টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ভারতের শহুরে দম্পতিদের অনেকেই মধুচন্দ্রিমা থেকে ফিরে এক মাসের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ওই প্রতিবেদনে ছাপা হওয়া বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদনকারী এক নারীর ভাষ্য এমন: “বিয়ের আগে আমরা তিন বছর মেলামেশা করেছি। কিন্তু আমাদের মধুচন্দ্রিমার (হানিমুন) সময় ওর মধ্যে অদ্ভুত রকমের পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। ওর প্রত্যাশা ছিল, ওর যাবতীয় কাজ আমি করে দেব। কিন্তু একটা সময়ের পর এটা আমার কাছে অসহ্য বলে মনে হল। ঠিক করলাম, এর চেয়ে দুজনে আলাদা হয়ে যাওয়াই শ্রেয়।”

বলাই বাহুল্য, আমাদের দেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় অধিকাংশ পুরুষ মনন-মতাদর্শে এক একজন ‘ব্যাটা’। এই ব্যাটা স্বামীরা বিয়ের পর নিজেকে সংসারের প্রধানকর্তা হিসেবেই দেখে এবং স্ত্রীর ওপর কর্তৃত্ব করা নিজেদের অধিকার মনে করে।

বিয়েপূর্ব ভালোবাসার মানুষটির এ ধরনের পরিবর্তন অনেক স্ত্রীর পক্ষেই মেনে নেওয়া কষ্টকর। তাছাড়া, এই কর্তৃত্ব-নিয়ন্ত্রণ প্রায়ই নির্যাতন-নিপীড়নের সূত্রপাত ঘটায়। এসব কে-বা পছন্দ করে! বিয়েপূর্ব প্রত্যাশা এবং বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধানের কারণে বিরোধ এবং অসুখী দম্পতির সংখ্যা আমাদের দেশেও কম নয়। তবে এমন পরিস্থিতিতে নারীরাই অধিক ভুক্তভোগী।

দুজন মানুষের মধ্যে অনেক বিষয়ে মতবিরোধ ও অসন্তুষ্টি সৃষ্টি হতে পারে। যেমন: অসংবেদনশীলতা, কর্তৃত্ববাদী আচরণ, কৃপণতা, প্রতারণা, শিষ্টাচার, ক্রোধ, মিথ্যা বলা ইত্যাদি। আমাদের দেশে বিয়ে মানে দুই পরিবারের সম্পর্ক এবং সে ক্ষেত্রে পরিবারের অন্য সদস্যদের মানসিকতা, মূল্যবোধ, আচার-আচরণ বিবাহিত দম্পতির সম্পর্ক প্রভাবিত করে; নেতিবাচক ও ইতিবাচক দুভাবেই।

অনেক স্বপ্ন নিয়ে একজন নারী নতুন জীবন শুরু করে। কিন্তু অনেকেই বিয়ে-পরবর্তী স্বামী-শ্বশুরকুলের অযাচিত কর্তৃত্ব, আবদারের সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খায়। পরিণামে সংঘাত ও স্বপ্নভঙ্গ; পরবর্তীতে বিচ্ছেদ অথবা অসুখী দাম্পত্যের ঘানি টানা। এমনকি জানাশোনা এবং প্রেমের বিয়েতেও এমনটা ঘটে।

দম্পতি-বিষয়ক মনস্তাত্ত্বিক পিটার পিয়ার্সনের (Peter Pearson) মতে, “একই ‘মূল্যবোধ’ ধারণ করে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া হচ্ছে সম্পর্কের ‘পবিত্র ঈপ্সিত বস্তু’ এবং এটাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে।”

[Finding someone who shares the same core values as you is the holy grail of relationships and will make a partnership sustainable.]

 

Break up - 111
বিয়েপূর্ব ভালোবাসার মানুষটির এ ধরনের পরিবর্তন অনেক স্ত্রীর পক্ষেই মেনে নেওয়া কষ্টকর

 

অথচ আমাদের দেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ছেলের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্পদ এবং সামাজিক অবস্থা গুরুত্ব পায়; সে তুলনায় মূল্যবোধ-আদর্শ, সংবেদনশীলতা এবং সামাজিক যোগ্যতা অনেকটাই উপেক্ষিত। এর ফলে, অনেক নারী বিয়ে-সংশ্লিষ্ট প্রতারণা, নিপীড়ন ও লাঞ্ছনার শিকার হন।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সঙ্গী নির্বাচনে বিয়ের পূর্বে একে অপরকে জানাশোনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কীভাবে?

