প্রতি বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে একটি র‌্যাংকিং প্রকাশিত হয়। কয়েক দিন আগে এক ছাত্র ক্লাসে বলছিল, “স্যার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তো বিশ্বের সেরা দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই।”

উত্তরে বলেছিলাম, “ঢাকা বিশ্ববদ্যালয় যেখানে আছে, বিশ্বের সেরা দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয় কখনও সেখানে যেতে পারবে না। এই দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাটা তুমি দেখ, সেখানে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি না, যেটি একটি জাতিরাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে! দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা করেছে, নেতৃত্ব দিয়েছে?”

বিশ্বের সবচেয়ে ‘প্রভাবশালী’ বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি কোনো র‌্যাংকিং করা হয়, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিঃসন্দেহে সেখানে এক নম্বরে থাকবে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন থেকে চুয়ান্নর নির্বাচন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফার সংগ্রাম, আগরতলা মামলা, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন সর্বোপরি স্বাধীনতাসংগ্রাম; বাঙালির ইতিহাস মানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস।

গত কয়েক দিন ধরেই গৌরবের এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে এক নব্য আমলার ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য নিয়ে সরগরম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এই নব্য আমলা সুশান্ত পাল নিজেকে যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর পরিচয় দিয়েছেন, প্রকৃত অর্থে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন এমবিএর ছাত্র ছিলেন। এটা আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করছি, সান্ধ্যকালীন ‘সার্টিফিকেট বিক্রি’র কোর্সের সুবাদে অনেকেই নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গর্বিত’ ছাত্র বলে পরিচয় দেন। তাতে অবশ্য দোষের কিছু নেই। কিন্তু বিষয়টি তখনই দৃষ্টিকটু দেখায় যখন চার বছরের অনার্স ও এক বছরের মাস্টার্স করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পরিচয় বেমালুম ভুলে গিয়ে মুখ্য করে তোলে সান্ধ্যকালীন কোর্সের পরিচয়।

তবে বিষয়টি যথেষ্ট ইতিবাচকভাবে দেখি এবং মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটাই ঢাবির কৃতিত্ব। সুশান্ত পালের তথাকথিত মন্তব্য এবং তা নিয়ে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের যে প্রতিক্রিয়া, সেটা যথার্থ। নিজের ‘মা’-কে অসম্মান করলে কোনো সন্তানেরই চুপ থাকার কথা নয়। আর স্বভাবতই প্রতিক্রিয়ায় সরব হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে আমাদের কতটা প্রভাবিত করে তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন একজন অগ্রজ ও বন্ধু সাংবাদিক। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “আমার কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা অনুভূতি। কারণ, এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে মানুষ বানিয়েছে। আমাকে নতুন করে জন্ম দিয়েছে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমালোচনারও অনেক জায়গা রয়েছে। যৌক্তিক সেসব সমালোচনা অবশ্যই করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই। আমি দেখেছি, বাংলাদেশের প্রায় সবখানে বিশেষ করে মফস্বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী কী করছে, সেটিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চোখে ‘আইকন’। তাই ঈদ, পূজা বা নানা পার্বণে ঢাবির কোনো শিক্ষার্থী যখন গ্রামের বাড়িতে যায়, তখন সে বিষয়টি অজান্তে হলেও তার মাথায় থাকে। সে সচারচর এমন কিছু করে না যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। কারণ, তার একটি ভুল আচরণে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ভুল ধারণা দেয়।

ঠিক সেই কারণেই ঢাবি নিয়ে, নারী নিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, হল জীবন, র‌্যাগিং নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচারের প্রতিবাদটাও করতে হবে জোরালোভাবে। তা না হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটি ভুল বার্তা যাবে সবখানে। যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

সুশান্ত বিসিএসে প্রশাসনে প্রথম হয়েছেন। আমিসহ একই বিসিএসে ঢাবি থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী নানা ক্যাডারে যোগদান করি। (যদিও পরবর্তীতে আমি ক্যাডার সার্ভিস ছেড়ে চলে আসি।) ব্যাক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বিসিএস উত্তীর্ণ হওয়ার সঙ্গে ভালো ছাত্র হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। কিংবা এটা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মেধা মূল্যায়নের একমাত্র নিয়ামক হতে পারে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর সুশান্তর মতো হাজার হাজার ক্যাডার জন্ম দেয়।

ঢাবির সার্থকতা এখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ক্যাডার বানানোর আগে একজন শিক্ষার্থীকে ‘মানুষ’ বানায়। মানুষ বানানোর এই প্রক্রিয়াটি যে শুধুমাত্র ক্লাস রুমে সীমাবদ্ধ থাকে, তা নয়। ঢাবির পারিপার্শ্বিকতা তাকে মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সবচেয়ে রঙিন দিনগুলো কেটেছে ঢাবির ক্যাম্পাসে, আবাসিক হলে। ঢাবি আমাদের মনকে উদার হতে শিখিয়েছে। অসাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা দিয়েছে। এর সোনালী অতীত আমাদের উদ্দীপ্ত করেছে নিয়ত, শিখিয়েছে দেশপ্রেমের মন্ত্র। এখন সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তি হয়ে যদি কেউ ঢাবিকে মূল্যায়ন করতে চায় তাহলে তো ঘাপলা হবেই!

সুশান্তর ঘটনা নিয়ে অনেকেই বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাড়াবাড়ি করছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত নই। একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে ঢাবি নিয়ে এ রকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করার জন্য সুশান্তকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। ইতোমধ্যে তিনি তার কিছুটা পেয়েছেনও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে সুশান্ত মোটামুটি সেলিব্রেটি। তিনি যদি ‘ক্ষমা’ পেয়ে যান তাহলে ঢাবির ছাত্রীদের তিনি যেভাবে বিশ্রী অভিধায় কলংকিত করেছেন সেটাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। সুশান্তর শাস্তির মধ্য দিয়ে সমাজের মুখোশ পরা পুরুষদের আসল চরিত্রটাও প্রকাশিত হবে আশা করি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিংয়ের সুযোগে মেয়েদের যেভাবে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন, তা যদি সত্যি হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই যৌন নির্যাতন আইনে মামলা হওয়া উচিত। উচিত পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে নারীঘটিত বিষয়গুলো তদন্তের। তা না হলে সিভিল সার্ভিসে কালিমার দাগটি স্থায়ীভাবে লেপ্টে থাকবে। অবশ্য এরই মধ্যে ২৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে এক ছাত্র শাহবাগ থানায় সুশান্তের বিরুদ্ধে তথ্য ও​ যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করেছেন।

শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের কথা বলছিলাম। আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিম্মমুখী। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে প্রয়োজন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার। শিক্ষার্থীদের মূল ভিতটা গড়ে দেয় স্কুল-কলেজ। বিশ্ববিদ্যালয় সে ভিতের উপর দালান তোলে। এখন ভিত নড়বড়ে হলে তো সমস্যা হবেই। আমরা এখন দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে কোনো শিক্ষার্থী রাখিনি, দেশে সব পরীক্ষার্থী!

বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে একজন শিক্ষার্থীকে চারটি পাবলিক পরীক্ষা এবং প্রায় ৭০টি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাহলে বলুন, তার জীবনে আর থাকে কী?

পাশাপাশি গবেষণা খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে। বিদেশে কোনো গবেষক যখন পিএইচডি করেন তখন তাকে সর্বোচ্চ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়। যাতে সংসারের আর্থিক দিকটা তাকে ভাবতে না হয়। আর আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গবেষণার জন্য প্রতিমাসে বরাদ্দ দেয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা।

ঢাবির একজন শিক্ষকের বার্ষিক গড় গবেষণা খাতে বরাদ্দ থাকে ২৫ হাজার টাকার কাছাকাছি। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জগন্নাথ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বরাদ্দ আরও কম, ৫০০ থোকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন বলুন, এই বরাদ্দ দিয়ে যদি আপনি মানসম্মত শিক্ষা চান, তাহলে তা কিভাবে সম্ভব?

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে যদি তৃতীয় গ্রেডে নামিয়ে দেন, গবেষণায় বরাদ্দ না দেন, গবেষণায় বিদেশ যাওয়ার সুয়োগ না দেন, আর বলেন র‌্যাংকিং কমছে কেন? তাহলে বিষয়টি কি পরস্পর সাংঘর্ষিক হয় না?

