সেদিন ঢাকার একটি দেওয়াল লিখন দৃষ্টি আকর্ষণ করল: ‘সময়টা এখন আমাদের’। সুন্দর শ্লোগান। কিন্তু কেন যেন আমার মনে হল, ‘সময়টা এখন আমাদের’ স্থলে ‘সময়টা এখন ধর্ষকদের’ লেখা থাকলেই যথোপযুক্ত হত। সময়টা এখন ধর্ষকদের, বাংলাদেশ এখন ধর্ষকদের অভায়ারণ্য। এ দেশে ধর্ষণের মহাৎসব চলছে। তিন বছরের বাচ্চা থেকে শুরু করে কিশোরী, যুবতী, মধ্যবয়সী– সবাই শিকার হচ্ছেন ধর্ষণের। অভিজাত হোটল থেকে থেকে বস্তি এলাকা- ধর্ষকদের অভযারণ্য যেন সবই। পশ্চিমা পোশাকের নারী যেমন টার্গেট হচ্ছেন তেমনি হচ্ছেন হিজাব-পরিহিতারা। নিম্নবিত্ত বা বিত্তহীন নারী কেবল নন, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত থেকে ধনীর দুহিতাকেও পোহাতে হচ্ছে ধর্ষণের নরকযন্ত্রণা।।

ধর্ষণ করছে কারা? নন্দকিশোর থেকে শুরু করে যুবক ও মধ্যবয়সীরা– দিনমজুর থেকে দিনে কয়েক লাখ টাকা হাতখরচ পাওয়া ধনীর দুলাল। মনে হচ্ছে যেন ধর্ষণ একটা স্বাধীন সার্বভৌম ক্রীড়া, যা শুধু পুরুষরাই খেলতে পারে। নারীর মতের তোয়াক্কা না করেই!

ধর্ষণ হচ্ছে কোনো কোনো পুরুষের পৌরুষ প্রকাশের এক মহাস্ত্র। পুরুষদের শারীরিক গঠনে জৈবিক ইচ্ছার যে তীব্রতা সেটি কি তাদের ধর্ষণেচ্ছুক হয়ে ওঠার কারণ? বিষয়টি তা নয়। সমাজ আর সংসারে নারী বিষয়ে নিজের যাবতীয় সৎ-অসৎ ইচ্ছাপূরণে যাবতীয় প্রশ্রয় পেলেই পুরুষ ধর্ষক হয়ে উঠতে সাহস পায়। উন্নত বিশ্বে ধর্ষক ধরা পড়লে ‘পার’ পেয়ে যায় না সহজে– সমাজে বা রাষ্ট্রে ধর্ষকের অবস্থান যা-ই হোক না কেন। কিন্তু আমাদের সমাজের ‘ছাড় দেওয়ার’ সংস্কৃতি ধর্ষণ উৎসাহিত করে।

এই সমাজে যে ছাড়ের কথা বলছি তা আইন ও রাষ্ট্রও দেয় ধর্ষককে।। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো এখন আবার ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের মতো অপরাধটির উচ্চ মাত্রা দেওয়ার বন্দোবস্ত হল। বিয়ে নামের তুলসি পাতা দিয়ে ধর্ষণকাজ ধুয়ে নেওয়ার এই উদ্ভট ‘আইডিয়া’ যে নীতিনির্ধারকদের মস্তিস্কে খেলা করেছে, তাদের সুপ্ত মনে ধর্ষকদের প্রতি যে খানিকটা সহানুভূতি বা সমর্থন কাজ করে তা বলা বাহুল্য। না হলে ধর্ষকদের জন্য আরও কঠিন আইন এবং ধর্ষিতার পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিকল্পনা না নিয়ে, ধর্ষণের দোহাই দিয়ে নারীর বিয়ের বয়স কমিয়ে দেওয়ার আইনটি হত না। তাতে প্রমাণ হল, রাষ্ট্রযন্ত্র এখনও পুরোপুরি পুরুষতান্ত্রিকতার বলয়ে আবদ্ধ।

ধর্ষণের মামলা থানাগুলো নিতে চায় না। প্রায় সকল ধর্ষণের ঘটনায় থানার এ অনীহার অভিযোগ রয়েছে। কারণটা কী? শুধু থানার কর্তৃপক্ষকে বা প্রশাসনকে দায়ী করে লাভ নেই, বনানীর ছাত্রীধর্ষণের ঘটনায় ‘মেয়েগুলো গেল কেন’ এ ধরনের প্রশ্ন করে অনেক প্রগতিশীলও পরোক্ষভাবে ধর্ষকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

