গ্যাব্রিয়েল মার্কেজ বলেছিলেন, “পৃথিবীতে ভালোবাসার চেয়ে জটিল কিছু ছিল না।”

সেলুলয়েডের সুপারস্টাররাও এই জটিলতার বাইরে নন একদমই। সেলুলয়েডে যাদের জীবনের অধিকটা কেটে যায়, তাদের ব্যক্তিগত জীবনও ক্যামেরায় ঘুরেফিরে আসে নানাভাবে। চিত্রজগতের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ফিরিস্তি সন্তর্পণে এড়িয়ে গেছেন; কেউ কেউ হৃদয়ের ঝাঁপি খুলে দিয়েছেন ক্যামেরার সামনে অথবা পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে। যেমন অমিতাভ প্রসঙ্গে রেখা। ভিভ রিচার্ডসকে নিয়ে নীনা গুপ্তা। সন্তান মাসাবা গুপ্তা সাবলীলভাবে তাঁর ক্যারিবিয়ান বাবা ভিভ রিচার্ডস সম্পর্কে বলতে পারেন মিডিয়ার কাছে। নোরা জোনস পারেন তাঁর বাবার (পণ্ডিত রবিশংকর) সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতার কথা অকপটে বলতে। ব্র্যাড পিট আর অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বিচ্ছেদের আগেও যেমন ছিলেন, পরেও নিয়মিতই মিডিয়ার খবরে থাকছেন।

সম্পর্কের হালহকিকত নিয়ে মিডিয়ার নজর এড়াতে পারেননি লেখকরাও। আশি পেরুনো নোবেলজয়ী মারিও ভার্গেস ইয়োসা এখনও শিরোনাম হচ্ছেন তাঁর নতুন সম্পর্ক ঘিরে।

হলিউড সুপারস্টারদের মিডিয়া অনুসরণ করে সবখানে। ব্যতিক্রম নয় বলিউড। টিভির বিনোদন শো আর পত্রিকার মিডিয়া পাতা– স্টারদের নিয়ে আগ্রহ এখানে তুঙ্গে। আমাদের ঢালিউডের অধিকাংশ পত্রিকার মিডিয়া বিভাগ হলিউড-বলিউড সেলেব্রিটি খবর দিয়েই পাঠক ধরতে চায়। অর্থাৎ আমাদের স্টারডম এখনও আন্তর্জাতিক নয়। এখানে ঢালিউড নিয়ে মাপা-মাপা খবর।

এর মাঝে অপু বিশ্বাস আর শাকিব খানের বিয়ে ও সন্তান-চমক ঢালিউডের উপর উজ্জল স্পটলাইট ফেলতে পেরেছে। কিন্তু আমাদের সিনেপাড়ার নায়ক-নায়িকারা নিজেদের ব্যক্তিগত প্রেম-স্ক্যান্ডাল নিয়ে খোলামেলা আলাপে সাংবাদিক-ক্যামেরার মুখোমুখি হতে অভ্যস্ত নন। অভ্যস্ত নন ঢালিউডের দর্শকরাও। ফলে পক্ষ-বিপক্ষ-নিরপেক্ষ হতে গোল বাঁধিয়ে ফেসবুকে ভজঘট করে ফেলছেন পুরো ঘটনা।

 

Shakib Khan - 111
সিনেজগত তুচ্ছজ্ঞান করে এ বিষয়ে কথা বলায় অনেকের নাকসিঁটকানো বিজ্ঞতা থাকলেও বস্তুত এদের জীবন থেকেও সামাজিক মনস্তত্ত্ব বোঝা সম্ভব

 

সিনেজগত তুচ্ছজ্ঞান করে এ বিষয়ে কথা বলায় অনেকের নাকসিঁটকানো বিজ্ঞতা থাকলেও বস্তুত এদের জীবন থেকেও সামাজিক মনস্তত্ত্ব বোঝা সম্ভব। এই ঘটনার দুজনের একজন নারী ও অন্যজন পুরুষ। নারীর অভিযোগ, দীর্ঘ ৮ বছরের বিবাহিত সম্পর্কের কথা পুরুষটি গোপন রেখেই চলেছেন। তাঁর আরও দাবি, নিজের ক্যারিয়ারের তোয়াক্কা না করে তিনি সংসার করেছেন, সন্তান ধারণ করেছেন, একা একা সন্তান জন্ম দিয়েছেন এবং এখনও সন্তান-পরিচর্যার অনেক বিষয় তাঁকে একাই সামলাতে হচ্ছে।

নারীটি দরিদ্র আর পুরুষটি ক্ষমতাবান হলে সমীকরণ সহজ হত। তিনি এক বাক্যে সকলের সহমর্মিতা পেতেন। কিন্তু এখনকার ঘটনাগুলোতে পুরুষের একেবার সমকক্ষ না হলেও নারীটিও অনেক ক্ষেত্রে আর্থিক-সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত পরিচয় নিয়ে আসেন। এতে অসুবিধা হচ্ছে, নারীকে যতটা অসহায় চেহারায় দেখতে আমরা স্বাচ্ছন্দ বোধ করি তিনি ততটা অসহায়রূপে থাকেন না। এটি পুরুষতন্ত্রকে বিব্রত করে। ফলে নারীটির প্রতি সন্দেহের বহুমুখী তীর ছুটে আসতেই থাকে।

