- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

পাকিস্তানের নিরাপত্তা এবং আমাদের ক্রিকেট

rajiuddin-pপাকিস্তান নামক ভূখণ্ডের ভয়াবহ চিত্রটি দেখিয়ে দেবার আগ্রহ থেকে এই লেখাটি লিখছি না। সেটিকে
ব্যক্তিগতভাবে আমি সময় এবং শক্তির অপচয় বলে মনে করি। এই লেখাটি লিখছি বরং আমাদের অপরিণামদর্শীতার বিবরণ দিতে। প্রসঙ্গতই সেইখানে আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জনাব মোস্তফা কামালের লোভ জড়িত। অন্তত যত্ন, এবং দূরদর্শীতার অভাব জড়িত তো বটেই!

আমি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নই। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞও নই। আমি কেবল ক্রিকেট ভালোবাসি। আমাদের ক্রিকেটের জন্য, আমাদের দলের একেকটি ক্রিকেটারের জন্য কীরকম মমতা আমরা ধারণ করি সেটি কাউকে বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। এই সময়ে আমাদের আনন্দে-কান্নায়-ভাবনায়-জীবনযাপনে ক্রিকেট জড়িয়ে আছে। জড়িয়ে থাকে। আমাদের ক্রিকেটাররা বাংলাদের প্রতিটি পরিবারের সদস্য হয়ে থাকেন। সবার একান্ত আপনজন, সবার চোখের মণি হয়ে থাকেন। কিন্তু এই কথাটি সম্ভবত ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সত্যি নয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা ক্রিকেটকে উপরে ওঠার সিঁড়ি এবং ক্রিকেটারদের সেই সিঁড়ির খরচযোগ্য ধাপ মনে করেন!

বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর নিশ্চিত হয়েছে। যে পাকিস্তানে দীর্ঘদিন থেকেই আন্তর্জাতিন ক্রিকেট ম্যাচ হয়না! যেখানে যেতে রাজি নয় অন্য কোনো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ! সেইখানে যাচ্ছে বাংলাদেশ! পাকিস্তান নামের ভূখণ্ডটি থেকে একটুখানি ঘুরে আসি। সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন?

নিরাপত্তা কথাটি পাকিস্তানের জন্য তীব্র হাস্যকর! এই ভূখণ্ডটির নিজস্ব সার্বভৌমত্ত্ব নেই। এই ভূখণ্ডে বিদেশী সৈন্য অবস্থান করে এবং তারা নিজেদের ইচ্ছেমত দেশের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায়, মানুষ মেরে ফেলে। এদের নিজেদের সেটি প্রতিহত করার যোগ্যতা নেই। একটি দেশের সেনাবাহিনী শর্তহীনভাবে রাষ্ট্রের কর্মচারী। রাষ্ট্রের অনুগত থেকে তার নিরাপত্তা রক্ষার কাজ করে তারা। কিন্তু পাকিস্তান নামের ভূখণ্ডটির যে সামরিক বাহিনী রয়েছে তাদের যোগ্যতা হচ্ছে, অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতার দখল নেয়া।

স্বাধীনতার পর থেকে এই ভূখণ্ডটি ইতিহাসের অর্ধেকেরও বেশি সময় শাসিত হয়েছে তাদের সামরিক বাহিনীর দ্বারা। বর্বরতার এরকম উদাহরণ বিরল!

