- মতামত - https://opinion.bdnews24.com/bangla -

নামে কী আসে যায়

ইংরেজ কবি ও নাট্যকার শেক্সপিয়ারের ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ নাটকের একটি সংলাপ হল– ‘হোয়াটস ইন আ নেইম।’ বাংলায় এর তর্জমা দাঁড়ায়, ‘নামে কী আসে যায়’। নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ব্যবহৃত উদ্ধৃতির একটি এটি। তবে নামে কিন্তু সত্যি সত্যি কিছু আসে যায়, বিশেষ করে মানুষের নামের ক্ষেত্রে। নিজের নামের প্রতি দুর্বলতা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পিতৃদত্ত (‘মাতৃদত্ত’ কেউ বলে না) নামটি পছন্দ না-ও হতে পারে, কিন্তু তা যদি বিকৃতভাবে উচ্চারিত হয় বা ভুল বানানে লেখা হয় তখন বিরক্তির সীমা থাকে না!

স্নাতক পর্যায়ে সাংবাদিকতা পড়তে গেলে প্রথম ক্লাসেই শিক্ষকদের কাছ থেকে এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার উপদেশ শোনা যায়। পরবর্তীতে সেই শিক্ষা বাস্তাবিক জীবনে প্রয়োগ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেও ছাপাখানার ভূতের কারণে হেরফের হলে ভৎর্সনা শোনা থেকে রেহাই পেয়েছেন এমন অভিজ্ঞতা কম সাংবাদিকের আছে। যারা আন্তর্জাতিক ডেস্কে কাজ করেন, পূর্ব ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা বা অপরিচিত অঞ্চলের অপরিচিত ‘বিদঘুটে’ নাম নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। বাংলায় অনুবাদ করতে গিয়ে গলদঘর্ম হতে হয় সহ-সম্পাদকদের। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে ফোন করে সঠিক উচ্চারণটি জেনে নিতে হয়।

মনে আছে, আশির দশকে যখন ‘নিউ নেশন’ পত্রিকার আন্তর্জাতিক ডেস্কে কাজ করতাম, তখন কয়েকটি নাম নিয়ে খটমট লাগত। তার মধ্যে একটি তৎকালীন সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এডওয়ার্ড এমভসিভিস শেভানাজডে (এখনও ঠিকমতো লেখা হয়েছে কি না, জানি না)। প্রায়ই কম্পোজ বিভাগ থেকে কেউ না কেউ ছুটে এসে নামটি নিশ্চিত করে যেত। কারণ, আমাদের হাতের লেখা কপি নিয়ে তাদের কিছুটা সংশয় থাকত।

প্রত্যেক মা-বাবার কাছে সন্তানের নাম অনেক আবেগের। আকাঙ্ক্ষিত সন্তানের জন্য পৃথিবীর সেরা নামটি মা-বাবা চান সন্তানকে দিতে। সে জন্য কানা ছেলের নাম পদ্মলোচনও রাখা হয়। সন্তানের নামকরণ বিষয়টি ধর্মের দিক দিয়েও একটা জরুরি ব্যাপার। ইসলাম ধর্মে নবজাতকের নাম আকিকা দিয়ে রাখা সুন্নত। মেয়ে-শিশু হলে বকরি, ভেড়া, ছাগল যা-ই হোক একটি দিলে চলে। ছেলে-শিশুর জন্য দুটি। মেয়ে-শিশুর অভিভাবকদের এই আর্থিক সাশ্রয় কেন, তা বোধগম্য নয়। এমন তো নয় যে, ভবিষ্যতে মেয়ের জন্য যৌতুক দিতে হবে বলে জন্মলগ্নের সময় খরচটি একটু কমিয়ে দেওয়া হল। পৃথিবীর যে এলাকায় আমাদের ধর্ম এবং সংশ্লিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের উৎপত্তি সেখানে তো কন্যাপক্ষকে বরং যৌতুক দিতে হয়।

অন্য ধর্মে শিশুর নামকরণের ক্ষেত্রে এ ধরনের বৈষম্য আছে কি না, জানা নেই। গুগল ঘেঁটে দেখলাম, ইহুদি ধর্মে ছেলে ও মেয়ের নামকরণ হয় ভিন্ন প্রথায়।

