বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বেশ কয়েকশ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য দেশ ছাড়ছে। বিশেষ করে, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান তাদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। তবে এখনও এ দুটি দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগের চেয়ে স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। এদের অধিকাংশই স্নাতকোত্তর ও ডক্টরাল প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী। এদের মৌলিক উদ্দেশ্য ভালোভাবে পড়াশোনা ও গবেষণা করা।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিতে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উগ্রবাদ প্রচারণায় ব্যস্ত। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি দেশের মৌলিক স্তম্ভগুলো আঘাত করে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের বড় অংশটির ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল ঘেঁটে ভয়ানক উগ্র-মানসিকতার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। আবার আরেকটি বড় অংশ নীরবে সেসব উগ্রবাদী পোস্টে লাইক দিয়ে কিংবা কমেন্ট করে তাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

জাপানে ও দক্ষিণ কোরিয়াতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহু নেতা উচ্চশিক্ষায় রয়েছে। তারাই নানা কৌশলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের নীরব উত্থান ঘটাচ্ছে। দেশ দুটির বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের মতাদর্শের শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম, সেসব স্থানে তারা বাকি ছাত্রদের সঙ্গে আপস করে চলছে। তবে নিজেদের দল ভারী করার জন্য ধর্মের নানা অনুষঙ্গ ব্যবহার করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ ছাত্রদের কাছে টানার চেষ্টা করছে। আর যেসব ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবির সংখ্যাগুরু, সেসব ক্যাম্পাস বাংলাদেশিদের জন্য স্রেফ আরেকটি ‘পাকিস্তান’।

বহু ক্যাম্পাস রয়েছে যেখানে প্রগতিশীলরা একঘরে হয়ে বসে আছে। সেসব ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সংহতি বাড়ানোর জন্য প্রতি সপ্তাহেই ‘গেট টুগেদার’-এর আয়োজন করে। বিভিন্ন শহরে প্রায়ই ঘুরে বেড়ায়। জাপানের ও দক্ষিণ কোরিয়ার বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে, বিশেষ করে যেখানে শিবিরের প্রভাব বেশি, সেখানে গেট টুগেদার একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। অনেকেরই ধারণা, ছাত্রশিবিরের এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার জন্য কেন্দ্র থেকে কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে অনুদান নেওয়া হয়, যা কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করা হয়।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ছাত্রশিবির খুবই কৌশলে একটি ভয়ানক জাল দেশ দুটিতে বিস্তার করছে। এই জাল থেকে মুক্তি পাওয়া যে কোনো ধর্মপ্রাণ সাধারণ ছাত্রের পক্ষে কঠিন। ধর্মের নামে তারা সাংগঠনিক শক্তি এবং ব্যাপ্তি বাড়াচ্ছে। ধারণা করা যায়, দেশ দুটিতে পড়তে আসা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় অর্ধেকই ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় জামায়াত-শিবিরের উগ্র আদর্শ সমর্থন করছে।

দেশের বিরুদ্ধে জনমত গড়তে গোষ্ঠীবদ্ধভাবে সরকার ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে নানা প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে দেখা যায়। নতুন কর্মী সংগ্রহ করতে ছাত্রশিবির যখন যা দরকার তা-ই করছে। জাপান ও কোরিয়াতে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অন্যান্য দেশে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চেয়ে দুটি বিষয়ে আলাদা। যারা এ দেশ দুটিতে আসছে, তাদের ৯০ শতাংশই আসছে মাস্টার্স ও ডক্টরাল প্রোগ্রামে। তাদের আসার আগে অবশ্যই স্কলারশিপ নিশ্চিত করতে হয়।

এমতাবস্থায় বলা যায়, বাংলাদেশের মেধাবীদের একটি বিরাট অংশ জাপান ও কোরিয়াতে আসছে। জামায়াত-শিবির খুব পরিকল্পিতভাবেই জাপান ও কোরিয়াতে আসা শিক্ষার্থীদের টার্গেটে নিয়েছে। যখন সময় ও সুযোগ হবে, জামায়াত-শিবির তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে সুবিধাজনক স্থানে বসিয়ে দেবে। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। বাংলাদেশে ছাত্রদল করা একজন শিক্ষার্থী কোরিয়াতে এসে শিবিরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হল। শিবিরের হাত শক্তিশালী করতে চার বছর নানা ভূমিকা পালন করল। বছর খানেক আগে সেই শিক্ষার্থী বাংলাদেশের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে গেল।

প্রাকাশ্য ও গোপনীয় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নামে বিষোদগার করে বিদেশিদের কাছে জামায়াত-শিবির বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তাদের কর্মকাণ্ড দেখে বিদেশিরা বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পাচ্ছে।

গুলশান হামলাতে সাত জাপানি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে জাপানিদের একধরনের বৈরিতাও বিরাজ করছে। হামলার পর সাধারণ বাংলাদেশিদের প্রতি জাপানিদের দৃষ্টিভঙ্গির আকাশপাতাল পরিবর্তন সূচিত হয়। তবু জামায়াত-শিবিরের উগ্র কর্মকাণ্ড থেমে নেই। অনলাইনে নিজেরা বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপ খুলে সময় ও সুযোগ বুঝে নিজেদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে আইএসের মতাদর্শ ধারণকারীদের সংখ্যাও জাপানে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জাপানি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

পাঁচ বছর আগেও জাপানে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে আজ তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অর্ধ-ডজন সংগঠন তৈরি করে নানা উগ্র কর্মকাণ্ড, সরকার ও দেশবিরোধী প্রচারণায় মাঠে এগিয়ে যাচ্ছে জামায়াত-শিবির। খুব দ্রুতই জাপানের বড় বড় শহর থেকে ছোট ছোট শহরগুলোতেও ছাত্রশিবিরের কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ছে।

জাপানে জামায়াত-শিবিরের উত্থান বেশি দিন আগে থেকে শুরু হয়নি। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা জাপানে শিকড় গজানো শুরু করে ২০০১ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় থেকে। সেই সময় ঢালাওভাবে ছাত্রশিবিরের কর্মীদের জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পাঠিয়ে দেওয়ার ফসল তারা এখন পাচ্ছে। সে সময় থেকে জাপান সরকারের স্কলারশিপ ‘মনবুশো’ নিয়ে পড়তে এসে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেদের সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে থাকে। অধিকন্তু, বহু প্রবাসী বাংলাদেশিদের– যারা বহু বছর ধরে জাপানে আছে– তাদের অনেককেই জামায়াত-শিবির নিজেদের আদর্শে অনুপ্রাণিত করছে। ফলে ব্যাকটেরিয়ার কালচারের মতো শিবিরের কার্যক্রম খুব বিস্তৃতি লাভ করছে।

জাপানের মতো একই পদ্ধতি ব্যবহার করে জামায়াত-শিবির কোরিয়াতে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন এমন কোনো শহর পাওয়া যাবে না, যেখানে জামায়াত-শিবিরের কার্যক্রম নেই। ২০১২ সাল পর্যন্ত কোরিয়াতে জামায়াত-শিবিরের কোনো অস্তিত্ব সেই অর্থে ছিল না। এখন এটি ভয়ানক আকার ধারণ করছে।

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশ এখন জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। যেখানে তারা সংখ্যায় কম, সেখানে তারা নিজেদের মধ্যে গোপন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। প্রতি সপ্তাহে নিজেরা মিলিত হয়ে নতুন নতুন কৌশল প্রণয়ন করে নিজস্ব আদর্শিক জগতে ধর্মপ্রাণ সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক ঘৃণা থেকে বাঁচার জন্য ছাত্রদলের খোলস পরে অনেকেই শিবিরের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। অনেকেই আবার আওয়ামী লীগের পরিবারের সদস্য হিসেবে বাইরে প্রচার এবং গোপনে ছাত্রশিবিরের কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

মজার বিষয় হল, এখন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একটি দল ক্ষমতায় থাকার পরেও অধিকাংশ স্কলারশিপ নিয়ে জামায়াত-শিবিরের আদর্শিক লোকেরাই জাপান আসছে। প্রশ্ন হল, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও কীভাবে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সেই সুযোগ পাচ্ছে? কারা তাদের সেই সুযোগ করে দিচ্ছে?

