Feature Img

shamaruhmirza1অস্ট্রেলিয়ানদের প্রিয় বিনোদন হোল স্পোর্টস, বাঙালিদের কী বলুন তো? আড্ডা।
বহুদিন পরে দেশে বেড়াতে গিয়ে দিনে রাতে জমজমাট আড্ডা দিচ্ছি। হরেকরকম বিষয়ে বাগযুদ্ধ। বয়স, স্থান ও জেন্ডার ভেদে আড্ডার বিষয়ও বদলে যায় মাঝে মাঝে। “নারী অধিকার” বিষয়টি ভীষণ জনপ্রিয় এসব আড্ডায় । নারী অধিকারে আমার বন্ধুদের আগ্রহ আমাকে চমৎকৃত করেছে, করেছে আশান্বিত। তবে আমার শিক্ষিত, সুবিধাপ্রাপ্তা বন্ধুরা/আত্মীয়ারা নারী অধিকারের/স্বাধীনতার যে আকাঙ্ক্ষাটা করেন, তা আমাকে বিস্মিত করেছে কিছু সুনির্দিষ্ট কারণেই। পাঠকদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি নারী অধিকার বিষয়ক কিছু আড্ডা, বিস্ময় জাগানিয়া সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণ এবং আমার নিজস্ব ভাবনাগুলো !

এক:
ডিনার পরবর্তী এক আড্ডায় হঠাৎ এক আত্মীয়া চোখ-মুখ ভয়ঙ্কর করে বলে বসলেন “খেয়াল করেছ তুমি? ইদানীং যে ঢাকায় হিজাবি মেয়ে বেড়ে গেছে”!? প্রবীণ প্রগতিশীল এই মহিলার ত্বক খুব চকচকে, দামি শাড়ী পড়নে, থাকেন গুলশানে, নিজেদের ফ্ল্যাটে। বিয়ে, শপিং, রূপচর্চা, বন্ধু-দর্শন ছাড়া বাসা থেকে বেরন না বললেই চলে। দারুণ রান্না করেন এবং হিন্দি সিরিয়ালে সামান্য আসক্তি আছে। একটু থতমত হলাম প্রশ্নটা শুনে, বুঝে উঠতে পারছিলাম না, তিনি কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্রসন্তানের সেই বিখ্যাত লেখাটির কোনো রেফারেন্স দিচ্ছেন? নাকি আমিনী এফেক্ট? “অর্থ কী?” প্রশ্ন করাতে জবাব পেলাম “মানে বাংলাদেশে পর্দানশীন মেয়ে অনেক বেড়ে গেছে, কী যে হবে দেশটার, নারী স্বাধীনতা সব গোল্লায় গেলো!” দীর্ঘশ্বাস ফেললেন আত্মীয়া।

ঢাকার রাস্তায় হিজাবি মেয়ে দেখা যায়, সত্য। তবে ডানাকাটা ব্লাউজ আর শিফনের ফিনফিনে শাড়ী পরিহিতা মেয়েদেরও দেখা যায়। সুন্দরী ও সুগঠিত নারী-পুরুষ অন্তরঙ্গ পরিবেশে, প্রায়ই দেখা যায় ক্যাফে অথবা লাউঞ্জগুলোতে। এ প্রসঙ্গে আমার এক বন্ধু, যিনি গুলশানের একটি লাউঞ্জের সত্ত্বাধিকারী – তার একটি উক্তি মনে পরছে ,“বাচ্চালোগ প্রেম না করলে তো লাউঞ্জের ব্যবসা সব চাঙ্গে উঠবে”। আবার উত্তরবঙ্গের পথে দেখেছি শাড়ীর ওপরে ছেলেদের ঢোলা শার্ট পড়া মহিলারা ধান শুকাচ্ছে রাস্তায় (অভিনব পদ্ধতি, চলন্ত গাড়ীর চাকায় ধান মাড়াই)। ক্ষেতে কাজ করছে মেয়েরা মাথায় কাপড় দিয়েই। ওড়নাটা মাথায় তুলে শত শত মেয়ে যাচ্ছে গার্মেন্টসে। জুতার কারখানায় ছেলে মেয়ে এক সাথে কাজ করছে, হাসছে। গ্রামের মসজিদের ভেতরে আমি নিজে গিয়েছি ইমাম সাহেবের সাথে । দেখেছি, মসজিদের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ভাই-বোন এক সাথে, পিঠে স্কুলের ব্যাগ। দিগন্ত নামের একটি টিভি চ্যানেলে হিজাবি মেয়েদের চমৎকার শুদ্ধ বাংলায় খবর পড়তে শুনেছি। একই সাথে একুশে টিভিতে দেখেছি, পশ্চিমা পোশাকে দারুণ ফিগারের তরুণীরা উপস্থাপনা করছেন ইংরেজিতে। “ঢাকার রাস্তায় আমারও আছে হাঁটার অধিকার”- এই শ্লোগানে মুখরিত রাজপথে হাত ধরে হেঁটে যেতে দেখেছি হিজাবি এবং অহিজাবি মেয়েদের। চমৎকার সহাবস্থান দুই মেরুর- আমার অত্যন্ত পছন্দের।

তবুও একটা অজানা জুজুর ভয় এই প্রগতিশীল মহিলাদের। গত এক দশকে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণী যখন প্রায় বিলুপ্ত, তখন নতুন উচ্চবিত্তের ধর্ম (ইসলাম!) বিষয়ে উন্নাসিকতা ও আতংক চোখে পড়ার মতো। মজার ব্যাপার হোল, উল্লেখ্য মহিলার বাবা কিন্তু একজন মধ্যবিত্ত সরকারী চাকুরে ছিলেন। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চ মধ্যবিত্তে উত্থান (স্বামীর বদৌলতে) তার চিন্তা, চেতনায় এনেছে ব্যাপক পরিবর্তন যাতে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে পশ্চিমা বিশ্ব, ভারতীয় মিডিয়া এবং লাদেন। তিনি নিজের অজান্তেই অপছন্দ করছেন নিরপরাধ হিজাবি মেয়েটিকে শুধু মাত্র তাঁর ধর্ম চর্চার কারণে, মনে করছেন নারী স্বাধীনতার প্রতিবন্ধক। আরো একটা কারণ আছে হয়তো: “এই মেয়েরা কেন আমার মতো না!” এটাকে কি “রেসিজম” বলা যায় ? বিস্মিত হই আমি। মহিলা পারিবারিক বন্ধু, তর্কে না যাওয়াই শ্রেয়। তার দীর্ঘশ্বাসের জবাব আর দেয়া হোল না।

