Feature Img

showkat-f13এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য চেষ্টা করছে এবং সেই লক্ষ্যে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নাই। কাজেই তারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কথা বলবে–এটাই স্বাভাবিক। আমি এব্যাপারে মোটেই অবাক হই না। কারণ এর আগে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো, তারা কিন্তু টুশব্দটি করেনি বরং তারা খুশি হয়েছে। কিন্তু জিয়াউর রহমানকে যখন মারা হয় তখন কিন্তু আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম। This is the difference. যদিও জিয়াউর রহমান একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। তার পরেও জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তাকে ওভাবে মারার কারণে আমরা কিন্তু প্রতিবাদ করেছি। আমি তখন সংসদে ছিলাম কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যার ব্যাপারে আজ পর্যন্তু বিএনপি বা খালেদা জিয়া কেউই কিন্তু প্রতিবাদও করে নাই, হত্যাকারীদের বিচারও চায় নাই। বরং খালেদা জিয়া অনেকটা নির্লজ্জভাবে জন্মদিন পালন করে, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসে। কাজেই আমি মোটেই অবাক হই না জামায়াত এবং অন্যান্যদের সাথে তাদের আঁতাত থাকায় এবং জামায়াতের সহযোগিতা তাদের প্রয়োজন–এই জন্য তারা জামায়াতকে সমর্থন করে এবং এইজন্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করে।

অনেকে বলতে পারেন বিএনপির যে প্রতিষ্ঠাতা উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বে্ও কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়। এই তথ্যতো অস্বীকার করা যাবে না যে জেনারেল জিয়াউর রহমান একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন। সমস্যাটাতো ওনাকে দিয়েই শুরু হয়েছিল। আবদুল আলীমকে তো উনিই মন্ত্রী বানিয়েছিলেন।

তার মানে উনিই প্রথম বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলেন বলা যায়।

উনিই গোলাম আজমকে দেশে এনেছেন, নাগরিকত্ব দিয়েছেন। কাজেই ওনার মধ্যেই গলদ ছিল। উনি ক্লিন লোক ছিলেন না।

এখন বিএনপি বলছে যে জামায়াতে ইসলামী মানবতাবিরোধী কিছু করেনি। আমরা খুব শিঘ্রই আসল সত্য জানতে পারবো।

এখন বিচার কাজ চলছে। বিচারাধীন ব্যাপার কোর্ট সাক্ষ্য প্রমাণের মধ্যদিয়ে এটাকে প্রমাণ করবে। আমি যদি বলি এটা মিথ্যাচর আর একজন যদি বলে না এটা সত্য– আইনের ভাষায় এটার কোন অর্থ নেই। কারণ যখন মামলাটা ট্রাইবুনালে আসবে তখন ট্রাইবুনালে আমদের প্রমাণ করতে হবে তারা দোষী কিনা।

যেহেতু বিচার কাজ দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করতে চাচ্ছে সরকার তাই আরেকটি ট্রাইবুনাল তৈরি করেছে। আরো বেশী ট্রাইবুনাল হলে আরো ভালো। বিচার কার্য এখন আরো তাড়াতাড়ি শেষ হবে বলে মনে হয়।


কর্নেল (অবঃ) শওকত আলী
: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার।

৩০ Responses -- “যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার পেছনে বিএনপির আসল কারণ”

  1. razzakul hyder

    স্যার, আপনার লেখাটি সময়োচিত। আপনিই প্রথম ডাক দিয়েছিলেন চলমান মুক্তিযুদ্ধের। ১৯৮১ সালে যুদ্ধক্ষেত্রের মুক্তিযোদ্ধাসহ আমাদেরকে (যারা ৭১-এ ১৭ বছরের কম হওয়ায় সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করতে পারার এক মহাজ্বালা নিয়ে ছিলাম) নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ গঠন করেছিলেন।

    বর্তমান সময়ের একটি প্রধান ইস্যু নিয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তত্বাবধায়ক ইস্যুতে প্রধান দুই দলের উভয়ের কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধানটি তুলে ধরা জরুরি। আমরা যে ওয়েস্ট মিনিস্টার ডেমোক্রেসি বেছে নিয়েছি তাতে সামনের দিকে যেতে হলে সংসদের মাধ্যমে সমাধানগুলোই শোভন হবে। সব দলের অংশগ্রহণে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সকলেই চান ।

