Feature Img

AdnanMorshed-f11নভেম্বরের কোনো এক সকালে ঢাকা বিমানবন্দরে নামার আগেই ঠিক করা ছিল ৪৮ ঘন্টার ভেতরে ঢাকার আর্ট গ্যালারীগুলোতে ঘুড়ে বেড়াবো। প্রবীন আর নবীন শিল্পীদের পেইন্টিং দেখবো আর কিনবো। নিউ মার্কেট, নীলক্ষেত, আর আজিজ সুপার মার্কেটে বইয়ের দোকানগুলো দেখবো। প্রতিটি মিউজিয়াম প্রাণ ভরে উপভোগ করবো। পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁগুলোতে খাবো মনের সুখে। রাস্তায় হাটবো, নগর এবং নগরবাসীদের হালচাল বুঝবো। বুড়িগঙ্গার তীরে গিয়ে জলের প্রবাহ দেখবো। সেই সাথে নগর ভবন আর রাজউক ভবনে গিয়ে নগর প্রশাসনের ব্যবস্থাপনা বোঝার চেষ্টা করবো। এটা ছিল একটা গবেষণা প্রকল্প: একজন পর্যটকের মতো দু দিনে সাংস্কৃতিক আর প্রশাসনিক ঢাকার অনুসন্ধান করা। প্রকল্পের ফলাফল সহজেই অনুমেয়। যে স্থাপনাগুলোতে যেতে চাচ্ছিলাম সেগুলো মহানগরে এমনভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যে সেগুলো খুঁজেই পাওয়া যায় না (ম্যাপ আছে, তথ্য নেই)। পাওয়া গেলেও সেগুলোর আকর্ষনীয় বা পরিকল্পিত কোনো পরিবেশ নেই, তাতে উৎসাহে বিদ্যুত গতিতে ভাটা পরে। তা ছাড়া ভয়াবহ যানজটের কারণে একদিনে একটা বা দুটো গন্তব্যে বড় জোর যাওয়া সম্ভব।

সব মিলিয়ে ঢাকার জনজীবনের মান খুব নিচু। বাসযোগ্যতার যে কোনো বৈশ্বিক সমীক্ষায় আমাদের রাজধানী প্রায়শই পাচ্ছে সব চেয়ে কম নাম্বার। আমাদের প্রতিযোগিতা নাইজেরিয়ার লেইগস অথবা হেইতির রাজধানী পোর্ট অ প্রিন্স-এর সাথে। বাসা আর কর্মস্থলের বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে আসবার মতো নগরবাসীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত খোলা ময়দান যেখান থেকে আকাশ দেখা যায় নির্বিঘ্নে আর নিশ্বাস নেয়া যায় দূষণের প্যারানয়া ছাড়া। ঘন আবাসন, যানজট, মানুষের স্রোত, শব্দ ও পরিবেশ দূষণ, নিরাপত্তার অভাব, এবং সেই সাথে বিক্ষিপ্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উর্ধমুখী দালান, আর বিলাসী মধ্যবিত্তায়ন — ঢাকা যেনো নারকীয় আধুনিকতার এক মূর্ত প্রতীক! দান্তে, বদলেআর, আর ডালি এখানে নতুন করে আবিষ্কার করবে তাদের সাহিত্য আর শিল্পের রসদ! ১৯৫০-এর দশকে নিউ ইওর্ককে ঘিরে এলান গিন্সবার্গ-এর কবিতা, “হাউল,” যেনো বর্তমান ঢাকার প্রতিচ্ছবি: “কনক্রিট আর এলুমিনামের স্ফিন্ক্স তাদের মুন্ড ভেঙ্গে খেয়ে নেয় মগজ আর কল্পনা? যান্ত্রিক আবাসন! অদৃশ্য শহরতলি! সম্পদের কঙ্কাল! অন্ধ পুঁজি! দানবীয় কারখানা! দর্শক জাতি! অপরাজিত পাগলাগারদ!”