দুই:
বন্ধুদের আরেক আড্ডায় এক বিখ্যাত ব্যবসায়ী-কাম-রাজনীতিবিদের মেয়ে বেশ তেজোদ্দীপ্ত হয়েই বলে বসলো; “শুধুমাত্র এই নারী-নীতির জন্যেই শেখ হাসিনাকে আমার ভোটটা দেব”। পশ্চিমে শিক্ষিত মেয়েটির ভোটাধিকার প্রয়োগের তুমুল ইচ্ছাকে শ্রদ্ধা না করে উপায় নাই। তাকে প্রশ্ন করা হোল, তো নারী-নীতির ঠিক কোন বিষয়টি তোমাকে এতটা মুগ্ধ করেছে? উত্তর পাওয়া গেল “ঐ যে উত্তরাধিকারের ব্যাপারটা” (প্রসঙ্গত বলে রাখি, মেয়েটির কেবল একটিই ভাই এবং লোকমুখে শুনি যে তার পিতার সম্পদের পরিমাণ টাকায় বললে কম হলেও কয়েক শ’কোটি)। আচ্ছা, ব্যপারটা তাহলে অর্থনীতিক। আর কী ভালো লাগলো এই নীতিমালার? “আর কিছু লাগে? ঐ একটাই যথেষ্ট। বাবার সম্পত্তিতে ছেলে-মেয়ের সমান অধিকার ছাড়া সিভিলাইজেশান চলতে পারে”? তা বটে।

তার কিছুদিন আগেই হেনার মৃতদেহে দোররার দাগ নিয়ে হয়ে গেল মৌসুমী হইচই, বগুড়ার একটি মেয়ের মাথা কামিয়ে দিলো ফতোয়াবাজরা। মিজানুরের ওপর মোটর সাইকেল উঠিয়ে দিয়েছিল বখাটেরা, কেননা সে প্রতিবাদ করেছিল ইভ-টিজিং এর। এরই মাঝে আমিনীর মত লোকেরা রাজপথ কাঁপিয়ে তোলে, সরকার তেড়ে যায় আমিনীর দিকে, কেননা বান্ধবীর মতে, নারীর অধিকার রক্ষার ঝাণ্ডা তো তাদেরই হাতে, দায়িত্ব আছে না? ওদিকে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতা মহিলারা মানব বন্ধন গড়ে তোলে, ইউনূস সাহেবের মান রক্ষায়। কী আশ্চর্য! “সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমিতে” গণধর্ষিত হয়ে যেদিন একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছিলো, সেদিন, হ্যাঁ, ঠিক সেদিনই শ্বশুর এবং পিতার বিশাল সম্পদের প্রতিশ্রুতির তলে, “ নারী অধিকার” নিয়ে পরমা সুন্দরী বান্ধবীর আবেগভরা উচ্ছ্বাস রেস্টুরেন্টের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে উপভোগ্যই হয়েছিলো।

তিন:
এক সদ্য বিবাহিতা আত্মীয়া বাসায় এলেন দেখা করতে। জানলাম, তিনি, দেশে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে চলে গিয়েছিলেন পশ্চিমে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে। তার পড়নে ছিল ঢাকাই সূতী শাড়ি, স্লীভলেস ব্লাউজ, মাথায় সিঁদুর, হাতে শাঁখা। জানা গেল, খাঁটি বাঙালি সংস্কৃতির অনুরক্ত আমার এই আত্মীয়াটি শেকড়কে শ্রদ্ধা করে সিঁদুর এবং শাঁখা পড়েন। বিয়ের অনুষ্ঠানেও সিঁদুর পড়িয়ে দিয়েছিলো তার স্বামী। এর কারণ বাঙালি মুসলমান আগে সব হিন্দু ছিল, ইসলাম ধর্মপ্রচারকেরা এদেশে এসে জোড়-জবরদস্তি করে তাদের মুসলমান বানিয়েছে। তাই প্রতিটি হিন্দু ঐতিহ্যে আমাদের রয়েছে পূর্ণ অধিকার।

ঘটনাচক্রে কলকাতা থেকে আরেক পারিবারিক বন্ধু (আমার মা’র স্কুলবেলার বন্ধু) এবং তার স্বামী এসেছেন বাংলা নববর্ষ উদযাপন করতে, এই ঢাকায়। অঙ্কে গ্র্যাজুয়েট ভদ্রমহিলা হিন্দু, কিন্তু শাঁখা-সিঁদুর পড়েন না। তার ভাষ্য: শাঁখা-সিঁদুর হিন্দু মহিলাদের জন্য অত্যন্ত অপমানকর! এর সাথে বাঙ্গালিত্বের কোনো সম্পর্ক নেই! কী অদ্ভুত! আমার খাঁটি বাঙালি আত্মীয়াটিকে পরে একদিন পাকড়াও করে যখন ঘটনাটা বললাম, একটু বোধ হয় বিব্রতই হয়ে গেলেন। বললেন, আমরা কেন সব ধর্মের ভালোটা নিতে পারি না, কেন ধর্মে-ধর্মে এতো হানাহানি, কেন আমরা কেবল মানুষ এই পরিচয়টুকুই যথেষ্ট না, ইত্যাদি।

পাঠক! লক্ষ্য করুন, উপরের প্রতিটি আলাপের মূল চরিত্র একজন সচ্ছল শিক্ষিত নারী, সমাজে যাদের “ priviledged” অথবা সুবিধাপ্রাপ্তা বলা হয় । এদের অনেকেই নারীবাদ, আধুনিকতা, বাঙ্গালিত্ব নিয়ে যার পর নাই চিন্তিত যদিও, বাংলাদেশের মেয়েদের আসল সমস্যা উপলব্ধি করার সময় এবং সম্ভবত ইচ্ছেটাও কম। এরা যে অবস্থানে আছেন, ভোগবহুল সে অবস্থান থেকে তার সম্ভাবনাও কম, স্বীকার করছি। আমার আত্মীয়া, যিনি শাঁখা-সিঁদুর পরে মনে করছেন সত্যিকারের বাঙালি নারী হওয়া গেল, তিনি বুঝেই উঠতে পারছেন না, এই বাঙ্গালিত্ব তার নিজের বানানো, ঠিক অথেনটিক না। বাঙালি হতে গিয়ে তিনি কিছু বাঙালি হিন্দু নারীর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন যৌক্তিক কারণেই। ঠিক যেভাবে হিজাবি মেয়েটি বিরক্ত করছে আরেকটি গ্রুপকে! আবার হিজাবি মেয়েটির হিজাব পড়ার অধিকার/স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটাও কি বিতর্কের অবতারণা করে দেয় না? এই বিচিত্র স্ববিরোধিতার একটি কারণ সম্ভবত আইডেন্টিটি ক্রাইসিস । সম্ভবত এ জন্যই বাংলাদেশী নারীর অশিক্ষা, দারিদ্র্য, বঞ্চনা লাঘবে সুবিধাপ্রাপ্তা শিক্ষিত নারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারছে না । নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন তাই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে সম্পত্তির সমান অধিকারে অথবা পোশাকের স্বাধীনতায় !

