Feature Img

razu-fগুমের মাসুল হরতাল ?
সারা দেশে একটানা হরতালের তিন দিন পার হলো গত সপ্তাহে। ইলিয়াস আলীকে খুঁজে না-পাওয়ায় হরতালের ফাঁসের দড়িতে বাংলাদেশ ক্রমশই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ধীরে ধীরে অবশ হয়ে পরেছিলো। যেমনটা হয়েছিলো এক সময় এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ৯-এর দশকে। শনিবারের(২৮ এপ্রিল) মধ্যে তাকে পা্ওয়া যায়নি বলে আবারও একটানা হরতাল শুবু হবে রোববার থেকে।

রাজনৈতিক দলের একজন নেতার নিখোঁজ হওয়ার মাশুল দিতে হয় সাধারণ মানুষকে জীবন দিয়ে। গরীবের গরীব এই দেশটির যাওবা একটু আধটু সম্পদ আছে হরতালপন্থীদের আক্রোসের আগুনে পুড়ে তা ছাই হয়ে যায়। আমরা যারা আমজনতা তাদের অবস্থা যে কী তা আর নতুন করে বলার দরকার আছে বলে মনে হয না। এই অবস্থা আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে কবি বিষ্ণু দে’র বিখ্যাত কবিতা ‘ কাসাণ্ড্রা’র সেই অবিস্মরণীয় পংক্তিগুলো:

আমরা কখনো হেরিনি হেলেন সে-মায়াননে
তবু কেন মরি ঘরে বসে লোভী ট্রয়ের রণে

উন্নত দেশ নই কোনদিন, দিন আনি খাই,
আমরা কখনো ঘামাইনি মাথা দেশ শাসনে;

ক্ষমতার হেলেনের জন্য যারা লড়াই করেন তাদের গাড়িও কেউ ভাঙে না, মূল্যবান বিলাসী জীবনও তাদের খোয়া যায় না। যা হারাবার তা কেবল সাধারণ জনতাই হারায়।

হাইড এন্ড সিক, হাইড এন্ড সিক . . . . .হোয়ার ইজ বেবি হাইডিং
বিএনপি অভিযোগ করেছে ইলিয়াস আলীকে সরকারই তাদের কোন বাহিনী দিয়ে গুম করেছে। বিএনপি যতই বলুক না কেন যে সরকার ‘লোক দেখানো’ অভিযান চালিয়েছে ইলিয়াসকে উদ্ধারে– এ কথাটা জনগণের কাছে আদৌ বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় আছে। সংশয়ের কারণ প্রথমত বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার জন্য ধুরন্ধর আওয়ামী লীগ এতো বোকাটে পথে আগাবে কেন? কাউকে গুম করা মানে সবার মধ্যেই আতংক ছড়িয়ে দেয়া। সাধারণ মানুষের কথা বাদই দিলাম, কারন সাধারণ মানুষকে তো কেউই পোছে না, এখনতো দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী নেতারাও নাকি গুমের আতংকে আছেন। সুতরাং বিরোধী দলের কাউকে গুম করাটা আওয়ামী সরকারের জন্য কোন দিক থেকেই সুফল তো বয়ে আনবেই না, বরং কুফলই বয়ে আনবে– এই সরকার সাধারণ এই হিসাবটি মাথায় রাখবে না তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর ইলিয়াস আলীতো বিএনপির এমন কোন স্তম্ভও নয় যাকে গুম করে দিলে বিএনপি ঝুর ঝুর করে ভেঙে পড়ে যাবে। শোনা যায় ইলিয়াস আলী এর আগেও একবার নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং আবার তিনি ফিরেও এসেছেন।

দ্বিতীয়ত বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন এবং বিদেশে নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং সংবাদ মাধ্যম বিবিসি গুমের ঘটনা বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে অনেক দিন থেকেই। এগুলো আওয়ামী সরকার নিশ্চয় জানে। এসব জেনেও সরকার জনপ্রিয়তা এবং বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর নৈতিক সমর্থন হারানোর বোকাটে ঝুঁকি নেবে বলে মনে হয় না।

তৃতীয়ত, আওয়ামী লীগ যেহেতু আবারও ক্ষমতায় আসতে চায় এবং এই চাওয়াটাই অনিবার্য, প্রথমত ক্ষমতার মধুর লোভে, দ্বিতীয়ত অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে। কারণ পরবর্তী টার্মে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে না পারলে যুদ্ধাপরাধীদের অসমাপ্ত বিচার কাজ শেষ করতে পারবে না।

এদিকে বিএনপিকে ইতিমধ্যে নানান ভাবে নাজেহাল করেছে আওয়ামী লীগ; খালেদাকে সেনানিবাস থেকে বাইরে এনেছে, ছেলে কোকো ও তারেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতা অপব্যাবহারের দায়ে মামলা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসবের ঝাল তুলতে কী কী করতে পারে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তা আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি। আমাদের রাজনীতিতে পরিবারতান্ত্রিকতার পাশাপাশি যেভাবে প্রতিশোধের উপাদান যুক্ত হয়েছে তাতে করে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলবে–এটা আমরা সাধারণ বুদ্ধি দিয়েই বুঝতে পারি।

অতএব, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ক্ষমতায় আসাটা খুবই জরুরি। আর এলে তাকে নির্বাচনের মাধ্যমেই আসতে হবে। আর নির্বাচনকে মোটামুটিভাবে গ্রহণযোগ্য করতে হলে আওয়ামী লীগের একটা ইতিবাচক ভাবমূর্তি দরকার হবে অবশ্যই। নির্বাচনে অদৃশ্য সব কলাকৌশল যে ঘটবে না তা আমরা জোর দিয়ে বলতে পারি না। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ বা মাগুরার মতো বড় ধরনের কেলেঙ্কারি ঘটে গেলে আওয়ামী লীগের জন্য তা বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

আমার ধারণা আওয়ামী লীগ সাধারণ এই হিসেবগুলো মাথায় রাখছে। এইসব কারণেই ইলিয়াসকে গুম করলে আওয়ামী লীগের কোন লাভ নেই। এবার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দক্ষ কুট্-চালে বিএনপিকে পরাস্ত করে এসেছে, অতএব এখন এই ক্ষমতার বিকেলবেলায় এসে ইলিয়াসের মতো তৃতীয় সারির নেতাকে গুম করে পচা শামুকে পা কাটবে কেন? ইলিয়াস এমন কোন ক্যারিজম্যাটিক নেতা নয় যে তার ডাকে সমস্ত জাতি, বা গোটা জাতি না হোক, অন্তত গোটা বিএনপি একসাথে হয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। তাহলে ইলিয়াসকে আ্ওয়ামী লীগের ভয় পাবার কি আছে?

