প্রাচীন যুগে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত ক্রীতদাসকে। দাসের সর্বদাই চেষ্টা থাকত কীভাবে শিকল ভাঙা যায়। কারণ, শিকলটা প্রতি পদক্ষেপে তাকে মনে পড়িয়ে দেয় যে সে ক্রীতদাস। তার স্বাধীনভাবে বাঁচা বা চলার অধিকার নেই। আবার সে যুগে ধনীর গৃহে কিংবা সম্রাটের প্রাসাদে এমন অনেক দাস ছিল যাদের পায়ে শিকল পরানো হত না। তারা ছিল ‘বিশ্বাসী’। তারা কখনও প্রভুকে ছেড়ে যেতে চাইত না। কারণ, সেসব দাসের খাওয়া-পরার কোনো অভাব রাখা হত না। প্রভু তাকে বিশ্বাস করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের ভার দিত। দাসও বেশ গৌরব অনুভব করত যে প্রভু তাকে ভালোবাসেন, তাকে বিশ্বাস করেন, তাকে বেশ যত্নআত্তিও করেন। সম্রাটের খাস দাসদাসীরা তো রীতিমতো রাজকীয় জীবন যাপন করত। বাহ্যিকভাবে অর্থাৎ পোশাক-পরিচ্ছদ, খাবারদাবারের দিক থেকে তারা অনেক স্বাধীন নাগরিকের তুলনায় ভালো মানের জীবন যাপন করত।

তবু, হ্যাঁ তবু, তারা কিন্তু দাসই ছিল। স্বাধীনতার দায়িত্ব, স্বাধীনতার ব্যথা এবং স্বাধীনতার আনন্দ– কোনোটাই তারা অনুভব করতে পারেনি। স্বাধীনতার চেহারা না দেখেই তারা ভাবত তারা খুব সুখে আছে।

এ কালে স্বামীর আাদরযত্নে পালিত, সুখী সুখী চেহারার নিষ্কর্মা পুতুল বউদের দেখে আমার চোখে কেন যেন সেই দাসদের চেহারা ভেসে ওঠে। পুরুষতন্ত্র কত কৌশলেই না নারীর পায়ে শিকল পরায়। কখনও সেই শিকলের নাম ‘গহনা’, কখনও ‘প্রেম’, কখনও ‘মানসম্মান’, কখনও ‘সন্তান’, কখনও ‘সংসার’। নারী সেসব শিকল পরে দিব্যি আনন্দে ঘোরে-ফেরে; ভাবে ‘বাহ্‌! আমি কত সুখে আছি।’

এসব অদৃশ্য শিকলের মধ্যে একটি মোহন শিকল হল ‘প্রেম’। কোনো মানুষ যদি অন্য কোনো মানুষকে সত্যিকারভাবে ভালোবাসে তাহলে সে ভালোবাসার মানুষটির উন্নতি চাইবে, চাইবে তার প্রতিভার বিকাশ হোক, সর্বোপরি চাইবে তার স্বাধীনতা। কারণ, রাজা দ্রুপদ যেমন দ্রোণাচার্যকে বলেছিলেন– ‘রথীর সঙ্গে অরথীর, ধনীর সঙ্গে দরিদ্রের, বীরের সঙ্গে কাপুরুষের কখনও বন্ধুত্ব হয় না, বন্ধুত্ব হতে হয় সমানে-সমানে’– প্রেমও তা-ই।

একজন স্বাধীন মানুষের সঙ্গে অন্য স্বাধীন মানুষেরই প্রেম হতে পারে। প্রভু ও ক্রীতদাসীর মধ্যে প্রেম হয় না। প্রভু যদি কোনো ক্রীতদাসীর প্রেমে পড়ার পর তাকে স্বাধীন করে দেয় তবেই সেটা প্রেম হয়। আর প্রেমের নাম দিয়ে তাকে যদি দাসী করেই রাখে তবে সেটা হয় শোষণ; সেটা হয় নিজের স্বার্থের জন্য তাকে ‘ব্যবহার’ করা। সত্যিকারের প্রেম কখনও ভালোবাসার মানুষের স্বাধীনতা হরণ করতে পারে না, বাধা হয়ে দাঁড়াতেও পারে না তার বিকাশের পথে। আর যে প্রেম শুধু বাঁধতে চায়, মুঠোয় পুরে রাখতে চায়, সেটা প্রেম নয়। সেটা নিয়ন্ত্রণকামিতার প্রকাশ মাত্র। সেটা হল নারীকে মুঠোয় পুরে রাখার এক মোহন কৌশল। সেটা হল নারীকে খাঁচায় ভরা। আর খাঁচা যদি সোনার তৈরি হয়, তবু তা খাঁচাই থাকে।