আধুনিকা এই সুবিধাপ্রাপ্তারা একটি সহজ ব্যাপার কি বুঝতে সক্ষম যে আজ তারা যে অবস্থানে আছেন, সেই একই অবস্থানে আসতে দেশের বাকি ৯০ ভাগ নারীর হয়তো কয়েক দশক অপেক্ষা করতে হতে পারে? ১৯৯৫ সালে চীনে আয়োজিত বিশ্ব নারী সম্মেলনে ইরানী নারীদের প্রতিনিধিদের যে দাবী দাওয়া ছিল (নারী স্বাধীনতার লক্ষ্যে), পশ্চিমা স্ট্যান্ডার্ডে সেটা তখনই ছিল অধীনস্ততার লক্ষণ। আমাদের দেশেও এই বাস্তবতাটি বর্তমান। সম্পত্তির সমান অধিকার নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত প্রয়োজন, তবে তার আগে আরও বেশি প্রয়োজন, সমাজের প্রতিটি স্তরে, প্রতিটি শ্রেণীতে বাকি ৯০ ভাগ নারীর শিক্ষা এবং উপার্জনের ক্ষমতা নিশ্চিত করা। এটা না করে, সুবিধাপ্রাপ্তারা নারী অধিকারের লঘু বিষয়গুলো নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় তুললে সংখ্যালঘু নারীদের সাথে দেশের সংখ্যাগুরু নারীদের মাঝে একটা বিভেদ রেখা তৈরি হয়। এবং তখনি সমাজের ৯০ ভাগ নারীর কাছে এরা পরিণত হয় লাফিং স্টকে । যে “ Freedom of expression” নিয়ে আমার আত্মীয়াদ্বয় অত্যন্ত চিন্তিত ,“Freedom of choice” এবং “Economic freedom” না থাকায় দেশের বেশির ভাগ নারীর কাছে তা “ Cruel joke”।

শুরুটা আসলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেই হয়, সবখানেই হয়েছে। বাংলাদেশে তথাকথিত আধুনিকাদের ধারণাও নেই যে তারা নয়, বরং সাধারণ খেঁটে খাওয়া, মাথায় কাপড় দেয়া কিংবা না দেয়া, দ্রুত পায়ে হেঁটে চলা পারিপাট্যহীন কৃষ্ণকায় মেয়েরাই এদেশের নারী বিপ্লবের প্রকৃত নেতৃত্ব দিচ্ছে, এই সমাজটাকে বদলে দিচ্ছে। বুঝে হোক না বুঝে হোক তারা যে কাজটি শুরু করে দিয়েছে সেটিই আসল। “সমধিকার” যেখানে আরাধ্য সেখানে ধর্ম হোক, রেস হোক কিংবা জেন্ডার, কেউই ভারসাম্যের ভুল দিকটায় থাকলে আমন্ত্রিত হয় না যতক্ষণ না সে অর্থনৈতিকভাবে নিজেকে অপরিহার্য প্রমাণ করে। আমার পরিচিত কিছু আধুনিকাদের কাছে যে “নারী স্বাধীনতা” শুধুই অনুভব কিংবা আড্ডার বিষয়, বড় জোড় কুড়িয়ে নেওয়ার জিনিষ, সমাজের ৯০ ভাগ নারীর কাছে সেটা বাস্তবতা, খুব কঠিন বাস্তবতা এবং তার চেয়েও ভয়ঙ্কর – প্রতিদিনকার লড়াইয়ের বাস্তবতা। এই লড়াইয়ের কুশলীরা এতোটাই সুযোগ্য ও অসাধারণ যে আমি কিংবা আমার ওইসব আত্মীয়াদের কোনও আড্ডায় অংশগ্রহণ ছাড়াও তারা এগিয়ে যাবে সুনিশ্চিতভাবে। আমি কিংবা আমার আত্মীয়ারা শুদ্ধ বাংলায় নারী অধিকারের বিশাল বক্তৃতা দিয়ে নিজেরা জাতে উঠতে পারি, কিন্তু এদেশটাকে জাতে উঠিয়েছে ওইসব লড়াকু মেয়েরাই। তাঁদের ধন্যবাদ !

শামারুহ মির্জা: শিক্ষক ও গবেষক।

৬৬ Responses -- “আধুনিকাদের আড্ডায় নারী অধিকার”

  1. অমিত রায়

    ভালো লিখেছেন। একটি বিষয়ে আপনার মূল্যবান লেখা আশা করছি– কীভাবে এবং মেধাতালিকায় পজিশন কততম পর্যন্ত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া যায়?

    আমরা যারা ছাত্র তাদের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারত….

    Reply
  2. রেজওয়ান শুভ

    পিতার সম্পত্তিতে কন্যা যদি সমানাধিকার পায় তাহলে অবশ্যই ব্যাপারটা ‘অর্থনৈতিক’ হবে, হ্যাঁ তাতে কারও কোনো দ্বিমত নেই। ব্যাপারটা কি খুব স্বাভাবিক নয়? আমাদের সমাজে যেমন একটা সংস্কৃতি চালু করা হয়েছে যে ভালো কন্য এবং ভালো ভগ্নি কখনওই তার ভাইদের সমান অধিকার চাইবে না, সেটা কি খুব ভালো কোনো ব্যাপার? ব্যাপারটা ‘অর্থনৈতিক’ বলে ফোঁড়ন কাঁটবার কোনো অবকাশ কি আছে? নাকি ব্যাপারটা এমন যে অর্থনৈতিক ব্যাপারগুলোতে একজন আদর্শ মুসলিম নারীকে ভিক্ষুকের মতো নিরবতা পালন করতে হবে? যতটুকুন পাওয়া যায় সেটাই লাভ?