উইকিপেডিয়া’র সাহায্য নিয়ে এই বছরের জানুয়ারিতে (২০১২) পাকিস্তানের নিরাপত্তার চিত্র দেখা যাক:
জানুয়ারি ১: শিয়া নেতা খুন। দু’জন আহত।
জানুয়ারি ৩: বোমা হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত। আহত অন্তত ১২।
জানুয়ারি ৪: দূর-নিয়ন্ত্রিত বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২।
জানুয়ারি ৫: তালিবান হামলায় ১৫ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিহত। সন্ত্রাসীরা বলেছে এটা সেনাবাহিনীর জন্য তাদের নববর্ষের উপহার!
জানুয়ারি ৭: ৪ জনকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
জানুয়ারি ৯: আরো ১০ সেনাসদস্য খুন।
জানুয়ারি ১০: বোমা হামলায় নিহত ৩০, আহত অন্তত ৭০।
জানুয়ারি ১২: সেনা বহরে হামলায় ১৪ সেনাসদস্য নিহত। পুলিশ ফাঁড়িতে হামলায় নিহত ২, আহত ১১।
জানুয়ারি ১৪: ৪ আত্মঘাতি সন্ত্রাসীর হামলা। ৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ যুদ্ধে নিহত ৪।
জানুয়ারি ১৫: দূর-নিয়ন্ত্রিত বোমা হামলায় ১৮ নিহত, আহত অসংখ্য।
জানুয়ারি ১৮: সন্ত্রাসী হামলায় টেলিকম কর্মী নিহত।
জানুয়ারি ২৪: ১ রাজনৈতিক কর্মী হত্যা।
জানুয়ারি ২৫: তিন উকিল হত্যা।
জানুয়ারি ৩০: সন্ত্রাসী হামলায় ৪ জন নিহত।
জানুয়ারি ৩১: সন্ত্রাসী হামলায় এক নিরাপত্তাকর্মী এবং এক নারী নিহত।
সর্বমোট: সন্ত্রাসী হামলায় কেবল জানুয়ারি ২০১২’তেই অন্তত ১১৫ জন নিহত।

এই তালিকা খুব বিস্তারিত নয়। এবং অবশ্যই বিচ্ছিন্ন চুরি-ছিনতাই এমনকি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নয়। এটি কেবলমাত্র সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা। এবং সেটিও যতটা তথ্য পাওয়া গেছে তা সেই হিসেব। একটি ব্যপার খুব সতর্কভাবে দেখার আবেদন জানাই, পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা কিন্তু বিচ্ছিন্ন কোনো হামলা নয়। একবার কোনোভাবে হামলা হলো, তারপর আইনশৃংখলা রক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় অপরাধীরা ধরা পড়ল, শাস্তি পেল এবং পূণরায় দেশে শান্তি ফিরে এল– পাকিস্তানের নিরাপত্তার চিত্র এরকম নয়! পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা হয় নিয়মিত। জানুয়ারির হিসেব দিয়েছি। উইকিপিডিয়ায় কয়েক বছরের হিসেব পাওয়া যাবে। আগ্রহীরা সেটি দেখে নিতে পারেন। এবছরের মার্চের পুরো হিসেব এখনো পাওয়া যায়নি। ফেব্রুয়ারিরটা দেয়া যায়। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে নিহত হয়েছে অন্তত
৮২ জন!

প্রিয় পাঠক, লক্ষ্য করুন, পাকিস্তানের এইসব সন্ত্রাসীরা হামলা করে এমনকি আইনশৃংখলা যারা রক্ষা করবে সেইসব বাহীনির সদস্য এবং তাদের ঘাঁটিতেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাওয়া এই ভূখণ্ডটির সামরিক বাহিনীর ঘাঁটিই দখল করে নেয় সন্ত্রাসীরা। সে বেশীদিন আগের কথাও নয়। কেবল গতবছরের কথা। পিএনএস মেহরানে সেই সন্ত্রাসী হামলার বিস্তারিত যে কেউ চাইলেই জেনে নিতে পারেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে। পাকিস্তানে সন্ত্রাসীরা এর আগে ২০০৯ এ মিলিটারি জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সেও হামলা করেছে। সেনাসদস্য হত্যা করেছে, জিম্মি করেছে। আরো চমকপ্রদ ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৪ই এপ্রিল। সন্ত্রাসীরা কারাগারে হামলা করে মুক্ত করে নিয়ে গেছে তাদের সহযোগীদের।

কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পালিয়ে গেছে প্রায় ৪০০ কয়েদী। এই পাকিস্তান আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা দেয়ার কথা বলছে! এরচে হাস্যকার আর কী হতে পারে! এই পাকিস্তান সেই পাকিস্তান, যে তার নিজের নেতা, মন্ত্রী, বুদ্ধিজীবি,এমনকি প্রধানমন্ত্রীকেও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনা!

