চিলে কান নিয়ে গেল বলে চিলের পিছনে ছোটা বাঙালিদের স্বভাব। যুগ যুগ ধরে তা চলে আসছে। অন্যের কথা বিকৃত করা, অতিরঞ্জিত করা, অপব্যাখ্যা দেওয়া ইত্যাদি গুণ বাঙালি জীবনে অাষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। এসব গুণ তারা প্রয়োগ করে থাকে অনেকাংশে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য, অন্যের অনিষ্ট করার জন্য, আবার কিছুটা স্রেফ বিনোদন পাওয়ার জন্য। সম্প্রতি হেফাজতিরা বিশিষ্ট নাগরিক সুলতানা কামালের ‘কথার কথা’ একটি কথাকে নিয়ে যে লম্ফঝম্ফ দিচ্ছে তাকে অবশ্যই ‘নিষ্পাপ বিনোদন’-এর খোরাক হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

আর বাঙালি ও হেফাজতিদের এক কাতারে নেওয়াটাও অযৌক্তিক। যারা বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বাস করে না, তাদের বাঙালি স্বভাবদোষে দোষী করা ঠিক নয়। ‘পাকিস্তানি জিনে’র অধিকারী হেফাজতিরা বাঙালিদের থেকে পৃথক– এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকে আবার ‘বাঙালি’, ‘বাংলাদেশি’, ‘বাঙালি মুসলমান’ ইত্যাদি শ্রেণিভাগ করে বলেন এরা সবাই নিজ নিজ সত্তার অধিকারী।

যে চেতনায় ’৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেখানে আমরা সবাই ছিলাম বাঙালি। এরপর পাহাড়ি ও আদিবাসীদের কথা বিবেচনা করে ‘বাঙালি’-কে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে স্থানান্তর করা হল। সে যা-ই হোক, হেফাজতি ধরনের যে জনগোষ্ঠী আছে তারা নিজেদের ‘বাঙালি’ থেকে ‘বাংলাদেশি’ বলতে বেশি তৃপ্তিবোধ করে। হয়তো তারা ‘বাংলাদেশি’ শব্দটির মধ্যে ‘মুসলমান’, ‘মুসলমান’ গন্ধ পায়। যদিও এদেশের যে কোনো ধর্মের নাগরিকের পাসপোর্টে জাতীয়তা ‘বাংলাদেশি’ লেখা থাকে। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আজ পর্যন্ত হেফাজতিদের কোনো বিবৃতি বা কথায় ‘বাঙালি’ শব্দটি ভুলেও উচ্চারিত হয়নি।

একটি টিভি টকশোতে একজন হেফাজতকর্মীর সঙ্গে হাইকোর্টের সামনে থেমিস দেবীর ভাস্কর্য সরানোর বিষয়টি নিয়ে বাকবিতণ্ডার ফাঁকে সুলতানা কামালের একটি ‘বেফাঁস মন্তব্য’ হেফাজতিরা লুফে নিয়েছে এবং তা বাজারজাতকরণে উঠেপড়ে লেগেছে। ‘বেফাঁস’ বলছি এ কারণে যে, অনেক প্রগতিশীল ও নীতিনির্ধারকরাও সুলতানা কামালের এ বক্তব্যর সমালোচনা করছেন, কী পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কথাটা বলেছেন তা সেইসব প্রগতিশীল যেমন জানতে চাননি তেমনি হেফাজতিরাও তাদের ‘স্বভাবসুলভ’ নিয়মে বিষয়টি উপেক্ষা করে গেছে।

বিষয়টি সবার জানা, অন্ততপক্ষে যারা এ ঘটনা নিয়ে কৌতুহলি। হেফাজতের কর্মীটি বলেছিলেন: “হাইকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে সকল ধর্মীয় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া উচিত।”

তার এই কথার সূত্র ধরে সুলতানা কামাল বলেন: “আমিও আপনার সঙ্গে একমত। হাইকোর্টের সামনে কোনো ধর্মীয় স্থাপনা থাকা উচিত না, তাহলে মসজিদও থাকা উচিত না।”

হয়তো তাদের কথপোকথন হুবহু হয়নি, তবে অনেকটা এমনই।

এরপর একটা উন্নত দেশে হলে যা হত, সুলতানা কামালের এই মন্তব্য কেন সঠিক নয় তার একটা চুলচেলা বিশ্লেষণ হত। একটা ভালো বিতর্ক এদেশের মানুষ দেখতে বা শুনতে পারত এবং পরবর্তী প্রজন্ম এর থেকে শিক্ষণীয় কিছু গ্রহণ করতে পারত। যৌক্তিক বিতর্কে না গিয়ে সুলতানা কামালের ‘হাড়-মাংস’ এক করার যে ব্রত হেফাজতিরা নিয়েছে তা তাদের জন্য স্বাভাবিক বিষয়। তারা কারোর হাড়-মাংস, কারোর কল্লা চাইবে। এবং তাদের ভয়ে সেই হাড়-মাংস বা কল্লার অধিকারীদের দেশত্যাগ করতে হবে। এ ধরনের ঘটনা তো স্বাধীনতার পর থেকে দেখে আসছি।

গণতান্ত্রিক সরকার, সামরিক সরকার, আধা সামরিক সরকার, স্বৈর সরকার, কখনও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। দাউদ হায়দার থেকে শুরু করে তসলিমা নাসরিন। তাদের ভাগ্যে এসব ঘটেছে একটি সরকারের আমলে নয়, ভিন্ন ভিন্ন সরকারের আমলে। দেশে থাকছে কারা, আর দেশ ত্যাগ করছে কারা? যারা এদেশের স্বাধীনতা মানে না, যারা মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করে, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের ‘জারজ সন্তান’ বলে, তারা দিব্যি এদেশে থেকে যায়, ব্যবসাবাণিজ্য করে সরকারি পদ পায়, সরকারি সুয়োগসুবিধা পায়, সরকারের জমি পায়, আনুকূল্য পায়।

 

Lady-Justice-statue_Supreme-Court__280517_0001-1024x683

 