ঢাকার প্রলয়ঙ্করী বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা একটি সীমিত মাত্রার নগর প্রকল্প পরিচালনা করছি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির চতুর্থ বর্ষের সতেরো জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে। আমার সহ-শিক্ষক সিরাজুদ্দিন রাজু, হাসিবুল কবির, আর ফেরদৌস হাবিব খান। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আমাদের প্রকল্প ঢাকার সামগ্রিক নগরায়নের কোনো সমাধান দেবার দুঃসাহস দেখাচ্ছে না, বরং চার সপ্তাহ মেয়াদী এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো নগরের একটি প্রাণকেন্দ্র পরিকল্পনা করা যেখানে সব শ্রেণীর নগরবাসীরা তাদের পরিবার পরিজন আর বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসবে সংস্কৃতি আর প্রকৃতির সন্ধানে। বিশ্বমানের যে কোনো নগরীতেই থাকে এক বা একাধিক প্রাণকেন্দ্র। লন্ডনের আছে ট্রাফালগার এবং লিস্টার স্কোয়ার, প্যারিসের আইফেল টাওয়ার থেকে ত্রকাদেরও আর ল্যুভর মিউজিয়াম এলাকা, ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মল, কুয়ালালামপুরে পেট্রোনাস টাওয়ারের পাদদেশে প্রানবন্ত নগরকেন্দ্র, কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল আর ময়দান। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র কোথায়? নগরবাসী কোথায় গিয়ে স্বস্থির নিশ্বাস ফেলবে? বাংলাদেশ যদি ভবিষ্যতে কোনো এক দিন বিশ্ব কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ওঠে, পনের লাখ ঢাকাবাসী কোথায় গিয়ে এক সাথে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখবে? ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে বারাক ওবামার অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় প্রায় দশ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছিল ন্যাশনাল মলে। আমি ও আমার স্ত্রী সাদিয়া হার কাঁপানো ঠান্ডায় ওবামার অভিষেকে দাঁড়িয়ে ছিলাম টানা ছয় ঘন্টা এবং বুঝেছিলাম একটা নগরীতে জনচত্বরের ভূমিকা কি গুরুত্বপূর্ণ। দেড় কোটি মানুষের ঢাকায় একটি খোলা জনচত্বর না থাকাটাকে পরবর্তী প্রজন্ম দেখবে একটি ঐতিহাসিক ব্যর্থতা হিসেবে। স্বাধীনতা দিবসে আমরা যথারীতি বাংলা একাডেমি, টিএসসি, আর্ট কলেজ এলাকায় জমায়েত হবো। একটা জাতীয় দিবস পালনের জন্য যে ধরনের নগর ব্যাপ্তির প্রয়োজন সেটা ঢাকা ইউনিভার্সিটির এই এলাকার নেই।

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র হবার জন্য অবারিত সম্ভাবনা নিয়ে ৩৫০ একরের একটি বিশাল উদ্যান নগরের ভৌগোলিক কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে অপর্যাপ্ত ব্যবহারের প্রশ্নবোধক অস্তিত্ব নিয়ে (রমনা আর সোহরোওয়ার্দি উদ্যানের সম্মিলিত আয়তন ১৫০ একর)। নগরীর উত্তর, দক্ষিন, পূর্ব, পশ্চিম এখানে এসে আলিঙ্গন করছে একে অপরকে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আমাদের এই “ব্রেইন টিসিং” প্রকল্পের জন্য আমরা তেজগাঁও পুরনো বিমান বন্দরকে নগরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নির্ধারণ করেছি। আমরা আশা করছি যে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন আর বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স নগর জীবনের বৃহত্তর স্বার্থে এই প্রকল্পের সম্ভাবনাকে যাচাই করবেন।

আমাদের প্রকল্পে থাকবে বিভিন্ন মাপের জনচত্বর, নানা ধরনের মিউজিয়াম, আর্ট গ্যালারী, থিয়েটার ডিস্ট্রিক্ট, ওয়াকিং আর বাইকিং ট্রেইল, খোলা ময়দান, জলাধার আর তার তীর ধরে বসার ঘাট, নৌকো চালানোর ব্যবস্থা, ঐতিহ্যবাহী খাবারের রেস্তোরাঁ, হেরিটেজ ভিলেজ, কৃষক বাজার, এবং প্রদর্শনীমূলক কৃষিকাজ। তা ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত ইন্সটিটিউট, যেমন ইন্সটিটিউট অফ ট্যুরিসম এবং কুলিনারী কালচার, ইন্সটিটিউট অফ এনভায়রনমেন্টাল এওয়ারনেস, কর্মজীবী হোস্টেল, আর কনভেনশন সেন্টার এখানে অনায়াসে তৈরী করা যেতে পারে।