যখন প্রগতিশীলদের মুখ থেকে এ প্রশ্ন উচ্চারিত হয় তখন মনে হয়েছে, আমাদের সমানাধিকারের লড়াইটা আসলে অরণ্যে রোদন। একেকটা ঘটনা অনেকের মুখোশ উন্মোচন করে দেয়। যারা মুখোশ পরে অকাতরে নারী-পুরুষের সমানাধিকারের বয়ান করে যান। এরা কর্মস্থলে নারী সহকর্মীকে হেনস্থা করেন– ঘরে স্ত্রীর প্রতি অবিশ্বস্ত হন। এরাও মনে মনে এ মানসিকতা পোষণ করেন যে, নারী মানেই ভোগ্যবস্তু। এই প্রগতিবাদীরাও ধর্ষণ করেন। তবে তাদের ধর্ষণ অন্যরকম। একটা মেয়ের জীবনের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দিয়ে তারাই সমানাধিকারে সোচ্চার সংগঠনের অনুষ্ঠানে প্রধান বা বিশেষ অতিথি হয়ে বসেন, বক্তৃতা দেন।

বলা হচ্ছিল ধর্ষকদের শাস্তি এড়িয়ে যাওয়া অথবা ছাড়া পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে। সমাজের ক্ষমতাধর যারা তারা আইনের উর্ধ্বে থাকেন। অর্থ, প্রতিপত্তির কারণে শুধু ধর্ষণের মতো অপরাধ নয়, যে কোনো অপরাধ থেকে তারা মুক্ত। তবে ইদানিং বনানী আর বগুড়ার ঘটনা মিডিয়ায় আলোড়িত হওয়ার কারণে হয়তো প্রভাবশালী হয়েও ধর্ষক ও তাদের সহযোগীরা বিচারের আওতায় গিয়েছে। তাতে উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই কিন্তু। মিডিয়ার অগোচরে আরও কত ঘটনা ঘটে যাচ্ছে তার হিসাব করতে গেলে একটা পচা গলিত সমাজের ছবি উঠে আসবে।

 

Criminals - 111
বলা হচ্ছিল ধর্ষকদের শাস্তি এড়িয়ে যাওয়া অথবা ছাড়া পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে

 

এরপরও দেখা যায় সমাজে তত ক্ষমতাধর না হয়েও ধর্ষক বেকসুর খালাস পেয়ে যায়। এর কারণ ধর্ষণ-বিষয়ক আমাদের আইন। অদ্ভুত এক আইন! এ আইন বলে দেয় সমাজ এবং রাষ্ট্র আসলে ধর্ষকের পক্ষে। ধর্ষিতা নারীর যে শারীরিক পরীক্ষা করা হয়, তার মতো জঘন্য আর কিছু হতে পারে না। টু ফিঙ্গার টেস্ট বা ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ পদ্ধতি নিয়ে নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার প্রতিবাদ করে আসছে। ধর্ষণ ঘটনাটি ঘটেছে কি না তা পরীক্ষার এই পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিভিন্ন নারী ও মানবাধিকার সংগঠন এবং দুজন চিকিৎসক ২০১৩ সালে একটি রিট আবেদন করেন। এই পরীক্ষা পদ্ধতি সংবিধানের পরিপন্থী বলে রিটে উল্লেখ করা হয়। এখন পর্যন্ত জানা নেই– হতে পারে এটা ব্যক্তিগত অজ্ঞতা– সেই রিটের কিছু হয়েছে কিনা।

দুই আঙুলের পরীক্ষা পদ্ধতিতে মূলত দেখা হয় ধর্ষিতার সতীচ্ছদে জখম রয়েছে কিনা। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে জানা যায় ধর্ষিতা কুমারী নাকি তার যৌন-অভিজ্ঞতা রয়েছে। যদি দেখা যায় সেটি রয়েছে তাহলে তো ধর্ষকের উকিলের পোয়াবারো। যুক্তিতর্ক দিয়ে তিনি বুঝাতে চাইবেন যে, ধর্ষিতা স্বেচ্ছায় ধর্ষকের কাছে ধরা দিয়েছেন। কোনো অবিবাহিতার যদি যৌন-অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে তাকে কি ধর্ষণ করা যায়েজ?

মনে রাখতে হবে, ধর্ষণ সব বয়সী ও বিবাহিতা-অবিবাহিতা এবং যৌন-অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও অনিভজ্ঞ সব ধরনের নারীর ক্ষেত্রে ঘটছে। তাই সব ধরনের ধর্ষিতার বেলায় তার সতীচ্ছদ অটুট আছে কি নেই কিংবা তার যৌনকর্মের অভিজ্ঞতা আছে কি না তা পরীক্ষা করার যৌক্তিকতা আছে কি?