যারা মুক্তমনা, যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা, যে চেতনা আমাদের মুক্তিযুদ্ধর অনুপ্রেরণা তাকে বুকে ধারণ করে, তারাই এদেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়। বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ তারা পরভূমিতে বসবাস করে। কোনো সরকারই তাদের ফিরিয়ে আনার মতো ‘সাহস’ দেখাতে পারে না। সাহস দেখাতে পারে না সাম্প্রদায়িক কদর্য ও মধ্যযুগীয় মনমানসিকতার ধারকদের বিরুদ্ধে যেতে।

হতভাগ্য আমরা, হতভাগ্য আমাদের দেশ।

সেসময় দাউদ হায়দার তার একটি কবিতায় হজরত মুহাম্মদ (সা.), যিশু খ্রিস্ট আর গৌতম বুদ্ধকে নিয়ে ‘অবমানকর’ মন্তব্য করার অভিযোগে মৌলবাদীরা খেপে যায়। হ্যাঁ, তখনও মৌলবাদীদের আস্ফালন ছিল।

১৯৭৩-৭৪ সালের কথা। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ। এরপরও তাদের ক্ষমতার কমতি ছিল না। দাউদ হায়দারকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কলকাতায় পৌঁছে দেওয়া হয়। সেখান থেকে জার্মানি। বঙ্গবন্ধুর সরকারও কেন মৌলবাদীদের এভাবে পুছল?

অনেকের মতে তখন সদ্যস্বাধীন দেশে ইসলামি রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন প্রয়োজন ছিল, এ কারণে তখনকার সরকার বাধ্য হয় দাউদ হায়দারকে নির্বাসনে দিতে। এখনকার সরকার তো সে তুলনায় অনেক শক্তিশালী। আমরা এখন আর সেভাবে বৈদেশিক সাহায্যর উপর নির্ভরশীল না। আমরা এখন দরিদ্রতম দেশ নই, মধ্য আয়ের দেশ। তারপরও আমরা সেই মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে তোয়াজ করে যাব?

যে সরকারপ্রধান পৃথিবীর শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মুখের উপর নিজেদের গ্যাস না দেওয়ার কথা বলার সাহস দেখাতে পারেন, সেই সরকারপ্রধান কেন মৌলবাদীদের তোয়াক্কা করছেন, বোধগম্য নয়। মৌলবাদীদের সরকারি সমর্থন কতটা ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি অনুগত থাকা আর কতটা নিজ ভোটের বা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ঘোরপ্যাঁচের ব্যাপার তা বোঝার মতো ক্ষমতা আমাদের মতো গণ্ডমূর্খের থাকার কথা নয়। কিন্তু আমরা যারা ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করি এবং সেভাবে থাকতে চাই তাদের জন্য মৌলবাদীদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব শুধু স্বচ্ছন্দে জীবন চলার প্রতিবন্ধকতা নয়, জীবন সংহারেরর ত্রাস তৈরি করে।

১৯৭৩-৭৪ সালে দাউদ হায়দারের বিরুদ্ধে তথা সরকারের পক্ষে তৎকালীন ক্ষমতাশীল দলের অঙ্গ সংগঠন বা স্বয়ং বঙ্গবন্ধুকে বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা গেছে কি না, জানি না। নিশ্চয়ই না। সেসময় যারা এসব বিষয়ে সচেতন ও সক্রিয় ছিলেন এবং এসব বোঝার বয়স হয়েছিল তারা বলতে পারবেন।

এখন রাজা যত না বলে পরিষদবর্গ তার থেকেও বেশি বলে। নারয়ণগঞ্জের সেই ‘অতিভদ্র’ রাজনীতিবিদ তো সুলতানা কামালকে ‘বদমাইশ’ বলে বসলেন। যার যা স্বভাব তার মুখ থেকে সেরকম কথাই বের হবে। ধর্মের ফেক ধরার মতো সহজ এদেশে আর কিছুই নেই। কোনো কোনো রাজনীতিবিদ মনে করেন, ধর্মের অনুভূতির মতো একটা বিমূর্ত বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারা হচ্ছে জনগণের কাছে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়। আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, লতিফ সিদ্দিকির মতো ব্যক্তিদেরও ধমীয় অনুভূতির সুড়সুড়ি সহ্য করতে হয়েছে। উনারা কী বলতে চেয়েছেন আর কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনার প্রশ্নই আসে না। কথার আগাপাছা বাদ দিয়ে জনসমক্ষে অন্যদের কটূক্তি করা মৌলবাদী, প্রগতিশীল সবার কাছেই সহজলভ্য আমোদ। সমাজে সম্মানীয় বর্ষিয়ান ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে যা ইচ্ছা বলার স্বাধীনতা রয়েছে সবারই। তবে সেটি ক্ষমতাবানদের ধামাধরাদের জন্য শুধু প্রযোজ্য।

কবি নজরুল ইসলাম যখন ‘মৌলভী’-কে ‘মৌ-লোভী’ আখ্যায়িত করেছিলেন, তখন মৌলভীরা তাঁকে ‘মুরতাদ’ ঘোষণা করে। কিন্তু সে কারণে তাঁকে পালিয়ে বেড়াতে হয়নি। বেগম রোকেয়া ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে বলেছিলেন:

“আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্মগুলোকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রচার করিয়াছেন।”

ভাবা যায়? তসলিমা নাসরিনের চেয়েও ‘সাংঘাতিক’ কথা বলেছেন তিনি। তখন তাঁর গর্দান কেউ খুঁজছিল, এমনটি শোনা যায়নি। বরং শিক্ষিত মহলে তিনি ছিলেন একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। আজ ধর্মের অনুভূতি নিয়ে তথাকথিত শিক্ষিত ব্যক্তিরাও যেমন সুড়সুড়ি দিতে পছন্দ করে তাতে বোঝাই যায় হেফাজতিদের মতো তারাও ধর্মকে এমন এক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চান যার দ্বারা তারা তাদের আখের গোছাতে পারেন।

হেফাজতিদের পাত্তা না দেওয়ার দলেও অনেক মানুষ রয়েছে। কিন্তুু ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে’ বলে বসে থাকা তখনই সম্ভব যখন সেইসব পাগলা কুকুরকে মিউনিসিপলির লোকেরা ধরে নিয়ে যায়, কিন্তুু কুকরের কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যখন আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় তখন বিপদের আশঙ্কা বাড়তেই থাকে।