 

Love - 111
এসব অদৃশ্য শিকলের মধ্যে একটি মোহন শিকল হল ‘প্রেম’

 

হুমায়ূন আহমেদের আবেগঘন চিঠি পেয়ে গুলতেকিন পরীক্ষা ফেলে ছুটে গিয়েছিলেন আমেরিকায়। তিনি তখন বুঝতে পারেননি এই ‘চিঠি’, এই ‘আবেগ’ এবং এই ‘প্রেম’ প্রকৃত প্রস্তাবে ছিল পুরুষতন্ত্রের পুরনো সেই মোহন কৌশল। গুলতেকিনের প্রতি যদি হুমায়ূন আহমেদের ‘নিয়ন্ত্রণকামিতার খাদ-মেশানো প্রেম’ না থেকে ‘নিখাদ প্রেম’ থাকত তাহলে তিনি বরং স্ত্রীকে পরীক্ষা দিতে উৎসাহ দিতেন। উৎসাহ দিতেন যেন সে নিজেকে বিকশিত করতে পারে। গুলতেকিন অবশ্য পরবর্তীতে বিদ্রোহ করেছিলেন।

কিন্তু এই বিদ্রোহ সবাই পারে না। পুরুষতন্ত্রের মোহন কৌশলগুলো বুঝতে বুঝতেই অনেক নারীর জীবন পার হয়ে যায়।

প্রেমিক কিংবা স্বামীর প্রেমের জন্য প্রচুর ত্যাগ স্বীকার করে নারীরা। লেখাপড়া জলাঞ্জলি দেয়, ক্যারিয়ার ত্যাগ করে ইত্যাদি, ইত্যাদি। ত্যাগ স্বীকার করে আর মনে মনে ভাবে, এই তো লাইলি-মজনু মার্কা প্রেম আমি পেয়েছি। আহা কী আনন্দ, কী সৌভাগ্য, কী আহ্লাদ! (প্রকৃত প্রেমের কথা বলছি না)। আর সেসব নিয়ন্ত্রণকামী প্রেমের জন্য ত্যাগ স্বীকারের পর কী পায়? অশ্বডিম্ব! ক্রমে দেখা যায় সে প্রেমিক কিংবা প্রেমিক-স্বামীর হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়।

আরেকটি শিকলের নাম ‘মানসম্মান’।

“তুমি একা চাকরি করতে যাবে অন্য শহরে?”

“তুমি সভা-সমিতিতে বক্তব্য রাখবে?”

“তুমি মঞ্চে নাচবে বিয়ের পরও?”

“তুমি রাত করে বাড়ি ফিরবে?”

“বিয়ের পরও তোমার ছেলেবন্ধু কিংবা অফিসের পুরুষ কলিগরা বাড়িতে আসবে?”

“হায়! হায়! পরিবারের মানসম্মান সব যে চলে যাবে!”

মানসম্মান নামক শিকলটির যে কী বিচিত্র রূপ! কোথায় কখন কোন নারীর জন্য যে মানসম্মান চলে যায় তা বোঝাই মুশকিল! ব্রিটেনের সংবিধানের মতো– এই অলিখিত মানসম্মানের কোনো শুরু নেই, শেষ নেই। আর এই মানসম্মান রক্ষার দায় একমাত্র নারীর ঘাড়ে।

