rohingya11

বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের নিয়ে দেড় যুগের বেশি সময়ের গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে, প্রশ্নবোধক শিরোনামের উত্তর কেবল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলে দেওয়া সম্ভব নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়েই দেওয়া যেত তাহলে সাম্প্রতিক রোহিঙ্গাদের অবস্থা নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে পরিমাণ আলোচনা, সমালোচনা, অনুরোধ ও নহিসত চলছে তা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেত।

বিস্তারিত আলোচনা শুরু আগে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে পেশ করছি–

৯ অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের তিনটি সীমান্ত চৌকিতে অস্ত্রধারীরা হামলা করে ৯ জন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরু করে। কেননা ‘এ হামলা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা করেছে’– এ রকম একটি আন্দাজনির্ভর তথা অনুমিত সিদ্ধান্ত থেকে এ অভিযানের শুরু। আর এ শুদ্ধি অভিযানের নামে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৩০ হাজার মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে। প্রায় ১০০ রোহিঙ্গাকে (কারও কারও মতে ৬৯) খুন করা হয়েছে। আর নারী-শিশু-বৃদ্ধের উপর নির্বিচারে অমানবিক নির্যাতন এবং বর্বর অত্যাচার তো চলছেই।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে এ খবর নিয়মিতভাবে প্রচার করার কারণে বিশ্বব্যাপী একটি মানবিক সংবেদনশীলতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে এবং সেটা কোনো কোনো ক্ষেত্রে অধিকতর তীব্রতা ধারণ করেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা নিকটবর্তী টেকনাফ/উখিয়া সীমান্ত পেরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রও শক্ত অবস্থান নিয়েছে; ‘আলগা লোক যাতে ঘরে প্রবেশ করতে না পারে’ সেজন্য সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে কড়া পাহারা বসিয়েছে।

কিন্তু এত কড়া পাহারার মধ্যেও রাষ্ট্রের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকে নানাভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফ ও উখিয়ায় প্রবেশ করেছে; এখনও করছে। জীবনের মায়া বলে কথা। জীবন বাঁচানোর তাগিদ যেখানে কাজ করে সেখানে রাষ্ট্রের চোখ ফাঁকি দেওয়া কোনো ব্যাপার নয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা পশ্চিমা হেডকোয়ার্টারে বসে মানবতাবাদের ‘দরদিয়ানা’ দেখাচ্ছে আর বাংলাদেশকে বর্ডার খুলে দেওয়ার অনুরোধ করছে। বাংলাদেশের ভেতরেও সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে কি রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দেওয়া উচিত?

এ প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত আছে আরও নানা প্রশ্ন। রোহিঙ্গাদের সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে জনপরিসরে এবং ভার্চুয়াল জগতে যেসব বিষয় আলোচিত হচ্ছে, সংক্ষেপে তার কয়েকটি বিষয় এখানে বিশ্লেষণ আকারে পেশ করছি–

 

MYANMAR-ROHINGYA-BANGLADESH
বাংলাদেশের ভেতরেও সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে

 

 

সু চি, মিয়ানমারের গণতন্ত্রায়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়

২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর মিয়ানমারের নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে অং সাং সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করলে ‘মিয়ানমারে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইতে শুরু করছে’ বলে অনেকে মন্তব্য করেছিল। ‘মিয়ানমারের গণতন্ত্রায়ন’ হচ্ছে বলে এক ধরনের তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে দেখা গেছে অনেক দেশি-বিদেশি পণ্ডিতকে। তাদের ভরসার জায়গা হচ্ছে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া অং সাং সু চি, যিনি ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে পরিচিতি। কিন্তু চেয়ারে না বসলে চেয়ারম্যানের/চেয়ারউওম্যানের (চেয়ারপারসন) আসল চেহারা চেনা যায় না।

ক্রাইসিস বা সংকট হচ্ছে মানুষ পরিমাপের ‘ব্যারোমিটার’। তাই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির ভূমিকা দেখে অনেকের ঘোর কেটেছে; অনেকের নতুন করে হুঁশ হয়েছে। সু চির রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে মিয়ানমারের গণতন্ত্রায়ন হিসেবে বিবেচনা করে মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি নিয়ে যারা প্রেডিকশন করেছিলেন, তাদের এখন লজ্জ্বায় মাথা কাঁটা যাওয়ার মতো অবস্থা। বিশেষ করে জাতিগত সহিংসতার বলি হিসেবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের যেভাবে অমানবিক নির্যাতন ও নির্বিচারে খুন করা হচ্ছে, বাড়িঘরে আগুন দিয়ে লুটপাট করে যেভাবে বর্বরতা চালানো হচ্ছে, তা একুশ শতকের বিশ্বমানবতা ও মানবসভ্যতার জন্য অত্যন্ত লজ্জার।

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া সু চির আসল ‘কদাকার’ চেহারা এসব জাতিগত-নির্যাতনকে আসকারা দেওয়ার ভেতর দিয়ে নতুন করে প্রতিভাত হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের উপর বর্বর নির্যাতনের জন্য এবং এ নারকীয় অত্যাচারে সমর্থন দেওয়ার জন্য সু চির নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেওয়ার দাবি উঠেছে। এ দাবিতে তৈরি করা অনলাইন আবেদনে সারা পৃথিবীতে লাখ লাখ মানুষ সই করেছে এবং করছে।

আবার অনেকে পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য ‘অশান্তিতে নোবেল’ প্রবর্তনের দাবি তুলেছে। তাদের মতে, প্রথম পুরস্কারটা সু চিকে দেওয়া উচিত। এ থেকেই প্রমাণিত হয় সু চির নিষ্ঠুর নিরবতা রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত হামলা ও অত্যাচারে তাঁর সমর্থনের ইঙ্গিত করে।

সু চির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দিকে আঙুল তোলা হচ্ছে। জাতিসংঘ, পশ্চিমা গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালারা, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কিংবা ইউএনএইচসিআর… এরা এখন কোথায়? আন্তর্জাতিক কমিউনিটি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যারা সকাল-বিকাল গণতন্ত্রের সবক দেয়, সুশাসনের বয়ান দেয়, গণতন্ত্রের অবতার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে হাজির হয়, মানবাধিকার রক্ষার নামে নিত্য আহাজারি করে, তারা এখন কোথায়?