আমরা অনেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলে মনে করি না। বাস্তবিক ক্ষেত্রে ঢাবি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি রাষ্ট্রের আশা আকাঙ্ক্ষারও অন্যতম কেন্দ্র। একে ঘিরে এখনও বাংলাদেশের সংস্কৃতির অনেকটাই আবর্তিত হয়। পহেলা বৈশাখ থেকে ফাল্গুন, যে কোনো উৎসব, জাতীয় দিবসে রাজধানীবাসীর অনেকে ছুটে আসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।

ছাত্র রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে তাঁদের যোগ্য উত্তরসূরিরা এখনও জন্ম নেন এই ক্যাম্পাস থেকে। এখনও যে কোনো অন্যায়ের প্রথম প্রতিবাদটি শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

সংকটে-সংশয়ে পুরো জাতি এখনও অনেকটা আশা নিয়ে চেয়ে থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ইঞ্চি মাটি ইতিহাসের সাক্ষী। ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর মেজর কারবেরির কথা কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ও শিক্ষার্থীরা। প্রায় ৮০ বছর পর ২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আবার মুখোমুখি হয় ঢাবির শিক্ষার্থীরা। কী সে কাল, কী এ কাল, কোনোকালেই ঢাবির শিক্ষার্থীরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হয় না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সত্যেন বোস, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, শ্রীনিবাস কৃষ্ণান, কাজী মোতাহার হোসেন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রমেশচন্দ্র মজুমদার, আবদুর রাজ্জাক, সরদার ফজলুল করিম, বুদ্ধদেব বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, হুমায়ুন আজাদের মতো কৃতি সন্তানদের স্মৃতিধন্য।

বরকতের মতো ভাষা শহীদ কিংবা ঊনসত্তরের শহীদ আসাদ নব্বইয়ের নূর হোসেনের জন্ম দিয়েছিল ঢাবি। শিক্ষার গুণগত মানের দিক থেকে এটি বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় নয় বটে, তবে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাব– সব মিলিয়ে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ‘প্রভাবশালী’ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করেছে।

চৌধুরী শহীদ কাদেরজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক

৭৩ Responses -- “গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং একজন সুশান্ত পাল”

  1. নাছির

    সব গাঁজাখুরি মনগড়া কথাবার্তা! বিশ্ববিদ্যালয় নাকি আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস দিয়ে বিচার হয়! বুঝা যায় এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা টিচার হয়!

    Reply
  2. Grohochari

    প্রকৃত অর্থে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন এমবিএর ছাত্র ছিলেন না।

    Reply
  3. L Gani

    লেখকের যুক্তিগুলো খুবই হাস্যকর | ওয়ার্ল্ড রেংকিংয়ে একটা বিশ্ববিদ্যালয় কোন বিবেচনায় আসে আপনি জানেন? ছাত্রদের এসব গাঁজাখোরি যুক্তি দেয়া কি ঠিক হলো?

    Reply
  4. নুরানা ইসলাম

    অত্যন্ত আবেগময় লেখা
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ সবসময় সমার্থক

    Reply
  5. আমির হুসাইন

    সুশান্ত পাল হয়তো ঢাবির সম্পর্কে লিখতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। কিন্তু সাথে সাথে উনি ক্ষমাও চেয়েছেন। আমাদের সংস্কৃতিতে আমলা বা ক্ষমতাবানদের ক্ষমা চাওয়ার দৃষ্টান্ত বিরল। কিন্তু আমরা দেখলাম, উনি ক্ষমা চাওয়ার পরও উনার বিরুদ্ধে মামলা হলো। বুঝলাম যিনি মামলা করেছেন, উনি হয়তো উনার আবেগ থেকে করেছেন, কিন্তু আমাদের প্রশাসন মামলার মাত্র ৪ ঘন্টার মধ্যে উনাকে শাস্তি দিয়ে বসলেন, উনাকে ও,এস,ডি করা হলো। এটাকি লঘু অপরাধে গুরু দন্ড হলো না? বিষয়টি কেন যেন বুঝতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কেউ যাতে কটুক্তি করতে না পারে সে ব্যাপারে যেমন আমাদের সজাগ থাকতে হবে, একইভাবে খেয়াল রাখতে হবে ঠুনকো ওযুহাতে যেন আমাদের মেধাবী কর্মকর্তা কর্মক্ষেত্রে তাদের মনোবল হারিয়ে না ফেলেন। যেমন আমরা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের ক্ষেত্রে দেখেছি।

    Reply
  6. ফাহাদ

    কিছু মনে করবেন না স্যার। একজন Assistant progessor হয়ে এত ভুলে ভরা কলাম লেখা উচিত হয়নি। আপনার অনেক information gap আছে। আগে ভাল করে study করেন তারপর লেখেন। এভাবেই কি ছাত্র পরান?

    Reply
  7. আব্দুল্লাহ

    লেখা এবং সেই সাথে আপনাদের মন্তব্য পড়লাম। সবাই ভাল লেখেছেন তাই কাউকে উদ্দেশ্য না করে আমার ঢাবি নিয়া কিছু কথা বলতে চাই যেটা নিয়ে সকলের ভুল ধারনা আছে।যে বিষয় নিয়ে উদ্বেগ জানাতে চাই তা হল ঢাকসু সচল এর ব্যাপারে কারও মাথাব্যাথা নেই।মাঝে মাঝে বাম দলের ঢাবি সদস্যরা জানালেও সেটা যথেষ্ট না।শুধু বামদের দোষ দিলেও লাভ নাই।এটা প্রত্যেকের দায়িত্ব।
    এবার সান্ধ্যকালিন বা খন্ডকালিন মাস্টার্স নিয়া বলি।অনার্স এর ভর্তি পরিখার মাধম্যে যে যুদ্ধের সমাপ্তি হয় তা আবার মাস্টার্স এ এসে নতুন রুপ নেই।আচ্ছা ঠিক আছে তা না হয় হল কারণ সাধারণ মানুষের টাকায় প্রতিষ্টান চলে সুতরাং সবার পড়ার অধিকার আছে।সেক্ষেত্রে আমার বক্তব্য আর বাকি ছাত্র বা ছাত্রীদের মত তাদের ও বিনামুল্যে পড়ানো হোক।যদি এত দেশপ্রেম থাকে তবে বিনামূল্যে পড়ানো উচিত।
    এবার আসি র‍্যাংকিং নিয়ে।এতে কোনো সন্ধেহ নাই যে আমরা অনেক পেছনে কিন্তু র‍্যাংকিং বিষয়টা সুধু একটা বিষয় নিয়ে হয়না।যার অনেক কিছুই হতো পুরণ করা কঠিন কিন্তু একটা বিষয় বলতে চাই সেটা হল এখানে গবেষণাধর্মী কাজ হয়া উচিত ছিল যা খুব কম।এখন সত্যেন বোস এর মত শিখক তৈরি হচ্ছেনা।বিসিএস ক্যাডার কোন শিক্ষা ব্যাবস্তার মাপকাঠি না।যে পাওয়ার মত করে চেষ্টা করবে আমি মনে করি কানখিত না হলেও কাছাকাছি কিছু পাবে।আর ক্যাডার তৈরি করার জন্য ঢাবি র জন্ম না।এর জন্ম বহুমুখি যা বলে শেষ করা যাবেনা।আমি নতুন প্রজন্মের শিখক যারা হচ্ছে তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন কারণ এখন ঢাবি তে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম এর থেকে একটু নিচে কিন্তু মাথার ওপর কারও হাত আছে তারাই হচ্ছেন।কিন্তু ঢাবি প্রশাসনে তারা এখনো ভুমিকা রাখার সূযোগ পাইনি তাই ভবিষ্যৎ টা ঠাওর করা যাচ্ছেনা।তবে এতটুকু নিশ্চিত যে এখনো এমন কিছু হইনি যে ঢাবি র দিকে আঙুল তুলে কথা বলবে।ঢাবি যদি বাংলার র‍্যাংকিং এ সবার পেছনেও থাকে তারপর ও ঢাবি ছাড়া বাংলার ইতিহাস অসম্পুরণ।
    আমাদের কর্তব্য এর সমস্যা সমাধানে এগিয়া আসা কারন সন্তান এর ভুলের জন্য বাবাকে গালি দেয়া অনুচিত যেখানে তার অন্য সন্তাদের মধ্যে ভালর সংখ্যাটাই বেশি।
    কারো মন্তব্যকে ছোট করা আমার উদ্দেশ্য নয়।আমি শুধু আপনাদের লেখা দেখে উৎসাহিত হিয়ে আমার মনের কথাগুলো বললাম।আর সুশান্ত – অনাকে নিয়ে কিছু বলতে চাইনা কারণ এটা সত্য যে বাহিরে থেকে দেখে ঢাবি নিয়া অনেকে অনেক কিছুই বলে বা ধারণা করে যা অমুলক।আমি তার বক্তব্য প্রথমবার জানার পর ভেবেছিলাম ওনি মনে হয় হলে থাকেনা বা বেশি একটা ক্যাম্পাস এ আসেন না।পরে জানলাম অনলি এমবিএ। তারোপর আবার ক্যাডার তাও প্রথম ও আবার সেলিব্রেটি। খুবি সাভাবিক কিছুখনের জন্য আপনিও সম্ভিত হারাতে পারেন।পরে চেতনা ফিরলেও দেরি হয়ে গেছে মাটিতে নামতে কারণ বাবাকে অবজ্ঞা করায় অন্য সন্তানরা স্ট্রাইক করে ফেলেছে 🙂
    ধন্যবাদ

