Feature Img
anu_mohammad-2
ছবি. শিল্পী বড়ুয়া

জার্মানীর উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি কী কী কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনীয় নয়

(১)   বাংলাদেশের মাটির গঠন, পানির গভীরতা, বৃষ্টি ও বন্যার ধরন সবকিছুই জার্মানী থেকে ভিন্ন এবং তা কোনভাবেই উন্মুক্ত খনন পদ্ধতির উপযোগী নয়।

(২)  বাংলাদেশের জনবসতির ঘনত্ব জার্মানীর তুলনায় এতগুণ বেশি যে তা কোনভাবেই তুলনীয় হতে পারে না।  জার্মানীতে যেমন এক অঞ্চলের মানুষদের সরিয়ে অন্যত্র নতুন জনবসতি স্থাপন করা যায় বাংলাদেশে তা কোনভাবেই সম্ভব নয়। জার্মানিতে প্রতিবর্গ কিমি এ জনসংখ্যার ঘনত্ব ২৩২ এবং বাংলাদেশে ১০৬৩।

(৩)  বাংলাদেশের নদনদী খালবিল জালের মতো ছড়ানো, এক জায়গায় দূষণ ঘটলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বৃষ্টি ও বন্যায় যার তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়। উন্মুক্ত খনন পদ্ধতিতে দূষণ তাই বাংলাদেশে অনেকগুণ বেশি ছড়াবে। ভূগর্ভস্থ পানি প্রত্যাহারের যে প্রয়োজন বাংলাদেশে আছে তাতে মরুকরণের যে বিস্তার ঘটবে জার্মানীতে তার সম্ভাবনা কম। মাটির গঠনের কারণে বাংলাদেশে মাটির ধ্বস যেভাবে ঘটে, জার্মানীতে তার সম্ভাবনা নেই। তারপরও জার্মানীতে এই খনির  জন্য ২৪৪টি গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। পানি চিরদিনের জন্য টলটলে দেখালেও বিষাক্ত।

(৪)  জার্মানীর যে কোম্পানি এই পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করছে তা জার্মান কোম্পানি। বাংলাদেশে ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পে সামান্য কিছু রয়্যালটির বিনিময়ে পুরো খনি তুলে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বিদেশি কোম্পানির হাতে।

(৫) জার্মানিতে এরকম উন্মুক্ত খনি স্থাপন করা হয়েছে ৫০ ও ৬০ দশকে। বর্তমান সময়ে আর কোন উন্মুক্ত খনি করা হচ্ছে না, বরং সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।

উল্লে­খ্য যে, জার্মানীর এই উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি তারপরও প্রশ্নের উর্ধ্বে নয়। এর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা দীর্ঘ। জার্মান রাষ্ট্রের অনেক দক্ষ তত্ত্বাবধান ও পরিবেশ দূষণ রোধে ব্যয়বহুল ব্যবস্থা গ্রহণের পরও বিষাক্ত পানি, চাষের অনুপযোগী মাটির তথ্য স্পনসরড নানা রিপোর্টে উল্লে­খ করা না হলেও সেসব তথ্য সুলভ।

দেশে দেশে উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি বাতিল

মাটি-পানি-জীববৈচিত্রসহ সামগ্রিক পরিবেশ এবং জনবসতি জীবনজীবিকার উপর উন্মুক্ত খনন পদ্ধতির যে বিষফল সে সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ছে। কোন কোন দেশে এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে আইন করে তা নিষিদ্ধ হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সীমান্তে উন্মক্ত কয়লা খনি স্থাপনে বাধা দিয়েছে এই যুক্তিতে যে তা যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশের বিশেষত সীমান্তবর্তী লেকের চিরস্থায়ী ক্ষতি করবে। গত দুই বছরের মধ্যে আর্জেন্টিনা ও কোস্টারিকা উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কয়দিন আগে কোস্টারিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ঘোষণা করেছেন যে, উন্মুক্ত খনির উপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে। পেরুতে জনবসতি, পরিবেশ এবং জীবন-জীবিকার উপর ধ্বংসাত্মক ফল বিবেচনা করে উন্মক্ত খনন পদ্ধতিতে সোনা উত্তোলনের কানাডীয় একটি প্রকল্প গণভোটের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। লুটেরা দুর্নীতিবাজ শাসকগোষ্ঠী থাকায় এরপরও দুর্বল দেশগুলোতে বহুজাতিক কোম্পানি উচ্চ মুনাফার সন্ধানে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের নানা কূটচাল চালাচ্ছে। কিন্তু ক্রমে সর্বত্রই সৃষ্টি হচ্ছে জনপ্রতিরোধ।

