সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রান্সের নিস শহরে জনসভার উপর তিউনিসীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি এক নাগরিকের লরি তুলে দিয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ঘটানোর জেরে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক তোলপাড় চলছে। এর মাস আটেক আগে রাজধানী প্যারিসও সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত হয়। এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ফ্রান্সসহ পশ্চিমা সমাজে ‘ইসলাম’ নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। একই সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে ‘ইসলামবিরোধী’ কিছু পদক্ষেপও। এরই ধারাবাহিকতায় কান্স শহরের মেয়র ফরাসি মুসলিম নারীদের জন্য শরীর ঢেকে গোছল করা বা সাঁতারের বিশেষ পোশাক ‘বুরকিনি’ নিষিদ্ধ করেছেন।

বুরকিনি অবশ্য মোটেও ধর্মীয় সিম্বল বা প্রতীকী কোনো পোশাক নয়; সাতারু, ডাইভার বা সার্ফাররা এটা অনেক আগ থেকেই পরছেন। অথচ কান্স শহরের মেয়র এটাকে চিহ্নিত করেছেন ‘চরম্পন্থী ইসলামের পোশাক’ হিসেবে। (হাফিংটন পোস্ট, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। একইসঙ্গে পোশাকটি ফ্রান্সের আরও ৩০টি নগরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

যদিও গত আগস্টে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কোর্ট এই নিষেধাজ্ঞার উপর রুল জারি করেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও বুরকিনি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এ ধরনের পোশাক তাঁদের ঐতিহ্যের পরিপন্থী এবং এটা ফ্রান্সের জাতীয় মুক্তির প্রতীক– ১৮৩০ সালে ইউজিন ডেলাক্রয়ের আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘লিবার্টি লিডিং দ্য পিপল’ এর উন্মুক্ত ও স্বাধীন নারীর ধারণা– তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেছেন, উন্মুক্ত বক্ষের নারী– এটা তাঁর স্বাধীনতাই প্রকাশ করেছে।

অবশ্য ফ্রান্সে বা ইউরোপের অনেক দেশে বোরকা অনেকাংশে নিষিদ্ধ, কোথাও কোথাও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। কোথাও নিষিদ্ধকরণ নিয়ে ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকী এই বোরকাকে নারীর স্বাধীনতার বিষয় উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় বিখ্যাত লেখিকা অরুন্ধতী রায়, আমেরিকান বুদ্ধিজীবী নোয়াম চমস্কি পর্যন্ত। এ ছাড়া ইউরোপের অনেক নারী অধিকার সুরক্ষার কর্মীরাও বুরকিনির পক্ষে মত দিয়েছেন।

সমাজের প্রতিটি ঘটনা বা ক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য যেমন তার ‘পার্টিকুলার সোশ্যাল সেটিংস’ বা বিদ্যমান সামাজিক ব্যবস্থা বিবেচনায় নিতে হয়, তেমনি সেটিকে একটা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেও দেখা খুব জরুরি। পদ্ধতিগতভাবে এটা জরুরি; কারণ, এই যে বিদ্যমান ক্রিয়া তার একটা প্রভাব সমাজে তৈরি হয়। এটা সাময়িক হতে পারে, আবার দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। এই প্রভাবের ফল ইতিবাচক (উদার) হতে পারে, আবার নেতিবাচকও (রক্ষণশীল) হতে পারে। নেতিবাচক ও ইতিবাচক ফলাফলের বস্তুগত এবং অবস্তুগত প্রভাব দুই-ই হতে পারে।

মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে কয়েকটা প্রত্যয় বোঝা দরকার। যেমন: বোরকা বা পর্দা কী? পোশাক হিসেবে এটা পরার ভৌগলিক তাৎপর্য কী? এর সামাজিক/সাংস্কৃতিক তাৎপর্যই বা কী? এই পোশাক শুধুমাত্র কেন নারীর জন্য প্রযোজ্য হবে? এই পোশাক পরার ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি আছে কি না? যদি বলপ্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাহলে কারা করছেন? কেন করছেন? যারা এটা পরছেন তার নিট সামাজিক আউটলুক কী, মানে আধুনিক সমাজের ব্যক্তিস্বাধীনতার যে জায়গা সেখানে এটা কীভাবে ব্যক্তির জীবনকে প্রভাবিত করছে?

পর্দাপ্রথার যে সামাজিক ইতিহাস রয়েছে, সেখান থেকে জানা যায়, বর্তমান সময়ে ইসলামি সমাজে নারীর মূল্যবোধের অন্যতম একটি উপাদান এই পর্দা হলেও তার উৎপত্তি ইসলাম আবির্ভাবের আগে এবং মূল আরব ভূখণ্ডে এটা বিস্তৃত ছিল। এর প্রয়োজনীয়তা মূলত ছিল ভৌগলিক। যারা এটা পরিধান করতেন তাঁরা মূলত প্রি–মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন, যেমন: প্যাগান ধর্মের অনুসারীরা। এরপর অনেক আব্রাহামিক অনুসারীও এটা পরেছেন।

 

Burkini - 10111

 

পবিত্র কোরানে সরাসরি পর্দার কথা খুব কম উল্লেখিত আছে। তবে বিভিন্ন হাদিসে অসংখ্য বিধান রাখা আছে নারীর পর্দা রক্ষার ব্যাপারে। বাইবেলেও নারীর পর্দার কথা উল্লেখ রয়েছে। খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মে নারীদের মধ্যে মাথা ঢেকে রাখার স্কার্ফ প্রচলিত আছে, যা এখনও দেখা যায়।

হিন্দু বিধানে সরাসরি কোনো পর্দার উল্লেখ না থাকলেও মূলত ১৩ ও ১৪ শতকের দিকে হিন্দু সমাজে এর ব্যাপক প্রসার ঘটে। এখানে নারীদের ক্ষেত্রেও মাথায় ঘোমটা দেওয়ার নিয়ম চালু হয়। জানামতে, বৌদ্ধ ধর্মে নারীদের জন্য এ রকম কোনো বিধান তেমন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বর্তমান সময়ে পর্দাপ্রথার এই রূপ কেবল জোরালোভাবে ইসলামি সমাজের মূল্যবোধের সঙ্গেই টিকে আছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অন্যান্য ধর্মের নারীদের থেকে মুসলিম নারীদের পর্দার জায়গাটা স্বতন্ত্র ও আলাদা। ইসলামে নারীর জন্য পর্দাকে বিধান করা হয়েছে। এটা ‘ফরজ’ কাজ বলে গণ্য; এর ব্যত্যয় হলে শাস্তির বিধানও রয়েছে। এই শাস্তি বিধানের জায়গাটা আমাদের বিবেচ্য বিষয়। কারণ, এর সঙ্গে একজন নারীর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বা ইচ্ছার বিষয় জড়িত, তাঁর শরীর ও যৌন-স্বাধীনতার প্রশ্ন জড়িত। বিভিন্ন মুসলিম দেশে নারীদের পর্দার জন্য যে পোশাক পরানো হয়, অনেক ক্ষেত্রে তা নারীর স্বাভাবিক চলাফেরার জন্য উপযোগী নয়। আফগানিস্তান, পাকিনস্তান ও ইরানে এ ধরনের পোশাক বা বোরকা বেশি দেখা যায়।

একজন নারী তিনি যে ধর্মের হোক না কেন, তাঁকে পর্দা করতে হবে কেন? সাধারণত যেসব কারণে বিভিন্ন ধর্মে নারীদের পর্দা করতে বলা হয়, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু বক্তব্য আছে। যেমন: শালীনতা বজায় রাখা, পরপুরুষ থেকে আব্রু রাখা, সৌন্দর্যের ব্যাপার প্রাধান্য দেওয়াসহ নারীর নম্র হওয়া, উত্ত্যক্ত না করা, স্বামী ও পরিবারের বাইরে তাঁকে যেতে না দেওয়া, তাঁর বক্ষদেশ যেন তা অপ্রদর্শিত রাখা হয়, নারী যেন জোরে না হাঁটে ইত্যাদি। এ রকম অসংখ্য নেতিবাচক ধারণা দিয়েই মূলত নারীকে ঘিরে রাখার জন্য সমাজে পর্দা এখনও প্রচলিত আছে।

এই যে পর্দাকাহিনী– এখানে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, এর প্রয়োজনীয়তার কোনো একটি দিকও নারীর জন্য নয়; সেটা পুরোপুরি পুরুষের জন্য, নারীকে তাঁর অধীনে রাখার জন্য, নারীর অবস্থানকে অবদমিত রাখার জন্য।

নারীকে বিভিন্ন সমাজ ও ধর্ম বিভিন্নভাবে অবদমিত করেছে। কেউ তাঁর হাতে চুড়ি পরিয়েছে, কেউ পায়ে বেড়ি পরিয়েছে। আর ইসলামি সমাজ তাঁকে পরিয়েছে পর্দা। এটা সম্পূর্ণ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা বা নারীর উপর পুরুষের জেলাসির ফল। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে পুরুষের কর্তৃত্ব-ক্ষমতা-সম্পদ ধরে রাখার জন্য নারীকে গৃহবন্দী করার ঐতিহাসিক লিগ্যাসি; যার মধ্যে দিয়ে উৎপত্তি হয়েছে পুরুষতন্ত্রের, পিতৃতন্ত্রের।

পৃথিবীর সব ধর্ম, যা কার্যত পুরুষতান্ত্রিকতা দ্বারাই প্রাধান্য পেয়েছে। সে দিক থেকে নারীর জন্য সমাজে পর্দাপ্রথা একটা নেতিবাচক উপাদান এবং সেই সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিকও বটে।

এখন প্রশ্ন হল, এই অপ্রাসঙ্গিক বিষয় সমাজে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেলে কী হতে পারে? ধর্মের অনেক বিধি বা নিষেধাজ্ঞা– যেমন: পৃথিবীর চারিদিকে সূর্য ঘোরে– এ ধরনের নানা ধারণা ক্ষয়িষ্ণু হতে চলেছে। রাষ্ট্র থেকে ধর্ম আলাদা হচ্ছে। তবুও কেন অনেক কিছু অসংগতি থেকে যাচ্ছে।

পর্দা নারীর জন্য একটা ডিসকন্টেন্ট। আবার এটা অস্বীকার করারও উপায় নেই যে, কাউকে জোর করে পর্দা থেকে বের করে আনা যাবে না। ব্যক্তির ইচ্ছা তাঁর এজেন্সি। তিনি এটা প্রকাশ করতেই চাইবেনই যে কোনোভাবে। যেমন: কারো আত্মহত্যার ইচ্ছা করতেই পারে। কথা হল, তিনি কেন করবেন? একইভাবে প্রশ্ন হল, কোনো নারী পর্দা করতে বা বোরকা পরতেই পারেন, কিন্তু তিনি কেন করবেন?