কয়েক বছর আগে একজন মার্কিন বক্সারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। যুক্তিতর্কে বলা হয়েছিল যে, মেয়েটি সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে সেই খেলোয়াড়ের হোটেল রুমে হাজির হন। বিচারকের রায় ছিল এরকম: তা সত্ত্বেও ওই ক্রীড়াবিদ ওই তরুণীকে ধর্ষণ করতে পারেন না, তার সে অধিকার নেই। আমাদের সমাজে এখনও ধর্ষিতার চরিত্রহনন, তাকে পতিতা বানানোর কত পাঁয়তারা যে চলে! কিন্তু এটাও আমরা ভুলে যাই যে, আইনের দৃষ্টিতে একজন পতিতাকেও ধর্ষণের অধিকার কারও নেই।

ধর্ষিতার মেডিকেল পরীক্ষাটি কারা করেন? অবশ্যই একজন পুরুষ ডাক্তার, সঙ্গে থাকেন একজন পুরুষ ওয়ার্ডবয়। গ্রামেগঞ্জে নারী ডাক্তার ও নারী কর্মচারীর অভাব হেতু। আসলে কি কেবল এ কারণেই? মোটেই তা নয়। সত্য হল, ধর্ষিতাকে যত বেশি বার নাজেহাল করা যায়। প্রশাসনের ক্ষেত্রেও এ মনোভাব বিরাজমান।

দুই আঙুলের পরীক্ষা পদ্ধতি একসময় ভারতেও ছিল। ২০১৪ সালে সেদেশে পদ্ধতিটি বাতিল করা হয়েছে। আমাদের দেশে সচেতন সংগঠন ও ব্যক্তিরা একই দাবি করে আসছেন– আইনটি বাতিল করা হোক। এ দাবির তোয়াক্কা করে কে? আমাদের আইনে আছে, কোনো নারীর শরীরে যে কোনো তল্লাসি বা পরীক্ষা শুধু নারীরাই করতে পারেন। সে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে ধর্ষিতার মেডিকেল পরীক্ষা করানো হচ্ছে পুরুষ ডাক্তার দিয়ে। ধর্ষিতার বেলায় কি এদেশের বিদ্যমান কোনো আইন প্রযোজ্য নয়? যার বলে তিনি ন্যায়বিচার ও সম্মান পেতে পারেন? একবার ধর্ষিত হওয়া ধর্ষকের দ্বারা– তারপর ক্রমাগত মেডিকেল পরীক্ষায়, আদালতের উকিলের খোলাখুলি জেরায়, পরিবারের সম্মানের কাছে, সমাজের ভালো-মন্দের নিক্তিতে বার বার বিপন্ন হতে থাকেন ধর্ষিতা।

শুধু তাই নয়, আমাদের আইনের এমনই গ্যাঁড়াকল যে, ধর্ষিতাকেই আদালতে প্রমাণ করতে হয় যে, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। কী নিদারুণ অমানুষিক যন্ত্রণা! ধর্ষিতার শাস্তি কেবল এখানেই শেষ নয়, ধর্ষণের মতো অপরাধকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী থাকার বিষয়টি হল সবচেয়ে মর্মান্তিক। ধর্ষণ মামলায় সাক্ষী হাজির করার মতো মূর্খতা আর কী হতে পারে? তবে কিছু কিছু আরব দেশের মতো ধর্ষণকাণ্ডের দুজন সাবালক পুরুষ সাক্ষী যে যোগাড় করার আইন নেই আমাদের এখানে, সেটাও রক্ষে! একজন পুরুষ ধর্ষণ করবে আর দুজন পুরুষ তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে এবং আদালতে গিয়ে তার সাক্ষ্য দেবে, এমনটাও কি সম্ভব?

 

pexels-photo - 222
আমাদের আইনের এমনই গ্যাঁড়াকল যে, ধর্ষিতাকেই আদালতে প্রমাণ করতে হয় যে, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন

 

আমাদের এখন ভাবা দরকার যে, এ বিচারকাজ অন্যভাবেও করা যায়। আমরা কি পুরো ব্যবস্থাটাই এমনভাবে ঢেলে সাজাতে পারি না যেখানে ধর্ষিতার প্রতি সংবেদনশীল থাকবে আদালত ও রাষ্ট্র? এর জন্য প্রথমেই এমন ব্যবস্থা করা দরকার যাতে ধর্ষককে বলা হবে সে প্রমাণ করুক যে, সে ধর্ষণ করেনি। উকিলের জেরার মুখে তার অপকীর্তি বেরিয়ে আসতে বাধ্য হবে তখন।