প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে জাপান সরকারের বৃত্তি ‘মনবুশো’ নিয়ে অন্তত আড়াইশ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। দুটি আলাদা প্রক্রিয়ায় এ স্কলারশিপের চূড়ান্ত তালিকা করা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুপারিশক্রমে ঢাকাস্থ জাপানের দূতাবাস একটি স্কলারশিপ মনোনীতদের তালিকা চূড়ান্ত করে। আরেকটি হল, জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি সুপারিশ ক্রমে মনোনীতদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। জাপান দূতাবাস মূলত বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দ্বারা সুপারিশকৃত তালিকা হালকা স্ক্রিনিং করে জাপান সরকারের বিজ্ঞান, শিক্ষা-খেলাধূলা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

গত কয়েক বছর ধরে জাপানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর কাছে একটি বিষয় বেশ পরিষ্কার হয়ে গেছে। সেটি হল, বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সুপারিশে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষায় আসা বড় একটি অংশ জামায়াত-শিবিরের সমর্থক; অনেকেই আবার ছাত্রশিবিরের পদে থাকা নেতা। জামায়াত-শিবিরের আঁতাতের ফলে অত্যন্ত সুকৌশলে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘মনবুশো’ স্কলারশিপের জন্য জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও দলটির আদর্শিক চিন্তা-ধারকদের মনোনীত করছে। এটি এখন বেশ পুরনো অভিযোগ।

একটি উদাহরণ দিলেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মার উপস্থিতি ভালোভাবে বোঝা যাবে। কয়েক বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ছাত্রশিবিরের নেতাকে ‘মনবুশো’র জন্য মনোনীত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অথচ তার অ্যাকাডেমিক রেকর্ড অন্যান্য আবেদনকারীর তুলনায় খুবই খারাপ ছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সবচেয়ে নামকরা বৃত্তি হল ‘কোরিয়ান গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’ (সংক্ষেপে ‘কেজিএসপি’)। এটি ঠিক ‘মনবুশো’ বৃত্তির নির্বাচন পদ্ধতির মতো না হলেই বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রভাব থাকে বলে শোনা যায়। ঢাকাস্থ কোরিয়ার দূতাবাস মনোনীতদের তালিকা চূড়ান্ত করে। এটি এখন আর ধারণার বিষয় নয় যে যারা ‘মনবুশো’ ও ‘কেজিএসপি’ স্কলারশিপে নিয়ে আসছে, তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ জামায়াত-শিবির আদর্শিক ঘরনার।

কয়েক বছর আগেও কেজিএসপিতে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রাধান্য দেখা যেত। এখন আর সেটি নেই। এখন যারা এ স্কলারশিপ নিয়ে আসছে তাদের বড় একটি অংশ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের। কেজিএসপি যেহেতু জিপিএ-ভিত্তিক একটি স্কলারশিপ, ফলে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সুযোগটি হাতিয়ে নিচ্ছে।

মনবুশো ও কেজিএসফি স্কলারশিপ প্রদানের আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সুপারিশ। আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।

অন্যদিকে জাপানের ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তারা জাপানে বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজের সুযোগ কিংবা কারিগরি কলেজগুলোতে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়ে দেশ থেকে জামায়াত-শিবিরের চিহ্নিত তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদেরও জাপানে আনছে। এই ব্যবসায়ীদের সিংহভাগই গাড়ি রপ্তানি কাজে নিয়োজিত। এ ছাড়া কলিং কার্ড সেবা, হালাল সামগ্রী সরবরাহ, রেমিটেন্স ব্যবসাসহ বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে পড়ছে জামায়াত-শিবির। এরা মূলত জাপানে তাদের কর্মীদের চাঙ্গা করার দায়িত্বে নিয়োজিত।

ঠিক একই চিত্রটি কোরিয়াতে বিরাজ করছে। যদিও প্রথম সারির বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তবে তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত। কোরিয়াতে আওয়ামী লীগের মোট তিনটি কমিটির কথা শোনা যায়। অন্যদিকে বিএনপি সেই অর্থে কোরিয়াতে নেই। আবার আওয়ামী লীগ-বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদাভাবে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আঁতাত করে চলে।

উপরন্তু, অনেকেই আছে বিএনপির খোলস পরে গোপনে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের কোরিয়া কমিটির প্রাক্তন এক নেতা ও ব্যবসায়ী দিনের পর দিন সিউলের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরে এক নেতার সরকারবিরোধী নানা ফেসবুক পোস্টে ‘লাইক’ দিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শেখ হাসিনাকে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করে যেসব পোস্ট দেওয়া হয়, সেগেুলোতেও আওয়ামী লীগের এই নেতার ‘লাইক’ দেখা যায়।

জামায়াত-শিবির দেশে কোণঠাসা। তারা এখন ইউরোপ ও নর্থ-আমেরিকার মতো পূর্ব-এশিয়াতেও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। জামায়াত-শিবিরের বিদেশি বোদ্ধারা ‘উচ্চশিক্ষার’ ছত্রছায়ায় শিবিরের মেধাবী ও আগামীর নেতৃত্বে তৈরি করার অভিনব কায়দায় নেমেছে।

জাপানে ও কোরিয়াতে জামায়াত-শিবির ভিন্ন কৌশলে এগিয়ে চলছে। তারা জামায়াত-শিবিরের নামে প্রচারণা করছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন নামে পেজ খুলে কিংবা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে নিজেদের বিষাক্ত আদর্শ ছড়াচ্ছে। যেমন: ‘সেভ হিউম্যানটি ইন বাংলাদেশ’, ‘ইসলামিক মিশন’, ‘ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন’, ‘জাপানবাংলানিউজ’, ‘প্রবাসে বাংলাদেশ ডটকম’ ও ‘সিএনএনটিভি’সহ অন্তত ডজনখানেক সংগঠনের নামের আড়ালে জামায়াত-শিবির প্রচারণা চালাচ্ছে।

যুদ্ধাপরাধী নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, মীর কাসেমের ফাঁসির পর এই অনলাইন গ্রুপগুলোতে শুধু অপ্রচারই চালায়নি, খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্লীল ও অশালীন ছবি পোস্ট করে উল্লাস করতে দেখা যায়।

গত ২৬ ও ২৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান সফরের সময় বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে জামায়াত-শিবির বিক্ষোভ করে যুদ্ধাপরাধী কামরুজ্জামান-মুজাহিদ ও অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের ‘মুমিন বান্দা’ বলে আখ্যা দিয়ে রাস্তায় নামে। জাপানি পত্রিকাগুলোকে ফোকাস আনতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা জাপানি ভাষায় বক্তব্য দেয়।

জাপানের জামায়াত-শিবিরের দুর্গ হিসেবে পরিচিত কাগুশিমা, সায়তমা, কোবে, ওসাকা ও চিবাতে মসজিদে মসজিদে জাপানি, ইংরেজি ও বাংলায় লেখা ব্যানার নিয়ে ‘মাতম’ করতে দেখা যায়।

জাপানের মতো কোরিয়ার কিছু শহর জামায়াত-শিবিরের দুর্গ হিসাবে বেশ পরিচিতি পাচ্ছে। বিশেষ করে সিউল, দেজন এবং জিঞ্জুতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। দেজনে ছাত্রশিবিরের এক নেতা প্রতি সেমিস্টারেই বাংলাদেশ থেকে অনেক ছাত্রকে বেনামি কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে নিয়ে আসছে, যাদের অধিকাংশই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী। কোরিয়ার অন্যান্য শহরগুলোতেও জামায়াত-শিবির ঘাঁটি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কিছু কিছু শহরে জামায়াত-শিবির বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

কোরিয়াতে জামায়াত-শিবিরকে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে দেয় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের একটি সংগঠন। সংগঠনটির নাম ‘Bangladeshi Student’s Association in Korea’ (সংক্ষেপে ‘BSAK’)। সংগঠনটির জন্মের সময় সদস্যসংখ্যা ছিল ৩২; বর্তমানে সদস্যসংখ্যা সহস্রাধিক। শুরুতে সংগঠনটির নেতৃত্বে ছিল উদারপন্থীরা। বাম আদর্শে বিশ্বাসীরা যেমন ছিল, তেমনি ছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আদর্শের মানুষ।

জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংগঠনটির উদারপন্থী নেতাদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন করে সংগঠনটির নেতৃত্ব হাতে নেয়। সংগঠনটি গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন ‘গেট টুগেদার’ ছাড়া অন্য কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে না। শিবিরের নেতাকর্মীদের হাতে নেতৃত্ব যাওয়ার পরে ধীরে ধীরে প্রথমে আওয়ামী লীগপন্থীদের এবং পরে বিএনপিপন্থীদের সরিয়ে দেয়।

বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েকজন ভাসমান উদারপন্থীদের সংগঠনটির নেতৃত্বে নিয়ে আসা হয়; তবে অনেকেই টিকতে পারেনি। এই সংগঠনটি যখনই ছাত্রশিবিরের হাতে চলে যায়, তখনই ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত গেট টুগেদারে একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে কথা বলা বন্ধ করা হয়, বন্ধ ছিল রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া।

প্রায় প্রতিটি গেট টুগেদারে সংগঠনটি একটি সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করত। আগে সম্পাদনার দায়িত্ব ছিল উদারপন্থীদের হাতে, পরে সেটি চলে যায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের হাতে। একাত্তর নিয়ে গল্প প্রকাশ করতে দেয়নি সেই সাহিত্য সাময়িকীতে সম্পাদনার দায়িত্বে থাকা জামায়াত-শিবির। মূলত এই সংগঠনটির মাধ্যমেই জামায়াত-শিবির তাদের মতাদর্শের মানুষদের খুঁজে পায়। পরবর্তীতে তারা আলাদা সামাজিক গ্রুপ খুলে নিজেদের চিন্তাচেতনার প্রসার ঘটায়। এখন অন্যান্য সামাজিক সংগঠন খুলে নিজেদের আরও সুসংহত করছে। সামাজিক বৈধতার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি কৌশল করে নিশ্চিত করে নিচ্ছে জামায়াত-শিবির।