    Reply
  8. মানব কুমার চৌধুরী

    এই সে ঢাবি যেখানে নাট্যকলার সাইফুল এর মত অধ্যাপক থাকে যে তার মেয়ে বা নাতনির সমবয়সীকে ফাঁদে ফেলতে চায়। শাহিদুজ্জামান এর মত শিক্ষক থাকে যে ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কাজ করার পর বলে মেয়েটি বিবাহিত। ঢাবিতে এমন উপাচার্য ও পেয়েছি যে হায়েনার মত হাসি দিয়ে মধ্যরাতে চর দখলের মত ভিসির পদে যোগ দিতে।

    Reply
  9. শুভ্র

    ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়াঃ
    প্রথমেই আসি লেখাটির শিরোনাম নিয়ে। শিরোনাম দেওয়া হয়েছে “গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং একজন সুশান্ত পাল”। শিরোনামটা পরে প্রথমেই সাদা বনাম কালো, ভালো বানাম মন্দ, বড় বনাম ছোট একটা ফিলিংস যে কোন পাঠকের মনে আসাই স্বাভাবিক, আমারও এসেছে।

    এগ্রসর হলাম আরো, লেখক লেখার শুরুতেই উল্লেখ করেন বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রংকিয়ের কথা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেখানে না থাকার কথা। আর তার স্বপক্ষে একটা আবেগের যুক্তি দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, বিশ্বের সেরা দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয় কোন জাতি রাষ্ট্রের জন্ম দেয় নাই এবং এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচণা হয়েছে। লেখক যদিও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লেখকের হয়তো জানা নেই বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাংকিং হয় জ্ঞান সৃজন, পরিবেষণ, গবেষনা, নিবন্ধন প্রকাশ ইত্যাদি বিষয়গুলোকে বিবেচনায় রেখে, কোন ছাত্রের একটা ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা তার একটি বিশেষ ভাবধারার স্টুডেন্টরা অন্যান্য স্টুডেন্টদের মতামত কিংবা প্রতিবাদ উপেক্ষা করে কত জোড়ালো প্রতিবাদ বা মামলা করতে পারলো তার উপর ভিত্তি করে নয়।
    লেখক এমন একটি নেত্তৃত্তের কথা বলেছেন যেখানে ছাত্রদের তাদের ন্যায্য দাবি “ডাকসু নির্বাচন” পরে থাকে বছরের পর বছর ধরে। কেউ সেই নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে না। ছাত্রদের ন্যায্য এই দাবিটির জন্য কাউকেই পাওয়া যায় না, এমনি লেখক নিজেকেও।
    ঢাকার প্রানকেন্দ্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অবস্তিত এবং ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। দেশ পরিচালনার কিংবা জাতীয় পর্যায়ের সব কিছু এখান থেকেই যে শুরু হবে কিংবা শুরু হওয়া উচিত এবং এটাযে পঞ্চগড়, টেকনাফ কিংবা তেতুলিয়া থেকে শুরু না হওয়া যে আশ্চর্যজনক নয় তা নিশ্চয় লেখক অস্বীকার করবেন না। তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা তার আশেপাশের যায়গাগুলো থেকে কিংবা দেশের অন্য যে কোন যায়গা থেকে শুরু হওয়া যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলন কিংবা প্রতিবাদ কর্মসূচীতে দেশের সর্বস্তরের জণগনের অংশগ্রহণ, সাহায্য ও সমর্থন ছিল এবং তা থাকবেও।
    তারপর লেখক “নব্য আমলার” প্রসংগ টেনে এনেছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে তার এমন একটি পোষ্টের প্রসংগ এনেছেন যেটির উদ্দেশ্য সমস্যা দেখিয়ে তার সমাধানের জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষন বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। কিন্তু কিছু মানুষের ভুল বুঝাবুঝি এবং পোস্টকারীর ভাষাগত ত্রূটি থাকার কারনে সংগে সংগে দু দুবার ক্ষমা চাওয়া হয়েছে যা আমাদের দেশের দায়িত্বশীল পদে অধিনস্তদের ক্ষেত্রে আমি দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না। লেখক নব্য আমলা বলে কি এটাই বুঝাতে চাইছেন যে, আমলা নব্য হলে তার ক্ষেত্রে এক নিয়ম আর পুরনো হলে তার ক্ষেত্রে আরেক নিয়ম? কি জানি, দয়া করে যদি জানাতেন। তবে সাধারণ বিচার বুদ্ধিতে এটুকো বুঝতে পারছি যে এখানে আমলার আগে “নব্য” লেখাটা একটা শ্লেষাত্নক প্রয়োগ এবং এটা “হিংসাত্নক” উদ্দেশ্যে প্রয়োগ হয়েছে বলে কেউ মত পোষন করলে আমি প্রতিবাদ করবো না।
    লেখক বলেছেন যে আমাদের গৌরবময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাকি “সন্ধ্যাকালীন এমবিএ”র সার্টিফিকেট বিক্রি করে বেড়ায়। লেখক অন্য আরেকটি দায়িত্বশীল পদে থেকে দেশের এরকম একটি গৌরবময় বিদ্যাপিঠকে কি কারণে একটি সার্টিফিকেট বিক্রির পীঠস্থান হিসেবে বর্ণনা করলেন যেখানে দুটো প্রতিষ্ঠানেরই পেষাগত ক্ষেত্র একই তা বোধগম্য হলো না। লেখকের বিরুদ্ধে যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রছাত্রিরা যথোপযোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করে তবে তা সুসাশন এবং ন্যায়বিচার বলেই আমার কাছে প্রতিয়মান হইবে।
    লেখক কোন রকম বাচ বিছার এবং অনুসন্ধান ছাড়াই পোস্টকারীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভেনিং এমবিয়ের ছাত্র বলে উল্লেখ করলেন যেখানে আমরা দেখতে পাই যে, উনি আইবিএয়ের রেগুলার এমবিএ থেকে ফাইনান্স থেকে মাস্টার্স করেছেন। লেখক আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এরকম একটি পদে থেকে এরকম মনগড়া প্রতিক্রিয়া কিভাবে দেখান তা আমাদের কাছে বোধগম্য হলো না। লেখক আবার পোস্টকারীর সম্বন্ধে বলেছেন উনি চার বছরের অনার্স এবং এক বছরের মাস্টার্স করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বেমালুল ভুলে গিয়ে মুখ্য করে তোলেছেন সন্ধ্যাকালীন কোর্সের পরিচয় যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। পোস্টকারী ঢাবির সন্ধ্যাকালীণ কোর্স নয় বরং আইবিয়ের এমবিএ থেকে ফিনান্সের থেকে সনদ পাওয়া একজন নিয়মিত ছাত্র এবং তিনি সব সময়ই উনার চুয়েট এর সিএসই থেকে এবং ঢাবির আইবিএ থেকে পাস করা বলেই গর্বের সাথে বলে থাকেন। ঢাবি তার কাছে অত্যন্ত আবেগ এবং সম্মানের যায়গা এবং উনি চুয়েট এবং ঢাবি দুটোকে নিয়েই প্রাউড ফিল করেন বলে সব যায়গায়ই বলে থাকেন।
    লেখক তারপর বলেছেন সুশান্তের ছোট ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে কিছু কিছু ছাত্রদের তুমোল আলোড়ন এবং ঘটনাটিকে বিভিন্ন মহল বিভিন্নাভাবে নিয়ে ঘোলাজলে মাছ শিকারের প্রচেষ্টা কিংবা ঘরপোড়া আগুনে আলুসিদ্ধ করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন। নিজের মাকে অসম্মান করলে কারও চুপ করে থাকার কথা না। কিন্তু নিজার মার জরায়ুতে ক্যান্সার কিংবা তার নিতম্বে ফোড়া উঠার পর যদি লোকলজ্জার ভয়ে অথবা চিকিৎসক জেনে ফেলবার ভয়ে কিংবা রোগের বর্ণনা অস্বস্তিকর ভাষায় বর্ণনা হবে বলে রোগের সম্পর্কে আলোচনা না করাটা কোন ভালো কাজ নয়।