    কিন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অপছন্দ এবং প্রধান বিরোধী দল কর্তৃক সংসদে না গিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে পেশকৃত দাবি বিবেচনা করতে গিয়ে আনীত প্রস্তাবনাগুলো কীভাবে শোভন হতে পারে সেটা ভেবে এগুনো দরকার। ব্যাপারটা হচ্ছে সংবিধানে আবার সংশোধনী আনা। আমরা সবাই স্থায়ী গণতন্ত্রের পক্ষে। তাই আনীত প্রস্তাবে হতে হবে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান। তাই কি ভাবা হচ্ছে?

    শাসক দল আগ্রহী হতে পারে আবার বিরোধী দলও সহজে রাজি হয়ে যেতে পারে এ রকম প্রস্তাবের খসড়া তৈরিতে কেউ এগিয়ে আসছেন না কেন? আমার মতে, (১) সংসদ নির্বাচনের কোনো আসনে পঞ্চাশ ভাগের বেশি ভোট না পেলে প্রথম দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন (এতে কোনো একক দল সহজে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাবে না), (২)প্রত্যক্ষ ভোটে নারী সদস্য নির্বাচন, (৩) চতূর্থ বছরান্তে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের আস্থা না পেলে সরকার পরিবর্তন করে শেষ বছরের জন্য সর্বদলীয় সরকারের বিধান রেখে সংবিধানে সংশোধনী আনা যেতে পারে এবং (৪) নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা।

    উভয় প্রধান দল দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবে তাতে। জার্মানির মতো ৫ বছরের সর্বদলীয় সরকারের ব্যবস্থা ভালো হবে না। কারণ তাতে দেশে বাধাহীনভাবে দুর্নীতি আর তদবিরবাজির চর্চা হতে পারে।

    Reply
  2. Shah jalal Munshi

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ যে,আপনি অনেক অল্প কথায় সত্যটা সবাইকে বুঝাতে পারছেন।জেনারেল জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্দা ছিলেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তার মধ্যে দেশপ্রেমের কোন ঘাটতি থাকার কথা নয়। কিন্তু ১৯৭৫সালের পর জিয়াউর রহমানের কার্যকলাপের প্রেক্ষাপটে,আমাদের মনে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে তার দেশপ্রেম নিয়ে।এর প্রমান,শেখ মজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচারের সম্মুখীন না করে,ঘাতকদেরকে নিরাপদ আশ্র্রয় করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।১৯৭১সালে মু্ক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে যারা আমাদের মুক্তিকামী ভাইদেরকে,বুদ্ধিজিবীদেরকে নির্মমভাবে হত্যা্ করেছে এবং আমাদের মা,বোনদেরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে তাদের ইজ্জত ধংস করেছে,সেই পাকিস্তানি দোসরদেরকে,প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী বানিয়েছেন,এই জিয়াউর রহমান। ৩০লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশ এবং আমাদের লাল সবুজের জাতীয় পতাকা। আজ আমার এই বাংলা মায়ের বুকে,সেই রাজাকাররা জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ান,আজ আমরা কী জবাব দিব, ৩০ লক্ষ শহীদের কাছে ? আর জিয়াউর রহমান,পাকিস্তানের শক্তির স্ব-পক্ষে তাদেরকে পূনর্জীবীত করে রেখেছেন। এতে পরিস্কার প্রমানিত হয় যে, জিয়াউর রহমান দেশপ্রেম নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেন নি। জিয়াউর রহমান,পাকিস্তান জিন্দাবাদকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ নামে,তার মনে প্রানে লালন করে পাকিস্তানপ্রীতির প্রমাণ রেখে গেছেন। তিনি ক্ষমতালোভী ছিলেন। পাকিস্তানকেই তিনি মনে প্রাণে ভালবাসতেন। এখন তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একই পথ অনুসরন করছেন। খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতের সাথে জোট করে,নিজামি রাজাকারকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। আর এখন যুদ্ধাপরাধীদেরকে বাঁচাতে খালেদা জিয়া রাজপথে আন্দোলন করছেন। তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপির দেশপ্রেম পরিস্কার নয়।দল-বল নির্বিশেষে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অনতিবিলম্বে করা হউক।
    শাহ জালাল মুন্সী,কুয়েত প্রবাসী।
    সদস্য,বাংলাদেশ-কুয়েত জনশক্তি কর্মসংস্থান।

