উত্তর কোরিয়ার আন্তমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক মিসাইল নিক্ষেপের সক্ষমতা এখন আর সন্দেহের বিষয় নয়। কয়েক মাস আগে সেই সক্ষমতার বিষয়টি ছিল অনুমাননির্ভর। আজকে এটি এখন বিশ্বরাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা। উত্তর কোরিয়া এখন পারমানবিক ওয়ারহেড বহনকারী আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বানাতে সক্ষম। সেটি স্বল্প, মাঝারি কিংবা দূরপাল্লার যাহোক না কেন, উত্তর কোরিয়ার এখন সেই প্রযুক্তি রয়েছে।

অতিসম্প্রতি উত্তর কোরিয়া যে সকল আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পরিচালনা করেছিল, সেই সকল ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার ভ্লাদিভস্টক ও জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমার গিয়ে পতিত হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার নির্মিত মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত এলাকা গুয়ামে, এমনকি দেশটির মূল ভূখণ্ডেও আঘাত হানতে সক্ষম। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বস্ত ও কৌশলগত বন্ধুপ্রতীম দেশ দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান উত্তর কোরিয়ার আন্তমহাদেশীয় মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় ভালোভাবেই আছে। সেটি গত মঙ্গলবার ভোরে আবারও একবার প্রমাণ হয়ে গেল।

গোয়েন্দা সংস্থা ও একাডেমিক স্কলারদের মূল্যায়নেও উত্তর কোরিয়ার মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ নিয়ে তেমন তারতম্য নেই। তারা বিশ্বাস করে, উত্তর কোরিয়ার আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ৪৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারবে।

মঙ্গলবার ভোরে উত্তর কোরিয়া দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংএর সুনান এলাকা থেকে নিক্ষেপ হোয়াসং-১২ নামের আন্তমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। আগস্টের প্রথম দিকে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনী হোয়াসং-১২ নামের মধ্যপাল্লার চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য দেশটির নেতা কিম জং ঊনের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল, গুয়ামসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য কৌশলগত এলাকায় হামলা করা। ধারণা করা হয়েছিল, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির নেতা তাতে অনুমোদন দিবেন। যাহোক, সে সময় তিনি অনুমোদন করেছেন বলে শোনা যায়নি। বিশ্বনেতারাও কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন; এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং ঊনের এমন সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ দিয়েছিলেন।

হঠাৎ উত্তর কোরিয়া আবার ব্যালাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা চালিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাংশের অর্ধেকের ভিতরে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যে সামরিক মহড়া চলছে সেটির জবাবে তারা বুধবার সকালে মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র হোয়াসং-১২ নিক্ষেপ করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উত্তর কোরিয়ার সরকার তাদের মিসাইল পরীক্ষার কর্মসূচির তথ্য এখন আর কাউকে জানতে দিচ্ছে না। উত্তর কোরিয়ার মতো একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে সূক্ষ্ম পরিকল্পনা ছাড়া অন্য দেশের উপর মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি চিন্তা করা যায় না। কোন প্রেক্ষাপটে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগেই গৃহীত হয়ে থাকে। ফলে এটি বিশ্বাসযোগ্য যে, দেশটির নেতা হোয়াসং-১২ নিক্ষেপের অনুমোদন আগস্টের মাঝামাঝি না দিলেও সিদ্ধান্ত নিয়েই রেখেছিলেন।

 

North Korea - 111

 

ফলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। প্রশ্নটি এখন বিশ্বের সামনে। সেটি হল, উত্তর কোরিয়া কি যুক্তরাষ্ট্রে মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাবে? যদি হামলা করেই বসে, যুক্তরাষ্ট্রে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাবে? উত্তর কোরিয়ার কী পরিণতি হতে পারে? আমাদের মনে রাখতে হবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলা করা হয়েছিল টুইন টাওয়ারে। সেটির প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের উপর কীভাবে দেখিয়েছিল সেটি আমাদেরকে বিবেচনায় নিতে হবে। অধিকন্তু, উত্তর কোরিয়ার এমন উত্তেজনা প্ররোচক আচরণ দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকেও কি পারমানবিক অস্ত্র নির্মাণের দিকে ঠেলে দিবে? সেসব প্রশ্নের উত্তর আমরা লেখাটির শেষাংশে খুঁজব।