    লেখক তারপর স্যার জাফর ইকবালের মতো ঊনার ব্যক্তিগত জীবন থেকে বিভিন্ন ঘটনা (ঘটিত কিংবা অঘটিত নির্নয় করা অসম্ভব) টেনে এনেছেন এবং আবদুল গাফফার চৌধুরীর মতো লেখার নহর প্রবাহিত রেখেছেন।
    লেখক তারপর উল্লেখ করেছেন সুশান্ত বিসিএসে প্রথম হয়েছেন । তারমানে বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে লেখক প্রথম হননি তাও লেখক পরোক্ষভাবে উল্লেখ করেছেন। লেখক ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখ করেছেন বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়ার সাথে ভালো ছাত্র হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু বিসিএস সার্কলারগুলোতে আমরা খুব বড় হরফে দেখতে পাই উল্লেখ থাকে যে, “পড়াশুনা এবং জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন”। তাহলে যারা পড়াশুনা এবং জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে বিসিএসে যোগদান করেন তারা কি ভালো ছাত্র নয়?
    লেখক একবার উল্লেখ করেছেন সুশান্ত যে বছর বিসিএসে প্রথম হন তিনিসহ (লেখকের স্থান কত ছিল তা কিন্তু লেখক উল্লেক করেননি!) আরো পাঁচশত ঢাবিয়ান একই বছর যোগদান করেন, আবার পরক্ষনেই বললেন ঢাবি প্রতিবছর সুশান্তর মতো হাজার হাজার ক্যাডার জন্ম দেয়। লেখকের কথাটা কি কন্ট্রাডিক্টরি হয়ে গেলো না। লেখক গুনগত না হয় নাই লিখলেন, পরিমানগত কিংবা সংখ্যাগত উপাত্তগুলোর মাঝে কি ভারসাম্য রক্ষা করতে পারতেন না?
    লেখক উল্লেক করেছেন ঢাবি উনাকে উদার হতে শিখিয়েছেন, অসাম্প্রদায়িক শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু সুশান্তের একটি সামান্য স্ট্যাটাস যেটার উদ্দেশ্য ঢাবির ময়লা পরিষ্কার হলেও এবং তার ভাষাগত ত্রূটি থাকায় সাথে সাথেই তা রিমুভ করে দু দুবার ক্ষমা চাওয়ার পরও কয়েকদিন পর ঢাবিরই প্রাক্তন এক ছাত্র যে জবির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত সে নূণ্যতম রিসার্চ ছাড়াই নিজের মনের মাধুরী মিসিয়ে মহাকাব্যিক এক উপন্যাস লিক্ষে ফেললেন এটাতে উদারতার প্রতিফলন আর অন্য কেউ পাক আর না পাক আমি পাইনা। ঢাবিকে যদি মায়ের সাথে মনে করে থাকেইন তবে সন্তানের একটু ভুলের কারনে কি তাকে ক্ষমা করা যেতো না, তার প্রতি কি একটু উদারতা প্রদর্শন করা যেতো না? তাকে নিয়ে অহেতুক হৈ চৈ করে জাতির সামনে ঢাবিকে এভাবে উপস্থাপন করা বন্ধ করা কি উচিত ছিল না?
    ঢাবি শিক্ষার মান নিন্মমুখি উল্লেখ করে লেখক লেখা চলমান রেখেছেন। এবং এই নিন্মমুখি মানের ব্যর্থতা তিনি অতি কৌশলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার ঘারে ঠেলে দিয়েছেন। সব শিক্ষার সূচণা বা ভিত্তিমূল যে পরিবার এবং মানুষ মানাবার মূল শিক্ষাটাযে পরিবার থেকেই শুরু হওয়া উচিত তা লেখক উল্লেক করলেন না কেন?
    লেখক গবেষনার নিন্মমূখী মানের কারনে অপর্যাপ্ত আর্থিক প্রনোদনাকে দায়ি করেছেন। লেখক কি ইচ্ছাকৃতভাবেই ভুলে যাচ্ছেন যে একজন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষক যখন বিদেশে গবেষণার জন্য যান তখন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক বেতন ঠিকই প্রতি মাসে তার ব্যাংক একাউন্টে জামা হতে থাকে? গবেষক উখানেও টাকা পাচ্ছেন এবং এখানেও টাকা পাচ্ছেন। ডবল লাভ। বিনিময়ে তার গবেষণা কর্মের ফলাফল হতে জাতি কি পাচ্ছ? উনি হয়তো তার গবেষনালব্ধ অমূল্য রত্ন (!) দিয়ে তার প্রমোশানের যায়গাটা আরো পাকাপোক্ত করলেন কিন্তু জাতির কি উপকার হচ্ছে? আর পৃথিবীর নামি দামি জার্নাল (ন্যাচার, সায়েন্স ইত্যাদি)তে তো তাদের কারোরই গবেষোনার ফলাফল প্রাকাশ হতে দেখি না। গবেষনার জন্য ফান্ড যতটানা সমস্যা তারচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে মানসম্মত গবেষকদের অভাব। ইউরোপীয়ন ইউনিয়ন রিসার্চ ফান্ডদের মতো হাজার হাজার ডোনার অর্গানাইজেশন দাঁড়িয়ে আছে গবেষণায় অর্থায়ন করার জন্য কিন্তু তারা আমাদের মতো দেশ থেকে খুব বেশি মানসম্মত গবেষক পাচ্ছে না। আর গবেষনার মান গবেষক কোন গ্রেডে অবস্থিত তার থেকে বেশি নির্ভরশীল গবেষকের মাথায় কি আছে তার উপর।
    ছাত্র রাজনীতির প্রানকেন্দ্র ঢাবী বটে তবে ছাত্র রাজনীতির আত্নাটা “ডাকসু নির্বাচন” ঢাবিতে নেই।
    যে ঢাবিতে হাজার হাজার কৃতি মানুষের জন্ম হয়েছে সে ঢাবিও কিন্তু নক্ষত্রতূল্য ব্যক্তি যিনি এই বাংলার বুকে আর আসবেন না কিংবা যার সমান মানুষ এই বাংলায় আর জনম নিবেন না তাকেও ঢাবি কোন এক সময় বহিষ্কার করে ঢাবিকে কলংকিত করতে দ্বিধা করেনি।

    ঢাবি তার উজ্জ্বল অতীত ধরে রেখে শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদান রেখে ক্রমাগত সমৃদ্ধ হতে থাকুক একজন ঢাবি সুভাকাংখি হিসেবে এই কামনা।

    Reply
  10. Nawrin

    “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিশ্ববিদ্যালয় বলাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না? যে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকদের তৃতীয় গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া ঠেকাতে পারে না, গবেষণায় বরাদ্দ আদায় করতে পারে না (লেখকের ভাষ্য অনুসারে) সে বিশ্ববিদ্যালয় কি করে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে? আর বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং এর দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাদের স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য নেতা তৈরী হয়েছে ঐসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

    Reply
  11. Md. Keramot Ali

    যারা নেতিবাচক response করলেন তারা DU তে পড়তে না পারার ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কি? Write another statement with facts &figure in the media for constructive criticism, not here. sorry for any inconvenience

    Reply
    • কবির

      পাইছেন তো খালি অই এক টাই উছিলা… আরে ভাই ঢাকা ভারসিটিতে পরতে পারলে ভাল… আর না পারলেই আমরা সব গরু গাধা… ভাব খানা এমন এখানে না পরলে আরে জাতে ওঠা যায় না…কেরামত সাহেব একটু মেরামত হন…

      Reply
      • Atiq

        Yes. you have expressed a good comments which is really have us understood your face. Because this DU has given us this education to lead a war remaining the front line. If any types of inconvenient situation arise the who will lead? which Institution will lead? However, if you sit BCS and any important recruitment process then you will understand how much education gap you have? otherwise comments will come like yours.