সমাজ নারীকে পাহাড়সম ধৈর্য নিয়ে সংসারে পুরুষটির মন জোগাতে শেখায়। স্বামীকে সংসারে ফেরাতে নারীকে সন্তান নিতে হয়। এভাবে স্বামীকে ফেরাতে ফেরাতে কেটে যায় নারীর জীবনের অনেকটা সময়। তারপর সমাজ থেকে মেলে সংসারী নারী হওয়ার হাততালি। অপু বিশ্বাসের উপস্থাপনে অতিরঞ্জিত অসহায়ত্ব নেই– অশ্রু থাকলেও অনুনয় নেই। তাই নারীকে ধৈর্যশীল হতে শেখানো ব্রিবত পুরুষতান্ত্রিক সমাজই প্রশ্নটা করে, কেন তিনি ৮ বছর চুপ করে ছিলেন! কেউ কেউ বলছেন, যা হয়েছে দুজনের যুগ্ম সিদ্ধান্তেই হয়েছে, তাহলে এ নাটক কেন?

দাসপ্রথার যুগে দাসত্ব সামাজিকভাবে ও আইনত অনুমোদিতই ছিল। দীর্ঘ সময় লাগলেও দাসপ্রথার সেই সমঝোতা বিলুপ্ত হয়। কোনো এক পক্ষ দীর্ঘকাল দমিত থাকলে যত সমঝোতা চুক্তিই থাকুক না কেন, একসময় না একসময় দ্রোহ ঘটবেই। মানুষ মূলত তার সম্পর্কের অস্তিত্ব বড় পরিসরে প্রকাশ করতে চায়। সম্পর্কের লুকোচুরি স্বল্প সময়ের জন্য যতটা অ্যাডভেঞ্চারাস, দীর্ঘ সময়ের ক্ষেত্রে ততটাই মানসিক চাপের কারণ। ফলে এর প্রকাশ স্বাভাবিকের বদলে ’বোমা ফাটানোর’ মতোই হবে। যেমনটা ঘটেছে অপু বিশ্বাসের ক্ষেত্রে।

দুজনের মধ্যে যত সমঝোতাই থাকুক, সম্পর্কের গোপনীয়তা নিয়ে, আপন অস্তিত্ব সংকটের মনস্তাত্ত্বিক টানাপড়েনেই অপু গোপনীয়তা থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবেন। সন্তান ধারণ ও পরিচর্যার যাবতীয় কাজ ‘সিঙ্গেল মাদার’ হিসেবে সম্ভব হলেও ‘হিডেন মাদার‘ হিসেবে দুঃসহ। অপু বলেছেনও, তাঁকে বাচ্চার টিকার জন্য যেতে হচ্ছে, বাচ্চার জ্বর হলে ডাক্তারের কাছে যেতে হচ্ছে, ফোনে কথা বলার সময় বাচ্চা কাঁদলে লুকিয়ে ফেলতে হচ্ছে যেন তার মাতৃপরিচয় কেউ জেনে না যায়।

যারা (শাকিব খানসহ) অপু বিশ্বাস কী চান তা বুঝতে অপারগ, তারা মানুষের আত্মস্বীকৃতির মনস্তস্ত্ব বুঝতে অপারগ। ‘মাদারহুড ক্রাইসিস’ বলে একটি টার্ম রয়েছে। নারী যখন বাড়তি ওজন বহন করতে শুরু করেন তখন মাতৃত্বের আনন্দের পাশাপাশি শারীরিক পরিবর্তন তাকে অবসাদগ্রস্ত করতে পারে। প্রসবের পর নারীর জীবন অনেকখানি সন্তানকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তাকে নিজের ক্যারিয়ারে ও ব্যক্তিগত সময়ে ছাড় দিতে হয়। পাশাপাশি দেখতে হয় নিজের বেঢপ অবয়ব। এসবও নারীকে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত করতে পারে ক্রমাগত।

অপু বিশ্বাস যেহেতু সিনেজগতের একজন, তাঁর পক্ষে এই শারীরিক পরিবর্তন থেকে মানসিক চাপ বোধ করাটা খুবই স্বাভাবিক। তদুপরি পুরো ব্যাপারটিতে গোপনীয়তার চাপ তো রয়েছেই। এই মানসিক চাপ থেকে বেরিয়ে আত্মস্বীকৃতির জন্য অপু বিশ্বাসের মনোজগত তাঁকে ক্রমাগত সামনে নিয়ে আসতে চাইবে। আর তাই ৮ বছরের গোপনীয়তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারায় তাঁকে অভিনন্দন।

এবার আসা যাক শাকিব খানের প্রতিক্রিয়ায়। তিনি শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্নভাবে আপত্তিকর, পশ্চাৎমুখী ও পুরুষতান্ত্রিক ‘পাওয়ার প্লে’এর উদাহরণ দেখিয়েছেন। তিনি অপুকে দেখে নেওয়ার হম্বিতম্বি করেছেন, সাংবাদিক সম্মেলনের হাঁকডাক দিয়েছেন এবং অপু সম্পর্কে নানা কটূক্তি করে যাচ্ছেন। নিজেকে বারবার সুপারস্টার হিসেবে পরিচয় দেওয়া শাকিবের আচরণ স্টারসুলভ তো নয়ই, ভদ্রতাবোধেরও অভাব পরিলক্ষিত। তিনি অপু বিশ্বাসকে এমনকি যদি আর স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ না-ও করতে চান, তথাপি তাঁর মনে রাখতে হবে যে, তিনি একজন ব্যক্তি এবং সিনেজগতের স্টারও। একজন সহকর্মী সম্পর্কে শাকিব খানের কাছ থেকে শালীন ভাষায় মন্তব্য কাম্য। বিভিন্ন মিডিয়ার কাছে তিনি অপু বিশ্বাসের মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে যেভাবে বলছেন তা কোনোভাবেই সম্মানজনক নয়।

ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও তাঁর ছিপছিপে গড়ন হারিয়ে বেজায় মুটিয়ে গিয়েছিলেন সন্তান ধারণের আগে ও প্রসবের পরে। কেউ কেউ এটা নিয়ে বিদ্রূপ করতেই তাঁর পরিবার তো বটেই, বলিউডের বড় বড় সেলেব্রিটিরা তাঁর মাতৃত্বকালীন মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করে উৎসাহ দিয়ে গেছেন ঐশ্বরিয়াকে। তিনি একজন সিনেব্যক্তিত্ব। তাঁর মাতৃত্বের পরিচয় যেমন তাঁর জন্য গর্বের, তেমনি আত্মপরিচয়ও জরুরি। তাই তিনি দ্রুতই ফিরে আসলেন সিনেমায়, মেদ ঝরিয়ে।

এককালের ‘জিরো ফিগার’ কারিনা কাপুর আরও এগিয়ে। তিনি সন্তান ধারণকালীন সময়ে মুটিয়ে যাওয়া শরীর নিয়ে ক্রমাগত ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছেন, র‌্যাম্পে হেঁটেছেন এবং সন্তান জন্মদানের পর দ্রুত কাজে ফেরায় প্রাধান্য দিচ্ছেন। ভারতীয় নায়িকাদের মধ্যে অনেকেরই মাতৃত্বকালীন মুটিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং তাঁরা প্রত্যেকেই এই যাত্রায় মানসিক সমর্থন ও ইতিবাচক উৎসাহ পেয়েছেন তাদের পরিবার ও সহকর্মীদের কাছ থেকে।

শাকিব এমন মন্তব্যও করছেন যে, অপু বিশ্বাস সুন্দর করে কথা বলতে পারেন না। অথচ অপু কথায় ধীরস্থির ছিলেন বরাবর। আর শাকিব ছিলেন উচ্চকণ্ঠ এবং প্রশ্নোত্তরে অসংলগ্ন। তিনি একটি টিভি চ্যানেলে একটু ঘুরিয়ে এমনটা বলেছেন যে, বিয়ের কথা প্রকাশ পেলে তাদের সিনেক্যারিয়ারে ভালো হবে না– দর্শক তাদের গ্রহণ করবে না, ইত্যাদি। অথচ হলিউড এবং বলিউডে গণ্ডায় গণ্ডায় বিবাহিত নায়ক-নায়িকা বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিচ্ছেন। এখনকার সময়ে শাকিব খানের এই ধ্যানধারণা হতাশাব্যঞ্জক। আজকের যুগের নায়ক-নায়িকাদের এরকম ক্লিশে ট্যাবুমুক্ত থাকা জরুরি।

 

Actress Aishwarya Rai Bachchan poses during a photocall for the film "Jazbaa" at the 68th Cannes Film Festival in Cannes, southern France, May 19, 2015. REUTERS/Yves Herman
বলিউডের বড় বড় সেলেব্রিটিরা তাঁর মাতৃত্বকালীন মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করে উৎসাহ দিয়ে গেছেন ঐশ্বরিয়াকে

 

এককালে গোপন সম্পর্কে সন্তানের পিতৃপরিচয় স্বীকৃতি পেতে হাতেপায়ে ধর্ণা দিতে হত নারীকে। সমাজ এখনও তত আধুনিক না হলেও, বিজ্ঞান এগিয়েছে। সন্তানের পিতৃপরিচয় নির্ধারণে এখন একটা ডিএনএ টেস্টই যথেষ্ট। এই আজব সমাজে কেবল সন্তানের নয়, নারীরও পুরুষ স্বীকৃতি লাগে– অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণে। ধারণা করা যায়, অপু বিশ্বাসের আর্থিক সীমাবদ্ধতা নেই। যেহেতু বিয়ে করেছেন, তাই সামাজিক সংকটও তুলনামূলক কম। তথাপি শাকিব পুরুষতান্ত্রিক ঔদ্ধত্যে কেবল পুত্রের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানান।

ইতোমধ্যে বহুবার তিনি সন্তানের জন্য দেওয়া ১২ লাখ টাকার হিসাব শুনিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর কাছে পিতৃত্বের অর্থ ১২ লাখ টাকা। অপু বারবার যে মর্যাদার কথা বলছেন, তাঁর পরিমাপ শাকিব খানের মতো সুপারস্টার লাখ লাখ টাকা দিয়ে কষছেন।

সন্তানের বয়স প্রায় ৬ মাস। এখন শাকিব বলছেন, তিনি চেয়েছিলেন তাঁর সন্তানকে একজন সুপারস্টারের সন্তানের মতো সামনে নিয়ে আসবেন। নিজের স্টারডমে বিভোর শাকিব বুঝতে অপারগ যে, সুপারস্টারের সন্তানের মতো নয়, জন্মের পরপরই একজন বাবা হিসেবে নিজ সন্তানকে সকলের সামনে আনতে পারা দারুণেএকটি বিষয়।

শাকিব ও অপু দুজনেই আধুনিক প্রজন্মের। তদুপরি চলচ্চিত্রে কাজ করেন বলে তাঁরা অনেক আচারে সংকীর্ণতা-বিবর্জিত হবেন এমনটা আশা করা যায়। দুজনের ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন। কিন্তু এই ভিন্নতা যদি মন দেওয়া-নেওয়ার পথে বাধা না হয় তাহলে বিয়েতে কেন?