নারীকে বেঁধে রাখার আরেকটি শিকলের নাম ‘গয়না’।

একটা সত্যি ঘটনা শোনাই–

আমার এক বান্ধবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তুখোড় ছাত্রী ছিল। ফার্স্ট ক্লাস স্কোর নিয়ে প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উঠল সে। সেসময় এক বিয়ে বাড়িতে তাকে দেখে এক ধনীপুত্র ও তার মায়ের দারুণ পছন্দ হয়। বিয়ের প্রস্তাব, মেয়েটিরও সম্মতি দান এবং বিয়ে। বিয়েতে বউকে ৩০ ভরি সোনার গয়না দেয় ছেলেপক্ষ। মধ্যবিত্ত মেয়ের পরিবার আনন্দে আত্মহারা। অনার্স পরীক্ষার পরপরই প্রথম সন্তানের জন্ম। ‘বংশের বাতি’র মুখ দেখে শাশুড়ি এবার হীরার নেকলেস দেয় পুত্রবধূকে। মেয়েটি মাস্টার্সও পাশ করেছিল। তারপর যখন চাকরির খোঁজ করছে, তখন শাশুড়ির মৃদু অনুরোধ, “ছোট বাচ্চা ফেলে বাইরে নাই-বা গেলে বউমা।”

স্বামীরও তা-ই মত। চাকরির কী দরকার, বিশেষ করে খাওয়া-পরার যখন অভাব নেই। এমন ‘গহনাদাতা’ শ্বশুরবাড়ির অনুরোধ কি পায়ে ঠেলা চলে? আমার বান্ধবী এখন সেজেগুজে স্বামীর সঙ্গে দেশবিদেশ ঘোরে। সোনার শিকল পায়ে গয়না গায়ে অবিকল পোষা ময়নার মতো বুলি ছাড়ে! ইকোনমিক্সের তত্ত্ব কোথায় মুখ লুকিয়েছে, কে জানে!

মনে পড়ছে, আমি তখন উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী। পুরান ঢাকার এক বিত্তশালী পরিবার থেকে বিয়ের প্রস্তাব এল। মোতাশা (মহিলা ঘটক) আমার মাকে বলল, “আপনের মাইয়্যারে সোনায় মুইড়া লইয়া যাইব।”

আমার মা জবাব দিলেন,“তাহলে তো আমার মেয়ে দম বন্ধ হয়ে মরে যাবে। মানুষকে কি সোনায় মোড়ানো যায়? আমার মেয়ে এখন লেখাপড়া করছে, এখন বিয়ে দেওয়া যাবে না। বড় হয়ে মন চাইলে নিজের টাকায় অনেক গয়না কিনতে পারবে।”

আমার মায়ের মতো দেশের সব মা এবং মেয়ে যদি স্বর্ণশিকলকে এভাবে প্রত্যাখ্যান করতে পারত! যে গয়নার লোভে মেয়েরা নিজেদের স্বাধীনতা বিসর্জন দেয়, সেই গয়নাগুলোর মালিকও কি সত্যি তারা হয়? স্ত্রীকে কিনে দেওয়া স্বর্ণালংকারের মালিক আসলে কিন্তু স্বামীই থাকে। সে শুধু খেলার ছলে হার-দুল-চুড়িতে তার নিজস্ব ‘বার্বিডল’কে সাজায়, প্রয়োজনে আবার খুলেও নেয়। কখনও পুরনো বার্বির কাছ থেকে নিয়ে নতুন বার্বিকে পরায়, আবার কখনও সেটা ব্যাংকের লকারে রাখে ভবিষ্যতের সঞ্চয় হিসেবে।

সত্যি কথা হল, নারী তার নিজের উপার্জনে যখন কোনো গয়না কেনে (হোক তা পিতল, সোনা, রুপা, হীরা কিংবা মাটির) সেটাই তার অলংকার, সেটাই তাকে শোভা দেয়। আর অপরের দয়াদাক্ষিণ্যে যা কেনা হয় সেটা ‘শিকল’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

Jewellery - 333
সোনার শিকল পায়ে গয়না গায়ে অবিকল পোষা ময়নার মতো বুলি ছাড়ে! ইকোনমিক্সের তত্ত্ব কোথায় মুখ লুকিয়েছে, কে জানে!

