‘অনেকে দেশে এখন নাস্তিকরাই সংখ্যাগুরু’, এ তথ্য ছাপা হয়েছে শারিয়াপন্থী দলগুলোর সমর্থক দৈনিক ‘আমার দেশ’ এ, ৩০ জানুয়ারি ২০১৬, গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল জরিপ৷

চিরকাল বিশ্বাস করেছি পৃথিবীর ‘ফাস্টেস্ট গ্রোইং রিলিজিয়ন’ (সবচেয়ে প্রসারমান ধর্ম) হল ইসলাম৷ বটেই তো৷ বিশ্বময় মুসলিম পরিবারে সন্তানের সংখ্যা অন্যদের চেয়ে বেশি, পশ্চিমা দেশে অনেকে ইসলাম গ্রহণ করছে, তাতে এটাই তো হবার কথা৷ বিশ্বাসটা প্রথম ধাক্কা খায় বছর বিশ-পঁচিশ আগে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপের খবরে, সেখানে ৬৭ শতাংশ ছাত্রছাত্রীই নাস্তিক৷ তারপর থেকে ব্যাপারটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খেয়াল করেছি; বিভিন্ন দেশে প্রজন্মকে সুযোগ পেলেই প্রশ্ন করেছি। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, বহুকাল থেকে যা ছিল অন্তর্লীন ফল্গুধারায় প্রবহমান সম্প্রতি তা উচ্ছ্বল জলধি তরঙ্গে রূপ নিয়েছে৷ সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি–

• ইউরোপের অনেকে দেশে এখন নাস্তিকরাই সংখ্যাগুরু;

• চীনে ৬১ শতাংশ সরাসরি স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করে;

• সুইডেনে ৮ শতাংশ উপাসনালয়ে ধর্মচর্চা করে, ৭৬ শতাংশ নাস্তিক;

• চেক প্রজাতন্ত্রে ১২ শতাংশ গির্জায় ধর্মচর্চা করে, ৭৫ শতাংশ নাস্তিক;

• ব্রিটেনের ৫৩ শতাংশের ধর্মবিশ্বাস নেই;

• হংকংএর নাগরিকদের ৬২ শতাংশে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নয়;

• জাপানে নাস্তিকের সংখ্যা ৬২ শতাংশ;

• জার্মানিতে ৫৯ শতাংশ নাস্তিক;

• স্পেনের নাগরিকদের বড় একটা অংশই নাস্তিক;

• অস্ট্রিয়ার নাগরিকদেরও বড় অংশ নাস্তিক;

• ফ্রান্সের নাগরিকদের বৃহত্তর অংশ নাস্তিক।

 

Youth - 111
বিশ্বসমাজকে এক নূতন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে– বদলে যাবে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক সমীকরণ

 

[সূত্র: ডয়চে ভেল]

অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডেও অন্যরকম হবার কারণ নেই৷ যেহেতু পশ্চিমা বিশ্বের সব কিছুই আমাদের দেশগুলোকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে, তাই ওই ধাক্কা এশিয়ার দেশগুলোতেও গিয়ে লাগছে ও আরও লাগবে৷ কারও পছন্দ হোক বা না হোক, এ সত্যের সামনে দাঁড়াতেই হচ্ছে দুনিয়াকে৷ কয়েক দশক পর বিশ্বসমাজকে এক নূতন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। বদলে যাবে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক সমীকরণ৷ এখন দেখা যাক এটা ঘটছে কেন৷ অনেকের অনেক মতামত থাকবে নিশ্চয়ই, কিন্তু শুধু বিশ্বাস দিয়ে বাস্তবের বিশ্লেষণ সম্ভব নয়৷

১.

গণতন্ত্র কুক্ষিগত করে পুঁজিবাদ অর্থাৎ ক্যাপিটালিজম বিশ্বময় এক ভয়ানক ভোগবাদী জীবনধারা ও জীবনবোধ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে৷ বিশেষ করে পশ্চিমা প্রজন্মের বিশাল অংশ এখন বিশ্বাস করে ‘যাবজ্জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋনং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ’– অর্থাৎ ‘নগদ যা পাও হাত পেতে নাও, বাকির খাতায় শূন্য থাক, দূরের বাদ্য লাভ কী শুনে, মাঝখানে যে বেজায় ফাঁক’। সেখানে ধর্ম, মহাপুরুষ ও ধর্মগ্রন্থের জায়গাও নেই, দরকারও নেই– স্রেফ আনন্দ করে গেলেই জীবন সার্থক৷ পশ্চিমা দেশগুলোর আইনও একে সমর্থন করে– ‘একটাই জীবন তোমার, নিজ কর্মের দায়িত্ব নিয়ে অন্যের অধিকার খর্ব না করে বা অন্যকে কষ্ট না দিয়ে জীবন উপভোগ করে যাও’৷

এর মধ্যে নারী-পুরুষের অবাধ সংসর্গও অন্তর্ভুক্ত৷ যৌবন এক পরাক্রান্ত শক্তি৷ জীবনের ষড়রিপু (ছয় শত্রু)– কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য্য– তার প্রথমটাই হল কাম যা মানুষকে প্রবলভাবে তাড়িত করে৷ পরস্পরের সম্মতি থাকলে সাবালক নরনারীর মিলন অবৈধ নয়, পশ্চিমা দেশগুলোর এ আইনের পূর্ণ সুযোগ নিয়েছে প্রজন্ম৷ ধর্মগুলো বিয়ের বাইরে দৈহিক সংসর্গের বিরোধী এবং পশ্চিমা প্রজন্মের অবাধ যৌনতায় বড় বাধা৷ কিন্তু এই আইনি অধিকার পশ্চিমা প্রজন্ম পেয়েছে সেটা তারা কিছুতেই ছাড়বে না। দরকার হলে ধৰ্মই ছেড়ে দেবে, এ প্রবণতাও রয়েছে৷ প্রজন্মের এই প্রবণতা আমাদের দেশগুলোতেও বাড়ছে৷

২.

ধর্মই নৈতিকতার ভিত্তি, এ দাবিও অসার প্রমাণিত হয়েছে৷ কারণ ধর্মহীন বা ধর্মে উদাসীন অথচ প্রবলভাবে আধ্যাত্মিক, উদার ও মানবিক গুণাবলীতে আলোকিত মানুষের অজস্র উদাহরণ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে৷ তারা কারও ক্ষতি করেন না ও বিপদে-আপদে সর্বশক্তি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান৷ হিন্দু সমাজে বিধবা-বিবাহ প্রতিষ্ঠার নায়ক পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র কিংবা আফ্রিকাতে প্রধানত মুসলিম সমাজে ইসলামের নামে ভয়ংকর বর্বর প্রথা নারীর খৎনা উচ্ছেদে সর্বাত্মক চেষ্টাকারী রুডিজার নেহবার্গ দুজনেই ধৰ্মহীন৷ দুর্ভাগ্যক্রমে, গির্জা, মন্দির ও মসজিদ-মাদ্রাসা ইত্যাদির অনেক ধর্মগুরুর ব্যক্তিগত হিংস্রতা, হানাহানি ও অশ্লীলতার খবরও প্রজন্ম জানতে পারছে। যেহেতু ধর্মগুরুদের ভাবমূর্তির উপর ধর্মের ভাবমূর্তি অনেকটাই নির্ভর করে, তাই এটাও ধর্মের প্রতি প্রজন্মের বিতৃষ্ণার বড় কারণ৷

৩.

‘ম্যান ডাজ নট লিভ বাই ব্রেড অ্যালোন’। জীবনের স্রোত প্রয়োজনের তাড়নায় প্রবাহিত হয়৷ খাদ্যের পাশাপাশি মানুষের আধ্যাত্মিক প্রয়োজন আছে, যেখানে ধর্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই৷ এই আধ্যাত্মিক প্রয়োজনটাই হারিয়েছে এ প্রজন্মের বিশাল অংশ৷ এখন তাদের প্রয়োজন প্রধানত পার্থিব, অর্থাৎ দুনিয়াদারির৷ তাদের চাই টেকনোলজির সর্বশেষ সংস্করণ, চাই পার্টি, নূতন মডেলের গাড়ি, বাড়ি, আরও ভালো চাকরি বা নিজের ব্যবসা– তারা চায় দেশে দেশে ভ্রমণ করতে, ইত্যাদি৷

 

Pexel photo - 17000
‘একটাই জীবন তোমার, নিজ কর্মের দায়িত্ব নিয়ে অন্যের অধিকার খর্ব না করে বা অন্যকে কষ্ট না দিয়ে জীবন উপভোগ করে যাও’

 

এসব প্রয়োজন ধর্ম মেটাতে পারছে না। কারণ ওটা ধর্মের কাজই নয়৷ ধর্মের কাজ হেদায়েত করা এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা। যার ধারও ধারছে না এ প্রজন্মের বিশাল অংশ৷ যা প্রয়োজন মেটাতে পারে না তা প্রাকৃতিক নিয়মেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে ও শেষ পর্য্যন্ত পরিত্যক্ত হয়৷ প্রজন্মের বিশাল অংশ ধর্মের মাধুর্য কী জানে না, ধর্মের আবেদন তাদের কাছে নেই৷

৪.

অভিজ্ঞতা কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না৷ প্রজন্ম সম্প্রতি দেখছে ধর্মের উৎস থেকে উঠে এসেছে ভয়াবহ গণহত্যা, গণধর্ষণ, ব্যাপক হিংস্রতা ও ধ্বংসযজ্ঞ৷ ইতিহাস ঘেঁটে তারা দেখেছে অন্য ধর্মের উৎস থেকেও অতীতে প্রবাহিত হয়েছে অগণিত নিরপরাধীর রক্ত ও অশ্রুস্রোত৷ হিংস্রতা, যুদ্ধ, রক্তক্ষয় অন্যান্য কারণেও হয় এবং তার ব্যাখ্যা সম্ভব৷ কিন্তু সেটা যখন স্রষ্টার নামে হয় তখন তা ব্যাখ্যার অতীত হয়ে দাঁড়ায়৷ প্রজন্ম জানে না কোনো ধর্মই হিংস্রতা শেখায় না৷ জানে না যে ওগুলো ধর্মের অপব্যবহার মাত্র– কতিপয় শক্তিশালী ধর্মগুরুর হিংস্রতা মাত্র৷ তাদের অপকর্মের দায় গিয়ে পড়ে ধর্মের উপর।

এছাড়া আছে রূপকথা৷ ধর্মের মধ্যে অনেক অবৈজ্ঞানিক, অবাস্তব ও হাস্যকর রূপকথা ঢুকে পড়েছে৷ ইসলামের কথাই যদি বলি, কোরানে আছে ব্যভিচার বর্জন করার নির্দেশ, ব্যাভিচারের শাস্তি আজীবন ঘরবন্দি অথবা আল্লাহ অন্য কোনো পথ নির্দেশ না করা পর্যন্ত, আছে ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে একশ করে চাবুক (সুরা বনি ইসরাইল ৩২, মুমতাহানা ১২, নিসা ১৫, নূর ২ ইত্যাদি)।

কিন্তু শারিয়া আইনে ব্যাভিচারের শাস্তি বিবাহিতদের মৃত্যুদণ্ড ও অবিবাহিতদের চাবুক (হানাফি আইন হেদায়া পৃষ্ঠা ১৭৮, বিধিবদ্ধ ইসলামি আইন ১ম খণ্ড, ধারা ১২৯, পাকিস্তানের হুদুদ আইন ৭-১৯৭৯, অর্ডিন্যান্স ২০-১৯৮০ দ্বারা পরিবর্তিত, আইন নম্বর ৫ (২)-এর ‘অ’ ইত্যাদি)।

সূত্রগুলো মোটা দাগে দিলাম, বিস্তারিত আছে ‘শারিয়া কী বলে, আমরা কী করি’ বইতে৷ আসলে মৃত্যুদণ্ডটা এসেছে কোরানের একটা ‘ছাগলে খাওয়া’ আয়াত-সম্পর্কিত হাদিস থেকে। কারও দরকার হলে কেতাবের পৃষ্ঠাটার স্ক্যান কপি পাঠানো যাবে। সহি ইবনে মাজাহ ৩য় খণ্ড হাদিস ১৯৪৪, উদ্ধৃতি দিচ্ছি বাংলা করে:

“বর্ণিত আছে যে, বিবি আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেন, ‘রজমের আয়াত নাজিল হইয়াছিল। অবশ্যই ইহা একটি কাগজের উপরে লিখা হইয়াছিল যাহা আমার কুশনের নিচে রাখা ছিল। রসুল (দ:)এর ইন্তেকালের পর আমরা যখন তাঁহার সৎকার করিতে ব্যস্ত ছিলাম তখন একটি গৃহপালিত ছাগল ঘরে ঢুকিয়া উহা খাইয়া ফেলে।”

এ হাদিসের ব্যাখ্যায় মধ্যপ্রাচ্যের মওলানা ওয়াজে বলেছেন:

“ছাগলটি বেহেশত হইতে আসিয়াছিল।”

মওলানার খেয়াল নেই, আল্লাহ বলেছেন তিনি এ কেতাব নাজিল করেছেন এবং তিনিই এটা সংরক্ষণ করবেন।

[সুরা হিজর ৯]

এখন আপনারাই বলুন, এসব উদ্ভট ব্যাখ্যা প্রজন্ম মানবে কেন? তাই এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক যে, তাদের এক বড় অংশের কাছে ধর্ম একটা ভীতিকর, হাস্যকর ও বর্জনীয় কিছুতে পরিণত হয়েছে৷ আক্ষরিক অর্থে ধরা হয়েছে সব কিছু, ভয়াবহভাবে উপেক্ষিত হয়েছে সুরা ইমরান ৭– এই কেতাবের সুস্পষ্ট অংশটাই আসল অংশ, বাকিটুকু রূপক, অর্থাৎ প্রতীকমাত্র৷

৫.

কিন্তু তাহলে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা কী? ধর্মের প্রধান প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ হল পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ চিরকাল এবং এখনও ধর্মে বিশ্বাসী, ধর্ম ছাড়া মানুষ চলতে পারে না৷ এটা খুবই সত্যি যে:

“ধর্মগুরুরা নীতিবাক্য প্রচার করিয়াছেন অজস্র। আর উহাতে কাজও হইয়াছে যথেষ্ট। অসংখ্য নরনারী অসৎকাজ ত্যাগ করিয়া সৎকাজে ব্রতী হইয়াছেন……মূলত পশুবৃত্তি বা স্বেচ্ছাচারিতা ত্যাগ করাইয়া মানুষকে সুসভ্য করিয়া গড়িয়া তুলিবার ব্যাপারে ধর্মগুরু বনাম ধর্মের দান অপরিসীম।”

 

Pexel photo - 18000
ধর্মের প্রধান প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ হল পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ চিরকাল এবং এখনও ধর্মে বিশ্বাসী

 

আরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র, ২য় খণ্ড পৃষ্ঠা ১৩৮। সবশেষে তিনি বলেছেন,

“ধর্মীয় শিক্ষার ফলে আদিম মানবদের লাভ হইয়াছে যথেষ্ট এবং বর্তমান যুগেও উহার আবশ্যকতা ফুরায় নাই।”

৬.

প্রজন্মকে ধর্মে আকৃষ্ট করা ধর্মগুরুদেরই দায়িত্ব৷ যতদিন ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর অপব্যবহার করে স্রষ্টার নামে বৈধ করা হবে হিংস্রতা, অত্যাচার ও দুর্নীতি, যতদিন অর্থলোলুপ ধর্মদস্যুরা চালিয়ে যাবে ধর্মব্যবসা, যতদিন হুঙ্কারী ধর্মগুরুদের শাস্তি না হবে, ততদিনই মানবজাতি ধীরে ধীরে ধর্ম থেকে সরে যাবে, ধর্ম পরিত্যাগ করবে৷ ধর্মবান্ধব মানববান্ধব ধর্মগুরুরা কীভাবে এই পঙ্কিল দুর্নীতিপরায়ণ জগতে সেগুলো বন্ধ করবেন সেটা তাদেরই দায়িত্ব, সেই ধর্মগুরুদের অপেক্ষায় আছে বিশ্বমানব৷ পশ্চিমা বিশ্বের এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই৷

তবে মুসলিম বিশ্বে ইসলামের নামে যেসব অনাচার-অত্যাচার আমরা দেখি তার অনেকটাই অবসান হবে যদি নেতারা হযরত ওমরের (রা:) শাসন খেয়াল করেন৷ চৌদ্দশ বছর আগে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তা-চেতনার সীমাবদ্ধতা সত্বেও তিনি যে বিস্ময়কর দূরদৃষ্টি, অন্তর্দৃষ্টি ও প্রজ্ঞা দিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন তা বর্তমান মুসলিম বিশ্বের নেতাদের আদর্শ হতে পারে৷ সেটার উপর লেখার চেষ্টা করব৷ আপাতত এ প্রাকৃতিক নিয়ম মানতে হচ্ছে যে, ”যা ঘটে সেটা ছাড়া আর কিছু ঘটতে পারত না বলেই সেটা ঘটে””৷ প্রজন্ম সম্ভবত মনে করছে:

রহিম যেটা দেখছে পানি করিম সেটা দেখছে কালি,
প্রশংসা যার করছে যদু, মধু তাকে দিচ্ছে গালি।
তুই যেটাকে লম্বা দেখিস অন্যে সেটা দেখছে গোল,
এক অরূপের অজস্র রূপ বড্ড লাগায় গণ্ডগোল।

সবার চোখেই একেক রঙের চশমা তা কেউ পাইনে টের,
সবাই একেক রঙের দেখি, একই মোক্ষ, এক রঙের।
দুই চশমায় মিললে মধুর ‘স্লামালেকুম’, ‘সুপ্রভাত’।
না মিললেই ‘ধর শালাকে’, ‘মার শালাকে’র সূত্রপাত।

আসল সত্য কোথায় থাকে, কে জানে তার হয় কী রূপ,
বিশ্বাসেরই সত্যে সবাই হয়ত খুশি, নয় বিরূপ।
মাতাল ভাবে, সে ঠিক আছে! দুনিয়াটাই খাচ্ছে টাল,
বিশ্বাসেরই ‘সত্য’ খেয়ে আমরা সবাই পাঁড় মাতাল!

এটাও রূপক অর্থে বলা হল, সবাইকে আবারও সালাম।

হাসান মাহমুদওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেসের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, মুসলিমস রিফর্ম মুভমেন্ট ও আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

১১২ Responses -- “অনেক দেশে নাস্তিক এখন সংখ্যাগুরু, কেন ও প্রতিকার”

  1. আব্দুর রহমান মিয়া

    দেখুন ধর্ষন আর ব্যাভিচার এক নয়।
    ১-ধর্ষন (জোরপূর্বক অবৈধ যৌনাচার) সব দেশেই কঠোর দৃষ্টিতে দেখা হয় এবং শাস্তিও তদ্রুপ (ইসলামে মৃত্যুদন্ড)।
    ২-ব্যাভিচার (জোর নয়,আপোষে করা অবৈধ যৌনাচার) একেক সমাজে একেক ভাবে দেখে। ইসলামেও তা হারাম (সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ) তবে শাস্তি মৃত্যুদন্ড নয়- গৃহবন্দী/বেত্রাঘাতসহ কঠোর ব্যবস্থা।
    দয়া করে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাই বিরত থাকুন।

    Reply
  2. jahid

    আল্লাহ আছেন, তাই নাস্তিকতার কোন ভিত্তি নাই ,
    আসুন , নামাজ পড়ি, ভাল কাজ করি, খারাপকে ঘৃণা করি,এটাই আসল আদর্শ

    জাহিদ
    সাভার, ঢাকা ।

    Reply
  3. Dr.Mohd.Mozammel Haque

    Who does say rightly that a faith prevents a man not do perform anything which is liked by his nearby one/s?
    It is only the matter how it is taken by other so if it is not liked by the nearest one leave it by change in self or site.

