ঘণ্টা কয়েক আগে যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। আগামী জানুয়ারিতে ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন ধনকুবের ও রিয়ালিটি টিভি তারকা ট্রাম্প।

এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ছিল পুরো বিশ্ব, এবং এর ফলাফল বিজয়ী ও বিজিত দুই পক্ষের জন্যই বিস্ময়কর।

ফলাফলের তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণে কিছু বিষয় উঠে এসেছে। বিস্তারিত পরিসংখ্যান হাতে আসার আগ পর্যন্ত সেদিকে তাকানো যাক–

১) জনমত জরিপের নিদারুণ পরাজয়

বিগত কিছু বছরে ‘ডেটা অ্যানালিসিস’ বেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে নির্বাচন-চক্রে। মানুষের চলন-বলন, বাজারের ধরন, থাকার জায়গা, বেতন, গাড়ি, বন্ধু, প্রিয় খাবার ইত্যাদির ব্যাপারে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন কম্পিউটার মডেল বলে দেয় সেই ভোটার কোন দলের প্রতি অনুগত থাকার সম্ভাবনা বেশি। বারাক ওবামা প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরে এ বিষয়ে বেশ কিছু গবেষণাপত্র বের হয়েছিল। প্রচুর অর্থ খরচ করে ‘কনজিউমার ডেটা’ কেনা হয়েছিল। বাকি পৃথিবীর হইচই থেকে দূরে বসে পরিসংখ্যানবিদরা সেসব তথ্য বিশ্লেষণ করতেন। সেই প্রক্রিয়া এই নির্বাচনে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে– রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটিক পার্টি উভয়ের ক্ষেত্রেই।

ডেমোক্রেটিক পার্টিতে হিলারি সর্বশেষ বিভিন্ন জরিপে ৪ থেকে ১০ শতাংশ ভোটে জেতার সম্ভাবনা বলা হয়েছিল। কিন্তু ভোট গণনার পর দেখা যায় তিনি উল্টো এই একই ব্যবধানে হেরে গেছেন চিরাচরিত ডেমোক্রেটিক বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। রিপাবলিকান প্রাইমারি ইলেকশনের সময় ট্রাম্প এককভাবে একের পর এক ‘এস্টাবলিশমেন্ট ক্যান্ডিডেট’-এর বিপক্ষে (জেব বুশ, মার্কো রুবিও ও টেড ক্রুজ) লড়ে গেছেন। পার্টির এই হিসাব-নিকাশ তখন সেই প্রতিপক্ষদের হাতেই ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে অল্প কিছু মানুষ বাদে প্রায় সবাই স্তম্ভিত।

এর পেছনে কয়েকটি মৌলিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, ট্রাম্পের উগ্র আচরণের কারণে তাঁর অনেক নীরব সমর্থক প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাননি। দ্বিতীয়ত, এ ধরনের মডেল উচ্চশিক্ষিত ও বিভিন্নভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করা মানুষের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। ট্রাম্প একদম ভিন্ন জনগোষ্ঠীর ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। গতানুগতিক জরিপের ওপর অতি-নির্ভরতা কতটা বিপজ্জনক, তা বেশ রূঢ়ভাবে জানতে পারল অনেকেই।

২) বিশ্বজুড়ে শঙ্কা ও ক্ষোভ

২০০৮ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস নামার পর থেকে সারা বিশ্ব খুব ধীরে আগের অবস্থায় ফেরত আসছে। এই সময়ে লাখ লাখ মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছে। অর্থনীতির মোটা দাগের নির্ণায়কগুলো বলছে যে, নতুন চাকরি তৈরি হয়েছে, বেকারত্বের হার কমেছে, জিডিপি বেড়েছে ইত্যাদি। কিন্তু প্রান্তিক মানুষের জীবন ও জীবনধারায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। মূলধারার এস্টাবলিশমেন্টের ওপর তাই ক্ষোভ ক্রমাগত বেড়েছে। কেউ ধৈর্য ধরার মতো অবস্থায় নেই; সবাই ক্ষুব্ধ, সবাই ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত।