সাধারণত বিয়ের ক্ষেত্রে কোনো এক পক্ষ মুসলিম ধর্মাবলম্বী হলে অন্যজনকেই ধর্মান্তরিত হতে হয়। পাকিস্তানে ইমরান খানও স্ত্রীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেছিলেন। বিয়েতে ধর্মান্তর ও পরে সন্তান উৎপাদন বিশ্বে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধিতে এভাবে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু ধর্ম যেহেতু যার যার ব্যক্তিগত অধিকার, তাই বিয়ের কারণে ধর্মান্তরিত হওয়া গ্রহণযোগ্য চর্চা হতে পারে না। বলিউডে দুই ধর্মের দুজন ব্যক্তির নিজ নিজ ধর্মপরিচয়ে সংসার করার দৃষ্টান্ত রয়েছে।

আমাদের দেশেও মিডিয়া জগতে এমন দৃষ্টান্ত খুব একটা বিরল নয়। যেখানে বাংলাদেশে বিশেষ বিবাহ আইন রয়েছে নিজ নিজ ধর্মপরিচয়ে বিবাহ-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য, সেখানে সুপারস্টার শাকিব খানের স্ত্রী হতে অপু বিশ্বাসকে অপু ইসলাম খান হতে হবে কেন? বিয়ের কারণে ধর্মান্তরিত হওয়ার এই রীতি আইনত বাতিল করা হোক।

অপু বিশ্বাস স্ত্রী ও মা পরিচয়ের পাশাপাশি নিজের কর্মেও পুনরায় পরিচিত হয়ে নারীর জন্য দৃষ্টান্ত রাখুন। শাকিব-অপু দ্বন্দ্বের একটি সুন্দর সমাধান হোক। তাদের সন্তান দুজনকে বাবা-মা হিসেবে একত্রে কাছে পাক, এই শুভকামনা তাদের জন্য।

৫৬ Responses -- “নায়িকার মাতৃত্বকালীন মনস্তত্ত্ব, নায়কের লাখ টাকার পিতৃত্ব এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিয়ে”

  1. Engr.Harun-Ur-Rashid

    লেখিকার লেখাটা হওয়া উচিত ছিল অপু ইসলাম ও সাকিব খানের সংসার নিয়ে।কারো ধম নিয়ে নয়। অপু ইসলাম ও সাকিব খান কে বলছি নিজেেরা যে পথে হাটছেন,হাটুন কিন্ত আব্রাহাম কে সে পথে না হাটিয়ে তাকে বড় মাপের একজন আল্লাওলা বানান,তাতে দুজনের জন্য ইহকাল ও পরকালে নাজাত পাবেন। আর সাকিব আপনাকে বলছি যত তাড়া তাড়ি পারেন অপু ইসলাম কে ঘরে তুলে নিন।তাতে আপনার ক্যারিয়ার উজ্জল হবে এবং পাপের বোঝা হালকা হবে।সাকিব কে আল্লাহ তাহলা সঠিিক বুঝ দান করুন।আমীন।

    Reply
  2. Asad

    1.কিন্তু ধর্ম যেহেতু যার যার ব্যক্তিগত অধিকার, তাই বিয়ের কারণে ধর্মান্তরিত হওয়া গ্রহণযোগ্য চর্চা হতে পারে না.

    2.স্বামীকে সংসারে ফেরাতে নারীকে সন্তান নিতে হয়

    1.Both these statements are wrong and misjudged. Religious conversion in this regard is ordered by the Almighty.
    2.Child are heavenly. And this is most joyous moment for an woman. if u dont like to have babies then shouldn’t i stop.

    Reply
  3. Prothikbiswas

    লেখার মূল লক্ষ্য এই লাইনটি—- দুজনের ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন। কিন্তু এই ভিন্নতা যদি মন দেওয়া-নেওয়ার পথে বাধা না হয় তাহলে বিয়েতে কেন?–
    রাষ্ট্রীয় আইনে কি বৈধ??? ধর্মীয় আইনে না হয় নাই বা গেলাম।

    Reply
  4. zakir hossain

    লেখিকার ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত অনেকটা সীমালঙ্ঘনের পর্যায়ে চলে গেল গেছে।

    Reply
  5. ABSIDDIQUE

    Thanks to Irin Sultana. She has narrated the whole thing. It is Shakaib khan who is responsible for all kinds of misdeed. Although it is their personal thing should have been solved amicably. Therefore good thing should prevail.

    Again thanks to I. Sultana for her good explanation of the whole thing.

    Reply
  6. অনন্যা

    আহারে আমি যদি আপনার মত লিখতে পারতাম, দারুন লিখেছেন, কিন্তু এক দুইজন আপনার লেখাটির বিরোধিতআ করবে কেবল আপনি বিয়ে সংক্রান্ত ধর্মীয় আইনের সমালোচনা করেছেন বলে। এই দুই একজন হল তারাই যারা বিচার মানি কিন্তু তালগাছ টা আমার টাইপ। ???

