Feature Img

habibur1111আমাদের চতুষ্পার্শ্বস্থ অবস্থান হচ্ছে আমাদের পরিবেশ। মৃত্তিকা, জলবায়ু, গাছপালা এবং জন্তু-জানোয়ার যেসবের সমাহারে আমাদের পৃথিবীটা গড়ে উঠেছে, তাদের সামগ্রিক অবস্থানকেও সাধারণভাবে আমরা পরিবেশ বলে থাকি। সদর্থে শুধু আমাদের বাইরের অবস্থান নয়, আমাদের স্বীয় অবস্থানও পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত। পরিবেশদূষণ বলতে আমরা অনেক সময় আমাদের বাসস্থানের বাইরে জল বা বায়ুর দূষণ বোঝালেও শব্দটি আমাদের ঘরের অভ্যন্তরের এবং ঘরের বাইরের দূষণকেও বোঝায়।

প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের চেয়েও বেশী অনুভূতিপ্রবণ ও স্পর্শকাতর। পরিবেশের রাগ-অভিমানের সঙ্গে মানিয়ে চলতে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসনে নানা ট্যাবু বা বিধি নিষেধের জন্ম হয়েছে। সেই পরিবেশের মক্ষীরানী উদ্ভিদ। সেই উদ্ভিদকে আমরা পোষ মানাই ও আদর যত্ন করি আর তার প্রতিদানে আমরা অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয় ও ঔষধ পেয়ে থাকি। আমাদের পরিবারের একজন ভেবে তার যত্নাদি ও দেখভাল করতে হবে। শিশু, যুবক ও বৃদ্ধের মতো তা কখনও মেজাজি, দেমাকি বা অনুকম্পাপ্রার্থী ।

ইংরেজিতে অ্যাবঅরিজিন, অ্যাবঅরিজিন্যালস ও ইন্ডিজেনাস শব্দগুলো নিয়ে নানা বাহাস। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা চল্লিশ-পঞ্চাশ হাজার বছর ধরে সেদেশে বাস করছে আদিবাসীদের পরম উদাহরণ তারাই। একসময় অ্যাবঅরিজিনস বলতে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদেরই বোঝাত।

‘ইন্ডিজেনাস’ পদটি বহু বছর ধরে একটা সাধারণ পদ হিসেবে চলে আসছে। কোনো কোনো দেশে ভিন্ন শব্দের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে। যেমন, জনজাতি, প্রথম জাতি, আদিবাসী, পাহাড়ি, যাযাবর ইত্যাদি। জাতিসংঘের মতে, আদিবাসীদের সংজ্ঞায়িত করার চেয়ে শনাক্তিকরণই হবে অধিকতর ফলপ্রদ দৃষ্টিভঙ্গি। মানবাধিকারের বিভিন্ন দলিলের ওপর ভিত্তিই হবে সেই স্ব-শনাক্তিকরণের নির্ণায়ক।

আদিবাসীরা যদি নিজেদেরকে আদিবাসী বলে শনাক্ত করতে চান এবং তাতে তাদের মর্যাদা বা আত্মপ্রত্যয় বৃদ্ধি পায় এবং তাঁরা কিছু সুযোগ-সুবিধা লাভ করেন, তবে আমাদের কী বলার আছে? আদিবাসী বনাম উপজাতির মামলায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। আদিবাসীদের মধ্যকার বৈচিত্র্য ও বিশিষ্টতা লক্ষ করে জাতিসংঘ ‘ইন্ডিজেনাস’ শব্দটির কোনো সংজ্ঞা দেওয়া সমীচীন মনে করেনি। বরং সামান্য কয়েকটি রূপরেখায় শব্দটির একটা ইঙ্গিতময় তাৎপর্য দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। আদিবাসীরা ব্যক্তিপর্যায়ে নিজেদেরকে আদিবাসী হিসেবে শনাক্ত করলে সমাজ তাদেরকে সেইভাবে গ্রহণ করবে। উপনিবেশ-পূর্ব ও বসতি-পূর্ব অবস্থার সঙ্গে এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় আদিবাসী অঞ্চল-অধ্যুষিত চতুষ্পার্শ্ব প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে একটা দৃঢ় যোগসূত্র রয়েছে। নির্দিষ্ট সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ধারায় এবং তার নির্দিষ্ট ভাষা, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে সম্প্রদায় হিসেবে আদিবাসীরা তাঁদের পূর্বপুরুষ হতে প্রাপ্ত পরিবেশ ও পদ্ধতির সংরক্ষণ ও নবায়নের ক্ষেত্রে সচেষ্ট।

