Feature Img

mirza-fakrulআজকের পৃথিবীর সদা-পরিবর্তনশীল টেকনোলজির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়াটা আমার প্রজন্মের মানুষদের জন্য কঠিন। আজকের তরুণদের কাছে ক্যালকুলেটর যেখানে প্রাগৈতিহাসিক টেকনোলজি, সেটা আমরা, আমি প্রথম চাক্ষুষ করেছি জীবনের ৩০ তম বছরে। সহস্র ব্যস্ততার মাঝে তবু চেষ্টা করি ফেসবুক, বাংলা ব্লগ ও অনলাইন পত্র-পত্রিকার পাঠক প্রতিক্রিয়ায় চোখ রাখার জন্য। ইন্টারনেটে পরিচয়হীনতার কারণে অংশগ্রহণকারীদের মন্তব্যগুলো সাবলীল ও নিঃসঙ্কোচ (অবশ্য চোখ-রাঙ্গানি দেখতে পাচ্ছি, ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে; ব্লগ লেখার জন্যেও মুচলেকা নিতে হয়েছে আসিফ মহিউদ্দিনকে); বলাই বাহুল্য, বহু ক্ষেত্রেই তরুণরা আমাদের ওপর সদয় নন। সেটা বোধগম্য, সে বয়সে আমরাও ক্রোধকে উপলক্ষ করে খুঁজে ফিরেছি তারুণ্যের সারবত্তা। কিন্তু একটা ব্যাপার আমাকে ভাবায়, ভীষণ ভাবায় – এজন্য নয় যে আমি রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট – বরং এজন্য যে ভাবনাটা আমার বয়সীদের জন্য পুরো নচ্ছাড়: আমাদের সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে, সেটা হবে তো?

আমি আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি যে আজকের তরুণদের অনেকেই ক্রোধ আর হতাশার মাঝে খেই হারিয়ে ফেলছে। তারা যেন স্বপ্ন দেখতে ভুলে গেছে। দেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সাথে নিজের উন্নয়নের এক অদ্ভুত দূরত্ব তৈরি করে তারা মনে করছে, দেশের উন্নয়নটা যেন অন্য কারো কর্তব্য, যার জন্য বরাদ্দ আছে বিশেষ একদল, তাদেরকে তাচ্ছিল্য করা যায়, দোষারোপ করা যায় কোনো পরীক্ষা ছাড়া, শুধু রাজনীতিবিদ বলে শনাক্ত করেই।

প্রিয় তরুণ প্রজন্ম: এ বাবদে আমার কিছু কথা বলার আছে আপনাদের, শুধুমাত্র একজন অগ্রজ হওয়ার দাবীতে। শুরু করতে চাই নিজের জীবন থেকে, একটু সহ্য করুন।

আজকে আপনাদের যে বয়স, সে বয়সেই আমরা পেয়েছিলাম নতুন একটা দেশ, আর পেয়েছিলাম নতুন কিছু স্বপ্ন, যে স্বপ্ন আমাদের আগের কোনও প্রজন্ম দেখতে পারে নি। মুক্তিযুদ্ধে আমরা অবশ্যই গিয়েছিলাম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার জন্য, কিন্তু মনে ছিল তার চাইতেও বড় একটা আশা: স্বাধীনতার সুফলটা আমরা সবাই ভাগ করে পৌঁছে যাবো উন্নতির দুয়ারে। আমরা কী রকম আশাহত হয়েছিলাম সে বয়ান আমার কাছে শুনলে আপনাদের মনে হতে পারে পক্ষপাতদুষ্ট, আপনার পাশের যে মানুষটা ৭২ থেকে ৭৫ এর সময়টাতে জীবিত ছিলেন, অতিবাহিত করেছেন তার যৌবন, তাকে একবার হলেও জিজ্ঞেস করুন।

সে টালমাটাল সময়ে আমি প্রবেশ করি চাকরি জীবনে, শিক্ষকতা পেশায়। আমার বন্ধুরা একের পর এক বিদেশে চলে যাচ্ছেন উচ্চ শিক্ষায়। পিএইচডি করে প্রবাসে থিতু হওয়ার চিন্তা যে আমার মাথায় আসে নি তা না। সে সময়টাতে আপনাদের চাইতে আমাদের জন্য উচ্চ শিক্ষার্থে পশ্চিমে যাওয়াটা বোধহয় একটু সহজই ছিল। তবু মনের কোণে কোথায় যেন একটা আশা ছিল, একটু চেষ্টা করে দেখি না কী হয়?

দেখতে দেখতে অনেকটা সময় পার হয়ে যায়, চলে আসি সরকারী চাকুরীতে। সেই চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে পুরোপুরি মনোনিবেশ করলাম রাজনীতিতে, যখন আমার বন্ধুরা ক্যারিয়ারের মধ্য-গগনে। মাঝ বয়সে এসে আমি রাজনীতি শুরু করলাম একদম প্রথম সিঁড়িটায় পা রেখে, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন করে (অবশ্য ছাত্রজীবনে রাজনীতি করেছি সক্রিয়ভাবে, সেটা ৬০ এর দশকের কথা)। যে কোন বিচারেই Bad Career Move. ’৮৯ সালে আমার সামনে স্বভাবতই এমপি, মন্ত্রী কিংবা বিএনপির বড় পদ পাওয়ার সম্ভাবনা অথবা আশা, কোনোটাই ছিল না। তবে একটা আশা অবশ্যই ছিল: দেখি না একটু ধাক্কা মেরে, কতটুকু যাওয়া যায়।

আপনাদের কি মনে হয় সে সময়টা ছিল প্রত্যয়দীপ্ত হয়ে আগুনকে স্পর্শ করে অসীমকে জয় করার দিন? মোটেও না, আজকের মতো না হলেও সেদিনও সন্ত্রাস ছিল, পেছনের দরজার রাজনীতি ছিল। আপনাদের মতো আমিও সেদিন চিন্তিত ছিলাম, ক্রোধে জর্জরিত হয়েছিলাম। প্রায় তের বছর আমি রাজনীতির জন্য পড়ে থেকেছি ঠাকুরগাঁয়ে, আমার পরিবার তখন ঢাকায়। আমার ছোট্ট দুটি মেয়ে শৈশব থেকে কৈশোর পার হয়ে তারুণ্য স্পর্শ করছে, আমি থাকছি দূরে, তাদের সময় দিতে পারি না। একজন পিতার জন্য কী কষ্টের এই বন্দোবস্ত সেটা বলে বোঝানো সম্ভব না। আমিও ভেঙ্গে পড়েছি বহু সময়ে, সম্মুখীন হয়েছি দ্বিধা ও প্রশ্নের। বহু সহকর্মীর অনৈতিকতা আমার মাঝে বিবমিষা জাগিয়েছে, বীতশ্রদ্ধ হয়েছি আর দশ জনের মতই। কিন্তু আশা হারাই নি। আমার বয়স এখন ৬৩; আমি যদি এ বয়সেও দেশটা ঘুরে দাঁড়াবে – এই স্বপ্ন দেখতে পারি, আপনারা কেন পারবেন না?

প্রিয় তরুণ প্রজন্ম: আমাদের প্রজন্মের ব্যর্থতা অনেক। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে আমাদের অনগ্রসর মনোভাব ও রাষ্ট্র পরিচালনায় পেশাদারিত্ব ও মহানুভবতার অভাবে এ দেশ তার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করতে পারে নি। কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য অন্তত এনে দিয়েছি স্বাধীনতা, যেটি অর্জনের জন্য একেকটি জাতিকে শত শত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। আপনারা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক। এর গুরুত্ব ও অপার সম্ভাবনা উপলব্ধি করুন। স্বাধীনতার মানে যা ইচ্ছে তাই করা না কিংবা যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দেয়াও নয়। বরং বেছে নেয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য আপনার যে আজীবন প্রচেষ্টা সেটাই স্বাধীনতার শ্রেষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। আজ সময় এসেছে নিজেকে প্রশ্ন করার – যে তথ্য, শ্রম, অর্থ ও কাণ্ডজ্ঞান সহযোগে আমরা একটা মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার বেছে নেই, সে প্রেরণা ও প্রজ্ঞা আমাদের রাষ্ট্রভাবনায় বরাদ্দ আছে কি না?

আমি নিঃসঙ্কোচে জানাতে চাই যে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল দেশকে বদলাতে পারবে না, পারবেন আপনারা। আমার দাবী শুধু এতোটুকু যে বিএনপি এ মহাযজ্ঞে আপনার ও দেশের জন্য একটি বেটার প্ল্যাটফর্ম। কথাটা বলছি শস্তা বিরোধিতার জন্য না, দুটো দলের চরিত্র বিশ্লেষণ করে; আর সেজন্য আপনাদের কাছে আমি সমর্থন আশা করছি না, করছি অবজেক্টিভ থিঙ্কিং। বিএনপি কোন অতীতমুখী দল নয়, তাদের মনোজগৎ অতীতে অবরুদ্ধ নয়। অতীতের অর্জন আর ট্রাজেডি নিয়ে মানুষের সহানুভূতি আর অনুকম্পা আশা করে না বিএনপি। বিএনপি শুরু থেকেই একটি ভবিষ্যতমুখী দল। পৃথিবীতে এমন কোনও জাতি নেই যার অতীত রক্ত-রঞ্জিত নয় কিংবা পাপবর্জিত । তারা তাদের অতীত বেদনাকে ভুলে থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, প্রতি নিয়ত অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করে না। নাৎজি উত্থান-পর্ব (যেটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ছিলো!) নিয়ে জার্মানরা রাজনীতি করে না, অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা তাদের উপর সংঘটিত অবিচার নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও হীনম্মন্যতা সৃষ্টি করে না। আমাদের রাষ্ট্রের ইতিহাস অন্যান্য আর দশটি রাষ্ট্রের মতোই ভুলে ভরা। আমাদের প্রজন্মের বহু লোক ভুলের এই ফিরিস্তি নিয়ে আলোচনা করাকে তাদের জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করেছে। দয়া করে আপনারা এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এগিয়ে যেতে চাই আমাদের অন্ধকার অতীতকে ভুলে গিয়ে নয়, ভুলে থেকে। এই এগিয়ে যাওয়ায় বিএনপি আপনার সামনে নয়, সাথে থাকতে চায়, কেননা চারিত্রিকভাবে বিএনপি একটা Inclusive দল আর আওয়ামী লীগ হলো Exclusive দল। তাদের রাজনীতি ধর্মাচারের নিকটবর্তী।

অন্যদিকে বিএনপি চায় সকল মতের সম্মিলন, শুধুমাত্র একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে – বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে অংশ নেয়া। আপনাদের কি মনে হয় রাজনৈতিক দল হিসেবে সেটা আমাদের জন্য সহজ একটা কাজ – মোটেও না। বিভিন্ন মতের মানুষকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা কতটুকু কঠিন সেটা খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করুন, সাত খণ্ডে বই লিখে উত্তর দেবেন। তবু আমরা এ লক্ষ্যে অবিচল থাকবো; সুবিধাবাদিতার জন্য না, কাণ্ডজ্ঞানের জন্য। বৈচিত্র্য অবগাহনের করার চেষ্টাটি বিপদসংকুল ও দুরূহ; কিন্তু সেটিই আমাদের রক্ষাকবচ, সময়ই বলে দেবে। আমরা সময়ের সাথে নিজেদের বদলাতে চাই; যে-জন্য বিএনপির রাজনীতি সাস্টেইনেবল, আওয়ামী লীগেরটা না।

আমরা রাজনীতিবিদরা দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয়তাবোধ কথাগুলোকে অনেক সময়েই পাঞ্চ লাইন হিসেবে ব্যবহার করি; সবসময় খারাপ উদ্দেশ্যে করি, তা না। কিন্তু একবার নিজেকে সততার সাথে প্রশ্ন করুন তো দৈনন্দিন জীবনে কতবার আপনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কিংবা জাতীয়তাবাদের কথা সাগ্রহে চিন্তা করেন? চার ঘণ্টা ব্যয় করে অফিস যাওয়া আসার সময়, দশ ঘন্টার লোড-শেডিংয়ে নেতিয়ে পড়ার সময়ে কিংবা চোখের সামনে কাউকে পিটিয়ে মারার দৃশ্য দেখার সময় কি আপনি অতীতের অর্জন নিয়ে উদ্বেলিত হন না বর্তমানের যন্ত্রণায় কুঁকড়ে ওঠেন? আমাদের রাজনীতি এই বর্তমানকে ঘিরে এবং আমি নিঃসন্দেহে দাবী করতে পারি যে আমরা আওয়ামী লীগের চেয়ে বেটার ম্যানেজারস।

আপনাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের জিজ্ঞেস করুন, তাদের জীবনে, এমন কি পাকিস্তান আমলেও সরকারী ব্যবস্থাপনার এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তারা প্রত্যক্ষ করেছেন কি না? বাংলাদেশের বর্তমান সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা কোনও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সাথে তুলনীয়, দু-দুবার শেয়ার মার্কেট লুণ্ঠনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সর্বস্বান্ত, সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণের কারণে মেধাবী তরুণদের মামা-চাচা ছাড়া চাকুরী পাওয়া আজ এক অসম্ভব ব্যাপার, রাষ্ট্রের যেখানে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয়ার কথা সেখানে সাধারণ নাগরিকদের ট্যাক্সে পোষা পুলিশ বাহিনীর অত্যাচারে বিরোধী দলীয় নেতাদের তো বটেই, সাধারণ নাগরিকদেরও মৃত্যু ঘটছে; সেই সাথে আছে দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতি। আমি দাবী করি না যে আমাদের সময়ে বাংলাদেশ এক মধুময় দেশ ছিলো, ছিলো না কোনও সমস্যা। কিন্তু সততার সাথে নিজেকে প্রশ্ন করুন তো, ২০০৫ সালে আপনার পরিপার্শ্ব ও ব্যক্তিগত অবস্থা ভালো ছিলো, না আজ ভালো?

বলা হয়ে থাকে যে শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে বার্মায় কারাবাসে প্রেরণ করার সময়ে কেবলমাত্র একটি প্রধান খাদ্য নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছিলো। তার পাচক বেছে নিয়েছিলো ছোলা। অবশিষ্ট কারাজীবনে বৃদ্ধ বাহাদুর শাহ জাফরকে তার পাচক একটি ডিশ নাকি কখনো দ্বিতীয়বার পরিবেশন করেন নি। এটাই হলো ম্যানেজমেন্ট। সেটা না থাকলে অবস্থা কী হয় তার প্রমাণ মিলবে যোগাযোগ ও অর্থ মন্ত্রীর পারফর্মেন্সে। জনৈক বাংলাদেশী তরুণের ফেসবুক স্ট্যাটাস আনা হয়েছিলো আমার নজরে, মোক্ষম কিনা সে পর্যবেক্ষণ, আপনারাই পরখ করুন: এই আবুল বলে ঐ আবুলের দোষ, ঐ আবুল বলে এই আবুলের দোষ – আবুল-বাবুলে দেশটা শেষ

হ্যাঁ, আমি বুঝি যে পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক না। মাথার ওপর ভর করে আছে পাহাড়সমান সঙ্কট অথচ সরকার পড়ে আছে “অতীতসঠিককরণ” প্রকল্পে। তবু আমি অনুরোধ করবো, আশাহত হবেন না। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে যে তার আশার সাথে আপোষ করে না সেই বিজয়ী। কালের পরিক্রমায় আমাদের রাজনীতি যদি কখনো আপনাদের কাছে সেকেলে হয়ে পড়ে, তাহলে সেটাকে বদলে দিয়ে দেশটাকে সামনে নিয়ে যাবেন। আমরা অবশ্যই মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো। মনে রাখবেন কোনো মহাপুরুষ, ত্রাতা কিংবা শক্তিধর রাষ্ট্র আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। আমাদের সঙ্কট আমাদেরকেই কাটিয়ে উঠতে হবে। আপনার রাজনৈতিক দল বিএনপি এই মহান যাত্রায় কখনো হতোদ্যম হবে না, এই অঙ্গীকার করছি।

বিএনপি আপনার দল, এর দরজা আপনার জন্য খোলা আছে। আসুন এবং একে বদলে দিন আপনার সময়ের উপযোগী করে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

২৬৪ Responses -- “প্রিয় তরুণ প্রজন্ম”

  1. Musa

    A leader is not a leader. If he does not grow dream for his followers. Mr Alomgir gave hope for young generation. I would like to see inclusive Bangladesh not exclusive for a group of people. Make equal opportunity for all is very important act to go ahead for a nation. Education and training is most important keys for a nation. But i think we were failure to build our educational ideology and development. People of Bangladesh want to see BNP as a rulling party but BNP as a party did not make sound relationship with people. BNP and you believe in inclusive leadership so i think you must not leave alone Jamat e Islami as they are good component for Independence Bangladesh.

    Thank you for your great writiing

    From London

    Reply
  2. হাবিব

    মানুষকে ভালোবাসা কাকে বলে, এটা শিখতে আর জানতে মির্জা আলমগীরের বিকল্প নেতা আর দেখি না। ভাবার কোনো কারণ নেই যে আমি তোষামোদি করছি। বাংলাদেশ গর্বিত মির্জা আলমগীরকে নিয়ে। আমি ১৮ দলের কাছেও নেই, তারপরও বলছি- প্রতিটি দলে একেকজন মির্জা তৈরি করা দরকার। অহঙ্কারহীন এ নেতা বাংলার অহঙ্কার।

    Reply
    • সামছুল আরেফীণ মুক্তা

      হাত মাথা নাড়িয়ে উনি যা বলেন তাতে সার্কাসের ক্লাউন মনে হয়। ক্ষমা করা যায় এই ভেবে যে রাজনীতির লাইনে নতুন।

      কিন্তু সাম্প্রদায়িক শক্তির কেন্দ্রে যখন ওনার অবস্থান তাতে ওনার মতো লোক আর যাই হোক মহান হতে পারে না। রাজনীতিকদের জীবনে কষ্ট-ক্লেশ থাকে, ওনার তা নাই। অনেকটা সরকারি চাকুরের মতো সময়ে সময়ে Press conference করতেই যেন ওনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েহে। মাঠের আন্দোলনে উনি স্টেজে বড়জোর লিফলেট বিতরণে থাকেন।

      প্রতিপক্ষের সামনে বা পুলিশি গুতাঁয় ওনাকে পাই না। ওনার এ চরিত্র শিক্ষকতায় থাকার কারণে জন্মেছে। কারণ উনি দলের সবাইকে ছাত্র মনে করেন। উনার হুকুম তারা বাধ্যগত ছাত্রের মতো তামিল করবেন। তা হ্য় না। পোস্টের সঙ্গে তা একেবারে বেমানান। অবশ্য দলটার এখন যে অবস্থা তাতে মিডিয়াবাজি দলের জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো দায়িত্ব এ দলটির এ পোস্টের লোকের জন্য চলে।

      তবে এ দেশীয় রাজনীতি নিয়ে উনার মুখে বড় কথা খুবই বেমানান। অনেকটা বাচলামি।

      Reply
  3. বঙ্গ বালক

    আমি নিশ্চিত মীর্জা ফখরুলের মতো একজন লোকও আওয়ামী লীগে নেই। আর এখানেই বিএনপির সঙ্গে আওযামেী লীগের পার্থক্য। এ কারণেই বিএনপির সঙ্গে ভোটের পরীক্ষা দিয়েই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হয়। ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপিই ক্ষমতায় আসে।

    Reply
  4. নজরুল ইসলাম

    জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব,

    আপনি বিএনপির রাজনীতি করেন। তাই আপনার কাছে বিএনপির রাজনীতি ভালো লাগে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আপনার পছন্দ না হওয়াইটাই স্বাভাবিক। প্রগতির কথা বলেছেন, আমি মনে করি প্রগতি বাড়ন্ত শিশুর মতো। জন্মের পর একটি শিশুর বেড়ে ওঠাকে প্রগতি মনে করুন। তবেই বুঝতে পারবেন আওয়ামী লীগ কেমন দল। এ দেশটার জন্ম কেবলমাত্র আওয়ামী লীগের জন্যই হয়েছে। যদি বাংলাদেশের জন্মই না হত, তাহলে বিএনপি তথা আপনাদের জন্মই হত না। জন্ম না হলে বেড়ে উঠতেন কীভাবে?

    অর্থাৎ, তথাকথিত আপনাদের প্রগতির কী হত???

    Reply
  5. asifuzzaman chawdhurybabu

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বিএনপির সেক্রেটারি জেনারেল পদের জন্য যথাযোগ্য ব্যক্তি……….

    Reply
  6. নিকেল ক্রিস্টাল

    পড়লাম , ভালই লাগলো। তবে শেষের দিকের কথাগুলোর সাথে একমত হতে পারলাম না। উনি এক জায়গায় বলেছেন, “অতীতের অর্জন আর ট্রাজেডি নিয়ে মানুষের সহানুভূতি আর অনুকম্পা আশা করে না বিএনপি। বিএনপি শুরু থেকেই একটি ভবিষ্যতমুখী দল।” যদি তাই-ই হয়, তাহলে কেন স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে এতো টানাটানি? কেন এতো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি? কোন দেশ অবশ্যই তার অতীত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য কিংবা ইতিহাসকে ভুলে যেতে পারে না, উচিতও না। যদি আপনার কথাগুলোই ঠিক হয়, তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিএনপির বাধা দেয়া অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। আপনারা এক ইলিয়াসকে ইস্যু করে কোটি কোটি ইলিয়াসকে ঘরে আটকে রাখছেন। মানুষকে পুড়িয়ে মারছেন। এটা কখনই পজিটিভ রাজনীতি হতে পারে না। অন্যদিকে এক দল আরেক দলকে দোষারোপ করছেন, অথচ এখানে আপনাদের নজর নেই বরং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। যা আপনাদের অগোচড়েই থাকে। আপনারা মুখে এক কাজে আরেক। আগে নিজেকে পরিবর্তন করুন তারপর তরুণ প্রজন্মকে পরিবর্তন করতে আসুন। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার কোন মানে হয় না। তরুণ প্রজন্ম এখন আপনাদের থেকে অনেক বেশি সমজদার ও সচেতন। ভারতের বিএসএফ যখন ফেলানিকে কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখে, কই তখন তো আপনাদের হরতাল করতে দেখিনা। যখন ভারতের বিএসএফ বাংলাদেশের মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে, কই তখন তো আপনাদের কোন আন্দোলন দেখি না। তখন আমরা প্রায় ভুলেই যাই, বাংলাদেশে বিরোধীদল আছে। উল্লেখ্য এর প্রতিবাদ কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মই করেছে- সাইবার যুদ্ধের মাধ্যমে। সাইবার যুদ্ধ নিয়ে শুনেছেন নিশ্চই! অথচ এক ইলিয়াসকে ইস্যু করে আপনারা তরুণ প্রজন্মের পড়াশুনা বিঘ্নিত করছেন, একের পর এক পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করাতে বাধ্য করছেন। এটা কি আপনাদের নজরে পড়ে না? এসব কথা বলার জন্য সাধারণ মানুষ আপনাদের লুই আই কানের অমর কীর্তি জাতীয় সংসদ ভবনে বসার ও প্রবেশাধীকার দিয়েছে। কিন্তু আপনারা সেখানে যান না। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিবিদদের অবস্থা দেখে মনে মনে বলে উঠি -” থ্যাঙ্ক গড ! এখন পর্যন্ত তুমি আমার মস্তিষ্ক বিকৃত করোনি।” সুতরাং কৌশলে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার কোন সুযোগ নেই।

    Reply
  7. আজিজুল বাশার

    স্যার, আপনি নিশ্চয় মাকিয়াভেলির নীতিবাক্য জানেন। তার প্রিন্স বই এ যা লিখেছিলেন। আমি শুধু বলতে চাই যে, এই যে দেশে এখন যে অবস্থা বিরাজমান তা কি আপনারা দেশবাসীকে জানাতে পারছেন? আমার তো মনে হয় না। দেশের মানুষের কাছে পৌঁছান। তারা আপনাদের কথা জানতে চায়। দেশের অবস্থা ভাল না। কিন্তু আপনাদের অবস্থান দেখে মানুষ মনে করছে আপনারা এই অবস্থা মেনে নিয়েছেন। যদি তাই হয় তবে পরিবর্তনটা কিভাবে আনবেন? আপনাদের অতীত ভাল কিছু বলেনা। কিন্তু মানুষ আপনাদেরকে আবারও বেছে নিতে পারে। কিন্তু সেই সুযোগটা কি তাদেরকে আপনারা দিয়েছেন?

    Reply
  8. Khaled Hasan

    সুন্দর , তবে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সংশোধন করতে হবে।সুন্দর চিন্তা ভাবনার জন্য ধন্যবাদ।

    Reply
  9. Major Siddique Retd

    নতুন প্রজন্মের জন্য এটি যুগান্তকারী একটি ডাক। দেশের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নতুন প্রজন্মের কোন বিকল্প নেই। প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক সুনির্ধারিত কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।
    রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন জুরুরি—সকল স্তরে নতুন সংযোজন প্রয়োজন।
    মির্জা সাহেবের নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মকে সনতুন পথ দেখাবে।

    Reply
  10. আলী হায়দার

    লেখাটা আশাপ্রদ,যদি সত্যি দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা যায় তবে দেশে পরিবর্তন, উন্নয়ন আসতে বাধ্য। একরোখা, হিংসাত্বক, মিথ্যাচার, দালালির রাজনীতি বন্ধের সময় হয়েছে বহু আগে। আমরা চাই পরিবর্তন আসুক দলগুলোর মাঝে, সঠিক গনতন্ত্র আসুক দলে এবং দেশে। নেশাসক্ত, অল্প শিক্ষিত,নীতিহীন,পেশী শক্তির নেতৃত্ব আমরা চাই না। সৎ, মেধাবী,দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব দেশে বড় প্রয়োজন। দেশকে এগিয়ে নিতে যে শিক্ষার বেশী প্রয়োজন, সেই শিক্ষাক্ষেত্রে চলছে চরম অরাজকতা। শিক্ষা করতে হবে সর্বজনীন,সহজলভ্য,উন্নত। আজ গরীবের জন্য শিক্ষা প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। দেশের বৃহৎতম গরীব জনগোষ্টিকে বাধ দিয়ে কোন উন্নয়ন চিন্তাই সঠিক হবে না। আমরা নিজেকে আগে পরিবর্তন করে অন্যকে পরিবর্তন করতে চেষ্টা করব। নতুবা পরিবর্তন শুধু মুখে মুখেই থাকবে। আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন খুব জরুরী, আমরা বেশীর ভাগই সুয়োগ সন্ধানী। হয়ত অনেকে কথাটায় মাইন্ড করবেন। কিন্তু বাসে লাইনে দাড়িয়েঁ একবার নিজেকে বিচার করুন, বা চিন্তা করুন কতটুকু সহনশীল আমরা বা আমাদের রাজনৈতিকরা? আমরা পরিবর্তন চাই কিন্তু নিজেকে পরিবর্তন করতে চাই না। আমরা আক্রমনে বিশ্বাসী সহনশীলতায় নয়। আমাদের নেতা নেত্রীদের বলব, নিজেদের নয়, দেশের মানুষকে ভালবাসুন,পরস্পর কাদা ছুড়োছুড়ির নোংরামী বন্ধ করুন। সহনশীল রাজনীতির প্রচলন করুন।

    Reply
  11. nayan

    দুটো কারনে আমি বিএনপি কে ভোট দেব না।

    একঃ তারা আমাদের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করেছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তারা ‘জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনা দেন’ – এই মিথ্যা কথা সংযোজন করেছে। ব্যাপারটা এমন নয় যে এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অতি সম্প্রতি খালেদা জিয়া বলেছেন – আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা বিরোধী। সুতরাং আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় আসলে দেশের ইতিহাস যে পালটে যাবে তা পরিস্কার। নিজেরা ইতিহাস বিকৃতি করে এখন বলছেন বিএনপি অতীতের কথা না ভেবে ভবিষ্যতের কথা ভাবে। এটা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছু নয়।

    দুইঃ আপনারা ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করেন। আপনাদের দল ডানপন্থী। অথচ দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে আপনারা এমন কিছু করেন নি যাতে ইসলামের কোন কল্যাণ হয়। বরং দেশে জঙ্গীবাদের বীজ বপন করে গেছেন। জামাতের সাথে জোট বেধে আছেন।

    বিএনপির প্রতি আমার পরামর্শ হল আগে নিজেরা বদলান। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ করুন, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করুন, দেশের স্বার্থে গঠনমূলক রাজনীতি করুন, দলীয় চিহ্নিত দূর্নীতিবাজদের বিতাড়িত করুন – আমি সহ দেশের অধিকাংশ তরুন বিএনপির পতাকাতলে চলে যাবে।

    Reply
    • Abdul Matin Munshy

      জনাব, আপনার কাছে কি ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট চেয়েছেন? না বুঝে সোজা কমেন্ট করলেন যে আপনি বিএনপিকে ভোট দিবেন না? আপনি কি সত্য এবং সদাপ্রতিফলিত জিনিসটা দেখতে পান না?