আজকের ফ্রান্স বা বাংলাদেশের কনটেক্সটে নারীর জন্য পর্দা, সে যে ধর্মের ক্ষেত্রেই হোক না কেন, এটা নিষিদ্ধ বা চালু করার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তা হল, এই পর্দা নারীর জন্য নাকি এটা পুরুষের জন্য। এই আদর্শিক বা আইডিওলজিক্যাল প্রশ্ন খুবই জরুরি। একজন নারী যখনই পর্দা করছেন তিনি তখনই পুরুষতন্ত্রের বিধান লালন করছেন। এই পোশাকের, ক্ষেত্র বিশেষে, ভৌগলিক কোনো সুবিধা ছাড়া আর যা আছে তা সবই অসুবিধাজনক এবং তার পুরোটা ভোগান্তি কেবল নারীকেই নিতে হয়।

নারীকে রোদের মধ্যে অতিরিক্ত কাপড় পরতে হবে, তাঁর গতিবিধি শ্লথ হবে, তাঁর সৌন্দর্যের প্রকাশ কেবল সুনির্দিষ্ট পুরুষের মনোরঞ্জনের জন্য হবে, তাঁকে সবসময় নতজানু হয়ে চলতে হবে।

এ বিষয়গুলো প্রধানত নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ, যা উদ্ভূত হয়েছে কেবল পর্দাপ্রথা থেকে। এটা নারীর উপর পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতির চাপিয়ে দেওয়া অবদমন, তাঁর সঙ্গে কোনো উপযোগিতার প্রশ্ন নেই।

 

Burkini - 555

 

ফ্রান্সে বর্তমান সময়ে মুসলিম নারীরা যে পর্দা করছেন বা হিজাব করছেন বা বুরকিনি পরছেন, সেখানেও এ বিষয়টা জরুরি যে, তাঁরা কি কেবল নিজদের ইচ্ছার প্রকাশ করছেন নাকি প্রথাগত পুরুষতান্ত্রিক ধর্মীয় মূল্যবোধকে লালন করছেন? এবং এটা একজন নারীকে মানসিক ও সামাজিক দিক থেকে পুরুষের সমকক্ষতা অর্জনের প্রশ্নে কীভাবে পিছিয়ে রাখছে– সেই জায়গা থেকেই বিষয়টি অনুধাবন করা জরুরি।

একইভাবে বর্তমান সময়ে হিজাব প্রসঙ্গটি ব্যাপক আলোচিত বাংলাদেশের সমাজের ক্ষেত্রেও। ৭০, ৮০, এমনকি ৯০ দশকের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশে নারীদের ক্ষেত্রে সনাতনী বোরকা ছাড়া এ ধরনের পোশাক পরিচিত ছিল না। কিন্তু বর্তমানে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরিহিতা নারীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেশি। এর কারণ কী এবং এর ফলাফল কী হতে পারে? এটি ভাবার বিষয়।

যদি বাংলাদেশ ও ইউরোপের নারীদের হিজাব পরার কারণ এনালিসিস করি তাহলে দেখা যাবে এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ রয়েছে, যেসব কারণে দিন দিন এই পোশাকের ব্যবহার বাড়ছে। ইউরোপে মুসলিম নারী মূলত হিজাব পরছেন যতটা না তাঁর নিজের জন্য, তার চেয়ে বেশি সেখানকার পুরুষের প্রভাবে। এখানে পুরুষের এই প্রভাব পুরোটাই ধর্মচেতনা থেকে আগত। আবার একইসঙ্গে সেখানে ফ্যাশন হিসেবেও কাজ করছে।

এই যে বুরকিনি– এটা কিন্তু যতটা না ধর্মীয় চিন্তার প্রভাব তাঁর চেয়ে বেশি ফ্যাশন চিন্তার প্রভাব। তবে এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য সেটা হল, পশ্চিমা মূল্যবোধের সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে, পশ্চিমে নারীরা যে ধরনের পোশাক পরেন, সেটার সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধসম্পন্ন লোকজন রি-অ্যাক্ট করছেন, পুরুষেরা বেশি করছেন। আবার পশ্চিমা নারীদের এই পোশাক তাঁদের শরীরের উপর স্বাধীনতা ও ব্যক্তিইচ্ছার প্রকাশ।

ফলে এখানে নারী যে ভ্যালু কনফ্লিক্টের শিকার হচ্ছেন, সেটা যতটা না তাঁর জন্য তার চেয়েও বেশি সেখানকার মুসলিম পুরুষের জন্য। একইভাবে এটা ঠিক যে ইউরোপে থাকা অনেক মুসলিম নারীও পর্দা বা হিজাব পরতে পছন্দ করেন না।

কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নারীদের হিজাবের বিষয়টা এত কালচারাল কনফ্লিক্টের ফলাফল নয়। এখানে মূলতঃ ধর্মীয় রাজনীতিই বিদ্যমান। বিশেষ করে, সমাজে শিক্ষার হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যত বেশি কোরানিক ব্যাখার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে ততই তারা বাঙালির সাংস্কৃতিক মিশ্রণ থেকে বের হয়ে আসছে। তাঁরা ওয়াহিবিজমের ব্যাখ্যা গ্রহণ করছেন। নারীদের তাই পর্দার বিষয়টি মানতে হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে।

একইভাবে পরিবারের শিশুদের নাম ইসলামি মূলবোধ অনুসারে রাখছেন, সব বিজাতীয় সংস্কৃতি বর্জন করছেন। সব ক্ষেত্রেই ধর্মীয় সাংস্কৃতিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয় সংস্কৃতির ফ্যাশনও যুক্ত আছে। নারী নিচে জিন্স প্যান্ট পরার স্বাচ্ছ্যন্দ্যের সঙ্গে যেমন নিজেকে ‘আধুনিকা’ ভাবছেন ঠিক তেমনি একইসঙ্গে তাঁর মাথায় হিজাব দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধও বজায় রাখছেন।

এই জায়গাটা খুব সাইকোলজিক্যাল। মানসিকভাবে এটা কেবল ছড়াচ্ছেই দিন দিন। এখানে পর্দা বা হিজাব থাকা না-থাকার প্রশ্নে যাওয়ার আগে আমাদের দেখা দরকার এই পোশাক নারী কেন পরে? অনেকেই বলছেন, নারী তাঁর নিজের ইচ্ছাতেই এ পোশাক পরছেন। বিষয়টি ঠিক নয়। প্রথমত, হিজাব বা পর্দা কখনও নারীর জন্য বিবেচ্য পোশাক নয়। তারপর এটি পরা না-পরা তাঁর ইচ্ছা-নিরপেক্ষ নয়। এটা প্রতিটি মুসলিম নারীকে পরা জন্য বিধান চালু রাখা আছে।

এই চিন্তা নারীর মনোজগতে জন্ম দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর মধ্যে এই পোশাক পরার সম্মতি উৎপাদন করা হয়েছে। এই সম্মতি আবার এসেছে ভয়ের সংস্কৃতি থেকেও। ফলে কোনোভাবেই পর্দা করা বা না-করা নারীর ইচ্ছা-নিরপেক্ষ নয়। তাঁকে ধর্মের কারণেই পরতে হয়। আবার তিনি যদি না পরতে চান তাহলে ধর্মের দোহাই দিয়ে পুরুষই তাঁকে বিভিন্ন নেতিবাচক চরিত্রে চিহ্নিত করেন। সে জন্য এখানে পর্দা নারীর নয়– এটা পুরষতন্ত্রের ডমিনেশনের ফল। নারী নিজের ইচ্ছায় পর্দা নয়, বরং তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধেই পুরুষতান্ত্রিক ডমিনেশন বহণ করে চলছে; তাঁকে এটা বোঝাতে হবে।

এই যে পর্দা বা হিজাবি সংস্কৃতি– এটা সমাজের জন্য যে ফলাফল নিয়ে আসে সেটা আসলে ইতিবাচক নয়। এটা ইউরপে বা আরবে বা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বা যে কোনো সমাজের জন্য নেতিবাচক যে ফল বয়ে আনবে তা হল, সমাজে রক্ষণশীলতা উৎপাদন করা ও তা ধরে রাখা। সমাজকে উদারনৈতিকতা থেকে পিছিয়ে দিতে এটা ভূমিকা রাখবে। আজকের মধ্যপ্রাচ্যে তাই-ই হচ্ছে। এ ধরনের অনুদার সমাজে নারীরা যদি পিছিয়ে থাকেন তাহলে একটি সার্বিক মৌলিক ও মানবিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। এসব ক্ষেত্রে নারী–পুরুষের অসমতা বিকশিত হতে পারে। বিশেষ করে, রাজনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নারীর মতামত প্রাধান্য না পাওয়ায় একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র অনুপস্থিত থাকে।

সমতার বিষয়টি সার্বিকভাবে উপেক্ষিত থাকে। নারীর সৃজনশীলতা ও মননশীলতার মতো বিষয় তো পিছিয়ে থাকেই। সে দিক থেকেই এই পর্দা বা হিজাবকে বিবেচনা করে দেখা দরকার।

কাজল দাসগবেষক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

১৫৭ Responses -- “ফ্রান্সে বুরকিনি বিতর্ক ও বাংলাদেশের হিজাব-সংস্কৃতি”

  1. Iqbal

    HIJAB FOR WOMEN IN ISLAM:

    It mention in Surah Noor, says:
    And say to the believing women that they should lower their gaze and guard their modesty; that they should not display their beauty and ornaments except what (must ordinarily) appear thereof; that they should draw their veils over their bosoms and not display their beauty except to their husbands, their fathers, their husband’s fathers, their sons, their husbands’ sons, their brothers or their brothers’ sons, or their sisters’ sons, or their women, or the slaves whom their right hands possess, or male servants free of physical needs, or small children who have no sense of the shame of sex; and that they should not strike their feet in order to draw attention to their hidden ornaments. And O ye Believers! turn ye all together towards Allah, that ye may attain Bliss.

    [Al-Qur’an 24:31]

    Six criteria for Hijab.

    According to Qur’an and Sunnah there are basically six criteria for observing hijab:

    1. Extent:

    The first criterion is the extent of the body that should be covered. This is different for men and women.

    The extent of covering obligatory on the male s to cover the body at least from the navel to the knees. For women, the extent of covering obligatory is to cover the complete body except the face and the hands upto the wrist. If they wish to, they can cover even these

    parts of the body. Some scholars of Islam insist that the face and the hands are part of the obligatory extent of ‘hijab’.

    All the remaining five criteria are the same for men and women.

    2. The clothes worn should be loose and should not reveal the figure.

    3. The clothes worn should not be transparent such that one can see through them.

    4. The clothes worn should not be so glamorous as to attract the opposite sex.

    5. The clothes worn should not resemble that of the opposite sex.

    6. The clothes worn should not resemble that of the unbelievers i.e. they should not wear clothes that are specifically identities or symbols of the unbelievers’ religions.