আয়োজন করা বিয়েতে আমাদের সমাজের প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে, প্রাথমিক পছন্দের পর কয়েকদিন দুজনের একসঙ্গে বাইরে বেড়ানো, সিনেমা দেখা বা রেস্তোরাঁয় খাওয়া। প্রেমের বিয়েতেও তা-ই হয়; তফাত শুধু সময়ের পরিমাণ।

প্রেমের বিয়েতে বিয়েপূর্ব অধিক সময় ঘোরাঘুরি চলে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই ওই নির্দিষ্ট সময়ে দুজনেই পরস্পরের সামনে সবচেয়ে ভালোভাবে নিজেকে উপস্থাপন করে এবং সর্বোচ্চ ‘পারফরমেন্স’ দিয়ে একে অপরকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করে।

এই নির্দিষ্ট সময়ে দেখাসাক্ষাতে পরস্পরকে উপলদ্ধি করা, একজন মানুষের পারিবারিক মূল্যবোধ অনুধাবন করা কঠিন; অনেক সময় অসম্ভব। বিশেষ করে, যেসব বিয়ে পারিবারিকভাবে আয়োজন করা হয়।

উদার সমাজব্যবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়েপূর্ব ‘একত্র-বসবাসের’ (Living Together) সুযোগ আছে। অনেক যুগল এই ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করে। অনেকে বিয়ের আগেই বাচ্চা নেয় এবং সুবিধামতো সময়ে বিয়ে করে। এই ব্যবস্থার পক্ষে দর্শন হচ্ছে, একসঙ্গে বসবাসে একে অপরের মূল্যবোধ, আদর্শ, পছন্দ-অপছন্দ এবং ভালোবাসার গভীরতা ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায় এবং তাতে দম্পতিদের মধ্যে কম ঝামেলা হয়।

বিতর্ক হতে পারে তাদের সম্পর্ক/বিয়ের স্থায়িত্ব নিয়ে। এটা ঠিক যে, এই ব্যবস্থায়ও অনেকের বিচ্ছেদ হয়। তবে তারা যতদিন একসঙ্গে থাকে ততদিন অধিকাংশই আনন্দময় সময় কাটায়। অন্যদিকে আমাদের সংস্কৃতিতে দীর্ঘ বিবাহিত জীবনের সুনাম আছে, কিন্তু এই জীবনের অন্তরালে অনেক নারীর বেদনা, বঞ্চনা এবং নির্যাতনের করুণ কাহিনিও কম নয়; যা অব্যক্ত থেকে যায়।

একত্র-বসবাসের সুফল থাকলেও আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে তা স্বীকৃত নয়। তাছাড়া, পুরুষতান্ত্রিক সমাজকাঠামোর কারণে আমাদের দেশে নারী-পুরুষের অবস্থান এখনও ভারসাম্যহীন। সেজন্য একত্র-বসবাস ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন ও শোষণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল।

কিন্তু বিয়ে-পূর্ব সঙ্গীর মূল্যবোধ-আদর্শ-শিষ্টাচার এবং সম্পর্ক যাচাইয়ের বর্তমান পদ্ধতির আমূল সংস্কারও আবশ্যক মনে করি। আমাদের সমাজ-সংস্কৃতির আলোকেই সে সংস্কার হতে হবে। এ বিষয়ে আমার প্রস্তাব:

আয়োজিত বা প্রেমের বিয়ে যা-ই হোক, প্রাথমিক সিদ্ধান্তের পর ছেলে এবং মেয়ে দুজনেই পরস্পরের বাবা-মায়ের বাড়িতে তিন থেকে পাঁচ দিনের জন্য অতিথি হবে। চাইলে সঙ্গে একজন বন্ধু/আত্মীয় নিতে পারে। তবে মেয়েদের অতিথি হওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অধিকাংশ সময় মেয়েরাই নিপীড়নের শিকার হয়।

মেয়ে যখন ছেলের বাড়িতে অতিথি হবে সে সময় হবু বর তার পরিবার ব্যবস্থাপনা করবে। বরটি অন্তত একদিন বাড়ির জন্য বাজার করবে এবং রান্না করতে পারলে আরও ভালো। অতিথিসহ সবার জন্য সঠিক সময়ে খাবার এবং সংসারের দৈনন্দিন কাজকর্মের দেখভাল নিশ্চিত করবে।

মেয়ের পর্যবেক্ষণের বিষয় হবে, হবু বর পারিবারিক পরিবেশে কতটা দায়িত্বশীল। যেমন: বাজার করা, রান্না করার দক্ষতা, বাড়িঘর সামলানো এবং কাজের লোকসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি কতটা সহানুভূতিশীল, সে কতটা আত্মনির্ভরশীল, উদার এবং নির্ভরযোগ্য।

ঘরোয়া-বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এবং ছোটখাটো সমস্যা সমাধানে সে কতটা দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী বা অন্যের দ্বারা কতটা প্রভাবিত ইত্যাদি। সে কি কর্তৃত্ববাদী নাকি অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

 

Relationship - 222
বিয়ে-পূর্ব সঙ্গীর মূল্যবোধ-আদর্শ-শিষ্টাচার এবং সম্পর্ক যাচাইয়ের বর্তমান পদ্ধতির আমূল সংস্কারও আবশ্যক মনে করি

 

উল্লেখ্য, যে কর্তৃত্ববাদী এবং যে অন্যের কর্তৃত্ব হজম করে– এ দুদলই বিপদজ্জনক। যেমন: যে ছেলে তার স্বজন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, ওই ছেলের স্ত্রীর ওপর সেই স্বজনরা কর্তৃত্ব করা জায়েজ মনে করে।