তবু এইসব হিসেব নিকেশ যাই বলুক না কেন, সরকারকে গুম হওয়ার দায়টুকু নিতেই হবে। কারো বেডরুম পাহারা দেওয়ার দায় সরকারের নেই যদি বলেন তাহলে ইলিয়াসতো বেডরুমের বাইরে থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী এখন কী বলবেন? বিএনপিই নাকি সরকারকে বিব্রত করার জন্য ইলিয়াসকে লুকিয়ে রেখেছে–বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই যদি সত্যি হয় তাহলে আশা করা যাচ্ছে তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব। লুকানো জিনিস ভালোভাবে খুঁজলেই পাওয়া যাবে। আমাদের সাহারা খাতুন আছেন, তার সঙ্গে শামসুল হক টুকু আছেন, তাদের নিরাপত্তা বাহিনী র‌্যাব ও পুলিশ আছেন। ওনারা সক্রিয় হলে যে কাউকে বের করা সম্ভব। ওনারা ঠিকই ইলিয়াসকে বের করে ফেলবেন যদি তিনি লুকিয়ে থাকেন।

যদি লুকিয়েই থাকেন তাহলে ইলিয়াসের কাছে এবং বিএনপির কাছেও আমাদের বিনীত নিবেদন প্রকাশ্যে আসুন অথবা ধরা দিন। কারণ একজন ইলিয়াস কিংবা সুরঞ্জিত বিপদে পড়লে আমাদের গণতন্ত্র বিপদে পড়ে। একজন ইলিয়াস গুম হলে গণতন্ত্র গুমরে কাঁদে। এমনিতেই আমাদের গণতন্ত্র জনলগ্ন থেকেই লুকোচুরি খেলছে। ’সে-যে চমকে বেড়ায় দৃষ্টি এড়ায়, যায় না তারে বাঁধা।’ এই গায়েবী গণতন্ত্র ছাড়া আমরা বাঁচবো কী করে!

দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড়
প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সবসময়ই বলে আসছে ’আমরা জনগণের পাশে আছি’ এবং ’জনগণ আমাদের সাথে রয়েছে’। রাজনীতিবিদদের কাছে জনগণ কী জিনিস তা বুঝা কঠিন। যখন বড় বড় জনসভা হয় তখন তাতে প্রচুর লোক দেখা যায় বটে। তারা কি একেবারেই সাধারণ জনগণ নাকি দলীয় কর্মী ও সমর্থক? আমার কাছে তাদেরকে দলীয় কর্মী সমর্থক বলেই মনে হয়। রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ মানুষের এসব জনসভায় গিয়ে নেতা নেত্রীদের পরস্পরের প্রতি বিষোদ্গার, কুৎসা শোনার সময় এবং আগ্রহ কোথায়? সম্প্রতি এফবিসিসিআই-এর সভাপতি এ কে আজাদ এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বলেছেন হরতালের প্রতি ৯৫ ভাগ মানুষের কোন সমর্থন নেই। সুতরাং আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যখন বলে জনগণ তাদের পাশে আছে তখন তারা আসলে তাদের কর্মী এবং সমর্থকদের বুঝিয়ে থাকেন। জনগণের গুরুত্ব তাদের কাছে ভোটের বাইরে আদৌ আছে কিনা তার প্রমাণ তাদের দেয়া কর্মসূচী বলে দেয়। জনগণের প্রতি আসলেই তাদের কোন সহানুভূতি নেই। যদি থাকতো তাহলে হরতাল করে জনদুর্ভোগ এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন এবং জনগণের প্রাণ নাশের মতো ঘটণা তারা ঘটাতে পারতো না। অতীতে আ্ওয়ামী লীগ যা করেছে এখন বিএনপি বিরোধী দলে থেকে একই কাণ্ড করছে।

যখনই হরতাল হয় এর প্রধান ভুক্তভোগী হয় সাধারণ জনগণ। মারাও যায় সাধারণ জনগণ। ২২-২৪ এপ্রিলের হরতালে এ পর্যন্ত পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন গাড়ির ড্রাইভার, একজন ছাত্রদল কর্মী আর অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি। তবে কোন রাজনৈতিক দল যেহেতু তাদের নিজেদের লোক বলে তাকে দাবী করেনি, অতএব ধরে নেয়া যায় তিনিও সাধারণ জনগণ। বিশ্বনাথে হরতালের সময় গুলিবিদ্ধ রিক্সা চালক আহত জাকির মারা গেছে গত বুধবার ।