      Reply
    • sunny

      আপনি বলেছেন বিএনপি দেশে জঙ্গীবাদের বীজ বপন করে গেছে। কথাটা যে ঠিক না তা আপনিও জানেন। রমনার বটমূল, উদচিী বা ময়মনসিংহ সিনেমা হলের ঘটনা তো ২০০১-২০০৬ এ ঘটেনি? সেই বীজ কে বপন করেছিল? তবে এটা ঠিক বিএনপি’র আমলে এটা বাপকতা পেয়েছিল। কিন্তু শুরু তো আও্য়ামী আমলে, সেটা লুকোন কেন?

      Reply
      • ছলেমান আকা

        বিএনপিই এদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের মূল জনক। ধর্মীয় উগ্রবাদের মদতদাতা। ক্যু, হত্যা আর ষড়যন্ত্রের মাঝেই বিএনপিকে সবাই খুঁজে পায়।

    • বঙ্গ বালক

      মনে মনে ভেবে দেখুন- এ দুটো কারণ না থাকলে কি আপনি বিএনপিকে ভোট দিতেন?

      Reply
  12. Khaled Imam

    বিএনপি পরিবর্তন চাইছে, তরুণ হিসাবে আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। সেই সাথে আমরা দেখতে চাই আগামী নির্বাচনে আপনারা সৎ লোকদের নোমিনেশন দিতে প্রস্তুত হন কিনা।

    Reply
  13. আশেক

    আলমগীর সাহেব, আপনাকে আমি যে ভাষায় বলতে চাই, সেই ভাষায় বললে আমার এই মন্তব্য প্রকাশ করা হবে না এটা আমি নিশ্চিত, তাছাড়া আওয়ামী লীগ ও গতানুগতিক অন্যান্য দলে আপনার কাউন্টারপার্টকেও পারলে একই ভাষায় বলতে চাইতাম, কিন্তু আমাদের এই সমাজ (কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া) ভদ্র না হয়েও ভদ্রতার মুখোশ পরে আছে, তারা নিজেদের যাবতীয় অভদ্র, অসত্য ও প্রতারণামূলক কর্মকান্ডকে প্রযোজ্য ভাষায় সমালোচনা করতে দিতে রাজি নয়, ফলে আমাদের ক্ষোভকে আমাদের নিজেদেরকেই হজম করতে হয় প্রতিনিয়ত!

    আমাদের নতুন প্রজন্ম তো আকাশ থেকে তরুন হয়েই হঠাৎ করে টপাটপ ঝরে পড়েনি, তারা কিছু বীজ থেকে উৎপাদিত এবং তাদের শেকড় আছে। আমি জানি সব তরুন একই ধরনের বীজ থেকে উৎপাদিত নয়, নষ্ট ফলের নষ্ট বীজের অভাব নেই আমাদের সমাজে, প্রকৃত পক্ষে নষ্ট বীজের নষ্ট চারার সংখ্যাই বেশী! কিন্তু নষ্ট তো নষ্টই, কোনটা ফেন্সিডিল-ইয়াবা-হেরোইন, কোনটা টেন্ডার-পিস্তল-ছুরিচাকু, কোনটা আবার চুরি-ছেচড়ামী ও প্রতারণায় আক্রান্ত, এসব নষ্ট বীজের নষ্ট চারার ভবিষ্যৎ কি? ভাল বীজের ভাল তরুনেরা বর্তমানে মজবুতভাবে সুশিক্ষিত, দেখে শুনে বুঝে তাদের চিন্তা চেতনা চাকচিক্যপুর্ণভাবে শানিত। কে প্রতারক আর কে অভিভাবক তারা সেটা বোঝে। তাদের চেতনা বর্তমানে এত শানিত যে, সেই জ্ঞানছুরির ডগায় দাঁড়ানোর মত আচ্ছাদন কোন প্রতারকের পায়ে নেই! আপনাদের সামনে দুটো পথ, আপনারা যারা নিজেদেরকে শিক্ষিত ভদ্র ও সৎ অভিভাবক দাবী করছেন, তারা নিজেদের কাঁধ ঝেড়ে ফেলে দিন ওই সব অশিক্ষিত প্রতারক লম্পট ও জৈব-জড়দেরকে, নতুবা ওই সব নষ্টদেরকে সঙ্গে নিয়ে প্রস্তত হয়ে যান আগামী দিনের শানিত চেতনার জ্ঞানাগুনে পুড়ে মরার জন্য!!

    Reply
  14. kauser

    নিঃসন্দেহে বলা যায়, একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক স্থিতিশীলতা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং সর্ব প্রকার উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হলো সাম্রাজ্যবাদ শক্তিগুলোর প্রভাবমুক্ত নিজস্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। একই সাথে স্থানীয় সমস্যাগুলোর নানাবিধ কারণসমুহ চিহ্নিত করে একে জাতীয় কাঠামোতে কিভাবে সমাধান করা যায় তারও পূর্বশর্ত হলো রাজনীতি। একই সাথে আমাদের মনে রাখতে হবে, রাজনীতি ধর্ম নয়, রাজনীতিকে ধর্ম বিশ্বাসের মত আবেগ দিয়ে বিবেচনা করলে নির্বাচন দিনের প্রথম প্রহরেই মাঝিরা নিজ নিজ নৌকা নিয়েই ভোট কেন্দ্রে যাবে। রাজনীতি নদীর স্রোতের মত সময়ের বিবর্তনে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের স্বার্থে, গণ মানুষের মৌলিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনীতির দিক-প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়, তৈরি হয় নতুন রাজনৈতিক ইস্যু। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসাবে দেশ-বিদেশের রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুর নানাদিকগুলোর উপর আমাদের নিজস্ব যুক্তিসংগত মতামত থাকা উচিত, শুধু ক্রিকেট নিয়ে না থেকে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা উচিত- এতে আমাদের যুব সমাজের রাজনৈতিক চেতনার স্তর আরো উন্নত হবে। তবে এখানে একটি কথা বলা উচিত, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে এক শ্রেণীর সুবিধাপ্রাপ্ত এনজিও টাইপের নীতিবান শ্রেণীর সুশীল তত্ত্বে আমাদের সমাজের নতুন প্রজন্ম ধোঁকা খেয়ে রাজনীতি বিমুখ হয়ে পড়ছে এবং একই সাথে রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদদেরকে নেতিবাচক সমালোচনা করা এদের একটি ফ্যাশনে রূপ নিয়েছে। এই ফ্যাশনে শোতে অংশ গ্রহণ না করে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে রাজনীতিতে আরও সক্রিয়ভাবে প্রবেশ করে ধৈর্য সহকারে এর ভিতরে গণতন্ত্রের চর্চা বা অনুশীলনের চেষ্টা করতে হবে।
    এই গণতন্ত্রের বা বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চার বাস্তবায়নের পুর্বশর্ত হলো বাক-স্বাধীনতা। এই বাক-স্বাধীনতা হরন করে একদা যে বাকশাল গঠিত হয়েছিলো,তাদেরই সর্বশেষ প্রেতাত্মার আছড়ে বাংলাদেশ আবারো আছন্ন। দেশকে এই প্রেতাত্মা থেকে মুক্ত করতে হলে,দেশের জনগনকে রক্ষা করতে হলে,গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে যে দেশপ্রেম প্রয়োজন তার শেকড় প্রোথিত আছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ রাজনীতির মূল দর্শনে। আর তাই, স্বাধীনতার ঘোষক, বীর উত্তম, সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতীক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নতুন আংগিকে মূল্যায়নের দিন এসেছে এবং সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ শহীদ জিয়ার ১৯ দফা বাস্তবায়নের রাজনৈতিক আন্দোলনেও অংশগ্রহনের জন্যে দেশপ্রেমিক জনগণ এখন প্রস্তুত।

    কাওসার মাহমুদ

    Reply
  15. Swadhikar

    এরকম একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    দলবাজদের বলছি-অন্য দলের সাধারন সম্পাদক এরকম লেখার যোগ্যতা রাখলে ভাল হতো।

    Reply
  16. Rashed

    ধন্যবাদ স্যার , আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এজন্য যে আপনি তরুণদের প্রতি আবেগভরা ন্যায্য আবেদন রেখেছেন। বিএনপি পরিবর্তন চাইছে, তরুণ হিসাবে আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। সেই সাথে আমরা দেখতে চাই আগামী নির্বাচনে আপনারা সৎ এবং দ্ক্ষ লোকদের নোমিনেশন দিতে প্রস্তুত হন কিনা। সাধারণ জনগণ বিএনপিকেই বেশি কাছের বলে মনে করে। মাঝে মধ্যে তারা আপনাদেরকে ভোট দেয় না শুধুমাত্র আপনাদের প্রতি বিরক্ত হয়ে, আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে নয়। তবে চাইব উদ্দেশ্য যাতে ব্যক্তির চাইতে দল বড় আর দলের চাইতে দেশ বড় এমনই হয়।

    Rashed
    Cricket Coach

    Reply
  17. হাসান

    মীর্জা সাহেব, তরুণ প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীর বিচায় চায়, কিন্তু আপনারা চান না । তরুণ প্রজন্ম মৌলবাদমুক্ত বাংলাদেশ চায়, কিন্তু আপনারা চান না । আপনার নেত্রী কি পারবেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি চেয়ে হরতাল দিতে ? যদি সেরকম একটা হরতাল ডাকেন তাহলে দেখবেন হরতাল কেমন গরম হয় । তার আগে জামাতকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলুন । যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা কোন দিন এ দেশের মঙ্গল চাইবে না এটাই স্বাভাবিক ।

    আপনার কাছে একটা প্রশ্ন : বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আমরা দেখি গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলো অশান্ত থাকে ! আর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে শেয়ার মার্কেট ! কারণ কি ? আমার সাথে কি এ বিষয়ে একমত হবেন যে দেশের গার্মেন্টগুলোর বেশিরভাগ মালিক আওয়ামীলীগাররা এবং ব্রোকার হাউজগুলোর বেশিরভাগ মালিক বিএনপিওয়ালারা ।

    Reply
    • Ishtiak

      আমার মনে হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আপনি চান না। চাইলে আপনি সবার আগে জানতে চাইতেন কারা যুদ্ধাপরাধী। BNP কখনই War criminal দের বিচারের বিরোধিতা করে নি। তারা বলেছে এটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে করতে হবে।

      মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার বাহিনী ছিল একটি নিয়মিত বাহিনী, যার পুরো তালিকা প্রতি থানায় আছে। আপনার এলাকার থানা থেকে আপনি এই লিস্ট সম্পর্কে জানতে পারেন। দয়া করে জানুন।

      BNP কে হটানোর জন্য যখন এক মঞ্ছে পাশাপাশি বসেন, তখন কোন সমস্যা আপনাদের চোখে পরে কি?

      আরো অনেক কথাই বলা যায়। যদি পারেন General Uban এর লিখা “Fantom of Chittagong” বইটা পরেন। বোধ হয় কাজে দিবে।

      Reply
  18. ম্যাঙ্গোপিপল

    বিএনপিই এখন পারে যুবসমাজকে সামনে এগিয়ে নিতে। তবে এক্ষেত্রে আপনাদেক আরো জনমুখী হতে হবে। দল থেকে চাটুকারদেক বাদ দিন, বিএনপির সব সংগ্রামী নেতা-কর্মী চাটুকারদের কাছে পরাজিত। দলের হাইকমান্ড কেন ত্যাগী নেতাদেক বিবেচনা করে না? খালেদা জিয়াকে বলুন ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে হরতাল না দিয়ে জনস্বার্থে হরতাল দিতে। আগে নিজেদের ঘর গোছান, নিজেরা গুছিয়ে না নিলে সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবেন কীভাবে?

    জামাতের সঙ্গ ছাড়ুন, আমার মনে হয় তরুন সমাজ বিএনপি-র দিকে বেশি ঝুকবে যদি জামাতের ছায়া থেকে বের হয়ে আসেন। জামাত হচ্ছে স্লো পয়জন, বিএনপিকে এর পয়জন থেকে বের করে আনুন। আপনার লেখাটা অনেক ভালো লেগেছে।

    Reply
  19. এস এম মাহফুজুর রহমান

    আমি বিএনপির একজন শুভাকাঙ্খী হিসাবে বলব মহাসচিব হিসাবে তরুন সমাজের প্রতি আপনি যে আহবান রেখেছেন তা কথা ও কাজে মিল পেলে আমরা আছি আপনাদের সাথে।তরুন সমাজ আছে আপনাদের সাথে।শুভ কামনা করি ।
    মাহফুজ
    কবি জসিম উদ্দিন হল
    ঢাকা ইউনিভারসিটি

    Reply
  20. arefin

    যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতাই পুরো লেখাটার উদ্দেশ্য– বুঝতে অসুবিধা হলো না।

    Reply
    • musafir khan

      “জামায়াত-শিবির ধুয়া তোলাটা নিতান্তই একটা আওয়ামী অপকৌশল।” আওয়ামীলীগ জামায়াতের সাথে গেলে দোষ নাই বিএনপি গেলেই দোষ |আজকে জামায়াত যদি লীগে যেতে চায় আওয়ামীলীগ কোলে তুলে নিবে সবার আগে। আ’লীগ সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে। একই সঙ্গে ৪টি বাদে সব পত্রপত্রিকা বন্ধ করে হাজার সাংবাদিককে বেকার করেছে। বহু বছর পর ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। এবারও একইভাবে ৩৩ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। বেকারত্ব দূর করার পরিবর্তে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর করার নামে ৫০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। পদ্মা সেতুর নিয়ে দুর্নীতি এখন ওয়াল্ড ব্যাংক, আইএমএফসহ ,গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মযার্দা ক্ষূন্ন করেছে।

      Reply
  21. আহম্মদ ফয়েজ

    কোন প্রকার প্রশ্ন ছাড়াই বলা চলে, আপনার লেখা অত্যান্ত সুন্দর হয়েছে।
    তবে আপনার লেখায় একটা বিষয় একদমই আসেনি, সেটা হচ্ছে জামায়াত প্রসঙ্গ। আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।
    ব্যাক্তিগতভাবে আপনি জামায়াতের রাজনীতিকে কীভাবে দেখেন?
    ভালো থাকবেন।

    Reply
  22. এম আল মামুন নাহিদ

    আপনার পুরো লেখাটি পড়লাম। খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাধ আপনাকে সত্য কথা বলার জন্য। তবে আজ আপনাকে একটি অনুরোধ করবো,আপনার লেখাটি পড়ে অনেকে অনেক মন্তব্য করেছে। দয়া করে যদি মন্তব্যগুলো পড়েন তা হলে এদেশের যুবকেরা কী চায় তা সহজে বুজতে পারবেন।

    Reply
  23. shafik

    মীর্জা আলমগীরকে ধন্যবাদ তরুন প্রজন্মকে ডাক দেওয়ার জন্যে। আওয়ামীলীগ জামায়াতের সাথে গেলে দোষ নাই বিএনপি গেলেই দোষ। সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। জনগনকে আপনারা পাশেই পাবেন।

    Reply
  24. sohelee

    আ’লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল। একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আ’লীগের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল। বেদনার কথা হলো- এ দলটিই সব রাজনৈতিক নিষিদ্ধের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে। একই সঙ্গে ৪টি বাদে সব পত্রপত্রিকা বন্ধ করে হাজার সাংবাদিককে বেকার করেছে। বহু বছর পর ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। এবারও একইভাবে ৩৩ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। বেকারত্ব দূর করার পরিবর্তে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর করার নামে ৫০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। পদ্মা সেতুর নিয়ে দুর্নীতি এখন ওয়াল্ড ব্যাংক, আইএমএফসহ গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মযার্দা ক্ষূন্ন করেছে। আমরা এ ধরনের লুটপাটকারী ও দুর্নীতির অপবাদ নিয়ে আর থাকতে চাই না। দেশের ভবিষ্যত চিন্তা করলে কষ্ট লাগে। সবচেয়ে কষ্ট লাগে অর্থ মন্ত্রী যখন বলেন- শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা ফটকাবাজ, উপদেষ্টা বলেন- অভদ্র। বানিজ্যমন্ত্রী বলেন- কম খেতে। কেউ বলেন- বাজারে একদিন কম যেতে। কেউ একদিন কাপড় না পরে থাকতে। মন্ত্রী উপদেষ্টাদের এ ধরনের আবুল-তাবুল কথায় মনটা ভীষন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে। এ থেকে বাঁচার উপায় কী তাও জানি না।

    Reply
  25. Jamal

    এক কথায় অসাধারণ। স্যার, আপনার লেখাটা খুব ভাল লাগল। দেশকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি।
    দেশটা সবার – এই বোধটাই আমাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে না। এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
    স্যার, আপনি নিয়মিত লিখুন। এতে তরুণরা উপকৃত হবে।

    Reply
  26. Ahoshan

    লেখক ও পাঠক সবাইকে বলছি খারাপ, দ্বন্দ, হিংসা-বিদ্বেষ, নেগেটিভ সব কিছু বাদ দিন। পজেটিভলি চিন্তা করুন। আসলে আমাদের দেশে কিছু সিনিয়র ব্যক্তি (রাজনীতিবিদ বা অন্যান্যরা)আমাদের কিছু বিষয়ে বিভক্ত করে রেখেছেন ফলে আমরা ভাল কোন কিছুতেই খারাপ ও অসত উদ্দেশ্য খুজে পাই। আসুন না আমরা আমাদের দেশটাকে সত্যিকার ভালবাসি। শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের (মুজিব ও জিয়া এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের)সম্মান করি তাদেরকে বিতর্কিত না করি। কেউ যদি অন্যায় বা অপরাধ করে তার শাস্তির ব্যবস্থা করি। সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করি। জনাব আলমগীর একজন ভদ্র মানুষ আবার জনাব আশরাফ ও একজন ভদ্র মানুষ তারা যখন ভাল কিছু বা পজিটিভ কিছু বলেন তখন রাজনীতি বা খারাপ কিছু না খুজে একটু মেনে নিয়ে দেখি তারা কতটুকু কথা রাখেন,কতটুকু কথা ও কাজে আন্তরিক। যেখানে সমস্ত পৃথিবীতে সাইবার (তথ্য প্রযুক্তি) নিয়ে এক প্রকারের যুদ্ধ চলছে সেখানে আমরা অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত আছি। আশা করি সবাই আমার কথা বুঝতে পেরেছেন। সবাই খুব ভালো থাকবেন। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ স্বপ্ন দেখানোর জন্য, আশাহত করবেন না নিশ্চয়।

    Reply
  27. Enam

    খুব সুন্দর লেখা। আমি জানি আপনি ভালো মানুষ। কিন্তু আপনাদের (যারা ভালো মানুষ, যাদের শ্রদ্ধা করতে মন চায়) এই “বি এন পি” আর “আওয়ামী লীগ” এর বলয় থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মমতা ব্যানারজিকে দেখুন। কত কষ্ট করে তার উত্তরন। আপনারা এমন কোন তৃতীয় শক্তি তৈরি করুন। ভালো মানুষ নিয়ে আলাদা প্লাটফরম করে আমাদের ডাকুন। হাসিনা, খালেদা, রেহানা, জয়, তারেক অথবা কোকোর মতো লোকের সাথে থেকে আমাদের কোনও স্বপ্ন দেখাতে আসবেন না।

    Reply
    • ওয়ালি

      “হাসিনা, খালেদা, রেহানা, জয়, তারেক অথবা কোকোর মতো লোকের সাথে থেকে আমাদের কোনও স্বপ্ন দেখাতে আসবেন না।”

      কথাটির সাথে একমত হওয়াটা কঠিন। উল্লেখিত ব্যক্তিগণ বা তাদের মত লোক ছাড়া অন্যদের সাথে থেকে স্বপ্ন দেখানো যাবে এটা কোন যুক্তি হতে পারে না। মিডিয়ার কল্যানে প্রমানিত হওয়ার আগে থেকেই অনেককে আমরা অপরাধী বা দুর্নীতিগ্রস্ত বলে বিশ্বাস করতে শুরু করি। উল্লেখিত ব্যক্তিদের অবস্থান আমরা অস্বীকার করতে পারবো না। সেটার প্রয়োজনও নেই। প্রয়োজন সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

      স্বপ্ন শর্তসাপেক্ষ বিষয় হতে পারে না।

      Reply
      • mukul

        স্বপ্ন শর্তসাপেক্ষ বিষয় হতে পারে না। প্রয়োজন সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

  28. ISMAIL

    রাজনীতিবিদ হিসেবে মির্জা ফখরুল সাহেব ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর এই লেখা খুব ভালো লাগলো। আশা করি বিএনপি এগিয়ে যাবে তাঁর হাত ধরে। তবে কিছু উদ্যোগ যেমন বদরুদ্দোজা, অলি আহমেদ প্রমুখের (আরো যারা আছেন) সম্মান আগে ফিরিয়ে দেয়া, তারেক জিয়ার প্রভাব কমানো, তাঁকে শিক্ষিত ও দূরদর্শী হওয়া শেখানো ও রাজনীতিতে মেধাবী তরুণদের জায়গা করে দেয়া বিএনপির জন্য খুবই জরুরী। তাছাড়া ব্যক্তি স্বার্থ না দেখে দেশের জন্য রাজনীতি করা ও অতীত থেকে শিক্ষা নেয়া (দুই টার্ম ক্ষমতায় থাকাকলীন ভুল)তো আছেই। এ সবই ফখরুল সাহেবের কঠিন দায়িত্ব। বিএনপি ভালো থাকবে ও ভালো করবে আশা করি। তাঁর লেখা পড়ে, আশান্বিত হয়ে লেখা হয়ে গেল। ধন্যবাদ।

    Reply
  29. bristi

    লিখাটা খুব ভাল লাগ্ল। তরুন প্রজন্মকে নিয়ে কোন রাজনীতিবিদের হয়তো প্রথম লিখা।

    Reply
  30. সোহেল

    প্রিয় জনাব আলমগীর
    আপনার প্রচেষ্টা নিসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। আপনার লেখা আমাকে লিখতে বাধ্য করেছে। দেশের বর্তমান অবস্থায় একজন প্রবীন রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা আপনি করেন নি। তরুণ প্রজন্ম দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চায়। রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা নিজেদের সৌভাগ্যবান ভাবতে পারেন। কারন এদেশের তরুনরা এখনো দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
    আপনার কাছে জানতে চাই দেশের কোন আদর্শবান নবীন যদি রাজনীতিতে অংশ নিতে চায়, আপনার দলে তার জায়গা হবে কি? সে কি পারবে একই সাথে নিজের শিক্ষা আর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে? জানি ব্যক্তি হিসেবে আপনি সৎ। কিন্তু এমনকি আপনিও আর দশজন রাজনীতিবিদের চেয়ে আলাদা নন। অতীতকে যদি আঁকড়েই না থাকেন তাহলে নাজমুল হুদাকে বহিস্কার করলেন কেন?