এ প্রক্রিয়ায় অতিথি মেয়ে হবু শ্বশুরবাড়ি সম্পর্কে অবহিত হবে; সেই পরিবারের মূল্যবোধ-আদর্শ-সংস্কৃতি এবং জীবনাচার সম্পর্কে ধারণা নেবে। একইভাবে সে বাড়ির লোকজনও অতিথির আচার-আচরণ, ব্যক্তিত্ব, সংবেদনশীলতা এবং দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে একটা ধারণা পাবে।

একইভাবে ছেলে হবু কনের বাড়িতে অতিথি হবে। এই আতিথ্য-পর্বে ছেলে ও মেয়ে একই বাড়িতে সহ-অবস্থান (Staying Together) করবে। এতে বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে, অথবা মত পরিবর্তন হতে পারে; দুপক্ষকেই তা সহজভাবে মেনে নিতে হবে।

এই পদ্ধতির সুফল অনুধাবনে একটা তুলনামূলক ক্লাসিক উদাহরণ হতে পারে হুমায়ূন আহমেদ, গুলতেকিন খান ও মেহের আফরোজ শাওন।

বিয়ের পূর্বে গুলতেকিন খুব সীমিত সময়ের জন্য হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছিলেন, যা হয়তো পরস্পরকে বোঝার জন্য যথেষ্ট ছিল না। অন্যদিকে পরিচয়ের পর হুমায়ূন আহমেদ ও শাওন দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন। কাজের জন্য শাওন নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে অবস্থান করেছেন। এতে তাদের পরস্পরের মূল্যবোধ, পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে ভালো বোঝাপড়া হয়েছে। এঁদের সম্পর্কের পরিণতি আমরা সবাই জানি।

আমাদের নানি-মা-খালারা বিয়েপূর্ব পরস্পরকে জানাশোনার কথা চিন্তাই করতে পারতেন না। সময়-পরিক্রমায় সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।

অনেক মেয়ে এখন শিক্ষা, আর্থিক এবং সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী। এর ফলে তারা আত্মবিশ্বাসী এবং ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে সচেতন। নিপীড়নমূলক সম্পর্ক, স্বামীর অন্যায় কর্তৃত্ব এবং অবমাননাকর আচরণ মুখ বুজে সহ্য করার কুসংস্কৃতি তারা চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম।

অধিকাংশ মেয়ে নিজেই পছন্দ করে সঙ্গী বাছাই করে। অনেকে দীর্ঘ সময় নিয়ে হবু বরকে বোঝার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে সব সময় স্বপ্ন পূরণ হয় না। পরস্পরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসার গভীরতা, একে অপরের মূল্যবোধ-আদর্শ-নীতি, যতটা সম্ভব সঠিকভাবে উপলদ্ধির জন্য আরও এক ধাপ অগ্রসর হওয়াটা জরুরি। যেমন: একসঙ্গে অবস্থান করা (Staying Together)।

আশা করি, সঠিক সঙ্গী বাছাইয়ে আমাদের মেয়েরা আরও সাহসী হবে। কারণ, আত্মবিশ্বাসীরাই সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রাখে।

কোনো পদ্ধতিই নিখুঁত নয়। তাই এ পদ্ধতিতে সব সময় সফলতা আসবে– এমনটা মনে করা ঠিক হবে না। তবে এতে হয়তো সঠিক সঙ্গী নির্বাচনে সুবিধা হবে এবং বৈবাহিক প্রতারণা ও নিপীড়ন প্রতিরোধ করা যাবে। বিশেষ করে, দাম্পত্য জীবনে ছেলেদের সমর্থন এবং সহযোগিতামূলক মানসিকতার উন্নতি হবে।

সীনা আক্তারসমাজবিদ, প্যারেন্টিং পেশাজীবী

৬৮ Responses -- “সম্পর্ক, বিয়ে; অতঃপর…”

  1. চুরুৎ

    “অথচ আমাদের দেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ছেলের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্পদ এবং সামাজিক অবস্থা গুরুত্ব পায়”

    সম্পূর্ণ ভুল ধারণা, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা সামাজিক অবস্থার চেয়ে সম্পদের ব্যপারটা বেশী গুরুত্ব পায়, আর এটা শুধু আমাদের দেশেই না, গোটা পৃথিবীতেই এরকম, এমনকি আপনাদের “পশ্চিমা উদার সমাজ ব্যবস্তা”র দেশেও তাই, বরং ঐখানে সম্পদের ব্যপারটা আরও বেশী গুরুত্ব পায়, এমনকি আমাদের দেশ থেকেও।

    যেমন আমেরিকায় যে ছেলে ভালো চাকুরী/ব্যবসা করে না, বা যে ছেলের পক্ষে একটা বাড়ি, ২টা গাড়ী এবং সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার খরচ যোগানোর কোন সম্ভাবনা নেই, তার পক্ষে বিয়ে করা খুবই কঠিন, হয়ত তার সাথে কেউ কেউ দুই একদিন প্রেম করতে পারে, কিন্তু ভুলেও তাকে বিয়ে করতে চাইবে না, এমনকি মহিলা চাকুরীজীবি হলেও না। ক্ষেত্রবিশেষে ছেলের বয়স ৪০ পার হয়ে যায়, তবুও বিয়ে হয় না। দেখা যাচ্ছে “উদার সমাজ ব্যবস্থায়” বেড়ে ওঠা নারীরা এব্যপারে মোটেও “উদার” নন।