      • Sykot Biswas

        সহমত #কবীর ভাই। ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ুয়ারা বরাবরই একটু নাক উচা স্বভাবের হয়।

  12. মুক্তি

    কেউই সম্পুর্ণ না, ভুল কম বেশি আছেই । তিনি কিছু ভুল যেমন করেছেন ছাত্র -ছাত্রীদের ক্যারিয়ার গঠনে উত্সাহ দেয়া অনেক কথাও তো লিখেছেন । যার ফলে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন । নিরপেক্ষ মানুষ যারা তাদের এটাও মাথায় রাখা উচিত ।

    Reply
  13. Mehedi

    নূর হোসেন ঢাবির ছাত্র হলো কবে থেকে? তিনি তো এইচএসসির পর লেখাপড়া করেননি।

    Reply
  14. A. Zaman

    নিজের আসল চরিত্র প্রকাশের অভাবে আমরা সবাই সৎ, যাঁদেরটা প্রকাশ পেয়েছে তাঁরা চরিত্রহীন। তথ্য মনগড়া এবং সুশান্ত পালের প্রতি অবিচার করা হলো। একটা অহংকারী প্রজন্ম বানাতে কেন যেন সবাই উঠেপড়ে লেগেছে এবং এ দায়িত্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে ঢাবি।

    Reply
    • Atiq

      You could ask this question to our Hr. teachers whom had been involved for creating new wing of MBA in this University. Because they have given permission and ability to the EMBA students. So, I think our Hr. Teachers will have to take some responsibility. They know how to change this atmospheres.

      Reply
  15. Md. Meftahul karim

    আপনার তথ্যে অনেক ভুল, প্রতি বছর ঢাবি থেকে হাজার হাজার ক্যডার হয়? আপনি কি জানেন এক circular কত ক্যডার নিয়োগ হয়?
    সুশান্ত পাল প্রসাশনের না, সে ইভেনিং MBA এর ছাত্র না।

    কোন কিছু লিখার আগে Study করেন।

    Reply
  16. মো; জাহিদুর রহমান

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বিক্রি করে এই প্রথম শুনলাম। সাবধান, আপনার নামেও মামলা হতে পারে।

    Reply
  17. Sirajul islam

    সুশান্ত পাল ইভেনিং এর স্টুডেন্ট? এতদিন জানতাম তিনি তো আইবিএ এর এম বিএ।

    Reply
  18. কবির

    এই খান থেকে কি সবাই মানুষ হয়ে বের হয়… যদি তাই হয় তাহলে যেই ৫০০ জন বিসিএস ক্যাডার বের হয় তারা তো সরকারি অনেক উচু উচু পদে যায়… তাহলে দেশে দুর্নীতি কেন কমেনা। এই প্রতিষ্ঠানের কেউ কি যৌন হয়রানি করেনা।কেউকি লিটনের ফ্লাটে যায় না। কেউ কি অতিতে খুন হয়নি এই খানে,কেই কি খুন করেনি এই খানে…নাকি তারা মুখোশ পড়া বলে এক মুখোশ খুলে যাওয়া সুশান্তেরি বিচার হল…
    কিন্তু আমি সুশান্তের পক্ষে বলছি তা নয়… সুশান্ত কে দেখেছি ক্ষমা চাইতে,ক্ষমা হয়নি…আর অতিতে যারা খুন করল…নারিদের লাঞ্চিত করল কই তারা তো ক্ষমা চাইল না… বরং বুক ফুলিয়ে হেটেছে ওই মাটিতেই… মনে হচ্চে এক সুশান্তের বিচার করেই এই প্রতিষ্ঠানের আগে হয়ে যাওয়া সব পাপ আপনারা ধুইয়ে ফেলবেন… বোধ করি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন এবং সংগ্রামি ঐতিহ্য লোপ পেয়েছে , এখন যা আছে তা আছে কিছু সন্ত্রাসী আন্দোলন করার নেতা যা সরকার বদেলের সাথে বদল হয়… যারা ট্রাফিক আইন না মেনে উল্ট পথে তাদের গাড়ি চালায় , নীল খেতে মারা মারি করে, গাবতলি বাসস্ট্যন্ডে মারামারি হয়… ক্যাম্পাসের ভিতরে নারী লাঞ্ছিত করে…তাদের সবার বিচার হলে আরো ভাল হত…

    Reply
  19. safin rahman

    লেখাটিকে একপেশে, অতিসাধারণ, ও দূরভিসন্ধিমূলক মনে হচ্ছে। লেখকের অনেক কথার সাখেই অতি সচেতনভাবে ও সুস্থ মস্তিষ্কে দ্বিমত পোষণ করছি।

    Reply
  20. আবদুস সামাদ

    সুশান্ত পাল বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নয়। উনি বিসিএস কাস্টম ক্যাডারের এবং সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছিলেন। আশা করি তথ্যটি যাচাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

    Reply
  21. Shaikh

    ঢাবির ইতিহাস নিয়া আপনি গর্ব করতেই পারেন। ঢাবির সব পজিটিভ দিক ও ইতিহাস নিয়া কোন বিতর্ক নাই, করতেও চাই না।
    কিন্তু সেইগুলা ৪০ বছর আগের কথা।
    আজকালকার ঢাবি আর ছাত্র রাজনীতি নিয়া গর্ব করার মত কিছু অবশিষ্ট নাই।
    এইটা একটা লুলায়িত পুষ্ট হইছে।
    একজন আমলার ফেসবুক স্ট্যাটাস আমলে নিয়া স্টুডেন্টরা মামলা করতেই পারে। কিন্তু অফিশিয়ালি বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে এসব ব্যপার আমলে নেয়া এবং পুরা ব্যপারটাকে অফিশিরাল সাপোর্ট দেয়া উচ্চতর মানের এবসার্ডনেস হইছে। সিম্পল একটা অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়া ঢাবি এডমিনিস্ট্রশন এটা শেষ করতে পারত। এমন না যে ঢাবি নিয়া ইতিহাসে এই প্রথম কেউ খারাপ কিছু লিখছে। আহমদ ছফার গাভী বৃত্তান্ত পড়ে এসে আরেকবার নিজের লেখাটা পড়ে দেইখেন কিসে সপক্ষে কথা বলতেছেন।
    বাঙ্গালির অনুভুতি আর ৫৭ ধারা সম্ভবত আজকের দুনিয়ার সবচেয়ে বড় হিপোক্রিসির নাম।

    যারা মামলার ব্যপারটাকে সাপোর্ট করতেছে, তারা এমন ভাব করতেছে যেন ঢাবি মঙ্গল গ্রহে অবস্থিত, সেখানে র‍্যাগ শব্দটাই কোন ডিকশনারিতে নাই, র‍্যাগ কি তারা জীবনেও জানে না।
    ঢাবি/জাবি র‍্যাগিং এর মেলা কাহিনী পত্রিকায় অতীতে আসছে। বাংলাদেশের সবকয়টা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে নতুন ছাত্রদের কম বেশি র‍্যাগ দেয়ার হিস্টোরি আছে। শুধু উটপাখি ছাড়া সেগুলো কেও অস্বীকার করবে না।
    খোজ নিলে হয়তো দেখা যাবে, যেসব স্টুডেন্টরা মামলা করছে তারা নিজেরাও র‍্যাগিং এর সাথে জড়িত, সুশান্তের লেখায় তাদের আঁতে ঘা লাগছে।

    লেখক নিজেই বলতেছে যে ঢাবি সান্ধ্যকালীন কোর্সের সার্টিফিকেট “বিক্রি করে”। প্রাচ্যের অক্সফুর্ডের ছাত্র নিজেই দাবি কর্তেছে তার বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বেচে। আর কিছু কইলাম না, থাক।

