মেজর (অব) জিয়াউদ্দিনকে প্রথম দেখি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরের দিনগুলোতে, ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে আবু ইউসুফ খান বীর বিক্রমের বাসায়। তখন তাঁর সঙ্গে সরাসরি পরিচয় ছিল না। তিনি সুন্দরবন থেকে গ্রেপ্তার হন ডিসেম্বরে। ১৯৭৭ সালের কোনো এক সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে আসবেন বলে জাসদ নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে খবর পাই। আমি তখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তাঁর অপেক্ষায় একবার আউটডোর আর একবার এমার্জেন্সিতে দৌড়াচ্ছি। তখন এমারোজন্সি ছিল এখনকার পরিচালকের অফিস যেখানে, সেখানে। আর আউটডোরটি বর্তমানের স্থানেই।

যাহোক, এক সময় এমারজেন্সি দিয়ে তিনি প্রবেশ করলেন। বুক-চিতানো লম্বা গড়নের স্মিত হাস্যোজ্জ্বল জিয়া ভাইয়ের এক হাতে হাতকড়া লাগানো। পেছনে কমপক্ষে ৫০ জন পুলিশ। সমবেত মানুষ তাঁর চলার পথের দুপাশে দাঁড়িয়ে গেল এক নজর দেখার জন্য। যদিও তিনি পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে এসেছেন কয়েদি (সাজাপ্রাপ্ত বন্দি) হিসেবে, কিন্তু আমার কাছে মনে হল তিনি একজন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এত পুলিশ তাঁর পাহারায়, করিডোরের দুপাশে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে!

দৌড়ে গেলাম তাঁর পাশে, পরিচয় দিলাম। তিনি বললেন, জেলখানা থেকেই তিনি জেনে এসেছেন, আমি তাঁর জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অপেক্ষায় থাকব। আমার দায়িত্ব ছিল তিনি চিকিৎসার জন্য যে চিকিৎসকের কাছে যাবেন তাঁকে জিয়া ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। বলাবাহুল্য, সেটার আর দরকার হয়নি। গোটা হাসপাতালই যেন তাঁকে অভ্যর্থনার জন্যে দাঁড়িয়ে ছিল।

পুলিশ আমাকে এক ঝটকায় সরিয়ে দিতে চাইল। জিয়া ভাই গম্ভীর গলায় পুলিশকে বললেন, ”হি ইজ এ ডক্টর, আই নিড হিম ফর মাই ট্রিটমেন্ট।”

যাহোক, পুলিশ আমাকে জিয়া ভাইয়ের পাশে পাশে থাকতে আর বাধা দিল না। কোন ডাক্তারের কাছে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেটা মনে নেই। তবে জিয়া ভাইকে পরিচয় করিয়ে দিতে হল না। বরঞ্চ তিনিই আমাকে ডাক্তারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। বিপুল পুলিশের উপস্থিতি, গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক আগেভাগেই হাসপাতালের পরিচালককে জানানো ইত্যাদি কারণে সব কিছু নির্ঝঞ্ঝাটে হয়ে গেল।

জেলখানা থেকে মুক্তি পাবার পরে জিয়া ভাইয়ের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ হই। তিনি কর্নেল তাহের মামলায় গোপন সামরিক আদালতে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। গোপন বিচারে কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমের ফাঁসির রায় ঘোষণা হবার পরই জিয়া ভাই তাহের ভাইয়ের জবানিতে একটা কালোত্তীর্ণ কবিতা লিখে গেছেন। তাহের ভাই সে কবিতার কথা পরিবারের প্রতি তাঁর শেষ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। পড়েছেন ২১ জুলাই ভোরে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হবার ঠিক আগের মুহূর্তেও।

“জন্মেছি, সারা দেশটাকে কাঁপিয়ে তুলতে, কাঁপিয়ে দিলাম।
জন্মেছি, তোদের শোষণের হাত দুটো ভাঙব বলে, ভেঙে দিলাম।
জন্মেছি, মৃত্যুকে পরাজিত করব বলে, করেই গেলাম
জন্ম আর মৃত্যুর বিশাল পাথর রেখে গেলাম