    Reply
  2. Kazi

    বিয়ের সময়ে বলে নেওয়া উচিত। এমন কোন কাজ আমরা করবো না যা ধর্মবিরোধী।
    এবং কোন সমস্যা হলে ধর্মীয় আলোকে সমাধান হবে।

    Reply
  3. Pikul Khan

    যে কোনো সম্পর্কের মোট কথা হল পারস্পারিক বিশ্বাস, ভালবাসা, মূল্যবোধ ও আন্তরিকতা। তাছাড়া যে কোনো সম্পর্কই ভিত্তিহীন! তাই লেখিকাকে অনুরোধ করব এসব অযাযিত কথা না লিখে Please Positive কিছু লিখেন ।
    নতুন একজন তসলিমা নাসরিন দেখতে চায় না বাংলাদেশ।

    Reply
  4. রেদওয়ান হক

    সরল কথায় ’লিভ টুগেদার’ মানে হলো বিবাহ বা আইনগত বাধ্যবাধকতা ছাড়া একসাথে সংসার-জীবন যাপন করা। এতে কার লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি? পুরুষের না নারীর? লিভ টুগেদার করার কারনে যদি কোন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ে, তাহলে গর্ভকালীন সময়ে, সন্তান জন্মের সময় এবং সন্তান জন্মের পর সেই মেয়ে এবং তার সন্তানের দায়িত্ব পালন করার কোন বাধ্যবাধকতা পুরুষটির থাকে না। আইনগত, ধর্মীয় বা সামাজিক নিয়মের বাধ্যবাধকতার বাইরে ’লিভ টুগেদার’ সম্পর্কের পরিনতিও হয় ভয়াবহ। কারণ, এতে করে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা খুব অল্প বয়সে, একটা সম্পর্কের কর্তব্য ও দায়িত্ব বোঝার এবং সেই দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত হওয়ার আগেই দাম্পত্য সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়ে নিজেদের হারিয়ে ফেলে এবং অধিকাংশ ছেলে-মেয়েই আর এই ধাক্কা সামাল দিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনকে গড়ার সুযোগ পায় না।

    দায়-দায়িত্বহীন সেক্সুয়াল রিলেশন আর টাকা দিয়ে সেক্স কেনার মধ্যে পার্খক্য কোথায়? নিজেকে কনডম বানানোর মধ্যে (দরকারের সময় ব্যবহার করা এবং দরকার শেষ হয়ে গেলে ’ময়লা’ সহ টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দেওয়া) সিনা আক্তার কি ধরনের গৌরব দেখতে পাচ্ছেন?

    যে সম্পর্কের ১০০% ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবন নারীর, যে সম্পর্ককে কোনো ধর্মই সাপোর্ট করে না, আইন সাপোর্ট করে না, সমাজ সাপোর্ট করে না, মানব ইতিহাস সাপোর্ট করে না এবং সমাজবিজ্ঞানও সাপোর্ট করে না, সেই ধরনের একটা সম্পর্ককে এবজন নারী হিসেবে লেখিকা সিনা আক্তার কীভাবে সাপোর্ট করে গেলেন– বুঝি না! নারীর স্বাধীনতার মানে তো এই না যে, ইচ্ছা করে নিজের জীবনকে ধ্বংস করতে হবে। লেখিকার মাথা ঠিক আছে তো! নাকি বয়সের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ার উনার ব্যক্তিগত ইচ্ছাটা অন্যদের উপর দিয়ে চালিয়ে দিতে চেয়েছেন! বিডিনিউজ২৪-এর সম্পাদকেরও কি মাথা গুলিয়ে গেছে? নইলে এই ধরনের সমাজ-বিধ্বংসী এবং মানসিক বিকারগ্রস্ত লেখকের আর্টিক্যাল উনি প্রচার করেন কিভাবে?

    Reply
  5. zamal uddin

    “দুজন মানুষের মধ্যে অনেক বিষয়ে মতবিরোধ ও অসন্তুষ্টি সৃষ্টি হতে পারে। যেমন: অসংবেদনশীলতা, কর্তৃত্ববাদী আচরণ, কৃপণতা, প্রতারণা, শিষ্টাচার, ক্রোধ, মিথ্যা বলা ইত্যাদি। আমাদের দেশে বিয়ে মানে দুই পরিবারের সম্পর্ক এবং সে ক্ষেত্রে পরিবারের অন্য সদস্যদের মানসিকতা, মূল্যবোধ, আচার-আচরণ বিবাহিত দম্পতির সম্পর্ক প্রভাবিত করে; নেতিবাচক ও ইতিবাচক দুভাবেই।” কিন্তু দাম্পত্য জীবনে নারীরা স্বামীদের ব্যাপারে অনেক বেশি নাক গলায়…