যতদিন ধর্ম নিয়ে সুড়সুড়ি দেওয়ার কাজ অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত মোল্লাদের ছিল ততদিন সমাজে ততটা বিপদ দেখা যায়নি। যখন তথাকথিত শিক্ষিত ব্যক্তিরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা বা অপব্যাখ্যা শুরু করল তখনই সমাজে মহাবিপদ সংকেত দেখা দিল। এসব শিক্ষিত এমনকি উচ্চশিক্ষিতরা এমন সব বয়ান করে যাতে মনে হয় সমাজের অগ্রগতি সেই মধ্যযুগে আটকে রাখাই সবচেয়ে ভালো পন্থা, বিশেষ করে নারীদের বা নারী অধিকার নিয়ে এদের মনমানসিকতা অত্যন্ত দুঃখজনক।

একটি সংগঠনের উচ্চপদে আসীন এক নারী যিনি নারী অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সভা-সমিতিতে অংশ নিতে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ান, দুঃখ করে বলছিলেন, যতদিন সৌদি আরব বা মৌলবাদী রাষ্ট্রগুলো থেকে এসব সভায় কেউ যোগ দিত না ততদিন তেমন কোনো অসুবিধা ছিল না। এখন ওখান থেকে ‘শিক্ষিত’ নারীরা যাচ্ছে এবং তারা নারী বিষয়ক তাদের সেই রক্ষণশীল অবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে।

এসব জ্ঞানপাপীরা সমাজকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা পালন করছে। এদেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ মুসলিম– এ মন্তব্য ইদানীং এত শোনা যাচ্ছে যে, মনে হয় গত ২০-৩০ বছর আগে এদেশে মুসলমানরা যেন শতকরা ৩০ ভাগ ছিল। চর্বিত-চর্চিতভাবে শুধু মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বলা হয়। আর সব ধর্ম অনুসারীরা যেন অনুভূতিহীন।

যারা এর ওর কল্লা বা হাড়-মাংসের দাবি করে তারা শুধু পার পেয়ে যায় না, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের কাছ থেকে সহানুভূতি এমনকি সমর্থনও পেয়ে থাকে। আর অনেক প্রগতিশীল নিজেদের গা বাঁচানোর জন্য নিলির্প্ততা বেছে নেন।

মনে রাখতে হবে লোকালয়ের আগুনে দেবালয়ও পোড়ে।

পারভীন সুলতানা ঝুমাসাংবাদিক, কলামিস্ট

৬৪ Responses -- “একজন সুলতানা কামাল ও শিক্ষিত মৌলবাদীরা”

  1. আইরিন ইরা

    খুব ভাল লিখেছেন।
    আল্লাহ্ র ইচ্ছায় দেশ মধ্যযুখে ধা ত না হলে,আপনার মত করেই একদিন সবাই ভাববে

    Reply
  2. hafez

    এরা এখন কিছুই বুঝবে না কারণ এদের মাথার সব পশ্চিমারা দখল করেছে,মৃত্যুর পর বুঝবে ভাল করে

    Reply
  3. পপি চৌধুরী

    সাহসী এবং সময়োপযোগী একটি লেখা। ধন্যবাদ লেখক-সাংবাদিক পারভীন সুলতানা ঝুমা।

    Reply
  4. আবুল হাশিম

    তেনারা বলেছিলেন ” রাজনীতি মানে হৃদয়বৃত্তি বিপ্লবী রাজনীতি মানে উচ্চতর হৃদয়বৃত্তি” ।মুক্তমনাদের হ্রদয় উচ্চচাপে বন্ধ হইয়া গিয়াছে সেই মৃত শরীর হইতে পচা দুর্গন্ধ যাইতেছে। তাহাদের সঠিক ভাবে সৎকারের আয়োজন করা সকল মননশীল মানুষের একান্ত দায়িত্ব, তা না হইলে ক্রমাগত পরিবেশ দূষিত হইতে থাকিবে।

    Reply
  5. মা. সাকি

    লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ সাহসী কলম ধরায়।
    এইসব নব্য শিক্ষিত বাংলাদেশী মুসলমানরাই এখন বড় হুমকি।
    আমার এক নিকটাত্মীয় যিনি নিজে আধুনিক জীবন যাপন করে বড় হয়েছে এখনও করছে। কিন্তু সে তার স্ত্রীকে পর্দায় রাখা নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি সে তার চার বছরের মেয়েকে হাফেজি পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মত এমন কোটি ‘বাংলাদেশি মুসলমান পুরুষ’ নারীকে এখনও মধ্যযুগীয় কাঠামোতে বেধে রাখার পায়তারা চালাচ্ছে। এর ফলে আমরা ভবিস্যতে যে প্রজন্মগুলো পাব সেগুলোও হবে অযুক্তি ও কুযুক্তিতে ভরপুর ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হেফাজতি প্রজন্ম। ফলাফল বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে আরো কয়েক শতক।

    Reply
    • sabbir

      আপনার প্রতি অাকুল আবেদন এই যে, আপনি নিজে নিরপেক্ষ ভাবে – ‘আল-কুরআন’ পাঠ করুন, কেননা ওটা আপনার সৃষ্টিকর্তাই প্রেরন করেছেন আপনি সহ সমস্ত মানুষ এবং সমস্ত
      জ্বিন জাতির হিদায়াত তথা মুক্তির জন্য। এর পর আপনি বলেন যে – শুধু এ দেশের জন্য নয় বরং সারা দুনিয়ার জন্যও তারা হুমকির বিষয় নয় ।
      আপনাদের প্রতি অনুরোধ রইল- আপনারা মুসলিমদের বিগত প্রায় সাড়ে চৌদ্দশত
      বছরের ইতিহাস পরুন , তার পর বলুন যে মুসলিমরা সারা বিশ্বের জন্য ‘কি পরিমান ক্ষতির কারন হয়েছেন আর আপনাদের দৃষ্টিতে যারা সর্বোচ্চ আধুনিক – তারা পৃথিবীর জন্য কি পরিমান ধ্বংষের কারন হয়েছেন ?
      আর এও বলছি যে- আপনাদের মত যারা দেশকে নিয়ে অনেক ভাবেন – ডাদেরকে বলছি: আপনাদের প্রগতিশীল চিন্তা-ভাবনা দিয়ে- নির্বিচারে-হত্যা,যুলুম-নির্যাতন, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা,ধর্ষণ, মদ-যুয়া,পতিতাবৃত্তি,ইভটিজিং, দুর্ণীতি, ঘু্য, চুরি-ডাকাতি, স্বজন-প্রীতি, মানবিকতার অধ:পডন, নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয়, হিংসা-
      বিদ্বেষ,স্বার্থপরতা, শ্রেণী- বৈষম্য, বর্ণ-বৈষম্য, লিঙ্গ-বৈষম্য, এগুলোর সমাধান করতে
      পারবেন না – ক্বিয়ামাত পর্যন্ত । আপনাদের প্রতি চ্যালেন্জ রইল ।

