ছেলের স্কুল থেকে ফোন এল, শরীর খারাপ লাগছে তার, যেন আমি গিয়ে নিয়ে আসি। ছুটতে ছুটতে গেলাম। ফ্রন্ট অফিসে বসে আছি। ছেলের আসতে একটু দেরি হবে, এই ক্লাসটা শেষ হলে ছাড়বে।

একটু দূরে অন্য একটি সোফায় ছোট্ট একটি ছেলে হাপুস নয়নে কাঁদছে। খুব ছোট, প্লে গ্রুপের বাচ্চা, তার মানে ৩ কি ৪ হবে বয়স। সঙ্গে যে আয়া দাঁড়ানো তার কথায় কোনো কাজ হচ্ছে না। ফ্রন্ট ডেস্কের লোক দুটোকে জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে। বলল বাচ্চাটার খুব জ্বর এসেছে, মাকে জানানো হয়েছে, আসতে দেরি হচ্ছে মায়ের, তাই এই ব্যাকুল কান্না।

আমিও মা, বাচ্চাটার কান্না দেখে অস্থির লাগছিল। কী অসহায়ের মতো কাঁদছে। ভাবলাম আজকের বাচ্চারা মোবাইল তো খুব পছন্দ করে, আমার মোবাইলটা দিয়ে একটু ভুলিয়ে রাখি। কাছে ডাকলাম। বললাম, “আমার মোবাইলটা নিবে?”

একটু থামল কান্না। ভ্রু কুঁচকে বলল, “তোমার মোবাইলে গেইম আছে?”

ভাবলাম মাথা খারাপ। তাহলে আর আমার কোনো মোবাইলই এক মাসও টিকবে না আমার ছেলের যন্ত্রণায়।বললাম, “না, কিন্তু একটা দুষ্টু ভাইয়ার ছবি আছে। দেখবে?”

“হু।”

আমার কোল ঘেঁষে দাঁড়াল। আমি ফটো গ্যালারি খুলে এক এক করে ছবি দেখাতে শুরু করলাম। যাক, কান্না থেমেছে। শুরু হল প্রশ্ন। “এতা কে”, “ওতা কী”, “তাইলে অতা কী?”

উচ্চারণ এখনও অস্পষ্ট, আধো আধো বোলে কত জিজ্ঞাসা! আলতো করে গালটা ছুঁয়ে দেখলাম। ও মা! গা তো জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে! আমি তার সীমাহীন প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকলাম, আর দোয়া করতে থাকলাম ওর মা যেন তাড়াতাড়ি এসে পড়ে।

আমার খুব সৌভাগ্য হয়েছিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটা সেলফি তোলার। ওটা আমি কখনও মুছি না, আমার মোবাইলেই থাকে। অন্য সব ছবি ফোনে তুলে পরে কম্পিউটারে ডাউনলোড করে মুছে ফেলি, শুধু ওটা ছাড়া। বঙ্গবন্ধুর মেয়ের সঙ্গে ওই ছবি তোলার সুযোগ ছিল আমার অনেক বড় একটি আনন্দের স্মৃতি। পরে ছোট আপার সঙ্ওগে ছবি তোলার সুযোগ হয়েছে। এখন দুটোই থাকে ফোনে আমার আনন্দের স্মৃতি হয়ে।

ফোনে এক এক করে ছবি আসছে, সে দুনিয়ার প্রশ্ন করছে, আমি উত্তর দিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার সেলফিটা এল। এবার আমার কৌতূহল হল দেখতে বাচ্চাটা কী বলে। আমি প্রশ্ন করলাম তাকে, “বল তো উনি কে?”

খুব ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতে ভাঙ্গা উচ্চারণে উত্তর দিল, “এতা? এতা তো বাংলাদেশ।”

 

Sheikh Hasina - 999
খুব ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতে ভাঙ্গা উচ্চারণে উত্তর দিল, “এতা? এতা তো বাংলাদেশ।”

 

ভাবখানা এমন যে, এটা কোনো প্রশ্ন হল!

“কী? কী বললে তুমি?”

আবার জিজ্ঞেস করলাম। ভাবলাম বেচারা প্রধানমন্ত্রী শব্দটা উচ্চারণ করতে পারছে না, ধরিয়ে দিই। বললাম, “উনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, তাই না?”

ছেলেটা নাছোড়বান্দা, “এতা বাংলাদেশ।”

আমার মুখের হাসি আমার বুকের গর্ব ছাপিয়ে গেল। আমি খুব নিম্নস্বরে নিজেকেই নিজে বললাম, “হ্যাঁ, এখন আমাদের কাছে তিনিই বাংলাদেশ।”

জানি বাচ্চাটা কিছুই হয়তো বুঝে বলেনি। কিন্তু আমার মতো ‘৭১এর স্বজনহারার কাছে কথাটার অনেক বড় অর্থ আছে। বাংলাদেশের জন্ম থেকে আজকের এই বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর যে কণ্টকাকীর্ণ দীর্ঘ যাত্রা, তাকে যারা বুকের রক্তক্ষরণ আর চোখের জলে ভেসে অনুভব করেছেন শুধু তাঁরা বুঝবেন, এই শিশুর কথাটা আমার মতো শহীদ পরিবারের কাছে আজ কতটা সত্য। ‘৭৫এ বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পড়ে এদেশ পরিণত হল এক মিনি পাকিস্তানে। সেই মিনি পাকিস্তান থেকে, আজকে আবার সোনার বাংলায় ফিরে আসার স্বপ্ন দেখতে আমরা আজ শুরু করেছি– এই অবিশ্বাস্য ঘুরে দাঁড়ানোর যে গল্প– সেই গল্পের রূপকার তো তিনিই– আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