পাকিস্তানে কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা বন্ধ? এই সহজ তথ্যটি সবারই জানা। পাকিস্তানে গিয়ে এর আগে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে শ্রীলংকার জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। একটি কথা মনে রাখা দরকার, এই ক্রিকেটারা কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়। পাকিস্তানের রাজনীতি, সন্ত্রাস, আইন কোনো কিছুর সঙ্গেই তারা সংশ্লিষ্ট নন। তবুও তারা
হামলার শিকার হয়েছেন। কারণটি স্পষ্ট, সন্ত্রাসীরা তাদের হামলার মাধ্যমে একটি বার্তা পৌঁছতে চায়, আন্তর্জাতিক মহলে নিজেদের শক্তি জানান দিতে চায়, সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়! তাই হত্যা করবার জন্য সন্ত্রাসীরা কেবল নিজেদের বিরোধী অথবা শত্রুদেরই লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে না। তাদের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত রয়েছে এমন যে কেউ হতে পারে। পাকিস্তানে ১০০ মানুষ মেরে ফেললে সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড যতটা নজরে আসবে, বিদেশী একজন খ্যাতিমান খেলোয়াড় মেরে ফেললে তারচে হাজারগুণ বেশি নজরে আসবে! তাদের লক্ষ্যও সেটাই! পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নিয়ে তাদের ক্রিকেট বোর্ড হম্বিতম্বি করছে যথেষ্ট। মনে হতে পারে তারা একেবারে স্বর্গীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু একটু পেছনে ফিরে তাকালে আমরা একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখব। ৩ বছর আগে যখন শ্রীলংকার ক্রিকেট দলের উপর হামলা হয় তখনও পাকিস্তানের নিরাপত্তার চিত্র বিশেষ ভিন্ন ছিলনা। তখনও পাকিস্তানে খেলতে যেতে আপত্তি ছিল বিদেশী দলগুলোর। সেই আপত্তি শ্রীলংকারও ছিল। পাকিস্তান সেই সময়ে শ্রীলংকার ক্রিকেট দলকে “প্রেসিডেন্সিয়াল স্টাইল সিকিউরিটি” দেয়ার কথা বলেই তাদেরকে সফরে যেতে রাজি করায়! সেই
প্রেসিডেন্সিয়াল স্টাইল নিরাপত্তা কী তা বিশ্ব দেখেছে। সেই দিন নিরাপত্তারক্ষীদের কেউ কেউ কিছু গুলিবিদ্ধ হয়, কেউ কেউ পালাতে চেষ্টা করে। ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড অভিযোগ করেন নিরাপত্তারক্ষীরা অনেক্ষণ যাবত পাল্টা গুলিও করেনি। আর মাঠে দু’দলের একসঙ্গে যাওয়ার কথা থাকলেও ওই বিশেষ দিনেই কেন পাকিস্তান দল দেরিতে গিয়েছিল সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি কারো কাছ থেকেই!

সব মিলিয়ে খুব সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করলে চিত্রটি এরকম, একটি ভূখণ্ড যার সার্বভৌমত্ব নেই, যেটি নিজের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পারেনা, যেই দেশে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার শিকার হয়, সামরিক ঘাঁটি দখল করে নেয় সন্ত্রাসীরা, যেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীরও নিরাপত্তা নেই, সেই দেশ নিরাপত্তা দেয়ার ওয়াদা করেছে অন্য দেশের খেলোয়াড়দের! যে ওয়াদা তারা আগেও করেছিল শ্রীলংকা দলকে।