যাহোক, মঙ্গলবারে নিক্ষেপিত হোয়াসং-১২ ব্যালাস্টিক মিসাইলটি ছিল মধ্যপাল্লার। নিক্ষেপিত ব্যালাস্টিক মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের উত্তর-পূর্বাংশের হোক্কাইডো প্রদেশের দ্বীপ এলাকা অতিক্রম করে প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রটি পতিত হওয়ার সময় তিনটি অংশে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার আগে এটি জাপানের আকাশে ছিল ১৪ মিনিটের মতো। উত্তর কোরিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এর আগেও দুইবার জাপানের উপর দিয়ে পতিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে দিওপোদং-১ এবং ২০০৯ সালে আনহা-২ নামের দুটি মিসাইল।

এখানে দুটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো। প্রথমটি হল, উত্তর কোরিয়ার গত মঙ্গলবার যে মিসাইলটি নিক্ষেপ করেছে, সেটি খোদ রাজধানীর একটি এলাকা সুনান থেকে। সুনান এলাকার পাশে রয়েছে পিয়ংইয়ের প্রধান বিমানবন্দর। এর আগে উত্তর কোরিয়া রাজধানীর বাইরে প্রায় জনশূন্য কিংবা কম বসতির এলাকা থেকে ব্যালাস্টিক মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার এমন সিদ্ধান্তের কারণ একটাই। দেশটি বাইরের দুনিয়ার গোয়েন্দাদের ফাঁকি দেওয়ার জন্যই মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য স্থান নির্বাচনে গোপনীয়তা ও কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। ফলে আগামীতেও মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার জন্য এমনসব এলাকা উত্তর কোরিয়া নির্বাচন করবে যেসব এলাকা স্যাটেলাইট কিংবা গোয়েন্দাদের নজরের বাইরে রয়েছে।

দ্বিতীয় বিষয় হল, উত্তর কোরিয়ার লাগাতার আন্তমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক মিসাইল হামলার হুমকি দিচ্ছিল বেশ কমাস ধরেই। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া বলে আসছিল যে, দেশগুলির অ্যান্টিব্যালাস্টিক মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ব্যালাস্টিক মিসাইলকে আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হবে। উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত এলাকা গুয়ামে হামলা করার হুমকি দিচ্ছে। মঙ্গলবারের হামলার পর উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম থেকে স্পষ্ট করেই বলা হচ্ছে যে, তাদের পরবর্তী টার্গেট যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় দুটি সামরিক স্থাপনা রয়েছে। গুয়ামে মিসাইল হামলা করতে গেলে নিক্ষেপিত মিসাইল জাপানের হিরোশিমা, সিমন ও কোচির উপর দিয়ে যেতে হবে। গুয়ামের উদ্দেশ্যে নিক্ষেপিত যে কোনো বস্তুকে আকাশপথেই আটকে দেওয়ার প্রযুক্তি জাপানের কাছে রয়েছে। অথচ গত মঙ্গলবার জাপানের আকাশে উত্তর কোরিয়ার নিক্ষেপিত মধ্যপাল্লার ব্যালাস্টিক মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ মিনিট ছিল।