    তবুও আপনাকে ধন্যবাদ সত্যকে স্বীকার করার সৎ সাহসের জন্য

    Reply
  31. Tarik Rana Chowdhury

    জাতিয়তাবাদী ছাত্রদল থেকেই তারুন্যের যাত্রা শুরু হোক। বি চৌধুরী স্যার, কর্নেল (অব) অলী আহমদ, সানাউল হক নীরুসহ পুরানো কমরেডদের ফিরিয়ে আনা হোক। দলের জন্য ছায়া মন্ত্রীসভা জরুরী।আপনি হবেন এল জি আর ডি মন্ত্রী।রিয়াজ রহমান/ শমসের মবীন পররাষ্ট্র,নজরুল ইসলাম শ্রম,গয়েশ্শর দাকে স্পোর্টস,জয়নাল আবেদিন ফারুক স্বরাষ্ট্র,..
    তারিক রানা চৌধুরী….সাবেক ছাত্রদল কর্মী ( ১৯৮৭-২০০৩) ইংলেন্ড।

    Reply
  32. Md.Rafiqul islam

    আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ নিয়ে আশা হারিয়ে ফেলেছিলাম, আপনার কথায় আবার তা ফিরে পেলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  33. মোঃ ইকবাল হোসেন, চীন থেকে

    লেখাটি অনেক আশা জাগানিয়া । খুব সম্ভবত ২০০৪ সালের দিকে আপনার একটা লেখা পড়েছিলাম মালঞ্চতে ‘ঠাকুরগাও জিলা স্কুল এর ১০০ বছর পূতি উপলক্ষে প্রকাশিত’-যার শুরুটা ছিল ঠিক এরকম “দিনক্ষণ মনে নেই সন মনে আছে…………”। অনেক ভাল লেগেছিল সে লেখাটা দীঘ ৭ বছর পর আজ তেমনই ভাল লাগল এই লেখাটা যার শুরুটা “আজকের পৃথিবীর সদা-পরিবর্তনশীল টেকনোলজির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়াটা আমার প্রজন্মের মানুষদের জন্য কঠিন” । আসলে আপনাদের দিকেই তাকিয়ে আমরা, কম বেশি সবাই আমরা দেশকে ভালবাসি, আর এটা খুব বেশি অনুভুত হয় যখন কেউ দেশ থেকে অন্য কোন দেশে পাড়ি জমায় । আমরা আসলেই একটি সুন্দর ও সত্য বাংলাদেশ চাই, আশাই যেখানে প্রাণ-…………।
    ইকবাল, আখানগর, ঠাকুরগাও, বাংলাদেশ

    Reply
  34. সুমন

    অতীত নিয়ে তাদের অবস্থান সুবিধার মনে হল না। জামাতের সাথে কোলাকুলি(?) করে নতুন প্রজ্ন্ম এগিয়ে যেতে কতটুকু রাজি হবে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি।

    আমার মতে জামাতকে রাজি করানো হোক ভুল স্বীকার করতে বা নিজেরা এগিয়ে আসুক জামাতকে ছাড়া । তাহলে নতুন কিছু হতে পারে।

    Reply
  35. মুনির উদ্দিন আহমেদ

    দরজা খোলা ঠিক আছে। কিন্তু দরজাটা কোথায়, কীভাবে ঢুকতে হবে তা নির্দিষ্টভাবে বললে ভাল হতো। আপনাদের দলের ওয়েব সাইট এ একটা রেজিশট্রেসন ফরম দিতে পারেন। যারা যোগ দিতে চায়, তারা প্রয়োজনীয় ইনফরমেশান দিয়ে রেজিশট্রেসন করবে।

    Reply
  36. আবীর

    আওয়ামীলীগের সর্বগ্রাসী রাজনীতির বিপরীতে শুধু জামায়াত কেন, দরকার হলে সবকয়টি রাজনৈতিক দলের ঐক্য গড়ে তুলুন। ভারতের করাল গ্রাস থেকে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সকল আওয়ামীবিরোধী শক্তির ঐক্য চাই । চারদলীয় জোটের সম্প্রসারন করুন, কোন আপত্তি নেই। আওয়ামীলীগের অত্যাচার নিপীড়নের শিকার হওয়া এক নিরীহ রাজনীতিবিমুখ পরিবারের সদস্য হিসেবে আমি জানি, জামায়াত-শিবির ধুয়া তোলাটা নিতান্তই একটা আওয়ামী অপকৌশল।

    Reply
    • নাহিয়ান, সিঙ্গাপুর

      “জামায়াত-শিবির ধুয়া তোলাটা নিতান্তই একটা আওয়ামী অপকৌশল।”

      পুরাই একমত। আজকে জামায়াত যদি লীগে যেতে চায় আওয়ামীলীগ কোলে তুলে নিবে সবার আগে।

      Reply
  37. Jahisd

    জনাব, আপনার লেখাটি সত্যি তরুণ সমাজকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে। আমরা সত্যি স্বপ্ন দেখতে ভুলে গিয়েছি । কী করে আমরা যে স্বাধীন দেশেও পরাধীনের মত ।

    Reply
  38. রাকিব_ভাবনা

    স্যার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করার জন্য।
    কিন্তু, আমরা তরুন সমাজ বি এন পি’র কার্যক্রমে মোটেও আশান্বিত হতে পারছি না। নির্বাচনে এত ভরাডুবির পরও আত্ন-সমালোচনা বা সংস্কারের যে দাবি জনগনের ছিল বি এন পি’র কাছে, তার বিন্দুমাত্র হয়নি। তথাকথিত রাজনীতির ধারা থেকে চুলমাত্র সড়ে আসেন নি। ধারাবাহিক সংসদ বর্জন, গুরুত্বপূর্ন ইস্যুগুলোতে প্রতিবাদ আন্দোলন না করা, ছাত্র রাজনীতি অছাত্রদের দিয়ে করানোসহ হাজারো ব্যর্থতার মাঝে বি এন পি ঘুরপাক খাচ্ছে!

    Reply
  39. Bahar

    একটা বিষয় বলতে চাই, মন্তব্যকারীরা অনেকে তারেক রাহমানকে দোষারোপ করছেন, জেনে না শুনে ? ফকরুদদিন – মইন – হাসিনা কেউতো Prove করতে পারলো না। শুধুই মিছি মিছি রাজনীতি ! ভালোকে ভালো বলুন । ফকরুল সাহেব বেশ ভাল লিখেছেন, গুনিজন হিসেবে respect করা উচিত।

    Reply
  40. CAMELI

    যত দিন পযর্ন্ত ‌ম্যাডাম খালেদা জিয়ার পুত্রদ্বয়ের এই দলে আছে ততদিন আমারা তরুণ প্রজন্ম আপনাদের দলকে বর্জন করেবা।

    Reply
  41. রাজিব

    স্যার, ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর লেখার জন্য। আশা করি আরো নিয়মিত লিখবেন।

    Reply
  42. Jamil Razib

    ধন্যবাদ স্যার। খুব ভাল লাগল আপনার লেখা পড়ে। বিএনপির সফলতা কামনা করি।
    বিএনপির জন্য শুভ কামনা।

    Reply
  43. Abbas Uddin

    মির্জা ফখরুল সাহেব, আপনার কথায় এক সুন্দর স্বপ্ন লুকিয়ে আছে। আপনি যদি একেবারে মন থেকে কথাগুলো বলে থাকেন তবে সত্যি আপনাকে আজ আমাদের/ আমার নেতা হিসেবে গ্রহণ করতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু রাজনীতিবিদদের বিশ্বাস করতে খুব ভয় পাই।
    আমি এমন এক বাণীর অপেক্ষায় অনেকদিন ছিলাম। ধন্যবাদ।

    Reply
  44. Maruf

    “এই আবুল বলে ঐ আবুলের দোষ, ঐ আবুল বলে এই আবুলের দোষ – আবুল-বাবুলে দেশটা শেষ” শতভাগ সত্য।

    Reply
  45. ali

    এত ভালো লেখা আগে কোন রাজনীতিবিদ লিখেছেন কিনা তা আমার জানা নেই, বিশ্বাস করে তরুণরা গতবার প্রতারিত হয়েছে, আমি জানিনা তারা আবার প্রতারিত হবে কিনা! ক্ষমতায় এসে প্লিজ আওয়ামীলীগের মতো আচরণ করবেন না। আমারা বেশি কিছু আসা করে রাজনীতিবিদদের ভোট দেই না , তারপরও তারা বড়সড় ক্ষতি জনগণের করে দেয়। গতবার যে ভুলগুলো করেছেন প্লিজ এইবার এইগুলো করবেন না আশা করি।

    Reply
  46. তালহা জুবায়ের

    স্যার অতীতের জুজু দেখতে দেখতে ক্লান্ত। অতীতকে কেউ কেউ এমনভাবে তুলে ধরছে যে আশ্চর্যজনকভাবে তা বর্তমানের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই দূর্দিনে আমাদের কথা চিন্তা করে নেটে এসে এমন অথেন্টিক সাবলীল লেখা লিখলেন –এ আমাদের পরম পাওয়া। মরুভূমির বুকে ছায়াসম। আমরাও সামনে দেখতে চাই, পেছনে না। কথা দিন সামনে দেখবেন। দূর্নীতি সন্ত্রার ও সুশীলদের প্রশ্রয় দেবেন না। আমরাও সাথে আছি।

    Reply
  47. remon

    খুব ভালো লাগলো। আপনার লেখাই আগামি দিনের আশার বাণী শুনে।
    হ্যাঁ, আমি বুঝি যে পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক না। মাথার ওপর ভর করে আছে পাহাড়সমান সঙ্কট অথচ সরকার পড়ে আছে “অতীতসঠিককরণ” প্রকল্পে। তবু আমি অনুরোধ করবো, আশাহত হবেন না। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে যে তার আশার সাথে আপোষ করে না সেই বিজয়ী। কালের পরিক্রমায় আমাদের রাজনীতি যদি কখনো আপনাদের কাছে সেকেলে হয়ে পড়ে, তাহলে সেটাকে বদলে দিয়ে দেশটাকে সামনে নিয়ে যাবেন। আমরা অবশ্যই মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো। মনে রাখবেন কোনো মহাপুরুষ, ত্রাতা কিংবা শক্তিধর রাষ্ট্র আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। আমাদের সঙ্কট আমাদেরকেই কাটিয়ে উঠতে।

    Reply
  48. এডভোকেট নয়ন খান, আমেরিকা থেকে

    এ ধরণের লেখার খুবই দরকার ছিলো। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
    আপনি আশা করি আপনার দলকেও দূর্নীতিমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন। এটাকে সত্যিকারভাবে লালন করলে সারাজীবন দেশের মানুষ আপনাদের পাশে থাকবে।

    Reply
  49. সুমাইয়া রায়হান

    বিএনপি কোন অতীতমুখী দল নয়, তাদের মনোজগৎ অতীতে অবরুদ্ধ নয়। অতীতের অর্জন আর ট্রাজেডি নিয়ে মানুষের সহানুভূতি আর অনুকম্পা আশা করে না বিএনপি। বিএনপি শুরু থেকেই একটি ভবিষ্যতমুখী দল। পৃথিবীতে এমন কোনও জাতি নেই যার অতীত রক্ত-রঞ্জিত নয় কিংবা পাপবর্জিত । তারা তাদের অতীত বেদনাকে ভুলে থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, প্রতি নিয়ত অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করে না। নাৎজি উত্থান-পর্ব (যেটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ছিলো!) নিয়ে জার্মানরা রাজনীতি করে না, অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা তাদের উপর সংঘটিত অবিচার নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও হীনম্মন্যতা সৃষ্টি করে না। আমাদের রাষ্ট্রের ইতিহাস অন্যান্য আর দশটি রাষ্ট্রের মতোই ভুলে ভরা। আমাদের প্রজন্মের বহু লোক ভুলের এই ফিরিস্তি নিয়ে আলোচনা করাকে তাদের জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করেছে। দয়া করে আপনারা এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এগিয়ে যেতে চাই আমাদের অন্ধকার অতীতকে ভুলে গিয়ে নয়, ভুলে থেকে।

    -এক্সিলেন্ট রাইটিং স্যার। আসলেই অতীত নিয়ে পড়ে থাকা আমাদের জন্য বিধ্বংসী আত্মঘাতী। সামনে তাকানোর প্রেরণাই আমাদের ঐক্য আর উন্নতির চাবিকাঠি। সব ভেদাভেদ ভুলিয়ে দিন। তারুণ্যের কোন জাতপাত ভেদাভেদ থাকবে না । একটাই জাতি, সেটা বাংলাদেশী। বাংলাদেশকে মর্যাদার শিখরে নেবার জন্য এমন পজিটিভ চিন্তাই দরকার।

    Reply
  50. Aguntuk

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এমন একজন নেতা কি পেতে পারি না, যে দেশের জন্য একবার কাজ করবে!! এত বেশি প্রতারিত যে কাউকে বিশ্বাস করতে ভয় হয়। প্লিজ আমাদের একবার সুযোগ দিন!! দেখুন কীভাবে দেশ বদলে যায় !! আপনাকে সাথে চাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

    Reply
  51. বাবর

    তারেকের মত সর্বভুক মানুষ এদেশের নতুন প্রজন্ম আর গ্রহণ করবে না বলেই মনে হয়, যদি তারা সত্যি দেশ নিয়ে ভাবে। আর যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিয়ে চলতে চলতে এখন যাহা বিএনপি তাহাই জামাত এমন অবস্থা হয়েছে। ম্যাডাম যত শক্ত করে দাবী করেছেন – জামাত কোন অন্যায় করেনি, সেটা জামাতিরাও এত শক্তভাবে বলতে পারেনি আজ পর্যন্ত। কারণ তারা নিজেরাতো ভাল করেই জানে – তারা একাত্তরে কী করেছিল।
    এক নম্বর যুগ্মমহাসচিব হয়ে তারেক তৎকালীন মহাসচিব মান্নান ভুইয়ার সাথে যে আচরণ করেছিল, আপনিও প্রস্তুত থাকুন সেরূপ আচরণের প্রত্যাশায়।

    Reply
    • m.rahman

      পারাস্পরিক কাদা-ছোড়াছুড়ি শুরু হলে পজিটিভ আলোচনা এগিয়ে নেয়া কঠিন। কেউ কেউ বিতর্ক বা সে দিকেই বিষয়টিকে নিয়ে যেতে চাইছেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনাব ফ.ই.আলমগীর যে সুন্দর সাবলীল কথা বলেছেন,তা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। আমরা নতুন প্রজন্ম,আমাদের রাজনীতিবিদদের দেখে হতাশ। সেক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এবং বীরোত্তম পত্নী খালেদা জিয়া,আশরাফুল ইসলাম এবং মীর্যা সাহেব এদেরকে তুলনা করলে সহজ সমীকরণ চলে আসবে। কার ভাষা,আচরণ শালীন এবং প্রতিহিংসা মুক্ত– তা সহজেই বোঝা যায়। মীর্যা সাহেব আপনি এবং আপনার নেত্রী কথাবার্তায় অধিক শালীন,মার্জিত এবং ভদ্র বলে প্রতীয়মান। আপনার লেখা তার্ও একটি প্রমাণ। ধন্যবাদ।
      যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রসঙ্গ এনে আপানার কথাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়,তারা স্বাধীনতা শব্দের অর্থ বা তাৎপর্য বোঝেন আশা করি। স্বাধীনতা মানে নিশ্চয়ই একদলীয় বাকশাল,সংবাদ পত্রের কণ্ঠরোধ কিংবা ভিন্নমতাবলম্বী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে হত্যা নয়?

      Reply
    • milon

      যুদ্ধপরাধ বলে আবার অতীতেই ফিরে গেলেন! কিন্তু লেখাটিতো বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে।

      Reply
  52. বিনয় শিকদার

    একজন তরূণ হিসেবে আমি আপনার সাথে সহমত পোষন করছি।দেশটাকে বাচাঁতে আপনার মত গুণীজনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

    Reply
    • M.A.TAHER

      বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।”প্রিয় তরুণ প্রজম্ম” পড়ে উদ্বেলিত হলাম।স্যারের সাথে একমত হয়ে মন্তব্যের সাথে কিছু যোগ করতে চাই,উত্তাল মার্চের এক তারিখের পর থেকে সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালী ছিল শেখ মুজিবের হাতের মুঠোয়।এত জনপ্রিয়তা!একটি মাত্র আদেশের অপেক্ষায় ছিল গোটা জাতি।টান টান উত্তেজনা, ৭ই মার্চের রেসকোর্সের ভাষণ, এই বুঝি স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হবে…্এই বুঝি দিল…ঘোষণা…না….ঘোষণা এল না।প্রতিবেশির র্নিদেশে লিখা কুটকৌশলে পরিপূর্ণ ভাষণটি কন্ঠস্বরের বদৌলতে ক্ষণিক উত্তেজিত, ক্ষণিক হতাশা,দ্বিধাদ্বদ্ধ, কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় ফেলে দিল যা আঁচ করতে পেরে জনপ্রিয় বর্ষিয়ান নেতা মওলানা ভাষাণী ঘোষণা দিয়োছলেন”ইয়াহিয়ার গদীতে লাথি মার পূর্ব বাংলা স্বাধীন কর”।জনপ্রিয় নেতা দিতে পারেলন না স্বাধীনতার ঘোষণা,দিলেন আব্দারের ঘোষণা”সংথ্যা গরিষ্ট নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে”অর্থাৎ তদানিন্তন পাকিস্থানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষনা।উত্তেজিত নিরস্ত্র সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীকে তোপের মূখে ঠেলে দিয়ে,”এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” এর প্রধান সিপাহশালার, আলোচনার নামে কালক্ষেপন করে, পাকিস্থানিদেরকে বাংলদেশি নিধনের যাবতীয় কার্য্যক্রম সমাপ্ত করতে দিয়ে,স্বইচ্ছায় আত্মসর্মপণ করে আত্মরক্ষা করা আর ২৫ এর কাল রাত্রিতে নিরস্ত্র সাড়ে সাত কোটি অসহায় মানুষগুলোকে যখন পাখির মত হত্যা করা হচ্ছিল তখন একটি মাত্র বিপ্লবী ঘোষনা “আমি মেজর জিয়া বলছি….. বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করছি” যা বীর বাংলাদেশিদের ফিরে দাড়াতে,রুখে দাড়াতে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৯মাসের যুদ্ধ,৩০লক্ষ শহীদের রক্ত,২লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে “স্বাধীনতা”। জেড ফোর্সের সফল সেক্টর কমান্ডার,স্বাধীনতার ঘোষক,বাকশালের থাবা থেকে “বহুদলীয় গনতন্ত্র”কে রক্ষাকারী, সংবিধানে “সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর একান্ত বিশ্বাস ও আস্থা রাখা”র বিধান এবং “বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সংযোজনকারী,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি”ই একমাত্র স্বাধীনতা রক্ষাকারী দল। প্রিয় মুক্তিযোদ্ধাদের ২য় প্রজম্ম..তরুণ দেশপ্রেমিক,জম্মভূমি আজ অরক্ষিত,আপনাদের পিতার রক্ত ও মায়ের ইজ্জত এবং বোনের সতীত্বের বিনিময়ে অর্জিত দেশমাতৃকার স্বাধীনতা আজ বিপন্ন।লক্ষ-কোটি ডলারের বৈদেশিক কর্জে তৈরি আমাদের যোগাযোগ অবকাঠামো দুমড়ে মুচড়ে দিতে শুরু করেছে।জেগে ওঠ ঘুমন্ত বাঘ,এদেশ তোমার, এদেশের প্রতিটি ইঞ্চি ভূমি রক্ত দিয়ে কেনা।চেয়ে দেখ লিবিয়া,তিউনিসিয়া,মিসর,সিরিয়ার দিকে, তরুণ প্রজম্ম জেগেছে বিধায় গণতন্ত্র তাদের দোরগোড়ায়।

      Reply
      • জামান

        নতুন করে ইতিহাস শুনলাম বলে মনে হলো। জিয়াউর রহমান নিজেও এমন করে ভাবেনি কখনো।

      • zaman

        ভাবেন নি তাতে কি, উনি তো জিয়াউর সাহেবের প্রেস সেক্রেটারি। একটা ঘোষণায় দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল, কোনপ্রকার পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই! কাওকে সংঘটিত করারও প্রয়ুজন হলনা! তাহলে, ২৫ মার্চের আগে জিয়া কেন স্বাধীনতা ঘোষণা করলনা। তাহলে তো এতগুলু মানুষ মারা যেত না। পাকিস্তানিরা ২৫ মার্চে গণহত্যা চালিয়েছে বলছেন। অবাক তো! পাকিস্তানিরা এটা করতেই পারেনা, শেখ মুজিবের লোকেরা এটা করেছ, পাকিস্তানিদের বিপদে ফেলার জন্য!! আহারে স্বপ্নের পাকিস্তান!!

  53. মুহাম্মদ আশরাফুল আলম

    আমাদের রাজনীতিবিদরা যে অসি ছেড়ে মসির দিকে হাত বাড়িয়েছেন সেটা নি:সন্দেহে একটি ভাল লক্ষণ। গলাবাজি, অস্ত্রবাজি, বোমাবাজি বাদ দিয়ে কলমবাজি করলে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ মির্জা ফখরুল ইসলামকে।

    Reply
    • এফ কে এস

      জ্বী, এই সহজ স্বীকৃতি দিতে অনেকের এতো কার্পন্য। বাংলাদেশের মত দেশে একটা রাজনৈতিক দল অসংখ্য ভূল-ভ্রান্তি করবে- সেটাই যেখানে নিয়মে দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে ভালো কিছু সৃষ্টি হচ্ছে- সেটা স্বীকার করে নিতে যাদের এতো দ্বিধা, তাদের দিয়ে দেশের ভালো কিভাবে সম্ভব- আমার বোধে আসেনা। ধন্যবাদ।

      Reply
  54. মিল্লাদ

    তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে লেখ টা, আসলেই উত্সাহব্যাঞ্জক। তবে তরুণ সমাজ বারবার প্রতারিত হয়ে এখন ভীতসন্ত্রস্র। ভাল লাগলো জেনে যে, মির্জা সাহেব প্রচলিত ব্লগগুলোতে চোখ রাখেন,যদিও মোট তরুণ সমাজের অল্প কিছু অংশ ব্লগেএ আনাগোনা করে।

    বিএনপিকে ওয়াদা করতে হবে যে মির্জা সাহেব যা বলেছেন, তা দলটি বিশ্বাস করে এবং বাস্তবে তা করবে। সমস্যা হলো দলগুলো নির্বাচনের আগে যে ওয়াদা করে, নির্বাচিত হওয়ার পরে তা ভুলে যায়। তার কারণ, যে বা যারা দলের মেনিফেস্টো তৈরি করে, সরকার গঠনের পর তাদের তেমন কোনো ভূমিকা থাকে না। নতুন নেতৃত্ব বলতে কি বুজিয়েছেন, তা খালেদা জিয়াকে পরিষ্কার করতে হবে। মির্জা ফখরুল ইসলামের মতো শিক্ষিত ও সৎ লোকই নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যোগ্যতম।

    Reply
  55. Arun Shaha

    আপনাকে এমনিতেই ভালো লাগে আর লেখাটা আরও অনেক বেশী। দারুন,মর্ম স্পর্শ করে গেছে। ছাত্র জীবনে কোন রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী ছিলেন বলেননি কিন্তু!! আপনার মত লোক দেশে খুব বেশী নেই, গ্যারান্টেড। তাই ঘরে বাইরে প্রতিনিয়ত শত্রুর মোকাবেলা করে আপনাকে চলতে হচ্ছে, হবে। আমারও দুই মেয়ে। বাবা হিসেবে দূরে থাকি বলে ওদেরকে তেমন স্নেহ দিতে পারি না। আপনার চিন্তার সাথে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। তবে দলের সাথে থাকতে পারবো কি না তা এখনি বলতে পারবো না।তবে আমি নিশ্চিত ৯৯ ভাগ তরুন প্রজন্ম আপনার চিন্তার সাথে আছে।

    Reply
  56. দেবাশীষ অপু

    অতি উচু মানের লেখার জন্য স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। যে দেশের প্রধানমন্রী সবেচয়ে বড় দেশেপ্রমিক (স্বঘোষিত) সে দেশে কি খারাপ থাকা যায় স্যার? সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো বুঝতে পারছে আলীগ কী জিনিস? বেগম জিয়ার সাম্প্রতিক মন্তব্য দূঃখজনক। আমার দেশ আমার মা, এটি কারো বাপ-দাদার সম্পত্তি নয়।

    Reply
  57. Monir

    তরুনদের নিয়ে লেখা আমি এই প্রথম দেখলাম। খুন ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে

    Reply
  58. আফরোজা

    ঐক্যবদ্ধ সোনালী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানোর জন্য অভিনন্দন। অতীতের কালিমা আর হানাহানিমুক্ত সুন্দর ভবিষ্যত দৃষ্টিভঙ্গীর জন্য অভিনন্দন। সামনে এগিয়ে যাবার মন্ত্রণা শেখানোর জন্য অভিনন্দন। দৃষ্টিকে ভবিষ্যতের সোনালী দিগন্তে পৌছে দেবার চেষ্টা করার জন্য অভিনন্দন।

    আমরা আর কোন বিভেদ বিভক্তি হানাহানি সংঘর্ষ মারামারি জুলুম অত্যাচার নিপীড়ন দেখতে চাই না। ত্যক্ত বিরক্ত আমরা এসব দেখতে দেখতে । মানুষের মৌলিক অধিকার- অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের নিশ্চয়তা চাই। আর কিচ্ছু না। তরুন সমাজ পজিটিভ ভবিষ্যতবাদী দৃষ্টিভঙ্গীকে সবসময়েই পসন্দ করবে। সামনে এগিয়ে যাবার কর্মসূচী আপনারা দিবেন, সেই আশা করবো। শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়া।

    (যে সত্য কথাটা কারোই ভালো লাগবেনা, তা হলো প্রত্যেকের অতীত কলঙ্কময় – অতীত থেকে আজকের মুহূর্তের বর্তমান পর্যন্ত । সে আওয়ামীলীগ হোক, জামায়াত হোক আর বিএনপি হোক । তাই, যে বা যারা আমাদেরকে আজকে থেকে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাতে পারবে, সেই হবে গ্রহণযোগ্য। )

    অনলাইনে তারুন্যের সাথে পরিচিত হতে আসার জন্য আবারো ধন্যবাদ।

    Reply
  59. Sabuktagin Mahmud Shohel

    স্যার, এই নষ্ট সময়ে এরকম একটি সুন্দর ও মার্জিত লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। স্যার, আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি এখানকার কমেন্টসগুলি সত্যিকারের জনমতকে প্রতিফলন করছে না। তরুণ প্রজন্ম বিএনপি র প্রগতিশীল রাজনীতির সাথেই আছে।

    Reply
  60. মো, মনির উদ্দিন

    চমৎকার! বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো দলের (ভারপ্রাপ্ত) মহাসচিব এমন আবেদনমূলক লেখায় সক্ষম তা আমার জানা ছিল না। মির্জা ফখরুলের কাছ থেকে এ রকম আরো গঠনমূলক লেখা কামনা করছি।

    Reply
  61. আহমাদ আব্দুল্লাহ

    স্যার আপনি অদ্ভুত সুন্দর এক লেখা উপহার দিয়েছেন । রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে এমন দারুন কথা আমি ২৩ বছর জীবনে কোনোদিন শুনিনাই। আপনি যদি কথা রাখেন তাহলে সাথে থাকবো।

    Reply
  62. সরকার মারুফ

    জনাব ফখরুল, আপনার লেখাটি পরে তরুণ সমাজের একজন হিসেবে আমি অত্যন্ত বিমোহিত। আপনার কথার মতো আপনার জীবনটিও এরকম পরিচ্ছন্ন বলেই আমার বিশ্বাস।

    অতীতের চেয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতের যে রাজনীতির কথা আপনি বললেন, তার সাথে আমি শতভাগ সহমত পোষণ করছি। প্রয়োজন বর্তমান সমস্যা মোকাবেলার। অতীত আমাদেরকে বিভক্ত করলে তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। অথচ বর্তমানে সেটাই হচ্ছে।

    Reply
  63. Abir Hossain

    খুব ভাল লাগলো লেখাটি পড়ে। আপনি খুব ভাল লিখেন। আশা করি নিয়মিত লিখবেন। দলসহ আপনার সফলতা কামনা করি।

    Reply
  64. প্রবাল সরকার

    ধন্যবাদ আপনার এই লেখার জন্য! তবে একটু সময় করে মন্তব্যগুলোর মধ্যে কয়েকটারও যদি উত্তর দিতেন, তাহলে ভাল হত!

    লিখা নিয়ে কোন কিছুই বলার নেই। শুধু একটা কথা জামাত যতদিন আছে, আমি আমরা আপনাদের সাথে নেই!!