সে সঙ্গে এভিডেন্স অফ সারকামসটেন্স যাকে বলে সেটি ধর্ষণ মামলায় উপস্থাপন করা উচিত। আইন বিশেষজ্ঞদের তাই মত। বর্তমান আইনের কারণে ধর্ষিতাকে উপদেশ দেওয়া হয় ধর্ষণের পর গোসল না করতে যাতে প্রমাণ মুছে না যায়। কেন ভিকটিমকেই সব সইতে হবে? চলতে পথে গায়ে এক ফোঁটা কাদা লাগলেও যতক্ষণ না তা ধুয়ে ফেলি আমরা ততক্ষণ একটা অস্বস্তি থেকে যায়। আর ধর্ষণের পর গোসল না করে কীভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি ‘আলামত’ বহন করে যাবেন?

আবার বাস্তব কারণে ঘটনার অনেক দিন পর ভিকটিম অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে ধর্ষিতা বা তার পরিবারের পক্ষে মামলা বা অভিযোগ করা সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষক বা তার পরিবার বা বন্ধুদের ব্ল্যাকমেইলিং বা ভয়ভীতির শিকার হয়ে ভিকটিমের পরিবার মামলা করতে বাধ্য হন।

এ প্রসঙ্গে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একটি বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। ২০১২ সালে ধর্ষণ-সক্রান্ত একটি মামলার রায়ের সময় বিজ্ঞ বিচারকের ভাষ্য ছিল:

“ধর্ষণ মামলায় ধর্ষিতার সাক্ষ্যই প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকও যদি ধর্ষণের কোনো আলামত না পান বাদীর একান্ত (সোল) সাক্ষ্য অবিশ্বাস করার কিছু নেই।”

আমরা এমন বিচার ব্যবস্থাই চাই। আমরা নারীবান্ধব আইন চাই। ধর্ষিতার প্রতি সহানুভূতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা চাই। চাই এমন প্রশাসন যে ভিকটিমের প্রতি চূড়ান্ত সংবেদনশীল ও অপরাধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখাবে। ধর্ষিতা বা ভিকটিম কোথায় গিয়েছিলেন কেন গিয়েছিলেন কী পোশাক পরেছিলেন সেটি বিবেচ্য বিষয় হবে না। একটি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে যেতে পারেন। তাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রর। সেখানে ব্যর্থ রাষ্ট্র ও সমাজ ভিকটিমের দিকে আঙুল তুলতে পারে না।

ধর্ষণ আসলে হত্যার চেয়েও ভয়ঙ্কর এক অপরাধ। সে অপরাধে কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না। কারণ ছাড় দিতে দিতে আজকের বাংলাদেশ একটি ধর্ষণপ্রবণ দেশে পরিণত হয়েছে। সময়টা চলে গেছে ধর্ষকদের মুঠোয়। বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বিভাগকে সেই নষ্ট হাতের বিষয়ে হতে হবে কঠোরতম। এর বিকল্প নেই।

পারভীন সুলতানা ঝুমাসাংবাদিক, কলামিস্ট

৪৪ Responses -- “সময়টা এখন ধর্ষকদের”

  1. Md. Shiful Islam

    dorshon!! age sunte kharap lagle o ekhon sober mukhe mukhe. dorshon ki sudu purush ei kore?? ame bolbo purush ei kore. tobe er (dorshon) poriman onek kome jeto jodi boner jatider chola fera ektu R o valo hoto. ekhon oi tatul hujer er kotha mone pore.mone hoy aponara sobay buje gasen. ashole dorshon kore na korte baddo koree. “Jta kal daklam”!!

    Reply
  2. Qudrate Khoda

    Excellent article!
    Unfortunately, however, it would take many decades for the hapless Bangalis to understand and appreciate the value of such humane words and ideas…

    Reply
  3. Md. Kamrul Hasan

    ধর্ষণের সেঞ্চুরি কথা মানিকের কি কোন বিচার হয়েছে ? কেউ কি বলতে পারবেন তিনি এখন কোথায় কি করেন ?