    Reply
  4. ডঃ নাদিয়া হাসান

    “ধর্মই নৈতিকতার ভিত্তি, এ দাবিও অসার প্রমাণিত হয়েছে৷ কারণ ধর্মহীন বা ধর্মে উদাসীন অথচ প্রবলভাবে আধ্যাত্মিক, উদার ও মানবিক গুণাবলীতে আলোকিত মানুষের অজস্র উদাহরণ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে৷ তারা কারও ক্ষতি করেন না ও বিপদে-আপদে সর্বশক্তি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান৷” খুবই সময় উপযোগী খাঁটি কথা ।

    এই ধর্ম ধর্ম করে প্রিতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে বিনা কারণে । সৃষ্টির সেরা মানুষ কবে নিজে প্রথমে সৎ হবে অন্যকে সৎ হবার বলার আগে ? অনেকে ইসলামকে সিংহাসনের উপরে বসিয়ে পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলে রায় দিচ্ছেন। কিন্তু এই ধর্মের ছায়াতলেই ঘটে যাচ্ছে অসংখ্যা ব্যাভিচার সে দিকে কারো খেয়াল নেই; নেই কারো মাথা বেথা এই ধর্মকে নিরপেক্ষ ভাবে বিশ্লেষণ করার । যারা করছেন তাদের উপর চলে আসে অত্যাচার ! কেউ কি একবারও প্রশ্ন করেছেন ;

    ১) আল্লাহ পূর্বের নবীদের না পাঠিয়ে মুহাম্মাদকে কেন প্রথম পাঠায়নি ? আল্লাহর কাছে এই তথ্য জানা ছিল না ?
    ২) আল্লাহ তো সব জানে সেহেতু পূর্বের বইগুলো যে পরিবতন হবে সেটা জেনেও কেন সে পূর্বের বইগুলো পাঠিয়েছিল ? তবে কি আল্লাহ ভুল করছে ? সে অত শক্তিশালী না যতটুকু কোরানে লেখা আছে?
    ৩) কোরান বলে নবী ঈশা জন্মে ছিলেন পবিত্র আত্মার মাধ্যমে । নবী মুহাম্মাদের চরিত্রের সাথে নবী ঈশার কোন তুলনা করা যায় না । পূর্বের কোন নবীই যুদ্ধবাজ, চুড়িবৃতি, রাহাজানি, এবং ধর্ষক ছিল না। তা জেনেও কেন আল্লাহ মুহাম্মাদেকে তার শেষ নবী করল এবং তার কাছেই কোরান নাজিল করল ?

    এ ধরণের প্রশ্ন করলে অনেকেই খেপে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু দেয় কিন্তু প্রশ্নগুলো কি একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক?

    আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে কোন বিষয় সেটা যতই বিতর্কীত হোক না আমরা অন্ততঃপক্ষে আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারি বিষয়টি অপেক্ষা করার পরিবর্তে। আলোচনা করার পরিবেশ সৃষ্টি করাটাই হল উন্নত বিশ্বের প্রধান শক্তি । Peace.

    Reply
    • কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

      “এই ধর্ম ধর্ম করে প্রতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে বিনা কারণে।” চমৎকার পর্যবেক্ষন!! প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধ তো ধর্ম নিয়েই ঘটেছে- তাই না? বসনিয়া- হার্জেগোভিনার গণহত্যা তো উগ্র ধর্মান্ধ লোকেরাই ঘটিয়েছিল!! আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়া,লিবিয়া, ইয়েমেন, প্যালেসটাইন সহ সমগ্র পৃথিবী জুড়ে জাতিগত নিপীড়ন ও গণহত্যার যে মহোৎসব চলছে তা সবই তো ধর্মের জন্য!! রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাত-দুষ্ট ও স্বার্থান্ধ জ্ঞান-পাপীরা এই সব গণ-হত্যার নায়কদের কখনই দেখতে পাবেনা। কাঠাল খাবে গোঁফ ওয়ালা কিন্তু দোষ হবে দাড়ি ওয়ালাদের-কি চমৎকার ইতিহাস বিশ্লেষণ!!

      Reply
      • Najmul shaikh

        “প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধ তো ধর্ম নিয়েই ঘটেছে- তাই না? বসনিয়া- হার্জেগোভিনার গণহত্যা তো উগ্র ধর্মান্ধ লোকেরাই ঘটিয়েছিল!! আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়া,লিবিয়া, ইয়েমেন, প্যালেসটাইন সহ সমগ্র পৃথিবী জুড়ে জাতিগত নিপীড়ন”
        এই সব গণহত্যার নায়করা কেউই ধর্ম প্রচার করেনি, মিথ্যা জান্নাতের প্রলোভন দেখায়নি, এরা কেউ ভন্ড ছিল না । এরা হত্যাকারী ছিল, যেটা সাধারণ মানুষের পক্ষে খালি চোখে দেখা এবং বোঝা খুবই সহয ছিল বিধায় আপনার মত বিশেষ চশমা পরে থাকা মানুষের পক্ষেও উপলব্ধি করা সহয হয়েছে । কিন্তু নবি মুহাম্মাদ এতই নিকৃষ্ট, এত বড় ভন্ড ছিল ১৪০০ শত বছর পরও কেউ তাঁর আসল রূপ আসল ভন্ডামি প্রকাশ করতে পারে না । আর তা করতে গেলে আপনাদের মত জন্মান্ধরা চাপাতি নিয়ে ছুটাছুটি করে ।
        গণহত্যাকারীরা কেউ নিজেদেরকে নবি দাবি করেনি । নবি মুহাম্মাদের মত এদের কোন আদর্শ ছিল না যা প্রজন্মের পর প্রজন্মে বিষাক্ত ভাইরাসের রূপ ধারন করেনি । এরা প্রায় সবাই নিজ নিজ দেশে ঘৃণিত ।এদের করা হত্যাকান্ডগলো ইসলাম ধর্মের মত এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মে বহন কর চলছে না । কেউ দশটা খুন করেছে বিধায় আপনি কেন দুই টা খুন করতে পারবেন না ? এই সব হাস্যকর যুক্তি থেকে দুরে থাকুন ।

    • Najmul shaikh

      আপনার লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছে ! ধন্যবাদ ।
      যদি সবম্ভব হয় লেখাটা ফেইসবুকে পোস্ট /শেয়ার করা যায় কি না ?

      Reply
      • কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

        আপনার যুক্তি সত্যিই লা-জওয়াব!! গণ-হত্যা করেছে ? তা করুক, কোনও ধর্মীয় আদর্শতো প্রচার করেনি -তাই তাদের লক্ষ খুনও মাফ করা যায়। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অসচেতন,পরিমিতি-বোধহীন, মাত্রাজ্ঞান-শূণ্য কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে এর থেকে ভালো কোন যুক্তি যে আশা করা যায় না, তা বেশ বুঝতে পারছি। আপনার বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান পৃথিবীতে গণ-হত্যার হোতারা পৃথিবীর মানুষের কাছে কত ঘৃণ্য তা আল-গোর, মিনাশেম বেগিন, অং সান সুকি ও ওবামার শান্তির জন্য নোবেল প্রাপ্তি থেকেই বেশ বুঝা যায়।সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের লক্ষ্যে সৃষ্ট বিশ্ব-ব্যাপী সন্ত্রাসের দায় আপনি কার উপর চাপাবেন?ধন্যবাদ।

    • Abul Kashem

      আপা আপনাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি, কোরানের অনেক কথা বিজ্ঞান সম্মতভাবে প্রমানিত সেগুলো কেন বললেন না। আর যারা বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী বা নাস্তিক বলে দাবি করে তারাতো কর্মে বিশ্বাসী, ধর্মে নয়। ধর্মের কারনেইতো মানুষের লোভ-লালসা,হিংসা- বিদ্বেষ, অবাধ যৌনতা নিষিদ্ধ হয়েছে। যারা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তাদের তো অবাধ যৌনতাকে মেনে নেয়া উচিৎ। আপনি নিজে কি আপনার আপন ভাই-বোন, মা-বাবার সাথে যৌন সম্পর্ক মেনে নিবেন যেমনটা জীব- জানোয়ারের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়। নাস্তিকদের তো আপন মা -বাবার সাথে সেক্স করা উচিৎ কিন্তু কেন তারা সেটা করে না।

      Reply
    • Abul Kashem

      আপা আপনাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি, কোরানের অনেক কথা বিজ্ঞান সম্মতভাবে প্রমানিত সেগুলো কেন বললেন না। আর সেগুলো না বলে কেন শুধু মোহাম্মাদ -এর পিছনে লাগলেন আর আল্লাহকে দোষারোপ করলেন। প্রশ্নটি এখানে কিন্তু আস্তিকতা আর নাস্তিকতা নিয়ে। যারা বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী বা নাস্তিক বলে দাবি করে তারাতো কর্মে বিশ্বাসী, ধর্মে নয়। যারা ব্যবসা করেন তাদের তো ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। বিল গেটসকেও তো ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। আর ধর্মের কারনেইতো মানুষের লোভ-লালসা,হিংসা- বিদ্বেষ, অবাধ যৌনতা নিষিদ্ধ হয়েছে। যারা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তাদের তো অবাধ যৌনতাকে মেনে নেয়া উচিৎ। আপনি নিজে কি আপনার আপন ভাই-বোন, মা-বাবার সাথে যৌন সম্পর্ক মেনে নিবেন যেমনটা জীব- জানোয়ারের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়। নাস্তিকদের তো আপন মা-বাবার সাথে সেক্স করা উচিৎ কিন্তু কেন তারা সেটা করে না।

      Reply
  5. জাহানির জাহান

    তার দেয়া তথ্যসূত্র ভুল আছে। যেসকল দেশের কথা সে নাস্তিক সংখ্যাগুরু বলে প্রমাণ করতে চেয়েছে বাস্তবে তার কোনো রেফারেন্স আমি পাইনি। দ্বিতীয় কথা হলো সে পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাইল এর ৩২ নং আয়াতের রেফারেন্স এর সাথে তার বক্তব্যের হুবহু মিলই নেই! তাহলে সে এই রেফারেন্স দিয়ে বিভ্রান্ত করলো কি কারণে?? এটা দিয়েইতো বুঝা যায় ডাল ম্যা কুচ কালা হ্যায় কাবাব ম্যা হাড্ডি হ্যায়!
    বাকী অন্যান্য যে আয়াত দিয়েছে তা দিয়ে সে কি বুঝাতে চাইছে আমার বোধগম্য নয়! ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার! এখানে বৈজ্ঞানিক অবৈজ্ঞানিক এর তর্ক আসে কিভাবে সেটাইতো বুঝলাম না! মানবিক অমানবিক বললেও মেনে নিতাম কিন্তু অবৈজ্ঞানিক কেমনে কি মাতবর??? এখন আসি আসল কথায় এ পর্যন্ত যতগুলো নাস্তিক দেখেছি তাদের ইসলাম বিদ্বেষী লেখা দেখেছি সবগুলো প্রায় সেইম! কিন্তু কোরানের যে বৈজ্ঞানিক সত্য দিক গুলো আছে সেগুলো নিয়ে কিন্তু তারা কিচ্ছু বলে না! তখন তারা চুপ! যদি সত্যিই তারা সত্যানুরাগী হয়ে থাকতো তাহলে কোরয়ানের সব সত্য বলে না কেন? বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্যের সাথে কোরয়ানের সত্যগুলো প্রকাশ করে না কেন?? নাস্তিকরা এটা কখনোই করবে না, এর কারণ এরা জেনে শুনেই কোরয়ানের উপর ইসলামের উপর মিত্যাচার করে এবং ভবিষ্যতেও করবে তাই আমরা যারা মুসলিম আছি তাদের উচিত নিজ ধর্ম সম্পর্কে আরো গভীর ভাবে জানা কোরয়ান হাদিস ভালোকরে স্টাডি করা তাহলেই এইসব আজগুবি উদ্ভট কথা বাত্রায় আমরা বিভ্রান্ত হব না।

    Reply
    • Hasan Mahmud

      জাহানির জাহান, অজস্র ধন্যবাদ – হ্যাঁ, ওটা ভুল হয়েছে। হাজার হাজার রেফারেন্স নিয়ে কাজ করি তো, দুয়েকটা ভুল হতেই পারে, ওটা ঠিক করে নেব। কিন্তু বাকী রেফারেন্সগুলো ঠিক আছে তাই না ?

      Reply
    • Mithun

      Jahanir Jahan, consider the complete collection of references. Please don’t try to hide truth by any way. (সুরা বনি ইসরাইল ৩২, মুমতাহানা ১২, নিসা ১৫, নূর ২ ইত্যাদি). #জাহানির জাহান

      Reply
  6. Abdullah Hasan

    লেখকের বর্ণিত দেশগুলোতে মুসলিম জনসংখ্যার হার হচ্ছে,
    চীন (১.৮%), সুইডেন (৫%), চেক প্রজাতন্ত্র (০.১%), ব্রিটেন (৪.৮%), হংকং (৩.১%), জাপান (০.১%), জার্মানি (৪.৪%-৫.৮%), স্পেন (৪.১%), অস্ট্রিয়া (৮%) এবং ফ্রান্সে (৭.৫%) (উইকিপিডিয়া- Islam_by_country)
    নাস্তিকতার হার বৃদ্ধির মধ্যে একটিও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নেই। এতে প্রমাণিত হয় ইসলাম ব্যতীত অন্যান্য ধর্মগুলো তাদের সমস্যার সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সুতরাং সেসব দেশে যথাযথভাবে ইসলাম প্রচার করার সুযোগ পেলে আস্তে আস্তে সেগুলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পরিণত হবে আশা করি ইনশাআল্লাহ্‌।

    Reply
  7. হোসেন ইসমাইল

    জনাব হাসান মাহমুদ, আমাদের শুভেচ্ছা গ্রহন করবেন। আশা করি স্বপ্নের দেশ ম্যরিকাতে ভালোই আছেন। আহারে ম্যারিকা, কত ইচ্ছা ছিলো স্ট্যাচু অব লিবার্টির পায়ের তলায় গিয়ে একটা সেলফি তুলবো। আমাদের কি আর সেই বিদ্যা-বুদ্ধি-ঘিলুর জোর আছে যে ওখান যাবো?
    পর সমাচার এই যে, ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেস- মুসলিমস রিফর্ম মুভমেন্ট – আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের- আপনার লেখা “অনেক দেশে নাস্তিকই এখন সংখ্যাগুরু, কেন ও তার প্রতিকার”- তার পরে পাবলিকের মন্তব্য- সব কিছু মিলিয়ে মাথা ঘুরান্টি মারতেছে। আপনাকে কি যেনো বলতে চেয়েছিলাম সব গোলাইয়া ফেলছি। যাই হোক, সংক্ষেপে যা মনে আছে তাই বলি।

    “বহুকাল থেকে যা ছিল অন্তর্লীন ফল্গুধারায় প্রবহমান সম্প্রতি তা উচ্ছ্বল জলধি তরঙ্গে রূপ নিয়েছে”। আহা, কি উপমা। প্রেমের ফল্গুধারার মতো নাস্তিকতার ফল্গুধারার প্রতি আপনার এমন মহব্বত, টান দেখে কি আর বলবো, মৌলবাদীদের গা খানা পুড়ে যাচ্ছে। ঠাডা পড়ুক ওদের উপর। আপনার মনেও যে এমন ফল্গুধারা প্রবাহমান, তা কি ওই সব হতচ্ছাড়ারা বুঝবে? তবে দাদা, ডয়েছে ভেলে- বোঝেন তো তাদের কিছু ব্যাপার-স্যাপার আছে। তারা মৌলবাদীদের ঠেকানোর জন্য তথ্যে-কিছু গোলমাল করে। তাছাড়া কমরেডদের ওরা যেভাবে প্যাট্রনাইজ করে ব্যাপারটা চোখে পড়ে। যাই হোক, য়ূরোপের দেশগুলোর সাথে অন্তত একটা মোসলেম দেশে নাস্তিকদের শতকরা হারটা দিলে ভালো হতো। বোঝেন তো ওদের যুক্তির দৌড়। কয়েকদিন আগে এক মোল্লা প্রশ্ন করছিলো, আচ্ছা, ম্যারিকা-য়ূরোপের সাথে ইসলামের এতো যুদ্ধ কেন? হেরা তো ক্রিষ্টান- হেগো লগে নাস্তিক রাশিয়া, চীনের দেখি এখন বিরাট খাতির। আমি বললাম, মিয়া বেক্কলের মতো কথা বলো কেন? তোমরা মোল্লারা হইলা নাস্তিক রাশিয়া, চীন আর গনতন্ত্রী ম্যারিকা-য়ূরোপ সবার জন্যই সমস্যা। খ্রিষ্টান ধর্ম, ইহুদী ধর্ম- তাদের দরকার ক্ষমতা আর শাসন। কে ধর্ম মানলো না মানলো তাদের সমস্যা কি? বরং মানুষ ধর্ম কম মানলেই তো তাদের ঝামেলা কম। তারা তাদের গনতন্ত্রের আদর্শ কায়েম করে তাদের সুখ-শান্তি বজায় রাখতে পারবে। আর কে জাহান্নাতে গেলো না কই গেলো তা নিয়া তাদের মাথা ঘামানোর টাইম আছে? তোমরা তাদেরকে ক্রসেডের সময় যেই ক্ষতি করছো তার শোধ নিতেই তো ব্যস্ত। তোমাদের জন্যই এই কুটি কুটি ডলার খরচ কইরা যুদ্ধ করা লাগতেছে। মোল্লায় আমার কথা শুনে বেক্কলের মতো আমার দিকে তাকায় আছে।

    যাই হোক, বাকি কথা আরেক দিন হইবো। ভালো থাইকেন কমরেড।

    Reply
  8. Redwan Khan

    সবার প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইটা পড়া দরকার। অনুরোধ করছি। কারো কাছে না থাকলে পিডিএফ লিংক দিতে পারি।

    Reply
  9. Bongo-Raj

    হাছান সাহেবের লিখাটার মাঝে নিচের বাক্যটা আছে।
    “নিজ কর্মের দায়িত্ব নিয়ে অন্যের অধিকার খর্ব না করে বা অন্যকে কষ্ট না দিয়ে জীবন উপভোগ করে যাও”
    উপরের বাক্যটা দিয়ে যা বুঝানো হচ্ছে, তা কি সব ধর্ম গ্রন্থের হাজার হাজার পাতা ব্যাপী যেই কথাটা বলার চেস্টা করা হচ্ছে অর্থাৎ মানবকে সৎ থাকার উপদেশ তার সমান নয়কি?