যারা বাংলাদেশকে বর্ডার খুলে দেওয়ার অনুরোধ করে, তারা মিয়ানমারকে অত্যাচার বন্ধ করার ব্যাপারে চাপ দেয় না কেন?

আসলে পৃথিবীর দেশে দেশে সাংস্কৃতিকভাবে ভিন্ন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, জাতিগতভাবে ভিন্ন, বিশ্বাসে ভিন্ন কিংবা নিম্নবর্গের মানুষের উপর রাষ্ট্রযন্ত্র এবং শাসকশ্রেণির অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই শাসনযন্ত্র, রাষ্ট্রযন্ত্র ও শাসকশ্রেণির ক্রমবর্ধমান নিপীড়িনের বিরুদ্ধে বিশ্বের শোষিত-নির্যাতিত-নিপীড়িত জনগণের সম্মিলিত এবং সমন্বিত লড়াই ছাড়া কোনো মুক্তি নেই। তাই সর্বদা সর্বত্র লড়াই জারি রাখতে হবে এবং মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে।

 

Aung San Suu Kyi - 333
রোহিঙ্গাদের উপর বর্বর নির্যাতনের জন্য এবং এ নারকীয় অত্যাচারে সমর্থন দেওয়ার জন্য সু চির নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেওয়ার দাবি উঠেছে

 

ধর্মীয় রাইয়ত বনাম জাতিগত সংঘাত

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর যে বর্বর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চলছে, সেটাকে ‘বৌদ্ধ’ বনাম ‘মুসলিম’এর মধ্যকার দ্বন্দ্ব হিসেবে উপস্থাপনের একটা চতুর প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়। কেননা, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি ব্যবহার করে কেউ যেন সাম্প্রদায়িক উস্কানি না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনকে ইসলাম এবং মুসলমানদের উপর আঘাত হিসেবে উপস্থাপন করে একটা বিশেষ গোষ্ঠী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন মূলত এক ধরনের জাতিগত সংঘাতের ফল।

রোহিঙ্গা একটা স্বতন্ত্র জাতি আর বার্মিজ একটা জাতি। মিয়ানামারে রোহিঙ্গাদের উপর আক্রমণ, হামলা, হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠন চলছে জাতিগত সংঘাতের জেরে, এতে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে। একে জাতিগত সংঘাত না বলে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ বলাই সংগত।

১৯৮২ সালের ‘মিয়ানমার সিটিজেনশিপ ল’ সেখানে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, সেটি পাস হওয়ার পর থেকে রোহিঙ্গারা মূলত রাষ্ট্রবিহীন মানুষ। পৃথিবীতের প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ রাষ্ট্রবিহীন যাদের মধ্যে সবচেয়ে নির্যাতিত-নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর নাম রোহিঙ্গা। মিয়ানমারকে রোহিঙ্গামুক্ত করার ‘রাষ্ট্রীয় পলিসি’র অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের উপর বারবার অত্যাচার এবং নির্যাতন চলছে কারণে-অকারণে।

১৯৭৮ সালে, ১৯৯১-৯২ সালে এবং ২০১২ সালে মিয়ানমার সামরিক জান্তা কর্তৃক রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা সাম্প্রতিক বিশ্বইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃত। সে বিবেচনায় এটা কোনোভাবেই মুসলিম এবং ইসলামের উপর আক্রমণ নয়। কিংবা এটা কোনোভাবেই ধর্মীয় সংঘাত বা রাইয়ত হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন হবে না। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, রাখাইন রাজ্যে কোনো রোহিঙ্গা জাতি নয়, কিংবা কোনো মুসলিম ধর্মাবলম্বী নয়; বরং মানুষ ও মানবতা নির্যাতিত-লাঞ্ছিত হচ্ছে– বিষয়টি এভাবে দেখতে হবে।

সে কারণেই আমাদের সবাইকে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। কেননা মানবতা যেখানে ভূলুণ্ঠিত হবে, মানুষ হিসেবে সেখানে দাঁড়ানোটাই সবচেয়ে বড় মানবতা। তাই এটা আমাদের মানবতাবোধেরও এক ধরনের পরীক্ষার সময়।

 

‘অতীতের অভিজ্ঞতা তিক্ত, তাই আর কোনো রোহিঙ্গা নয়’

বাংলাদেশে কি রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দেওয়া উচিত? এ প্রশ্ন কেন্দ্র করে জনপরিসরে বেড়ে ওঠা আলাপ-আলোচনায় কিছু বিশেষ অভিযোগ/অনুযোগ সামনে আনা হয়। সংবাদপত্রের লেখালেখি এবং টেলিভিশনের টক শোগুলোতেও বারবার এ বিষয়গুলো উঠে আসছে। ফলে আমাদের এন্তার চিন্তাভাবনা এসব অভিযোগ-অনুযোগ সামনে রেখে আবর্তিত হচ্ছে। যেমন:

রোহিঙ্গারা অনেক সমস্যা তৈরি করছে;

বাংলাদেশি পাসপোর্ট সংগ্রহ করে বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের দুর্নাম করছে;

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চুরি-ডাকাতি-সামাজিক অপরাধ বেড়ে গেছে রোহিঙ্গাদের কারণে;

এলাকার পরিবেশ-বন-জঙ্গল ধবংস করে ফেলছে রোহিঙ্গারা;

পাঁচ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে পালছে, আর কত?