বাংলাদেশে উন্মুক্ত খনির পক্ষে সরকারী পরতা বন্ধ করতে হবে একথা বিবেচনায় রেখে যে,

১) মাটি, পানি ও মানুষ বিনাশী উন্মুক্ত খনির ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্প জনগণ জীবন দিয়ে প্রতিরোধ করেছেন ২০০৬ সালের ২৬ আগষ্ট। এই প্রতিরোধ এখনও অব্যাহত আছে।

২) ২০০৬ সালের ৩০ আগষ্ট তৎকালীন সরকার জনগণের সাথে উন্মুক্ত খনি নিষিদ্ধ ও এশিয়া এনার্জির বহিষ্কারসহ যে ৬ দফা চুক্তি করেছেন তা একটি ঐতিহাসিক সামাজিক চুক্তি হিসেবে কার্যকর আছে।

৩) বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফুলবাড়ী হত্যাকান্ড ও চুক্তির অব্যবহিত পরে এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রকাশ্য জনসভায় অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন।

৪) বাংলাদেশের সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এশিয়া এনার্জির ফুলবাড়ী প্রকল্প আইনগত পরিবেশগত এবং জাতীয় স্বার্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে রায় দিয়েছেন।

ফলে এরপরও বর্তমান সরকার যদি উন্মুক্ত খনির উদ্যোগ নেয় তাহলে সরকার বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হবে এবং জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের রক্তের সাথে বেঈমানি করবে।

গ্যাস ও বিদ্যু সংকট সমাধানে সরকারী তপরতা ও যথাযথ পথ

জ্বালানী বিষয়ক সংসদীয় কমিটি বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় একের পর এক বিনা দরপত্রে অত্যধিক ব্যয়বহুল রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের সরকারী কার্যক্রম সর্মথন করেছেন। যুক্তি দেয়া হয়েছে যে, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটে মানুষ বিদ্যুৎ চায়, নিয়ম বা দামের বিষয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু আসলে কি বর্তমান এই দরপত্রবিহীন উচ্চ দামের বিদ্যুৎ প্রকল্প জনগণকে নিশ্চিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে? জনগণের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের জন্য কী আর কোন বিকল্প নেই? জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এর আগেও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের কথা  বলেছি। কিন্তু সরকার সেদিকে নজর না দিয়ে ব্যয়বহুল জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে পুরো জ্বালানী খাত বিদেশি কোম্পানির কর্তৃত্বে দিয়ে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তাকে ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে। নীচের ছকে সরকারি তৎপরতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে আমাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরা হল।

বিদ্যু, গ্যাস কয়লা নিয়ে সরকারি পরতা এবং আমাদের অবস্থান

১. লক্ষ্য : বিদ্যু সংকটের আশু সমাধান/স্বল্পমেয়াদী উদ্যোগ
সরকারি উদ্যোগ

মালিকানা

সম্ভাব্য ফলাফল
রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট।পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট।

প্রধানত বিদেশি

উৎপাদন : ৭০০ মেগাওয়াট।সময়কাল : ৩-৯ মাস।

বিদ্যুৎ একক প্রতি ক্রয়মূল্য : ৮-১৪ টাকা।

উৎপাদন ও সময়কাল : অনিশ্চিত ও অনির্ভরযোগ্য।

বাড়তি খরচ : প্রতি বছর ৫০০০-৭০০০ কোটি টাকা।

জাতীয় কমিটির প্রস্তাব
রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ প্ল্যান্টগুলোর নবায়ন/ মেরামত।ক্যাপাসিটর স্থাপন।