আসলে, অন্য একটি কারণে আমি এতটা চমকে গিয়েছিলাম শিশুটির কথা শুনে। মনে পড়ে গেল, গত ১৪ ডিসেম্বর এই একই কথা আমাকে বলেছিলেন একাত্তরে স্বামীহারা এক শহীদজায়া– আমার মা। তাঁর দীর্ঘ ঘাত-প্রতিঘাতপূর্ণ, সংগ্রামময় জীবনের শেষে এসে সকল শোক ও অভিজ্ঞতার পরে তিনিও একদিন আমাকে এই একই কথা বলেছিলেন।

গত ১৪ ডিসেম্বের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আওয়ামী লীগের আয়োজিত সভায় বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হবার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। এই প্রথম জননেত্রী শেখ হাসিনার সামনে কথা বলার সুযোগ হল। এ যে কী পাওয়া, কীভাবে বুঝাই! ৪৩ বছরের কত কথা! বাবার হত্যাকারীকে দেখেছি মন্ত্রী হতে। এমন বাংলাদেশে বড় হয়েছি যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হতে দেওয়া হয়নি। কত অভিমান, কত কান্না, কত যন্ত্রণা এই বুকে!

 

Bangabandhu - 222
এমন বাংলাদেশে বড় হয়েছি যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হতে দেওয়া হয়নি

 

সব একসঙ্গে উথলে উঠছে। এত আবেগ বুকে নিয়ে তাঁর সামনে আমি কী বলব? তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সামনে কথা বলার আমন্ত্রণটাও পেয়েছি হঠাৎ করে, সে দিন সকালেই। কিছু যে গুছিয়ে নেব সেই সময়ও নেই, মনের আবেগে মাথা ঠিক ঠাণ্ডাও রাখতে পারছি না।

আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করি তাদের কাছে দেশ নিয়ে সমস্ত চাওয়া-পাওয়ার স্থল, সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা মান-অভিমান, হতাশা-ক্ষোভ প্রকাশের একমাত্র জায়গাও বঙ্গবন্ধু-সম্পর্কিত যা কিছু আছে তা ঘিরেই। আর সেটা হওয়াই স্বাভাবিক। আমাদের মতো ‘৭১এ স্বজনহারা পরিবারগুলোর দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার তো বঙ্গবন্ধুর ডাকেই। তাই ফিরে ফিরে তাঁর দলের কাছেই ফেরত যাই, তাঁর মেয়ের কাছেই ফেরত যাই।

অথচ দীর্ঘ পথচলা আমাদের অনেক কঠিন শিক্ষা দিয়েছে। আজ জাতীয় রাজনীতির বক্রপথের এই মোড়ে দাঁড়িয়ে, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার তাঁর মেয়েরা ছাড়া সত্যি কি আর কাউকে তেমন বিশ্বাস করতে পারি? দল বলুন, দলের বড় বড় নেতা বলুন, পুলিশ বলুন, শিক্ষক বলুন, সাংবাদিক বলুন– স্বার্থের কাছে আদর্শ বিক্রি না করতে দেখেছি কজনকে? কাকে সত্যি বিশ্বাস করতে পারি জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারে?

অনেক ঘা খেয়ে, বহু খেলা দেখে তাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সকল আশা-ভরসার স্থল হয়ে দাঁড়িয়েছেন আজ একজনই– বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সন্তান আজকের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যাত্রার বাতিঘর শেখ হাসিনা। তাঁর একার স্কন্ধে তিনি বহন করে চলেছেন সমগ্র দেশের আশা, ভরসা, স্বপ্ন, শ্রমের ভার।

আমাদের পক্ষের লোক জন বার বার আপন-পর চিনতে ভুল করলেও, আমাদের যারা শত্রু, যারা স্বাধীনতা বিরোধী চক্র, তারা কিন্তু শেখ হাসিনাকে ঠিকই চিনেছে, তারা কিন্তু জানে সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য এই মানুষটি কতটা অপরিহার্য। তাই বার বার তাঁর উপর আঘাত এসেছে। আর তাই আমার সব ভয় তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে। ভয় হয়, এমন নিঃস্বার্থ, আদর্শের প্রতি অবিচল, নির্ভীক, সাহসী, নিখাদ জাতীয়তাবাদী নেতাকে ঘরে ও বাইরে বাংলাদেশের শত্রুরা চিনতে কি ভুল করবে? ওরা তো বঙ্গবন্ধুকে চিনতে ভুল করেনি, তাঁকে এতটুকু ছাড় দেয়নি, এতটুকু রাসেলকে পর্যন্ত রেহাই দেয়নি। আমাদের শত্রুরা এমনই নিষ্ঠুর!