প্রকল্পের প্রারম্ভিক গবেষণা হিসেবে আমরা তেজগাঁও পুরনো বিমান বন্দরের চারদিকের এলাকার বিবিধ ভূমি বিন্যাস, ব্যবহার আর সড়ক ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করেছি। এলাকার মাপ ১০০০০ ফুট x ১৫০০ ফুট। অর্থাৎ দুই মাইল x ০.২৮ মাইল। গুগল আর্থ আর মাঠ পর্যায়ের গবেষণা কাজে লাগিয়ে দেখেছি বিমানবন্দরের উত্তরে কাজী পারা আর কাফরুলের ঘন বসতি, পশ্চিমে মাঝামাঝি, রোকেয়া সরণী বরাবর আগারগাঁও-এর কম ঘনত্বের অফিস ভবনগুলো এবং সরকারী কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা, দক্ষিন পশ্চিমে সংসদ ভবন, দক্ষিন সীমানায় পূর্ব-পশ্চিমমুখী বিজয় সরণী, পূর্ব সীমানায় উত্তর-দক্ষিনমুখী এয়ারপোর্ট রোডের ওপরে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় এবং পুরোনো বিমানবন্দরের টার্মিনাল, উত্তর-পূর্বে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। একমাত্র ক্যান্টনমেন্টের দিক ছাড়া সব দিক থেকে ভালো সড়ক সংযোগ থাকায় এই এলাকায় অবাধে প্রবেশ করা যাবে।

লুই কানের অনন্য স্থাপত্যকর্মের পাশে হওয়াতে জনচত্বর হিসেবে এই এলাকার নির্বাচন যেন অতি স্বাভাবিক। দক্ষিন-পশ্চিমে লেজিসলেচার (সংসদ ভবন) আর পূর্বে এগ্সেকিউটিভকে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) সংযোগ ঘটিয়ে একটি খোলা জনচত্বর পুরোনো বিমান বন্দর এলাকার দক্ষিন অংশের প্রতীক হতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের মত ভাষণ মঞ্চ তৈরী হবে এখানে। সেই সাথে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দু ভাগে বিভক্তির যে ষড়যন্ত্র বর্তমানে চলছে তার প্রতিবাদও হবে এখানে, প্রধানমন্ত্রী তা দেখতে পাবেন তার অফিস থেকে, নিজের চোখে। আমরা গণতন্ত্রায়নের কথা বলি, কিন্তু এর সাথে নগরায়নের যে নিবিড় সম্পর্ক সেটা নিয়ে আমরা নিরব।
এখানে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের মিউজিয়াম, যেমন এভিয়েশন মিউজিয়াম (সংগত কারণে), নৌকোর মিউজিয়াম, বাংলার ইতিহাস মিউজিয়াম, আধুনিক শিল্পকলা মিউজিয়াম, কৃষি মিউজিয়াম, রাজনৈতিক পোস্টারের মিউজিয়াম, ভাষা আন্দোলনের মিউজিয়াম, উপজাতি মিউজিয়াম, প্রাকৃতিক সম্পদ মিউজিয়াম, ইত্যাদি। একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ থিয়েটার ডিস্ট্রিক্ট এখানে সারা বছর নগরবাসীকে আকৃষ্ট করবে। কল্পনা করুন নবীন শিল্পীরা তাদের শিল্পকর্মের পসরা বসিয়েছে এখানকার জনচত্বরে। এতে করে শিল্পচর্যার ব্যাপক প্রসার ঘটবে। ছুটির দিনে ফ্লি মার্কেটে এন্টিক ব্যবসায়ীরা তাদের সামগ্রী সাজিয়েছে আর উত্সুক ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে দেখছে। এখানে থাকতে পারে একটা স্থায়ী বই বিক্রির মেলা, অর্থাৎ একুশের বই মেলার একটা বাত্সরিক সংস্করণ।

ফার্মার’স মার্কেটে কৃষকেরা তাদের কৃষিজ উত্পাদন দিয়ে নগরবাসীকে টাটকা সবজি কেনার সুযোগ দিচ্ছে। নোংরা স্যাতস্যাতে পরিবেশ নয়, কৃষকদের জন্য থাকবে রুচিসম্মত স্টল। আর পুরো এলাকার প্রতীক হবে এই দৃশ্য: সাস্থ্যসচেতন নগরবাসী এখানে জগিং করছে আর বাইকিং করছে সুনিদ্রিষ্ট ট্রেইল ধরে। পুরো এলাকা জুড়ে থাকবে বাইক রেন্টাল স্টেশন। ঐতিহ্যবাহী খাবারের রেস্তোরাঁ থাকবে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে। এরা খোলা থাকবে ২৪ ঘন্টা। অগভীর জলাধারগুলোতে শিশুরা জলকেলিতে মগ্ন। জনসমাগম এখানে লেগেই থাকবে। জনগনের জমিকে জনগনের দখলে আনার সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্র হলো এখানে সার্বক্ষনিক জনসমাগম ঘটানো।