    হাসিনা সরকার শেষ পর্যন্ত নারীঅধিকার কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারবে সেটা সময় বলে দেবে। কিন্তু মেয়েদের ক্লাস ফোরের উপর পড়ানো যাবে না, ছেলেরা যে ক’টা খুশি বিয়ে করবে, দুইটা-চারটা-পাঁচটা যে ক’টা খুশি, ছেলেমেয়ে একসঙ্গে উচ্চশিক্ষা নিতে পারবে না– এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে খুব নারীঅধিকার সংরক্ষিত হবে? নারীকে ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়ানোর ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে অর্থনৈতিক। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অজ্ঞতার অন্ধকারে রেখে অর্থনৈতিক মুক্তি দুরাশা। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, মাননীয় লেখক সেই দাবিগুলো উত্থাপনকারী এবং তাদের নৈতিক সমর্থনদানকারীদের উপর আলোকপাত করলেন না।

    গার্মেন্টসে নারীশ্রমিকদের কাজ করা বন্ধ হয়ে গেলে তাদের পরিবারগুলোর কী হবে এবং দেশের পোশাক শিল্প কত বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে, সেটা কি অর্থনৈতিক নয়? যদি হয়ে থাকে তাহলে গার্মেন্টসে নারীশ্রম বন্ধের পক্ষে যে ফতোয়াগুলো এসেছে ( এবং যেসব রাজনৈতিক সংগঠনগুলো তাদের সমর্থন দিয়েছে ) তাদের প্রসঙ্গ কেন এল না? আসাটা কি স্বাভাবিক ছিল না?

    নাকি পিতার সম্পত্তিতে কন্যাসন্তানকে ঠকানোর মধ্যেই যাবতীয় নারীমুক্তি এবং ইসলাম নিহিত আছে?

    Reply
  3. তাহসিনা

    শামারুহ, ধন্যবাদ আপনাকে এত চমৎকার লেখা লিখবার জন্য। তবে ধন্যবাদ দিচ্ছি আপনার লেখার ধরন, শব্দের ব্যাবহার এগুলোর জন্য। কিন্তু সমস্ত লেখায় গভীরতা খুব কম। যদি শুরুতা দেখেন, অস্ট্রেলিয়া,ফুটবল, আড্ডা ,আর নারী অধিকার..বহুমাত্রিক ধারনা,যার কোনটির সাথেই কোনটির তেমন কোন মিল নেই, কিন্তু আপনার লেখনী শৈলী দিয়ে আপনি মিল বের করেছেন।

    Reply
  4. আশেক ইব্রাহীম

    লেখাটা ভালো লাগলো। সবচেয়ে ভালো লাগলো স্ক্রিনশটগুলো। কারণ, শ্রেণী চিন্তার ফলে যে স্ববিরোধীতা আর অন্যদের সাথে বিচ্ছিন্নতা তার ফলে নারীবাদেরও এই দশা। এরাই সব তত্ত্ব তৈরী করছেন আর ইমপ্লিমেন্টেশনে এনজিও টাকা দেবেন হাজীসাহেবেরা (উন্নত দেশ)। ফলে আসল সমস্যাটা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যায়।

    Reply
  5. jashim majumder

    আপনার লেখাটা খুব ভালো লেগেছে।
    প্রকৃতই আইডেন্টিটি ক্রাইসিস। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাটাতেই সমস্যা। এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত বেশিরভাগ মানুষই নিজেদের সংস্কৃতি বা অবস্থান সম্পর্কে খুব বেশি জ্ঞাত নয়। তারচেয়ে গ্রামের অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত মানুষগুলো নিজের অজান্তেও তাদের (আমাদের) সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক বেশি জানে।

    Reply
  6. আমি একজন স্বামি

    আমি একজন স্বামী। আমার সহধর্মিনী কী জিনিস তা কেবল স্বামী হয়ে আমিই বুঝবো।

    Reply
  7. Ami musalman

    লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছ। নারী স্বাধীনতা এবং নারী অধিকার এটা একটা রাজনীতির বিষয় হয়ে দাড়িয়েছি। লেখিকাকে ধন্যবাদ এমন সুন্দর লেখা উপহার দেয়ার জন্য। আগামীতে আরো বাস্তবমুখী লেখা প্রত্যাশা করি।

    Reply
  8. mohammad mohiuddin

    সুন্দর এবং বাস্তবতানির্ভর লেখার জন্য ধন্যবাদ। আমাদের দেশের তথাকথিত আধুনিকতার জয়গানের গায়েনরা নিজেদের খোলস পরিবর্তন করতে পেরেছেন মাত্র। কিন্তু মনের দিক থেকে সেই অন্ধকার যুগেই বসবাস করছেন। তিনি নারী হউন অথবা পুরুষ হউন;তার কাছে নারীমুক্তি নারী অধিকার,এসবই মুখরোচক আড্ডার বিষয় অথবা বিলাসী ফ্যাশন বই আর কিছু না। এক্ষেত্রে আপনার লেখা তাদের মুখোশ উন্মোচন এবং নারীকুলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে যথেস্ট সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে আরো লিখবেন।

    Reply
  9. রাইয়ান রহমান , ঢাকা

    চমৎকার বিশ্লেষণ, ধন্যবাদ জানাই লেখিকাকে। শুভবুদ্ধির উদয় হউক সবার মনে।

    Reply
  10. Anila

    শামা আপু তোমার লিখা সবসময় পড়ি কিন্তু এই লিখাটা বেশ insightful হয়েছে- আমি অনেক টুকুই relate করতে পারলাম | একজন নারীর জন্যে প্রকৃত শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা যে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ সেটা প্রতিটি মেয়েদের উপলব্ধি করা উচিত |

    Reply
  11. Saiful Islam Sekul

    শামারুহ মীর্জাকে ধন্যবাদ। একজন নারী হয়েও তথাকথিত নারী দৃষ্টিভঙ্গীকে নিয়ে এরূপ একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশের জন্য।

    Reply
  12. Shahadat Suhrawardy

    অস্ট্রেলিয়ানরা অস্ট্রেলিয়ান হয়ে গেল অথচ আপনি বাংলাদেশীদের বাঙালি বলে ফেললেন, কেন?

    Reply
  13. শামীমা

    উপরের মন্তব্য করার পর লেখকের প্রোফাইল দেখলাম। জানলাম তিনি রসায়নের শিক্ষক। বিনয়ের সাথে তাকে জানাতে চাই- নারী স্বাধীনতা, বাঙালি সংস্কৃতি এসব বিষয় ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ব, প্রত্নতত্ত্ব, দর্শন, সাহিত্য এই জাতীয় বিষয়ে গভীর অনুধ্যান দাবী করে। নিশ্চয় আপনার এইসব বিষয় নিয়ে প্রয়োজনীয় মাত্রার পাঠ আছে বলে বিশ্বাস করি। কিন্তু আপনার প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি যে বিজ্ঞানের ছাত্রদের চিন্তাপদ্ধতি সংস্কৃতি-দর্শন ব্যাখ্যা করতে এখনও সক্ষম নয়, অন্তত এই বাংলাদেশে।