    “O Prophet! Tell thy wives and daughters, and the believing women

    that they should cast their outer garments over their persons (when abroad); that is most convenient, that they should be known (as such) and not molested. And Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.”

    [Al-Qur’an 33:59]

    The Qur’an says that Hijab has been prescribed for the women so that they are recognized as modest women and this will also prevent them from being molested.

    HIJAB FOR WOMEN IN CHRISTIANITY :

    “A women shall not wear anything that pertains to a man, not shall a man put on a woman’s garment, or all who do so are an abomination to the Lord your God”

    [In the Book of Deuteronomy Ch 22 Verse 5]

    “In like manner also, that the women adorn themselves in modest apparel, with propriety and moderation, not with braided hair or gold or pearls or costly clothing”

    “But, which is proper for women professing godliness, with good works.

    [I Timothy Ch 2 Verse 9-10]

    “But every women who pray or prophesies with her head uncovered dishonores her head, for

    That it one and the same as if her head were shaved”

    For if a women is not covered (head), let her also be shorn. But of ot os shameful for a women to be shorn or shaved , let her be covered.”

    [I Corinthians Ch 11 Verse 5-6]

    Strict then Islam , in Christianity if women don’t cover the head punishment is shave her head

    “You have heard that it was said to those of old not commit adultery , but I say unto you , any one look at women after lust , he already committed adultery in his heart”

    [Matthew Ch 5 Verse 27-28]

    HIJAB FOR WOMEN IN HINDUISM:

    God made you women , so that you shall lower your gaze , do not look at men , keep your Feet close cover you hear and should not disclose the garment , which should conceal with the veil”

    [Rig Veda Book 8 Hymn 33 Mantra 19-20]

    “ It’s not good , that man covering this thigh with female garment”

    [Rig Veda Book 10 Hymn 85 Mantra 30]

    When Ram saw the Parushu Ram coming , he tell to Seta.

    “ O Seta keep yourselves in the veil and lower you gaze”

    [Rig-Veda, Book 8 verse 19]
    Cast down thine eyes and look not up. More closely set thy feet. Let none
    See what thy garment veils, for thou, a Brahman, hast become a dame.

    Reply
  2. আরিফ

    দেখুন ইসলাম নারীদের শরীরী পর্দার পাশাপাশি পুরুষদেরও চোখ সংযত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।।।মানে ইসলাম শালীনতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে….আর আপনি যদি চান আপনার স্ত্রী পর্দা না পরে ফ্রান্সের নারীদের মত অধিক স্বাধীন হয়ে বিকিনি পড়ে ঘুরুক তাইলে আপনার সমস্যা থাকার কথা না…সুতরাং ঘুরতে দিন

    Reply
  3. ফয়সাল

    মজার ব্যাপার হলো আপনি বলছেন যে, কেন নারী পর্দা করে?
    যেহেতু নারীর উপর ধর্মীয় রুল আরোপ করা হয়েছে তাই।
    ঠিক অনুরুপ ভাবে আমি প্রশ্ন করি, কেন সে পর্দা করে না?
    তার উত্তর হচ্ছে, তাকে বোঝানো হয়েছে যে পর্দা করার দ্বারা সে পশ্চাদগামী হবে। তাই সে পর্দা করে পশ্চাৎপদ হতে চায় না। ইউরোপের কালচারে অনেক আগেই ধর্ম থেকে রাষ্ট্রকে আলাদা করে গির্জাকেন্দ্রিক ধর্ম আবদ্ধ আছে এবং ধর্মীয় পন্ডিতগণ একই সাথে জনবিচ্ছিন্ন। তাছাড়া বারংবার ধর্মীয় বিকৃতি জনগণের আস্থা হারিয়েছে। ধর্মবিচ্ছিন্ন সমাজে পর্দাহীনতার কালচারই আদর্শ হয়ে উঠেছে। অপরদিকে উপমহাদেশে প্রচলিত ধর্মের ধর্মবেত্তাগণ জনসম্পৃক্ততা ধরে রাখতে পেরেছেন তাই এখনো ধর্মীয় বিধানসমুহে মানুষের আস্থা আশানুরূপ। এবং এখানে পর্দাই নারীর কাম্য। যেমনভাবে ইউরোপের কালচারে পর্দাহীনতা কাম্য।

    Reply
  4. Alam

    May Allah blessed us authentic ELAM for which we can distinguished between Haq and Batil.

    Jajjakallah. for those who raised there voice against this article and Doa for Heedaet for the author and his disciple.

    Reply
  5. Md Abdul Mannan

    নারী যদি নিজ ইচ্ছায় পর্দা পালন করে তাতে আপনাদের এত মনোঃকষ্টের কারণ কী ? নারিকে সব সময় উলংগ অথবা অর্ধ উলংগ দেখতেই বুঝি আপনাদের পছন্দ ! আপনারা নারি স্বাধিনতার কথা বলেন । নারি যেখানে স্বেচ্ছায় হিজাব পরে সেখানে তাকে হিজাব না পরতে বাধ্য করা কি নারি স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ নয় ?

    Reply
    • মো: মাহবুব-উল-আলম

      একটা গণভোট দিন; নারীরা স্বেচ্ছায় না কি সামাজের চাপে এটা করে তা বোঝা যাবে; তার আগে প‍র্দার সংজ্ঞা নি‍‍র্ধারণ করুন।

      Reply
  6. মাসুম

    আপনি মুলত ধর্ম আলাদা করতে চাচ্ছেন। মানুষের জন্যই তো ধর্ম। যদি আলাদা করেন তাহলে ধর্ম মানবে কে? ইসলামে পুরুষেরও আলাদা ড্রেস কোড আছে।

    Reply
  7. Prince

    “ইসলাম আবির্ভাবের আগে”- মানে কি? শেষ নবী মুহাম্মদ (সঃ)-এর পূর্বে অনেক নবী-রাসূল এসেছিলেন। পৃথিবীর প্রথম মানুষই ইসলামের প্রথম নবী।

    Reply
  8. alia

    লেখ্ক বুরকিনি আর হিজাব দ্বারা মেয়েদের পিছিয়ে থাকার মনোভাবের সাথে তুলনা করে এটি প্রমাণ করেছেন লেখকের না-জেনে, না-বুঝে অথবা বেশি বুঝে অযৌক্তিক কথা যৌক্তিক করার চেষ্টা করছেন।
    একজন অস্ট্রেলিয়ান ডিজাইনার এটি তৈরি করেছে সব মহিলাদের জন্য যেন সূর্যের আলোতে ত্বকের ক্ষতি না হয় আর যারা জনসম্মুখে বিকিনি পরতে লজ্জা বোধ করেন।
    এক শতকেরও আগে থেকে সাউথ এশিয়ার মহিলাদের মূল পোশাক ছিল শাড়ি। সময়ের পরিবর্তনের সাথে আমাদের চিন্তা, চলাফেরা, পোশাক, সংস্কৃতির পরিবর্তন হয়েছে।
    শ্রদ্ধেয় বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামালের মতো মহিয়সী নারীরা মাথায় কাপড় দিয়ে মেয়েদের শিক্ষা প্রসারের জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছে।
    তাহলে, লেখক কেমনে বলতে পারেন যে পর্দা বা হিজাবি সংস্কৃতি– এটা সমাজের জন্য যে ফলাফল নিয়ে আসে সেটা আসলে ইতিবাচক নয়। আর সৃজনশীলতা ও মননশীলতার পরিমাপ কাপড় দিয়ে নয়, চিন্তা দিয়ে করা হয়।
    ইসলাম ধর্মে মহিলাদের পর্দা করার কথা উল্লেখ আছে। বর্তমানে বুরকিনি আর হিজাব মহিলাদের স্বকীয় ইচ্ছা। কখনো কোন ধর্ম অথবা কাপড় মহিলাদের চিন্তাকে পিছিয়ে রাখে না।

    Reply
  9. নাঈম

    যুক্তি দিয়ে পর্দার বিরোধীতা করা যাবে না। কারন প্র্দার বিধান আসছে অহির মাধ্যমে।যদি কোন মুসলিম যুক্তি বা কোন কারনে পর্দার িবরোধীতা করে তাহলে। কাফের হয়েযাবে।পর্দা করতে না পারা কবিরা গুনাহ
    আর পর্দার বিধান এর বিরোধীতা করা কাফের বা অস্বীকার কারী হয়ে যাবে।

    Reply
    • Mukul Mia

      কোরানে বলা হয়েছে এমন পোশাকের কথা যা শরীরকে শালীনভাবে ঢাকবে। তার মানে এই নয় যে মুখ ঢাকতে হবে।

      Reply
  10. Naser

    মুসলিম নারীর হিজাব ফরজ করেছে ইসলাম বা স্বয়ং আল্লাহ। এখানে পুরুষের ডমিনেশানের কথা আসছে কেন? আর ইসলাম তো পর্দা শুধু নারীর জন্য করেনি, শুধু পোষাকী পর্দার কথাও বলা হয়নি। ইসলামে পর্দা একটি সামগ্রিক বিষয়। এটিতে নারী-পুরুষ উভয়ের পোষাক, পরিচ্ছেদ, চোখের, মুখের, অন্তরের সকল বিষয়ে পর্দার কথা বলা হয়েছে। পোষাকী পর্দার ধরন কেমন হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। তাই এখানে পুরুষদের বলতে হবে কেন? ইসলাম তো সবই বলে দিয়েছে।

    Reply
  11. মোঃ হেলাল উদ্দিন

    আমার তো মনে হয় আমরা মার্জিত পোশাক এবং পরদা এর মধ্যে ব্যাবধান টা বুঝতে পারছি না বা বুঝেও না বুঝার ভান করছি। আমাদের দেশে অনেক তথা কথিত নারী বাদিরা বুঝাতে চাইছে যে পর্দা হল মহিলাদের ওপর পুরুষ দের চাপিয়ে দেওয়া প্রথা। আমি তো মনে করি মহিলা দের পর্দা না করার প্রতি উৎসাহিত করার পেছনেও নারীর চেয়ে অই সব পুরুষ দের স্বার্থ বেশি কাজ করছে। কারন ভুলিয়ে ভালিয়ে যদি নারী দের বে পর্দা করা হয় তাতে তো ঐ সব নোংরা পুরুষ রা লাভো বান হবে। এরাই তখন নারী দের বে পর্দা শরীর তারিয়ে তারিয়ে দেখবে এর ললুপ জিভ দিয়ে নিজের ঠোঁট চাটবে।
    মা বোনেরা বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

    Reply
  12. Koyel

    Ahsan, “লেখার মত আরও অনেক বিষয়বস্তু রয়েছে। ইসলাম ধর্মে পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। অন্য ধর্মে নয়। আমাদের ধর্মে দুনিয়াটা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আর আখিরাতটা অনন্তকালের জন্য। পর্দার আইন না মানলে মেয়েদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।” You are attacking only women regarding “PurDah”! So, What about you? Do you have “FULL Coverage” on you “Nose” and overall body? “পর্দার আইন না মানলে মেয়েদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।” Is the rule only for Women? Where do you find the provision of punishment is given “only for women?” Don’t create difference in the name of religion.