পাথরের নিচে, শোষক আর শাসকের কবর দিলাম
পৃথিবী, অবশেষে এবারের মতো বিদায় নিলাম।”

 

Ziauddin - 222

 

জিয়া ভাই মুক্তিযুদ্ধে ৯ নং সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। সেই যে তিনি সুন্দরবনকে ভালোবেসে ছিলেন, সে ভালোবাসা ছিল আমৃত্যু। ১৯৭৫এর ৭ নভেম্বর তিনি ঢাকায় ছিলেন না, কর্তব্যকর্মে ঢাকার বাইরে ছিলেন। সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানে তিনি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করতে না পারায় খুবই মনোকষ্টে ভুগছিলেন। তবে তিনি ঢাকায় থেকে যদি ৭ নভেম্বরে বিপ্লবী সিপাহীদের প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দিতে পারতেন, তাহলে হয়তো হতে পারতেন রুশ বিপ্লবের মূল কেন্দ্র পেট্রোগ্রাদ সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের কমান্ডার ট্রটস্কির মতো সফল। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান হযতো জিয়াউর রহমানের কাছে হাতছাড়া হত না।

সে সময় তিনি তাহের ভাইয়ের কাছ থেকে অনুমতি চাইছিলেন সুন্দরবনে তাঁর মুক্তিযুদ্ধের ঘাঁটি এলাকাতে বিপ্লবের ‘মুক্ত এলাকা’ গঠন করতে। চীন বিপ্লবের মাও জে দং হয়তো তাঁকে এ ধরনের চিন্তায় প্রভাবিত করে থাকতে পারেন। স্বাধীনতার পূর্বকালে ছাত্রজীবনে জিয়া ভাই মাওপন্থী ছাত্রসংগঠন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তবে তাহের ভাই তাতে সায় দিতে চাচ্ছিলেন না। কারণ জাসদ রাজনীতির বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানের নীতি ছিল রাজধানীকেন্দ্রিক গণঅভ্যুত্থান, মাওয়ের চীন বিপ্লবের মতো ‘গ্রাম এলাকা মুক্ত করে শহর ঘেরাও করা’ নয়।

তবু জিয়া ভাই যখন ‘নাছোড়বান্দা’ তখন তাহের ভাই তাঁকে বললেন, ”তুমি যখন সেনানিবাসে ফিরে যাবে না, আত্মসমর্পণ করবে না, তখন কটা দিন সুম্দরবনে কাটিয়ে এস। পরিস্থিতি অনুকূল হলে ঢাকাতে ফিরে এস। অনেক কাজ বাকি পড়ে রয়েছে।“

তাহের ভাইয়ের গ্রেপ্তারের পর জিয়া ভাইও সুন্দরবনে জেলেদের নৌকা থেকে গ্রেপ্তার হন। পুলিশ ও নৌবাহিনীর এক বিশাল বাহিনী গোটা দুবলার চর ঘেরাও করে তাঁকে অনেক খুঁজে গ্রেপ্তার করে। কারণ জেলেদেরে কেউ তাঁকে দেখিয়ে দিচ্ছিল না। পুলিশের গোয়েন্দারা তাঁর দীর্ঘ অবয়ব দেখে এক জেলেনৌকায় তাঁকে শনাক্ত করে। তবে পুলিশের এক শুভানুধ্যায়ী তাঁকে কানে কানে বলে দেয়, যতই তাঁকে বন্দুকের বাট দিয়ে পিটানো হোক, তিনি যেন মাটিতে শুয়ে না পড়েন। কারণ উপরের নির্দেশ আছে জিয়া ভাইকে ধরার পরে হত্যা করার। শুয়ে পড়লে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে বলা হবে, উত্তেজিত জনতা তাঁকে হত্যা করেছে।

পরামর্শটি কাজে লেগেছিল। জিয়া ভাই চরম নির্যাতন সহ্য করে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় থানায় নেওয়া হয়। হাজার হাজার জনতা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য থানা ঘেরাও করে। তারা শুনেছিল জিয়া ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের শান্ত করার জন্য মাঝখান থেকে কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠকে থানার ভেতরে ডেকে নিয়ে জিয়া ভাইকে দেখানোর পর জনতা থানা থেকে ফিরে যায়।

