- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

ধর্ষণ কোনো অপরাধ নয়!

ধর্ষণ কোনো অপরাধ না। ধর্ষণের জন্য দেশে যে আইনগত শাস্তির বিধান রয়েছে তা উঠিয়ে দেওয়া হোক। ধর্ষণকে পুরুষদের জন্য এক স্বাভাবিক কর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। উপরন্ত ধর্ষককে এ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা হোক। ধর্ষককে জামাই আদরে আদৃত করা হোক।

দেশে এখন বাল্যবিবাহ আইন অনুযায়ী ‘আক্ষরিকভাবেই’ ধর্ষকরা এবার থেকে জামাই আদর পেতে যাচ্ছে। বলতে গেলে ধর্ষকের জন্য জামাই আদর সত্যিকারভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল! কারণ ‘বিশেষ ব্যবস্থায়’ নাবালিকাকে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ের যে বিধান দেওয়া হয়েছে তাতে অবশ্যই ধর্ষক শ্বশুরবাড়িতে অর্থাৎ ধর্ষিতার বাড়িতে গিয়ে জামাই আদর পাবে।

বাঙালি সমাজে মেয়ের জামাই যত দোষ করুক, যত রুঢ় হোক, যত অপকর্ম করুক জামাই আদর পায় না, এ তো অস্বাভাবিক ঘটনা। তিন বছরের শিশুকে যদি ৪০ বছরের পুরুষ ধর্ষণ করে তার সঙ্গে সেই শিশুর বিয়ে দেওয়া হোক। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ বছর নয়, মেয়েদের ন্যূনতম বিয়ের বয়স উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। অর্থাৎ মেয়েদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিয়ের বয়স থাকবে না। ধর্ষণের ফলে গর্ভধারণ করলে নাবালিকার বিয়ে জায়েজ। তবে তিন বছরের শিশু তো আর গর্ভধারণ করবে না। সে ক্ষেত্রে শিশুটি প্রাপ্তবয়স্ক হলে গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকবে– এই অজুহাতে তিন বছরের শিশুর সঙ্গে ৪০ বছরের পুরুষটির বিয়ে দেওয়া হোক।

একাত্তরে বহু নাবালিকাকে পাকিস্তানি সেনারা ধর্ষণ করে এবং বহু বালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। সেইসব খান সেনাদের তো ক্ষমা করে দিতে হবেই। বরং তাদের জামাই আদর দিয়ে বাংলাদেশে ডেকে আনা উচিত হবে! এরপর সেইসব ধর্ষিতা নাবালিকাদের খুঁজে এনে তাদের সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ের এই আইনগত স্বীকৃতির ‘বাহাবা’ না দিয়ে উপায় নেই! ধর্ষক যদি বিবাহিত হয় তাহলে কি ধর্ষিতাকে বিয়ে করতে পারবে? পাকিস্তানের সেনাশাসক আইয়ুব খান তো একটা গণ্ডগোল বাঁধিয়ে গেছেন। দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি লাগে। এখন যদি ধর্ষকের প্রথম স্ত্রী অনুমতি না দেয়, তাহলে? বোকার মতো কথা হল।

বাংলাদেশের কজন স্ত্রীর বুকের পাটা আছে স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়েতে অনুমতি দেবে না? আর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করলেও বা কী? স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে যায় বা পারে কজন স্ত্রী? যদি ধর্ষকের ইতোমধ্যে চারটি বৌ থাকে, তাহলে বা এর কী সমাধান হবে? এসব নিয়ে আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকের মাথা ঘামানোর মতো মেধা নেই। যারা এই আইন করেছে তাদের মেধা অপরিসীম। আইনস্টাইনের মতো এসব আইনপ্রণেতার মস্তিষ্ক মৃত্যুর পরও সংরক্ষণ করে রাখা উচিত, যাতে পরবর্তী প্রজন্মও দেখতে পারে নারী জাতির এত বড় হিতৈষী কারা ছিল!