সাধারণ মানুষের মনে এই অবস্থার জন্য জর্জ বুশ ও রিপাবলিকান এস্টাবলিশমেন্টের ওপর ক্ষোভ অনেক আগে থেকেই ছিল। আট বছর আগে এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্যই বারাক ওবামাকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। সেই ক্ষোভ এতটাই গভীর যে, এবারের নির্বাচনে জেব বুশ একেবারেই পাত্তা পাননি নিজের পার্টির প্রাইমারিতে। অর্থনীতি সামাল দিয়ে প্রবৃদ্ধির পথে আনার কারণে ওবামা কিছু সাধুবাদ অবশ্যই পেয়েছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও রয়েছে। সর্বস্ব হারানো জনগণের ট্যাক্সের অর্থ থেকে বড় বড় ব্যাংককে ‘বেইল আউট’ করা হয়েছে, কিন্তু আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে একজন শীর্ষ ব্যক্তিরও শাস্তি হয়নি। শুধু তাই না, ওবামার ক্যাম্পেইন ও প্রশাসনের অনেকেই বড় বড় ব্যাংকে চাকরি নিয়েছেন। হিলারির বিরুদ্ধেও শীর্ষ ধনীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে।

এই ক্ষোভ এতটাই ব্যাপক আকার ধারণ করেছে যে, জনগণ প্রচলিত রাজনীতির বাইরে যে কাউকে নির্বাচন করতে প্রস্তুত। উল্লেখ্য, ভোটারদের ৬০ শতাংশের বেশি মনে করেন যে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা নেই। অন্যদিকে ওবামার প্রতি সমর্থন ৫৪ শতাংশ। তবু হিলারি ৫০ শতাংশ ভোটও পাননি। অনেক মানুষ দুবার ওবামাকে ভোট দিয়েও এ নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন। অনেক মানুষ অযোগ্য মেনে নিয়েই ট্রাম্পের ব্যাপারে বাজি ধরেছেন।

৩) ‘ব্রেক্সিট প্লাস প্লাস’

ইতিহাস বলে, এ রকম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়েই জাত্যাভিমান মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর সব দোষ চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ খোঁজে সবাই। যেসব মানবিক গুণ চর্চা করে আমরা মানুষ, তার অনেক কিছুই আপদকালে স্থগিত রাখি আমরা! যাদের সঙ্গে পাশাপাশি থাকছি, সকাল-বিকালে যাদের সঙ্গে হাসি-কান্না ভাগ করে নিচ্ছি, হঠাৎ করে তাদেরই শত্রু বলে গণ্য করা নতুন কিছু নয়।

ব্রিটিশ উপনিবেশে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা, হিটলারের জার্মানিতে ইহুদিনিধন, ভারত বিভাগের সময় ধর্মীয় দাঙ্গা, এমনকি বাংলাদেশে প্রায় প্রতিনিয়ত হিন্দু ও আদিবাসী নিধন– এর কোনোটাই মূলধারার মানবিক বোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই মূলধারা অন্য দিকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছে। বাকি দুনিয়াকে কী দোষ দেবেন, বাংলাদেশে আজও জামায়াতে ইসলামির প্রতি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের সমর্থন রয়েছে। এক পাশের ভারতে গুজরাট রায়টের মূল হোতা নরেন্দ্র মোদি স্মরণকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আরেক পাশের মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের আইন করে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে।

কিছুদিন আগে ব্রিটেনের ব্রেক্সিট ভোটেও একই রকম আবেগের অনুরণন দেখা গেছে। রাজনীতিবিদরা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে অভিবাসীদের কারণেই নিজের দেশে নিম্নবিত্তরা চাকরি পাচ্ছে না। বিশ্বায়নের কারণে দেশ থেকে কল-কারখানা চলে যাচ্ছে অন্যান্য দেশে। একই ফরমুলা ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও কাজে লেগেছে। তিনি শুরু থেকেই চীন ও মেক্সিকোতে চাকরি চলে যাওয়ার কথা বলেছেন, এবং সেটা বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের কাছে ‘আপিল’ করেছে। ব্রেক্সিটের পর ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমেরিকায় ব্রেক্সিট প্লাস প্লাস হবে।”