সর্বোপরি রোহিঙ্গারা ধর্মীয় জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

এসব অভিযোগের পুরোটা সত্য না হলেও কিছুটা সত্যতা অবশ্য আছে। কিন্তু এসবের বাইরেও কিছু ভিন্ন ন্যারেটিভও আছে যা আমি ‘To Host or To Hurt: Counter-narratives on the Rohingya Refugee Issues in Bangladesh’ বইয়ে সবিস্তার লিখেছি। এ পরিসরে অতটা আলোচনায় যাওয়া সম্ভব নয়।

শুধু এটুকু বলব, অতীতের কিছু অভিজ্ঞতা তিক্ত বলে পাইকারি হারে রোহিঙ্গাদের একটা ‘সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করে ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তার দোহাই’ কিংবা ‘সম্ভাব্য সামাজিক ক্ষতির ক্যালকুলেশন’ অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে মানুষ ও মানবতার আঁকুতি আমরা যদি পায়ে ঠেলে দিই, তবে সেখানে মানুষ হিসেবে আমাদের অবস্থানটাও খাট হয়ে যায়।

যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বমানবতার কীর্তন গেয়ে ‘মানবতার দোকানদারি’ করে তাদের কথা আলাদা। কেননা সেখানে যতটা মানবতা থাকে তার চেয়ে বেশি থাকে রাজনীতি। এসবের বাইরেও বলা যায়, পাশের বাসায় আগুন জ্বলছে, সে আগুন আমি নেভাতে না পারি কিন্তু আগুনে ঘরপোড়া মানুষগুলোকে সাহারা দেওয়ার চিন্তা তো মানুষ হিসেবে করতেই পারি। কিন্তু নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কিংবা সম্ভাব্য সামাজিক সমস্যার দোহাই দিয়ে ঘরপোড়া মানুষগুলোকে আবার আগুনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া নিশ্চয়ই মানুষের কাজ নয়!

 

MYANMAR-ROHINGYA-BANGLADESH
যারা কোনোরকমে প্রাণটুকু নিয়ে পালিয়ে এসেছে আমাদের বাহাদুর সীমান্তরক্ষীরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাদের ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে

 

দয়া বনাম অধিকার

রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশকে একটু ‘দয়া’ দেখানোর জন্য দেশে-বিদেশে সর্বত্র একটা কাতর আহাজারি চলছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ কাতরতা ক্রমান্বয়ে তীব্র হচ্ছে। কারণ রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর যে নির্মম নির্যাতন ও বর্বর অত্যাচার চলছে, তা অকল্পনীয়। তাই সবাই আকুতি করছে যাতে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের খানিকটা ‘দয়া’ করে। কিন্তু যারা কোনোরকমে প্রাণটুকু নিয়ে পালিয়ে এসেছে আমাদের বাহাদুর সীমান্তরক্ষীরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাদের ফেরত পাঠাতে (পুশ ব্যাক) সক্ষম হয়েছে। মিডিয়াও আবার অতি-বাহাদুরিপনা দিয়ে সে সংবাদ প্রচার করছে।

কিন্তু এটা মনে রাখা জরুরি যে, মৃত্যুকূপ থেকে কোনোরকমে জান নিয়ে পালিয়ে আসা মানুষকে আবার মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার মধ্যে বাহাদুরি নেই। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার মধ্যে বাংলাদেশের ‘দয়া’ দেখানোরও কিছু নেই; এটা রোহিঙ্গাদের অধিকার। জাতিসংঘ সনদে শরণার্থীদের আশ্রয়প্রাপ্তি অধিকার হিসেবে স্বীকৃত আর জাতিসংঘের একটি সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে বাংলাদেশ।

অনেকে বলে থাকে, বাংলাদেশ ১৯৫১ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘ইন্টারন্যাশনাল রিফিউজি কনভেনশন’এ সই করেনি; তাই শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ আইনগতভাবে বাধ্য নয়। কিন্তু বাংলাদেশ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ প্রণীত ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ’এ স্বাক্ষরকারী দেশ (স্বাধীনতার পরে অনুসমর্থনকারী দেশ)। ওই সনদের ১৪(১)এ পরিষ্কার লেখা আছে–

“Everyone has the right to seek and to enjoy in other countries asylum from persecution.”

অর্থাৎ অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক মানুষের অন্য রাষ্ট্রে আশ্রয় চাওয়া এবং শরণার্থী হওয়ার অধিকার আছে।

সুতরাং রোহিঙ্গারা যে বাংলাদেশে আশ্রয় চাইছে সেটা মোটেও বাংলাদেশের ‘দয়া’ করার বিষয় নয়, এটা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের অধিকার। সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশও বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ‘কনসার্ন’ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পার্লামেন্টারি কমিটিও রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সমবেদনা জানিয়েছে। অনেকে মিয়ানমারের সঙ্গে সমঝোতার প্রস্তাব/পরামর্শ দিচ্ছে।

এ রকম অবস্থায় বাংলাদেশে কি রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দেওয়া উচিত, এ প্রশ্নের উত্তর কী? আমার একজন শিক্ষার্থী উত্তর দিয়েছে, “আগে মানবতা, পরে সমঝোতা।”

রাহমান নাসির উদ্দিননৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

৯৩ Responses -- “রোহিঙ্গাদের কি বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া উচিত?”

  1. Sheikh Mashiur Rahman

    এটি মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়।রোহিংগা’দের বাংলাদেশে আশ্রয় দিলে এর কোন চুড়ান্ত সমাধান হবে না।বরং অং সান সূচির সরকার আর মরিয়া হয়ে অত্যাচার বাড়িয়ে দেবে।

    বাংলাদেশ সহ অন্যান্য মুসলিম দেশের উচিত আন্তর্জাতিক ভাবে সোচ্চার হয়ে জাতিসংঘের মাধ্যমে একটা স্থায়ী সমাধান করা।

    Reply
  2. Let's War

    Myanmar dokhol kore fellai to problem solve hoy !
    WAR : BD vs Myanmar
    Result : BD WIns, acquires more land+people
    Outcome : Declare all non-Rohinga opposite party and size them,
    Hang Su-Chi

    Reply
  3. Md.Mainul islam

    our prime minister should emergency call to all national leader and party about this issue. She also pressure create world leaders and
    u.n that we accept rohinga but you protect them and back to their country with their own right.

    Reply
  4. Sharif

    I thought you’d present some compelling arguments on the dilemma: whether to let in or force them to go back. Pretty disappointing article; ideas are not well developed, seems to end abruptly. I know it’s a complex issue, deserving a more elaborate piece. Still, you could’ve presented it better with all your expertise.