    “সুশান্তর ঘটনা নিয়ে অনেকেই বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাড়াবাড়ি করছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত নই। একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে ঢাবি নিয়ে এ রকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করার জন্য সুশান্তকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। ”
    ওয়েল, শিক্ষামন্ত্রীও বলছে ঢাবি শিক্ষকরা নীলক্ষেতের বই নিয়া এডমিশন টেস্টের প্রশ্ন করেন। শিক্ষা মন্ত্রী নিজেও ঢাবি গ্র্যজুয়েট।
    তো শিক্ষা মন্ত্রীর নামেও একটা মামলা করে বিচার করেন দেখি ?
    শিক্ষামন্ত্রির বক্তব্য কি আপনাদের অনভুতিতে আঘাত করে নাই, কারন সেটা সত্যি এইজন্যে নাকি শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্বশীল কেউ না? লুল।

    লেখক বলতেছে, ঢাবি প্রতি বছর সুশান্তের মত হাজার হাজার ক্যাডার তৈরি করে। তো সুশান্ত যদি একজন ব্ল্যাকশিপ হয় তাইলে ঢাবির ক্যাডাররাও অর মত ‘ব্ল্যাকশিপ’, নাকি ঢাবির ক্যাডাররা সুশান্তের মত জিনিয়াস?
    কোনটা বলতে চাচ্ছেন?

    বাই দ্য ওয়ে, লেখকের দাবী অনুযায়ী সারা দেশে ঢাবির হাজার হাজার আমলা কামলারা সারা দেশে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার পরেও ঢাবির শিক্ষার মান নিন্মমুখী। বলাই বাহুল্য, দেশের অধিকাংশ অফিস আদালত দুর্নীতিতে ভরা।
    ফর দ্য রেকর্ড, একজন ঢাবি গ্যাজুয়েট শিক্ষামন্ত্রীর আমলে দেশের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা রেকর্ড মাত্রা হচ্ছে আর শুধু ঢাবি না, দেশের ওভার অল শিক্ষার মান আজ নিন্মমুখী।
    তো কি ধরনের আমলা তৈরি করছে ঢাবি?
    তাহলে কি ঢাবি জেনারেশনের পর জেনারেশন ধরে অকর্মন্য আর অসৎ ছাত্রদের সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছে?

    “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সত্যেন বোস, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, শ্রীনিবাস কৃষ্ণান, কাজী মোতাহার হোসেন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রমেশচন্দ্র মজুমদার, আবদুর রাজ্জাক, সরদার ফজলুল করিম, বুদ্ধদেব বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, হুমায়ুন আজাদের মতো কৃতি সন্তানদের স্মৃতিধন্য।”
    বঙ্গবন্ধুকে ঢাবি ছাত্র রাজনীতির জন্য হল থেকে বহিষ্কার করে দিছিলো এবং সেটার জন্য আজো ঢাবি কিংবা তার ছাত্র সংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা স্বরুপ বিবৃতি দিতে শুনি নাই।

    জ্বি ভাই, স্বিকার করেন আর নাই করেন, ঢাবি এখন আর কোন হলি গ্রেইল প্রতিষ্ঠান না। এটা জাস্ট আরেকটা হিপোক্রেসি আর রাজনীতিতে দুষ্ট লোকে ভর্তি প্রতিষ্ঠান। আপনার নিজের বক্তব্যই সেগুলা প্রমাণ করে।

    Reply
    • নিয়াজ মোর্শেদ

      ১। ঢাবিতে ১০০% র‍্যাগিং নেই।
      আমি নিজেই ঢাবি ছাত্র এবং অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষায় আংশগ্রহনের জন্য গিয়েছিলাম, সেগুলোতে কিছুটা হলেও র‍্যাগিং দেখেছি, কিন্ত যখন প্রথম বর্ষে ঢাবি তে ভর্তি হই তখন এখানকার আবাসিক হলগুলোতে র‍্যাগিং নেই দেখেই আমি বিস্ময় প্রকাশ করে আমার অন্যান্য ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া বন্ধুদের বলতাম এ কারনেই ঢাবি সেরা।

      আর যে ঢাবি হল গুলোতে ১ টা রাত ও কখনো থাকেনি সে কিভাবে বুঝতে পারল যে এখানে র‍্যাগিং হয়, যা আমি সাত বছরে দেখলামনা………

      আর আপনি যেহেতু মামলাকে সাপোর্ট করছেননা তারমানে আপনি এরকম একটা মিথ্যা কল্পনাপ্রসুত বিকৃত লেখাকেই আপনার আদর্শ হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের যে নেক্সট প্রজন্ম আসবে তাদের মাঝে এতো বড় একটা ভূল ধারনা তৈরিকে সমর্থন করছেন??

      ২। লেখক নিজেই বলতেছে যে ঢাবি সান্ধ্যকালীন কোর্সের সার্টিফিকেট “বিক্রি করে”
      হ্যা, এটা সার্টিফিকেট বিক্রিরই নামান্তর। এইসব সান্ধ্য কোর্সে যেসব ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হন তাদের কে রেগুলার স্টুডেন্ট দের মত মুল্যায়ন করলে দেখা যেত তাদের ২০% ও পাশ করতে পারতনা সো এটা করা হচ্ছে, আর এইসব কারনে বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্ররা আন্দোলন করে বিজ্ঞান অনুষদের সকল সান্ধ্য কোর্স বন্ধ করে দিয়েছে।

      ৩। শিক্ষামন্ত্রীর কথায় যথেষ্ট প্রতিক্রিয়া ঢাবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি পত্র পত্রিকায় চোখ রাখেন তাহলে তা আপনার জানা থাকার কথা।

      ৪। লেখক বলতেছে, ঢাবি প্রতি বছর সুশান্তের মত হাজার হাজার ক্যাডার তৈরি করে। আর আপনি বলেছেন- তো সুশান্ত যদি একজন ব্ল্যাকশিপ হয় তাইলে ঢাবির ক্যাডাররাও অর মত ‘ব্ল্যাকশিপ’

      — এখন আসি আপনার এই কথায় । এখন পর্যন্ত যে কয়টা বিসিএস পরীক্ষা হয়েছে, তাঁর মধ্যে ৩/৪ বার ব্যাতীত প্রতিবারই মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছে ঢাবি থেকে। এটা বলা আমার মুখ্য উদ্দেশ্য না, আপনি দেখেন আপনি এদের কয়জনকে চেনেন? মনে হয় কাউকেই চিনেননা। কারন তারা কেউ নিজেকে ব্যাবহার করে মার্কেটিং করেননি। তারা কেউই মনে করেননি যে তারা বিসিএস এ ফার্স্ট হয়ে দুনিয়া উদ্ধার করে ফেলেছেন। তারা বিসিএস ক্যাডার হওয়ার আগে ঢাবি থেকে মানুষ হয়েছেন। তার পরেও আমি বলছিনা যে ঢাবি থেকে যারা ক্যাডার হয় তারা সবাই ১০০% মানবিক গুন সম্পন্ন। এটা হওয়া সম্ভবওনা, আর এটা আশা করাটাও বোকামি। কারন এখান থেকে প্রতি বছর ৫/৬ হাজার ছাত্র গ্রাজুয়েট হয়, তাদের সবাই ভাল হবে এটা সম্ভব না।

      ৫। দেশের অধিকাংশ অফিস আদালত দুর্নীতিতে ভরা।
      — হুম আপনার কথা সত্য। কিন্তু এর জন্য মুলত দায়ী আমাদের দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা আশা করছি সেটা কাউকে বুঝানোর দরকার নেই।

      ৬। আর বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যেকোন আলোচনা করার আগে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা থাকা জরুরী। এই আলোচনা এখানে মানায়না।

      ৭। জ্বি ভাই, স্বিকার করেন আর নাই করেন, ঢাবি এখন আর কোন হলি গ্রেইল প্রতিষ্ঠান না। এটা জাস্ট আরেকটা হিপোক্রেসি আর রাজনীতিতে দুষ্ট লোকে ভর্তি প্রতিষ্ঠান।