    Reply
  3. sajid

    আপনি সত্যিই খুব সহজে কঠিন কথা বলেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি জনগনের ম‌্যান্ডেটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন, এখন সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী জনগনের পক্ষে, দেশের মানুষের পক্ষে আপনার বক্তব্য হওয়া উচিত। আপনি কোন দলের পক্ষে বা গোষ্ঠীর পক্ষে না। তাই আমাদের আশা আপনি সঠিক কথা এবং সত্য কথা বলবেন এই আশা রাখি। প্লিজ সব দিকে চোখ রাখুন। দেশের জন্য কিছু বলুন এবং করুন।

    Reply
  4. shotabdy

    এটা চিরন্তন সত্য: যারা ৭১ এ বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে নিয়ে যারা এখন ঘুরছে ফিরছে, তারা সবাই অবশ্যই রাজাকার।

    Reply
  5. নির্বাসিত বাঙাল

    বাংলাদেশিরা খুব আবেগপ্রবণ জাতি। সবকিছুর মধ্যে এরা ধর্মের গন্ধ খোঁজে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এখানে দুটি ধর্মের মত, তাই আমজনতা এদের দোষ দেখতে পায় না শুধু দেখে গুন আর গুন। তাই এখানে ইতিহাস কোন ভূমিকা রাখতে পারে না। আশংকা করি খুব অচিরেই আমরা ইতিহাসশূন্য জাতিতে পরিণত হবো।

    Reply
  6. পথিক

    সদিচ্ছা থাকলে তিন বছরে বিচার করা সম্ভব!!! বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করতে ৪০ বছর লেগে গেল। এতে কি বুঝা যায় যে সদিচ্ছা ছিল না? অতীত না হয় নাই ঘাঁটলাম, আজ থেকে তো বিএনপি বিচার চাইতে পারে। আওয়ামীলীগ না হয় জিয়ার বিরোধী তাই তারা জিয়া হত্যার বিচার চায় না কিন্তু বিএনপি কেন কোন সমাবেশে বলে না যে “জিয়া হত্যার বিচার চাই। আমরা ক্ষমতায় গেলে জিয়া হত্যার বিচার করবো।”

    Reply
  7. aktaruzzaman

    যুদ্ধাপরাধীদের যা বয়স তাতে তাদের বাঁচানোর জন্য এত বড় একটা রাজনৈতিক দল কখনই নিজের image কে use করার কথা না।

    Reply
  8. Ismail Hossain

    Ismail Hossain on April 22, 2012
    খালেদা জিয়া বুঝতে পারছে না যে, জামায়াত বি.এন.পিকে ব্যবহার করে পার পেতে চাইছে। এদের স্বার্থ হাসিল হয়ে গেলে তারা খালেদা জিয়াকেও আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে। যেমন তারা জোট ক্ষমতার সময় বি.এন.পি লুটপাটে ব্যস্ত ছিল আর জামায়াত সাংগঠনিক কাঠামো দৃঢ় করার কাজে ব্যস্ত ছিল। তাদের চিন্তা ও সাংগঠনিক কাঠামো অনেক সুদুর প্রসারী, এটা খালেদা জিয়া বুঝতে না পারলে পরবর্তীতে সেটার জন্য ভুক্তভোগী হবে একমাত্র খালেদা জিয়াই।

    Reply
  9. rakhi

    এটা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে বিরোধী দল কে শাসন করা, অন্য কিছু নয়। বর্তমান সরকার সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে।