একটি মেয়ে যদি ধর্ষিত হয়, তার মন বেজায় প্রফুল্ল হয়ে ওঠে, ধর্ষক হয়ে ওঠে তার কাছে ‘হিরো’, তাই নয় কি? আমাদের আইনপ্রণেতাগণ কি তা মনে করেন না? যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ক্ষমতাশীল রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধি জজ ফট কিছুদিন আগে বলেছেন: “ধর্ষণ ঈশ্বরের ইচ্ছায় সংগঠিত হয়। বাইবেলে এর উল্লেখ আছে।”

ক্ষমতাশীন সরকারের গর্ভপাতের বিরুদ্ধে নিজ অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কংগ্রেসম্যান এ কথা বলে। এ ধরনের মন্তব্য শোনা গেল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধারী দেশের ক্ষমতাশীলদের একজনের কাছ থেকে। কী যে ভালো হল বাংলাদেশের আইনপ্রণেতাদের জন্য! (যারা বাল্যবিবাহ আইন প্রণয়নের দায়িত্বে ছিলেন বা কোনোভাবে সম্পৃক্ত তাদের কথা বলছি)।

এ আইন প্রণয়নের আগে যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে বলা হয়েছিল কোনো কোনো অঙ্গরাজ্যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১২ রয়েছে। তাদের যখন সবক্ষেত্রে অনুসরণ করি তখন এ ক্ষেত্রে করব না কেন?

শুধু ব্যক্তিস্বাধীনতা, পিতার সম্পত্তিতে কন্যার সমনাধিকার, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি বিষয়গুলো আমরা নিজ ধর্মের নীতিরীতি পালন করব। বিয়ের বয়স কমানোর পেছনেও আমাদের ‘ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতি’ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামের হেফাজত করার দায়িত্ব যাদের উপর বর্তেছে তাদের কথা না শোনার মতো ‘কবিরা গুনাহ’ কে করতে চাইবে?

সুতরাং ঈশ্বরের ইচ্ছা বাস্তবায়নকারী সেসব ধর্ষককে অত্যন্ত সমীহ করে ধর্ষিতার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করা হবে অত্যন্ত পবিত্র কাজ! সেই পবিত্র কাজ থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হবে পাপ!

সাধারণ মেয়েরা স্বপ্ন দেখে রাজপুত্র এসে তাকে নিয়ে যাবে, এখন ধর্ষক হবে তার সেই রাজপুত্র। ‘বিউটি অ্যান্ড বিস্ট’ রূপকথাটা নতুন করে লেখা উচিত। বিস্ট হয়েও সে বিউটিকে ধর্ষণ করেনি, কারণ সে জানে ভালবাসা দিয়ে ভালবাসা পাওয়া যায়, আর ভালোবাসার পরিণতি বিয়ে। এখন এই রূপকথাটি হবে ‘বিস্ট সেই বিউটিকে ধর্ষণ করল, আর বিয়ে করল। বিস্ট হয়েও ধর্ষণ করবে না, এটি কি হয়? ধর্ষণ যেখানে পুরুষের জন্য স্বাভাবিক, সেখানে বিস্টের জন্য তো বটেই।

স্বামীর প্রতি ভালবাসা-শ্রদ্ধা-প্রেম ধর্ষককে বিয়ে করলে আরও বেশি উপচে পড়বে! তবে মেয়ের মনের খবর নেওয়ার প্রয়োজনটা কি?

পাশ্চাত্যে দেখেছি একটা দুই বছরের শিশুর ব্যক্তিগত মতামত নেওয়া হয় গুরুত্বের সঙ্গে। খাবার দেওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কী খাবে। ওয়াড্রব খুলে তাকে বলা হয় তার পছন্দের পোশষাক বেছে নিতে।

আহা, ওদের সমাজ আর আমাদের সমাজ কি এক হল? যে নাবালিকার বিয়ে ধর্ষকের সঙ্গে জায়েজ করা হল তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা নিয়ে আইনপ্রণেতারা কেন মাথা ঘামাবে? হোক বিয়ে সারা জীবনের সিদ্ধান্ত। যে কারণে ‘অনভিজ্ঞ’ পূর্বজনেরা প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য বিয়েটা বৈধ করেছিলেন। তারা মনে করেছিলেন বিয়েটা হল জীবনের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যার জন্য শারীরিক ও মানসিক দুটোর ‘ম্যাচুরিটি’ দরকার। সব ভুল তত্ত্ব! বিয়ে হচ্ছে পরিবার থেকে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। ‘ওঠ ছুড়ি তোর বিয়ে লেগেছে’ বচনটা কি এমনি এমনি এসেছে?