    সব ধর্ম গ্রন্থের হাজার হাজার প্রেস্টা ব্যাপী করা ওয়াজ`(Sermon) কে আবার অন্য রকম একটা বাক্য দিয়ে প্রকাশ করা যায় , যেমন

    ” তোমার দুই হাত, দুই পা, দুই চোখ, দুই কান, দুই ঠোঁট দিয়ে যদি তুমি কোন জীবকে কষ্ট না দেও ক্ষতি না কর, তাহলো সৃষ্টিকর্তা তোমার জন্য অবশ্যই বেহেশত বানিয়ে রাখবেন”

    Reply
  10. বেলায়েত

    আপনি কি ইউরোপ,অস্ট্রেলিয়া বা আফ্রিকার ফ্রী
    ভিসা পেতে চান আই মিন নাস্তিকদের করুনা পেতে চান।
    তাহলে এখনি নাস্তিকবাদী হয়ে যান আর ধর্ম
    বিরোধী লেখা লেখি শুরু করুন সুযোগ আপনার
    হাতের নাগালে।
    নাস্তিক হোন জার্মান যান।
    বাংলাদেশে নাস্তিকবাদ এক প্রকার ভিহ্মা প্রথা।
    বাংলাদেশের সব নাস্তিকরাই ইউরোপ বা
    অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ভিহ্মুক।
    বাংলাদেশে নাস্তিকতা একটা ভিহ্মুক এর ব্রান্ড

    Reply
  11. বিল্লাল হোসেন

    ওরা না‌স্তিক নয়। ওরা হ‌চ্ছে ইসলাম বি‌দ্বেষী। উচ্চা‌ভিলাসি লোভী। ও‌দের কথা লেখা সব ইসলাম ও মুহাম্মদ বি‌রোধী। ওরা জা‌নে এ বিষ‌য়ে বল‌লে মুসলমান ক্ষেপ‌বে আর ইউরো‌পের ভিসা কনফার্ম। যেসব দেশ এদের‌কে প্রশয় দেয় চি‌নে রাখুন ওরাই প‌রিকল্পনাকা‌রি। ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামের বিরুদ্ধে এমন সব উসকানীমূলক লেখা, ছবি ও বক্তব্য প্রদান করে, যাতে করে ধর্মপ্রান মুসলিমরা ক্ষিপ্ত হয়। তখন তারা বিভিন্ন অমুসলিম দেশে ভিসার জন্য আবেদন করে এবং জানায় যে, এদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীরা তাদের যে কোন সময় মেরে ফেলবে। প্রমানস্বরুপ তারা বিভিন্ন রেফারেন্স দেখায়। অত:পর তারা খুব সহজেই তাদের কাঙ্খিত দেশের ভিসা পেয়ে যায়। ও‌দের য‌দি না‌ম্তিক মে‌নে নিই ত‌বে ওরা একটা জি‌নিস প্রমান দি‌য়ে দি‌চ্ছে পৃ‌থিবী‌তে ধর্ম একমাত্র ইসলামই। বিদেশে অ্যসাইলাম প্রত্যাশী এধরনের কিছু কুলাঙ্গারের কারণে দেশে জঙ্গিবাদ এবং ধর্মীয় হানাহানির সৃষ্টি হয়। এদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি প্রদান করা উচিত।

    Reply
  12. নিশাত

    নাস্তিকদের কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলেও ইসলাম বিদ্বেষীদের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। আর তা হচ্ছে: ইউরোপ-আমেরিকা সহ পাশ্চাত্যদেশ সমূহের ভিসা অর্জন করা।
    ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামের বিরুদ্ধে এমন সব উসকানীমূলক লেখা, ছবি ও বক্তব্য প্রদান করে, যাতে করে ধর্মপ্রান মুসলিমরা ক্ষিপ্ত হয়। তখন তারা বিভিন্ন অমুসলিম দেশে ভিসার জন্য আবেদন করে এবং জানায় যে, এদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীরা তাদের যে কোন সময় মেরে ফেলবে। প্রমানস্বরুপ তারা বিভিন্ন রেফারেন্স দেখায়। অত:পর তারা খুব সহজেই তাদের কাঙ্খিত দেশের ভিসা পেয়ে যায়।
    বাস্তব জগত এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সর্বত্রই এমন ইসলাম বিদ্বেষীদের দেখা যায়। প্রকৃতপক্ষে এরা নাস্তিকদের থেকে অনেক বেশি ভয়ংকর। সাম্প্রদায়িক বিভেদ, দাঙ্গা-ফ্যাসাদ বাধানো তাদের কাছে খুবই সাধারন ব্যাপার।
    ইসলাম বিদ্বেষীদের চেনা খুব সহজ। তারা যে কোন বিষয়ে ইসলামকে সামনে নিয়ে আসবে এবং ইসলামের বিপক্ষে কথা বলা শুরু করবে। ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় তারা অত্যন্ত নোংড়া ভাষা ব্যবহার করবে এবং ইসলামিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমন করবে, ইসলামের রীতিনীতির বিরুদ্ধে কথা বলে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাবে। মূল কথা হচ্ছে, তারা যে কোন মূল্যেই মুসলিমদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে।

    Reply
  13. নাজমুল হোসাইন

    উদীয়মান নাস্তিকদের এখন খুবই দুঃসময়। স্বপ্ন ছিল আধুনিক, প্রগতিশীল, মুক্তচিন্তার পরিচয়ে কোনভাবে ইউরোপ, আমেরিকার ভিসা হাতিয়ে নিয়ে নিজের মাতৃভূমি ও জনগণকে মৌলবাদ, ধর্মান্ধ, দুর্নীতিবাজ প্রমাণ করে নিরাপত্তার অজুহাতে সেখানে সপরিবারে স্থায়ী হওয়া। কিন্তু বার বার আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রিফিউজড হওয়ায় তাদের সেই আশায় এখন গুড়ে বালি। কারণ পশ্চিমারা এই দেশদ্রোহী নাস্তিকদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। এদিকে নাস্তিকতার কারণে এখন ওরা পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন, অনেকটা ভবঘুরে অবস্থা। আশা করি খুব শীঘ্রই এই সব তথাকথিত আধুনিক, মুক্তচিন্তার মহাঋষিরা নাস্তিকবাদের খোলস পাল্টিয়ে আসল লেবাসে ফিরে আসবেন।

    Reply
  14. ফয়সাল মাহমুদ

    জার্মান প্রবাসী বঙ্গীয় নাস্তিক আসিফ মুহিউদ্দিনের একটা পোস্ট পড়ে দেখুন:
    “ব্লগার পরিচয়ে ইউরোপ আমেরিকা আসা বিষয়ে শুনেছি কে বা কাহারা এক ধরণের আদম ব্যবসার সাথে যুক্ত হয়েছেন। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। যারা এই ধরণের লেনদেনের মাধ্যমে ইউরোপ আসার স্বপ্ন দেখছেন বা লেনদেন করছেন, তাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি, যারা অর্থ নিচ্ছেন বা ইউরোপে নিয়ে আসার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন বা অমুক তমুককে ইউরোপে এনেছি বলে মিথ্যা বলছেন, তাদের কথায় ভুলবেন না।
    যারা এসব বলে বেড়াচ্ছেন তারা মিথ্যা বলছেন। প্রতারণা করছেন। আমাদের মত সাধারণ মানুষের পক্ষে কাউকে বা কোন পরিবারকে ইউরোপে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। এগুলো যাদের পক্ষে সম্ভব তারা হচ্ছে বড় বড় সংগঠন। যেমন এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা সেন্টার ফর ইনক্যুয়ারি। তারা যাচাই বাছাই করে অনেক বার ভেরিফাই করে শুধুমাত্র যারা যোগ্য এবং বিপদগ্রস্ত, তাদেরকেই ইউরোপ বা আমেরিকা আনার ব্যবস্থা করছেন। কোন ব্যক্তি বা গ্রুপ যদি দাবী করে, তারা এটা ওটা করেছে, ধরে নেবেন তারা মিথ্যা বলছে, এবং আর্থিক লেনদেনের সুবিধার কারণে এই ধরণের প্রচার চালাচ্ছে। তাদের সম্পর্কে আমি সহ অনেকগুলো সংগঠন অবগত হয়েছি।
    ইতিমধ্যে অনেকগুলো বড় সংগঠন এই বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছে এবং যারা এই ধরণের দাবী করছে, সেই সব ব্যক্তি সম্পর্কে আপত্তি জানিয়েছে। এর মানে হচ্ছে, যারা ফেইসবুক লিখে বেড়াচ্ছে তারা অমুককে এনেছে তমুককে এনেছে, এই সংগঠনগুলো তাদের ব্যাপারে চরমভাবে বিরক্ত, কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা এবং গোপনীয়তার কারণে তারা কিছু করছে না। অতএব সাবধানতা আপনারই অবলম্বন করতে হবে।”
    এখানে কয়েকটা পয়েন্ট লক্ষণীয়
    ক. তার এই কথাটার দিকে লক্ষ্য করুন: “এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা সেন্টার ফর ইনক্যুয়ারি। তারা যাচাই বাছাই করে অনেক বার ভেরিফাই করে শুধুমাত্র যারা যোগ্য এবং বিপদগ্রস্ত, তাদেরকেই ইউরোপ বা আমেরিকা আনার ব্যবস্থা করছেন।” এখানে যে যোগ্যতার কথা বলা হল সেটা কীসের যোগ্যতা? এসব সংগঠনের যাচাই-বাছাইয়ে যে যতো বেশি ইসলাম-বিদ্বেষী প্রমাণিত হয় সে ততো যোগ্য বলে ধরা হয় এবং তার ইউরোপের ভিসা ততো দ্রুত মিলে। এর বাইরে অনেক সময় নাস্তকগুলা অভিনয় সাজানোর চেষ্টা করে যে, আস্তিকরা তাকে হুমকি দিয়েছে, এই করেছে, সেই করেছে। যাতে তিনি বিদেশিদের কাছে ‘যোগ্য’ বিবেচিত হন। এটা আমার কথা না। খোদ আসিফ মুহিউদ্দিনের স্বীকোরক্তি।
    খ. শেষ প্যারাতে সে বলেছে:
    “যারা ফেইসবুক লিখে বেড়াচ্ছে তারা অমুককে এনেছে তমুককে এনেছে, এই সংগঠনগুলো তাদের ব্যাপারে চরমভাবে বিরক্ত, কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা এবং গোপনীয়তার কারণে তারা কিছু করছে না।”
    অর্থাৎ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদান সবই করা হয় অত্যন্ত গোপনে ও সাবধানে। সেজন্যই অনেককে বললে তারা বিশ্বাস করতে চান না। যেহেতু প্রকাশ্য কোন ডকুমেন্ট নাই।
    “Center for American progress ছয় মাস ধরে আমেরিকায় একটি সমীক্ষা চালায়। তারা The Roots of the islamphobia Network in America অর্থাৎ আমেরিকায় ইসলামবিদ্বেষী চক্রের মূল উৎস শিরোনামে ১৩০ পৃষ্ঠাব্যাপী একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাদের সেই রিপোর্ট অনুযায়ী আমেরিকায় অনেকগুলো সংগঠন মিলে গত দশ বছরে প্রায় ৪২ মিলিয়ন মার্কন ডলার ব্যয় করে মুসলিম ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের জন্য। সেই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে বিভিন্ন রকমের ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের যোগান দেওয়া হয়ে থাকে।”

    Reply
  15. আরিফ আজাদ

    একালে দর্শনের কাছে অনেক পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে যে মানুষের চিন্তাশীলতার অর্থ যুক্তিবাদিতা নয়। যুক্তি দিয়ে বড়জোর ফর্মাল সিস্টেম গড়া যায়। সেই সিস্টেম আমরা শুরুতে যে সকল এক্সিয়ম সরবরাহ করি সেই সরবরাহ অনুযায়ী পদ্ধতির ফল হিসাবে সিদ্ধান্ত তৈয়ার করতে পারে। কিন্তু সিস্টেম নিজে সেই এক্সিয়ম ঠিক নাকি বেঠিক সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কুর্ট গোডেলের (১৯০৬ – ১৯৭৮) ইনকমপ্লিটনেস থিওরম গত শতকের ত্রিশ দশকে আবিষ্কৃত হবার পর যুক্তি, গণিত ও বুদ্ধির সীমা বিজ্ঞানের নিজেরও জানা হয়ে গিয়েছে। এতে বিজ্ঞান ছোট হয়ে যায় নি। কিন্তু বিজ্ঞান যা না, নিজেকে সেভাবে হাজির করবার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অস্বস্তি বেড়েছে। বিজ্ঞানের যে অহংকার উনবিংশ ও বিংশ শতকে মহামারীর মতো দেখা গিয়েছিল বিশ শতকের শেষের দিকে বিজ্ঞানের সেই অহংকারের তেজ কমতে শুরু করে। বিজ্ঞান নিজেই উপলব্ধি ও বুঝতে শুরু করে বিজ্ঞান সার্বভৌম সত্য প্রকাশক নয়। আর ‘সত্য’ নিজেও এমন একটি ধারণা যা এখনও দর্শনে তর্কাধীন। নিজেই বিজ্ঞান উপলব্ধি করতে শিখেছে যে দেশকালের অধীন ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ বিষয় নিয়ে বিজ্ঞানের কারবার, হোক তা দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক, চার কিম্বা তারও অধিক। কিন্তু তার বাইরেও জগত আছে, তার বাইরেও বিষয় আছে, মানুষ যে সকল বিষয়ে ভাবতে সক্ষম। বিজ্ঞান যেখানে যায় না বা যেতে পারে না, কিন্তু মানুষের কল্পনা ও চিন্তার শক্তি সেখানে যেতে পারে; মানুষ দেশকালে সীমিত হয়েও অসীমকে তার চিন্তা, ভাব, কল্পনা ও সংকল্পের বিষয়ে পরিণত করতে পারে। নইলে শিল্প সাহিত্য থাকে না, দর্শনের সমুদ্র শুকিয়ে যায় এবং নতুন জগতের কল্পনায় বিদ্যমান ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাবার জন্য বিপ্লবও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
    বিজ্ঞান চাই, কিন্তু বিজ্ঞানবাদিতা চাই না। বুদ্ধি চাই, কিন্তু বুদ্ধিসর্বস্বতা নয়, কারণ অতি বুদ্ধি আমাদের বুদ্ধিমান নয়, আহাম্মকে পরিণত করে।

    Reply
  16. কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

    আল-কোরান সূরা আয্-যারিয়াতের ২০ থেকে ২৩ নং আয়াতের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেছে যে আল্লাহ পৃথিবীর বুকে মানুষের উপলব্ধির জন্য তার চোখের সামনে দুইটি গ্রন্থ সুস্পষ্ট ভাবে মেলে ধরেছেন। তার একটি হলো বিশ্ব-প্রকৃতি; আকাশ, ভূ-মণ্ডল ও মানুষ সহ সকল কিছু, আর অপরটি হলো আল-কোরান সহ তাঁর সমস্ত নাজিল-কৃত গ্রন্থ সমূহ।
    বিশ্ব-প্রকৃতিতে পরিস্ফুটিত বিভিন্ন নিদর্শন ও কোরানের আয়াত সমূহের মধ্য দিয়েই আল্লা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন- তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। উভয়ই হলো স্রষ্টার সংগে পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি মানব-জাতির যোগাযোগ রক্ষা করার মাধ্যম। কোরানের আয়াত সমূহের সংগে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আল্লার নিদর্শনাবলীর যথেষ্ঠ সাদৃশ্য বিদ্যমান। এই উভয়ের মধ্য দিয়েই আল্লাহ বস্তু ও আধ্যাত্মিক জগতের অন্তর্নিহিত বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করেছেন। এর সব-টুকুই বাস্তব সত্যের বহিঃপ্রকাশ-এখানে অলৌকিকত্ব খোঁজার কোনও প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না।
    বিশ্ব-প্রকৃতির দৃশ্য-অদৃশ্য সকল কিছুর সঙ্গে মানব মনের একাত্মতার অনুভূতিকে অর্থাৎ ‘অতীন্দ্রিয়বাদকে’(Mysticism) অনেক বিজ্ঞান মনস্ক ব্যক্তি ভাব-বিলাসিতার বহিঃপ্রকাশ বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন। আসলে তা নয়। অতীন্দ্রিয়বাদ হলো বিজ্ঞানের সম্প্রসারিত রূপ – যা বিশ্ব-জগৎ ও চেতনার ঐক্য অনুধাবনের চাবি-কাঠি।
    আলবার্ট আইন্স্টাইন তাঁর “ The Merging of Spirit and Science”নামক গ্রন্থটিতে বলেছেন “মানব মনের সব চেয়ে সুন্দর ও গভীরতম উপলব্ধি তার অতীন্দ্রিয় অনুভূতির মধ্যেই নিহিত। এটাই সমস্ত বৈজ্ঞানিক সত্যের উৎস।অতীন্দ্রিয় অনুভূতিহীন মন যা সৃষ্টি-জগতের সৌন্দর্য্য ও বিশালত্বে বিস্মিত ও অভিভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখেনা তা মৃতের সমতুল্য। সর্বোচ্চ জ্ঞান ও সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ হিসাবে মানুষের ক্ষুদ্র বুদ্ধির অগম্য বস্তুর অস্তিত্ব অনুধাবন ও উপলব্ধির মধ্যেই চূড়ান্ত ধার্মিকতা নিহিত।“
    “কিছু উগ্র নাস্তিক আছেন যাঁদের অসহিষ্ণুতা ধর্মীয় উগ্রবাদীদেরকেও হার মানায়। উভয়ের অসহিষ্ণুতার উৎস মূল কিন্তু একই—–তারা এমন এক জীব, মহা-বিশ্বের সুর-তরঙ্গ যাদের কর্নমূলে প্রবেশ করতে পারেনা। মহা-বিশ্বে বিরাজমান ঐক্যতান আমার মতো সীমিত বুদ্ধির লোকের কাছে প্রকাশিত হলেও কিছু মানুষ তা বুঝতে পারেনা-তারা অন্ধ ভাবে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। কিন্তু আমার সব চেয়ে বেশী রাগ হয় যখন দেখি তারা তাদের মতের সমর্থনে আমার উদ্ধৃতি দেয়।মহা-বিশ্বের অন্তর্নিহিত এই সুরের ঐক্যতান ও ভারসাম্য কি স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমান করার জন্য যথেষ্ঠ নয়?”
    আল-কোরানের সূরা বাকারার ২থেকে ৪ নং আয়াত [২:২-4], সূরা আল-হাকক্বাহর ৪১-৪৬ও ৫১নং আয়াত সমূহ [৬৯: ৪১-৪৬ ও ৫১] পর্যালোচনা করে একথা নির্বিধায় বলা যায় যে কোরান কখনও বাস্তবতা বহির্ভূত অলৌকিকত্বে বিশ্বাস করেনা।কোরানের মধ্যে অনুমান বা অলীক কল্পনার কোনো স্থান নাই।কোরানের মধ্যে আল্লাহ যা কিছু বলেছেন তা সবই সত্য ও বাস্তব। মানব-জীবন ও বস্তু-জগতের অন্তর্নিহিত সত্য ও বাস্তবতাই হলো কোরানের মূল আলোচ্য বিষয়।সমগ্র বিশ্ব-প্রকৃতি, তার বিকাশ-প্রক্রিয়া ও ইতিহাসকে কোরান মানুষের জন্য উপদেশ ও স্রষ্টার সৃষ্টি নৈপুণ্যের বাস্তব নিদর্শন হিসাবে চোখের সামনে তুলে ধরেছে। বাস্তবতা-বিবর্জিত অলৌকিকত্বের আলোকে কোরানকে দেখার প্রচেষ্টা ভুল ও এক জন সত্যিকার মুসলিমের কাছে ইমানের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র ।ইসলামের শত্রুরা এই দুর্বলতাকে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে এবং কোরানকে জীবন ও সৃষ্টি জগতের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়াস পায়।
    মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির অগম্য কোনও বিষয়-বস্তু যত বাস্তবই হোকনা কেন মানুষ তাকে অলৌকিক বলে মনে করে।আল্লাহ চিরন্তন সত্য।তাঁর সৃষ্ট দৃশ্য-অদৃশ্য সকল বস্তুই সেই সত্যের বহিঃপ্রকাশ।এখানে বাস্তবতা বিবর্জিত অলৌকিকত্বের কোনো সুযোগ নাই।আল্লাহ সত্য ও বাস্তব, সৃষ্টি ও ধ্বংসের চিরন্তন প্রক্রিয়ার আলোকে জীবন- মৃত্যুও বাস্তব সত্য,পরকাল ও বিচার দিবসের ঘটনাও বাস্তব,ফেরেস্তা বাস্তব,শয়তানও বাস্তব,বেহেস্ত-দোযখ, শাস্তি ও পুরস্কার সবই সত্য ও বাস্তব। জীবনের চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান জীবন-মৃত্যু, পাপ-পূণ্য, সৃষ্টি ও ধ্বংসের পরস্পর বিরোধী ঘুর্ণাবর্ত।— এর মাঝে বাস্তবতা-বিবর্জিত অলৌকিকত্বের স্থান কোথায়? কোরানের কোথাও এর স্থান নাই। কোরানে উল্লেখিত কিছু কিছু ঘটনা ও কাহিনী- সূ্ত্র আপাত দৃষ্টিতে অলৌকিক বলে মনে হলও আসলে তা নয়।সেই সমস্ত ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে আল-কোরান সত্য ও মিথ্যার চিরন্তন লড়াই এর বাস্তবতাটিই প্রতিফলিত করেছে। এবং সেই সংঘাতে সত্যের বিজয়ের পক্ষে কোরানের দ্ব্যর্থহীন ঘোষনা ক্রম-বিকাশের এক অনিবার্য্য বাস্তবতা ও বিশ্বজনীন সত্যকেই সবার উর্দ্ধে তুলে ধরেছে।
    কোরান বাস্তব,অহি বাস্তব,বিশ্ব-জগতে প্রকাশিত আল্লার নিদর্শন সমূহ বাস্তব, কোরানে আলোচিত সমস্ত বিষয়-বস্তুই বাস্তব। এই সকল বাস্তবতার আলোকে একথা নিঃশংকোচে বলা যায়যে, জ্ঞানের অভাব ও ইমানের দুর্বলতা হেতু কোরানে অবাস্তব অলৌকিকত্ব খোঁজার প্রয়াস তার সম্মান বৃদ্ধি না করে বরং তার মহিমাকেই খর্ব