সেই হামলায় সামারাভিরা, অজন্তা মেন্ডিস, চামিন্দা ভাস, সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনে’র মতো ক্রিকেটার আহত হয়েছেন। সশস্ত্র এবং বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে! পাকিস্তান সেই ভূখণ্ড, যে ভূখণ্ডে সবচে পরিচিত সন্ত্রসীরা! সারা বিশ্ব আর কিছু না জানুক, পাকিস্তানের সন্ত্রাসীদের কথা জানে! এই ভূখণ্ডের সন্ত্রাসীরা আন্তর্জাতিকভাবে সংঘবদ্ধ এবং প্রশিক্ষিত। তারা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন নয়। তাদের রয়েছে উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র! ছোটখাট পিস্তল-বন্দুক-হাতবোমা নয়! আধুনিক ভারী অস্ত্র!

শ্রীলংকার ক্রিকেটদলের উপর হামলাতেই পাওয়া গিয়েছিল রকেট লঞ্চার! এবং আজকে সেই অস্ত্রের মুখে আমরা আমাদের ক্রিকেটারদের পাঠাচ্ছি! বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কেন যাচ্ছে পাকিস্তানে? তারা যেতে বাধ্য? না। আইসিসি বলেছে যেতে? না বলেনি। বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠন (FICA) মানা করেছে।

আইসিসিকে তারা অনুরোধ করেছে খেলা বন্ধ করতে। পাকিস্তানের সঙ্গে খেলার জায়গা নেই? নিশ্চয়ই রয়েছে। বাংলাদেশে এসে খেলুক তারা। অথবা নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে খেলুক। যেরকম গত কয়েক বছর ধরে চলছে। অন্য দেশগুলো পাকিস্তানে যাচ্ছে? না। যাচ্ছে না। যাবেও না। এমনি বাংলাদেশ দলের কোচ স্টুয়ার্ট ল জানিয়েছেন, দল পাকিস্তানে গেলেও তিনি যাবেন না।

আমরা কেন যাচ্ছি?

কারণ আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের দ্বায়িত্বে যিনি রয়েছেন তার আইসিসিতে একটি পদ পাবার লোভ হয়েছে। যে পদটি পাওয়ার জন্য তার পাকিস্তানের সমর্থন দরকার। সেই পদটির জন্য তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বলি চড়াতে পিছপা নন! এই একটিমাত্র কারণ ছাড়া আমাদের ক্রিকেট সভাপতি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যতই পাকিস্তানের পাশে থেকে পাকিস্তানকে ভালোবাসার বাণী শোনান, সে কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য নয়! যে দেশটি আমাদের ৩০ লক্ষ স্বজনকে হত্য করার পর এমনকি ক্ষমা চাইতেও রাজি নয়, সেই দেশটির প্রতি সভাপতি মহোদয়ের ভালোবাসা লক্ষ্যণীয় বটে! অস্বীকার করছি না, পাকিস্তানে গেলেই যে হামলা হবে তা নয়। কিন্তু আমাদের বিবেচ্য হচ্ছে ঝুঁকি কতটুকু?

কতটুকু ঝুঁকি আমরা নিতে পারি? জীবন মৃত্যুর জুয়া কি আমরা আমাদের ক্রিকেটারদের নিয়ে খেলব? বিশেষত যে জুয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের কোন লাভ নেই, কোন দায় নেই! লাভ কেবল একজন লোভী ব্যক্তির! আমাদের দেশের প্রাণ এইসব ক্রিকেটারদের জীবনের ঝুঁকি নেব কিনা, এই প্রশ্নটিই অলীক প্রশ্ন! আমরা আমাদের দেশের কোনো সাধারণ মানুষের জীবনে ঝুঁকিও নেব না। সেটি অবাস্তব। আর আমাদের ক্রিকেটাররা তো আমাদের সবচে বড় সম্পদ। আমাদের সবচে ভালোবাসার তারুণ্য! আজকে যদি পাকিস্তান সফরে গিয়ে কোনো বিপদ ঘটে, সেটি কিন্তু কোনো মূল্যেই প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়! পাকিস্তানে সন্ত্রাসীরা হামলা করলে, পরবর্তীতে সেই সব সন্ত্রাসীকে ধরে যদি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবুও কি কিছু যায় আসে!

