প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন তার জীবনে কোনো না কোনো সময়ে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে দুজন স্বামী/অন্তরঙ্গ বন্ধু (বিপরীত লিঙ্গের)/পরিবারের সদস্যদের দ্বারা পারিবারিক নির্যাতনের শিকার। নির্যাতনের শিকার এসব নারীর মাত্র ৪০% কারো না কারো সাহায্য চেয়ে থাকে এবং এদের মাত্র ১০% আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সাহায্যের আবেদন করে।

পৃথিবীর মাত্র ৮৯টি দেশ নারী নির্যাতনের তথ্য জাতীয়ভাবে সংগ্রহ করে থাকে। ১১৯টি দেশে নারী নির্যাতনবিরোধী আইন আছে, ১২৫টি দেশে যৌন সহিংসতাবিরোধী আইন আছে, এবং মাত্র ২৫টি দেশে বিবাহভুক্ত ধর্ষণবিরোধী আইন আছে।

এবার আসি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। বিবিসি ও ইউএনএফপিএ প্রদত্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশে বিবাহিত নারীদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ গৃহ (পারিবারিক) সহিংসতার শিকার, ওই নারীদের ৭৭ শতাংশ প্রতিনিয়ত প্রহৃত হয়, এদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা প্রয়োজন হয়, এক-তৃতীয়াংশ নারী স্বামী দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়। নির্যাতিতদের ৫০ শতাংশ নারী ১৪ বছরের আগেই ধর্ষণের শিকার হয়। এসিড নিক্ষেপ, আগুন দেওয়া, সমাজচ্যুত করা, জোরপূর্বক তালাক– এগুলোর হিসাব রাখা দুষ্কর।

বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে একটা জরিপ চালায়– ‘ভায়োলেন্স এগেইনষ্ট উইমেন সার্ভে’– এতে উঠে এসেছে আরও ভয়ঙ্কর সব তথ্য। আমরা মনে করতাম নারী গৃহে নিরাপদ। এ জরিপের তথ্যমতে, নারী ঘরে আরও বেশি অনিরাপদ, ঘরের ভেতরে স্বামী এবং অন্যান্য আপনজনদের কাছেই নারী অনেক বেশি নির্যাতনের ঝুঁকির মধ্যে থাকে এবং নির্যাতনের শিকারও হয়। জরিপে ৭ শতাংশ নারী জানিয়েছে, নির্যাতনের কারণে তারা আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির দেওয়া তথ্যমতে, ২০১৫ সালে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ৫% বেড়েছে, ধর্ষণের ঘটনা আশংকাজনক হারে বেড়েছে (৩৫%), যৌতুকের কারণে নির্যাতন বেড়েছে ২৮%, যৌন হয়রানী বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪%। শুধু ২০১৫ সালেই ১,৮৪৭ জন নারী-শিশুকে হত্যা করা হয়েছে এবং সহিংসতার শিকার হয়ে ৩০২ জন নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

সংবাদপত্রে গড়ে প্রতিদিন ১৫ জন বা তার বেশি নারী ও শিশু নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশিত হয়। ২০১৫ সালে প্রকাশিত সহিংসতার শুধুমাত্র এক-তৃতীয়াংশ নির্যাতনের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এই পৃথিবী কি আমার-আপনার?

আমার এক বন্ধু, উচ্চশিক্ষিতা, পেশায় সফল, বুদ্ধিমতি… অনেক দিন বিষণ্ণ দেখে প্রশ্ন করায় সে জানাল তাঁর মানসিক আর শারীরিক নির্যাতনের ইতিবৃত্ত। বললাম, “আইনের আশ্রয় নাও।”

ভয়ে কুঁকড়ে গেল, বলল, “সুখী চেহারাটা খসে পড়বে সেটাই তো সবচেয়ে বড় ভয়।”

আমার বুয়া, হাতে মুখে কালশিটে, জিজ্ঞেস করতে বলল, “আইন তো গরীবের জন্য না আপা।”