    Reply
    • Alauddin Al Azad

      কোরান সহ অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থগুলোতে যা লেখা আছে তার ৮০% আজগুবী, কাল্পনিক আর রূপ কথার কাহিনীতে পরিপূর্ণ। এইসব রূপ কথার কেনটিই বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তব সম্মত নয়। আংগলের ইশারায় চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করা, বোরাক যানে চড়ে আল্লাহর সাথে দেখা করতে যাওয়া, পানির উপর দিয়ে হেটে যাওয়া, মরা মানুষকে স্পর্শ করা মাত্র জেগে উঠা, বেহেশতে ৭২ হুর বরাদ্দ দেয়া এমন হাজারো আজগুবী, রূপ কথায় পরিপূর্ণ কোরান।

      Reply
      • কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

        আমি আপনাকে আল-কোরনের ৩ নং সূরার ৭ নং আয়াতটি একটু মনোযোগ সহকারে পড়তে অনুরোধ করবো।মানুষের বুদ্ধির অগম্য বিষয়কে মানুষ সব সময় আজগুবি বলে মনে করে- আর সেটাই স্বাভাবিক। ধন্যবাদ।

  17. E A Bari

    No big deal. There always was a big majority of people in the world atheists, sceptics and Mushriks. Pure monotheism exists in Islam only. Therefore, believers of one Allah will always remain in this world unlil it is totally destroyed. There isn’t any need to be alarmed.

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      আপনার এই বিশ্বাসটিই বদলে যাচ্ছে। গুরুত্ব হারাচ্ছে। উনি পুরো লেখায় সেই প্রমান এবং যুক্তি তুলে ধরেছেন। নিজের চিন্তা এবং বিশ্বাসকে চ্যালেন্জ করলে ক্ষতি হয় না। বরং ঘুম ভালো হয়।

      Reply
  18. Aizu

    ” WHAT YOU BELIEVE IS TRUE FOR YOU ”

    ” SEEING IS BELIEVING ” is not a correct statement !

    1. If GOOD is the WILL of Creator why BAD things are ALLOWED to happen ?

    2. HOW do you KNOW that your RELIGION (whichever it may be) is the TRUE RELIGION ?

    3. HOW CAN or CAN’T you PROOF the Existence of Creator ?

    4. Why there are MULTIPLE RELIGIONS ?

    Ask these things yourself and reach your conclusion if you have a brain

    Reply
    • মান্নান

      আপনারা রাজনীতি, ইতিহাস সমাজ এইগুলার তো ছাতা কিছুই বুঝেন না।
      আপনারা না নিজেকে মার্ক্সবাদী বলে দাবী করেন। মার্ক্স বাবাজি তো বলেছেন, “ধর্ম হচ্ছে নির্যাতিত জীবনের দীর্ঘশ্বাস, হৃদয়হীন জগতের হৃদয়, আত্মাহীন অবস্থার আত্মা।” বাংলাদেশে যতদিন জুলুম থাকবে, নিপীড়িত মানুষ তার আচরিত ধর্ম ইসলামের ঝাণ্ডা তুলে প্রতিরোধ জারি রাখবে। এইটাই মার্ক্সের শিক্ষা। আপনি এইবার নিজেরে জিগান বাম স্যেকুলারপন্থী ভাই বেরাদারেরা, আপনারা নিজেরা আসলে কী? আপনি আসলে কার রাজনীতি করতাছেন। আমাগো “প্রগতিশীল”রা পোশাকে মডার্নিজম না পাইলে, আর বয়ানে ইসলামের ভাব পাইলেই তারে পশ্চাৎপদ কয়। এই সো কল্ড প্রগতিশীলেরা শুধু চিন্তাতেই অক্ষম না, নিরেট মুর্খও বটে।দেশের মানুষ আপনাগো আগেই চিনছিলো, যখন মুখোশ খুইল্যা পরেনি, তখনো। তারা বুঝছিলো, আপনারা আসলে হাড়ে মজ্জায় ইসলাম বিদ্বেষী। তাই মুখে যত মিঠা কতাই কন না কেন, আপনাগো তারা গ্রহণ করে নাই।

      Reply
    • নাজিয়ান

      ইসলামবিদ্বেষ (মতান্তরে ইসলামভীতি) নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।
      ভারতীয় বাঙালি উচ্চবর্ণ হিসেবে, ইসলামভীতি আমার মিম-গত বৈশিষ্ট্য। তার কারণ হিসেবে দুটো মনে হয়।
      ক) শূদ্রবিদ্বেষঃ ভারতের এইখন্ডে মুসলমান মূলতঃ ধর্মান্তরিত নমঃশূদ্র বা অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠী। দলিতবিদ্বেষের বহমানতাতে মুসলমান বিদ্বেষ এসে গেছে। শূদ্রবিদ্বেষ না থাকলে বর্ণহিন্দু পরিচিতিই বিপর্যস্ত হয়। তাই নমোর মতন নেড়েরাও প্রায় অস্পৃশ্য।
      খ) ইউরোপের ইসলামভীতিঃ আমি তো শুধু বর্ণহিন্দু নই। আমি ১৮০০+ সালের আলোকপ্রাপ্তি নিয়ে কলোনিসন্তানও। কলোনির প্রভুরা ইতিহাসের এক আদিপর্বে আদ্ধেকের বেশি মহাদেশ ইসলামের নিচে পদানত হতে দেখেছেন। তারপর খলিফার সভ্যতার ওপর প্রায় দুশো বছর ধরে দাঙ্গা চালিয়েছেন। তারপর যখন সভ্যতর পূর্ব-দিকে কলোনি বাড়ানোর কথা ভাবলেন, ভারত থেকে শুরু করে আফগানিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য এমন কী আফ্রিকার একাংশেও তাদের মূল যুদ্ধ হয়েছে ইসলাম-অবলম্বী শাসকদের সঙ্গেই। শাসন, সংস্কৃতি, শিক্ষা সবকিছুতেই ইউরোপের কলোনিমালিকদের (বিশেষতঃ বৃটিশ) যুদ্ধ করতে হয়েছে বিভিন্ন স্থানীয় ঐস্লামিক ব্যবস্থার সঙ্গে। ফলে আজকের উত্তরকলোনির গায়ে মিশে আছে ইসলামভীতির চিহ্ন।
      এই দুইদিক ব্যাপ্ত করে রয়েছে আমার ইসলামবিদ্বেষ। আপনাদের?

      Reply
    • নোমান বায়েজীদ

      সোভিয়েত রাশিয়ায় যারা আপনার মত না তাগো জায়গা ছিল সাইবেরিয়া শ্রম শিবির। সেই রাষ্ট্র টেকে নাই। ভয় দেখাইয়া, দমন কইর‍্যা, কণ্ঠস্বর রুদ্ধ কইর‍্যা, গুম কইর‍্যা সরকার তো দূর কি বাত রাষ্ট্রই টিকতে পারেনা। আমাগো স্যেকুলারেরা সেই সোভিয়েত কমুনিস্টদের মতো। তারা তাঁদের মতের বাইরের মানুষদের মানুষ বলেই মনে করেনা, মনে করে তারা “ছাগল”, এবং এরা নির্মুলযোগ্য, এদের এই দেশে থাকার অধিকার নাই বলে মনে করে, তাঁদের কথায় কথায় পাকিস্তানে পাঠায়ে দেয়। এরা আসলে সরকার টিকাইতে গিয়া রাষ্ট্রের বারোটা বাজাইতেছে। এইখানে স্যেকুলারেরা পলিটিক্যালি ফেইল করছে। তারা দেখাইছে, দানবীয় রাষ্ট্র শক্তি ব্যবহার কইর‍্যা ভিন্নমতরে সে ডিল করবো, এবং তা সে করতেছে।

      Reply
  19. Ragib

    It seems like you care for Islam, but in real case, you don’t. I have seen and heard some of your writings and lectures, you are a piece of junk. You modify Islam as you want and that is not caring for Islam. That is destroying Islam.

    Whatever, I can point out the things that you have said will make bad impressions about Islam and even the words that do not follow Islam at all specifically. But I am not that lifeless. Bothered to comment here because other people who are here to read your column should not follow or even listen to you. Be good or be destroyed.

    Reply
    • Md.Enamul Kabir Sarker

      Hello suited-booted extremist,
      I’m sure you didn’t like the way I addressed you. So didn’t Mr. Hasan Mahmud, the writer of this article whom you attacked personally in a derogatory manner. You are calling upon people to not follow or listen to him. May I ask who are you to determine what people should or shouldn’t listen to or follow? What the writer presented in his article are simply facts and figures.
      If you have anything more fascinating or logical to let people know, could have been presented in a similar article.
      People like you have always been trying to suppress the opinions of others if they have anything to say different from yours.
      Your religious sentiments are offended quite often and unusually under slightest pretexts.
      You guys resort to Chapati to behead the so-called atheist bloggers and writers to defend Islam.
      If Islam has to survive with help from barbarian followers like you, I must equivocally claim that it is passing a hard time. May Allah save Islam from bigots like you. Cheers!

      Reply
    • Md.Enamul Kabir Sarker

      Hello suited-booted extremist,
      I’m sure you didn’t like the way I addressed you. So didn’t Mr. Hasan Mahmud, the writer of this article whom you attacked personally in a derogatory manner. You are calling upon people to not follow or listen to him. May I ask who are you to determine what people should or shouldn’t listen to or follow? What the writer presented in his article are simply facts and figures.
      If you have anything more fascinating or logical to let people know, could have been presented in a similar article.
      People like you have always been trying to suppress the opinions of others if they have anything to say different from yours.
      Your religious sentiments are offended quite often and unusually under slightest pretexts.
      You guys resort to Chapati to behead the so-called atheist bloggers and writers to defend Islam.
      If Islam has to survive with help from barbarian followers like you, I must equivocally claim that it is passing a hard time. May Allah save Islam from bigots like you. Cheers!

      Reply
  20. কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

    স্রষ্টার অস্তিত্ব একটি বাস্তব সত্য। মানুষ বিশ্বাস করলো কি করলোনা তার উপর স্রষ্টার অস্তিত্ব নির্ভর করেনা।বস্তু ও আধ্যাত্মিকতার সমন্বয়ের মাধ্যমেই সত্য নিজেকে প্রকাশ করে। সমগ্র পৃথিবী আজ নীতিহীন ভোগ-বাদিতার পিছনে ছৃটছে। তাদের আধ্যাত্মিক চোখ আজ অন্ধ হয়ে গেছে, তাই সত্য তাদের কাছে প্রকাশ পাচ্ছেনা।ভোগ-বাদের দার্শনিক ভিত্তি হলো নাস্তিকতাবাদ-তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু নাই। জীবনের চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান জীবন-মৃত্যু, সৃষ্টি ও ধ্বংসের বাস্তবতার আলোকে স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বীকার করার কোন সূযোগ আছেকি?

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      জীবনের চতুর্দিকে তাকালে স্রষ্টার অস্তিত্ব যেমন স্বীকার করতে হয়, সেই একই কারনে তাকে অস্বীকারও করতে হয়। ঘটনা খুব ক্যাঁচালে। জীবন-মৃত্যু’র আগে-পিছের প্রশ্নগুলোর সমাধান কোন ধর্মই দিতে পারে নি। ইসলাম সহ সব ধর্ম নিজের মতো করে ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছে, যার কোনটিই চুড়ান্ত নয়। সৃষ্টি-ধ্বংসের বাস্তবতা খুব ঘোলাটে একটা বিষয়। সৃষ্টির আদিতে হাত দিলে সেখানে প্রত্যেক ধর্ম গলা টিপে ধরতে আসে। কারন কি জানেন? সেই উত্তর ধর্মেরও অজানা। কষ্ট নেবেন না দয়াকরে। যুক্তির বাইরে ধর্মও যেতে পারে না। আমি, আপনি কেউ না।

      Reply
      • Faisal Ahmed

        It is the prediction of prophet Mohammad (PBUH) about the kayamat.Today we are discussing the religion Islam that where it is right or wrong.Please search in the Koran and hadith that Mohammad (PBUH) gave us (all human) the sign of today’s confusion that you are trying to believe us (believers) about the existence of ALLAH.It is the truth of Koran that people will go far away from Koran day by day.Your analysis is proving the truth of Koran.May Allah give you the right view. Don’t give example of koran that you are not understanding.Allah send prophet (PBUH) to understand and we have to follow.If you do not then you will follow the wrong path.The reality of earth and the reality of hereafter aren’t same. Today science discovers the relativity of time, place and mass. Do you think that all theory is correct? Some theory we don’t understand and many scientists give their different analysis on the same matter.Human thinking is not equal to creator Allah. So you can’t understand Allah without analysis of Koran and Prophet. We have to practice all of the rules according to Koran to understand the mystery of Islam.

      • কাজী ওয়াদুদ নওয়াজ

        বিজ্ঞান হলো মানুষকে প্রদত্ত আল্লার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ, মেধা ও বুদ্ধি-বৃত্তির ফসল। আদমকে সৃষ্টির পর তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য আল্লা যে জ্ঞান তাকে দিয়ে ছিলেন বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞানেরই ধারাবাহিকতা। আদমের সমস্ত জ্ঞান আল্লার “সিফাত” বা গুনাবলীর মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাঁর “জাত” সম্পর্কে কোন জ্ঞান বা চিন্তা করার অধিকার তাকে দেওয়া হয়নি। আর এটাই হলো আল্লার নির্ধারিত বিজ্ঞানের চুড়ান্ত সীমারেখা। সৃষ্টি-জগতে ক্রিয়াশীল তাঁর সীমাহীন গুনাবলীর স্বরূপ উদ্ঘাটন ও মানব-কল্যানে সেই জ্ঞানকে নিয়োজিত করার দায়িত্ব বিজ্ঞানের। মানুষের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ক্রম-বিকাশমান।অগ্রগতির প্রতিটি পদক্ষেপে এর রূপান্তর ঘটছে। আজকের বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আগামীকাল আরো উন্নত তত্ত্ব দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। অনন্ত কাল-প্রবাহের আলোকে মানুষের আবির্ভাব ও তার অস্তিত্ব স্থান ও কালের অতি ক্ষুদ্র এক গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ। একজন বৈজ্ঞানিক যত প্রতিভাবানই হোন না কেন তাঁর অনেক মানবিক সীমাবদ্ধতা আছে। কালের বিচারে বুদ্ধিমান প্রাণী হিসাবে মানুষের স্থায়ীত্ব ও অস্তিত্ব-কালও অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। এই সমস্ত সীমাবদ্ধতার আলোকে বিজ্ঞান যত উন্নতিই করুক না কেন তা কখনও সম্পূর্ণ সৃষ্টি-রহস্য ও আদি-সত্বার (Absolute Truth) স্বরূপ উদ্ঘাটনে সমর্থ হবেনা – একথা নির্বিধায় বলা যায়। সুতরাং সৃষ্টির আদিতে হাত দেওয়ার ক্ষমতা বা যোগ্যতা কোনটাই মানুষের নাই। ইসলাম মানুষের এই সীমাবদ্ধতাকেই পরিস্কার ভাবে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

  21. মো: আব্দুর রহমান

    উপরে যে দেশগুলোর কথা বলা হয়েছে এবং সেখানে নাস্তিক বা ধর্মহীনের যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে তার ভিন্ন অর্থ দাঁড় করানো যেতে পারে। নাস্তিক আর ধর্মহীন এক নয়। নাস্তিক হচ্ছে স্রষ্টাকে অস্বীকারকারী ব্যক্তি। ধর্মহীন এমনও হতে পারেন যিনি এখনো কোন ধর্মে শামিল হননি। তাছাড়া একটা পরিসংখ্যান বা জরিপ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। আপনি যদি কোন ধর্মশালার কাছে জরিপ চালান তাহলে ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা শতকরা ১শ’ ভাগও পেতে পারেন। আবার যদি কোন পানশালায় গিয়ে ধর্মের কথা জিজ্ঞেস করেন তাহলে জবাব আসতে পারে ‘আরে ভাই বাদ দেন তো ওসব, আমি ওসবে নেই, আমি এতেই (হাতের বোতল দেখিয়ে) আছি। আসইত/নাস্তিকের বিষয়টি জরিপের ফল হতে পারে না, আদমশুমারি থেকে এর একটা ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
    যাইহোক, ধর্ম যদি কড়াকড়ি আরোপ করেও থাকে তা মেনেই ধর্মের মধ্যে থাকতে হবে। ধর্মের বিষয়টাই এমন এটা আসলে ‘নগদ যাহা পাও হাত পেতে নাও’ তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। ধর্মের সাথে বিশ্বাসের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তির ইহজাগতিক, ব্যক্তিগত ও জৈবিক আচরণ কেমন হবে তা ধর্ম অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে, এটা কঠিন মনে হলেও তা অনুসরণ করাই ধর্ম। ধর্মে বিশ্বাসী শুধু ইহকালিত আরামের মধ্যে নিজেকে বিলিয়ে দেয় না, পরকালীন শান্তিও তার জন্য পরম আরাধ্য।