চিকিৎসকরা ধর্ষণের কারণে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি যেসব শারীরিক প্রতিক্রিয়ার কথা বলেছেন সেগুলো হচ্ছে: বাহ্যিক শরীর আহত হওয়া, ত্বকে কালশিরা পড়া, ত্বক ছিন্নবিছিন্ন হওয়া, রক্তপাত (অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক), হাটতে কষ্ট হওয়া, যন্ত্রনাময় শরীর, হাড় ভেঙে যাওয়া বা স্থানচ্যুত হওয়া ইত্যাদি। আর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া যা অনেক সময় চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হলে দেরিতে শনাক্ত হয়। গর্ভবতী হওয়া, যাকে পুঁজি করে এ ‘মহান আইন’ প্রণীত হল।

যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সেখানে ধর্ষণের ফলে শতকরা পাঁচজন ধর্ষিতা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে রয়েছে যৌন বা অন্য কোনো কঠিন বা বাজে রোগে আক্রান্ত হওয়া, যোনী ছিন্নবিছিন্ন হয়ে যাওয়া, ক্রনিক কোমরে ব্যথা, ক্রনিক অবসাদ, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা, মাংসপেশি ও স্নায়বিক চাপ, অনিচ্ছাকৃত শরীর কাঁপা, খাওয়ার অনীহা, হজমের অসুবিধা, অনিয়মিত নিদ্রা এবং অবশ্যই যৌন-জীবনে অনীহা, ভীতি ইত্যাদি।

ধর্ষিতার মানসিক প্রতিক্রিয়া বলে শেষ করা যাবে না। নাইটমেয়ার বা দুঃস্বপ্ন তখন তার নিত্যসঙ্গি। শারীরিক ও মানসিকভাবে পর্যদুস্ত মেয়েটিকে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে প্রতিদিন ধর্ষিত হওয়ার ‘মহান’ কাজে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমাদের আইনপ্রণেতাদের হাজার সালাম।

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ে দেওয়ার বিধানের মতো বর্বর ও অসভ্য আইন এখনও পৃথিবীর কিছু কিছু দেশে আছে। সম্প্রতি লেবাননে এ আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে।

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ের এই আইনের পেছনে একমাত্র কারণ নারীকে পুরুষের সম্পত্তি মনে করা। আর তথাকথিত ‘সতীত্ব’-এর ধারণা। নারীর হাত কেটে গেলে, পা ভেঙে গেলে বা অ্যাসিড নিক্ষেপের আক্রান্ত হলেও সে যে সহানভূতি পায়, ধর্ষিত হলেও তার কণাও পায় না। কারণ নারীর ‘সতীত্ব’ যাওয়া মানে পরিবার, সমাজের ‘সতীত্ব’ যাওয়া। সে কারণে অপরাধীকে ধরার চেয়ে অপরাধের শিকার হওয়া ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া, হত্যা করা অধিক অগ্রগণ্যতার সঙ্গে পালন করা হয় এখনও বহু সমাজে।

শারীরিকভাবে হত্যা করা না হলেও মানসিকভাবে সেই ধর্ষিতাকে তিলে তিলে মারা হয়। দ্বিতীয়বার সে ধর্ষিত হতে থাকে, সেটি থানা, আদালত, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের কাছে। সমাজের এই ধারণাকে আরও বেশি আদরের সঙ্গে গ্রহণ করতে যাচ্ছে এই আইন। কোথায় আইন সমাজকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে, আমাদের ‘সৌভাগ্য’ সেই আইন আমাদের পিছনের দিকে নিয়ে যাবে।

শেষ করছি ইতালির সিসিলি দ্বীপের ফ্রান্স ভায়োলা নামের এক সাহসী নারীর কাহিনি দিয়ে। ষাটের দশকের কথা। সেসময় ‘রিহ্যাবিটেশন ম্যারেজ’ নামে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ে আইনগতভাবে স্বীকৃত ছিল, যার ফলে ধর্ষণের মতো অপরাধ থেকে ধর্ষক রেহাই পেত। মেলোডিয়া নামের এক ব্যক্তি ভায়োলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে, পরে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ভায়োলা তার ধর্ষককে বিয়ে করতে অস্বীকার জানাল। উপরন্তু সে ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করল। প্রভাবশালী ধর্ষক ভায়োলার বাবার ক্ষেত-বাড়ি পুড়িয়ে দিল। ভায়োলা ক্ষান্ত দেয়নি। ইতালি পার্লামেন্ট বেকায়দায় পড়ে যায়। কারণ একদিকে যেমন ধর্ষণের শাস্তি ছিল, অন্যদিকে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়েও আইনগত স্বীকৃতি ছিল। যা হোক ভায়োলা মামলায় জিতে গেল। মেলোডিয়ানের ১১ বছরের জেল হয়। ১৯৮১ সালে গিয়ে সে দেশে বিয়ে করলে ধর্ষককে শাস্তি অব্যাহতি দেওয়ার আইনটি বাতিল হয়।

