“আমার শৈশবের স্বপ্ন-রঙিন দিনগুলো কেটেছে গ্রাম-বাংলার নরম পলিমাটিতে, বর্ষার কাদা-পানিতে, শীতের মিষ্টি রোদ্দুরে, ঘাসফুল আর পাতায় পাতায় শিশিরের ঘ্রাণ নিয়ে, জোনাক-জ্বলা অন্ধকারে ঝিঁঝিঁর ডাক শুনে, তাল-তমালের ঝোপে বৈঁচি, দিঘির শাপলা আর শিউলি-বকুল কুড়িয়ে মালা গেঁথে, ধুলোমাটি মেখে, বর্ষায় ভিজে খেলা করে।”

— শেখ হাসিনা, ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’

গ্রামের সেই কিশোরী শেখ হাসিনা আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী; অতি সাদামাটা হয়েও তিনি অসাধারণ।

দুবার তাঁকে সরাসরি দেখার সুযোগ হয়েছে। প্রথমবার ১৯৯৭ সালে, যখন তিনি দেশের প্রথম ‘নারী উন্নয়ন নীতি’ ঘোষণার জন্য আমার পাশ দিয়ে হেটে মঞ্চে বসেন। দ্বিতীয়বার, ছাত্রলীগের এক নেতার বিয়ের অনুষ্ঠানে। সেসময় এখনকার মতো বিয়ের মঞ্চে চেয়ারের ব্যবস্থা থাকত না, বরং বর-কনে মঞ্চে আসন পেতে বসতেন।

যাই হোক, শেখ হাসিনা বরকে শুভেচ্ছা জানাতে তার পাশেই বসলেন এবং খুব কাছ থেকে আমি তাঁর সঙ্গে বরের ছবি তুললাম। এরপর তিনি পরিচিত, অপরিচিত অনেকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মতো শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন। তখনও তিনি প্রধানমন্ত্রী। যে কোনো পরিবেশে, যে কোনো শ্রেণি, অবস্থানের মানুষের সঙ্গে খুব সহজে একাত্ম হওয়ার অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে তাঁর।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা ৬৯ বছর বয়সে পদার্পণ করেছেন, কিন্তু তাঁকে তুলনায় অনেক কম বয়সী দেখায়। আমাদের দেশে নারীদের বিষয়ে সাধারণভাবে বলা হয় ‘কুড়িতেই বুড়ি’; অথচ এই বয়সে তিনি কেমন ঝলমলে, সক্রিয় এবং কর্মঠ। কীভাবে সম্ভব?

চিকিৎসকদের মতে, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন দীর্ঘ সুস্থতা এবং কর্মক্ষম থাকার মূল চাবিকাঠি। শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবনচর্যা সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি জানি না, কিন্তু মিডিয়ার মাধ্যমে কিছুটা ধারণা পাই। বিশ্বাস করি, তিনি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্ত, মানে সঠিক সময়ে পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ, প্রয়োজনীয় ঘুম-বিশ্রাম নেওয়া এবং ব্যায়াম করা। এ ছাড়া, সার্বিক সুস্থতার জন্য মন ও আত্মার পরিচর্যা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ যা শেখ হাসিনার জীবনযাপনে বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

অনেক গবেষণায় দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগ এবং সামাজিক বন্ধন মানুষের শারীরিক-মানসিক সুস্থতায় বিশেষভাবে জড়িত। স্পষ্টত শেখ হাসিনা সামাজিক যোগাযোগ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। দেশের নামকরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুবাদে, রাজনৈতিক কর্মসূত্রে এবং ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে অনেকের সঙ্গেই তাঁর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যাদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত সামাজিকতা বজায় রাখেন। বন্ধু-পরিচিতজনদের নিমন্ত্রণ করে ঘরোয়াভাবে আপ্যায়ন করা, অতিথিদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানো, কারো অসুস্থতায় তার পাশে ছুটে যাওয়া, প্রিয়জনের প্রতি স্নেহ-মমতা-ভালবাসা দ্বিধাহীনভাবে প্রকাশ করা– এসবই তাঁর জীবনধারার অংশ। এসব কাজে আন্তরিকতা তাঁর শরীরী ভাষায় সুস্পষ্ট।

মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, নানা রকম আবেগ নিয়ে মানুষের মন এবং মনের সুস্থতার জন্য আবেগ যথা সময়ে, যথা স্থানে প্রকাশ করাই উত্তম। অথচ আবেগ প্রকাশের ক্ষেত্রে আমাদের সংস্কৃতিতে এক ধরনের ‘ট্যাবু’ আছে, বিশেষ করে মেয়েদের আবেগ প্রকাশে কত না বিধিনিষেধ! যেমন বলা হয়, তুমি অমুক-তমুক বা তোমার এত বয়স, তুমি হইচই আনন্দ করবে না, মেপে মেপে হাসবে, তোমাকে এটা মানায় না, ওটা করা উচিত না…

কিন্তু শেখ হাসিনা এসব ট্যাবু চ্যালেঞ্জ করে যথা সময়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করেন। যেমন, তাঁকে দেখা যায় উচ্ছ্বাস নিয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে, ক্রিকেটারদের সঙ্গে জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে, ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলতে, নাতনির সঙ্গে খেলতে, প্রিয় সংগীত শিল্পীর জন্মদিনে সাধারণের মতো ফোন করে শুভেচ্ছা জানাতে, বিমানযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে, বিশ্ব রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে আনন্দময় সময় কাটাতে। এসব ছাড়াও তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন, গান শোনেন, বই পড়েন এবং লেখালেখি করেন, যা মন ও আত্মার শুদ্ধতায় সহায়ক।

প্রকৃত দায়িত্বশীল মানুষেরাই নিজেদের মূল্যায়ন করে এবং নিজেদের যত্ন নেয়; প্রকৃত দায়িত্বশীল পেশাজীবীরা নিজেদের উপযুক্তভাবে কর্মক্ষম রাখায় সচেষ্ট থাকেন। এসবই একজন মানুষকে অধিক আত্মবিশ্বাসী করে, আর আত্মবিশ্বাস মানুষকে আত্মমর্যাদাশীল করে। আত্মমর্যাদাশীল মানুষেরাই অন্যকে মূল্যায়ন করতে পারেন, ভালবাসতে পারেন; নিজ পরিবারকে ভালবাসতে পারেন এবং দেশ-জনগণকে ভালবাসতে পারেন।

পরিস্থিতির কারণেই শেখ হাসিনা রাজনৈতিক পেশায় এসেছেন। দীর্ঘদিন থেকে তিনি দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। আমার মতে, তাঁর আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে, শেকড়ের সঙ্গে তাঁর দৃঢ় সংযোগ এবং তা থেকে আহরিত অভিজ্ঞতা। শৈশব-কৈশোরে গ্রামের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ, খুব কাছ থেকে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, তাদের মানসিকতা, সংস্কৃতি দেখার সুযোগ তাঁকে মানুষের প্রতি অধিক সংবেদনশীল করেছে।

অধিকন্তু, অন্যের আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার ক্ষমতা, মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং জনসেবার মূল্যবোধ তিনি পেয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে। কারণ, মানুষের আদর্শ-নীতি, মূল্যবোধের ভিত্তি তৈরি হয় শৈশব-কৈশোরে, পারিবারিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে।

বলা হয়, একজন ব্যক্তির বাল্যশিক্ষা-পর্যবেক্ষণ, পারিবারিক আদর্শ, নীতি-মূল্যবোধ তার কর্মজীবন প্রভাবিত করে। শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে এর অনেক উদাহরণ আছে। সাম্প্রতিক উদাহরণ হচ্ছে ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের বাড়ী তৈরি করে দেওয়ার অঙ্গীকার। এ ছাড়া, তাঁর রাজনৈতিক দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি, তাঁর প্রশাসনে সংসদের স্পিকারসহ মন্ত্রিসভায় সর্বোচ্চসংখ্যক নারীর অন্তর্ভুক্তি নারী অধিকারে তাঁর সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতাই প্রকাশ করে।

যে কোনো মানুষের মূল্যবোধ শাণিত করে শিক্ষা, সচেতনতা। শিক্ষা, জ্ঞান-দক্ষতা অর্জন এগুলো চলমান প্রক্রিয়া, যে কোনো পেশাজীবীর উন্নতিসাধনে যা অপরিহার্য। কোনো মানুষই সর্বজ্ঞানে জ্ঞানী নন, তাই উচ্চাকাঙ্ক্ষীরা প্রতিনিয়ত নিজের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সচেষ্ট থাকেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে হালনাগাদ রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, আমাদের দেশে দায়িত্বশীল পদের অনেকেই ‘অহম’-এ ভোগেন এবং মনে করেন, তাঁরা সবই জানেন, তাদের শেখার আর কিছু নেই!

