এক যুগল, প্রেমিক-প্রেমিকা ভালোবাসার ভেলায় এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ায়। তাদের এই সুখকর উচ্ছ্বলতা আশেপাশের অনেকেরই মনোযোগ আকর্ষণ করে। দিন যায়। হঠাৎ প্রেমিক তরুণটিকে একা চলাফেরা করতে দেখা যায়, সঙ্গে প্রেমিকাটি নেই। ঘটনাটি জানার জন্য পরিচিত একজন ইতস্তত করেও পরে জিজ্ঞেস করে।

পরিচিত: কিছু মনে করবেন না, আপনাকে অনেকদিন একা দেখছি। ঐ আপুকে দেখছি না…

তরুণ: হুম, তার বিয়ে হয়েছে।

পরিচিত: আহা! কিন্তু কোথায়, কার সাথে বিয়ে হল?

তরুণ: আমার সাথে!

এটা একটা কৌতুক হলেও বাস্তবে এমন ঘটনা অহরহ দেখা যায়। বিয়ের পর অনেক মেয়েই অদৃশ্য হয়ে যায়, অথবা তাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। এভাবে অনেক নারী নিজস্ব সত্তা, নাম-পরিচয় হারিয়ে অমুকের বউ বা তমুকের মা হিসেবে বাকি জীবন কাটায়। চার দেয়ালের আড়ালে কত প্রতিভা চাপা পড়ে যায়। বঞ্চনা ও তিক্ত অভিজ্ঞতায় কত নারী নীল হয়ে ওঠেন যার সামান্যই জানা যায়। সম্পর্ক, বিয়ে সবার জীবনেই মনোরম, আনন্দময় হবার কথা। ভাগ্যবানদের জীবনে সেই স্বর্গীয় স্বপ্নটি বাস্তবে রূপ নেয়। কিন্তু অনেক নারীর জীবনেই তা অধরা রয়ে যায়। ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে প্রায় সকল নারীর জীবনেই কম-বেশি এমনটা ঘটে। জানাশোনা প্রেমের বিয়ে বা পারিবারিকভাবে আয়োজন করা বিয়ে, সব ক্ষেত্রেই এটা ঘটে।

রুমানা মঞ্জুরের কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যিনি প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন হাসান সাঈদ নামের এক ব্যক্তিকে। রুমানার পেশাজীবন, অগ্রযাত্রা এবং সামাজিক মর্যাদা মেনে নিতে পারেননি সাঈদ। পরিণতিতে, রুমানার উপর নিপীড়ন-নির্যাতন চলতে থাকে; শেষে তিনি সহিংসতা শিকার হন এবং কোনোমতে প্রাণে বেঁচে যান, কিন্তু চিরতরে মূল্যবান দুটো চোখই হারান।

চূড়ান্ত নির্মমতার কারণে ঘটনাটি মিডিয়াতে উন্মোচিত হয় এবং সর্বসাধারণ জানতে পারে। জানা যায়, সাঈদের হীনমন্যতা, ঈর্ষাকাতরতা এবং কর্তৃত্ববাদী মানসিকতার কারণে রুমানা অনেক দিন থেকেই নিপীড়নের শিকার ছিলেন। কিন্তু তথাকথিত সামাজিক-পারিবারিক সম্মান, সন্তানের ভবিষ্যত এসবের বেড়াজালে দিনের পর দিন তিনি শারীরিক, মানসিক অত্যাচার সহ্য করেছেন।

রুমানার মতো অনেক মেয়েই লোকলজ্জার ভয়ে নীরবে নির্যাতন সহ্য করেন। কারণ বিদ্যমান পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামোতে মেয়েদের বিশ্বাস, মানসিকতা সেভাবেই তৈরি করা হয়। যেমন, “আমি তোমার বধু, তুমি আমার স্বামী; খোদার পরে তোমায় আমি বড় বলে জানি!”

 

Couple - 222
পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামোতে মেয়েদের বিশ্বাস, মানসিকতা সেভাবেই তৈরি করা হয়, “আমি তোমার বধু, তুমি আমার স্বামী; খোদার পরে তোমায় আমি বড় বলে জানি!”

 

পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে শতকরা ৮৭ ভাগ বিবাহিত নারী তাদের স্বামীর হাতে নিগৃহীত হন। ভাষায় এবং কূটচালে কত নারী নিপীড়নের শিকার হয় তার কোনো তথ্য নেই। কারণ আমাদের দেশে মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন তেমন আমলে নেওয়া হয় না অথবা লঘু করে দেখা হয়। অথচ গবেষণায় দেখা যায়, শারীরিক নির্যাতনের তুলনায় মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের ক্ষত অনেক গভীর এবং এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী।

আমাদের দেশে প্রায় অধিকাংশ মেয়ে স্বামী এবং অথবা তার স্বজনদের দ্বারা অপমান, অবমাননা, কটূক্তি, কর্তৃত্ব-নিয়ন্ত্রণের শিকার হন। এর ফলে, অনেক নারী মানসিক যন্ত্রণা ও হতাশায় সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতা থেকে আক্রান্ত হন বিষণ্নতায়। কেউ কেউ বেছে নেন আত্মহনন বা সন্তান-হননের মতো ভয়ংকর পথ। আমাদের চারপাশেই এমন ঘটনা ঘটছে।

বলাবাহুল্য, পরিবারে পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে সমাজ-ধর্ম, তথাকথিত পারিবারিক সম্মানের নামে মেয়েদের উপর কর্তৃত্ব ও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু সচেতন, বুদ্ধিদীপ্ত ও আত্মমর্যাদাশীল মেয়েরা তা মানবেন কেন? আত্মবিশ্বাসী মেয়েরা পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শ চ্যালেঞ্জ করেন। ফলে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর আক্রমণ যেন অবধারিত। শিক্ষিত, আর্থিক-সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী অনেক মেয়ে স্বামীর পরিবার ও স্বজনদের কাছে তুচ্ছ বলে বিবেচিত হন, উপেক্ষিত হন নানাভাবে।