অপরিণামদর্শীতার অভিযোগে, অযোগ্যতার আর নোংরা লোভের আভিযোগে যদি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নীতিনির্ধারকদের বড় রকমের শাস্তি দিয়ে নির্বাসনেও পাঠানো হয় তাতেও কিছু যায় আসে না! একজন মোস্তফা কামাল না থাকলে বাংলাদেশের কিছু ক্ষতি হয় না! বরং ভালো হয় বলেই এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে! কিন্তু একজন সাকিব আল হাসান না থাকলে বাংলাদেশের হৃদয়ের একটা অংশ খোয়া যায়! বাংলাদেশের আশার প্রদীপ দুপ করে নিভে যায়! ব্যক্তি লোভের বলি না হোক আমাদের ক্রিকেট। আমাদের স্বপ্নের মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কেউ নোংরা লোভ চরিতার্থ না করুক।
তথ্য কৃতজ্ঞতা: সচলায়তন

রজিউদ্দীন রতন [১]: বিজ্ঞান-গবেষক ও লেখক ।

২৪ Comments (Open | Close)

২৪ Comments To "পাকিস্তানের নিরাপত্তা এবং আমাদের ক্রিকেট"

#১ Comment By mthossain On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৪:১১ অপরাহ্ণ

মোস্তফা কামালের কোন যোগ্যতাই নেই বাংলাদেশ ক্রিকেটে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করার।

#২ Comment By Mohammed Milon Miah On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৪:৩১ অপরাহ্ণ

আমাদের দেশ নিয়ে আমাদেরই ভাবা উচিত। আমাদের ক্রিকেটকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। পাকিস্থান পাঠানোর বিরোধিতা সবার করা উচিত।
আসুন আমরা এব্যাপারে গণসচেতনতা গড়ে তুলি।

#৩ Comment By মো. ফারুকুল ইসলাম On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৬:২২ অপরাহ্ণ

ক্রিকেট আমাদের হাসি-কান্না-আনন্দ। ক্রিকেটাররা আমাদের প্রাণ। ক্রিকেটারদের ক্ষতি হলে আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারব না।

#৪ Comment By বিশ্ব্জিৎ পোদ্দার On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

এই লেখাটার অনেক দরকার ছিল এই মূহুর্তে। ভাল লেগেছে ভাইয়া।

#৫ Comment By সাজিদ হক On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৮:২১ অপরাহ্ণ

শ্রীলঙ্কায় যখন তামিল বিদ্রোহিদের হামলার ভয়ে (ওই সময়ের কাছাকাছি তামিল জঙ্গীদের হামলায় শ্রীলঙ্কার সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রেমাদাসা নিহত হয়েছিলেন।) বিশ্বকাপের খেলা খেলতে যায় নাই অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ডের মত দেশেগুলো, তখন কিন্তু পাকিস্তান গিয়েছিল সেখানে খেলতে। বাংলাদেশের টেস্ট স্টাটাস এর জন্য আইসিসিতে প্রস্তাবও কিন্তু পাকিস্তানই উত্থাপন করেছিল।হ্যা, বিষয়টি সত্য যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা এখন অনেক খারপ, এক কথায় ভয়াবহ। তারপরেও কারই কাম্য নয় বিশ্বকাপ জয়ী একটি দেশ ও তার জনগণ ক্রিকেট থেকে বঞ্চিত হোক। তবে পাকিস্তানকেও খেলোয়ারদের নিরাপত্তা বিষয়ে সর্বচ্চো গুরুত্ত দিতে হবে।

#৬ Comment By রজিউদ্দীন রতন On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