এ ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা ব্যতিক্রম, তাঁর মধ্যে শেখার আগ্রহ এবং তা বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় প্রকাশ্যেই। তিনি গর্বের সঙ্গে স্বীকার করেন যে, তিনি তাঁর পুত্রের কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠ নেন। কমবয়সী, বিশেষ করে নিজ সন্তানের শিক্ষার্থী হওয়া তাঁর উদার এবং সমতায় বিশ্বাসী মানসিকতার প্রমাণ বহন করে।

পোশাক-সজ্জায় শেখ হাসিনা মার্জিত। আমাদের সংস্কৃতি অনুযায়ী তিনি চিরায়ত বাঙালি নারীর পোশাক শাড়ির সঙ্গে লম্বা হাতার ব্লাউজ পরেন, যা দেশে মেয়েদের পোশাক-পরিচ্ছদে চলমান আগ্রাসন চ্যালেঞ্জ করে।

যাই হোক, আমি তাঁকে আরও মনোরম শাড়ি পরিহিত দেখতে চাই। আমি পোশাক পরিকল্পক নই, কিন্তু নন্দনতত্ত্বের সামান্য জ্ঞান থেকে বলতে পারি, কারুকার্যময় মাঝারি (৩-৫ ইঞ্চি) পাড় দেওয়া এক-রঙা জমিনের শাড়িতে তাঁকে অধিক মনোরম দেখায়। অনুষ্ঠান অনুযায়ী সেটা টাঙ্গাইল, সিল্ক, জামদানি যে কোনো শাড়ি হতে পারে। জমিনের রঙের সঙ্গে মেলানো একই রঙের সুতার কারুকাজ করা জামদানী শাড়িতে তাঁকে দারুণ দেখায়। শাড়ির পাড়ের প্রধান বা বিশিষ্ট রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ– একেবারে পরিপূর্ণ সাজ!

অনেকে বিতর্ক করতে পারেন, একজন বিশিষ্ট রাজনীতিক, দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্বপ্রাপ্ত পেশাজীবীর ফ্যাশন সচেতন হওয়ার কী দরকার। আমার মত হচ্ছে, যে কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বিশেষ সেলিব্রিটি। একজন প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপনের ধরন, ব্যক্তিত্ব, মনোবল, নীতি-মূল্যবোধ, নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব অনেকের জন্যই আদর্শ, বিশেষ করে শেখ হাসিনার মতো একজন সফল নারী প্রধানমন্ত্রী দেশে-বিদেশে অনেক নারীর জন্যই অনুপ্রেরণা।

সীনা আক্তারসমাজবিদ, প্যারেন্টিং পেশাজীবী

২২ Responses -- “রাজনীতির বাইরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী”

  1. ইউসূফ

    বতমান বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জন্য তাঁকে অনেক ধন্যবাদ ৷
    আমৱা সবাই তাঁৱ জন্য মন ভৱে দোয়া কৱি৷
    খোদা হাফেজ ৷

    Reply
  2. M. Rana

    লিখাটা আর উপরের কমেন্ট গুলো পড়ে আমাকে মেনে নিতেই হচ্ছে যে, একজন মানুষ হিসাবে, একজন শাসক হিসাবে, একজন নেত্রী হিসাবে, একজন বোন হিসাবে, একজন মা হিসাবে, এজকজন নানি-দাদি হিসাবে শেখ হাসিনা উত্তম।
    কিন্তু কথা হলো, ১০০% সোনা দিয়ে যেমন গয়না হয়না, ১০০% লোহা দিয়েও কোন স্থিতিশীল ইস্পাত কাঠামো (স্ট্রাকচার ) বানানো যায়না, সেখানে, দুস্টদের (নিজ দলীয়, বিরোধী দলীয় ) হাত থেকে বাচতে হলে তো কিছু একটা করা দরকার।