      Reply
  6. Alhaj A.S.M. Wahidul Islam

    পারভীন সুলতানা ঝুমা-কে ধন্যবাদ, তাঁর সাহসী লেখার জন্য। মৌলবাদীদের (মূল’কে বাদ দিয়ে মৌলবাদ) এটা একটা কৌশল। তাঁরা ধীরে ধীরে মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের শক্তিকে এক এক করে দুবল করে দিবে। সুলতানা কামাল তারই অংশ। যেমন: তাঁরা সক্ষম হয়েছে মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের শক্তি বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ-কে আলাদা করতে। আওয়ামীলীগ এখন রাজাকারদের সাথে সন্ধি করতে রাজি তারপরও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বিএনপি’র সাথে নয়। তদ্রুপ, বিএনপি’ও রাজাকারদের সাথে সন্ধি করতে প্রস্তুত কিন্তু আওয়ামীলীগ-এর সাথে নয়। এখন তাঁদের টার্গেট বিচ্ছিন্নভাবে যেসব মুক্তিযোদ্ধা আছে তাদের জনগন থেকে আলাদা করা। সেই লক্ষে তাঁরা দেলায়ার হোসেন সাঈদীর সময় থেকে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যেমন: দেলয়ার হোসেন সাঈদী অর্থের বিনিময়ে ওয়াজ এ জাহানার ইমাম-কে বলতেন, জাহান্নামের ইমাম, আহমদ শরীফ-কে বলতো, আহম্মক শরীফ, জেনারেল সি, আর, দত্তকে বলতেন শিয়াল দত্ত, আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত-কে বলে কাদিয়ানী, অথচ সূরা হুজরাতে (আল কোরআন) কাউকে বিকৃত নাম ধরে ডাকতে নিষেধ করা আছে। তারপরও সাঈদী বিকৃত নামে ডাকতো। কেন ? তাঁরাতো সাঈদীর কোনো ক্ষতি করেনি ! মুল কথা হলো তাঁরা সবাই ছিল মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের লোক। জাহানারা ইমাম-এর তিন/চার ছেলেকে রাজাকারের সহায়তায় পাকিস্তান মিলিটারী হত্যা করে। যারফলে তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার, আলবদর, আল শামস-এর বিচার চায়। এতে সাঈদী তাঁদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। সাঈদীর বিরোধীতার কারণ পরে জানা যায়, এই সেই দেইল্লা রাজাকার যে ১৯৭১ সনে স্বাধীনতার সময় বোরকা পড়ে পালিয়েছিল! আজ স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতে ইসলাম, মুসলিম লীগ, হেফাজতে ইসলাম এক আছে। তাঁরা তাদের মিশন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগ, বিএনপি এক নাই, কমিউনিষ্ট পার্টি সহ বামপন্থীদের নাস্তিক বলে জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। পাকিস্তান-কে আদশ ও খাঁটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রচার করে আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত-কে কাদিয়ানী বলে পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে অমুসলিম বলে ! যার ফলে পাকিস্তানের মত মোল্লা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য তাঁদের পথ এখন সহজ হয়ে গেছে।

    Reply
  7. Qudrate Khoda

    একটি সাহসী, সাবলীল, সময়োপযোগী ও তথ্যবহুল লেখার জন্য লেখককে শ্রদ্ধা জানাই।

    বলাই বাহুল্য, উনি বরাবরই ভাল লেখেন, তবে এ লেখাটি অসাধারণ নানা কারণে ।

    বাংলার প্রগতিশীলরা এখন অনেকটা অসংগঠিত ও অসহায়, কিন্তু ধর্ম রাজনীতিবিদ, ধর্ম ব্যবসায়ী ও ধর্মান্ধরা সংগঠিত, সক্রিয় ও সোচ্চার ।

    দেশের এরকম একটি অসহিষ্ণু ও অসংস্কৃতির বৈরি পরিবেশে যখন দেখি যে একজন বাঙালী মহিলা একাকী মসী যুদ্ধে লিপ্ত , তখন কিঞ্চিৎ হলেও মনে আশা জাগে- হয়ত এখনও কিছু স্বাধীন বাঙালী বেচে আছে; খোদা চাহেতো কোন একদিন অভাগা বাঙ্গালি দার্শনিক প্লেটো কথিত অন্ধকার গুহা ( Plato’s Cave) থেকে বেরিয়ে আলোর মুখ দেখবে, ইত্যাদি।

    আর বিডি নিউজকে ধন্যবাদ দিতেই হবে এরকম “অসুবিধাবাদী সত্য” (Inconvenient truth) প্রকাশের জন্য।

    Reply
  8. Tapan Dhar

    Thanks a lot to write very clearly some important points regarding our present & previous situation….At least we got some relief by reading this kind of article. Don’t.know how long you kind.of person can publish this kind of article. Take care…

    Reply
  9. Azim Hossan

    You are not secular, You are just anti ISLAM. You and Sultana Kamal Gong have headache about only ISLAMIC rules. Awami League knows the voice from the people of Bangladesh. All of you are the stupid anti ISLAMIC literate. Bangabondhu wished secular Bangladesh, not anti ISLAMIC province. Thank you.