যাহোক, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ছেলে-শিশুর জন্মের সময় সবাইকে শুনিয়ে এবং মেয়ে-শিশুর বেলায় তার কানে কানে আযান দেওয়ার রীতি, পৈত্রিক সম্পত্তির ক্ষেত্রে বোনের ভাইয়ের অর্ধেক পাওয়ার নিয়ম, সাক্ষ্য দেওয়ার সময় একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের সমান দুজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী– এ বিধানগুলো যে কারণে প্রবর্তিত হয়েছে, সে-ই একই কারণে আকিকার সময় ছেলে-সন্তানদের জন্য পশু জবাই হয় দ্বিগুণ। এ ধরনের বৈষম্য প্রতিটি ধর্মেই রয়েছে। তবে চর্চিত যুক্তি আবার হয়তো কেউ মনে করিয়ে দেবে যে, জাহেলিয়াতের যুগে মেয়ে-শিশুকে জ্যান্ত কবর দেওয়া হত, সেখানে আকিকায় একটি ছাগল জবাই বহুত কিছু।

নিজের নামের প্রতি অনুরাগ যা-ই থাকুক, কোনো কোনো সময় অপর কারও নাম শুনলে পিত্তি জ্বলে যায়, এমনকি ত্রাসও সৃষ্টি হয়। পাকিস্তানের জাঁদরেল সামরিক শাসকের নাপিত বঙ্গবন্ধুর নাম বলে তাঁর চুল কাটতেন বলে গুজব চালু আছে। নাপিত যখন কিছুতেই আইয়ুব খানের চুল বাগে আনতে পারত না তখন নাকি সে বঙ্গবন্ধুর নাম বলত, আইয়ুব খানের চুল আপনা-আপানি খাড়া হয়ে যেত! নাপিত তখন স্বচ্ছন্দে চুল কাটতে পারত।

হিটলারের নাম বর্বরতা-নিষ্ঠুরতা মনে করিয়ে দেয়, গান্ধী আর মাদার তেরেসার নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শান্তি আর সেবা। অনেক সময় কীর্তির চেয়ে নামই বড় হয়ে দাঁড়ায়। পেলে মানে ফুটবল, হিচকক মানে ভয়ের আর রহস্যময় ছবি। এ রকম নাম আর কাম সমর্থক হয়ে উঠেছে আরও অনেকের বেলায়।

চলচিত্র বা সাহিত্যের জগতের কিছু চরিত্রের নাম এতটা বাস্তবিক হয়ে ওঠে যে, মনে হয় যেন তারা সশরীরে পৃথিবীতে বিদ্যমান। শার্লক হোমসের নামে এখনও লন্ডনের ২২১, বেকার স্ট্রিটে চিঠি আসে। শেক্সপিয়ারের ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ নাটকের রোমিও যদিও একজন প্রেমিক পুরুষ, কিন্তু বাংলাদেশে বখাটে আর রোমিওর নাম সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে কী কারণে, তার ইতিহাস জানা নেই।

কবি সাহিত্যিকদের ‘পেন নেইম’ নেওয়ার প্রবণতা সব দেশে ও সমাজেই আছে। সেই নামের দাপটে তাদের আসল নাম বলা যায় চিরতরে হারিয়ে যায়। আর হারিয়ে যায় আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের বিবাহিত নারীদের নাম। একসময় গ্রাম-শহর নির্বিশেষে নারীদের নাম বিয়ের পরপরই হারিয়ে যেত। ‘তোমরা ভুলে গেছ মল্লিকাদির নাম’ গানটি তো জীবন থেকেই নেওয়া। সম্ভ্রান্ত পরিবারের বেলায় তাঁরা হন ‘বড় বউ’, ‘মেজ বউ’, ‘মিঞা বাড়ি বা চৌধুরী বাড়ির বউ’। আর দরিদ্র শ্রেণিতে হলে ‘কামাইল্যার বউ’ বা ‘গোপারের বউ’। সন্তান জন্মের পর ‘অমুকের মা’, ‘তমুকের মা’। ধীরে ধীরে তিনি নিজেই তাঁর নাম ভুলে যান। যদি কালেভদ্রে বাবার বাড়িতে যাওয়া হত তখন তাঁর নিজের নামটি শুনে হয়তো চমকে যেতেন।