জিয়া ভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মুক্তিযুদ্ধে ও ১৯৭৫এর নভেম্বরে বিপ্লবে উত্তাল দিনগুলোতে সুন্দরবনে তাঁর ঘাঁটি গড়ে তোলা– এগুলো আমাদের কাছে প্রবাদসম। জিয়া ভাই যেখানে থাকুন আমাদের জন্য অহংকার হয়েই থাকবেন। নতুন প্রজন্মকে সাহসী করে তুলতে হলে তাঁকে এক আলোকবর্তিকা বলে মানতে হবে।

মুশতাক হোসেনজাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য

২০ Responses -- “মেজর (অব) জিয়াউদ্দিনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি”

  1. Mr.Wali Ullah

    শত দল এবং মতের বাহিরে / উদ্বে উঠে, এই বীর সেনাপতিকে জানাই স্বঃশ্রদ্ধ সালাম,দুদিনের প্রান্তশালা ছেড়ে সবাকে একদিন চলে যেতে হবে,তাই সাবাইকেই নিজের কাছে নিজে সৎ মানুষ হিসাবে সব কর্ম করা উছিৎ।আমরা বিশ্বাস করি কৃতকর্মের জন্য সবাইকে জবাব দিতে হবে।আমি তার আত্নার শান্তি কামনা করি —-,
    এই সব সূর্য সন্তানদেরকে রাষ্ট্র তথা সবাইকে মনে রাখা উছিৎ —–,এদের অবদানে আজকের এই বাংলাদেশ।

    Reply
  2. এ করিম

    ষাটের দশকে তরুণেরা হতাশা আর বিষণ্নতায় ডুবে ছিল; ওই প্রজন্মকে বলা হতো ‘স্যাড জেনারেশন’। তারা উন্মাতাল হয়ে সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টিতে বা কর্নেল তাহেরের বিপ্লবে যোগ দিত । এখন মনে হয়, নতুন এক ‘স্যাড জেনারেশন’ জঙ্গিবাদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তরুণটি কোন পরিবারের সেটা মুখ্য নয়। মুখ্য হলো সে তার সামনে কোনো আশার আলো দেখতে পাচ্ছে কি না। তাদের সামনে কোনো রোল মডেল আছে কি না, যাকে তারা আদর্শ জ্ঞান করে অনুসরণ করতে পারে। জঙ্গিবাদ আরেকটি নির্মম সত্য হলো আগে ধারণা ছিল জঙ্গি হামলায় অংশগ্রহণকারীরা মাদ্রাসার ছাত্র বা অসচ্ছল পরিবারের সন্তান। কিন্তু গুলশান, শোলাকিয়া ও কল্যাণপুরের ঘটনায় তরুণেরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং এরা প্রায় সবাই সচ্ছল পরিবারের সন্তান। তার মানে পেটের দায়ে জঙ্গি হয় না। হয় ‘মতাদর্শে’র দায়ে। সে মতাদর্শ ভুল বা ঠিক হোক।

    Reply
  3. মহিম সিকদার

    ডা: মো: মুশতাক হোসেন আপনি মেজর (অব) জিয়াউদ্দিন কে নিয়ে যে স্মৃতিচারন করেছেন তা পড়ে আমার হৃদয় ভেঙ্গে যায়।এই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম।

    Reply
  4. সিম্পলগার্ল

    সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দিতে রাজী না হয়ে তিনি বলেছিলেন সাঈদী অপরাধ করেছেন বলে তার জানা নেই।