    Reply
    • চারু

      আপনি তো বিশাল পন্ডিত মানুষ ভাই! সমাজ-সংস্কৃতি ব্যাখ্যা করতে হলে কী ধরনের ‘চিন্তা পদ্ধতি’ দরকার? আপনার চিন্তা পদ্ধতি দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারছি না। লেখিকার প্রোফাইলটা আবার দেখবেন। তিনি প্রাণ-রসায়নের ছাত্রী। দুই মিনিট আগে দেখে প্রাণ-রসায়ন আর রসায়নের পার্থক্য করতে পারেন না (সম্ভবত বোঝেনও না) আর “নারী স্বাধীনতা, বাঙালি সংস্কৃতি এসব বিষয় ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ব, প্রত্নতত্ত্ব, দর্শন, সাহিত্য এই জাতীয় বিষয়ে গভীর অনুধ্যান দাবী করে”- এই জাতীয় শস্তা আতলামি মারেন।

      Reply
      • মহি

        সুন্দর বলেছেন। সমালোচনা দু’ধরণের, গঠনমুলক ও ধ্বংসমুলক। কোন বক্তব্যের দুর্বলতা থাকতে পারে, গঠনমুলক সমালোচক দুর্বলতাগুলো দূর করে মূল বক্তব্যের কাঠামো মজবুত করেন। ধ্বংসমূলক সমালোচকের উদ্দেশ্য থাকে বক্তব্যকে অথবা বক্তব্য প্রদানকারীকে ধ্বংস করে দেয়া, প্রকারান্তরে নিজেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া! আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছু আঁতেল আছেন, আঁতলামীটা যাদের ব্যাবসা। তারা নিজেরা সমাজের কোন প্রয়োজনীয় বিষয়ে তাগিদ বোধ করেন না নিজেদের ব্যাবসায়ীক প্রয়োজনে। যখন কোন মানবহিতৈষী সামাজিক তাগিদের তাড়নায় কোন প্রসঙ্গের অবতারণা করতে উদ্যোগী হন তখন এই সমস্ত আঁতেলগণ নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক আঁতলামীর সমূহ বিপদ আঁচ করতে থাকেন এবং মানবহিতৈষণাকে ধ্বংস করতে উদ্যত হন!

  14. শামীমা

    লেখকের মানসিকতার শ্রদ্ধা করি। কিন্তু মনে হচ্ছে তিনি খেই হারিয়ে ফেলেছেন। চিন্তা পদ্ধতি ঠিক পথে হাটছেনা বলেই মনে হল। তিনি কোন বিষয়ের শিক্ষক ও গবেষক জানতে পারলে লেখকের চিন্তাপদ্ধতি বোঝা সহজ হত। যাহোক, নারী স্বাধীনতা, বাঙালি সংস্কৃতি এই বিষয়গুলো নিয়ে আরো আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। মত-বিমত, বাদ-প্রতিবাদের মধ্য দিয়েই হয়তো সুপথ খুঁজে পাওয়া যাবে। লেখককে ধন্যবাদ।

    Reply
  15. mortaza

    লেখকের ভাবনাটা ভালো লাগছে। উনার বিশ্লেষণটা দারুণ। আমাদের আসলেই সমস্যার মূলে যেতে হেব। নইলে সমাধান অসম্ভব। ধন্যবাদ আপনাকে।

    Reply
  16. Farid Miya

    চমৎকার বিশ্লেষণ, ধন্যবাদ জানাই লেখিকাকে। শুভবুদ্ধির উদয় হউক সবার মনে।

    Reply
  17. সাজু

    লেখাটার একটি জায়গায় আমি একমত পোষণ করতে পারছি না। লেখক বলেছেন….‘গত এক দশকে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণী যখন প্রায় বিলুপ্ত,…’

    আমার মনে হয় এই জায়গায় বিলুপ্ত না বলে বরং বলা যায়:গত এক দশকে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর রূপ যখন পরিবর্তন হচ্ছে…..

    Reply
  18. মাজহার

    অসাধারণ একটি লেখা। নারী স্বাধীনতার আন্দোলনের নামে আমাদের দেশের নারী নেত্রীরা যে ভুল পথে হাটছেন লেখাটি পড়ে হয়তো তাদের ভুল ভাংতে পারে। তবে শুধু এটিই বলতে চাই। নারী স্বাধীনতার যে আন্দোলন হচ্ছে তাতে নারী শুধুই ভোগের পণ্যে পরিণত হবে। তাই নারীদের সঠিক নারী স্বাধীনতার পথে হাটা উচিত।

    মাজহার

    Reply
  19. সাঈদ আলম

    শামারুহ মির্জা,আপনার উপলব্দির গভীরতা খুব আনন্দিত করেছে৷নারী হয়ে এরকম ভারসাম্যপূর্ণ লেখা প্রসংশনীয়৷
    ধন্যবাদ,আরো লিখুন৷

    Reply
  20. mahmud

    শামা, খুব সুন্দর লেখা। ধন্যবাদ তোমাকে নিখুঁত পর্যবেক্ষনের জন্য। আমাদের পর্যবেক্ষনের গন্ডি যে কত সীমিত!

    Reply
  21. সালহা বেগম রানী

    শামারুহ মির্জাকে ধন্যবাদ। তার চমৎকার গদ্য আর ভিন্ন স্বাদের লেখার জন্য।

    Reply
  22. mahfuz baki rahman

    চমতকার উপস্থাপন, এবং মুল বিষয় সামাজিক এবং পারিবারিক অর্থনীতি। প্রেসিডেন্ট জিয়াই প্রথম বাংলাদেশের মহিলাদের শুধু ঘরে নয়, মাঠেও কাজ করার প্রচলন করে সুদুরপ্রসারী প্রভাব রেখে গেছেন। এমনকি গ্রামীন অর্থনিতিতেও। পরিবারের আয় দিগুন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আপনারাও নারী মুক্তির সে দিকটি যে গুরত্ব দিচ্ছেন তা বুঝে ভাল লাগলো। আপনার লেখটি পরে অল্পেতে তা অনেকের বুঝতে সুবিধে হবে। ধন্যবাদ।

    Reply
  23. রুমকি

    প্রিয় লেখিকা, যারা বেঁচে থাকার জন্য নিরন্তর লড়াই করেন, তাদের প্রগতিশীল হওয়ার জন্য আলাদাভাবে অন্য কিছুর প্রয়োজন হয়না। কোনো গ্রামের নারী যখন গার্মেন্টসে কাজ শু্রু করেন, তখন তাকে প্রগতিশীল হতে হয়না। পেটের টানেই তিনি মুলত সাড়া দেন। তার এই প্রতিদিনের লড়াই যদি শ্রেনী চেতনা তৈরি করতে পারে, তাহলে এই লড়াকূ মানুষগুলো সত্যি সত্যি সমাজকে এগিয়ে নিতে পারবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের নারীরা এটা পারছে না বলেই তো বঞ্ছনার বেড়াজ়ালও দুর্বল হওয়ার কোনো লক্ষণ নাই।

