ছোটদের পড়ার বই হেফাজতিকরণ করা হয়েছে। তা নিয়ে তুমূল হৈচৈ হচ্ছে ফেসবুকে। এ নিয়ে রাস্তাঘাটে কী হচ্ছে প্রবাসে থেকে কিছু বুঝতে পারছি না। তেমন কিছু হলে প্রযুক্তির কল্যাণে তা চোখে পড়ার কথা। ফেসবুকে ছাত্র ইউনিয়নের একটি পোস্ট দেখলাম যেখানে ‘পাঠ্যবইয়ে সাম্প্রদায়িকীকরণ ও নজিরবিহীন ভুলের প্রতিবাদে এনসিটিবি ঘেরাওএর কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। ঢাকার বাইরে অন্যান্য শহরেও হয়তো তারা নানা কর্মসূচি দিচ্ছে।

বাষট্টির ছাত্রআন্দোলনের কথা শুনে আমরা বড় হয়েছি। আইয়ুব খানের আমলে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্ররা পথে নেমেছিল, দেশব্যাপী ধর্মঘট ডেকেছিল। সেটি ছিল আইয়ুব খানের মসনদে আহরণের পর প্রথম ধর্মঘট। হামিদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টের সঙ্গে বর্তমান বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তককে এক করছি ভেবে হয়তো অনেকে তেড়ে আসবেন। সেটি না-হয় বাদ দিলাম।

১৯৭০ সালে ইয়াহিয়া খানের আমলে ‘পাকিস্তান: কৃষ্টি ও সভ্যতা’ নামের একটি পাঠ্যবই প্রকাশের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের বিক্ষোভের স্মৃতি মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ববর্তী প্রজন্ম নিশ্চয়ই ভুলে যায়নি। স্কুলের উচ্চশ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সেই বইয়ে বাঙালি সংস্কৃতি বিকৃতি উপস্থাপন করার অভিযোগ এনেছিল শিক্ষার্থীরা। বইটিতে শুধু মুসলিম শাসনের জয়গান ছাড়া আর কিছুই ছিল না। বাঙালিদের ইতিহাস শুরু করা হয়েছিল ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের মাধ্যমে। এর আগের পাল, সেন রাজত্ব নিয়ে কোনো লেখাই ছিল না।

বাঙালিদের হাজার বছরের ইতিহাস ধামাচাপা দেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে, সেই বইয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে প্রশাসন বাধ্য হয়েছিল সেই বই উঠিয়ে নিতে।

ইয়াহিয়ার সেই ভুত হেফাজতিদের মাধ্যমে আমাদের পাঠ্যপুস্তকে আবার হানা দিল কি না কে জানে। যদি হানাই দেয় সেই ভূত নামাতে শিক্ষার্থীরা কী করছে? বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতি সে উচ্ছ্বাস আর আবেগ কি ইসলামি চেতনার কাছে হার মেনে গেল?

‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’ কবি হেলাল হাফিজের কবিতার এই পংক্তি-যুগল বারবার মনে পড়ছে। যৌবন মানে অনাচার আর অন্যায়ে শুধু ‘না’ বলা নয়, এর প্রতিকার ও প্রতিবাদ করা। পৃথিবীর সকল বিপ্লব, পরিবর্তন সবই সম্ভব হয়েছিল স্ব স্ব দেশ বা স্থানের যুবশ্রেণির কারণে। এসব চর্বিত-চর্চিত কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে এ ক্ষেত্রে একটু গরমিল ধরা পড়েছে, যৌবনের দূর্ধর্ষতায় সমাজের গতানুগতিকতা ও অনাচার ভেঙ্গে যাবে, তেমন নজির তো দেখা যাচ্ছে না।

‘মিলেনিয়ালস প্রজন্ম’ (Millennials Generation) নামের এখন যে প্রজন্ম প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্র দাবিয়ে বেড়াচ্ছে, তারা একত্রিতভাবে সমাজের পরিবর্তন সাধনে সেভাবে এগিয়ে আসছে না– এ অভিযোগ গুরুতরভাবে না এলেও মৃদুভাবে অনেক আলোচনায় উঠে আসছে। ব্যাপারটি বিশ্লেষণের আগে ‘মিলেনিয়ালস প্রজন্ম’ শব্দবন্ধের উৎপত্তি নিয়ে কিছু বলা যেতে পারে। ১৯৮২ থেকে থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত যাদের জন্ম তাদেরকে পাশ্চাত্য মিডিয়া ও সমাজ বিশেষজ্ঞরা ‘মিলেনিয়ালস জেনারেশন’ নাম দিয়েছে, তা হয়তো অনেক পাঠকই জানেন। উইলিয়াম স্ট্রাউস ও নিল হাউ ১৯৮৭ সালে প্রথম এ নামের উদ্ভাবন করেন। ২০১৩ সালে ‘টাইম’ ম্যাগাজিন মিলেনিয়ালস প্রজন্মের উপর একটি কভার স্টোরি করে। এ প্রজন্মের তারা আরেক নাম দেয়্র, ‘মী মী মী’, অর্থাৎ ‘আমাকে আমাকে আমাকে’ বা ‘আমার আমার আমার’। বোঝাই যাচ্ছে কোন অর্থে তা ব্যবহার করা হয়েছে। আবার কেউ কেউ একে ‘নার্সিসাস প্রজন্ম’ নামে আখ্যায়িত করেছে।

নিঃসন্দেহে এ প্রজন্ম মানবসভ্যতা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশেও তাই। যুক্তরাষ্ট্রর প্রতিষ্ঠান এটি কার্নি আট দেশের ‘মিলেনিয়ালস প্রজন্ম’ বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের উপর গবেষণা করে দেখেছে যে, বাংলাদেশের এ প্রজন্ম দেশের উন্নতিতে বিস্ময়কর অবদান রাখবে।

এরপরও প্রজন্মটি আত্মকেন্দ্রিক বলে মনে করা হচ্ছে। সব সময় আগের প্রজন্ম পরবর্তী প্রজন্মকে ‘বাঁকা চোখে’ দেখে। ‘আমাদের সময়টাই ভালো ছিল’– এ অহমিকা থেকে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে খুব কম প্রবীণ। এরপরও মানবইতিহাস ঘেঁটে দেখলে প্রজন্ম প্রজন্মান্তরের তফাৎ বুঝতে তেমন কষ্ট হয় না। সে কারণে কিছু কিছু উদ্ধৃতি সময়সীমা পার হয়ে সকলের বিবেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ে। আমরা এখনও বলি, ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’।

 

People - 222
এরপরও প্রজন্মটি আত্মকেন্দ্রিক বলে মনে করা হচ্ছে

 

অবশ্যই কারও বিপদে-আপদে এ প্রজন্মও ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা চাঁদা তুলে সহপাঠীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। টোকাইদের জন্য সংগঠন করে তাদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করে। কিন্তু এ প্রজন্ম ষাট দশকের মতো কোনো রেনেসাঁ আনতে পারছে না। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা কি আমরা রেনেসাঁ বলব? প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আর সামাজিক অগ্রযাত্রা কি এক হতে পারে?

সমাজের কুসংস্কার বা পশ্চাৎপদতা ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার সাহস দেখাতে পারে তরুণ সমাজই। সেই তরুণ সমাজ যদি সমাজ আরও পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কাজে নিজেদের যুক্ত করে তাহলে সেটা কি ভয়ঙ্কর ব্যাপার নয়? ধর্মের নামে যে তরুণরা জঙ্গি গোষ্ঠীতে নাম লিখাচ্ছে, তার মানে তারা তো সমাজ পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্রত হয়েছে। এটা বিপ্লব নয়। যখন কোনো ধর্মের আর্বিভাব হয়, তখন সেটি অবশ্যই সে সময়ের জন্য রেনেসাঁ। হাজার বছর পরে সে ধর্মের অনেক অনুশাসন সমাজ পিছিয়ে দেয়।।

জরিপে বলা হয়েছে, ষাট দশকের তুলনায় পাশ্চাত্যের যুবসমাজ ধর্মকর্ম থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।। বাংলাদেশে মনে হয় উল্টোটা ঘটছে। এখনকার যুবসমাজ ষাট দশকের যুবসমাজের চাইতে বেশি ধার্মিক। শহরের শিক্ষিত শ্রেণির কথা এখানে প্রাসঙ্গিক। এ কারণে কি পাঠ্যবইয়ে হেফাজতিকরণের প্রতিবাদে যত না যুব-তরুণদের সমাগম দেখি, পাঠ্যবইকে হেফাজতিকরণের পক্ষে কোনো এক হুজুরের বক্তৃতাকালে দাড়ি-টুপিওয়ালা যুবকদের সমাগম আরও বেশি।

এ ব্যাখ্যা একান্ত ব্যক্তিগত। ধর্মপালন অবশ্যই দোষের নয়। ধর্মপালনে মানুষের মনে শান্তি আনতে পারে, জীবন শৃঙ্খলাভুক্ত হয়। ধর্ম পালন করতে গিয়ে ধর্মান্ধ হয়ে গেলেই বিপদ। ধর্মপালনের নামে সমাজের কিছু অসমতায় প্রশ্রয় দিলে, অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা তৈরি করলে এবং তা যদি যুবসমাজ মেনে নেয় তখন সমাজ অবশ্যই প্রগতিশীল না হয়ে রক্ষণশীলতার দিকে ধাবিত হয়।

‘মী মী মী’ প্রজন্ম নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত হওয়ার পর সেই প্রজন্মের একজন ‘টাইম’ পত্রিকায় চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল তারা ফেসবুকের মাধ্যমে কীভাবে একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নেমে থাকে। সেই তরুণ সমকামী বিয়ের সমর্থনে ফেসবুকের প্রোফাইল পিকে রঙ্গধনুর রং ব্যবহার বা ফ্রান্সের সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে সেদেশের পতাকা প্রোফাইল পিক করার বয়ান দিয়ে বলছিল, এগুলো হচ্ছে তাদের একত্রিত হওয়ার পন্থা।মিসরের আরব বসন্ত নিঃসেন্দেহে ফেসবুক জেনারেশনের অবদান। কিন্তু সেটার পরিণতি কী হল? কীভাবে যেন সেই আন্দোলন মৌলবাদীদের খপ্পরে পড়ে গেল।

আমাদের গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের পরিণতি কী হল? গণজাগরণ ছিল তরুণ প্রজন্মের কৃতিত্ব। পরে সেখানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাধারণ মানুষ যোগ দেয়। সেই আন্দোলন যদি সফলভাবে পরিচালিত হত আজ হেফাজতিদের এত সাহস হত কি? তারা লেজ গুটিয়ে চলে যেত। অনেকে হয়তো বলবেন যে, অন্যরূপে তারা ফিরে আসত। ধর্ম এমন এক অস্ত্র যার ব্যবহার সবচেয়ে সহজ এবং সফলভাবে করা যায়।

ধর্মভিত্তিক শাসন নয়, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা একটা সমাজ এগিয়ে নিয়ে যায়। এ সকল প্রগতিশীল মতবাদের দিক থেকে বর্তমান যুবসমাজ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এটি আমার কথা নয়। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে বলা হয়েছে, পুরো পৃথিবীর যুবসমাজ গণতন্ত্রর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। সে কারণেই হয়তো তারা স্বৈরতন্ত্র বা সামরিকতন্ত্রর বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে না। অবশ্য এ জরিপ শুধু উন্নত বিশ্বের যুবসমাজের উপর নেওয়া। আমরা যারা উন্নয়নশীল বিশ্বে বাস করছি, তাদের ক্ষেত্রে জরিপের এ ফল একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

আমাদের এ প্রজন্মর শিক্ষাথীদের দেখেছি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাট আরোপের বিরুদ্ধে শান্ত অহিংস আন্দোলন– দেখেছি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরমের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। এ সকল আন্দোলন সফল হয়েছে। এখন নিজ বৃত্তের বাইরে বেরিয়ে এসে হেফাজত-প্রভাবিত ও জিপিএ ফাইভ-নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা কি প্রতিহত করতে পারবে আমাদের মিলেনিয়াম প্রজন্ম?