    Reply
  6. আরিফুল ইসলাম মিঠু

    লেখাটি আমার পছন্দ হয়েছে। ধারনাটি বাস্তবায়ন করা দরকার।

    Reply
  7. নাঈম

    সম্পাদকদের মতামত ছাপাতে আরো দায়িত্ব জ্ঞ্যানবোধের পরিচয় দেয়া উচিত

    Reply
  8. রফিকুল হাসান খান

    লেখিকার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে ?
    পুরুষশাসিত এই পৃথিবীতে বিবাহপূর্ব সম্পর্ক যদি সীমা অতিক্রম করে তাহলে সামান্য ভুলে চরম ক্ষতি হয় মেয়েটির–
    ১- জানাজানি হয়ে গেলে ঐ ছেলেটি ছাড়া কেউ সহজে বিয়ে করবে না
    ২- সন্তান হয়ে গেলে সেই সন্তানের পরিচয় সারা জীবনে কষ্টের
    ৩- বিয়ের অনুষ্ঠান বা বাসর রাতের যে বিশাল অনুভুতি তা কোনদিন পাবে না
    ৪- পরবর্তী সময়ে গ্লানিকর পরিস্থিতি হতে পারে
    যদি বলেন তাহলে যাচাই করবেন কিভাবে? অবশ্যই অবৈধ পথে না গিয়ে বৈধভাবে খোঁজ নিন, পেয়ে যাবেন
    আর বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বাড়লেও সমাজের অন্যসব খারাপ কিছুর তুলনায় বেশি নয়। মানুষ যেভাবে ‘সুদ-ঘুষ-দূর্নীতি-চাঁদাবাজি’র সাথে আপস করে চলছে তাতে খারাপ উপসর্গ (side effect) হিসেবে বিবাহ বিচ্ছেদ আরো অনেক বেশি হওয়াই উচিত, তাতে করে হয়তো আমরা থমকে দাঁড়াব (দুর্নীতি থেকে)

    Reply
  9. নূর গণী ইসলাম

    সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু ঢালাওভাবে পুরুষদের কাঁধে দোষারোপ করাটা ঠিক কী? সমাজ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থেকে বের হয়ে কোনো নতুন পদ্ধতি সমাজে কেবল সমস্যাই সৃষ্টি করবে না বরং অমঙ্গলও বয়ে আনবে বটে। পরিসংখ্যান দেখলে সহজেই বুঝা যায় যে দীর্ঘ দিন প্রেম করার পর যে দম্পতি বেশিদিন টিকে না সেখানে (staying together) কতটুকু সুফল আনতে পারে? তাছাড়া এমন অনেক মেয়ে আছে যারা বর-এর মা-বাবার সাথে থাকতে চান না, তখন বর বেচারা না পারে বউয়ের কথা মানতে না পারে মা-বাবাকে ছাড়তে। অবশেষে হয় ডিভোর্স না হয় মা-বাবার গন্তব্য হয় বৃদ্ধাশ্রম।

    Reply
  10. ছিদ্দিকুর রহমান

    কোনো মুসলিম নারী এরকম লেখালিখি করতে পারে না।

    Reply
  11. সরকার জাবেদ ইকবাল

    পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমানাধিকার, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি বিষয়গুলো শেখার জন্য পশ্চিমা সভ্যতার দিকে তাকানোর কোন প্রয়োজন নেই। আর, ওরা যেখানে ‘ভিন্ন স্বাদ’ নেয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রী বদলাবদলি করে থাকে সেখানে বিয়ের আগে যাচাই করে নেয়াতো কোন অর্থই বহন করে না। কাজেই বলছিলাম, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালবাসা, দায়িত্বশীলতা শেখার জন্য পবিত্র কুরআন এবং হাদিসই যথেষ্ট। এসব ক্ষেত্রে যারা ইসলামের অপব্যাখ্যা করে এবং অন্যায় সুযোগ নিয়ে থাকে তাদের কথায় কান না দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

    Reply
  12. মোঃ হেলাল উদ্দিন

    লেখার স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা লেখা নয় । ঠিক বলার স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা বলা নয় । বিষয়গুলো মাথায় রেখে কিছু লিখা বা বলা উচিৎ।

    Reply
  13. abdur Rahman

    সম্পাদকদের মতামত ছাপাতে আরো দায়িত্ব জ্ঞ্যানবোধের পরিচয় দেয়া উচিত ।

    Reply
  14. Lutfunnesa

    আমার মতে একজন ভাল মানুষ স্বামী হিসাবেও ভাল হয়। বিয়ের আগে ভাল মানুষ, স্বামী হয়ে গেলেই খারাপ মানুষ হয়ে যায়,এটা কোনো বাস্তবসম্মত কথা নয়। সমস্যাটা অন্য যায়গায়। সেটা বুঝতে পারার মত বিচক্ষণতা আপনার নেই। আপনার পথে সমাধান অসম্ভব।

    Reply
  15. Abdul Kaium

    That’s not right.
    বিবাহপূর্ব একসাথে অবস্থান করা একবারে সর্বসম্মত হারাম কাজ।
    মর্ডান কালচারের গোলামী না করে সঠিক ধর্মীও পথে চললেই সর্বক্ষেত্রে লাভ।

    সম্পাদকদের মতামত ছাপাতে আরো দায়িত্ব জ্ঞ্যানবোধের পরিচয় দেয়া উচিত ।

    Reply
  16. Md. Jahan Ali

    Marriage is not a matter of emotion. Couple come from 2 different families. So some dissimilarity may have, and it is acceptable. But adjustment is main; respect, believe and sacrifice each others is must, then problems may overcome.