    Reply
  13. মুক্তি

    অতি পর্দা, অতি বেপর্দা কোনটাই সঠিক নয়। সত্যিকারের শিক্ষা যার মধ্যে থাকে (বর্তমানে যা বিরল হয়ে পড়েছে) আপনা থেকেই তার মধ্যে একটা পর্দা তৈরি হয়ে যায়। সেটাই উত্তম। এর বাইরেও যদি পর্দার দরকার হয় সেটা বর্তমানে পুরুষের খুব দরকার। আঙ্গুর, মুল্যবান পাথর এগুলো সাবধানে না রেখে লোভ সংবরণ করাটা কি বেশি ভালো না? তাছাড়া মেয়েরা তো জিনিস নয়, মানুষ। মানব সভ্যতার এত পরেও কি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের সময় হয়নি?

    Reply
    • শুভ ভৌমিক

      আপনি আসলে হিউম্যান সাইকোলজি সম্পর্কে খুবই অজ্ঞ। তাই মনে করতেছেন “আঙ্গুর, মুল্যবান পাথর এগুলো সাবধানে না রেখে লোভ সংবরণ করাটা কি বেশি ভালো না?”
      লোভ, লালসা মানুষ এবং পশুর সাইকোলজির একটা বড় অংশ। এটাকে নিবারণ করার একমাত্র উপায় হল, যে জিনিসটার প্রতি লোভ লালসা সৃষ্টি সেটাকে একটু আড়ালে সাবধানে রাখা। কারণ লোভ, লালসা হল সাইকোলজির একটা অটোম্যাটিক ফাংশন। অর্থাৎ যে জিনিসগুলিতে লোভ, লালসার উপাদান আছে সেগুলি দেখা মাত্রই লোভ, লালসা জেগে উঠবে। এটাকে দমন করা অত্যন্ত কঠিন একটা কাজ।

      Reply
  14. Ahsan

    লেখার মত আরও অনেক বিষয়বস্তু রয়েছে। ইসলাম ধর্মে পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। অন্য ধর্মে নয়। আমাদের ধর্মে দুনিয়াটা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আর আখিরাতটা অনন্তকালের জন্য। পর্দার আইন না মানলে মেয়েদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

    Reply
  15. নাজলী

    এই লেখার বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াতেই লেখক কী লিখেছেন তার চেয়ে তিনি কোন ধর্মপরিচয়ের? পুরুষ হিসেবে তিনি কেন এই বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন এসব হাইলাইট করা হয়েছে। যদিও এই লেখায় বিশেষ কোনো ধর্মকেই উপহাস করা হয়নি, কিন্তু এই রকমও মন্তব্য করা হয়েছে.. বোরকা পরার বিপরীত হিসেবে ‘উলঙ্গ’ থাকার মন্তব্য করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, মন্তব্যকারীদের বেশিরভাগই বোরকা পরেন না, কারণ তারা যে পুরুষ… তবে তারা কী উলঙ্গ থাকেন? বোরকা পরা ও উলঙ্গ থাকার মাঝখানে আর কোনো পোশাক দেখতে পান না আপনারা!!!
    খবর কী রাখেন..যে হিজাব পরা নারীরাও নষ্টদের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শুধু ‘পরিমল’রাই ধর্ষণ করে না..সে হিসাবও নিশ্চয়ই থাকার কথা।

    Reply
    • মীর সিয়াম আহমেদ

      নাজলি,
      রঙ্গিন টাইটফিট পোশাক পরে, মুখে ইচ্ছেমত মেকাপ করে, মাথার চুলগুলোকে একটুকরো রঙ্গিন কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ার নাম হিজাব নয়—কখনোই নয়। হিজাবের উদ্দেশ্য হচ্ছে নারীর সৌন্দর্য্যকে গোপন করা।
      আর ইসলাম কি নারীদের নিরাপত্তার জন্য শুধু হিজাবের বিধানই রেখেছে? ধর্ষককে পাথর মেরে হত্যা করার শাস্তির কথা এরা বলে না কেন?

      Reply
  16. মৌসুমি ভৌমিক

    এখানে নারীর বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আর মতামত দিচ্ছে পুরুষরা!! বিষয়টা বুঝতে পারলাম না। হিজাব পরবে কি পরবে না, এই সিদ্ধান্ত নারীদেরকেই নিতে দিন…আমাদের বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করুন… এই বিষয়টা আমাদের আর আমরাই সিদ্ধান্ত নিব…

    Reply
    • মীর সিয়াম আহমেদ

      মানলাম আপনার কথা। কলামটা যে লিখছেন তিনি কি মহিলা? কই ওনাকে কিছুই তো বললেন না।

      Reply
    • মীর সিয়াম আহমেদ

      লেখক বলছেন কোরআন পর্দার কথা কম উল্লেখ আছে। নারী-পূরুষ উভয়ের পর্দার জন্য সুরা নূর এর ৩০-৩১ আয়াতি দেখুন। আপনি হিজাব, বোরখা, পর্দা অথবা শাড়ী পড়ে, বা কচুর পাতা পড়েও যদি সুরা নূরের আয়াত দুটি কভার করে, তবে আপনি তাই পরবেন। সেটাকে হিজাব বা অন্য কিছু নাম বাংলায়, আরবী, হিন্দি, আমেরিকান নাম দিতে হবে এবং সেই নাম কুরান এ থাকতে হবে কেন? কুরান এ যা আছে তা ফলো করলেই হল।

      Reply
    • M. Rana

      “এখানে নারীর বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আর মতামত দিচ্ছে পুরুষরা!! বিষয়টা বুঝতে পারলাম না। হিজাব পরবে কি পরবে না, এই সিদ্ধান্ত নারীদেরকেই নিতে দিন…আমাদের বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করুন”

      All the restriction to ladies are coming from the society what is dominated mostly by Male, It means all responsible male (not the one who commented against this article) must feel responsibility to utter against the male dominance.

      Reply
    • AZ Nahid

      পৃথিবীটা বিভিন্ন উপাদানে সৃষ্টি, মন্তব্যও বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম।
      এখানে মন্তব্য করতে বা করাতে No Discrimination.

      Reply
    • Khaled

      মৌসুমি ভৌমিক, আপনি কি পোশাক পরবেন নাকি কোন পোশাকই পরবেন না, সেটা আপনার ব্যাপার, তবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত কেউ নিয়ম বহির্ভূত পোশাক পরলে হোক সে পুরুষ কিংবা মহিলা ইসলাম পন্থীরা অবশ্যই আপত্তি জানাবে। এতে আপনি খুশী হন বা না হন তাতে ইসলাম ধর্মের কিছু যায় আসে না।

      Reply
    • Ramendra Nath Mondal.

      আপনি – স্থুল পরিচয়ের বাইরে এসে, ব্যাপক অর্থে নারীদের পক্ষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন। সেজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু সবাই কি তাদের পক্ষে আপনার এই উপস্থিতি মেনে নেবে ??

      Reply
    • SOHEL

      এটা আল্লাহর হুকুম ,এটা নারীর মতামতের উপর নির্ভর করেন না ,পর্দা করা ফরজ ,ফরজ নামাজের কাযা আচে কিন্তু পর্দার কোনো কাযা নাই।

      Reply
  17. Tst

    সমাজে শিক্ষার হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যত বেশি কোরানিক ব্যাখার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে ততই তারা বাঙালির সাংস্কৃতিক মিশ্রণ থেকে বের হয়ে আসছে। — এ কথাটার ব্যাখ্যা কোরান থেকে পেয়ে যাবেন…

    Reply
  18. আলতাফ হোসাইন

    পশ্চিমা বিশ্বের যেসব দেশে হিজাব বাধ্যতামূলক নয় বা নিষিদ্ধ, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অন্যন্য দেশের ধর্ষণ প্রবণতা দেখুন এবং যেসব দেশে হিজাব বাধ্যতামূলক, যেমন সৌদি আরবসহ অন্যান্য মুসলিম দেশের ধর্ষণ প্রবণতা দেখুন,তাহলেই পরিষ্কার হবে হিজাবের মাহাত্ম্য।

    Reply
  19. মেহেদী

    এখানে বিরোধিতা করে মন্তব্য প্রদানকারীগণ বেশিরভাগই পুরুষ, যা হিজাব যে পুরুষের মনস্কামনা তার দিকেই নির্দেশ করে।

    Reply
  20. লতিফ

    আমি ব্যক্তিগতভাবে যতজন হিজাব পরা মহিলাকে চিনি, তাদের প্রত্যেকের স্বামী হয় দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, ভেজাল ব্যবসায়ী, ওজনে কম দেয় অথবা সুদের কারবার করে। একজনের উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। ভদ্রলোক আমেরিকা থেকে ফিরে তার আমেরিকায় অর্জিত আয় হুণ্ডির মাধ্যমে দেশে নিয়ে সেই টাকা ব্যাংকে রেখে তা থেকে যে সুদ আসে সেটা দিয়ে নিজের সংসার চালায় এবং একটা মাদ্রাসা চালায়। বউ ও মেয়েকে হিজাবে আবৃত করে রেখেছে এবং সারাক্ষণ হাদিস-কোরআন ছাড়া কথা বলে না। বাংলাদেশে হিজাব এসেছে বাংলাদেশিদের ভণ্ডামীর উপর ধর্মের মুখোশ পরানোর উদ্দেশ্যে, কারণ এটা সহজ। যেদিন বাংলাদেশিরা সুদ, ঘুষ, দুর্ণীতি ত্যাগ করতে পারবে, সেদিন যদি তারা হিজাবে আকৃষ্ট হয়, সেটাই হবে প্রকৃত সাহসের দিন। এখানে দলবেঁধে লেখকের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করার আগে আয়নায় নিজের চেহারা দেখে নেওয়া ভালো।

    Reply
  21. Md.Ikram Hossain

    কাউকে ইসলামে প্রবেশ করতে জোর করা যাবে না। তবে ইসলাম গ্রহণ করলে ইসলামের আইন অব্যশই মেনে চলতে হবে। কারণ আপনি একজন বিদেশিকে আপনার দেশের নাগরিকত্ব নিতে বাধ্য করতে পারেন না। কিন্তু দেশের প্রতিটি নাগরিককে দেশের আইন, সংবিধান মেনে চলতে বাধ্য করতে পারবেন। তাই শরীয়াহ আইনে অমুসলিমদের উপর কোনো নির্যাতনের প্রশ্নই উঠে না। তবে বর্তমান অবস্থায় মুসলিমদের উপর নির্যাতনটা এধরনের পোষ্টে লক্ষণীয়। কিন্তু আল্লাহ অসহিষ্ণুতাকে পছন্দ করেন না। তাই আমাদের সংযমি হয়ে চলতে হবে। আর যতটুকু ইতিহাস জানি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাতাকে গঙ্গাস্নানে নিয়ে সরাসরি পাল্কিসহ পানিতে ডুবিয়ে তোলা হয় যাতে পর্দা রক্ষা হয়।

    Reply
  22. omor faruk

    রাইটার নিজেই একজনের ‘দাস’ হয়ে আছে, উনি আবার এসেছে আমাদেরকে মুক্তি দিতে! কি অদ্ভুত! কথায় আছে অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী!