পারভীন সুলতানা ঝুমাসাংবাদিক, কলামিস্ট

৫৮ Responses -- “মিলেনিয়ালস প্রজন্ম কি ‘আপনারে লয়ে বিব্রত’?”

  1. R. Masud

    পারভীন সুলতানা ঝুমা সাহেবা
    আপনার জানার জন্য বলছি, আধুনিক যুগের ছেলেমেয়েরা ( আরো অধিক ভাবে বললে এই যুগের মানুষ গুলো) আগের দিনের ছেলেমেয়েদের থেকেও অনেক অনেক বেশী খোদাতালার কাছাকাছি।
    খোদাতালার কাছাকাছি যাবার জন্য ধর্মের দরকার এই কথা কেঊ কোনদিন প্রমান করতে পারবেনা। আগের কালের মানুষ জনদের জ্ঞ্যানের পরিমান কম ছিল বলেই ধর্মের দরকার ছিল, আজকালের মানুষ অতিতের মানুষের চাইতে হাজার হাজার গুন বেশী জ্ঞ্যানী তাই তাদের ধর্মের কূপমণ্ডূক হওয়ার দরকার নেই।
    আজকালের ছেলেমেয়েরা জানে, খোদাতালার বিরাটত্ব যা একজন ধর্মীয় লোকের পক্ষে কোনদিনও বুঝার ক্ষমতা হবেনা, কারন ধর্ম আজ ১০০% ই ব্যাবসায় পরিনত হয়েছে – ধর্ম তার জন্মস্থান আর জন্ম সময় থেকে যত দূরে গেছে তা কুৎসিত ভাবে বদলেছে, ধর্ম নিয়ে ব্যাবসা করার বাটপাররা বেড়েছে –
    ভালো খবর হলো, খোদাতালাকে সত্যিকার ভাবে জানার জন্য অন্য পন্থা বের হয়েছে, আইন্যাস্টাইন, হাবেল, Stephen Hawking , গ্যালিলিও ইত্যাদির মত মানবদের ছেস্টায় আজকালের ছেলেমেয়েরা খোদাতালাকে সত্যিকার ভাবে জানার সুযোগ পেয়েছে —
    যেমন, খোদাতালার বানানো একটা মাঝারি ধরনের ছায়াপথ (গ্যলাক্সি) কত বড় তার জবাব আজকের ছেলেরা দিতে পারবে এই বলে যে ছায়াপথের এক প্রান্তথেকে আরেকপ্রান্তে আলো পোছতেও হাজার বছরেরও বেশী সময় লেগে যায় – যেখানে আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৮৬০০০ মাইল যেতে পারে – তাই আজকালের ছেলেমেয়েরা জানে এই এক একটা গ্যাল্কসি কত বড় আর আরো জানে এই ধরনের কোটি কোটি গ্যাল্কসি আছে খোদাতালার বানানো জগতে । তাই তারা মন থেকে অনুভব করতে পারে খোদাতালার সত্যিকারের অসীমতা নিয়ে —
    সেই কারনে তারা হিসাব করেনা, জরুরি মনে করেনা মসজিদে যাওয়া আর না যাওয়া নিয়ে ভাবতে, দাঁড়িয়ে পেশাব করা নাকি বসে পেশাব করা ভাল খারাপ তা নিয়েও তাদের কোন মাথাব্যাথা !!
    তারও উপর তারা কাউকে বলেনা, কেন তুমি মসজিদে যাও ? কেঊ মসজিদে গেলে তারা অসন্মান করেনা , অথচ ধর্মীও গুন্ডাদের কাজই হলো কে কোথায় কি বলেছে কি করেছে , হিজাব পরেছে কিনা তার পিছনে লেগে থাকতে—

    Reply
  2. mohammod hossian

    বে#ন্মা মৌলবাদীর বীজ দ্বারা এই সমাজ। তার উদাহরন এখন প্রতিটি পরতে পরতে।
    উপরের বেশ কিছু মন্তব্যে ভালোই বোঝা যাচ্ছে এদের জন্ম।!!

    Reply
  3. পারভেজ

    প্রিয় লেখিকা, নামটা যেহেতু মুসলমানের, সুতরাং ধরে নিচ্ছি আপনি একজন মুসলমান। কোন কারণে ইসলাম সম্পর্কে আপনি বিভ্রান্তির শিকার। ওসব ছেড়ে দিয়ে ইসলামকে ভালভাবে আঁকড়ে ধরুন। দেখবেন শান্তি আর শান্তি, দুনিয়াতে এবং আখেরাতেও। কে কি বলবে, পরওয়া করবেন না। মনে রাখবেন fortune favours the brave.

    Reply
    • R. Masud

      Mr Parvez,
      your asking “কোন কারণে ইসলাম সম্পর্কে আপনি বিভ্রান্তির শিকার।
      The answer is ISIS, BokoHaram, Taliban, Alqueda, Hefajoti, JMB Jamati, etc. which one you can deny that they are out of Islam, If you say they are not of Real Islam, then which Islam you are beolongs to?
      Definitely above group will deny you if say they are not the real islam.
      Settle this fact!!

      Reply
  4. Fazlul Haq

    জাতির যুবসমাজ ক্ষুদ্রস্বার্থমুখী ও আত্মকেন্দ্রিক হলে সে জাতির অধ:পতন অবশ্যম্ভাবী। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের পর বাংলাদেশের প্রগতিশীল যুবসমাজ কি হতাশাগ্রস্থ? তা হলে তো দেশের ভবিষ্যৎ আন্ধকার।

    Reply
  5. “চাষার ছেলেরা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তবে ক্ষেতে খামারে কাজ করবে কারা?”

    ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার লক্ষে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে নিয়োগ
    দেয়া হচ্ছে বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু হিন্দু কর্মকর্তা এবং দেয়া হচ্ছে
    অপরিসীম ক্ষমতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মুসলিমদের গালি দিয়ে বলেছিলো, “চাষার ছেলেরা
    যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তবে ক্ষেতে খামারে কাজ করবে কারা?”
    বর্তমানে দেশের প্রশাসনকে ভয়াবহ ভাবে গ্রাস করে আছে হিন্দু ও
    হিন্দুত্ববাদী অক্টোপাস।প্রশাসনে তাদের অস্বাভাবিক উপস্থিতি
    সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে। বৃদ্ধি করা হয়েছে সীমাহীন ক্ষমতা।
    ভারতীয় উপামহাদেশ ছিলো শত শত ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত, জুলুম ছিলো
    সেসব রাজ্য শাসনের স্বাভাবিক নীতি। উচ্চ বংশের হিন্দুরা নিম্ন
    বংশের হিন্দুদেরকে এবং বৌদ্ধদেরকে চরম পর্যায়ে নির্যাতন
    চালাতো। এক পর্যায়ে ভারত বর্ষে মুসলিমদের আগমন হলো, তারা সমগ্র
    ভারতের রাজ্যগুলো দখল করে একটি বিশাল সাম্রাজ্য গঠন করলেন এবং
    সাম্য ও ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন। ইসলামে সৌন্দর্যে
    মুগ্ধ হয়ে দলে দলে হিন্দু এবং বৌদ্ধরা ইসলাম গ্রহণ করলো।
    এক পর্যায়ে ব্রিটিশরা এ অঞ্চল দখল করলো, মুসলিমদেরকে ক্ষমতা থেকে
    হটিয়ে প্রশাসনের সর্বস্তরে বসিয়ে দিলো এদেশীয় দালাল হিন্দুদেরকে।
    ক্ষুব্ধ মুসলিমরা প্রতিবাদ জানালো, ফলাফল হলো ভয়াবহ। মুসলমানদের জমি,
    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব কেড়ে নিয়ে তাবেদার হিন্দুদের নেতৃত্বে
    জমিদারী প্রদান করা হলো। মুসলিমরা রাজা থেকে পরিণত হলো গোলামে,
    এমনকি হিন্দু জমিদারদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মুসলিম
    প্রজারা বাধ্য হয়ে জুতা খুলে বগলে নিতো, নইলে জমিদারের অবমাননা
    হবে!

    Reply
  6. যাদের আত্ম ত্যাগে

    কতবড় সাম্প্রদায়িক ছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর! জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মত হিন্দু মুসলিম মিলনের গান না গেয়ে যিনি ভারতে সব ধর্ম বিলিন করে দিয়ে এক হিন্দু ধর্ম রাজ্যের গান গাইলেন তিনি কি করে উদার পন্থী ধর্ম নিরপেক্ষ কবি হলেন? যিনি বাঙ্গলার হিন্দু মুসলিম ঐক্যের গান না গেয়ে বাঙ্গলাকে মারাঠা ও অন্যান্য সব দেশগুলির সাথে একত্র করে এক ভারতে মিলিত করার চেতনায় কবিতা লিখেন তিনি কি করে বাঙ্গালীর জাতীয় চেতনা হন?ভবিষ্যৎ স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্র ভাষা কি হবে এ আলোচনায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলার পক্ষে না বলে হিন্দীর পক্ষে মত দেন। যদি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙ্গালীর জাতীয় চেতনা হয় তাহলে পশ্চিম বঙ্গ আমাদের পূর্ব বাংলার মত ভারতের শোষন বঞ্চনা এবং হিন্দী ভাষার আগ্রাসনের কবল থেকে স্বাধীন হয় না কেন?
    এখন ভেবে দেখুন! কি করে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জাতীয় চেতনা ও জাতীয় অনুপ্রেরণা হয়? যাদের আত্ম ত্যাগে বাংলার অবহেলিত ও শোষিত মুসলমানরা আজ শিক্ষিত হয়ে মাথা উচুঁ করে দাড়াল আজ তাদেরকে আমরা স্মরণ ও সম্মান না করে ভিলেনদেরকই সম্মান ও পুজা করি যারা আমাদের উন্নতি ও স্বাধীনতার পথ চিরতরে বন্ধ করে পরাধীন রাখতে চেয়েছিল এবং এখনও তাদের উত্তরসুরিরা একই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হায়রে অকৃতজ্ঞ জাতি আমরা! কিভাবে পারি নিজেদের অতীত ইতিহাস ভুলে গিয়ে খল নায়কদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে ভিন জাতির গোলামী করতে?

    Reply
  7. “পূর্ব বঙ্গের প্রজারা চাষা, তাই তাদের শিক্ষার প্রয়োজন নাই।”

    ১৯০৫ সালে যখন এত বড় একটি প্রদেশকে ভাগ করে বাংলার অর্ধেক পূর্ব বঙ্গ ও আসাম নিয়ে নতুন একটি প্রদেশ তৈরী করলো এবং নতুন প্রদেশের নতুন রাজধানী হল ঢাকা, তখন দেখা গেল পূর্ব বঙ্গের অবহেলিত ও শোষিত মুসলমানদের উন্নয়নের সুবিধা হল। পূর্ব বঙ্গের মুসলমান প্রজাদের উন্নয়নের বিরোধিতার উদ্দেশ্যে বাংলা মাকে দুই টুকরা করা হল এ অযুহাতে মুসলিম বিদ্বেষী জমিদাররা বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কর্ম সূচী শুরু করে এবং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অখণ্ড বাংলাকে মা দেবীর সাথে তুলনা করে “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি। ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে………… মা, তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি।” গান রচনা করেন। যেহেতু এ গান মুসলিম বিদ্বেষী পটভূমিতে রচিত এবং মা দেবীর বন্দনা করা হয়েছে, তাই মুসলমানদের জন্য শরীয়তে যায়েজ নাই।
    O পূর্ব বঙ্গের মুসলমান প্রজাদের উন্নয়নের বিরোধিতায় সূর্য সেন ও ক্ষুদিরামরা সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। পরে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ অর্থাৎ নতুন পূর্ব বঙ্গের প্রদেশ ও নতুন রাজধানী ঢাকা বাতিল হল। শুধু তাই নয় ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ আইনে, বৃটিশ ভারতের কেন্দ্রীয় রাজধানী কলিকাতা পরিবর্তন করে দীল্লি করা হয়, অর্থাৎ কলিকাতা ভারতের কেন্দ্রীয় রাজধানীর মর্যাদা হারিয়ে একটি প্রদেশের রাজধানীতে অবনতি হয়। তাতে কোন ক্ষোভ নাই, মুসলমান প্রজাদের তো শায়েস্তা করা গেল!
    O ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যলয়ের উচ্চ শ্রেণীর হিন্দু শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি ও কবি সাহিত্যিকদের সাথে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও চরম বিরোধিতা করেছিল এবং বৃটিশ সরকারকে বুঝাতে চেষ্টা করল যে “পূর্ব বঙ্গের প্রজারা চাষা, তাই তাদের শিক্ষার প্রয়োজন নাই।” অবশেষে নবাব সলিমুল্লাহ, নওয়াব আলী চৌধুরী নিজের জমিদারী বিক্রয় করে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

    Reply
  8. Manik

    ১) বঙ্গভঙ্গ হলে আসাম ও বাংলার রাজধানী হবে ঢাকা। আর ঐ বঙ্গে মুসলমানরা হবে সংখ্যাগুরু এবং হিন্দুরা হবে সংখ্যালঘু। তাই নবাব সলিমুল্লাহ’র নেতৃত্বে পূর্ববঙ্গের এবং ভারতের বহু মুসলিম নেতাই বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করলেন। কিন্তু হিন্দু নেতা ও বুদ্ধিজীবিরা একত্রে আন্দোলন শুরু করে এই রবীন্দ্রঠগের নেতৃত্বেই।
    বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ১৯০৫ সালের ২৪ ও ২৭শে সেপ্টেম্বর দুটো সমাবেশের সভাপতি ছিল রবীন্দ্রঠগ এবং ১৬ই অক্টোরব ‘রাখীবন্ধন’ নামক অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছিল সে নিজেই। কিন্তু বঙ্গভঙ্গ রদ করার জন্য হিন্দুদের কি স্বার্থ ছিলো ??? এর উত্তরে বিমলানন্দ শাসমল ‘ভারত কী করে ভাগ হলো’ নামক বইয়ে লিখেছে-“ডঃ আম্বেদকর লিখেছে: বাঙালী হিন্দুদের বাংলা বিভাগের বিরোধীতা করার প্রধান কারণ ছিলো, পূর্ববঙ্গে বাঙালী মুসলমানরা যাতে যোগ্য স্থান না পেতে পারে” [সূত্র: বই-‘ভারত কী করে ভাগ হলো’, পৃ:২৫; এ এক অন্য ইতিহাস-১৫৮]
    রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ বিরোধীতার মূল কারণ ছিলো এ অঞ্চলে ছিলো তার বেশিরভাগ জমিদারি। বঙ্গভঙ্গ হলে ঠাকুর পরিবারে বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে। যেটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি সে। এ অঞ্চলের মানুষের রক্তচুষে খেয়ে বেচে থাকতো ঠাকুরপরিবারের মত জমিদাররা। তারা নানান ছুঁতোয় প্রজাদের থেকে খাজনা আদায় করত।