 

নারীকে মুঠোয় পুরে রাখার সবচেয়ে মজবুত শিকলের নাম ‘সন্তান ও সংসার’। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর থেকেই নারীকে পাখিপড়া করে শেখানো হয়– ‘মা হওয়া মানেই নিজের সব আনন্দ, সব চাওয়া-পাওয়ার হিসাব ভুলে সন্তানের জন্য জীবনধারণ করা’। যেন মা রক্তমাংসের মানবী নয়, তার কোনো চাহিদা থাকতে পারবে না, পারবে না জীবনটা নিজের মতো করে যাপনের অধিকার।

‘বাবা’ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তো একজন পুরুষকে চাকরি ছাড়তে হয় না, নিজের সব সুখ-সুবিধা-ইচ্ছা-অনিচ্ছা ছাড়তে হয় না। একজন বাবা তো নিজের ক্যারিয়ার, নিজের সৃজনশীল কাজ সবই বজায় রাখতে পারে। কোনো অভিনেতা তো বাবা হওয়ার পর অভিনয় ছেড়ে দেন না, কোনো ক্রীড়াবিদ ছাড়েন না তাঁর পেশা, কোনো বিজ্ঞানীও ত্যাগ করেন না তাঁর গবেষণা।

কিন্তু মাকে কেন ছাড়তে হয় সবকিছু? কিংবা যদি ধরেও রাখতে চান তাহলেও আমাদের সমাজ তাঁর দিকে এমন চোখে চায় যেন তাঁর মধ্যে মায়ের মমতার অভাব রয়েছে। আর সন্তান ও সংসারের সঙ্গে নিজের স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধীনতা ধরে রাখতে গেলে কত যে মূল্য দিতে হয়, কত যে পথের কাঁটায় পায়ের রক্ত ঝরাতে হয় তা জানেন স্বাধীন নারী মাত্রই।

হ্যাঁ, মূল্য দিতে হয়। স্বাধীনতার জন্য অনেক, অনেক কিছুর মোহ ছাড়তে হয়। এসব শিকল ছিঁড়ে, ভেঙেই এগোতে হয় নারীকে। তার চলার পথটা তখন আর মসৃণ থাকে না বটে, তবু তো সে পথ তার জীবনটা কারাগারের বাইরে নিয়ে যায়।

যদি বাঁচতে হয় মানুষের মতো, নিজের মন বাঁচিয়ে রেখে, আত্মসম্মান সমুন্নত রেখে তাহলে পুরুষতন্ত্রের অদৃশ্য শিকলগুলো ভেঙেই এগোতে হবে। দাসনারীর মতো স্বাধীন নারীরা দৈহিক সুখ পায় না। তাদের কষ্ট করে নিজের ভাত নিজেকেই জোটাতে হয়। তাদের জীবনমান কিংবা সুখসম্ভোগও ধনীর গৃহের দাসনারীর চেয়ে অনেক কম হয়। কিন্তু তবু সে স্বাধীন। সে যা চায় তা করতে পারে। নিজের পথে চলতে পারে। সে বাার্বিডল হয়ে বাঁচে না, শিকলে বাঁধা পাখির মতো বুলি আওড়ায় না। সে হয়তো পুরুষ-প্রভুর প্রেম পায় না। কিন্তু তাকে কারও অধীন হয়ে বাঁচতে হয় না। সে নিজেই নিজের কর্ত্রী।

পুরুষতন্ত্রের আরও কিছু শক্তিশালী ও মোক্ষম শিকল অবশ্য রয়েছে। তবে সেগুলোর কথা আজ না-হয় থাক। সে কথা হবে অন্য কোনোদিন।

শান্তা মারিয়ালেখক; সাংবাদিক।

২৭ Responses -- “নারী, ছিঁড়ে ফেল সব মোহন শিকল”

  1. জি হক

    টুটুল ভাই, আপনার প্রতিক্রিয়া টি অত্যন্ত সুন্দর হয়েছে এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
  2. popo chowdhury

    অত্যন্ত সত্য এবং সাহসিকতাপূর্ণ লেখা, তাইতো অনেকের হজম করতে কষ্ট হচ্ছে..