তবে আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় আছে। বাইরে থেকে সমালোচনার সময় ব্রেক্সিটের জন্য বয়স্ক, স্বল্পশিক্ষিত, শ্বেতাঙ্গদের দোষারোপ করা হয়। একইভাবে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের জন্য শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের ‘হোয়াইটল্যাশ’-কে দোষ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচনী তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, প্রচুর অভিবাসীর সমর্থন রয়েছে এ রকম পদক্ষেপের প্রতি! ইংল্যান্ডে প্রচুর পোলিশ ও বাংলাদেশি ব্রেক্সিটের পক্ষে ছিলেন। কারণ, তারা চাইতেন অভিবাসনের দরজা তাদের ঠিক পরপর বন্ধ হয়ে যাক! তারা ভাবতেন যে, এর ফলে আর্থ-সামাজিক সুবিধা তারা বেশি করে পাবেন।

একই সত্য আমেরিকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। প্রচুর বাংলাদেশি মুসলমান-বিদ্বেষের কারণে ট্রাম্পের বিরোধিতা করলেও বাদবাকি বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতি প্রসন্ন মনোভাব পোষণ করেন। যে হিসপানিকদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প বর্ণানাতীত বাজে কথা বলেছেন, তারা ২০১২ সালে মিট রমনিকে যত ভোট দিয়েছিলেন এবার ট্রাম্পকে তার চেয়ে বেশি ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১২ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে শ্বেতাঙ্গ ভোট কম পেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী। জাত্যাভিমানী শ্বেতাঙ্গ ভোট বহু বছর ধরেই রক্ষণশীলরা পেয়ে আসছে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের নীরব সমর্থনের ভূমিকা ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না।

৪) প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির নিষ্প্রয়োজনীয়তা এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ

রাজনীতির মঞ্চে ট্রাম্পের অভিজ্ঞতা একেবারেই শূন্য। আজকের বিজয়ে আসার পথে তাঁকে নিজ দলের প্রাইমারিতে ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারাতে হয়েছে। তিনি তিন বছর আগেও ‘রেজিস্টার্ড ডেমোক্র্যাট’ ছিলেন। তিনি রিপাবলিকান প্রাইমারিতে জর্জ বুশের বিরোধিতা, ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা, দশকের পর দশক ধরে রিপাবলিকানদের ‘ইস্যু’ হয়ে থাকা বিভিন্ন বিষয়ের বিরোধিতা ইত্যাদি করেও জয়ী হয়েছেন। রিপাবলিকান পার্টি এস্টাবলিশমেন্ট একের পর এক প্রতিদ্বন্দ্বীর পেছনে প্রচুর অর্থ ঢেলেও তাঁকে হারাতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচনে বহু রিপাবলিকানের সমর্থন নিয়েও হিলারি তাঁকে হারাতে পারেননি। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ট্রাম্প আমেরিকার রাজনৈতিক মানচিত্র পুরো ওলট-পালট করে দিয়েছেন। ট্রাম্প জিতেছেন এককভাবে, তাঁর কাছে পরাজিত হয়েছে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলই।

এই পরিবর্তিত মানচিত্র যে ঘোলাটে সময় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, তা অনেক প্রবাসী/অভিবাসীর জন্য বিশেষ সুযোগের। এ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পরাজয়ের একটা বড় কারণ মূলধারা থেকে বিচ্যুত হয়ে নিজের দুনিয়ায় আটকে থাকা। তারা শহরাঞ্চলের বাইরের মানুষদের ইচ্ছা-আগ্রহের প্রতি সম্মান দেখায়নি। তারা ধরেই নিয়েছিল যে, শহুরে ভোট দিয়ে গ্রামাঞ্চলের ভোট হারিয়ে দেওয়া যাবে। নির্বাচনের প্রাক্কালে অনেক প্রবাসী আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন। তারা র‍্যালিতে গেছেন, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েছেন, প্রাইমারি নির্বাচনে ডেলিগেট পদে নির্বাচন করেছেন ইত্যাদি।

আগামী দিনগুলোয় এই প্রক্রিয়া আরেক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। একদিকে মিশিগান, ওহাইয়ো, পেনসিলভ্যানিয়ার মতো ডেমোক্রেটিক অঙ্গরাজ্য হাতছাড়া হয়ে গেছে। আরেক দিকে নেভাডা, অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনার মতো অঙ্গরাজ্যে অভিবাসীদের বর্ধিষ্ণু সংখ্যার কারণে নির্বাচনে অনেক বেশি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। ভারত থেকে সোমালিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অভিবাসীরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হচ্ছেন।