আর যদি হয় সেটি ভালোবাসার বিয়ে? পরস্পরের পছন্দে বিয়েতেও মেয়েটিকেই দায়ী মনে করে হেয় করা হয়। বিয়ে দিয়ে তাকে যেন দয়া করা হয়েছে, শ্বশুরকুলের কথায়-ইঙ্গিতে থাকে তেমন আচরণ। আর মেয়েটি যদি ছেলের সমবয়সী হয়, এর জন্যও মেয়েটিই দোষী। মেয়েটি যদি ব্রোকেন ফ্যামিলির হন তবে সেটা তো তারই ত্রুটি। বিয়েতে যৌতুক দেওয়া হয়নি এবং নিজের উপার্জনের হিসাব-নিকাশ মেয়েটি শ্বশুরকূলকে দেন না এমনটা হলে তো কথাই নেই, সেটা আরও অমার্জনীয় অপরাধ! মেয়েটি বরের চেয়ে বেশি মাইনের চাকরি করেন, পেশাজীবনে উন্নতি করেন, এসবও মেয়েটির দোষ।

এসবের কারণে সংকীর্ণ মানসিকতার স্বামী এবং অথবা তার স্বজনরা নানা ছুঁতোয় সেই মেয়ের জীবন দোযখ বানিয়ে তোলে। অনেক পুরুষ নিজে করে না, কিন্তু বউয়ের উপর স্বজনদের অন্যায় আচরণে কিছু মনেও করে না বা প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয় না। কারণ এ ধরনের পুরুষের মনোজগত নিপীড়নমূলক নীতি ও মূল্যবোধে ঠাসা।

প্রত্যেক পরিবারেরই নিজস্ব মূল্যবোধ, আদর্শ, সংস্কৃতি আছে এবং সে আলোকেই সেই পরিবারের ছেলেমেয়েদের মানস গঠিত হয়। ভালোবাসাময় এবং শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক তৈরি এবং বজায় রাখার ক্ষেত্রে যা গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্ক, বিয়ে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের বিয়ের পূর্বে সঙ্গীর পারিবারিক মূল্যবোধ জানার তেমন সুযোগ নেই।

বিয়ের আগে ছেলেরা অন্তত মেয়ের বাড়ি যাবার সুযোগ পায়, কিন্তু মেয়েদের সে সুযোগ নেই। মেয়েরা বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ির অন্দরমহল দেখার সুযোগ পায় না। সেই পরিবারের মানুষজনের মানসিকতা ও মূল্যবোধ জানা-বোঝার সুযোগ পায় না। প্রায় সব মেয়েই এক অজানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে, চোখের পানি ফেলতে ফেলতে শ্বশুরবাড়িতে যাত্রা করে। হঠাৎ একটা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া যে কারও জন্যই কঠিন।

তবে বিদ্যমান সামাজিক ব্যবস্থার কারণে ছেলেদের তেমন কোনো অসুবিধা হয় না, তাদের পক্ষে ‘জামাই আদর’ বলে একটা কথাই আমাদের সংস্কৃতিতে চালু আছে। কিন্তু প্রায় সকল বিবাহিত মেয়ের বেলায় এর উল্টোটা ঘটে। সেজন্য, বিয়ে-পূর্ব প্রত্যাশা এবং বিয়ে-পরবর্তী বাস্তবতার ব্যবধান ঘুচাতে পরস্পরের মূল্যবোধ, পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে ভালো বোঝাপড়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

 

Indian Women - 333
হঠাৎ একটা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া যে কারও জন্যই কঠিন

 

তাই সঙ্গী নির্বাচনে দম্পতি-বিষয়ক মনস্তাত্ত্বিক পিটার পিয়ার্সন (Peter Pearson) দুজনের একই মূল্যবোধের (common values) উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর মতে, পরস্পরের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো মধ্যস্থতা করা যায়। মূল্যবোধের ক্ষেত্রে তা হয় না। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, কোনো যুগলের এক জনের পছন্দ সপ্তাহান্তে পাহাড়-জঙ্গলে ভ্রমণ। অন্যজনের পছন্দ রাতভর পার্টি করা। এগুলোতে আপোষ করা সম্ভব। যেমন, এক সপ্তাহান্তে পাহাড়-জঙ্গলে ঘোরাঘুরি এবং পরের সপ্তাহান্তে পার্টি করা।

তবে মূল্যবোধের পার্থক্যে– যেমন একজন যদি নিজের অগ্রগতি ও পদমর্যাদায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়, আর অন্যজন সামাজিক মর্যাদা গ্রাহ্য না করে– তবে সেই সম্পর্কে জটিলতা সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা থাকে।

প্রেমিক পুরুষ এবং পারিবারিক পুরুষের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য। সে কারণে সম্ভাব্য বরের নীতি-মূল্যবোধ অনুধাবনে পারিবারিক পরিমণ্ডলে একসঙ্গে অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। রেস্টুরেন্টে খেয়ে, সিনেমা দেখে, পার্কে সময় কাটিয়ে কারও মূল্যবোধ সঠিকভাবে উপলদ্ধি করা অসম্ভব।

এজন্যই উদার সমাজ ব্যবস্থায় সম্পর্ক পরামর্শকরা বিয়ের আগে তিন থেকে ছয় মাস প্রেমিক-প্রেমিকাকে একত্র বসবাসের (live together) পরামর্শ দেন। কিন্তু আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে বিয়ে-পূর্ব একত্র বসবাসের অনুমোদন দেয় না। তাই আমি আগের লেখায় সম্ভাব্য সঙ্গীর নীতি-মূল্যবোধ যাচাইয়ের একটা বিকল্প পদ্ধতি প্রস্তাব করেছি। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিশেষ করে মেয়েটি অতিথি হিসেবে হবু বর এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাদের বাড়িতে অবস্থান করবে, যাকে বলা যায় সহাবস্থান (stay together)। পারিবারিক পরিবেশে দুজনের সহাবস্থান মানে একসঙ্গে ‘ঘুমানো’ বা যৌন-সম্পর্ক স্থাপন নয়।

বিস্তারিত:

সম্পর্ক, বিয়ে; অতঃপর…

সঠিক বর বা কনে নির্বাচনের সেকেলে, অকার্যকর পদ্ধতি আমাদের দেশে অনেক অসুখী দাম্পত্য এবং নারীনিপীড়নের অন্যতম কারণ। আমাদের বিয়ে-ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সময়ের চাহিদায় বর বা কনে নির্বাচনে পরিবর্তন এসেছে। একসময় মেয়েরা বিয়ের আগে বরকে দেখার সুযোগ পায়নি, এমনকি বিয়েতে মেয়েদের সন্মতিও নেওয়া হত না। কিন্তু এখনকার তরুণ-তরুণীরা এসব চিন্তাও করতে পারে না।

এখনকার অভিভাবকদের মানসিকতাও অনেক উদার এবং সকল মা-বাবাই তাদের ছেলেমেয়েদের সুখী বিবাহিত জীবন আশা করেন। বিয়ে-পূর্ব সহাবস্থান পদ্ধতি (stay together) বাস্তবায়নে দুপক্ষের অভিভাবকের সহযোগিতা অত্যাবশ্যক।

আশা করি বিয়ে-পূর্ব একত্র বসবাসের বিকল্প হিসেবে সহাবস্থান পদ্ধতি সঠিক সঙ্গী নির্বাচনে সহায়ক হবে এবং নারীনিপীড়ন প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে।

সীনা আক্তারসমাজবিদ, প্যারেন্টিং পেশাজীবী

৬৩ Responses -- “সম্পর্ক, বিয়ে, অতঃপর নিপীড়ন”

  1. Fb te Niropekkho Pola

    আপনি মেয়েদের অধিকারের কথা যা বলেছেন , তার চেয়ে বেশি অধিকার & সুখ ইসলামে আছে ।
    অসৎ পন্থা Live together / স্বেচ্চায় ধর্ষিত হওয়া ধার্মিক হিসেবে আমি Sup0rt করিনা ।
    আমি মেয়েদের অধিকারকে সম্মান করি , তার মানে এই নয় যে স্বাধীনতার নামে তাকে পতিতা / Porno star হতে দিব ।

    Reply
  2. আল-আমীন

    ধরে নিলাম আপনার কথা মতো সমাজটা পাল্টে গেল। তবে আপনার কল্পিত সমাজে কোনো বঙ্গবন্ধু জন্ম নেবে না! কেন জানেন? আরে ঘরের বউয়ের সাথে মনের কথাগুলোই বলার সময় হবে না, রাজনৈতিক বিষয়তো দূরের বিষয়! বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ে দেখুন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠার জন্য গৃহিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসার কত বড় ভূমিকা…

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      একদম খাঁটি কথা। অপরকে ‘বেয়াদব’ বলার আগে নিজে কতটা ‘আদব’ তা যাচাই করে নেয়া উচিত। তবে ‘ভাল’র সংজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক আছে।

      একটা ছোট্ট গল্প বলি, – ‘৯০ দশকের কথা। একটি উপজেলায় বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছিলাম। ইউএনও সাহেবের সঙ্গে আমার বেশ সখ্য। বেশ ভাল মানুষ। তিনি চলে গেলে নতুন ইউএনও এলেন। অপর এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলাম – নতুন ইউএনও কেমন? বললেন, ভাল। জানতে চাইলাম, কেমন ভাল? বললেন, আগের জনের চেয়ে ভাল। কিভাবে বোঝেন? বললেন, “আগের জন ভায়া-মিডিয়া দিয়া খাইত, নতুন জন ডাইরেক্ট খায়।” তাতে ভাল’র কি হলো? বললেন, “ডাইরেক্ট খাইলে কাজটা হইব বুঝা যায়।”

      কি বুঝলেন?

      Reply
  3. বেলাল রিজভী

    ‘‘উদার সমাজ ব্যবস্থায় সম্পর্ক পরামর্শকরা বিয়ের আগে তিন থেকে ছয় মাস প্রেমিক-প্রেমিকাকে একত্র বসবাসের (live together) পরামর্শ দেন।’’
    এই পরামর্শক কারা? তারা পৃথিবীর জন্য নতুন কোন রোল মডেল সৃষ্টি করতে পেরেছেন? নাকি শুধুই অশান্তি সৃষ্টি করেছেন?
    তাদের প্রস্তাব মোতাবেক যদি তিন মাস কোন প্রেমিক প্রেমিকা একাত্রে থাকার পরে দেখলো আর থাকা যাচ্ছে না। এভাবে কত জনের সাথে থাকবে? এক সময় তো মেয়েটি “ব্যবহার” অযোগ্য হয়ে পড়বে..

    Reply
  4. গোল আলু

    চিন্তা করবেন না আপু ‍stay together, Live together সব হবে শুধু সময়ের অপেক্ষা। তখন মানুষ অনেক শান্তিতে থাকতে পারবে। যেমনটা রয়েছে পশ্চিমা সমাজে। বাংলাদেশ যে পথে হাঁটছে সেদিন আর বেশি দূরে নয়। বাংলাদেশ অনেক উন্নত দেশ হবে।

    কিছু গোল-আলু মার্কা কথা, মাইন্ড করবেন না প্লিজ:

    আপনার চিন্তা-ভাবনাটা খুব খারাপ নয়, তবে ভালো বলতে পারছি না। আপনার লেখায় অসংখ্য জিনিস মিসিং রয়েছে। প্রথমত ইসলামপ্রধান দেশে ইসলামাকে নিয়ে লেখালেখি করা দরকার ছিল। বিপক্ষে পক্ষে যা-ই লিখতেন।

    তারপর ইসলামের প্রচলিত অবস্থান আর ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর আলোকে এর পার্থক্যগুলো তুলে ধরা উচিৎ ছিল। ইসলামে কিন্তু মেয়েদের মতামতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মেয়েদের মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দিলে সেটা অগ্রহণযোগ্য।

    তাই প্রথমত আপনি ইসলাম ধর্মকে কখনও দোষারোপ করতে পারবেন না। যদি ইসলাম সম্পর্কে আপনার পূর্ণ জ্ঞান থাকে। আপনি আপনার লেখাই একটা পরিবারের সুঃখ ইসলাম ধর্মের যৌক্তিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে সুন্দর করে দিতে পারতেন।

    আপনি যে পয়েন্টগুলো তুলে ধরছেন সেটা দিয়ে কখনই সুঃখ সম্ভব না । যারা এই পন্থাগুলো অবলম্বন করছে তারা খুব ভাল নেই আপু।