    Reply
  23. কে এম মোশাররফ হোসাইন

    সতীদাহ প্রথার অনুসারী দাসবাবুর লেখনি পড়ে অবাক হইনি। ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মই নারীর যথাযথ অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি। দাসবাবু পর্দাপ্রথার কোনো বিবৃতি কুরআনুল কারিমে খুঁজে পাবে না। কেননা, তিনি কুরআন বুঝেন না। পর্দাপ্রথার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা কঠোর শাস্তির বিধান করেছেন। আজ সমগ্র বিশ্বে দেখতে পাই, যেসব নারী পর্দাপ্রথার পরিপূর্ণ অনুসরণ করছে তারাই অসভ্য পুরুষদের থাবা থেকে মুক্ত। অপরদিকে যারাই পর্দাপ্রথাকে অবজ্ঞা করছে, তারাই অসভ্য পুরুষদের ভোগবিলাসের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। নারীর অধিকারের কথা বলতে গিয়ে নারীকে বাজারের ভোগ্য পণ্য বানিয়েছে বর্তমান তথাকথিত প্রগতিবাদী সভ্যতা। দাসবাবু হয়তো বা নিজে যেমন নিজের স্বজনদের সেভাবেই দেখতে অভ্যস্ত। তাই সবাইকে এমন করতে চায়। নাস্তিক কিংবা ধর্মবিদ্বেষী তথাকথিত কুলাঙ্গাররাই নারীদের পর্দার বাইরে এনে ভোগ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যেসব নারীরা আজ পর্দাপ্রথার পূর্ণ অনুসরণ করে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজে জড়িত, তারাতো পর্দার বিরোধিতা করছে না। বরং তারা পর্দার অনুসরণে নিজেরাই স্বাচ্ছন্দবোধ করছে। তবে কিছু অসভ্য ও চরিত্রহীন নারী কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী পর্দাপ্রথাকে অবজ্ঞা করে নিজেকে অসভ্য পুরুষদের ভোগ্যপণ্য বানিয়েছে। এটা নিতান্তই অসভ্যদের সভ্যতা বিবর্জিত কাজের অংশ। এটা সভ্যসমাজের অংশ নয়।

    Reply
  24. হাবিবুর রহমান

    কয়েকদিন ধরে ইসলামবিরোধী মতামতে বিডিনিউজ২৪-এর অার্কাইভ ভরে গেছে। ইসলামি সংস্কৃতিকে বারবার ‘ওয়াহাবি’ সংস্কৃতি বলে অ্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে। নারীবিশারদ দাস সাহেবের নারী স্বাধীনতাপ্রীতি দেখে মুগ্ধ হলাম। অাসলে তারা চাচ্ছে নারীরা বের হয়ে অাসুক বোরকা থেকে অার পরিমলরা তাদের মনস্কামনা পূর্ণ করুক! তখনই পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বিলীন হয়ে নারীতান্ত্রিক সমাজ চালু হবে।
    দাস সাহেব, নারীদের জন্য কোন পোষাক উপযোগী, এটা তার স্রষ্টাই জানে। তিনিই এর বিধান অারোপ করেছেন। তারা স্বেচ্ছায় পড়ুক, বাধ্য হয়ে পড়ুক অার ভীতির জন্য পড়ুক, এটা তাদের অধিকার। এটা নিয়ে অাপনাকে গলদঘর্ম গবেষণা চালাতে হবে না।
    পরিশেষে বিডিনিউজ২৪ কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের ধর্মীয় কার্যকলাপের স্পষ্ট সমালোচনামিশ্রিত এবং অশ্লীল ছবিসংবলিত মতামত প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করছি।

    Reply
  25. Rifat

    ৮০-৯০ এর দশকে আমাদের দেশে কি হিজাব ছিল? পুরানো ফটো ঘেটে দেখা উচিত সবার। হিজাব একটি imported fashion.

    Reply
  26. বাবু

    দাদা ভালো বলছেন, দিয়েছেন খোড়া যুক্তি– আরও পড়লিখা করে আসেন তখন না হয় তর্ক করব আপনার সঙ্গে…

    Reply
  27. রিয়াদ

    “নারীকে রোদের মধ্যে অতিরিক্ত কাপড় পরতে হবে, তাঁর গতিবিধি শ্লথ হবে, তাঁর সৌন্দর্যের প্রকাশ কেবল সুনির্দিষ্ট পুরুষের মনোরঞ্জনের জন্য হবে, তাঁকে সবসময় নতজানু হয়ে চলতে হবে”
    কাজল ভাই, আপনি বলেছেন নারী-পুরুষের সমতার কথা। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বে পুরুষ সুটেড-বুটেড হয়ে (শুধু চেহারা বাদে বাকি সব ঢেকে পেলে) অফিস আদালত করে, চলা ফেরা করে কিন্তু নারী কেন শুধু টপস পরে অফিস আদালত করে?

    Reply
  28. Joy

    “পর্দাপ্রথার যে সামাজিক ইতিহাস রয়েছে, সেখান থেকে জানা যায়, বর্তমান সময়ে ইসলামি সমাজে নারীর মূল্যবোধের অন্যতম একটি উপাদান এই পর্দা হলেও তার উৎপত্তি ইসলাম আবির্ভাবের আগে এবং মূল আরব ভূখণ্ডে এটা বিস্তৃত ছিল। এর প্রয়োজনীয়তা মূলত ছিল ভৌগলিক। যারা এটা পরিধান করতেন তাঁরা মূলত প্রি–মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন, যেমন: প্যাগান ধর্মের অনুসারীরা। এরপর অনেক আব্রাহামিক অনুসারীও এটা পরেছেন।”

    “ইসলামে নারীর জন্য পর্দাকে বিধান করা হয়েছে। এটা ‘ফরজ’ কাজ বলে গণ্য; এর ব্যত্যয় হলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।”

    These are totally wrong information. Islam has not started from Mohammad (Peace be upon him). He is the finisher of Prophets. So Islam comes first than Pagan.
    If you say, it is against ‘Woman Right’ to told them to wear Burkah then I would say it is also against ‘Woman Right’ to told them to not to wear Burkah either.
    Please know about Islam being unbiased. It will give you peace in both life either here or hereafter…

    Reply
  29. মামুন

    আপনি বলেছেন-শালীনতা বজায় রাখা, পরপুরুষ থেকে আব্রু রাখা, সৌন্দর্যের ব্যাপার প্রাধান্য দেওয়াসহ নারীর নম্র হওয়া, উত্ত্যক্ত না করা, স্বামী ও পরিবারের বাইরে তাঁকে যেতে না দেওয়া, তাঁর বক্ষদেশ যেন তা অপ্রদর্শিত রাখা হয়, নারী যেন জোরে না হাঁটে ইত্যাদি। এ রকম অসংখ্য নেতিবাচক ধারণা দিয়েই মূলত নারীকে ঘিরে রাখার জন্য সমাজে পর্দা এখনও প্রচলিত আছে।– এসব যদি নেতিবাচক ধারণা হয় তবে ইতিবাচক কি বেলেল্লাপনা করা!

    Reply
  30. স্বরবর্ণ

    যার যেরকম ইচ্ছা সেরকম পরুক । এত মাতামাতির কি দরকার? যুবকরা সৌন্দর্য খুঁজবে ঢাকা থাকুক বা না থাকুক আর যুবতীরা সাজসজ্জা করবে এবং অন্যকে তা দেখাবে যতই জোড়জবরদস্তি হোক না কেন। এটাই প্রকৃতি প্রদত্ত নিয়ম। শুধুমাত্র সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বেলেল্লাপনা না করলেই হল।

    Reply
  31. ছাকিব

    বুঝি না হিজাব পরিধানকে পুরুষের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ কেন মনে করা হয়? আচ্ছা আপনি কি রাতে ঘুমানোর সময় ঘরের দরজা খুলে ঘুমান? আপনি কি ঘরের দরজা বন্ধ করে এটাই কী প্রমাণ করেন যে, সমাজের প্রতিটি মানুষ চোর? মোটেই না বরং চোরদের থেকে সম্পদ হেফাযত করার জন্যই আপনি ঘর বন্ধ করেন। ঠিক তেমনই হিজাব লম্পটদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা।

    Reply
  32. বিকাশ

    আমরা বাঙ্গালি, আমাদের সংস্কৃতি ও পোশাক পৃথিবীর অন্যান্য জাতিসত্ত্বা থেকে ভিন্ন। পুরুষশাসিত সমাজে, কোন পুরুষকে দেখেই বুঝা যাবে না কে কোন ধর্মের। কিন্তু ইদানিং রাস্তায় বের হলে মেয়েদের পোশাকেই বলে দিচ্ছে তার ধর্মীয় পরিচয়। শালীনতা তো অবশ্যই মেনে চলা ভাল। শুধু নারীরা কেন? পুরুষরা কি নিজেদের চোখ ও চরিত্রের মাঝে শালীনতার পর্দা লাগাতে পারে না? তাহলেই তো সমাজে এত অসংগতি থাকতো না। হাজার বছরের বাঙ্গালি সংস্কৃতি পূর্ব-পশ্চিমের আগ্রাসনে ধংসের দ্বারপান্তে।

    Reply
  33. মেহেদি হাসান নাইম

    দাস সাহেব, আপনি বলছেন ইসলাম বোরকা বা পর্দা দিয়ে মহিলাদের ছোট করেছে। আসলে বিষয়টা ঠিক উল্টো। ইসলামের ইতিহাস পড়ে দেখুন ইসলামে মহিলাদের কত দাম দেয়া হয়েছে।