১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। গত ত্রিশ বছরের পরিবেশ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ১১০০ জন বিজ্ঞানী একটি প্রতিবেদন পেশ করে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি ২২ মে ২০০২ লন্ডনে প্রকাশিত পৃথিবীর সমগ্র জনগণকে হুঁশিয়ার করে যে, আগামী ত্রিশ বছরের মধ্যে পৃথিবীর প্রাকৃতিক জগতের ৭০ ভাগ দূষিত, বহু প্রাণীপ্রজাতি বিলুপ্ত এবং বহু দেশের মানবসমাজের অধঃপতন ঘটবে।

বিংশ শতাব্দীতে যেসব দেশ মানবাধিকার ও মানব সভ্যতার কথা বলতে আজ সোচ্চার, সেই সব দেশের অভিযাত্রিক, ভাগ্যান্বেষী, সৈনিক, ব্যবসায়ী ও ধর্মপ্রচারক পৃথিবীর সব ক’টি মহাদেশের আদিবাসীদের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিন্ডিয়ান আদিবাসীদের সঙ্গে ৪০০টি চুক্তি করে এবং প্রতিটি চুক্তি ভঙ্গ করে। ঐতিহাসিক হাওয়ার্ড জিন আমাদের এই তথ্যটি দিয়েছেন। মনে হতে পারে, চুক্তি করে ভঙ্গ করার চেয়ে চুক্তি না করাই ভালো। তবে চুক্তি হলে উভয় পক্ষের আরও সংলাপের জন্য একটা প্রস্তুতি থাকে এবং তা অসম্পূর্ণ হলেও একটা বোঝাপড়ার সহায়ক আবহাওয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

আদিবাসীদের হিতার্থে বিভিন্ন দেশে যেসব পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে তার মধ্যে একটি সংরক্ষিত এলাকায় বিশেষ জনগোষ্ঠীকে সীমাবদ্ধ রাখার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এই সংরক্ষণের লক্ষণরেখা ভেদ করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আদান-প্রদান বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। আদিবাসীদের সম্পর্কে ছক বেঁধে বিধান দেওয়ার তেমন অবকাশ নেই। বিভিন্ন আদিবাসীদের সমস্যা বিভিন্ন রকম। যেখানে একটি বিশেষ আদিবাসী সংখ্যায় অতি অল্প এবং বিপন্নভাবে জীবন যাপন করছে, যেখানে একটি সীমিত জায়গায় তারা যদি স্বেচ্ছায় একত্র হয়ে বাস করতে চায়, তবে সে ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে।

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রকাশনায় বলা হয়, ‘দেশে পরিবেশদূষণের জন্য ১ হাজার ১৭৬টি শিল্পকারখানা দায়ী।’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘উত্তরাঞ্চলে ৪১ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।’ ১৪ জুন, ২০০০ জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধনের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশে ১৭ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে, আরো ৩০০ বিলুপ্তির পথে।’

পরিবেশদূষণ প্রতিহত করার জন্য শতাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তি রয়েছে। এসব চুক্তি বলবৎ করার ব্যাপারে শিল্পোন্নত দেশগুলোর কেউ কেউ আপত্তি জানাচ্ছে। পরিবেশ রক্ষাকল্পে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পর্কে আমাদের দেশে দু’শরও বেশি আইন আছে। ১৯৭৩ সালে পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। তারপর ১৯৯৫ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন প্রণীত হয়। ১৯৯৯ সালে বায়োসেফটি গাইড-লাইন্স অব বাংলাদেশ প্রণয়ন করা হয়।