ঢাকায় আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর জাপানের গোয়েন্দারা বাংলাদেশিদের প্রতি নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার একজন শীর্ষ কর্মকর্তা লেখকদের একজনকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গি সংগঠন আইএসকে অন্তত ২০ বাংলাদেশি অর্থসহায়তা দিয়েছেন বলে তাদের ব্যাংক আকাউন্ট তলবে উঠে এসেছে। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, এরা সবাই ইসলামিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জাপান প্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামের জনার্দন দেবনাথের ছেলে সুজিত চন্দ্র দেবনাথই পরবর্তীতে ধর্মন্তারিত হয়ে সাইফুল্লাহ ওজাকি ‘মনবুশো’ স্কলারশিপে ২০১১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার পর রিসুমেকান ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছিলেন। আইএসে যোগ দেওয়ার আগে এই বাঙালি জাপানের অন্যতম ‘সুমিতমো ব্যাংক’ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ইয়েন (জাপানি মুদ্রা) অনলাইন ব্যাংকিং মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ের একটি ব্যাংকে লেনদেন করেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়। আইএসে যাওয়ার আগে এই ওজাকি জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক গোষ্ঠীদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠক করতেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যে উগ্রবাদের চাষাবাদ হচ্ছে সেই বিষয়ে সম্যক ধারণা জাপানে ও কোরিয়াতে বাংলাদেশের দূতাবাসের আছে বলে মনে হয় না। দূতাবাসগুলো কেবল কিছু পাসপোর্ট প্রদান এবং বাংলাদেশ থেকে আগত সরকারের প্রতিনিধিদের প্রটোকল দেওয়া মধ্যেই নিজেদের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখছে বললে ভুল হবে না।

দেশের বিরুদ্ধে প্রচারণা রুখতে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত বরাবর ইমেইল করেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেওয়া টেলিফোন নম্বরে ফোন করে তাদের পাওয়া যায়নি।

উগ্রবাদ নিরসনে সিউলস্থ বাংলাদেশের দূতাবাসকেও তেমন কোনো কর্মসূচি নিতে দেখা যায় না। রবং অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উত্থাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশের দূতাবাসের সুপারিশে ‘উজং স্কলারশিপ’ নামে একটি স্কলারশিপ দেওয়া হয়। বহু ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মী অপেক্ষাকৃত কম জিপিএ নিয়ে সেই স্কলারশিপ পাচ্ছে। দূতাবাসের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের একাংশের ভালো সম্পর্কের কারণেই এমনটা হচ্ছে বলে বাংলাদেশ কমিউনিটিতে আলোচনা রয়েছে।

এমতাবস্থায় জাপানে ও কোরিয়াতে ছাত্রশিবিরের উত্থান ঠেকাতে হলে সবার আগে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ‘জামায়াত-শিবিরপ্রীতি’ বন্ধ করতে হবে। দেশ দুটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা– যারা উদার মতবাদে বিশ্বাসী– তাদের একটি প্লাটফর্মে আসতে হবে। ধর্মকে সামনে রেখে যেন ছাত্রশিবির কোনো ক্যাম্পাসে ঘাঁটি গড়তে না পারে, তা প্রবাসীদেরই নিশ্চিত করতে হবে। দূতাবাসগুলোকে আরও সতর্ক হতে হবে যেন দূতাবাসের কোনো কর্মকাণ্ডে ও নিষ্ক্রিয়তার ফলে জাপানে ও কোরিয়াতে ছাত্রশিবির অনুপ্রাণিত ও শক্তিশালী না হয়।

 

লেখকদ্বয়–
বিজন সরকার ভাষা গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং
নাদিম মাহমুদ জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।

১০১ Responses -- “ভিনদেশেও ছাত্রশিবিরের অপতৎপরতা”

  1. এ কে শাহজাহান

    ছাত্রশিবির মেধাবী ! এটা কাগজে বানানো, বাস্তবে এদের কে মেধাবী বানিয়ে অপকৌশল অবলম্বন করে বিদেশে পাঠানো হয়, আসলে কি এরা মেধাবী ? আমি যতটুকু দেখেছি এরা যখন শিবির হয় তখন এদের মাঝে সাভাবিক মানবিকতা থাকে না এদেরকে দেখেছি আপন ভাই ভাবীকে ঘরে আটকে আগুন লাগিয়ে দিতে।

    এদের কে মেধাবী না বলে বলা উচিত ছিল এরা ভয়ংকর অপ-কৌশলী তবে মানুষ হত্যায় এরা যথেষ্ঠ মেধার স্বাক্ষর বহন করে।

    Reply
  2. Awlad

    হা হা হা যায় হোক শিবির যে মেধাবীদের কারখানা সেটা স্বীকার করতে হয়েছে…এই শুভ তৎপরতা চলতেই থাকবে…প্রথম আলো, বিডি নিজ টাইপের পত্রিকা গুলো রিপোর্ট লিখতেই থাকবে…কোন কাজে আসবেনা…

    Reply
  3. আবু বকর

    ২০০১ সালের দিকে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঐ সব দেশে গিয়ে থাকলে এখনও তারা ওখানে থাকছে কি করে? শিবির তাদের বস্তাপচা আদর্শ দিয়ে কীভাবে মেধাবীদের কাবু করে আর মেধাবীরাইবা কি করে স্বাধীনতা বিরুধীদের শিকারে পরিনত হয়? অধমের জ্ঞান এখানে এসে থমকে আছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকলে মেধাবীরাও সতর্ক হতে পারতো, আমার মত বেআক্কেলদেও জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত হতো।

    Reply
  4. Soroar

    ৫ বছরের মেয়ে পূজাকে ধর্ষনের খবর শোনার পর গত কয়েক বছরের শিশু নির্যাতন, ধর্ষন ও হত্যা বিষয়ক পরিসংখ্যান দেখলে আপনি নিজেই আরো ভড়কে যাবেন… ১। রাজন হত্যার ভিডিও থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে সৌদি থেকে ধরে আনার পরেও ২০১৫ তে ফাঁসির রায়ের পরেও ফাঁসি হয়নি এখনো। ২। শিশু রাকিবের পশ্চাদপদ দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা করার পর ২০১৫ তে ফাঁসির আদেশ হলেও অজ্ঞাত কারনে সেই বিচারের আর কোন খবর নেই। ৩। ক্রিকেটার শাহাদাত তার কাজের মেয়েকে বেধড়ক মারধরের পর কোনরকমে বেঁচে যাওয়া মেয়েটির মামলা নিস্পত্তি হয় আপোষে টাকা দিয়ে। ৪। সাতক্ষীরায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বাসায় নির্যাতিত শিশুটির চুল কাটা, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুনের পোড়ার ক্ষত ছিল, কোন আপডেট নেই আর। ৫। খুলনায় ১৩ বছরের সীমাকে গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রী শুধু হত্যাই করেনি, দীর্ঘ নয় মাস ডিপ ফ্রিজে রেখে দিয়েছিল, তারপর কি হয়েছিল কেউ জানেনা। ৬। পাঁচ বছরের মেয়েকে পাশের বাড়ির ভাবির জিম্মায় রেখে কাজে গিয়েছিলেন মা। ওই ভাবির ভাই এক ফাঁকে মেয়েটিকে নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। ৭। মোহাম্মদপুর এলাকার একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্র সেই মাদ্রাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষিত হবার পর পুলিশ ওই শিক্ষককে ধরলে মাদ্রাসা শিক্ষক নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার করেছিল, কিন্তু তারপর? ৮। আট বছরের শিশু সামিয়াকে ঘিঞ্জি এলাকায় একা বাসায় রেখে পানির কল থেকে পানি আনতে যাওয়ার সময় প্রতিবেশি তাকে ধর্ষন করে, মেয়েটি শুধু বলতে পেরেছিল মা দাদা আমার পাজামা খুলেছে। ৯। বরিশালের বানারীপাড়ায় ভাড়াটিয়া রিকশাচালক রিপন শেখের ছেলে ৩ বছরের শিশু হাফিজুরকে কান্না না থামানোর কারণে বাড়িওয়ালার স্ত্রী নুপুর বেগম আছাড় দিয়ে হত্যা করে। ১০। বাহুবলে সুন্দ্রাটিকি গ্রামে হবিগঞ্জের বাহুবলের সুন্দ্রাটিকী গ্রামে এক পরিবারের চারশিশুকে অপহরণ, গুম ও খুন করার চারদিন পর শ্রমিকরা বালু উত্তোলন করতে গেলে লাশ পায়। উপরে লেখা ঘটনাগুলি কমবেশি আলোচিত, এরকম কম হলেও আরো ১০-১৫টি ঘটনা (ত্বকী হত্যা সহ) আলোচিত ছিল। ২০১৫ তে শিশু ধর্ষনের সংখ্যা ৫২১, ২০১৪ তে ১৯৯, ২০১৩ সালে ১৭০ এবং ২০১২ সালে ছিল ৮৬। আর খুনের ক্ষেত্রে সংখ্যা ২০১৫ সালে ২৯২ জন, ২০১৪ সালে ৩৬৬ জন ও ২০১৩ সালে ২১৮ জন এবং ২০১২ সালে ২০৯ জন হত্যার শিকার হয়। গত দুই বছরে মাবাবার হাতে খুন হয়েছে ৯০ জন শিশু। এই পরিসংখ্যানগুলি পত্র পত্রিকা থেকে নেয়া, এর বাইরে হাজার হাজার ঘটনা মিডিয়ায় আসেনি, সংখ্যা তিন বা চারগুন হবে। এইসব শুনলে, দেখলে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়, লজ্জিত মনে হয়? collected

    Reply
  5. মামুন

    লেখাটা অনেক ভাল লাগলো। এককথায় জামাত শিবির এখন বর্হিবিশ্বে কল্পনাতীত অবস্থানে। আমাদের কাজ এখন আঙ্গুল চোষা।

    Reply
  6. তোফায়েল আহমদ

    লিখাটি যখন পড়া শুরু করেছিলাম ভালোই লেগেছিলো, তবে সময়ের সাথে সাথে স্পষ্ট হলো যতটুকু দেশপ্রেম দেখিয়ে লিখা শুরু হয়েছিলো শেষে তা ব্যবসায়ীক, নের্তৃত্ত্ব, হিংসার গন্ধ দিয়েই শেষ হলো। লেখকদ্বয়ের কাছে অনেক প্রশ্ন ছিলো উত্তর দিবেন না, এজন্য প্রশ্ন না করেই থাকলাম এ বিষয়ে।
    বাংলাদেশের প্রগতিশীলরা আজ প্রশ্ন করতে পারে?
    তারা কি প্রশ্ন করলে এখন উত্তর পায়?