    Reply
  10. Sharif Hasan

    আপনারা বলতেছেন যে মূর্তির বিরুদ্ধে নাকি শুধু হেফাজতের আলেমগণই কথা বলতেছেন। যা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ মূর্তির বিরুদ্ধে ওলামালীগ, ওলামাদলসহ সকল ধর্মীয় গোষ্ঠীই অবস্থান নিয়েছে, তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। শুধু আলেমগণই নয়, সকল মুসলমান এই মূর্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

    Reply
  11. আকবরঊদ্দিন

    রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ চাইতেই পারে, তার আজীবন ক্ষমতায় থাকতে হবে। আপনারা কেন সেই পথে হাঁটবেন? অনৈতিক পথে, জনগণ না চাইলেও কেন আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতেই হবে? কেন আপনারা মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তমনের মানুষ হয়ে এমন নীতির পক্ষে অবস্থান নেবেন? গত ছয়-সাত বছরে জঙ্গিবাদের যে বিস্তার, জঙ্গি কার্ড ব্যবহার করে ক্ষমতায় থাকার যে কৌশল, আপনারা সবই জানতেন- কিছু বলেননি। বুমেরাং হয়ে শুধু সরকারের নয়, আপনাদের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদ ফিরে এসেছে। আপনারা প্রতিবাদ করলে, সত্য বললে এমনটা হতো না।
    ঠিক জঙ্গিবাদের মতোই, হেফাজত নিয়েও আপনারা একই কাজ করছেন। কে হেফাজতকে নিয়ে খেলছে, সুনির্দিষ্ট করে বলছেন না, যেভাবে বলেননি জঙ্গি নিয়ে। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি যেভাবে আপনাদের বিরুদ্ধে গেছে, হেফাজত পৃষ্ঠপোষকতাও আপনাদের বিরুদ্ধে যাবে। শুধু সলতানা কামাল হেফাজতের টার্গেট হবেন না। আপনি, আপনারা সবাই টার্গেট হবেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে বিব্রত করা যাবে না’- এই ভুল নীতিতে নিজেরা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন। আওয়ামী লীগকে তো বটেই পুরো দেশকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছেন।
    আজকের বাংলাদেশের কপালে সাম্প্রদায়িকতা নামক কলঙ্কের যে কালো তিলক, তার দায় প্রগতিশীল দাবিদার আপনারও। আজকের বাংলাদেশে যে অনৈতিকতা, তার দায় আপনাদেরও। মানুষ গুম হয়ে যায়, আপনারা কথা বলেন না। আপনারা কথা বলেন না, লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেলেও। রাজনীতিবিদদের অনিয়ম-দুর্নীতি, অনৈতিকতা, অসত্য বলা মানুষ সব সময় মনে রাখেন না। ধরেই নেন যে রাজনীতিবিদরা এসব করেন। আপনাদের বিষয় একটু আলাদা। স্বার্থের কাছে, সুবিধাবাদের কাছে, তা ভুলে গেছেন। জনগণ ভুলছে না, ভুলবে না। আপনি-আপনারা অসত্য-অনৈতিকতা সমর্থন করে, নিরব থেকে, সরকারকে সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, উৎসাহিত করেছেন। আপনাদের অসততা মানুষ কখনও ভুলবে না, ক্ষমাও করবে না।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      জনাব আকবরউদ্দিন, আপনি নিখাদ সত্য কথাগুলো বলেছেন, যা বলতে নেই। দেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই বুদ্ধিজীবী মহলে একটি নিষ্করুণ বন্ধ্যাত্ব বিরাজ করছে যা দেখে ১৯৮২ সালে কবি মোহাম্মদ রফিক ক্ষেপে গিয়ে বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশ্যে তাঁর ‘কড়চা’য় লিখেছিলেন, “ন্যাতানো নুনুতে হাত বুলাও।” তারপরও বুদ্ধিজীবীদের বুদ্ধি খোলে না, লজ্জা হয় না, টনক নড়ে না। ধিক তাদের।

      Reply
  12. মহিউদ্দিন

    ওবামা সম্ভবত এই সময়ের সবচেয়ে জরুরী কথাটি বলেছেন আফ্রিকা গিয়ে। তিনি বলেছেন, ” “when you start treating people differently not because of any harm they are doing to anybody, but because they are different, that’s the path whereby freedoms begin to erode “.
    যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, ” “যখন তুমি কোন একজন মানুষকে ভিন্নভাবে বিচার করো সে কার কী ক্ষতি করছে তা না দেখে বরং সে শুধু অন্যরকম এজন্যে, তখনই স্বাধীনতা ক্ষয়প্রাপ্ত হবার পথ তৈরি হয়ে যায়।” মানব সম্প্রদায়ের জন্যে সবচেয়ে লজ্জাকর বিষয় হলো এখনও পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যাদের কে এই কথা বার বার কথা মনে করিয়ে দিতে হয়। বাংলাদেশের জন্যে বিশ্বাসে নাস্তিকদের জন্য বোধকরি কথাটি বেশ প্রযোজ্য এবং এটা বুঝতে পারলেই অনেক অসহিষ্ণুতা কমে যেতে পারে। স্বীকার করুন, ধর্ম এবং ধর্মীয় সংস্কারের বিরুদ্ধে লেখালিখির জন্য আপনারা অভিজিৎ রায়, দাভেলকর,পানেসর বা তসলিমা নাসরিনের পক্ষ নিতে পারেন কিন্তু একজন ধর্মপ্রচারকের কিছু ধর্মীয় বক্তব্য আপনাদের মতে না মিললেই তাকে ব্যান করার জন্য হ্যাশট্যাগ ইউজ করতে আপনাদের জাস্ট দু মিনিটও ভাবতে লাগে না। আসলে মৌলবাদ বা হেফাজতির বিরোধীতা করে করে আপনারা স্যাচুরেশন পয়েন্টে পৌঁছে গেছেন।

    Reply
    • Sharif Hasan

      নাস্তিকদের কাজই তো মোল্লাদের বিরুদ্ধে বলা। আসলে তারা বুঝতে পারছে না যে মোল্লারা কোরানের কথা বলে, আল্লাহর কথা বলে। মোল্লাদের বিরুদ্ধে বলা মানে আল্লাহর বিরুদ্ধে বলা।