    Reply
  9. বাংলাদেশের মুসলমান

    মুসলিমরা কোন কালেই সঙ্কীর্ন মনা ছিলনা।কবি নজরুলের গান ছাড়া পুজা জমেনা।ইসলামী সংগীতের পাশাপাশি তিনি প্রায় এক হাজার শ্যামা সংগীত রচনা করেছিলেন।যার জন্য ব্যাপক ভাবে তিনি উগ্র মুসলিম দের রোষানলে পরেছিলেন।(কাফের ফতোয়া পেয়েছিলেন)।তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নীবীণায় দেবী দূর্গাকে নিয়ে তিনি লিখেছিলেন আনন্দময়ীর আগমণে নামক বিখ্যাত কবিতা।যার জন্য তিনি কারাবরণ ও করেছিলেন । অথচ রবীন্দ্রনাথ তার গোটা জীবনে সাহিত্যের আকাশে কেন একটি ঈদের চাঁদ পর্যন্ত উঠাতে পারলেন না?
    ব্রিটিশ বিরোধী কবিতা লিখে শোষিত মানুষের পক্ষে লিখে কবি নজরুল দিনের পর দিনে জেল খেটেছেন।
    আর রবীন্দ্রনাথ মনের সুখে লিখেছেন “”আমার ও পরানো যাহা চায় তুমি তায় গো “”।।
    —-
    —–পুনশ্চ :- বাংলাদেশ ও আসামকে নিয়ে যে আলাদা প্রদেশ করেছিলেন ব্রিটিশ রা ১৯০৫ সালে ( যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত) তার বিরোধীতা করেছিলো দুই বাংলার সমস্ত হিন্দু পরিষদ। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন “”আমার সোনার বাংলা ” কবিতা
    ১৯০৫ সালে দেশ বিভাগের বিরোধিতা করে ।

    Reply
    • R. Masud

      পচে যাওয়া মনের/মাথার পচে যাওয়া ভাবনা– এই বলা চাড়া কোন শব্দ খুঁজে পেলামনা এই কমেন্টা পড়ে – কমেন্টার জনাব “বাংলাদেশের মুসলমান” সাহেব কে বলছি —
      যৌবনের কবি নজরুল আর শেষ জীবনের কবি নজরুল কে তুলনা করে ব্যাথাই পাবেন যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তাকান —
      যৌবনে কবি বলেছিলেন
      “””””””””””””””””””””””””””
      বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
      আমি সেই দিন হব শান্ত!
      আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
      আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ-হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব-ভিন্ন!
      আমি চির-বিদ্রোহী বীর –
      আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!
      “”””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
      আর শেষ বয়সে এসে সাধারন মুসল্লিদের মত গেয়েছেন

      “””””””””””
      মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই।
      যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।।
      ঃ-

      কত দরবেশ ফকির রে ভাই, মসজিদের আঙ্গিনাতে
      আল্লার নাম জিকির করে লুকিয়ে গভীর রাতে,
      আমি তাদের সাথে কেঁদে কেঁদে
      (আল্লার নাম জপতে চাই)
      ঃঃঃ:”””””””””””””””””””””””””””””””
      শেষের এই গাওয়াটাকে খারাপ বলছিনা, এই রকম পরিবর্তন হতেই পারে যেমন হচ্ছে আমাদের চারপাশের ৫০ ঊর্ধ্ব মানুষদের *(মুসলমান, বোদ্দ, ক্ষ্রিস্টান্দের) জীবনে–
      তবে কবি যুবককালে যা গেয়েছিলেন তা দিয়েই আজ অতি উচ্চ মহিমায় আছেন বাঙ্গালীর বুকে , সেই সব পাওয়াকে সামনে থেকে তলোয়ারের কোপ মেরে ফালি করে ফেলেছেন –
      আরও খোলাখুলি ভাবে বললে বলতে হয় —
      আজ কবি নজরুল যেই মহিমায় বাঙ্গালীর মনে দাগ একে আছেন, তা তার যৌবনের গাওয়া সুর (যেমন, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন) দিয়ে— শেষ বয়সের ইসলামিক কীর্তন (যেমন, আল্লার নাম জিকির করে লুকিয়ে গভীর রাতে) গাওয়া দিয়ে নয়!!

      Reply
  10. ফয়জুল

    রবীন্দ্রনাথ আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন।শুধু তাই নয়, রবী ঠাকুর কলকাতার গড়ের মাঠে অনশন পর্যন্ত করেছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে।তিনি তখন বলেছিলেন, ঢাকায় চাষা ভুষারা থাকে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কি দরকার? আমরা এও জানি তখন পূর্ব বাংলায় হিন্দুরা সংখ্যায় আজকের তুলনায় পাঁচ গুন বেশী ছিলেন।(৪০ পার্সেন্ট)।যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলো,”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরির আগে যখন লর্ড কার্জনের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথা উঠেছিলো তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইংরেজ সরকারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা না করার জন্য নিষেধ করেছিলেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন ইংরেজ সরকারকে যে,পূর্ববাংলার মানুষ চাষাবাসার দল এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কি বুঝবে?এই তীব্র কটুক্তিকারী ভারতীয় কবির পূর্ববঙ্গ বিদ্বেষী মনোভাব ছিলো।যখন ১৯০৫ সালে দেশ বিভাগের প্রস্তাব আনা হয় তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গ রদের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আরো বলেছিলেন যে,পূর্ববাংলা ভাগ হওয়া মানে বঙ্গমাতার অঙ্গচ্ছেদ হওয়া।

    Reply
  11. আজব জাতি

    সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় অনুশাসন থেকে মানুষ আজ অনেক দূরে সরে আছে।তাই সমাজের আজ এই অবস্থা। হাজারো ডিগ্রিধারী তৈরি করে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এক মাত্র আইনের শাসন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের মাঝে জাগ্রত করতে পারলেই সমাজ থেকে সকল অন্যায়, অবিচার দূর করা সম্ভব। না হয় সমাজে দিন দিন অশান্তি সৃষ্টি হবে।কেউ বন্ধ করতে পারবেনা।
    একমাত্র সমাজ থেকে অন্যায়,অত্যাচার, অবিচার,বেকার সমস্যা, হিংসা হানাহানী, দূর করে ন্যায় বিচার, ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিটি মানুষের মাঝে জাগ্রত করতে পারলেই সমাজ তথা বৃহৎ রাষ্ট্রকে সুন্দর ভাবে গঠন করা সম্ভব। না হয় দিন দিন সমাজে রক্তপাত হতেই থাকবে।এই ভাবে চলতে থাকলে হয়তো এমন এক সময় আসবে তখন সন্তানের নিকট বাবা নিরাপদ থাকবেনা, ভাইয়ের নিকট ভাই নিরাপদ থাকবেনা, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৃষ্টি হবে লোভ,হিংসা হানাহানী। ধ্বংস হবে সমাজ ব্যবস্থা তথা রাষ্ট্র যন্ত্র।যা কোন মানুষেরই কাম্য নয়। কারণ সবাই মুক্ত বাতাস নিয়ে মুক্ত পৃথিবীতে বাঁচার মতো বাঁচতে চায়।

    Reply
    • R. Masud

      ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের মাঝে জাগ্রত করে আমরা পাচ্ছি
      আইএস এস আই রাস্ট্র,
      তালিবানের আফগানিস্থান,
      বোকাহারামের নাইজেরিয়া
      পাকিস্থান,
      গুলশান রেস্টুরেন্ট এটাক,
      ঈদ্গাহ জামাতের এটাক
      ইত্যাদি —

      তাই কমেন্ট করার আগে উপরের গঠনা গুলোকে ঘৃণার বাক্য দিয়ে ভরিয়ে তারপর ইসলামের গুনগান গাওয়া শুরু করা উচিৎ।
      তানাহলে, ধর্ম ব্যাবসায়ী বলা ছাড়া কিছুই বলে যায়না —

      Reply
  12. হোসেন

    আমাদের সমাজে বাঙ্গালী–বাংলাদেশী , আওয়ামীলীগ, বি ন পি, সাম্প্রদায়িক জামাত, বিশ্ব ব্যায়াহার জাতীয় পাটি, কউমুনিস্ট, সর্বহারা, বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, হিন্দু–মুসলমান এই রকম আর ও বহু বিষয় আমাদের সাধারনের নিকট অপ্রয়োজনীয় । যেখানে সাধারণের বেঁচে থাকাই দায়, সেখানে আমাদের সমাজের এই কূটকৌশলের কুশীলবেরা, রাজপরিবার, রাজপুত্ররা, তাদের চাটুকার, স্তাবকেরা কি পরিমান দেশের সম্পদ লুটপাট করছে, তা আলাদীনের আশ্চার্য প্রদীপের শক্তিকেও হার মানায় । বর্তমানে আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয় চরিত্র হারিয়ে সামন্তবাদী মানিসকতার প্রভু বা পরিবারের সম্পদ হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে । এই সামন্ত প্রভু বা তাদের লেজুড, চাটুকার, স্তাবকদের ইচ্ছা – অনিচ্ছাই সমাজের, দেশের বা দলেরও আইন । তাদের কোনও দায় – দায়ীত্ব নাই । তারা সমাজের ন্যায় বণ্টন চায় না বা করেও না এবং তাদের সঙ্গী হিসাবে আছে বা লেজুড হিসাবে কাজ করছে আমাদের গুনে দরা অদক্ষ, অপেশাদার, মেরুদণ্ডহীন, দেশের বা দশের প্রতি দায়বদ্ধহীন, দুর্নিতিবাজ প্রাশাসনিক ব্যবস্থাপনার লোকজন । গোলা পানিতে মাছ শিকার করা খুবই সহজ । তেমনি অশান্তিময় পৃথিবীর দুর্বল, স্বাস্থ্যহীন, কুসংস্কারাছন্ন, স্বল্প শিক্ষিত মানুষ গুলিকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে মশগুল করে, বিভক্ত, বিভ্রান্ত করে, ঝগডা – ফ্যাসাদে, খুনা–খুনিতে লাগিয়ে দিয়ে সহজে শাসন-শোষণ করা যায় ।

    Reply
  13. নৈতিকতার শিক্ষা

    প্রতিটি ধর্ম মতেই নৈতিকতার শিক্ষা,চর্চা অনুশাষন প্রতিটা শিশুর মধ্যে গোড়ে তোলা যেমন জরুরী তেমনি প্রতিটা বাবা-মারও উচিত নিজেদের মধ্যেও নৈতিকতার চর্চা। নয়তো চোখের সামনে অবক্ষয়ের ব্যধি নিয়ে যে প্রজন্ম বেড়ে উঠছে, পরের প্রজন্মতে তা মহামারীতে পরিনত হবে। একটা সামান্য বিষয়কে এখন টেনে রাজনীতির মাঝে নিয়ে পুরো পাঁচ মাস কাদা ছুরাছুরি করা হবে| আর সাংবাদিকেরা সেটা আনন্দ সহকারে প্রচার করবে|ও তে ওড়না না দিয়ে ও তে ওমশক্তি দিলে ভারতের দাদারাও খুশি হতো আর তসলিমা নাসরিন,জাফর ইকবালদের প্রবন্ধও বের হতো না. বাম শক্তিটি ভয়াবহ রকমের প্রতিক্রিয়াশীল। তাদের মুখের ভাষা শ্রবণ এবং উচ্চারনের অযোগ্য। কিন্তু এই নোংরা ভাষাই তাদের কাছে অতি প্রিয়, আধুনিকতার লক্ষণ।
    ইসলামপন্থীদের মানুষের কাছে হাস্যকরভাবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টায় তারা তাদের নানা ধরণের বিকৃত নামে ডাকে, যার মাঝে সবচেয়ে পরিচিত হল ছাগু। যখনই কোন কথার যুক্তিতে তারা পেরে উঠে না, তখনই রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী- এ ধরণের প্রতিক্রিয়াশীল শব্দ ব্যাবহার করে ঘায়েল করার চেষ্টা করে। বাম রামেরা ও নগ্নতবাদীরা শুধু নগ্নতাকে সমর্থন করে, তারা কি দেখেনা ওড়না কি শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় পোশাক নাকি, অনেক অমুসলিম মেয়েরাও ওড়না পড়ে। পাঠ্য বইয়ে যদি নৈতিক শিক্ষা না থাকে তাহলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নৈতিক অবক্ষয় দিকে ধাবিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। নগ্নতার মাঝে যাদের জন্ম তারাই কেবল এসব নৈতিক বিষয় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে।

    Reply
  14. আকাশ

    পাঠ্যবইয়ের সংশোধন হেফাজতের দাবির মুখে হয়েছে, এটাই দেখছি আপত্তির জায়গা। আপত্তিটা রাজনৈতিক, সরাসরি শিক্ষা বিষয়ক তর্ক না। রাজনৈতিক তর্কটা বাদ দিয়ে যা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তা আগের তুলনায় ভাল নাকি মন্দ সেই তর্ক দেখছি না। কিম্বা আরও ভাল করবার পরামর্শ না দিয়ে হেফাজতকে মহা শক্তিধর হিসাবে ইসলাম নির্মূলবাদীরা দেখছি গণমাধ্যমে জোরেসোরে হাজির করছে। হেফাজতের এই স্বীকৃতি তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে, সন্দেহ নাই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক লড়াই ইসলাম নির্মূলবাদীদের বিরুদ্ধে, এতেও কোন সন্দেহ নাই। গণমাধ্যমে চিৎকার করে লাভ নাই।
    শিক্ষার্থীর মানসিক, আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের দিক থেকে পাঠ্যবইয়ের বিষয়, লেখার মান ও উপযোগিতা নিয়ে তর্ক হতেই পারে। সেই তর্ক কই?
    বরং আসুন আমরা নিজেরাও মানবেতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্রগুলো সম্পর্কে জানি এবং পাঠ্যপুস্তকে তাঁদের কথা ঠিক ভাবে লেখা হয়েছে কিনা পর্যালোচনা করি। শহীদ তীতুমীর সম্পর্কে অবশ্যই আমাদের সন্তানদের জানতে হবে, ইংরেজের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা বানিয়ে লড়বার হিম্মত যিনি দেখিয়েছেন, তিনি একজন ঐতিহাসিক নায়ক। গোলাম না হয়ে কিভাবে পরাধীনতার বিরুদ্ধে লড়তে হয়, তিনি তার ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত রেখে গিয়েছেন। ভুলে যাবেন না, এই দেশের জনগন খালি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়ে নি, আঠারো সাতান্নর সিপাহি বিদ্রোহ থেকে শুরু করে তীতুমীরের বাঁশের কেল্লা তারপর সাতচল্লিশ — তার দীর্ঘ ইতিহাস আছে।
    বাংলাদেশ নয়মাসে আকাশ ফুঁড়ে পয়দা হয় নি।