আজ এই একজন মানুষের জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র বারবার ভেস্তে যাচ্ছে। শত্রুরা কি এই বসে থাকবে? ভয় হয় সারাক্ষণ– হয়তো ষড়যন্ত্র চলছে, ঘরে-বাইরে। শঙ্কায় আমার বুকটা কেঁপে কেঁপে ওঠে বারবার।

সেদিনের অনুষ্ঠানের আগে, কী বলব যখন ভাবছি, নিজের মনের আয়নার সামনে দাঁড়ালাম। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, আজ তাঁকে আমার আর কিছু বলার নেই। আমি না চাইতেই তিনি তো আমাদের সকলের হয়েই সব কাজ করছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন, সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। শুধু তিনি যদি আল্লাহর রহমতে বেঁচে থাকেন, সুস্থ থাকেন– আমার মন বলে– আমাদের আর কোনো ভয় নেই।

Sheikh Hasina
আমাদের যারা শত্রু, তারা কিন্তু জানে সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য এই মানুষটি কতটা অপরিহার্য

১৪ তারিখের অনুষ্ঠানটা ছিল বিকেল তিনটায়। যখন বের হব, আমার মা তখন বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে এসে গোসল করে নামাজ পরে মাত্র খেতে বসেছেন ক্লান্ত শরীরে। আমার অসহায়ত্ব, অস্থিরতা খেয়াল করেছেন। আমি বের হবার ঠিক আগে মা খাওয়া থেকে মুখ তুলে শুধু বললেন, “মা, তুমি তাঁকে বল, আমাদের কাছে এখন তিনিই বাংলাদেশ।”

আহ! কী চমৎকার কথা! কী যথার্থ এ বাক্য! কী করুণ! সব হারিয়ে আজ এটুকুই আছে আমাদের। এত শোক, এত কান্না, এত দীর্ঘ সংগ্রামের পরে আজ সব আশা-ভরসা তুলে দিয়েছি তাঁরই হাতে, তিনি আমাদের ভালোবাসার আপা, শেখ হাসিনা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অনেক ত্যাগ স্বীকার করে, অনেক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শেখ হাসিনা এই বিশ্বাস, এই সম্মান, এই ভালবাসা অর্জন করেছেন। নিজের ছেলেমেয়েকে দূরে ঠেলে দেশের মানুষকে বুকে তুলে নিয়েছেন– আমি নিজে মা হয়ে বুঝি সেটা কত বড় ত্যাগ। বিশ্বাসঘাতকতা, ভুল পরামর্শ, স্বার্থান্বেষীদের চাটুরাকিতা– সব মোকাবেলা করে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি তাঁর পিতার যোগ্য সন্তান।

যখন দাঁড়ালাম তাঁর সামনে, সমস্ত পৃথিবী মুছে গেল আমার চোখের সামনে থেকে। শুধু মনে হতে থাকল তিনি আমার বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, ‘শেখের বেটি’। তাঁর অফিসিয়াল সব বিশেষণ আমার মাথা থেকে মুছে গেল। তাঁকে আমি অন্তরের সব শ্রদ্ধা দিয়ে ‘শেখের বেটি’ বলেই সম্বোধন করলাম। পিতা-হারানো মেয়ে হিসেবে জানি, বাবার যোগ্য মেয়ে বলার চেয়ে বড় কোনো প্রশংসা পিতৃহারা মেয়ের হতে পারে না। আর বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী হওয়া কি যে-সে কথা? শেখ হাসিনার জন্যও কি তা সহজ ছিল?

না, ছিল না। তিনি সেটা অর্জন করেছেন রক্তে, শ্রমে, ঘামে, ঘাতকের গ্রেনেড পরাস্ত করে। তাই তাঁকে স্যালুট দিয়ে বলি, ‘শেখের বেটি’!

তাঁকে বললাম আমার মায়ের কথা। মাত্র ২৮ বছর বয়সে দুটি ছোট বাচ্চা নিয়ে মা হারিয়েছিলেন তাঁর প্রথিতযশা স্বামীকে, ‘৭১ এর যুদ্ধে। সমাজের উচ্চ আসন থেকে হঠাৎ পতন কঠিন বাস্তবতায়। তারপর থেকে শুধু সংগ্রাম। দেখেছেন স্বামীর হত্যাকারীকে মন্ত্রী হয়ে স্বামীর রক্তে-রাঙানো পতাকা গাড়িতে লাগিয়ে অর্থে, বিত্তে, দম্ভে বলিয়ান হতে। তবু আদর্শের সংগ্রামে অচল থেকেছেন।

আমার দুখিনী মা, আমার সংগ্রামী মা। তাঁর দীর্ঘ কণ্টকাকীর্ণ পথচলার অভিজ্ঞতার পর, অনেক বুঝে অনেক অনুভব করে সেই শহীদজায়াও বলেছেন সেই একই কথা, “আমাদের কাছে আজ তিনিই বাংলাদেশ।”

হ্যাঁ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বেঁচে থাকার জীয়নকাঠির নাম আজ শেখ হাসিনা।

আমার বক্তব্যের সময় কেঁদেছি আমি, অঝোর ধারায় কেঁদেছেন তিনিও। আমার শুধু মনে হল, বাপহারা মেয়ে তো! বয়স যতই হোক, যে অবস্থানেই থাকুন, বাবার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা কি কখনও ভুলে থাকতে পারেন? ছোট্ট অসহায় রাসেলের কথা? বাচ্চা ছেলেটা কী ভয়টাই না পেয়েছিল সে রাতে। আহা রে!