আমরা বাংলাদেশে একজন ভায়োলার অপেক্ষায় আছি।

৪২ Comments (Open | Close)

৪২ Comments To "ধর্ষণ কোনো অপরাধ নয়!"

#১ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On এপ্রিল ৮, ২০১৭ @ ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

আপনার বক্তব্য বিষয়ের প্রতি সহমত পোষণ করছি। ‘একজন ভায়োলা’ নয়, ঘরে ঘরে ভায়োলা তৈরি হতে হবে। তবে তাবৎ পুরুষ মানুষকে আপনি যেভাবে ধর্ষক হিসেবে সরলীকরণ করলেন তা ভাল লাগলো না। এতে করে সমাজের সুন্দরে-শোভন দাম্পত্য সম্পর্কগুলোকেই ব্যঙ্গ করা হলো। পুরষ মানেই ধর্ষক নয়।

#২ Comment By MH Kabir On মে ১৫, ২০১৭ @ ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

We will wait for the birth of viola?
When she comes,
Rape shell be and
will revolt
ha ha
very funny

#৩ Comment By আইরিন ইরা On অক্টোবর ১৭, ২০১৭ @ ১:২৫ পূর্বাহ্ণ

সহমত। পুরুষ মানেই ধর্ষক নয়। নারীকে মানুষ মনে করে এমন পুরুষ আছে। আর তাই পৃথিবী এখনও মানবতার কথা বলতে পারে।

#৪ Comment By SAMOR BARUA On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks for your article. I think no need this LAW in my country. Because its too much in our culture and Society. So if have possible the Government then done change the LAW. Or day by days more and more then grow the crime. so allways be carefull is better.Its unwanted in my country. again thanks for your article

#৫ Comment By Prof Chandan Sarkar On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ

Excellent Write-up. I am really impressed how nicely you wrote and hit to our so called intellectual those who are making this stupid thing.

Great article.

#৬ Comment By Farook On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১২:৫৮ অপরাহ্ণ

Islam e 4 ta bibaher onumoti ace tothapi etar upor interfere korara janna nari nirjaton ain kore purush hoirany kora hocce.. narir nirjaton ain rohito kore muslim ain anusoron korle dhorsoner ghotona ghotbena.. karon jer cahida besi se dhorson na kore ekadhik bibh korbe….. etai manob jatir janna sorbotkristo somadhan.. jer 4 ta bou thakbe se kokhono dhorson korbena.. dhorson korle ter sasti pathor nikkhep kore hotta kora hobe….

#৭ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৫:০৮ অপরাহ্ণ

ফারুক সাহেব, এটা কেমন যুক্তি? বিয়ে করে ধর্ষণকে জায়েজ করা??? মাফ করবেন, আমি মানতে পালাম না।

#৮ Comment By Mohaimen Ul Ahsan On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৬:৫১ অপরাহ্ণ

হা এটা ঠিক। ইসলাম ওনুসরন কোরে ৪টা বিআ কোরা ঝায়। এটা পাপ / রেপ কাজে biroto rakhey.

#৯ Comment By shuvo ahmed On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ

আপনার বক্তব্য বিষয়ের প্রতি সহমত পোষণ
করছি। ‘একজন ভায়োলা’ নয়, ঘরে ঘরে ভায়োলা
তৈরি হতে হবে। তবে তাবৎ পুরুষ মানুষকে আপনি
যেভাবে ধর্ষক হিসেবে সরলীকরণ করলেন তা
ভাল লাগলো না। এতে করে সমাজের সুন্দরে-
শোভন দাম্পত্য সম্পর্কগুলোকেই ব্যঙ্গ করা
হলো। পুরষ মানেই ধর্ষক নয়।

#১০ Comment By মো:আনিসুর রহমান On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

আপনার বক্তব্য বিষয়ের প্রতি সহমত পোষণ করছি না।কারন তাহলে যার যার যাকে পছন্দ সে তাকে ধর্ষণ করলেই করলেই তো বিয়ে করা যাবে, তাই না?আর আপনি পুরুষ মানুষকে আপনি যেভাবে ধর্ষক হিসেবে বিবেচিত করলেন তা ভাল লাগলো না।

#১১ Comment By Raton J Murmu On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ

I cordially accept your article which has hurt my conscience. Really it is very strange in the male dominated society where everything is being decided by a man. Rape is absolutely a big crime but we need a change regarding this in order to bringing a peaceful society where women will fulfill his will. We protest regarding this law. After all we need to rise the concern that everybody is a human being and her femaleness is just an accident. Let us respect every women because she is your mother who has brought you in this world.