    Reply
  7. জুয়েল রানা

    অনেক দিন ধরেই এমন একটি লেখা খুজতে ছিলাম। লেখকদ্ব্যকে স্যালুট। কেউ এই বিষয়গুলি নিয়ে মুখ খুলত না।
    বাঁশেরখেল্লা শেয়ার করতেন এমন একজন নেতা BSAK নামক সংগঠনটিতে বেশ প্রভাবশালী। উনার নাম গোলাম হাফিজ। উনি সংগঠনটির নেতা হওয়ার পরে এখন মুখোশ পরে খুব কৌশলে নীরব কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বাঁশের খেল্লা শেয়ার করছে মানে উনিই এই কাজটি করতে পারে। উনিই হয়ত প্রতিবাদলিপিটি বাঁশেরখেল্লা সহ অন্যান্য শিবিরের পেইজে পাঠিয়েছে।
    অনেক তথ্যই আসেনি। আরও অনেক আছে যারা সিউলে জামায়েত-শিবিরের কাঁধে কাঁধ মিলে চলাফেরা করছেন আর বলছেন আমরা প্রগতিশীল। আমরা সরকারের লোক।
    সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। কোরিয়া ও জাপানে জামায়েত -শিবির এখন ভয়ংকর বাস্তবতা।

    Reply
    • চাদ থেকে

      জামাত/শিবিরের এই হলো এক সমস্যা। মুখে বলতে পারবে না যে আমি শিবির/জামাত। এরা হলো ভাইরাসের মত, সুই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোয় । মডারেট দের কখনো এর প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। যেমন এইখানেই অনেকে জাপান থেকে কোরিয়া থেকে বলতেছেন, তারা শিবির দেখেন না আবার কোনো রাজনৈতিক দল ও করেন না। ভাই নিজে জামাত/শিবির করলে/হলে তো চোখে দেখবেনই না। কেউ কেউ আবার শিবিরের আদর্শের কথা বলতেছে, ওদের আদর্শ তো দেশের স্বাধীনতার বিরোধী আদর্শ, সেই জন্মলগ্ন থেকে। সেটা কখনো পাল্টাবে না। সুতরাং যারা সেই আদর্শের কথা বলছে তারা দেশটাকে আবার পাকিস্থান বানাতে চাইছে।

      Reply
    • Md Aminul Haque

      কিসের ভিত্তিতে আপনি গোলাম হাফিজ সম্পর্কে এমন মন্তব্য করলেন বুঝলাম না। আমি ওনার মত নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ানো মানুষ খুব কম দেখেছি। ওনার ক্যাম্পাসেরও কেওই বোধই বিশ্বাস করবেন না যে উনি জামাত বা শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

      Reply
      • জুয়েল রানা

        বিশ্বে বহু অপরাধী আছেন যারা ব্যক্তি হিসাবে খুবই ভাল, তবে আদর্শ ভয়ঙ্কর। উদাহরণস্বরূপ, পাবলো এস্কবার ছিলেন বিশ্বের মাদক সম্রাট। তবে মানুষ হিসাবে বিশাল পরোপকারী।
        ফলে গোলাম হাফিজ সাহেব মানুষ হিসাবে কেমন সেটি এখানে আলোচনার বিষয় নয়। আলোচনার বিষয় তিনি বাঁশের খেল্লা সহ জঙ্গিপনা উদ্বদ্ব করে এমন পোস্ট দিতেন কি না? উত্তর টি হল “ হ্যাঁ”।
        আমার জীবনের একটি বড় অংশ কোরিয়াতে, বর্তমানে অন্য একটি দেশের স্থায়ীভাবে আছি। আমি উনাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, দেখা হয়নি কখন। উনার ফেবুর ফ্লয়ার ছিলাম দীর্ঘ দিন। উনি ২০১৩ থেকে সে সকল পোস্ট দিতেন সব গুলিই বাঁশের খেল্লা, বিশ্ব তরুণ প্রজন্ম সহ জামাতি ভাইদের পোস্ট। উনি বিসিক নামক সংগঠনটি যাওয়ার পর মুখোশ পরে ফেলেন এবং সকল পোস্ট ডিলেইট করে দেন।
        কাদের মোল্লাদের ফাঁসির পর উনি সে সকল পোস্ট দিয়েছেন তাতে বুঝা হায় উনি একজন স্থির ধীর উগ্র স্বভাবের মানুষ।

        এই মানুষগুলি যখন সারা কোরিয়ার ছাত্র সংগঠনের নেতা হয়, বুঝতে বাকী থাকে না “ডাল ম্যা কুছ কালা হ্যায়”।

  8. অমিত

    বাঁশেরখেল্লা সহ জামায়েত শিবিরের ফেইজগুলিতে এই লেখার একটি প্রতিবাদ ভাইরাল হয়ে গেল। ফলে বুঝতে বাকী নেই যে কোরিয়ার এই ছাত্র সংগঠনটি জামায়েত শিবিরের খপ্পরে।

    Reply
  9. ইয়াছিন আহমদ

    জামাত শিবির তাদের আদর্শ দিয়ে মানুষের মন জয় করছে।আপনারা পারেন না কেন? মিডিয়ায় বড় বড় কথা শুনি কিন্তু কাজের বেলা আপনারা কই? বড় বড় কলাম লেখেন কিন্তু ওদের মত সংগঠিত হতে পারেন না কেন? আমি ব্যাক্তিগতভাবে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নয় তবে ওদের দলের প্রতি ওদের যে ত্যাগ তা আমাকে বিস্মিত করে।

    Reply
    • Sazzad Hossain

      ছাত্রশিবিরে সাথী পদে নিয়োগ দেয়ার আগে ইন্টারভিউ নেয়া হচ্ছে:

      -জামাত নেতাঃ তুমি কি ধুমপান কর ?
      শিবির কর্মীঃ বারখুরদার,অল্প একটু !
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি জানো গোলাম আজম ধুমপান পছন্দ করেন না ?
      -শিবির কর্মীঃ যদি তাই হয়,তবে আমি ধুমপান ত্যাগ করলাম !
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি শরাব খাও ?
      -শিবির কর্মীঃ ইয়ে, অল্প একটু ……… !
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি জানো, গোলাম আজম শরাব পছন্দ করেন না ?
      -শিবির কর্মীঃ তাই হইলে আমি শরাব খাওয়াও ত্যাগ করলাম,হুজুরে আলা !
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি নারী সংসর্গ পছন্দ কর?
      -শিবির কর্মীঃ জ্বী, কিন্তু চান্স পাইনা। ছাত্রী সংস্থার বড় দুধের মেয়েদের লাগাইতে মন চায়! কিন্তু ওদের লাগায় নেতারা।
      -জামাত নেতাঃ (কাশি দিয়ে গলা পরিষ্কার) তুমি কি মাগি লাগাও ?
      -শিবির কর্মীঃ বারখুরদার ! মগবাজার হোটেলে যাই ! কাদের মোল্লার বউ ওইখানের মক্ষীরাণী! কার্ড দেখাইলে ডিসকাউন্ট পাই।
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি জানো , আমাদের নেতা গোলাম আজম ৭১ এর পর থেকে নারী সংগ পছন্দ করেন না? কচি মুজাহিদিনের পোন মারতো! উনি নৈতিক চরিত্র তরিকতের তামান্না সহীহ রাখতে জোর দেন ?
      -শিবির কর্মীঃ যদি তাই হয়, তবে আমি আজ থিকা তাও ছাইড়া দিলাম ! খালি ধোনে হ্যান্ডেল মারুম!
      জামাত নেতাঃ তুমি কি তোমার শিবিরের অপর ভাইদের রান মারো (মানে পাছা মারো)?
      -শিবির কর্মীঃ বিলকুল হুজুর, রেগুলার রাতে ঘুমানোর আগে মেসে নতুন আসা শিবিরের ভাইদের হোগামারি।
      -জামাত নেতাঃ গুড! তুমি কি ধোনে হ্যান্ডেল মারো?
      -শিবির কর্মীঃ না জামাত নেতাদের ধোনে হাত বুলাই চুমা খাই।
      -জামাত নেতাঃ তুমি কি আমাকে এখন একশট পুটকি মারতে দিবে !
      -শিবির কর্মীঃ খোশ আমদেদ! (প্যান্ট খুলে) এইলন হুজুর মারেন……
      এরপর জামায়াত নেতা শিবির কর্মীকে উপুর করে লুঙ্গি তুলে শিবির কর্মীর পাছায় পক্কাত্‍ করে ধোন ভরে দিয়ে ঠাপাতে থাকে শিবির কর্মী ফিক করে হেসে দিয়ে বলে “হুজুর আস্তে ঠাপান ব্যাথা পাই”।

      Reply
  10. Bornomala

    এই খবরে জামাত/শিবিরের প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যায় যে লেখাটা একদম সঠিক, তাই তাদের এত গা জালা।

    Reply
  11. hanan

    adorsho ke adorsho dia mokabela korte hoi. shibir ar biporite apni kaj korar moto spirit annoder nei ken. annora sovai subidabadi khomota lovi. ajke bangladeshe jara khomotai tara ki nirbachit amito amar vot dite parini.tader adorsho ke gorohon korbe. amito adhoroner adorsho deke boro hote chai na .