    Reply
  4. hm swapon rana

    আমাদের সবাইকে একটু সতর্ক হতে হবে প্রত্যেক মা বাবা কে দায়ত্ত শীল হতে হবে।।ছেলে মেয়ে কি রকম পোশাক পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে,

    Reply
  5. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ধর্ষণ নিয়ে লেখা। তার নিচের কমেন্টগুলো পড়েই বোঝা যায় মানুষ কতটা অবিবেচক। কোন বিবেকবানের তো ধর্ষণের পক্ষে থাকার কথা নয়। কিন্তু দিব্যি কমেন্ট দাতাদের কেউ কেউ ধর্ষণের অকাট্য যুক্তি তুলে ধরে গেছেন! দূরে কোথায়? আমাদের মধ্যেই তো ধর্ষক লুকিয়ে আছে। সুযোগ পেলেই হামলে পড়বে। অন্তত যারা এই লেখাটা পড়েছে তারা তো কেউই অশিক্ষিত নয়! শিক্ষিত মানুষই যদি এত ধর্ষণপ্রিয় তাহলে এই দেশে ধর্ষণ বন্ধ হবে কি করে! এই দেশের শিক্ষিত মানুষগুলো সত্যিকারের মানুষ হোক। তাহলে অন্তত সংখ্যাটা কমবে। এই লেখার জন্য রাইটারকে অনেক ধন্যবাদ। দোয়া করি এই দেশের নারীরা ধর্ষণের ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পাক।

    Reply
    • Md. Omar Faruk

      তবে যদি এই নিয়ম হয় যে নারী ধর্ষণ হয়েছে কিনা এর জন্য নারী নিজেই সাক্ষী। আর অন্য কিছুর প্রয়োজন নেই। তাহলে অনেক নারী এই আইনের অপব‍্যবহার করবে। পুরুষ কে ফাঁসিয়ে দিতে পারে।
      আপনি আপনার দিক থেকে চিন্তা করছেন যে , আমি ধর্ষিত হয়েছি । এই অপমান জনক কথা আমি কেন জনসম্মুখে বলতে যাব। কিন্তু সব নারী আপনার মত নাও হতে পারে।
      অনেক নারী স্বার্থ উদ্ধারেও এ কাজ করতে পারে

      Reply
  6. জাকির মাহদিন

    অামাদের পাশবর্তী রাষ্ট্র ভারতো কিন্তু পিছিয়ে নেই ১৮ বছরের কম বয়সের নারীদের ৩ জনের ১ জন ধর্ষনের শিকার হচ্ছে। অার এসবেই হচ্ছে মুক্ত স্বাধীনতা অার অধিকারের নামে, অার্ট কালচার অার নারী স্বাধীনতার নামে পশ্চিমা বিশ্ব নারীদের বিক্রি করেছে, অার ইন্ডিয়ানরাও তাও শুরু করে দিয়েছে অার এর ফলাফলতো অামরা দেখতেই পাচ্ছি। বেশির ভাগ বিজ্ঞাপনেই অাজ মেয়েদের ব্যবহার করা হচ্ছে, গাড়ি, মোটর সাইকেল, ছেলেদের শেবিং ক্রিম থেকে শুরু করে সব বিজ্ঞাপনে অাজ মেয়েদের উন্মুক্ত শরীর প্রদর্শন, দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে মেয়েটির সাথে বিজ্ঞাপনেরর কোন সম্পর্ক নেই। পশ্চিমা বিশ্ব মহিলাদের সম্মান দেওয়ার নামে তারা অাসলেই অস্মান করছে। তারা ছদ্নবেশে মহিলাদের সম্মান ধূলোয় মিশাচ্ছে, তাদের বানানো হচ্ছে উপপত্নী, রক্ষিতা অার অামোদ প্রমোদের সঙ্গী।

    Reply
  7. জিন্নুরাইন

    পশ্চিমা দেশ গুলোর নারী স্বাধীনতার শ্লোগানের পিছনে রয়েছে এদের বর্বর চিত্র।
    বর্তমানে অামেরিকা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশ। অার গণতন্ত্রের সূতিকাগার, রয়েছে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা অার মানবাধিকারের নিশ্চিয়তা, অাসলেই কি তাই? পরিসংখ্যান অনুযায়ী অামেরিকাতে ধর্ষনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ১৯৯০ সালের FBI এর এক পরিসংখ্যান বলছে প্রতিদিন এক হাজার সাতশত ছাপান্ন জন নারী ধর্ষিত হয় অামেরিকাতে, ১৯৯৬ সালের রিপোর্ট বলছে, গড়ে প্রতিদিন দুই হাজার সাতশত তের জন মহিলা ধর্ষিত হয়েছে, তার মানে অামেরিকাতে প্রতি ৩২ সেকেন্ডে একজন মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে।

    Reply
  8. মনিরুজ্জামান

    ধর্ম সত্য বা মিথ্যা যাই-ই হোক, ধর্ম না থাকলে পৃথিবী নৈরাজ্য ভরে যেত । ধর্মের কারনে ও খোদার ভয়ে মানুষ ভাল আছে । সুতরাং ধর্মের প্রচার ও প্রসার হওয়া উচিত ।