আদিবাসীদের সম্পর্কে একটা বিতর্ক প্রায়শ উত্থাপিত হয়, যার উত্তর দেওয়া সহজ নয়। আদিবাসীদের নোবল স্যাভেজ বা সম্ভ্রান্ত বন্য হিসেবে কল্পনা করে নানা কল্পকথা এবং তার ওপর ভিত্তি করে নানা তত্ত্বকথা রচিত হয়েছে। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের আত্তীকরণ কি হবে, না সম্পূর্ণভাবে স্বতন্ত্র থাকবে? আমেরিন্ডিয়ানদের কোনো কোনো গোষ্ঠী সংরক্ষিত এলাকায় বাস করে এবং কিছু বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকে। আমাদের দেশে এমন ব্যবস্থার কোনো প্রয়োজন হয়নি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আদিবাসী সমাজ যে ভূখণ্ড তাদের বাসস্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে, তা নানা চলাচলের পরিক্রমায় গড়ে উঠেছে। আদিবাসীরা পর্যটকদের কৌতূহলের বিষয় হিসেবে বসবাস করবে না। আধুনিক যুগের উৎপাদনব্যবস্থা, সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদির ব্যাপারে তাদের একেবারে বিচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি আত্তীকরণ বা সামাজিকভাবে একীকরণের পক্ষে নই এবং পরকীকরণেরও পক্ষে নই। আমি মনে করি আদিবাসীরা তারা তাদের মত থাকবে। তবে যেকোনো সামাজিক উন্নয়ন পরিবর্তনে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মতকে প্রাধান্য দিতে হবে। এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সমীচীন হবে না, যার ফলে ভিন্ন তরঙ্গের আঘাতে কোনো আদিবাসী সমাজের প্লাবিত বা নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। যুগে যুগে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর মধ্যে যাতায়াত হয়েছে। সেই চলাচল থেমে থাকেনি।

১৯৭২ সালে আমাদের সংবিধান প্রবর্তিত হয়। তার পরে স্বদেশী, আদিবাসী স্বার্থ সংরক্ষণে কিছু নতুন আন্তর্জাতিক কনভেনশন হয়েছে। আমাদের দেশে প্রায় ৫৫টি বৃহৎ আদিবাসী সম্প্রদায়সহ মোট ৭৫টির মত আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। আইনের চোখে সকলের সমান আশ্রয় নিশ্চিত করে এবং অনগ্রসর জনজাতির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভবপর করা যায় বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে। সংবিধানের দাক্ষিণ্য সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সদিচ্ছা সকল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থাকলে দুর্লঙ্ঘ্য কোনো বাধা থাকার কথা নয়। প্রবল ও অগ্রসর সম্প্রদায়ের সঙ্গে অনগ্রসর ব্যক্তিদের পক্ষে আইনি লড়াই করা বড়ই কঠিন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত টুলালিপ আমেরিন্ডিয়ান গোষ্ঠীর নেত্রীস্থানীয় জেনেট ম্যাকক্লাউড সেই আইনের লড়াই চালাতে গিয়ে দুঃখ করে বলেছিলেন, ‘একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি সূর্যের নিচে একটা জায়গা পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করছি, কিন্তু আমার গায়ে আমি কেবল গুচ্ছের ফোসকা উঠতে দেখছি।’

আদিবাসীদের যেকোনো সমস্যায় তাদের মতামত গ্রহণ করা বিধেয় ও একান্ত জরুরি। প্রশাসন যে সকল আদিবাসীদের ভালো করতে চায় তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে। তাদের মতামতকে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব না দিলে মঙ্গলাকাঙ্খীর অনুকম্পা-প্রবণতা বুমেরাং হয়ে ফিরে এসে প্রশাসনকে আঘাত করবে। প্রশাসনের ধৈর্যচ্যুতি ঘটলে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসন বিপথে চালিত হতে পারে।