      — ঘটনাটা অনেকটা আঙ্গুরফল টক এর মত হয়ে গেলনা!!! লেখক ঢাবির অনেক সীমাবদ্ধতা বর্ননা করেছেন, হুম সীমাবদ্ধতা আছে, তা সমাধানের জন্য আপনি কি সাজেশন করছেন? আপনি কি সমালোচনা করেছেন – না মনগড়া ঝাল মিটিয়েছেন?? সমালোচনা সেই করতে পারে যে ঐ সমস্যার সমাধানের পথ জানে, আপনি জানেন কি?? আর যারা সমাধান দিতে জানেননা তারা গালি দিতে পারে, আপনি সমালোচনা করেছেন না আঙ্গুর ফল টক বলে মনের ঝাল ঝারলেন তা জানাইয়েন।

      Reply
      • সাদ্দাম হোসেন

        ধন্যবাদ নিয়াজ ভাই…
        উনি বলছেন ৪০ বছর আগেকার কথা সব।। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন , ১/১১ এসবের কথা মনে হয় ভুলে গেছেন … সময়ের প্রয়োজনে ঢাবি কখনো জাতিকে আশাহত করেনি আর করবেও না…

  22. বিদ্রোহী দুর্যোধন

    একটা ভার্সিটির উদ্দেশ্য “রাজনীতি” নয়, লেখাপড়া। লেখাপড়া সবসময় বাদ দিয়ে ঢাবি সবসময় আন্দোলনের গৌরব নিইয়ে ব্যাস্ত! কয়টা নোবেল পেয়েছে ঢাবির ছেলেরা?কয়টা আন্তর্জাতিক মানের গবেষক আর গবেষণাপত্র তৈরি করেছে এই ৯৬ বছরে? শুধু ঘুরেফিরে এক আন্দোলনের আর রাজনৈতিক প্যাঁচাল পেরে গিয়ে সত্য ঢাকলেই হবে?

    আন্দোলন সব দেশেই ছাত্ররাই করে। যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই হোকনা কেন। ফরাসী বিপ্লব, আরব বসন্ত ইত্যাদি ভুঁড়ি ভুঁড়ি উদাহরন আছে সারা বিশ্বে।

    আন্দোলনের মিথ্যা অর্জনের ফানুস আর মূলা না দেখিয়ে ভার্সিটির মূল উদ্দেশ্য লেখাপড়া আর গবেষনায় মন দিন

    Reply
  23. Mr_OVE

    লেখা পড়েই বুঝতে পারলাম আপনি কতটা উদার মানসিকতার লোক। আপনারা বলতে পারতাম, কিন্তু ব্যপারটা বাড়াবাড়ির পর্যায় ছাড়িয়ে ক্রাইম এর পর্যায়ে চলে যায়। তাছাড়া আপনি একজনই তো আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপ্রেজেন্ট করেন না। ব্যপারটা লজ্জার, কষ্টের ও, এই ব্যপারটা নিয়ে আপনারা তথাকথিত উদাররা যা করতেছেন!

    Reply
  24. Mohi Uddin

    সবই ঠিক আছে, স্যার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে কোন দ্বিমত নাই। সব সময় শ্রদ্ধার সাথে দেখি এবং দেখব।
    তথাপি, আপনার প্রতি সম্মান রেখেই একটি বিষয়ে দ্বিমত পোষন করছি। আপনি লিখেছেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর সুশান্তর মতো হাজার হাজার
    ক্যাডার জন্ম দেয়।” স্যার, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কি ক্যাডার জন্ম দেয়া? বিশ্ববিদ্যালয় তো সার্টিফিকেট কিংবা ডিগ্রি দেয়। ক্যাডার তো নিজের প্রচেষ্টাতেই হতে হয়। বিষয়টা তো এমন না যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দেখলেই ক্যাডার দিয়ে দেয়া হয়।
    দ্বিতীয়ত, আপনারা শিক্ষকেরা যদি ‘ক্যাডারে’ এত গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কাজ “নলেজ ডিস্ট্রিবিউশন” এবং “নলেজ জেনারেশন” হবে কিভাবে?

    Reply
    • মো; জাহিদুর রহমান

      পিএসসির ভাইভায় কত % ঢাবির শিক্ষক থাকে আর কত % অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকেন,

      Reply
  25. মোঃমাহফুজুর রহমান

    প্রানের বিশ্ববিদ্যালয় আমাদেরকে সর্বপ্রথম মানুষ বানিয়েছে,গেস্টরুম আমাদের শিখিয়েছে বড়দের সন্মান করতে,রাজনীতি আমাদের শিখিয়েছে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে।অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ট প্রতিবাদ করতেও শিখিয়েছে আমাদের প্রানের স্পন্দন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।পরিবার ছেড়ে এসে প্রানের ক্যাম্পাস আমাদের দিয়েছে আরেক পরিবার,সে পরিবার শুধুই দিয়ে যায়,কখনও কোন রিটার্ন আশা করেনা।আমাদের সে পরিবারে সুশান্তের মত অশান্ত কোন ভদ্র লোক নূন্যতম চিড় ধরাতে পারবেনা।

    Reply
  26. ইকোনোমিস্ট দেবদাস।

    শুশান্ত দা আবারো বিখ্যাত হতে চলেছেন,সেটা হয়তো আজ না হয় কালকে দেখা যাবে এবং তিনি গর্বের সাথে বলবে আমি ঢাকা ইউনিভারসিটি স্টুডেন্ট।

    Reply
  27. Mohi Uddin

    সবই ঠিক আছে, স্যার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিল গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে কোন দ্বিমত নাই। সব সময় শ্রদ্ধার সাথে দেখি এবং দেখব।
    তথাপি, আপনার প্রতি সম্মান রেখেই একটি বিষয়ে দ্বিমত পোষন করছি। আপনি লিখেছেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর সুশান্তর মতো হাজার হাজার
    ক্যাডার জন্ম দেয়।” স্যার, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কি ক্যাডার জন্ম দেয়া? বিশ্ববিদ্যালয় তো সার্টিফিকেট কিংবা ডিগ্রি দেয়। ক্যাডার তো নিজের প্রচেষ্টাতেই হতে হয়। বিষয়টা তো এমন না যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দেখলেই ক্যাডার দিয়ে দেয়া হয়।
    দ্বিতীয়ত, আপনারা শিক্ষকেরা যদি ‘ক্যাডারে’ এত গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কাজ “নলেজ ডিস্ট্রিবিউশন’ এবং ‘নলেজ জেনারেশন’ হবে কিভাবে?

    Reply
  28. সাগর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বড় কিছু কিন্তু সব কিছু না
    ইতিহাস আছে এখানে,ইতিহাসের বিকৃতির
    রেকর্ডও আছে।যাই হোক প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর।বাংলাদেশ এর একমাত্র নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র ।আর একটা বিশ্ববিদ্যালয় এর মান শিক্ষা দিয়েই বিচার করা উচিত রাজনীতি দিয়ে না।আর অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্য সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষকরাই তাদের ছাত্রদের মানুষই হিসেবেই গড়ে তুলতে চায়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সব ছাত্রই যদি মানুষের মত মানুষ হত তাহলে বাংলাদেশে দূর্নীতির দ টাও থাকতো না।কারন আমরা জানি প্রশাসনের বেশিরভাগ ক্যাডার কিন্তু ঢাবি থেকেই হয় আর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দূর্নীতির ক্ষেত্রও কিন্তু এই প্রশাসনই।

    Reply
  29. ENAYET KHAN

    **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবাই নিষ্পাপ।
    **এখানে কোন রাজনীতি নেই
    **এটা বিশ্বের ৫০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিকে অবস্থান করছে।
    **সরকারের ৬৫ % কর্মকর্তা কর্মচারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাই এরা কোন দুর্নীতি করে না।
    **কিছু দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে যারা লাঞ্ছিত করেছিল তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ ছিল না।
    **২০০৬ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমাকে কোন কারন ছাড়াই মারধর করেছিল সেটা মিথ্যা।
    **এই প্রতিষ্ঠানে কোন প্রকার র্যাগিং হয় না।
    **হিজাব পরিহিত ছাত্রীকে ক্লাসের ভিতরে অপমান করা হয়নি।
    **নামাজ রুমে তালা মারার খবর মিথ্যা ছিল।
    **দেশের নাস্তিকদের মা বাপ সবাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন না।
    **দূর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, সরকারি আমলারা কেউ এখানে লেখা পড়া করেন নি।
    **প্রতিবছর শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপাতে যথেষ্ট পরিমাণ গবেষনা পত্র প্রকাশিত হয় এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
    **এখানে মারা মারি হানাহানি বলতে কিছুই নেই।
    **এখনকার ছাত্র ছাত্রীরা সবাই পুত পবিত্র।
    **আর একটা কথা আপনি যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে থাকেন তাহলে আপনি মেধাহীন, বোকা আপনার শিক্ষার কোন মূল্যই নেই।