এক মা, নির্যাতন থেকে ১৪ বছরের মেয়েকে বাঁচাতে এক প্রতিবন্ধী পুরুষের কাছে বিয়ে দিয়েছে। আমার এক উচ্চশিক্ষিতা বন্ধু জানিয়েছে, দিনের পর দিন সে হাতে ব্যান্ডেজ, মুখে কালশিটে নিয়ে অফিস করেছে, কেউ জানতেই পারেনি তার গৃহে নির্যাতিত হওয়ার কথা।

এবার আসা যাক একটি প্রাসঙ্গিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। সরকার নিজেকে নারীবান্ধব, শিশুবান্ধব বলে দাবি করে, সেই সরকার কেমন করে ‘যদি’ ‘কিন্তু’ ‘বিশেষ অবস্থায়’ ‘শর্ত সাপেক্ষে’ বাল্য বিয়েকে আইনগত বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে? এতে দেশের কী লাভ? এতে কোন ভালোটা বয়ে আসবে, উন্নতির কোন সোপানে আমরা পা দিতে পারব? তবে কেন এই তোড়জোড়? এতে কে লাভবান হবে? এতে অর্থনৈতিক কি উন্নতি সাধিত হবে? সরকার কি সচেতন, কোনো পাঁকেচক্রে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা নয়তো এটি?

বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানার স্বপ্ন’ থেকে স্বপ্ন দেখা এই দেশের নারী সমাজ মেয়েদের বিয়ের বয়স কমিয়ে দেওয়ার এই ধারাবাহিক চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

গ্রামে-গঞ্জে-মফস্বলে নারীর নিরাপত্তা কতটা হুমকির মুখে তা তো তনুরা জীবন দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছে। দেশের মান রাখতে রাষ্ট্রদূতের ব্যাগ খুঁজে পেতে যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, তবে তনুর খুনিকে পেতে এই বাহিনী কেন বছর পার করে দিচ্ছে? কাকে বাঁচাতে দেশের মান ডুবাচ্ছে, সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করছে?

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার কাছে আকুল আবেদন, আপনি আপনার এমপিদের দায়বদ্ধ করুন, আপনার সব জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধ করুন, আপনার প্রশাসনকে দায়বদ্ধ করুন, আপনার পুলিশ বাহিনীকে দায়বদ্ধ করুন… আপনি কেন বলছেন না, যে এলাকায় একটা নারী নির্যাতনের খবর আসবে, একটা মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে উত্ত্যক্তের শিকার হবে, সেই এলাকার সব কর্তাব্যক্তিকে আপনার কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নারী নির্যাতনের ব্যাপারে আপনার ‘জিরো টলারেন্স’-এর কথা সবাইকে জানিয়ে দিন। আপনি দু-একটা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিন… আমাদের বিশ্বাস আমরা ইতিবাচক ফল পাব।

উন্নয়নের মহাসড়কে আগুয়ান বাংলাদেশের অর্থনৈতিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। ভুলে গেলে চলবে না, নারী ভোটও কিন্তু অর্ধেক ভোট। নারীবান্ধব সমাজ অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবে। পিতার সম্পত্তির কিয়দংশ পেয়ে না-পেয়ে, স্বামীর হাতে প্রতিনিয়ত প্রহৃত হয়ে, রাস্তায়, বাজারে, কর্মক্ষেত্রে, বিদ্যালয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করেও নারী অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে।

নারীকে নিরাপদ পৃথিবী দাও, নারী তোমাদের দেবে ততোধিক বাসযোগ্য এক সমাজের নিশ্চয়তা।

নারী, তুমি নীরবতা ভাঙ… ভাঙতেই হবে।

আজ ২৫ নভেম্বর, আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। এ দিবস যেন পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়…

মাসুমা বিল্লাহজনসংখ্যাবিদ।

Responses -- “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস যেন বিলুপ্ত হয়…”