আদিবাসীদের স্বকীয় জীবনধারা যাতে অব্যাহত থাকে সেদিকে লক্ষ্য করে তাদের মধ্যে শিক্ষার বিকিরণ ঘটাতে হবে। অনগ্রসরতা দূরীকরণের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে শিক্ষা। অর্থবল ও বাহুবলের চেয়ে ভাগ্যোন্নয়নে শিক্ষার মূল্য যে সর্বাধিক তা যেকোনো সমাজে বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে চলমানতা লক্ষ করলে আমরা বুঝতে পারব।

আমরা ইকোপার্ক করব পরিবেশ ও মানুষের সার্বিক মঙ্গলার্থে। সেখানে যদি পর্যটকরা বেড়াতে আসে আমরা তাদের অভ্যর্থনা জানাব। কিন্তু সে ইকোপার্কের ফলে আদিবাসীদের গায়ে যেন ফোসাকা না ওঠে এবং তাদের হাহাকার যেন প্রতিধ্বনি না জাগায়।

বাংলাদেশের অবাঙালি আদিবাসীরা বাঙালিদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অধিকতর পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করেন। আদিবাসীদের মধ্যে যে সততা, স্বভাব-সারল্য, বিশ্বস্ততা, পরিচ্ছন্নতাবোধ, আতিথেয়তা আমরা দেখতে পাই তার থেকে আমাদের শেখার রয়েছে। নারী ও বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও সুবিধা বঞ্চিত আত্মীয়স্বজনকে আদিবাসীরা যে চোখে দেখে তার থেকেও আমাদের শেখার রয়েছে।

আদিবাসীদের আর্ট, নৃত্য-গীত ও শিল্পকলা ছাড়াও সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে ও নিজস্ব চিকিৎসা ব্যবস্থায় রোগনিরাময়ে আদিবাসীরা যুগ যুগ ধরে যে ব্যবস্থার বিধান দিয়ে আসছে সে সম্পর্কে আরো গবেষণা করলে আমরা সকলেই উপকৃত হব।
আমি আগে বলেছি, আজ আবার বলছি ‘স্বদেশ স্বদেশ করিস রে ভাই এদেশ তোদের স্বদেশ নয়’–এমন মন খাঁ-খাঁ করা খেদ যেন আদিবাসীদের মনে না জাগে, সেদিকে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সজাগ থাকতে হবে।

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান

(১৪ জানুয়ারী ২০১২, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘‘আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও সিলেটের পরিবেশ’’ শীর্ষক কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য)

Responses -- “আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও সিলেটের পরিবেশ”

  1. tapu

    “বাংলাদেশের অবাঙালি আদিবাসীরা বাঙালিদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অধিকতর পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করেন। আদিবাসীদের মধ্যে যে সততা, স্বভাব-সারল্য, বিশ্বস্ততা, পরিচ্ছন্নতাবোধ, আতিথেয়তা আমরা দেখতে পাই তার থেকে আমাদের শেখার রয়েছে। নারী ও বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও সুবিধা বঞ্চিত আত্মীয়স্বজনকে আদিবাসীরা যে চোখে দেখে তার থেকেও আমাদের শেখার রয়েছে।”
    আমি এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি অসম্মতি পোষন করি। আর বাংলাদেশে তারা আদিবাসী নয়, উপজাতি। এবাং কোনভাবেই অস্ট্রেলিয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীরা বাংলাদেশের উপজাতিরা এক ন্য়।

    Reply
  2. Nur Mohammad Kazi

    “বাংলাদেশের অবাঙালি আদিবাসীরা বাঙালিদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অধিকতর পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করেন। আদিবাসীদের মধ্যে যে সততা, স্বভাব-সারল্য, বিশ্বস্ততা, পরিচ্ছন্নতাবোধ, আতিথেয়তা আমরা দেখতে পাই তার থেকে আমাদের শেখার রয়েছে।” এ মন্তব্যে আমার দ্বিমত আছে। বাঙালি মুসলমানদের হীন দেখিয়েছেন লেখক।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—