    Reply
  10. Farukh Ahmed

    আওয়ামীলীগকে আরো স্বচ্ছভাবে প্রমান করতে হবে স্বাধীনতাযুদ্ধে তৎকালীন মেজর জিয়ার ভূমিকা কী ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যায় তার সমপৃক্ততা কী এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অর্থাৎ ১৯৭৫-১৯৮১ জিয়ার ভূমিকা কী। আমার মনে হয় বিএনপি জামাতকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করলে মানুষ ক্রমান্বয়ে তাদের দিকেই এগিয়ে আসবে। তা নাহলে স্বাধীনতাযুদ্ধে বিজয় লগ্নে যে ভাবে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আলবদর তথা গো..আজমরা যেভাবে বাংলার সূর্য সন্তানদের গুম করেছিল সেভাবে ক্রমেই এদেশকে মেধাশূন্য করে তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করবে যার আলামত ইলিয়াছ আলীর নিখোঁজ হওয়া।

    Reply
  11. bdit

    নিয়ত এর উপর সব কিছু নির্ভরশীল। জিয়াউর রহমান একজন রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন।এতে জিয়াউর রহমান মুত্তিযোদ্ধা না তা প্রমানিত হয়।

    Reply
  12. Engr Ashraf

    এই লেখার পক্ষে যারা মন্তব্য করছে শুধুমাত্র তাদের মন্তব্যই প্রকাশ করা হচ্ছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একদম একমত।

    Reply
  13. ইফতি

    শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হবার পর বিএনপি কোন প্রতিবাদ করেনি। যে সময় বিএনপির জন্মই হয় নি, সে সময় বিএনপি কি করে প্রতিবাদ করতো? প্রকৃত সত্য হচ্ছে শেখ মুঝিবের মৃত্যুর পর তাঁর লাশকে সিঁড়িতে রেখে আওয়ামী লীগের নেতারাই তখন রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী হয়েছিলেন। এই অভিযোগ আমাদের নয়, খোদ বর্তমান আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যের।

    Reply
  14. Shah jalal Munshi

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ যে,আপনি অনেক অল্প কথায় সত্যটা সবাইকে বুঝাতে পারছেন।জেনারেল জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্দা ছিলেন। একজন মুক্তিযোদ্দা হিসাবে তার মধ্যে দেশপ্রেমের কোন ঘাটতি থাকার কথা নয়। কিন্তু ১৯৭৫সালের পর জিয়াউর রহমানের কার্যকলাপের প্রেক্ষাপটে,
    আমাদের মনে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে তার দেশ প্রেম নিয়ে।এর প্রমান,শেখ মজিবুর রহমানের হত্যাকারিদের বিচারের সম্মুখীন না করে,ঘাতকদেরকে নিরাপদ আশ্র্রয় করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।১৯৭১সালে মু্ক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে যারা আমাদের মুক্তিকামী ভাইদেরকে,বুদ্ধিজিবীদেরকে নির্মমভাবে হত্যা্ করেছে এবং আমাদের মা,বোনদেরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে তাদের ইজ্জত ধংস করেছে,সেই পাকিস্তানি দোসরদেরকে,প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী বানিয়েছেন,এই জিয়াউর রহমান। ৩০লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশ এবং আমাদের লাল সবুজের জাতীয় পতাকা। আজ আমার এই বাংলা মায়ের বুকে,সেই রাজাকাররা জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ান,আজ আমরা কী জবাব দিব, ৩০ লক্ষ শহীদের কাছে ? আর জিয়াউর রহমান,পাকিস্তানের শক্তির স্ব-পক্ষে তাদেরকে পূনর্জীবীত করে রেখেছেন। এতে পরিস্কার প্রমানিত হয় যে, জিয়াউর রহমান দেশপ্রেম নিয়ে মুক্তিযুদ্দ করেন নি।জিয়াউর রহমান,পাকিস্তান জিন্দাবাদকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ নামে,তার মনে প্রানে লালন করে পাকিস্তানপ্রীতির প্রমাণ রেখে গেছেন। তিনি ক্ষমতালোভী ছিলেন। পাকিস্তানকেই তিনি মনে প্রানে ভালবাসতেন। এখন তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একই পথ অনুসরন করছেন। খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতের সাথে জোট করে,নিজামি রাজাকারকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। আর এখন যুদ্ধ অপরাধীদেরকে বাঁচাতে খালেদা জিয়া রাজপথে আন্দোলন করছেন। তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপির দেশপ্রেম পরিস্কার নয়। অবশেষে,দল-বল নির্বিশেষে যুদ্দ অপরাধীদের বিচার অনতিবিলম্বে করা হউক।
    শাহ জালাল মুন্সী,কুয়েত প্রবাসী।
    সদস্য,বাংলাদেশ-কুয়েত জনশক্তি কর্মসংস্থান।