    Reply
  7. SMS

    Thanks for writing such an analytical article. But, there are, some flaws in there. The author failed accommodate the social reality in our country. One’s value, emotion, sense of fairness cannot be determined in isolation, it must be in the existing context.
    However, the article bears the marks of a serious writer.

    Reply
  8. Mesbah Uddin Ahmad

    আফসোস হয় ইসলাম ধর্ম নিয়ে চুলকানিগুলো করে মুসলিম জ্ঞাতি ভাই বোনরাই, আর দূর থেকে তালি মারে অমুসলিমরা….

    Reply
  9. শাকিল

    আপু আপনার লেখার ওপর ভিত্তি করে আমার নিজের জিবনের একটা কথা শেয়ার করতে ইচ্ছা হলঃ-

    আমার অন্যতম প্রিয় বন্ধুর নাম নয়ন দাস। আমি নয়নকে বন্ধু না ভাই মনে করি।
    আমি যখন বিয়ে করি তখন নয়ন বায়না ধরে যে সে আমাদের বিয়ের সাক্ষী হবে…
    আমি নয়নের কথা রাখি নাই এমন কোন ইতিহাস নেই…
    কাজি একে একে সাক্ষীদের নাম লিপিবদ্ধ করছে …
    এক পর্যায়ে ৩য় সাক্ষী হিসেবে আমি বললাম নয়ন দাসের কথা…
    কাজী রীতিমত চমকে উঠলেন , আর বললেন অমুসলিম সাক্ষী গ্রহনযোগ্য নয়…
    নয়নকে ছাড়াই আমার বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করলে হল……
    প্রসঙ্গত বলতে হচ্ছে, আমি মোটেও সাম্প্রদায়িক নই .কিংবা ধর্ম নিয়ে আমার জ্ঞান ততটা বিশাল ও নয়…..

    এখন আপু আপনার কাছে আমার প্রশ্ন ……

    যেখানে একজন অমুসলিমকে সাক্ষী করা যায় না , সেখানে একজন ও অমুসলিমকে বিয়ে করা যাবে কিভাবে !!!!!!!!!!!!?

    আল্লাহ পাক সবাইকে সঠিকটা বুঝার তওফিক দান করুক । আমিন

    Reply
  10. শাকিল

    আপু আপনার লেখার ওপর ভিত্তি করে আমার নিজের জিবনের একটা কথা শেয়ার করতে ইচ্ছা হলঃ-

    আমার অন্যতম প্রিয় বন্ধুর নাম নয়ন দাস। আমি আর নয়নকে বন্ধু না ভাই মনে করি।
    আমি যখন বিয়ে করি তখন নয়ন বায়না ধরে যে সে আমাদের বিয়ের সাক্ষী হবে…
    আমি নয়নের কথা রাখি নাই এমন কোন ইতিহাস নেই…
    কাজি আকে একে সাক্ষীদের নাম লিপিবদ্ধ করছে …
    এক পর্যায়ে ৩য় সাক্ষী হিসেবে আমি বললাম নয়ন দাসের কথা…
    কাজী রীতিমত চমকে উঠলেন , আর বললেন অমুসলিম সাক্ষী গ্রহনযোগ্য নয়…
    নয়নকে ছাড়াই আমার বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করলে হল……
    প্রসঙ্গত বলতে হচ্ছে, আমি মোটেও সাম্প্রদায়িক নই .কিংবা ধর্ম নিয়ে আমার জ্ঞান ততটা বিশাল ও নয়…..

    এখন আপু আপনার কাছে আমার প্রশ্ন ……

    যেখানে একজন অমুসলিমকে সাক্ষী করা যায় না , সেখানে একজন ও মুসলিমকে বিয়ে করা যাবে কিভাবে !!!!!!!!!!!!?

    আল্লাহ পাক সবাইকে সঠিকটা বুঝার তওফিক দান করুক । আমিন

    Reply
  11. মোঃ আলী আকবর খান

    তারা দুজনে ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। অপু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করায়, লেখিকার ভালো লাগেনি। তাই তিনি যে যার যার ধর্ম পালন করবে এমন উদাহরণ দিচ্ছেন। এক জন লেখিকা হিসেবে এমন মন্তব্য করা সমীচিন নয়। কিন্তু শাকিব এবং অপুর ছেলে কি ধর্ম পালন করবে ?