    Reply
    • Eshaan Nur

      মিঃ প্রবাল কে বলছি, আপনি পুরা লেখাটা পরেছেন কি না এই বেপারে কিছু বলব না। কিন্তু আপনি আপনার কমেন্ট দ্বারা প্রমান করেছেন যে আপনি এখনও আধারের জগতেই রয়ে গেছেন। আলোকিত প্রভাত দেখার আমন্ত্রন জানাছি আপনাকে। অতীত মুখর করে যারা আমাদেরকে নিজেদের স্বার্থে কেবল use করে যাচ্ছে আপনি এখনও সেই জাল থেকে মুক্তি নিতে পারেন নি! তাকান চারপাশে, দেখেন অনেক দেশের তরুন প্রজন্ম জেগে উঠেছে! আমরা কি সালওয়ার কামিয পরে ঘরে বসে থাকব?! এখন মেয়েরাও অনেক সচেতন আর আপনি! হাসব না কাঁদবো একটু ভাবতে হবে। আবুলের টুপি বাবুলের মাথায় আর কতদিন?!

      Reply
      • Oronno

        এহসান নুর কে বলছি : আপনি নির্লজ্জের মত কমেনট করলেন । সবাইকে মাফ করা যায় কিনতু রাজাকারের মাফ নাই তরুনদের কাছে। probal দা কে full সমর্থন । ফখরুল ভাইকে ধন্যবাদ এত joss ek lekhar jonno… উনার জন্য খারাপ লাগছে কারন ‌মসনদে বসলে উনারে চিপায় ফেলে দুর্নীতিবাজরা ঠিকই তুরি বাজাবে।।।

      • আবুল খায়ের মামুন

        জামাত-শিবির যতদিন আছে আধুনিক তরুন প্রজন্ম বিএনপির সাথে যাবে না।

      • MD Hefjur Rahman

        জামাতিদের সমর্থন করতে চাইলে আগে বাংলাদেশ ছেড়ে পাকিস্তানে যান।

  65. Haque

    সবই ঠিক আছে জনাব মির্জা, কিন্তু আপনাদেরকে জামাত ছেড়ে আসতে হবে। তাহলে আধুনিক, শিক্ষিত তরুন সমাজকে পাশে পাবেন।

    Reply
  66. Kamruzzaman

    আপনাকে মহাসচিব করা চার বছরে বিএনপির সবচেয়ে বড় অর্জন । এতো খরাপ দিনে আপনাদের মতো গঠনমূখী ব্যক্তিত্বের অংশগ্রহন বিভিন্ন ক্সেত্রে আরও বাড়াতে হবে। আমার বয়স ৩২ তাই ভাল লেগেছে ।

    Reply
  67. Md.Asraful Alam khan Jewel ,Ex President, JCD Jahangirnagar University

    শ্রদদ্ধয় মহাসচিব,আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এজন্য যে আপনি তরুণদের প্রতি আবেগভরা ন্যায্য আবেদন রেখেছেন। তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে কোন রাজনীতিবিদের লেখা এর আগে এত ভাল লাগেনি। আপনার লেখাটি সত্যি তরুণ সমাজকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে। আমরা সত্যি স্বপ্ন দেখতে ভুলে গিয়েছি । দেখব কী করে আমরা যে স্বাধীন দেশেও পরাধীনের মত ! হতাশায় নুয়ে পড়া তরুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করার মতো কোন লেখা ইদানিং কালে আমার চোখে পড়েনি । আশা করি আমার মতো আরো অনেকে আপনার এ লেখা হতে নতুন করে অনুপ্রেরনা পাবে। একজন দলীয় মহাসচিব হিসেবে নয়, একজন অগ্রজ হিসেবে আপনি যে পরামর্শ , যে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন তাতে দলীয় কর্মী হিসেবে নয় হতাশাগ্রস্থ তরুন প্রজন্ম হিসেবে আপনাকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম # আপনার গুনমুগ্ধ ভক্ত -মো:আশরাফুল আলম খান জুয়েল , সাবেক সভপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ।

    Reply
    • musafir khan

      মহাসচিব স্যার,স্বপ্ন দেখানোর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই | দলের সাথে ছিলাম, আছি এবং থাকবো।

      Reply
  68. Mortuza Khaled Milton

    ১৯৯০ সাল। এরশাদ সরকারের পতন। গণতন্ত্রের পথ চলা শুরু। এভাবে ২০ টা বছর পেরিয়ে গেল। আমরা কী পেয়েছি? কিছুই না। শুধুই মুষ্টিমেয় কিছু লোকের ভাগ্য বদল। বেড়ে গেছে সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজি। ক্ষমতার অপব্যাবহার। সাধরণের মান-সম্মান ভুলন্ঠিত। পদে পদে বঞ্চনা। লোক ঠকানো। টাউট-বাটপারদের দৌরাত্ব। সততা নেই। আদর্শও নেই। আছে শুধুই ফুল-ঝুরি কথা মালা।

    এসব নিয়ে আমরা অতিষ্ঠ। আমাদের কথা কেউ শুনে না। আমরা যে অভিষপ্ত! আম-জনতা! আবার তারেক জিয়া? ওরে বাপরে! খাদ্যে ভেজাল! ওরে মারে! উলঙ্গ নৃত্য!

    এসব চলবে না। তবুও চলে। কেন? ওরা যে গুরু! আমাদেরকে ফুসলায়। বিড়ি-সিগেরট খাওয়ায়। ভোট নেয়। তারপর দেখা মেলেনা। এভাবে ৫ টা বছর পার হয়। আবার আসে। ফুসলায়…

    Reply
  69. জুরাইনুল হক

    স্যার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই এতো সুন্দর একটা লেখা উপহার দেওয়ার জন্য। একজন রাজনীতিবিদের কাছ থেকে এই ধরনের চিন্তা বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমি কখনো আশা করিনা। কিন্তু আপনার লেখা পরে আমার ভুল ভাঙ্গল, যদি তা সত্যি হয়।
    বর্তমানে দেশ এ ধারায় চলতে থাকলে আমরা জাতি হিসাবে ইতিহাস হয়ে থাকবো, সে দিন বেশি দূরে নয়।
    কিছুদিন ধরে আমি দেশ ত্যাগ করার চিন্তা ভাবনা করছি এবং সত্যি একদিন আমাকে দেশ ছাড়তে হবে। জাতি হিসাবে আজ আমাদের এই পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী বলতে পারেন?

    জুরাইন
    উত্তরা, ঢাকা

    Reply
  70. জয়নুল আবেদীন

    প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।

    গত নির্বাচনে (২০০৮) আওয়ামী লীগ তরুন প্রজন্মের ভোটারদের একচেটিয়া সমর্থন পেয়েছে ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যুতে। আপনারা যত তাড়াতাড়ি এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে নেবেন ততই সবার জন্য ভালো হবে। ১৯৭১ রাজাকার আলবদর গোলাম আযম, নিজামী, সাঈদী এদের পক্ষ নিয়ে যত কথা বলবেন তত আপনাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরতে থাকবে। গনমানুষের ইস্যু, যেমন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে কথা বলুন তাতে আমাদের আম-জনতার সমর্থন পাবেন। নইলে বিএনপি’র মত এত জনপ্রিয় একটা দলের এরকম একটার পর একটা ভুল পদক্ষেপে দলটি জনগণ থেকে দূরে সরে যাবে।

    আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।

    আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।

    Reply
      • niamuzzaman numan

        আমাদের বড় ব্যার্থতা যে দেশে ৩০ লাখ মানুষকে জামাতিদের হাতে জীবন দিতে হয়েছ। সেই দেশে তারা রাজার বেশে দিন কাটায়। আর মুক্তিযোদ্ধারা দিন কাটায় ফকিরের বেশে।

      • এফ কে এস

        সেটা কি আজকে বুঝলেন? ১৯৭২ সালে যখন সব পাকিস্তানপন্থি সরকারী অফিসারদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকার গঠন করলো তখন বোঝেননি? ১৯৭৪ সালে ‘সিমলা চুক্তির’ সময় বোঝেননি? ১৯৯৬ সালে বোঝেননি?

      • zaman

        পাকিস্তানপন্থি সরকারী অফিসারদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকার গঠন করলো _ ঠিকই তো!! জিয়া পন্থিদের কেন নয়!! ও হ্যাঁ, সিমলা চুক্তি, আহ হা রে!! ইনডেমনিটি চেয়ে কত্ত খারাপ এই চুক্তি! ১৯৯৬-এ বুযিনি বলেই তো এইভাবে কোলে তোলে নিলেন। সারাদেশে বোমা ফাটানোর ব্যাবস্থা করলেন, মিডিয়ায় বাংলা ভাই তৈরি হল, কানসাট ফুলবাড়িয়ায় মানুষ মরল, ভার্সিটিতে শিক্ষক মরল, জজ মিয়া আইল, আহসান উল্লাহ – কিব্রিয়া সাহেবেরা মারা গেল………………!!

  71. ফয়সাল

    মির্জা সাহেব আপানাকে ইন্টারনেট প্রযুক্তির দুনিয়ায় স্বগতম।আপনার মত বড় মানুষদের তো আর আমরা সরাসরি কিছু জিঞ্জাসা করতে পারিনা। মিটিং-মিছিল, টকশো, সংবাদ সম্মেলন সব জায়গায় আপনারাই বলেন,আর পাবলিক মুগ্ধ হয়ে আপনাদের বানী গলধকরন করে। আপনার এই লিখাতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুন প্রজন্মের একজন কিছু প্রশ্ন রেখেছে আপনার কাছে, একটু তার প্রশ্ন গুলোর জবাব দিবেন কি?

    Reply
  72. Imran Mahmud Shamim

    শ্রদ্ধেয় স্যার,
    আমরা তরুণ প্রজন্ম সত্যিই হতাশ। হতাশ হবার মতো যথেষ্ট কারণ আছে। আমরা যারা স্বপ্ন দেখি সুখী সুন্দর বাংলাদেশের তাদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। এ দেশের মানুষ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব দিয়ে যাদের ক্ষমতায় এনেছে তারা আজ গড়ার বদলে দেশ ধ্বংসের খেলায় মত্ত। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি পদ্মা সেতু আর হচ্ছে না। তার মানে আরও ১০ বা ২০ বছর পিছিয়ে গেল দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য । হয়তো এভাবেই চলতে থাকবে। এখন আওয়ামিলীগ, কাল হয়তো বি এন পি। আমাদের স্বপ্ন কি স্বপ্নই থাকবে? আমরা কি আমাদের পরের প্রজন্মের কাছে শুধুই হতাশা,ব্যার্থতা আর দুর্ণীতির উদাহরণই রেখে যাব? আপনিও হয়তো ক্লান্ত হয়ে পড়বেন।
    সদ্য প্রয়াত স্টীভ জবস্ নিজে একটি দর্শন মেনে চলতেন। তিনি প্রতিদিন কাজ শুরুর পূর্বে আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করতেন, ” আমি আজ যা করতে যাচ্ছি, আজ যদি আমার মৃত্যুর পূর্ব দিন হতো আমি কি তাই করতাম?” আপনাদেরকেও বলি, আপনারা সবাই যদি দিনের কাজ এভাবেই শুরু করতেন তাহলে হয়তো আমার বাংলাদেশ সত্যিই সোনার বাংলাদেশ হতো।

    Reply
  73. এফ কে এস

    জনাব আলমগীর, আপনি যদি এই লেখার কমেন্টগুলা পড়ার সময় হয় তাহলে দেখবেন যে তরুনদের জন্যে আপনার এই সরল, উদ্দীপ্ত এবং কার্যকরী আহবান তাদেরই অনেকে আদাজল খেয়ে নেমে গেছে আপনার সৎ উদ্দেশ্যকে অসৎ বানানোর হীন চেষ্টায়। এটা শুধু এখানে বাহিরে অনেক ব্লগেও যারা নিজেদের সবচেয়ে জ্ঞানী মনে করে, বিদেশে থেকে পেট চালানোর চিন্তা করতে হয়না, হাতের কাছে সবসময় হাই স্পীড ইন্টারনেটসহ ল্যাপটপ বা আই-ফোন নিয়ে ঘুরছে, দেশের সামগ্রিক সামাজিক সমস্যার আছড় থেকে মুক্ত তাদের রাতের ঘুম হয়তো এই লেখা পড়ার পর হারাম হয়ে গেছে…এই চিন্তা করে যে হায় হায় শত্রু পক্ষ (রাজনীতিবিদ তাদের কাছে শত্রু) থেকে এ কি সৃষ্টি। তাদের মহান (!) জ্ঞান গরিমা নিয়ে উঠে পরে লেগেছে আপনার লেখাকে কীভাবে হেয় করা যায়। দূ;খজনক হলেও সত্য, এই জ্ঞানবানদের বেশিরভাগই ‘নন-রিটার্নিং বাংলাদেশি’। আর আপনার বিরোধী শিবিরের যুবাদের তো কথাই নাই, উপরে যেসব কমেন্টে বি এন পি এর মিস-ম্যানেজমেন্টের লিস্ট করেছে তারা হয়তো একটা পরম সত্য ভুলে গিয়েছে যে এই সরকারের ৩ বছরের লিস্ট এইসব কিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। যখনই দেখবেন ২১ আগস্টের গ্রেনেড নিয়ে যাদের বেশি কনসার্ন, এদের সহজ হিসেবে আওয়ামী কাতারে ফেলে দেয়াই উত্তম। শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আচরনের জন্যে তার অনেক শত্রুই থাকতে পারে এবং ২১ শে আগস্টে তাকে নিরাপত্তা দিতে না পারা বি এন পি’র ওনেক ব্যর্থতার একটা ব্যর্থতা স্বীকার করতেও সমস্যা নাই, কিন্তু বি এন পি এর জাতীয় ইস্যুতে ব্যর্থতা ছাপিয়ে যখন এটাই প্রধান ব্যর্থতার ইস্যু হয় তাহলে বুঝে নিবেন এরা সেই তরুন নয় যারা আপনার এই লেখার সাবজেক্ট। একটা সরকারের ব্যর্থতার লিস্টে আসা উচিত দেশের স্বার্থ-পরিপন্থী কাজগুলা আগে, এরপর দল এবং ব্যক্তিবিশেষ। দেখুন, আপনি আপনাদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেই তরুন প্রজন্মকে আহবান জানিয়েছেন বি এন পি এর প্লাটফর্মে এসে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা গত এক দশকে বড় কোন রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন আহবান করেছে কিনা আমার জানা নাই। এমনকি ইন্টারনেট বিল্পবে যখন ‘নেটিজেন’দের দৌরাত্ম, তখন আপনিই প্রথম ইন্টারনেটে এই আহবান নিয়ে আসলেন, একগুচ্ছ মানুষ কোথায় সেটাকে সাধুবাদ জানাবে, তা না; উঠে-পড়ে লেগেছে কীভাবে আপনাকে ডিমাইজ করা যায়। বি এন পি নিয়ে তাদের এতো অভিযোগ-অনুযোগ, সেটা এখানে জানানোর দরকার কি?? আপনি তো তাদের বি এন পি তেই আসতেই আমন্ত্রন জানিয়েছেন-এসেই তারা সেসবের প্রতিকার করুক। এথেকেই আপনি বুঝতে পারবেন নিশ্চয় যে এদেশে ‘ভালো’ কোন কিছুর জন্যে আহবান সবাই সহ্য করতে পারেনা। ‘ভালো’ কোন কিছু শোনা বা গ্রহন করার ক্ষমতাই তাদের নেই। তবে আপনার কাছে অনুরোধ- এদের গ্রাহ্য করার কিছু নাই। দেশের বেশিরভাগ তরুনই আপনার মত ‘প্রগ্রেসিভ’ মানসিকতার। যতক্ষন, আপনারা এই কথা এবং কাজে মিল দেখাবেন তারা অবশ্যই আপনার সাথেই থাকবে ইনশাল্লাহ।

    Reply
    • ভ্রষ্ট জামান

      লেখকের চেয়ে আপনার উপলব্ধি অনেক ভাল। ফকরুল সাহেবের অধিকার আছে এ বিষয়ে লেখার কিন্তু কে ভাল আর কে খারাপ তা আপনার বা উনার কারো কাছ থেকে শুনে বেছে নেয়ার বিষয় নয়। আওয়ামীলীগ+ জাতীয় পার্টি বা বিএনপি + জামাত কোন কম্বিনেশন ভাল তা বিচারের ভার জনগণের উপরই থাকনা। আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন যে জনগণ আপনার কাছে তার বিশ্বাস বিকবে তাকে আপনি সেই সম্মান দেয়ার যোগ্য কি-না। মির্জা সাহেব, আমি তার পরও আপনাকে ভোট দেব-যা কখনই কাওকে দেইনি। আমি শুধু দেখতে চাই বিশ্বাস ভেঙ্গে যায় কিনা।

      Reply
    • abdullah

      কোন কোন বিষয়ে ছাড়িয়ে গেছে, উদাহরণ দিলে ভাল হত।

      ২০০১ এর নির্বাচনের পর দুই মাসে যত হিন্দু আর আওয়ামীলীগের লোক মারা গেছে (পরের পাঁচ বছরের হিসাব বাদ), কয়শত মা-মেয়ে-বউকে ধর্ষণ করা হয়েছে শুধু আওয়ামীলিগ করার কারণে!

      Reply
      • এফ কে এস

        গুগলের বিডি ডোমেইন এ গিয়ে ‘আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু নির্যাতন’ টাইপ করে সার্চ দেন। অধিকারের ওয়েব সাইট এ তাদের ডকুমেন্ট দেখেন গত ২ বছরের। শেয়ার বাজার স্কাম দেখেন। সীমান্তে মানুষ হত্যা দেখেন। তিস্তা পানির অধিকার না আদায় করে ভারতের দাবী ‘করিডর’ দেয়ার ক্ষতি। বিচার-বহির্ভুত হত্যা, ইত্যাদি ইত্যাদি।

  74. Md. Jalal Uddin

    মির্জা ফখরুল সাহেব, আপনার কথায় এক সুন্দর স্বপ্ন লুকিয়ে আছে। আপনি যদি একেবারে মন থেকে কথাগুলো বলে থাকেন তবে সত্যি আপনাকে আজ আমাদের/ আমার নেতা হিসেবে গ্রহণ করতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু রাজনীতিবিদদের বিশ্বাস করতে খুব ভয় পাই।
    আমি এমন এক বাণীর অপেক্ষায় অনেকদিন ছিলাম। আপনার সাথে আমার দেখা করার ইচ্ছা করছে। আমি একজন কলেজ শিক্ষক।

    Reply
  75. Md. Zakir Hossain

    আমি বি,এন,পি এর একজন একনিষ্ঠ ভক্ত। আমি এই দলের হয়ে কাজ করে একজন জিয়া হতে চাই। দলটির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই। কিন্তু কীভাবে কী করতে হবে তা কি জানাবেন?

    Reply
  76. Arif Uzzaman

    আপনি যেমন লেখাটি লিখেছেন আশা করি মন্তব্যগুলোও দেখবেন। লেখাটি অত্যন্ত ভালো হয়েছে। তবে আমরা চাই বিএনপি তাদের আন্দোলনে সফল হোক।করন এই মুহূর্তে দেশ গভীর সংকটে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা খুবই খারাপ। যার প্রভাব পড়ছে সর্বক্ষেত্র্রে। কিন্তু আপনার মত তৃনমুলে যদি ভালো নেতা থাকত তাহলে তরুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা সহজ হত। আমরা সম্পৃক্ত হতে পারতাম।

    ধন্যবাদ লেখার জন্য। আশাহত হবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাদের সহায় হবেন।

    Reply
  77. sunny

    খুব ভালো লেখা, মনে আশা জাগায় । আপনার কথা টিভিতে শুনি। খুবই মার্জিত। আওয়ামী লীগ কি ভয়ানকভাবে দেশ চালাচেছ তা তো সবাই দেখছে ,বুঝতে পারছে। যারা লীগ করে তারা ছাড়া দেশের কেউই আজ ভালো নাই।আপনার মত নেতারা যদি এরপর দেশের হাল ধরত তবে হয়ত আমাদের আশার ফলাফল দেখতে পেতাম। কিনতু নতুন বলতে হাসিনার বদলে তারেক জিয়া নয় তো? তা যদি হয় তবে খোদা হাফেয! দেশের মানুষ প্রতিদিন তারেক আর তার ‘হাওয়া ভবন ‘ এর দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেছে,বলছে!!তাই নতুন মানে যদি তারেক হয় তাহলে আমরা নাই।আর সেটা এখনি পরিষকার করে বলুন।

    Reply
  78. ashi

    “বিএনপি আপনার দল, এর দরজা আপনার জন্য খোলা আছে। আসুন এবং একে বদলে দিন আপনার সময়ের উপযোগী করে।” আপনি কতটুকু বদলে দিতে পেরেছেন বিএনপিকে? বিএনপিতে তারেক রয়েছেন। আপনার কথার কি সিকি ভাগও মুল্যায়ন করা হয়?

    Reply
  79. Zobair

    আপনি বলেছেন, অতীত বেদনাকে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান, অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করেন না। তাহলে আবার ৭২-৭৫ যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের রাজনীতির কথা টেনে আনলেন কেন? তরুণ প্রজন্ম এখন আর কারো মুখে শুনে ৭২-৭৫ বা এদেশের অতীত সম্পর্কে জানতে চাই না। কারণ “স্বাধীনতার ঘোষক কে?” – প্রশ্নের উত্তরে আপনাদের মত স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী রাজনীতিবিদেরা যে মহাবিতণ্ডা শুরু করেছিলেন তা হাইকোর্টের চুড়ান্ত রায়ের পরও মীমাংসিত হয়নি। তরুণ প্রজন্ম এখন তাদের চোখে দেখা ইতিহাস ৯১-৯৬, ৯৬-২০০১, ২০০১-২০০৬ দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলকে মূল্যায়ন করে।

    আপনি বলেছেন, ২০০৫ সালে আমাদের পরিপার্শ্ব ও ব্যক্তিগত অবস্থা আজকের চেয়ে ভালো ছিলো। আসলে আপনারা যারা তখন ক্ষমতায় ছিলেন তাদের অবস্থা ছিল, অন্য কারো নয়। ২০০৫ সালের প্রথম ছয় মাসের কিছু উদাহরণ:

    ১। গ্যাস নেই, চুলো জ্বলছে না
    সূত্র: ইত্তেফাক – January 14, 2005
    ২। যাত্রা ও নাট্যমঞ্চে বোমা হামলা
    বগুড়া ও নাটোরে নিহত ৩, আহত ৭০
    সূত্র: ইত্তেফাক -January 16, 2005
    ৩। রাজশাহীতে বাংলা ভাইয়ের ক্যাডারদের হামলায় নিহত ১
    গণপ্রহারে তিন ক্যাডারের মৃত্যু
    ঈদের রাতে বাগমারা উপজেলার শ্রীপুরে ‘জাগ্রত মুসলিম বাহিনীর’ নেতা ‘বাংলা ভাইয়ের ক্যাডারদের গুলি ও বোমা বিস্ফোরণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান (৩৪) নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি খয়রা গ্রামে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা তিন ক্যাডারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
    সূত্র: ইত্তেফাক -January 25, 2005
    ৪। হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় কিবরিয়াসহ ৪ জন নিহত
    আহত শতাধিক ০ শহরে বিক্ষোভ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ০ শনিবার সারাদেশে হরতাল
    সূত্র: ইত্তেফাক -January 28, 2005
    ৫। যানবাহন ভাংচুর, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ
    প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের ডাকা সারাদেশে তিন দিনব্যাপী হরতালের দ্বিতীয়দিনে গতকাল রবিবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ ও হরতালকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
    সূত্র: ইত্তেফাক -January 31, 2005
    ৬। খুলনা প্রেসক্লাবে বোমায় চার সাংবাদিক আহত
    সূত্র: ইত্তেফাক -February 06, 2005
    ৭। কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের মিছিলে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত
    সূত্র: ইত্তেফাক -February 08, 2005
    ৮। টিএসসিতে ভ্যালেন্টাইন ডে’র অনুষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণ
    আহত অর্ধ শতাধিক ০ ৩টি তাজা বোমা উদ্ধার
    সূত্র: ইত্তেফাক -February 15, 2005
    ৯। নওগাঁয় ব্র্যাক ও উল্লাপাড়ায় গ্রামীণ ব্যাংকে বোমা হামলা
    আহত, রংপুর ব্র্যাকে ৩ গ্রেনেড উদ্ধার
    সূত্র: ইত্তেফাক -February 17, 2005
    ১০। গোটা উত্তরাঞ্চল জুড়ে বোমা আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে এনজিও কর্মীরা অজানা হামলার আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছেন। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, আশাসহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।
    সূত্র: ইত্তেফাক -February 18, 2005
    ১১। বিএসএফের গুলিতে আরো দুই বাংলাদেশী নিহত
    সূত্র: ইত্তেফাক – April 26, 2005
    ১২। হরতালে পুলিশের গুলি লাঠিচার্জ
    মতিয়া, মির্জা আজম, সাগুফতা, সাংবাদিক ও পুলিশসহ আহত একশত ।। সারাদেশে গ্রেফতার দুইশত
    সূত্র: ইত্তেফাক – May 22, 2005
    ১৩। চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে পুলিশের হামলা ।। আহত ১০
    সূত্র: ইত্তেফাক – May 22, 2005
    ১৪। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো
    সূত্র: ইত্তেফাক – May 25, 2005
    ১৫। ঢাকা ভার্সিটি ক্যাম্পাসে আবার হামলা ।। আহত শতাধিক
    গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগসহ বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচী চলাকালে বোমা বিস্ফোরিত হওয়ার পর ছাত্রদল ক্যাডাররা কমান্ডো স্টাইলে ছাত্রলীগ ও বাম ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
    সূত্র: ইত্তেফাক – June 01, 2005
    ১৬। সুব্রত বাইনের নির্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয়
    একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে জজ মিয়া গতকাল রবিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে তারা ১৪ জন চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। শীর্ষ সন্ত্রাসী মগবাজারের ত্রিমোতি সুব্রত বাইনের নির্দেশ ছিল সমাবেশের মঞ্চে (ট্রাকে) নয়, মঞ্চের আশেপাশে গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে হবে। আর সেই নির্দেশ অনুসারে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তবে কি কারণে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে তা জজ মিয়া তার দেয়া জবানবন্দিতে উল্লেখ করেনি।
    সূত্র: ইত্তেফাক – June 27, 2005
    তালিকাটি এখানে আর দীর্ঘ করলাম না।

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা সাহেব সততার সাথে নিজেকে প্রশ্ন করুন তো, ২০০৫ সালে আপনার পরিপার্শ্ব ও ব্যক্তিগত অবস্থা ভালো ছিলো, না আজ ভালো?