এই কষ্ট বুকে নিয়েই চলছেন অথচ তাঁকেও মেরে ফেলার কত না ষড়যন্ত্র। আমার বুকের ভিতর শিউরে ওঠে। তাহলে কী হবে বাংলাদেশের? কী হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার? কে গড়ে দেবে সোনার বাংলা? তাঁকে হারালে তো সব শেষ হয়ে যাবে। সব।

তাই আজ দেশ নিয়ে আমাদের সকল দোয়া এখন তাঁকে ঘিরেই। অন্তর থেকে দোয়া করি তিনি বেঁচে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সকল শহীদ পরিবার তাঁর জন্য দোয়া করে, বিধবারা তাঁর জন্য দোয়া করে, এতিমরা করি। তিনি বেঁচে থাকলে তিনি নিজের গতিতে, নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের কাজ করে যাবেন। সোনার বাংলা গড়ার কথা যে প্রতিশ্রুতি তাঁর পিতা আমাদের দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি তিনি পালন করবেন সর্বান্তকরণে, সৎভাবে– এই বিশ্বাস তিনি অর্জন করেছেন।

সেদিন আমার বক্তৃতা শেষ হলে তিনি আমায় জড়িয়ে ধরেন বুকের মাঝে। আমি তাঁকে তখন শুধু এটুকুই বললাম, “আপনি বেঁচে থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুধু এটুকুই চাই।”

তিনি বেঁচে থাকলেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মশাল প্রজ্জ্বলিত থাকবে, এ দেশ সোনার বাংলা হবে। তাঁর হাতেই সব শোক, সব আশা সমর্পণ করেছি। তাঁকে ঘিরেই এ দেশের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তিনিই আমাদের কাছে বাংলাদেশ।

তাঁর জন্মদিনে সর্বান্তকরণে তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি। শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

ডা. নুজহাত চৌধুরীসহযোগী অধ্যাপক (চক্ষু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

৮২ Responses -- “এখন তিনিই বাংলাদেশ”

  1. হাসিব।

    আমি একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখে যাব শেখ হাসিনার নেত্রিত্তে । এ আমার স্বপ্ন সাধনা ।

    Reply
  2. সুমন

    সতের কোটি বাংগালীর মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি।
    সত্যি কিছু প্রতিক্রিয়াশীল মন্তব্য দেখে তাই মনে হলো।

    Reply
  3. Md. Shamsul Haque Khan

    Thank you Dr.Nujrat Chowdhuty for your valuable writing and excellent feeling about the daughter of our founding father of Bangladesh HPM Sheik Hasina. Her father gave us Bangladesh and she is giving the modern developed Bangladesh which is progressing very repidly by the outstanding leadership of Sheak Hasina. We are proud of her for her great reputation in the world as a great world leader. She is the hope of mordern peaceful Bangladest and also hope of the paeceful world. May Almighty Allah bless her and save her from all danger . Ameen , Summa Ameen.

    Reply
    • Md. Shamsul Haque Khan

      The anti-liberation group can’t like this writing about the outstanding leadership and contribution of the daughter of the Founding Father HPM Sheikh Hasina towards the Bangladesh . I advice them to change your mentality and appreciate the contribution of HPM Sheikh Hasina towards the nation otherwise go back to Pakistan.

      Reply
  4. Shafique a. Chy

    Dear Dr. Nujrat Chowdhury,

    Thanks for your writing on our Honorable PM that she is Bangladesh.
    I must appreciate your thinking & feeling on “sheker Beti (Daughter of Sk. Mujib).” Your writing touched my heart while reading two times as I couldn’t control myself, just crying.
    What sheker beti is doing for entire nation & country as well. She is restlessly working to raise the country in to “RICH level from MID Level” by making big development projects/constructions in to a reality with own fund.

    So, what we now can do for her is that we can pray for her long life & Sound physique all the while.

    With best regards,
    Shafique A. Chowdhury
    Chittagong, Bangladesh.

    Reply
  5. মুসলিম বাংলাদেশি বাঙালি

    কে টিকল, কে জিতল, কে বাঁচল আর কে মরল তাতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব নির্ভর করে না, শুধু বাংলাদেশকে অন্য কোনো রাষ্ট্রের আদলে যদি কেউ দেখতে চায়, শুধু তখনই বাংলাদেশের স্বকীয়তা বিপন্ন হয় |

    আওয়ামীদের ‘আদর্শ’ ভারত; বিএনপিওয়ালা, জামাতওয়ালাদের আদর্শ পাকিস্তান | দ্বিতীয় পক্ষের মতামত আবার ‘মুসলমান, মুসলমান ভাই ভাই, বেঈমান তো কি হইসে, আমার আপন ভাইরে মারসে তো কি হইসে, আমার বন্ধুর বাসা পুড়াইসে তো কি হইসে, মুসলমান না? হিন্দু গো চেয়ে ভাল!’

    আমি সম্ভবত কানা লোক | তাই রাজাকার ইস্যু ছাড়া অন্যসব কিছুতেই বিফলতা দেখতে পাই |

    ট্রানজিট ইস্যুতে ভারতের যতটুকু সুবিধা দেখি বাংলাদেশের তার কানাকড়িও দেখি না। রামপালেই কেন বিদ্যুতকেন্দ্র করতে হবে, এত বিতর্ক থাকা সত্তেও?

    পদ্মাসেতুর দুর্নীতির প্ল্যানিংএর অভিযোগে অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রীর ‘দেশপ্রেমিক ‘ খেতাবপ্রাপ্তি! সিরিয়াসলি?! এটা ফান ছিল না?