    Reply
  5. সুমি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বল্লেন অনেক বছর ধরে প্রায় সাড়ে 5 লক্ষ রহিঙ্গা নাকি বাংলাদেশে আছেন ! বিশ্বের কাছে তাদের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা আমাদের এখন বেশি প্রয়োজন।

    Reply
  6. Shareef Dewan

    বিপদে পড়া রোহিঙ্গাদের অবশ্যই আশ্রয় দেওয়া উচিৎ । জাতিসংঘও এই ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে তাই কৌশলের আশ্রয় নিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে রোহহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া যেতে পারে । এই মর্মে জাতিসংঘের সাথে একটি চুক্তি করে নেওয়া উচিৎ যে, রোহিঙ্গাদের খাওয়ানো-পরানোর ব্যবস্থা সংঘটি করবে এবং পরে এদেরকে নিজ দেশে ফেরৎ পাঠানোর ব্যবস্থাও জাতিসংঘ করবে ।

    Reply
  7. Shaifuddin Khaled

    Mr. Adviser or Columnist Brother I have no Bangla software in my computer. So for this not cleared of your description. Now in this moment this is doubtful to me the blood of a Muslim’s in your body. U briefed in your long history there are massacred in Yangon only suffered to Rohinga nation. But have u got a time think whom people this Rohinga? Have there anybody of other religion’s? They all are Muslim’s Woman, Child and Oldman not only men. Also this is clearly seen that there are mostly massacred done by warmed of red clothes covered Buddhists named Bhanta. Now have u called this is nationality massacres nor religion’s massacres. Thanks of all u.

    Reply
  8. আশরাফুল ইসলাম

    তাদের আশ্রয় দেয়া মানবতার দাবী।আর তাদের উন্নত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে জনশক্তি বানানো গেলে দেশেই লাভ।এর জলন্ত উদাহারন মালয়শিয়া।

    Reply
  9. আবদুল কাদের

    (১) ইউরোপে যেমন সকল দেশ শরনার্থীদের ভাগাভাগি করে ঠাই দিয়েছেন? তেমনি প্রতিবেশি সকল দেশ ভাগা-ভাগি করে তাদের ঠাই দিলে ত সমস্যা হবার কথা নয় বাঙলাদেশের। কিন্তু শুধু বাঙলাদেশ একা আর কত জায়গা দিবে? সার্ক এর সকল দেশ যদি এই ভাগা ভাগির কাজটা করত তবে কত সহজ হত।
    (২) রহিঙ্গারা তো আরাকানের নাগরিক যা এক সময় স্বাধীন রাজ্য ছিল। বারর্মা আরাকান দখল করে পরে ইঙরেজ। তাই বারমা তাদের নাগরিক বলছেনা। কিন্তু আরাকান গেল কই?
    (৩) যে সকল ধর্মীয় নেতারা বডার খুলে দেবার কথা বলে, তারা কি পারবে ১টি রহিঙগার পরিবারের দায়িত্ব নিতে। নিজের যায়গা থেকে ১ কাঠা যায়গা দিতে কোন পরিবার কে? যানি পারবে না। মুখেই যত ধর্মে বুলি?
    (৪) ৩০বছরের বেশি সময় ধরে ৫লক্ষ মানুষকে পুসছে বাঙলাদেশ, তাতে কোন নাম নাই। আর ১০ হাজার ঢুকতে দেয়নি তাতেই যাত হইচই?

    Reply
  10. Muhammad Asaduzzaman Biswas

    অাসতে দেয়া হোক।যাদের ইচ্ছা এই মানুষগুলো এভাবেই মরুক কারন এরা মুসলমান। তাদেরকে বলতে চাই মরতে হবে আললাহর কাছে যেতএ হবে সবাইকে। আল্লাহ্‌ দেখবেন তার অন্তরে কি ছিল

    Reply
  11. হাছান

    আমরা এক অমানবিক সময় পাড়ি দিচ্ছি , মানুষ পরিচয় হারিয়ে গেছে , সামনে বেঁচে থাকবে উদ্ধাস্হ বা রোহিঙ্গা , বিশ্ব নামক এ প্লানেটের সকলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ঘূর্ণায়মান “ম্যানহোল” মানবতা আজ বাঘের মুখে হরিণ শাবক।

    Reply
  12. রোহিঙ্গা বন্ধু

    যারা বলছে যে, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া উচিত না, বাংলাদেশ সরকার তাদের পালতে পারবে না ইত্যাদি তাদের বলতে চাই, বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসনে যে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয় দুর্নীতি হয় প্রতি বছর লাখ লাখ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে চলে যায় তাতে কি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব পড়েছে? অবশ্যই পড়ে নাই। সবাই স্বাচ্ছন্দে চলছে। এর দ্বারাই প্রমান হয়, বাংলাদেশে যদি এক লাখ রোহিঙ্গাও ঢুকে তাহলে তাদের ভরনপোষনের ক্ষমতা বাংলাদেশ সরকারের জন্য বহন করা কোন ব্যাপারই নয়।

    Reply
  13. মূল্যহীন সম্পাদ।

    বর্তমান রোহিঙ্গারা দিন যাপন করছে জীবন হাতের মধ্যে নিয়ে। সেই হিসাব করলে রোহিঙ্গাদের প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত। ধর্ম বিবেচনা করে না। কারণ ধর্ম যার যার দেশ আমাদের সবার।

    Reply
  14. rakib.mr67@gmail.com

    রহিংগাদের জন্য সীমানা খুলে দেয়া উচিৎ,তাছাড়া আমরা মুসলিম ভাই ভাই,আমাদের ভাইদের সাহায্য করা আমাদের কর্তব্য।

    Reply
  15. সজল

    রোহিঙ্গাদেরকে এই দেশে আসতে দিতে হবে। কিন্তু তারা কত দিন থাকবে? বাংলাদেশ তাদেরকে কিভাবে নজরদারিতে রাখবে? তাদের কে দীর্ঘ দিন এ দেশে রেখে শরণার্থী শিবির চালানোর মত ক্ষমতা আমাদের আছে কিনা? এ বিষয় গুলো স্পষ্ট করে বলতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত হবে আমরা বর্ডার খুলে দিবো কিনা?