  1. বন

    যেখানে আল্লাহর দেখানো পথ বাদ দিয়ে মন চাহি জিন্দেগি শুরু হয় সেখানে ইসলাম থাকেনা; থাকে অন্য কিছু। আর নারীরা আল্লাহর পথে ফিরে না এসে তুমি যদি কিয়ামত পর্যন্ত চিল্লাইতে থাক আমার অধিকার, আমার অধিকার দাও,শান্তি চাই।তোমার জন্য সু খবর(বিদ্রুপাতবক)কিয়ামত চলে আসবে শান্তি পাবে না, নির্যাতন কমবে না,দিন দিন বারতেই থাকবে। এই পথ যে শুধু নারীরাই বাদ দিয়েছ তা নয়, পুরুষরাও। নিজের উপর কোন নিয়ন্ত্রন নেই

    Reply
  2. Cornell Macbeth

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে (৮ মার্চ), সবসময় ‘শাশুড়ী’ নামে পরিচিত সকল নারী চরিত্রগুলো থাকেন বিস্মৃত এবং উপেক্ষিত। এখন সেই ‘শাশুড়ী’ যখন ‘নারী নির্যাতনকারী’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, তখন ঐ ‘শাশুড়ী’ কাছে ‘২৫ নভেম্বর’ দিবসটি হচ্ছে শুধুই ন্যাকামি এবং একই সাথে তার ব্যক্তি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এক ধরণের চক্রান্তও বটে। আর এ টাইপের শাশুড়ীর, পুত্রসন্তানরা সাধারণত কি রূপ মানসিকতার হয় তা’ যুগে যুগে বিকশিত স্বমহিমায়।

    Reply
  3. বুদ্ধিজীবি

    নৈতিক অবক্ষয় মানুষের সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। একের পর এক এমন লোমহর্ষক ঘটনা দেখে জাতি শিউরে উঠছে। সম্প্রতি ছাত্রলীগ নেতা বদরুল কর্তৃক একজন ছাত্রীকে প্রকাশ্য দিবালোকে যেভাবে চাপাতি দিয়ে কোপানো হয়েছে তাতে প্রতিটি শান্তিকামী মানুষ চমকে উঠেছে। তাছাড়ও তিন বছরের শিশু থেকে ৯২ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত এদেশে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। সন্তানরা তার গর্ভধারিণী মাকে হত্যা করছে, কখনো রাস্তার পাশে ফেলে যাচ্ছে। বৃদ্ধ বাবাকে কুপিয়ে আহত করছে। স্কুলগামী ছাত্ররা বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত হচ্ছে। মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী শুধুমাত্র গত অক্টোবর মাসেই ৭৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে ৩০ জনই শিশু। তরুণ প্রজন্ম অল্প বয়সেই নেশা ও অনৈতিকতায় পা দিচ্ছে। যা প্রতিদিনই মিডিয়ার কল্যাণে দেশবাসী দেখছে। প্রতিটি মা-বাবা তাদের সন্তানদের নিয়ে এখন গভীর শঙ্কাবোধ করছেন। এ এক ভয়াবহ অবস্থা। অথচ আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে পাসের হার বাড়ছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় এসব ভয়াবহ অবক্ষয়ের নজির যারা স্থাপন করেছে তারা প্রায় সবাই শিক্ষিত। যখনই কোনো ভয়াবহ অনৈতিক ঘটনা ঘটে তখন এদেশের বুদ্ধিজীবি মহল ও গণমাধ্যম তা নিয়ে তুলাধুনা করছে ঠিকই। কিন্তু সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক পথের দিশা কেউ দিচ্ছেন না। আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে শিক্ষার হার বাড়ার পরও শুধুমাত্র নৈতিক শিক্ষার অভাবেই সামাজিক অবক্ষয় এই ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। মানুষ ঘরে বাইরে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। নৈতিক শিক্ষাকে বাদ দিয়ে এসমস্যা সমাধানের অন্য পথের সন্ধান তামাশা ছাড়া কিছু নয়। আমরা সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে আহবান রেখে বলব, সন্তানদের শিক্ষার সাথে সাথে নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।