    Reply
  15. media

    ধর্ম নিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখবার অজুহাতে আধুনিক রাষ্ট্র দাবি করতেই পারে যে রাষ্ট্রীয় খরচে যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলে সেখানে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া হবে না, কিন্তু কেউ যদি ধর্ম শিক্ষা পেতে চায়, কিম্বা তার সন্তানদের জন্য পরমার্থিক শিক্ষাকেই শিক্ষা গণ্য করে, রাষ্ট্র নাগরিকদের সেই শিক্ষা গ্রহণের অধিকার হরণ করতে পারে না। ধর্ম শিক্ষায় নাক গলানো, বাধা সৃষ্টি করা কিম্বা রাষ্ট্রের দ্বারা বাইরে থেকে কোন কারিকুলাম বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় রাষ্ট্র চাপিয়ে দিতে পারে না। এটাই গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা। যুক্তি হচ্ছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাধ্য। ধর্মীয় স্বাধীনতা চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত। ধর্ম, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হরণ করতে পারে না। মার্কিন আদালতের একটি রায়কে কেন্দ্র করে এই সারকথাটাই এখানে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি।
    এইগুলো গণতন্ত্রের অ আ ক খ । গণতন্ত্রের এই সকল অতি প্রাথমিক ও সরল সূত্র অস্বীকার করে রাষ্ট্র যখন ‘একই পদ্ধতি’র শিক্ষার নামে শিক্ষাকে একাট্টা ও কুক্ষিগত করতে চায়, শিক্ষার পদ্ধতি শিক্ষার কারিকুলাম ইত্যাদি সবকিছু সরাসরি নিয়ন্ত্রন করতে চায় তখনই বুঝতে হবে আমরা ফ্যাসিস্টদের খপ্পরে পড়েছি।

    Reply
  16. রাজনীতি

    বাংলাদেশএকটি সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলাভাষী বা বাঙালি হিসাবে নিজের ইতিহাস বুঝতে গিয়ে বাংলাদেশের জনগণ একবার আরব ইতিহাস আরেকবার বর্ণহিন্দুর ইতিহাসের মধ্যে খাবি খেয়েছে। নিজেদের লড়াই সংগ্রামে নিজেদের আবিষ্কার করার চেষ্টা না করে বেপথু হয়েছে বারবার। বাংলা ভাষার প্রতি বাংলাদেশের জনগণের অচ্ছেদ্য সম্পর্ক, বাংলার বিচিত্র ও বিভিন্ন লোকাচার ধর্ম সংস্কৃতি এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি হিসাবে বাংলাদেশের আবির্ভাবের তাৎপর্য বোঝার পথ ও পদ্ধতি নির্ণয়ের সাধনা নাই বললেই চলে। মনে হয়, এই পর্ব দ্রুত শেষ হতে চলেছে। এর প্রধান কারন হচ্ছে ‘বাঙালি’ জাতিবাদের প্রবল ও প্রকট উত্থানের কারনে আমাদের বোঝানো হয়েছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল ভাষা ও সংস্কৃতির অগ্রাধিকার কায়েমের যুদ্ধ, ধর্মকে প্রাইভেট কিম্বা সমাজ ও ইতিহাসের গৌণ বিষয়ে পরিণত করার লড়াই। উগ্র বাঙালি জাতিবাদীরা বিভিন্ন ভাবে দাবি করেছে একাত্তরে ইসলাম পরাজিত হয়েছে। জয় হয়েছে ‘বাঙালি’র। এই ‘বাঙালি’র সংজ্ঞায় মুসলমান নাই। ইসলাম অনুপস্থিত। বর্ণহিন্দু যেভাবে ঔপনিবেশিক কালপর্বে যবনদের বিপরীতে নিজের হিন্দু জাতিবাদী পরিচয় নির্ণয় করেছে তাকেই সার্বজনীন বাঙালির পরিচিয় হিসাবে হিন্দু জাতিবাদীরা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যার গুরুত্বপূর্ণ নজির। এই ‘বাঙালি’ মূলত বর্ণহিন্দুর প্রকল্প। বর্ণহিন্দুর প্রকল্প হিসাবে আগামি দিনে বাংলাদেশে ইসলাম নির্মূলই ‘বাঙালি’র আত্মপ্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ– বাঙালির একমাত্র রাজনীতি হিসাবে এটাই প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলেছে।

    Reply
  17. বামপন্থী

    আমরা কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থীদের বলছি, সো কল্ড স্যেকুলারিজমের নামে ইসলাম বিদ্বেষের এই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে। এটা তাদের জন্যই দরকার। এমনকি আপনাদের লিবারেল ভ্যালুজ ও এভাবে মানুষকে গরু ছাগল হিসেবে মনে করাকে এল্যাউ করেনা। কিন্তু হা হতোস্মি, কে শোনে কার কথা?
    মানুষকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে না শিখলে এই কাচকলার রাজনীতি করে লাভ কী? মানুষকে উনমানুষ হিসেবে দেখানো ফ্যাসিস্ট রাজনীতি। মানুষকে ছাগল বলা আর তাকে কাঠালপাতা খেতে উপদেশ দেয়া বামপন্থী বলে দাবীদার কারো মুখে মানায় না। এই ভ্রান্ত রাজনীতির ফলে ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইল থেকে বিতারিত হয়ে এক বর্গ মাইলের শাহবাগে বামপন্থীদের আশ্রয় হয়েছে। এখনো হুশ না হলে এই এক বর্গমাইলের মালিকানা যেতে সময় লাগবে না।

    Reply
  18. হাসান

    স্যেকুলারেরা পাঠ্যপুস্তক বিতর্ক তুলে ভালোই করেছে। সমাজ এবার খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছে আমাদের সন্তানদের কী পড়ানো হচ্ছে। এটা ক্লাস সিক্সের ইংরেজী বই, গতকাল এক বন্ধু দিয়েছেন। ছবিগুলো দেখুন, পোশাক, পেশা দেখুন। বিত্ত আর বৈভবের সাথে যুক্ত করা হয়েছে শহর, নাগরিক জীবন, আধুনিক পেশা, সেগুলোকে গ্লোরিফাই করা হয়েছে। সেখানে ডাক্তার এপ্রোন পরে কেক খায়। তাঁদের সামনে থরে থরে সাজানো ভোগ্যবস্তু আর খাদ্যদ্রব্য।
    আর দারিদ্রের সাথে যুক্ত করা হয়েছে ইসলামি আর বাংলার পোশাক, তার সাথে যুক্ত করা হয়েছে গ্রাম। সেখানে দাড়ি, টুপি পরা মানুষ রিক্সা চালায়। রিক্সাটাও শতচ্ছিন্ন। গ্রামের কৃষক তার দুর্ভাগ্যের কারণে লুঙ্গি পরে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকে। তার আঙ্গিনার গাছটাও পত্রহীন। আর হ্যাঁ, তার ও একটা মুসলমানি চিহ্ন আছে, মুখে দাড়ি দেখুন।
    শিশুদের মনে শ্রেনী ঘৃণা ঢুকিয়ে দেয়ার কি চমৎকার তরিকা। আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যের সাথে এই উপস্থাপন চরম বেয়াদপি।

    Reply
    • R. Masud

      পিছনেই তাকাতে থাকো বাচা,
      পিছনে তাকাতে তাকাতে যখন এইদিন মুখটাই পিছনে চলে যাবে তখন সামনে আর কিছু দেখার থাকবেনা, তারপর আইএস বা বোকোহারাম হবে ঠীকনা -!!!!

      Reply
  19. ahad

    “ওড়না চাই” শব্দ দুটোয় আপত্তি তোলায় স্যেকুলারদের জাংগিয়া খুলে নেয়াটা কি ঠিক হল?
    ওরা যে “জাংগিয়া চাই” বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছে। সো কল্ড স্যেকুলারিজমের আড়ালে তীব্র ইসলাম বিদ্বেষের ইতরামিকে এভাবেই নাংগা করা হবে এখন থেকে, মাইন্ড ইট।

    Reply
  20. কমিউনিস্টদের গ্লোরিয়াস আইকন মঞ্জু ভাই

    সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খানের ওমরাহ হজ্জ পালনের খবরে বাম স্যেকুলার মহলে মাতম শুরু হয়েছে।
    মঞ্জু ভাইয়ের একটা বিখ্যাত উক্তি ছিল, সেটা হচ্ছে, “কমিউনিস্টদের বুদ্ধি বেশী কিন্তু আক্কেল কম”। মানে কাণ্ডজ্ঞান কম। কারণ যে কাণ্ডজ্ঞান জাগানোর জন্য মঞ্জু ভাই চেষ্টা করেছিলেন, সারা জীবন সেই কাণ্ডজ্ঞান তিনি তাঁর কমরেডদের মধ্যে জাগাতে পারেন নাই।
    মঞ্জু ভাই কোনদিন নিজেকে নাস্তিক দাবী করেন নাই। তিনি তাঁর মুসলিম ধর্মীয় পরিচয় ত্যাগ করেন নাই। তিনি সবসময় চেয়েছেন সিপিবি ইসলামের সাম্যের বাণী গ্রহণ করুক। ইসলামে সাম্যেকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সেই বয়ানে কমিউনিস্টরা কথা বলুক। তিনি বলতেন আমরা যা চাই আর ইসলাম যা বলে তার মধ্যে কোন তফাত নাই। তিনিই প্রথম সিপিবির মুখপত্র সাপ্তাহিক একতায় একটা লেখা লেখেন “ইসলাম ও কমিউনিজম” শিরোনামে। আমরা তখন ছাত্র। সেই লেখাটি সিপিবি এবং ছাত্র ইউনিয়নের মধ্যে দারুণ আগ্রহ সৃষ্টি করেছিল। লেখাটা আমার পুরোটা স্মৃতিতে নাই, কিন্তু তিনি যা বলতে চেয়েছিলেন, সেইটার মর্মার্থ হচ্ছে, ইসলামের সাম্যের ধারণা আর আমাদের কমিউনিজমের রুপকল্পের মধ্যে কোন তফাত নাই। তিনি চাইতেন এই আলোচনা পার্টিতে চলুক। পার্টি ইসলামের প্রসঙ্গে তার পজিশন পুনর্মুল্যায়ান করুক। তিনি বলতেন আমার কমরেডরা পুজা দেখতে যায় মহাসমারোহে আর নামাজে বা মিলাদে যেতে গা মোচড়ামুচড়ি করে কেন?
    মঞ্জুভাই তাঁর দীর্ঘ মাঠের সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে উনার সমাজকে তিনি চিনেছেন, জীবন থেকে রাজনীতির পাঠ নিয়েছেন। আমার দেখা সিপিবির শ্রেষ্ঠ প্রোডাক্ট মঞ্জুরুল আহসান খান। তিনি বদলান নাই। তিনি আদি অকৃত্রিম মঞ্জু ভাই। বাঙালি মুসলমান কমিউনিস্টদের গ্লোরিয়াস আইকন মঞ্জু ভাই দীর্ঘজিবী হোন।

    Reply
  21. পাশা

    জাতিসংঘের হিউমান রাইটস কাউন্সিল ১৫ই এপ্রিল ২০১০ সালে ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে কীভাবে লড়া যায় সে বিষয়ে কয়েকটি সুনির্দিস্ট সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। ২০১১ সালের ২১শে মার্চ সর্বসন্মতভাবে সেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
    জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের মতে ধর্ম অবমাননা একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ। ধর্মীয় চরিত্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা একটি মানবাধিকার বিরোধী কাজ। খুব কৌতুহলউদ্দীপক যে ৭ নম্বর সিদ্ধান্তে বলা হচ্ছে ইসলাম এবং মুসলমানদের ভুলভাবে বারেবারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এবং সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং মুসলমান ও ইসলামকে কলংকিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল এর বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই রেজুলুশনে বাংলাদেশ সাক্ষর করেছে। সো কল্ড মুক্তমনারা যে ফ্রি স্টাইলে ধর্ম অবমাননা চালিয়ে গেছে, ধর্মীয় চরিত্রদের নিয়ে পর্নোগ্রাফী রচনা করেছে, এটা যে মানবাধিকার লঙ্ঘন এটা বাংলাদেশের কোন মানবাধিকার সংস্থা একবারও কি মুখ ফুটে বলেছে?
    ষষ্ঠ শ্রেণীর ‘চারুপাঠ’ বইয়ে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতার শেষের দিক দেখুন ‘নিখিল জগত ব্রহ্মময়’ এটা ছান্দোগ্য উপনিষদে তৃতীয় অধ্যায়, চতুর্দশ খণ্ডের প্রথম শ্লোকের বাংলা ভাবানুবাদ – ‘সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম তজ্জ্বলানিতি শান্ত উপাসীত’ অর্থাৎ সব কিছুই ব্রহ্ম, ব্রহ্মেই তাদের জন্ম, পুষ্টি এবং প্রলয়। আকবর হোসেন সাহেব এবং বাংলার স্যেকুলারবৃন্দ আমার প্রশ্ন হচ্ছে, “শুধু মুসলমানদের জন্যই প্রযোজ্য” হলে আপনাদের গা জ্বলে, আর “শুধু হিন্দুদের জন্যই প্রযোজ্য” হলে চুপ করে থাকেন কেন? ওড়না আবিষ্কৃত হয়েছে সিন্ধু সভ্যতায়। আর এটা জেন্ডার নিউট্রাল পোশাক। মেয়েরা পরলে ওড়না আর ছেলেরা পরলে উত্তরীয়। রবীন্দ্রনাথ যখন লেখেন, ওগো আমার প্রিয় তোমার রঙিন উত্তরীয়, পর পর পর তোমায় রঙ মেশাতে হবে…. তখন সেটা খুব স্যেকুলার হয়। আর “ওড়না চাই” সাম্প্রদায়িক!! আমরা বুঝি, কোথায় জ্বলে। এইবার থামেন প্লিজ। আর বেশী চিল্লাইয়েন না।
    আমি স্যেকুলারদের সমস্যা তো বুঝতে পারি, স্যেকুলার পোশাকের আড়ালে ইসলাম বিদ্বেষের অনেক পুরোনো অসুখ, এটা সারার নয়।

    Reply
  22. সেলিম

    ভারত এবং আমেরিকা বর্তমানে সাম্প্রদায়িক ও ধর্ম প্রিয় রাষ্ট্রের সবথেকে বড় উদাহরন !! পৃথিবীতে মানুষ যতপ্রকার নিয়মেই চলুকনা কেন সকল নিয়ম কানুনই ধর্ম থেকে এসেছে সেটা যে ধর্মেরই হোক ! কোন মানুষের পক্ষেই ধর্মের নিয়মের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয় !