    Reply
  16. আমির হোসেন

    মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পূর্ণ আন্তজাতিক কূট কৌশল , পৃথিবীতে বৃহৎ শক্তিশালী দেশ থাকা সত্বেও রোহিঙ্গাদের এই অমানবিক অবস্থা পৃথিবীতে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো কোন প্রকারে এড়িযে যেতে পারে না ।এই জন্য পৃথিবীর সকল মানুষ দায়বদ্ব থাকবে ।

    Reply
  17. প্রভাত ফেরী

    রহিঙ্গারা কি শরণার্থী?
    মায়ানমার রে কি যুদ্ধ চলছে?
    কে কার প্রতিপক্ষ?
    ভারতে যদি সরকার মুস্লিমদের উপর অত্যাচার চালায় তবে ২০ কোটি মুসলমান কি আমরা আশ্রয় দিব?
    মানবতার দায় শুধু আমাদের কেন?
    আপনারা যেসব মুসলিম দেশের জন্য সাপোর্ট করে মুখে ফেনা তুলছেন তারা এখন চুপ কেন?
    আমরা অনেক বছর ধরেই ৭ লাখ এর বেশি রহিঙ্গা আশ্রয় দিয়ে আসছি, পুরো এক কোটি রহিঙ্গা আশ্রয় দেয়া একেবারেই অযৌক্তিক নয়কি?
    আমরা শরণার্থী ছিলাম তখন , যখন আমরা মুক্তি সংগ্রাম এর জন্য লড়েছি, মায়ানমার এ কি স্বাধীনতার জন্য কোন যুদ্ধ হছেছ, অথবা অন্য কোন দেশ আক্রমন করছে? যদি না করে তবে সেটা তো তাদের জাতিগত সমস্যা, এরা যদি মুসলিম না হত আমি সিউর আপনারা কখনই আশ্রয় দেয়ার কথা তুলতেন না।
    আপনারা যারা রহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের পক্ষে সমারথন আদায় করতে চাচ্ছেন এটা কোন ভাবেই গ্রহন যোগ্য নয়।
    আমরা বিশ্ব দরবারে এদের জন্য লড়তে পারি, যদিও কোন লাভ হবেনা, কারন এরা আমাদের ঘাড়েই চাপিয়ে দেবে।
    সমগ্র বিশ্ব এখন ধর্মীয় ভাবে বিভক্ত সেখানে অন্য কেউ দাবি তুল্বেনা, মুসলিম বিশ্বের এগিয়ে আসতে হবে আগে, কিন্তু দুঃখজনক ভাবে এটা সত্য যে বেশিরভাগ মুসলিম দেশ বিধর্মীর পা চাটা কুকুর এ পরিনত হয়েছে, শিকারি দাত ভাঙ্গা বাঘের মতো আর কি, ফাল পারে কিন্তু কোন লাভ নাই।
    আমি সব সময় মানবতার পক্ষে , আমিও চাই রহিঙ্গারা মুক্তি পাক ওই দোজখ থেকে, মানুষ হিসাবে শান্তিতে বাঁচুক, তবে অবশ্যই যৌক্তিক ভাবে তার সুরাহা হোক। কোন একটি দেশের ঘাড়ে চাপিয়ে নয়, আর যারা সাময়িক আশ্রয় কথা বলছেন, তারা কি বলতে পারবেন যে ৭ লাখ রহিঙ্গা এখন আমাদের আশ্রয়ে আছে তাদেরকে আদৌ মায়ানমার ফেরত নেবে কিনা ? এতো বছরে মাত্র ২০০০০ রহিঙ্গাদের ফেরত পাঠান গেছে, কিন্তু এর মধ্যে আরও এক লাখ এসে ঢুকেছে,মোট কথা কোন আল্লাহ ভগবান এসে কোন নিপীড়িত মানুশকে রক্ষা করবেন না এটা সিউর, মানুশকে এগিয়ে আসতে হবে, মানুষের জন্য।
    কোন একটি দেশ তার নাগরিক, অনাগরিক দের যদি অত্যাচার করে তবে সবার আগে ওই দেশ এর বিরুদ্ধে বিশ্ব মানবতা কে এক করা জরুরি এবং একমাত্র সমাধান। ১ কোটি রহিঙ্গা যদি এই দেশ আশ্রয় দেয় তবে সাড়া জীবনের জন্য ই তাদের এদেশে রাখতে হবে , সে সাধ্য আছে কি বাংলাদেশের?

    Reply
  18. নয়ন

    বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয় বা তাদের থাকার ব্যবস্থা করে তাহলে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিবে যাতে সব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। একবার যদি রোহিঙ্গাদের এদেশে ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তাহলে আর কোনদিনও মিয়ানমার তাদের ফেরত নিবে না। ফলশ্রুতিতে আমরা একটা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পড়ে যাব।

    সুতরাং মানবতা দেখাতে গিয়ে সে পথে হাঁটা কোনভাবেই উচিত হবে না। এই সমস্যা মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দিয়ে হবে। প্রয়োজনে আমাদের সেনাবাহিনী ব্যবহার করে চাপ দিতে হবে।

    Reply
  19. মোঃ রা‌সেল ইসলাম

    অবশ্যই তা‌দের কে আশ্রয় দেওয়া উ‌চিত এবং আন্তজা‌র্তিক ভা‌বে চাপ প্র‌য়োগ করা খুব বেশী প্র‌য়োজন ।

    Reply
  20. সাইফুল আলম

    রোহিঙ্গাদের আশরয় দেয়া উচিত। বাংলাদেশের নেততে সারা বিশ্বক থেকে সাহায্য আহবান করা দরকার ।এবং মায়েনমার উপর চাপ সৃসটি করা দরকার । বিষয়টি মানবিক ।

    Reply
  21. মোঃ রাজিব

    মুসলমান দের এই করুন পরিনতি দেখে চুপ থাকাটা কখোনই উচিত হবে না। কিছু না কিছু করাই দরকার, সেটা তাদের আশ্রয় দিয়ে হোক আর উপরমহলে কথা বলে হোক কিন্তু তাদের আশ্রয় দেয়াটা এখন বেশি জরুরি যেমন করে বাংলাদেশের জনগন কে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল । ভারত যদি হিন্দু ধর্মের লোক হয়ে আমাদের আশ্রয় দিতে পারে আমরা কেন মুসলামন হয়ে মুসলিম দের আশ্রয় দিচ্ছি না.

    Reply
  22. Nahin

    Pakistanira jokhon bangalider upor nipiron suru kore silo tokhon parshoborti desh India bangladeshider asroy dia silo. tai ronigya der ei songkot moy somoy Bangladesh er uchit taderk asroy deoa.