    Reply
  5. মাসুদ

    খালেদ মোশাররফ নিহত হয়েছিলেন ৭ নভেম্বর। তার দাফন হয়েছিল দুদিন পর ৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টেরই গোরস্থানে। খালেদ মোশাররফকে কারা হত্যা করেছিল? জিয়ার অনুগত সেনা অফিসাররা, নাকি কর্নেল তাহেরের সিপাহী বিদ্রোহে যোগ দেওয়া সিপাহীরা? না, এ প্রশ্নের সঠিক কোনো উত্তর নেই। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সেনাবাহিনীর যেসব কর্মকর্তা বিভিন্ন বই পুস্তকে লিখেছেন সেখানেও সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনার গড়মিল পাওয়া যায়। আবার যাদের নাম এসেছে তারাই বা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকল সেটাও রহস্যাবৃত বলে মনে হয়। ৩ নভেম্বরে খালেদ মোশাররফ-এর নেতৃত্বে যে অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় সেখানে অন্যতম ভূমিকা রাখেন ৪৬ ব্রিগেডের প্রধান কর্নেল শাফায়াত জামিল। তার লেখা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ রক্তাক্ত মধ্য-আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর বইয়ের ১৪৪ পৃষ্ঠায় খালেদ মোশাররফ হত্যাকাণ্ড নিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে এভাবে- শেষ রাতের দিকে দশম বেঙ্গলের অবস্থানে যান খালেদ। বেলা এগারোটার দিকে এলো সেই মর্মান্তিক মুহূর্তটি। ফিল্ড রেজিমেন্টে অবস্থানরত কোনো একজন অফিসারের নির্দেশে বেঙ্গলের কয়েকজন অফিসার অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় খালেদ ও তার দুই সঙ্গীকে গুলি ও বেয়নেট চার্জ করে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি আজো।

    Reply
    • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      বিখ্যাত সাংবাদিক লিফশুলজের মহামান্য হাইকোর্টে প্রদত্ত মামলাসংক্রান্ত সাক্ষ্য সংবাদপত্রে পড়েছি এবং নির্মোহভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছি­ আজকের বাস্তবতায় তিনি ঘটনার যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা তার মতো করে প্রায় একই সুরে জিয়াবিরোধীদের মুখে শুনতে শুনতে অন্তত আমার কান পচে গেছে। জিয়া নিরপরাধ কর্নেল তাহেরকে সামরিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের প্রহসন করে বিনা বিচারে হত্যা করেছেন প্রভৃতি।সবিনয়ে প্রশ্ন করতে চাই­ তিনি যে দেশের মানুষ সে দেশের সেনাবাহিনীতে সে দেশের কোনো কমিউনিস্ট সংগঠন অতিগোপনে সংবিধান বহির্ভূতভাবে সেনাবাহিনীতে সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সৈনিক সৈনিক ভাই ভাই জেসিও’র (ওয়ারেন্ট অফিসার) ওপরে অফিসার নাই­ এমন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পিপলস আর্মি গঠনের বাস্তব পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং গ্রহণ করে তা প্রয়োগের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহ সংঘটিত করে বিদ্রোহের কারণে বহু অফিসার নির্মমভাবে বিপ্লবী সৈনিক সংস্খার গুলিতে নিহত হলেও বিপ্লব সংগঠনকারীরা পরাজিত হলে আমেরিকার কোন কোর্টে এবং আমেরিকার কোন আইনে তাদের বিচার হতো? আমার প্রশ্ন­ এ ধরনের সেনাবাহিনীতে বেআইনি বিপ্লব সংগঠনকারীরা কি নিরপরাধ? তাৎক্ষণিক অপরাধ তাৎক্ষণিক বিচার। সামরিক বিষয় প্রায় এই রকম। একটা বিষয় ভুললে চলবে না, কর্নেল তাহের সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার এবং তিনি ও তার অনুগামীরা মিলে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক সংস্খা নামের কমিউনিস্ট আদর্শের সংবিধানবহির্ভূত অবৈধ গোপন সংগঠন তৈরি করে সামরিক বিদ্রোহ সংঘটিত করেছিলেন। যার উদ্দেশ্য ছিল, দেশের সামরিক বাহিনীকে আইনবহির্ভূত অবৈধভাবে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করা। ওই সময়ের অবস্খা বিবেচনায় নিলে চরম বিশৃঙ্খল সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এমন কঠোর আইনে বিচার সমীচীন ছিল বলে অন্যরা মনে করেন। —-লেখক : মুক্তিযোদ্ধা, অব. মেজর জেনারেল ও সাবেক বিডিআর প্রধান