এই প্রক্রিয়া দেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও আগ্রহী হওয়া উচিত নিজেদের ছোট্ট গণ্ডিতে বন্দি না রেখে রাজনীতির মূলধারায় সামিল হওয়ার ব্যাপারে।

ইশতিয়াক রউফব্লগার, তথ্যপ্রকৌশলী

১১ Responses -- “শঙ্কা আর ক্ষোভের কাছে প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির পরাজয়”

  1. SilentDarshak

    Ishtiaq,
    Reasonably good analysis with minor issues here and there. Without going into full rebuttle or cherry picking issues, lets add to your observations and this may help further understand a bigger political scenario.
    ১) জনমত জরিপের নিদারুণ পরাজয়:
    The polls were not wrong, they were manipulated with a biased point of view. If you go back and look deep into the fine prints of the polls published in so called main stream media, you will know they over sampled democrats(I personally checked those and tell with certainty). In addition, with wikileaks revelations, their bias towards clinton machine is fair point with some exceptions. Hence I would not say polls were wrong but they are supposed to be wrong if not done fairly. I do agree with the point of hidden educated trump supporters who do not like his language but agree with major broader posiions.
    ২) বিশ্বজুড়ে শঙ্কা ও ক্ষোভ
    There is surely a segment of the population who were left behind economically and also educationally. So this point is very true. The rise of Bernie is a proof. Look at the blue states where Bernie won against Hillary and Trump won those demographics later. You should also point out that Hillary is a very flawed candidate and people also had the fear that they will be electing an evil empire. I literally mean evil empire.
    ৩) ‘ব্রেক্সিট প্লাস প্লাস’
    I think this idea of brexit analogy is overstatement or just a popular term without real meaning to it. The fundamental issue is job loss, and terrorism. This two fueled this topic of immigration otherwise people would not see this immigration from such a negative angle. It would nice if you could point out that illegal immigration from legal immigration.
    ৪) প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির নিষ্প্রয়োজনীয়তা এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ
    There is always need for institutional politics. However, if corruption and partisan gridlock deny the people a better way of life, then revolution happens. The leader of the revolution does not need to be a saint and he only needed a heart to understand it. Then drive the agenda.

    Reply
  2. Ahmed Hasan

    Americans were tired of status quo and political wrangling And finally gave in to Autocracy after 227 years of practicing most democratic values. Much has been written about the dysfunction in Washington D.C. Pundits have been wringing their hands for years over the rise of bitter partisan politics and the resulting gridlock. The impact of this profound political disunity–extends beyond the narrow confines of domestic politics, a reality reflected in Foreign Affairs new survey of worldwide winter of political discontent, Dysfunction Junction. But all these discussions of dysfunctional politics ignore the larger truth, which is the entire model of the Status Quo is broken. Even if reformers succeeded in ridding the political system of cronyism and favors-for-campaign-contributions–two essentially impossible reforms, given the legalistic cover provided for cronyism and bought and paid for representatives, the basic model of “how the world works” that dominates the world-view of leaders across the political spectrum would remain broken.
    These were the mindset of Trump voters on the 8th November:
    1. The continued expansion of the National Security State, whose premises are A) everyone on the planet is guilty until proven innocent and B) only Total Information can protect “us” (i.e. the National Security State itself) from threats. 2. The continued erosion of civil liberties via death by a thousand cuts. 3. The rising dependence on borrowed money to fund standard government services. 4. The rising dependence on manipulated/gamed statistics to manage perceptions that the Status Quo is eternal, powerful and improving everyone’s lives, even as it serves the narrow interests of self-serving Elites and insiders. 5. The expansion of a Permanent War State that recognizes no boundaries between domestic and international threats, hence the militarization of local police forces and the rise of private mercenaries in the guise of for-profit domestic prisons and police forces.6. A central bank (the Federal Reserve) that will continue to support the most rapacious, opaque and self-serving financial Elites with free money for financiers. 7. The continuing purchase of political favors by monied Elites via lobbying and campaign contributions. 8. An ever-rising dependence on generating the appearance of stability, transparency, competence and expertise as a substitute for actual stability, transparency, competence and expertise. In other words, an expanding reliance on gaming dysfunctional systems rather than actually repairing dysfunctional systems.
    The Status Quo is dysfunctional because its model of how the world works is broken. It won’t matter if gridlock remains in place or one of the parties gets to impose its “brand” of policy-tweaks; since no one on the political spectrum has any concept that the current model described in these 8 points is broken, fixing the political dysfunction won’t fix the systemic dysfunction. THIS TREND has become universal all over the world. So Democracy Fatigue/Fascism is rising in the guise of quick and easy way governing the people and fix the economy so that people can have all the goodies (Chinese Model). This sort of total capitalism mindset has taken away most old human values. Most human are now treating other human as objects to exploit. Trump’s sexist remarks didn’t stop 52% white women and 26% Latino women to vote for him as if they are fine with a man who treat women as ‘Objects’ as long as their monetary needs are fulfilled by that man. This the is lowest point of “Western Capitalism”.

