- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

গণহত্যাকারী মিয়ানমার রাষ্ট্রটি বিচারের মুখোমুখি হোক

রোহিঙ্গারা পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন স্টেটের উত্তরাংশে বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী। ধর্মের বিশ্বাসে এরা অধিকাংশই মুসলমান। রাখাইন স্টেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হল রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের সরকারি হিসাব মতে, প্রায় আট লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান আরাকানে বসবাস করে। এরা বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে নিপীড়িত জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমান জনগোষ্ঠীকে সেদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীকে সংখ্যালঘু জাতি হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, রোহিঙ্গা মুসলমানরা এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদের সরকারের মতে, রোহিঙ্গা মুসলমানরা হল বাংলাদেশি, যারা বর্তমানে অবৈধভাবে মিয়ানমারে বসবাস করছে।

ইতিহাস বলে, সপ্তম-অষ্টম শতাব্দীততে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। প্রাথমিকভাবে মধ্যপ্রাচীয় মুসলমান ও স্থানীয় আরাকানিদের সংমিশ্রণ ছিল এই জাতির মধ্যে। পরবর্তীতে চাটগাঁইয়া, রাখাইন, আরাকানি, বার্মিজ, বাঙালি, ভারতীয়, মধ্যপ্রাচ্যীয়, মধ্য এশীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়দের মিশ্রণে উদ্ভুত এই শঙ্কর জাতি ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতাব্দীতে পূর্ণাঙ্গ জাতি হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে।

পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত আরাকানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিজেদের রাজ্য ছিল। মিয়ানমার সরকারের দাবি, রোহিঙ্গা মুসলমানরা হল ভারতীয়, বাঙালি ও চাটগাঁইয়া সেটলার, যাদেরকে ব্রিটিশরা আরাকানে এনেছে। যদিও ঐতিহাসিকভাবে এটি প্রতিষ্ঠিত যে, ব্রিটিশরা তদানীন্তন বার্মায় শাসক হিসেবে আসার কয়েক শতাব্দী আগে হতেই রোহিঙ্গা মুসলমানরা আরাকানে একটি জাতি হিসেবে বিকশিত হয়েছিল।

মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার না করায় সকল প্রকার নাগরিক ও মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা। মিয়ানমারে ভ্রমণ, শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য পরিচয়পত্র থাকা খুব জরুরি। কিন্তু সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের পরিচয়পত্র ইস্যু করে না। ফলে এমনিতেই পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠী আরও পিছিয়ে পড়ছে।

মিয়ানমারের সরকারের ভূমি ও সম্পত্তি আইন অনুসারে বিদেশিরা কোনো সম্পত্তি ও ভূমির মালিক হতে পারে না। রোহিঙ্গা মুসলমানরা সরকারের দৃষ্টিতে অবৈধ অভিবাসী তথা বিদেশি। তাই তারা কোনো ভূমি বা স্থায়ী সম্পত্তির মালিক হতে পারে না। বর্তমানে তারা যে সকল ভূমিতে বসবাস করছে, সরকার চাইলে যে কোনো মূহূর্তে সেগুলো দখল করে নিতে পারে।

সরকারি নিপীড়নের সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে রাখাইনসহ অন্যান্য বৌদ্ধ আরাকানিদের উস্কানি দিচ্ছে অবশ্য সরকার নিজেই। সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বে বৌদ্ধ মৌলবাদে সরাসরি ইন্ধন ও মদন যোগাচ্ছে তারা। এর ফলে অনেকদিন ধরে মিয়ানমারে মুসলমানদের উপর নিপীড়ন ও নির্লজ্জ গণহত্যা চালানো হচ্ছে।

মিয়ানমার রাষ্ট্র এর দায়ভার এড়াতে পারে না। নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দেওয়া প্রত্যেক রাষ্ট্রের কর্তব্য। এছাড়া নাগরিকদের উপর গণহত্যা চালানো হলে কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র আন্তর্জাতিকভাবেও দায়বদ্ধ থাকে। তবে শুধু মিয়ানমার রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে বলব না, বরং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিও আকর্ষণ করব। মানবিক কারণে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার প্রতিবেশি রাষ্ট্র মিয়ানমারের শরণার্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে বটে, কিছু রাষ্ট্র সহমর্মিতাও প্রকাশ করছে এ বিষয়ে– তারা উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং ক্ষেত্রবিশেষে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণও পাঠাচ্ছে– কিন্তু তাদের কি আর কোনো দায়িত্ব নেই?