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      ভাইজান, গ্যালাপের জরিপকে চ্যালেন্জ করেছেন দেখে খুশি হয়েছি। আরো খুশি হতাম যদি আপনি সেই জরিপের উপায়, বিশ্লষণের পদ্ধতিকে চ্যালেন্জ করতেন। এই রকম জরিপ চালিয়েছে পিউ রিসার্স, ইউরোপিয়ার সোসাল রিসার্স এবং আরো অনেকে। সবার প্রাপ্তি কম-বেশি একই রকম। ওদের ওয়েব সাইটে প্রত্যেক ভেরিয়াবেল সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে। প্রত্যেকটা ভেরিয়েবল নিয়ে হালি হালি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয়েছে, হচ্ছে। ভুল থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলো তুলোধুনা হয়ে যেত রাত বেরাতে। ওদের ডাটা সেট দরকার হলে নিঃসঙ্কচে বলেন, দিমুনে।

      Reply
  22. শাওন

    আধুনিক বিশ্বে লোকজন যা করে তার সবই ঠিক ধরে নেয়ার কোন কারন নাই, এসকল লোকদের প্রায় ১০০%-ই পর্নে আসক্ত কিংবা বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে বিশ্বাসী। তাদের স্বামী বা স্ত্রী অন্য যাকে পছন্দ তার সাথে রাত কাটাতে পারে। এগুলোকে যদি আপনার পজিটিভ মনে হয় তাহলে কিছু বলার নাই… প্রশ্ন হচ্ছে কেন সবাই নাস্তিক হচ্ছে বা সেই দিকে চলে যাচ্ছে। প্রথমত ধর্ম চর্চাই এখন অনেক কম এবং অভিভাবকরা নিজেদের পার্থিব কাজেই অনেক ব্যস্ত যার ফলে চর্চা করার কালচার হারিয়ে গেছে- সেই হিসেবে বুদ্ধিমান গোষ্ঠীরা অপ্রয়োজনীয় (non practicing) বিশ্বাস আকড়ে ধরে বসে থাকবেনা সেটাই স্বাভাবিক, দ্বিতীয়ত ধর্ম মানুষকে অনেক রেস্ট্রিকশনের কথা বলে, দুনিয়াতে যারা আমোদ-ফুর্তিই সব মনে করে বসে আসে তাদের জন্য এসকল রেস্ট্রিকশনের ধার ধারার চেয়ে নন-বিলিভার হওয়াই সহজ।

    পৃথিবীতে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা না বুঝার মত মানুষ যেমন সর্বাধিক
    কিংবা সেই তত্ত্ব খারাপ ভাবে ব্যবহার হলেও যেমন সেটা ভুল হয়ে যাবে না তেমনি ধর্মের এই ধরনের স্ট্যাটাসেও এটার প্রয়োজনীয়তা কমে যায় নাই। বরং সভ্য হতেই মানুষকে আবার ধর্মে ফেরত আসতে হবে

    Reply
  23. Qudrate Khoda

    অতি যুক্তিযুক্ত, তথ্যবহুল, উপকারী, সময়োপযোগী ও সাহসী লেখার জন্য ধন্যবাদ ।

    আল্লার দুনিয়ায় এরকম আধুনিক, বিজ্ঞান-মনস্ক, শিক্ষিত ও উদারপন্থী মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আমাদের মান ও জান বাচার সম্ভাবনা ।

    কারণ, বিশ্বব্যাপী মৌলবাদী মুসলিম ভাইবোনদের সন্ত্রাসী কাজ কর্মের সুবাদে বিদেশে আমাদের মতো শান্তিপ্রিয় ও ভুক্তভোগী মুসলমানদের অবস্থা কাহিল।

    অতএব, হাসান ভাই জিন্দাবাদ !

    Reply
    • তারিকুল বাশার

      আপনারা বাকস্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এসবকিছুতে ততক্ষণই বিশ্বাস করেন যতক্ষণ সেসব আপনাদের আইডিওলজি, আপনাদের চিন্তাভাবনার সীমাবদ্ধ গন্ডির ভিতরে থাকছে।
      স্বীকার করুন যে আপনারা সিলেক্টিভ বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী।
      স্বীকার করুন, যে আপনাদের আসল সমস্যা হল ধর্ম।
      স্বীকার করুন, যে আপনারা যদি কোনদিন কোন দেশে ভুল করেও ক্ষমতায় আসেন, সেখানে ধর্ম সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা বন্ধ হবে এবং শুধুমাত্র নাস্তিকতার চর্চা হবে।
      স্বীকার করুন, যে যদি কেউ বলে থাকেন যে ইসলামিক রাষ্ট্রে নাস্তিকতার প্রচার এবং চর্চা নিষিদ্ধ তাহলে তার সাথে আপনাদের আইডিওলজির বিশেষ কোন ফারাক নেই।
      স্বীকার করুন, ধর্ম এবং ধর্মীয় সংস্কারের বিরুদ্ধে লেখালিখির জন্য আপনারা অভিজিৎ রায়, দাভেলকর,পানেসর বা তসলিমা নাসরিনের পক্ষ নিতে পারেন কিন্তু একজন ধর্মপ্রচারকের কিছু ধর্মীয় বক্তব্য আপনাদের মতে না মিললেই তাকে ব্যান করার জন্য হ্যাশট্যাগ ইউজ করতে আপনাদের জাস্ট দু মিনিটও ভাবতে লাগে না।
      আসলে ইসলামের বিরোধীতা করে করে আপনারা স্যাচুরেশন পয়েন্টে পৌঁছে গেছেন।

      Reply
  24. Arafat

    please read it with patient: that hadith is a myth not true. All explanation is here:

    Firstly:

    Talking about the hadith mentioned in the question requires a little detail from specialists in the study of hadith. It is not sufficient to give a general answer or an answer based only on one’s personal view of the matter. Therefore we hope that the questioner will learn and pay attention to the way in which we will trace different versions of the hadith, with different chains of narrators. Thus the facts about it will become clear, in sha Allah.

    All versions of the hadith are based on the following chain of narrators:

    ‘Abdullah ibn Abi Bakr ibn Hazm, from ‘Amrah bint ‘Abd ar-Rahmaan, from ‘Aa’ishah (may Allah be pleased with her). The isnaad ends with her and does not go back to the Prophet (blessings and peace of Allah upon him).

    The hadith was taken from ‘Abdullah ibn Abi Bakr by a number of narrators and their narrations are as follows:

    1.

    It was narrated by Yahya ibn Sa‘eed al-Ansaari. His version says: It was revealed in the Qur’an that ten definite breastfeedings are required (to establish the relationship of mahram), then it was also revealed that five definite breastfeedings are required.

    This was narrated by Imam Muslim in his Saheeh (no. 1452) and others. We may note that this version does not say anything about the story of the goat or tame sheep eating any of the pages of the Holy Qur’an.

    2.

    It was narrated by Imam Maalik (may Allah have mercy on him). His version says: Among that which was revealed of the Qur’an was the ruling that those ten definite breastfeedings are required to establish the relationship of mahram, then that was abrogated and replaced with five definite breastfeedings. When the Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon him) died, this was among the things that were recited in the Qur’an.

    This was narrated by Maalik in al-Muwatta’ (Kitaab ar-Ridaa‘, hadith no. 17), and via him by Imam Muslim (1452) and others. We may note here that the report of Imam Maalik from ‘Abdullah ibn Abi Bakr also does not include any mention of the story of the goat or tame sheep eating anything of the Mus-haf. Rather one sentence is added to it at the end: When the Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon him) died, this was among the things that were recited in the Qur’an.

    Reply
  25. Shahid

    লেখক কৌশলে নাস্তিকতার দাওয়াত ছড়িয়ে দিচছেন।
    মুসলিমস রিফর্ম মুভমেন্ট! – টুয়ারডস এথিজম

    Reply
  26. mesbah

    মওলানার খেয়াল নেই, আল্লাহ বলেছেন তিনি এ কেতাব নাজিল করেছেন এবং তিনিই এটা সংরক্ষণ করবেন।

    The writer is quite mistaken. This verse reveals The holy Quran will be unchanged upto qiamah. The writer also insults the sihah sittah (Ibn Maja for example). In fact the full writing is in favour of atheism.

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      Daer Mr Mesbah

      Thanks for your comments. If you search google, how was the Quran constructed, you will find it quite interesting, even from muslims point of view. I would suggest to look for the following questions:
      A) Why Sura Fatiha is the first sura when Alaq came first?
      B) Allah preserves the Quran, then why Hafsa (R) following by Othman (R) and Egyptian gotv had to take initiative to preserve it the way it is today?
      Time worth investing I am telling you brother.

      Reply
  27. এ হোসেন

    আজ থেকে ৫০-৬০ বছর আগে বাংলার মাটিতে মোটামুটি সবাই ধর্মকর্ম করত, লোক দেখানো ধর্ম নয়, মনের শান্তি ও তৃপ্তির জন্য মানুষ ধর্মের উপর নির্ভর করত। তখন নাস্তিক শব্দটার সাথে কেউ পরিচিত ছিল না। কম্যুনিস্টদের ধরপাকড় করার জন্য সরকার ওদের নাস্তিক বলে প্রচার করত। বলা যায় নাস্তিক কি এবং কাকে বলে তা অনেকই জানত না। আজ বলা হচ্ছে বাংলাদেশে ধর্মের খুব প্রসার হয়েছে (পোশাকআশাক দেখে অন্তত তাই মনে হয়)। তাহলে তো ধর্মীয় নৈতিকতার কারণে দুর্নীতি, রাহাজানি, চুরি ডাকাতি ঘুষ, লুট, ধর্ষণ, ইত্যাদি একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবার কথা। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা সকলেই দেখছে। বলা যেতে পারে ধর্ম যে নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছে মানুষ সেগুলো পাস কাটিয়ে অন্যদিকে ছুটেছে। যে নৈতিকতা ও শাসান সম্পদ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করতে বেশি কাজে লাগে সেদিকেই তারা আগ্রহী হয়ে উঠেছে। আর এই সম্পদ ও সামাজিক মর্যাদা বা সামাজিক জীবনের জন্য বেশি উপকারী হল রাষ্ট্রের আইন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো প্রমাণ করেছে সুশাসন ও আইনের কঠোর বাস্তবায়ন অধিকতর নৈতিকতা শিক্ষা দেয়। অনেকদিন টিকে থাকার ফলে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রদবদল করার সুযোগ থাকার কারণে মানুষ বুঝতে পেরেছে ধর্ম চর্চার চেয়ে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বলয়ে আইনের প্রতি যত্নবান হওয়া অধিকতর মঙ্গল। সে কারণেও ধর্ম থেকে সরে এসেছে অনেকে।

    Reply
  28. ফখরুল

    ইসলাম ধর্ম বিদ্বেষী হলেই সে আজকাল স্মার্ট, মুক্তমনা!! দেশে এখন খুব তাড়াতাড়ি সেলিব্রেটি হওয়ার প্রধান মাধ্যম ইসলাম ধর্মকে নিয়ে উল্টাপাল্টা দু চারটা স্ট্যাটাস দেয়া! তসলিমা নাসরিনকে অনেকই ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিচিন্তার মনে করে থাকে। বিশেষ করে বাংলার নাস্তিক-মুক্তমনা ও বানরবাদী চেতনার লোক গুলো।
    আসলে তসলিমা নাসরিন সম্পূর্ন সাম্প্রদায়িক, ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী।
    আমেরিকার লাস ভেগাসের কনসার্টে হামলা হয়েছে। তসলিমা নাসরিন আন্দাজেই মুসলিমদের উপর দোষ চাপিয়ে দিলো! এবং পরে যখন জানা গেলো হামলাটা কোনো মুসলিম করেনি, ঠিক তখনই সাধু সেজে পোষ্ট করেছে- হামলাতে কোনো ধর্মীয় দল যুক্ত ছিল না।
    বাক স্বাধীনতা ও মানবতার দোহাই দিয়ে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে তসলিমা নাসরিন প্রচন্ড ভাবে ঘৃনা করে। কিন্তু হিন্দু ধর্মের প্রতি তার অঘাত ভালবাস, ভক্তি, শ্রদ্ধা!!! সেই সুত্র ধরেই ‘ইউমেন্স চ্যাপটার’ বা নারীবাদীরা ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী। ভিন্ন ধর্মী বা হিন্দুদের কোনো রকম ছিটেফোটা আওয়াজ হলেই, মানবতার বন্যা ভেসে যায়!
    উপরে নিচে সব স্থানেই তখন তাদের ফাটে…
    অথচ রোহিঙ্গা নির্যাতিত নারীদদের নিয়ে তাদের কোনো প্রতিবাদ, সভা-সমাবেশ, মানবতা নেই! রোহিঙ্গা নির্যাতনের ভয়াবহতা দেখে- আমাদের সমাজের অবহেলিত হিজলা সম্প্রদায় পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছে।
    অথচ ‘ইউমেন্স চ্যাপটার’ বা নারীবাদীরা ‘কিছু না বস… এর মত ভান ধরে বসে আছে। এই ‘ইউমেন্স চ্যাপটার’ বা নারীবাদীরা। এরা মূলত একটা চুপা সাম্প্রদায়িক জঙ্গী গোষ্টি। আমাদের সবাইকে সচেনত হতে হবে, রুখে দিতে হবে এই ‘ইউমেন্স চ্যাপটার’ বা নারীবাদী নামের চুপা সাম্প্রদায়িক জঙ্গি গোষ্টিকে।

    Reply
  29. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    কেবলমাত্র পশ্চিমা-প্রভুদের আস্থাভাজন ও অনুগ্রহীতা লাভের আশায় প্রগতিশীল মুক্তমনা’রা ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকতার চর্চা ও বড়াই করে এদেশে। বাংলাদেশি নাস্তিকরা (মুলত ইসলাম বিদ্বেষী) ১টি মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে শতটি মিথ্যার আশ্রয় নেয়। বাঙালা নাস্তিকদের দেবতা অভিজিৎও এর ব্যাতিক্রম ছিল না।যারা মুক্তমনা বাংলা ব্লগে তার লেখা পড়েছেন তারা ভালোভাবেই সেটা অনুধাবন করতে পেরেছেন। নাস্তিকতাকে ভালো প্রমান করতে গিয়ে তিনি সুইডেন ও ডেনমার্কের উদাহরন টেনেছেন। তার দাবি ঐ দেশগুলোতে নাস্তিকতার হার সবচেয়ে বেশি যার কারনে সেই দেশগুলো খুব সুখি,বরং সুখিই নয় অপরাধ প্রবনতাও নাকি কম।(অবিশ্বাসের দর্শন,পৃষ্ঠা ২৩৯)।
    কিন্তু
    European agency for foundmental right তাদের ২০১৪ সালের রিপোটে বলছে Sweden and Denmark,80 to 100 percent people said they were sexualy harassed as adults in the continent.
    সুইডেন ও ডেনমার্ক হল এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে যৌন হেনস্তার হার ইউরোপের থেকে বেশি।৮০-১০০% মানুষ যৌন হেনস্তার শিকার হয়।
    নাস্তিকরা বারবারই বলে থাকেন যে,তারা আস্তিকদের থেকে বেশি সৎ হয়।এই হল তাদের সততার নমুনা মাত্র। এরা শুধু এখানেই ক্ষান্ত নয়,এরা কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের রুপকে বিক্রিত করে সাধারন মানুষকে ধোকা দিতেও দ্বিধা বোধ করে না।

    Reply
  30. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    আচ্ছা, বাম বা কমিউনিস্ট হৈলেই ধর্ম — বিশেষত ইসলাম বিদ্বেষী হতেই হবে কেন? এই অসুখের জন্য অসুস্থ মানুষকে দোষ দেওয়া ঠিক না। এর সামাজিক-ঐতিহাসিক কারণ খুঁজে বের করাটাই জরুরী। এই চরিত্রগুলোকেও একটা লক্ষণ হিসাবে নিলে এদের লেখালিখি, কুৎসা রটনার ভাষা, বিদ্বেষ, ঘৃণার চর্চা ইত্যাদিকে পর্যালোচনার বিষয়ে আমরা পরিণত করতে পারি। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে এই কাজটিকে আমরা উপেক্ষা করতে আরি না। ভাল খবর হচ্ছে এই পর্যায় আমরা অতিক্রম করে যাচ্ছি। কোন সমাজই চিরকাল অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে না।

    Reply
  31. নুর আহমদ বকুল

    আপনি বলে মুক্তমনা,,, তবে কোন দিনতো দেখলাম না,অন্যকোন ধর্ম নিয়ে কিছু বলতে।।।সব দোষ শুধু ইসলামের।।।
    সারাদিম ওতপেতে থাকেন,কিভাবে ইসলাম ধর্মকে পচানো যায়।
    আপনি যে মানবতা,মানবতা করেন, কোথায় আপনার মানবতা???
    আপনি আপনার বিড়ালের জন্য,আলাদা বাথরুম,বেডরুম বানান,আস্ত ইলিশ মাছ,মাংস খেতে দেন। তা আবার ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সবাইকে দেখান অথচ কত মানুষ অনাহারে মরছে,,,
    ,আপনি আপনার প্রিয়জনদের উন্নতদেশে রেখে পড়াশুনা করান,বিয়ে দেন,,,কিন্তু কত মানুষ অর্থের অভাবে পড়াশুনা করতে পারছে না,,,কোথায় আপনার মানবতা???
    আপনার জন্য এই দেশ নিষিদ্ধ কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষগুলোর জন্যেতো না।
    মানবতা,মুক্তমনাবাদী যাই হোন,,,,সঠিকভাবে বিশ্লেষন করবেন।।।।

    Reply
  32. মুহম্মদ তৌফিক

    আজ একটা কথা বলতেই হচ্ছে, লাস ভেগাসের একটা অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলায় ৫০জন মারা গেল, ২০০জন আহত হল!!! কিন্তু কিন্তু কোন মুক্তমনাদের তেমন কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল না! এমন কি তাদের ফেসবুকে এই নিয়ে কোন স্ট্যাটাসও তারা প্রসব করলেন না! এর একমাত্র কারন হামলাকারী মুসলিম নন! জানতে ইচ্ছে করে তারা কি আসলে মুক্তমনা নাকি ইসলাম বিদ্বেষী??
    যদি এই হয় আমাদের দেশীয় মুক্তমনাদের অবস্থা তাহলে আমি মুসলিম হিসাবে এই ধরনের মুক্তমনাদের শত্রু বলে মনে করি!!!