    Reply
  12. Ruhul Amin

    বাংলাদেশে কেন মুক্তিযুক্ত বিরোধী বা বিপরীত শক্তি রাজনীতি করবে? তাহলে ৩০ লক্ষ মুক্তিপ্রাণ মানুষ ও ৩ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময় ৯ মাস যুদ্ধ করে এই সবুজ বাংলা স্বাধীন করা হয়েছে? বাংলাদেশ সেটেল ইসুতো তখন থেকে। বিপরীত শক্তিা তথা রাজাকার ও তাদের দোষর রাই যদি ক্ষতা বা রাজনীতি করে তাহলে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল কোন যুক্তিতে। তাহলে পাকিস্তান ভাঙ্গার কারনে তো মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার করা উচিত (খাইরুল বশর তথা বিজামাত তথা ঘষেটি বেগমদের মতো) অনেক দাম দিয়ে কেনা এই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব। এখানে স্ভাধীনতা বিরোধী বিপরীত চক্র সবুজ বাংলায় থাকতে পারবে না। শাহবাগ মঞ্চ দেখে এদের হুস হয় নাই। দেশে টিকতে না পেরে বিদেশে এসে এরা সবুজ বাংলার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। মুক্তমনা লোকদের হত্যার জন্য পাকি এজেন্ট হয়ে পিছন থেকে হত্যা করছে। দাদা বাবুরা ঠিকই বলছে, ৭১ এর পরাজিত শক্তি বিদেশে বসে গভীর অপতড়পরতা করে ইউরো ডলার চাঁদা তুলে দেশে পাঠাচ্ছে। ব্লগার হত্যা সহ গুলসান হত্যা মুক্তমনা লোক হত্যা করতে বাচ্চা বাচ্চা তরুনদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। আর এখানে মগজ ধৌলাইর জন্য ইসলামকে ব্যবহার করছে। দাদা বাবুরা সমাজকে সচেতন করার লক্ষে বিদেশে ছাত্র শিবির এর য়ড়যন্ত্র তুলে ধরছে। এখানের অধিকাংশ কমেন্ট পড়লেই বুঝা যায় দাদা বাবুর লেখা কাদের বিরুদ্ধে যায়। দেশের বিরুদ্ধে ? নাকি জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে? শিবিরকে অনুরোধ করি আপনারা অতি (ভন্ড) মেধাবী ও দেশ প্রেমিক, তাহলে এই লেখার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে জনমত তৈরী করুন ও সরকারকে তদন্ত করতে বলুন ( আপনারাতো খুব আওয়ামী প্রেমি) বিজন সরকারদের বিরুদ্ধে। চেস্টা করে দেখুন। আপনারা ২১ বছর যাবত খুব সুকৌশলে ক্ষমতার লোকদের ব্যবহার করে আপনাদের স্বার্থ হাসিল করার ব্যার্থ চেষ্টা করেছেন। এখনও তাই করছেন, এই কারনে বিজন বাবুদেরকে দেশ বিরোধী আখ্যা দিচ্ছেন। শিবির মেধাবী এটা সবাই স্বীকার করে কিন্তু আপনারা দেশ বিরোধী, বাংলাদেশকে আপনারা মানতে চান না। আপনারা মেধাকে অকামে / খারাপ কাজে লাগান, কোন ভাল কাজ করেন না, পাকি এজেন্ট বাস্তবায়ন করতে চান। ৭১ এর পরাজিত প্রতিশোধ নিতে প্রতিনিয়ত কাজ করেন। শিবির মেধাকে কুকাজে খাটাচ্ছে। কোন মেধাকে হত্যা করে কোন কু মেধা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তাহলে পাকিস্তানের অবস্থা আজ এমন হতো না। দুনিয়া ব্যপি ইসলামের এতো ক্ষতি হত না। ৭১ এ শিবির দাদারা গুনিজন ও বুদ্ধিজীবি হত্যা করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ করতে পারেনি। এখন আবার শিবির সেই কাজ করছে মুক্তমনা লোক হত্যা করতেছে। দেশে বিদেশে যতই অপতৎপরতা চালাক গেট টুগেদার করুক বিজন বাবুদের ১টি কলমই (এ যুগের উইক্লিকস) সব ফাঁস করে দিবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

    Reply
  13. Rana

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে পেরে না উঠে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে কতিপয় ব্যক্তি ও মিডিয়া। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হবে না! parle adorso dia protirod korun ??

    Reply
  14. বাংলা থেকে

    এই খবরে জামাত/শিবিরের প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যায় যে লেখাটা একেবারে ফেলনা নয়

    Reply
  15. রুম্মান

    উদ্ভট ঘৃনাবিদ্বেষে ভর্তি একটা লেখা। এটা প্রবাসী শিক্ষার্থীদের ইমেজ নষ্ট করা ছাড়া কোন কাজেই আসবে না….

    Reply
  16. Ohidul Islam

    জাপান আর কোরিয়ান সরকারও রাজাকার ! তারা শিবিরের ছেলেদের স্কলারশীপ দেয়।
    মঙ্গলগ্রহের জামায়াত শিবির শাখা নিয়ে প্রতিবেদনটি কবে প্রকাশিত হয় সে অপেক্ষায় আছি!

    Reply
  17. নিভৃতচারী

    তৎপরতা-অপতৎপরতা সংজ্ঞা-
    ১। হিন্দু, সাঁওতাল সহ সকল সংখ্যা লঘুদের বাড়ি-ঘর-মন্দির ইত্যাদি জ্বালিয়ে দিলে, লুটপাট করলে, তাদের সম্পত্তি দখল করা কিন্তু অপতৎপরতা নয়।
    ২। ধর্ষন করে তার ভিডিও প্রচার করা, কুপিয়ে আহত করা ইত্যাদি করলে তা অপতৎপরতা নয়।
    ৩।দেশের লুটপাটের টাকায় বিদেশে সেকেন্ড হোম তৈরি করলে তা কিন্তু অপতৎপরতা নয়।
    ৪। দেশে বা দেশের বাইরে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু না করে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, খুনোখুনি ইত্যাদি করা কিন্তু অপতৎপরতা নয়।
    ৫। কিন্তু আপনি যদি কোন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা বা অন্য যে কোন শিক্ষা গ্রহণে সহযোগীতা করেন তবে তা অপতৎপরতা। কাউকে বৃত্তি পেতে সহযোগীতা করার নাম অপতৎপরতা।

    Reply
  18. মাহবুবুল আলম

    লেখকদ্বয়ের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন :
    ১. এটা কি শিবিরবিরোধী লেখা নাকি ‘জাপান-কোরিয়ায় শিবিরের বাৎসরিক কার্যক্রম’ সম্পর্কিত শিবিরের কেন্দ্রের রিপোর্ট তা ঠিক বোধগম্য হল না।

    ২.যেখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ থাকে সেখানেও শিবির যায় আবার যেখানে সিজিপিএর ভিত্তিতে নেয় সেখানেও শিবির যায়। সরকার এক্ষেত্রে কী বা করতে পারে? ঐসব দেশে তো আর ‘প্রগতিশীল’ কোটা চালু নাই!

    ৩. শিবির নানা ধর্মীয় অনুষঙ্গ দিয়ে ধর্মপ্রাণ ছাত্রদের দলে ভেড়ায়, আপনারা কী করেন? আপনাদের কি বিরোধিতা করা ছাড়া আকৃষ্ট করার মত কিছু নেই?

    কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নাই। এই লেখা কোন সাধারণ ছাত্র পড়লে সে ভাববে জাপান/কোরিয়ায় গেলে বুঝি শিবির করা ছাড়া উপায় নাই!

    Reply
  19. Watashi

    গত ৬ই নভেম্বর ২০১৬ টোকিও কিতা কু-র তাকিনাগাওয়া বুনকা সেন্টারে ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে শোক ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেই সভাই কয়েক জন শিবিরে লোক জনের উপস্থিতি ছিলো। সবচেয়ে অবাক কাণ্ড এক ছেড়া পাতার পাকি সম্পাদক পাকি হকের ব্ক্তব্য, বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু সম্ভোধন কারার প্রয়োজনও মনে কারেনি সে। সরাসরি শেখ মুজিব বলেই বক্তব্য রেখেছে। এতে অনেকেরে ক্রোধের কারন হয়েছে কিন্তু আশা করেছিলাম হাতে মাইক পেয়েছে কেউ একজনও কোন প্রতিবাদ করবেন কিন্তু করেনি।

    Reply
  20. Baker

    শৈলকুপায় এক মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামীলীগ নেতাকে আরেক আওয়ামীলীগ নেতার ক্যাডারেরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে।
    স্যেকুলারদের মধ্যে যারা প্রতিবাদ করতেছেন তারা কইতাছেন উনি পংগু মুক্তিযোদ্ধা। আচ্ছা, উনি যদি মুক্তিযোদ্ধা না হইতেন? তাহলে কি পিটানি আর কোপানি জায়েজ আছিল?

    Reply
  21. Mohammad Ali, USA

    I must thank the authors and bdnews24.com for publishing such a timely, courageous, thoughtful and a well-written article. I studied and taught in Japan for more than a decade, and I could not agree more to their statements and observations.