    Reply
    • চারু

      জনাব জবায়ের, আমার মনে হয়, জনাব আলমগীর ৭২-৭৫ এর কথা নিজে কিছু বলেননি, শুধু বলেছেন বাড়ির বয়স্ক লোকটিকে জিজ্ঞেস করে নিজেই উত্তর খুঁজে নেবার জন্য। তিনি তা নিয়ে রাজনীতি করছেন না, অতীতকে মনে করিয়ে দেওয়া আর তা নিয়ে রাজনীতি করা যে এক নয়, তা বোঝার জ্ঞ্যান আপনার আছে নিশ্চয়।
      দ্বিতীয়ত, আপনি যেই ঘটনাগুলোর উল্লেখ করলেন তা সবই বিএনপির গত শাসনামলের শেষ সময়কার চিত্র, যেখানে এই সরকারের প্রথম তিন বছরেই এর থেকে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে হাজারো হাজারো। জন সমক্ষে বাবুকে হত্যা করা হয়েছে, কিছুই হয় নি, ফাঁসির আসামীকে ক্ষমা করা হয়েছে, কিছুই হয় নি। তাছাড়া জবাব আলমগীর পরিষ্কার ভাষায় আত্মসমালচনা করে তরুণদের আরও বেশী দেশ পরিচালনায় সম্পৃক্ত হতে আহবান করেছেন। সৎ উদ্দেশ্য, সৎ ভাবে দেখুন।

      Reply
      • Zobair

        ফকরুল সাহেব নিজেদের দোষের কথা ভুলে থাকতে বললেন, আবার আওয়ামী লীগের দোষের কথা স্মরণ করতে বললেন। এটা যুক্তিহীন ও স্ববিরোধী কথা!
        উনি বলেছেন, ২০০৫ সাল বতর্মান অবস্থা থেকে ভালো ছিল। তাই আমি সেই বছরের সামান্য কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। আপনি যদি মনে করেন বতর্মান সরকারের সময়ে হাজারো ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সেগুলো তুলে ধরেন। তাহলে মানুষ তুলনা করতে পারবে কে বেশি খারাপ। ২০০১ – ২০০৬ জোট সরকারের শাসনামল আজকের তরুণ প্রজন্ম দেখেছে। সুতরাং এখানে ইতিহাস বিকৃতি করার কারো সুযোগ নেই।
        আমি এখানে শুধু ফকরুল সাহেবের উল্লেখিত ২০০৫ সাল যে এখনকার অবস্থা থেকে অনেক খারাপ ছিল সেটি বোঝাবার জন্য ২০০৫ সালের কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। তারেক জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাইমন আকবর, ডিউক, লুৎফুজ্জামান বাবর, মোসাদ্দেক আলী ফালু, হারিস চৌধুরী…… এবং আরো অনেকের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরলে আমার মন্তব্যের দৈর্ঘ্য ফকরুল সাহেবের আর্টিকেল থেকে অনেক লম্বা হয়ে যাবে! ধন্যবাদ –

      • Mostak

        প্রিয় মি. জোবায়ের। ২০০৫ সালে আমি আপনি কেউই শিশু ছিলাম না। সবই মনে আছে। পত্রিকার পাতা তুলে ধরার দরকার নেই। ফিরিস্তি দিতে হবে না। বিএনপি আমলের সমস্যা-সংকটের ফিরিস্তি দিতে আপনার তো ছয় মাসের পত্রিকা ঘাঁটতে হয়েছে। ২০১১ সালে বসে কিন্তু অত কষ্ট করতে হবে না। বর্তমান আওয়ামী আমলের মাত্র ১ সপ্তাহের যে কোনো পত্রিকা ঘাঁটলেই বিএনপি আমলের ৬ মাসের অপকর্মকে ছাড়িয়ে যাবে। সত্যি, নিজে চোখ বন্ধ করে বসে থাকলে এবং থাকতে চাইলে মির্জা ফখরুল কেন, কেউই আপনাদের চোখ খুলতে পারবে না। কেবল আজকের প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠাটাই দেখুন। প্রস্তুতি ছাড়াই ট্রানজিট, সরকারি দুর্নীতিতে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ, দাতাদের বৈঠক স্থগিত – আরো অন্তত ১০টা আইটেম আছে স্রেফ প্রথম পাতায়। সত্যিই, আপনার আওয়ামী লীগ পারেও বটে! আর সঙ্গে মাথা দুলিয়ে ‌হ্যাঁ হ্যঁ করে সব জায়েজ করার জন্য আপনারাতো আছেনই!

    • Saiful Islam Sekul

      উল্লিখিত বিষয়গুলোর সাথে তারেক জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাইমন আকবর, ডিউক, লুৎফুজ্জামান বাবর, মোসাদ্দেক আলী ফালু, হারিস চৌধুরী……(অনেক বড় করা সম্ভব)তাদের অপকর্মের কিছু ফিরিস্তি তুলে ধরলে জনাব জাবের-এর লিখাটি আরো বস্তুনিষ্ট, যুক্তিসঙ্গত ও বর্তমানের সাথে তুলনীয় হতো।

      Reply
    • musafir khan

      জুবায়ের সাহেব, আপনি কোন দেশে বসবাস করছেন জানিনা । তবে বাংলাদেশে বসবাস করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি এতো বেশী ক্ষোভ থাকার কথা নয় । মির্জা সাহেব কিন্তু একবারও বলেন নি ২০০৫ সালে বাংলাদেশের মানুষ স্বর্গীয় সূখে ছিল ? আর বর্তমানে যারা আওয়ামী লীগ না করে বাংলাদেশে বসবাস করছে কেবল মাত্র তারাই জানে এর চাইতে খারাপ আর কিছু হতে পারে না । এ সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে কোন কাজটা করেছে বলেন তো ? সকল কাজ করছে নিজেদের লাভের জন্য । আপনারা সংকীর্ণ চিন্তাধারা হতে বের হয়ে আসুন ।

      Reply
  80. shahed sadruddin

    খুব মিষ্টি করে বিএনপি করার দাওয়াত দিলেন – তা আপনি করতেই পারেন! কিন্তু কেবল একটা কথা বলি। আপনার নেত্রী কীভাবে এ কথা বলেন,” সাইদী, সোবহান , নিজামি – এরা ‘৭১ এ কোন অন্যায় করেনি – সব মিথ্যা”। আমি আওয়ামী লীগের করি না – কিন্তু বিএনপি করার কোন যুক্তি খুঁজে পাইনা। আপনারা যতদিন ঘাতকদের সাথে থাকবেন – ততদিন বাংলাদেশের বৃহত্তর তরুণ সমাজ বিএনপির প্রতি আকৃষ্ট হবেনা। এভাবে চললে – একদিন বিএনপি হয়ে উঠবে জামাতের বি টিম।

    Reply
    • m.rahman

      জনাব শাহেদ,সাঈদী-নিজামী-সোবহান অন্যায় করেছে কিনা তা-তো সাবজুডিস্ বিষয়। গোলাম আযমকে নিয়ে যে মামালা-মোকদ্দমা হয়েছিল তাতে সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিশ্চয়ই আপনি জানেন। সুতরাং যতক্ষণ বিচার-ফায়সালা হয়ে প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে সব বিষয়গুলোই রাজনৈতিক প্রচারণা হিসেবে বিবেচ্য। জেনারেল জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন বাজী রেখে লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ফলে তিনি আমাদের বীরোত্তম-অথচ তিনি সামরিক ক্ষমতাবলে দেশের প্রধান হয়েছিলেন। এসব বিশ্লেষণ সামনে রেখে আমাদের ভাবতে হবে। নিজামী-সাঈদী-সোবহান দেশের বিরোধীতা করেছেন-তারা কিন্তু নিজ এলাকা থেকে পরে জন প্রতিনিধিও নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনা আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের পাশে ছিলেন।পার্লামেন্টে একসাথে কাজ করেছেন।আপনার অনঢ় মনোবল দেখে হাসিনাও হাসতে পারেন।বলতে পারেন দূর বোকা- এত অভিমানী আর না বুঝে কথা বলো কেন -তুমি না এখন অনেক বড় হয়েছ….

      Reply
  81. শাহাদ

    সব সময় চেষ্টা করি মূল লেখার সাথে সাথে কমেন্ট গুলি পড়তে। এবার ও তাই করলাম। ভাল লাগলো একজন রাজনীতিবিদ এর কাছ থেকে এ রকম কথা শুনতে পেরে। তাই সাধুবাদ জানাই। কিন্তু অনেকের মত আমার মনেও হাজারো প্রশ্ন। সেগুলো নতুন কিছু নয়। উপরে পাঠকেরা যা বলতে চেয়েছেন বা জানতে চেয়েছেন অনেকটা সেগুলোই। তাই নতুন করে আর কোন প্রশ্ন করলাম না। অধীর আগ্রহে অপেক্খা করছি আপনার জবাব শোনার আশায়। আপনার জবাবই নির্ধারণ করবে আপনার বক্তব্যের গুরুত্ব।
    আর নইলে ,,, বুঝতেই পারছেন ,,, যা বোঝার তাই বুঝে নেবো।

    Reply
  82. Abdul Aziz

    আপনার এই লিখা নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে এবং সত্যি তরুণ সমাজকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে। জাতীয়তাবাদী তরুন প্রজন্ম হলো বিএনপির চালিকা শক্তি। তরুন প্রজন্মকে নিয়া লিখা আপনার এই আহবান অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আবারো ধন্যবাদ স্যার আপনাকে।

    Reply
  83. রাজ

    বিএনপি ভালো না আওয়ামী লীগ ভাল সেই তুলনা করা অবান্তর। এর কোন যৌক্তিক ভিত্তি নাই। এটা অনেকটা মাদক বিক্রেতা ভালো, নাকি পেশাদার খুনী ভাল এই জাতীয় একটি তুলনা।

    এবার বিএনপি নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু কথা বলি। আমি কোন দলীয় লোক নই, কোন দলীয় কর্মী নই। এদেশের একজন সাধারন তরুণ হিসেবে, একজন সাধারণ ভোটার হিসেবে বিএনপির প্রতি এই কথাগুলো বলছি।

    “জয় বাংলা” আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। এটাকে “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” দিয়ে প্রতিস্থাপনের কোন দরকার নাই। বাংলাদেশ সবাই মিলেই স্বাধীন করেছে। জয় বাংলা প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার স্লোগান। “জয় বাংলা” আওয়ামী লীগের একার দখলকৃত সম্পত্তি নয়, এটা সবার সম্পদ। আপনার পিতার হত্যাকারী ভাত খায় বলে আপনি যদি ভাত খাওয়া বাদ দেন তাহলে সেটা কোন অর্থ বহন করে না।

    জিয়া, মুজিব বিতর্কের কোন অর্থ নাই। আগেই বলেছি এটা এখন ঈশ্বরবন্দনার পর্যায়ে চলে গেছে। যার যা প্রাপ্য সম্মান, তাকে তাই দিন। মুজিব মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা, জিয়া একজন সেক্টর কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা। একজনকে বড় আর একজনকে ছোট করে আপনারা যে সব করেন, তা প্রচুর হাস্যরস এবং বিরক্তির জন্ম দেয়। দুইজনেরই ভাল এবং খারাপ দিক আছে। সেটা নিয়ে দয়া করে বস্তুনিষ্ঠ কথা বলুন। প্রাগাপান্ডা আমাদের বাবা চাচারা খেতে পারে, আমরা খাই না। আমরা এখন পুরো দুনিয়ার তথ্য নিয়ে যাচাই বাছাই করে তারপরে সিদ্ধান্তে উপনীত হই, কেউ কিছু বলল আর মেনে নিলাম, সে যুগ এখন আর নাই। অযথা কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করলে আমাদের জন্যই ভাল। জিয়া বড় নাকি মুজিব বড় সেটা দিয়ে দেশের রাস্তাঘাট ঠিক হবে না। জিয়া বড় হলেই মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে না। উন্নয়ন দেখলে দলের প্রধান যদি একজন গরুও হয় তবুও সেই দলকেই মানুষ ভোট দিবে।

    রাজাকাররা যতদিন আপনাদের সাথে আছে, অন্তত আমি আপনাদের সাথে নাই। অন্য সব কিছু জাহান্নামে যাক, রাজাকারদের সাথে কোন আপোষ নাই। আমার পিতার হত্যাকারী আমার যতই উপকার করুক না কেন, আমি তার উপকার গ্রহনে আগ্রহী নই। গরু মেরে জুতা দানের মত স্বাধীনতার সময় আমাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে এখন এসে ভাল সেজে কোন লাভ নাই।
    আওয়ামীলীগ একটা কট্টরপন্থী দল। আমি ব্যাক্তিগতভাবে কট্টরপন্থা পছন্দ করি না। আওয়ামী লীগের ভাবধারা অনেক গোঁড়া। সেই তুলনায় বিএনপি অনেক উন্মুক্ত। কিন্তু যত যাই হোক জামাতের সাথে যতদিন আপনারা আছেন, ততদিন আপনারা যত ভাল প্রার্থীই নির্বাচনে দাড়া করান না কেন, অন্তত আমার ভোট আপনারা পাবেন না। আমি দরকার হলে কোন দলকে ভোট না দিয়ে ভোট নষ্ট করে চলে আসব, কিন্তু রাজাকারদের সাথে কোন আপোষ নাই। আপনারা দুর্নীতি করেন, লুটতরাজ করেন, হাজারটা খারাপ কাজ করেন, কিন্তু আপনারা আমাদের দেশের লোক, এই মাটির সন্তান। দিনশেষে এই মাটির বুকেই আমরা সবাই আশ্রয় নিই। কিন্তু আমাদের এই দেশমাতৃকার ঘাতক, ধর্ষক এই নরপিশাচদের কোন স্থান এই মাটির বুকে আমি চাই না।

    ধন্যবাদ।

    Reply
    • অন্যকেউ

      “বিএনপি ভালো না আওয়ামী লীগ ভাল সেই তুলনা করা অবান্তর। এর কোন যৌক্তিক ভিত্তি নাই। এটা অনেকটা মাদক বিক্রেতা ভালো, নাকি পেশাদার খুনী ভাল এই জাতীয় একটি তুলনা” —সহমত , তারপরও সবখানে এই অনর্থক বিতর্কটাই হতে দেখি।

      Reply
    • m.rahman

      জনাব রাজু–বলেন তো জামাতের লোকদেরকে কারা ভোট দিয়ে এম,পি বানিয়েছে ? নিশ্য়ই তার এলাকার লোকেরা। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী একবার পার্লামেন্টে দাড়িয়ে বলেছিলেন- নিজামী সাহেবরা এ দেশের বিরোধিতা করেছিলেন এটা যেমনি সত্য তেমনি তার এলাকার জনগণ তাকে ভোট দিয়ে পার্লামেন্টে কথা বলতে পাঠিয়েছে এটাও সত্য। আমাকে দুটো সত্য-ই মানতে হবে। আমি দেশের বিরোধিতাকারী হিসেবে তাকে ঘৃণা করি,কিন্তু এম,পি হিসেবে,সহকর্মী হিসেবে তাকে শ্রদ্ধা করি…দেখুন কি সুন্দর কথা। আমরা নতুন প্রজন্ম এ ধরনের পজিটিভ এবং যুক্তিপূর্ণ কথা শুনতে চাই। গায়ের জোরে,যুক্তিহীন,চাপিয়ে দেয়া কথা শুনতে চাইনা।ফখরুল সাহেবের কথায় যদি যুক্তি থাকে তা গ্রহণ করতে বাধা কোথায়? অমুক থাকলে আমি নাই-এটা গোয়ারের কথা। যুক্তিশীল নব-প্রজন্মের কথা হতে পারেনা।
      বঙ্গবন্ধু’র ইতিহাস লিখতে যদি নতুন প্রজন্মের কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে সে লিখবে-তিনি স্বাধীন বাংলার রূপকার এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক,তবে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে,সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা হরণ করে,হাজার-হাজার মুক্তিযোদ্ধা রাজনৈতিক কর্মী হত্যা করে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন কে হত্যা করেছেন–এটাই নতুন প্রজন্মের ফিলিংস….

      Reply
  84. Altaf

    ফখরুল সাহেব, আপনি আবুল বাবুলের উদ্ধৃতি দিলেন, তবে আমরা কোনদিনও ভুলব না হাওয়া ভবন, বাবর, হারিছ, পিন্টু, লালু, ভুলু, পটলদের কথা। ভুলব না ২১শে আগস্ট নিয়ে আপনাদের ভয়াবহ তামাশা, আওয়ামি লীগের বড় দুইজন এমপি খুন হওয়া, ১৫ই আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের খুনীদের জামাই আদরে রাখা, আপনাদের নেত্রির ১৫ই আগস্টে মিথ্যে জন্মদিন পালন করা–এরকম আরো অনেককিছু। আপনারা আবার ক্ষমতায় গেলে সবকিছু ঠিক করবে তারেক জিয়া। আপনার নেত্রি নতুন প্রজন্মের হাতে দ্রুত ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার অঙ্গিকারে আমরা দেশে ভবিষ্যতে ভয়ংকর পরিনতির ইঙ্গিত পাচ্ছি।

    Reply
  85. Arifur Rahman

    আমরা আপনার লেখার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
    তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে কোন রাজনীতিবিদের লেখা , এই প্রথম মর্ম উপলব্ধি করলাম ।
    আপনার মতামত , আমিও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি । আপনার মত আমিও মনে করি নতুন প্রজন্ম দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে পারেন,কারন আমিও এক্জন তরুন।
    আমি আশা করি আমরা আমাদের মাতৃভূমির জন্য অবদান রাখতে পারব ।

    Reply
  86. david hasan

    বিএনপি সবসময় নতুনদের দল। সোহেল, আ্যানি সহ অনেক প্রগতিশীল নতুনে ভরপুর এদল। এটা খুব দরকার। আমি বিশ্বাষ করি তারেক বিগত সময়ে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা দিয়ে সে নতুন প্রজন্মের নেতা হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আমি তারেককে স্বাগত জানাই।

    যারা বলছেন তারেক খারাপ, তারা কি মনে করেন হাসিনা, খালেদা তার চেয়ে ভালো??

    Reply
    • Mannan

      আপনারা তারেককে জোর করে আনতে চাচ্ছেন কেন যেখানে ৫০%এর বেশী লোকের কাছে সে খুবই বিতর্কিত। সোজা কথা আমরা গলাবাজি করে সারা পৃথিবীর সবাইকে বলে বেড়াই আমরা মুসলমান, আমরা সবার চেয়ে ভালো। আমরা মুসলমানরা যদি এত ভালোই হই তবে কেন আমাদের মধ্যে ভালো কেউ নেই?

      Reply
    • Mannan

      আরেকটা জিনিস আমি বলতে ভুলে গেছি, বিনপি কিন্তু প্রগতিশীলরা চালায় না, চালায় খালেদা তারেকের মত প্রতিক্রিয়াশীলরা। আপনার মতো লোক এই দলে আরো বেশি থাকলে ভালো হতো। বিনপি সবসময় সাম্প্রদায়িক ও ৭১এর যুদ্ধাপরাধিদের সাথে জোট বাধে কেন?

      Reply
      • Kamruzzaman

        তারেক আসবে –এই ভয়েই তাকে বিতকির্বত করা হয়েছে । তবে ভাল হয়েছে যে, এটা বুঝেই পথ চলবেন। আবুল হোসেন যা করলো, কি আর বলবো….. এর পর তারেককে আর দুর্নীতিবাজ বললে তা রাজনৈতিকই বটে ।

      • Altaf

        কোথায় আবুল হোসেন আর কোথায় তারেক! আবুল হোসেন কোনদিনও প্রধান মন্ত্রী হবার স্বপ্ন দেখে না। আর তারেকের উপর পুরো বিনপির ভবিষ্যত নির্ভরশীল। তারেককে দয়া করে নিয়ে আসুন না দেশে, দেখুন কী হয়। তখন বলবেন গৃহযুদ্ধের চেয়ে ২০১১ সাল অনেক ভালো ছিল।

      • এফ কে এস

        নিজেই বলে দিলেন কেন তাহলে ‘তারেক’ সবার মাথা ব্যাথা। তারেকের উপর বি এন পি এর ভবিষ্যত নির্ভরশীল। আর বি এন পি এর ভবিষ্যত অনিশ্চিত করতে পারলেই তো আওয়ামী লীগের পোয়াবারো। কামরুজ্জামান সাহেবের কথা পছন্দ হয়েছে- আপনাদের আতংকই এক নতুন তারেকের আবির্ভাব ঘটাবে।

      • বিডিদেশী মাহাথির

        খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান যদি প্রতিকিয়াশীলই হবেন তাহলে উনারা মির্যা সাহেবের মত প্রগতিশীল লোককে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করেন কীভাবে?

        আর বিএনপি সাম্প্রদায়িক ও যুদ্ধাপরাধীদের সাথে জোট বাধে কারন এরা তথাকতিত অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগের চেয়ে কম সাম্প্রদায়িক। ৭১ এ কোন রাজকার ধর্ষনে সেঞ্ছুরী করে নাই, আনন্দমোহন কলেজে হাজার হাজার নারীর উপর সবার সামনে ঝাপিয়ে পড়ে নাই… আর কত কি………।।

      • Altaf

        ধর্ষনের সেন্চুরির গল্প যাকে নিয়ে বলা হয় সে ছাত্রদল থেকে ছাত্রলীগে এসেছিল। এতগুলো ধর্ষন যদি সত্যি হয়েই থাকে তার বিপরীতে কয়টি মামলা হয়েছিল বলতে পারবেন? ৭১এর কয়েক লাখ ধর্ষনের হিসাব বাদই দিলাম (যেগুলো আপনাদের কাছে কোন ব্যাপারই না), ২০০১ সালের নির্বাচনে জেতার মহানন্দে বিনপি জামাতের কর্মীদের কয়েকশ ধর্ষনের খবর কিছুদিন আগে আবারো খবরে এসেছিল। বারো বছরের পূর্নিমা গনধর্ষন যেখানে তার মা আকুলভাবে বিনপি জামাতের কর্মী ১৭জন ধর্ষনকারীকে অনুরোধ করেছিল “বাবারা আমার মেয়েটি ছোট, তোমরা একজন একজন করে যাও” , পঙ্গু শেফালি রানী ধর্ষন ও ধর্ষন শেষে তার নাকফুল ছিনতাই।

      • এফ কে এস

        ধর্ষনের সেন্চুরির গল্প যাকে নিয়ে বলা হয় সে ছাত্রদল থেকে ছাত্রলীগে এসেছিল। হা হা হা, নতুন গল্প শুনলাম। ইতিহাস ভুলে যাবেন না- আওয়ামী লীগের গোঁড়া রাজনীতির মোকাবেলা করতেই প্রগতিশীলদের নিয়ে বি এন পি তৈরি হয়েছিল। এবং ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস যে অতি পুরানো আওয়ামী লীগকে এই নতুন দলকেই মোকাবেলা করতে হয়।

  87. Major Siddique Retd

    সার আপনাকে অভিনন্দন। দারুন লেখা। তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে লেখা হৃদয় ছুঁয়ে আশার দিগন্ত বাড়িয়ে দিলেন।
    আপনার সার্বিক সফলতা কামনা করি।

    Reply
  88. মুরাদুল ইসলাম

    ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, আপনি খুব ভাল লিখেছেন। আপনার লেখার হাত অসাধারন। একজন রাজনীতিবিদের লেখা এত ভাল হবে আশা করি নি।

    লেখার প্রথমদিকে তরুন প্রজন্মের ব্লগ ফেসবুকে আপনি মাঝে মাঝে আসেন, দেখেন, মন্তব্য করেন বলেছেন। সেটা অতি উৎকৃষ্ট কর্ম। সকল রাজনীতিবিদদের এরকম আশা উচিত।তরুন প্রজন্ম তাদের সম্পর্কে কী ভাবে সেটা জানা উচিত।

    আপনার লেখার এই অংশটুকুর সাথে একমত নই:

    “বিএনপি কোন অতীতমুখী দল নয়, তাদের মনোজগৎ অতীতে অবরুদ্ধ নয়। অতীতের অর্জন আর ট্রাজেডি নিয়ে মানুষের সহানুভূতি আর অনুকম্পা আশা করে না বিএনপি। বিএনপি শুরু থেকেই একটি ভবিষ্যতমুখী দল। পৃথিবীতে এমন কোনও জাতি নেই যার অতীত রক্ত-রঞ্জিত নয় কিংবা পাপবর্জিত । তারা তাদের অতীত বেদনাকে ভুলে থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, প্রতি নিয়ত অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করে না। নাৎজি উত্থান-পর্ব (যেটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ছিলো!) নিয়ে জার্মানরা রাজনীতি করে না, অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা তাদের উপর সংঘটিত অবিচার নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও হীনম্মন্যতা সৃষ্টি করে না। আমাদের রাষ্ট্রের ইতিহাস অন্যান্য আর দশটি রাষ্ট্রের মতোই ভুলে ভরা। আমাদের প্রজন্মের বহু লোক ভুলের এই ফিরিস্তি নিয়ে আলোচনা করাকে তাদের জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করেছে। দয়া করে আপনারা এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এগিয়ে যেতে চাই আমাদের অন্ধকার অতীতকে ভুলে গিয়ে নয়, ভুলে থেকে। এই এগিয়ে যাওয়ায় বিএনপি আপনার সামনে নয়, সাথে থাকতে চায়, কেননা চারিত্রিকভাবে বিএনপি একটা Inclusive দল আর আওয়ামী লীগ হোল Exclusive দল। তাদের রাজনীতি ধর্মাচারের নিকটবর্তী।”

    এখানে মনে হল আপনি বুঝাতে চাচ্ছেন ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে “যা গেছে গেছে” বলে ওসব ভূলে থাকা। ভূলে থেকে রাজাকারদের সাথে আপনাদের(বিএনপির) সখ্যকে সাপোর্ট দেয়া।ভাল! অতি উত্তম প্রস্তাব!

    তবে ধন্যবাদ আপনাকে।তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে লেখার জন্য।

    Reply
    • চারু

      আমার তো মনে হয়, উনি দেশ পরিচালনায় কিছু অতীত ভুলে “থেকে” দেশের কাজ করতে বলেছেন, উনি কখনই war criminal দের মাফ করে দেবার কথা বলেন নি। তিনি অতীত নিয়ে রাজনীতির বিপক্ষে। প্রতিটি বিচারের একটি প্রক্রিয়া আছে। যথাযথ অবিতর্কিত প্রক্রিয়ায় বিচার হতে হবে যাতে পরে তা নিয়ে প্রশ্ন না উঠে!

      Reply
  89. nahid

    আপনি স্বতন্ত্র দল করেন! দেখবেন অনেকেই আপনার কাধে কাধ মিলাবে! কিন্তু বিএনপি বা জামায়াত=রাজাকার(দুটোই এক)এদেরকে ছাড়ুন। তার পরে বাকি কথা! দেখবেন আপনি কতটা দেশবাসীর কাছে চলে এসেছেন!

    আপনি আসলেই অনেক সৎ ও যুগোপোযোগী একজন নেতা! আপনার মতো রাজনীতিবিদ বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজন। কিন্তু আপনারা হারিয়ে যাচ্ছেন! আফশোস এটাই!