      Reply
  13. ahadul karim

    মুক্তচিন্তার অধিকারী মুক্তচিন্তক ব্লগার বন্ধুগণের ইসলাম ধর্মের প্রতি অধিকতর উষ্মা এবং এত ধর্মবিরোধী হওয়ার তো কোন কারণ থাকতে পারে না। ইউরোপ-আমেরিকায় গীর্জা ও চার্চসমূহকে আস্তাবল বানানো হয়নি, বাইবেল ও টেমস আমাজনে বিসর্জন দেয়া হয়নি। পোপ-পাদ্রীদের ভূমিকা পাশ্চাত্য সমাজে একেবারে গৌণ নয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের মিত্র-আমাদের নিকট প্রতিবেশী ধর্মনিরপেক্ষ বিশাল ভারতবর্ষ ধর্মহীন সমাজ নয়। মৌলবাদ-উগ্রবাদের আস্তানাও ভারতবর্ষ। মধ্যপন্থী প্রগতিশীল সেক্যুলার দল কংগ্রেসের, অতঃপর কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ এলায়েন্স-ইউপিএ-এর সুদীর্ঘ শাসনামলে ভারতবর্ষে মৌলবাদ-উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়নি, বরং গান্ধী, নেহেরু-ইন্দিরার ভারতবর্ষের সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। জেঁকে বসেছে অক্টোপাসের মতো, গিলছে ভারতের সমাজ ও রাজনীতিকে। মি. নরসিমারাও-এর কংগ্রেসী সরকারামলে ভারতীয় মৌলবাদী জঙ্গিরা ‘জয়হিন্দ’ সেøাগান দিয়ে বাবরি মসজিদ ভেঙে দিয়েছিল, ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের মুখে কলঙ্কের কালিমা লেপন করেছিল। পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন যাবত বাম সরকারের শাসনাধীনে। সিপিএম-তৃণমূল কংগ্রেস ধর্ম বিসর্জন দেয়নি, বরং পশ্চিমবঙ্গে পৃথিবীর বৃহত্তম দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভারতে শিবসেনা, আরএসএস জাতীয় উগ্র হিন্দু মৌলবাদী সংগঠন আছে। ভারতীয় জনতাপার্টি-বিজেপি একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। আশির দশকে মাত্র দুটি আসন দিয়ে সংসদীয় রাজনীতি শুরু করে এখন বিজেপির জোয়ারে ভেসে গেছে শ্রীমতি সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বিরোধী দলের নেতা হওয়ার মতো আসনও পাননি। হেফাজতকে নিয়ে আওয়ামী লিগ রাজনীতি করবে, এটা এই দলের ভবিতব্য। ইসলামফোবিয়া ইউরোপিয়ান রাজনীতির ধারা পরিবর্তন করে দিয়েছে। সাধারণত রাজনীতিবিদরা তাদের স্বভাব অনুযায়ী যেকোনো ইস্যুকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে ফায়দা উসুল করতে সিদ্ধহস্ত। ইসলামফোবিয়ার মতো লাভজনক একটা ইস্যুকে তারা এমনিতে ছেড়ে দিবে এটা কল্পনা করাও অন্যায়।

    Reply
  14. Rahman

    শিক্ষিত মৌলবাদী, I have issue with this name. Anyone who is in touch with Islam you are saying they are মৌলবাদী? R u supporting Taslima Nasrin or trying to figure out why Begum Rokea was not deported for her comments?

    Reply
  15. ABDUR ROB,BISHAL

    ধন্যবাদ,তবে লেখার জন্য নয়,আপনার অজ্ঞতার জন্য। আপনার মত অল্প জ্ঞানীরা আজকে চেতনাবাদী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।যারা বিশ্বে জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠ পোষক।যারা আজকে ইসরাইলী মতাদর্শে লীপ্ত হয়ে দেশকে বিভক্ত করতে গভীর ষড়যন্তে লীপ্ত।আজকে জঙ্গিবাদ কারা করছে তা জ্ঞান পাপী ছাড়া সবাইর কাছে পরিষ্কার।আজকে যারা চেতনাবাদী হিসেবে নিজেকে দাবি করে,তারাই ৭১ সালে হানাদারের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।৭৫ সাল যখন বঙ্গবন্দু শেখ মুজিবর রহমান সহ তার পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তখন আপনি বা এই সুলতানা কামাল পন্থিরা কোথায় ছিল।যখন সারা দেশ কারফিউ জারি করা হল,শেখ মজিবর রহমানের যানাজায় বাধা দেওয়া হল,তখন আজকের এই আলেম সমাজ এগিয়ে আসল।আজকে মুরগি চোররা দেশের হত্যাকত্যা।আজকে যারা বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নে উঠেপড়ে লেগেছে,তারা আজকে প্রগতিশীল।তবে আশার কথা বাংলাদেশ এমন একটা ভ্রাতৃত্বপূণ রাষ্ট যেখানে ১০০/২০০ জন প্রগতিশীল কখনো এই দেশকে ইরাক বা সিরিয়া বানাতে পারবেনা।আমাদের দেহে এক বিন্দু রক্ত থাকতে,এই দেশ কখনো আমেরিকা বা ইসরাইলী সৈন্যের অবাদ বিচরণ ক্ষেত্র হতে দেবনা।

    Reply
  16. kazi swpan

    প্রথমেই ধন্যবাদ লেখিকাকে চমৎকার লিখাটির জন্য, সে দিনের সে অনুষ্টানটি আমি দেখেছিলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তিনজন তার্কিক এর কারোই ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পর্যাপ্ত গবেষণা আছে বলে আমার মনে হয়নি। একজন ইসলামিক বিশেষজ্ঞের সাথে ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্ক করতে হলে পক্ষে বিপক্ষে যথেষ্ট তথ্য উপাত্য থাকতে হবে, তা না হলে বক্তব্যের ভুল ব্যখ্যা হবে এটা খুবই স্বাভাবিক। অথচ ভাস্কর্য সম্পর্কে আল-কুরআনেই একটি প্রশংসা মূলক আয়াত রয়েছে। যেমনঃ ‘ তারা সোলামানের ইচ্ছানুযায়ী দুর্গ, ভাস্কর্য, হাউযসদৃশ্য বৃহদাকার পাত্র এবং চুল্লির উপর স্থাপিত বিশাল ডেগ নির্মাণ করতো। হে দাউদ পরিবার কৃতজ্ঞতা সহকারতে তোমরা কাজ করে যাও। আমার বান্দাদের মধ্যে অল্প সংখ্যাকই কৃতজ্ঞ। ‘ ……… সুরা-সাবা, আয়াতঃ-১৩। ( ৩৪ঃ১৩ ) ইসলাম এর কোথাও পৃথিবীতে কোথাও কোন মূর্তি থাকতে পারবেনা এমন কোন নির্দেশ নেই । এটা হচ্ছে হেপাজতিদের একটি নিম্নমানের রাজনৈতিক কৌশল ।