বয়সে বড় যারা তাদের নাম ধরে ডাকা আমাদের দেশে চরম বেয়াদবি হলেও পাশ্চাত্যে দশ বছরের ছেলেকে পাশের বাড়ির সত্তর বছরের বৃদ্ধকে নির্দ্বিধায় ‘মিস্টার জনসন’ বা ‘মিস্টার ডেভিড’ বলে ডাকতে শোনা যায়। একসময় শ্বশুর, ভাসুরের নাম উচ্চারণ ছিল চরম বেয়াদবি। ভাসুর-স্বামীর নাম যদি কোনো ফল বা সবজি অথবা রঙের হত, তাহলে সেগুলোর নাম উচ্চারণ করাও ছিল নিষিদ্ধ। স্বামী-স্ত্রী পরষ্পরকে ‘ওগো শুনছ’, ‘কোথায় গেলে’ বলার চল এখনও আছে।

বিবাহিত মেয়েদের নামের পিছনের অংশ খসে গিয়ে সেখানে স্বামীর পদবি ব্যবহার করার রীতি কবে কখন শুরু হয় জানা নেই। এ অঞ্চলের নারীরা ‘মিসেস অমুক’, ‘মিসেস তমুক’ হতে শুরু করেন ব্রিটিশ আমলে। তাদের প্রকৃত নাম নিয়ে তখন কারও মাথাব্যথা ছিল না, এমনকি তাদের নিজেদেরও।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন একজন অত্যন্ত চৌকস ছাত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে আমার কিঞ্চিত বিতর্ক হয়। তার মতে, নামের পিছনে স্বামীর পদবি ব্যবহার করাটা তার কাছে ‘থ্রিলিং-থ্রিলিং’ লাগে। জানি না মেয়েটি বিয়ের পর স্বামীর নাম গ্রহণ করে ‘ধন্য’ হয়েছিল কি না। একজন নারীবাদী লেখিকাকে দেখেছি নামের পেছনে তার বিখ্যাত স্বামীর নামের প্রায় পুরোটা জুড়ে রাখতেন। এ প্রসঙ্গে সেই নারীবাদী লেখিকাকে জিজ্ঞাস করলে উত্তর ছিল, “বুঝ না, যখন প্রথম লেখা শুরু করি কে আমাকে চিনত? স্বামীর নামটি তাই নিয়েছি।”

বুঝলাম বাপের নাম ভাঙানোর মতো স্বামীর নামও ভাঙানো যায়!

দুঃখ হয় পাশ্চাত্যের নারীদের জন্য। যতই তারা নারীর স্বাতন্ত্র্যের কথা বলুক, এ ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে আছে। বিয়ের পর ‘মেইডেন নেইম’ ঝেড়ে ফেলে দিতে হয়। লন্ডনে একটি কোর্স করতে গেলে একজন আমাকে জিজ্ঞাস করেন, “তোমার স্বামী মিস্টার সুলতানা কী করেন?”

আমি বললাম, “আমার স্বামী মিস্টার সুলতানা নয়, মিস্টার চৌধুরী।”

তিনি হা করে তাকিয়ে থাকলেন আমার দিকে।

আমার প্রবাসী কন্যা ও তার শাশুড়ি উভয়ের নামের পদবি ‘চৌধুরী’, কিন্তুু বানান ভিন্ন। তারা উভয়েই বাবার পদবি ব্যবহার করেন। কোনো কাজে তারা গেলে পদবির বানান দুরকম। এ ভুল সংশোধন করতে গিয়ে অন্যরা যখন শোনেন বৌ-শাশুড়ি একই চৌধুরী নয়, তখন তাদের দ্বিধাযুক্ত মুখ দেখে করুণাই হয়!

আমরা জপি সৃষ্টিকর্তার নাম। কবি বলেছেন, ‘তোমরই নাম আমি বলব নানা ছলে।’ বিপদে-আপদে তাঁর নাম আপনাআপনি মুখ থেকে বের হয়ে যায়। আল্লাহর ৯৯টি নামের একেকটি একেক অর্থ বহন করে। সব ধর্মের মানুষরাই সৃষ্টিকর্তার নাম নেয়, ধর্ম-অনুসারে নাম ভিন্ন হলেও গন্তব্য কিন্তু একটাই।