    Reply
  12. “শিকদার মোঃ আলফাজ

    আইরিন সুলতানার লেখাটা গভীর মনোযোগ দিয়ে কয়েক বার পড়লাম । লেখাটা নিঃসন্দেহে চমৎকার হয়েছে । তবে লেখিকা হয়তো একটি বিষয় এড়িয়ে গেছেন আর তা হলো “দীর্ঘ আট বছর বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা ’’ এটা কি অপু শাকিব দম্পত্তির যৌথ বোঝা পড়া, না কি শাকিবের ক্যারিয়ারের বিষয়টি চিন্তা করে অপু’র ভালবাসা উৎসারিত অসম্ভব ত্যাগ? চলচ্চিত্রাঙ্গনে আজকে যে বিষযগুলো একজন হিরো কিংবা হিরোইনের Elements of career-হিসেবে দেখা হয় ,বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী সময় হিসেবে খ্যাত 60 থেকে 90 দশকের সময় তা ভিন্ন ছিল । আকাশ সংস্কৃতির অবাধ প্রবাহ এবং আমাদের দেশে সুষ্ঠু চলচ্চিত্র বির্নিমাণে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সু-পরিকল্পনা, বোধ ও চেতনা এবং আন্তর্জাতিক মানের equipments এর অভাবে প্রায় দর্শক শুন্য হতে চলতে আমাদের আজকের চলচ্চিত্র । আর সে কারণেই হার্টথ্রব হিরো কিংবা হার্টথ্রব হিরোইন শব্দটা আজ বড়ই বেমানান । সবাই মনে করেন “বাংলাদেশের 1নম্বর নায়ক শাকিব খান – আর শাকিবের বিয়ে,সন্তান এবং এই লুকোচুরি খেলা এর জন্য আমাদের চলচ্চিত্র দর্শকদের মধ্যে কয়জনকে শাকিবের প্রতি অগাধ ভালবাসা কিংবা মনে মনে প্রেমে তাড়িত হয়ে মানষিক ভাবে যাতনা পেয়েছেন কিংবা কথিত প্রিয় নায়কের জন্য আত্বঘাতি যাতনায় পীড়িত হয়েছেন । এই কথাগুলো মনে করি অপু বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য । শাকিব এবং অপুকে মনে রাখতে হবে এটা বাংলাদেশ ।
    আমার মত হলো “ শাকিবের প্রতি অপু বিশ্বাসের ভালবাসা নিখাঁদ, অন্যদিকে শাকিব হয়তো অপুকে exploit করতে চেয়েছেন কিংবা অপুর প্রতি মনক্ষুন্ন হয়ে শাকিব তার ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রদর্শন ও প্রয়োগের মানসিকতায় বুঁদ ছিলেন । চলচ্চিত্রাঙ্গনের অভিনেতা-অভিনেত্রিরাও মানুষ;তারা আমাদের সমাজেরই সদস্য । তাদেরও ব্যক্তিগত জীবন,সেই জীবনের চাওয়া পাওয়া,হাসি কান্না- ক্ষোভ প্রভৃতি রয়েছে । আজ যদি অপু বিশ্বাস Minor Society’র না হতেন তবে ঐনি যত বড় প্রভাবশালী কিংবা শাকিবের প্রতি অতুলনীয় ভালবাসা প্রদর্শন করতেন -তবুও অপু বিশ্বাস আজ নিগৃহীত থাকতেন । শুধুমাত্র security of minority’ ভয়ে আজ শাকিব খানকে আমরা কিছুটা নমনীয় দেখতে পেয়েছি । শাকিব -অপুর চলমান দাম্পত্তিক কলহ যদি আইনের কাঠগড়ায় পেীঁঁছাতো তবে শাকিবের কপালে নিঃশ্চিত শনি এবং রাহু উভয়টি ভর করতো , যেখান থেকে বেরিয়ে আসতে শাকিবের প্রভাব -প্রতিপত্তি কিংবা সুনাম- সুখ্যাতি কোনটিই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারতো না । শাকিব খান অবশ্যই বুদ্ধিমান ,তাই ভেবে চিন্তেই উনি এই নাটকের শেষ দৃশ্যটি উনার শ্রদ্ধাভাজন আম্মার হাতে ছেড়ে দিয়েছেন । আর চলচ্চিত্র এবং চলচ্চিত্রের বাইরে সাধারন মানুষ এই ঘটনা থেকে অনেক শিক্ষা পেয়েছেন যা অনেক আবেগ তাড়িত মানুষের জীবনে গুরত্বপূর্ন ভুমিকা রাখবে ।

    লেখিকার লেখাটি যদিও শাকিব অপুর চলমান সাংসারিক জীবনের টানাপোড়ন নিয়ে আবর্তিত ,তদুপরি বিশেষ বিবাহ আইনের উদাহরণ টেনে লেখিকা তার নিজস্ব পক্ষপাতিত্বকে প্রকাশ করেছেন যা শাকিব -অপুর সাংসারিক সংকটকে ানুড়িত করবে না । কারণ অপু কিংবা শাকিব তাদের ব্যক্ত বিষয়ে একটিবারের জন্যেও ধর্ম নিয়ে কথা বলেন নি । তাই লেখিকার উদ্দেশ্যে বলবো -“ আজ যদি বিশেষ বিবাহ আইনে অপু শাকিবের বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো , তবে শাকিবের জন্য তা পোয়া বারো হলেও অপুর জন্য তা শুভ হতো না বরং আত্বঘাতির পথ ছাড়া অথবা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাদের এই সমাজকে চরম ঘৃনায় প্রত্যাখান করে দেশ ও দশের আড়ালে চলে যেতেন এবং সারাটি জীবন চোখের জলে নিজের ভুলের জন্য সৃষ্টি জলন্ত আগ্নেয়গীরিকে নেভানোর বৃথা চেষ্টা ছাড়া অপুর জন্য অন্য কোন পথ থাকতো না ।
    তাছাড়া বিশেষ বিবাহ আইন মানুষকে কামুক বানাতে পারে, এই আইন মানুষকে মানবিক ও সভ্য করতে চরমভাবে ব্যর্থ -অনাগত সময়ে তা বাস্ত রুপে লেখিকা হয়তো খুজেঁ পাবেন ।
    সর্বশেষ শাকিব অপু দম্পত্তির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ পাকের দরবারে লক্ষবার প্রার্থনা করি এবং আমাদের ভবিষ্যত স্বপ্ন নায়ক আব্রাহাম খানের জন্য হৃদয় উৎসারিত ভালবাসা এবং আর্শিবাদ ।