    Reply
  3. সরকার জাবেদ ইকবাল

    যারা ‘জেন্ডার রোল’ এবং ‘সেক্স রোল’-এর পার্থক্য বোঝেন না, ‘জেন্ডার ইকুইটি’ এবং ‘জেন্ডার ইকুয়ালিটি’র সুক্ষ্ম ও জটিল বিষয়গুলো যাদের জানা নেই এবং সর্বোপরি যারা নিজস্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও অহঙ্কার সম্পর্কে কোনো ধারণা রাখেন না, তারাই এ রকম লেখা লিখতে পারেন। আমাদের দেশে একই দম্পতি বিগত ৬০-৭০ বছর যাবৎ সংসার করে যাচ্ছেন দেখে পশ্চিমারা হোঁচট খায়, আর এটাই আমাদের গর্ব, অহঙ্কার। তাই বলছিলাম, পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় জীবনটাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখুন; সবকিছু সুন্দর এবং স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

    Reply
  4. রহমত

    হতাশায় ভরপুর একটি লেখা।
    শান্তা আপু, স্বাধীনতা খুঁজতে গিয়ে হয়তো আপনি জীবন যুদ্ধে চুড়ান্ত পরাজিত হয়েছেন। অন্য নারীরা যখন বাস্তবিক স্বাধীনতার আনন্দে উদ্ভাসিত হন তখন আপনি পরাধীনতার জাঁতাকলে অন্তর্জালায় পিষ্ট হতে থাকেন, যার খেদোক্তি পুরো লেখায়!

    Reply
  5. জারজিস উল আলম

    আমাদের দেশে গত তিন চার দশকে শিক্ষা,মন-মনন,চেতনা ও আত্মবিশ্বাসে নারী যতটা অগ্রসর হয়েছে পুরুষ ততটা তাল মেলাতে পারেনি,ফলে নারীর এই উঠে আসাটাকে তারা সহজভাবে মেনে না নেয়ার কারনে একটা দ্বন্দ্ব তৈরী হয়েছে ।আর উত্তরাধীকার সূত্রে আমাদের দেশের পুরুষ রা পারিবারিক ভাবেই প্রভুমনোভাবাপন্ন মানসিকতা বহন করে।এই অচলায়তন নারীকেই ভাংতে হবে।তাকে শিক্ষিত এবং যোগ্যতা প্রমান সাপেক্ষে পুরুষ্ কে সভ্য করতে হবে।আমাদের কিছু পরিবারে নারীরা যথাযথ সু্যোগ পায় প্রতিষ্ঠিত হতে,কিন্তু সার্বজনীন ভাবে বাংলাদেশে নারীরা শিক্ষিত-অশিক্ষিত পরিবার নির্বিশেষে ব্যাপকভাবে নিগ্রহের শিকার।

    Reply
  6. Md.Enamul Kabir Sarker

    You’re trying to cast pearls before the swines. The rustic, vulgar, tasteless, and uneducated comments by the so-called Islamist have helped me reach this conclusion. However, keep it up! It’s not an easy or velvety road, rather you have to encounter a lot of uphills.

    Reply
  7. মোহাম্মদ

    এই বিষয়টা পুরোটা আপনার পারিবারিক বিষয়। এই বিষয়টাকে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার দুঃসাহস দেখাবেন না। কারণ আমাদের পুরুষতন্ত্রের সমাজে নারী স্বাধীন এবং সম্মানিত। এর বাহিরের স্বাধীনতা খোজতে গেলে নারীর সম্মানতো দুরে থাক দাসী হিসাবে নিয়োগ পাবে না।

    Reply
  8. Wahid

    শান্তা মারিয়া, সিলেটের এক মোল্লা (পরবর্তীতে হেফাজতে ইসলামের সদস্য) তাসলিমা নাসরিনকে বিয়ে করে হেদায়েত দিতে চেয়েছিল। যদি আপনার এই লেখা হেফাজতে ইসলামের চোখে পড়ে তাহলে তারাও আপনাকে বিয়ে করে হেদায়েত দিবে !

    Reply
  9. মোহসিনা খাতুন

    ভীষন সত্যি কিছু কথা বলেছেন । আর সত্যি কথা বললে গালি তো খেতেই হবে । ?

