভয়ই দেশের একাধিকবার প্রধানমন্ত্রি। এছাড়াও তারা যথেষ্ট বয়স্ক। এভাবে তাদের ‘খালেদা-হাসিনা’ নামে পড়তেও খারাপ লাগে। যিনি লেখাটি লিখেছেন ছবি দেখে মনে হচ্ছে তার বয়স এবং পান্ডিত‌্য যথেষ্টই আছে। বয়জেষ্ঠ এবং সন্মানিতদের নাম সন্মানের সাথে উচ্চারণ করতে হয় এই সামান্ন জ্ঞানটুকু ওনার পান্ডিত‌্যের আওতার ভিতরে পড়ে নি দেখে অবাক হলাম!!!

    ‘বেগম খালেদা জিয়া মাননীয় প্রধাণমন্ত্রি শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করেছেন, তাকে কে ক্ষমা করবেন?’- হেড লাইনটা এমন হলে কি ক্ষতি হত?

    Reply
    • হাফিজ মোহামেদ

      এই দুই জনকে বাদ দিলে থাকে ওই দলের বিখ্যাত বিখ্যাত বাটপার গুলো , সেই গুলা দিয়ে কি দেশ চালান সম্ভব ? নুতন কিছু দরকার যেমন ডঃ ইউনুস বা এই ধরনের আন্তজাতিক ভাবে পরিচিত মানুষ আমাদের দেশের রাজনীতিতে একান্তই ভাবে জরুরিভাবে খুবই দরকার হয়ে পরেছে ।

      Reply
      • Md alam

        Vhi Ami Apnar Pochonder baktike somorthon korote parlam na bole dukkhitioh. Rana plaza er somoy uni ekbaro dekhte ase ni ba kono sohanuvuti boktoh dey ni.
        Ar uni khomotay asle gorip aro gorip hoto borolok aro borolok hoto.
        Ar Unar prothisthan jodi noble peye thake tahole brac ki dosh korechilo. International kichu maldar thakle noble price emni paoya jabe vhi.
        as like Ariel saron.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—