প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে পরষ্পরের নাম সব কিছুর ঊর্ধ্বে। কবি বলেছেন, ‘ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে।’ সবার প্রিয় গান, ‘যদি কাগজে লিখ নাম কাগজ ছিড়ে যাবে, পাথরে লিখ নাম পাথর ক্ষয়ে যাবে, হৃদয়ে লিখ নাম সে নাম রয়ে যাবে।’ তারপরও নিজের হাতে ছুরি দিয়ে প্রেমিকার নাম লেখা অনেক তরুণের কাছে প্রেমপ্রদর্শনের এক মাধ্যম।

কিছু নাম আছে ‘নিউটার জেন্ডার’। তার ভোগান্তি কীভাবে পোহাতে হয় এ ধরনের নামওয়ালাদের, তা বলে শেষ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর শামীম আখতার নামের এক ছাত্রকে রোকেয়া হলের সঙ্গে অ্যাটাচ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ছেলেটির তখন যে ভোগান্তি হয়েছে তাতে একসময় তার মনে হচ্ছিল যে, চিকিৎসকের কাছে গিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করে নেওয়া বোধহয় এর চেয়ে অনেক বেশি সহজ ছিল!

২৮ Comments (Open | Close)

২৮ Comments To "নামে কী আসে যায়"

#১ Comment By সিম্পল গার্ল On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ @ ৩:০৬ অপরাহ্ণ

ওহ আপনি তো সেই ঝুমা যে কিনা মুসলিম নারীদের হিজাবকে বলেছিলেন, “হরিণের ঘাড়ের উপর গাধার মুখ”! তাই আপনার প্রতিটি লিখাতে ইসলামকে কটাক্ষ করে কিছু না কিছু থাকবেই। কারণ আপনাদের দৃষ্টিতে এর নামই আধুনিকতা-প্রগতিশীলতা-ধর্মনিরপেক্ষতা! মুসলিম নাম নিয়ে ইসলামকে কটাক্ষ খুবই পুষ্টিকর ও মজার লাগে, তাই না?!

#২ Comment By সরকার জাবেদ ইকবাল On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ @ ৩:৫৭ অপরাহ্ণ

নামের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট, প্রেক্ষিত, আঙ্গিক, ব্যবহার, অপব্যবহার নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখাটি ভাল লাগলো। নারীর নাম নিয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা সহভাগ (শেয়ার) করার লোভ সংবরণ করতে পারছি না।

১৯৯৪ সাল। জরিপের কাজে বাড়ী-বাড়ী সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলাম। একটি বাড়ীতে খানা প্রধান প্রয়াত হওয়ায় জরিপের চাহিদা অনুযায়ী তার অশীতিপর বৃদ্ধা স্ত্রীকে আমার সামনে বসিয়ে দেয়া হলো। ‘খালা’ ডেকে কিছুক্ষণ ভাব জমিয়ে নিয়ে আমার উদ্দেশ্য হাসিলের প্রথম ধাপ হিসেবে তাঁর নামটি জানতে চাইলাম। তিনি যেভাবে চমকে গেলেন তাতে মনে হলো বিগত ৭০/৮০ বছরে কেউ তাঁকে এই প্রশ্নটি করেনি। কিছুতেই তিনি নিজের নামটি মনে করতে পারলেন না। এক পর্যায়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে তাঁর কন্যাদের উদ্দশ্যে কাঁপা কাঁপা উচ্চারণে হাঁক পাড়লেন, “কিতা লো, আমার নামডা জানি কিতা (কিরে, আমার নামটা যেন কি)?” তাঁর বড় কন্যাটি যিনি নিজেও তখন একজন নানী বিজ্ঞের মতো শিখিয়ে দিলেন, “কইন, ক্যালেস্টর বিবি (বলুন, ক্যালেস্টর বিবি)”। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতবাক হয়েছিলাম; একজন মানুষ কেমন করে নিজের নামটি ভুলে যেতে পারে!