    Reply
  17. রহিম মাহমুদ

    আপা আপনি বিষয়টির কিছু অংশ ঠিক লিখেছেন। আবার কিছু অংশ আপনার মত প্রকাশ করেছেন। তবে সকল ধর্মই লিভ টুগেদারকে অবৈধ বলেছে, তাই আমাদের দেশে ধর্মীয় বা রাষ্টের আইনে ও তা অবৈধ। তাই এই বিষয়ে পরবর্তীতে আরও জেনে লেখবেন আশা করি।

    Reply
  18. সাদিদ

    আপনার পরিসংখান সঠিক না । ভুলে ভরা তথ্য নিয়ে এত আলোচনা, সত্যি আশ্চর্য !!!

    Reply
  19. alia

    আপু, আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছি না। আমাদের দেশের সব ধর্মের মানুষরা “living together or staying together” এগুলোকে নীতির বিরোধিতা হিসাবে মানে। অনেকেই আবার এগুলোকে খারাপভাবে ব্যবহার করে। আপনার চারপাশ ভাল করে দেখলে জানবেন যারা “live together”-এ বিশ্বাস করে, বিয়ের পূর্বে এদের বাচ্চাদের মায়ের কোলে জায়গা না হয়ে নালা অথবা ডাস্টবিনে জায়গা হয়।
    এত কঠিন করে বুঝানোর কি দরকার? বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব আর একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলে সম্পর্ক আমৃত্যু টিকে থাকে। সঙ্গীকে শুধু ভালবাসতে নয়, তাকে সম্মানও দিতে হয়। আর যদি কোনো নারীর সাথে অন্যায় করা হয়, তাহলে ওই নারী অবশ্যই তার সঙ্গীকে ত্যাগ করতে পারে। নারী মানে এটা না যে আমরা পুরুষের নির্যাতন সহ্য করব।
    সব পরিবারে কিছু না কিছু সমস্যা থাকে, এমন কোনো পরিবার নাই যেখানে সমস্যা নেই। অনেকে আছে যারা কথা বলে সমস্যা সমাধান করে, তাদের সুযোগ দেয় আবার কেউ সমস্যা থেকে বের হতে আলাদা হয়ে যেতে চায়। যার যার মনমানসিকতার উপর এগুলো নির্ভর করে।
    তবে ‘ভালবাসা’, ‘শ্রদ্ধা’, ‘বোঝাপড়া’ আর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ‘বন্ধুত্বপরায়ন মনোভাব’
    থাকলে যে কোনো সম্পর্কই সকল বাধাবিপদের মধ্যে টিকে যায়। আর এগুলো থাকলে কোনো সম্পর্ক স্থায়ী করতে ‘living together or staying together’ নামের কোনো নিম্নমানের প্রভাবকের দরকার হয় না।

    Reply
  20. তারেক

    হাস্যকর প্রস্তাব। বিবাহের মূলভিত্তি হল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস। এটুকু থাকলেই বিবাহ সুখের হয়।

    Reply
  21. N JAMAN KHAN

    আসলে কি বলব বুঝতে পারছি না… আপনার মতো নারীরা সমাজের কীট… স্টার জলসা যেমন আমাদের সমাজের মেয়েদের মাথা খাচ্ছে, তেমনি আপনার মতো তথাকথিত কিছু লেখকলেখিকা আামাদের মা-বোনদের মাথা খেয়ে নিজেদের আবার সাহসী বলে অভিহিত করছেন… ধিক্কার জানাই আপনাকে, আপনার লেখাকে…

    Reply
  22. জসীম,পতেংগা, চট্রগ্রাম

    একটি সংসারে আগুন লাগাতে বা ভাঙতে একটি মেয়েই (বোন,মা,শ্বাশুড়ি,বান্ধবী) যথেষ্ঠ, পুরুষরা কিন্তু অতটা নয়!

    Reply
  23. Md Bayzid khan

    এসব লেখিকরাই পারে কুমারী মেয়েদের, আর সুখি পরিবারে আগুন লাগাতে

    Reply
  24. paharpury

    শান্তির জীবন- যাপন একমাত্র ইসলাম ধর্মে আছে । আল্লাহ পাকের বিধানের বাহিরে নারী- পুরুষের সম্পর্কে শান্তি নাই।

    Reply
  25. Shahnaz1668@Gmail. Com

    ছেলে মেয়ের বাড়িতে কিছুদিন থাকবে আর মেয়ে ছেলের বাড়িতে! এটা একটা অবাস্তব উদ্ভট প্রস্তাব!