এদের নিহত হওয়ার পাশাপাশি যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতিতো আছেই। এমন হারজিরজিরে, গরীবের গবীর একটি দেশের যে-সীমিত সম্পদ তাও যদি হরতালের মাধ্যমে এভাবে ধ্বংস হতে থাকে তাহলে এই জাতিকে উম্মাদ আর আত্মঘাতী কে না বলবে? রাজনৈতিক দলগুলো হরতাল কর্মসূচী দেয়ার সময় কি এসব কথা বিবেচনা করেন? একজনকে গুম করার অভিযোগে হরতাল করে পাঁচজন মানুষ হত্যা করাটাকে কীভাবে বৈধ করবে তারা? এই বিএনপিই তাদের প্রচারপত্রে ফলাও করে বলে আসছে ’ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়।’ সাধারণ মানুষ কোনভাবেই এই বক্তব্যকে মেলাতে পারে না তাদের দেয়া রাজনৈতিক কর্মসূচীর সাথে। কারণ খালেদা জিয়াকে যখন সেনানিবাসের বাড়িটি ছাড়তে হলো তখন এর প্রতিবাদে হরতাল করেছিলো বিএনপি। এটা কি সাধারণ মানুষের কোন সমস্যা ছিলো? আর তিনিই কি এতে করে গৃহহারা হয়ে গিয়েছিলেন? আর যা কিছু ঘটেছে তা আইনানুগভাবেইতো ঘটেছে।

বিএনপি বৃহত্তম বিরোধী দল। তাদের কাছ থেকে গণমুখী কর্মসূচীই আশা করে মানুষ। গত সপ্তাহের হরতাল কর্মসূচীও প্রমাণ করলো বিএনপি সাধারণ মানুষের বৃহত্তর সমস্যার পরিবর্তে দলের একজনের গুম হওয়াকে ইস্যু করে টানা তিন দিনের হরতাল করাটাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে । এদিকে ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করার জন্য সরকারকে শনিবার পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। অর্থাৎ খুঁজে না পেলে আবারও হরতালের সম্ভাবনা। সুতরাং সাধারণ মানুষের কাছে এখন এটা স্পষ্ট যে প্রচারপত্রে বলা কথাকেই বাস্তবে উল্টে দিয়ে যেভাবে পালন করা হচ্ছে তার অর্থ দাড়ায় এইঃ দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড়। তা না হলে কিছুদিন আগেও যে-তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছিলো প্রায় গোটা শহরে তখন তো তারা কোন হরতাল করেনি। চরম বিদ্যুত সংকট সমাধানের দাবীতেও তো হতে পারতো হরতাল । এসব সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন জেরবার হলেও হরতালের জন্য এগুলোকে ইস্যু করতে পারেনি তারা। অর্থাৎ গনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তি স্বার্থটাই বিএনপির কাছে বড় হয়ে উঠলো। রাজনৈতিক দলগুলোর এ্ই ধরণের দেউলিয়াত্বকেও নিরুপায় জনগণ যেন মেনেই নিয়েছে ।

রাজু আলাউদ্দিন: লেখক ও সাংবাদিক।

রাজু আলাউদ্দিনলেখক ও সাংবাদিক

৫৬ Responses -- “দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড়”

  1. Mohammad Salim

    আপনার এ লেখাটি সময়োপযোগী। এ লেখায় আমাদের দেশের বর্তমান রাজনীতির যে চালচিত্র তা যথার্থভাবে ফুটে উঠেছে। গুম, হত্যার রাজনীতি কোন সমাজের জন্যই শুভ নয়। আমরা যদি অতীতে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাব এদেশে গুম এবং গোপন হত্যার শুরু ১৯৭১ সাল থেকে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের সহযোগীরা এদেশের মুক্ত এবং প্রগতিশীল মানুযদের গুম করেছিল এবং তাঁরা কেউ আর ফিরে আসেনি। স্বাধীনতার পর সামরিক শাসকদের শাসনামলেও এধারা অব্যাহত থাকে। ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের পর খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করেন। দুর্ভাগ্যজনক হলো খালেদা জিয়ার সরকারসহ পরবর্তী সরকারগুলোর আমলেও বিভিন্ন বাহিনী গঠনের মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যা অব্যাহত থাকে। হয়তো এসবের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে গুম হয়েছেন ইলিয়াস আলী । তিনি যে মানের রাজনীতিবিদ হোন না কেন তাঁর এ গুম হওয়া আমাদের রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। আপনার লেখনির মাধ্যমে এ কথাটা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জানি না যারা ‘গুমের রাজনীতি’র সঙ্গে জড়িত, তারা এই লেখা পড়বেন কি না । একটি প্রবাদ আছে “ সাপের কামড়ে মারা যায় সাপুড়ে”। এই সর্বনাশা খেলায় কেউ ‘নিরাপদ’ থাকে না।

    Reply
  2. আলমগীর ফরিদুল হক

    টপিকাল ইস্যুগুলোতে যে পর্যবেক্ষণ, পলিটিক্যাল পার্টির উর্ধে, বা নিরপেক্ষ হয়ে আসাটা তা হয়ে ওঠেনি ।
    লেখাটার মধ্যে সাহসিকতার সঙ্গে ডায়ালেকটিকস আনার প্রয়াস থাকা সত্ত্বেও তা কিন্ত মনোলিথিক, একরোখা রয়ে গেল।

    Reply
  3. আলমগীর ফরিদুল হক

    টপিকাল ইস্যুগুলোতে যে পর্যবেক্ষণ; পলিটিক্যাল পার্টির উর্ধে থাকা বা নিরপেক্ষ থাকা তা হয়ে উঠেনি ।
    লিখাটার মধ্যে সাহসিকতার সাথে ডায়ালেক্টিস আনার প্রয়াস থাকা সত্ত্বেও তা কিন্তু মনলিথিক, একরোখা রয়ে গেলো।

    Reply
  4. আলমগীর ফরিদুল হক

    লেখাটিতে, হালের অবস্থার এনাল্যসিস এর একটা ডায়ালেটক্মের আভাস থাকলে্ও তা পুরপুরি কাজ দিল না, আরো নিরপেক্ষ , এবং নন পলিটীক্যালি দেখলে ভালো হতো।