#১২ Comment By Kamrul Islam On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ

দয়াকরে জানাবেন, বাংলাদেশে কখন ধর্ষকের (মানবতার শত্রু) সাথে ভিকটিমের বিয়ে দেওয়ার আইন করা হয়েছে।
দয়া করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, আপনাদের মতো গুটি কয়েক মানুষের জন্য সমাজের আজকে এই অবস্থা।
যে ভালো গুলো আপনাদের মনমতো হবে না, সবগুলোই কী ভুল। শুধু কী আপনারা সঠিক, পৃথিবীতে আর কেউ সঠিক হতে পারে না। যতদিন আপনাদের মতো মানুষেরা সমাজে পৃষ্ঠপোশকতা পাবে ততদিন পর্যন্ত সত্যিকারের মানবতারকে অনেক সংগ্রাম করে এগিয়ে যেতে হবে।

#১৩ Comment By Mohaimen Ul Ahsan On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

“ধর্ষণ ঈশ্বরের ইচ্ছায় সংগঠিত হয় না, এটা সয়টানের ইচ্ছায় সংগঠিত হয়। তাই সকল
ধরম ধর্ষণ একটা মোহা পাপ কাজ বোলে সিকরিটি দিএছে।

#১৪ Comment By MD. Moshiur Rahman On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ

Writers go ahead. we all support u. its true our society following some bad rule. we need to prevent this all.

#১৫ Comment By গোবিন্দ ধর On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১২:৩০ অপরাহ্ণ

আপনার লেখাটা পড়ে ভাল লাগল। ভাল কিছুর জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়। সেটা একজন হলেও। বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতি, আইন এবং মানুষের মনঃস্তত্ত্ব না বুঝে, প্রাসঙ্গিক এবং অপ্রসঙ্গিকভাবে তাকে নিয়ে আসা হয়। যেন কোন কৃতকর্মকে জায়েজ করাই উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দায়ী নয়, দায়ী বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোন সরকারি বিষয় অনেক বেশি সুদূরপ্রসারি চিন্তা থেকে করে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রে জনকল্যাণের জন্য। আর বাংলাদেশে যেকোন কিছু আপদকালীন নিরাময় হিসেবে কোন কাজ করা হয়। সেটাকে স্বীকৃতি দেবার জন্য খোঁড়া যুক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। গোপন লবিষ্ট ও উদ্দেশ্য যাই থাক। যুক্তরাষ্ট্র, তার একজন শিশুর দায়ভার বহন করে; বাংলাদেশ তা করে না। বাংলাদেশে এই দায়ভার বহন করে শিশুটির পরিবার। ধর্ষণ একটি মারত্মক শারীরিক আঘাত। যারা ফলে একজন মানুষের শাররীরিক এবং মানসিক দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। বাংলাদেশের আইন ধারাবাহিকতায় বৃটিশ আইনের প্রজ্ঞা বলে এর শাস্তি সর্বোচ্চ হওয়া উচিৎ। কিছু পরিস্থিতি উদ্ভবের কারনে, বর্তমানে বাংলাদেশে এই শাস্তি সর্বোচ্চ নয়। এরপর বাল্যবিবাহের আইন পরিবর্তন। বিষয়টি পরিকল্পিত ধর্ষণকে উৎসাহিত করে এবং অনাগ্রসর অর্থনীতির মানুষদের সামাজিকভাবে অনিরাপদ করে তোলে। (মূলবিষয়গুলি লেখক উল্লেখ করেছেন।) যা বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের ন্যায়পরয়নতার লঙ্ঘন করে। এছাড়ও সরকার এবং জনগণের সামাজিক চুক্তির আর্দশকে লঙ্ঘন করে। যা রাষ্ট্রের এবং সরকার গঠনকারী দলের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। জনগণ এর ভুক্তভুগী হয়। এসকল বিষয়ের কারণে লেখকের সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। পুনশ্চ: লেখকে ধন্যবাদ।

#১৬ Comment By Muhibul Hasan On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ২:৩৩ অপরাহ্ণ

Thanks

#১৭ Comment By asit guin On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ

গোবিনডো বাবুর বারি কি আমেরিকায় ?