    Reply
  24. Mominul Kabir

    লেখাটা পড়ে ভীষন ভাল লেগেছে। অন্তরের সবটুকু অনুভুতি দিয়ে আপনাকে ধন্যবাদ। আশা রাখি আগামীতে বাস্তবসম্মত অনেককিছু লিখবেন। আল্লাহ্ আপনার সহায় হউন।

    Reply
  25. ইয়াসমিন

    ভালো লাগল লেখাটা । আমার কাছে ‘স্বাধীনতা’র অর্থ ‘যা খুশি করার ইচ্ছা নয়’; ‘স্বাধীনতা’র অর্থ হচ্ছে ‘আমার এবং অন্যের মধ্যে পার্থক্যকে সম্মান করা’।

    Reply
  26. oporajita

    সম্পত্তির সমান অধিকার নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত প্রয়োজন, তবে তার আগে আরও বেশি প্রয়োজন, সমাজের প্রতিটি স্তরে, প্রতিটি শ্রেণীতে বাকি ৯০ ভাগ নারীর শিক্ষা এবং উপার্জনের ক্ষমতা নিশ্চিত করা।

    চমত্কার বলেছেন। নারীর শিক্ষা এবং উপার্জনের ক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে প্রত্যেক নারী পরিনত হবে সম্পদে।

    Reply
  27. সামিরুল ইসলাম

    অনেক ভালো একটি লেখা , তবে আরো একটু বিশদ হলে আরো বেশি ভালো হত , লেখিকার আত্মীয়া আর বান্ধবীগন যাদের কথা তিনি বলেছেন তারা কেউই আসলে নারী স্বাধীনতা চাই না, চাই ”স্বেচ্ছাচারিতা ” , কিন্ত ” স্বেচ্ছাচারিতা যার মস্তিস্কের বল তাহার কি আর মঙ্গল আছে ? ” আর নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রীদের কথা বলছেন ? এটা না করলে তাদের ব্যবসা চলবে কী করে ? আসলে এরাও চায় স্বেচ্ছাচারিতা , আপনি যদি স্বাধীনতার নামে নগ্নতা , উচ্ছৃঙ্খলতা ,আর ধর্মহীনতাকে ন্যায্যতা দেন তাহলে স্বাধীনতা অর্জন এত সহজ হবে না নিশ্চই।

    Reply
  28. রুমকি

    প্রিয় লেখিকা, আমি নিজেই উত্তর বঙ্গের বাসিন্দা। “…উত্তরবঙ্গের পথে দেখেছি শাড়ীর ওপরে ছেলেদের ঢোলা শার্ট পড়া মহিলারা ধান শুকাচ্ছে রাস্তায়”। আপনার এই বর্ণনাটি আমার কাছে খুব বিচ্ছিন্ন উদাহরণ মনে হলো। উত্তর বঙ্গ অঞ্ছলের নারীদের মানসিক প্রগতিশীলতার ইতিহাস অনেক পুরোনো। তাদের প্রগতিশীলতার প্রসঙ্গে ঢোলা শার্ট পড়ার বিষয়টি আমার বোধগম্য হলোনা। জানিনা, আপনি প্রগতিশীলতা বলতে কী বুঝেন? উচ্চবিত্ত শ্রেনীর সাথে প্রগতিশীলতাকে মিলিয়ে ফেললে মুশকিল!প্রথমটি উৎপাদনের সম্পর্কের সাথে সংশ্লিষ্ট আর পরেরটি শ্রেনী চেতনার সাথে। উত্তর বঙ্গের প্রগতিশীল রাজনীতি আর সংস্কৃতির চর্চা অনেক প্রাচীন। তেভাগা আন্দোলনের কথা তো সবার জানা। এই বিষয়গুলা বিবেচনায় নেওয়া জরুরী। আধুনিকতার (modernity) ধারণাটিও আপনার কাছে সম্ভবত স্পষ্ট নয়। এই শব্দটার সাথে পশ্চিমা আধিপত্যের সম্পর্কটা মাথায় রাখতে হবে। পশ্চিমারা যদি ধুতি-পাঞ্জাবী আর শাড়ী পরিধান করতো, তাহলে সেটাই আমাদের জন্য আধুনিক পোষাক হতো। অথবা আমরা যদি পশ্চিমাদের উপর একই রকম আধিপত্য স্থাপন করতে পারতাম, পশ্চিমারা আমাদের পোষাক প’রে, ‘আধুনিক’ কিংবা অন্য কিছু প্রমান করতে চাইতো! পোষাকের সামাজিক নির্মানটাও (social construction) বিবেচনায় নিতে হবে। পশ্চিমারা যাই করুক না কেন, সেটাই আমাদের কাছে আধুনিক মনে হয়। আমাদের মনন সেই আধিপত্যের শিকার। সব কিছুকে এতো সাদামাটাভাবে দেখার কিছু নাই।

    Reply
  29. habib

    খুব ভাল লাগল। প্রগতিশীলদের উন্নাসিকতা পরিবর্তনে আমাদেরই সচেষ্ট হতে হবে।

    Reply
  30. রিয়াদুল

    দারুন একটা লেখা। শুধু পোশাকি স্বাধীনতাই যে নারী স্বাধীণতা নয় এটা সবাইকে বুঝতে হবে। সারাদিন স্বামীর হোটেলে খেয়ে আর হিন্দি সিনেমা আর বিকৃত রুচি সম্মত সিরিয়াল দেখে নিজে কাজ(চাকরি)না করে স্বামীর যোগ্যতায় যারা নারী অধিকার নিয়ে ফাঁপা বুলি আওরায় তাদের দেখে আমার করুণা হয়। এরা শ্রমজীবী গার্মেন্টস কর্মীদের থেকেও নিচু স্তরের কারন গার্মেণ্টস কর্মীরা নিজের টাকায় চলে নিজের টাকায় খায় ।………যাই হোক লেখিকাকে অনেক ধণ্যবাদ।

    Reply
    • oporajita

      @ রিয়াদুল =”সারাদিন স্বামীর হোটেলে খেয়ে আর হিন্দি সিনেমা আর বিকৃত রুচি সম্মত সিরিয়াল দেখে নিজে কাজ(চাকরি)না করে স্বামীর যোগ্যতায় যারা নারী অধিকার নিয়ে ফাঁপা বুলি আওরায় তাদের দেখে আমার করুণা হয়। এরা শ্রমজীবী গার্মেন্টস কর্মীদের থেকেও নিচু স্তরের কারন গার্মেণ্টস কর্মীরা নিজের টাকায় চলে নিজের টাকায় খায় ।”…এই কথার মানে কী? এরকম অনেক মহিলাই আছেন যার আয়ের উপর পরিবার নির্ভরশীল অথচ তিনি সেরিয়াল দেখেন। এরকম অনেক স্বামী আছেন যিনি তার স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান না, সেখেত্রে স্ত্রীর করার কী আছে। অবিবাহিত নারীও আপনার ভাষ্য মতে এই সব ফাঁপা বুলি আওরাতে পারে।

