গত কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এত কাণ্ড ঘটে গেছে যে আমাদের সবার মন খুব খারাপ। আমার প্রজন্মের মানুষেরা মনে হয় এখনই সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে।

এমনও হয়েছে যে আমার একাধিক বিয়ে করে ফেলা বন্ধু পর্যন্ত আমাকে বলেছে, এরকম পরিস্থিতিতে, এরকম ধূসর সময়ে কি একটি নতুন শিশুকে পৃথিবীতে আনা ঠিক হবে? তাদের মধ্যে সবাই যে বাংলাদেশি, তা-ও নয়। আমি কি উত্তর দেব বুঝতে পারিনি। হয়তো তারা আসলে আশাও করেনি– আমি কোনো উত্তর দিতে পারব কি না।

তবে যেটি সবচেয়ে আশার কথা তা হলো গুলশান আর কল্যাণপুরের ঘটনার পর সরকার ও গণমাধ্যম ভীষণ ধাক্কা খেয়েছে। কেন এত দেরি হলো সেটি অবশ্য আমার মাথায় এখনও ঢোকে না। এই ধাক্কা তো জিয়াউর রহমান যখন নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীকে আবার রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেছিল তখনই খাওয়ার কথা ছিল।

জঙ্গিবাদ কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটি অনেকদিন ধরে গোড়ায় পানি ঢেলে যাওয়া একটি গাছের ফল। সেই গাছের নাম কী? এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতি। কারা করে এই রাজনীতি? আওয়ামী ওলামা লীগ, হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ইত্যাদি।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, সিনিয়রিটির বিচারে জামায়াতে ইসলামী আর বিএনপির নাম আওয়ামী ওলামা লীগের আগে আসা উচিৎ। কিন্তু মানুষকে বয়স দিয়ে বিচার না করে তার গুণগত মান আর সম্ভাবনা দিয়ে বিচার করা উচিৎ। শাহবাগ আন্দোলনের পরে সবাই জেনে গেছে, জামায়াতে ইসলামী আর বিএনপি আসলে আমাদের ইতিহাসের ভুল বাঁকে সৃষ্টি হওয়া কৃত্রিম বুদবুদ।

তাহলে যারা এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে তারা যাবে কোথায়? যদি তাদের মাথায় একটুও ঘিলু থাকে তাহলে তারা বুঝতে পারবে, তাদের উচিৎ আওয়ামী লীগের দখল ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা। এখন দেখা যাচ্ছে, তাদের মাথায় আসলেই কিছু ঘিলু আছে।

আমরা যখন স্কুলে যেতাম তখন যেসব রাজনৈতিক অবস্থান বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীকে নিতে দেখা যেত এখন সেগুলো নিতে দেখা যায় আওয়ামী ওলামা লীগকে।

আমরা স্কুলে থাকতে পড়েছি সমুদ্রে ভেসে থাকা হিমশৈলের মাত্র দশ শতাংশ পানির উপরে দেখা যায়। একই কারণে কোকাকোলায় বরফের টুকরো দিলে খুব অল্প একটু ভেসে থাকে বাকিটা ডুবে থাকে।

এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতি হলো পুরো হিমশৈলটি। আর এর ভেসে থাকা, দেখা যাওয়া ছোট্ট অংশটি হলো জঙ্গিবাদ। তাহলে পানির নিচে বিশাল লুকোনো অংশটিতে কি আছে? সেটি হলো, সেইসব মানুষ যারা এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে, কিন্তু নিরপরাধ মানুষের রক্তে হাত ভেজায় না। তাদের নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা আর ধর্মান্ধতার প্রকাশ ঘটে ভিন্নভাবে।

কেউ হয়তো সংবিধানে সব ধর্ম, বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের সমঅবস্থান না চেয়ে কোনো একটি বিশ্বাসকে প্রাধান্য দিতে চায়; কেউ হয় চাকরিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বৈষম্য করে, কেউ হয়তো বুদ্ধি করে বেছে বেছে ধর্মীয় সংখ্যালঘু পরিবারের কন্যাদের রাস্তাঘাটে হেনস্থা করে, যাতে করে তাদের পরিবার ভারতে নির্বাসিত হতে বাধ্য হয়; কেউ হয়তো নিজেদের শিশু সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর সময় ‘মালাউন’, ‘ডান্ডি’ (চট্টগ্রামের কথ্য ভাষায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আড়ালে এভাবে ডাকা হয়) এবং লাল ও কালো পিঁপড়ার গল্প শিখিয়ে পাঠায়।