আজকে বিশ্বে গণহত্যা বিচারের জন্য একটি স্থায়ী আন্তর্জাতিক আদালত রয়েছে যার নাম হল International Criminal Court বা আইসিসি। কেন মিয়ানমারকে আইসিসি আইন অর্থাৎ Rome Statute 1998 এর অধীনে বিচারের মুখোমুখি করবার জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্ব সচেষ্ট হচ্ছে না? Rome Statute এর আর্টিকেল ১৩ অনুযায়ী, ৩ উপায়ে আইসিসিতে কোনো রাষ্ট্রের বিরদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে বিচার করা সম্ভব।

 

Rohingya - 10111 [১]
নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দেওয়া প্রত্যেক রাষ্ট্রের কর্তব্য

 

প্রথম উপায়টি হল, Rome Statute এর পক্ষভুক্ত কোনো রাষ্ট্র যখন নিজেই তার রাষ্ট্রীয় সীমানার অধীনে সংগঠিত গণহত্যার বিচারের ব্যাপারে অপারগতা বা অনিচ্ছা প্রকাশ করে বিচারের দাবিতে আইসিসিতে আবেদন জানায়। এমনকি কোনো রাষ্ট্র যদি পক্ষভুক্ত নাও হয়ে থাকে তবে বিশেষ ঘোষণা দিয়ে সে আইসিসিতে বিচারের আবেদন জানাতে পারে। কিন্তু যেহেতু মিয়ানমার রাষ্ট্র নিজেই মুসলমানদের উপর সচেতনভাবে এই গণহত্যা সংগঠিত করছে সেহেতু আমরা আশা করতে পারি না যে, মিয়ানমার রাষ্ট্র এই কাজ করবে। মিয়ানমার রাষ্ট্র Rome Statute এর পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র নয় এবং সঙ্গত কারণেই ঘোষণা দিয়ে এই গণহত্যার বিচার তারা আইসিসিতে চাইবে না। তাহলে Rome Statute আর্টিকেল ১৩ অনুযায়ী উপায় থাকে আর মাত্র দুইটি।

একটি হল, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ রেজ্যুলেশন পাশ করে মিয়ানমারে মুসলমানদের উপর সংগঠিত গণহত্যার বিচারের বিষয়টি আইসিসিতে রেফার করে পাঠাতে পারে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারে মুসলমানদের উপর সংগঠিত গণহত্যার বিচারের উপর একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তবে এখনও তারা এ ব্যাপারে আইসিসিতে বিচারের জন্য কোনো রেজ্যুলেশন পাশ করেনি।

Rome Statute এর আর্টিকেল ১৩ অনুযায়ী শেষ যে উপায় রয়েছে তা হল, আইসিসিএর প্রসিকিউশন টিম স্বপ্রণোদিত হয়ে মিয়ানমারে মুসলমানদের উপর সংগঠিত গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে মিয়ানমার রাষ্ট্রকে আইসিসিতে বিচারের মুখোমুখি করতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রেও আমরা দেখছি আইসিসিএর সংশ্লিষ্ট টিম কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আমি আন্তর্জাতিক বিশ্বের এহেন নির্লিপ্ততা দেখে হতাশ। বাংলাদেশ রাষ্ট্র আজ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিকূলতা মোকাবেলা করছে। আমাদের সঙ্গে কিছু বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রও রয়েছে যারা সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি শুধু শরণার্থী সহায়তার নয়, আরও ব্যাপক। এখানে একটি আইনি লড়াইয়ের ইস্যু রয়েছে। গণহত্যাকারী রাষ্ট্রকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

শুধু উঁহু-আহা না করে, ত্রাণ-সহায়তার আশ্বাস না দিয়ে, সমালোচনার ঝড় না তুলে আন্তর্জাতিক মহলের উচিৎ গণহত্যাকারী মিয়ানমার রাষ্ট্রকে আইসিসিতে বিচারের মুখোমুখি করা।

৩৩ Comments (Open | Close)

৩৩ Comments To "গণহত্যাকারী মিয়ানমার রাষ্ট্রটি বিচারের মুখোমুখি হোক"

#১ Comment By Rasha On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ২:৩৪ অপরাহ্ণ

So true! Thanks Turin Afroze !