    Reply
  15. rajon

    এই লেখার পক্ষে যারা মন্তব্য করছে শুধুমাত্র তাদের মন্তব্যই প্রকাশ করা হচ্ছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    Reply
  16. জামান

    কথাগুলো আরও গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করা যেত। আওয়ামীলীগ ও বি এন পি দুটি ভিন্ন ধারার দল। যদিও দেশের অকল্যাণের প্রশ্নে তাদের নীতি একই। যেমন স্বাধীন দেশে শাসন ব্যাবস্থার বারোটা বাজিয়ে লুটে পুটে খাওয়া, বিচার বিভাগ, সংবাদপত্র ইত্যাদির স্বাধীনতা ভলুণ্ঠিত করে ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করা।
    যা হউক, আমার কতিপয় বি এন পি সমর্থক বন্ধু নেতা রয়েছেন যারা কোন একটা সময় ঠিকই বলে বি এন পি আসলে একটা জারজ দল, যাদের কোন আদর্শ নেই। হতে পারে ব্যাপারটা সত্যি। কিন্তু মানুষ কেন এদের সমর্থন করে? বি এন পি’র ৯৯% নেতাই তো আওয়ামীলীগ থেকে এসেছে তার পরও তাদের এই দশা? ইদানিং ৯০% বি এন পি সমর্থক -কে বলতে শোনা যায় পাকিস্তান আমল এর চেয়ে ভাল ছিল। তার মানে তারা যে সময় ক্ষমতায় ছিল সে সময় পাকিস্তানি আমেজ-ই বজায় রাখতে চেয়েছে। আসলে আমাদের আদর্শ চ্যুতি ঘটেছে।

    Reply
  17. জাতি জানতে চায়

    আমি বয়সে আপনার অনেক বেশী ছোট হব , জানিনা আমার কথাগুলো বেয়াদবী হয়ে যাবে কিনা ! যদি কোন ভূল থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন।

    ১. আপনি বলেছেন ” বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নাই। ”

    উত্তর : বিএনপিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা অবশ্যই অনেক , যদি বিএনপি যারা করে তাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক না-ই থাকে , তাহলে এত মুক্তিযোদ্ধা আসলো কোথা হতে ?

    ২. আপনি বলেছেন ” বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো, তারা কিন্তু টুশব্দটি করেনি বরং তারা (বিএনপি ) খুশি হয়েছে ”

    উত্তর : আপনি আমার থেকে অনেক বেশী জ্ঞানী , আমি আমার এই বয়সে অনেক বড় বড় বিএনপি নেতাকে এই নিয়ে কথা বলতে দেখেছি । হয়তবা আপনি কোথাও একটা ভূল করছেন , যার কারনে ব্যাপারটি আপনার চোখ এডিয়ে গেছে ।

    ৩. আপনি বলেছেন ” বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করে ”

    উত্তর : বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করছে না , বরং সুস্ঠু একটি বিচার তারা দাবি করছে , যেখানে কোন দলকে রাজনৈতিকভাবে এই ইস্যুটি নিয়ে যেন না হয়রানি করা হয়। কারন আপনার খুব ভাল করে জানা আছে আমাদের সরকারি দলেও যুদ্ধাপরাধী আছেন।

    ৪. আপনি বলেছেন ” আমরা খুব শিঘ্রই আসল সত্য জানতে পারবো ( যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে) ”

    উত্তর : আমরা দেশের সাধারন জনগনও একই আশা নিয়ে বসে আছি । দেশের ১৬ কোটি মানুষ সবাই সেই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছে , যেদিনটিতে দেশ কলঙ্ক মুক্ত হবে ।

    শেষে একটি কথা বলতে চাই , আমরা দেশের আমজনতা আমাদের দেশের নেতাদের থেকে কোন অংশে দেশকে কম ভালবাসি না , বরং এখন দেশপ্রেমটা নেতাদের থেকে জনগনের বেশী… এইটা আপনি বিম্বাস করুন আর নাই করুন , কিন্তু এটাই সত্য।

    Reply
    • জাতি সঠিক বিষয় জানতে চায়

      আপনি কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসে বেগম খালেদা জিয়ার বিকৃত জন্মদিন পালনের বিষয়ে কোন মন্তব্য করেন নি। কেৌশলে বাদ দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার জন্মদিন কোনটি ?