    Reply
  34. পেড্রো সরকার

    তপ্ত দুপুর বেলায় কালো হিজাব অথবা বোরখা পরিহিতা নারীদের দেখলে আমার অনেক মায়া হয়, শ্রদ্ধাও জাগে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে, সমাজ সংসার শান্তি প্রতিষ্ঠা করে তথা শরীয়া মোতাবেক আকিদা পালনের ঐকান্তিক চেষ্টা তাদের মৃত্যুর পর জান্নাহ বাসী করবেন, একই জান্নাহাতে পাশের কক্ষে উনার স্বামী, যিনি প্রকৃত মুসলমানীত্বের কারণে মৃত্যু পরবর্তীকালে জান্নাহবাসী হয়েছেন, তিনি হয়ত পবিত্র জান্নাহের পুরষ্কারস্বরুপ প্রাপ্ত ৭০ জন হুরের ড্যান্স দেখবন… আর তার কপালে আবারো হিজাব অথবা বোরখা জান্নাহাতের গলিপথ ধরে হাঁটবেন…

    Reply
    • মীর সিয়াম আহমেদ

      কোরআন পড়েছেন ঠিকভাবে? জান্নাতের মহিলা তার স্বামীকে পাবে, যদি স্বামীও জান্নাতবাসি হয়। ভাল করে খুঁজে দেখেন।

      Reply
  35. vj suvo

    লেখক কাজল দাসকে বলছি– ইসলামে পর্দা করতে বলা হয়েছে, কিন্তু পর্দা করে জনসমক্ষে গোসল/পানিতে খেলা করতে বলা হয়নি।

    Reply
  36. এস,এম, এ, রাজ্জাক

    “বিভিন্ন মুসলিম দেশে নারীদের পর্দার জন্য যে পোশাক পরানো হয়, অনেক ক্ষেত্রে তা নারীর স্বাভাবিক চলাফেরার জন্য উপযোগী নয়”- কথাটা আপনাকে বললো কে দাদা? ’দাস’ পরিবারের কেউ কি বোরকা পরে? না জেনে মনগড়া কথা বলেন কি করে? দয়া করে ইউটিউবে ঢুকুন…. Gisele Marie নামের ৪২ বছর বয়সী এক ব্রাজিলিয়ান মুসলিম নারী বোরকা পরে কিভাবে ধর্মীয় আচারাদি পালন করেন, আবার হাজারো দর্শকের সামনে Heavy Metal Band-এর সদস্য হিসেবে গিটারে সুরের মুর্চ্ছনা তুলছেন, দেখে নিন!

    Reply
  37. আবু জাফর

    আচ্ছা, যখন কোন মানুষ কাপড় ছাড়া রাস্তায় বের হয় তখন আমরা তাকে পাগল বলি কেন? এটাও তো তার ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে

    Reply
  38. সিম্পল গার্ল

    আসলে বিভিন্ন সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দেশে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই তাদের অন্যতম প্রধান কাজ ছিল নারীদের পর্দা বা হিজাব নিষিদ্ধ করা!
    কিন্তু আসলে কি বোরকা বা হিজাব নারীর জন্য বাধা? বাংলাদেশে কি বোরকার কারণে নারীর উন্নয়ন হচ্ছে না? নারী শিক্ষিত হতে পারছে না? এ ধরনের উদাহরণ কি কেউ দিতে পারবে? বোরকা পরে এমন ছাত্রীরা কি পড়ালেখা শেষ করতে পারেনি? বোরকা পরে এমন কোন উচ্চশিক্ষিতা মহিলা দেশে নেই? বুয়েট-ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক উচ্চশিক্ষিত শিক্ষিকা আছেন যারা পরিপূর্ণ হিজাব পরে থাকেন। পর্দা নারীকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ বা কোন ধরনের উন্নতি করতে বাধা দেয়নি। হ্যাঁ, পর্দা বাধা দিয়েছে সেই নারীর উপর নষ্ট পুরুষের কুদৃষ্টিকে।

    Reply
  39. A.Q.M.Rakibul Hasan

    মুসলিম নারীর হিজাব ফরজ করেছে ইসলাম বা স্বয়ং আল্লাহ। এখানে পুরুষের ডমিনেশানের কথা আসছে কেন? আর ইসলাম তো পর্দা শুধু নারীর জন্য করেনি, শুধু পোষাকী পর্দার কথাও বলা হয়নি। ইসলামে পর্দা একটি সামগ্রিক বিষয়। এটিতে নারী-পুরুষ উভয়ের পোষাক, পরিচ্ছেদ, চোখের, মুখের, অন্তরের সকল বিষয়ে পর্দার কথা বলা হয়েছে। পোষাকী পর্দার ধরন কেমন হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। তাই এখানে পুরুষদের বলতে হবে কেন? ইসলাম তো সবই বলে দিয়েছে।
    ইসলাম নারীকে মর্যাদার চূড়ান্ত আসনে সমাসীন করেছে। সর্বোপরি এমন কথা বলেছে যে, মায়েদের পদতলে সন্তানের জান্নাত।

    Reply
  40. Laden Al-ratul

    ইসলাম তো অন্যের উপর জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছে না। যে যার ধর্ম পালন করুক। তাতে ইসলাম ধর্মের উপর পশ্চিমাদের এত দাদাগিরি করতে হবে কেন?

    Reply
  41. Neamul

    এসব পোশাকের কোনটাই ইসলামে গ্রহণযোগ্যতা নেই।
    ইসলাম মক্কা থেকে উদয় হয়েছে। ফ্রান্স আর ইউরোপ থেকে নয়।
    মুসলমানদের ইসলামের দিকদর্শন ফ্রান্সিস আর ব্রিটেনের হাতে নয়।
    বিশ্ব এখন নবীহীন। মুসলমানদের হাতে কোরআন ও হাদীস রয়েছে।
    মুসলমানরা এই দুইয়ের বিধানের অনুসারী।
    পৃথিবীময় আজ আধুনিক ইজমের অনুসারী। মুসলমানরা নয়।
    যারা আধুনিক ইজমের সাথে একাত্মতা হয়ে ব্যভিচারে লিপ্ত তারা মুসলমানদের অংশ নয়।
    যাদের কালসারে মিশে আছে তারা তাদেরই অংশ।
    মুসলমান ও ইসলাম থেকে বিচ্যুত।
    মুসলমান মক্কা মদিনার ইসলাম নিয়ে রয়েছে।
    মুসলমানদের কোরআন অবিকৃত রয়েছে এবং
    সহীহ হাদীস ও তাদের কাছে রয়েছে।
    মুসলমানদের কারোর কাছে ইজম ধার করতে হয় না। কারো কাছ থেকে ছবকও গ্রহণ করতে
    হয় না।
    কারোর তাফালিঙে কর্ণপাত ও করে না।
    যার ইচ্ছা সে মুসলমান থাকুক আর যার ইচ্ছা সে বেরিয়ে যাক তাতে ইসলাম ও
    মুসলমানদের কিছু যায় আসে না।
    Like · Reply · Report · 1 hour ago

    Reply
  42. Neamul

    যখন মাবোনেরা পর্দাবিহীন চলবে আর নষ্টরা তা দেখে ‘খুশি’ হবে তখন আপনার কেমন লাগবে?

    Reply
  43. তারিক আজিজ

    মন্তব্যগুলো দেখলেই বুঝা যায়, িবেশিরভাগই ব্লগটি না বুঝেই মন্তব্য জুড়ে দিয়েছে
    এবং না বুঝেই যেকোন কিছু নিয়ে মন্তব্য করার কারণেই মুসলিমদের এই পিছিয়ে থাকা!

    Reply
    • ayesha

      এই যে পর্দাকাহিনী– এখানে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, এর প্রয়োজনীয়তার কোনো একটি দিকও নারীর জন্য নয়; সেটা পুরোপুরি পুরুষের জন্য, নারীকে তাঁর অধীনে রাখার জন্য, নারীর অবস্থানকে অবদমিত রাখার জন্য।
      নারীকে বিভিন্ন সমাজ ও ধর্ম বিভিন্নভাবে অবদমিত করেছে। কেউ তাঁর হাতে চুড়ি পরিয়েছে, কেউ পায়ে বেড়ি পরিয়েছে। আর ইসলামি সমাজ তাঁকে পরিয়েছে পর্দা। এটা সম্পূর্ণ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা বা নারীর উপর পুরুষের জেলাসির ফল। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে পুরুষের কর্তৃত্ব-ক্ষমতা-সম্পদ ধরে রাখার জন্য নারীকে গৃহবন্দী করার ঐতিহাসিক লিগ্যাসি; যার মধ্যে দিয়ে উৎপত্তি হয়েছে পুরুষতন্ত্রের, পিতৃতন্ত্রের।

      এগুলে বুঝেলে তো শরীর কতটা ঢাকা বা খোলা রাখব তা নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। যাই হোক লেখাটা পড়ে বুঝলাম, হিজাব যে রাজনৈতিকভাবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

      Reply
  44. সালাহ উদ্দিন টিটো

    কোন একজন (গোত্রপ্রধান বা ধর্মপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধান) যদি কাউকে তার শরীর যথাযথভাবে আবৃত করার কথা বলেন (পুরুষ এবং নারী উভয়কেই) আর বিপরীতভাবে যদি কেউ (গোত্রপ্রধান বা ধর্মপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধান) অপর কাউকে তার শরীর অনাবৃত অবস্থায় চলতে বলেন তাহলে ক্ষতিটা কি? কোন ক্ষতি নেই। শুধুমাত্র একটি কথা মনে রাখতে হবে, আর সেটা হলো আপনার মতামত কাউকে জোর করে চাপিয়ে দিতে পারবেন না। মানুষ তার জন্য যেটা ভাল মনে করবে সেটাই গ্রহন করবে। অর্থাৎ আল্টিমেট প্রাইভেসিটা সম্পুর্নই একক মানবসত্ত্বার। তো আপনার মতামতটি প্রচার করে দিয়ে চুপ করে থাকুন না। দেখুন মানুষ কোনটা গ্রহন করে। যখনই মানুষের ওপর জোর করবেন তখনই অস্বাভাবিক কিছু ঘটবে। কারন একবিংশ শতাব্দিটাই শেষ শতাব্দি না। আরও অযুত, নিযুত শতাব্দ-শহস্রাব্দ অপেক্ষা করছে। আপনার হাড়-মাংশের কণামাত্রও সেদিন থাকবে না। ভবিষ্যতের অসীম ক্ষমতাধর মস্তিস্কের অধীকারী সে মানুষগুলোকে এ সমস্ত ফালতু মতবাদ দিয়ে ভোলাতে পারবেন?

    Reply
  45. অথৈই কুলকিনারা

    লেজ কাটা শিয়ালের গল্প! নিজেদের লেজ কাটাতো তাই অন্যের লেজ কাটতে উঠেপরে লাগছে..

    Reply
  46. hazrat ali

    There are around 8 billion people in the world. Everybody is identical in shape, appearance, character, thinking, tune, finger tips and so on. This the miracle of Allah in creation. So, you must have opinion of your own,but you mustn’t have right to hurt the feelings of a person in the name of free thinking let alone the feelings of a religious group. Simple girl’s opinion is the befitting reply to some extent.