#১৮ Comment By Shebok Islam On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ১২:৫১ অপরাহ্ণ

Parvin Sultana Jhuma is one of the most courageous lady in our country. She is my hero.But may I remind you that there will never be a Viola in Bangladesh nor even in any Muslim country. Only because we are still living in middle-aged society and most of our so-called educated citizen believe in it.
Shebok

#১৯ Comment By Imran On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৫:৩২ অপরাহ্ণ

Writing style is so explicitly presented!!!

#২০ Comment By sanu On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৬:০৯ অপরাহ্ণ

kharap lekhen ni.

#২১ Comment By Qudrate Khoda On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৯:১৩ অপরাহ্ণ

সাহসী, সত্য, সময়োপযোগী ও তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা জানাই।

#২২ Comment By রোদেলা নীলা On এপ্রিল ৯, ২০১৭ @ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

ধর্ষকের সাথে বিয়ের কোন আইন নেই।দরিত্র অভিভাবক উপায় না দেখে বিয়েটা দেয় ,এটা অবস্থার স্বীকার ।তাই বাধ্য হয়ে আইনে ১৮ নীচে দেখানো হয়েছে ।আবার অনেক মেয়েই পালিয়ে ওই বয়সে বিয়ে করে ফেলে ,পরে তাকে বৈধ করতেই ১৮ দেখানো হয়।

#২৩ Comment By Mohaimen Ul Ahsan On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

Exactly the situation happens now.

#২৪ Comment By Md. Harun Ur Rashid On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ

Thanks writer for this massage

#২৫ Comment By নাজমুল On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ১২:৫০ অপরাহ্ণ

ধর্ষকের সাথে বিয়ে দিবে । ভাল এক মাস পর ধর্ষক তালাকের নোটিশ পাঠাবে। নিয়ম অনুযায়ী তালাক কর্যকর হবে। এইরকম ঘটনা কর্মক্ষেত্রে অনেক দেখিছি। মাঝখান থেকে ধর্ষন বৈধ হলো। মেয়েটির উপর পর পর কয়েকটি বিষেশন যোগ হলো। আইন আইন ই থেকে গেল। মোহরানার জন্য কোর্টে মামলা হলো। যথাযথ বিচারের পর বিজ্ঞ আদালত রায় দিবেন। কিস্তিতে মাসে 500/- টাকা করে দেন মোহর পরিশোধ করতে হবে। সময় অফুরন্ত।

#২৬ Comment By Mohaimen Ul Ahsan On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৬:৪৪ অপরাহ্ণ

Really , but before married must be justified every matters of the both.

RAP is not similar like Sex after Married. You know that well what is RAP.

#২৭ Comment By Zahangir Alam (Malaysia) On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ২:৩৭ অপরাহ্ণ

Actually Right, Thanks

#২৮ Comment By M. A. Sekendar On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ৪:৪১ অপরাহ্ণ

আমি লেখিকার মতের সাথে একমত না | প্রথমত লেখিকা ও তার সমর্থনকারীদেকে মনে রাখা দরকার যখন কোনো আইন করা হয় তখন সেটা ভালো ভাবে চিন্তা, ভাবনা ও অবস্থা বিবেচনা করেই সে আইন করা হয় |অবস্হায় অবস্থা বিবেচনা করেই এ ধরণের আইন তৈরী করা হয় | আমি লেখিকা এবং সমর্থনকারীদেরকে বলব- প্রথমে ওই অবসথা গুলি ভালো করে পড়ে তারপর এ ধরণের সমালোচনা করতে আসুন |

#২৯ Comment By Nazim On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ৬:২৩ অপরাহ্ণ

No thanks for write(nazim)

#৩০ Comment By ML Gani On এপ্রিল ১০, ২০১৭ @ ১১:০৪ অপরাহ্ণ

নারী নেতৃত্বের দেশে নারীর বিপক্ষে আইন প্রণয়ন হয় কি করে ভাবছি | নারীরা এর প্রতিবাদ করুন |

#৩১ Comment By shakhawat hossen On এপ্রিল ১২, ২০১৭ @ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

matter depends on using the glass. when to wear a glass like what U firmly believe ultimately shows that sorts of narration. But This does not reflect the whole scenario. attitudes from any point of view on earth is partial. better to take the issue from the top as a whole. we almost forget the term- “what could I do if I were in that position”. .