    Reply
  9. ইবনে সাজিদ

    একটা লেকচার শুনেছিলাম রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল মসজিদের ইমামের বয়ানে। তিনি পতিতাদের পুনর্বাসন ও তাদেরকে বিয়ে করার আহ্বান করেন।

    Reply
  10. আলম সাজ্জী

    তোমরা ভয় কর সে দিন কে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহিত হবে না, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত ও হবে না। ( সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত -১২৩)

    Reply
  11. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    প্রতিদিন বাংলাদেশে যে পরিমাণ ধর্ষণ হয় তার ৫ শতাংশও খবরের কাগজে আসে না। কারন একটাই লজ্জা। আমাদের সভ্য সমাজ তামাশা দেখতে অনেক বেশিই পারদর্শী। ধর্ষিতাকে নিয়ে পরিহাস তো কম নয়। বিচার চাইতে গেলে পুলিশের প্রশ্নে থাকে লোলুপতা। ফরেনসিক টেস্ট হয় পুরুষদের হাতে। শুনেছিলাম অনেক জায়গায় ধর্ষিতার মেডিকেল টেস্ট করা হয় বারান্দায়। বারান্দায় বিবস্ত্র করে একটা মেয়েকে রেখে দেয়া আর পুণরায় ধর্ষন করার মধ্যে পার্থক্য কোথায় বুঝতে পারিনা। তারপর আদালতে বিচারের নামে তামাশা। টাকার জোরে ধর্ষক আরো পাঁচ দশটা ধর্ষণ করেই চলে বিচার বিহীনভাবে। তার সাথে পত্রিকা টিভি চ্যানেল পেছনে তো আছেই। আর কত? ঘৃণা হয় মানুষ হয়ে জন্মেছি। ঘৃণা হয়। আজকাল মোবাইল ফোনের বদৌলতে সবাই ক্যামেরা ম্যান হয়ে গেছে। ধর্ষন করে সেটা ভিডিও করে রাখে। পুলিশের কাছে যেতে গেলে সেই ভিডিও নেট এ আপলোড করার হুমকি। আর এ ভয়তেই চাপা পড়ে যায় ধর্ষণের বিচার। ঠিক এমনই একটা ভিডিও দেখে আমরাই কম্বল গরম করি। ধিক্কার…

    Reply
  12. Mominul

    আমাদের সমাজটা ভীষণ অদ্ভুত!
    যখন কোন incident ঘটে তখন তীব্রতর ভাবে তার practice চলতে থাকে। এই গত বছর (২০১৫)শিশু রাজন কে কতো নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়,তার পর পরই টানা ১০-১৫ শিশু হত্যার খবর আসে।গৃহকর্মী নির্যাতন ও কর্ণেলের স্ত্রীর ঘটনা চাপা পড়তে না পড়তেই আর একজন গৃহকর্মীর মৃত্যু খবর চলে আসলো! প্রতিনিয়ত খারাপ সংবাদ শুনি কিন্তু বিচার শুনি না!

    Reply
  13. মাসুদ

    অশ্লিলতা যেভাবে ফ্যাশান নাম পাচ্ছে!!! কিছুদিন পর হয়তো… ধর্ষন, শারীরিক ব্যায়ামের মর্যাদা পেয়ে যাবে!!! R, দেহ অনাবৃত রাখা যদি স্মার্টনেসই হয়, তাহলে গরু-ছাগলই সবচেয়ে বেশি স্মার্ট!!!

    Reply
  14. অনুপম হক

    ভবিষ্যতে হয়তো দেখা যাবে-
    মেয়েরা নিজেদের মধ্যে কম্পিটিশন করছে- কে কয়জনের দ্বারা ধর্ষিত হতে পারে। বান্ধবীদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটা হয়তো তার অপেক্ষাকৃত কম সুন্দর
    এক বান্ধবীকে খোটা দিয়ে বলবে “তুই তো মাত্র একবার ধর্ষিত হয়েছিস,
    আর আমি হয়েছি পাঁআআআচ বার, তাইলেই বুঝ কে বেশি?
    কেউ পড়ে মাইন্ড খাইয়েন না,,, আসলেই এটাই বাস্তবতা।

    Reply
  15. অথর্ব নাথ

    সবচেয়ে বেশি ধর্ষন হয় আমেরিকা ও ভারতে। আর এখন দেখতাছি বাংলাদেশেও প্রতিদিনই খবরের,কাগজে ধর্ষনের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    Reply
  16. Cornell Macbeth

    সম্প্রতি বগুড়ায় ‘ধর্ষণের শিকার’ এক কিশোরী ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া ঘটনার সাথে “ধর্ষক তুফান সরকারের” প্রিয় স্ত্রী, মাননীয় বড় বোন এবং শ্রদ্ধেয় শাশুড়ি আম্মা সংপৃক্ত থাকাটা প্রমানিত হয়েছে; তাই সময়টা এখন শুধু পুরুষ ধর্ষকদের না|.