এনার্জি সেভিং বাল্ব।

আইএমসি

জাতীয়

উৎপাদন বৃদ্ধি : ১৭০০ মেগাওয়াট।সময়কাল : ৩-৯ মাস।

বিদ্যুৎ একক প্রতি উৎপাদন ব্যয়: গড়পড়তা ১.৬০।

প্রয়োজনীয় খরচ : ১২০০-১৫০০ কোটি টাকা।

২. লক্ষ্য : গ্যাস সংকট সমাধানে স্বল্প মধ্য মেয়াদী উদ্যোগ
সরকারি উদ্যোগ মালিকানা সম্ভাব্য ফলাফল
স্থলভাগে বিদেশি কোম্পানির হাতে, উৎপাদন বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে, আরও ব্লক প্রদান। বিদেশি গ্যাস একক প্রতি খরচ : ২৫০-৩০০ টাকা।প্রয়োজনমতো গ্যাস প্রাপ্তি : অনিশ্চিত। সারা দেশ জিম্মি।

প্রতি বছর ভর্তুকি : বর্তমানে ২০০০ কোটি টাকা। চুক্তি হলে তা আরো বৃদ্ধি পাবে।

জাতীয় কমিটির প্রস্তাব
দেশীয় প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ব্লকগুলোতে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি।

অচল গ্যাসকূপগুলো সচল করা।

বিদেশি কোম্পানিগুলোর ফেলে রাখা ব্লকগুলো অনুসন্ধান ও উত্তোলনে বাধ্য করা।

জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় সেগুলো ফেরত এনে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করা।

জাতীয় সক্ষমতার বিকাশ।

জাতীয়

জাতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্যাস উৎপাদন খরচ একক প্রতি : ২৫-৩০ টাকা।

প্রয়োজনমতো গ্যাস প্রাপ্তি।

জনগণের সম্পদের উপর জনগণের  কর্তৃত্ব নিশ্চিত।

দেড় মাসের মধ্যে বর্তমান গ্যাস ঘাটতি দূর করা সম্ভব।

৩. লক্ষ্য : মধ্য দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যু সংকটের সমাধানে কয়লা সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার

সরকারি উদ্যোগ

মালিকানা

সম্ভাব্য ফলাফল

উন্মুক্ত খনির মাধ্যমে কয়লা উত্তোলন। বিদেশি কয়লা সম্পদের উপর মালিকানা হারানো।শতকরা ৮০ ভাগ কয়লা পাচার।

আবাদী জমি, ভূ-গর্ভস্থ/ভূ-উপরিস্থ অমূল্য পানি সম্পদ ধ্বংস, অগণিত মানুষ উচ্ছেদ।

খাদ্য নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও জ্বালানী নিরাপত্তা বিনষ্ট।

জাতীয় কমিটির প্রস্তাব
জাতীয় সংস্থা গঠন ও জাতীয় সক্ষমতা বিকাশের মাধ্যমে শতভাগ জাতীয় মালিকানায় নিরাপদ প্রযুক্তিতে কয়লা সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার। জাতীয় মাটি, পানি ও মানুষ অক্ষত।শতকরা ১০০ ভাগ কয়লা সম্পদ দেশের স্বার্থে ব্যবহার।

প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পায়নে সম্পদের ব্যবহার।

১৮ Responses -- “উন্মুক্ত খনি এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের পথ”

    • Hasan Khan

      চিটাগাংসহ আমাদের বেশ কিছু খনিতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে তোলার মত অগভীরে কয়লার মওজুদ রয়েছে । পদ্ধতিসহ সরকার অনুমতি দিলে জায়গা কিনে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোই একক বা যৌথভাবে সে সব খনি থেকে শিঘ্রি কয়লা তোলা শুরু করতে পারবে । এবং কয়লা তোলার পরে পরিত্যাক্ত ঐ খাদে তারাই আবার নতুন ধরনের কোন লাভজনক প্রকল্প গড়ে তুলতে পারবে নি:সন্দেহে । মুনাফালোভী দেশি-বিদেশি বেনিয়ারা সেদিক থেকে জনগনের দৃষ্টি সরিয়ে রাখছে ; কারন ওতে তাদের ভ্যালু এডিটেড বিনিয়োগের পরিমান কমে মুনাফাও কমে যাবে ।