      Reply
      • কিমরুল আলম সুমন

        @ অপরাজিতা, আগে মূল লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তার পর রিয়াদুলের মন্তব্যটা পড়ুন তবেই আপনি বুঝতে পারবেন রিয়াদুলের মন্তব্যের শানেনুজুল।

  31. সিয়াম খান

    শামারুহ মির্জা আপনার “আধুনিকাদের আড্ডায় নারী অধিকার” লেখাটি চমৎকার হয়েছে। লেখাটিতে দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারীজাতিকে নিয়ে আপনার চিন্তায় যেদিকটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। আসলে নারীর সমঅধিকারের জন্য তাঁর নিজেই নিজেকে যোগ্য হিসাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে সে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। সমঅধিকার আদায় না, নিজের যোগ্যতা দিয়ে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    Reply
  32. রণদীপম বসু

    ভালো লেখা নিঃসন্দেহে ! বিষয়টা নিয়ে আমাদের আধুনিকমনস্কদের নতুন করে ভাবা উচিত, আমাদের ভাবনা কাঠামো সঠিক আকৃতি পাচ্ছে কিনা !

    Reply
  33. মাজহার

    ”শুদ্ধ বাংলায় নারী অধিকারের বিশাল বক্তৃতা দিয়ে নিজেরা জাতে উঠতে পারি, কিন্তু এদেশটাকে জাতে উঠিয়েছে ওইসব লড়াকু মেয়েরাই। তাঁদের ধন্যবাদ !”

    নারী অধিকার বলি আর মু্ক্তি বলি, সুবিধাপ্রাপ্ত নারীরাই এক্ষেত্রে বিশাল এক বাধা সৃষ্টি করেছে। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে শিশ্নসর্বস্ব একশ্রেণীর পুরুষ, যারা স্বাধীনতাকে উপস্থাপন করে কেবল খুল্লামখুল্লা পোশাক-চলন-বলনের মাধ্যমে। এই দুইয়ে মিলে সত্যিকারের নারীমুক্তি পিছিয়ে রাখছে। কিন্তু কে বলবে সে কথা। ধর্মীয় গোঁড়ামি/আচার থেকে সম্পূর্ণ দূরে থেকেও হতে হবে মৌলবাদী। কি দরকার তাদের ঘাটিয়ে..!!

    Reply
  34. Mohi

    আমি বিত্তের কোন অংশে পড়ি সে ব্যাপারে ধারণা কম, তবে আমাকে অন্যের গোলামী করে টিকে থাকতে হয়, যেটা আমার ধাতে সয় না, মোটেও না। কতবার যে কর্ম বদলেছি ইয়ত্তা নেই। আমি স্বাধীনচেতা, মনমহাজন, স্বাধীনতার চেয়ে প্রিয় আর কিছু চিনি না আমি । বিয়ের আগেই আমি যদি এখনকার পরিস্থিতি বুঝতে পারতাম তবে বিয়ে করতাম না, এর অর্থ আবার এই নয় যে আমাদের মধ্যে বনিবনা নেই, সম্পর্ক খারাপ, তাও নয়। কিন্তু আমি ওর কবল থেকে মুক্তি চাই, স্বাধীনতা চাই। ও আমার দুই পায়ের বেড়ী। আমি ওর জন্য স্বাধীন নই, ও আমার পিছু টান!

    আমার চাওয়া নারী স্বাধীনতার আকাঙ্খা এত তীব্র যে আমার বউও সেটা পছন্দ করে না! আমি ওকে বউ না বলে অন্য কিছু বলতে চাই, যা সমান সমান, কিন্তু ওর সেই ধারণায় নেই, যদিও ওর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা-দীক্ষা আমার চেয়ে বেশী!

    আমি তো দেখি, আমি নিজে পরাধীণ ওর বাহুডোরে, ওর চোখের তারায়, ওর এবং আমার, আমাদের দু’জনের অসহায়ত্বের কাছে, সামাজিক শৃঙ্খলের কাছে। নারী স্বাধীনতার প্রশ্নে পুরুষ হিসাবে আমি আমার চারপাশে একটা শক্ত, যে কোন ধাতুর চেয়েও কঠিন শক্ত দিয়ে তৈরী সামাজিক খাচা দেখতে পাই, যার গহ্‌বরে আমি বন্দি ওকে নিয়ে।

    আমি ওর মুক্তি চাই, ও মুক্ত হলে আমিও মুক্ত!

    Reply
  35. Mirza Abdul Hye

    প্রিয় শামারুহ মির্জা, চমৎকার বিশ্লেষনাত্মক লেখার জন্য ধন্যবাদ। নারী উন্নয়ন বিষয়ে আপনার সুগভীর ভাবনা সঠিক।

    Reply
  36. rayyan

    আমার একটা বড় বোন আছে। এক ভাই এক বোন। আমার বাবা মা আমাকে ছোটবেলা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করে দিয়েই তাদের দ্বায়িত্ব সেরেছেন। বোন আমার চেয়ে বড়। ওকে স্কুল, কলেজ আর মেডিক্যাল কলেজে পড়ানোর সময় আমি আমার বাব-মায়ের যে অসীম যত্ন আর পরিচর্যা করা দেখেছি, তাতে আমার ধারণা নারী স্বাধীনতা আর অধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি একটু বেশিই এগিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের বঞ্চিত করেই। নারী নির্যাতন আইনই এর উৎকৃষ্ট উদাহরন। তবে হ্যাঁ, সুবিধা বঞ্চিত বা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পরা পরিবার গুলোতে এর চিত্র ভিন্ন। শিক্ষা আর আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হলে সমাজের একটা বড় অংশের নারীরা বঞ্চিতই থেকে যাবে। আর এর জন্য, বড় বড় সেমিনার আর বক্তৃতা না দিয়ে কার্যকর কিছু করার সময় এসেছে।
    হাসিনা, খালেদা, সাহারা, দিপুমনি আর আইভিরা দেশের সবচে বড় পদ গুলো দখল করলেও নারী স্বাধীনতার যে বসন্ত চলছে দেশে, তা বলা যাবে না। আবার, নারী স্বাধীনতা নেই নেই বলে সুলতানা কামাল আর আইরিন খান’রা যে অজ্ঞান হয়ে যান, আমাদের দেশের অবস্থা তত খারাপও নয়।