    Reply
  5. AKTER FARUK SHAHIN

    যদিও এমনটা কখনো আশা করি না তবু বলছি, কখনো কোন অভিশপ্ত মুহূর্তের কারনে লেখক যদি এভাবে নিখোঁজের শিকার হন তাহলে এই লেখাটা আবার পড়বো । আর সেই সংগে সকল সংবাদ কর্মীদের বলবো আপনার জন্য যেন কোন কর্মসূচী না দেয়। কারন ওই কর্মসূচীর কারনে যদি জনগন কষ্ট পায় তাহলে আপনার বিদেহী আত্মাও কষ্ট পাবে। নিরবে নিভৃতে গুম হয়ে যাবেন আপনি। যেমনটা চান।

    Reply
    • moiz ahmed chowdhury

      আমরা ইলিয়াসের গুম হওয়ার সময় তার সাথে ছিলাম না । কে করেছে, কিভাবে হয়েছে এগুলো এখন সবই মনগড়া বিষয় । একমাত্র উপর ওয়ালা জানে । দুই দল যদি কোন সুরাহা না করতে পারে, অন্য কোন তৃতীয় দল কি পারবে? আমি অপেক্ষা করছি উপর ওয়ালা কী করে । তবে অনন্তকাল অপেক্ষা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না । তবে আমি বিশ্বাস করি রেষারেষি, তর্কবিতর্ক এর মাধ্যমে একটা আউটপুট বের হবেই।

      Reply
    • Asif

      কেউ যদি হরতালের সময় আপনার গাড়ি ভেঙে ফেলে অথবা (আল্লাহ না করুক) আপনি যদি সেসময় আহত হন তখন কি আপনি একই কথা বলবেন? জনগণকে হত্যা না করে বা তাদের সম্পদ ধ্বংস না করে একটা বিকল্প উপায় বের করা উচিৎ।

      Reply
  6. Del

    আপনার যদি কেউ এভাবে গুম হয়, আপনি এই লেখাটা কিভাবে লিখবেন, জানতে ইচ্ছে করছে।

    Reply
  7. মোঃ নজরুল

    সারা জীবন জানতাম ব্যাক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ বড়। এখন উল্টা ৩৭ প্রতিক্রিয়া – “ দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড় ”

    Reply
  8. বাদল

    কবি, সাহিত্যিক, অনুবাদকরা যখন এমন জটিল বিষয় নিয়ে নিজের অনুমান, আর ধারণানির্ভর কলাম লিখেন আর তা ছাপা হয়, তখন বুঝতে হবে জাতির ভবিষ্যত ভালো নয়। ধুরন্ধর আওয়ামী লীগ বাকশাল করতে পারলে ইলিয়াসকে গুম করতে পারবে না কেন?

    Reply
  9. Taposh Gayen

    আমি লেখক এবং কলামিস্ট রাজু আলাউদ্দিনের সাথে সহমত পোষন করে বলব, ‘বাংলাদেশ গরীবের এক গরীব দেশ ।’ অন্যদিকে, দেশের ভিতরে মানুষ গুম হয়ে যাওয়া অবশ্যই একটি সন্ত্রাস, যা একটি দেশের সাধারণ মানুষের ভিতরে নৈরাজ্য এবং অনাস্থা সৃষ্টি করে । কিন্তু এ কারণে লাগাতর হরতাল ডাকা বাংলাদেশের জন্য শুধুই বিলাসিতা । সরকার বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগ-যে পার্টিরই হোক- তার জন্য দেশের আমজনতাকে জিম্মি করে লাগাতর হরতাল কোন দলের জন্যই শুভ নয় ; ‘এইক্ষেত্রে দেশের কথা নাই বা বলিলাম ।’ দুই দশকের বেশী সময় প্রবাসী হয়ে আছি । বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিদেশের মাটিতে তলাহীন ঝুড়ি হয়েই আছে । লাগাতর হরতাল এ প্রতীকী চিন্তাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আমার বিশ্বাস । ঔপনিবেশিক রাজনীতি কৌশল- হরতাল- সরকারের বিরুদ্ধে শেষ পন্থা হওয়া উচিত, কারণ সকল সীমাবদ্ধতাসহ সরকার জনগনের, কোনো পার্টির নয় । ‘সরকার বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগের পার্টি-সম্পত্তি নয় ।’ হরতালের মধ্য দিয়ে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারা নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর এ পৃথিবীতে সমৃদ্ধির পথ খুঁজে ফিরতে হবে ‘গরীবের এই গরীব দেশটিকে ।’

    Reply
  10. Dr. Alamgir Sheraz Zaheri

    বাংলাদেশের সংবাদ জগত গত কয়েকদিন যাবত কেবল ইলিয়াস আলীর উপরই ফোকাস করে আসছে। কী করে একটা লোক হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যায়? একটা জাতির জন্য এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আজ ইলিয়াস, কাল হয়তো আমি। এই ইসুটাকে কিছু লোক হাল্বা ভাবে দেখছে এটা মোটেই ঠিক নয়। আ্ওয়ামী লীগের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে ১২৭ জন গায়েব হয়েছে।

    আমি আশা করছি সরকার ইলিয়াসকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে। আল্লাহ আমাদের দেশ ও দেশবাসীকে রক্ষা করুন।

    Reply
  11. Mazhar

    রায় দিয়ে দিলেন, তাই না..?