    Reply
  47. এম. শহিদুল ইসলাম

    এখানে ফটোতে দেখলাম একজন বিকিনি পরে সাগরে নিজের বাচ্চাসহ গোসল করছেন, পাশেএকজন বোরকা পরে আছেন, কাকে ভাল লাগছে?

    Reply
  48. সকাল স্বপ্ন

    হিজাব বা বুরকিনি এ জাতীয় যা রয়েছে তার সাফাই আমি গাইব না—
    আপনি যদি মনে করেন সব স্থানে শাসন বোর্ড ঝুলিয়ে মানুষের মনকে শাসন করবেন
    তবে সেটা বোকামি!

    Reply
  49. মেহবুব

    হিজাবের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসী কুফফাররা চায় মহিলারা তাদের ধর্মকে পরিত্যাগ করুক। প্রথম কাজ হচ্ছে মহিলারা তাদের নিকা পরিত্যাগ করুক এবং যখন মহিলারা নিকাব পরিধান ছেড়ে দিবে তখন তারা ধর্মে অন্যান্য অংশ পরিধান করাও ছেড়ে দিবে। অতএব মুসলিম বোনদের এটি ভালোভাবে রক্ষা করতে হবে। আমার মুসলিম বোনেরা আপনারা জানেন যে নাস্তিকরা আপনাদের পণ্যদ্রব্যের মত বাণিজ্য করা এবং ইসলামের খুঁটিকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কিছুই করতে চায় না। মুসলিম মহিলাদের খুঁটিগুলোর মধ্যে প্রথম হচ্ছে হিজাব। এটা হচ্ছে আপনাদের পবিত্রতা এবং বিশুদ্ধতা ও পর্দা। নাস্তিকরা চায় না আপনারা হিজাব পরিধান করা অব্যাহত রাখেন। কারণ, আপনারা হিজাব পরা অব্যাহত রাখলে তাদের পবিত্র এবং সামাজিক অভ্যাসের নীচতা ও হীনতা ফুটে উঠবে।

    Reply
  50. Captain Nemo

    অসাধারন লেখা। একটানে পড়ে ফেললাম। অনেক constructive কিন্তু আমার সন্দেহ আমাদের দেশের সো-কলড শিক্ষিত তরুন সমাজ নিতে পারবে কিনা এই লেখা। এমনও হতে পারে, লেখকের অনেক শত্রু তৈরি হয়ে যাবে!

    Reply
    • rashed

      who is right or wrong? we have to wait until the Day of Judgement which is declared by ALMIGHTY ALLAH. but, introducing rule to prohibit HIZAB, its against human rights. because no muslim sister is pressured to wear HIZAB. our parents and teachers teach us or informed us about the speech of our LAST AND GREATEST PROPHET MUHAMMAD (PEACE BE UPON HIM). also they encourage to obey all the rule of ALLAH and follow the LAST AND GREATEST PROPHET MUHAMMAD (PEACE BE UPON HIM).

      Reply
  51. শামীম

    “লেখক মি. দাস, আপনি বলেছেন যে হিন্দু বিধানে সরাসরি কোনো পর্দার উল্লেখ নাই। তাহলে দেখুন “ঋগবেদ: ৮ অধ্যায় ৩৩ অনুচ্ছেদ ১৯ পরিচ্ছেদে” কী বলা হয়েছে।

    Reply
  52. Rashedul islam

    স্বামীঃ তুমি বোরকা ছাড়া আগামী শুক্রবার তোমার চাচাতো বোনের বিবাহের অনুষ্ঠানে যেতে
    চাচ্ছো?
    .
    স্ত্রীঃ হ্যাঁ, কেন নয়? বিশেষ একটা দিন!
    .
    স্বামীঃ তুমি বোরকা ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারো না।
    .
    স্ত্রীঃ দেখো!! আমি বাহিরে বোরকা পরিধান করে বের হয়ে থাকি– এ জন্য সবর্দা বোরকা পড়ে বের হতে হবে? আর তুমিতো আমার সাথেই যাচ্ছো?? তুমি কি আমাকে সন্দেহ করো??
    .
    স্বামীঃ সন্দেহ করবো কেন?? আচ্ছা আমি বাজারে যাচ্ছি।
    .
    স্ত্রীঃ কেন?
    .
    স্বামীঃ একটা জিনিস আনতে। (স্বামী বাজারে গিয়ে একটা বল কিনে আনলেন যে বলটা দেখলে মনে হবেই এটা স্বর্ণের তৈরি বল। অতঃপর স্বামী বলটি নিয়ে বাসায় গেলেন।)
    .
    স্ত্রীঃ এটা কি স্বর্ণের?
    .
    স্বামীঃ হ্যাঁ এটা অনেক মূল্যবান। এটা ড্রইং রুমে ঝুলিয়ে রাখতে পারো।
    .
    স্ত্রীঃ তুমি কি বোকা? কেউ যদি এটা দেখে ফেলে এবং চুরি করে?
    .
    স্বামীঃ দুটো দিন ঝুলিয়ে রাখ, এরপরে না হয় আলমারিতে রেখে দিও।
    .
    স্ত্রীঃ তোমার মাথায় কি গোবর? যখন কেউ যেনে যাবে আমাদের কাছে স্বর্ণের বল আছে তখন সে নিশ্চয় অন্যকে বলে দিবে, এরপর তারা সকলে মিলে ডাকাতি করতে আসতে পারে।
    .
    স্বামীঃ (মুচকি হেসে বলল) তুমি তোভীষণ চালাক,, তুমি স্বর্ণের বল আলমারিতে সুরক্ষিত করতে চাও অথচ বোরকার ভিতর নিজেকে সুরক্ষিত করতে চাও না। তুমি কি জানো তুমি
    আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী? সুতরাং তোমাকেও আমি সুরক্ষিত করে রাখতে চাই। একটা দিন যদি তুমি বোরাকা ছাড়া বের হও প্রথম দিন তোমার উপর দুষ্টু লোকদের বদ
    নজরে পড়বে, তারা তোমার সৌন্দর্যময় দেহের প্রতি লোভী হয়ে উঠবে, তারপর একদিন সুযোগ বুঝে তোমার শ্রেষ্ট সম্পদের উপর আক্রমণ করে বসবে। তখন কি হবে বুঝতে পারছো?
    .
    স্ত্রীঃ সত্যিই কি আমি তোমার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ??
    .
    স্বামীঃ অবশ্যই.. কেন নয়? হাদীসে আছে উত্তম স্ত্রী পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
    .
    স্ত্রীঃ আজ থেকে আল্লাহর পর্দার বিধান সঠিক রূপে পালন করবই। ইনশাআল্লাহ। আমি বুঝতে পারছি।
    .
    স্বামীঃ আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন।

    Reply
    • Shafiqul Islam

      “একটা দিন যদি তুমি বোরাকা ছাড়া বের হও প্রথম দিন তোমার উপর দুষ্টু লোকদের বদ
      নজরে পড়বে, তারা তোমার সৌন্দর্যময় দেহের প্রতি লোভী হয়ে উঠবে, তার একদিন সুযোগ বুঝে তোমার শ্রেষ্ট সম্পদের উপর আক্রমণ করে বসবে। তখন কি হবে বুঝতে পারছো?”

      পুরুষ মানুষকে আপনি এই দৃষ্টিতে দেখেন?

      Reply
  53. H.M. Arzue

    ইসলাম নারীকে মর্যাদার চূড়ান্ত আসনে সমাসীন করেছে। সর্বোপরি এমন কথা বলেছে যে, মায়েদের পদতলে সন্তানের জান্নাত।

    Reply
  54. ইমদাদ

    কাজল দাস, আপনি পর্দা নিয়ে যা লিখেছেন তা অসার, যুক্তিহীন। (বলে রাখা ভাল, বর্তমান যুগে পর্দা ব্যবহারের নামে অনেক স্বেচ্ছাচারিতা চলছে, যার সাথে ইসলামের পর্দার বিধানের কোন সম্পর্ক নেই, সেটা যারা করছেন, তা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার) ইসলামী বিধানের যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, সে বিষয়ে আপনার মনগড়া মতামত আপনি প্রদান করতে পারেন না। বিষয়টা ইসলামে নারীর স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখার জন্য বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এটি কারো খেয়ালে রচিত নয়।
    আর একটা কথা– লেখকের এই কথা নিয়ে কোন মুসলমান ভাই, তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না।

    Reply
  55. Hassan

    Mr. Das, before you write something for public, you should do some ‘proper’ research work, not a random one because your writing/article will or might influence the readers and the society. So, what I can suggest take a break and do some vigorous study and then produce a healthy piece of work for people. No offence, this is just a suggestion!!!!

    Reply
  56. skhan77438@gmail.com

    আমি অবাক না হয়ে পারি না! যাদের ধর্ম সম্পর্কে এতটুকু জ্ঞ্যান নেই তারাই আজ সেই জ্ঞান দিচ্ছে। আচ্ছা বলুন তো ইসলামে হযরত ফাতেমা, হাযেরা, আমেনা, মরিয়ম (রা.)-দের স্থান কোথায়? পারবেন না। নারীদের কোথায় হেয় করা হয়েছে? ইসলাম আসার পুর্বের কথা ভাবুন! ভুলে যান কেন যারা আল্লাহকে ভয় করে তারা কারও কাছে মাথা নত করে না। একবার মাত্র ভাবুন আপনার বোন মাথায় কাপড় দিয়ে আপনার সামনে আর বউ বিকিনি পরা! কাকে দেখে আপনার ফিতনা সৃস্টি হতে পারে! আশা করি বুঝতে পারবেন! খোড়া যুক্তি দেবেন না! আর শুধু নারী কেন ইসলাম পুরুষকেও পর্দার করতে বলছে। না করলে তারও গুনাহ হবে।

    Reply
  57. otimanob

    এই লেখা প্রকাশ করে প্রকাশক মোটেই ঠিক করেননি। মুসলিমদের একটা ফরয বিধানকে কটাক্ষ করা হয়েছে এ লেখায়। যারা কোনো ধর্মকে আঘাত দিয়ে লেখে তারা মূলত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায়…

    Reply
  58. সাকিব

    পর্দা কখনও কোনো নারীর সার্বিক উন্নয়নে বাধা প্রদান করে না। বাধা দেয় শুধুমাত্র নাস্তিকদের লালসার নগ্ন দৃষ্টি থেকে।

    Reply
  59. মোয়াজ্জেম হোসাইন সিদ্দীকী

    ইসলাম নারীকে মর্যাদার চূড়ান্ত আসনে সমাসীন করেছে। সর্বোপরি এমন কথা বলেছে যে, মায়েদের পদতলে সন্তানের জান্নাত।

    Reply
  60. সক্রেটিস

    কাজল দাস আপনি উলুবনে মুক্তা ছড়াচ্ছেন। প্লেটোর গুহাবাসীরা আপনাকে বুঝবে না!!!!