এবার আমরা বিশ্লেষণ করি, উত্তর কোরিয়াকে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান মোকাবেলা করবে। মঙ্গলবার সকালে হোয়াসং-১২ ব্যালাস্টিক মিসাইল নিক্ষেপের পরেও দেশ তিনটি প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা নিতে দেখা যাচ্ছে। দেশ তিনটি এখনও বিশ্বাস করে, কূটনৈতিকভাবেই উত্তর কোরিয়াকে শান্ত করা যাবে। উত্তর কোরিয়ার হামলার পরেও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে অন্যের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা উত্তর কোরিয়ার উপর চাপ প্রয়োগ করে আলোচনায় আনতে এখনও আশাবাদী।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়াকে কেবল কোরীয় উপদ্বীপ এলাকায় জন্য হুমকি হিসেবে ঘোষণা করেছে, তা নয়। তারা বলছে দেশটি এখন জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলির জন্যও হুমকি। ট্রাম্প শিনজে আবের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান যে, যুক্তরাষ্ট্র জাপানের সঙ্গে শতভাগ রয়েছে। এদিকে মুন যে ইন উত্তর কোরিয়ার উপর কঠোর নিষেদাজ্ঞার প্রস্তাব দেন। উত্তর কোরিয়া যদি জাপানের উপর মিসাইল আবারও নিক্ষেপ করে দক্ষিণ কোরিয়া জাপানের হয়ে সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। সেজন্য তিনি নিজেদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার মিসাইল হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার জন্য রওনা দেন। তবে দেশ তিনটির মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা মতপার্থক্য দেখা যায়।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচন হয়েছে পাশাপাশি সময়ের মধ্যেই। দুটি দেশের নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে একটি স্থায়ী সমাধান আসবে তেমনটি কারও প্রত্যাশা ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন যে ইনের নির্বাচনী প্রচারের সময় উত্তর কোরিয়ার প্রতি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তাদের ভোটারের কাছে পরিষ্কার করেছেন। উত্তর কোরিয়ার প্রতি ট্রাম্প সবসময় কঠোর অবস্থানে ছিলেন। এখনও হয়তো কিছুটা কৌশলগত নমনীয়তা দেখাচ্ছেন। ভবিষ্যতে কীভাবে দেখান সেটি স্পষ্ট নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের উপর বড় আঘাত এলে সকল সমীকরণ উলটপালট হয়ে যেতে পারে।

 

Ballistic rocket launching drill - 111

 

ট্রাম্প চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য-ঘাটতি পুঁজি করে চীনের উপর চাপ প্রয়োগ করতে উত্তর কোরিয়ার ইস্যুতে চীনকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। ট্রাম্পের সেই কার্ড এখন শতভাগ ব্যর্থ। উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে চীনের ভূমিকা তেমন শক্তিশালী হবে না বলেই ধারণা। এদিকে জাপান উত্তর কোরিয়ার বড় টার্গেট পরিণত হয়েছে। উত্তর কোরিয়া পুরোপুরি যুদ্ধে জড়ানোর আগে যে কোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা চালালেই জাপান আক্রান্ত হচ্ছে। তাই জাপান আপ্রাণ চেষ্টা করছে যে, কোনো উপায়ে কোরিয়াকে শান্ত করতে। তবে তুলনামূলক বিচারে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বের মতো উত্তর কোরিয়ার প্রতি সহমর্মিতা কিংবা বেশি মাত্রার প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থায় জাপান বিশ্বাসী বলেই ধারণা।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন সান সাইন পলিসির বিশ্বাসেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় আগ্রহী ছিলেন, হয়তো এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতও থাকবেন। মুন জে ইন পিয়ংইয়ংএর সঙ্গে আলোচনা করে উত্তর কোরিয়াকে ডি-নিউক্লিয়ারাইজ করতে চান। কিন্তু মুন জে ইনের আলাপ আলোচনা করার কৌশলটি উত্তর কোরিয়াকে শান্ত রাখবে সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ।

এ অবস্থায় উত্তর কোরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির মাঝ বরাবর একটি অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য নিরাপদ। কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনার পাশাপাশি নিজের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য উত্তর কোরিয়ার হামলা মোকাবেলা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে নিজেদেরকে সাময়িকভাবে প্রস্তুত রাখা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বেশি গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক।

উত্তর কোরিয়ার উত্তেজনাপূর্ণ আচরণের ফলে দক্ষিণ কোরিয়া এখন কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে ক্রয়কৃত মিসাইল-বিধ্বংসী প্রযুক্তি থাতের প্রতি নির্ভরশীল আর থাকছে না। তারাও এখনও স্বল্পপাল্লার মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সামরিক উন্নয়ন সংস্থা ৫০০ থেকে ৮০০ মাইল রেঞ্জের মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে। দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তির শীর্ষে থাকা কয়েকটি দেশের একটি। তারা সেই স্বপ্নপাল্লার রেঞ্জটি দূরপাল্লায় নিতে বেশি সময় নিবে না। জাপানে তা-ও করছে। জাপান নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আক্রমণ করার সামরিক শক্তি অর্জনের দিকে নজর দিচ্ছে। উত্তর কোরিয়া যদি এমন আচরণ চালিয়ে যেতে থাকে, এই এলাকায় বড় ধরনের একটি সামরিক ভয়াবহতা তৈরি হবে।

কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার শাসনভারে আসার পর থেকেই দেশটি দ্রুতই পারমাণবিক কর্মসূচিতে বহুদূর এগিয়ে যায়। এখন অর্থনীতি ও প্রযুক্তির শীর্ষে থাকা তিনটি দেশকে হামলা করতে চান। আগস্টের প্রথমার্ধে উত্তর কোরিয়ার স্ট্রাটেজিক ফোর্সের প্রধান কমান্ডার কিম রাক-গিয়ম জানান তারা গুয়ামে চারটি হোয়াসং-১২ মিসাইল দিয়ে হামলার পরিকল্পনা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন। ফলে এখানে প্রেক্ষাপটটি সম্পূর্ণ ভিন্ন, কিম জং উনের বাবার জমানার মতো নয়। এমন একটি বেপরোয়া দেশের জন্য জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের সভ্যতা নষ্ট হয়ে যাবে, এমনটি ভাবার কারণ নেই।

ইতোমধ্যে, দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ জেনারেল জিয়ং কিয়ং ডু ও যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ ও স্টাফ জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ডের সঙ্গে টেলিফোনে উত্তর কোরিয়ার হামলা আগাম মোকাবেলার বিষয়ে কথা বলেন। উত্তর কোরিয়া থেকে সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত পেলেই আমেরিকার কৌশলগত বোমা ব্যবহারের চিন্তাও করে রাখা হয়। প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট পাওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ দেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবনের এক কর্মকর্তা দ্য কোরিয়া টাইমস কে জানান, কোরীয় উপদ্বীপ এলাকায় বি-১ বি লাঞ্চার বোমারু, বি-৫২ স্ট্যারেটুফর্টন্যাস বোমারু, স্টেলথ জেট, এজিস ডেস্ট্রয়ার এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার সাবমেরিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অস্ত্রগুলি স্থাপনের বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সেসব কৌশলগত সম্পদ উত্তর কোরিয়ার অদূরে গুয়ামে রয়েছে।

এ অবস্থায়, উত্তর কোরিয়া যদি গুয়ামে হামলা করে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও সামরিক স্থাপনার বড় ধরনের ক্ষতি হয়, সে ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়াকে বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে। জাপান কিংবা কোরিয়ার কথা বাদই দিলাম, উত্তর কোরিয়ার উপর যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা না করার জন্য চীন কিংবা রাশিয়ার কোনো কথা থাকবে না। অধিকন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজে এমন একজন প্রেসিডেন্ট, নিজ দেশের স্বার্থ, বিশেষ করে পরাশক্তিকে সুরক্ষা দিতে উত্তর কোরিয়াকে আরেকটি হিরোশিমা বানাতে তিনি দ্বিধা করবেন বলে মনে হয় না।

বিজন সরকারভাষা গবেষক; রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

১৪ Responses -- “উত্তর কোরিয়া কি আরেকটি হিরোশিমা হয়ে উঠবে?”

  1. Md Shahirul Islam

    বলা মত কিছু নেই শুধু দেখে যেতেই হবেে
    এই সোনার বাংলাদেশে।
    বিশ্ব যখন উন্নয়ন আর কথার গোলাগুলিি
    আমরা তখন ভাবছি শুধু রাখাইন শরণার্থী।

    Reply
  2. E A Bari

    উত্তর কোরিয়া এখন ‘পারমানবিক ক্লাবের’ সদস্য হয়েছে। বাকি আট সদস্যকে অবশ্যই এ সত্য মেনে নিয়ে কুটনৈতিকভাবে সমাধান খুঁজে বের করা ছাড়া উপায় নেই। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হোক, এটা তো আর কারো কাম্য হতে পারে না?