    একটি সুন্দর সমাজ আর সুখী পরিবার তখনই গড়ে উঠে যখন সেই সমাজ বা পরিবারের ভুলবোঝাবুঝি না হই । সেই দিকের পয়েন্টগুলো নিয়ে লিখুন । আমি নারী জাতিকে অনেক শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। তাদের ভোগের বস্তু ভাবতে পারি না। “stay together” হলে “Live together” হতে বেশি সময় নিবে না। আর “Live together” হলে নারী ভোগের বস্তুই হবেই।

    আর শেষ কথা, বাংলাদেশে অচিরেই “stay together” ,“Live together” হয়ে যাবে। আর বিয়েরও দরকার হবে না। বিয়েটা তো ফরমালিটি থাকবে।

    Reply
  5. Shawn

    This is not solutions, not possible to understand one by this short period. Who is morally good she/he is good forever everywhere. So, one should have well morally. You can consecutive massage to build one how he/she will be good person morally.

    Reply
  6. Naima Hanifa

    Ak jon bokta ter boktobbo pesh korlo r sei sathe sathe amra tothakothito bitorke jhapiye porlam. Keu keuto dekhlam lekhiker jonno hedayeto kamona korechen! Se jakok somaje amon vai ebong babader sonkha akhono oprotul jara tader bonder ebong meyeder odhiker jothajothovabe bujhiye dite oparog ba khetro bisheshe onichchuk sekhane akjon sompurno notun akta manusher (husband) upor atota prottsha kora sotti awjouktik. Somaje atodin purushera meyeder akchetiya nigrihito kore esheche tai kono ucchobachcho hoyni akhon meyera ektu ektu kore jokhon mukh khulche ba tader kora achoroner keodangsho protikriya dekhachche tokhoni purusher chokhe boirater sristi korche. Meyera akhon r kebol ghorer asbab hoye nei ….. etai ashar kotha.

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      সুপ্রিয় নাইমা হানিফা,
      আমরা অনেকেই নারীর মর্যাদা, সমতা, ন্যায্যতা, ক্ষমতায়ন, সেক্স-রোল, জেন্ডার-রোল-এর জটিল বিষয়গুলো না বুঝেই উল্টাপাল্টা লাফঝাপ করি। সিডনি শেল্ডনের ‘ব্লাডলাইন’ উপন্যাসে এক ধনকুবের নারী তার আইনজীবী স্বামীর উপর চড়ে বসে যৌনসুখ উপভোগ করতো; যখন খুশি তখন। এটাই তার কাছে ছিল নারীর ক্ষমতায়ন! বাংলাদেশের মেয়েরা নিশ্চয়ই এ রকমটি ভাবে না।

      Reply
  7. নারী সম্মান কামী

    লেখিকা র এই কল্পনাপ্রসূত আবেগিক লেখনি স্বল্পবুদ্ধিরই পরিচায়ক!!! যৌন স্বাধীনতা তথা নারীদের পুরুষদের কাছে সুলভ করে দেয়াটাই এই লেখনির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় বলে ফুটে উঠেছে!

    Reply
  8. নূর গণী ইসলাম

    উদার সমাজ ব্যবস্থায় সম্পর্ক পরামর্শকরা বিয়ের আগে তিন থেকে ছয় মাস প্রেমিক-প্রেমিকাকে একত্র বসবাসের (live together) পরামর্শ দেন। কিন্তু আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে বিয়ে-পূর্ব একত্র বসবাসের অনুমোদন দেয় না। তাই আমি আগের লেখায় সম্ভাব্য সঙ্গীর নীতি-মূল্যবোধ যাচাইয়ের একটা বিকল্প পদ্ধতি প্রস্তাব করেছি। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিশেষ করে মেয়েটি অতিথি হিসেবে হবু বর এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাদের বাড়িতে অবস্থান করবে, যাকে বলা যায় সহাবস্থান (stay together)। পারিবারিক পরিবেশে দুজনের সহাবস্থান মানে একসঙ্গে ‘ঘুমানো’ বা যৌন-সম্পর্ক স্থাপন নয়।———–সন্দর!
    ম্যাডাম, আর আমাদের দেশে অনেক ছেলে মেয়ে দীর্ঘ দিন সহাবস্থান তথা প্রেম করে এমন কী যৌন সম্পর্ক ও স্থাপন করে বিয়ের আগে । তারপর বিয়ে। আর নিপিড়ন ও বিচ্ছেদ তো সেসব শিক্ষিত দম্পতির ক্ষেত্রেই বেশি হয় যারা দীর্ঘ দিন একজন আর একজনকে জেনেশুনে প্রেম করে দীর্ঘ সহ-অবস্থানের পর বিয়ে করে!!!
    তারপর ও কী আপনি বলবেন আপনার সহাবস্থান নীতি সামাজিক মূল্যবোধ অর্জনে সহায়ক হবে না কি সমাজে নতুন একটি অসংগতি সৃষ্টি করবে???????????

    Reply
  9. Mashiur Rahman

    নারী আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান মা জাতি। আমাদের দেশের মা -বোনের উপর কিছু মানুষ যে হীন আচরণ করছে তাদেরকে পশুর সাথেও তুলনা করতে কষ্ট হয়। নারীকে যে সম্মান ইসলাম দিয়েছে তা না মানার জন্যই এই পশুসুলভ আচরণ বলে আমার মনে হয়।

    Reply
    • সম্রাট বাবর

      ধর্ম নারিকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে।তাই প্রতি নর ও নারী ধর্ম মেনে চলে।তাঁদের জীবন সুখী হবে। তাই কোন ভাবে-কোন অর্থেই লিভটুগেদার কোন সমাধান নয়।

      Reply
  10. শান শান

    যে কোন সমস্যায় বা জটিলতায় মানসিকতা পরিবর্তনের শক্তি অর্জন বা সঞ্চয় করাই জরুরি আমি মনে করি।

    Reply
  11. md mafijur rahman

    protiti protisthane ekjon prodhan nirbahi thake, keno thake eta explaine korar dorkar nei mone hoi………….ekhon poribarer prodhan nirbahi k hoben eta apni decision nen, tobe prodhan nirbahi k dictator howa jabena.