    Reply
  10. সাইফুল আলম

    লেখাটি পড়লাম। খুবই বাজে মতামত। আপনি কোন সমাধান পেশ করেনি। শুধুই বিদ্বেষ এঁকেছেন। পথিবী, পরিবার, সন্তান, সমাজ, নারী, পুরুষ যদি বিপরীতমুখী চলে, তবে পথিবী চলবে কিভাবে? একটা পরিবারে নারী-পুরুষ থাকে, তবে মা-বাবা, ভাইবোন ও সন্তান হিসেবে। তাদের পরিচয় শুধুই নারী বা পুরুষ নয়। তাই পরিবার হল একটা সামাজিক প্রতিষ্ঠান। কাজেই বিষয়টা নিছক মোহন টানের নয়। সামাজ ও সভ্যতার। মাথাব্যথার জন্য মাথা কাটার ফর্মুলা কোনোদিনই গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়।

    Reply
  11. Md oliullah hakim

    লেখিকা স্বাধীনতা অর্থ ভালো করে বুঝেন নাই! কোন এক সময় নারীদের বেঁচে থাকার অধিকার ছিলো না, ইসলাম এসে নারীদের বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে।

    Reply
  12. সাজেদ

    নারীর মানুষ হয়ে ওঠার প্রতিবন্ধকতার নিখুঁত বিশ্লেষণ। আর এখানে কিছু ‘পুরুষোত্তমের’ কমেন্ট পড়ে বুঝা গেল অনেক পুরুষই এখনও মানুষ হয়ে উঠতে পারেনি!

    Reply
  13. M. Rana

    Most rigid constraint of female’s slavery is originated from the Religion and the 2nd constraint is a Female them-self.

    If a female take care of 50% Family expenditure then 99% male will agree to do 50% of household tasks.
    Regarding childcare, mother is getting back from the child nearly 99% but father is getting Maximum 1%.
    I recount, my favors to my father was 1% but to my mother it was 99%.

    Reply
  14. নোমান

    এটা তো আপনার একঘেঁয়ে মনোভাব। আপনি নারী-পুরুষের যে তফাৎটার প্রতি আলোকপাত করেছেন তা অধিকাংশই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট। যদিও কিছুটা পুরুষদের থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ জন্য এটাকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বলা যাবে না। কারণ এতেই নারীর মঙ্গল, যা সর্বজন স্বীকৃত।

    Reply
  15. আবু জুবায়ের

    শান্তা আপা নারী শব্দটি আমার কাছে পুরুষতান্ত্রিক মনে হয়

    Reply
  16. lamisha haq

    Shanta maria, What’s your problem miss or mrs? Women now a days are not a helpless bunch that man can make them their play dolls and persuade them to give up their dreams. It seems as a woman yourself, you don’t give other women credit for asserting individuality. I find your article to be condescending and idiotic!
    Women are not that naive and show dolls as you seem to think they are. Get real. Don’t write nonsense. Instead see if you can fall in love and you will be singing the praises of your guy like a canary and of course you will whisper all the sweet little things in his ears after you get jewels and love. You need to be in love to get the meaning of complex man/woman thing. Okay?

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      Thanks Lamisha for your excellent response. This is called individuality and sense of love, respect and care to each other.

      Reply
  17. totol

    আর একটি কথা না বলে পারছি না, আপনার এই লেখাটিতে জাতিগত বিদ্বেষ এবং স্বাভাবিক জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণাও প্রকট।

    Reply
  18. totol

    চমৎকার লেখা। তবে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে নারীদের চাহিদা প্রধানত দায়ী, তাদের মানসিক গঠন, তাদের শারিরিক শক্তির ঘাটতি। একটি মেয়েকে ৯-১০ মাস বাচ্চা ধারণ করতে হয় আর পুরুষ কি তাকে সাহায্য করে না? সমান বলে কিছু হয় না। মানুষ তার প্রয়োজন ও যোগ্যতা অনুসারে সুবিধা ভোগ করে। এটা পুরুষ ও পুরুষেও ব্যবধান হয়। আমি বলছি না, নারীদের যোগ্যতা কম। তারা তাদের চাহিদা ও যোগ্যতা অনুযায়ী ভোগ করবে। এতে স্বাধীন বা পরাধীন কোনো ব্যাপার নেই। বর্তমান সময়ে নারীদের প্রাধান্য পুরুষের থেকে বেশিই। আর স্বাধীনতা সেটা মানসিক ব্যাপার। আমাকে ৮-১২ ঘণ্টা অফিসে থাকতে হয় পরাধীন এবং সেটা আমার পরিবার এবং আমার জন্য। আমি মনে করি আমার স্ত্রী আমার থেকেও অনেক বেশি স্বাধীন।

    Reply

Leave a Reply to জি হক Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—