    Reply
    • পৃথুল মাহমুদ

      স্যার আপনার লেখা অবশ্যই ভাল লাগার মতন। কিন্তু স্যার, আমাদের দেশের প্রধান ২ রাজনৈতিক দলের দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি, আমাদের দেশকে অনেক অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। আপনিই বলুন ছাত্রলীগ , ছাত্রদল, নাম নিয়ে আপনাদেরই লোক, লুটপাট করেছে, এবং করছে। কিন্তু আপনারা তা কি দেখছেন না ?? অবশ্যই দেখছেন। কিন্তু আপনাদেরই রাজনৈতিক আর দলীয় স্বার্থের জন্যই এই দেশে তরুনরা বিপথগামী। কারন বিপথগামী তরুনদেরকে দিয়েই নোংরা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা যায়। যে দিন আপনারা সব কিছুর ওপরে দেশকে ভালবাসবেন, সেইদিনই দেখবেন আপনার এই চিন্তার যথার্থ সুন্দর ফলাফল পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

      Reply
  90. MD SAIFUL ISLAM

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার এই আহ্বান তরুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করবে।

    Reply
  91. Kayes

    দারুণ লিখেছেন জনাব মির্জা । আমি আপনার কথাগুলো ভালোভাবে পড়ে বুঝলাম। আপনার পরিকল্পনা যদি এমন হয়, আর মনে বিশ্বাস থাকে বাস্তবে রূপ দেয়া সম্ভব তাহলে এগিয়ে যান আমি আপনাদের সাথে থাকবো ।

    এটা সত্য আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি । এও সত্য আপনাদের ভূলের কারণে আপনারা ক্ষমতায় যেতে পারেন নি । আমরা তখন ভেবেছিলাম মনে হয় আপনাদের চেয়ে আওয়ামী লীগ ভাল চালাবে । তবে স্বীকার করছি বর্তমান থেকে আপনারা ভাল অবস্থানে ছিলেন । তবে এই অবস্থানও তখনকার সময় আমাদের জন্য পর্যাপ্ত ছিলনা । আমরা জনগণ সবসময় ভালোর প্রত্যাশায় থাকি ।

    গণতন্ত্র বলতে আমরা যেটা বুঝি বহু দলের অংশগ্রহণে দেশ পরিচালনা । কিন্তু পরিস্থিতি দৃষ্টে মনে হচ্ছে আমাদের সরকার একদলীয় গণতন্ত্র আবিষ্কার করতে যাচ্ছে । বিরোধীদলও যে সরকারের অংশ সে কথা কে বুঝালে উনারা বুঝবেন । প্রয়োজনের তুলনায় শক্ত বিরোধী দলের অভাবে ভারত তার অন্যায্য দাবী পূরণে সফল হয়েছে , যেখানে আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছি । আপনার মতই আমারও বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যাইনি আমার দেশে আমি ভালো কিছু করার প্রত্যাশায় । পারবেন কি আমার মতো বাংলাদেশীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে…?

    Reply
  92. রাইয়ান রহমান , ঢাকা

    দেশকে নিয়ে আশা হারিয়ে ফেলেছিলাম ! ভাবছিলাম দেশকে নিয়ে ভেবে আর কী হবে ? ভোট দিয়ে কাকে ক্ষমতায় বসাবো আগামীবার ? ভেবেছিলাম দেশে আর থাকবই না। কিন্তু আপনার লেখা পরে আজ কেন যেন দেশটাকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করলাম । শত হোক দেশ তো আমার । আমার দেশকে নিয়ে যদি আমি না ভাবি তবে কে ভাববে ? দেশের জন্য কিছু করার প্রেরণা পেলাম ! একটা শক্তি অনুভব করছি আজ নিজের মাঝে । হয়ত আমরাই পারব একদিন দেশকে বদলে দিতে ! অনেক ধন্যবাদ স্যার আপনাকে ।

    Reply
  93. rifathasan

    প্রিয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। তরুন প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আপনাকে একটি কথা বলতে চাই, বিএনপির উচিৎ জামাতকে ত্যাগ করা। দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো।

    Reply
  94. shakhawat nadim

    পোস্টটা খুব ভাল লেগেছে। দেশের জন্য কাজ করার ইচ্ছা আছে। তবে আমার আর ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ইচ্ছা নাই। একবার গিয়ে শিক্ষা হয়ে গেছে। আমাদের একজন মাহাথির মোহাম্মদ থাকলে ভাল হইতো।

    Reply
  95. tareq musa

    আপনাকে ধন্যবাদ এইজন্য যে, আপনি অন্তত বুঝতে পেরেছেন যে নতুন প্রজন্ম চলমান রাজনীতির উপর খুবই বিরক্ত। এবং বুঝেছেন যে নতুন কিছু করা দরকার।
    আপনার নেত্রি বলেছেন যে, নতুন প্রজন্মের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। আমি জানতে চাই খালেদা জিয়া উনার ছেলেদের বাইরে আর কাউকে নতুন প্রজন্ম বলে মনে করেন কি? আমরা জনতা গণতন্ত্র চাই, পরিবারতন্ত্র নয়। আমার এ বক্তব্য শুধু বি এন পির জন্য নয় আওয়ামীলীগের জন্যও। আপনার এবং এরকম আরও নেতাদের যদি সত্যিকার অর্থেই ভালো করার ইচ্ছা থাকে, তবে জনতার সাথে এসে যোগ দিন এবং খালেদা হাসিনা ও তাদের বংশদরদের বাদ দিয়ে জনগণের সেবা করা শুরু করুন। দেখি আপনি ও আপনাদের বুকের পাটা কত!
    আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার প্রতি শুভ কামনা রইল।

    Reply
  96. সরলরেখা

    `আওয়ামী লীগ হোল Exclusive দল। তাদের রাজনীতি ধর্মাচারের নিকটবর্তী।`-এই অংশটা বুঝতে পারি নাই। আপনি কি ধর্মাচারের বিপক্ষে?

    Reply
  97. nagorik

    স্যার ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য। কিন্তু স্যার স্বাধীনতার কথা বললেন অথচ বঙ্গবন্ধুর কথা বললেন না। স্যার হাওয়া ভবন আবার ফিরে আসবে কি-না সেটাও বললেন না। ম্যাডাম ৩০ লাখ টাকা ট্যাক্স দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করলেন মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিনের আমলে…. কেন স্যার ? তারেক রহমান সাহেব সিনিয়র ভাইস চেয়ারমান … কীভাবে স্যার ?? দলে তার চেয়ে ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনীতিক ছিলো আরো অন্তত ৫০ জন। তাই নয় কি স্যার ?

    Reply
  98. তায়েফ আহমাদ

    বিএনপি আমাদের দল কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে, প্রযুক্তিবান্ধব তারুণ্যকে সময়ের প্রয়োজনে আপনার এই আহবান অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

    Reply
  99. শরিফ

    বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে এটা আমার বিশ্বাস। কিন্তু আর কত দিন লাগবে– এটা জানি না। তবে আমার মনে হ্য় আমরা ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছি।
    সামাজিক পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে বলে আমার বিশ্বাস। এখন সময় ঘুরে দাঁড়ানোর।

    Reply
  100. নিঝুম মজুমদার

    আজকে এত সব দূর্দান্ত কথা বলছেন আলমগীর সাহেব। আমি অবাক হই আর সেই অবাক হওয়াটা আমার ক্রোধকে আরো গতিময় করে কোলোরয়েড কনার মত। আজকে এই বেলায় এসে বলছেন কোনো ত্রাতা এসে দেশকে গড়তে পারে না, বাঁচাতে পারেনা। পারি কেবল আমরাই।

    আলমগীর সাহেব, আমরা কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো আপনি বলেন? আপনি তো গত বছর লন্ডন এলেন। দেখেছেন অনেক কিছুই। কত শত মেধাবী ছেলেরা লন্ডনে ব্রিটিশ সরকারকে তাদের মেধা দিচ্ছে?? অথচ এই ছেলেরাই কেন বাংলাদেশকে তাদের মেধা দেয় না? তার উদ্যম কেন দেশকে দেয় না আলমগীর সাহেব? তারেক রহমানকে প্রতি পদে পদে পার্সেন্টেজ দেবার জন্য তারা দেশে আসবে? খোকাকে ১০% দেবার জন্য দেশে আসবে? যেখানে নিজের জানের নিরাপত্তা নেই তারা কি সেই দেশে আসবে? তারা কি মামুনের, বাবরের, ওয়াদুদ ভুইয়াদের দাপট দেখতে আসবে?

    আপনিই বলেন তো, খালেদার ছেলে তারেক ঠিক কোন যোগ্যতায় আজকে বিএনপির ব্যানার, ফেস্টুন, কথায়, কলমে,হাতে, মাঠে,মুখে স্থান পায়? কোন যোগ্যতায়? কোন যোগ্যতায় কোকো আর তারেক কে আপনারা বন্দনা করেন?

    আমাদের মত অভাগা পাবলিকের একমাত্র শান্তি মৃত্যুতেও হয়না। সেখানেও আপনাদের আদরের পিন্টু কবর নিয়ে ব্যবসা করে, কংকাল নিয়ে ব্যবসা করে। যেমন এখন করে হাজী সেলিম।

    এর পরের বার যখন ক্ষমতায় আসবেন তখন নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে দয়া করে লিখবেন যে প্রতিটি নাগরিকের জন্য এক কৌটা বিষের বোতল ফ্রি দিবেন। এট লিস্ট এটা খেয়ে যদি চলে যেতে পারি তাতেই আমাদের সুখ। অন্তত আপনাদের রাজপূত্রের পরের টার্ম পুরো দেখতে হবে না।

    ভালো থাকবেন। (আপনারা অবশ্য না বল্লেও ভালোই থাকেন)

    Reply
      • abdullah

        আসুন তরুন প্রজন্ম, আমরা আবার তারেক-জামাতের জংলী হায়েনাদের শাসনে ফিরে গিয়ে দেশের সুশাসন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করি।

      • Rahman

        অসাধারণ! নিঝুম, বিষ আমরা প্রতিনিয়ত খাচ্ছি। তবে পরিমানে অল্প তাই ধূঁকে ধূঁকে মরছি।

    • মো জাকির হোসেন

      লেখাটা ভালো স্যার , কিন্তু সত্যি করে বলুন ত আওয়ামী লীগ খারাপ করছে , কিন্তু নিঝুম সাহেবের এই কথাগুলোর কী জবাব দেবেন। এদেশের রাজনীতি নিয়ে আমার আর কোনও আশা নেই,আপনারা বলেন তরুনরা পরিবর্তন করবে, ডিগ্রি পাস করে যখন একটা ৮ হাজার টাকা বেতনের চাকরির পেছনে ছুটেছি- তখন দেখেছি কতগুলো অযোগ্য লোক সরকারি চাকরি পাচ্ছে শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারনে বা রাজনৈতিক পরিচয় থাকার কারনে , সেটা বি এন পি সময়ে হয়েছে , এখনও হচ্ছে, আমরা কাকে বিশ্বাস করব!! আমি ঢাকা কলেজে ব্যাবস্থাপনা বিষয়ে পড়েছি, মাস্টার্স ২০০৮ সাল। আমার কিছু বন্ধু এখনও চাকরি পাচ্ছে না,অনেকে এখনও টুশনি করছে, ধরে নিলাম তারা ততটা মেধাবি নয়, কিন্তু স্যার, তাদের একটা সাধারন মানের চাকরি তো পাবার অধিকার আছে, এরা তো এখন স্বপ্ন দেখে না স্যার, আমার বন্ধুদের আমি দেখি অনেক বদলে গেছে মেসে থেকে অমানুষিক কষ্ট করতে করতে – অনেকের গ্রামের বাড়ি থেকে আসে ছোট বোন, মা আর কৃষক বাবা- আর আমি একটা টার্কিশ রিটেইলার এ চাকরি করছি বারিধারাতে,এটা খারাপ না, পেট চালিয়ে যাচ্ছি, তুলনামুলক ভালো রেখেছেন আল্লাহ- ১৯৮৩ সালে জন্ম, আমি এই ২৭/২৮ বছরে যা বুঝেছি তা হল আপনারা আমাদের মত সাধারান মানুষকে জিম্মি করে রেখেছেন, কথা বলতে দিন স্যার, প্লাটফর্ম বাতলে দিন, মুরুব্বি হিসেবে আমাদের দিকনির্দেশনা দিন, কথা দিচ্ছি কাজ করব দেশের জন্য , আর নিজের পেটের জন্য চাকরি করব- শুধুমাত্র দেশের জন্য কাজ করব – কথা দিলাম স্যার, শুধুমাত্র আমাদের বলুন আমরা কীভাবে এবং কোথায় শুরু করব? আমরা দুর্নীতি দেখতে চাই না, দেখতে চাই এমন এক দেশ যেখানে যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে। বেয়াদবি হলে মাফ করবেন, কম শিক্ষার কারনে হয়ত যা যেভাবে বলতে চেয়েছি তা হয়নি, শুভ কামনা রইল সুন্দর লেখার জন্য , শুধু মাত্র এই লেখার জন্য আমি আপনার দলকে ভোট দিব, কথা দিলাম।

      Reply
    • m.rahman

      নিঝুম মজুমদার–আপনার লেখায় এত বিষ !তাইতো বিষ প্রসঙ্গে লিখেছেন। একজন রাজনীতিবিদ পারুক না পারুক কিছুটা শুভ লক্ষণ এর আভাস দিয়েছেন আর তার বিনিময়ে আপনার বিষ চর্চা !!!! উফ্ অসহ্য। লন্ডনে খুব ভালো আছেন-তাইনা ! কিছুদিন আগের যে দৃশ্য মিডিয়াতে দেখেছি..অবিশ্বাস্য । যা-ই হোক আমরা ধ্বংসের দ্বোর গোড়ায়-তাই বলে কি মুক্তির চেষ্টা করবো না? এভাবে যদি মানুষের ভালো চেতনাকে, চেষ্টাকে আঘাত করা হয়-তাহলে সব স্বপ্ন-ই যে হারিয়ে যাবে ভাই। আপনার মত কষ্ট আমাদের কার মনে নেই,তবুও এখানে প্রতিদিন কান্নার সাথে হাসি আছে, বেদনার ছায়ার নীচে আছে কদাচিৎ প্রশান্তি। আছে কালো অন্ধকারের অন্তরালে কিছুটা আলো। মীর্যা সাহেবের লিখাকে আমার সে-রকম আলো-ই মনে হয়েছে।

      Reply
  101. Zahid Sumon

    স্যার খুব চমৎকার লিখেছেন। মনে আশা জাগালো। অনুরোধ রইল নিয়মিত লিখবেন। আপনার দলের সবাইকে বলবেন প্রচুর রাজনৈতিক ও ইতিহাসের সাহিত্য পড়তে। কিছুদিন আগে ডেনমার্ক গিয়েছিলাম বি এন পি’র একটা অনুষ্টানে যোগ দিতে। সেখানে ইউরোপের সব নেতাই উপস্থিত ছিলেন। দেশ থেকে এসেছিলেন খালেদা জিয়ার সাবেক সহকারি প্রেস আনসারি সাহেব। সেখানে নেতাদের ভাষা ও জ্ঞানের বহর দেখে খুব খারাপ লেগেছে। অবশ্য কিছু ব্যাতিক্রম ছিলো।

    Reply
  102. Mannan

    ফখরুল সাহেব, আপনি বলেছেন “পৃথিবীতে এমন কোনও জাতি নেই যার অতীত রক্ত-রঞ্জিত নয় কিংবা পাপবর্জিত। তারা তাদের অতীত বেদনাকে ভুলে থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, প্রতি নিয়ত অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করে না।” পৃথিবীর সবজাতিরাই আগে যুদ্ধাপরাধিদের শাস্তি নিশ্চিত করেই তারপর ভুলে যেয়ে সামনের কথা ভাবে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের অপরাধিদের এখনো খুঁজে বের করে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। বসনিয়া, রুয়ান্ডায় ওয়ার ক্রিমিনালদের বিচার চলছে। আপনার যুক্তির পক্ষে একটি উদাহরনও আপনি দিতে পারবেন না।

    বর্তমান জার্মানি নাত্‌সিদের নয়। নাত্‌সিরা পরাজিত শক্তি। এমনকি জার্মানিতে পর্যন্ত নাত্‌সি অপরাধিদের কোন খোঁজ পাওয়া গেলে এখনও বিচার হচ্ছে। আর অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসিদের হাতে ক্ষমতা নেই। তারা আজ সংখ্যালঘু।

    আপনার এই অদ্ভূত তথ্যে ভরা যুক্তিগুলো বিনপি-জামাতি দলীয় অন্ধ সমর্থক ছাড়া কেউ সমর্থন করবে না।

    Reply
    • hosneara

      জানাব মান্নান– যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কি আমাদের দেশে সত্যি সত্যি হচ্ছে! বিচারের নামে হচ্ছে প্রহসন বা বিরোধীদের দলন। বিচার প্রক্রিয়ায় সচ্ছতা অবলম্বন করতে সমস্যা কোথায় ? আপনি যদি জরিপ করেন তাহলে ৭০-৮০ ভাগ লোককই পাবেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া সঠিক হচ্ছে কিনা বা তা ন্যায় বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কিনা– সে বিষয়ে জরিপ করলে ৯০-৯৫ ভাগ লোককে পাবেন যারা বলবে না তা হচ্ছে না।
      মূলত:বিচারের নামে যে প্রহসন হচ্ছে তাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলুণ্ঠিত হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গকে অপমানিত করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় যাদের বিচার করা হচ্ছে তাতে নির্যাতিত হিসেবে,অন্যায় বিচারের শিকার হিসেবে আবার তাদের চিরস্থায়ী ইমেজ না দাড়িয়ে যায়-দেখেন। নিজামী বা সাঈদীকে যদি জোর করে ফাসি দেয়া হয় তাহলে দেখবেন তাদের ছেলে বা উত্তরসূরী যে কেউ তাদের আসন থেকে নির্বাচনে দাড়ালে বিপুল ভোটে এম,পি হচ্ছে। যেমনটি ফজলুল কাদের চৌর ছেলেরা হচ্ছে চট্টগ্রামে।
      মীর্যা স্যার আপনাকে ধন্যবাদ– আমি আপনাকে সাপোর্ট করি।

      Reply
  103. Tamim

    আমার বয়স মাত্র একুশ!… সামনের বার ভোটার হব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে! যতটুকু সম্ভব দেশের খবর ভালো মতোই রাখার চেষ্টা করি। আমার হিসাবে আপনারা আওয়ামি লিগ,বিএনপি দুটি দল একই ধরণের। ২ দলেই আপনার মতো ভালো কিছু মানুষ আছেন, কিন্তু খারাপের সংখ্যা এতোই বেশি যে আপনারা ভালো কিছুই করতে পারেন না! আমি হতাশায় ভোগা আরেকজন তরুণ নই। জানি,একদিন দেশের অবস্থা পালটাবেই।
    বি এনপি আসলে যা, লিগও আসলে তা! মন্দের ভালো হিসেবেই এই দুই দলের কোন ১টা কে আমরা ভোট দেই। বি এন পি দুর্নীতি তে সেরা, আর আওয়ামী লিগ মিথ্যা কথায় সেরা! কিন্তু দিন বদলাবেই। আমরা সহজেই সব কিছু ভুলে যাই। আপনাদের দুর্নীতি দুশাসন এর কথাও ভুলে যাব, আওয়ামী লিগ এর প্রতিশ্রুতির কথাও ভুলে যাব। তবুও সময় পালটাবেই…

    দুর্নীতি ছেড়ে দিন, জামাতী দের গায়ে থুতু দিন, আমাদের প্রশ্নগুলার জবাব দিন, আপনাদেরকেই ভোট দেব!

    যেই “তরুণ প্রজন্ম”-এর কথা বলেছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করবেন… আমাদের কাছ থেকে ম্যানেজমেন্টের অনেক কিছুই শিখতে পারবেন। ব্লগ এ আন্দোলন ঠিক ই চালিয়ে যাচ্ছে তরুণ সমাজ। যদি সম্ভব হয়, পার্টিসিপেট করবেন। দেশের অনেক উপকার হবে।

    Reply
  104. abdullah

    খালেদা-রেক-নিজামীর ২০০১-২০০৫ এর সুশাসনঃ
    ২০০১ এর নির্বাচনের রাত থেকে পরবর্তী ২ মাসের বীভিসীকাময় হিন্দু+ আওয়ামীলীগের লোকদের উপর লুটপাট, খুন-ধর্ষণ।
    মায়ের সামনে মেয়ে, মা-মেয়ে-, স্বামীর সামনে স্ত্রী। এখনও বোধহয় বাংলাদেশের আকাশে ভাসছে মায়ের হাহাকার ” বাবারা আমার মেয়েটা ছোট, তোমরা একজন একজন করে যাও!”
    আমি জানিনা আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে এমন বীভৎসতা ছিল কিনা, বিএনপি-জামাত ২০০১ এর নির্বাচনের পরবর্তী ২-৩ মাস যে বিভৎসতার রাজত্ত্ব বাংলাদেশে কায়েম করেছিল।
    আর সারা সময় কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাষ্টার, খুলনার মমতাজুদ্দিন, সামসুর রহমান বালু সহ কয়েক সাংবাদিককে হত্যা, বাংলা ভাইয়ের ত্রাসের রাজত্ত্ব (২১ জন খুন, খুন করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা, প্রধানত আওয়ামীলীগের সাপোর্টার হলে!), ২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা হাসিনার উপর, যাতে আইভী রহমান সহ ২৩ জনের মৃত্যু এবং কয়েকশ আহত (যাদের অনেকেই সারাজীবন ভুগবেন), সারা দেশের ৫০০ স্থানে এক দিনে বোমা হামলা, জজকোর্টের দুই জাজ খুন, আদালতে বোমা হামলা, সারের দাবীতে কৃষকের মিছিলে গুলি করে ১৮ জন খুন।
    সারা দেশে মুজিবের মৃত্যুবার্ষীকির গরু লুট, কাংগালী ভোজের খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয়া, আওয়ামীলীগের অফিস পাঁচ বছর পুলিশ দিয়ে তালা আর দখল করে রাখা!!

    সাথে উন্নয়নের জোয়ারের উদাহরণঃ
    ১। ১৯৯১-১৯৯৫ সালের বিনামুল্যে অপটিক্যল ফাইবার কানেকশন পেয়েও না নেয়া যা পরবর্তীকালে দেশের ১১০০ কোটি টাকা খরচ করে আনতে হয়।
    ২। ২০০১-২০০৬ এর জংলী শাসনের সময় পাঁচ বছরে কেবল মাত্র টংগীতে ৮০ মেগাওয়াটের বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপন যা চালুর ২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। আর পাঁচ বছর খাম্বা উন্নয়ন!
    ৩। পূর্ববতী সরকারের বরাদ্দকৃত আইটি ভিলেজে ছাগল পালন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া!!

    ২০০১ এর নির্বাচনের রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অফিস, সাংসদদের বাসভবন থেকে রাস্তার পাবলিক টয়লেট পর্যন্ত দখল।
    পিয়ন চাপরাশির বদলি (টাকার বিনিময়ে অবশ্যই) থেকে শুরু করে উপড় পর্যন্ত যেকোন বদলি, সরকারী কাজের নিয়ন্ত্রন হাওয়া ভবন থেকে (কোন কোন ক্ষেত্রে ২০% থেকে ৫০% কমিশন)– বাংলাদেশের যেকোন ব্যবসায়ী ব সরকারী চাকুরীজীবিদের জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে।

    মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক দেশের লুট করা হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা।

    যদিও এখনও দেশের আইন শৃংখলা কোন সভ্য সমাজের না, তারপরও আমার যতটুকু মনে পড়ে ছিনতাই-রাহাজানিতে অতীষ্ট হয়ে ২০০১-২০০৫ সালে ঢাকার পান্থপথ, মতিঝিলে সাধারণ মানুষ কর্তৃক ছিনতাইকারীদের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার মত অমানবিক কাজ।

    নিজেদের সাবেক প্রেসিডেন্টকে তেজগাঁও রেলক্রসিংএ গুন্ডা দিয়ে পিটান, ঢাকা-১০ এর মহা নিরপেক্ষ নির্বাচন করা এবং মেজর মান্নানের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হাওয়া ভবনের ভাড়াটে মাস্তান কর্তৃক হামলা এবং লুটপাট। মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবির প্রমুখদের সিনেমা(!)(আসল অপরাধী মৌলবাদীদের ছেড়ে) হলে বোমা হামলা মামলায় গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন।

    উপড়ের উদাহরণ হল সমুদ্রের পানির উপড়ের এক বালতি পানি।

    Reply
    • রাহাত

      অসাধারণ উদাহরণ। অনস্বীকার্য যে, বর্তমান সরকারের আমলেও এরকম অগণিত উদাহরণ আছে।

      Reply
      • abdullah

        জনাব রাহাত,
        দয়া করে এক সানাউল্লাহ বাবু (এর খুনিদের শাস্তির দাবিতে আপনি যদি প্রতিবাদ করেন, আমিও জনাবের সাথে থাকব, ইনশাল্লাহ) আর কী কী উদাহরণ আছে, জানালে অতীব কৃতার্থ হব।

      • shafi

        আপনি কি আহসানুল্লাহ মাষ্টার হত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন? কিবরিয়া হত্যার? নাকি তখন প্রতিবাদ করার সময় পাননি উন্নয়ন এর জোয়ারে?
        নাকি হাওয়া ভবনে ছিলেন???