    যেমন, নাসির নগরের ঘঠনায়, নিজ দলের লোক দের কি ভাবে আঈনের আওতায় আনেন , দেখার ইচ্ছা রইল। এই খানে, যেকোন ধরনের অবহেলা হলে, এত ভাল মানুষেরও কিন্তু মারাত্মক পরিনতি হতে পারে —

    Reply
  3. বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী

    একটি বিষয় যোগ করলে ভালো হতো। ব্রিজ বানিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি শিশুর চিঠির জবাব দিয়ে যে সংবেদনশীলতা,উদারতা ও সহজ স্পর্শী মননের পরিচয় তিনি দিয়েছেন – ক্ষমতা আর রাজনীতির বেড়াজালে তা বন্দি থাকবে না।

    Reply
  4. শরীফ আহমেদ

    ইন্টারেষ্টিং। ফ্যশন-ই যদি আপনার আগ্রহের বিষয় হয় তাহলে আশা করি খালেদার ব্যপারেও লিখবেন। আর দলীয় চিন্তা থেকে লিখে থাকলে অবশ্য কিছু বলার নাই।

    Reply
    • Jamil

      খালেদা জেয়া লেখালেখির পর্যায়ের মত কোন ব্যক্তিত্ব নন। আশা করি েএটুকু বোঝার ক্ষমতা আপনার আছে…

      Reply
  5. mintu lal mandol

    রবীন্দ্রনাথের সেই লাইনগুলো মনে পড়ল লেখাটা পড়ে। সহজ কথা যায় না বলা সহজে। কিন্তু লেখিকা খুব সহজ করে অনেক কঠিন কথা লিখেছেন। ভালো লেগেছে লেখাটা পড়ে। লেখিকাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  6. মোঃ শামসুল আলম

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন সফল মা, রাষ্ট্রনায়ক, বিবেচক, গুণী মানুষ ।

    Reply
  7. Rohan Chowdhury

    আবেগ প্রকাশের ক্ষেত্রে আমাদের সংস্কৃতিতে এক ধরনের ‘ট্যাবু’ আছে, বিশেষ করে মেয়েদের আবেগ প্রকাশে কত না বিধিনিষেধ! যেমন বলা হয়, তুমি অমুক-তমুক বা তোমার এত বয়স, তুমি হইচই আনন্দ করবে না, মেপে মেপে হাসবে, তোমাকে এটা মানায় না, ওটা করা উচিত না…
    শেখ হাসিনা এসব ট্যাবু চ্যালেঞ্জ করে যথা সময়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করেন। যেমন, তাঁকে দেখা যায় উচ্ছ্বাস নিয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে, ক্রিকেটারদের সঙ্গে জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে, ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলতে, নাতনির সঙ্গে খেলতে, প্রিয় সংগীত শিল্পীর জন্মদিনে সাধারণের মতো ফোন করে শুভেচ্ছা জানাতে, বিমানযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে, বিশ্ব রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে আনন্দময় সময় কাটাতে। এসব ছাড়াও তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন, গান শোনেন, বই পড়েন এবং লেখালেখি করেন, যা মন ও আত্মার শুদ্ধতায় সহায়ক।

    Reply
  8. Ranjan Dutta

    বিশ্ব নারী নেতৃত্বে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রোল মডেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ধন্যবাদ লেখিকাকে সুন্দর নিবন্ধের জন্য |

    Reply
  9. Ali Adam

    ইতিহাস সচেতন ও দেশপ্রেমিক বাঙালি হলে আপনাকে অবশ্যই শেখ হাসিনাকেই সমর্থন করতে হবে…

    Reply
  10. Ali Adam

    শিক্ষা-জ্ঞান ও দক্ষতায় দক্ষিন এশিয়ার শুধু নয়,বিশ্ব নারী নেতৃত্বের রোল মডেল শেখ হাসিনা,উন্নয়ন ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসি,লেখিকাকে ধন্যবাদ সুন্দর নিবন্ধের জন্য

    Reply
  11. Ali Adam

    দক্ষিন এশিয়ার শুধু নয়,বিশ্ব নারী নেতৃত্বের রোল মডেল শেখ হাসিনা,উন্নয়ন ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসি,লেখিকাকে ধন্যবাদ সুন্দর নিবন্ধের জন্য

    Reply

Leave a Reply to NITU Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—