নির্মম বাস্তবতা হলো এ রকমই যে, পরীর মতো ফুটফুটে সুন্দরী কন্যাটি জন্ম নেয়ার পর মা-বাবা সখ করে নাম রাখলেন ‘চুমকি’। চুমকি সবার আদর-যত্ন আর ভালবাসায় বড় হতে লাগলো। প্রকৃত অর্থেই দিনে দিনে চুমকি হয়ে উঠলো একটি সাক্ষাৎ-পরী, আর নজর পড়ে গেল মুরুব্বীদের। একটি সুদর্শন যুবক দেখে চুমকিকে একদিন বিয়ে দিয়ে দেয়া হলো। চুমকি হয়ে গেল ‘জামালের বউ’। বছর ঘুরতেই চুমকির কোল আলো করে এলো আরেকটি পরী। চুমকি হয়ে গেল ‘রেহানার মা’।

এভাবেই সময়ের পরিক্রমায় চুমকির পরিচয় নানা ‘অলঙ্কারে’ অলঙ্কৃত হতে লাগলো, কিন্তু ‘চুমকি’ নামটি আর কোনদিন উচ্চারিত হলো না! এভাবেই হারিয়ে যায় নারীর নাম, তার স্বপ্ন আর অস্তিত্ব।

#৩ Comment By Saifuzzaman Shaheen On সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ @ ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ

Very good – Sarker Zabed Iqbal’s ‘Answer’ and “Writer’s Note. I want to write more but my inability to wrote Bengali. Thank you all.

#৪ Comment By হাবিব On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ @ ৬:২৩ অপরাহ্ণ

লেখাটা খুব ভাল লাগল……

#৫ Comment By Touhid Haque On সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ @ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

ইসলামে ছেলে মেয়ের যার যেমন অধিকার সেটা স্বয়ং আল্লাহই বলে দিয়েছেন, কোন মানুষের তৈরী আইনে নয়।

#৬ Comment By আবুল হাসানাত On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ৮:১২ পূর্বাহ্ণ

আপনাদের জন্যই সমাজে এত অশান্তি। বিভিন্ন ঝামেলা বাধাবেন। কিছু বললে দোষ!

#৭ Comment By অপ্সরী On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

পশ্চিমা পোশাক বা ভারতীয় সংস্কৃতিকে বামাতি,জামাতি,মডারেট সবাই আগ্রাসন বলে অভিহিত করে আর এদিকে আরবিয় তথাকথিত সংস্কৃতি যে ধর্মের নামে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে নামে পোশাকে বোরখাবন্দি করে রেখেছে সেটার খবর নেই।

#৮ Comment By হাসান On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ

হাসান

আপনারা তো আধুনিকতার নামে মেয়েদের কে অনেক নিচে নামিয়ে দিয়েছেন। ইসলাম নারিদের ছোট করেনি,বরং ইসলাম নারিদের পুরুষের চাইতে অনেক বেশি সম্নান দিয়েছে। আপনি আল কোরআন ও আল হাদিস পড়বেন, আপনার ভুল ধারোনা থাকবেনা। আর আপনাকে দেখে তো মুসলিম মনে হয় না, মাথায় হিজাব নাই, আপনি নামে শুধু মুসলিম। আপনি ড়া: জাকির নায়েক এর কথা শুনবেন আশা করি, আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত করবেন।আমিন

#৯ Comment By পাগলা On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ১:৩২ অপরাহ্ণ

মুসলিমদের খোচা মারা ,আধুনিকতা-প্রগতিশীলতা-ধর্মনিরপেক্ষতা নয় ।নিজের বাবা,দাদার বিশ্বাসের অসম্মান করা আর নিজেকে অসম্মান করা একই কথা । অর্থাৎ
লেখিকা নিজের সম্মানের প্রতি জত্নশীল নন ।

#১০ Comment By মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত On সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ @ ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

#১১ Comment By Md. Billal On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ১:৫৫ অপরাহ্ণ

My asking here, which religion will be followed for her last work after her death? Insulting Islam or any other religion is not progressive mentality.

#১২ Comment By abu talha On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ৩:১৩ অপরাহ্ণ

jara sara jibon gaja khay, tara modhur upokarita kemne bujbe,, girl?

#১৩ Comment By এম. শহিদুল ইসলাম On সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬ @ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

অবশেষে বেগম রোকেয়াকে কটাক্ষ করলেন ।তার স্বামীর নাম দিছে তাতে কি হয়েছ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ।

#১৪ Comment By মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত On সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ @ ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।

#১৫ Comment By M Hamid On সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ @ ১২:০০ অপরাহ্ণ

very nice.