পাকিস্তান কী কী মহৎ কাজ করেছে সেই তালিকা আপনার কাছেই থাকুক। আমার কাছে একটি হিসাবই যথেষ্ট, এই শ্বাপদ দেশটি আমার ৩০ লক্ষ স্বজনকে হত্যা করেছে, ২ লক্ষেরও বেশি মা-বোনের উপর নির্যাতন করেছে এবং সেজন্য তারা এখনও লজ্জিত নয়! তবে এই আলোচনা আমি এখানে করিনি। আমি এখানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়েই কথা বলেছি। এই ভূখণ্ডে প্রতিদিন প্রমানিত হয় যে তারা নিজেদেরই নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়! অন্যদের নিরাপত্তা তো তার পরের ব্যাপার। এদের সেই সদিচ্ছা নেই। ইচ্ছে থাকলেও সামর্থ্য নেই।

আমরা আমাদের ক্রিকেটারদের জীবনের ঝুঁকি নেব না। একটুও না। বিন্দুমাত্রও না।

#৭ Comment By Bang_La On এপ্রিল ১৮, ২০১২ @ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

সাজিদ হক, আপনার নিজের মত দেয়ার অধিকার আছে মতামত দিয়েছেন। তবে ইতিহাসের সত্যতা রক্ষার কারনে একথাও আপনার বক্তব্যের সাথে উল্লেখিত থাকা প্রয়োজন যে শ্রীলঙ্কার পাকিস্তানে হামলার মুখে পড়ার আগে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ টপ সিকিউরিটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রাখেনি। পাকিস্তানের জনগন ক্রিকেট থেকে বঞ্চিত হলো কি হলোনা আমরা তার ধার ধারিনা, কিন্তু আমাদের সন্তানদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে আপনার ভাষায় “বিশ্বকাপ জয়ী একটি দেশ ও তার জনগণ”কে বিনোদন দেয়ার যে কোন চেষ্টা বাংলাদেশের জনগন প্রতিহত করবে।
আপনার আরেকটি বক্তব্য, যে পাকিস্তান বাংলাদেশের টেষ্ট স্ট্যাটাসের জন্য বাংলাদেশের নাম প্রস্তাব করেছিলো, তা অসত্য। যদি একটু ক্রিকেটের খবরাদি রাখতেন তাহলে জানতেন ছয়টি দেশ বাংলাদেশের নাম সমর্থন করেছিলো, ভারত যদিও পরে যোগ দেয়।

#৮ Comment By জাহিদুল ইসলাম On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ৯:৪০ অপরাহ্ণ

দারুন লেখা রতন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

প্রিয় টাইগার্স, লুৎফর রহমান রিটন ভাইয়ের কবিতা থেকে কোট করি,

“অইটা একটা মৃত্যুপুরী অইটা কোনো দেশ না,
লোটাস মোটেও নয়কো প্রভু তার ইচ্ছেটাই শেষ না।
ষোলো কোটির সমর্থন কি শুনতে তোরা পাস না?
পাকিস্তানে যাস নে বাছা পাকিস্তানে যাস না।”

#৯ Comment By মওদুদ On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

ভাই আমার মতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এর পাকিস্তানে যাওয়া আত্মহত্যা এর শামিল।আমার তো কামালকে গালি দিতে ইচ্চা করছে।

#১০ Comment By শিপলু খান On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ১১:৩০ অপরাহ্ণ

জনাব মোস্তফা কামাল ‘৭১ এ কিছু ছিলেন কিনা জানি না, কিন্তু উনি যে এ যুগের পাকিস্তানপন্থী তাতে কোন সন্দেহ নেই আমার। গ্যালারীর এত মানুষের মাঝে আর যাই হোক, অন্তত মৃত্যু ভয় বুকে নিয়ে ক্রিকেট খেলা হতে পারে না। কামাল সাহেব আপনার মাথায় এটাও রাখা উচিৎ, যদি একজন ক্রিকেটারেরও বিন্দু মাত্র কিছু হয় তবে কিন্তু পাকিস্তানে পালিয়েও বাঁচতে পারবেন না।

#১১ Comment By মুক্তপথ On এপ্রিল ১৬, ২০১২ @ ১১:৪০ অপরাহ্ণ

দারুণ এবং একদম সত্য বলেছেন। বিসিবির সভাপতি মোস্তফা কামালের লোভের বলিই হচ্ছেন আমাদের ক্রিকেটাররা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনার জন্ম দেয়ার পরও সরকার কেন তাকে এই পদে রেখেছে সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে থাকে??