    Reply
  3. Abdullah

    “এইটা এন্টিএস্টাব্লিশ্মেন্ট ভোট না।
    এইটা আমেরিকান আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ভোট।
    যেই আইডেন্টিটি পলিটিক্সকে লিবারেল মিডিয়া ডিফাইন করেছে। কিন্ত, নিজেরা পলিটিকালি কারেক্ট থেকেছে।
    কিন্ত জনগণের পলিটিকালি কারেক্ট থাকার দায় নাই। জনগণ তারা যেই তথ্য পায় সেই তথ্য অনুসারে নিজের ভয় দিয়ে, সত্য মিথ্যাকে বোঝে।
    এইটা সেই দেশে, যেই দেশে বেনগাজিতে ৪ জন আমেরিকানর মৃত্যু নিয়ে সোল সারচিং হয় কিন্ত লিবিয়ার ৪০,০০০ হাজার মানুষের মৃত্যু, একটা সভ্যতার ধ্বংস এবং একটা সমৃদ্ধ রাষ্ট্রকে ডাস্টবিনে পরিণত করে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন এবং জীবিকাকে ধ্বংস করা নিয়ে সল সারচিং হয়না।
    এই চিন্তার পদ্ধতি লিবারেল মিডিয়ার সৃষ্টি করা। তারা বলেছে, মুসলমানরা খারাপ। কিন্ত তাদেরকে ঘৃণা করতে পারবেনা। তারা বলেছে তোমাদের জীবন যাত্রা এবং তোমার সংস্কৃতি ধ্বংসের মুখে- কিন্ত মুসলমানদেরকে ঘৃণা কইরো না।
    কিন্ত, এই হিপোক্রেসিতে আমেরিকান জনগণ যায় নাই।
    এই চিন্তার পদ্ধতিতে ভেড়ার মত যে যে জনগণ তৈরি করা হয়েছে, সে তার ইম্পালসকে বিশ্বাস করেছে।
    লিবারেল মিডিয়া নিজেই নিজের ঘৃণার বাস্পে ভস্মিভুত হইছে।
    অবশ্যই, এই নির্বাচনে ইমিগ্রেন্ট ইস্যু, ফ্রি ট্রেড সহ আরো অনেক বিষয় আছে। কিন্ত আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি, মারকিন জনগণকে লিবারেল মিডিয়া যে আইডেন্টি পলিটিক্স তৈরি করে দিয়েছে, মানুষ সেই ধারা অনুসারেই ভোট দিয়েছে। “