#১৬ Comment By mokhtar On সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ @ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ

peace of Allah be upon you. I invite you towards the teachings of islam , only one thing i just want to tell for your consideration , why many people in europe and america are becoming muslim ,dont they have knowledge

#১৭ Comment By কিম্মত আলী On সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬ @ ৭:২০ অপরাহ্ণ

লিখা লিখি করেন ভাল কথা।কিন্তু তাই বলে ইসলাম নিয়ে ইসলামের আইন নিয়ে বিরূপ লেখনী লেখার অধীকার আপনার নেই।আমি মনে করি কোন ধর্ম নিয়েই কটাক্ষ করা করোর অধীকার নেই…

#১৮ Comment By M. Rana On সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ @ ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ

mr. kimmot ali,
your business of using relegion will be ijterrupted?

#১৯ Comment By Moshiul Sumon On সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৬ @ ৮:১১ পূর্বাহ্ণ

নারীবাদী নয়, মানববাদী হওয়ার মাঝেই নারী সমাজের উপকার এটা অাপনার বুঝা খুবই জরুরী।

#২০ Comment By Zain On সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ @ ১:২১ অপরাহ্ণ

What are you thinking, you will write attacking Islam and you will famous?

#২১ Comment By SHILPI BISWAS On সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ @ ৪:১৪ অপরাহ্ণ

VERY NICE

#২২ Comment By Dr.Open On সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ @ ৫:৫৯ অপরাহ্ণ

ভালো লেখা । দেশের সিংহভাগ লোকের মানসিকতা মৌলবাদি ।ISIS কবে না দেশটাকে গিলে খায় ।

#২৩ Comment By M. Rana On সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬ @ ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ

An article about femals by a feminist.
Definitely intersting article with full of humour n good logic
But many fanatic took it as sarcastic to them.
which sounds like
”TAKHUR GHORE KERE ? AMI KHALA KHAINA! ”

#২৪ Comment By ইমদাদুল হক On অক্টোবর ৯, ২০১৬ @ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ

আপনার নামে মনে হচ্ছে যে আপনি এক জন মুসলিম নারী, আর আপনার ইসলাম বিদ্বেষি লেখায় মনে হচ্ছে আপনি মুসলিম নয়। যাই হউন আপনে কোন ধর্ম মানেন বা না মানেন কার আসে যায়না, তবে ইসলামী আইন কানুন রিতি নিতি এ গুলো নিয়ে মন্ত্যব্য করার অধিকার কার নাই। আপনি তো এক জন সাংবাদিক, লেখক, আপনি ইসলামিক চিন্তাবিদ নয়, পন্ডিত ও নয়। আপনার ইসলাম সমর্পকে জানার অভাব আছে, আপনে জানেননা ইসলাম ধর্মে নারী দেরকে যত টুকু অধিকার ও সম্মান দিয়েছে আর কোন ধর্ম পৃথিবীতে এত টুকু অধিকার ও সম্মন দেয় নাই। ইসলাম নারীদের কেন? কোন মাখলুকের প্রতি বৈষম্য করেনা, এ বিষয় জান্তে হলে আপনার ইসলাম ধর্ম নিয়ে আর চিন্তা ও গবেষনা করেন তখন আপনার বৈষম্য প্রশ্নের উত্তর খুজে পাবেন। তা যদি আপনার সম্ভব না হয় তা হলে ইসলাম ধর্ম নিয়ে এ ধরনের মন্ত্যব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

#২৫ Comment By মোরশেদ On অক্টোবর ১০, ২০১৬ @ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ

এরা হলো ধর্ম যার যার উৎসব সবার

#২৬ Comment By আশরাফ On অক্টোবর ১৪, ২০১৬ @ ১১:৫৮ অপরাহ্ণ

ধর্ম বিশ্বাস। যুক্তি কিংবা বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণ করার জন্য নয় । লেখাটায় সমাজের বৈষম্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে । বক ধার্মিক সব কিছুতে নাখোশ । ইসলাম সহনীয়তা শেখায়, শেখায় পরমত সহিষ্ণুতা । অবশ্য ধর্ম ব্যবসায়ী বিষয়টা শিখবে না ।

#২৭ Comment By কাউছার On অক্টোবর ২৬, ২০১৬ @ ২:২৬ পূর্বাহ্ণ

ভাল বলছেন।

#২৮ Comment By কাউছার On অক্টোবর ২৬, ২০১৬ @ ২:৩১ পূর্বাহ্ণ

Well saying but some peculiar thinking.