#১২ Comment By nahid On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

এ বিষয়টিতেও মনে হয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ লাগবে!………….অথবা আমাদের ক্রিকেটাররা সবাই মিলে এক হয়ে বলুক তারা পাকিসস্তান সফর করবেননা!…………….

#১৩ Comment By Bang_La On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ

পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা সফরের আগেও টপ সিকিউরিটির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার পরিনতি আমরা জানি। এবারও আমাদের সভাপতি পাকিস্তানের সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের পাকিস্তানে যাওয়ার আনঅফিসিয়াল নির্দেশ দিয়েছে। পাকিস্তানে বড় হয়ে উঠা ও শিক্ষাপ্রাপ্ত মুস্তফা কামাল পাকিস্তানের ভালোবাসায় আজো আপ্লুত। এছাড়া নিজের পদায়নের লোভতো আছেই। হোকনা তা আমাদের সদ্যতরুন খেলোয়াড়দের জীবন নিয়ে ঝুঁকি।

#১৪ Comment By আসিফ, চট্টগ্রাম On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশে ঘরের ভিতর সাংবাদিক দম্পতি খুন হয় আর হত্যা, গুম, ধর্ষনতো হরদম চলছে।কোনটির কোন বিচার হয় না। ৫৭ জন সেনা অফিসারকে রাজধানীর বুকে ব্রাসফায়ার করে মেরে ফেলা হলো তাহলে এখন কি ক্রিকেট টিমকে বাংলাদেশ ছেড়ে নিরাপদ কোথাও চলে যাওয়ার পরামর্শ দিবেন? পাকিস্তানে শ্রীলংকা টিমের উপড় হামলা হলেও হাফ ডজন নিরাপত্তা কর্মীরা জীবন দিয়ে তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিল। এমন নজিরইবা কয়খান পাবেন। পাকিস্তানের ক্রিকেট নষ্ট করার জন্য ভারত এ কাজ করেছিল এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এরকম নোঙরা কাজ ভারত করতে পারে। আমাদের ক্রিকেট নিয়ে ভারতের হিংসার অন্ত নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের প্রতি সুভকামনা রইল।

#১৫ Comment By রজিউদ্দীন রতন On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

পাকিস্তানের নিরাপত্তা কর্মীরা জীবন দিয়ে শ্রীলংকা দলকে রক্ষা করেনি। পালাতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরেছিল। শ্রীলংকা দল রক্ষা পায় ড্রাইভারের দক্ষতা এবং চেষ্টায়! জানতে চেষ্টা করুন।

প্রসঙ্গত, আমি আমার লেখায় স্পষ্টত পাকিস্তানে “সন্ত্রাসী হামলার” কথা আলোচনা করেছি। চুরি ছিনতাই ডাকাতি শত্রুতা বিষয়ক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলিনি। সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে ২০১০ সালে মারা গেছে অন্তত ৭৪৩৫ জন। ২০১১ সালে অন্তত ৬১১২ জন। এইসব হামলা অন্য কোনো দেশ এসে করে দিয়ে গেছে কিনা সেটা আপনি জানতে পারেন।

আমি আপনার সঙ্গে এই বিষয়ক আলোচনায় আগ্রহী নই। যে ব্যক্তি নির্লজ্জের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করতে পারে তার সঙ্গে কথা বাড়াতে আমার রুচি হয়না।

#১৬ Comment By Saif On এপ্রিল ১৯, ২০১২ @ ৫:২৪ অপরাহ্ণ

আসিফ সাহেব, আপনি যেহেতু পাকিস্তানকে বাংলাদেশের চেয়ে নিরাপদ ভাবছেন, আপনি বরং সেখানে চলে যান।