    Reply
  12. মোঃ বেলায়েত হোসেন

    সহাবস্থান (Stay together) নয় বরং প্রত্যেক নর-নারীর মধ্যে সৃষ্টিকর্তার ভয় থাকা উচিত। তাহলে পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রে কোন বিশৃঙ্খলাই থাকবে না।

    Reply
  13. কেয়া শারমিন

    মন্তব্যগুলো পড়লেই বোঝা যায় আমাদের দেশের পুরুষ সমাজের অধিকাংশ এখনো কত পিছিয়ে আছে। এদের কোনোকিছু দিয়েই বোঝানো যাবে না।

    Reply
    • সিম্পল গার্ল

      আমি কাজ করি একেবারে সরাসরি নারীদের নিয়ে, বিশেষ করে বিবাহিত দম্পতিদের নিয়ে। প্রতিদিনই নতুন নতুন অভিজ্ঞতার সম্মূখীন হই। মেনে নিলাম, “পুরুষ খুবই খারাপ”- কিন্তু আমরা?! একেবারেই ফেরেশতা?! আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা কি বলে?! আমার অভিজ্ঞতা কিন্তু “পুরুষরা শুধুই শয়তান আর নারীরা ফেরেশতা”- তা বলে না।

      এরপর স্বামী-স্ত্রীর বিবাহিত জীবনে “মতের মিল-বুঝাপরা” ইত্যাদির জন্য “লিভটুগেদার-স্টেটুগেদার” ইত্যাদির মতো আজব এসব সমাধানের পক্ষে আপনি? এই সমাধানের পক্ষে বাস্তবে কি স্টাডি আছে সীনাদের? প্রায় ২০ কোটি মানুষের এ দেশের তারা কয়জন দম্পতির কেস স্টাডি করে ওই আজব সমাধানে পৌঁছেছে? এসব তথাকথিত সমাধানের মূল উদ্দেশ্য কি নারীর উন্নয়ন না নারীর অবনমন?

      আমি কোন ভাবেই বুঝতে পারছি না, একজন মেয়ে একটি ছেলের সাথে বিয়ের আগে ৬মাস কাটাবে মতের মিল বা বুঝাপরার জন্য। এরপর যদি মিল না হয় তখন ওই মেয়েকে পরে কোন ছেলের ঘরে যাবে মতের মিল খুঁজে পাওয়ার জন্য? সেখানেও যদি মিল না হয় তবে কি ওই মেয়ে আরেকটি ছেলে খুঁজে নিবে মতের মিল হওয়ার জন্য? এভাবে ওই মেয়েকে কোন পুরুষ গ্রহণ করবে? সে কি বাস্তবে কলগার্ল-এর মতো হয়ে যাচ্ছে না? এসব তো বাস্তবে বিয়ের সিস্টেমটিই তুলে দেয়ার নামান্তর। পশ্চিমা বিশ্বে যেমন হচ্ছে, যৌন স্বাধীনতা-জরায়ু স্বাধীনতা-যত্রতত্র যৌনতা ইত্যাদিই কি সীনাদের মূল কথা?!

      একজন ছেলে বা মেয়ের প্রতিটি বিষয়ের সাথে উভয়ে উভয়ের সাথে মিল হবে এটি কি কখনো হয়? পৃথিবীতে কখনো হয়েছিল? ছেলে-মেয়ে একে অপরের কিছু বিষয়ের সাথে অমিল থাকতেই পারে। এটি আজীবন একসাথে থাকলেও মিল না হতে পারে। আবার খুব গভীর প্রেমময় জীবনেও একসময় ঝগড়া হতে পারে। চরম সমস্যাও হতে পারে। ঝগড়া-খুনসুটি-ভালবাসা-প্রেম ইত্যাদি মানবজীবনের বৈশিষ্ঠ্য। পৃথিবীর কোন দম্পতি. প্রেমিক-প্রেমিকা বলতে পারবে না পরস্পরের সব বিষয়ের সাথেই তারা সম্পূর্ণ একমত। মতের অমিল-দ্বিমত-ভিন্নমত ইত্যাদিই হচ্ছে মানুষের চরিত্র। প্রকৃতিগত ভাবে যা সম্ভব নয় তা আনতে অবাস্তব ও নষ্টামি সমাধান কী উদ্দেশ্য নিয়ে প্রস্তাব করছেন?!

      আসলে ওরা ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম নির্দেশিত বিয়ের সিস্টেম ধ্বংস করে দিয়ে নারীকে বাস্তবে পণ্য করে তোলার উদ্দেশ্য নিয়েই এসব করছে বলে মনে হয়। নারীকে ধ্বংস করাই এসবের মূল টার্গেট।

      Reply
    • Abdur Razzaque Molla

      কেয়া শরমিন আপনাকে বলছি, ( আমাদের দেশের পুরুষ সমাজের অধিকাংশ এখনো কত পিছিয়ে আছে। এদের কোনোকিছু দিয়েই বোঝানো যাবে না ), বোঝানোর দরকার নাই, যদি আপনার মনে চায় তবে, আজ থেকেই শুরু করুন স্বামী নির্বাচন, আর পছন্দ মতো পুরুষের বিছানায় যেতে থাকুন কিন্তু সাবধান, গর্ভ নষ্ট করবেন না ।

      Reply
  14. Mohammed Jahangir Alam

    সমাজে মেয়েরা নিগৃহীত, নির্যাতিত হচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নাই। এর মাঝে পুরুষ নির্যাতনও আছে। পুরুষরা যখন নির্যাতিত হয় তখন তার সামাজিক আর্থিক আর আস্ত থাকেনা।

    কিন্তু এই পুরুষরা মেয়েদের উপর কতটুকু কর্তৃত্তবাদী তা ঘূণাক্ষরেও মাথায় আনে না। সেটা মায়ের উপর হোক, বোনের উপর হোক। কর্তৃত্তের বেলায় সমিল।

    Reply
  15. Dhum ketu

    একটা পুরুষ নারীর প্রতি যতটুকু কর্তৃত্ব করে তার চেয়ে একটা নারী শতগুন কর্তৃত্ব করার চেষ্টা করে। যে পুরুষ সর্বক্ষেত্রে নারীর অমানুষক অত্যাচার/ কর্তৃত্ব মেনে নিতে চায় না সে পুরুষ খারাপ ………………………..এটাই শিক্ষিত নারীর দৃষ্টিভঙ্গি……………….চ্যালেন্জ আমার কথা কেউ ভুল প্রমাণ করে দিতে পারবেন না

    Reply
  16. M. Zohurul Alam

    Practically, good understanding between husband & wife is essential to bring peace in family life. They should be open to each other & believe, need to go ahead jointly to over come in any bad situation. Emotion will not be worked in here at all. None can take decision emotionally to avoid other. If bound to take decision to face the situation, it should immediately share with other & try to obtain support on that decision to make it success. Both should sacrifice for each other. Such nature should may keep life long & happy.