    Reply
  23. মোঃহোসনে মোবারক

    তাদেরকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া উচিৎ মানবতার দৃষ্টিতে কিন্তু এতে কোন ধরনের সমস্যা সমাধান হবে না পৃথিবীর সকল সুমলিম দেশের উচিৎ ঐ দেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে সংকট সমাধান করার জন্য চাপ দেওয়া, তা যদি না হয় রোহিঙ্গারা আসতে থাকবে আমরা আশ্রয় দিতে থাকব এতে করে ময়নমারে মুসলমান আর থকবেনা সব বাংলাদেশে চলে আসবে ফলে ময়নমারের মুসলিমরা তাদের অধিকার থেকে বন্চিত হবে।

    Reply
  24. মুক্তি

    দেখা যাচ্ছে রহিঙ্গাদের অনেকেই ধর্মের নামে জিহাদ ঘোষণা করেছে। যা আমাদের দেশের নিরাপত্তার ব্যাপারে হুমকি স্বরূপ । তাই সব কিছু বিবেচনায় রেখে (অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ) এদেশ যতটুকু সামাল দিতে পারবে ততটুকুই করা উচিত । সুযোগ সন্ধানীদের এখনতো অভাব নেই । মনে রাখতে হবে 71-এর পরিস্থিতি ও বর্তমান পরিস্থিতি অনেক ভিন্ন । আবেগ দেখাতে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে কি?

    Reply
  25. ইবনে মুঈন

    তাদেরকে আশ্রয় দেয়া এটা মানবতার দাবী। সাথে সাথে আন্তর্জাতিকভাবে মায়ানমারের উপর চাপা প্রয়োগ করে তাদের ভিটে-মাটি তাদের ফিরিয়ে দেয়ার বন্দোবস্ত করার জন্য সরকারের তদবির করা উচিত।

    Reply
    • বাঙাল

      যারা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার জন্য গলা ফাটাচ্ছে তারা নিজেরাও যানেন না, যে তারা মিয়ারমার সরকারের ইচ্ছারই বাস্তবায়নের পক্ষে কথা বলছেন। জেলারেল জিয়া ১৯৭৮ সালে আত্যান্ত আগ্রহের সংঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের আমরা আজ্রও তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারে নি, তারা এখনও বাংলাদেশে আছে। জিয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার সময় ভেবেছিলেন রোহিঙ্গাদের জন্য আরব রাষ্ট্রগুলি পাকিস্থানের অাফগান শরনার্থিদের ও যোদ্ধাদের জন্য যে বিপুল পরিমান আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দিয়েছিল, তেমনি ভাবে তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্যও বাংলাদেশকে সেই রুপ সাহায্য দিবে। কিন্ত সেই আশায় গুরে বালি হয়েছিল। কারন মার্কিন তাবেদার আরব রাষ্ট্রগুলি কেবল মাত্র মার্কিন স্বার্থ রক্ষার্তেই তাদের অর্থ ব্যায় করে, অন্য কোথও না। বার্তমানে যদি বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য সিমান্ত খুলে দেয় তবে দেখা যাবে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। হয়তো এটা একটি আপদকালিন একটি সমাধান, অত্যান্ত তিক্ত হলেও সত্য বিশ্ব সম্প্রদায় আপদকালিন এই সমাধানটিই চায়। একবার যদি তারা এই রোহিঙ্গা শরনার্থিদের বাংলাদেশের ঘারে চাপাতে পারে, তারপর তারা বিভিন্ন উছিলায় এই বিষয়টি এরিয়ে যাবে। কোন আলোচনাই তারা আর আর আনবে না রোহিঙ্গ ইসুটি। তারা এখন যে চাপ মিয়ারমার সরকারকে দিবে, তখন তারা সেই চাপটিও দিবে না। ১০ লক্ষ বিহারিকে বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের ঘারে চাপিয়ে দিয়েছে। এখন তাই নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় তো দুরের কথা ইসলামি রাষ্ট্রের গুলির সংস্থা ওআইসিতেও আলোচনা হয় না।তাই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিলেই যে সমস্যার সমাধান হবে তা নয়। যারা আমাদের ১৯৭১ সালে শরনার্থিদের সাথে রোহিঙ্গাদের তুলনা করেন, তারা তা করছে নিজের অজ্ঞতা থেকে। একাত্তরে আমরা শরনার্থি হয়েছিলাম ফিরে আশার জন্য, যুদ্ধো করার সাহায্যের জন্য। আর রোহিঙ্গারা আসছে আমাদের দেশে চিরদিনের জন্য থাকার, আর মিয়ারমার সরকারও চায় একবার যদি বাংলাদেশে তারা রোহিঙ্গাদের ঠেলে পাঠাতে পারে, তবে জিবনের তরে তারা এই বিষয় আর কোনদিন বাংলাদেশের সাথে কোন আলোচনাই করবে না। তাই এখানে আবেগের চেয়ে বিচক্ষনতাই এখানে প্রধান হবে। আমরা জেনেশুনে মিয়ারমার সরকারের পাতা ফাদে পা দিব না। রাজনিতিতে আবেগের কোন স্থান নাই। সিরিয়ার শরনার্থিদের নিয়ে ইউরোপের বর্তমান রাজনিতিই বলে দেয়, জাতিয় স্বার্থই প্রধান, বিশ্ব জনমত বা আবেগ সেখানে গৈন।

      Reply
  26. Zunaid Hossain

    মৃত্যুকূপ থেকে কোনোরকমে জান নিয়ে পালিয়ে আসা মানুষকে আবার মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার মধ্যে বাহাদুরি নেই। আমরা যদি মানুষ হয়ে থাকি তাদেরকে অবশ্যই আশ্রয় দিব। সাথে সাথে জোরালো প্রতিবাদ ও করা উচিত মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে।

    Reply
  27. মোহাম্মদ নাজিম বিন মোস্তফা

    অবশ্যই তাদের আশ্রয় দেওয়া উচিত। আর তাদের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ লেখক করলেন। তার তদন্ত হতে পারে। কিন্তু আমি একজন মুসলমান এবং মুসলমানরাই মানবতার শীর্ষে থাকবে এটাইতো সাভাবিক বিষয় না হলে পরকালে আমাকে যে, আল্লাহর কাছে জবাব দিহি করতে হবে।

    Reply
  28. মামুন

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তো দয়ালু । প্রধাণমন্ত্রী আপনি দয়া করে তাদেরকে আশ্রয় দিন

    Reply
  29. মামুন

    আমাদের তাদেরকে আশ্রয় দেয়া উচিত। কারন মানুষ মানুষের জন্য। আমরা যদি মানুষ হয়ে থাকি তাদেরকে অবশ্যই আশ্রয় দিব।

    Reply
  30. এক প্রতিক্রিয়া -- “রোহিঙ্গাদের কি বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া উচিত?”