    আপনার মত একচোখা মানুষগুলো যে এই দেশের প্রধান শত্রু তা জানেন? কারণ আপনারা দু’কলম লেখা শিখে গেছেন এবং তা দিয়ে নিজের দলীয় মতামতগুলো দিয়ে অন্যদের প্রভাবিত করতে চান। ইলিয়াসকে সরকার গুম করেনি এই রায় দেবার আগে ঘটনার পূর্বাপর সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা থাকা দরকার আপনার। এই ঘটনার জের ধরে আরো অন্তত দু’জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছে, জানেন? প্রতক্ষ্যদর্শী পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, যার ফোনটাও বন্ধ, জানেন? এমন আরো অনেক ঘটনা আছে যা রহস্যকে ঘনীভূত করে চলেছে। সুতরাং সরকার গুম করেছে/করেনি, ইলিয়াস নিজে লুকিয়েছেন/লুকাননি, বিএনপি লুকিয়ে রেখেছে/রাখেনি এই জাতীয় সিদ্ধান্তগুলো ফট করে দিয়ে দেবেন না।

    বিএনপি অবশ্যই জাতিকে একটা ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এই সময়ে এসে বাংলাদেশ দেড় সপ্তাহে পাঁচদিন হরতালের চাপ সইতে পারে না। জনসাধারণ কি পরিমাণ কষ্টে আছে তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু রাজনীতি তো আর থেমে থাকবে না, আওয়ামী লীগের সময়ও থাকেনি। আমাদের স্পষ্ট মনে আছে বর্তমান সরকারে থাকা দলটি কোন কোন ইস্যু নিয়ে জনসাধারণকে কতটুকু কষ্ট দিয়েছে। বিএনপি প্রতিশোধ নিচ্ছে, ক্ষমতার জন্য তাদের রাজনীতির মুখোশও বেরিয়ে গেছে। তাই বলে সরকার দায় এড়াতে পারে না, এত ধরণের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, চটকদার কথা বলা সব মন্ত্রী-মিনিস্টার কি ছিঁড়ছে তাও জানতে চাই আমরা। বিএনপি-র শেখানো আরেকটা জজ মিয়া নাটক যে করবে না সরকার, সে কথা বিশ্বাস করাটাও সহজ নয় আমাদের জন্য।

    এত কথা না বলে একটা কলামই হয়তো লেখা যেত আপনার চেয়ে বড় করে। কিন্তু নিজের পক্ষপাতদুষ্ট মতামত দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করাকে অপরাধ মনে হয় আমার।

    ভাল থাকুন, দলীয় মতবাদের উর্দ্ধে থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে ভালবাসতে শিখুন।

    Reply
    • বাবর

      গুমের ঘটনা বড়ই পীড়াদায়ক। কিন্তু সরকার পারছেনা উদ্ধার করতে আর বিএনপি চাচ্ছেনা উদ্ধার করতে। এতোদিন তারা মাঠ গরম করতে পারছিল না। এখন ইলিয়াস ইস্যুতে মাঠ গরম হয়েছে। বেশ এবার ইলিয়াস খরচার খাতায় চলে যাক। বিএনপি মনে হয় এমনটিই চাচ্ছে। কারণ ইলিয়াস ইস্যুতে দেশ যতটা উত্তপ্ত হয়েছে, তারেক ইস্যুতে ততটা করতে পারেনি বিএনপি। এখন দেখা যাচ্ছে – তারেকের চেয়ে ইলিয়াস ইমেজ অনেক বড় রাজনীতির মাঠে। হঠাৎ এমন ইমেজে পৌছে যাওয়া ইলিয়াস ভবিষ্যতে তারেকের জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই বিএনপির জন্য ইলিয়াসকে না পাওয়াটাই লাভজনক। তাদের আচরণ দেখে অন্তত তাই মনে হচ্ছে।

      Reply
      • forhad

        আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ফরহাদ সাহেব। আসলে সত্য বলার সাহস আমাদের নেই। লেখক রাজু আলাউদ্দিন খুবই পক্ষপাতদুষ্ট। বিডি্নউজের মতো মর্যাদাশীল এবং বিখ্যাত পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হয় কী করে? হায় খোদা, কী যে হচ্ছে আর কোথায়ইবা আমরা যাচ্ছি!

    • Saiful Islam

      আমরা সাধারণ মানুষরা চিরকালই ভুগবো। এই আমাদের নিয়তি। রাজনীতিবিদরা সাধারণ মানুষ নন।

      Reply
  12. Mihir

    ইলিয়াস হয়তো এক সন্ত্রাসী, কিন্তু তাই বলে কি তাকে গুম ব খুন করে দিতে হবে? তিনি খারাপ লোক হলে তার বিচার করা যেতো। সরকার দুবাচারী হলে জনগণ কোথায় যাবে?

    Reply
  13. রফিক

    দলপ্রিয় ভাইদের বলছি,আপনারা একটু মুখ বন্ধ করে হতভাগা দেশটাকে নিয়ে ভাবুন।দিন দিন আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি গণতন্ত্র নামধারী কিছু স্বার্থপর আর বেহায়া শক্তির কাছে।

    Reply
  14. Aminul Islam Sujon

    আজ সকালে একজন রিকশা চালক, যিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বয়সের ভারে নুয়ে পড়েও রিকশা চালাচ্ছেন। তার রিকশায় কর্মস্থলে আসার পথে তার মতামতগুলো সাজিয়ে লিখলাম এখানে…আওয়ামীলীগ ও বিএনপি-মুদ্রার এপিট-ওপিট। ক্ষমতার জন্য তাদের রাজনীতি-ক্ষমতানির্ভর তাদের রাজনীতি। ক্ষমতায় যাবার জন্য আ্ওয়ামী লীগ কতটা নীচ হতে পারে সেটা এরশাদকে সাথে নিয়ে তারা করেছে। আবার ক্ষমতায় যাবার জন্য বিএনপি কতটা নীচ হতে পারে সেটা জামাতকে সাথে নিয়ে তারা প্রমাণ করেছে। সুতরাং খালেদা ও হাসিনা-দুজনেই লোভী, স্বার্থপর। এদের কাছে মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কোন মূল্য নাই।সাধারণ মানুষ হচ্ছে গিনিপিগ। এ অবস্থার অবসান দরকার।

    Reply
  15. জহির :