    Reply
  61. Kintuki Tarkabagish

    সেই বাঁশের কেল্লার কুশীলবরাই আবার সমালোচনায় মুখর । এরা বরাবরের মত যুক্তি বহির্ভুত আক্রমনাত্মক । লেখকের বলা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের উৎকৃষ্ট উদাহরণ এরা । এই পুরুষরাই তো এই সব ধর্মীয় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মেয়েদের উপর ।

    Reply
    • otimanob

      আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি– পর্দা প্রথা ইসলামের একটি ফরজ বিধান এবং ইসলাম ধর্মমতে পর্দা না করা পাপ।

      Reply
    • rashed

      In ISLAM nothing is declare by general people or teachers or parents. everything declared by our CREATOR ALLAH and published by various PROPHETs from the beginning of human race. if any one wants to know about ISLAM, please read the last and final speech “AL-QURAN” of our CREATOR ALLAH and to know the way of how to do all the jobs as a muslim, read SOHIH HADITH, speech of LAST AND GREATEST PROPHET MUHAMMAD (PEACE BE UPON HIM). please, please, please, than comments about MUSLIM and ISLAM.

      Reply
  62. MD ASHIF

    নারীকে কাপড় খুলে বিকিনি পড়তে বলার ভিতরই বাস্তবে রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক ডমিনেশানের মানসিকতা বা লালসা। তাই নারীর হিজাব-সংস্কৃতি বাস্তবে উপযোগী নয় নষ্ট লালসার পুরুষদের জন্য, কোনো মুসলিম নারীর জন্য নয়।

    Reply
  63. yeasir arafat

    It is called naked culture! এরকম হতে থাকলে এক সময় আসবে যখন প্রতিদিন অপ্রীতিকার খবর পত্রিকায় আসবে

    Reply
  64. মাসুম

    কাপড় আবিষ্কার করা হয়েছে লজ্জা নিবারনের জন্যে উলঙ্গ থাকার জন্যে নয়। কিন্তু মানুষ দিন দিন উলঙ্গ হয়ে যাচ্ছে!

    Reply
  65. সাইফুল আলম

    উন্মুক্ত বক্ষের নারী- এটা তার নারী স্বাধীনতার প্রকাশ” এটা কিসের স্বাধীনতা?
    পরদা সম্পর্কে কোরআনে কিছু নেই- এ কথাটি সঠিক নয়। ইসলামে হাদীসের মর্যাদা কি তা জানা দরকার।
    ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ সকল ধর্মেই শালিন পোশাকের কথাই বলা হয়েছে। আমার বাসার কাছেই গির্জা, সেখানে মেয়েদের পোশাক আমি দেখি। সে পোশাকের সাথে সাথে হিজাবের কোন অমিল আমি পাই না।
    ইসলামে হিজাবের কথা বলা হয়েছে কোন বিশেষ ধরনের পোশাকের কথা বলা হয়নি। তাই দেশে দেশে মুসলীম মেয়েদের পোশাক আলাদা। পরদা শুধু নারী জন্য নয় পুরূষদের জন্য ফরজ।
    গরমের কথা যদি বলেন, তবে পুলিশ, মিলিটারী, ডাক্তার এদের সম্পর্কে কি বলবেন? ঢাকায় মহিলা সার্জনরা কি পোশাকে রোদের মধ্যে রাস্তায় ডিউটি করছে, সে সম্পর্কে কি বলবেন?
    আলোচনা করতে পারেন, তবে অন্যদের অধিকার ভুলে গেলে চলবে না…

    Reply
  66. আব্দুল্লাহ আল মামুন

    হ্যাঁ। ইসলামের আগেও হিজাব থাকতে পারে, কারণ ইসলামের আগেও আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বিদ্যমান ছিল।
    নাস্তিকতাই নারীর অধীকার কি? তসলিমা নাসরিন হওয়া নারীর অধীকার?
    একজন মুসলিমের চোখে অপরিচিত মহিলা বেশি সসম্মান পায়? নাকি একজন নাস্তিকের চোখে তার আপন বোন বেশি সম্মান পায়?
    পোশাকহীনতাই সৌন্দর্য বেশি? নাকি পোশাকে সৌন্দর্য বেশি? প্রশ্ন গুলোর গঠনমূলক জবাব আশা করছি।

    Reply
  67. Rashed Mamun

    লেখক কাজল দাসকে বলছি–

    ইসলামে পর্দা করতে বলা হয়েছে, কিন্তু পর্দা করে জনসমক্ষে গোসল/পানিতে খেলা করতে বলা হয়নি।

    Reply
  68. Niaz Ahmad

    “এই যে পর্দা বা হিজাবি সংস্কৃতি– এটা সমাজের জন্য যে ফলাফল নিয়ে আসে সেটা আসলে ইতিবাচক নয়। এটা ইউরপে বা আরবে বা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বা যে কোনো সমাজের জন্য নেতিবাচক যে ফল বয়ে আনবে তা হল, সমাজে রক্ষণশীলতা উৎপাদন করা ও তা ধরে রাখা। সমাজকে উদারনৈতিকতা থেকে পিছিয়ে দিতে এটা ভূমিকা রাখবে। আজকের মধ্যপ্রাচ্যে তাই-ই হচ্ছে। এ ধরনের অনুদার সমাজে নারীরা যদি পিছিয়ে থাকেন তাহলে একটি সার্বিক মৌলিক ও মানবিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। এসব ক্ষেত্রে নারী–পুরুষের অসমতা বিকশিত হতে পারে। বিশেষ করে, রাজনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নারীর মতামত প্রাধান্য না পাওয়ায় একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র অনুপস্থিত থাকে।

    সমতার বিষয়টি সার্বিকভাবে উপেক্ষিত থাকে। নারীর সৃজনশীলতা ও মননশীলতার মতো বিষয় তো পিছিয়ে থাকেই। সে দিক থেকেই এই পর্দা বা হিজাবকে বিবেচনা করে দেখা দরকার।”

    একটি পোশাক… একটি পোশাক নারীর এত বড় ক্ষতি করছে… যুক্তিটা কেমন মেকি লাগছে না?

    Reply
  69. সিম্পল গার্ল

    মুসলিম নারীর হিজাব-বোরকা নিয়ে দাস বাবুদের এত আহাজারি! ঘটনাটা কী?! এরপর একজন পুরুষের এত মাথাব্যথা কেন নারীর হিজাব নিয়ে?!

    ইসলাম সকল মানুষ বিশেষ করে মুসলিমদের জীবানাচার পোষাক-পরিচ্ছেদ সমাজ-রাষ্ট্র সবকিছু কীভাবে পরিচালিত হবে তার নিয়ম বলে দিয়েছে। এখন দাসবাবুদের কথামতো একজন মানুষ নিজেকে মুসলিম দাবি করবে আর ইসলামের নিয়ম মানবে না– এটাই কি বলতে চাচ্ছেন?! ইসলাম ও মুসলিমরা কি দাস বাবুদের মত দিয়ে চলবে, না কুরআন-হাদিসের মত দিয়ে চলবে?!

    কী বলতে চাচ্ছেন আপনারা? মুসলিম নারী ইসলামের আলোকে তার পোষাক পরিধান করবে এটাই তো স্বাভাবিক। এতে দাস বাবুদের মাথাব্যথা কেন শুরু হচ্ছে?

    মুসলিম নারীর হিজাব ফরজ করেছে ইসলাম বা স্বয়ং আল্লাহ। এখানে পুরুষের ডমিনেশানের কথা আসছে কেন? আর ইসলাম তো পর্দা শুধু নারীর জন্য করেনি, শুধু পোষাকী পর্দার কথাও বলা হয়নি। ইসলামে পর্দা একটি সামগ্রিক বিষয়। এটিতে নারী-পুরুষ উভয়ের পোষাক, পরিচ্ছেদ, চোখের, মুখের, অন্তরের সকল বিষয়ে পর্দার কথা বলা হয়েছে। পোষাকী পর্দার ধরন কেমন হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। তাই এখানে পুরুষদের বলতে হবে কেন? ইসলাম তো সবই বলে দিয়েছে।

    দাস বাবু তার লিখার এক জায়গায় বলেছেনও মুসলিমরা কুরআন-হাদিস স্টাডি করছে এবং তার উপর নিজেরা আমল করছে। শিক্ষিত মুসলিম নারীরা নিজেরা জেনেবুঝে হিজাব পরছে। কোনো নারী কি দাস বাবুদের এসে বলেছে যে, তাদের পুরুষরা জোর করে হিজাব পরিয়েছে?

    নারীকে কাপড় খুলে বিকিনি পড়তে বলার ভিতরই বাস্তবে রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক ডমিনেশানের মানসিকতা বা লালসা। তাই নারীর হিজাব-সংস্কৃতি বাস্তবে উপযোগী নয় নষ্ট লালসার পুরুষদের জন্য, কোনো মুসলিম নারীল জন্য নয়।

    হিজাবের জন্য নারীরা পিছিয়ে গিয়েছে এটি দাস বাবুদের কে বলেছে? দাস বাবুর নিজের ধর্মের নারীদের সঙ্গে তো হিজাবের কোন “বাধা” নেই। এখন দাস বাবু কি একটি বাস্তব রিপোর্ট দিতে পারবেন যে তার নিজের ধর্মের সকল নারী তথাকথিত উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে? পাহাড়ি নারীরা? বিভিন্ন আদিবাসী নারীরা? ওরা তো কেউই বোরকা-হিজাব কিছুই পরে না। এখন কি সেই নারীরাই সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে?

    বরং দেখা যাচ্ছে ওসব নারীরাই শিক্ষা-দীক্ষা সহ সবদিক দিয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের থেকে। কোন হিজাব তাদের পিছিয়ে দিয়েছে? বাস্তবে নারীর উন্নয়নসহ সকলের উন্নয়ন কোনো পোষাক পিছিয়ে দেয় না। উন্নয়নের সঙ্গে সমাজ-রাষ্ট্র-ব্যক্তি সবকিছুর সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকতে হয়। পোষাক কোনো কালে কোনো নারীকে উন্নয়নে বাধা দেয়নি।

    হ্যাঁ, হিজাব বাধা দিয়েছে নষ্টদের নষ্টামিকে। তথাকথিত প্রগতিশীলদের লালসা পুরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামের হিজাব। এখন কেউ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নারীকে টিস্যু পেপার বানানোর উদ্দেশ্য নিয়ে হিজাবের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে তাতে অবশ্য মুখোশের ভিতর নিজেদের চরিত্রের ভিন্ন দিকটি ফুটে উঠবে। কোনো মুসলিম নারী ওদের প্রচারণায় প্রভাবিত হয় না।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—