    Reply
  26. Hasan Monju

    ফালতু মেয়ের ফালতু কথা! আপনার লিভটুগেদার মজা লাগলে করুন গিয়ে। জ্ঞান দিতে আসবেন না। আপনাকে একটা জ্ঞান দিই, পারলে নিজের সন্তানদের দিন। শুনুন স্টেনলি হ্যোল বলেছিলেন, “if you teach your children 3R (Reading, Writing, Arithmatic), leave 4th R that is religion, as result, you will get fifth R that rascality” এই শিক্ষা আপনি পাননি তাই আপনার মাথায় এসব বাজে ভাবনা আসে। অাল্লাহ আপনাকে সঠিক জ্ঞানের অনুশীলন করার যোগ্যতা দান করুন।

    Reply
  27. হামিদী

    প্রথমেই লিখলেন ভারতে যারা বিবাহ বিচ্ছেদ করছে তারা বিয়ের আগেই ২-৩ বছর ব্যাবিচার করছে। তাহলে তাদের সংসার কিভাবে টেকে? সে তো তার সাথে শারীরিক সম্পর্কের মজা আগেই পেয়ে গেছে! এখন তো অফিসের নতুন কারো সাথে কাজ করতে পারলে নতুন কিছু পাওয়া যায় কি না সেই চিন্তা.. আসলে আপনারা পশ্চিমা দেশে যেয়ে এখন আমাদেরও পশ্চিমা বানাতে চাইছেন। যাতে আপনারাও যত্রতত্র ব্যভিচারে লিপ্ত হতে পারেন!

    Reply
  28. মোঃ খুরশিদ।

    আসলে যত বড় পিএইচডি নেওয়া হয় না কেন তার মধ্যে যদি ইসলামী জ্ঞান না থাকে তাহলে ঐ শিক্ষা মূল্যহীন। নূন্যতম ইসলামি জ্ঞান থাকলেও লেখিকা এভাবে চিন্তা করতে পারতেন না।
    হায়রে শিক্ষা…

    Reply
  29. zaheer ahmed ibn turab

    জঘন্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বিদঘুটে রুচির সাপ্লাই। নোংড়া সমাজের বাস্তব উদাহারণ।বিতর্কের ঊর্ধ্বে গিয়ে কি তিনি তার বিয়ের ব্যাপারটি সুখ-দুঃখ বুঝাপড়ার বিষয়টি সামনে রাখতে পারতেন না? লেখিকা চতুরতার দ্বারা বহুগামিতার কুফল ঢাকতে নিজেদের বেশি চালাকীর অন্তরালে প্রতারিত হওয়ার বাস্তবতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, উভয়ের দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসাকে শুধুই শারিরিক অবৈধ সম্পর্কের দ্বারা মাপলেন। একবার ও আজকের আধুনিকতার বিপরীতে সভ্যতার উত্তম উদাহারণগুলো টানলেন না। So Sad! Shame On This Mind! Its Not Legal for Provide & Promote. We r Not Support Any Wrong Advice Our Historical & Trusted Relationship. Shame Shame!!

    Reply
  30. zaheer ahmed ibn turab

    জঘন্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বিদঘুটে রুচির সাপ্লাই। নোংড়া সমাজের বাস্তব উদাহারণ।বিতর্কের উর্ধে গিয়ে কি তিনি তার বিয়ের ব্যাপারটি সুখ-দুখ বুঝাপড়ার বিষয়টি সামনে রাখতে পারতেন না? লেখিকা চতুরতার দ্বারা বহুগামিতার কুফল ঢাকতে নিজেদের বেশী চালাকীর অন্তরালে প্রতারিত হওয়ার বাস্তবতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, উভয়ের দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসাকে শুধুই শারিরিক অবৈধ সম্পর্কের দ্বারা মাপলেন। একবার ও আজকের আধুনিকতার বিপরীতে সভ্যতার উত্তম উদাহারণগুলো টানলেন না। So Sad! Shame On This Mind! Its Not Legal for Provide & Promote. We r Not Support Any Wrong Advice Our Historical & Trusted Relationship. Shame Shame!!

    Reply
  31. অন্তর

    ১। বিয়ে না করে ” লিভ টুগেদার ” এর পক্ষে সাফাই গাইলেন।
    ২। আপনি নিজে নারী হয়ে ও নারী জাতিকে টেনে নিচের দিতে নামিয়ে আনতে লজ্জা লাগল না।
    ৩। পৃথিবীর কোনো ধর্মই মানুষকে নগ্নতা-অশ্লীলতা শিখায় না। সবাই যার যার ধর্মের দিকে তাকান।

    Reply
  32. সজল

    সম্পাদকদের মতামত ছাপাতে আরো দায়িত্ব জ্ঞ্যানবোধের পরিচয় দেয়া উচিত ।

    Reply
  33. অাতিকুর

    লেখিকার নাম সীনা আক্তার। নাম দেখে মুসলিম মনে হচ্ছে। কিন্তু তিনি বিবাহপূর্ব (Staying together)-কে বৈধ বলে গ্রহণ করেছেন এবং এটা করতে পরামর্শ দিয়েছেন। এই বিবাহপূৃর্ব (staying together) একসাথে অবস্থান করা একবারে সর্বসম্মত হারাম কাজ। ইসলামের নিয়ম হল কোন সর্বসম্মত হারাম কাজকে হালাল/বৈধ মনে করলে সে ব্যক্তি কাফির হয়ে যাবে। অার মুসলিম থাকবে না। যদি সে এটা জেনে বুঝে করে এবং করতে বাধ্য না হয়ে থাকে। তাই অাপনাকে জানিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করলাম। অামি ফতোয়া দেই না, এটা অালেমরা দিতে পারেন। শুধু তথ্য জানিয়ে দিলাম। মুসলিম হয়ে থাকলে তাওবাহ করার অনুরোধ রইল…