    “শিকদার মোঃ আলফাজ
    এম.এস.এস (রাষ্ট্র বিঃ), এল.এল বি
    01712-531971

    Reply
  13. মামুন

    লেখকরা যদি ধর্ম বিশ্লেষন শুরু করে দেয় তাহলে ধর্মের অবস্থা হবে ইসলাম বাদে অন্য সব ধর্মের মত যা বাস্তব জীবনের ব্যবহারিক জ্ঞানশূন্য ।

    Reply
    • MD. ASHRAFUL ALAM

      ধন্যবাদ ভাই বিষয়টি বুজতে পারার জন্য। অনেকেই কমেন্ট করেছে কিন্তু অধিকাংশ লোকেই বুজতে পারে নাই যে শাকিব-অপু বিষয় নিয়ে ধর্মকে ছোট করা হচ্ছে । মনুষ্যত্ব কে বিলিয়ে দিয়ে পশুত্ব কে আলিঙ্গন করার চেষ্ট করা হচ্ছে।

      Reply
  14. জিয়া

    সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক লেখা মনে হচ্ছে। কোন একটা বিশেষ মহলকে খুশি করতে লেখিকার এ লেখন তা প্রায় স্পষ্টই। আপনি মনোভাব পরিবর্তন করতে বলেছেন। কিন্তু একটু গভীরভাবে খেয়াল করে দেখবেন আপনার লেখাটা নিরপেক্ষ না বায়াজ্ড।

    Reply
  15. Arif

    এযাবতকাল শাকিবের কথায় যথেষ্ট সীমিত জ্ঞানহিন মনে হয়েছে, সে নিজেকে জোরকরে সুপারস্টার বুঝাতে চেয়েছে, এবং টাকা দিয়ে সব ঢেকে দিতে চায়, এইজাতিয় লোকদের দৃষ্টান্ত শাস্তি হওয়া উচিত।
    আর লেখিকার কথায় ধর্মের প্রতি আস্থার অভাব বুঝা যাচ্ছে।

    Reply
  16. মুহিব্বুর রহমান

    হায়রে সুপারস্টার ? বৃষ্টিতে ভিজে, পুকুরে ডোবে একটা আরেকটারে জড়ায়ে ধরে, খামছিয়ে দেয়, সামনে-পেছনে জড়াজড়ি, মুখ ঘসাঘসি করাটাই সুপারস্টারের কাজ।ছেলে মেয়েদের অশ্লিল এইসব জিনিসে শিক্ষনীয় কিছু নেই।
    আমি যা বুঝি ধর্মই মানুষকে সুখ দিতে পারে। এখন আপনি কোন ধর্ম গ্রহণ করবেন? মানুষের তৈরী ধর্ম/ মানুষের স্রষ্টার ধর্ম ?
    কিন্তু প্রধান শর্ত হচ্ছে তা পুরোপুরি মান্তে হবে। অর্ধেক ঘর বানিয়ে শান্তিতে থাকা যায়না।

    Reply
  17. শুভঙ্কর

    অপুকেকেউ কি জোর করে মুসলিম বানিয়েছে নাকি সে স্বেচ্ছায় মুসলিম হয়েছে?
    সে বিষয় আপনার কাছে কোন প্রমাণ আছে?
    সে মুসলিম হোক বা না হোক তাতে আপনার মাথা ব্যাথা কেন?
    এটা গনতান্ত্রিক দেশ। সবার নিজের ইচ্ছেকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা আছে।
    আর কে আইনি সহায়তা নিবে বা নিবে না সেটা তার ব্যাপার।
    তাতে আপনার মাথা হ্যাথা কেন?

    Reply
  18. এমদাদ

    কোন মুসলমান অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করতে চাইলে তাকেও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে হবে, এটা কুরআনের বিধান (সুরা বাকারাহ, আয়াত ২২১)। কুরআনে বিশ্বাস থাকলে এ নিয়ম পালন বাধ্যতামূলক। কোন আইন করে এটাকে পাল্টানোর প্রস্তাব ইসলাম সমর্থন করেনা।

    Reply
  19. A.H.M. Shafiqullah

    অপু যেটা করেসে সেটা খুবই স্বাভাবিক। নিজের এবং সন্তানের অধিকার আদায়ের জন্য ৯ বছর অপেক্ষা অনেক দীর্ঘ সময় মনে হয়েছে। পাশাপাশি সাকিব খান এর কথা ও আচারন অসগ্ লগ্ন ও রুচিহীন ছিল। লেখিকার মনস্তাতিক বিশ্লেষণ এর সাথে আমি এক মত পোষণ করি। কিন্তু ধর্ম নিয়ে যে চিন্তাধারা আপনি নিজে পোষণ করেন সেটা আপনার একান্ত নিজের হলে কোন কথা নাই। সব ধর্মই চলে তার নিজের নিয়মে। সেখানে আমি বা আপনি নিজেদের মনগড়া কথা বলে বিকৃত করার চেষ্টা করা রুচিহীনতার নমান্তর।

    Reply
    • Sumon

      @ A.H.M. Shafiqullah
      আমি আপনার সাথে একমত। লেখিকার ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত অনেকটা সীমালঙ্ঘনের পর্যায়ে চলে গেল গেছে।