    Many progressive Muslim students were/are concerned about the menace of Political Islam (like, Jamat Shibir, Islamic Brotherhood, etc.) abroad, but very few could write or do something against it effectively.

    Reply
  22. mansur Ahmad

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে পেরে না উঠে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে কতিপয় ব্যক্তি ও মিডিয়া। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হবে না!

    Reply
  23. মুনতাসির মামুন

    বাংলাদেশী কমিউনিটি বাড়ছে,এভাবে চিন্তা না করে লেখকরা দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে চিন্তা করেছেন।

    Reply
  24. বরুন চন্দ্র

    পুরো লেখায় শুধু ঘৃনা আর উস্কানি! কোন তথ্য নেই,রেফারেন্স নেই, উদ্ধৃতি নেই।

    Reply
  25. তৌহিদ রহমান

    দূতাবাসগুলো কেবল কিছু পাসপোর্ট প্রদান এবং বাংলাদেশ থেকে আগত সরকারের প্রতিনিধিদের প্রটোকল দেওয়া মধ্যেই নিজেদের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখছে বললে ভুল হবে না।

    দেশের বিরুদ্ধে প্রচারণা রুখতে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত বরাবর ইমেইল করেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেওয়া টেলিফোন নম্বরে ফোন করে তাদের পাওয়া যায়নি।

    ঘটনা সত্যি হলে খুবই ভয়ংকর, দূতাবাসের এই দশা মনে হয় সব জায়গাতেই। একটি রাষ্ট্রীয় তথ্য চেয়ে বেশ কয়েকবার ফোন ও মেইল করেও জবাব পাইনি বেইজিং দূতাবাসের কর্মকর্তাদের

    Reply
  26. Joffy Almond

    জাপান কোরিয়া আমেরিকায় যেসব হিন্দু আসেন তারাও কি জঙ্গি হয়ে যাচ্চেন?…….আমেরিকায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত একজনকে জঙ্গি দায়ে বিচার করা হয়েছে।..তাহলে সব বাংলাদেশী আমেরিকা তে জঙ্গি হয়ে গেছে?

    Reply
  27. আবদুল্লাহ আল মামুন

    ইর্ষা বিরোধিতা প্রচারে প্রসারের মাধ্যম।
    জামাত শিবির তো চাচ্ছে তাদের যতো বেশি বিরোধিতা হবে তাদের ততোই লাভ।কারণ এতে করে পাল্লা দিনদিন ভারি হচ্ছে।আজ পর্যন্ত এমন ঘটনার আবির্ভা হয় নি যে, কোন জামাত শিবিরের লোক দল ছেড়েছে।বরং তারা দলের জন্যে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমা না চেয়ে নজির সৃষ্টি করছে।

    Reply
  28. imran

    বাংলাদেশ ইসলামী
    ছাত্রশিবিরের
    আদর্শের সাথে
    পেরে না উঠে তাদের
    বিরুদ্ধে অপপ্রচারে
    নেমেছে কতিপয়
    ব্যক্তি ও মিডিয়া।
    কিন্তু তাতেও কোন
    লাভ হবে না!

    Reply
  29. মাহমুদুল করিম

    স্কলারশিপ তো তারাই পায়,যারা সত্যিকার অর্থে মেধাবী। এখন বুঝেন,জামায়াত-শিবির কতটা মেধাবী? আসলে তাদের দিয়ে হবেই হবে!

    Reply
  30. S. Nayan

    লেখকদ্বয় মোটামুটি হযবরল ভাষায়, সুকৌশলে বিদেশে বাংলাদেশীদের উচ্চ শিক্ষার পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। এটাই তাদের দেশপ্রেম!

    Reply
  31. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    যেটা করা প্রয়োজন তা হল, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির একটি সম্মিলিত মঞ্চ। যেখান থেকে পরিকল্পিতভাবে জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাবে।

    Reply
  32. নাজমুল

    এই লেখার সমালোচনায় সবাই যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছেন তাতে মনে হচ্ছে প্রতিবেদনের কিছুটা হলেও সত্যতা আছে। এই লেখাটি দুইজন মিলে লিখেছেনঃ বিজন সরকার ও মিলন মাহমুদ। কিন্তু সকলেই বিজন সরকার কে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করছেন, তাতে আপনাদের সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির প্রকাশ পায়। সবশেষে বলতে চাই বাংলাদেশের জনগনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ত একটি দলের অনুসারীদের কিভাবে মেধাবী বলা যায় তা আমার বোধগম্য নয়।

    Reply
  33. আস্তিক্যবাদী নাস্তিক

    লেখকদ্বয় যা লিখেছেন তার কোনটি মিথ্যা নয়। ইউরোপ আমেরিকায় এরূপ চলছে। এরা পাকিস্তানী, তুরস্ক, মালেয়শিয়া ও ইন্দোনেশিয়ান শিক্ষার্থীদের নিয়ে গাঁটছাড়া বেঁধে এসব করে। কিন্তু কথা হলঃ অন্যরা আঙ্গুল চোষে কেন?

    Reply
  34. smr

    খুবই শিশুসুলভ এবং হাস্যকর লেখা।
    লেখকদ্বয় যা বলেছেন তার পক্ষে একটিও
    সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স নেই।

    Reply
  35. Jesus

    a good human being always works for the welfare of other people. A devil or wrong headed person always excites others to make a quarrel and destroy the peace and harmoney in the society.

    Reply
  36. Noyan Babu

    জাপানে ও দক্ষিণ কোরিয়াতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহু নেতা উচ্চশিক্ষায় রয়েছে,
    এর মানে মেধাবি।

    ছাত্রশিবির নিষিদ্ধ না বাংলাদেশে।

    Japan and South Korea is not a corrupted country. So if any one try to do harmful activities they will identify it and take action. We don’t support any type of illegal activities.

    Reply
  37. Md. Zawad Nazib

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে পেরে না উঠে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে কতিপয় ব্যক্তি ও মিডিয়া। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হবে না!

    Reply
    • Ruhul Amin

      স্বাধীনাতা ও স্বাধীনাতার পক্ষে লিখলে এবং সময় উপযোগি তথ্য সহ লিখলে বিজামাতের (বিএনপি+ জামায়াত), জঙ্গি সংগঠন গুলোর মুল পৃষ্ঠপোষক , ইসলামের নামে মানুষ হত্যার সংগঠন ছাত্রশিবিরদের গাঁ জ্বালা করে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। কারন লেখক দ্বয় আসল জায়গায় হাত দিয়েছেন। বিএনপি এদের শিকড় অনেক গভীরে নেওয়ার চেস্টা করেছে। ভুলে গেলে চলবে না এরা পরাজিত শক্তি। কোন যুক্তি যখন না পারে তখন ইসলামকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে। এদের স্বাথ সিদ্ধির জন্য বা বিপদে পড়লে আওয়ামীলীগের কাছে নিজের ইজ্জত বিক্রি করতেও পিছ পা হয় না। কিন্তু এই বিজামাত বরাবরের মতো সর্ব কালেই ব্যর্থ হবেন। এরা বিপদ দেখলে আওয়ামীলীগে ঢুকে পড়ে। অকাম করে, আওয়ামীলগিকে কলুষিত করে সরে পড়ে। তখন বলে বেড়ায় এসব আওয়ামীলীগ করেছে। এরা ইসলামের শত্রু। দেশে জায়গা না পেয়ে বিদেশে বসে এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এদের বিষয় মুখ খুললেই পিছন থেকে হত্যার হুমকি দেয়। সামনা সামনি আসতে পারে না। কারন তাদের মনোবল ঈমানি শক্তি নয় শয়তানি শক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
      ( সকল বিজামাতের কমেন্টের জবাব এইটই)

      Reply
    • mansur Ahmad

      বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে পেরে না উঠে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে কতিপয় ব্যক্তি ও মিডিয়া। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হবে না!

      Reply
  38. syfullah

    বাংলাদেশের স্যেকুলারেরা বড়ই দয়ালু। কান ধরায় সেলিম ওসমান, মালাউন বলে আওয়ামীলীগ এমপি… সেইটার প্রতিবাদ না কইর‍্যা স্যেকুলারেরা নিজেই নিজের কান ধরে, নিজেই নিজেকে মালাউন বলে!

    Reply
  39. MD. Noman

    আমি দীর্ঘ ৫ বছর কোরিয়া ছিলাম। কোরিয়াতে জামাত-শিবির নামে কোন সংগঠন নেই। এসব মিথ্যা কথা প্রচার করার উদ্দেশ্য কি বাবু????????