    হ্যা রোহিঙ্গা দের বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া উচিত।

    Reply
  31. বিশাল কানু

    রোহিঙ্গাদের সাহায্য করা উচিত তেমনি তাদের উপর নজরদারি বারানো উচিত যাতে তারা কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তে জড়িত না হয় ৷

    Reply
  32. শাহাদত

    16 কোটি মানুষ এর কাছে 5 লাখ তেমন একটা সম্যসা হবার কথা না।আমাদের দেশে অনেক সংস্থা ও ব্যক্তি আছে যারা তাদের সাহায্য করতে চাই। আর তাদের সাহায্য করা তো আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    Reply
  33. পুঁথি কথক

    হিন্দু রাখাইন কিম্বা মসুলমান
    অত্যচারীর নিন্দায় হও আগুয়ান,
    মানবতার বিপর্যয়ে প্রতিবাদ সব পর্যায়ে,
    তাতেই মনুষ্যত্ত্বের সুনাম।
    “ওরা মেরেছে ঢিল
    তুমি খাও পাটকেল,”
    এ নয় কোন যুক্তি,
    এভাবে সংঘাত বাড়ে
    নাই মানবতার মুক্তি।
    মিয়ানমার রাষ্ট্র সন্ত্রাসী
    দিওনা তাদের প্রশ্রয়,
    মজলুম দাড়ায় দুয়ারে
    দাও হৃদয়ে আশ্রয় ।
    মুক্তিযুদ্ধে ইন্দীরার ভারত
    বাঙ্গালীরে দেয়নি ফেরৎ,
    মনের মধ্যে স্তান যার
    কে বলে অভাব তার
    থাকার জায়গার?

    Reply
  34. সাইফুর রাহমান ইউসুফ

    মুসলমানের উপমা একদেহের ন্যায়। যেথায় আঘাত লাগবে কষ্ট পাবে। তাই মায়ানমারের মুসলমানদেরকে এদিকটা বিবেচনা করে বাংলাদেশে তাদের আশ্রয় দেয়ার সুযোগপ্রদান আশা করছি।

    Reply
  35. Fazlul Haq

    রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসি এবং তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনত অধিকার আছে। মিয়ানমার যাতে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয় এবং তাদের উপর অত্যাচার নিপীড়ন বন্ধ করে সে জন্য বিশ্বকে ভূমিকা গ্রহনের জন্য বাংলাদেশের উদ্যোগ নেয়া উচিৎ। জাতিগত বিভাজন ব্যবহার করে রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠিকে নিধন করা মানবতা বিরোধী অপরাধ। এমনকি রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের মানুষ হলেও ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া ও মাসকিলিং মানবতা বিরোধী অপরাধ যার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে কেস করা যেতে পারে এবং এব্যাপারে রোহিঙ্গা নেতাদের উদ্ভুদ্ধ করা যায়। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়ার চাপসৃষ্টি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে।

    Reply
  36. মুহাম্মদ আবদুর রহমান রবিন

    বিশেষ অঞ্চলে সাময়িক সময়ের জন্য আশ্রয় দেয়া ন্যায় সঙ্গত…

    Reply
  37. মাইনুল ইসলাম হাসান

    “আগে মানবতা, পরে সমঝোতা ।” মানবতার চরম বিপর্যয় ঘটেছে মায়ানমারে,বাংলাদেশে মানবতার বিপর্যয় চাইনা।আমাদের এই বিষয়টিকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন নয়,মানবতার দিক দিয়ে দেখলেও তারা সাহায্য পাওয়ার যোগ্য। বারবার একটি প্রশ্ন জাগে স্যার আলফেড নোবেল এরকম একজন টেরোরিষ্টকে কি পুরস্কৃত করার জন্য তার সম্পত্তি দান করেছিলো? উত্তর হবে অব্যশই না,তাই এখনই কতৃপক্ষের নোবেল পুরস্কারের সুনাম স্যার আলফেড নোবেলের স্বপ্ন পূরনে অতি শিঘ্রই সূচির নোবেল বাতিল করা উচিত।

    Reply
  38. মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

    আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমি চাই একাত্তরে ইন্ডিয়া যেভাবে বাংগালীদের আশ্রয় দিয়েছিল ঠিক তেমনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হোক মানবতার খাতিরে, আমরা রোহিঙ্গাদের মানুষ হিসেবে দেখি এবং মানুষ হিসেবে রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে…

    Reply
  39. নাজমুল

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি স্মরন করুন সেই ১৯৪৭-১৯৭১ এর কথা যখন আমাদের দেশের জনগণ এরুপ একটি পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছিল, আমাদের দেশের অসহায় জনগণের জন্য সেদিন ভারত তাদের সিমান্ত উন্মক্ত করে দিয়ে ১ কোটারও বেশি মানুষকে আশ্রয় দেয়। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকুলে আসায় বাংলার জনগণ আবার বাংলায় ফিরে। আমি চাই, রোহিঙ্গাদের এমন একটি সুজোগ দেওয়া হোক, দুর্দিন সারা জীবন থাকে না সুদিন আসে যেমনি এসেছে বাংলাদেশের। আর সেই দিনের কথা স্মরণ করে ভারতকে আজও সম্মানের আসনে বসানো হয়, আমি আশা করি একদিন বাংলাদেশও এ আসনের অধিকারী হবার সুযোগ লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।

    Reply
  40. kabir jahan

    “বুদ্ধং শরনং গচ্ছামী – অহিংসা পরম ধর্ম,জীব হত্যা মহাপাপ”
    — গৌতম বৌদ্ধ

    Reply
  41. Selim

    আজকে তাদের সাহায্য করুণ কাল কিয়ামতের ময়দানে আপনি আল্লাহ কে বলতে পারবেন আল্লাহ আমি তোমার মনোনিত ধর্মের মানুষকে সাহায্য করছি। আমিন

    Reply
  42. mamun

    যেহেতু বার্মা সরকার রোহিঙ্গাদের অধিকার স্বীকার করে না, তাই জাতিসংঘের মাধ্যমে গণভোট করে আরাকানকে বাংলাদেশের সাথে অন্তর্ভূক্ত করা হোক!!!