    Reply
  33. আলতাফ মাহমুদ

    নাস্তিকতার নামে যদি আপনি শুধু ইসলাম বিদ্বেষী হন তাইলে নিজের টাইম লাইনে মানবতাবাদী না লেইখা ইসলাম বিদ্বেষী লিখুন। আমার কাছে নাস্তিকতা মানে সত্যর সন্ধানী যেই মানুষ সত্যর সন্ধান করতে গিয়ে প্রতিটা ধর্মের সমালোচনা করতে পারে নিজের যুক্তি তর্ক দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠায় সর্বদা সচেষ্ট থাকে সেই হলো প্রকৃত নাস্তিক আর এর সাথে যদি তার মন সব রকমের সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত হয় সব রকম কুসংস্কার মুক্ত হয় তবেই সে মুক্তমনা আবার এই গুনের সাথে যদি মানুষের দুঃখে মন কাঁদে তাইলেই আপনি মানবতাবাদী। ভাই আগে এই গুন অর্জন করুন তারপর নিজেকে নাস্তিক মুক্তমনা মানবতাবাদী পরিচয় দিয়েন। এই গুন অর্জন না করেই যদি নিজেকে মুক্তমনা দাবী করেন তাইলে আপনি মুক্তমনা নন।

    Reply
  34. নাসির উদ্দিন

    নাস্তিকের সৎকার কেমন হওয়া উচিৎ?
    তারা নাস্তিক শব্দটারও আভিধানিক অর্থ বদলে ফেলেছে।
    ছোটবেলায় পড়েছিলাম “ঈশ্বরে বিশ্বাস করেনা যে-নাস্তিক।
    এখন বুঝি,ইসলাম বিদ্বেষী যে,সমানে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষাদাগার করে যে সেই নাস্তিক।
    ব্লগে,সোশাল মিডিয়ায় খিস্তি খেওড়ের ঝড় তুলতে পারে যে সেই নাস্তিক।
    শব্দ হত্যা করুক আমার আপত্তি নেই।
    অভিধান বদলে ফেলুক তাতেও আমার মাথাব্যাথা নেই।
    ছোটমানুষ এই আমার খুব ছোট্ট একটা আপত্তি আছে,মুক্তমনা নাস্তিক মহাশয়রা মারা গেলে তাদের সৎকার কোন ধর্মমতে হবে?
    এটা তাদেরকেই বলতে হবে।
    কেন মৃত্যুর পর তাদের সারাজীবনের সাধনা,খিস্তি-খেউরের উপর করা ডক্টরেটকে উপেক্ষা করে দাফন,দাহ করা হয়?
    তখন কেন অন্যান্য মুক্তমনাগণ আপত্তি কিংবা বাঁধা দেয়না?
    অসম্ভব মেধাবী এই মুক্তমনা সমাজকে আমি অনুরোধ করছি,ধর্ম থেকে যেভাবে মুক্ত হয়েছেন,মৃত্যু পরবর্তী ধর্মীয় সৎকার প্রথা থেকেও মুক্ত হোন।গবেষনা করে নাস্তিকদের জন্য নতুন সৎকার প্রথা চালু করুন।জাতি,দেশ,বিশ্ব আপনাদের এই অবদান চির-স্মরণে রাখবে।রাখতেই হবে।

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      ওযু করিয়ে, বরই পাতা দিয়ে গোসল দিয়ে, সাদা কাফনে মুড়িয়ে, মাটি খুঁড়ে উত্তর দিকে মাথা আর পশ্চিম দিকে মুখ করে না শোয়ালে কারো শরীর না পচে থেকে যায়? শরীর চিকিতসা বিদ্যায় ব্যবহারের জন্য দান করা কি আরও ভালো কাজ নয়? আমি করেছি এবং কোন ধর্মীয় সংস্কারের প্রয়োজন নেই। এবং এটা ভেবে কিন্তু আমার একদম মন খারাপ হয় না, ভয় হয় না। বরং এক সহজ আনন্দ ঘিরে থাকে যখন মৃত্যু নিয়ে ভাবি। ধন্যবাদ।

      Reply
  35. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    পৃথিবীর সব দেশেই নাস্তিক রয়েছেন কিন্তু সবচেয়ে ছুপা ও নকল নাস্তিক বাংলাদেশে ! আমার দৃষ্টিতে এরা কেবলই ইসলাম বিদ্বেষী ! অনেকেই দেখছি মুক্তমনা সাজে কিন্তু হতে পারে না ! আসলে এদের মধ্যে অনেকেই কট্টর হিন্দুত্ববাদী !

    Reply
  36. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    বর্তমান প্রেক্ষাপটে,,
    মুক্তমনা মেয়ে মানে ; আমার পিরিয়ড হয় বলে আমি তা চিক্কুর দিয়ে জানাতে চাই ,, আমি প্রকাশ্যে ন্যাপকিন কিনতে চাই,, আমার ব্রা
    এর ফিতা বের হয়ে থাকে,, আমি তার রাখঢাক
    করাতে আপত্তি জানাই,, বাইরে কাজে বের
    হওয়ার স্বাধীনতার চাইতে যেমন তেমন পোষাক পরিধানের স্বাধীনতা চাই,,
    মুক্তমনা ছেলে মানে ; আমি নাস্তিক,, আমি
    মানবধর্মী,, তবে ইসলাম বিদ্বেষী,, সব ধর্ম সহ্য
    হয়,, তবে ইসলাম ধর্ম এলেই চুলকানি মুলক
    কথা বলি,, মহিলাদের যেনতেন পোষাক
    পরিধানের স্বাধীনতা দিতে হবে,, যেন আমি
    লুচ্চামি করতে স্বাধীনতা পাই,,

    Reply
  37. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    গণজাগরণ মঞ্চ আর কিছু পারুক আর নাই পারুক কিছু ইসলাম বিদ্বেষী সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। সারা বিশ্বে শত কোটি মুসলিম। কত্তগুলা মুসলিম দেশ!!! আর কোথাও নয়, শুধুমাত্র আমাদের দেশেই কিছুদিন পর পর বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ইসলামের বিরুদ্ধে একেকজন শোরগোল তোলে। কিন্তু কেন ??? বেশ ভাবলাম… অনেক ভাবলাম। নিজের পরিচিতি … একটু ভাল থাকা … উন্নত দেশে বসবাসের সাথে ধর্মের নিষিদ্ধ হারাম বস্তুর লাগামছাড়া ব্যবহার ব্যতীত আর কোন কারণ খুঁজে পেলাম না।
    তারা দাবী করছে তারা নাকি মুক্তমনা। কিন্তু তাদের কথা শুনলে মনে হয় একটা পাগলও বুঝবে যে এইটা ভড়ং। তারা মুক্তমনার সংজ্ঞাই জানেনা। তাই তাদের ট্রেডমার্ক হয়ে গেছে “ইসলাম বিদ্বেষী”। এই ইসলাম বিদ্বেষীরা দাবী করে, প্রচলিত সমাজের কুসংস্কারে ভরা ধর্মীয় অনুশাসন ছেড়ে দিয়ে এক উন্নত সমাজের জন্য তারা নাকি সমাজ-সংস্কারক। এইখানেই আমার খটকা লাগলো।
    আমরা জানি, কারও দ্বারা ধর্ম হোক, রাজনীতি হোক বা নতুন কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠা হোক না কেন, তাঁর প্রথম দায়িত্ব এবং কর্ম হল নিজ বিশ্বাস/মতবাদের উপরে আপন পরিবারের আস্থা অর্জন করা। তারপরে আত্মীয়-প্রতিবেশী, পাড়া-মহল্লা, এলাকা, জেলা ক্রমান্বয়ে রাষ্ট্র। সবশেষে বহির্বিশ্ব।
    তাই যে কয়েকজন ইসলাম/মুসলিমদের গালাগালি করে শোরগোল তুলেছে তাদের সবার সম্বন্ধে জেনে অনেক হাসলাম। এদের প্রত্যেকের পরিবারই এদেরকে বিতারিত করেছে। নিজ পরিবারের আস্থাই একজনও অর্জন করতে পারেনি,নেমেছে বিশ্ব সমাজ-সংস্কারে।

    Reply
  38. সাদেকুর রহমান রাসেল

    পশ্চিমা বিশ্বের ধর্মের দিক দিয়ে সূচক এমনিত হবে, ওরা ইহুদি এবং খ্রিস্টান ধর্মের মধ্যে কিছুই খুঁজে পাবে না, তাই তারা ধর্মের ভয় মনের ভিতরে কাজ করবেনা, সব কিছু করার মধ্যে আনন্দ খুজবে, এই স্বাধীনতা সবাই চায়, ইসলাম লেখক যদি ঠিক একই সূচক ইসলামিক দেশগুলোতে খুঁজে দেখতেন তবে আশাকরি কস্ট করে লিখতে হত না, নিজেই বুঝে যেতেন, আর এই bdnews24.com হা করে থাকে, কে কে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে ইনিয়ে বিনিয়ে লিখতে পারে তাদেরকে উপস্থাপন করা হবে, তো আশাকরি লেখক এর যোগ্যতা অনুযায়ী বিষয়ে লিখুন

    Reply
  39. rashu das

    বৃষ্টির পানি নিন্মে যাওয়া যেমন সত্য, ঠিক তেমনি আমাদের গন্তব্যে আমরা যাবো। কিন্তু কিছু পথে আমাদের থামতে হয়, এলোমেলো ভাবে যেতে হয়, প্রতিকুলতা সম্মুখীন হই, কেউ আটকে যায় সর্বোপরি আমাদের গন্তব্যস্থল হচ্ছে মানবকল্যানের মাধ্যমে আমাদের গন্তব্যে যাওয়ার দিন অনুসরণ করা।

    Reply
  40. আবদুল্লাহ আল মেহেদী

    সবগুলি তথ্য মনগড়া ও নিজের কল্পনা মিশ্রিত, যেমনটা তিনি মূর্তির পক্ষে লিখেছিলেন। ধর্মহীনতাকে তিনি পরোক্ষ ভাবে সমর্থন করেছেন।

    Reply
  41. জাহাঙ্গীর আলম

    একজন মানুষ নাস্তিক হতেই পারে। এতে আমার কোন সমস্যা নেই। একজন মুসলিম হয়েও নাস্তিকের স্বাধীন চিন্তার প্রতি আমি সহনশীল ও শ্রদ্ধাশীল।
    সত্যবাদীরা আরো বড় সত্যবাদী হোক…. আমরা এটাই চাই। কিন্তু যারা সত্যের কথা বলে, জোর গলায় মিথ্যা প্রচার করে, তারা মূলত নাস্তিক নয়। তারা ভন্ড, প্রতারক ও মানবতার শত্রু। আমি নাস্তিকদের উল্লেখ যোগ্য কিছু প্রতারনার কথা বলছি।
    ১) নাস্তিকরা বলে ইসলাম মানেই ঘৃনা। ধর্ম মানুষকে ঘৃনা করার শিক্ষা দেয়। অথচ প্রায় সব নাস্তিকই ধার্মিকদের প্রচন্ড ঘৃনা করে। তাদের মতে, একজন মুসলিম কখনও কোন ভাল কাজ করতে পারে না। আমি নাস্তিকদের কোন লেখায় কোন ধার্মিককে প্রশংসা করতে দেখেনি। সব সময় গালিগালাজ, তুচ্ছ, তাচ্ছিল ও তিরস্কার । বাস্তবে প্রত্যেক নাস্তিক এক ভয়ংকর ঘৃনাবাদী, বিশ্বনিন্দুক!!!!
    ২) ইসলামকে চরম ঘৃনা করে নাস্তিকরা। অথচ মুসলিম নাস্তিকরা ইসলামকে সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করলেও তারা ইসলামি নাম ও পদবি পরিত্যাগ করে না( যেমন মুফাস্সিল ইসলাম) । ঠুনকো যুক্তি হল নাম একটা প্রতীক, এখানে আবার ইসলাম কি!!! কিন্তু আসল ব্যাপার হল নিজের উগ্রতা প্রকাশ করা, মুসলিমদের আঘাত দেওয়া। আমার মতে, নাস্তিকরা বিনয়ী হলে ধর্মীয় নাম পরিহার করত।
    ৩. নাস্তিকরা বলে তারা যুক্তিবাদী ও দেশ নিরপেক্ষ। এটাও বিশ্বাস করা যায় না। কারন, নাস্তিকদের মতে সৌদি আরব খুব খারাপ রাষ্ট্র, পাকিস্তান ভাল না। ভারত আবার খুব ভাল। ফিলিস্তিনরা ভাল না ইসরাইলিরা ভাল। মুসলিম দেশগুলো ভাল না পশ্চিমা দেশগুলো খুব ভাল। এখানে তারা ঢালাও ভাবে ভাল খারাপ নির্ধারন করে। তাদের কথা বার্তা শুনে আমার কখনও মনে হয় নি সত্য বলছে। তার দেশ ও সত্য নিরপেক্ষ।
    ৪. সারা বছর অন্যের বানান ভুল ধরে কিন্তু লেখায় নিজেরাই প্রচুর সংখ্যক বানান ভুল থাকে ।
    ৫. নাস্তিকরা অন্যের চিন্তার সংস্কার চায় কিন্তু নিজের আত্মশুদ্ধির কথা কখনও বলে না। বরং গাল মন্দ করে।
    ৬. মানবতা ও মানব ধর্মের কথা বলে। কিন্তু নাস্তিক ছাড়া অন্য কাউকে মানুষই মনে করে না। তাদের ভাষায় যারা ধর্ম মানে তারা সব গরু গাধা। মানুষের প্রতি নূন্যতম শ্রদ্ধাবোধ নেই।
    ৭.নাস্তিকরা মানব সৃষ্ট দলিলের নিন্দা করে কিন্তু রাষ্ট্রীয় সংবিধানে বিশ্বাস রাখে।
    ৮. নাস্তিকরা সৌদি আরবের ধর্ষনের কথা জনগনের সামনে তুলে ধরে কিন্তু সৌদি আরবের শ্রম বাজারে ২৪ লক্ষ বেকার কাজ করে, এটা বলে না।
    ৯. নাস্তিকরা বাংলাদেশকে কথায় কথায় হেয় করে, ছোট করে কথা বলে । ভিসা দেওয়া যাবে না, ইউরোপে আসতে দেওয়া উচিত নয়, পরিবেশ নষ্ট হবে ইত্যাদি বলে, অথচ বাংলাদেশি জনগনকে লক্ষ্য করে লিখালেখি করে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস টেনে ধর্ষনের কথা বলে, দেশের উন্নয়ন কি চায় না বুঝা যায় না।
    ১০. মুখে বলে ধর্ম ভাল নয়। কিন্তু কথা ও লেখায় হিন্দু ধর্মের প্রতি টান আছে। মুখে বলে আল্লাহকে বিশ্বাস করব না, ধর্ম গ্রন্থ বিশ্বাস করব না , এমন একটা ধর্ম দাও অথচ বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহন করে না।
    ১১. কথায় কথায় বিজ্ঞান ভালবাসে। অথচ, বাংলাদেশি নাস্তিকরা কেউ বিজ্ঞানে কোন অবদান রাখে নি। কেউ মোটা দাগের বিজ্ঞানী নয়। সবাই সমালোচক।
    ১২. সব নাস্তিক পৃথিবীতে শান্তি আনতে চায়, অথচ সব নাস্তিকই পারিবারিক ভাবে সুখী নয়। বেশির ভাগই বিচ্ছিন্ন। নিজের মাকে পর্যন্ত সুখী করতে পারে না।
    ১৩. নাস্তিকরা বলে মুসলিমরা গলা কাটে, চরম প্রতিশোধ পরায়ন অথচ নাস্তিকরাও সেই সুযোগ খুজে। কিভাবে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া যায়। এই কারনে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সবসময় দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়।
    ১৪. নাস্তিকরা বলে তারা খুব জানে, পড়ে। আমার তাদের লেখা পড়ে মনে হয়েছে, অধিকাংশ নাস্তিক মূর্খ আস্তিকদের মত বই টই পড়ে না। মানে মাপে মননে ৯০% নাস্তিক অজ্ঞ ও ভীষন তর্ক বাজ। অনেক নাস্তিকের ভাষা শুনে মনে হয়ে তারা খুব উচু দরের মানুষ নন।
    ১৫. অনেক নাস্তিক মানবতার কথা বলেন অথচ তারা মদ ও মিথ্যার কথা ছাড়তে পারে না। মদ ভাল না জেনেও শুধু মুসলিমদের মনে আঘাত দেওয়ার মদকে বৈধ মনে করেন।
    নাস্তিকরা বলে তারা মানুষকে মানবতার জন্য নাস্তিকতার দিক স্বাগতম জানাচ্ছে। অথচ, আসল উদ্দেশ্য নাম-যশ-খ্যাতি অর্জন করা। ইসলাম বিদ্বেষী হলে, স্রোতের বিপরীতে চললে খ্যাতি অর্জন সহজ।
    আমি এমন একশ চরিত্রগত সমস্যা তুলে ধরতে পারব।

    Reply
    • Stupid-Buster

      Mr J. Slim
      Nastic doesn’t means Islam hater, it is hater of all relegions , where God is depicted as a great great king. Also Nastics hated the points where religion has became a tool to cheats the Honest peoples who believes the relegion Sincerely.
      Japanese people are Nastic like but don’t hate the relegion—- this point you have deem.

      Reply
  42. Bongo-Raj

    মুসলিম দেশগুলোতে কোন দিনও নাস্তিকের সংখ্যা বাড়বেনা!
    কারন, যেই মুসলিম যুবক ২০-৩৫ য়ে নাস্তিকের সীমানায় তাও একটু পা রাখে,
    সেই যুবকই ৪৫ পেরুতেই ( যখন থেকেই হুরের প্রেমে মজে যাওয়া শুরু হয়) ঠিক তার উল্টো সিমানায় পা রাখা শুরু করে। আর সেই পা পোতাটা এমনই শক্ত হয় যে, আজীবন যারা ধর্ম অন্ধ ছিল তাদের থেকেও বেশী অন্ধ হয়ে যায়।
    চার পাশে একবার চোখ বুলিয়ে দেখলেই , হে সাধু – আপনাতেই টের পাবেন-
    তবে, যত ভাল জিনিষই হোকনা কেন, তাতে একবার পচন ধরলে সেই পচনের বেগ বড় তীব্র হয়, আর তআর ধ্বংস অনিবার্য–
    একসময় মানব সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখতে যেই মহৌষদ ছিল অনিবার্য , সেই মহৌষদে এখন পচন ধরে মানব সভ্যতাকে টেনে হিচড়ে নামাচ্ছে–
    দুঃখ হচ্ছে মুসলিম সমাজের পতন এর বেগ টা বড় বেশী–
    হাছান মাহমুদ সাহেবদের চেষ্টায় ঐ মহৌষদের পচন গতিকে কমানোর চেস্টা চলছে, জানিনা কতদিন তা কাজ দেবে –