      Reply
  18. প্রজন্ম ৭১

    বিঞপি’কে মুক্তিযুদ্মের পক্ষের শক্তি বলার কোন যুক্তি আমি খুঁজে পাইনা, কারন নিম্নরুপঃ
    ১। বিঞপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কিভাবে মুক্তিযোদ্ধ তা আগে আমাদের জানতে হবে। ৮ ই বেংগল ছিল পশ্চিম পাকিস্তানিদের একটি বিশ্বস্ত ইউনিট। যে ইউনিটের উপ–অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়া। ৮ ই বেংগলের মার্চ মাসে যুদ্ধের পূর্বেই পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু নৌ পথে যে জাহাজে তাদের পাকিস্তানে নেয়া হবে সেই জাহাজে আনা হয় বাঙ্গালী নিধনের বিপুল পরিমাণ মরনাস্ত্র। এটা আঁচ করতে পেরে বন্দরের শ্রমিকরা সেই সোয়াত জাহাজের অস্ত্র খালাসে অনিহা দেখালে অস্ত্র খালাসের দায়িত্ব দেয়া হয় বিস্বস্ত মেজর জিয়াকে। এতো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খালাস করতে অনেক সময় লেগে যায়। ইত্যবসরে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে চতুর জিয়া বুঝতে পারে তার আর পাকিস্তানে যাওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে বাংঙ্গালী আর্মি অফিসারদের উপর তখন যে পরিমাণ জুলুম অত্যাচার হচ্ছে তাতে পাকিস্তানী বন্ধুদের উপরেও আস্থা রাখতে পারছিলেন না। অপর দিকে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিলে একজন মেজর হিসেবে তিনি মূল্যায়িত হবেন। সার্বিক দিক বিবেচনায় নিজের জন্য সুবিধাজনক বিবেচনা করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশের টানে নয়।
    ২। যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর পরাজয় হয়। পাকিস্তানীদের এদেশিয় দোসর যারা ছিলেন তারা পাকিস্তানে পালিয়ে নিজেদের রক্ষা করে। পরবর্তীতে পরাজিত সেই সকল যুদ্ধাপরাধীরা যথন দেখলেন জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের মাটিতে তারা আর পা রাখতে পারবেন না, তখন তারা আবার নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং এদেশে তাদের কার্য সিদ্ধির জন্য পুরাতন বিশ্বস্ত বন্ধু জিয়াউর রহমানকে বেছে নেয়। আর তাদের এই ষড়যন্ত্রে আমাদের হারাতে হয় জাতির পিতাকে।
    ৩। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় জিয়াউর রহমান, পাশ করে ইনডেমিনিটি বিল। দেশে ফিরিয়ে আনেন শীর্ষ রাজাকারদের। ফিরিয়ে দেয় নাগরিকত্ব, রাজনীতি করার অধিকার, দেন মন্ত্রিত্ব, পুরস্কৃত করেন বঙ্গবন্ধুর খুনীদের।
    ৪। অনেকেই বলে জামায়াত বিঞপি’র শরিকদল, আমি তা মনে করি না। কারন ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীরা দেশে ফেরত আসার জন্য, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হতে না দেয়ার জন্য উপরোক্ত চক্রান্ত করে জিয়ার মাধ্যমে এদেশে পুনরায় তাদের আসন পাকাপোক্ত করার জন্য জামায়াতে ইসলামই বিএনপি সৃষ্টি করে। প্রকৃত কথা হচ্ছে বিঞপি’র জন্ম জামায়াতের গর্ভে।
    ৫। তাইতো আজ যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে তখন বিএনপি’র নেত্রী জনাকীর্ণ সমাবেশে সেই গোলাম আযমরা কোন যুদ্ধাপরাধ করেনি বলে গলা ফাটায় তখন আমি বিস্মিত হই না। কারণ নাড়ির টান।
    ৬। আগামী নির্বাচনে যদি বিএনপি ক্ষমতার মসনদে বসতে পারে আমি ১০০ ভাগ নিশ্চিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলার মাটিতে আর সম্ভব হবে না।