      Reply
  20. সুমি

    আমি শাকিব-অপুর কিছু সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম তাতে অপুকে অপেক্ষাকৃত বেশি স্মার্ট ও ট্যালেন্ট মনে হয়েছিলো । আজ সে করুণার পাত্রী হয়ে গেল ? শাকিব খানের নিজেকে সুপার স্টার আর অপুর ফিগার নিয়ে কথা বলা চরম অজ্ঞাতার পরিচয় ।
    অপুর ভাগ্যে কি আছে জানি না। তবু আশা করব ওরা সুখি হোক ।

    Reply
  21. walkingtochange@gmail.com

    একজন মুসলিম বিয়ে করতে হলে আর এক মুসলিম কেই করতে হবে তা না হলে বিয়ে জায়েজ হবে না / তবে কেউ যদি ধর্ম না মানে তাহলে বেক্তিগত বেপার / লেখিকা কেন ( বিয়ের কারণে ধর্মান্তরিত হওয়ার এই রীতি আইনত বাতিল করা হোক।) বলবেন ? আপনি ধর্ম মানেন না ভালো কথা কিন্তু আইন করতে বলছেন কেন ?!!!

    Reply
  22. Siddique

    অপু যদি তার ধর্ম পরিবর্তন করে সাকিবকে বিয়ে করতে স্বেচ্ছায় রাজি থাকে সমস্যা কি? কেউতো জোড় করে কিছু করছে না। সাকিবও চাইলে তার ধর্ম চেন্জ করতে পারতো। সমস্যা কি? আবার কেউ কোন ধর্ম পালন না করেও বিয়ে করতে পারতো। কোন সমস্যা? Are you mad?

    Reply
  23. কাজী আহমদ পারভেজ

    খুব ভাল লিখেছেন।
    অনেক ধন্যবাদ।
    অল্প কথায় এতটা গুছিয়ে লিখতে পারার জন্য আপনার প্রশংসা না করে থাকা যাচ্ছে না!!!

    Reply
  24. রোদেলা নীলা

    যে বাবার পরিচয়ের জন্য মিদিয়ার সামনে চ’মাসে বাচ্চাকে আনতে হয় ,এমন জন্মদাতার পরিচয় খুব কি দরকার সমাজের ?
    মেয়েরা কেন নিজের পরিচয়ে সন্তান বর করতে পারবে না ।
    ধর্মের ভয় নাকি আত্মতৃপ্তি ?
    স্টারিজমে বুদ হয়ে কেবল লাখ টাকা দিয়ে দায়িত্ব ঝেড়ে দেন যে পিতা সে কি আদৌ কোন কালে বাবা হতে পারে ?
    অনেক প্রশ্ন থেকে যায় ,শুধু অপু বিশ্বাস তারকা আর শাকিব খান সুপার স্টার বলে খবরের শিরোনাম-অপু এখন শাকিবের ঘরে।
    আদৌ সেটা ঘর কীনা অপুর ভেবে দেখা উচিৎ যদি মান সন্মান বলে কিছু থাকে।
    আবেগ দিয়ে এত লম্বা জীবন পার করা যাবে না।

    Reply
  25. চন্দন

    দু/তিনটি শব্দে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা সম্ভব না। তারপরও অল্প কথায় – যথার্থ যুক্তি সংগত ও সময়োপযোগী ।

    Reply
  26. শুভ্র

    লেখা পছন্দ হয় নাই।

    উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বিশেষ স্বার্থানুকূল মনে হচ্ছে।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির প্রতিকূল উসকানিমূলক লেখা।

    মুসলিম জনগোষ্ঠির সংখ্যাবৃদ্ধিতে লেখিকাকে বিচলিত মনে হচ্ছে।

    মনে হয় লেখিকা কি লিখেছেন তা তিনি নিজেই জনেন্নাা। একবার বলেছেন পাকিস্তানে ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে করেছে আবার বলেছে ভারতে ধর্ম ঠিক রেখে বিয়ে করেছে। আর আপনিতো নিজেই বল্লেন বাংলাদেশে কোর্টে ধর্ম ভিন্ন হলেও বিয়ে করা যায়। আবার পরিবর্তন করেও করা যায়। নতুন আইনের দরকার কোথায়?

    বাংলাদেশের স্বামীঅন্তপ্রান মেয়েরা স্বামীর সুখকেই এগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সাকিব যদি অপুকে ভালোবাসে কিন্তু ধর্ম ভিন্ন হওয়ার কারনে যদি বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করে আর অপু যদি তার ধর্ম পরিবর্তন করে সাকিবকে বিয়ে করতে স্বেচ্ছায় রাজি থাকে সমস্যা কি? কেউতো জোড় করে কিছু করছে না। সাকিবও চাইলে তার ধর্ম চেন্জ করতে পারতো। সমস্যা কি? আবার কেউ কোন ধর্ম পালন না করেও বিয়ে করতে পারতো। কোন সমস্যা?

    এতো এতো ইস্যু থাকতে এগুলো নিয়ে লিখতে হলো আপনাকে? কে সুপারস্টার? কিসের সুপারস্টার? বৃষ্টিতে ভিজে একটা আরেকটার পেছনে কোমর জরাজরি করে মুখ ঘসাঘসি করাটাই সুপারস্টারের কাজ? ছেলে মেয়েদের নিয়ে অশ্লিল এইসব জিনিস দেখা যায়? শিক্ষনীয় আছে কোন কিছু এগুলো থেকে? পর্ন আর এইসব সিনেমার মাঝে পার্থক্য কতটুকো?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—