      আর সমাজের সম্মানিত শিক্ষিতরাও ঢালাওভাবে উন্মুক্ত পদ্ধতির বিপদ নির্দেশক বিষয়গুলো শুধু তুলে ধরে সারা দেশের জনগনকেও ঢালাওভাবে এর বিরুদ্ধে দাড় করাচ্ছেন । ফলাফল হিসেবে নিজেদের কয়লা সম্পদ উত্তোলনটাই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে, পিছিয়ে যাচ্ছে । জ্বালানি আর বিদ্যুতের অভাবে দেশের শিল্পায়ন বাধা গ্রস্থ হচ্ছে , জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনও বিলম্বিত হচ্ছে । কিন্তু উন্নত বিশ্বে ঐ শিল্প আর মেধার অভিন্ন বাজার থাকাতে, এই সময়ে ঐ এনার্জি দিয়ে আমাদের দেশে যে শিল্পায়ন ঘটতো, যে মেধাসম্পদ তৈরি হতো; সেটা কিন্তু ঠিকই তৈরি হচ্ছে, তবে পাকিস্তান, ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চিনের মতো আমাদের প্রতিযোগি দেশগুলোতে । তার মানে শুধু সরকার আর দেশি-বিদেশি মুনাফাখোররাই নয় দেশের শিক্ষিত সমাজও দেশের অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টি করছে । কাদের নিয়ে এদেশ এগোবে, একবার ভেবে দেখুন তো !?

      জার্মানি তো পরিবেশের পাশাপাশি দেশের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য জালানির কথাও ভেবেছে । কই তাদের জালানি নিরাপত্তার স্বার্থে তারা তো ২০০ গ্রাম ঠিকই সরিয়ে নিয়েছে । আপনার উল্লেখিত খনিতে মালয়েশিয়াই বা কীভাবে পারছে !? আমরা হয়তো চেষ্টা করলে আরো ভালোভাবে এসব ব্যাবস্থা করতে পারবো । আর কয়েকদশক পরে হয়তো ঐ কয়লা তোলার আর তেমন দরকারই থাকবে না । মানে একসময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দেশের সম্পদ পরবর্তিতে অব্যাবহ্রিত বা পরিত্যাক্তই পরে থাকবে ।

      কাজেই আপনার সমর্থনে আমিও অধ্যাপক সাহেবকে বলবো – দয়া করে, think about this ।

      Reply
  1. বাঙ্গাল

    বিদ্যুত খাতে ভয়াবহ দূর্নীতির ম্যান্ডেট দিতে বিশাল বাজেট আসতেছে… তারেক জিয়ার রেকর্ডটা ভাইঙ্গা যাইতারে! হুশিয়ার!

    Reply
  2. Dr Dhamim

    জাতীয় কমিটির প্রস্তাব
    জাতীয় সংস্থা গঠন ও জাতীয় সক্ষমতা বিকাশের মাধ্যমে শতভাগ জাতীয় মালিকানায় নিরাপদ প্রযুক্তিতে কয়লা সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার। This was the conclusion of this article leaving guide lines and time frame.
    question: who will build national agency, who will be the members of this agency? how many capable person are existing in BD to carryout this big project? If the efficient person are not available then how many years will be needed for jatiyo sokkhomota bikasher?

    I would be grateful if you would acknowledge these questions

    Reply
  3. hasan

    আনু মুহাম্মাদ এর সাথে এক মত প্রকাশ করছি। দেশের সম্পদ দেশে রাখার জন্য সচেতন হওয়া উচিত।

    Reply
  4. Rahman Masud

    দ্রুত বিষয়টির মীমাংসা দেখা দরকার। একদিকে দেশের সংকট অন্যদিকে সম্পদ। একদিকে সম্ভাবনার হাতছানি অন্যদিকে বিপযর্য়। আমাদের লাভক্ষতির সকল দিক মিলিয়ে দেখা দরকার। আনু মুহাম্মদ বরাবরই বিষয়টি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন বিপরীত দিকে।

    Reply
  5. জামান

    A well-written & timely writing. Mr. Anu Muhammad shows the right way to judge our faulty decisions & shows the possible way. Thanks lot.