    Reply
  23. Rafikul

    যারা ইসলাম ধর্মে বিরক্ত তাদের বলব, যে ধর্ম তোমাদের কাছে ভাল লাগে ঐ ধর্ম অনুযায়ী তোমাদের চৌদ্দগুষ্ঠির বংশ তালিকা পরিবর্তন কর। কারন মুসলমানি নাম রেখে ইসলামের বিরোধীতা করা এটা নির্লজ্জতা ছাড়া আর কিছুই না।

    Reply
  24. ধর্ম

    যেখানে উন্নয়নশীল দেশেগুলো দ্ররিদ্য বিমোচনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমরা সাম্প্রদায়িকতা বিবেধে মেতে উঠছি। আমরা কবেই দেশের স্বার্থ ত্যাগ করে পেটের স্বার্থ নিয়ে আছি। যেখানে উন্নতদেশগুলো ২০০ বছর এগিয়ে যাচ্ছে আর সেখানে আমরা সেখানে নিজেরাই নিজেদেরকে মারার জন্য পথ খুজতেছি। যা উন্নত দেশগুলো তার ফায়দা তুলছে। আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবতে ভুলে গেছি। সাম্প্রদায়িকতা এতটাই আমাদের মাঝে শিকড় গেড়ে বসেছে তা বিনাশ করা অসম্বভ হয়ে গেছে। যদি এ ধারা বেশি দিন চলতে থাকে আর বেশী দিন সময় লাগবে না গৃহযুদ্ধ হতে।

    Reply
  25. আমজনতা

    কানাডায় বসে পাশ্চাত্যের চোখ দিয়ে দুনিয়া দেখা বন্ধ করো জান / টেরোরিজম টেরোরিজম খেলা খেলতে খেলতে গোলাপের গন্ধ ভুলে গেছি /ভুলে গেছি আমার একি হাল / সমাজ,সংসার,ধর্ম এ তিনটির সমন্বয়ে শুরু হয় মানবসভ্যতার মহাযাত্রা।যারা আজ এর একটি উপাদান ধর্মকে বাদ দিতে চায় তারা মানবসভ্যতার গন্ডির মাঝে পড়েনা।
    দেখতে মানুষের মত হলেও প্রাণী সভ্যতায় জন্তু-জানোয়ারের শ্রেণীতে তাদের স্থান।

    Reply
  26. Jewel Haque

    হিন্দু বৌদ্ধ ধরমে ধম্রান্ধ নাই!!শুধু ইসলাম হলেই চলে।মৌলবাদী জঙ্গিবাদ শুধু ইসলামের নামের উপর চালিয়ে দেয়া হয়।উনাদের সবার চুলকানি শুরু হয়ে যায়, ইসলামের নাম শুনা মাত্র!!উনারা তথাকথিত আধুনিক মানুষিকতার মানুষ!!ফাইলামির আর জায়গা পায় না।নিজের বুদ্ধিমত্তার পাওয়ার দেখাতে ইসলামকে বেঁচে নেয়!!যাতে পশ্চিমা রাষ্ট্রের মন গলে যায়।আর উনারা পার পেয়ে যায়।কীট সব ধরমেই আছে।ইসলাম নিয়ে বাড়াবাড়ি কেন?কারন সহজেই দৃষ্টি নিজের উপর নেয়া যায়,আর এর জন্যেই ইসলাম নিয়ে কুটোক্তি!!
    ইহাই বাস্তব, ইহাই সত্য……..

    Reply
  27. Sabuj Ahmed

    দুটি সংবাদই বিবিসি‘র একটা বাংলাদেশে, অন্যটা পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশে পাঠ্যপুস্তকে ওড়না শব্দ ব্যবহার করায় বিসিসি‘র গা-জ্বালা করেছে। বলছে এতে সিলেবাসে ইসলামীকরণ হয়েছে, সাম্প্রদায়িকরণ হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে মনে হতে পারে বিবিসি মনে হয়- সংখ্যালঘুদের পক্ষে, সাম্প্রদায়িকতারবিরুদ্ধে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সিলেবাস নিয়ে বিবিসি‘র খবর দেখুন। সেখানে তার আপত্তি রংধনু নিয়ে। বিবিসি চুলকানি দিয়ে বলছে- রংধুন ইসলামী শব্দ, হিন্দু দেবতা রামের নাম অনুসারে হওয়া উচিত রামধনু। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের মত পশ্চিমবঙ্গেও তো বিবিসির থাকা উচিত ছিলো নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের (পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমান) পক্ষে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বিবিসি‘র মোড় ঘুড়ে গেছে। যে যোগ দিয়ে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের পক্ষে এবং সাম্প্রদায়িক বিজেপির পক্ষে। উপরের দুটি খবরই প্রমাণ করে ব্রিটিশ কুচক্রীদের সরকারি মূখপাত্র বিবিসি আসলে কার পক্ষে এবং কার বিপক্ষে এবং তার উদ্দেশ্য কি— ১) বিবিসি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে, ২) হিন্দুত্ববাদদের পক্ষে , এবং ৩) তাদের উদ্দেশ্য সাম্প্রদায়িক , তারা চায়- মুসলমানরা বিনষ্ট হয়ে উগ্রহিন্দুত্ববাদী পরিবেশ সৃষ্টি হোক

    Reply
  28. ধর্মের সঠিক শিক্ষা

    কিছু সুন্দর কথার মুড়কে নাস্তিকবাদের প্রাধান্য দেয়ার কোন মানে হয় না।ধর্মান্ধ শব্দ দ্বারা এখন দেখা যাচ্ছে যাবতীয় আস্তিকদের বুঝানো হচ্ছে।ধর্ম বিশ্বাস মানেই কি ধর্মান্ধতা?তবে-.
    প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে ভালবাসার কথা শিখিয়েছে।কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে অল্প জ্ঞানের কারণে অনেক মানুষ যা শিখেছে তা হল পরস্পরকে ঘৃণা করা।.
    আমাদের কাজ হল ধর্মের সঠিক শিক্ষাটা গ্রহণ করা।

    Reply
  29. আনোয়ার পাশা

    এক পোলায় নতুন এক শব্দ শিখছে। সেই শব্দটা হইতেছে “কতিপয়”। শব্দটা শিখ্যা পোলার ফুর্তি তো আর ধরেনা। কিন্তু এই “কতিপয়” শব্দটা কোথায় কেমনে ব্যবহার করতে হয় সেইটা শেখে নাই। পোলার খুব শখ হইছে শব্দটা ব্যবহার করার। তো সে তার বাপের উপ্রে শব্দটা ব্যবহার করতেছে। সে বাপরে চিঠি লেখতেছে। এইভাবে, কতিপয় বাবা, পর সমাচার, এইযে আপনার কতিপয় সন্তানের কতিপয় টাকার প্রয়োজন…… আমাগো স্যেকুলারেরা কয়েকটা শব্দ শিখছে। শব্দগুলা হইতেছে, সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মান্ধ, জঙ্গিবাদি, পাকিস্তানের দালাল ইত্যাদি। আহমেদ ছফা কইছিলেন, “শুয়োরের বাচ্চার দাত গজালে বাপের পাছায় কামড় দিয়ে দাতের ধার পরীক্ষা করে”। তো এই স্যেকুলার শুয়োরের বাচ্চাদের যে নতুন দাত গজাইছে, সেইটা প্রমাণ করবে কীভাবে? ওরা এরে ওরে সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল, জঙ্গিবাদি, পাকিস্তানের দালাল, ধর্মান্ধ কইয়্যা গালাগালি কইর‍্যা তাগো নতুন শিখা স্যেকুলারিজমের বয়ানের ধার পরীক্ষা করে।

    Reply
  30. বাদল

    আপনি ধর্ম সম্পর্কে কতটুকু জানেন?? আর একজন মুসলিম নারী হিসেবে কতটুকু ধর্ম পালন করেন। আপনিই তো আসল ধর্মান্ধ আপনার বেশভুষা দেখে মনে হয়না যে, আপনি কোন মুসলিম নারী আবার ধর্ম সম্পর্কে বড় বড় লেকচার মারেন। আপনার মত ধর্মান্ধ ও শিক্ষিত শয়তানদের জন্য আজ সারা বিশ্বে শান্তি বিনিষ্ট হচ্ছে। ইসলামের বিপক্ষে কথা বললেই এক এক জনকে বানিয়ে দেওয়া হয় ইয়া বড় গবেষক……………..

    Reply
  31. নাসরিন ইকবাল

    ওনার এতবড় লেখা পড়ার মত সময় নেই। যতটুকু পড়েছি, তাতে যা বুঝেছি উনিও তসলিমার মত অনুর্বর মস্তিস্কের নাস্তিকতাবাদের অনুসারী। আপনাদের বলি ধর্মের ব্যাপারে আপনাদের এত চুলকানি কেন? ভুলে যান কেন মার্কস, লেলিনদের মতো হায়েনাদের ক্ষমতালিস্পার কারনে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্টার নামে সারা বিশ্বরের শান্তিকামী মানুষের মাঝে বিভেদের দেয়াল তৈরী করা হয়েছে। ধর্ম যদি এতই খারাপ লাগে তাহলে নাস্তিক হও, কিন্তু অন্যের বিশ্বাস নিয়ে তামাশা কর না।

    Reply
  32. মামু বচন

    ভিন দেশের ভাষায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম অর্থ না বুঝে ধর্ম গ্রন্থ পড়লে যা হবার তাই হচ্ছে আজকের বাংলাদেশে। ধর্ম গ্রন্থগুলোকে বুঝে পড়তে হবে। ভয়, ঘৃণা, বিদ্বেষের লেন্স দিয়ে ধর্ম গ্রন্থ পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লেখিকা খুব সুন্দর করে হিন্দুয়ানী কালচারকে বাংলাদেশী বাংগালি মুসলিমদের হজম করাতে চাচ্ছেন। এটা এক ধরনের দালালি।দ্বীজাতী তত্থ, ঠিক ছিল।আপনার কথায় এক মত হতে পারলাম না।১৯৪৭ এর আগে শুধু মুসলিম রা নির্যাতিত হত ব্রিটিশ সরকারের হাতে,আর সেসময় ভারতীয় হিন্দুরা মুসলিমদের ঘৃনার চোখে দেখতো। সকল সরকারী চাকরি ৯০% হিন্দুরা করতো।আমরা সকলেই বলি শুধু মুখে, এটা রাজনৈতিক কথা, সকল ধর্মে বলে সান্তির কথা,কিন্তু আমি বলছি, অথচ আমিই মান ছি না। আজ যদি দেশ ভাগ না হত, বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার যায়গায় অন্য কোন ভারতীয় হত,সম্ভবত বিজেপির অথবা তৃণমূল কংরেস,অথবা কংরেসের কেন হিন্দু নেতা থাকতো।আমার বাড়ী বাংলাদেশে ০ পয়েন্টে,এখোনো আমার অনেক আত্মীয়র বাড়ী পশ্চিম বাংলার সীমান্ত এলাকায়, ওখান কোন মুসলিম কৃষকের ভাল ফষল হলে পরের রাত্রে মোহিশ দিয়ে খাওয়া নো হত,যদি ভালো দোকান থাকে, সেখানে ডাকাত ভাড়া করে ডাকাতী করানো হত,এখোনো হয়,ময়দানে নেমে বাইবেল আর গীতার বাক্য মিলান।বাংলাদেশে পাহাড়িদের কোটা আছে চাকুরীতে,ভারতে নেই কেন?ঢাকাতে বিশ্ববিদ্যালয় করার সময় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, কোলকাতায় বিশ্ববিদ্যালয় আছে এখানে মানে ঢাকাতে করে কি হবে।মুসলিম রা পড়াশুনায় বিমুখ।

    Reply
  33. মামুন

    আপনি #ইসলাম কে কোন দেশ বা মুসলিম মানবের মাধ্যমে বিচার করতে পারেন না। #ইসলাম_কি তা জানতে হলে, আপনাকে এর দিক-নির্দেশনা ভাল করে অবশ্যই পড়তে ও বুঝতে হবে। দিক নির্দেশনাটি হলো পবিত্র ক্বোরআন। ধরুণ, একটি কোম্পানি একটি গাড়ি বানাল। আপনি গাড়িটি কিনতে চান। কেনার পূর্বে অবশ্যই আপনি দেখতে চাইবেন গাড়িটি কতটুকু শক্তিশালী। এর গিয়ার, ঘণ্টা প্রতি গতি, ব্রেক নিয়ন্ত্রণ, ডিজাইন ইত্যাদি। একজন অপেশাদার গাড়ি চালক গাড়িটি চালায় আর দূর্ঘটনা ঘটায় এবং বলল গাড়িটি ভাল না। এটা অযৌক্তিক। আপনি গাড়িটিকে দোষারোপ করতে পারেন না। তাই আপনি যদি গাড়িটি সঠিকভাবে বিচার/যাচাই করতে চান, আপনাকে অবশ্যই একজন অপেশাদার গাড়ি চালকের পরিবর্তে একজন পেশাদার গাড়ি চালক কে চালক হিসেবে বসাতে হবে। এই ক্ষেত্রে, আপনি যদি #ইসলাম কে বুঝতে চান, আপনাকে অবশ্যই পবিত্র ক্বোরআন ও সহী হাদিস দিয়ে পড়ে বুঝতে হবে।

    Reply
  34. মঈদুল

    বর্তমান বিশ্ব পেশী শক্তি ভিত্তিক রাজনীতির উপর নির্ভর করে সম্পদ এর পাহাড় গড়ায় ব্যস্ত বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ গুলো। আর ধর্মগুলোকে তারা তাদের অপকর্ম ঢেকে রাখার কাজে ব্যবহার করছে। মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্টরা দায়িত্ত্ব গ্রহণের সময় ব্ল্যাক বাইবেল হাতে নিয়ে শপথ পাঠ করে থাকেন, কেন সেখানে বাইবেল পন্থী ক্রিষ্টান ছাড়া অন্য কোনো বিশ্বাসের লোকজন নাই ?? ইন্ডিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল একটি বিশেষ ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠের দল , সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতা নষ্ট হচ্ছেনা ??? ক্ষুদ ব্রিটেনের রিপাবলিক অফ আইয়ার লেন্ডে মেয়েরা গর্ভের ভ্রূণ হত্যা করতে পারেনা , কেন সেটা ধর্মান্ধতা নয় ??? যত দোষ শুধু ইসলাম আর ইসলামপন্থীদের …!!!! তাই না …. ???? যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে , না বুইঝা এত সমালোচনা আলোচনা করার দরকার কি ….. ..