    Reply
  4. ENAYET KHAN

    ভারতের বিজেপি জঙ্গীগোষ্ঠীর কর্মীরা ট্রাম্পের পূজো করতে করতে আর ট্রাম্পগীত গাইতে গাইতে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে দেখছি! এই ভেবে তারা অনবরত নৃত্যগীত করে চলেছে যে ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে নাকি আমেরিকান মুসলিম ও সারা মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে, আর তেনারা তখন বসে বসে মজা দেখবে! অথচ, এই জঙ্গীগোষ্ঠীরা জানেই না যে ট্রাম্প যদি তার নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ করার চেষ্টা করে তাহলে সবার আগে কোপ পড়বে খোদ ওদের দেশ ভারতের উপর।
    ১. ট্রাম্প বলেছে সে আমেরিকান আউট সোর্সিং খাতগুলোকে গুটিয়ে তার দেশের ভেতর নিয়ে আসতে চায়, যদি এমনটা করে তাহলে আমেরিকামুখী ভারতীয় আইটি ফার্ম ও কল সেন্টারগুলোতে ব্যাপক ধস নামবে। এমনিতেই ভারতীয় কর্মীদের অদক্ষতা ও বাজে সার্ভিসের অভিযোগ তুলে ব্রিটিশ টেলিকম তাদের সমস্ত কল সেন্টার কার্যক্রম ভারত থেকে গুটিয়ে নিয়ে চলে গেছে, তার উপর ভারতীয় কল সেন্টারগুলো প্রতারণা ও অনালাইন জালিয়াতি করে আমেরিকান গ্রাহকদেরকে হাজার হাজার মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে ফেলায় এই বছরেই অনেকগুলো ভারতীয় কল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা। এর আগে এই একই জালিয়াতির অভিযোগে অনেকগুলো ভারতীয় আইটি ফার্মের সাথে চুক্তি বাতিল করে দিয়েছিলো আমেরিকা। আমেরিকায় ভারতীয় আইটি খাতের ব্যাপক এই দুর্নামের ভীড়ে ট্রাম্প যদি সত্যিই আউটসোর্সিয়ের অপর বিধিনিষেধ আরোপ করে তাহলে ভারতের আইটি খাতের দাঁড়ানোর মতো তিল পরিমাণ জায়গাও থাকবে কিনা সন্দেহ।
    ২. ট্রাম্প হুঙ্কার দিয়েছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নিবে, তাতে কিন্তু সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে আমেরিকায় সব চাইতে বড় অবৈধ অভিবাসী গোষ্ঠীর দেশ ভারত। ভারতীয় মিডিয়ার হিসাবেই আমেরিকায় প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ অবৈধ ভারতীয় অবস্থান করছে, প্রকৃত হিসাবে যে সংখ্যাটা আরো অনেক বেশি। এমনিতেই, প্রতি মাসেই শত শত অবৈধ ভারতীয় স্টুডেন্টদেরকে ঘাড় ধরে দেশে ফেরত পাঠায় আমেরিকা। তার উপর ভুয়া স্টুডেন্ট ভিসার কারবার ফেঁদে আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসী পাঠানোর ব্যাপক দুর্নাম আছে ভারতের নামে, ক্যালিফোর্নিয়ায় লাইসেন্স বাতিলকৃত এক ভার্সিটির ৯৫% স্টুডেন্টই বেরিয়েছে অবৈধ ভারতীয় ভুয়া স্টুডেন্ট। গত বছরেই ৮৬ হাজার (৯৫%) ভারতীয়র স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে আমেরিকা। তো, অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ট্রাম্প যদি আরো কড়া হয় তাহলে ভারতের উপরেই যে সবচেয়ে বেশি কোপ পড়বে সেটা বুঝার মতো ক্ষমতা আছে ভারতীয় জঙ্গীগোষ্ঠীদের?

    Reply
  5. Manik

    যুক্তরাষ্ট্রে যদি সবচেয়ে বেশি প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নিয়ম থাকতো, তাহলে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতেন হিলারি ক্লিনটন।
    কারণ নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন তিনি। হিলারি দুই লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন। তা সত্ত্বেও দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণেই তিনি হেরে গেছেন। নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন মোট ভোট পেয়েছেন ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৫ ভোট। ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০৬ভোট। কিন্তু ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২৭৯টি, আর হিলারির পক্ষে গেছে ২২৮টি। মূলত এসব ভোটের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫৩৮জন ইলেক্টোরাল বা নির্বাচককে নিয়ে ইলেক্টোরাল কলেজ হয়। একেকটি অঙ্গরাজ্যে জনসংখ্যার অনুপাতে সেখানে ইলেক্টোরাল সংখ্যা থাকে।