    আমার কাছে মনে হয়, এটা একটা রাজনৈতিক ইস্যু, সরকারী দল ইলিয়াসকে গুম করবে কেন? তার সাথে যদি কোন দ্বন্দ থাকে, তাকে তো যেকোনো সময় এরেষ্ট করে জেলে রাখতে পারে। তাকে গুম করার প্রয়োজন নাই। আমি সরকারকে ব্যর্থ বলবো এই অর্থে যে প্রশাসন কেন এখনো ইলিয়াসকে উদ্ধার করতে পারছে না। আর আমাদের দেশের প্রশাসন তো অনেক একটিভ, আমি দেখছি সরকার ইলিয়াসকে উদ্ধার করতে পারছে না। আর বিরোধীদল ইলিয়াস উদ্ধার হোক তা তারা চায় না। আসল রহস্যটা কোথায়— কেন? হরতাল? কার স্বার্থে? একটি গরিব দেশে এমনিতে চলতে হিমসিম খাচ্ছে মানুষ, তার উপর আবার হরতাল, গাড়ী পোড়াও, মানুষ হত্যা।

    Reply
  16. বাবর

    গুমের ঘটনা বড়ই পীড়াদায়ক। কিন্তু সরকার পারছেনা উদ্ধার করতে আর বিএনপি চাচ্ছেনা উদ্ধার করতে। এতোদিন তারা মাঠ গরম করতে পারছিল না। এখন ইলিয়াস ইস্যুতে মাঠ গরম হয়েছে। বেশ এবার ইলিয়াস খরচার খাতায় চলে যাক। বিএনপি মনে হয় এমনটিই চাচ্ছে। কারণ ইলিয়াস ইস্যুতে দেশ যতটা উত্তপ্ত হয়েছে, তারেক ইস্যুতে ততটা করতে পারেনি বিএনপি। এখন দেখা যাচ্ছে – তারেকের চেয়ে ইলিয়াস ইমেজ অনেক বড় রাজনীতির মাঠে। হঠাৎ এমন ইমেজে পৌছে যাওয়া ইলিয়াস ভবিষ্যতে তারেকের জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই বিএনপির জন্য ইলিয়াসকে না পাওয়াটাই লাভজনক। তাদের আচরণ দেখে অন্তত তাই মনে হচ্ছে।

    Reply
  17. M HAQUE MUKUL

    কুটিল এই মহাবিশ্বে মিডিয়ার মহাশক্তিতে আমরা সাধারণ পড়ুয়ারা নাস্তানাবুদ হচ্ছি প্রতি মূহূর্তে। এখানে ইলিয়াস আলী বিষয় নয়, ক্রমাগত ঘটে যাওয়া গুম খুন বিষয়,রাষ্ট্রের অপারগতার বিষয়। আমিও এর মধ্যে পড়তে পারি, তখন প্রধানমন্ত্রী সেটা নিয়েও রসিকতা করবে।
    রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে। সমাজকে সচেতন হতে হবে।

    Reply
  18. shuvashis

    আমি কোনো দল বা পার্টি করি না। কেননা বাংলাদেশে এমন কোন রাজনৈতিক দল নাই যারা ক্ষমতায় আসার পর দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম।
    আমার প্রশ্ন হলঃ আওমী লীগ সরকার যদি ইলিয়াস আলীকে গুম না করে থাকে , আর সেক্ষেত্রে বিএনপি যদি গুম করে, তবে এই সরকার তাকে খুঁজে বের করছে না কেন? আমি জানি যে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা অনেক শক্তিশালী। যাদের জোর প্রচেস্টায় একজন ইলিয়াস আলীকে বের করা তেমন কষ্টসাধ্য কিছু নয়। সরকার ইলিয়াস আলীকে বের করে দিয়ে প্রমান করে দিক যে আওমীলিগ নয় বরং বিএনপি তাদের নিজের দলের লোককে গুম করে দেশে একটা অস্থির পরিবেশ সৃস্টি করেছে।

    Reply
  19. syedmahbubul

    সমাধান কী? যারা হরতালের কারণ সৃষ্টি করবে, যারা ব্যক্তির কারণে হরতাল করবে তাদের ভোট দেবো না।

    ভোট অন্য কোন দলকে দেব যারা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য রাজনীতি করে । ব্যক্তির বিষয়কে ইসু বানায় না। দেশের অনেক বড় সমস্যা আছে তা নিয়ে কোন রাজনৈতিক আন্দোলন হয় না।

    শিক্ষিত জনগোষ্ঠী হিসেবে আমরা্ও কোন না কোন দলের নৈতিক সমর্থক। সমর্থন ভাল, তবে দলের কার্যক্রমের সমালোচনা করা আমাদের দিয়ে হয় না। দেশের মানুষ আশার আলো কিভাবে দেখবে।

    দলের কর্মকান্ডের সমালোচনা করা প্রয়োজন। তবে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব।

    লেখাটি খুবই ভাল… ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

    Reply
  20. পরাগ রহমান

    ধন্যবাদ আপনার লেখাটির জন্য। আসলে সরকার চাইলে সব রহস্যই ভেদ করতে পারে। একটা জটিল ও ইনোভেটিভ আইডিয়া দেয়া যাক আমাদের তড়িৎকর্মা সাহারা আপা ও তার ‘মহাদক্ষ’পুলিশ-র‍্যাব বাহিনীকে। বিএনপি সরকার তো জজ মিয়া বানিয়েছিলো, আপনারা এই চান্সে একটা ফুল ইলিয়াস আলি পয়দা করে দিন, যে বেরিয়ে এসে মিডিয়াকে বলবে,মরি নাই মরি নাই , আমিতো নিজের ইচ্ছাতেই গুম আছিলাম…।

    Reply
  21. Mohammad Ibrahim

    বিনপি কেন পানি ও বিদ্যুত সমস্যার জন্য হরতাল ডাকবে? তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ত তারা পুরো ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল। সামনে ক্ষমতায় আসলে তারা এ সমস্যার কোন সমাধান দিতে পারবে না সেটা তারা ভালো করেই জানে। তাই এসব ইস্যুতে হরতাল দিতে তাদের বড় লজ্জা লাগে।