    Reply
  35. হাকিম

    ধর্মান্ধতার অন্ধকার থেকে বের হতে হবে। ওই মহিলার সাথে আমিও একমত। তবে উনি ভুলে গেছেন যেকোনো বিষয়ে পান্ডিত্ব অর্জনের পাশাপাশি ধর্মানুরাগী হতে হবে যা আমাদের আলোকিত মানুষ হতে সাহায্য করবে।নইলে ডাক্তার হয়ে যায় কসাই, শিক্ষক হয়ে যায় ধর্ষণকারী, বাবার বয়সী লেখক অল্পবয়সী লেখিকাকে মেয়েজ্ঞানে এক রুমেই রাত কাটাতে(!) চায়, প্রশাসক ঘুস খায়….

    Reply
  36. Nurul Haque

    নাস্তিক রা অাস্তিকদের নির্মূল করতে চান,সে জন্য তারা প্রথমে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া, অভিযুক্ত করা শুরু করেন। তারা মনে করেন সব কিছু নাস্তিকদের মতানুসারে হোক,যদিও সমাজে নাস্তিকদের সংখ্যা খুবই নগণ্য।তবে মিডিয়াগুলো তাদের পক্ষে অাস্তিকদের কে অপমান করে ঘৃণার বাণী ছড়ায়।নাস্তিকদের ধর্মবিদ্বেষ এত বেশি যে তারা খুব বেশি রকমের উস্কানিমূলক কথা বলে ধার্মিকদের উস্কানি দেয় যাতে করে ধার্মিকরা প্রতিবাদ করলে উগ্রবাদ,সন্ত্রাস বলে তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিয়ে তাদের বিচারিক হত্যাকান্ডের শিকারে পরিণত করে নির্মূল করা যায়,সেই সাথে তারা বেহায়াপনা বেলেল্লাপনা চালিয়ে যেতে পারে।সব ধরনের অপরাধ পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় ধার্মিকদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা কম,এমনকি নাস্তিকদের প্রতিও তেমন ঘৃণা,বিদ্বেষ নেই যদি না তারা চরম বাড়াবাড়ি করে।

    Reply
  37. সেক্যুলারগিরি

    বাংলাদেশে আমরা হিন্দু-মুসলমান মিলেমিশেই ছিলাম। সমাজে আমাদের অধিকার ছিলো “নাগরিক” হিসেবে।
    যে গ্রামে মুসলমান বেশি সেই গ্রামের লোকেরা পানি বলতো, সম্ভাষণ করতে সালাম বলতো।
    আবার কোন গ্রামে হিন্দু বেশী হলে হয়তো সেখানে “জল” প্রচলিত ছিলো, হয়তো “আদাব” বলে সম্ভাষণ প্রচলিত ছিলো।
    এটাই আমাদের সংস্কৃতি।
    কিন্তু একপর্যায়ে এদেশে কিছু মাথা মোটা সেক্যুলার এর আগমন হলো। এরা সেক্যুলারিজমের নামে “ওড়না” জাতীয় শব্দকে মুসলমানি শব্দ বলে প্রচার করা শুরু করলো।মানুষের মাঝে বিভেদ তৈরী হলো।
    হাজার বছর ধরে হিন্দুরা যেসব কবিতা গল্প পড়ে পড়ে শিক্ষিত হলো হটাত করে সেই সব কবিতা-গল্পকে সাম্প্রদায়িক বলে আমাদের মাঝে সম্প্রদায় কেন্দ্রীক বিভাজন তৈরীর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
    ওহে নির্বোধ সেক্যুলার!
    অনেক তো সেক্যুলারগিরি করলি! এবার খানিকটা মানুষ হ! বাঙ্গালী হ!!

    Reply
  38. আলমগীর

    দুনিয়ার সবার কথা পড়া যাবে, শুধুমাত্র ইসলামের শেষ নবী (সা.) এর কথা বাদ দিয়ে।
    বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা হলেও রবীন্দ্র নাথ ছিলেন বাংলাদেশের মুসলমানদের উন্নতির বিরোধী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছিলেন এই গোড়া হিন্দু। তবু তার আদর্শ পড়া যাবে, নবীর আদর্শ নয়।
    ভারতীয় বাঙ্গালিরা সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দু, তারা ইচ্ছা করেই জঙ্গলা হিন্দু রাষ্ট্র ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এই হিন্দুত্ববাদীদের কাছে বাঙালি জাতিসত্বা গুরুত্ব পায়নি, পেয়েছিল হিন্দুত্ববাদ। এখন তারা বাংলাদেশের মানুষদের আমরা বাঙালি ছবক দেয়। আর এদের কিছু দালাল আছে যারা এই দেশে বসে সেই তালে নাচে।

    Reply
  39. Sutirtha Mukherjee

    হে স্যেকুলার এবং প্রগতিশীল মুক্তমনাগন (তথাকথিত), জাকির নায়েক বিষয়ে আপনাদের অবস্থান নিয়ে দু চারটে কথা ছিল –

    বিশ্বাস দুই ধরনের হতে পারে। অন্ধ ও যৌক্তিক। জাকির নায়েকই প্রথম ভারতীয় ধর্মপ্রচারক যিনি অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস এর বদলে যৌক্তিক ধর্মবিশ্বাস এর প্রচার করেছেন। তার আগে প্রায় বেশিরভাগ ধর্মগুরুর কাছে ধর্ম ছিল ‘আনকোয়েশচেনেবল’ ? ধর্মীয় আচার, রীতিনীতি বা ধর্মীয় চরিত্র কোন কিছু নিয়েই প্রশ্ন তোলা যাবে না। কিন্তু তার অনুষ্ঠানে তাকে সরাসরি ধর্মীয় যে কোন বিষয়ে প্রশ্ন তোলা যায় ও তিনি তার জ্ঞান ও ভাবনা অনুযায়ী উত্তর দেন। অতএব, আগে যেখানে ধর্মগুরুদের সাথে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব, ধর্মের প্রয়োজনীয়তা-অপ্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, আলাপ-আলোচনা ও বিতর্ক এর কোন প্ল্যাটফর্ম ছিল না। ডাক্তারি ছেড়ে তিনি পুরো দস্তুর ধর্মপ্রচারে আসার ফলে বিভিন্ন ধর্মের বিশ্বাসী ও ধর্মে অবিশ্বাসীদের মধ্যে একটা আলোচনার সেতু বন্ধনের জায়গা তৈরি হল বা তিনি নিজেই তৈরি করলেন।

    ঢাকা বিস্ফোরণের পর তার নামে অভিযোগ, তার কথায় সন্ত্রাসবাদীরা অনুপ্রাণিত হয়েছে। তাহলে, অবশ্যই সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে করা তার অবস্থান, বিবৃতি, বক্তব্য খতিয়ে দেখা দরকার। ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে তার অবস্থানের জন্য অনেকে তাকে রিলিজিয়াস বিগট, সাইকোপ্যাথ বলেছেন। কিন্তু তার মুখ বন্ধের মাধ্যমে কি তাকে বিগট বা সাইকোপ্যাথ প্রমাণ করা সম্ভব ? নাকি, তার মুখোমুখি হয়ে যুক্তিবাণে তার ভাবনা বা বক্তব্যের ফাঁকফোকরগুলো তাকে এবং সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া দরকার ??

    ঠিক এই জায়গাতেই গেরুয়াদের সাথে কমিউনিস্ট, তথাকথিত স্যেকুলার এবং প্রগতিশীলরা পরোক্ষভাবে এক হয়ে যাচ্ছেন। সবাই মোটাদাগের বিরোধিতা করতে গিয়ে জাকির নায়েকের পুরনো কিছু ভিডিও ঘেঁটে কিছু আউট অফ কন্টেক্সট, বাছাই কিছু প্রসঙ্গ টেনে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার করছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ তো একেবারেই মিথ্যা। যেমন বলা হচ্ছে তিনি সুইসাইড বম্বিং এবং মেয়েদের স্কুলে পাঠানোর বিরুদ্ধে। যা সর্বোপরি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। যে ছবিগুলোর কোন ভিত্তি নেই, কোন রেফারেন্স ইউটিউব লিংক দেওয়া নেই, সেগুলো এভাবে ছড়িয়ে মোটাদাগের অন্ধ বিরোধীতা ছাড়া আর কি করতে পারছেন আপনারা !

    হিপোক্রেসিটা ছেড়ে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করুন মশাই। একটা ফার্ম স্ট্যান্ড নিন এই বিতর্কে। এখন পক্ষ নেওয়ার সময়। পরিস্কার কণ্ঠে বলুন গুলশান হত্যাকান্ডে জাকির নায়কের বক্তব্যের কোন প্রভাব আছে হ্যাঁ কি না। কিংবা তাঁকে ব্যান করা সমর্থনযোগ্য নাকি সমর্থনযোগ্য নয় ? যদি মনে করেন হেট স্পিচ আছে, আদালতে আপনাদের বক্তব্য পেশ করুন। সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক লিংক, ডকুমেন্টস সমেত। জাকির নায়েক দোষী সাব্যস্ত হলে অবশ্যই তাঁকে কারাগারে যেতে হবে। এ প্রসঙ্গে জেনে রাখা দরকার, তামিল লেখক পেরুমল মুরুগানের হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে লেখালিখির বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হওয়া মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছেন যে – আপনার যদি কারো লেখা পছন্দ না হয়, তাহলে সিম্পলি পড়বেন না। কিন্তু তাঁর লেখা ব্যান করা যাবে না। মানে আপনাদের যদি জাকির নায়েকের বক্তব্য পছন্দ না হয় তাহলে তাঁকে ছুঁড়ে ফেলে দিন, তাঁর ইউটিউব চ্যানেল আনসাবস্ক্রাইব করুন। কিন্তু তাঁকে ব্যান করা কেন ?

    আর যদি হেট স্পিচ না থাকে তাহলে জনসমক্ষে স্বীকার করুন, যে আপনারা বাকস্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এসবকিছুতে ততক্ষণই বিশ্বাস করেন যতক্ষণ সেসব আপনাদের আইডিওলজি, আপনাদের চিন্তাভাবনার সীমাবদ্ধ গন্ডির ভিতরে থাকছে।
    স্বীকার করুন যে আপনারা সিলেক্টিভ বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী।
    স্বীকার করুন, যে আপনাদের আসল সমস্যা হল ধর্ম।
    স্বীকার করুন, যে আপনারা যদি কোনদিন কোন দেশে ভুল করেও ক্ষমতায় আসেন, সেখানে ধর্ম সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা বন্ধ হবে এবং শুধুমাত্র নাস্তিকতার চর্চা হবে।
    স্বীকার করুন, যে যদি কেউ বলে থাকেন যে ইসলামিক রাষ্ট্রে নাস্তিকতার প্রচার এবং চর্চা নিষিদ্ধ তাহলে তার সাথে আপনাদের আইডিওলজির বিশেষ কোন ফারাক নেই।
    স্বীকার করুন, ধর্ম এবং ধর্মীয় সংস্কারের বিরুদ্ধে লেখালিখির জন্য আপনারা অভিজিৎ রায়, দাভেলকর,পানেসর বা তসলিমা নাসরিনের পক্ষ নিতে পারেন কিন্তু একজন ধর্মপ্রচারকের কিছু ধর্মীয় বক্তব্য আপনাদের মতে না মিললেই তাকে ব্যান করার জন্য হ্যাশট্যাগ ইউজ করতে আপনাদের জাস্ট দু মিনিটও ভাবতে লাগে না।

    আসলে স্যর, হিন্দু মৌলবাদ বা আরএসএসের বিরোধীতা করে করে আপনারা স্যাচুরেশন পয়েন্টে পৌঁছে গেছেন। বিপক্ষে এক আকবরঊদ্দিন ওয়েসি ছাড়া হেভিওয়েট কাউকে পাচ্ছিলেন না। তাই অচানক হাতে চলে আসা গিলোটিনে একটা দাড়িওলা মুখ আপনারা দেখতে চাইছেন। আজ যদি হেট স্পিচের দোহাই দিয়ে বা সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসাবে ট্যাগিয়ে জাকির নায়েককে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে জেনে রাখুন এতদিনে তিহার জেল হওয়া উচিৎ ছিল আশি শতাংশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা সাংসদের সরকারী দপ্তর। আশা করি সেসব মহাপুরুষ এবং মহানুভবদের অমৃতবাণী আর মনে করিয়ে দিতে হবে না।

    আপনারা মাঠে নামুন, জাকির নায়েকের বক্তব্যের বিরোধিতা করুন নিজস্ব যুক্তি দিয়ে, বিতর্ক চলুক। আলোচনা, সেমিনার সব চলুক বহাল তবিয়তে। তাঁর সমস্ত বক্তব্যের সাথে আপনাকে একমত হতে হবে এমন দিব্যি কেউ দেয়নি। কিন্তু তাঁকে ব্যান করার পক্ষে সায় দিয়ে নিজেদের অন্যধারার মৌলবাদী করে তুলবেন না। ধীরে ধীরে এক অন্ধকারে তলিয়ে যেতে দেবেন না এই দেশটাকে। আজ জাকির নায়েকের মুখ বন্ধ হচ্ছে। কাল আপনার মুখ বন্ধ হবে। কোথায় থামবে এই মিডিয়াসৃষ্ট ব্যান ব্যান খেলা? একটু ভাবুন স্যর, একটু ভাবুন। নাহলে আপনাদের সাধের বিপ্লবকেও একদিন সন্ত্রাসবাদ বলে ট্যাগিয়ে দেবে!