    Reply
    • সাঈদ আলম

      খুব ভালো লেগেছে আপনার মন্তব্য৷ নারী স্বাধীনতা বিষয়ে প্রায়শ আমরা যে সংজ্ঞা পেয়ে থাকি,তা অনেকাংশে বিদঘুটে,অদ্ভুতও মনে হয় কখনো কখনো৷ বিশেষ করে এরাঁ (সুলতানা কামাল আর আইরিন খান…)যা বলেন৷ এখন অন্তত শামারুহ মির্জা’র লেখাটি যাঁরা পড়েছেন এবং পড়বেন,তাঁরা বুঝতে পারবেন বাস্তবতা কোথায়৷ “নতুন” সবসময় ফলপ্রসু হতে পারে না ,”পুরাতন”ও আকঁড়ে থাকা সব সময় ভালো নয়৷ পরিচ্ছন্ন মনোভাব পোষণ করাটা নারী/পুরুষ উভয়কে সুখী করবে বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস । ভালো থাকবেন সবাই৷

      Reply
  37. Bangladesh Generation

    অস্পষ্ট লেখা। তবে লেখক একটা কথা ভালো বলেছেন যে যারা ইসলাম বিরোধিতা করছেন তারা একধরনের রেসিস্ট। একটা শক্ত কথা বলি, সৌভাগ্য ছাড়া ইসলামের সৌর্ন্দয্য উপলব্ধি করা যায় না। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথ দেখান। আমীন।

    Reply
    • salman tareque sakil

      নিজেকে সব সময় মাওলানা পরিচয় দিতে হবে নাকি? বলতে হবে আমি মুসলমান, তোমরা দেখো। অস্পষ্ঠতা কোন বিষয়ে খুলে বলে আজ্ঞা করবেন।
      এই সমস্যা, ভাই আমাদের। একজন মানুষ ব্যাখ্যা করছেন, তাকে ঠিক কিভাবে পচানো যায়, এই ফাও মানসিকতা গেলনা।

      Reply
      • ফরিদ

        লেখাটা খুবই স্পষ্ট। শুধু আপনি যা শুনতে চেয়েছেন তা খুব বেশি খুঁজে পাননি এই যা।

    • বাঁটুল দি গ্রেট

      লেখাটা খুব ই স্পষ্ট। শুধু আপনি যা শুনতে চেয়েছেন তা খুব বেশি খুঁজে পাননি এই যা।

      Reply
      • আমজাদ হোসেন

        সুন্দর লিখা।
        কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা দিবে কে?
        কয়েকটি মূল বিষয়ের অন্যতমটি হলো ভারসাম্যের সঠিক দিকে থাকা,এতে আপনি নাও আমন্ত্রিত হতে পারেন,পৃথিবীর ইতিহাসে সিংহ ভাগ সময়ই সঠিক দিকে থাকা মানুষগুলো প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন প্রথমে।
        ভারসাম্যের নির্নায়ক সামগ্রিক হবে না শুধুমাত্র অর্থনৈতিক হবে তা এখন বস্তুবাদি সভ্যতার কল্যানে? একমাত্র অর্থনৈতিক দিকটাই মূলবিন্দু।আত্মার সম্পর্ক টেকসই করতে গিয়ে আমরা জোর দিছ্ছি অর্থনৈতিক অপরিহার্য্যতার উপর।অবশ্যই যারা মানুষের অধিকারের মূল বিষয়বস্তু অর্থনৈতিক অপরিহার্য্যতাকে মনে করেন,তারা দ্বিমত পোযন করবেন।কিন্তু যারা সামগ্রিক ভারসাম্যে আস্হা রাখে তাদেরকে হিজাবি মেয়েটির মত আচরন না করাটাই শান্তিময়,কারণ আজকে আমার দেশ যা চাইছে তা ছিল অর্ধশতক আগের পশ্চিমাদের অর্জন,এর সামগ্রিক ফলাফল আমাদের সামনে বিদ্যমান।সমঅধিকার বলতে পশ্চিমারা বাস্তবিকই সমঅধিকার নিয়ে এসেছে,সেখানে কেউ কোনো বিশেষ অধিকারে ভূষিত নয়,যার ফলে প্রত্যেকটি বিষয়ে তারা নিজেকেই মনে করে নিজের জন্য অপরিহার্য্য,নারী-পুরূষ কেউই কোনো বিষয়ে একে অপরের মূখাপেক্ষী নয় এমনকি যৌনজীবনেও একে অপরের জন্য অপরীহার্য্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।
        শুধু ভালটাই নিব বলে ব্স্তুবাদি জীবনে মানব প্রজোযিত কোনো বিষয়ের পার্শপ্রতিক্রিয়া হতে যেমন নিস্তার নেই, তেমনি ধর্মের মধ্যে যা সুবিধাজনক বলে মনে হবে তার ফায়দা নিলে আর যা আমার চোখে অসুবিধার বিষয় তা প্রত্যাখ্যান করলে তা যে ভন্ডামিতে পর্যবসিত হবে,তা আপনার সমঅধিকারের অপর পক্ষও মেনে নিবে না,,,,,,,তার মানে ফলাফল আজকের পশ্চি্মারা।তাই সেই হিজাবি মেয়ে বস্তুবাদি দিকে না যাওয়ার অধিকার রাখে।

        পৃথিবীর কোনো ধর্মতে জোর করার নিয়্ম নেই।আপনি ধর্ম না মানার অধিকার রাখেন।কিন্তু কোণো ধর্মে থেকে সে ধর্মের মৌলিক নিয়্মকে প্রত্যাখ্যান করার দরকার কি?যে বিষয়ে শ্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্যেও অন্য একটি বাক্যের অবতারনা আমরা লৌ্কি্ক জীবনে অসততা হিসেবে দেখি– ধর্মেও তা।
        আসুন শান্তিময় সহঅবস্থানে থাকুক সব।সবাই নিজ অবস্থান স্পষ্ট করি।

  38. মিরাজুল ইসলাম

    মূলত আমাদের সমাজের ক্ষরণ যথাযথ উপলব্ধি না করতে পারার কারণেই নারীর অবমূল্যায়নের যাবতীয় মতপার্থক্য। এর সাথে জড়িত পাঁচমিশালী শিক্ষাব্যবস্থা। তাই নারী তার চারপাশের সবকিছু তার ব্যাখ্যায় সাজাতে চায়। পুরুষ ক্ষেত্রবিশেষে হয় তার চালিকাশক্তি এবং কারণ-বিশেষ।
    লেখাটি ভালো লাগলো।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—