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        আপনি আপনার পরিচয়ে প্রাজ্ঞ এবং বিজ্ঞ। তাই, মন্তব্য করার মত দু:সাহস আমার নেই। তারপরও সবিনয়ে বলতে চাই আপনি বিষয়টি দেখছেন সেনাবাহিনীর বজ্রকঠোর শৃঙ্খলার আঙ্গিক থেকে; ব্যাপক জনগণের মুক্তির আকাঙ্খার দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। জনগণের কাতারে নেমে এলে খুশি হতাম।

  6. মাহমুদ রিয়াদ

    যাদের সাহস নেই তারা একটা কাজ খুব ভাল করতে পারে, আর তা হল সাহসীদের সমালোচনা করা। (রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা – আনোয়ার উল আলম )।

    Reply
  7. আলতাফ মাহমুদ

    জিয়াউদ্দিন আহমেদ ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনীর মেজর হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে তাতে যোগ দেন। চাকরিতে থাকা অবস্থায় ১৯৭৪ সালে সাপ্তাহিক হলিডে পত্রিকায় নিবন্ধ লেখার জন্য শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে চাকরীচ্যুত করা হয়। তখন তাঁর পদবি ছিলো লেফটেন্যান্ট কর্নেল ।চাকরীচ্যুত হওয়ার পর তিনি পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টিতে যোগ দেন । ‘পূর্ব বাংলার শ্রমিক আন্দোলনের খসড়া থিসিসে সিরাজ সিকদার পূর্ব বাংলাকে পশ্চিম পাকিস্তানের উপনিবেশ বলে অভিহিত করেন। প্রধান দ্বন্দ্ব নির্ধারণ করেন বর্তমান সামাজিক বিকাশের প্রক্রিয়ায় পূর্ব বাংলার জনগণের সাথে পাকিস্তানি উপনিবেশবাদীদের জাতীয় দ্বন্দ্ব। থিসিসে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়। থিসিসে বলা হয়, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ বর্তমান বিশ্ব প্রকতিক্রিয়ার কেন্দ্র। সিরাজ সিকদারের মৃত্যু সম্পর্কে অ্যান্থনি মাসকারেনহাস বলেছেন সিরাজ সিকদার ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরের শেষ দিকে চট্টগ্রামের কাছাকাছি এক এলাকা থেকে (টেকনাফ) পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হন। জাকারিয়া চৌধুরীর[৩] মতে, সিরাজ সিকদারকে হাতকড়া লাগিয়ে চোখ-বাঁধা অবস্থায় ঢাকাস্থ রমনা রেসকোর্সের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে নিয়ে আসা হয়। তারপর ২ জানুয়ারি ১৯৭৫ গভীর রাতে এক নির্জন রাস্তায় নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।[৪] অনেকের মতে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের হালিশহরে সরকারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। আবার অন্য তথ্য মতে তিনি দলের নেতৃস্থানীয় কর্মীদের এক বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় হিসাবরক্ষক আকবরকে সঙ্গে নিয়ে বেবী ট্যাক্সিযোগে ফিরছিলেন। পথে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেটের সামনে সাদা পোশাকের পুলিস ঘেরাও করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ওই দিনই তাঁকে বিমানে ঢাকায় আনা হয়। পরদিন শেরেবাংলা নগর থেকে সাভারে রক্ষীবাহিনীর ক্যাম্পে যাওয়ার পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে হত্যা করে। বর্তমানে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির উত্তরাধিকার হিসেবে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টিকে (সিসি বা Central Committee) উল্লেখ করা হয়। এখনো পার্টি আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপ হিসেবে ক্রিয়াশীল এবং সশস্ত্র বিপ্লবের কর্মসূচি আছে। এদের যেসব এলাকায় কর্মসূচি আছে সেগুলো হচ্ছে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী এবং খুলনায়।

    Reply
  8. হায়দার চৌধুরী

    পিরোজপুর সোহরাওয়ার্দী কলেজে স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তিনি ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ৭১’র সালের ২০ মার্চ সেকেন্ড লেফটেনেন্ট হিসেবে ছুটিতে বাড়ি আসেন এবং ২৭ মার্চের পর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। প্রথমে তিনি পিরোজপুর শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন এবং সুন্দরবনে ঘাঁটি স্থাপন করে ১৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেন।

    এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধীনে সাব সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হয়ে সুন্দরবনেই সদর দফতর স্থাপন করে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা শুরু করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে ক্যাপ্টেন ও পরে মেজর পদে পদোন্নতি পান। ১৯৭৫ সালে ৩ নভেম্বর ও ৭ নভেম্বর পর পর দু’টি সেনা অভ্যুত্থান কালে মেজর জিয়া সরকারি কাজে পিরোজপুর শহরে মুক্তিবাহিনী সদস্যদের পুলিশে ভর্তি জন্য পিরোজপুরে ছিলেন।

    ঢাকায় ফিরে কর্নেল তাহেরের নির্দেশে জেনারেল জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ৭১ সালের মত সুন্দরবনে ঘাঁটি স্থাপন করেন। ৭৬’র সালের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া মাঝের চরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কর্নেল তাহেরসহ মেজর জিয়া এবং জাসদ নেতৃবৃন্দের বিচার হয়। এ বিচারে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি এবং মেজর জিয়াকে যাবজ্জীবনসহ অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।

    ৮০ সালে তিনি সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পান এবং জাসদে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি সুন্দরবনে দুবলার চরে মাছের ব্যবসা শুরু করেন এবং জেলেদের আর্থিক নিরাপত্তা, জলদস্যু দমন, দুর্যোগ মোকাবেলায় সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণসহ বিভিন্ন সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। ১৯৮৯ সালে পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার কিছু স্মৃতি গ্রন্থ রয়েছে। ‘মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবনের সেই উন্মাতাল দিন গুলো’ ও ‘সুন্দরবন সমরে ও সুসময়’ যার মধ্যে অন্যতম।

    Reply
  9. হাবিবুর রহমান

    ‘৮৪ সালের অক্টোবরে ছোট ভাই কামালউদ্দিন আহমেদ, ভাগ্নে শামীমসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে চলে যান সুন্দরবনের দুবলার চরে। বনদস্যু বাহিনীগুলোর হাতে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত সুন্দরবনের জেলেদের সংগঠিত করে শুরু করেন শুঁটকি মাছের ব্যবসা। ‘৮৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুন্দরবনের মূর্তিমান আতঙ্ক ডাকাত দল কবিরাজ বাহিনীর সঙ্গে শ্যালারচরে সরাসরি বন্দুকযুদ্ধে জয়ী হন মেজর জিয়াউদ্দিন, নিহত হয় কবিরাজ বাহিনীর প্রধান। এরই মাঝে ‘৮৯ সালে পৌরবাসীর দাবির মুখে নির্বাচন করে তিনি পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। গড়ে তুলেছেন সুন্দরবন বাঁচাও কর্মসূচি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এর চেয়ারম্যানও তিনি।

    কর্মজীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দুলবার চর ফিসারমেন গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে আছেন। আর সংগত কারণে হাজার হাজার জেলের স্বার্থ রক্ষায় ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে হয়েছে। কখনো জেলেদের নিয়ে, কখনো প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে ডাকাতদের নির্মুলের নায়কের ভূমিকা রেখেছেন। আর এ কারণেই অনেকশত্রু তার পিছু নিয়েছে। বিশেষ করে বন ও জল দস্যুদের দমনে তার ভূমিকা প্রশংসিত। আবার প্রশাসনের বনদস্যু নির্মুলে জনবল ও বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতেন । বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী এবং মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদের জন্ম পিরোজপুর জেলার পারেরহাট গ্রামে।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      জনাব হাবিবুর রহমান, আপনার দু’টি লেখায় প্রদত্ত তথ্যগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং দেশ গঠনে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অনন্য অবদান হিসেবে ইতিহাসে সংরক্ষিত হবে এই কামনা করছি।