    Reply
  17. রেজা

    যেহেতু আপনি/আপনারা ইসলাম এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে লিখেন : আপনাদের উচিত ইসলাম সম্পর্কে আরো অনেক স্ট্যাডি করা ,

    Reply
  18. আফনান চৌধুরী

    সমস্যা হলো কোনো মুসলমান তার আবেগের বিষয় নিয়ে কথা বললেই আজকাল সে রাজাকার হয়ে যায়। আর একজন খাটি মুসলমান তার মূলের দিকেই ধাবিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

    Reply
    • মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন

      আপনি সঠিক বলছেন না।এ দেশে কিছু লোক বলে দাড়ী টুপি থাকলে লোকজনদের পুলিশ জঙ্গী হিসাবে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।আপনার কথাটা তাদের মত হল।

      Reply
    • R. Masud

      যাহা তার মুলের দিকে ধাবিত হয় তা কখনো শাখা প্রশাখা মেলে সুবাতাসের সংস্পর্শে আসতে পারেনা ( মানে খোদার বানানো জগতের মহত্ত্বটাকে পাওয়ার চাইতে পায়ে দলার মত)।
      আমাদের নবী তাই বলে গেছেন, দরকার হলে শাখা প্রশাখা মেলার জন্য চিন দেশেও যেতে পারো…… মূর্খরাই এই কথাটা মনে রাখেনা!!

      Reply
  19. ashadul amin

    মৌলবাদীরা অরাজগতার জন্য উপলক্ষ খোঁজে, না পেলে বানিয়ে নেয়। আগে এদের বাতিক ছিল পবিত্র কুরআন পোড়ানোর গুজব রটিইয়ে দাঙ্গা লাগানো,হালেপ্রগতিশীলদের
    টার্গেট করছে। এখানে মিডিয়ার একটা দায় আছে।টিভি চ্যানেলগুলো একযোগে হঠাৎ করে অজ্ঞাতনামা কিছু মৌলভী
    নামধারীদের ডেকে টকশোতে বসিয়ে দেয় যারা অন্ধ আধুনিকতা বিরোধী এবং কোরান হাদিস সম্পর্কে অজ্ঞ, ওদের একটাই বক্তব্য যে ৯২% মুসলমানের দেশে ওরা যা বলবে
    তাই করতে হবে এমনকি এর নজির কোন দেশে না থাকলেও। এটা বোঝার জ্ঞানটুকুও
    এদের নাই যে ৯২% মানুষের প্রতিনিধি দাবী করার জন্য কি পূর্বশর্ত পূরণ করতে হয় (এমনকি ইসলামেও)।সরকারও পরোক্ষভাবে এদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। এরা মোল্লা ওমরের শাসন চায়। এদের বিরুদ্ধে একটা গণআন্দোলন প্রয়োজন।

    Reply
  20. ‌মো: আল আমিন

    ১৯৭৩\৭৪ স‌া‌লে কি ইসলামপ‌ন্থি রাজ‌নী‌তি নি‌ষিদ্ধ ছিল না‌কি ধর্ম নি‌য়ে রাজনী‌তি নি‌ষিদ্ধ ছিল? আশা ক‌রি জানা‌বেন

    Reply
  21. mohammad ali

    RESPECTED MS.PARVIN SULTANA, UR TOPIC IS GOOD. BUT ANY MUSLIM MUST KEEP N OBEY RELIGIOUS RITES. IF SOME (MUSLIM) CRY 4 IDOL/STATUE THEN IT IS NOT GOOD. PLS.WRITE MORE .THANKS.

    Reply
  22. shahriaf

    “যারা মুক্তমনা, যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা, যে চেতনা আমাদের মুক্তিযুদ্ধর অনুপ্রেরণা তাকে বুকে ধারণ করে, তারাই এদেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়। ” উনাদের প্রতি এতটা দরদ না দেখালেও আর এতটা উচ্চ আসন না বসালেও চলত ।

    Reply
  23. লতিফ

    হেফাজতি যদি বলে যে, হাইকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে সকল ধর্মীয় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া উচিত। তখন ওই যুক্তিকে হাতিয়ার না বানিয়ে তাকে সম্পুরক প্রশ্ন করা উচিত ছিল যে, ‘ধর্মীয় স্থাপনা বলতে কোন কোন স্থাপনাকে বুঝাচ্ছেন?’ তখন স্বাভাবিকভাবে হেফাজতিকে বলতে হতো যে, ‘ভাস্কর্য/মূর্তি, মসজিদ, ঈদগাহ…’। তখন তাকে প্রশ্ন করতে হতো যে, ‘তাহলে আপনি মসজিদ, ঈদগাহ এসব সরিয়ে ফেলতে চাচ্ছেন?’ তখন হেফাজিত কী উত্তর দিতো সেটার উপর ভিত্তি করে পরের প্রশ্নে যাওয়া যেতো। কিন্তু তা হয়নি। অপযুক্তিকে তিনি মেনে নিয়ে বললেন যে, ‘আপনার যুক্তি মানলাম…।’

    Reply
    • N

      According to your speech, Hefajati is the first culprit. If S. Kamal understood wrong (mosque, eidgah, vaskorjo/murti) are religious infrastructure, Hefajati could make her undersand that she was wrong telling difference. As he did not oppose and told that no religious infrastructure could stay there prior to S. Kamal. So, movement should go against the Hefajati.

      Reply
    • আশরাফুল

      আমি টক ‘শো’ টা দেখেছি।ঐখানে মৌলভি সাহেব বলেছেন কি কারনে ভাস্বকর্যটি রাখা যাবে না।তিনি তার পক্ষে যুক্তি উপাস্থাপন করেছেন।কিন্তু আপনারা ঐখানে কি কারনে ভাস্বকার্য রাখতে হবে তার কোনো ব্যাখ্যা দেন নাই।ভাস্বকার্য রাখলে কি লাভ হবে তাও বলতে পারেন নাই।ঐ ভাস্বকার্যের কি আদৌ কিছু করার ক্ষমতা আছা?