    Reply
  17. চুরুৎ

    পশ্চিমা দেশের “লিভ টুগেদার” নিয়ে আপনার ধারণা মনে হচ্ছে পরিপূর্ণ না, সিনেমা বা কিছু বই-পুস্তক পড়ে জেনেছেন। লিভ টুগেদারের আসল কারণ বনি-বনা হবে কি হবে না তা পরীক্ষার জন্য না, বরং ডিভোর্স পরবর্তী আইনী ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকাই এর আসল উদ্দেশ্য। পশ্চিমা দেশে ডিভোর্সের আইন খুবই কঠোর, সঙ্গী যদি মহিলা (বা সমকামী দের ক্ষেত্রে “স্ত্রী” স্থলাভিষিক্ত) হয়, আর ডিভোর্সের পর সে যদি ক্ষতিপূরণ বা খোরপোষের দাবি করেন, তবে অপর সঙ্গীর জীবন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যায়। এমনকি বহু পুরুষ (এবং কিছু ক্ষেত্রে নারীরাও) এই কারণে আত্মহত্যাও করেন।

    আর বনিবনা হবে কি হবে না এরকম ব্যপার পরীক্ষা করার কোন পদ্ধতি এখনো মানুষ বের করতে পারে নাই, পারবে বলেও মনে হয় না, কারণ এগুলা খুবই জটিল বিষয়, জীবনের হাজার রকমের ফ্যাক্টরের উপর নির্ভরশীল।

    আর নিপীড়ন যে শুধু “এক পক্ষ”ই করে তা সম্পূর্ণ সঠিক না, নিপীড়ন “অন্য পক্ষ” থেকেও হতে পারে, বিভিন্ন ভাবে।

    আর পশ্চিমা দের লিভ টুগেদার নিয়ে আমাদের দেশের নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই বেশ একধরণের “রোমান্স” কাজ করে, আদতে ব্যপারটা মোটেও সেরকম নয়, পশ্চিমা দেশে এটার প্রচলন হয়েছে বড় আইনী ঝামেলা থেকে বাঁচার একটা প্র্যাক্টিক্যাল (আইন কে ফাঁকি দেওয়ার) পন্হা হিসেবে।

    Reply
  18. আদিব

    stay together এর ব্যাপারটি খারাপ নয়, ভাল্লাগছে! কিন্তু আপনার মতে তার থিকে বেটার লিভ টুগেদার করে কয়টা সংসার টিকে? পিট এঞ্জেলিনা জোলি তার প্রমাণ, সেলেব্রেটি দেখে রুমানার মত নিউজে এসেছে!
    এক ধারে ছেলেদের ধুয়ে দিলেন, দোষ সব আমাদের?
    শুনেন আপনারা কেন আমরাও দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না, ধর্মে নারীদের অনেক সম্মান দেয়া হয়েছে তার পরো যদি সম্মান দিতে আমরা না জানি ধর্মের না নৈতিক অবক্ষয়ের দোষ! নিজের ছেলেকে যেই নারী ( মা ) শিখাতে পারে নি এগুলো সে তো ব্যার্থ!
    সো সমকামিতা এর বৈধতা নিয়ে যেমন অনেক ব্লগ লিখা হয়, তেমনি এই পুরুষদের ধুয়ে দিয়ে এমন লিখা চলতেই থাকবে!

    কিন্তু হ্যা ছেলেরা এখনো অনেকেই মনে করে তোমারে বিয়া করে দয়া দেখানো হয়েছে কিন্তু এ মনোভাব পরিবার থিকে পালটানো উচিত আর পরিবারের ব্যাকবোন হল মা!

    Reply
  19. Ohidur

    I read ur last writing as well. Only I can pray for your hedayt (guidance) from Allah. Allah has created all. Allah kept success for all mankind only in Deen Islam. Deen is order of Allah on every aspect of life and how to fulfill the order of Allah has to be only way shown by our beloved prophet Mohammad (pbuh). What u suggest us the cause of the problem.
    May Allah give us proper understanding of Deen and give us ability to follow

    Reply
  20. শামীম

    ধর্ম নারিকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে।তাই প্রতি নর ও নারী ধর্ম মেনে চলে।তাঁদের জীবন সুখী হবে

    Reply
  21. প্রদীপ

    সেটা সম্পর্ক করেই হোক বা সম্বন্ধ করে দাম্পত্তে সুখী হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো একটু কম্প্রোমাইজ করে চলার মানসিকতা। ‘আমি শুধু একাই কম্প্রোমাইজ করবো’ -এই মানসিকতা দূর করা।

    Reply
  22. সিম্পল গার্ল

    পৃথিবীতে পারিবারিক যত ঝামেলা হয়েছে-স্বামী-স্ত্রীর অমিল হয়েছে তার প্রতিটিই শুধুমাত্র পুরুষের কারণে হয়েছে? বা শুধুমাত্র নারীর কারণে হয়েছে? বা আগে থেকে লিভটুগেদার করেনি বলে হয়েছে? বিশ্বের অন্যতম সেরা নায়িকা জোলি ডিভোর্স চাচ্ছে কি কারণে? দীর্ঘদিন লিভটুগেদার ও বিয়ের আগে সন্তার জন্ম দিয়েই তো তারা বিয়ে করেছিল। যা সীনাদের আদর্শের সে পশ্চিমা বিশ্বে বিয়ের অনেক আগে থেকে লিভ-টুগেদার করে, বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে এরপর দীর্ঘ কয়েক যুগ পরে বিয়ে নামের অনুষ্ঠান করার কয়েকদিন বা কয়েকমাস পর দেখা যায় ডিভোর্সের আবেদন করছে! এ ধরনের ঘটনা ভুরি ভুরি।