    Reply
  6. Nurul Haque

    ট্রাম্পের কথা বলি,আসলে ইতিহাস বলে আপনি যদি দেশের কট্টর/জাতীয়তাবাদ তুলে ধরতে পারেন,সংখ্যা গরিষ্ট মানুষের মনের ভিতরের অন্ধঐ অনুভুতিকে জাগিয়ে তুলতে পারেন, আপনিই ভোটের বিজয়ি নেতা,তখন মিডিয়া ক্রেজ কাজে আসে না। মার্কিন ইতিহাসে মিডিয়া/সেলিব্রেটি স্ব-দলীয়দের প্রকাশ্য বিরধিতা কাজে আসেনি।হয়তো এসব কারনেই শুধু জনগনের ভোটেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় না আমরা বুশের কথা অনেকেই জানি।শেষে বলব, গনতন্ত্র থেকে সরে গেলে, বিশ্বে মাকিনিদের প্রভাবে বড় হোঁচট খাবে, তাই বিশ্বশাসনের বিষয়টি চিন্তা করে মাকিনিদের আবেগ দ্রুতই কেটে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।আমাদের আবেগ,এ অর্থে মূল্যহীন।উপরে আমরা আমেরিকা ব্রিটেনের গনতন্ত্রের কি ফল দেখলাম। আবার আমাদের দেশে দেখলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকার,আবিষ্কারক আমরা,অনেক দেশ আনুসরন করতে শুরু করল আমরা গর্ব করতে শুরু করলাম কিন্তু সঠিক গনতন্ত্রের কণ্যানের বিবেচনায় আবার বাতিল।মার্কিন দায়িত্বশীলরা পুতিনকে মানসিক রোগী হিসাবে শনাক্ত করেছিল কিন্তু বৃহত্তর মার্কিন জনগনের দ্বারা ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ারপর রুশরা,মার্কিন জনগনের মানসিক অবস্তা কি বলে আখ্যাদেন সেটাই বিবেচ্য নয় কি?সবশেষে বলবো,গনতন্ত্রও ত্রুটিমুক্ত নয় তুবুও সর্বাধিক গ্রহণীয় ।

    Reply
  7. বাঙাল

    সুন্দর বিশ্লেষন। আনেক বিশ্লেষক ডোনাল্ড ট্রাম্প এর বিজয় সম্পর্কে মন গড়া বিশ্নেষন করছে, যে কারনে তার সম্পর্কে ভীতিটাও বেশি মাত্রায় প্রকাশ পেয়েছে। ট্রাম্পের এই বিজয় মুলত আমেরিকার রাজনিতির আভিজাত্যের বিপরিতিতে একটি নিরব প্রতিবাদ। সর্বপরি ট্রাম্প একজন ঝানু সফল ব্যবসায়ি তিনি জানেন কিভাবে কি ভাবে লক্ষ্য অর্জন করতে হয়, এই নির্বাচনে তিনি তা দেখিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প, হিলারি চেয়ে বেশি মঙ্গলজনক। হিলারি তার ব্যাক্তিগত বন্দু ড: ইউনুসের জন্য বাংলাদেশের উপর আর বেশী অগ্রহনযোগ্য ব্যাবস্থা গ্রহন করত, যা বাংলাদেশের আনুকুলে যেত না। পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থয়ান করা থেকে পিছিয়ে যাওয়া পিছনে এই দুই ব্যাক্তিই দায়ি। জিএসপি সুবিধা বাতিলের পিছনেও এই দুই ব্যাক্তিই দায়ি। সুতারং যা হয়েছে, তা বাংলাদেশের মঙ্গলই হবে।

    Reply
  8. শাহজাহান সিরাজ

    ধর্য‍্য ও অহংকার – আমেরিকার নির্বচনে জয় পরাজয়ের খেলা!
    ———-
    আমার ১২ বছরের পুত্রধন – করোনেট হিলারীর ভক্ত! কষ্টের সাথে সে বলছে.
    – বাবা, এটা তো কথা ছিল না ! সব জরিপ আর টিভি সব সময়ই বলছিল – হিলারী, হিলারী, হিলারী, হিলারী….হঠাৎ ট্র‍্যাম্প? কেন?”