    Reply
  22. Rishi Rez

    আওয়ামী লীগ বি.এন.পি শাসন এর ৯ বছর সময়ে ৩০৩ দিন (১৭৩+১৩০) হরতাল দিয়েছিল। যেখানে ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে হত্যা করেছিল। আজ তারা হরতাল বিরোধী কথার বুলি বলছে। রাজু ভাই, তখনকার সময় এই ব্লগ গুলো ছিল না। তখন দেখা যেত কে কি বলতো। ব্যাক্তি যেই হোক না কেন এই গুমের রাজনীতি কখনোই গ্রহনযোগ্য নয়। এটি জাতিয় নিরাপত্তার উপর একটি ভয়াল কালো ছায়া।

    সরকার যেহেতু বলেছে, বিরোধী দল লুকিয়ে রেখেছে তো সরকারের উচিত তা বের করে প্রমান করা।

    Reply
    • Mohammad Ibrahim

      ২১ শে আগস্টে গ্রেনেড মেরেছিল কারা? কারা বা কোনদলের লোক আওয়ামি লীগের দুইজন বড় এমপিকে প্রকাশ্যে বোমা মেরে খুন করেছিল? বিনপি ও বিনপির ঘনিষ্ঠতম মিত্র যুদ্ধাপরাধি দল জামাতের হিসেবে ত আওয়ামি লীগের প্রতিদিন হরতাল করা উচিত ছিল।

      Reply
    • ফয়সাল

      আমি ইলিয়াসের ঐ এলাকার বাসিন্দা। একজন সন্ত্রাসীর জন্য ৫দিন হরতাল, আর কিছু ভোদাই জনগন তার সাপোর্টও দেয়! ৫দিন হরতাল করার পর যদি তাকে না পাওয়া যায় অথবা পাওয়া যায়, তাহলে এরমধ্যে যে ৫টা লোকের প্রান গেল, তার ক্ষতিপূরন কী হবে?
      আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডে এমনিতেই প্রচুর বিরক্তির সৃষ্টি করেছে। তার মধ্যে গোদের উপর বিষফোড়ার মত বি.এন.পির এই ব্যাক্তি ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন জনগনের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া!!
      সময় এসেছে এই দলভিত্তিক রাজনীতিকে জনগনের পরাস্ত করা।

      Reply
  23. শেখ টিটু

    সরকারের উচিত ইলিয়াস আলীকে খুজে বের করে দেশের মানুষকে মুক্তি দেওয়া । প্রধানমন্ত্রি তো দেশের মানুষের জন্য জীবনও দিতে রাজি তাহলে কেন ইলিয়াস আলীকে খুঁজে দিতে পারছে না ? তা হলে তো দেশের মানুষ একটু সস্তি পায়……তাই নয় কি!!! দেশের বড় দুটি দল যদি এক সঙ্গে কাজ করতে না পারে তা হলে গনতন্ত্র মানে কী? দেশের মানুষকে কষ্ট দেয়া ? দয়া করে আমাদেরকে একটু সস্তি দিন।

    Reply
  24. Tanzir Hasan

    আমরা যাই বলিনা কেন, দেশটা আওয়ামী লীগ-বি.এন.পি ৫ বছর করে ভাগ করে নিয়েছে…..
    আমাদের চিন্তা কেউ করেনা্।
    আর বুদ্ধিজীবি দালালরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করছে ।

    Reply
  25. Mazu

    এত দিন যত গুম হয়েছে একটাও উদ্ধার হয়নি কারন সব গুম সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে করিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ফলে অন্ততপক্ষে গুম বন্ধ করার জন্য হরতালের ‌প্রয়োজন আছে। হরতালে সাধারন মানুষের ক্ষতি হলেও ধনাঢ্যদের ক্ষতি অনেক বেশি হয় তাই এফবিসিসিআই সভাপতি হরতালের বিপক্ষে গান গাইছেন, তার স্বজন গুম হলে উপলব্ধি করতে পারতেন। সরকার/আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুমের সাথে জরিত না থাকলে কেন গুমের ঘটনাগুলো উদ্ধার হয়না ? লেখকের কাছে আমার প্রশ্ন তাহলে আইনশৃঙ্খরা বাহিনীকে কেন পোষা হচ্ছে ?

    Reply
  26. JASHIM UDDINE

    রাজু আলাউদ্দিন সাহেব, আপনি বড় ভূল বললেন, বলা উচিৎ:
    বিচারকের / আইনের চেয়ে পুলিশ বড় ।
    কারন আপনি নিজেও বুকে হাত দিয়ে নিশ্চিৎ হয়ে বলতে পারবেন না, আপনি পুলিশ/আইনরক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা হয়রানির শিকার
    হননি। অত্রএব, আপনার কথাটি বেমানান। আপনার বাবা-ভাই নিখোঁজ হয়ে যায়, পুলিশ আপনাকে বলবে
    নিখোঁজ হলে আমরা কি করবো। অথচ এটা পুলিশের দায়িত্ব, আপনার বাবা-ভাই নিখোঁজ হোক, আমি মনে প্রাণে কামনা করি।
    তখনই আপনি উপলব্ধি করবেন প্রকৃত অবস্থা। ধন্যবাদ আপনাকে।

    বিঃদ্রঃ তবে আপনি গুম হন বা নিখোঁজ হন, তা আমি আশা করি না বা চাইনা,কারণ আপনি গুম হলে এসব লিখা লিখবে কে?