আমাদের দেশে নগরায়ন আলোচনা ইদানিং প্রায়শই অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ব্যবস্থা, আবাসন, আর ভূমি ব্যবহারের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু আজকে সারা পৃথিবীতে টেকসই নগরায়নের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তাতে মূল লক্ষ্য ধরা হচ্ছে নগরীর বাসযোগ্যতার মান বাড়ানো। তার মানে হলো শুধু ভালো রাস্তাঘাট আর ভালো আবাসন ব্যবস্থা থাকলেই একটা শহরকে ভালো বলা যাবে না। একটা বিশ্ব মানের নগরী তার অধিবাসীদের মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে মানসিক পরিচর্যার পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়। মার্কিন নগর বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফ্লোরিডা গবেষণায় দেখিয়েছেন ভবিষ্যতে সফল নগরী বলা যাবে ওগুলোকে যেগুলো বিভিন্ন পেশার সৃষ্টিশীল মানুষদের আকর্ষণ করতে সমর্থ হবে। সৃষ্টিশীল মানুষদের আগমন যত ঘটবে তত অর্থনৈতিক তত্পরতার ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। সৃষ্টিশীল মানুষেরা আসবে যখন শহরের জীবনযাত্রার মান হবে উঁচু। ফ্লোরিডার দ্য রাইস অফ দ্য ক্রিয়েটিভ ক্লাস নামে বইটি এখন নগরবিদ আর অর্থনীতিবিদদের অবশ্য পাঠ্য।

সৃষ্টিশীল, টেকসই নগরায়নের লক্ষ্যে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র শুধু বলিষ্ঠ ভূমিকাই পালন করবে না, এটা নগরবাসীদের তাদের নগরীর প্রতি সংবেদনশীল হতেও উদ্বুদ্ধ করবে। একটি বহুমাত্রিক জনচত্বর নগরীর জীবনযাত্রাকে করবে সম্বৃদ্ধ। “ইটের পাঁজরে লোহার খাচায় দারুন মর্ম ব্যথা” কিছুটা হলেও লাঘব হবে পুরোনো বিমান বন্দরে আমাদের প্রস্তাবিত জনচত্বরের সবুজ আর জলের মিলন ক্ষেত্রে, সাংস্কৃতিক চর্চায়, আর মৌলিক নাগরিক অধিকার আদায়ের ছোট ছোট আনন্দে।

আদনান মোর্শেদ, স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, ও সহযোগী অধ্যাপক, ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অফ এমেরিকা, ওয়াশিংটন ডি সি। বর্তমানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ভিসিটিং প্রফেসর।

Responses -- “ঢাকার প্রাণকেন্দ্রের সন্ধানে”

  1. মাহবুব হাসান

    আদনান সাহেবের লেখাটি ভালো । তবে যতগুলো প্রতিষ্ঠানের নাম তিনি লিখেছন, সেগুলোকে পুরোনো বিমান বন্দরের ঐ পরিসরে জায়গা দিতে গেলে তা একটি ঘনবসিত বস্তির মতো হয়ে উঠবে। ঢাকার প্রাণেকন্দ্র ঢাকার ঐ খোলামেলা জায়গাতে হতে হবে কেন? এই পরিকল্পনাকে মহানগেরর বাইরে নিয়ে গেলে কি খারাপ হবে? প্রধানমন্ত্রীকে দেখানোর তো কিছু নেই যে তার বিরুদ্ধে মিছিল হচ্ছে ঐ প্রাণকেন্দ্রে?
    কল্পনা ভালো। তার সাথে এই মহানগেরর সমস্যাটি মনে রেখে এই পরিকল্পনাকে বাইরে নিয়ে বাস্তব করার কথা ভাবুন। সেই সাথে সেখানে যাতায়াতের সুগম ব্যবস্থা রাখুন।

    Reply
  2. তানভীর পাভেল

    আপনি দিবা-স্বপ্ন দেখছেন। যেখানে পূর্ব-পরিকল্পিত যেকোনো ব্যাপারকে (মেট্রো-রেল)উনারা নিজেদের খেয়াল খুশিতে সামান্য অথবা অসামান্য সমস্যার ধোঁয়া তুলে অচল করে দিচ্ছেন, সেখানে পুরো ৩৫০একর জনস্বার্থে বিসর্জন দিবেন??? এটা বাংলাদেশ। তদুপরি বন্দুক-বাহিনির জায়গা!!!

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—