    Reply
  4. Nurul Haque

    একদিকে অপরাধের শাস্তি না হওয়া, অন্যদিকে সামাজিক অবক্ষয়, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব, পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণে মূল্যবোধের অভাব দেখা দিচ্ছে সমাজে। পাশাপাশি মানুষের মধ্যে আত্মকেন্দ্রিকতা বেড়ে যাওয়ায় এক জনের প্রতি আরেকজনের সম্মানবোধ কমে যাচ্ছে। এসব কিছুর সমীকরণেই ঘটছে খাদিজা অথবা রিশার ওপর হামলার মতো ঘটনা। সিলেটের এমসি কলেজে প্রেমের প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ছাত্রলীগ কর্মী কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে ছাত্রী খাদিজাকে। এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি মাধবপুরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর মা-বাবাকে পেটানো হয়। সেপ্টেম্বরে মাদারীপুরের কালকীনীতে একই কারণে স্কুলছাত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে বখাটেরা। দেশের আনাচে কানাচে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা যে বিচ্ছিন্ন নয় তা বোঝা যায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় যখন রাজধানীর উইলস লিটেল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী রিশাকে জনসম্মুখে ছুরিকাঘাত করা হয়। সমাজে পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক সমাজ ব্যবস্থায় এখন মানুষ অসিষ্ণু ও আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। ‘মানুষ যখন খুব বেশি ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবোধ কিংবা তার মধ্যে ব্যক্তি স্বার্থপরতা বাড়তে থাকবে তখন এ ধরনের অসহিষ্ণু আচরণ দেখতে পারি। ‘অন্যের প্রতি সহনশীলতা দেখাতে হবে, সম্মান দেখাতে হবে। যেকোনো বিষয় পেতেই হবে এমন নয়, লাইফে অনেক কিছু আছে যা আমাদের ছেড়ে দিতে হয়। এই বিষয়গুলো বাবা-মার জায়গা থেকে শেখাতে হয়। ভুল আচরণটা আসলে সঠিকভাবে শাস্তিপ্রাপ্ত হচ্ছে না।’ এদিকে এ ধরণের ঘটনার কোন বিচার না হওয়া ও শাস্তি না পাওয়া পুন:রাবৃত্তির অন্যতম কারণ। সামাজিক পরিমণ্ডলে এ ধরণের অপরাধের বিরুদ্ধে আরো বেশি প্রতিবাদী ও সচেতনতা বৃদ্ধি না করা গেলে এ ধরণের অপরাধ বেড়েই চলবে ।

    Reply
  5. ইসলাম

    ৫ ফুট শরীরে ১২ ফুট শাড়ি, তবু অঙ্গ কেন ঢাকিতে না পারো নারী ! শরীর ধর্মের বাইরের বিষয় নয়।ধর্ম শেখায় কিভাবে শরীরটা নষ্ট না করে তা ব্যবহার করতে হয়। তা না হলে নারী তুমি অনেক সস্তা হয়ে যাবে। শরীরটাই যদি নারীর ধর্ম হবে তাহলে পক্ষান্তরে পতিতা বৃত্তিকে নারীর ধর্ম হিসাবে দেখানো হবে। পিতার পরিচয় মানুষের কাছে মূল্যবান এই কারনে যে এটা তার অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত। তা না হলে মানুষে আর পশুতে পার্থক্য কোথায় ! পশুর ধর্ম শুধু শরীর হতে পারে কিন্তু মানুষের নয়। মানুষের মনুষ্যত্ব বজায় রাখার জন্য ধর্ম। কারন পশুরা খাওয়ার জন্য বাঁচে আর মানুষ বেঁচে থাকার জন্য খায়। সকল মা ‘ই নারী কিন্ত সকল নারী’ই মা নয়। মা হতে হলে একজন নারীকে গর্ভ ধারণ থেকে শুরু করে একজন সন্তানকে মানুষ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। মানুষ করতে না পারলে একটা সন্তানকে পৃথিবীতে আনা কেন ? সেটা তো পশুরাও করে থাকে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—