    Reply
  17. M Hossain

    লেখিকাকে ধন্যবাদ, এ স্পর্শকাতর বিষয়টি তুলে ধরার জন্য। বিব্রতকর এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার। যারা ধর্ষণের জন্য নারীদের দায়ী করছেন তারা আসলে ‘কুকুরের’ স্বর্গে বাস করছেন। যেখানে শিশুকে ধর্ষণ করা হয়, ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করা হয়, ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়, ট্রাকে তুলে ধর্ষণ করা হয়, এমনকি নিরীহ ছাগীও বাদ যায়না সেখানে শালীনতার প্রশ্ন তোলা অবান্তর। জানামতে এ পর্যন্ত সকল ভিক্টিম শালীন পোষাকেই ছিলেন। ওয়াজ নছিয়তে নারীদের কটাক্ষ করে প্রকারান্তরে ধর্ষণকেই উতসাহিত করা হচ্ছে। তাই নারী বিদ্বেষী এসব অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। সকল ক্ষেত্রেই ধর্ষককে দায়ী করতে হবে। আর অপমানজনক পরীক্ষাতো অবশ্যই বন্ধ করা দরকার।

    Reply
    • আইরিন ইরা

      কমেন্ট পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম যে পুরুষরা কি সব অমানুষ হয়ে গেল?! ধন্যবাদ আপনাকে। ন্যুনতম বিবেকবোধ আছে এমন কেউ ধর্ষণ নামক জঘন্য অপকর্মের শিকার নারী ও শিশুর দিকে আঙ্গুল তুলতে পারে না।

      Reply
  18. Md. Ekramul Khabir

    Shommanita lekhika, amader shamajik obokhyer kotha keno likchen na? Prokrito Islam theke dure thakar kotha keni likchen na? Dhormio chetona bodh chele meye uvoyer moddhe thakle e dhoroner ghotona shotkora 90 bhag kome jabe bolei amar bishwash. Kono dhormoi dhorshoner pokhey na.

    Reply
    • আইরিন ইরা

      নারীরা পুরুষের সমান না, এই ফালতু চিন্তা মাথা থেকে দূর করেন। আপনে যা জীবনে করতে পারেন নাই, আশেপাশে তাকায় দেখেন, অনেক নারী সেটা করতেছে। আর কেনই বা করবে না, কারন সেও পূর্ণ মানুষ। সেটা মেডিকেল বিজ্ঞানেও প্রমাণিত। যদি কন, মেডিকেল বিজ্ঞান মানি না তাইলে অসুখ-বিসুখে ডাক্তারের কাছে যাওয়া বন্ধ কইরা দেন।

      Reply
  19. বাপ্পা

    ৭১ এর যুদ্ধের সময় মা বোনদের ধর্ষণ বইতে পড়েছি, আর এখন (ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ) এর ধর্ষণ প্রতিনিয়তই প্রত্যক্ষ দেখছি । থানায় অভিযোগ জানানোর কারনে শ্রমিকলীগ নেতা মা ও মেয়েকে প্রকাশ্যে চুল ন্যাড়া করে একঘরে করে দেয়। কি বলে নিন্দা জানাবো?

    Reply
  20. আহমদ বকুল

    আগে মানুষ বাস করতো দরিদ্রসীমার নিচে আর এখন বাস করে চরিত্রসীমার নিচে!

    Reply
  21. হাশিম

    আলোচিত সব ধর্ষণ দেখি ডেকে নিয়েই হচ্ছে !!!! এতো ঘটনার পরেও কি দুই পক্ষই একটুও সচেতন হবে না ?

    Reply
  22. মাহমুদ

    এখন কার মেয়েদের চলাফেরা আমরিকার স্টাইলে আর ধর্ষন হলে বিচার চাইবে সৌিদর আইনে এটা কি করে হয়!!