#১৭ Comment By সাইদ On এপ্রিল ১৮, ২০১২ @ ২:১৬ পূর্বাহ্ণ

আপনি তো ভাই আলু পোড়া খেতে এসেছেন। আলু পোড়া খেতে হলে পাকিস্তান চলে যান।

#১৮ Comment By kalam On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই রকম লেখা ঠিক এই সময়ে লেখার জন্য।

#১৯ Comment By বাবু On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১:১৭ অপরাহ্ণ

ধিক্ ওইসব কামালদের। এখনও সময় আছে পাকিস্তান সফর বর্জন করুন, স্টুয়ার্ট ল’ কে পদত্যাগ থেকে ফেরান; নইলে এ দেশের জনগন আপনাদের কোন দিন ক্ষমা করবে না।

#২০ Comment By তারিক On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ১:২৫ অপরাহ্ণ

একদম ঠিক কথা বলেছেন । একজনের পদের জন্য আমরা আমাদের প্রানপ্রিয় ক্রিকেটারদের বলি দিব?

#২১ Comment By Rina Goldar On এপ্রিল ১৭, ২০১২ @ ৪:২১ অপরাহ্ণ

প্রিয় রজিউদ্দন ভাই,
আমি আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আপনার সাথে আমি একমত পোষণ করছি।
আমরা কি কোন ভাবে পারিনা পাকিস্তান সফর বন্ধ করতে। আজই ফেসবুক এ একটা স্টাস্টাস দিয়ে দিতে।
এ ব্যাপারে সরকার কি কোন উদ্যেগ গ্রহণ করবেন না?

#২২ Comment By sohel On এপ্রিল ১৮, ২০১২ @ ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা বিষয়ক এই লেখাটি খুবই গভীর জ্ঞানগর্ব, সময় উপযোগী এবং দেশপ্রেমিকের প্রমাণ বহন করে।

পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে যদি বঞ্চিত হয়ে থাকে সেটা তাদের নিজেদের প্রাপ্য ছিল। তাদের ধর্ম চর্চা, তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তাদের এই পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
আমি শুধু বলব, পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ পাইয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তাই আমাদের দায়িত্ব। এখানে কারো ব্যক্তিস্বার্থ স্থান পেতে পারে না।

#২৩ Comment By বাংলাদুনিয়া On এপ্রিল ১৯, ২০১২ @ ৪:৩১ অপরাহ্ণ

আজকের এই সময়ে সাকিব আল হাসানরা শুধুমাত্র খেলোয়ার নয়, তারা গোটা বাঙ্গালী জাতির আত্ম-বিশ্বাস আর স্বপ্নের প্রতীক। সুতরাং বিষয়টি সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হোক – সেটাই কাম্য।

#২৪ Comment By talukdar ibrahim On এপ্রিল ১৯, ২০১২ @ ৭:২০ অপরাহ্ণ

পাকিস্তান কী কী মহৎ কাজ করেছে সেই তালিকা আপনার কাছেই থাকুক। আমার কাছে একটি হিসাবই যথেষ্ট, এই শ্বাপদ দেশটি আমার ৩০ লক্ষ স্বজনকে হত্যা করেছে, ২ লক্ষেরও বেশি মা-বোনের উপর নির্যাতন করেছে এবং সেজন্য তারা এখনও লজ্জিত নয়! তবে এই আলোচনা আমি এখানে করিনি। আমি এখানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়েই কথা বলেছি। এই ভূখণ্ডে প্রতিদিন প্রমানিত হয় যে তারা নিজেদেরই নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়! অন্যদের নিরাপত্তা তো তার পরের ব্যাপার। এদের সেই সদিচ্ছা নেই। ইচ্ছে থাকলেও সামর্থ্য নেই।

আমরা আমাদের ক্রিকেটারদের জীবনের ঝুঁকি নেব না। একটুও না। বিন্দুমাত্রও না।