#২ Comment By E A Bari On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ৩:৪৩ অপরাহ্ণ

I want to ask The International Crime Tribunal’s Honorable Prosecutor Ms. Turin Afrose, is there any legitimacy for Bangladesh government to file a case to the ICC against Myanmar government for their vicious attack on an ethnic group of their own country which caused to flee hundreds of thousands of their own citizens to our county? We have allowed them to enter to our territory on humanitarian ground only. Nevertheless, due to their presence a great socioeconomic burden has fallen on our shoulder, and the cause of this is Myanmar’s atrocity, killings, burning of villages, raping women and young girls. Yet, all these people are their own innocence citizens! UN and ICC may not initiate a legal proceedings against Myanmar. I believe the case must be filed by Bangladesh and one or more other government or by Bangladesh alone as a direct victim of this great crime.

#৩ Comment By Robi On সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭ @ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ

You are insane bro. ICT is just for prosecuting JAMATI no one else.

#৪ Comment By nobirul On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ৫:০০ অপরাহ্ণ

ms turin pls take steps

#৫ Comment By mukul On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

Stop Genocide
And trail the Mymanmar Army for this Genocide

#৬ Comment By shahriaf On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ৭:৩২ অপরাহ্ণ

সব নষ্টের মূল সৌদি আরব আর নবীজির সৌদি আরবে জন্ম নেয়া। নবীজি আমাদের দেশে বা পাকিস্তান বা ইরানের মত দেশে জন্ম নিলে শালারা বুঝতো মজা। মুসলানের উপর কথা বলার সাহস কারো থাকতো না।

#৭ Comment By mohammad ali On সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ @ ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

DEAR madam, DR.MRS.TURIN AFROZ.MY SALAM 2 U. I M GLAD 2 READ UR TOPIC ON ROH. WE R DISHEARTENED BY SEEING THAT EVEN RUSSIA, CHINA N INDIA ALSO R SUPPORTING MYANMAR B.COZ OF THEIR INTERESTS WITH THEM. ALSO OBSERVE ANYTHING AGAINST MYANMAR IS BROUght TO GEN.ASSEMBLY THEN CHINA OR RUSSIA WILL VETO. HOWEVER, PLS. WRITE MORE N ALSO DISCUSS WITH EXPERT
LIKE U HOW IT CAN B SOLVED N REDUCE BURDEN OF BAN. THNKS MADAM. MD.ALI, QATAR, (got queen eliz’s praise ltr. 4 poem wrote on h.m. sk.mujib, indira g., etc. etc. )

#৮ Comment By ভবঘুরে পথিক On সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ @ ২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

তুরিন আফরোজ প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
আপনিওত একটি আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসকিউিটর। আমাদের এই ট্রাইব্যুনালের সামনেওত আর্ন্তজাতিক শব্দটি আছে তাহলে কি আপনি কিংবা আমাদের আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোন ভূমিকা রাখতে পারেন না? তা হলে বলুন আপনারা মিথ্যা উপাত্তরে উপর বসে বিচার চাওয়ার পরিবর্তে ফাসির দাবী করেছিলেন। তা হলে কি সবই মিথ্যা? এটা কোন আর্ন্তজাতিক নয়?

#৯ Comment By Kakon On সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ @ ৩:২০ অপরাহ্ণ

you must be a son of Rajakar otherwise you cannot mix this with our war criminal issue.

#১০ Comment By Md. Ashadul Hoque On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ

Write u r. I agree with u.