    Reply
  34. Rumi

    ধর্মের দোহাই যারা দেয় তারা কেবল নারীকে বন্দি রাখার সুযোগ খোঁজে। কমেন্টস পড়লে মাঝে মাঝে মনে হয় কোথায় আছি! যত স্বাধীনতা সব পুরুষের জন্য জায়েজ হয়ছে? পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলালে তো নারীরা একটু শান্তিতে চলতে পারে। ওটা একেবারেই অসম্ভব না! কারো মনের কথা না বুঝে শুধু ক্ষমতা দেখিয়ে কাউকে বাদী-কাম-বউ বানিয়ে রাখা কোনো উন্নত জাতির লক্ষণ না।

    Reply
    • tariq

      Dear Rumi, Marriage is a agreement to live with peace together by giving honor each to other as well as their family. But if someone don’t feel comfort of course she/he can divorce someone, no problem– according to Islam. So don’t blame without knowing correct rules.

      Reply
    • tariq

      Rumi, Western people getting the result of living together at their younger age, when they are being old, can’t move properly then they are living in old house, where/when actually they need to support from your family member but unfortunately nobody care about it. But religion care it that is why religious people getting the support and honor from their family in their full life.

      Reply
  35. Msr rony

    হুমায়ন আহমেদ-এর একটা কথা মনে পরে গেল “কম বোঝা মেয়েরা সবথেকে বেশি সুখি হয়”! একটা স্বামী কত কষ্ট করে সংসার সুখে রাখার চেষ্টা করে আর আপনারা পরকিয়া করে তা উড়িয়ে দেন। আর বিয়ে হল, পাওনাটা কমিয়ে দায়িত্ব দিগুণ করে দেয়া, কি পেলাম সেটা না ভেবে কতটুকু দিতে পারছি সেটা ভাবা উচিত।

    Reply
    • Sawon

      This is absolute concept of Western Culture.
      We love to stay with our Lovable person for still to die.
      So, respect and compromise will come first to stay together.

      Reply
  36. মেসবাহ উদ্দিন আহমদ

    আপনার ফর্মূলা ঠিক হলে আমেরিকাতে ৬০% ডিভোর্স রেট হতো না।

    Reply
  37. baba

    সীনা আক্তার, হুমায়ূন স্যারের বিষয়টি উদাহরন হিসেবে দেওয়া কি খুবই জরুরি ছিল? এত ফালতু চিন্তাভাবনা যে কোথায় পান.. যত্ত সব…

    Reply
  38. মাসুদুর রহমান

    আমি একটা রূপক গলপ শুনেছিলাম। গল্পটা এ রকম: নারীরা স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করল, হে সৃষ্টিকর্তা, প্রসব বেদনা বড় কষ্টকর, এই অসহ্য বেদনা নারী-পুরুষকে সমান ভাগ দেওয়া হোক। স্রষ্টা প্রার্থনা কবুল করলেন। তারপরের ঘটনা, একদিন হাসপাতালে এক নারী প্রসব বেদনায় কাতর। পাশে উপস্থিত স্বামীর অবস্থা স্বাভাবিক। উপস্থিত সবাই অবাক। অতঃপর সবাই হাসপাতালের গেটে এসে দেখে গাড়ীর ড্রাইভার বেদনায় কাতরাচেছ। জনাবা লেখিকা, আপনার লেখার ভবিষ্যত কি এটাই আশা করেন?

    Reply
  39. সুমন

    মর্ডান কালচারের গোলামী না করে সঠিক ধর্মীও পথে চললেই সর্বক্ষেত্রে লাভ।

    Reply
  40. ruhel

    যারা একাধিক পুরুষের স্বাদ নিয়েছে আর যে পুরুষ বহুগামী ইভয়ের জন্য একবিয়ে করে ঘরসংসার করা খুবই কষ্টসাধ্য বটে ।সমঝোতা বুঝেন ? সেটা পাল্লা দিয়ে মেপে বা যুক্তি তর্কের নিরিখে হয় না ।সেক্রিফাইস এর অর্থ বুঝেন ? কি যে আপনারা বুঝাতে চান সেটাইতো বুঝেন না ।ধৈর্য্য আর সহমর্মিতার শিক্ষা দিন ।ফাউ কাজ এড়িয়ে যেতে শিখুন ।বলুন আমিন ।

    Reply
  41. Ataus Samad

    Maam, Would you please provide a source of an expert on this issue from where you have got this? Actually, I think your proposal is making no sense, I mean, nonsense!

    Reply
  42. সোমান প্রধান

    পরামর্শটা খারাপ না। তবে অনেক সময় দেখা যায় ২-৩ বছর প্রেম করার পরও স্বামীর দ্বারা নির্যাতিত হতে হয়। তাই আপনি কতদিন দেখার পর বিয়ে করলেন তা বড় বিষয় নয়, বরং আপনি বিচক্ষণতার সাথে দেখলেন কি না সেটাই বড় বিষয়।

    Reply
  43. Nushin Rezvi

    এটাও কি লেখিকাকে অবহিত করা যেতে পারে কি যে “Live together” সম্পর্কে বিচ্ছেদের সংখ্যা বেশি? আমাদের দেশেও ‘love marriage’-এর স্থায়িত্ব ধারণা করা হয় কম? How would you explain such statistics?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—