      Reply
      • R. Masud

        কাবা শরীফের কি নিজস্ব কোন ক্ষমতা আছে?
        আমরা মুসলিম রা সেখানে গিয়ে তার মহত্ত্ব বাড়াই কারন আমাদের নবী(সাঃ) তা করতে বলে গিয়েছেন বলে। সেখানে গিয়ে আমরা স্মরণ করি অসীম খোদাতালাকে!
        সেখানে অন্য ধর্মের কেউ গেলে তার হৃদয়ে মুওল্মানদের মত পবিত্র বোধটা আসবেনা, মহানঅসীম খোদাতালাও তাদের স্মরণ আসেনা।
        তাই তাদের কাছে কাবা শরীফ একখানা ঘরই ( L x W x H : 12.86m x 11.03m x 12.03m ) শুধু তার বেশী নয়।

        একই ভাবে ভাস্বকর্যেরও কোন ক্ষমতা নেই, যারা ন্যায় বিচার কে দরকারী বলে মনে করে, সেই লোক গুলো তার সামনে দিয়ে যাবার সময় আরও একবার নিজের বিশ্বাস কে জ্বালিয়ে নেবার ক্ষণ টুক পায় –
        জানি আপনার কাছে সেই ক্ষণটুকু আসেনা তাই হয়তো উপরের কমেন্টের মত ভাবনাটা মনে আসে!!

    • R. Masud

      আমার মনে হয় কথাটা উল্টো–
      যিনি ধর্ম ধর্ম বলে বেশী হা পিত্যেশ করেন উনারাই যা খুশি তা করেন– যেমন,
      কোমরে বোমা বেধে নামাজরত মুসুল্লিদের পর্যন্ত খুন করে, শপিং করতে থাকা নিরপরাদ মানুষের উপর ট্রাক চালিয়ে দিয়ে এলোপাতড়ি খুন করে, আরো কতকি!

      আর যারা ধর্ম মানেনা তারা হয়তো কলমের খোঁচায় উপরের বেশী বেশী ধর্ম ধর্ম বলা লোকদের নাস্তা নাবুদ করে –
      বন্য আর সভ্য দের লড়াই এভাবেই চলে আসছে যুগ যুগ ধরে , কোথাও কোন কালেই বন্যরা জেতেনা, তাই মানব সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে- যাবেও-?

      Reply
  24. সরকার জাবেদ ইকবাল

    কোন মন্তব্যের অপব্যাখ্যা যেমন কাম্য নয় তেমনি ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও গ্রহণযোগ্য নয়। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুলতানা কামালের প্রতি আমার রয়েছে অসীম শ্রদ্ধা। তাই, তাঁকে অনুরোধ করবো ধর্ম সম্পর্কে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে।

    প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি কথা বলতে চাই। আজকাল ধর্মের পক্ষে কথা বলতে গেলেই তাকে ‘হেফাজত’ বা ‘মৌলবাদী’ বলে চিহ্নিত করা হয়। সবিনয়ে জানাতে চাই, – আমি হেফাজতও নই মৌলবাদীও নই। তবে মৌলিক ইসলামের অনুসারী হিসেবে অবশ্যই আমি একজন মৌলবাদী; রাজনৈতিক অর্থে মৌলবাদী নই। তাই, হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আদিখ্যেতাকে আমি একটি রাজনৈতিক আচরণ বলে মনে করছি। ধর্মের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই।

    Reply
    • R.Masud

      what is the মৌলিক ইসলাম? could you clarify? one more, where it is existed?
      immediately after the death of our prophet (sa) , True islam(মৌলিক ইসলাম) started deviation. prove of this claim is :` murder of three khalifa (ra)
      out of four by another true muslim!!!

      Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        Dear Mr. Masud, answer lies in your question and explanation. I would like to uphold that true Islam and nurture that throughout my life; a religion which is respectful to other religions and obligated to fulfill their rights alongside the Muslims.

    • Hasan Mahmud

      তাই, হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আদিখ্যেতাকে আমি একটি রাজনৈতিক আচরণ বলে মনে করছি। ধর্মের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই। CORRECT.

      Reply
    • লোটাস

      “ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও গ্রহণযোগ্য নয়” – কে আপনাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। ধর্ম নিজেই একটি অত্যান্ত আপত্তিকর বিষয়।

      Reply
      • ওমর আলী

        আমার ধর্ম ইসলাম, আমার মধ্যে মুসলিমত্ত আছে। আপনার কী আপত্তি জানাবেন?

      • R. Masud

        জনাব ওমর আলী
        আপনার ভাষাতেই বলি
        আমি দেখি মুসলিম টেরোরিস্ট রা নিরুপরাধ মানুষ কে রাস্তায়, বাজারে, মসজিদে , গির্জায়, মন্দিরে ডুকে নির্মম ভাবে হত্যা করে, তা দেখে আমার মনে আজকাল ঘৃণা জন্মায় আমারি নিজের ধর্ম ইসলামের ( আসলে আজকালের নকল ইসলামের ) উপর।
        তাতে আপনার আপত্তি কেন।
        আমাদের নবী মারা যাবার পরদিন থেকেই, খমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে সব মুসলিমরা,। তারই পরিনতিতে চার খলিফার (রাঃ) মাঝে তিন জনকেই প্রান দিতে হয়েছে অন্য মুসলমানদের হাতে। বিবি ফাতেমার জানাজায় খলিফা আবু বকর (রাঃ) কিম্বা খলিফা ওমর (রাঃ) মত মহান জনকেও আসতে দেওয়া হয়নি ( মারা যাবার আগে বিবি ফাতেমার অনুরোধ তাই ছিল) !!

    • R. Masud

      Dear Mr. Zabed
      Does it mean you agreed that nowhere ture Islam existed any more?
      Otherwise, you simply avoided my query , cauz its pretty difficult to answer the correct. Even a super Islamic expert of current time don’t know the answer I deem.

      Reply
    • mamunkvafsu

      By above comments it seems that 90% are fanatic, intolerant, May Allah give then some enlightenment, wisdom and morality at least to show some respect to the different opinions.

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—