    দুর্নীতি অহরহ, কোনো শাস্তি নাই, কোনো বিচার নাই ! ব্যাংক, আদালত, হাসপাতাল থেকে শুরু করে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলি দিয়ে ম্যান্যুপুলেটেড | রাস্তায় বের হয়ে শুধু এদিক-ওদিক ১০০ মানুষের ওপর জরিপ করেন | সত্যি কথা জানতে পারবেন | তারপরেও ভাষণে “বাংলাদেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে, বাংলাদেশ রোল মডেল, বাংলাদেশের জিডিপি এত” একে সত্যভাষণ মানতে আপত্তি আছে |

    লেখা শুধু মাত্র আবেগ নির্ভর হলে, চোখে পানি অথবা মুখে হাসি আসে | যুক্তি নির্ভর হলে, ইম্প্রুভমেন্টের জায়গা পাওয়া যায় |

    এই যদি হয় বাংলাদেশের চেহারা, এই বাংলাদেশ আমার চিন্তার বাংলাদেশ না | আমার বাংলাদেশ হল:

    মন্ত্রি থেকে মেম্বার পর্যন্ত পাবলিক পার্সেপশানে কারো অন্যায় বা দুর্নীতি ধরা পড়লে তার সাফাই না গেয়ে, প্রথমেই দল থেকে বের করে দেওয়া হবে, তারপর নিরপেক্ষভাবে বিচারিক কার্যক্রম চলবে, দোষী হলে শাস্তি হবে | আর তাকে “দেশপ্রেমিক” বলা হবে না |

    ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণভাবে সামনের ৫০-১০০ বছরের জন্যে নিষিদ্ধ করতে হবে | ছাত্রদের পকেটে কলম থাকার কথা, বন্দুক না |

    শিক্ষাখাতে বাংলাদেশের অন্য যে কোনো খাতের চেয়ে সর্বোচ্চ বরাদ্দ | পরাশুনার ব্যাপার সবচেয়ে বেশি সিরিয়াস হওয়া, কঠিন হওয়া | রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষে পড়ালেখাকে ব্যাবহার না করা |

    সন্ত্রাসী-অশিক্ষিত লোক যেন কোনোভাবেই এম-পি, মন্ত্রী এমনকি ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বারও না হতে পারে, তার ব্যাবস্থা করা |

    বাংলাদেশের রাজনীতি ইন্ডিয়া-পাকিস্তান মুক্ত হবে | রাজনীতিবিদসহ সারা দেশের মানুষ শুধু বাংলাদেশের স্বার্থই দেখবে | বাংলাদেশে মনে-প্রানে বাংলাদেশিরাই শুধু থাকবে |

    আশা বড়, তাই লেখাও বড় | স্বাধীনতার পর বহুদিন হল, গালভরা বুলি শুনতে আর ভালো লাগে না |

    Reply
    • M. Rana

      জনাব মুসলিম বাংলাদেশি বাঙালি
      আসলেই আপনি এক চোখা এবং চরম ভাবেই তাই,
      নিজের গণ্ডীর বাইরে বেরুনোর দরকার মনে করেন না – এক কথায় কুপমন্ডুক–
      তানাহলে, পদ্দাসেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক তাদের ভুল স্বীকার করার পরও আপনি একই প্যাচাল পাড়ছেন –
      ট্রানজিট ইস্যুতে ভারতের কতটুকু বেশী সুবিধা দেখে ফেলেছেন – একটু বিশদ বলুনতো!
      জানি আপনার ছিকায় ঐ রশদ মজুদ নাই – বললেই লাভ তাই বলে যাচ্ছেন-

      শিক্ষাখাতে বাংলাদেশের অন্য যে কোনো খাতের চেয়ে সর্বোচ্চ বরাদ্দ এটাকেও দোষ দিচ্ছেন। ভারতের মাথপিছু আয় বাংলাদেশের চাইতে অনেক বেশী কিন্তু শিক্ষিতের হার বাংলাদেশের চাইতে কম, এটা আপনার চোখে পড়েনা??

      আর থাক, ছাই এর উপর পী করার সম – কুপমন্ডুক যে—

      Reply
  6. এম.আর.এ

    এত সুন্দর প্রকাশ! ভাল লেগেছে। চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না। ধন্যবাদ, এভাবে আরও লিখুন, নিয়মিত লিখুন, এতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতেও পারে!

    Reply
  7. engr.khalid@live.com

    খালিদ, ৭১-এর খুনি-ধর্ষকদের বিচার হওয়াতে যুদ্ধে শহীদ হওয়া দেশপ্রেমিকদের আত্মত্যাগ যে পুরোপুরি বৃথা যায়নি তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷ কিন্তু বর্তমানে যে ‘সাইনবোর্ড’ লাগানো পশুগুলো ধর্ষণের শতক করছে!, অতিভক্তরা যে অগনিত মানুষকে গুম-খুন করছে!, দেশটাকে এ অবস্থায় দেখার জন্য নিশ্চয় আপনার বাবা, আমার বাবা যুদ্ধে যাননি৷ সমস্যা হল, আমরা যারা এখনও উনাকে আপনার মতো ‘বাংলাদেশ’ মনে করছি না, তাদের আপনারা দেশপ্রেমিক হিসেবে মানতে নারাজ!

    Reply
  8. আবদুর রহিম

    প্রিয় ডাঃ নুজহাত,
    কিছু ধর্ষক-খুনী-রাজাকার-ধর্মব্যবসায়ী বা তাদের অন্ধ সমর্থকের মন্তব্যে বিব্রত হবেন না;
    আপনি ‘শেখের বেটি’র অবদানগুলোকে তুলে ধরেছেন জাতির কাছে
    আমরা আপনার জন্য এবং নেত্রীর জন্য মহান আল্লাহ্‌’তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করি

    Reply
  9. Md. Mahanul Ahasan

    একটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে বলেন শেখ হাসিনা সরকারকে। মানুষ ঠিকই জানিয়ে দিবে কে বাংলাদেশ, আর কী বাংলাদেশ…!