    Reply
  43. Ahmed Hasan

    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এরদোয়ান একজনই সাহসী ব্যক্তি ও রাষ্ট্রনায়ক যিনি অসহায় রহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়ের কথা বলে।

    Reply
    • আবদুল কাদের

      মুসলিম সোনালী যুগে আরাকান ছিল একটি স্বাধীন মুসলিম রাজ্যর। আজকের রহিঙগারা তুরকী, মোগল দের বংসধর, যেমন বাঙগালী মুসলমানরা তেমনি? তাই আরাকন কেই স্বাধীন রাষ্ট করা যেতে পারে।

      Reply
  44. মো:সীরাতুন হোসেন লাভলু

    আপনার প্রতিটি কথার সাথে একমত পোষণ করি
    মানবতা দেখানো বলেন আর অধিকার বলেন
    তাদের আশ্রয় দেওয়া কর্তব্য আমাদের ।।

    Reply
  45. ফরহাদ

    বৌদ্ধরা গণহারে মুসলিম হত্যা করার পরেও দালাল media বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের ‘জঙ্গি’ বলছে না, এটার নামই media!

    Reply
  46. shah monir

    মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রতি বর্বর নির্যাতন দেখে আমাদের কি একটুও মন কাঁদে না?? এ কেমন নির্মম বর্বরতা???

    Reply
  47. Nurul Haque

    আমি মনে করি জাতিসংঘ/সকল মুসলিম দেশের উচিত মিয়ানমার এর উপর সমরিক হস্তক্ষেপ করা। না হলে এ হামলা থামবে না প্রায় অনেক বছর দরে তারা এই অত্যাচার করতেছে রোহিঙ্গাদের উপর… এখনি সময় সামরিক প্রদক্ষেপ নেওয়া… শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করা এখন সময়ের দাবি…

    Reply
  48. ফারুক

    মুক্তিযুদ্ধের সময় এক কোটি বাঙালি শরণার্থী হয়েছিল হাঁটা পথে, আর এখন হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী হচ্ছে ভাসা পথে—নাফ নদীতে, বঙ্গোপসাগরে। যখন হাত না বাড়ালে নিশ্চিত গণমৃত্যু, তখন এক দল বলছে রহম করো, আরেক দল যুক্তি দিচ্ছে জাতীয় স্বার্থের। ওদিকে মানুষ মরছে, ওদিকে মানুষ আশ্রয় ভিক্ষা করছে।
    বিশ্বজুড়ে বাঙালির নাম আর্তনাদের মতো বাজত মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি গণহত্যার সময়। পাকিস্তানি ঘাতকেরা ধর্মের নামেই এসব করেছিল। রোহিঙ্গা নিধন সে রকমই অপরাধ। একাত্তরে যদি ভারত আশ্রয় না দিত, তাহলে আরও কত লাখ বাঙালি মুছে যেত পৃথিবী থেকে? যারা সিরীয় শরণার্থীদের জন্য কেঁদেছে, রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের হৃদয় কেন পাথর হয়ে গেল? আর বাংলাদেশই বা নিজেদের অমানবিক ও শরণার্থীবিরোধী ভূমিকা নিয়ে কোন অর্জনটা করছে আসলে?

    Reply
  49. মোঃ জাহিদুল ইসলাম

    মুসলিমরা হবে একটা ‘দেহের’ মতো, যেমন দেহের এক অংশে চিমটি কাটলে সব স্থানে ব্যাথা অনুভব হয় তেমনি! তাই আমাদের মুসলিম রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়ানো উচিৎ বলে আমি মনে করি।

    Reply
  50. হারুন

    রহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া সমস্যার সমাধান নয়, তাতে সু চিরা আরো উৎসাহ পাবে। রাখাইন রাজ্যে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রহিঙ্গাদের বাস। রহিঙ্গারা মানুষ, তাই পার্শ্ববর্তী সকল রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসা উচিৎ প্রয়োজনে মায়ানমার কে এক ঘরে করা যেতে পারে, তাতে কাজ না হলে বিশ্বে যারা নিজেদের কে মোড়ল মনে করে তারা বল প্রয়োগ করতে পারে।

    Reply
    • মহাম্মাদ সরকার

      কানুন, বিচার-আচর অনেক কিসুই করা যাবে কিন্তু মরণমুখী মানুষটাকে তো আগে বাঁচাতে হবে।

      Reply
  51. Jashim

    মানুষ হিসা‌বে তা‌দের প্র‌তি স‌হ‌যো‌গিতার হাত বাড়া‌নোর প্রয়োজন আ‌ছে কারন তারা জীবন বাঁঁচা‌নোর জ‌ন্যে এদে‌শে আস‌তে চায়, য‌দিওবা আমা‌দের সরকার এর আগেও এরকম সু‌যোগ দি‌য়ে‌ছে,‌ কিন্তু মায়ানমার সরকার তাদের পৃনরায় ফি‌রি‌য়ে ‌নি‌তে আগ্রহ দেখায় না, কিন্তু মায়ানমার সরকা‌রের উচিৎ এদের ন্যায্য অধিকার ফি‌রি‌য়ে দেওয়া…

    Reply
  52. আবুসালেহ

    তাদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশের গেট খুলে দেওয়া ফরজ হয়ে গেছে!

    Reply
  53. সেকুলার নয়

    ১৯৭১ সালেও তো আমাদের এরকম সিচুয়েশন ছিল। তখন ভারত কি আমাদের সাথে এমন করেছিল? বিশ্ববিখ্যাত অতিথিপরায়ন বাংলাদেশের এ আচরনে বিশ্ববাসী অবাক।

    Reply
  54. আসাদুজ্জামান মিলন

    আমি মনে করি রোহিঙ্গাদেরকে এই দেশে আসতে দেওয়া উচিৎ। মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে চিন্তা করা উচিৎ সবার

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—