    একটা ছোট কৌতূহল দিয়ে শেষ করি…

    ধরা যাক, কোন এক আইএস জঙ্গি নেতা তার শিষ্যদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য নেতাজির বিখ্যাত বাণীকে ব্যবহার করলেন। বললেন, ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও; আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।’ তারপর এও বুঝিয়ে দিলেন যে এখানে স্বাধীনতা মানে বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে স্বাধীন হয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত করা। একটু মডিফাই করে বলে দিলেন – ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের খিলাফত দেব।’ তারপর জনৈক জঙ্গিগণ এই বাণীকে হৃদয়ে লিখে কোথাও জঙ্গি হামলা করে নিজেরা রক্ত দিলো ও বহু মানুষের রক্ত নিলো। তবে কি নেতাজীকে সন্ত্রাসের পরোক্ষ মদতদাতা বলা হবে ? বা নেতাজী-চর্চা নিষিদ্ধ হবে ??

    ভাবুন স্যর, ভাবা প্র‍্যাকটিস করুন…

    Reply
    • R. Masud

      Dear S. Mukherjee

      You can be good advcote for Jaki Nayek in the cases sues by Indian Govt.
      Please note,
      100’s of stupid arguments this bugger were given those are very silly and shameful. e.g., his advocasy about doing 4 marriages by muslim male was as such, Many other relegiions also allowing many marriages(Polugamy) so Whats wrong if muslim do the same.

      Reply
  40. rasel ahmed

    বাংলাদেশে লেখক হিসেবে দ্রুত বিখ্যাত হবার উপায় কোনটি ?
    ১) ঢাকার কোনো প্রতিষ্ঠিত দৈনিকের সাহিত্য সম্পাদক হওয়া,
    ২) জেএমবি কর্তৃক মোবাইল বা ফেইসবুকে হুমকি পাওয়া ,
    ৩) আস্তিক-নাস্তিকবিতর্ক ।

    Reply
  41. Mitali Nandi‎

    একদিন এক নাস্তিক ব্রিটিশের সাথে স্বামী বিবেকানন্দ -এঁর তর্ক হচ্ছিল “ঈশ্বর বিশ্বাস” নিয়ে…কোন ভাবেই সে মানতে রাজি নয় যে, ঈশ্বর আছেন..!!!!
    তর্ক-বিতর্ক পর্ব যখন অতি তীব্র আকার ধারণ করেছে…তখন স্বামীজী, পাশে থাকা একটি বালতির জলের মধ্যে ঐ লোকটির মাথাটা গুঁজে দিলেন।একেবারে ‘যায় যায়’ অবস্থা..তখন স্বামীজী তার মাথাটা ছেড়ে দিলেন।
    লোকটি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ও ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীজীকে জিজ্ঞাসা করলঃ –
    “আমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহারের কারণ..???”
    স্বামীজী উত্তর দিলেনঃ –
    “যখন তোমার মাথাটা জলের মধ্যে ছিলো..তখন তোমার নিজের বাবা-মার কথা মনে পড়ছিলো..???”
    বিটিশ লোকটি বললঃ – ” না ”
    স্বামীজীঃ – “তোমার ছেলে-মেয়ে-পরিবারের কথা মনে পড়ছিলো???”
    আবার উত্তর এল – ” না ”
    এরপর স্বামীজী বললেনঃ – “তাহলে, তোমার তখন কি কি মনে হচ্ছিলো???”
    এবার কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে লোকটি জবাব দিলোঃ –
    “আমি মনে মনে তখন ‘God’ কে ডাকছিলাম..!!!”

    Reply
  42. রেজাউল

    নিজেদের মুক্তমনা বলতে ভালবাসেন . অথচ আপনি মুক্তমনা কাকে বলে এটাই জানেন না . এই তো কয়েকদিন আগে পাশের বাড়ির ছাগলটাও নিজেকে মুক্তমনা দাবি করেছিল . যে কেউ নাস্তিক হতে পারে কিন্তু যে কেউ যুক্তিবাদী হতে পারে কি ?
    নাস্তিক মানেই মুক্তমনা নয় , মুক্তমনা মানেই নাস্তিক নয় . আস্তিক ও মুক্তমনা হতে পারে . নাস্তিকরাও হতে পারে . কিন্তু গাধা যদি নিজেকে ঘোড়া বলিয়া দাবি করে সে ঘোড়া হয়ে যায় না .তার মধ্যে ঘোড়ার বৈশিষ্টগুলো থাকতে হয় .
    মুক্তমনার ইংরেজী প্রতিশব্দ হল ফ্রি থিংকার . অর্থ্যাত্‍ যে মুক্তভাবে চিন্তা করতে পারে . যে নিরেপেক্ষভাবে জ্ঞান আহরন করে . যে অন্ধ নয় অর্থ্যাত্‍ যে শুধু এক পক্ষীয় জ্ঞান আহরনে নিজেকে ব্যাপৃত রাখে না . যে সব কিছুই পড়ে যে বেদ ও পড়ে . কোরআন ও পড়ে . বাইবেল ও পড়ে . ডকিন্সের লিখা ও পড়ে . ডাঃ জাকির নায়েকের বই পড়ে . আরজ আলী থেকে আহমদ ছপা ভাগ করে না . মোদ্দাকথা নিরেপেক্ষভাবে জ্ঞান আহরন করে . কিন্তু আপনারা তো শুধু এক পক্ষীয় জ্ঞান অর্জন করেন . ইসলামী বই ভুলে ও পড়েন না . জাকির নায়েকের লেকচার দেখলেই চোখ বন্ধ করে রাখেন . কানে দেন তুলা . এটাও জানেন না যে কোন কিছুর বিরোধিতা করতে হলে তার সম্পর্কে ভালোভাবে জানা জরুরী . আপনাদের আইক্যা ওয়ালা বাঁশ দেয়া এই পোষ্টের উদ্ধ্যেশ্য নয় , চোখ খুলে দেওয়ায় উদ্ধ্যেশ্য ।

    Reply
  43. Areefur Rahman

    ছোট বড় অনেক ইস্যুতেই গণজাগরণ মঞ্চ আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। তনু ইস্যুতে রোড মার্চ করেছে। রিশার জন্য আন্দোলন করেছে। আমরা আশান্বিত হয়েছি। কিন্ত খাদিজা ইস্যুতে ইমরান লাকীদের নিরবতা আমাদের আহত করেছে, বিব্রত করেছে। তাদের এই নিরবতার অর্থ কি? আমাদের কি বিশ্বাস করতে হবে, খাদিজার উপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা হওয়ায় তারা মুখে কুলুপ দিয়েছেন।
    কনসাল্টেন্ট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ট্রাবেল কমসালটেণ্ট ফাতেমা তুজ জোহরা জ্যোতি মনে করেন, দেশের মগজে বাসা বেঁধেছে মরনব্যাধি ক্যান্সার। তাই স্বার্থের বলি হয় খাদিজা, তনু রা। নিজের স্বার্থের জন্য আন্দোলনের ঝড় ওঠে ন্যায় বিচারের জন্য নয়। খাদিজা কে দিয়ে হয়ত খুব বেশি লোক দেখানো জাগরনী আন্দোলন যুতসই হবে না বলে ই আজ আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আন্দোলন তাকে ই বলে যার মাধ্যমে দাবী আদায় হয়, সুবিচার প্রতিষ্ঠা হয়। আমাদের দেশে আন্দোলনের অর্থ ভিন্ন। তাই পার পেয়ে যাবে অপরাধী, নির্যাতিত হবে নারী। বলার কিছুই নেই, বসে বসে উপর তলার লোকেদের তামাশা দেখা ছাড়া কি ই করতে পারব আমরা????? ?
    জাতীয় পার্টির কেন্দীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিলন, যে ছেলেটা কোপাকুপি করেছে সে ছেলেটা যদি ক্ষমতাসীন দলের না হয়ে অন্য কোন দলের এবং হিজাব পরিহিতা মেয়েটা যদি অন্য ধর্মাবলম্বী হতো তাহলে এতক্ষনে চেতনাবাজদের চেতনাদন্ড দাঁড়িয়ে তাল গাছের সমান হত আর তথাকথিত নারীবাদীদের চুলকানীতে তারা নিজেরাই এতক্ষণে দ্বিগম্বর হত। একটা মেয়ে কার সাথে প্রেম করবে, না করবেনা, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া তার ব্যাক্তিগত অধিকার। সে অধিকার রক্ষা করতে গিয়ে তাকে কোপ খেতে হবে কেন? কেন তাকে নিতে হবে মৃত্যুর স্বাদ? মেয়ে অন্তপুরবাসিনী এটাই কি সমাজের কাছে চিরন্তন সত্য?
    তাহলে কেন এত এত কথা, এত এত সেমিনার, এত এত সংগঠন, এত এত চেতনার বুলি?
    সমাজের হর্তা কর্তাদের অন্তরেই কি লুকিয়ে আছে সর্ষের ভুত। তা নলে আজো কেন পৃথিবী নারীর জন্য নিরাপদ সমতল ভূমি হয়ে উঠেনি? জোর জবরদস্তি যদি একটি মেয়ের জীবনের একমাত্র পরিণতি হয়, ছেলেরা শখ করে মেয়ে সন্তানের বাবা হয় কেন? ধর্ম নারীকে অন্তপুরবাসিনী করতে সদা মরিয়া। কি হুজুর, কি পুরোহিত, কি পাদ্রী- সবার ফতোয়া নারীর অন্তপুর যাপনের গান গায়।
    সেটা পুরান কথা। হালে যোগ হল প্রগতির ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। ছাত্রলীগ আজ বুঝাতে চাচ্ছে নারী তুমি ঘরে থাক। নাহলে কোপায়ে মেরে ফেলবো। কাল ছাত্রদল বলবে একি কথা। আর ভাল লাগেনা। সভ্যতা তুমি বরং পশ্চাৎগামী হও। মেয়েদের দশ পেরুবার আগে বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা কর। অন্তত তারা বেঁচে যাক। মিথ্যে প্রগতি আর সভ্যতার মুলা ঝুলিয়ে তাদের কে স্বপ্ন দেখিয়ে অতপর কুপিয়ে মেরে ফেলনা।
    চট্টগ্রাম থেকে আদনান সৈকত বলেছেন, উনারা তো বেশি মুক্তমনা মানুষ , তাদের মুক্ত মনে খাদিজার কোন স্হান নেই । সবচেয়ে বড় কথা , লাভ ছাড়া কোন ইস্যু নিয়ে চিল্লাপাল্লা করার মত মানুষ তারা না।
    নেত্রকোনা থেকে সোনিয়া মাহবুব বলেন, উনাদের এখনো সময় হয় নাই, অনেক ব্যস্ততায় আছেন।
    গোপালগঞ্জের খালিদ হোসেন বলেন, অনুষ্টান তো এখন প্রকল্প ভিত্তিক!! প্রকল্প পরিচালক যত দক্ষ যত মালদার তার কর্মীরাও তেমন হবে। ইন্টারন্যাশনাল প্রকল্পের কর্মীরা খাদিজাদের পেছনে কেন তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করবে ???
    সিলেট টুডে টুয়েন্টি ফোর ডট কমের সাংবাদিক সনেট দেব চৌধুরীর মতামত,গনজাগরন পার্টি এখন ঘুমের রাজ্যে আছে। তাই কি হচ্ছে তারা তা যানে না। তাছাড়া তাদের যদি বিষয় বস্তু ভালো লাগে তাহলে তো তারা এর প্রতিবাদ করবে।