এই রক্তে হাত না ভেজানো এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করা মানুষেরা আমাদের সমাজেরই অংশ। এরা সমাজের সেই অংশটি গঠন করে যেটি ইনিয়েবিনিয়ে জঙ্গিবাদের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশটি তৈরি করে। এরাই একেকটি হত্যাকাণ্ডের পর ‘যদি’, ‘কিন্তু’– এসব অব্যয় পদের বন্যা বইয়ে দেয়। এরা যদি না থাকত তাহলে হিমশৈলটি থাকত না, আর তার চূড়া– জঙ্গিবাদও থাকত না।

১৯৭১ সালে সবাই মুক্তিযুদ্ধে যায়নি, কিন্তু সবাই মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেছিল। তারাই মুক্তিযুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, প্রাণ দিয়েছে কিন্তু লুকিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান জানায়নি, রাতের অন্ধকারে রান্না করে খাইয়েছে, যুদ্ধ শেষে ফিরে আসলে ভালবাসা দিয়ে বরণ করেছে।

সেই তুলনায় সংখ্যায় খুব নগণ্য হলেও এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসকারীদের মধ্যেও সেরকম স্তর আছে। তার মধ্যে খুব অল্পই গর্ভস্থ সন্তানসহ নিরপরাধ মাকে হত্যা করে। (গুলশানের সেই ইতালীয় নারীর কথা মনে আছে?) বেশিরভাগ সমাজের নিরাপদ অংশে থাকে আর জঙ্গিদের কাজকর্মে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে।

সবাই একটু মনে করে দেখতে পারেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কতজনের বিচার হচ্ছে আর তাদের জন্য বড় বড় পত্রিকায় বিচার স্বচ্ছ আর নিরপেক্ষ না হওয়ার বানোয়াট ধুয়া তুলেছিল কতজন? দ্বিতীয় দলের লোক সবসময়ই বেশি থাকে। ভবিষ্যৎ জঙ্গিরাও এই দ্বিতীয় দল থেকে ‘প্রমোশন’ নিয়ে প্রথম দলে আসবে। দেখাই তো যাচ্ছে কত জঙ্গি জামায়াত শিবিরের গ্র্যাজুয়েট!

তাহলে এখন কি করতে হবে? গোড়ায় হাত দিতে হবে। যাদের হাতে অস্ত্র আছে, তাদের না হয় পুলিশ সামলাল কিন্তু স্কুলে যারা বাচ্চাদের ‘মালাউন’ আর ‘ডান্ডি’– এসব শব্দ শিখিয়ে স্কুলে পাঠায় তাদের কারা সামলাবে?

আমাদেরই সেটি করতে হবে। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তো এসব শিশুর পরিবারের উপর গোয়েন্দাগিরি করা বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু সবার বাড়িতেই সরকার ঢুকে যেতে পারে পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে। আমাদের শুরু করতে হবে শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে।

এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতির ভ্রান্ত আদর্শের মোকাবেলা করতে পারে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি– ধর্মনিরপেক্ষতা!

এটিই হোক আমাদের পাঠ্যবইগুলো রচনার মূলমন্ত্র! এক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক রাজনীতির হিমশৈলটি গলে যাক, ফেটে যাক, তার চূড়া– জঙ্গিবাদ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক!

ওমর শেহাবইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের ভিজিটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরামের (আইসিএসএফ) সদস্য

১৯ Responses -- “হিমশৈলের লুকোনো অংশ”

  1. আমান

    লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। হেফাজতে ইসলাম-এর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা বা ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছা বা কাউকে অন্যায়ভাবে মারা ইত্যাদি অন্যায়মূলক কোনো কাজ কি আপনার দৃষ্টিতে ধরা পড়েছে? যদি ধরা পড়ে তাহলে যেন একটু জানান। এ ছাড়া বাকি যে সমস্ত দলগুলোর কথা লিখেছেন সেগুলোর ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই। কারণ, আমি নিজেও জানি ওগুলো হল মুনাফিক প্রকৃতির দল।

    Reply
  2. মো ওসমান গনি

    লেখকের সব কথায় বোঝা যায়, উনি নাস্তিকদের চামচা। ওমর শেহাব সাহেব, আপনি বোধ হয় ভুলে গেছেন, বাংলাদেশের ৯০% জনগণ মুসলিম। নাস্তিক্যবাদিদের দোসরেরা এই দেশে কখনো সফল হবে না।