    আমাদের দেশেও বর্তমানে অনেকে একত্রে থাকা-লিভটুগেদারের মতো জীবন-যাপনের পরও দেখা যাচ্ছে বিয়ের পর ডিভোর্স করছে। তার মানে শুধুমাত্র বিয়ের আগে লিভটুগেদার করতে পারছে না, বা ছেলের পরিবারের সাথে থাকার সুযোগ পায়নি বলে সংসারে ঝামেলা হচ্ছে তা নয়।

    সীনাদের কথা শুনলে মনে হবে পৃথিবীতে বা বাংলাদেশে সুখী পরিবার-দম্পতি আছে একমাত্র যারা বিয়ের আগে লিভটুগেদার করার সুযোগ পেয়েছে তারাই! আসলে কি তাই? আবহমান কাল থেকে ইসলাম বা অন্যান্য ধর্ম বিয়ের যে পদ্ধতি শিখিয়ে গিয়েছে সে পদ্ধতিতে বিয়ের হওয়ার পর কি প্রতিটি পরিবারেই ঝামেলা হয়েছে? ডিভোর্স হয়েছে? পারিবারিক শান্তি তাহলে এতদিন পৃথিবী বা বাংলাদেশে ছিল না? শুধুমাত্র যারা বিয়ের আগেই লিভটুগেদার করেছে-করতে পেরেছে তারাই সুখে আছে?

    অথচ সঠিক তথ্য নিলে দেখা যাবে তারাই বরং সবচেয়ে অসুখে আছে। আমি আমার প্রফেশনের কারণে দেখতে পাচ্ছি বিয়ের আগে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করেছে এমনকি গর্ভবতী পর্যন্ত হয়েছে এমন অনেক যুগলের জীবনে চরম সমস্যা চলছেে। বিয়ের পর কেউ কাউকে সামান্যতম সহ্যও করতে পারছে না। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে ওই ধরনের প্রেম-বিয়ে-লিভটুগেদার (লুকিয়ে) করে যারা বিয়ে করেছে তাদের জীবনেই চলছে সবচেয়ে বেশি সমস্যা। স্বাভাবিক বা পারিবারিক সম্মতির বিয়েতে তা অনেক অনেক কম।

    পারিবারিক সমস্যা-বিয়ের পর বুঝাপরার সমস্যা-মতের অমিলের সমস্যা ইত্যাদি মানুষের জীবনে স্বাভাবিক। এ সমস্যা কি শুধুমাত্র বিবাহিত দম্পতিদের ক্ষেত্রে? মাতা-পিতার সাথে সন্তানের বুঝাপরার সমাস্য হচ্ছে না? ভাই-বোনের সাথে? আত্মীয়-স্বজনদের সাথে? কোথায় সমস্যা নেই? মা-বাবা-ভাই-বোন-আত্মীয়-পরিজন সবাই দীর্ঘদিন একই রুমে-একই ঘরে থাকার পরও কি বুঝাপরার সমস্যা হচ্ছে না? একই সাথে থাকলে-একই ঘরে বসবাস করলেই পৃথিবীর সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়?! কি আজব এক চিন্তা?!

    আগেই বলেছি লিভটুগেদার করে, দীর্ঘদিন প্রেম করেছে-এক সাথে থেকেছে এমনটি বিয়ের আগে প্রেগন্যান্ট হয়েছে এমন অসংখ্য পরিবার-যুগল-দম্পতি আছে যাদের পারিবারিকর জীবনে বর্তমানে ভয়াবহ সমস্যা চলছে এবং ডিভোর্সীদের হার তাদের ভিতরেই বেশি।

    এরপর যে মেয়ে আরেকটি ছেলের ঘরে লিভটুগেদার করবে, এক সাথে থাকবে এবং ৬/৭ মাস পর মতের মিল হচ্ছে না বলে ওই পরিবার ছেড়ে চলে আসবে তখন ওই মেয়েকে আর কোন ছেলে গ্রহণ করবে? এরপর ওই মেয়ের অবস্থা কি হবে? তারপর সে আরেকজনের সাথে লিভটুগেদার করবে? সেখানেও যে মিল হবে তার গ্যারান্টি কোথায়? তারপর তাহলে আরেকজনের সাথে করবে? এসবই সীনাদের দৃষ্টিতে সমাধান?

    তাই কোন ভাবে-কোন অর্থেই লিভটুগেদার কোন সমাধান নয়। বাস্তবে সীনারা ইসলামের রীতি-নীতি, পারিবারিক বন্ধন-সামাজিক বন্ধন-শৃংখলা ইত্যাদি ধ্বংস করার মিশনে নেমেছেন। তার শুরুটাই হবে বিয়ের সিস্টেম তুলে দেয়া।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      সুপ্রিয় সাধারণ মেয়ে,
      আপনার কথার সারমর্ম এভাবেই টানতে চাচ্ছি, ধর্মীয় বিশ্বাস আর মূল্যবোধের বাইরে যা কিছুই করা হবে তা-ই বিফলে যাবে। আল্লাহ্‌ সবাইকে হেদায়েত দান করুন, আমীন।

      Reply
    • Abdur Razzaque Molla

      সিম্পল গার্ল, আপনাকে আবারো বলছি, আপনাকে যে কি দিয়ে ধন্যবাদ দিবো, সে ভাষা আমার জানা নেই, তবে দোয়া করি আপনার মতো কোটি কোটি বোনের জন্ম হোক এদেশে ।

      Reply
    • গোল আলু

      প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ।
      তুবে শুধু কমেন্ট বক্স এ লিখলে হবে না ।
      এই ব্লগ প্লাটফর্ম এ আপনার লিখা দরকার ।

      Reply
  23. Mahfuz

    sadhinotar name meyera ekon ja khusi tai kortese. Even porasuna korte giyeo dekha jasse 2ta number besi pawar jonno tara teacher der sate oboidho somporke joraitese.
    jekhane EURUP AMERicar moto country gulate dekha jasse 60-70% meye sexual harsement er sikar hoitese sekhane apnara kivave dhormio onusashon theke ber hote bolen

    Reply
  24. কালাম

    পরিচিত: কিছু মনে করবেন না, আপনাকে অনেকদিন একা দেখছি। ঐ আপুকে দেখছি না…

    তরুণ: হুম, তার বিয়ে হয়েছে।

    পরিচিত: আহা! কিন্তু কোথায়, কার সাথে বিয়ে হল?