    Reply
  3. লতিফ

    মিশাইলের উপর একজন প্রেসিডেণ্ট বসে আছে, এটা কোনো সভ্য ছবি না। কার্টুন হিসাবে গ্রহনযোগ্য হলেও বিডিনিউজ২৪ এর মতো মানসম্পন্ন সাইটের কাছে এটা অপ্রত্যাশিত।

    Reply
  4. Critic mind

    ইসরাইলকে দিয়ে আমেরিকা ও ব্রিটেন অনেক খেলছে। এখন রাশিয়া ও চীন উত্তর কোরিয়াকে দিয়ে খেলতেছে। উত্তর কোরিয়াকে শান্ত করার ভাল পদ্ধতি হল জাপানকে সামরিক দিক থেকে আর শক্তিশালী করা। জাপানের ২ বছর লাগবে চীন ও রাশিয়ার ঘুম হারাম করার মত সামরিক শক্তি অর্জনের জন্য। চীন ও রাশিয়া চায় উত্তর কোরিয়ার সাথে আমেরিকার যুদ্ধ হোক তাতে লাভবান হবে এই দুটি দেশ। কারণ আমেরিকায় যে অর্থনৈতিক অবস্থা তাতে উত্তর কোরিয়ার সাথে যুদ্ধ লাগলে তারা পরাজিত হবে না এটা ঠিক মতে দাপট কমে যাবে উল্লেখভাবে। আর এটাই চায় চীন ও রাশিয়া। ফলে এই দুটি দেশ রাজত্ব করবে পুরো বিশ্ব। তবে রাশিয়ার ভবিষ্যৎ খারাপ কারণ সে দেশে জনগন কম আর অর্থনীতির মূল চাবি ছিল প্রযুক্তি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও অস্ত্র কিন্তু এগুলোতে রাশিয়ার আধিপত্য কমেছে আর চীনের শক্তি বেড়েছে। ফলে চীন হল মূল হোতা যারা উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে খেলছে আর সেখানে কাজিনদের মত রাশিয়ার সমর্থন দিচ্ছে। আমেরিকা বুদ্ধির পরিচয় দিবে যদি জাপানকে এমনভাবে শক্তিশালী করে যাতে চীন ও রাশিয়া আতংকে থাকে। তাহলেই উত্তর কোরিয়াকে চীন চুপ করাবে। আর যুদ্ধ লাগলেও জাপানই উত্তর কোরিয়া ও চীনের উল্লেখ্যযোগ্য ক্ষতি করতে সক্ষম হবে।

    Reply
  5. ALI

    Right now, Bangladesh needs some wise decisions, steps, and action to keep her safe/protected. It is the truth that China is playing nasty games against Bangladesh using the stupid country Burma. China has her black hands behind all those provocations of North Korea. Now, India is a great challenge against China, as India is backed by the US. and the west. In such a situation, Bangladesh must be more careful about China- Chinese diplomacy, as well as Burma.Also, now, Bangladesh has no any other better alternative than to be the closer relationship with India to all aspects. However, if there is a big /vast military unrest/conflicts occurs, China, India, and Pakistan would be more loser for that, where Bangladesh may be a prioritize target by China and her allies . So, Bangladesh needs her “Stand” accordance with the harsh/potential reality.

    Reply
  6. মনিরুজ্জামান

    আমেরিকা এবং তার মিত্ররা উদ্বিগ্ন, এত সব নিষেধাজ্ঞার পরও উত্তর কোরিয়া ধারণার চেয়েও দ্রুত গতিতে তাদের পারমানবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছে।

    তাহলে কি আর করা সম্ভব? আরো কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে চীনের বিশেষ উদ্বেগ রয়েছে। তারা মনে করছে, অর্থনীতি একবারে ধসে পড়লে, তার পরিণতি ভয়ানক হতে পারে।

    উত্তর কোরিয়া যে এখন একটি পারমানবিক শক্তিধর দেশ বাকি বিশ্বকে এখন হয়তো এই বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়ে সেইমত চলতে হবে।পরমাণু বোমার নাম শুনলেই আমাদের পিলে চমকে যায়। ।বুক ধড়ফড় করে। কিন্তু, হাইড্রোজেন বোমা তার চেয়েও অনেক অনেক গুণ শক্তিশালী। তার ধ্বংসলীলা অনেক বেশি ভয়াবহ।