    • পল্লব মুনতাকা

      এ রকম হাজারো উদাহরণ হাল আমলে আছে। যাদেনর চোখ আছে তারা পত্রিকা খুললেই দেখতে পায়। বতর্মানে বাকস্বাধীনতা, অর্থনীতি, বিচার ব্যবস্থা, সার্বর্ভৌমত্ব, ব্যক্তি নিরাপত্তা, গুম, খুন, ধর্ষণ, বাজারদর, দুর্নীতি, অনিয়ম কোন পর্যায়ে আছে- তা আর কাউকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে হয় না।
      শুধু ১ দিনের পেপার দেখাই যথেষ্ট।

      Reply
      • abdullah

        জনাব,
        রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর ব্যক্তিগত সন্ত্রাস। এরকম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে উদাহরণ কি আছে বর্তমান আমলে?
        আর যে ব্যক্তিগত সন্ত্রাসের উদাহরণ দেবেন, তা গত ৪০ বছরের পত্রিকা খুললে প্রতিদিনই পাওয়া যাবে।

  105. নিলয়

    আপনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত। আমি দেশকেই আগে রাখতে চাই,দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষমতা সত্যিকার ভাবে বিএনপিরই আছে। আমার বাবা ৫৮ সালে ২০ বছর বয়সে মেট্রিক পাস করছেন, স্বাধীনতা দেখেছেন,বংগবন্ধুর আমল দেখেছেন,জিয়া,এরশাদ,খালেদা,হাসিনার আমল দেখেছেন। সর্বশেষ খালেদার আমলে ২০০৩ সালে মৃত্যুবরন করেন। মুজিবের শাসন নিয়ে এমনি হতাশ ছিলেন। তিনি কেঊকেটা কেউ ছিলেন না, ছিলেন একজন সাধারন মানুষ।
    অতীত বাদ দিয়ে নিকট অতীত স্বরণ করে ৯৬ এর আওয়ামী শাসন আমার নিজের জন্য এক বিভীষিকা। চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসে আমার জনপদে সাধারন কেউ শান্তিতে ছিলনা। কিন্তু বিএনপির অতিবাড় আমাকে প্রলুদ্ধ করে ২০০৮ এ আওয়ামিলীগকে সমর্থন করতে। কি ভুলটাই না করেছিলাম সেদিন। অবশ্য বিএনপির তথা তারেকের জন্য এই শিক্ষার দরকার ছিল। আজ আমি বিশ্বাস করি,তারেকের সেই শিক্ষা হয়েছে ।

    Reply
  106. রায়ান

    “…… যখন আমার বন্ধুরা ক্যারিয়ারের মধ্য-গগনে। মাঝ বয়সে এসে আমি রাজনীতি শুরু করলাম একদম প্রথম সিঁড়িটায় পা রেখে, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন করে (অবশ্য ছাত্রজীবনে রাজনীতি করেছি সক্রিয়ভাবে, সেটা ৬০ এর দশকের কথা)। যে কোন বিচারেই Bad Career Move. ’৮৯ সালে আমার সামনে স্বভাবতই এমপি, মন্ত্রী কিংবা বিএনপির বড় পদ পাওয়ার সম্ভাবনা অথবা আশা, কোনোটাই ছিল না। তবে একটা আশা অবশ্যই ছিল: দেখি না একটু ধাক্কা মেরে, কতটুকু যাওয়া যায়।”………….
    ধন্যবাদ মিঃ ফখরুলকে, মুখ ফসকে হলেও মনের কথাটা বলে ফেলেছেন।

    Reply
  107. desh

    বিএনপি আপনার দল, এর দরজা আপনার জন্য খোলা আছে। আসুন এবং একে বদলে দিন আপনার সময়ের উপযোগী করে।

    Reply
  108. ইফতেখার মোহাম্মদ

    আপনাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের জিজ্ঞেস করুন, তাদের জীবনে, এমন কি পাকিস্তান আমলেও সরকারী ব্যবস্থাপনার এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তারা প্রত্যক্ষ করেছেন কি না?

    যুদ্ধাপরাধী আর লুটেরাদের জোটে রাখলে আর যারাই আপনাদের ভোট দিক নতুন প্রজন্ম দিবে না। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার মেরুদন্ড এ প্রজন্মের রয়েছে। আর এই প্রজন্ম কোন সময়ই স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতাশীন করবে না।

    Reply
    • hosneara

      ইফতেখার ভাইয়া..যুদ্ধপরাধী কে আপনি কি জানেন ? যতক্ষণ আইনী প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত না হচ্ছে ততক্ষণ যুক্তিবাদী নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আমি অন্তত:ধারনা বা আন্দাজ-অনুমাণ কিংবা,নিজস্ব তৈরি করা চিন্তা থেকে কাউকে যুদ্ধাপরাধী বলতে নারাজ। আমি মনে করি সঠিক সময়ে যুক্তি বা নীতিনিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নেয়ার মেরুদন্ড আছে যে সব নতুন প্রজন্মের মীর্যা স্যার তাদেরকেই আহবান করেছেন।….

      Reply
  109. Sharif Mahmud

    জনাব মির্জা ফখরুল,আপনি দলের পরিবর্তনের কথা বলায় ধন্যবাদ। কিন্তু ভয় হল এই পরিবর্তন না আবার সেই যুবরাজের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেয়। বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগ দুই দল যতই বলুক তারা গনতান্ত্রিক দল,বাস্তবে তা নয়। কারন কোন গনতান্ত্রিক দলের সকল ক্ষমতা নির্দিষ্ট ব্যাক্তির হাতে থাকতে পারেনা। দুই নেত্রী যা বলবে তাই এই দুই দলের আইন হয়ে যায়,যা কখনো গনতান্ত্রিক দলের আচরন হতে পারেনা। আপনি নিজেও জানেন এই দুই পরিবারের সদস্য ব্যতীত সকল রাজনীতিবিদ সর্বোচ্চ দলের সাধারন সম্পাদক কিংবা শেষ বয়সে রাষ্ট্রপতি হতে পারে। এর নাম কি গনতন্ত্র? আপনারা দলের সম্মেলন করেন কিন্তু সেখানে সকল ক্ষমতা একজনের হাতে প্রদান করেন। তবে কেন এই সম্মেলন? আপনার প্রতি অনুরোধ রইল আগে দলের মধ্যে গনতন্ত্র চর্চা করেন। তবেই সঠিক নেতৃ্ত্ব উঠে আসবে। যারা সুন্দর আগামী গড়তে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আপনার প্রতি রইল শুভ কামনা, যেন আপনি এই মহান দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন।

    Reply
  110. Faisal

    আমার বিশ্বাস করতে দ্বিধা নেই যে বর্তমান সময়ের অন্যতম স্মার্ট, শিক্ষিত এবং ডায়নামিক রাজনীতিবিদ হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। তার লেখনীর মাধ্যমে আবারো তা ফুটিয়ে তুললেন। বাংলাদেশের অন্যতম এক বৃহৎ দলের দায়িত্বশীল ও উচ্চপদে আসীন থেকে আপনার এই প্রয়াসের জন্যে রইলো আন্তরিক ধন্যবাদ। মহান আল্লাহপাক আপনার সহায় হোন।

    Reply
  111. কামাল

    আমরা অনেক আশাবাদী দেশ নিয়ে। আশাহত হই শুধু রাজনীতিদদের দেখে। কারন যারা বিদেশে পড়াশোনা করছেন বা বসবাস করছেন তারা উন্নত সব সুবিধা পাচ্ছেন, দেখছেন এবং রাজনীতিবিদরাও এসব উন্নত দেশ ঘোরেন, দেখেন। কিন্তু আমাদের দেশের কোন পরিবর্তন হয়না। ঢালাও সমালোচনাও করা ঠিক নয়। রাজনীতিবিদদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু যেটা সহজেই করতে পারেন সেটা করেন না দেখেই জনগন সমালোচনা করতে বাধ্য হয়। যেমন, রাজনীতিবিদরাই তরুনদের সুযোগ দেন না। দিবেন যাদের অঢেল সম্পত্তি আছে মানে যার বাবার কোন বড় কোম্পানী আছে অথবা যাদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড আছে।
    আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করা যাবে না একটি কারনে যে আপনি– আর যাইহোক– তরুনদেরকে রাজনীতিতে আসার আহবান করছেন। আমার মত অনেকেই বিদেশে আছেন যারা পড়াশোনা করে দেশের জন্য কিছু করতে চান কিন্তু আপনারা মানে রাজনীতিবিদরা পথগুলো বন্ধ করে রেখেছেন।
    আমরা আশাবাদী দেশকে নিয়ে। একসময় এই দেশটাই এশিয়ার প্রানকেন্দ্র হবে। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, সব দিক দিয়ে আমরা যে কাউকে ছাড়িয়ে যাব। যারা এই দেশকে নিয়ে ব্যাবসা করছে একদিন এই তরুনরাই তাদের কাঠগড়ায় দাড় করাবেন।
    আপনাকে আরো ধন্যবাদ জানাব যদি পরবর্তি নির্বাচনগুলোতে যারা দেশের জন্য কিছু করতে চায়, টাকা যাদের জীবনে মুখ্য বিষয় নয়, শুধু মামা ভাগ্নেই সব পাবে–এইটা চিন্তা করেনা, এদের প্রত্যেক মানুষই নিজের মামা ভাগ্নে হিসেবে চিন্তা করে– আশা করি তাদেরকে মনোনয়ন দেন।
    আপনার প্রতি আরো একটা প্রত্যাশা–লেখাটা চালিয়ে যান। জনগন নেতাদের কথা আর বিশ্বাস করেন না। আপনারা যদি এগিয়ে আসেন হয়তো আবার রাজনীতিবিদদের প্রতি আস্থা আসবে। আপনার জন্য শুভ কামনা করছি।

    Reply
  112. জিয়াউল ইসলাম

    আপনি বিএনপিকে ভোট দিতে বলেছেন। আমরা কি আবার ৬৪ জেলায় বোমা হামলা দেখতে চাই, ১০ ট্রাক অস্থ্র্র দেখতে চাই, সাংসদ হত্যা দেখবো, তারেক কোকোর সীমাহীন দুনীতি দেখবো !!!! তাই বলে BAL কে ভোট দিব, মোটেও না। আমরা পরিবর্তন চাই ।

    Reply
  113. Mostak

    আমি অভিভূত এই লেখাটি পড়ে। মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আপনি আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন। আমি বোধবুদ্ধি হবার পর থেকেই বিএনপি-র সমর্থক। তবে ২০১১-২০০৬ সময়পর্বে বিএনপি-র অনেক আচরণই আমার ভাল লাগেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে সেরা সরকার সম্ভবত ১৯৯১-৯৫-এর বিএনপি সরকার। ২০১১-২০০৬-এ বিএনপি যেসব খারাপ কাজ করেছে তার পেছনে এক নম্বর কারণ ছিল ১৯৯৬-২০০১ কালপর্বের আওয়ামী শাসন। যত রকমের অপকর্ম আছে বিএনপি আওয়ামী লীগের ঐ শাসন থেকেই শিখেছে। যাই হোক, পেছনের কথা থাক। গত তিন বছরের অভাবনীয় আওয়ামী অপশাসন আমাদেরকে সত্যিই হতাশার শেষ প্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। আমি আশা করি মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর লেখা থেকে অনুপ্রেরণা ও উজ্জ্বীবনী শক্তি নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আবারও জেগে উঠবে। আসলে আওয়ামী লীগের গলাবাজির কারণেই অনেকে ভাবে বাংলাদেশে আওয়ামী সাপোর্টারই বুঝি বেশি। এটা পুরোপুরি ভুল। যাই হোক, আর কথা বাড়াতে চাই না। আগামী নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের সমর্থন নিয়ে ভবিষ্যৎমুখী দল বিএনপি-ই আবার এদেশের শাসন ক্ষমতায় আসীন হবে কায়মনোবাক্যে এই কামনাই করি।

    Reply
  114. শেহাব

    “পৃথিবীতে এমন কোনও জাতি নেই যার অতীত রক্ত-রঞ্জিত নয় কিংবা পাপবর্জিত । তারা তাদের অতীত বেদনাকে ভুলে থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, প্রতি নিয়ত অতীত ক্ষতকে সজীব করার রাজনীতি করে না। নাৎজি উত্থান-পর্ব (যেটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ছিলো!) নিয়ে জার্মানরা রাজনীতি করে না, অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা তাদের উপর সংঘটিত অবিচার নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও হীনম্মন্যতা সৃষ্টি করে না।”

    খুব ভাল ভাল কথা বলে জামায়াতকে বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য একটি পরোক্ষ প্রস্তাব কী এর মধ্যে নেই? জার্মানিতে হলোকাস্ট ডিনায়াল একটা অপরাধ।

    Reply
  115. শামীম

    ধন্যবাদ স্যার। দেশের প্রতি একজন রাজনীতিবিদের মমত্ব দেখে সত্যি খুব আশাবাদী হলাম। ভাল লাগল। আশা করছি সরকার গঠনের পর্ও দেশ প্রেমের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

    Reply
  116. বালেশ্বর

    দু-দুবার শেয়ার মার্কেট লুণ্ঠনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সর্বস্বান্ত।

    Reply
  117. মাকসুদ

    আমরা চাই উচ্চশিক্ষিত,ত্যাগী,সমাজে সম্মানিত ক্রিয়েটিভ এবং আধুনিক চিন্তা চেতনার লোকদের সমন্বয়ে গড়া একটা জোট যারা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারবে।

    Reply
  118. nurmuhammad

    স্যার, আপনাকে সব সময় এই জায়গায়ই শ্রদ্ধা করি যখন আপনি আমাদেরকে আশার পখ দেখান।
    দেশকে নিয়ে আমাদের যে ভাবনা সেটা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে । বিচারের নামে তিশ বছর আগে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার জন্য আমরা জাতিগত কোন বিভক্তি চাই না । আপনার সঙ্গে আমিও একমত একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ খুঁজি । রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়নতা বাদ দিয়ে দেশটাকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারি। রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার জন্য কাউকে অন্ধকারে রেখে সামষ্টিক রাজনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব না । স্যারকে আবারো ধন্যবাদ এরকম একটি দিকনিদের্শনামূলক লেখা উপহার দেওয়ার জন্য । আপনার লেখা আমি সব সময় পড়ি । রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এ রকম দিকনিদের্শনামূলক লেখা আপনাকে অন্যদের থেকে করেছে ভিন্ন । আপনাকে অভিনন্দন।

    Reply
  119. Md. Khalid Saifullah

    বাহ্! চমৎকার লেখা। তরুণ প্রজন্মকে আরো ডিটেইল বলতে হবে এবং নিয়মিত বলে যেতে হবে। এটাই প্রত্যাশা করি। ধন্যবাদ মি. ফখরুল।

    Reply
  120. Md.Sajjak Hossain Shihab

    অসাধারন লেখা !!!
    আপনার হাতেই রচিত হউক নতুন-বি,এন,পি।
    তরুন প্রজন্ম আপনার এমন লেখায় মুগ্ধ না হয়ে পারেই না!!!
    আল্লাহ আপনাকে অনেক দিন বাঁচিয়ে রাখুক।
    আমিন।

    Reply
  121. সালেহিন

    সাথে আছি, পাশে আছি সবসময়। বেগম খালেদা জিয়ার নতুন নেতৃত্ব তত্ত্ব সকলের পছন্দ হলেও কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন এতে কোন কোন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষমতায় আসার পথ সুগম করা হয়েছে। জনগণ আপনাদের পরিষ্কারভাবে জানাতে চায় আল্লাহর ওয়াস্তে জনগণের কাছের মানুষদের দায়িত্ব অর্পন করুন। আমরা আরেকটি বঙ্গবন্ধু কিংবা মেজর জিয়াকে হারাতে চাই না। আমরা চাই একজন “নেলসন মেন্ডেলা” যিনি ২৭ বছর কারাবরণের পরও দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে বলবেন “Past is past”। আল্লাহ আমদের বাংলাদেশের প্রতি রহমত করুন।

    Reply
  122. Ahmad

    ধন্যবাদ আপনাকে লেখার জন্য। তবে পুরো লেখায় নিজেদের কোন সমালোচনা না করে নিজের ঢোল নিজেরা পিটিয়ে এটাই প্রমাণ করলেন যে, আত্মসমালোচনা করার সৎ সাহসটা আজও যে আপনাদের মানে রাজনীতিবিদদের মধ্যে জন্মায়নাই।

    আপনি বলেছেন,
    “বাংলাদেশের বর্তমান সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা কোনও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সাথে তুলনীয়, দু-দুবার শেয়ার মার্কেট লুণ্ঠনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সর্বস্বান্ত, সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণের কারণে মেধাবী তরুণদের মামা-চাচা ছাড়া চাকুরী পাওয়া আজ এক অসম্ভব ব্যাপার, রাষ্ট্রের যেখানে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয়ার কথা সেখানে সাধারণ নাগরিকদের ট্যাক্সে পোষা পুলিশ বাহিনীর অত্যাচারে বিরোধী দলীয় নেতাদের তো বটেই, সাধারণ নাগরিকদেরও মৃত্যু ঘটছে; সেই সাথে আছে দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতি। আমি দাবী করি না যে আমাদের সময়ে বাংলাদেশ এক মধুময় দেশ ছিলো, ছিলো না কোনও সমস্যা। কিন্তু সততার সাথে নিজেকে প্রশ্ন করুন তো, ২০০৫ সালে আপনার পরিপার্শ্ব ও ব্যক্তিগত অবস্থা ভালো ছিলো, না আজ ভালো?”

    উত্তরটা আপনিই দিন। স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশী ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। কি অগ্রগতি আমরা অতীতে দেখেছি? দেখেছি তাদেরই আমলে পর পর তিনবার দুর্নীতিতে শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশ। বিশ্বের আদালতে বিচার হয় আমাদের দুর্নীতির বরপুত্রদের। এই কি বিএনপির জাতি গঠনের নমুনা ?

    বাংলাদেশের বিদুৎ উৎপাদন, রাস্তাঘাট, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, প্রশাসন দলীয়করন, দলীয় লোককে চাকুরীতে অগ্রাধিকার, ক্ষমতার হাই কমান্ড থেকে শুরু করে ছোট ছোট ক্ষেত্র থেকেও চাঁদা আদায়, স্বজন-প্রীতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতা (স্বয়ং তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী উপহাস করে বলেছিলেন মানুষের আয়ের তুলনায় নাকি দ্রব্যের দাম ঠিকই ছিল !), গ্যাস সমস্যা, সন্ত্রাসী ও স্থানীয় মাস্তানদের কাছে সাধারণ নাগরিক জিম্মি এটা কি এত তাড়াতাড়ি ভুলতে বলেন ?

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ আ. লীগও তাই করছে। আগামীতে যদি আ.লীগ না এসে বিএনপি আসে তারাও তাই করবে এব্যাপারে ১০০% নিশ্চয়তা দিতে পারি। বরং মাত্রা আরোও বাড়বে বৈ কমবে না।

    আপনি লিখেছেন,
    “মনে রাখবেন কোনো মহাপুরুষ, ত্রাতা কিংবা শক্তিধর রাষ্ট্র আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।”

    এই কথাটা আমরা না, আপনারা রাজনীতিবিদরা মনে রাখলেই ভাল। তাহলে কেউ ভারতে, কেউ সৌদিতে, কেউ লন্ডনে, কেউ আমেরিকায় গিয়ে প্রভুদের কাছে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাগ গলানোর জন্য অনুরোধ করে আসতেন না বা কেউ গোপন বৈঠক সিঙ্গাপুর বা মালায়েশিয়ায় করতেন না।

    এবার আসি আপনার অতীত বিশ্লেষনের কথায়। আপনি যেভাবে নাৎসি বা অষ্ট্রেলিয়ার বর্ননা করে এদেশের স্বাধীনতা বিরোধীচক্রকে সফট কর্নার করা প্রয়াস করেছেন তা কোন মতেই গ্রহন যোগ্য নয়। কোন দেশ কি করল তা বড় বিষয় নয়, আমরা আমাদের দেশের শহীদদের রক্তের বদলা নিতে পারলাম কিনা এটাই বড় বিষয়।

    আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

    Reply
  123. mukta Sarawar

    ধন্যবাদ আপনার এই চমৎকার লেখার জন্য কিন্ত কিছু প্রশ্ন মনে আসছে । যেমন-
    ১. আপনি বলেছেন বিএনপি ভবিষ্যৎমুখী দল । এই জন্যই কি তারেক-কোকো-বাবর ক্ষমতাহীন ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিদেশে টাকা পাচার করেছিলো ??
    ২.আপনি অতীতের বেদনা এবং ভুলকে ভুলে থাকতে চেয়েছেন । কিন্ত যাদের ভুলের জন্য এই বেদনা, তারা কি তাদের ভুল স্বীকার করেছে ??
    ৩. আপনি বলেছেন,’সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণের কারণে মেধাবী তরুণদের মামা-চাচা ছাড়া চাকুরী পাওয়া আজ এক অসম্ভব ব্যাপার’। আয়নায় দাড়িয়ে নিজের চেহারাটা দেখুন । আপনাদের আমলে আমাদের মতো হাজার হাজার বেকার ছেলে জুতা ক্ষয়ে ফেলেছিলাম, সেখানে জনাব হারিছের তত্বাবধায়নে ছাত্রদলের ছেলে ছাড়া কারো চাকুরী পাওয়া অসম্ভব ছিলো ।
    ৪.আপনি জানতে চেয়েছেন,’২০০৫ সালে আপনার পরিপার্শ্ব ও ব্যক্তিগত অবস্থা ভালো ছিলো, না আজ ভালো?’ ভেবে বলুনতো আপনাদের আমলের মতো এখন পর্যন্ত কোন সাংসদ নিহত হয়েছেন কিনা ?? অপারেশন ক্লীনহার্টের নামে বিনা বিচারে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে কিনা ???
    ৫.আপনি বলেছেন,’কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য অন্তত এনে দিয়েছি স্বাধীনতা, যেটি অর্জনের জন্য একেকটি জাতিকে শত শত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ‘ স্বাধীনতা এনেছেন ভালো কথা কিন্ত স্বাধীনতার রুপকার বঙ্গবন্ধুর কথা শুনলে আপনাদের গা জ্বালা করে কেন ?? আপনাদের আমলে বঙ্গব্ন্ধুর কথা নিষিদ্ধ হয় কেন ?? জামাতীদের খুশি করতে ???

    হুমায়ূন আহমেদ যথার্থই বলেছেন যে আমরা বাঙ্গালীরা গোল্ডফিশের মতো ক্ষীণ স্মরণশক্তি সম্পন্ন, নইলে আপনাদের কর্মকাণ্ডের কথা ভুলিয়ে দিয়ে জনগণের কাছে যেতেই কয়েক যুগ লেগে যেতো !!

    Reply
    • sajjad

      সরকার, মইন, শেখ হাসিনা–সবাই, আজো তারেকের দুর্নীতির কোন প্রমাল দিতে পারে নি। প্রথম আলো পড়েই যদি আপনার খুশি লাগে, তবে তাই হোক।

      Reply
  124. Ulto Vabna

    হ্যাঁ, আমি বুঝি যে পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক না। মাথার ওপর ভর করে আছে পাহাড়সমান সঙ্কট অথচ সরকার পড়ে আছে “অতীতসঠিককরণ” প্রকল্পে। তবু আমি অনুরোধ করবো, আশাহত হবেন না। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে যে তার আশার সাথে আপোষ করে না সেই বিজয়ী। কালের পরিক্রমায় আমাদের রাজনীতি যদি কখনো আপনাদের কাছে সেকেলে হয়ে পড়ে, তাহলে সেটাকে বদলে দিয়ে দেশটাকে সামনে নিয়ে যাবেন। আমরা অবশ্যই মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো। মনে রাখবেন কোনো মহাপুরুষ, ত্রাতা কিংবা শক্তিধর রাষ্ট্র আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। আমাদের সঙ্কট আমাদেরকেই কাটিয়ে উঠতে।

    Reply
  125. নাহিয়ান, সিঙ্গাপুর

    আপনার নেত্রীর নতুন প্রজন্মকে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি ভাল লেগেছে। তবে সেই নেতা যেন তারেক রহমান না হয়। যদি সে হয় আমরা সাফ বলে দিলাম কাউকে ভোট দিবনা। পারলে প্রতিহিত করবো।

    আর দ্রুত এটা ক্লিয়ার করেন, কারন আওয়ামীরা ইতিমধ্য এটা নিয়ে জল ঘোলা করা শুরু করেছে।

    Reply
  126. Md. Adnan Arif Salim

    যাহোক আপনার লেখা দেখে ভাল লাগলো। তবে এই অনলাইন মাধ্যমে রাজনীতিবিদদের আগমনে যতটা খুশি হই ততটাই ভয় লাগে আগামী নির্বাচনে এই অনলাইন মাধ্যম একটা বড় ফ্যাক্টর হবে। তাও রাস্তায় গিয়ে মারামারি করা আর মানুষকে যন্ত্রণা দেয়ার থেকে অনলাইন মাধ্যমে লড়াই ভাল। আসুন অনলাইন মাধ্যমে বুদ্ধিভিত্তিক লড়াইয়ে জড়াই। রাস্তায় নেমে ওই বিপ্লবকারীদের লাঠিপেটা করে মাথা ফাটানোর সুযোগ না দেই। সেইসাথে আমরাও জনগণের মালামাল ভাংচুর না করি। যদি সরকার সহনশীল হয় বিরোধীদলের একটা চ্যানেল থাকতে পারে যেখানে তারা তাদের দাবি দাওয়া পেশ করবে। অন্যদিকে মানে একটি জনতার আদালত হওয়া দরকার যেখানে প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধীদলীয় নেত্রী জনতার সাথে সরাসরি প্রশ্লের উত্তর দিবেন টেলিফোনে। সেটা বিটিভি লাইভ প্রচার করবে। যদি সাহস থাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধীদলীয় নেত্রী আপনারা আসুন । আমাদের সামনে আসুন। আমরা আপনাদের অপেক্ষায় রইলাম। সেইসাথে আপনাকে একটা ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না।

    Reply
  127. মোহাম্মদ আল-মামুন

    মানুষ চিন্তা ভাবনায় নতুনত্ব চায়,দেশ চালনায় নতুনত্ব চায় । আশা করি আপনার মতো আধুনিকমনা মানুষের হাত ধরে এদেশে ভালো কিছু হবে ।সরকারবিরোধী আন্দোলনের চেয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তীব্র করার পক্ষে আমি ।আর আমি বিশ্বাস করি যে মানুষের দেশপ্রেমের বহি:প্রকাশ ঘটানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হলো জাতীয়তাবাদ,যেটি আমাদের জীবন থেকে ঝরে গেছে বলে আমার মনে হয় ।

    Reply
    • Md. Adnan Arif Salim

      তবে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন করার আগে বুঝতে হবে জাতীয়তাবাদের অর্থ কী ?? আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এটা অনেকটাই স্টিরিওটাইপড হয়ে গেছে জাতীয়তাবাদ আর বিএনপি যেন সমার্থক। কিন্তু বিএনপি আর তার পিতার জম্নের আগেও জাতীয়তাবাদ ছিল। তাই দেশের স্বার্থে একজন চাইলে আওয়ামীলীগে বা অন্য দলে থেকেও জাতীয়তাবাদী হতে পারে।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

      Reply
  128. এফ কে এস

    আমার বিশ্বাস করতে দ্বিধা নেই যে বর্তমান সময়ের অন্যতম স্মার্ট, শিক্ষিত এবং ডায়নামিক রাজনীতিবিদ হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। তার লেখনীর মাধ্যমে আবারো তা ফুটিয়ে তুললেন। বাংলাদেশের তরুন প্রজন্ম যে পদে পদে রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদদের প্রধান প্রতিপক্ষ মনে করেন, তাদের উদ্দেশ্য করে লেখা আপনার এই বার্তা কার্যকরী হোক এই প্রত্যাশা রইলো। বাংলাদেশের অন্যতম এক বৃহৎ দলের দায়িত্বশীল ও উচ্চপদে আসীন থেকে আপনার এই প্রয়াসের জন্যে রইলো আন্তরিক ধন্যবাদ। মহান আল্লাহপাক আপনার সহায় হোন।