    Reply
    • আইরিন ইরা

      সৌদির আইনের দরকার। আমার দেশের আইনই যথেষ্ট। শুধু দরকার সুষ্ঠু প্রয়োগ।

      Reply
  23. মোহাম্মাদ জাওেয়েদ ইকবাল

    #ধর্ষণবৃদ্ধি। ঠিকই বিচারহীনতা বা বিচারে দীর্ঘসুত্রিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ফসল।

    Reply
  24. meermuhammadsafiullah

    আরব কান্ট্রিকে হিট করে যে কথা বলা হয়েছে,তা ইসলামের বিপক্ষে যায়৷দু’জন প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী পাওয়া গেলে শাস্তি কি হবে,সেটা মনে হচ্ছে ম্যাডাম জানেন না৷ঘটনা হলো–ইসলামী শরীয়ত পছন্দ হয় না৷তাই পরোক্ষভাবে ইসলামী আইনকে হিট করা হয়৷এতে আমাদের কোন বিপদ হবে না ইনশাআল্লাহ৷বিপদ যা আসছে,কাদের উপর আসছে-কিভাবে আসছে-তা জ্ঞানী মাত্রই অনুধাবন করতে পারছে৷সুতরাং সাধু সাবধান৷

    Reply
    • আইরিন ইরা

      ইসলামী শরিয়ত লেখা হইছে পুরুষতন্ত্রের জন্য। সুতরাং পছন্দ হওয়ার কারন আছে কি?

      Reply
  25. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    # কলেজে চান্স পাইয়ে দেবার প্রলোভন দিয়ে #ধর্ষণ।
    # পরিক্ষায় পাস করিয়ে দেবার প্রলোভন দিয়ে #ধর্ষণ।
    # বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে #ধর্ষণ।
    কথা গুলি শুনলেই মাথা ঘুরে ওঠে। অামরা সাধারণ অর্থে ধর্ষণ বলতে বুঝি কোন নারী বা পুরুষের সাথে তার অনিচ্ছায় তার সাথে জোরপূর্বক জৌন মিলন করা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে মেয়ে গুলি ইচ্ছা কৃত যৌন মিলন করছে কিছু পাবার প্রত্যাশায়। অার যখন তাদের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না তখন তারা ধর্ষণ মামলা করছে।
    # এ ক্ষেত্রে ধর্ষণ মামলা হওয়া উচিৎ নাকি প্রতারণা মামলা হওয়া উচিৎ?
    পরিক্ষায় পাস বা ভাল কলেজে ভর্তির প্রলোভন বাদ দিলাম। ধরা যাক একটা ছেলে একটা মেয়েকে এক হাজার টাকা প্রদানের শর্তে যৌন মিলন করল। কিন্তু ছেলেটা পরবর্তীতে টাকা দিতে অসিকৃতি জানাল। তাহলে এখন কি হবে? এখানে কি বলা হবে যে ১০০০ টাকা প্রদানের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ?

    Reply
  26. মুরাদ মিয়া

    ধর্ষনের খবর শুনতে শুনতে নাকাল দেশবাসী অথচ মহিলারা দেশের বড় বড় পদে আজ ক্ষমতাসীন। সব তুফানলীগের অবদান।।।

    Reply
  27. নাজমুল

    আরো যদি আমেরিকা এবং কানাডার মেয়েদের মতো আমাদের দেশের মেয়েরা ছোট পোষাক পড়তো।তাহলে দেশের অধিকাংশ লোকের ধর্ষনের খাতায় নাম ওঠে যেত। আর এইটা কিসের সফলতা??? আমার মনে হয় বিচারহীনতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সফলতা।

    Reply
  28. সরকার জাবেদ ইকবাল

    বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল। লেখিকাকে ধন্যবাদ। কিন্তু মুশকিলটা হলো এখানেই যে, কলঙ্ক মেয়েদেরই হয়; ছেলেদের নয়। আর তাই পুরুষরা এতটা বেপরোয়া। অতএব, নিজের সম্ভ্রম রক্ষার প্রয়োজনে নারীকেই সতর্ক থাকতে হবে। আমি বলছি না যে, নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় পুরুষের কোন দায়িত্ব নেই। কিন্তু নারীর নিজের স্বার্থেই পুরুষের উত্তেজক হরমোনের (প্রজেসটেরন) কাছে তাকে তার পোশাকে-আশাকে, চলনে-বলনে সংযত এবং সুরক্ষিত থাকতেই হবে। অশালীন ভাষা ব্যবহারের জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলছি, – একবার এক জুম্মার নামাজে বয়ানে ঈমাম সাহেব বলছিলেন, “রাস্তায় ফ্যান ছিটাইয়া থুইলে কুত্তায়তো চাটবোই।” এখন বুঝুন অবস্থাটা! যৌন চাহিদা পূরণের প্রয়োজনে পুরুষ কুকুর হতেও রাজি থাকে!

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—