    Reply
  7. কৌশিক

    এতদিন আমেরিকা বিশ্বের নিরীহ জনগণকে নিয়ে খেলাধূলা করেছে। এখন সেই খেলায় ভাগ বসিয়েছে চায়না। চীনের মদদেই উত্তর কোরিয়া আজকে শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়েছে যা জাপানের নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা বোমের চেয়ে ৫গুন বেশী শক্তিশালী। এই বিস্ফোরনে আশে-পাশের দেশসমূহে মৃদু ভুমিকম্প হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার ৯০% বিজনিস হচ্ছে চায়নার সাথে। মজার ব্যাপার হচ্ছে চায়না এই বিস্ফোরনের জন্য নিন্দা জানিয়েছে!!!! নিরীহ জনগনকে এরা এত বোকা ভাবে!
    .
    রোহিংগা গণহত্যায় নিন্দা প্রস্তাবে চায়না ভেটো দিয়েছে। চায়না শক্তি বাড়ানোর অংশ হিসেবে বার্মা এবং পাকিস্থানকে বেছে নিয়েছে। রোহিংগা বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমাদের দেশ একা এই সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। কিন্তু জিওগ্রাফিক কারনে বাংলাদেশ এটির অংশ হয়ে গেছে। এজন্য অন্যান্য দেশের সাথে কলাবোরেশন করতে হবে, সাথে নিতে হবে। রোহিংগা ইস্যুকে ধামাচাপা দিতে বার্মা বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করবে। এভাবে তারা রোহিংগাদেরকে নিজ দেশে ফেরত যেতে বাধা দিবে। তাই যুদ্ধ নামক খেলার ফাঁদে পা দেয়া বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত বোকামী হবে।
    .
    বিশ্বের যত যুদ্ধ-বিগ্রহ মানুষরূপী শয়তানরা এসি রুমে বসে প্ল্যান করে। অনেক ক্যালকুলেশন করেই বোম মারে, মানুষ হত্যা করে। সবচেয়ে কষ্টকর বিষয় হচ্ছে নিরীহ নির্যাতিত মানুষরা জানেই না তাদের দোষ কি।
    .

    Reply
  8. কে এম মহসীন

    অদূর ভবিষ্যতে ইন্ডিয়াকে পলিটিকালি সাইজ করার জন্য ইন্ডিয়ার পেটের ভেতর অবস্থিত বাংলাদেশ কে চীনের সেভাবে পাশে পাওয়ার সম্ভাবনা দিন দিন কমে যাচ্ছে তাহলে তার মেইন ভরসা অবশ্যই মায়ানমার। পশ্চিমে পাকিস্তান চীনের পকেটে। দক্ষিণ পূর্বে মায়ানমার এটমিক পাওয়ার এর মালিক মানে ইন্ডিয়ার তিন দিকে চীনা এবং তার ভাই ব্রাদার এর বেষ্টনী। ইন্ডিয়া যাবা কই? আচ্ছা ইন্ডিয়া জাহান্নামে যাক এইসবের কারণে সোনার বাংলার কি আসে যায়? ওকে। মায়ানমার এটমিক বোম্ব বানায়া অবশ্যই সরাসরি ওয়ার্ল্ড এর আপকামিং সুপার পাওয়ার ইন্ডিয়ার সাথে হম্বিতম্বি তে যাবে না। হম্বিতম্বি শুরুটা করবে ইন্ডিয়ার পেটের ভেতর থাকা বাংলাদেশের সাথে। যেটার সুস্পষ্ট ইংগিত সাম্প্রতিকতম সময়ের আকাশসীমা লংঘন। রোহিঙ্গা একটা ইস্যু মাত্র। যেটা মায়ানমার এর পুরোনো ইস্যু হলেও জিও পলিটিক্সে নতুন একটা ইস্যু। যেটাকে কাজে লাগিয়ে মায়ানমার চাইছে বাংলাদেশের সাথে মুখোমুখি একটা অবস্থানে যেতে।
    .
    ওদিকে মায়ানমার যদি পারমাণবিক অস্ত্র বানিয়েই ফেলে তবে মহান বন্ধু প্রতীম (!) রাষ্ট্র ইন্ডিয়া আমাদের সুরক্ষা দেয়ার নাম করে সমুদ্র বিষয়ক চুক্তি টা করেই ফেলবে। খেয়াল করলে দেখা যায় ইন্ডিয়ার সাথে গুরুত্বপূর্ণ এই একটা চুক্তিই বাকী আছে আর বাকী সব যেগুলা তাদের জন্য লাভজনক সেগুলা আমাদের সাথে করা হয়ে গেছে বলা যায়। ইভেন সামরিক চুক্তিও!
    একদিকে ভারত মাতার তাবেদারী আর অন্যদিকে অনলাইনে ভারত কে গালি দিয়ে দেশ উদ্ধার করতে করতে মায়ানমার যে আমাদের বুদ্ধিজীবী(!) দের মাথা থেকেই আউট হয়ে গিয়েছে সে খেয়াল কারোরই ছিল না। মায়ানমার এর মত কসাই রাষ্ট্রের সাথে ডোমিনেট করতে জিততে হলে চাই শক্তি এবং মেধা। শক্তি তে মায়ানমার এর সাথে টিকতে পারা তো দুরের কথা মেধার চর্চাটাই কি আছে আমাদের?
    .
    বি দ্রঃ উত্তর কোরিয়া কে সবাই আমেরিকার মাথা ব্যথার কারণ হিসেবে জানি সবাই অথচ সেই উত্তর কোরিয়াই এখন মায়ানমার কে পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে সাহায্য করছে কিন্তু আমেরিকা চুপ হয়ে শুধু খেলা দেখে যাচ্ছে!! এটাই জিও পলিটিক্স এর ইন্টারেস্টিং দিক। কিন্তু এর কোপ টা যখন নিজের ঘাড়ে এসে পরে তখন বোঝা যায় এর ফ্যাটালিটি কতটা ভয়ংকর!!! জানিনা বেচে থাকলে আগামী ১০-১৫ বছরে কিসের সাক্ষী হতে যাচ্ছি!!!