    Reply
  40. poran ali

    বাংলাদেশের স্যেকুলারেরা বড়ই দয়ালু। আওয়ামীলীগ যখন আকাম করে তখন নিজেই নিজেরে শাস্তি দেয়। কান ধরায় সেলিম ওসমান, মালাউন বলে আওয়ামীলীগ এমপি। সেইটার প্রতিবাদ না কইর‍্যা স্যেকুলারেরা নিজেই নিজের কান ধরে, নিজেই নিজেকে মালাউন বলে; নিজেই নিজেরে ক্রুশবিদ্ধ করে, যেন প্রিয় দল আওয়ামীলীগ নিষ্পাপ হইয়া পুনরুত্থিত হইতে পারে।

    Reply
    • Ruhul Amin

      স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার পক্ষে লিখলে এবং সময় উপযোগি তথ্যসহ লিখলে বিজামাতের (বিএনপি+ জামায়াত), জঙ্গি সংগঠনগুলোর মুল পৃষ্ঠপোষক, ইসলামের নামে মানুষ হত্যার সংগঠন ছাত্রশিবিরদের গাঁ জ্বালা করে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। কারন, লেখকদ্বয় আসল জায়গায় হাত দিয়েছেন। বিএনপি এদের শিকড় অনেক গভীরে নেওয়ার চেস্টা করেছে। ভুলে গেলে চলবে না এরা পরাজিত শক্তি। কোন যুক্তি যখন না পারে তখন ইসলামকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে। এদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা বিপদে পড়লে আওয়ামী লীগের কাছে নিজের ইজ্জত বিক্রি করতেও পিছপা হয় না! কিন্তু এই বিজামাত বরাবরের মতো সর্বকালেই ব্যর্থ হবে। এরা বিপদ দেখলে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়ে। আওয়ামী লীগকে কলুষিত করে সরে পড়ে। তখন বলে বেড়ায় এসব আওয়ামীলীগ করেছে। এরা ইসলামের শত্রু। দেশে জায়গা না পেয়ে বিদেশে বসে এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এদের বিষয় মুখ খুললেই পিছন থেকে হত্যার হুমকি দেয়। সামনাসামনি আসতে পারে না। কারন তাদের মনোবল ঈমানি শক্তি নয় শয়তানি শক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
      (সকল বিজামাতের কমেন্টের জবাব এটাই)

      Reply
  41. salim

    ছাত্র শিবিরকে জাপান- কোরিয়ার সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চিনলো। বাংলাদেশ চিনলো না।
    বাংলাদেশ চিনলো ছাত্রলীগকে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি আর কোপাকোপিতেই ব্যস্ত থাকুক সোনার ছেলেরা।

    Reply
  42. ফারুখ

    খুবই শিশুসুলভ এবং হাস্যকর লেখা। লেখকদ্বয় যা বলেছেন তার পক্ষে একটিও সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স নেই। সব নিজের ব্যক্তিগত ফেইসবুক একাউন্টের পোস্ট আর ফেইসবুক গ্রুপের নিউজ ফিডে লেখকদ্বয় কি দেখেছেন তার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে।

    Reply
    • Mortuza Hussain

      খুবই শিশুসুলভ এবং হাস্যকর লেখা। লেখকদ্বয় যা বলেছেন তার পক্ষে একটিও সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স নেই।

      Reply
  43. সাগর

    আমি ঈমাম খমেনির ইস্লামি বিপ্লবের ইতিহাস পরেসি . এই লেখা থেকে বুজা গেল ছাত্রালিগ লগি বাইতা দেয়া শিবির নির্মুলে বার্থ হয়েসে বরং ইরান আর মিসরের এর মত নিরবে কাজ কারার সুজুগ করে দিল. শিবিরের আনেক নেতাই আওয়ামিলিগ নেতাদের পারিবার থেকে আসা। আর তাই শিবির একনু আকাশে পাখা মেলে উরে।শিবির কিছুদিন পর ইমাম খমেনির ইরান এর মাত বিপ্লব কর্বে,বিশাস করুন আর নাই করুন শিবির একন আওয়ামিলিগ এর রক্তে মিশে গেছে।

    Reply
  44. মো ইব্রাহিম মিয়া

    সেকুলার গোষ্ঠী সংখ্যাগুরু থাকলে সমস্যা নাই, ধর্মীয় গোষ্ঠী থাকলেই সমস্যা। এইটা একটা সাম্প্রদায়িক মতামত।

    Reply
  45. shitanshu

    এখানেই দেখা যাচ্ছে আমাদের বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা।
    অামরা কি ১৯৭১ সেই বাঙ্গালী না ৭১ এর সেই রাজাকার?
    ৭১ মুক্তি যোদ্ধারা কি সবাই মরে গেছেন?
    যদি কেউ বেঁচে থাকেন অামাকে ট্রেনিং দেন। আমি আবার যুদ্ধো করব।

    Reply
  46. বটতলার টারজান

    জাপান কোরিয়ায় থাকা ছাত্র/গবেষক কেউ আছেন যারা দাদাবাবুর গুজবের উত্তর দিতে পারেন? বিশেষে মসজিদ কিংবা নিজের ধর্ম পালনের স্থান পাওয়া যায়না বিধায় অনেকেই একসাথে নামাজ কিংবা ধর্মকর্ম আদায় করে। দাদাবাবুর অতি ইসলামভীতি আর কট্টর স্বধর্মের মৌলবাদী আচরণ থেকেই হয়ত এই অজ্ঞানপ্রসূত লেখার জন্ম

    Reply
  47. shah monir

    সেকুলাররা দেখতেছি ভাল বিপদে পড়েছে। এদ্দিন জামাত, বিএনপি, হেফাজতি কিম্বা নিজেরা একটা ইসলামি দল আবিষ্কার কইরা তাগোরে দোষারোপ করত। এখন নাসিরনগর, গোবিন্দগঞ্জের ঘটনায় তারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারতেছে না। শরমিন্দা হয়ে বলতেছে প্রশাসনের দোষ।
    অথচ প্রশাসনসহ নির্বাহী ক্ষমতার অধীশ্বর তো প্রধানমন্ত্রী! তাই না?
    একটু ভাবুন বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আজ তারা কী লংকাকাণ্ডই না বাঁধিয়ে দিতো।

    Reply
    • জাপান থেকে

      নাসার বিজ্ঞানী রা মঙ্গল গ্রহে প্রানের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারছেনা আর আপনি পেরেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

      Reply
  48. জসীম

    আল্লাহ থাকেন 7th dimension এ। আমরা 3rd dimension এ থেকে (মূলত উপরের dimension এর অন্তর্গত) বড়জোর 4th dimension সম্পর্কে সামান্য কিছু জানি। (আল্লাহ যে dimension নিয়ন্ত্রণ করেন তা ১৪০০ বছর আগে কুরান এ উল্লেখ করেছেন এবং মহানাবি কে দিয়ে প্রমান করিেয়ছেন তখন Albert Einstein সাহেবর জন্মই হইনি।) তাই আসুন কে ছাত্রশিবির করে আর কে ছাত্রলীগ করে তা না খুজে Allah কে খুজি। আর Quran হচ্ছে আল্লাহর কাছে যাবার সহজ মাধ্যম।

    Reply
  49. M. Amin

    ভাই, মারামারি না করতে পেরে খারাপ লাগতেছে? কয়েকজন ছাগুলীগ হলে মারামারিটা শুরু করা যাইত, আহা, আপনার জন্যে আপসুস হচছে। ভাই, দেশে চলে যান, দয়া করে এখানে আপনার ভাই-বেরাদরদের ডেকে আনবেন না, ওনারা দেশেই দেশের ভাবমুর্তি এমনিতেই দিনে দিনে বাড়িয়া নিতাছে। আপনারা এখানে থাকিয়া কষ্ট করিতেছেন কেন?

    Reply
  50. জাপান থেকে

    লেখকদ্বয় কলাম না লিখে উপন্যাস লিখলে আমরা এ যুগের শরত চন্দ্র বা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেতাম।

    Reply
    • MANIK

      আর্দশের শক্তির সাথে কেউ পেরে ওঠে না । আর্দশ এক অপ্রতিরােধ্য শক্তি।
      তাই তারা এগিয়ে চলেছে………………….

      Reply
  51. আব্দুল্লাহ তাহির

    বিজন বাবু, আপনাদের মনকষ্টের ব্যাপারটা বুঝি। লিখে যান, পরিশ্রম করে যান। তবে আপনার জন্যে এক বালতি আফসোস। আপনারা এসি রুমে বসে লিখে যান, জামায়াত-শিবির আরো বেশী স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে যাবে। আর হ্যাঁ, যা যাওয়ার চলে গেছে। আপাতত আর না গেলেও চলবে। মুড়ি দিয়ে চা খান।

    Reply
  52. পারেসুল অালম

    ছাত্রশিবিরের উগ্রতা দেখতে সে দেশের সরকার অাছে অাপনার কেন এত মাথা ব্যাথা।তারা তাদের অাদর্শ দিয়ে শুধু জাপান -কোরিয়া না,সমগ্র বিশ্ব জয় করবে।অাপনাদের লগি -বৈঠ
    া অাদর্শ দিয়ে জয় করে দেখান?

    Reply
  53. ওয়াহিদ

    ইসলামের কথা বল্লেই কি ছাত্রশিবিরের লোক হয়ে যায়? নাকি ইসলামের বানী আপনাদের কাছ থেকে সুনতে পাবো? নাকি ইসলামের কথা বলা যাবেনা? নাকি কত টুকু শুনব তা আপনারা নির্ধারণ করেদিবেন?

    Reply
  54. Cornell Macbeth

    যে ভাবে আদাজল খেয়ে ‘ছাত্রশিবিরের’ অপতৎপরতা ফাঁস করতে তৎপর হয়েছেন, আগে নিজের ‘ধুঁতির গিট’ শক্ত করুন বিজন বাবু- না’ হলে ভিনদেশে ইজ্জত গেলে সর্বনাশ!