#১১ Comment By রুদ্র রোমিও On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ @ ১:১৬ অপরাহ্ণ

লেঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিক্যাল টু হাইড।
ঊনার মুখের কথায় পাকিস্থানী কাঠাল পাতার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
কি বলেন ফ্রান্স…………

#১২ Comment By ভবঘুরে পথিক On সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭ @ ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ

প্রতীকী বিচারে মিয়ানমারের অং সান সু চি সরকার ও দেশটির সামরিক বাহিনীকে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে ‘দোষী সাব্যস্ত’ করেছে কুয়ালালামপুরের ‘আন্তর্জাতিক গণ-আদালত’।

#১৩ Comment By Acharjee Bikram On সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ @ ৫:১১ অপরাহ্ণ

জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ও সংস্থার মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মায়ানমার নিজ দেশে ফিরিযে না নিলে বাংলাদেশ International Criminal Court/International Court of Justice এ মামলা দায়ের পূর্বক বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।

#১৪ Comment By Acharjee Bikram On সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ @ ৫:২১ অপরাহ্ণ

মায়ানমার সরকার এখনো সেদেশের সেনা বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।বর্তমান পেক্ষাপটে আং সান সুচি মূলতঃ সেদেশের সেনা বাহিনীর সিদ্ধান্তের বিপরীতে গিয়ে কিছু করতে পারছেনা। গণহত্যা, নির্যাতনের দায়ে সেদেশের সেনাপ্রধান, সুচি সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জাতি সংঘে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করা অতীব আবশ্যক। একই সাথে সে দেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জান-মাল রক্ষার্থে জাতি সংঘ কর্তৃক সেদেশে সেনা মোতায়েন জরুরী।

#১৫ Comment By saimul On সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ @ ৬:১৪ অপরাহ্ণ

I hate suchi, i hate burma, i hate the countries those are supporting burma in spite of their animal like activities…….

#১৬ Comment By Mithu Rahman On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩০ অপরাহ্ণ

ভারতকে বন্ধু বন্ধু বলে আমাদের দেশের জ্ঞান পাপীরা গলা ফাটিয়ে দেয়।আর এখন বিপদের সময় তারা মিয়ানমারের পক্ষ নিল।স্বাধীনতার পর থেকে আমরা আছি ক্ষমতার লড়াই, লুটপাটের আর ক্রিকেট ফুটবলের উন্নয়ন নিয়ে কিন্তু একটি বারও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সমরাস্ত্র বৃদ্ধির উন্নয়নে কেউ নজর দেয়নি।আজ এর ফল ভোগ করতে হচ্ছে,মিয়ামারের মত চুনোপুঁটি ও আজ চোখ রাঙ্গাচ্ছে…!!! কি আর করা দর্শকের ভূমিকায় দেখে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই..!!!

#১৭ Comment By হামিদ খান On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩২ অপরাহ্ণ

১ লাখ রোহিঙ্গার আবাসন নির্মাণ করবে তুরস্ক

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১ লাখ রোহিঙ্গার জন্য স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা রেড ক্রিসেন্টের তুর্কি শাখা। এ মর্মে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এক চুক্তিতে সই করেছে সংস্থাটি। কক্সবাজার সীমান্তে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বরাদ্দকৃত এলাকায় ১ লাখ লোক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন শরণার্থী শিবিরটি নির্মাণ করা হবে। তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের প্রেসিডেন্ট কেরেম কিনিক সম্প্রতি ওই অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন এবং তাদের দুর্ভোগ দূর করার চেষ্টা করছেন। শরণার্থী শিবির তৈরির জন্য বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

#১৮ Comment By খালেদুল ইসলাম On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

ভারত হিন্দু-বৌদ্ধ-শিখ-পার্সি সব ধর্মের শরণার্থীকে আশ্রয় দিলেও শুধু মুসলিম হওয়ার কারণেই আসলে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে – মনে করছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, যিনি রোহিঙ্গাদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন। তার কথায়, “আমাদের সরকার বলতে চাইছে তুমি যদি মুসলিম না-হও তাহলে শরণার্থী হিসেবে হিন্দুস্থানে আশ্রয় পাবে, কিন্তু মুসলিম হলে তোমার জন্য দরজা বন্ধ।”

#১৯ Comment By মামুন সৈকত On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

মুসলিম হত্যায় সব অমুসলিম কাফের একই কাতারে আসতে পারলেও মুসলিমরা ব্যতিক্রম। কেননা মুনাফেক কাফেরের ভিতরে নাই।

#২০ Comment By সাদমান রহমান On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ

ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা এক টুকরা ভূখন্ড অর্জন করেছি নিজেদের জন্য। এই নিয়ে আমরা সুখেই ছিলাম। তবে রোহিঙ্গা সমস্যা বুঝিয়ে দিলো আমাদের আরো অনেক কিছু দরকার। সবার আগে দরকার নিজেদের সামরিক অস্ত্র সক্ষমতা আরো বাড়ানো। সেই সাথে দরকার স্ট্র‍্যাটেজিকাল সাপোর্ট। বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু বলে কেউ নাই। অনেকেই বাংলাদেশের বিজনেস পার্টনার। কিন্তু স্ট্র‍্যাটিজিকাল পার্টনার কেউ নাই যারা আমরা আক্রান্ত হলে এগিয়ে আসবে সরাসরি। মায়ানমারকে দেখেন, তাদের বিপদে এগিয়ে এসেছে চীন, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া। আর আমরা সবার সাথে শুধু বন্ধুত্ব সৃষ্টিতেই ব্যস্ত, কিন্তু কার্যকর বন্ধু কেউ নাই।

#২১ Comment By Uzzal On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৩৮ অপরাহ্ণ

ভারতের কেন্দ্রীয় হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার চরম মুসলিম বিদ্বেষী। বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যখন গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যু বরণ করছে। তাদের বাড়ীঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে। নারীদের ধর্ষণ করছে আর তারা জীবন বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশে আশ্র্রয় নিচ্ছে ঠিক এমন সময়ে মাত্র ৪০ হাজার পুরাতন রোহিঙ্গা শরনার্থীদের (যারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আছে এবং যাদের বিরূদ্ধে কোন অভিযোগ ইতিপূর্বে উত্থাপিত হয় নি।) ভারত থেকে বহিস্কার করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বিজেপি নিয়ন্ত্রিত ভারত সরকার। ভারতের অনেক মানুষই সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী।কিন্তু মমতা ব্যনার্জী এবং ত্রিপুরার মানিক সরকার ছাড়া কেউ এই রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কথা বলছে না।

#২২ Comment By জান্নাতুল ফেরদৌস On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৪২ অপরাহ্ণ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরাও কিন্তু নির্যাতিত হচ্ছি, বিশ্ব মোড়লরা শুধু মানবতার কথা বলে বাংলাদেশকে সীমান্ত খুলার কথা বলতাছে ,কিন্তু মায়ানমারের গনহত্যা বন্ধের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতাছে না , মূলত বলা যায় আমাদের সরকার আন্তর্জাতিক চাপেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে বাধ্য হয়েছে,এটা কী একধরনের অলিখিত নির্যাতন না !!!

#২৩ Comment By আক্তার কল্পনা On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

“অনেকেই ভারতের দালালি করি ভারত আমাদের সব থেকে ভাল বন্ধু আমাদের স্বাধীনতায় ভারতের অবদান নিয়ে অনেকেই সেচ্চার”
“বীপদে বন্ধুর পরিচয়”
“ভালবেসে ভারত যে আমাদের কত সুন্দর করে বাঁশ দিতে পারে সেটার প্রমানই বার বার দেখছি”
“কিছুদিন আগে ভারতের পররাস্ট্র মন্ত্রী বলেছেন দিল্লির সাথে গভীর সম্পর্ক ঢাকা এখন উপোভোগ করছে”
“আবার এদিকে মোদি সাহেব মিয়ানমার গিয়ে কথা দিয়ে আসে রোহিঙ্গা ইসূতে মিয়ানমার এর পাশে থাকবে ভারত”
“এরাই প্রকৃত বন্ধু মূখে মধু অন্তরে বিষ”

#২৪ Comment By ভবঘুরে পথিক On সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭ @ ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ভারতে প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে তাদের ওপর ‘মরিচগুঁড়া ও স্টান গ্রেনেড’ ছোড়া হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

#২৫ Comment By আলমাস খাগড় On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

টেকনাফের রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের এক ছেলে কে সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলো। – বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও? ছেলেটি উত্তর দিলো – বড় হয়ে আমি প্রতিশোধ নিতে চাই, যারা আমাদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে, হত্যা করেছে তাদের সাথে যুদ্ধ করতে চাই।”