    তাই ভুলেও আপনি এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কটুক্তি বা সমালোচনা করবেন না, আপনার সেই অধিকার নেই। যদিও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের একটা অংশ আপনার দেওয়া ট্যাক্স থেকেই পরিশোধ করা হয়।

    Reply
  30. Hossain

    রকৃত অর্থে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন এমবিএর ছাত্র ছিলেন। এটা আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করছি, সান্ধ্যকালীন ‘সার্টিফিকেট বিক্রি’র কোর্সের সুবাদে অনেকেই নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গর্বিত’ ছাত্র বলে পরিচয় দেন।…. According to your comments, DU Sells Certificate, You should say sorry and beg pardon to nations. If it is true, What will be the dignity of DU…!!!

    Reply
  31. L Gani

    ভাই, আগে জানতাম রাস্তার ধারে গজে উঠা কম্পিউটার সেন্টারগুলো কেবল সার্টিফিকেট বিক্রি করে; আর, এখন আপনার লেখা পড়ে জানলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও সান্ধ্যকালীন কোর্সের সার্টিফিকেট বিক্রি করে!

    Reply
  32. Suman

    পদচ্যুত করার সংবাদ প্রকাশের পূর্বে সুশান্ত পালের নামও তো শুনিনি জীবনে। বিসিএসে প্রথম হয়ে সে কি এমন বীর হয়ে গেল বুঝলাম না।

    কিন্তু আমার প্রশ্ন, ঢাবি কি সমালোচনার ঊর্ধ্বে? বুঝলাম ঢাবি আমাদের ইতিহাসের সাথে জড়িত, তাই বলে ঢাবির সমালোচনা করলেই কি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে? দুবছর আগেই বেগ আর্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইমতিয়াজ আলম বেগ কার্জন হলে বেড়াতে গিয়ে ছাত্রদের মারধরের শিকার হন। এখন এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

    Reply
    • সাদ্দাম হোসেন

      আপনি না শুনলেও ২ লাখ ফলোয়ার ঠিক ই তাকে চেনে… তার লেখা নিয়মিত তারা পরেন।
      আমার মনে হয় সমালোচনা কাকে বলে আপনি জানেন না… সত্য কোন ঘটনার আলোচনা- সমালোচনা হতে পারে।। কিন্তু যা কখনো ঘটেই নি তার আবার সমালোচনা কিসের? পাঁচ পাঁচটা বছর কেটে গেল…।। একবারের জন্যও কি দেখতাম না শুনতাম না!!!! আমাদের কথা না হয় বাদ ই দিলাম!! যেসব ছোট ভাইয়েরা হলে থেকে ভর্তিপরীক্ষা দিয়ে গেছে তাদেরকেও জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন……।
      ইমতিয়াজ আলমের মারধরের কথা শুনেছেন কিন্তু ঘটনার সাথে জড়িত ছাত্রদের যে বহিস্কার করা হয়েছে তা হয়তো আপনি অবগত নন।
      আমি বাক্তিগতভাবে সুশান্ত পালকে মোটামুটি পছন্দ করতাম। মানুষ মাত্রই ভুল হয়। কিন্তু সেটার একটা লেভেল থাকা উচিত । আর সেটা যখন সুশান্ত পাল এর মত জনপ্রিয় একজন।

      Reply
  33. Kurchi Roy

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর সুশান্তর মতো হাজার হাজার ক্যাডার জন্ম দেয়। যে বিশ্ববিদ্যালয় হাজার হাজার ক্যাডার জন্ম দেয় সেই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে একজন বিসিএস ক্যাডার মিথ্যাচার করলে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয় না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান এত ঠুনকো নয় যে একজন ক্যাডার কিছু একটা মন্তব্য করবে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান হুড়মোড় করে ভেংগে পড়বে। রাস্তা দিয়ে যাওয়া কোন মানী লোককে যদি কোন পাগল বলে তুই পাগল তাহলে মানী লোকটি না শোনার ভান করে চলে যাবে। কারণ তিনি জানেন পাগলের কথায় তার মান চলে যাবে না। কিছু জিনিস অবহেলায় এড়িয়ে যেতে হয়।

    Reply
    • জয়নাল আবেদীন

      বিশ্ববিদ্যালয় তো সুশান্তপাল ইস্যুতে কর্ণপাতই করেনি, কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো তো দূরের কথা! মামলাটা করেছে বর্তমান একজন ছাত্র যে কিনা মনে করেছে সুশান্তের মতো একজন যার কিনা ফেইসবুকে দুই লক্ষাধিক ফলোয়ার আছে, সরকারের কর্মকর্তা লেভেলের দ্বায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অসুস্থ রুচির এমন কাল্পনিক গল্প ফাঁদা অমার্জনীয় অপরাধের মধ্যে পরে। অভিযোগটি সুস্পষ্ট- সুশান্ত পাল তার মনগড়া এক কাল্পনিক গল্পে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে উদ্যেশ্যপ্রণীত ভাবে অশ্লীল আর কুরুচিপুর্ণ মিথ্যাচার করেছে, সে বলেছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে সিনিয়ররা সদ্য আগত নবীনদের নানা রকম হেনস্থা আর অমানবিক আদিম নির্াতন করে। এরকম নানা রকম বলার অযোগ্য কথা। সুশান্ত পালের মতো একজন ব্যক্তি যার ২ লক্ষাধিক ফলোয়ার আছে, নিজে এক অনন্য মেধার পরিচয় দিয়ে সরকারি দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত আছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত এসব কথাবার্তা অবশ্যই অপরাধের সামিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বর্তমান শিক্ষার্থী হিসেবে যে ছেলে মামলা করেছে, সেটা কোন ভাবেই গর্হীত কাজ নয়, রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনগুলোর যে ধারা সুশান্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সাথে সবচেয়ে বেশি সামন্জস্যপূর্ণ হয়েছে, মামলাটা সেই ধারাতেই এজাহারভুক্ত হয়েছে। সুশান্তর অপরাধকে আগে অপরাধ হিসেবে গণ্য করুন। সুশান্ত যে অপরাধ করেছে সেটা স্বীকার করুন, সে যেহেতু একজন রাষ্ট্রিয় দ্বায়ীত্বশীল ব্যক্তি হওয়া সত্বেও স্বজ্ঞানে এমন অপরাধ করতে পারে, রাষ্ট্রের কাছে আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রমাণ সাপেক্ষে রাস্ট্র যথাযথ বিচার করবে। সে নিরপরাধ হলে রাষ্ট্র তার কিছুই করবে না। এখানে আবারও বলছি, মামলাটা করেছে একজন ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয় নয়। ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে গিয়েছিল, প্রশাসন বলে দিয়েছে, এতো ছোট খাট বিষয়ে তারা কোন প্রতিক্রিয়া দেখাবে না, দেখায়নিও। কারণ প্রশাসন মনে করে, কারো কথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মান চলে যায় না, আর কিছু জিনিস অবহেলায় এড়িয়ে যেতে হয়।

      Reply
    • আজিমুল হক রিফাত

      আপনার কথাটি একদিক থেকে সঠিক। “কিছু জিনিস অবহেলায় এড়িয়ে যেতে হয়।” এর অর্থ দাড়ায় ‘কিছু’ জিনিস এড়িয়ে যেতে দিলেও সব জিনিস এড়াতে দিতে নেই। সুশান্ত পাল এই কিছুর বাইরে। তিনি শুধু একবার কটুক্তির জন্য আসলে শাস্তি পাচ্ছেন না। বহুবার বহুভাবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ছোট করার চেষ্টা করেছেন তা তার ফেইসবুক ওয়াল দেখলেই বোঝা যাবে। ধন্যবাদ।

      Reply

Leave a Reply to কবির Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—