    Reply
  6. anu muhammad

    মন্তব্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। ছকে যে সারসংক্ষেপ দিয়েছি তার বিস্তারিত জাতীয় কমিটির বিভিন্ন প্রকাশনায় আছে। বড়পুকুরিয়া নিয়ে জনাব আমীন যে প্রশ্নগুলো তুলেছেন সেগুলোর ভিত্তি আছে। তবে বিদেশি কোম্পানির উপর নির্ভরতা চিরস্থায়ী ধরে নিয়ে আসলে আমরা আমাদের কোন সমস্যারই সমাধান করতে পারবো না। আমরা পারবো না এই যুক্তি দিয়ে সবকিছু দেশি বিদেশি লুন্ঠনকারীদের হাতে ছেড়ে দিতে। এই নীতি অব্যাহত থাকলে কোনকিছুতেই সমস্যার সমাধান হবে না। সেজন্য আমরা সবসময় জাতীয় সক্ষমতার কথা বলি।

    বড়পৃকৃরিয়ার সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছ প্রধানত দুর্নীতি ও টাকা বাঁচানোর জন্য নিরাপত্তা ও বালু ভরাটের মতো প্রয়োজনীয় কাজ না করবার ফলে। আর এখন সমস্যা সমাধানের চাইতে তা বাড়ানোরই চেষ্টা বেশি দেখা যাচ্ছে। আমি গতকালই প্রকাশিত একজন বিশেষজ্ঞের একটি লেখা পড়তে অনুরোধ জানাবো। http://www.newagebd.com/2010/may/21/edit.html#2

    এই লেখায় বড়পুকুরিয়া সম্পর্কে বলা হচ্ছে:

    “M/S WARDELL Armstrong, a reputed mining exploration and consulting company of the UK, conducted techno-economic feasibility study of Barapukuria coal deposit in 1987-1991. Wardell Armstrong very strongly rejected the idea of open-pit mining at Barapukuria. They have estimated removal of 8,000-10,000 litres of groundwater per second for the whole operational life of the mine (30 years) to dewater DupiTila aquifer for open-pit mining of Barapukuria coal deposit. Wardell Armstrong realised that the huge extraction of groundwater for such a long time from DupiTila aquifer may damage the most potential and major aquifer in the whole region. This is one of the reasons that Wardell Armstrong opted for underground mining at Barapukuria. Wardell Armstrong suggested 35-40 per cent coal recovery by adopting underground long-wall mining method. This is being practised all over the world. Present recovery of 7-8 per cent recovery of coal from Barapukuria cannot be the basis of adopting open-pit mining at Phulbari. Coal recovery from Barapukuria may be increased to 35-40 per cent if ‘hydraulic stowing’ is undertaken. Moreover, if hydraulic stowing is conducted present subsidence that has occurred at Barapukuria could be minimised. Even if the latest underground coal extraction technology is adopted coal recovery from Barapukuria may rise to 60-70 per cent. Present low recovery is due to the lacking of the authorities concerned. Therefore, present low recovery of Barapukuria coal cannot be cited as a supportive example for open-pit mining at Phulbari.”

    Reply
  7. রকিবুল হাসান

    আমাদের দেশের কয়লা আর গ্যাস আমাদেরই সম্পদ,আমাদের দেশের জনগনের জন্য সর্বোত্তমভাবে এ সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। শ্রদ্ধেয় আনু মুহাম্মদ তাঁর লেখা ও জাতীয় কমিটির আন্দোলনের মাধ্যমে সার্বিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের স্বার্থ সংরক্ষনে সরকারের ‘বোধদয়’ ঘটাতে। উন্মুক্ত খনি,গ্যাস ও বিদ্যুত সংকট সমাধানের যে তুলনামূলক উপায়সমূহ আলোচনা করা হয়েছে তা পাঠকের মতো সরকারকেও ভাবিত করুক, সরকার দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করুক– এটাই প্রত্যাশা।

    Reply
  8. Uttam

    Dr Anu Muhammad – Thank you very much for your discussion about power crisis and it’s probable solution. I think most of the people will support your idea. Because it will save life, environment and money. Then why does the government (current and past) not follow your idea? Why do they want to do things differently, which is harmful for life & environment and moreover when the country would loose 80% of our royalty. Is there anything you did not discuss which goes against your idea and we general people do not understand? You just discussed in favour of your idea and against government’s measures. That is probably because you wanted to make the article short, simple and understandable to everybody. This made the article little weak to convince everybody. Can you please discuss in more details if necessary with technical & scientific data, examples and references (which will make your idea more acceptable). Do you think there is not a single person in the administration (or outside administration) who understands your idea?

    Thank you for your time, idea and information.