    প্রনাম হাছান মাহমুদ —

    Reply
  43. রোমান

    পাপ্পু রায় ছেলেটা যথেষ্ট হিন্দুত্ববাদী ছিল কিন্তু হঠাৎ ইউরোপ যাওয়ার লোভে এবং কিছু পুরষ্কারের লোভে পড়ে নাস্তিকতার পোষাক ধরেছে । কথায় কথায় ধর্মকে (বিশেষ করে হিন্দু ধর্মকে) গালি দিচ্ছে । এটা অস্বীকার করার কোন কারণ নেই যে হিন্দু ধর্ম থেকেই তৈরি হচ্ছে প্রতি বছর হাজার হাজার নাস্তিক । আর হবেই না বা কেন? অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যে সকল ধর্ম বিরোধী ব্লগ, ফেইসবুক ফ্যানপেইজ দেখছেন যার অধিকাংশই হিন্দু নাস্তিকদের দ্বারা পরিচালিত । সুব্রত শুভ কে চেনেন তো নাকি? সে হচ্ছে সরকার কর্তৃক যে চার জন নাস্তিক ব্লগারকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন । সুব্রত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় পড়তো এবং জগন্নাথ হলে থাকতো, এখন কোথায় আছে জানিনা । ঢাবির একজন ছাত্র হিসেবে সুব্রত অনেক আগেই ভালো একটা অবস্হানে চলে যাওয়ার কথা । যেহেতু সুব্রত ও আসিফ একই মামলায় আড়াই মাস জেল খেটেছে । আসলে কি জানেন ইউরোপ আমেরিকাতে হিন্দু নাস্তিকদের কোন দাম নেই । অভিজিৎ রায়, প্রবীর ঘোষ আজ পর্যন্ত কোন আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড পাননি, কিন্তু আসিফ অভিজিৎ রায়ের হাঁটুর বয়সী হয়েও এই বয়সে কয়েকটা এওয়ার্ড
    পেয়ে গেছে ।
    অক্সফোর্ডে বক্তৃতা দিয়ে এসেছে, জার্মানীর জাতীয় পত্রিকায় আসিফ মহিউদ্দিনকে নিয়ে প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছে । কিন্তু দীর্ঘ এক যুগ ধরে নিরলস ভাবে ধর্মের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে, কয়েকটি বই বের করেও অভিজিৎ রায় কোন এওয়ার্ড পাননি । এই কথা শুধু অভিজিৎ রায়ের ক্ষেত্রে নয় প্রবীর ঘোষের জন্যও প্রযোজ্য । প্রবীর ঘোষ সেই ষাটের দশক থেকে নাস্তিকতার পক্ষে কলম ধরেছে । যারা নাস্তিকতা নিয়ে পড়াশুনা করেছে তারা জানে যে প্রবীর ঘোষ নাস্তিকতা বিষয়ে উপমহাদেশের একজন প্রথম শ্রেণীর লেখক । কিন্তু এই প্রবীর ঘোষও আজ পর্যন্ত একটাও Free Thinker Movement জাতীয় এওয়ার্ড পায়নি, যেই ডয়চে ভলে সারা পৃথিবীতে নাস্তিকতাকে প্রমোট করে, এই ডয়চে ভলেও জার্মান ভাষায় প্রবীর ঘোষ, অভিজিৎ রায়কে নিয়ে কোন রিপোর্ট ছাপায়নি । আসিফ মহিউদ্দিনের সাথে আরেকজন নাস্তিক ব্লগার রাসেল পারভেজ কে কিন্তু ডয়চে ভলে 2013 সালে সেরা ব্লগার হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন । কিন্তু সুব্রত শুভ কে নিয়ে আজ পর্যন্ত ডয়চে ভলে একটা প্রতিবেদনও ছাপায়নি, সেরা ব্লগার তো দূরের কথা ।
    কিন্তু সুব্রত শুভ ও রাসেল পারভেজ একই মামলায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল খেটেছেন । রাসেল পারভেজ কে ডয়চে ভলে সেরা ব্লগার হিসেবে মনোনয়ন দিতে পেরেছে, তাহলে সুব্রত শুভ কি দোষ করলো? রাসেল পারভেজ কে ইউরোপে নিয়ে যাওয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না । রাসেল অনেক আগে থেকেই আমেরিকায় আসা যাওয়া করে এবং তার স্ত্রী আমেরিকাতে থাকে । তবে রাসেল পারভেজকে ডয়চে ভলে সেরা ব্লগার হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে কেন? তাহলে বুঝতেই পারছেন যে, এই সব হিন্দু নাস্তিকদের ইউরোপ আমেরিকা আদৌ গণনায় ধরে না । তাসলিমা নাসরিনের জায়গায় যদি দুর্গা চক্রবর্ত্তী ধর্ম বিরোধী কথা বলতো তাহলে কি তাকে সুইডেনের নাগরিকত্ব, এতগুলি সম্মানসূচক পিএইচডি ডিগ্রি দিত? এই কারণেই হয়তো অভিজিৎ রায় আর প্রবীর ঘোষ ইউরোপের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পায়নি । তবে এটা ঠিক প্রবীর ঘোষ কোন ইসলাম বিদ্বেষী না । তিনি সারা জীবন হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার নিয়ে লড়ে গেছে । যাই হোক, আমি এখন হিন্দু নাস্তিকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনারা যেই আশায় আছেন সেটা কখনোই পূরণ হবে না ।
    যেইখানে আপনাদের বাপ প্রবীর ঘোষ, গুরু অভিজিৎ রায় কোন এওয়ার্ড পায়নি, দুই মাস জেল খাটা ঢাবির ছাত্র সুব্রত শুভ কোন অবস্হানে যেতে পারেনি, সেখানে আপনাদের আর কোন ভাত নেই । নিলয় নীল, অনন্ত বিজয় দাস, সন্ন্যাসী রতন এবং সুষুপ্ত পাঠকসহ আরো যারা আছে তাদের তো দামই নেই । বাংলাদেশে এখনো বহু হিন্দু নাস্তিক ইউরোপে যাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে কিন্তু কোন সুযোগ পাচ্ছেন না । অথচ মুসলিম নাস্তিকরা দিব্যি ইউরোপে চলে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সুযোগও পাচ্ছে ।

    Reply
  44. আলমগীর আলম

    অসাধারণ হয়েছে লেখাটি, আমরা যারা অতি নাস্কিকতা দেখাতে গিয়ে মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে এমন এক চরিত্র ধারণ করেন যে, সেটা আর উদার থাকে না।
    মূলত নাস্তিক্যবাদ বলে যা বুঝি তা হলো উদারতাবাদ, এটা প্রয়োজনীয় বিষয় কিন্তু মানুষের একটা অনুভূতিশীল প্রাণ আছে যার প্রতিটি ধাপে মানুষ কোথায় যেন নত হতে চায়। এটাই ধর্ম, এটাই পরলোকে বিশ্বাস মনের অজান্তে। ধর্ম টিকলো কি হারিয়ে গেল সেটা বিষয় না মানুষের অস্থির জীবনের প্রশান্তি আনতে ধমের প্রয়োজন ( সেটা মৌলাবাদী কিছু না)

    Reply
  45. Imran

    Mr writer,
    I think your writing is full of poison against the Islaam as it seems extremely loathing inside you. You should clean your insider venom first then try to do social cleansing. I’m shocked that you are the “ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেসের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, মুসলিমস রিফর্ম মুভমেন্ট ও আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, how come??!!. A little learning is dangerous (in terms of Islaam)…….. You should know…. Additionally, I it is also horrible that why does bdnews24 always allow the writers who have anti Islaamic
    sentiment???!!!

    Reply
    • গোলাম রব্বানী

      Has bdnews ever stated in their policy to be always in favour of Islam? Where is the freedom of speech then? I congratulate bdnews for their bravery to stand firm with truth.

      Reply
  46. azadi hasnat

    নাস্তিকতা হল মিথ্যার সংগে আপোষ। মিথ্যার ওপরে নিজেকে সপে দেয়া। সুতরাং মুসলিম সাবধান। নাস্তিকদের পরিসংখ্যান ভুল মনে হয়েছে, ইনিয়ে বিনিয়ে ইসলামকে খোচানো হয়েছে। মানুষ অত পাগল না।

    Reply
    • mak azad

      সত্য কোনটা আর মিথ্যাই বা কোনটা-বিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত এটাই এক নম্বর সমস্যা। কারণ শৈশব থেকেই আমি যেসব বিষয়কে অকাট্য সত্য বলে জেনেছি, অনেক পরে এসে জেনেছি আসলে তা সত্য নয় অথবা পুরোপুরি সত্য না হলেও একটা ঘাপলা তো আছেই। হাজার হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা অন্য প্রান্তের মানুষ জানতো অনেক দিন পর তাও আবার সংবাদদাতা যেভাবে সংবাদটি পরিবেশন করতেন সেভাবে। ঘটে যাওয়া ঘটনার সঙ্গে যদি তার কোন নেতিবাচক সংশ্লিষ্টতা থাকতো তাহলে সে তা গোপন করে ইতিবাচকভাবেই বর্ণনা করতো। আর তার সেই বর্ণনাই যদি পৃথিবীর ইতিহাসে হয় ঘটনার একমাত্র available সূত্র তাহলে আমরা আসল সত্যটা কি কোনদিন জানতো পারবো, মোটেই না। আজকের প্রযুক্তির এই উৎকর্ষকতার যুগে যখন বিজ্ঞানীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই ঘটনার circumstantial evidence বিচার বিশ্লেষণ করে ঘটনাটি সম্পর্কে ভিন্ন কিছু তথ্য-উপাত্ত হাজির করেন তখনই ঘটে বিপত্তি। আমাদের হাজার বছরের বিশ্বাস চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। অবশ্য সবার কাছে নয়-যুক্তিবাদীদের কাছে যারা মনে করেন সূর্য নয় পৃথিবী ঘোরে।

      Reply
    • সাদেকুর রহমান রাসেল

      আজাদী হাসনাত ভাই, আপনি যথার্থ বলেছেন, ধন্যবাদ আপনাকে

      Reply
    • Shaifuddin Md. Moseeh Rana

      আল্লাহ আপনাকে সহীহ বিবেক-বুদ্ধি দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। মহাজ্ঞানী-মহাবিজ্ঞানী মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ বিবেক-বুদ্ধি দান করুন, আমীন।

      Reply
    • HANNAN

      নাস্তিকের পরিসংখ্যান ক্যানাডায় বইসা কইতে পারতেছি, কেমন বাড়তেছে। নাস্তিকতা মিথ্যার উপর আপোষ হইলে, কয়জন নাস্তিক মোসলমানগো গলা কাটছিলো, চাপাতি দিয়া কোপাইছিলো, আবাল? তোমরা শুধু তোমগো ধর্ম গেল গেল কইরা রব তুলতাছো, আর মানুষ কোপাইতেছো।

      Reply
  47. Redwan Khan

    ”অনেক দেশে নাস্তিক এখন সংখ্যাগুরু”- কারণ ঐসব দেশে দেশে কিছু মডারেট বকধার্মিকের আবির্ভাব ঘটেছে। যারা শরীয়তকে মানবসৃষ্ট বলে। গানবাদ্যকে জায়েজ করার অপচেষ্টায় সদা তৎপর। রজম সম্পর্কে বুখারী মুসলিমের হাদিস মানেনা। শরীয়াত বলতে শুধু কোরানকেই মনে করে। হাদিস, ইজমা আর কিয়াসকে অস্বীকার করে অথচ হাদিসে মুআযে ইজমা আর কিয়াস সম্পর্কে বিস্তারিত আছে। ইসলামের শাখা প্রশাখার অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মকে মানুষের কাছে ঘৃণিত করে। যারা মধুর মোড়কে বিষ রপ্তানি করে। সাধারণ মানুষের ধর্ম সর্ম্পকে ধারণা না থাকার কারণে ওই মধুর বোতলের বিষ পানকরে মৃর্তু বরণ করে।এমন ব্যাক্তিদের থেকে সাধারণ মানুষকে সাবধান থাকতে হবে।

    ইসলাম যদি শুধু কোরান হয় তবে এর ব্যাখ্যা আমরা কোথায় পাবো। নিঃসন্দেহে হাদিসে। আচ্ছা কেউ কি শুধু হাদিসের ১ টি বা ২ টি বা সব হাদিসের কিতাব থেকে দেখতে পারবেন যে নামাজে কয়টি ফরজ কয়টি ওয়াজিব। প্লেনে নামাজ পড়া যাবেকিনা মেরু অঞ্চলে যেখানে ৬ মাস দিন আর ৬ মাস রাত সেখানে কিভাবে নামাজ আর রোজা করতে হবে। এখানে ইজমা আর কিয়াসকে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে যার মূল উৎস কিন্তু কোরান আর হাদিস।

    ইসলাম এই যে প্রায় ১৫০০ বছর পর্যন্ত এসেছে তা কিন্তু কথিত কাট মোল্লাদের বদৌলতেই। ”কোট” (coat) মোল্লাদের দ্বারা নয়। এই মোল্লারাই যতদিন ইসলামের ধারক ও বাহক ছিল ততদিন এতো নাস্তিক আর মুক্তমনা ছিলোনা। যখনথেকে মডারেটরা নিজেদের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ইসলাম প্রচার করতে শুরু করেছে তখন থেকে বাতিল এর আবির্ভাব শুরু হয়েছে। এর বাস্তব উদহারণ মিস্টার মৌদুদী। সে নিজের মতো করে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে কিছু বাতিল আকিদার সূচনা করেছে যেমন নবীগণ গুনা করেছেন। সাহাবারা ন্যায়পরায়ণ ছিলোনা ইত্যাদি। দেখুন ”ইতিহাসের কাঠগড়ায় হজরত মোয়াবিয়া রাঃ -মুফতী তাকী ওসমানী।” ”ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী” ”মাওলানা মওদুদীর সাথে আমার সহচর্য-মাওলানা মঞ্জুর নোমানী ” ইসলাম বুঝতে হলে আলেম ও বুজুর্গদের জুতা বহন করতে হয়। যেমন ইবনে মাসুদ রাদী: রাসূল স: এর জুতা বহন করতেন। (বুখারী
    ৩৪৭০,৩৪৮৯. ৫৮৪৩ ই:ফা:) শুধু নিজের মতো বুঝা সম্ভব নয়।

    লেখক মোল্লাদের দোষারোপ না করে নাস্তিকদের যুক্তি প্রমান দিয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য মেহেনত করলে ভালো হতো।

    Reply
    • E A Bari

      রিদওয়ান খান সুন্দর বলেছেন। আমি তাঁর সাথে একমত। আরো দু’টো কথা যুক্ত করতে চাই। নাস্তিকদের (অবিশ্বাসী) পরিচয় পবিত্র কুরআনের সূরা বাক্বারার প্রাথমিক কিছু আয়াতমালায় সুষ্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে: “আল্লাহ তাঁদের অন্তঃকরণ এবং তাদের কানগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তাদের চোখসমূহ পর্দাবৃত করেছেন। তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।” [২:৭] এখানে নাস্তিকদের কথা বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে: “তারা বধির, মূক ও অন্ধ সুতরাং তারা ফিরে আসবে না।” [২:১৮] ইসলামই একমাত্র নিষ্কলুষ একত্ববাদের ধর্ম। পৃথিবীর অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসে কোথাও না কোথাও আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্ব [মুশরিকী] বিদ্যমান। ওসব ধর্মের মানুষ তো নাস্তিকতাবাদের দিকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে ধাবিত হবেই। ইসলাম এ থেকে মুক্ত। ইসলাম ও বিজ্ঞানে কোনো কালেই সংঘাত ছিলো না- আজো নেই ভবিষ্যতেও হবে না। সত্যের সাথে সত্যের কোনো সংঘাত হতে পারে না। নতুন প্রজন্মের আমার প্রিয় ভাই-বন্ধুদের যারা মুসলমানের সন্তান হয়েও নাস্তিক্যবাদের প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন তাদের প্রতি আকুল আবেদন- ইসলামের চরম দুশমন জ্ঞানপাপীদের যুক্তিতর্কের ফাঁদে পড়ে দুনিয়া-আখিরাতকে জলাঞ্জলি দেবেন না। ইসলামের সঠিক ইহিতাস-ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও আক্বীদা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জেনে নিন। পাঠ করুন যুগ যুগ ধরে অাবির্ভূত হওয়া মুসলিম জ্ঞানী-গুণি মনীষীদের উপদেশবাণী, জীবনী। পাঠ করুন মহাত্মন ওলিদের জীবন ও কর্মের ইতিহাস। বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে আল্লাহর ওয়াস্তে বেরিয়ে আসুন। ইসলাম সত্য ধর্ম, ইসলাম মানবতার ধর্ম, ইসলাম দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি লাভের ধর্ম। আজকের পথভ্রষ্ট কথাকথিত সন্ত্রাসীদের ধর্ম ইসলাম নয়। এরা ইসলামকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে মাত্র। এদের বাতিল কার্যক্রম হেতু যে ধর্মবিশ্বাস সমগ্র পৃথিবীকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলো তা কিভাবে বিলুপ্ত হতে পারে? কখনো নয়।

      Reply
      • Md.Enamul Kabir Sarker

        Mr. Bari,
        Isn’t it paradoxical that Allah wants us to be believers and followers of Islam and simultaneously He has sealed the reasoning, hearing and seeing devices of the ones who He believes won’t comply, as you have quoted 2:7 and 2:18 respectively?Can the most gracious, compassionate and merciful Allah be this much impatient and wrathful towards His best creatures rather than allowing them chances for rectification? Over to you. Cheers!

  48. Sohaib

    এগুলি আপনার স্টেইটমেন্টঃ
    “এছাড়া আছে রূপকথা৷ ধর্মের মধ্যে অনেক অবৈজ্ঞানিক, অবাস্তব ও হাস্যকর রূপকথা ঢুকে পড়েছে৷”
    “এখন আপনারাই বলুন, এসব উদ্ভট ব্যাখ্যা প্রজন্ম মানবে কেন?”
    রাসূল সাঃ এর মি’রাজ, জান্নাতের অপরূপ বর্ণনা, জাহান্নামের ভয়াবহতা, কবরের জীবন— কোন কিছুই তো সায়েন্টিফিক্যালি প্রুভেন নয়। জান্নাত-জাহান্নামের বর্ণনা তো আল-কুরআনের শেষের দিকের প্রায় সব সুরাতেই আছে। ধর্মের অধিকাংশই তো রূপকথা, সহসাই বলে ফেলুন না!!! সুগার কোটিং কেন করছেন!!! দুঃক্ষিত বাট আপনার অবস্থানটা যথেষ্ট “সুবিধাবাদী”।

    বর্তমান বিশ্বের সম্রাজ্যবাদী কর্তিত্বশীল দেশগুলি তাদের হেজেমনি টিকিয়ে রাখার জন্য সায়েন্সকে যেই হিংস্রতার সাথে ব্যাবহার করছে, পারমাণবিক বোমা, ড্রোন, সার্ভেইল্যান্স, ডিভাইস ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে মানুষের জনজীবনের নিরাপত্তা আজ কোথায়!!! বিজ্ঞানের সবচাইতে প্রায়োগিক এই দিকগুলি নিয়ে তো আপনারা কখনও ভয় দেখান না!!! আপনি চায়নার উন্নতির পেছনে সায়েন্টিফিক এডভ্যান্সমেন্ট এর উপমা দিয়ে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন, কিন্তু “গুয়াম” থেকে চায়নার দিকে তাক করা শত শত মার্কিনী মিসাইলের বীভৎস ভয়টা কি দেখান!!! হ্যা, মিসাইলগুলিও লেটেষ্ট মডেলের, এবং হাইয়েষ্ট ডেথ টোল এনহ্যান্সড। ভুলে যাবেন না, এগুলিও সায়েন্স।

    Reply
  49. ওয়াহিদ হাসান

    আমি অনেক বার উনার লেখা পরেছি।উনি আজ খুব সুন্দর লিখেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে।

    Reply
  50. Mustafizur Rahman

    আমাদের সৌর জগতের অন্য কোন গ্রহে প্রানের অস্তিত্য নেই কারন জীবন ধারনের মত প্রাকৃতিক পরিবেশ নেই। পৃথিবীতে জীবন ধারনের অনুকুল পরিবেশ থাকায় প্রানের উদ্ভব হয়েছে এবং নানা জীবের সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা জীব জন্ম দিলে সব কয়টি গ্রহেই তা দিত।
    মানুষের পশুত্ব দমনের জন্য নানা ধর্মের উদ্ভব হয়েছে যা সভ্যতা বিস্তারে সহায়ক হিসাবে খুব কাজ দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষিত স্বসভ্য মানুষের ধর্মের খুব একটা প্রয়োজন নাই।
    মুস্তাফিজুর রহমান
    বাড়ী নং ৪১, হুদিংএ
    এরিয়া-রনিংএ
    স্টকহোম, সুইডেন

    Reply
    • Redwan Khan

      ”সৃষ্টিকর্তা জীব জন্ম দিলে সব কয়টি গ্রহেই তা দিত।” –এতদিন জানতাম নাস্তিকরা যুক্তি প্রমান দিয়ে কথা বলে অথচ এখন দেখছি আবেগী অনুমান করেও কথা বলে। এদের অধর্মের মূল পুঁজি অবিস্শাষের বিশ্বাস। অর্থাৎ এরা যা অবিশ্বাস করে তাই মনপ্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করে। আর এদের যুক্তি হলো আরোজ আলীর মতো মাথা মোটা লোকদের ভোঁতা যুক্তি কেন্দ্রিক।

      Reply
  51. আসমা সুলতানা মিতা

    সত্যিকার অর্থে চিত্রটা সর্ম্পূন ভিন্ন, পৃথিবীতে সর্বদাই ধর্ম বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা ধর্ম অবিশ্বাসী মানুষের থেকে কম। তার প্রথম কারণ, এই পৃথিবীর নিজের বয়স থেকে ধর্মের বয়স অনেক কম। অন্যভাবে ভাবলে দেখা যায় সব সময় মাত্র একটি ধর্মাম্বলী মানুষদের মধ্যে তাদের ধর্মই সত্য বলে বাকি ধর্ম গুলোকে তারা ধর্মই বলে মনে করেন না। সুতরাং সেই সব ধর্মের মানুষের সংখ্যা তাদের থেকে সবসময় বেশী। এবং যে কোনো ধর্মাম্বলী মানুষের মধ্যে কিন্তু ১০০% ই তাদের নিজের ধর্মকে পালন করেন না। কারণ তাদেরর নিজেদের ধর্ম নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। যার কারণেই লেখকের এই লেখার অবতারনা। বা ১০০% ই তাদের ধর্ম মতে জীবন যাপন করতে পারেন না। এমনকি অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষ এবং একজন ধর্ম অবিশ্বাসী মানুষের জীবন যাত্রার গুণগত তেমন পার্থক্য নেই শুধু মাত্র একটা মানসিক সীলমোহর ছাড়া যে সে ধর্মে বিশ্বাসী। এবং বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য নেই। যেকোনো যুক্তিতেই পৃথিবীতে ধর্ম অবিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বেশী এবং তারাই প্রমাণ করে যে ধর্মহীন পৃথিবী চিরকাল কাম্য। ধর্ম একটি বিষফোঁড়া যার অপসারণ অপরিহার্য!