    Reply
  55. আশরাফুল আলম

    এত সুন্দরভাবে নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে পারলেন তার জন্য আপনারা অভিনন্দন পেতেই পারেন। তবে এটাকে নিজেদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে মেধা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে ছাত্র রাজনীতি করতে উদ্যোগী হবেন সেটাই প্রত্যাশা। জামায়াত শিবির যে পদ্ধতি বা কৌশলে ছাত্রসমাজকে নিজেদের বলয়ে নিয়ে আসছে বলে আপনারা ধারনা করছেন সেটা নিজেদের দলের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করুন। তাহলেইতো অস্ত্র-পেশী-মাদক-সন্ত্রাস নির্ভর ছাত্র রাজনীতির অপমৃত্যু ঘটবে। আমরা আমাদের দেশকে মেধাবী নেতৃত্বের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

    Reply
  56. khairul

    একটি উস্কানিমূলক লেখা, আগামীতে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক সকল ছাত্রদের ভাগ্য অনিশ্চিত করে দেবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট , ভিসা, ইমিগ্রেশন সবকিছুই জটিল করে দেবে। লেখায় কোন স্পেসিফিক তথ্য নেই, শুধু উষ্কানি !

    Reply
  57. জিয়াউর রহমান

    জামাত-শিবির ও জংগীবাদির
    উওানের জন্য এই সরকার দায়ি
    । তারা সবাই কমতার লোভে বিভুর। আমি মনে করি, বতর্মানে বাংলাদেশের একমাএ আদর্শিক ইসলামি ও মুক্তিযুদ্ধ চেতনার বিশ্বাসি ছাএ সংগঠন,,, “বাংলাদেশ ইসলামি ছাছাএসেনা “

    Reply
  58. মুরাদ

    একটু নিজে নিজে ভাবুন। যে দেশে কথা বলার অধিকার নেই। যে দেশে একনায়কতন্ত্র চলে। যে দেশের লেখাপড়ার স্থানকে রামদা আর চাপাতির দোকান বানানো হয়। সে দেশে এমন মানুষ হবেনা?
    শিবিরের সাথে অন্যান্য ছাত্র সংঘটন এর তুলনা একদম স্পষ্ট। তারা গেট টুগেদার করে কোনো আওয়াজ হয়না। কিন্তু অন্যান্য দল একজন আরেকজনের পাশদিয়ে হেটে গেলেও হাতাহাতি থেকে শুরু করে অন্যের মায়ের বুক পর্যন্ত খালি করতে তারা দিধা করেনা। ভাবুন আপনাকে যখন দমিয়ে রাখা হয় তখন আপনি কি করেন?

    Reply
  59. মাহমুদ

    আওয়ামীলীগ ৩ ভাগ এর দায়ও শিবিরের? শিবির প্রতি মাসে গেট টুগেদার করে আপনারা পারেন না, এটাও শিবিরের দোষ??

    Reply
  60. সাজ্জাদুল ইসলাম

    আপনি কোন পত্রিকা বা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই মতামত প্রকাশ করেছেন ?? দয়া করে পরের মতামত গুলোতে রেফারেন্স উল্লেখ করবেন ৷ আর যদি না থাকে তবে ব্যক্তিগত মতামত এই ভাবে প্রকাশ করবেন না ৷ কারন আপনাদের এই মতামতের জন্য নতুন মেধাবী ছাত্ররা ছাত্র রাজনীতি কে ঘৃনা করছে ৷ আর রাজনীতিতে চলে আসছে সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ ও ক্লাসের লাষ্ট ব্রেন্সের ছাত্ররা ৷ আজ আ-লীগ ক্ষমতায় তাই ছাত্রদল,শিবির সন্ত্রাসী ৷ কাল যখন তারা ক্ষমতায় যাবে তখন তারা হবে ধোয়া তুলসীপাতা আর ছাত্রলীগ হবে দেশের একমাত্র সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠন ৷ এখন আপনিই বলুন নতুন মেধাবীরা কি করবে ? তারা হয় রাজনীতিকে ঘৃনা করবে ৷ নতুবা আদর্শ পথ মনে করে জঙ্গি সংগঠনের দিকে আকৃষ্ট হয়ে ৷ যার ফল তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি ৷ তাই লেখক ও প্রকাশকদের কাছে অনুরোধ করছি এমন কিছু লেখা ও প্রকাশনা না করতে যাতে মেধাবী ছাত্র সমাজ ছাত্র রাজনীতি থেকে মূখ ফিরিয়ে নেয় ৷ কারন আমাদের আজ তাদের ভীষণ প্রয়োজন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে বিশ্বের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়ানোর জন্য ৷ আজ যদি এই মতামতের পরিবর্তে কোন ভাল একটা ছাত্র সংগঠনেরে ভালদিক গুলো তুলে ধরা হতো ৷ তবে অনেক মেধাবীকে আমরা ছাত্র রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট করতে পারতাম ৷ কিন্তু আমরা সকলেই ছাত্র সংগঠনের খারাপ দিকগুলো জাতির সামনে তুলে ধরি ৷ ভাল দিকগুলো কখনোই জাতির সামনে তুলে ধরিনা ৷ কেন? কেন? কেন? আজ ছাত্রলীগ কে দেখুন (আমি তাদের ভাল ছাত্র নেতা বলবো না ৷ তবে তাদের সংগঠনটা ভাল ৷ আর অভাব এই ঝরে পরা ভাল মেধাবী ছাত্রদের) তা যে ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১ এর স্বাধীনতার যুদ্বে যে মহান ভূমিকা পালন করছে তা কিন্তু আমরা অনেকই জানিনা ৷ আর নতুন মেধাবীদের জানায়না ৷ কিন্তু আমরা তাদের খারাপ দিকগুলো ছাত্র সমাজের কাছে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর ৷ কিন্তু কেন আমরা এই কাজটা করি ? আমরা কি সত্যিই দেশপ্রেমিক ? আমরা কি সত্যিই দেশের জন্য কিছু করতে চাচ্ছি ? নাকি আমরা দেশের রাজনীতিকে মেধাশূন্য করার জন্য ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছি ?

    Reply
  61. সিম্পল গার্ল

    বিজন বাবুদের দৃষ্টিতে তৎপরতা-অপতৎপরতা সংজ্ঞা-
    ১। বিজন বাবুদের মহান (?!) ছাত্রলীগ নারী-ছাত্রী-শিক্ষিকা সহ সকল ধরন ও বয়সের নারীদের ধর্ষন, খুন, লাঞ্ছিত, ধর্ষন করে তার ভিডিও প্রচার করা, কুপিয়ে আহত করা ইত্যাদি করলে তা বিজন বাবুদের দৃষ্টিতে অপতৎপরতা নয়। কারণ এসবের বিরুদ্ধে উনারা একটি বারও লিখেন নি।
    ২। আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ মিলে হিন্দু, সাঁওতাল সহ সকল সংখ্যা লঘুদের বাড়ি-ঘর-মন্দির ইত্যাদি জ্বালিয়ে দিলে, লুটপাট করলে, তাদের সম্পত্তি দখল করা কিন্তু বিজন বাবুদের দৃষ্টিতে অপতৎপরতা নয়।
    ৩। বিদেশে বসে আওয়ামীরা দেশের মতো মারামারি করলে, খুনোখুনি করলে, দেশের লুটপাটের টাকায় বিদেশে সেকেন্ড হোম তৈরি করলে তা কিন্তু অপতৎপরতা নয়।
    ৪। দেশে বা দেশের বাইরে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু না করে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, খুনোখুনি ইত্যাদি করা (ছাত্রলীগ যেমন করে) কিন্তু অপতৎপরতা নয়।
    ৫। কিন্তু আপনি যদি কোন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা বা অন্য যে কোন শিক্ষা গ্রহণে সহযোগীতা করেন তবে তা অপতৎপরতা। কাউকে বৃত্তি পেতে সহযোগীতা করার নাম অপতৎপরতা। বিদেশে শিক্ষার্থীদের জীবনযাপনে সহযোগীতার নাম অপতৎপরতা। কাউকে বৈধ ভাবে ও পথে কোথাও এডমিশন নিতে সহযোগীতার নাম অপতৎপরতা। বিজন বাবুরা শিবিরের এসব কাজকেই অপতৎপরতা হিসেবে বলার চেষ্ঠা করল! এসব তাহলে অপতৎপরতা?! নিশ্চয় এসব বিজন বাবুদের দৃষ্টিতে অপতৎপরতা কারণ বিজন বাবুরা যে স্বাধীনতার চেতনাবাহী!

    Reply
  62. মোহাম্মদ খাইরুল বশর

    বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এদেশে প্রত্যেকের রাজনীতি করার অধিকার আছে। গণতান্ত্রিক বলে সেটা হোক মুক্তিযুদ্ধ বা তার বিপরীত। মুক্তমনা সংগঠনগুলো যদি ঢালাওভাবে ইসলামকে আঘাত করে যেতে পারে তবে ছাত্রশিবিরের তৎপরতাকে অপতৎপরতা কেন বলা আমার বোধগম্য নয়। আজকের এই কুপাকুপি সংস্কৃতির জন্য তারা অনেকাংশে দায়ী। আঘাত না দিয়ে বিজ্ঞানমনস্ক জাতি কি তৈরি করা যায় না? হায় আফসোস! যে ভাইয়েরা নিজেদের মুক্তমনা হিসেবে পরিচয় দেন তাদের মনতো মুক্ত হলোনা বরং অজান্তে আরো বেশি জিঞ্জীর শেকলে আবদ্ধ হলো। তারা পরিবার থেকে, সমাজ থেকে, গণমানুষের পথ থেকে আজ বিচ্ছিন্ন। তাদের সাথে আর বিভ্রান্ত জঙ্গিদের সাথে পার্থক্যটা বেশী নয়, খুব বেশী নয়। প্রকৃত সত্য, প্রকৃত মানবতার যোদ্ধা সমাজে কোণঠাসা; বিষয়টা বড় বেদনার।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—