    Reply
  27. ফায়সাল

    আমি কোনো দল বা পার্টি করি না। কেননা বাংলাদেশে এমন কোন রাজনৈতিক দল নাই যারা ক্ষমতায় আসার পর দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম।
    আমার প্রশ্ন হলঃ আওমী লীগ সরকার যদি ইলিয়াস আলীকে গুম না করে থাকে , আর সেক্ষেত্রে বিএনপি যদি গুম করে, তবে এই সরকার তাকে খুঁজে বের করছে না কেন? আমি জানি যে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা অনেক শক্তিশালী। যাদের জোর প্রচেস্টায় একজন ইলিয়াস আলীকে বের করা তেমন কষ্টসাধ্য কিছু নয়। সরকার ইলিয়াস আলীকে বের করে দিয়ে প্রমান করে দিক যে আওমীলিগ নয় বরং বিএনপি তাদের নিজের দলের লোককে গুম করে দেশে একটা অস্থির পরিবেশ সৃস্টি করেছে।

    Reply
  28. শ্রীকান্ত পাল

    ইলিয়াষ কেন, একজন সাধারণ মানুষ গুম হলেও উদ্ধারের দায়িত্ব সরকারেরর। এর জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাই বলে দিনের পর দিন হরতাল। দেশের কোটিকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। বাসে আগুন, নিরীহ মানুষের মৃত্যু,জনদুর্ভোগ, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ব্যাঘাত এসবের মাসুল কে দেবে? রাজনীতিকদের কাছে কি দেশের মানুষ সবাই জিম্মি? এদেশ থেকে আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করা উচিত। রাজনীতিবিদরা ক্ষমতার জন্য কত কি করতে পারে যা আমরা সাধারণ মানুষরা বুঝিনা। ২১শের গ্রেনেট হামলা,জজমিয়া নাটক,আহসান উল্লাহ মাষ্টার হত্যা, কিবরিয়া হত্যা, ইলিয়াস নিখোঁজ,আরো কত কি। এদেশটাকে রাজনীতিবিদরাই পিছনের দিকে টানছেন।

    Reply
    • মাসুদমন্ডল

      যে রাতে ইলিয়াস সাহেব গুম হয় ঐ রাতে কি ঢাকা শহরে কোন টহল পুলিশ ছিল না? আমার মনে হয় সংশ্লিষ্ট এলাকার টহলরত নিরাপত্তা কমীদেরকে (গুম হওয়ার রাতে টহলরত)রিমান্ডে নিলেই আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।

      Reply
  29. Ashfaque

    লেখক ভাই, বিএনপিকে সবক না দিয়ে এবার সরকারী দলকে কিছু সবক দেন, তাতে দেশ ও জাতির উপকার হবে বেশি।

    Reply
  30. এবিএম

    পত্রপত্রিকায় সাধারণ মানুষ গুমের ঘটনা কম দেখে নি…….এইবার একজন “অসাধারন” মানুষ গুম হলেন ! অন্তত এর মাধ্যমে যদি এই দেশের গুম সংস্কৃতি বন্ধ হয় আর কি !
    হরতাল সাধারন মানুষও চায় না, কিন্তু প্রতিবাদের এই অস্ত্র না থাকলে দেশটা একেবারে অরাজক অবস্থায় চলে যেতে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না।

    Reply
  31. Rumi

    আপনি ঠিকই বলেছেন। এই নষ্ট রাজনীতি জনগণের নাম দিয়ে আমাদের দেশকে শাসন করছে। এই লেখাটি নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই। আমার শুধু একটিই কথা: রাজনীতিতে একটা সিস্টেম তৈরি হ্ওয়া দরকার।

    Reply
  32. হক কথা

    আপনার ভাষ্যমতে কোন নেতাকে গুম করা হলে চুপচাপ বসে থাকতে হবে অথবা সরকার কবে ফেরত দিবে তার জন্য প্রহর গুনবে? সরকার ফেরত দিবে এই কারণে বলছি – বিগত দিনে শতাধিক ব্যক্তি গুম হয়েছে এবং এইসব গুমের সাথে সরকার অথবা আইনশৃংখলা বাহিনী জড়িত না থাকলে অবশ্যই গুমের রহস্য উদ্ঘাটিত হতো। আমাদের দেশের আইনশৃংখলা বাহিনী অনেক দক্ষ এবং তারা উদ্যোগী হলেই কিংবা রাজনৈতিক চাপ না থাকলে প্রতিটা ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে পারবে বলেই বিশ্বাস।
    হরতাল কেউই সমর্থন করে না। কিন্তু আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা এতই শক্ত মনের মানুষ যে উনাদের হাল্কা পাতলা ভদ্র রাজনৈতিক কর্মসূচী উনাদের দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ। বিএনপি কঠোর কর্মসুচী না দিলে ইলিয়াসকে ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য।
    সরকার কোন গুমের সাথে জড়িত না থাকলেও এর দায় সরকারের। কেননা প্রতিটা নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। ধরে নেই বিরোধী দল সকল ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত এবং আইনশৃংখলার অবনতি তারাই ঘটাচ্ছে , তবুও সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমি তা সরকারের ব্যর্থতা বলেই ধরে নিব। সরকারের ব্যর্থতা বিরোধীদলের এই অপরাধ দমনের যোগ্যতা সরকারের নেই। এবং তাদের এইসব কার্যকলাপ বুঝা এবং প্রতিরোধ করার মত বুদ্ধি এবং প্রজ্ঞার অভাব রয়েছে সরকারের। সরকার এখানেই ব্যর্থ।

    Reply
    • WASIM UDDIN

      পক্ষপাতদুষ্ট লেখক…………BDNEWS24 এখন পুরোপুরি আওয়ামী লীগ ঘরনার পত্রিকা হয়ে গেছে।

      Reply
    • M.A Matin

      এ কথা বলবেন না ? উনি আওয়ামী লীগের ভাইয়ের ছেলে । দেশ একজন আত্মীয় হারাবে ।

      Reply
    • Mohammad Ibrahim

      আপনার তুলনাটা ঠিক হয়নি। ইলিয়াস আলীর কার্যকলাপের সাথে মিল দেখে আপনার বলা উচিত ছিল জয়নাল হাজারি বা শামিম ওসমান গুম হলে আওয়ামি লীগ কী করত? আমরা জানি বিএনপি বড় সন্ত্রাসীদের বড় নেতা বানিয়ে দেয়, শুধু আওয়ামি লীগ বানালেই দোষ হয়ে যায়।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—