    তরুণ: আমার সাথে!

    সারাজীবন দেখে আসলাম প্রেম করার পর প্রেমিকা অন্যের হাত ধরে চলে যায়,তার পর ছেলেটা একা ঘুরে বেড়ায়,আর আপনি দেখলেন তার উল্টোটা। আসলে পুরুষদের দোসারুপ করতে পারাটাই আপনাদের কাছে স্বাধীনতা।

    আপনি হয়তো আপনার চশমা দিয়া দেখেন না,একটা রিকশা ওয়ালা সারাদিন রোদে পুড়ে রিকশা চালায় তার বোউকে খাওয়ানোর জন্য,একটা দিন মজুর সারাদিন রোদে পুড়ে নিজেকে ছাই করে দেয় তার স্ত্রী সন্তানদের পেটে আহার জুটানোর জন্য।

    আপনি হয়তো দেখেন না শিক্ষিত নারীদের পরকীয়ার ঘটনা।আপনার চোখে পরে না রুমানার মতো মহিলাদের যারা স্বামীর বেকারত্ববের অজুহাতে পর পুরুষের সাথে পরকীয়া করে বেড়ায়।

    শরীর খোলে দেয়া মানেই স্ববাধিনতা নয়। বর্তমানে আধুনিক সভ্যতা মুলত নারীদের বোকা বানিয়ে তাদেরকে পন্য হিসেবে ব্যবহার করতেসে,তাদের বুঝাইতেসে স্ববাধীনতা মানেরি শরির খুলে দাও,আমি ইচ্ছে মত ভোগ করি।

    Reply
  25. Naim

    Women are becoming educated, at the same time, many of them are thinking that they have won the whole world. They should know that nature has also its own chain of command. But woman are not eager to respect the values.
    If a man obeys his parents, his bosses at the office,his wife; whats wrong to woman in obeying her husband. They think that if they do that their independence will be destroyed.

    Look western culture. Woman has every freedom. But they don’t have peace on average. Their families are broken. Now they are looking for eastern values.

    Free sex, disobedience, so called education, disobeying the religious and social rule will only bring destruction and hazards. Of course if a man is drunk, cruel, fond of her asset, raise his hand to her; he must be punished.

    Obeying the social and religious law by both of them will bring peace no doubt.

    Be a Human being, be kind to your husband and his family member like you do with your parents and relatives!

    Be a kind being, not being a Woman or Man!

    Reply
  26. Cornell Macbeth

    যথার্থ বলেছেন। তবে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কাঠামোতে নারীর অবস্থান, সন্মান, বিশ্বাস, জীবন-দর্শন, যোগ্যতা ইত্যাদি বরাবরই অবহেলিত হয়ে আসছে। এ বিষয়ে মৌলিক যে কাজগুলো রয়েছে তা’ সর্বপ্রথম ‘বেগম রোকয়া’ দীর্ঘ সময়ব্যাপী (১৯০২-১৯৩২), শিক্ষিত সমাজের কাছে তুলে ধরেন। যা এখনও অনেকের কাছে অজানা। ধর্মীয় এবং পারিবারিক মূল্যবোধ যদি সমাজে উপেক্ষিত হয়, তা’হলে সমাজনীতি হবে অসহিঞ্চু, সংকীর্ণ এবং কর্তৃত্বপূর্ণ। সমাজে প্রত্যেক ‘পুরুষ সন্তানের’ একজন ‘মা’ রয়েছেন যিনি ‘নারী’; তাই একজন মা’ই পারেন পরিবারে পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রাথমিক পরিচর্যা করতে, যা পরিবার এবং সমাজে বিদ্যমান মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ ও নিপীড়ন নিরশনে সহায়ক হবে।

    Reply
  27. Shamim Ahmed

    পৃথিবীতে প্রেমিক/প্রেমিকাদের প্রেমের মধ্যে এখন আর ভালোবাসা থাকে না, থাকে শুধু যৌন চাহিদা আর তাতে আসে “নিপীড়ন”।

    Reply
    • মোশাররফ হোসেন মেহেদি

      বতমান যুগে প্রেম নামের যে সম্পর্ক তা সম্পূর্ণরুপে চরম আবেগিয় ও যৌন চাহিদা মিটানোর সম্পর্ক। বাস্তব সম্পর্কে আবদ্দ হবার পর চরম বাস্তবতার যাতাকলে সেই আবেগ ও ভালবাসাই চড় ধরে,আর তাই প্রমোওর বিেয়তে থাকে ভালবাসার পরিবতে হতাশা,।

      Reply
  28. আজাহার বাবু

    সবি বুঝলাম কিন্ত আপনার মা-দাদী তারা কি মানিয়ে নিতে পারেন নি অপরিচিত পরিবারের সাথে????? আপনার কিছু কথায় যুক্তি আছে! তবে সবকিছু হল ভাগ্য!!!!!!

    Reply
  29. rohan

    মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে আর বেয়াদব হচ্ছে। ছেলেদেরকে তাদের কথামতো চলতে হচ্ছে। আর যদি না চলে তাহলে সুখের দেখা মিলছে না।

    Reply
  30. Maruf

    সাহসী প্রস্তাব। কিন্তু ধন্যবাদ। আজ না হোক কাল আমরা বদলাবই। তার আগে কতজনকে কত ত্যাগ স্বীকার করতে হয় সেটাই দেখার বিষয়। Fingers crossed!

    Reply
  31. আব্দুল্লাহ্ আবু সাঈদ

    অবৈধ ভাবে সুসম্পর্কের নামে কুসম্পর্কের এভাবে দুনিয়ার আযাব যথাযথ… প্রাপ্য! এটাকে নিপীড়ন বলা ঠিক নয়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—