    Reply
  9. বকুল

    উত্তরে উত্তর কোরিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণে মিয়ানমার।পৃথিবীর বুকে চীন যে বিশাল একটা কিছু এটা প্রমাণ করতে একটা বড়সড় যুদ্ধ বাধানো তাদের একান্ত প্রয়োজন।আর এক্ষেত্রে তার আশেপাশের দেশগুলো হতে পারে উপযুক্ত কোন রণক্ষেত্র।অথচ ১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত সারা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এই চীন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে পুজি করে শুধু জাতিসংঘের সদস্যপদ নয় বাগিয়ে নেয় এর স্থায়ী পরিষদের সদস্যপদ।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এক ফোটা ঘাম না ঝরিয়ে সবচেয়ে লাভবান দেশ এই চীন।আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে আমেরিকা।আজ এই চীনই প্রাচ্য আর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও তার মিত্রদের জন্য বড় হুমকি।ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রাশিয়াও আস্তে আস্তে চীনঘেষা হয়ে যাচ্ছে।অন্তত পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রাশিয়ার নিজস্ব কোন স্বার্থ নেই,চীনের স্বার্থই তার স্বার্থ।এই অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় যা খুব বড় একটা হুমকি।এমতাবস্থায় রোহিঙ্গা ইস্যু আমেরিকার জন্য বড় একটি এসিড টেস্ট।এই ইস্যুতে আমেরিকা যদি ইন্ডিয়াকে তার পাশে না টানতে পারে তবে সেটা হবে তার জন্য বড় একটি কূটনৈতিক পরাজয় যা ধীরে ধীরে এশিয়ার বুকে মার্কিন প্রভাব কমিয়ে দিয়ে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি করবে!

    Reply
    • জাহাঙ্গীর আলম

      বর্তমানে উত্তর কোরিয়া একটি পারমানবিক শক্তিধর দেশ, বিশ্বকে এখন হয়তো এই বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়ে সেইমত চলতে হবে। পরমাণু বোমার নাম শুনলেই আমরা ভয়ে শিওরে উঠি। বুকটা থরথর করে কেঁপে উঠে, কিন্তু হাইড্রোজেন বোমা তার চেয়েও নাকি অনেক শক্তিশালী। তার ধ্বংসলীলা নাকি অনেক বেশি ভয়াবহ।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—