    Reply
    • রফিকুল হাসান খান

      নমুনা?
      ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারী যেখানে খুনী কর্ণেল ফারুক হয় বিরোধী দলের নেতা
      অথবা
      ২০০১-এর বিচারপতি লতিফুরের “হোম ওয়ার্ক” নির্বাচন
      অথবা
      ২০০৭-এর জানুয়ারী (আন্দোলনের মুখে বাতিল হয়ে যাওয়া) রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিনকে সংবিধানবহির্ভূতভাবে তত্ত্বাবধায়ক প্রধান করা হয়!
      আপনার পছন্দটি বেছে নিন…

      Reply
      • আলীম

        একটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে বলেন শেখ হাসিনা সরকারকে। মানুষ ঠিকই জানিয়ে দিবে কে বাংলাদেশ, আর কী বাংলাদেশ…! আপনার স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হয়েই থাকবে , কারন রাজাকারের দিন শেষ

  10. Rafiq

    I love this writing so much, and it is simply wonderful. Many thanks writer for sharing your feelings and hope for a better Bangladesh that we earned by the sacrifices of many people like your father. I agree with you that Bangladesh is moving forward to the right direction. Thanks.

    Reply
  11. Dr. Riad Siddiky Pran

    Nice nuzhat apu, I am 100% agree with you, she is the Bangladesh. We can dream to be an emerging power in the world with the honest and bold leadership of our beloved netri Sheikh Hasina. Joy bangla, joy bangabandhu, joy sheikh hasina.

    Reply
  12. চিশতী

    আমি শেখ মুজিবকে দেখি নি!
    কিন্তু উনার সুযোগ্যা কন্যা শেখ হাসিনাকে দেখেছি!
    কারো কারো কাছে উনি শেখের বেটি,কারো কাছে হাসু আপা। ভালো থাকুন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী। শুভ জন্মদিন।
    লেখিকাকে ধন্যবাদ 🙂

    Reply
  13. Shohel

    মেম সত্যি কথাই বলেছেন, এখন শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ। একমাত্র তিনিই আমাদের আশা এবং ভরসার প্রতিক। আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুক এবং হাজার বছর বেঁচে থাকুক এটাই কামনা করি।

    Reply
    • রফিকুল হাসান খান

      জনাব Shohel,
      “আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুক এবং হাজার বছর বেঁচে থাকুক—” এটাকে সংশোধন করুন এভাবে-
      “আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুক এবং বেচে থাকুক তার প্রত্যয় এবং জাতির প্রত্যাশা”

      Reply
  14. আশরাফুল ইসলাম

    তিনিই আমাদের কাছে বাংলাদেশ।
    শুভ জন্মদিন সোনার বাংলার প্রধান সেনাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

    Reply
  15. Shafique a. Chy

    Dear Dr. Nusrat Chowdhury,

    I would like to thank you for o read your today’s writings on our HPM Sk. Hasina with heading that “She is our Bangladesh”. I have loved to read it 02 times & pleased to inform you that while reading, i couldn’t control myself just crying, it really touch my heart & shared with my 02 office colleagues.

    I would also like to add some thing is that Sheker beti (Daughter of SK. Mujib) has become a world most top class leader who loves her country & country men like anything & it now undoubtedly proved with the great achievements of entire developments ever have had & running of all mega projects. She knows how to handle the politics,what to make the planning of developments, where to arrange/organize the financial strength of government, when to take dynamic & solid decisions in crucial moments of nation & finally i must salute her from bottom of my heart that she is our great leader, parents as well.

    Thanks

    Reply
    • রফিকুল হাসান খান

      মহান আল্লাহ্‌ আপনাকে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দীর্ঘায়ু করুন এবং তাঁর অসীম রহমত বর্ষন করুন এ দেশের গরীব মেহনতি ভুখা-নাঙ্গা মানুষদের —-
      শেখ হাসিনা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন হতে অবদান রেখেছেন
      মঙ্গামুক্ত উত্তরাঞ্চল করতে অবদান রেখেছেন
      শিক্ষার হার বাড়াতে অবদান রেখেছেন
      রিজার্ভ বাড়াতে অবদান রেখেছেন
      সড়ক ও রেল যোগাযোগ বাড়াতে অবদান রেখেছেন
      সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ কমাতে অবদান রেখেছেন

      অন্য সমস্যা যেগুলো আছে-
      ফুটপাথ বেদখল
      মহিলাদের ট্রান্সপোর্ট এবং টয়লেট সংকট
      চাঁদাবাজি
      ইনশা আল্লাহ্‌ তিনি তাও নিরসনে অবদান রাখবেন

      Reply
  16. Ataur Rahman

    “হ্যাঁ, এখন আমাদের কাছে তিনিই বাংলাদেশ।” আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন শেখ হাসিনাকে শতায়ু দান করুন।
    আমীন। ছুম্মা আমীন।।

    Reply
  17. নূর গণী ইসলাম

    আজ বিশ্ব অবাক তাকিয়ে
    বঙ্গবন্ধুর কন্যা বঙ্গবন্ধুর মতোই হয় !
    শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয় , তিনি বাংলাদেশে চেতনা, তিনিই আমাদের বাংলাদেশ। আমাদের সোনার বাংলার শ্রেষ্ঠ কারিগর। তিনি সতের কোটি বাঙ্গালীর মুগ্ধ জননী। সর্বান্তকরণে তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি।
    হে বঙ্গ জননী, আপনাকে সহস্র কোটি সালাম।

    Reply
  18. AH

    অসাধারণ। শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলেন। বিষয়বস্তু খুব ভালো লাগলো। আশা করি আরও লিখবেন।

    Reply
  19. Rasha

    হ্যাঁ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বেঁচে থাকার জীয়নকাঠির নাম আজ শেখ হাসিনা। Rightly said. Joy Bangla,Joy Bangabondhu,Joy Seikh Hasina!