    Reply
    • S M Moseeh Rana

      প্রাবন্ধিক মি. হাসান মাহমুদ ইসলাম বিদ্বেষী তথাকথিত একটি ইসলামী সংগঠনের (ইহুদীদের প্রতিষ্ঠিত) সাইনবোর্ড ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কুরআন ও হাদীসের ভুল-নিজ সুবিধামত তথ্য উপস্থাপন করার প্রয়াস পেয়েছেন। যা অত্যন্ত দু:খজনক। আরও দু:খজনক যে, আপনিও একই সুরে মিথ্যার বেসাতি করেছেন। ইসলাম, কুরআন, হাদিসের ন্যুনতম জ্ঞান থাকলে আপনি এমন তথ্যের অবতারণা করতেন না। কোন বিষয়ে জ্ঞান না থাকলে সে বিষয়ে মন্তব্য করা সভ্য মানুষের কাজ নয়। আপনার মন্তব্যের আলোকে কয়েকটি বিষয়ে সঠিক তথ্য হলো-
      পৃথিবীর জন্মলগ্নেই ধর্মের প্রবর্তণ। আর সে ধর্ম হচ্ছে, ইসলাম। পৃথিবীর প্রথম মানব হযরত আদম আ. ছিলেন এ ধর্মের অনুসারী। শুধু তিনি-ই নন, যুগে যুগে পৃথিবীতে ধর্ম প্রচারে প্রেরিত সব মহাপুরুষগণ ছিলেন মূলত: ইসলাম ধর্মের অনুসারী। যদিও সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এই আদি ধর্মের প্রবর্তক।
      আপনি বলেছেন, ‘সব সময় মাত্র একটি ধর্মাম্বলী মানুষদের মধ্যে তাদের ধর্মই সত্য বলে বাকি ধর্ম গুলোকে তারা ধর্মই বলে মনে করেন না’। এই ম্যাসেজ আপনাকে কে দিয়েছে? বরং মহাগ্রন্থ আল কুরআন-এ বলা হয়েছে, দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। (সূরা বাক্বারা আয়াত ২৫৬)
      বলা হয়েছে, হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর শানে নিতান্ত সঙ্গত বিষয় ছাড়া কোন কথা বলো না। (সূরা আন নিসা আয়াত ১৭১)।
      জ্বি-হ্যাঁ, যুগে যুগে ইসলামকে খাটো করতে অনেক অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, কেউ সফল হয় নি। মহান আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান এবং সে অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার সৌভাগ্য দান করুন, আমীন।

      Reply
  52. Stupid-Buster

    True religion lover
    We are waiting to have your article with utmost eager. Please keep writing until all the filthy religion becomes businessmen could be vanished long live Hasan Mahmud Sb

    Reply
  53. মোঃ শামীম মিয়া

    চালক দিয়ে গাড়ীর গুনাগুন পরীক্ষা করতে চাইলে এমনতো মনে হবেই! ডাক্তার জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনুন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করবেন।

    Reply
  54. জাহাঙ্গীর আলম

    শুরু করা যাক ভারতীয় হিন্দু দক্ষিণপন্থার উত্থান দিয়েই। হিন্দু দক্ষিণপন্থীরা সবসময়েই ভারতে একটা বড় শক্তি হিসাবে ছিল, কিন্তু বামপন্থী আর দেশপ্রেমিক ধর্মনিরপেক্ষদের সংখ্যাও কম ছিল না। তাই ১৯৯১ এর ভোটের আগে পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে এদের ততটা অস্তিত্ব ছিলই না। কিন্তু গত কুড়ি বছরে এরা দ্রুত সারা ভারতে এদের দক্ষিণপন্থী মতবাদ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। কি ছিল সেই অস্ত্র যা দিয়ে এরা এদের এজেন্ডা সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছে? এরাও কিন্তু সেই সামাজিক অবিচারের কথা শুনিয়েই মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে।
    এই অবিচারের প্রচারের নিদর্শন পাওয়া যায় ভারতে আর এস এস পরিচালিত স্কুলগুলোতে। বিদ্যা ভারতী নামের এই স্কুল সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছে – সংখ্যায় প্রায় ২০,০০০। প্রায় ২৫ লাখ শিক্ষার্থী এতে পড়াশোনা করে – যাদের অধিকাংশই গরিব বা নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের। পড়াশোনা চলে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী অবধি। তিস্তা সেতালবাদের লেখায় পাওয়া যায় কিভাবে এদের মগজ ধোলাই করা হয়। সংস্কৃত পাঠে পাওয়া যায় –মধ্যযুগের ইতিহাস আসতেই আসল রূপ বেরিয়ে আসে। সমগ্র ইতিহাস শিক্ষায় মুসলিমদের বিদেশী শক্তি হিসাবে দেখানো হয়েছে।
    “ভারতে বিদেশী মুসলিম শাসন …”
    “ভারতে তরোয়াল ধরে ইসলামের প্রচার হয়েছিল। মুসলিমেরা এক হাতে কোরাণ আরেক হাতে তরবারি নিয়েই এসেছিল এদেশে … আমরা তাদের পরে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি, কিন্তু আমাদের যে ভাইয়েরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল, তাদের হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত করতে ব্যর্থ হয়েছি।” সামগ্রিকভাবে, পাঠক্রম এমনভাবে সাজানো যাতে সবার মধ্যে ভাব সৃষ্টি হয় যে তাদের পূর্বপুরুষেরা মুসলিম ও খ্রীষ্টানদের হাতে অত্যাচারিত। তাদের ঘাড়ে দায়িত্ব বর্তায় তার প্রতিশোধ নেবার। নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্টার কাই ফ্রাইস এরকম একটি স্কুলে গিয়েছিলেন। ওনার বক্তব্য –
    “৮ থেকে ১১ বছর বয়সী কিছু ছাত্রের সাথে দেখা করলাম। তারা সবাই ডাক্তার বা পাইলট হতে চায়। … তোমরা ধর্ম সম্বন্ধে কি শেখ? হিন্দু বা খ্রীষ্টান ধর্ম সম্পর্কে? … একজন বাচ্চা উঠে দাঁড়িয়ে বলে – ‘খ্রীষ্টানরা হিন্দুদের ঘরদোর ভেঙে ঢুকে তাদের হয় ভয় দেখিয়ে নাহলে লভ দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে’। … হয়ত এরা এই শেখে তাদের সমাজবিজ্ঞান ক্লাসে।” পৃথিবীতে সামাজিক অবিচার যেমন আছে, তেমন আছে সামাজিক অবিচারের প্রচার। সাধারণভাবে, অবিচারমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়, কারণ সাম্য বা সুবিচার – সবই এক একটি ধারণার ওপর বশবর্তী হয়েই তৈরী। ধর্মই যদি দৃষ্টিভঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে তাদের দৃষ্টিতে সামাজিক সুবিচারের এই রূপ কি কোনোদিনও প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব?

    Reply
  55. ইসরাত জাহান

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপীয় দেশগুলোতে উদারনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক রাজনীতি ভালোই করছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকেরা বর্ণবাদ, জাতি-ধর্মবিদ্বেষের বিপক্ষে এবং নারী অধিকার, পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ, ইউরোপীয় ঐক্য ও বিশ্বায়নের মতো মৌলিক বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত ছিলেন। ইউরোপের মূলধারার রাজনীতিকেরা ধরেই নিয়েছিলেন তাঁদের এই উদারনৈতিক পুঁজিবাদী মূল্যবোধের রাজনীতি ভবিষ্যতে সারা বিশ্বই গ্রহণ করবে। তবে বিধি বাম! আমেরিকা তো দূরে থাক এখন খোদ ইউরোপেই এই উদারনৈতিক রাজনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জার্মানির বিখ্যাত বারটেলসম্যান ফাউন্ডেশন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে কট্টরবাদীদের রাজনীতি অনেক ভোটারের কাছে কেন এত জনপ্রিয় হচ্ছে, তা বোঝার জন্য একটি জরিপ করেছে। সদ্য সমাপ্ত ‘বিশ্বায়নের সম্ভাবনা ও মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব’ শীর্ষক এই জরিপে ৪৫ শতাংশ মানুষ বলেছে, বিশ্বায়নের কারণেই অভিবাসীদের ভিড় বাড়ছে এবং তাতে করে তারা ভীত ও উদ্বিগ্ন। তবে ৫৫ শতাংশ মানুষ বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে বলেছে। সমীক্ষা আরও জানিয়েছে, এই আতঙ্ক-উদ্বেগ গত দুই বছরে বেড়েছে। এ সময়েই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে শরণার্থীদের আগমন এবং প্যারিস ও ব্রাসেলসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। তার পর থেকে ইউরোপে কট্টরপন্থী জাতীয়তাবাদী দলগুলো জনপ্রিয় হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়কে পুঁজি করেও ইউরোপের কট্টরবাদীরা তাদের পালে আরও বাতাস লাগাতে চাইছে। এই মুহূর্তে ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও হল্যান্ডে কট্টরপন্থী জাতীয়তাবাদী দলগুলো ভালো অবস্থানে রয়েছে। এদের জনপ্রিয়তার চাবিকাঠি ইসলামবিদ্বেষ এবং শরণার্থী ও অভিবাসীবিদ্বেষ। কেন শরণার্থীরা নিজভূমি ছাড়ছেন বা কেন এই যুদ্ধ, সেই ব্যাপারে কোনো মানবিক ভাবনা বোধ বা দায়ভার তাদের রাজনীতিতে অনুপস্থিত। এসব দেশকে যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ায় পাশ্চাত্যের দায়টাও যে কম নয়, সেটা তাঁরা জনগণের সামনে থেকে লুকাচ্ছেন। শুধু আমেরিকা নয়, ডান পন্থার জনপ্রিয়তা ঠেকাতে ইউরোপে নেতৃত্বেরও সংকটকাল চলেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমরা ইউরোপকে নতুন রূপে পেয়েছিলাম, সভ্যতা ও মানবিকতার আলোয় এই ইউরোপ আলোকিত করেছে সারা বিশ্বকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যে নৃশংসতা দেখেছিল ইউরোপের মানুষেরা, তার বিরুদ্ধে দৃঢ় কণ্ঠে বিশ্বমানবিকতার জয়গান গেয়ে আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে এর পরের বেশ কিছু প্রজন্ম। কিন্তু এখন কি সেই বিশ্বযুদ্ধোত্তর মানবিক চেতনা ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যাচ্ছে? যদি তাই হয় তাহলে এতদিন যে চাকচিক্যময় ইউরোপ আমাদের সামনে আদর্শ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, যার দর্পনে আমরা আমাদের কল্পনা মূর্ত হয়ে উঠত সেই ইউরোপকে আমরা হারিয়ে ফেলব। আমরা তো অনেকেই ট্রাম্প আগমনে উত্তর আমেরিকার রাজনীতির এহেন দশা দেখে গেল গেল রব তুলে মূর্ছা যাই। ইউরোপে এতগুলো জাতি রাষ্ট্রে যে এত এত ট্রাম্প, ট্রাম্পের বাপ ও ট্রাম্পের বাপের বাপ পয়দা হচ্ছে সেসব নিয়ে হয়তো ভাবার সময় এখন চলে এসেছে।

    Reply
  56. Tamim Al Islam

    উনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে নাস্তিকেরা অবাধ যৌনাচার করতে নাস্তিক হচ্ছে। অথচ ধর্মগুলোতে তাদের প্রবর্তকগণকে দেখা গেছে অবাদ যৌনাচারে লিপ্ত হতে।

    Reply
  57. তানভির

    বুঝতে পারছি না লেখকের কিসে মনে হল যে ধর্মের কাজ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা। তাই যদি হয় তাহলে প্রথমেই উচিৎ ছিল মূল্যবোধের একটা চলনসই সংজ্ঞা দেওয়া। অন্তত কুরানে কোথাও মূল্যবোধ সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। বরং যখন যা করলে মোহাম্মদের সুবিধা তাই করতে বলা হয়েছে। মূল্যবোধের সংজ্ঞা দেয়া হলে আমরা বুঝতে পারতাম ইসলাম মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কতখানি সফল অথবা দরকারি।

    Reply
  58. Jakkum Fruit

    It’s a fact – Disbeliever is rising everywhere, I found some of my friends who secretly are disbelievers too but they sometimes do some religious rituals too. Like Eid Prayer, Prayer for the dead etc.

    In the end our knowledge is too limited too draw conclusion but it’s all about ” WHAT YOU BELIEVE IS TRUE FOR YOU ”

    ” SEEING IS BELIEVING ” is not a correct statement !

    Lastly, ask these question to yourself to test your faith :-

    1. If GOOD is the WILL of Creator why BAD things are ALLOWED to happen ?

    2. HOW do you KNOW that your RELIGION (whichever it may be) is the TRUE RELIGION ?

    3. HOW CAN or CAN’T you PROOF the Existence of Creator ?

    4. Why there are MULTIPLE RELIGIONS ?

    Ask these things yourself and reach your conclusion if you have a brain

    Reply
  59. ইকবাল হুসাইন

    একদিকে নবউদার অর্থনীতিবাদ এর বেপরোয়া লুট, বিনিয়ন্ত্রণ, বেসরকারিকরণ, কঠোর ব্যয়সংকোচ, কর্পোরেট বাণিজ্য মানুষের জীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ। কমে চলেছে উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান। আক্রান্ত নিম্ন মধ্যবিত্তরা। ট্রাম্প এবং ব্রেক্সিটের প্রচারেও ছিল এই একই যন্ত্রণার কথা। ঠিক একইভাবে বলছেন ইউরোপের উগ্র দক্ষিণপন্থীরা। উসকে দেওয়া হচ্ছে উগ্র জাতীয়তাবাদের ভাবাবেগ। উসকে দেওয়া হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে অসন্তোষকে। লে পেনের সাফ কথা তোমার সংকটের জন্য দায়ী ‘ওরা’: অভিবাসীরা, কৃষ্ণাঙ্গরা, মুসলিমরা। ট্রাম্পও ঠিক এভাবেই বাজিমাত করেছেন। ক্ষমতা হারানো, সংখ্যালঘু হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ট্রাম্পের উত্থানে যেমন বড় ভূমিকা পালন করেছে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য , তেমনি লে পেনও চাইছেন ফরাসি শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যকে তার সমর্থনে আনতে ।
    বিশ্বায়নকে ‘সাম্রাজ্যবাদী’ বিশ্বায়নের রূপ দেওয়ার ফলেই আজ পৃথিবীজুড়ে এই উগ্র দক্ষিণপন্থার উত্থান। আর ফ্যাসিবাদ বরাবরই ক্ষমতায় আসে কর্পোরেট পুঁজি তথা ধান্দার ধনতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি মেকি অবস্থান গ্রহণ করে। পুঁজির সম্পূর্ণ মদত নিয়েই পুঁজিবাদ বিরোধী মেজাজটাই এক্ষেত্রে ভোটে জেতার জন্য ব্যবহার করা হয়। সেই কবে জর্জ ডিমিট্রভ লিখে গেছেন – ‘ফ্যাসিবাদ বরাবর চূড়ান্ত সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থেই কাজ করে। কিন্তু একটি জাতির স্বার্থরক্ষকের ছদ্মবেশে এরা মানুষের সামনে হাজির হয়’।

    Reply
  60. কাজী মাহবুব হাসান

    তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে নৈরাশ্যবাদী হওয়া উচিৎ হবে না, কেন হবেনা সেটি নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে আর হচ্ছে । সুতরাং প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের ধর্মগুরুরা হাজার বছরের
    বৌদ্ধিক বিবর্তনের সুফল ব্যবহার করে ধর্মকে নতুন মোড়কে আবৃত করে স্পষ্টতই গোত্রীয় মানসিকায় পীড়িত ধর্মগ্রন্হকে আকর্ষণীয় করে তুলে আধ্যাত্মিকতায় অনুপ্রাণিত করা যাবে এমন ধারণাটি খুবই পিচ্ছিল – এটি এমন একটি ভাবনা যা আমাদের সেই খাদের দিকেই নিয়ে যাবে, যার প্রান্ত থেকে সভ্যতা বহু বারই নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছে শেষ মুহূর্তে।

    আরো একটি মন্তব্যের উত্তরে বলতেই হবে অবশ্যই আধ্যাত্মিকার একমাত্র উৎস ধর্মবিশ্বাস নয়। ধর্মবিশ্বাসকে সেভাবেই মোড়কে আবৃত করা হয়েছে যেন সেটি আধ্যাত্মিকার একমাত্র উৎস, কিন্তু স্পষ্টতই তা নয়, কারণ বর্তমান পৃথিবীতে আধ্যত্মিকার উৎস তথাকথিত ধর্মবিশ্বাসের বাইরেই আছে, সেটি প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় বহু উপকরণ ব্যবহৃত হচ্ছে নিত্যদিন। আর এই যাত্রাটি নতুন শুরু হয়নি, কয়েক শতাব্দী অতিক্রান্ত হয়েছে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—