#২৬ Comment By rahat ali On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

একদিকে রাশিয়া, ভারত, চীন ও মিয়ানমারের স্বার্থের ঐক্য, অন্যদিকে বাংলাদেশ একাই। কেউ নেই বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে শক্ত কোনো পদক্ষেপ নেবার। তাই মিয়ানমারের মত দেশ বারবার বাংলার আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে সাহস পায়, আর আমাদেরকে চেয়ে চেয়ে দেখতে হয়।

#২৭ Comment By সেলিম কাউছার On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেখ হাছিনা আপনি গত বছর জাতিসংঘে ভাষণের সময় শিশু আইলানের জন্য কেদে কেদে ভাষণ দিছিলেন, টিভি দেখে আমিও অনেক কেদেছি,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার ঐ কান্না কি আসল ছিল, না কি নকল, গিসারিনের কান্না ছিলো এটা দেখাযাবে এবারের অধিভেষনে, কারণ আইলান ছিল কয়েক হাজার মাইল দুরের সিরিয়ার এক সাগরে, আর নাফনদী খুব কাছে,
আশাকরি প্রধানমন্ত্রী এবার আরো বেশি কাদবেন এবং বিশ্বদরবারে রুহিঙ্গাদের উপর নির্মম অত্যাচারেরর চিত্র তুলে দরবেন, সু চির আসল চরিত্র পৃথিবীর কাছে প্রকাশ করেদিবেন এটাই কামনা করি।

#২৮ Comment By শফিকুল ইসলাম On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ৯:০২ অপরাহ্ণ

বড়ই দুঃখের কথা – যারা নির্যাতিত তাদের বিরুদ্ধে চলছে প্রচারণা। আর মুসলিম দের বিপক্ষে মিডিয়া তো আগে থেকেই আছে। “অহিংসা পরম ধর্ম” এটাই নাকি বৌদ্ধ ধর্মের আদর্শ। রোহিঙ্গাদের প্রতি বৌদ্ধদের অবর্ননীয় নির্যাতন কিন্তু এর উল্টো চিত্রই প্রদর্শন করছে।

#২৯ Comment By Samir On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ @ ১০:৩২ অপরাহ্ণ

Hello To All,

I do want to make a CLEAER and CONCISE comments: You can’t end this unfair, raciest and genocide cleansing without answering these bastards with hand to hand battle. Strike Mynmmar Hard so they can convey not ever think about messing with Bangladesh… In USA all government branches WE GOT YOUR BACK>>>>

#৩০ Comment By FAZALUSSHIHAB On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ @ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ

শুধু উঁহু-আহা না করে, ত্রাণ-সহায়তার আশ্বাস না দিয়ে, সমালোচনার ঝড় না তুলে আন্তর্জাতিক মহলের উচিৎ গণহত্যাকারী মিয়ানমার রাষ্ট্রকে আইসিসিতে বিচারের মুখোমুখি করা।
Apa, Thik e bolechen.

#৩১ Comment By hemayet uddin On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ @ ৩:০২ অপরাহ্ণ

অহিংসা পরম ধরম, জীব হত্যা মহা পাপ(মুসলমান হত্যা করা যায় !), জগতে দুঃখ আছে, দুঃখের কারণ আছে, দুঃখের নিরধ আছে, দুঃখ নিরধ মার্গ আছে, যারা ৮ প্রকার দুঃখের স্বরূপ ও নিরধের অস্তাঙ্গিক মার্গের কথা বলে তারা কিভাবে নিষ্পাপ শিশু, আবাল বৃদ্ধা বনিতাকে নির্বিচারে হত্যা করে। বৌদ্দ নাকি ধর্ম না মানবতাবাদ। মানবতাবাদে মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সুযোগ আছে কিনা আমার জানা নাই। সুচি শান্তিতে নোবেল প্রাপ্ত একজন মিথ্যাবাদি আর মায়ানমার সেনাপ্রধানকে কথা বার্তায় মনে হয় একজন জলদস্যু। যারা গৌতম বুদ্ধের প্রকৃত অনুসারি তাদেরই উচিত রোহিঙ্গা সমাধান করা।

#৩২ Comment By Bivu Zunayed On সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ @ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ

Dear Turin Afroze, we appropriated your thinking..

#৩৩ Comment By কালের কন্ঠ On সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ @ ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ

এই গণহত্যার বিচার হতেই হবে। সু চি এবং তার দোসর সেনা কর্মকর্তাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।