    Reply
  20. Thauhidul Alam

    “সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী / রেখেছো বাঙ্গালী করে মানুষ কর নি।” আর কিছু বলিতে পারিলাম না।

    Reply
  21. রাশেদুল হাসান (লালন)

    বাচ্চার কাছে থেকে শুরু হয়ে কাহিনী যে এতোদূর গড়াবে তা প্রথম দিকে পড়তে থেকে বুঝতেই পারি নি। এটাই একজন লেখিকার সার্থকতা। ভাল থাকবেন আর আমাদের জন্য এমন লেখা নিয়মিত লিখবেন।

    Reply
  22. Mohammad Jafar Iqbal

    She is not an angel but she is better than any other contemporary leaders in Bangladesh. And the truth is that those are the worst who criticized this writing and the writer. They are not even close to the writer in any comparison.

    Reply
  23. সালাউদ্দিন রাব্বী

    এমন বাংলাদেশে বড় হয়েছি যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হতে দেওয়া হয়নি। কত অভিমান, কত কান্না, কত যন্ত্রণা এই বুকে!

    Reply
  24. M. Rana

    To greets someone in the Birthday, this type of writing is the best birthday presentation.
    I read this article as a birthday gift to PM Sheque Hasina from the daughter of a Shohid-Buddihijibi.

    long live Bangladesh, long live Sheque Hasina,
    thanks dr. nujhat.

    Reply
    • M. Rana

      dear,
      she is mixing the current ruler , more precisely, top of current Govt., with the country, because she (hasina) is the best ruler so far and hasina is directing the country in the correct direction.

      do u got the answer mr. A hossain.

      Reply
  25. Dr. Mahmood Hassan

    I would like to use a Virtual eraser to remove all the worst chapters that entered into the history of the governance of the Golden Bengal of Sheikh Mujib- I would do that. How much painful it could be for the mother of Dr. Nujhat Chowdhury to see the killer of her husband got a portfolio to serve as a minister of Bangladesh and he was in the car with flag of Bangladesh. That killer escaped the trial and died a death with peace on our soil. Now if the daughter of Sheikh can bring those collaborators under the rule of justice, she should also remove all the left overs of those criminals by declaring them punishable by capital punishment posthumously. Trace of their presence one day on our soil, if found anywhere should be declared illegal and be destroyed. Inqilab is the name of the newspaper still being published in this country. Mr. Mannan was its founder. It might be comparable to a dynasty. It should be uprooted for good. Nationalize the left overs of Mr. Mannan and let the Freedom Fighter families be benefitted by the earnings of the huge enterprise Mr. Mannan left. I did not use “Maulana” before his name to honor the meaning of the word. This killer does not deserve to take that title before his name. Those who played any role in the rehabilitation of the traitors of 1970-1971 should be interrogated and we want to know what really worked behind that initiative to protect and rehabilitate the collaborators.

    Reply
  26. Shamsur Rahman

    শহীদ পরিবারের সদস্যরা যখন এসব লিখেন সত্যিই খুব লজ্জা লাগে। দলে যোগ দিন, তাহলে অন্তত আমাদের শ্রদ্ধাটা বজায় থাকে।

    Reply
  27. পাঠক

    হ্যা বাংলাদেশের নির্বাচিত স্বৈরাচারী শাসক যিনি আপনাদের মত উচ্চ মধ্যবিত্ত আর উচ্চ বিত্তদের বিত্তবৈভব আরোও বড় করেন।

    দেশের গরিবদের জরিয়ে ধরে ভানের ব্যবসা করেন।

    রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সুন্দরবন ক্ষতি হবে না এই মিথ্যা কথা বলে ২ মিলিয়ন বছরের বন ধ্বংস করেন।

    ফেসবুকে তার বিরোধীতা করে কিছু লিখলে মানুষকে গ্রেফতার করেন।

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ক্যানভাস করে করে ভারত যখন পদ্মার পানি ছেড়ে দিয়ে উত্তরবঙ্গে বন্যা ডেকে আনে তখন কৃষক চালের ন্যয দাম নিশ্চিত করার এতটুকু ব্যবস্থা না করে জঙ্গী হামলার নিরাপত্তার ইস্যু তুলে সারাদেশকে মাসের পর মাস ভুলিয়ে রাখেন।

    Reply
    • M. Rana

      এই পুরানো পচন ধরা প্যাচাল গুলো বন্ধ করোনা ভাই।
      সেই ১৯৪৭ সনের পর থেকেই তো শুনে আসছি, শেখ মুজিব ভারতেত্র দালাল, ভারতের অংগ রাজ্য বানাতে চায় এই পূর্ব বাংলাকে-

      তার পর দেশ স্বাধীন হলো, বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ইন্ডিয়ান সেনারা ডুকে আছে, অথচ শেখ মুজিব ফিরে আসার পর তার এক কথায় ১০০% ভারতীয় সেনা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেল। এরকম নজীর মানব সভ্যতার ইতিহাসে নাই-