      Reply
    • নুরুজ্জামান

      শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু পূর্ববর্তী রাজনীতিতে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা পালন করেন মেজর জলিল। সরকারের ব্যর্থতা এবং কুশাসনের প্রতিবাদে ১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চ স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচীতে দ্বিতীয়বারের মত গ্রেফতার হন তিনি। ১৯৭৫ সালের ৮ নভেম্বর মুক্তি পেলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তের প্রেক্ষিতে ২৩ নভেম্বর আবারও গ্রেফতার হন জলিল। সামরিক আদালতে কোন একটি মামলায় জলিলের ফাসির হুকুম হলে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দন্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয়। ১৯৮০ সালের ২৬ মার্চ তিনি মুক্তি লাভ করেন। জেলে থাকাকালীন মানব রচিত বিভিন্ন মতবাদ এবং ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করায় ক্রমে ইসলামী আন্দোলনের দিকে ধাবিত হন মেজর জলিল এবং ১৯৮৪ সালের ৩ নভেম্বর জাসদ থেকে পদত্যাগ করে বাম রাজনীতির যাবনিকা টানেন। জাসদ থেকে পদত্যাগ করার মাত্র ১৬ দিন পর তিনি “জাতীয় মুক্তি আন্দোলন” নামে একটি ইসলামী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি হাফেজ্জী হুজুরের নেতৃত্বে ইসলামী দলগুলোর সমন্ময়ে সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন ।

      Reply
  10. হাবিবুর রহমান

    পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ‘দালাইলামা’ হিসেবে খ্যাত মেজর জিয়াউদ্দিন একাত্তরে রাওয়ালপিন্ডি সেনা সদরে কর্মরত ছিলেন। তিনিও মেজর মঞ্জুর ও মেজর তাহেরের সাথে পাকিস্তান ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন।

    তাঁকে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক নিযুক্ত করা হয়। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব রৌমারীর কোদালকাঠি, সিলেটে ধলই আউটপোস্ট, জকিগঞ্জ, আটগ্রাম, গৌরীপুর, কানাইরঘাট, এমসি কলেজসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় অবদান রাখার জন্যে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভ‚ষিত করা হয়।

    তিনিও স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে মত পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন, তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত সেনা অফিসার, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন লেখক ও সাংবাদিক।। ৭৫’এর ১৫ আগস্ট ঢাকায় ডিজিএফআই’তে কর্মরত ছিলেন। ৭ নভেম্বর কর্নেল তাহেরের বিপ্লবে অংশ নেন।

    এরপর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কর্নেল তাহেরের সৈনিক সংস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়ে তার অনুসারীদের নিয়ে সুন্দরবনে আশ্রয় নেন। ‘৭৬ সালের জানুয়ারিতে সুন্দরবনে সেনা অভিযানে মেজর জিয়াউদ্দিন গ্রেফতার হন। সামরিক আদালতে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি ও আ স ম আবদুর রব, মেজর জলিল সহ অন্যদের সঙ্গে মেজর জিয়াউদ্দিনও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।এ নিয়ে তখন সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধারা আন্দোলন শুরু করলে আ স ম আবদুর রব, মেজর জলিলসহ অন্যদের সঙ্গে মেজর জিয়াউদ্দিনও ১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি লাভ করেন। ‘৮৩ সালে জেনারেল এরশাদের সময় মেজর জিয়াউদ্দিন দেশ ছেড়ে আশ্রয় নেন সিঙ্গাপুরে।

    Reply
    • মোঃ আলী আজম

      তিনিও স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে মত পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন, তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত সেনা অফিসার, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন লেখক ও সাংবাদিক।। ৭৫’এর ১৫ আগস্ট ঢাকায় ডিজিএফআই’তে কর্মরত ছিলেন।
      উপরের কথাগুলোর মধ্যে কোন স্ববিরোধীতা আছে কী ?

      Reply
  11. আসাদ

    তাকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে আমি ভিন্ন কিছু শুনেছি। তাকে আত্মসমর্পন করাতে তার বৃদ্ধা মাকে সুন্দরবন নিয়ে গিয়েছিলো পুলিশ সুপার এ করিম। তিনি মাইকের মাধ্যমে আত্মসমর্পন করতে বলার পরা জিয়াউদ্দিন ধরা দেন।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—