    Reply
  19. shovon

    খুবই অল্প কথায় ঠিক বলেছেন।বেশী কথা মানুষ শুনতে চায় না।
    জিয়াউর রহমান একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। এতে যদি জিয়াউর রহমান বিশ্বাসঘাতকতার কাজ করে থাকেন,,তাহলে খালেদা জিয়ার উচিত এ থেকে শিক্ষা নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব এই সব ব্যক্তি ও দল থেকে নিজেদের রক্ষা করা। আর না পারলে একদিন তিনিও রক্ষা পাবেন না।
    শোভন

    Reply
  20. ব্লগার হায়রে দুনিয়া

    মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী তখন বলেছিলেন,’I am not unhappy’.তাই আজ জানতে চাই আপনারা ঠিক কি উপায়ে জিয়া হত্যার বিচার চেয়েছিলেন??
    আর সদিচ্ছা থাকলে বিচার তিন বছরে শেষ হয়না এটা মেনে নেয়া যায় না।

    Reply
  21. মিজান গ্রীস

    কে ক্লিন কে ক্লিন না সেটা আপনার লেখার ভিতর দিয়ে বেরিয়ে এসেছে। কথা হল তাদের সকলকে ক্লোরিন দিয়ে ওয়াশ করা দরকার। তারপর যদি ঠিক হয়।

    Reply
  22. রফিক

    জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু তার পরবর্তী কর্মকান্ড বিশ্লেষন করলে আসলে দুইটা জিনিস মনে হয়। হয় তিনি আদর্শচ্যূত হয়েছিলেন, ক্ষমতার লোভে আদর্শকে বিসর্জন দিয়েছিলেন অথবা তার মধ্যে কখনোই আদর্শ ছিল না। পরিস্থিতির চাপে পড়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি হয়ত ক্ষমতার লোভে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধে জিতলে তিনি ক্ষমতা পাবেন(পেয়েও ছিলেন) – এই ধারনা থেকে তিনি যুদ্ধ করেছেন।

    জানিনা কোনটা সঠিক। তবে ইতিহাস ঘেটে যা পেয়েছি তাতে মনে হয় দ্বিতীয়টাই সঠিক। কারন মুক্তিযুদ্ধে তিনি বীরত্বপূর্ণ কিছু করেছেন এমন কোন ঘটনা আমি পাইনি। কর্নেল তাহের বা খালেদ মোশাররফ যেমন নিজেরাই যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে যুদ্ধ করেছেন জিয়া তেমনটা করেন নি। তিনি প্রায়ই কমান্ড মানতেন না। এজন্য তার সাথে ওসমানীর সম্পর্ক ভাল ছিল না। এমনকি কমান্ড না মানায় ওসমানী একবার জিয়াকে ফায়ার করতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে জিয়াকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার কর্মকান্ড আরও বেশী বিতর্কিত। যেমন –
    # মুজিব হত্যার পরিকল্পনার কথা তিনি জানতেন। এই কথা খুনিরা নিজেরাই বলেছে। জেনেও তিনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা না নিয়ে উলটো এগিয়ে যেতে বলেছেন। সুতরাং মুজিব হত্যার দায় তার উপরও অনেকখানি বর্তায়।

    # ৭ নভেম্বরের অভ্যূত্থানে তিনি ক্ষমতায় আসেন। এই অভ্যূত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল তাহের। অথচ ক্ষমতায় আসার পর এই অভ্যূত্থান করার অপরাধেই তিনি কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেন। যেই আইনে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয় সেই আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন। সুতরাং জিয়া স্পষ্টত তাহেরকে হত্যা করেছেন এবং এই কাজে তিনি রাষ্ট্রকে ব্যাবহার করেছেন।

    # শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য তিনি সংবিধানে বিসমিল্লাহ লাগিয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় প্রণীত সংবিধান নষ্ট করেছেন। জাতি হিসেবে আমরা বাঙালি হলেও তিনি আমাদের জাতীয়তাই বদলে দেওয়ার মত অদ্ভুত কাজ করেছেন। ক্ষমতার জন্য তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের দলে ভিড়িয়েছেন। তার দলের স্লোগান “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” তিনি “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” থেকে ধার করেছেন। সুতরাং তার মধ্যে পাকিস্তান প্রীতি ছিল এতে কোন সন্দেহ নেই।

    # তিনি ছাত্ররাজনীতিকে কলুষিত করেছেন। যারা সেই সময় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনে সন্ত্রাসী হিসেবে কুখ্যাত ছিল তাদের তিনি দলে টেনেছেন, অস্ত্র দিয়েছেন শুধুমাত্র ক্ষমতাকে পোক্ত করার কাজে।

    # ক্ষমতায় থাকাকালে তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০টির মত বিদ্রোহ হয়। প্রত্যেকটাই তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাবে দমন করেন। বিমানবাহিনীর এক বিদ্রোহে তিনি নির্বিচারে সবাইকে ফাঁসি দিয়েছিলেন। এই বিচারের পর বিমানবাহিনীতে মাত্র ১১ জন অবশিষ্ট ছিল।

    এরকম আরও অনেক উদাহরন আছে যেগুলো আসলে একজন মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে করা সম্ভব নয়। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী রঙ বদলানো মানুষ। যা কিছু তিনি করেছেন তার মূলে ছিল ক্ষমতা, সেখানে কোন আদর্শিক ব্যাপার ছিল না।

    Reply
  23. Shahinul Huda Jewel

    ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার লেখা এই সরল সত্যি কথা গুলো এই প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়া জরুরি। রাষ্ট্রপতি যিয়াউর রাহমান সজ্ঞানে এবং সুন্দর ভাবে তার সময় এবং পরবর্তী সময়ের সরকার গুলো মুজিব হত্যা বা মুজিবের ইতিহাস অনেক গুলো বছর চাপা দিয়ে রেখেছিল ৭৫ পরবর্তী প্রজন্ম কে জানতেই দেয়া হয়নি সঠিক ইতিহাস। রচনা করা হয়েছে ইচ্ছামত ইতিহাস যা পাঠ্য পুস্তকে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    আমার দুঃখ লাগে যখন বিএনপির সব নেতা নেত্রীরা অন্ধভাবে জামায়াতকে রক্ষার চেষ্টা করে! কোথায় তাদের ভালবাসা এই দেশের জন্য? মুজিব হত্যার ব্যাপারে তারা টু শব্দ করবে না এটাই সত্যি।।।। কিন্তু তারা কি আজ পর্যন্তও জিয়ার হত্যার বিচারের চেষ্টা করেছে? না করে থাকলে কেন করেনি, কেন করেনা? নোংরা রাজনীতির প্রবর্তক জিয়া এটা তার রাজাকার প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ থেকেই বোঝা যায়! এদের রাজনীতি ক্ষমতার জন্য, দেশের জন্য না। দেশের জন্য রাজনীতি এখন আর কেউ করে না এই সত্যি, তা আমরা টের পাচ্ছি আজকাল! দুর্ভাগ্য আমাদের আমরা একজন মাহাতির পাইনি। সব দেশ সোনার খনি তেলের খনি পায় আর আমরা প্রতিবার পাই চোরের খনি।

    Reply
  24. দেশ প্রেমিক

    জাতীয় শোক দিবসে নতুন উদ্ভাবিত জন্মদিন খুব লজ্জাজনক , জাতির জন্য আপমানের।

    Reply
    • Rasu

      বি,এন,পি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে। আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধীদের সাথে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন দেখে ব্যাপারটা কেমন ? আবার স্বপ্নই বা কি? ১৯৭১ এ জামাতীরা
      পাকিস্থান রক্ষার স্বপ্ন দেখতেন। এজন্য তারা নিজদের মুক্তিযোদ্ধা দাবী করেন। এই বিভ্রান্ত রাজনীতির হোতা বি,এন,পি –বাংলাদেশ জাতীয়তাববাদী দল—জাতীয়তাবাদী দল—জাতীয়তাকে নিয়ে বাদী দল। নিশ্চয় অন্যান্য দল জাতীয়তাকে নিয়ে বিবাদী।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—