    আমি বললাম, একটু চিন্তা কর ! কতক্ষন ভেবে সে বললো
    – ট্র্রাম্প সফল ব‍্যবসায়ী মানুষ তো, সে কৌশল জানে, অনেক ধর্য‍্য আছে, সম্ভবত ট্র্রাম্পের ধর্য‍্যের ফল! আর জয় নিশ্চিত জেনে হিলারীর ভিতর মনেহয় অহংকার ঢুকেছিল, তাই পতন হয়েছে!….বাবা , এই ঘটনার সঙ্গে খরগোশ আর কচ্ছবের গল্পের সাথে কি মিল আছে? …

    আমি বললাম, তা মনে হয় না! দু’জনেই অনেক প্র্রচার করেছেন। লক্ষনীয় – হিলারী শিবির মানুষকে আশা-স্বপ্ন দেখানোর চেয়ে, দেশ-সমাজ গঠনে রাজনৈতিক প্র্রতিশ্র্রুতি দেয়ার চেয়ে – ট‍্য‍্যম্পকে মন্দলোক ও ভিলেন বানিয়ে হাসাহাসিতে ব‍্যস্ত ছিল। আর ট‍্র‍্যাম্প নীরবে তা মেনে মানুষকে ‘গ্র্রেট আমেরিকার স্বপ্ন’ দেখিয়েছেন। আমার মনে হয় সাধারন পাবলিক তোমার হিলারী-ওয়ালাদের ভাব-গতি পছন্দ করেনি! হিলারীর হাসি সুন্দর হলেও – মন্ত্র্রীর থাকার সময় শান্তির পক্ষে কিন্তু তিনি তেমন কাজ করেননি! বরং তলে তলে অনেক যুদ্ধ ও অশান্তির ফন্দি করে মানুষ হ‍ত‍্যায় মদদ দিয়েছিলেন! হয়তো মানুষ তা বুঝে ফেলেছে! যদিও মিডিয়া তাকে হিরো বানিয়ে অনেক হৈ হৈ করেছে, আসলে ভিতরের ঘটনায় ছিল ভিন্ন!

    আমার মতামত শুনে – পুত্র আমার দিক করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রাইলে, কতক্ষন! “আই গড-ইট, বাবা!…”

    Reply
  9. M. Rana

    অতি কাছের তিন তিনটা নির্বাচন ( ব্রেক্সিট, ভারতের পশিমবঙ্গের ২০১৬ নির্বাচন, এবারের যুক্তরাস্ট্রের নির্বাচন) এর ফলাফল আর নির্বাচনের আগের গণমাধ্যমগুলোর
    ” প্রচার, ভবিষ্যদ্বাণী, একটা পক্ষকে নির্লজ্জ ভাবে সমর্থন আর অন্য পক্ষকে নিষ্টুরভাবে চাপানো/অপমান করার ব্যাপার” গুলোকে আমলে নিলে একটা কথাই শুধু উপসংহার হিসাবে টানা উচিৎ তাহলো
    —-
    গনমাধ্যমগুলো তাদের সততা হারিয়ে ফেলে, জনগনের কাছ থেকে সরে গিয়ে ধনীদের হাতের পুতুল হয়ে গেছে!
    ——
    গনমাধ্যম অন্য যেকোন বিজনেসের মত লাভের অঙ্কটাই সবার উপরের প্রাধান্য দিয়ে থাকে অথচ বাক স্বাধীনতার ধ্বজা মুখে এঁটে জনগনকে ধোকা দিচ্ছে। তা না হলে ট্রাম্প জিতবে, ব্রেক্সিট হবে, আর মমতাও জিতবে এই ভবিষ্যদ্বাণীই আমাদের পাওয়া উচিৎ ছিল।
    ট্রাম্প নিজে ভোট দেবার সময় তার স্ত্রীর দিকে তাকানো টাকে, গনমাধ্যম আমাদের বুঝাতে চাইলো, ট্রাম্প তার স্ত্রীকেও সন্দেহ করে!! কেমন নির্লজ্জ পরিবেশন!!! জনগন কিন্তু তা বুঝেনি, জনগন সেখান পড়েছে, ট্রাম্প তার স্ত্রীর দিকে তাকিয়েছে মায়া ভরা চোখে। প্রমান — ট্রাম্প জিতেছে —

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—