    Reply
  9. সৈয়দ আলি

    আনু মুহম্মদের চমৎকার একাডেমিক বিশ্লেষন প্রধানত: গ্যাস ও বিদু্তভিত্তিক হলেও বহুজাতিক বৃহৎ কর্পোরেশনগুলোর স্থানীয় দালালদের সহায়তায় লুন্ঠনের ইতিহাস রীতিমতো ঐতিহাসিক। আহসান সোহাগ ও যারা এ লুন্ঠনের ম্যাকানিজম সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে আগ্রহী, তারা নাওমী ক্লেইন (Naomi Klein) এর The Shock Doctrine : The Rise of Disaster Capitalism পড়তে পারেন। আমি একটি ওয়েবসাইট এ্যাড্রেস দিচ্ছহি naomiklein.org/shock-doctrine

    Reply
  10. Nabil Haque

    A justified well-written piece. I do agree with the environmental consequences and how we cannot compare Bangladesh and Germany. This writer is also a leftist-socialist. I don’t see how nationalisation would solve the problem. Private investment is necessary to solve energy crisis. I can’t comprehend why he has problems with the foreign companies. I agree with the royalty issue, but that is our collective failure in participating in the decision-making process (in this case production-sharing agreement).

    Reply
  11. মোয়াজ্জেম আজিম

    আনু মুহাম্মদকে ধন্যবাদ অতি প্রয়োজনীয় একটা বিষয় নিয়ে এতো অল্প কথায় পরিচ্ছন্ন আলোচনা করার জন্যে। তার মতামতের সাথে একমত পোষন করছি।

    Reply
  12. আমীন আল রশীদ

    আপনি বলছেন যে, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করলে তা পরিবেশ ও প্রাণের ক্ষতির কারণ হবে। কিন্তু ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে খননেরও তো হুজ্জত আছে। যেমন- এই পদ্ধতিতে খনন করলে ভূমিধ্বসের আশঙ্কা থাকে। এর কারণ, আমাদের দেশের কয়লা খনির উপরে পাথরের আবরণ নেই। মূলত মাটি এবং তা নরম। বিশ্বের যেসব দেশে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হয়, সেসব খনির উপরে পাথরের শক্ত আবরণ আছে। ফলে আচমকা ভূমিধ্বসের আশঙ্কা কম। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে নিয়ম হলো, বড় বড় পিলারের মতো তৈরি করে সেখান থেকে কিছু কিছু কয়লা তোলা। কিন্তু যেহেতু বিদেশী কোম্পানি আমাদের দেশ থেকে কয়লা তোলে এবং সঙ্গত কারণে ভবিষ্যতেও হয়তো তুলবে, সেক্ষেত্রে তারা চাইবে যতোটা সম্ভব বেশি কয়লা তুলতে। তখন তারা পিলারের নিরাপত্তার বিষয়টি অনেক সময় মাথায় নাও রাখতে পারে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনে শ্রমিকদের অনেক বেশি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। কয়লা বেশি তোলাও যায় না। এই কথাগুলো আমার নিজের নয়। নানাজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি। বিশেষ করে যারা এই বিষয়টা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। ফলে খুব ভালো হয় আপনি যদি বিষয়টা আরেকটু ব্যাখ্যা করেন।

    Reply
    • Zahidul Islam

      Mr Amin Al Rashid: Your interest in Mining Methods is encouraging. The method you have mentioned is called Room and Pillar Method in Mining Engineering jargon. The method Mr Anu Mohammad has mentioned is called Longwall Mining method. The Room and Pillar method is almost obsolate now for low recovery of coal. There are other advance methods are in practice as well. Your concern for effective ground control is also valid. In Bangladesh, underground mining will naturally be very very challenging in deed. M/S WARDELL Armstrong’s report, which I had the opportunity to go through back in 1988, seemed very comprehensive. I would request it’s copy and recommendations to be made available on line for public information. (I am a mining engineer, had to switch my profession finding no scope in mining industry in Bangladesh, back in 1985. Because the industry did not exist at that time. It is encouraging note our current national interest in mining, a profession I had to quit with a lot of grief. I tried to serve for the cause of the nation. Dr Mohammad is playing a vital role in favour of our public interest. I sincerely wish all his success). Zahidul Islam, UK

      Reply
  13. Ahsan Sohag

    Dr. Anu Mohammad, thank you very much for your write-up. It will be better if you kindly provide necessary references of your suggestions. I would be especially interested in the current solutions of the electricity crisis. Could you please explain this in the media?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—