    Reply
  129. আল-আমিন

    জানিনা আপনি যা বলেছেন তা আপনি নিজে বিশ্বাস করেন কিনা, সম্মানিত অগ্রজ। যদি আপনি তা করে থাকেন তবে বলব আমরা তরুন সমাজ এই চাই। অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি আর প্রয়াত ব্যাক্তিদের নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি আর দেখতে চাই না। সময় এসেছে দেশকে নিয়ে সত্যি কিছু করার।
    রাজনীতিবিদদের যে সকল প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য ভাল লেগেছে তার মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠ অস্বীকার করব না, তবে যদি শুধু লেখার জন্য লিখে থাকেন তাহলে বলব ২০০৮ সালে যে তরুণদের সামনে বিভিন্ন মুলা ঝুলিয়ে তাদের ভোট আদায় করেছিল আওয়ামীলীগ সেই তরুণ সমাজ আজ ৩ বছর বেশী জানে, বুঝে। তারা আজ আরও বেশী অভিজ্ঞ। এবার তারা ঠিকই সব বুঝে যাবে ভোটকেন্দ্রে।

    Reply
  130. হাসান

    আ.লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঘুষ ছাড়া কোন মেধাবীরও চাকরি হচ্ছে না- কোন কারন দর্শানো ছাড়াই ২৮তমের মত ২৯তম বিসিএসের গেজেটেও নজিরবিহীনভাবে বাদ দেয়া হলো ২৪২ জন মেধাবীকে। চাকরির জন্য সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ঘুষ না দেওয়ায় চাকরি পেলেন না মুক্তিযোদ্ধার সস্তানরা। তাদের ‘অযোগ্য’ বলে বাদ দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। বর্তমানেও আমাদের পবিত্র সংবিধান লঙ্ঘন করে কোটার মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতাসম্পন্ন ৫৫% নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বাকী ৪৫% এর ক্ষেত্রেও সুধাসদনের আশির্বাদ প্রয়োজন হচ্ছে। এমনকি কিছু মেধাবী নিয়োগ পেলেও তাদেরকে বাধ্য করা হচ্ছে ঘুষ দিতে। অন্যথায় পুলিশ ভেরিফিকশের নামে তাদেরকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বলতে গেলে বর্তমান সরকারের আমলে বিসিএসে শতভাগ অনিয়ম ও দুর্ণীতি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল ঘোষণার আগেই করা হচ্ছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে আওয়ামী ভেরিফিকেশন ও মোটা অংকের বাণিজ্য। উল্লেখ্য বর্তমান সরকারের আমলে সোনালী ব্যাংকসহ অনেক ক্ষেত্রেই চাকরির পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনার আগেই দলীয় নেতাদের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। আর সে আলোকেই ফলাফল দেওয়া হচ্ছে। মেধাবী তরুণরা বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডে সরকারী চাকরির আশা অনেকটাই বাদ দিয়েছেন।

    এভাবে চলতে থাকলে আমরা একটি প্রতিবন্ধী জাতিতে পরিণত হব। একবিংশ শতাব্দীর অগ্রসরমান বিশ্বে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে অযৌক্তিক আবেগ পরিহার করে বাস্তবমুখী হওয়া দরকার।

    Reply
  131. Eakrm-Udd Dowla

    জনাব মির্জা ফখরুল,
    তরুণ প্রজন্মের একজন হিসেবে যা বলবো, তা হলো যারা রাজনীতি করেন তারা আমাদের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। আপনি তো বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতির কথা বেমালুম ভুলে গেছে। নিঃসন্দেহে সত্যি কথা। আপনার বক্তব্য ভালো এবং গঠনমূলক। যা সব সময় অত্যন্ত যুক্তি সহকারে উপস্থাপন করেন। কিন্তু এই গ্যারেন্টি কি দিতে পারেন-তরুণরা আপনাদের বিশ্বাস করে আবারও ঠকবে না?
    জনাব মির্জা সাহেব,
    আপনারা (আওয়ামী লীগ , বিএনপি) সংসদে কিংবা দলে গণতন্ত্রের চর্চা কতটুকু করেন ! তাই বিদ্বেষ নয়। আক্ষেপও নয়। ক্ষোভ, রাগ বা অনুরাগের বশবর্তী হয়ে নয় বরং হতাশা থেকে বলছি- সত্যিই আমাদের কোনো নেতা নেই। নেই কোনো পরিচালক। কারণ আপনাদের (উভয় দলের) হাতেই আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ বার বার তুলে দিই। আর আপনারা ইচ্ছায় অনিচ্ছায় বারবার ছিনিমিনি খেলেন । তাই দয়া করে একটু বিশ্বাস অর্জন করুন না ! হতাশায় নিমজ্জিত এক জাতিকে রক্ষা করুন না !

    Reply
  132. মাঈনউদ্দিনজাহেদ

    দেশ গেল গোল্লায়-নেতারা কী ভাবছেন? লেখাটি পড়ে ভাল লেগেছে। আমাদের রাজনীতিবি্দরা দেশটা নিয়ে ভাবে না- এটা সত্য নয়। এ ভাবনা আমাদের প্রাণিত করছে। বিএনপির নেতৃবৃন্দ লেখলেখি করেন না , লিখলে তাদের বিশাল সমর্থক গোষ্ঠী আরও বেশী মাঠ পর্যায়ে শানিত ভূমিকা রাখতে পারতো।

    Reply
  133. haris uddin

    চমৎকার,আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগল, তরুণ সমাজকে নিয়ে লিখাটি আশাজাগানিয়া। আশাকরি ভবিষ্যতেও লিখবেন । ধন্যবাদ।

    Reply
  134. রবি

    অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, বাংলাদেশ নিয়ে আশা হারিয়ে ফেলেছিলাম, আপনার কথায় আবার তা ফিরে পেলাম। আমাদেরকে উৎসাহিত করে এ রকম আরও লেখা পাওয়ার আশায় রইলাম।
    সালাম আপনাকে।

    Reply
  135. জহির আহমাদ

    ধন্যবাদ স্যার । আমিও বিশ্বাস করি যে দেশ চালনার জন্য সত্যিকার অর্থেই বি এন পি আপাতত সেরা ম্যানেজার । কিন্তু সাইফুর রহমান স্যার তো নেই, আপনাদের অর্থমন্ত্রনালয় কে সামলাবেন ?

    Reply
  136. আবুল খায়ের মামুন

    শ্রদ্ধেয় স্যার,
    আপনি শিক্ষক ছিলেন আর আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ পর্বের ছাত্র। আপনি আমাদের প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রেখেছেন। আমাদের আপনার দলের পতাকা তলে যাবার আহবান জানিয়েছেন। ধন্যবাদ। আপনার আহবান অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনি অন্তত: আমাদের বুঝতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আসলেই বুঝেতে পেরেছেন কি?

    আপনি কি জানেন যে, আমাদের প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধী, জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবিরকে পছন্দ করে না? আপনি কি জানেন, আমরা আমাদের প্রজন্মের প্রায় সবাই গত নির্বাচনে আপনাদের ভোট দেই নি? ভোট না দেবার প্রধান কারণ আপনাদের জামাত-প্রীতি। আপনি কি জানেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের শাসনামলে জামাতের একচ্ছত্র ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে? আপনাদের ধারণা জামাত কর্মীরা সৎ? জ্বি না স্যার, ওরা অনেক বেশি অসৎ।

    ১৯৯৬ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাতের এক শিক্ষক আমাদের তৎকালীন বরিশাল মহানগর কলেজ পরিদর্শনে এসে দেড় লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়ে বসে। আমাদের শিক্ষকরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং আমাদের এইচএসসি ফর্ম ফিলাপের ফি বাড়িয়ে সেই টাকা যোগাড় করেছিলেন। ঐ শিক্ষক ওটাকে ঘুষ নেয়া বলেন নি। বায়তুল মালের জন্য চাঁদা বলেছিলেন। সকল প্রমান থাকার পরও ঐ শিক্ষকের কোন বিচার হয় নি। আপনারাও দেন নি, আওয়ামী লীগও দেয় নি।

    আওয়ামী লীগ বলেছিলো ঘরে ঘরে চাকরী দেবে। আমাদের সিনিয়র ভাইরা পাশ করে বেকার বসে আছে, চাকরীর খবর নেই। আপনি কি আমাদের এই সামান্য নিশ্চয়তা দিতে পারবেন যে, আমরা শিক্ষা জীবন শেষ করে চাকরী পাবো, দূর্নীতিমূক্ত রাজনীতি পাবো, সন্ত্রাস ও অছাত্রমূক্ত ছাত্র সংগঠন পাবো, জামাত-শিবির মূক্ত বিএনপি পাবো?

    আপনার নেত্রীর সাথে কথা বলে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিন। আমার মত অনেককে, প্রয় সকলকেই আপনার দলে পাবেন।

    তারুণ্যের চঞ্চলতায় বেয়াদবী করে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন আশা করি।

    আবুল খায়ের মামুন
    বিএম কলেজ
    বরিশাল।

    Reply
    • Mojib Vhuiyan

      আবুল খায়ের মামুন
      বি এম কলেজ
      বরিশাল…
      আমরা নতুন প্রজন্ম ভোট না দিয়ে ঠিক করেছি না ভুল করেছি,তা-তো (আপনার কথাতেই)এখন পরিস্কার হয়ে গেল। কারো মুখের কথা বা আশ্বাসে প্রতারিত হয়ে আমরা আর সে পথে পা বাড়াবো না। আমরা যাচাই করে দেথবো।
      ৭১ এ বঙ্গবন্ধু জাতিকে মুক্তির কথা বলে রক্তস্নাত সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন,নিজে যুদ্ধে অংশ নিতে না পারলেও তার ডাকে লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছে।কিন্তু স্বাধীন দেশের সে ঐক্য কি ধরে রাথতে পেরেছিলেন? না দিতে পেরেছিলেন অর্থনৈতিক মুক্তি বা গণতন্ত্রের বিকাশ? তিনি বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে গণতন্ত্র হত্যা করেছিলেন,৭৪ এর দূভিক্ষ,হানাহানি-ব্যাংক লুট,হত্যা-নৈরাজ্য সবকিছুর প্রেক্ষাপটে ৭৫ এর করুণ পরিণতি ছিল তার।যার আবেগময় চেতনার পথ ধরে তার বাকশাল নয় বর্তমানে আ’লীগ আবার ক্ষমতায়।বর্তমান আ’লীগ আর সেই বাকশাল এর পার্থক্য কি কিছু আছে। বঙ্গবন্ধু ৬ দফা,স্বাধীনতার কথা বলে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন,ক্ষমতায় গিয়ে সব ছুড়ে ফেললেন। তার কন্যাও কি অনুরূপ নয়? যুদ্ধপরাধীর বিচার,ঘরে ঘরে চাকুরী,বিনা পয়সায় সার,১০ টাকার চাল সবই একই রকম নাটক ?
      ৭১ এর নতুন প্রজন্ম যারা পরে জাসদ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তাদের আর আমার-আপনার মধ্যে পার্থক্য কি !আমরা একই রকম ভাবে প্রতারিত। স্বাধীনতা যেমনি সোনার হরিণ ছিল-এখনো তেমনিই আছে। যুদ্ধাপরাধী বিচারের নামে..কিছু বক্তৃতা-বিবৃতি,মিছিল-সমাবেশ,ট্রাইবুনালের বিচারক-উকিল সাহেবদের হাজার পৃষ্ঠার কাহিনী-জ্বালও-পোড়াও-ভাংচুর-হরতাল-মিছিল।তারপর কারও উল্লাস-প্রতিবাদ। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একই জিনিস-কয়েকজনের ফাঁসি বা জেল–এইতো !কার বিচার হলো,কার ফাঁসি হলো,কাকে মওকুফ করে দেয়া হলো ? এগুলো নিয়ে ভাবার সময় দিন দিন কমে আসছে। পেটে ভাত,চাকুরী,মাথা গোঁজার বাসস্থান দিতে না পারলে আমি কারো সাথে নাই—-
      আর যে আমার সমস্যার সমাধান দিতে পারবে,কথা ও কাজের মিল থাকবে,কথা দিয়ে কথা রাখবে সে আমার জাত শত্রু হলেও আমি তাকে সমর্থন দেবো। অবশ্যই দেবো। কারণ যে স্বাধীনতা বিরোধী সে আমার চেনা শত্রু, আর যে স্বাধীনতার নাম বা চেতনা বিকিয়ে, আমাকে বারবার প্রতারিত করে,সর্বস্বান্ত করে সে বিশ্বশত্রু-ঘৃনিত কীট। এবার নতুন প্রজন্ম একবার সুযোগ পেলে বুঝিয়ে দেবে-কত ধানে কত চাল….



      Reply
  137. Masrur Saifuddowla

    খুব ভাল লেগেছে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি, অসাধারণ! এরকম মানসিকতার লোকই চাই আমরা রাজনীতিতে।
    কিন্তু প্রশ্ন হল আপনার এই মানসিকতা আপনার দল বহন করে কিনা? দল বলতে দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা।
    আর ধরে নিলাম আপনি বিএনপির রাজনীতিতে একজন রিফর্মিস্ট (তথাকথিত সংস্কারবাদী নন) হিসেবে আবির্ভুত হয়েছেন, তহলে আশা করব যে বিএনপি গনতান্ত্রিক দল হিসেবে নেতৃত্বে ও নির্বাচনে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিই (অর্থাৎ ভোট) অবলম্বন করবে, কোন পারিবারিক মননোয়ন নয়!

    আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    Reply
  138. rafsan rafy

    নাড়া দেওয়ার মত একটা লেখা। তরুণদের একটা বড় অংশ জেগে উঠছে । সিলেটে রোডমার্চ ও মহাসমাবেশের সময় সেটা টের পাওয়া গেছে। আপনার কাছ থেকে মাঝে মধ্যে এ ধরণের লেখা আরো চাই। আর একটা অনুরোধ, তরুনদের সাথে মতবিনিময় করতে পারলে ভাল হয়। সেটা নেটে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে করা যেতে পারে। তবে সরাসরি কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করলে বেশী ভাল হবে।

    Reply
    • চিন্তিত ছেলে

      জনাব, আপনার লেখাটি সত্যি তরুণ সমাজকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে। আমরা সত্যি স্বপ্ন দেখতে ভুলে গিয়েছি । দেখব কী করে আমরা যে স্বাধীন দেশেও পরাধীনের মত ।

      Reply
  139. মাসরুর রাহীল

    জনাব ফখরুল ইসলাম, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এজন্য যে আপনি তরুণদের প্রতি আবেগভরা ন্যায্য আবেদন রেখেছেন। বিএনপি পরিবর্তন চাইছে, তরুণ হিসাবে আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। সেই সাথে আমরা দেখতে চাই আগামী নির্বাচনে আপনারা সৎ এবং দ্ক্ষ লোকদের নোমিনেশন দিতে প্রস্তুত হন কিনা। সাধারণ জনগণ বিএনপিকেই বেশি কাছের বলে মনে করে। মাঝে মধ্যে তারা আপনাদেরকে ভোট দেয় না শুধুমাত্র আপনাদের প্রতি বিরক্ত হয়ে, আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে নয়।

    Reply
  140. হাসান

    আপনাকে অভিনন্দন। ভালো লাগলো তরুণদের নিয়ে চিন্তা করবার জন্য।

    সাম্প্রতিক সময়ের তরুণ প্রজন্মের এই চরম অধ:পতনের বিষয়টি আমাদের নীতি নির্ধারকদের ভাবনার বাইরে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা এবং ছাত্র রাজনীতি অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ। একদিকে পাশ্চাত্য সাংস্কৃতির আগ্রাসন অন্যদিকে তরুণ তরুণীদের অবাধ মিশ্রনের সুযোগ তাদের শিক্ষা গবেষণায় মনোযোগহীনতা সৃষ্টি করছে। বর্তমানে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তরুণ- তারুণীদের অবাধ মেলামেশার পেছনে অধিক সময় দেয়া, বিভিন্ন মরণ নেশায় আসক্ত হওয়া (ট্যাবলেটিং, ফেনসিডাইলিং, মোবাইলিং, কম্পিউটারিং), বড় আপু-ভাইয়াদের নোট মুখস্ত করে পরীক্ষা দেয়া এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক দলের লেজুড়বিত্তি তথা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি অনেকটাই সাধারন রূপ লাভ করেছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রদের ভূমিকা দেখে জনৈক ব্যক্তি সেদিন আক্ষেপ করে বলছিলেন- দেশটা বিক্রি হয়ে গেলেও সম্ভবত আমাদের ছাত্রদের ঘুম ভাঙ্গবে না এবং তিনিই বলছিলেন, ঘুম ভাঙ্গবে কী করে, তাদেরকেতো ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক একাডেমিক মান অর্জনের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে। নির্মম হলেও সত্য বিশ্বের কয়েকশত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করা হলেও সেখানে আমাদের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না।

    নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের মহাবিজয়ের পেছনে সবচেয়ে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে নতুন ও নারীদের ভোট বলে প্রচার করা হয়। বিষয়টি এত বেশি প্রচার করা হয়েছে যে, যাতে নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপির বিকল্প হিসেবে এটাকে দাঁড় করানো যায়। এ গোয়েবলসীয় প্রচারণায় মাধ্যমে কেবল সাধারণ মানুষই নয় জাতীয়তাবাদী বুদ্ধিজীবীরা তাদের লেখনীতে এই মহা অবাস্তব বিষয়টিকে অনেকাংশে স্বীকার করে নিয়েছেন।

    বলা হয় মহাজোট নেত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আহবান তরুণদের আকৃষ্ট করেছে। অথচ তরুণদের মহাজোটের পক্ষে রায় দেয়ার কোন ইতিহাস বা বর্তমান কারণ কেউ দেখাতে পারবে না। কারণ ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরু করার যে বক্তব্য শেখ হাসিনা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া তা আরো ৭ বছর আগে অর্থাৎ ২০০১ সাল থেকে শুরু করার কথা যথাযথ স্মরণ করিয়ে দেন। পরবর্তীতে দেখা যায় শেখ হাসিনা নিজেই খালেদা জিয়ার কাউন্টার বক্তব্য প্রদান এবং সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য না হওয়ার কারণে ডিজিটাল শব্দটি আর তার ভাষণে আনেননি।

    এছাড়া এবার যারা ১৮ বছর পেরিয়ে নতুন ভোটার হয়েছেন তারা তৎকালীন বাকশালী শাসন না দেখলেও ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথা স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের ভয়াবহ সন্ত্রাস, ধর্ষণের সেঞ্চুরি উৎসব, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, সেশনজট এবং বিশেষ করে কর্মসংস্থানের তথা চাকুরির ক্ষেত্রে মেধাবী তরুণদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের সুযোগদান সহ গোষ্ঠীকরণ, দলীয়করণ ও আত্মীয়করণের নজিরবিহীন চিত্র প্রত্যক্ষ করেছে। অতীতের কোন ইতিহাসই বলে না তরুণদের রায় আওয়ামী লীগের পক্ষে যেতে পারে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও তা লক্ষ্য করা যায়। সর্বোপরি অতীতের নির্বাচনগুলোতে নতুন প্রজন্মের কারণে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হতে দেখা গেছে। প্রবীণরাই তাদের ভরসা– এটাই সর্বজনস্বীকৃত বাস্তব অবস্থা।

    এছাড়া নির্বাচনের মাত্র সপ্তাহ পূর্বে সারাদেশে ৩০ হাজার লোকের উপর পরিচালিত বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘মিডিয়া, রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং’ এর জরিপে দেখা যায় নতুন ভোটার হওয়া তরুণীদের ৭৭ শতাংশ চারদলের সমর্থক। তরুণদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ চারদলের সমর্থক।

    নির্বাচনের ফলাফলের পরে প্রচার করা হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি আ’লীগকে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে তরুণদের আকৃষ্ট করেছে। অথচ সবাই অবগত তারা ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে টু শব্দটি পর্যন্ত করেননি। এছাড়া ৪ দলীয় জোটের শরীক দল জামায়াতে ইসলামী দেশে মাত্র ৩৮ টি আসনে নির্বাচন করে প্রতি আসনে গড়ে ৮৮ হাজারের উপরে ভোট পায় যা কিনা বিগত ২০০১ এর নির্বাচনে তাদের প্রাপ্ত ভোটের অধিক। ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়টি আ’লীগকে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে তরুণদের আকৃষ্ট করার বিষয়টিও বায়বীয়।

    Reply
    • সরলরেখা

      `নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপির বিকল্প হিসেবে এটাকে দাঁড় করানো যায়`- সেইদিন নেত্রী বললেন তত্বাবধায়ক সরকারদের অধীনে সমস্ত নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ ছিল, আর আপনি বলছেন কারচুপির কথা?

      Reply
      • milon

        নাম সর্বস্ব তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল মইন- ফখরুদ্দিনের সামরিক শাসন। সুতরাং সেখানে কারচুপি কীভাবে হয়েছে তা আপনারা না দেখলেও তরুণ সমাজ দেখেছে। ছাত্রদল,শিবির যারা করে তারাও কিন্তু তরুণ সমাজের অংশ, সংখ্যায় তারা আপনাদের চেয়ে অনেক বেশি,আধুনিক, শিক্ষিত, সৎ ও মার্জিত– তাদের কীভাবে বাদ দেবেন!

    • আবুল খায়ের মামুন

      জামাতের জন্যই বিএনপি আজ তরুন প্রজন্মের অপছন্দের দল।

      আমাদের একটাই দাবী, বিএনপি থেকে জামাতকে বাদ দিতে হবে। এইসব জামাতীরা বিএনপিতে থাকলে তরুন প্রজন্ম অবশ্যই বিএনপির সাথে যাবে না। আমি নিজেই আবারো আওয়ামী লীগকে ভোট দেব।

      Reply
      • মো, মনির উদ্দিন

        এই কথাগুলো নেহাত বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা, কারণ যে কারণে আপনি আবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন আর্থাৎ (জামাত) সেটা আসলে বিএনপিকে দুর্বল করার একটা আবদারমাত্র। কারণ তরুণ প্রজন্মের একজন ছেলে হিসেবে আমি বলছি, এটা প্রকৃত কোনো সমস্যাই না।

      • আবুল খায়ের মামুন

        জনগণ এবং তরুন প্রজন্ম বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে প্রস্তুত। বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করলেও ক্ষমতায় যেতে পারবে। তাহলে জামাতকে সাথে নিয়ে শরীর দুর্গন্ধ করার প্রয়োজন কী?

      • amin

        জামাত আছে বলেই বিএন পি ভালভাবে চলতে পারে। নইলে আ.লীগের ধাক্কায় কী যে হত ।

  141. habib

    “সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণের কারণে মেধাবী তরুণদের মামা-চাচা ছাড়া চাকুরী পাওয়া আজ এক অসম্ভব ব্যাপার”। এই জন্যেই আমরা তরুণ সমাজ সবচেয়ে বেশি হতাশাগ্রস্ত। যখন দেখি মামা-চাচার জোরে আসা পাশের মানুষগুলো বড় বড় জায়গায় বসে আছে তখন আমাদের মতো অভাগাদের খুব খারাপ লাগে। ভাল লেগেছে আপনার লেখা। ধন্যবাদ।

    Reply
  142. mahbub

    বাংলাদেশের রাজনীতিবিদের মধ্যে যারা ভালো লেখেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম ।

    Reply
  143. Mahabub Sohan

    তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে কোন রাজনীতিবিদের লেখা এর আগে এত ভাল লাগেনি।

    বিএনপির সফলতা কামনা করি।

    Reply
    • dew314

      @ জনাব মাহবুব সোবহান, একটু সংশোধন। যদি বলেন দেশ গড়ার ক্ষেত্রে বিএনপির সফলতা কামনা করি তাহলে কথাটা আরো সুন্দর হয়। এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগেরও সফলতা কামনা করি। এবং আমরা বেছে নিতে চাই কে বেশি সফল তার উপর ভিত্তি করে, কে বেশী ব্যর্থ তার উপর ভিত্তি করে নয়।

      @ জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আপনার কথাগুলো ভালো লেগেছে। তবে চাইব উদ্দেশ্য যাতে ব্যক্তির চাইতে দল বড় আর দলের চাইতে দেশ বড় এমনই হয়। ব্যাপারটা আবার এমন হবে নাতো যে আপনাদের মত ভালো মানুষদের সামনে রেখে বিএনপি নির্বাচনে উতরে যাবে আর যখন রাষ্ট্রপতি প্রশ্নে নিরপেক্ষতা জরুরী, তখন দলীয় আনুগত্যের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের অভাবে রাষ্ট্রপতিকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হবে?

      কিংবা ঘুরে ফিরে সেই গনতান্ত্রিক খোলসে রাজতন্ত্রেরই ধারা অব্যাহত থাকবে? একটা সময় ছিল যখন মানুষ মুজিব অথবা জিয়া নামেই সমর্থন দিত, এখন তা নেই বলছি না, তবে ধীরে ধীরে সেই ধারা পাল্টাচ্ছে। এদেশের রাজনীতিবিদরা কি এতটাই ব্যক্তিত্বহীন যে একটা দলকে সংগঠিত করতে প্রতিষ্ঠাতার বংশধরদেরই প্রয়োজন হবে? তাও যদি বংশধরেরা তাদের পূর্বপুরুষদের গুনাবলীর সিকিভাগও ধরে রাখতে পারতো। জানিনা কখনো সম্ভব হবে কিনা, তবে ঘুরেফিরে যে সেই পরিবারতন্ত্রেরই ধারা অব্যাহত থাকবে আর এইদেশের রাজনীতিবিদরা তারই সাথে তাল মিলিয়ে চলবে এইটাই হয়তো বাস্তবতা।

      যদি এই লেখনীর মাধ্যমে আপনি তরুন সমাজকে মোহাবিষ্ট করতে চান তাহলে আর কিছু বলতে চাইনা। তবে যদি প্রকৃতই বার্তাগুলোকে উদ্দেশ্য করেন, তাহলে বলব যে এই জাতি কিছু প্রশ্নের সুরাহা চায় তবে তাকে পুঁজি করে রাজনীতি করা পছন্দ করে না এবং তাতে আটক হয়ে অন্য সবকিছুকেও ছেড়ে থাকতে চায় না। দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধান যেমন চায়, তেমনি চায় বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক অহেতুক হয়রানি থেকেও মুক্তি। নাগরিক অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে চায় সাম্য, নিরপেক্ষ বিচার এবং আইনের সুশাসন। দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে এদেশের মানুষ কষ্ট করছে এবং করতেও রাজি আছে , তবে তার জন্য চায় ন্যায্য পাওনা ও সুষম অধিকার নিশ্চিতকরন এবং সর্বোপরি জাতীয় সম্পদের সুষ্ঠু সংরক্ষন ও ব্যবহার।

      যা হোক আপনারা রাজনীতি করেন, আপনারা এই লাইনের এক্সপার্ট। আমাদের চাইতে ভালো জানেন এবং বুঝেন। তবে দয়া করে জনগনের আশা এবং আকাংক্ষাকে উপেক্ষা করবেন না। আশা করি নিজের সততা দিয়ে আশে পাশের রাজনীতিবিদদেরও সৎ রাজনীতি করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করবেন এবং ন্যায়পরায়ন ও উন্নয়নকামী এক সরকার উপহার দিতে পারবেন।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—