    Reply
  44. আখতার

    আমাদের দেশে তসলিমা নাসরিন, দাউদ হায়দার, আহমদ শরীফ,
    কবীর চৌধুরীদের মত একদল ভীনদেশী দালাল চক্র একশ্রেণির উগ্র চরিত্রহীন যুব
    সমাজকে সর্বপ্রথম নাস্তিকতার নামে ধর্মদ্রোহীতার দীক্ষা দিয়েছে বলে
    সবাই জানে। পাশ্চাত্যের জীবনধারায় আকৃষ্ট গুটিকয়েক তরুণ-তরুণী সস্তা
    সেলিব্রেটি বনে যাওয়ার লালসায় এবং নিয়ন্ত্রনহীন জীবনযাপনের মানসে
    নাস্তিকতার নামে ধর্মদ্রোহীতার প্রতিযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে।
    পাশাপাশি গড়ে ওঠে ধর্মদ্রোহীদের গোপন নেটওয়ার্ক। আর এর মাধ্যমেই এরা
    ইন্টারনেটে ছড়াতে থাকে ধর্মীয় বিদ্বেষ। এদের জীবন চলার পথ তথা
    লাইফস্টাইল সম্পর্কে দেশের মানুষের তেমন কিছুই জানা ছিলো না। কিন্তু,
    শাহবাগ মুভমেন্টের পর থেকে প্রকাশিত হয়ে পড়ে এদের আসল চেহারা। এরপর একের পর এক যতজন নাস্তিক ব্লগার নিহত হয়েছে প্রত্যেকের মৃত্যুর পরেই বেরিয়ে
    এসেছে এদের লাগামহীন জীবন যাপনের দৃশ্য। যার সর্বশেষ উদাহরণ আশা মনি ও
    নিহত ব্লগার নিলয়ের সম্পর্ক। ঠিক একইভাবে অভিজিতের মৃত্যুর পরও জানা
    যায় তাদের লাগামহীন লাইফ স্টাইল। মদ, নারী আর অবৈধ মেলামেশার মধ্যে
    যারা মুক্তচিন্তার স্বাদ অন্বেষণ করে বেড়ায় তাদের মাঝে আরে বনের পশুর
    মাঝে পার্থক্য নিরূপণ করা বেশ কষ্টসাধ্য। বনের পশুও তো জৈবিক
    চাহিদা পূরণ করে। তাদের বিয়ে করতে হয় না। সংসার গোছাতে হয় না। বলতে
    পারেন ওরাই প্রকৃত মুক্ত ও স্বাধীন। কিন্তু মানুষ হয়ে ওঠার জন্য তো আর ওভাবে
    জীবন যাপন করলে চলে না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ধর্মের কাছেই ফিরে
    আসতে হবে। বর্তমানে আমাদের তরুণ সমাজকে ওই লাগামহীন জীবন যাপনের দিকেই আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নয় এমন তরুণদের
    সিংহভাগই নাম লেখাচ্ছে এই কথিত মুক্তমনাদের দলে। মিডিয়া দারূনভাবে
    তাদেরকে উৎসাহিত করছে এ পথে চলতে। আর এ গড্ডালিকা প্রবাহে যারা গা
    ভাসিয়ে দিচ্ছে তাদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করার ফুরসত যেন নেই। কিন্তু
    ভবিষ্যতকে তো আর অস্বীকার করলে চলে না। তাই ধর্মহীন হয়ে পড়ার আগেই
    অভিভাবকদের উচিত সন্তানকে ধার্মিক করে গড়ে তোলা। অন্যথায় আগামীর
    প্রজন্ম পশ্চিমা তরুণ সমাজের মতই হতাশায় নিমজ্জিত হবে তাতে কোনো
    সন্দেহ নেই। মদের বোতল ওদের শান্তির আশ্রয়স্থল। সিঙ্গেল মাদার আর
    সিঙ্গেল ফাদার ফ্যামিলিতেই বেড়ে ওঠে ওদের শিশুরা…

    Reply
  45. বাংঙ্গালী

    আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক আমাদের দেশে বেশ পুরনো না হলেও বিশ্বের ইতিহাসে
    বেশ পুরনো। তবে কখনোই এই বিতর্ক চরমপন্থায় গিয়েছে কি-না আমার জানা
    নেই। যদিও ইদানিংকালে এই বিতর্কের অবসান ঘটছে চরমপন্থায়। মতপ্রকাশের
    স্বাধীনতার নামে কেউ করছে বাড়াবাড়ি। আর কেউবা তা সহ্য করতে না
    পেরে তারচেয়েও উগ্রবাদি হয়ে উঠছে। সেক্যুলারিজমের সাথে বর্তমান প্রচলিত
    নাস্তিকতার কোন মিল খুঁজে পাই না। বিশ্বাস জিনিসটা সম্পূর্ণ একজন মানুষের
    নিজস্ব ব্যাপার। একেক জনের বিশ্বাস একেক রকম হতেই পারে। তাই বলে কারো
    বিশ্বাসকে গাল-মন্দ কিংবা কটুবাক্য ছুড়ে হেয় প্রতিপন্ন করাটা কতটুকু সুস্থ
    মস্তিষ্কের পরিচায়ক হতে পারে তা নিরূপনের দায়িত্ব পাঠকের উপরেই ছেড়ে
    দিলাম। দার্শনিকদের মধ্যে যাদেরকে বিশ্বাস অবিশ্বাসের তাত্ত্বিক
    বিশ্লেষণ করতে দেখেছি তাদের কারো উপস্থাপনার ভঙ্গিই আমার কাছে উগ্র বা
    ঔদ্ধত্যপূর্ণ মনে হয়নি। কিন্তু এ কথা সত্য যে, একজন শিক্ষিত ও সামাজিক
    বোধসম্পন্ন মানুষ কখনও কোনো যুক্তিবাদী মানুষের মুখের ভাষাতে
    গালিগালাজ শুনতে চায় না, যুক্তি চায়। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে। বর্তমানে
    যারা নাস্তিকতার কথা বলে তারা অধিকাংশই উগ্রতার পরিচয় দিতেই
    স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে বলে মনে হয়েছে। বিনা কারণে কারো ধর্মবিশ্বাস নিয়ে
    টানাটানি করা কেমন সেক্যুলারিজম তা নিয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে। আপনি
    কোনো ধর্মে বিশ্বাস নাই করতে পারেন। তাই বলে অন্যের ধর্মকে যা খুশি তাই বলে
    অপমান করার অধিকার রাখেন না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, চলমান সময়ে
    নাস্তিকতা মূলত: ইসলাম বিদ্বেষে পরিণত হয়েছে। এদের কেউ কেউ কখনওবা
    অন্যান্য ধর্মের সমালোচনা করে থাকলেও মূলত: তাদের আক্রোশটা যেন ইসলাম ও
    মুসলমানদের নিয়ে। যেটাকে পাশ্চাত্যে ইসলামফোবিয়ার ফলাফলও বলা যেতে
    পারে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কুরআন অবমাননা, কুরআন পুড়িয়ে দেয়া, রসুলুল্লাহ
    (স) এর অবমাননা, তাঁর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকা, তাঁকে নিয়ে আপত্তিকর চলচ্চিত্র
    নির্মান করাসহ নানাভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের হেয় করতে দেখা যায়। কিন্তু
    অন্য কোনো ধর্ম নিয়ে এসব ব্যক্তি বা সংগঠনকে এ ধরণের ঘৃণ্য মাতামাতি করতে
    দেখা যায় না। সুতরাং, একটা নির্দিষ্ট জাতিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভিন্ন
    প্রান্ত থেকে গালিগালাজ বা তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন কোন
    কাজ যদি চলতেই থাকে তবে সেই ধর্মবিশ্বাসের মানুষের মধ্য থেকে
    উগ্রবাদীর জন্ম নেয়া আমি অন্তত অস্বাভাবিক মনে করি না। তবে কেউ
    গালি দিলেই তার প্রতি উগ্রপন্থায় চড়াও হওয়াটাও ইসলামের শিক্ষা নয়। কিন্তু,
    কলমের খোঁচায় যারা এসব উগ্রবাদের জন্ম দিচ্ছে তাদের ভূমিকা নিয়ে একজন
    মুসলমান হিসেবে আমার যথেষ্ট আপত্তি আছে। কারণ, আমি কারো উদ্দেশ্যে
    জীবনে কখনও গালিগালাজ কিংবা কটুবাক্য ছুড়ে দেইনি। কারো ধর্মীয়
    গ্রন্থে অগ্নিসংযোগ করিনি।

    Reply
  46. মোহাম্মদ দিদারুল হক‎

    আরেক দেশ ছিল এরা শিয়ালের কাছে মুর্গী বর্গা দিয়ে সারাদিন আস্তিক-নাস্তিকবিতর্ক করতো। আস্তিক- নাস্তিক সমস্যাটি অনেক পুরনো। এ নিয়ে যুগে যুগে অনেক বিতর্ক হয়েছে। সকল বিতর্কেই নাস্তিকরা পরাজিত হয়েছে। নাস্তিকরা বেশির ভাগই চিন্তাশীল মানুষ। সেই চিন্তা শয়তানী চিন্তা। অাশ্চর্যের কথা- খোদ শয়তানও কিন্তু আস্তিক। কিন্তু তার অনুসারী নাস্তিকরা ‘খোদা’ মানে না। নাস্তিকরা সাধারণতঃ ধর্মের গোঁড়ামীর বিরোধীতা করতে গিয়েই নাস্তিক হয় এবং দর্শন ও সাহিত্য পড়েই নাস্তিকতার ধারণা তাদের মন-মগজে পোক্ত হয়। মূলতঃ খৃষ্ট ধর্মের গোঁড়ামীর বিরোধীতা করতে গিয়ে নাস্তিক্যবাদের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। কিন্তু নাস্তিকতার গোড়া পত্তন হয়- খৃষ্টধর্মেরও আগে।

    Reply
  47. হেফাজতিকরণ

    শাহবাগে যখন সরকারি প্ররোচনায় ‘গণজাগরণ মঞ্চ’
    সৃষ্টি হয় এবং যেমন করেই হোক লাখো মানুষের ঢল নামে,
    তখন অনেকের কপালে ভাঁজ পড়ে!
    একের পর এক বৈরী পরিবেশের জন্ম!
    কিন্তু সবকিছুর আসল নিয়ন্ত্রণ কর্তা তো,,,
    “সর্বশক্তিমান আল্লাহ।
    তিনি যুগে যুগে তাই করেছেন,
    যা তিনি পবিত্র কুরআনে বলেছেনঃ
    ১. ‘মনমরা হয়ো না, দুঃখ করো না,
    তোমরাই বিজয়ী হবে,
    যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো’।
    – সূরা আল-ইমরান:১৩৯!
    ২. ‘এরা চায় মুখের ফুঁতকারে ইসলামের
    আলোকে নিভিয়ে দিতে,
    অথচ আল্লাহর সিদ্ধান্ত হলো তিনি তাঁর নূর’কে,
    (ইসলামকে) পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত(প্রতিষ্ঠিত) করবেন।
    অবিশ্বাসীরা তা যতই অপছন্দ করুক না কেন।
    তিনি’ই সে মহান সত্তা যিনি তাঁর রাসুলকে,,
    ‘হেদায়াত’ ও ‘সঠিক জীবনাদর্শ’ সহকারে পাঠিয়েছেন,
    যাতে তিনি এই আদর্শকে অন্য সকল মতাদর্শের,,
    উপর বিজয়ী করেন,
    সেটি ‘ইসলাম বিরোধী’দের নিকট,,
    যতই অসহনীয় হোক না কেন”
    — সুরা আস সফ(৮-৯)!

    Reply
  48. শাহবাগী' নামটি আজ গালি

    জামায়াতের বিরোধীতায় ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ হয়েছিল।
    কৃত্রিম গণজোয়ারে তাদের পালে হাওয়া লাগলেও!
    সেই গজাম আজ নিঃস্ব ও জৌলুসহীন,
    কিন্তু ইসলাম আজো আপন মহিমায় ভাস্বর,
    এবং হেফাজতি জনসমর্থন পূর্বের চাইতে আরো বেড়েছে!
    একটা দিক ভাবলে আমি বারবারই অবাক হই,
    আল্লাহর ক্ষমতার ব্যাপকতা অনুভবে সেটির প্রতি
    শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে!
    এই ‘গণজাগরণ মঞ্চ’তো জমেছিলো ইসলাম বিরোধিতায়।
    শাহবাগের সেই মঞ্চ থেকে রাত দিন কেবলমাত্র
    ইসলাম বিরুদ্ধেই বিষোদগার করা হচ্ছিলো।
    কিন্তু আপনারা কি আল্লাহর ক্ষমতা দেখেছেন(?)
    তিনি কেমন করে তাদেরকে সারা বাংলাদেশের
    অধিকাংশ মানুষের ঘৃণার পাত্র বানিয়ে দিলেন!
    সর্ব শক্তিমান আল্লাহ এখানে শুধু মানুষের,,
    অন্তর্দৃষ্টিকে খুলে দিলেন,
    ফলে তারা দেখতে পেলো শাহবাগীরা নিছক,
    জামায়াতকে নয় বরং তারা মূলত,,,
    ইসলামকেই গালি গালাজ ও বিরোধিতা করছে!
    পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ কেবলই গণজাগরণ মঞ্চের,,
    পঁচে যাওয়ার ইতিহাস!
    এমন শক্তিগুলোকেও আল্লাহ একত্রিত করে তাদের
    (অর্থাৎ, গণজাগরণ মঞ্চের)
    সর্বাত্মক বিরোধিতায় নামিয়ে দিলেন,
    শায়েস্তা করিয়ে দিলেন!
    শুধু কি তাই? ‘
    শাহবাগী’ নামটি আজ গালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়!

    Reply
  49. রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা

    কিছু ধান্দাবাজ ও ব্যক্তিস্বার্থে অন্ধ মানুষ । কিছু মানুষের ওয়ান এন্ড অনলি হিরো হবার কুচিন্তা । রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা । সবকিছু মিলিয়েই আজকের পরিণতি আমাদের সবার প্রাণের গণজাগরণ মঞ্চের। তাই এভাবে যদি কেউ গানের তালে তালে গালি দিয়ে যায় তবুও প্রতিবাদ করার পথ থাকেনা। তারা এখন রামপালের বিষয়ে আন্দোলন তো দূরে থাক রামপাল বিষয়ে মন্তব্য করতেও হিসেব করে- পাছে মন্ত্রী শ্বশুরের কৃপাদৃষ্টি সরে যায়। হায় বাংলাদেশ
    সব মাথা বেচা হয়ে গেছে খুব গোপনে………

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—