#৩২ Comment By Abul Hossain Kamal On এপ্রিল ১২, ২০১৭ @ ২:৩২ অপরাহ্ণ

এটা কোনো নতুন বেপার নয়। পরিবরতন দরকার আপনাদের। আপনারা ঠিক মতো চলুন দেখবেন সব ঠিক মত চলছে। আশা করি আমি কি বলতে চেয়েছি তা বুজতে পেরেছেন। এই বেপারটা দুনিআতে আগেও ছিলো এখনো আছে। এটা কোনোদিন বনদঃ হবেনা কিনতু কমানো যাবে। আশুন সবাই মিলে চেসটা করি যার যার যায়গা থেকে।

#৩৩ Comment By mithu On এপ্রিল ১২, ২০১৭ @ ৪:১৮ অপরাহ্ণ

“ধর্ষণ ঈশ্বরের ইচ্ছায় সংগঠিত হয় না . এটা বুঝার চেস্টা করুন……

#৩৪ Comment By Ismail Hossain On এপ্রিল ১২, ২০১৭ @ ৪:৪৪ অপরাহ্ণ

বিয়ে করে ধর্ষণকে জায়েজ করা??? আইন প্রনেতাদের আবার ভাবতে হবে! না হয় তাদের মেয়ে বোনদের ধর্ষকের হাতে তুলে দিতে হবে। তাহলে তাদের টনক নড়বে।

#৩৫ Comment By kabid On এপ্রিল ১২, ২০১৭ @ ৫:১৪ অপরাহ্ণ

কিসের সাথে কি যে মিলান আপনারা ।

#৩৬ Comment By Qudrate Khoda On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ

Very logical, thought-provoking, and informative. Your articles are always bold, courageous, compassionate, and inspiring. Excellent work. Thanks a lot.

#৩৭ Comment By mohammad ali On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

akamon kota

#৩৮ Comment By Rajia Sultana On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ১২:১৮ অপরাহ্ণ

Jodi4\5 jon ba aker odhik mile dhorshor kare, tabe kar sathe biya habe, ta ki likhechen?

#৩৯ Comment By mohammod hossian On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ১:২৫ অপরাহ্ণ

” ধর্ষন হলো ঈশ্বরের উপহার, এতে কোন পাপ হয় না ”
বাংলাদেশ আজ ধর্ষকের সুরক্ষায় আইন করে দিচ্ছে। সাবাস যৌনবিকারগ্রস্থ বাংলাদেশ।
লজ্জায় আজ আমার জন্মভুমি, বঙ্গবন্ধু আর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ।

#৪০ Comment By Mohaimen Ul Ahsan On এপ্রিল ১৩, ২০১৭ @ ৬:৪২ অপরাহ্ণ

পারভীন সুলতানা ঝুমা
I have appreciated your comments little-bit. Is it RAP ? After Love each other under 17 in Bangladesh , even there illegal activities in Park, City Hotels, Rail etc. in efferent places ? Kindly try to understand for that reason married life is far far better for that younger s boys and girls..

What is the definition of love and sex !!! It is really illegal relation.

Please do not explain more against the Law of Bangladesh.

Thank you.

#৪১ Comment By kased On এপ্রিল ১৪, ২০১৭ @ ৭:৪৯ অপরাহ্ণ

দেশেএকটা আইন করার সময় পুরুষ- নারী উভয় মিলে মিশে অনেক চিন্তা ভাবনা করেই আইন প্রণেতাগণ আইন করেন। কাকতালীয়ভাবে কারো জীবনে বিপরীত কিছু ঘটতেই পারে। আইন মানুষ প্রণয়ন করে এতে সুবিধা অবশ্যই বেশী থাকবে। অসুবিধা একেবারেই থাকবে না এমন নয়। এটা আল কোরআনের আয়াত না যে সবই সুবিধা হবে। প্রিয় লেখিকা—- আশা করি বোধ – উদয় হয়েছে।

#৪২ Comment By vjsuvo2@gmail.com On মে ১৮, ২০১৭ @ ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

ইসলাম ওনুসরন কোরে
৪টা বিআ কোরা
ঝায়।