      তারপরও যদি দেখ, তাহলে দেখবে, ভারতের সাথে ভাল সম্পর্ক ধরে রেখে, দুটু দেশই সামনের দিকে আগাচ্ছে –
      বাংলাদেশের অতি দরিদ্রের সংখ্যা এখন ১২.৯% এই অঞ্চলের সব চাইতে ভালো
      এর পরও যদি একই প্যাচাল পাড় ধরে নিতে হবে তোমাদের মাথার নেটওয়ার্কে প্রচুর সমস্যা আছে —

      Reply
  28. সিম্পল গার্ল

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকেও ধ্বংস করা হয়েছিল এ ধরনের প্রশংসা ও স্তুতির দ্বারা। এমন ভাবে মোসাহেবরা উনাকে ঘিরে রেখেছিল বাস্তব অবস্থা বুঝতে তাকে দেয়নি। সে কারণে এক সময়ের গণতান্ত্রিক নেতা ক্ষমতা পেয়ে হয়ে উঠলো চরম স্বৈরাচারী ও একনায়ক। মোসাহেবরা তাকে বানিয়েছিল- “বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ”, “একনেতার একদেশ” ইত্যাদি। এভাবে প্রশংসার জোয়ারে বঙ্গবন্ধুকে ভাসিয়ে দিয়ে মোসাহেবরা ছিল নিজেদের আখের গোছানোর ধান্ধায়। এভাবে বঙ্গবন্ধুকে অন্ধ করে দিয়ে, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে অবস্থা এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল চরম বিপদের সময় যারা বঙ্গবন্ধুকেই বাংলাদেশ বলে জিকির করেছিল তাদের কাউকেই বঙ্গবন্ধু আর পাশে পাননি। সেই বিপদের সময় এমন ভাব করেছিল যেন শেখ মুজিব নামে কাউকে চেনা তো দূরে তার নামও যেন শুনেনি।

    সেই একই ধরনের স্তুতি ও প্রশংসা শেখ হাসিনাকেও নিয়েও শুরু করেছে মোসাহেবরা। এসব তারা করছে সেই আখের গোছানোর উদ্দেশ্য নিয়ে। বিপদের সময় এসব মোসাহেবরা বঙ্গবন্ধুকে যেমন ভুলে গিয়েছিল শেখ হাসিনাকেউ যাবে।

    Reply
    • israt jahan rozalin

      এখানে মোসাহেবী কোথায় পেলেন??? ডাঃ নুজহাত চৌধুরীর কি স্বার্থ থাকতে পারে? ভাল কথা ও কাজের প্রশংসা করতে শিখুন।

      Reply
    • abdul karim khan

      simple girl !

      if you could give some constructive suggestions, like-
      1. improving public transportation
      2. increase public toilet for females
      3. clearing illegal occupation of roads, footpath or rivers
      4. reduce differences between various education system (madrasa, english medium or bangla medium)
      5. reduce red tapism of govt office
      6. stop harassment of police
      etc. etc. to get full benefit of present favourable situation enjoyed by daughter of the father of the nation
      side by side
      recognizing her great achievements:
      1. trial of rapist-killers rajakar & albadars
      2. speeding up of major development projects like padma river, railways
      3. improved education system
      4. self sufficiency in food production etc. etc.

      then and only then i could appreciate you ( “SIMPLE GIRL”)
      BUT
      I FIND SMELL OF PERSONAL DISLIKING AGAINST OUR SUCCESSFUL PRIME MINISTER

      Reply
      • Well_wisher

        Simple answer to your agendas:
        Add a time next to each item by years, then add the total.
        The total may be 30 years if each problem is solved in three to four years (on its own)
        If these are concurrently done, then the time may be reduced to 15 years if we have the money to solve all of these.
        Add this to year 2016.
        The earliest solutions to these problems is the year 2031 and the latest is 2046.
        Now add these 15-30 years to each of the administrator’s (minister/secretaries) age.
        Will all of these people who are currently working be still alive or in a working capacity? If not, will we get the same type of people in every sector?
        Lots of very difficult puzzles to solve!
        Let us hope for the best and look forward to the next generation of Bangladeshis.

    • প্রবীন হিতৈষী

      ইতিহাস অনেক ঘটন ও অঘটনের স্বাক্ষী, আমাদের রাজনৈতিক শীর্ষ বলিয়ানরা মনে করেন, তার থেকে ভাল কেউ নেই, থাকতে পারে না। তিনিই দেশের জন্য শ্রেষ্ঠ, দলে কোন গণতন্ত্র নেই, কিন্তু দেশবাসীকে তারা গণতন্ত্রের মহাত্য শোনান (!)

      ২৫ বছর পূর্বে কোরিয়া, মালেশিয়া বাংলাদেশ থেকে উন্নতির অগ্রয়াত্রায় পিছিয়ে ছিল, কিন্তু আজ এই দুই দেশ বাংলাদেশ থেকে বহুগুন উন্নত।
      পার্শ্ববর্তী মায়ানমার ও আগামী ১০ বছরে আমাদের থেকে বহুগুন এগিয়ে যাবে। আমরা শুধু চেয়ে থাকব এবং আমাদের মিডিয়া প্রচার করবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি (!), মহান নেতার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে!!!!

      Reply
    • M. Rana

      জন্ম দিনে যেই কেউ এই ধরনের স্তুতি ও প্রশংসা করে যার জন্ম দিন তাকে নিয়ে ।
      মোটা মাথায় এই সহজ কথাটা না আসলে বোকার মত কমেন্ট না করাই ভালো

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—