    Reply
    • চার্লস ডারউইন

      নাস্তিক বা আস্তিক সেটা বড় কথা না। সে কতটুকু জ্ঞান ধারণ করে সেটাই দেখার বিষয়। তবে তার লেখাটা যে যুক্তিসংযত সেটা আপনার বোঝা উচিত। আর ৯০% জনগণ মুসলিম বলতে আপনি কি বোঝাতে চান? ভিন্ন মতাবলম্বীরা কোন কথা বলবে না? আপনার জেনে রাখা উচিত যে, পৃথিবীকে সুন্দর করার জন্য খুব বেশি % মানুষ কাজ করেনি আর করবেও না।

      Reply
  3. Shaukat

    Apni shomoshhar je shomadhan diyesen ta pawa eto shohoj mone hosse na. Bhul bolle khoma korben. Amar mone hoy, amra ekta ney-niti vittik shomaj ebong rashtro baboshha theke bohu dure shore gesi. Shejonnoi, kromagoto upore othhar bodole ektu ektu kore tolie jassi. Shikar kori je eto oniom, loot-pat, danga-hangamar poreo amra jati hishebe onek kisu orjon koresi kintu tarporeo kono kisukei amar kase thhik solid mone hoy na. Mone hoy vongur ebong ochirei miliye jabe.

    Reply
  4. r. masud

    Really a good piece of writing it is.
    For Mr. Omar Sheab, it is good to understand that most religious people, specially Muslims, undergone a big change at the age of around 50. This change is of religion perception. More than 90% people of above 50 are inclined to the your defined) ‘One Religion is Great’ concept.

    Reply
  5. মুক্তি

    সহজ করে কঠিন সত্য বলার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। শিক্ষা যদি জ্ঞান অর্জনের জন্য হয় তবেই না তার মুল্য অনেক। শিক্ষা যদি হয় সনদ অর্জনের জন্য, তার কি অবস্থা হয় তা তো বর্তমানে প্রমাণ হচ্ছে। আন্তরিকতার সাথে সচেতনভাবে অনেক কিছুই ঠিক করতে হবে। আপনাদের মতো মানুষের হাত ধরে যেন এগিয়ে যায় সভ্যতা।

    Reply
  6. বিবেক

    তা এই শ্রেষ্ঠত্বভিত্তিক সমস্যা সমাধান করবে আওয়ামী লীগ যে দলটির নেতারা বলেন, “আপনার ভোট দেওয়ার দরকার কি? বিএনপি-জামায়াত নিশ্চয়ই সমর্থন করেন না।আর আপনার দল আওয়ামী লীগই তো ক্ষমতায় আছেই।” জঙ্গিদের হাতে যেমন তার স্বীয় ধর্মালম্বীরা নিরাপদ নয়, ঠিক তেমনি এই দলটি তাদের আগ্রাসনের নমুনা দেখিয়েছে ইউপি নির্বাচনে ১৪২ জনকে হত্যা করে “স্বজাতিভক্ষক” তকমা পেয়ে। তারপরও কখনো কখনো সৈয়দ আশরাফের মতো নেতা তাদের নিজ দলের ষড়যন্ত্রকারীদের আড়াল করতে গোটা বাঙালি জাতিকেই বেঈমান বলেন। অথচ আমরা জানি মুশতাক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। আপনি লিখেছেন ১৯৭১ সালে সবাই মুক্তিযুদ্ধে যায়নি, কিন্তু সবাই মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেছিল। এর চরম সুবিধাবাদী ব্যবহার করতেও বাদ রাখেনি দলটি। নির্বাচনে জিতলে ভাষণের সময় বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ একটি গণযুদ্ধ আবার পরাজিত/অজনপ্রিয় হলে বল হয় বঙ্গবন্ধু একটি অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। কিন্তু ইতিহাস বলে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময় জেলে ছিলেন। পৃথিবীতে ৪,৩০০ ধর্মের সব ধর্মই তার নিজ ধর্মকেই শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছে। তবে ভিন্ন ধর্মের সাথে সহাবস্থানের কথাও বলা আছে এই সকল ধর্মে। সুবিধা অনুযায়ী এদের স্লোগান পরিবর্তন হয়ে যায় না। তাই এই ধর্মভিত্তিক ব্যবহার ফিরাবে সেই দলটি যার স্লোগান ক্ষমতায় থাকা না থাকার সাথে পরিবর্তিতিত হয় বিষয়টি অবাস্তব ও কাল্পনিক।

    Reply
    • R. Masud

      জনাব বিবেক
      ইচ্ছা করে এমন কমেন্ট করছেন, তাতে দুদিন পর আপনার কমেন্ট টা আপনি নিজে পড়লেই লজ্জায় মুখ লিকাবেন,
      যেমন বলছেন
      ” বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময় জেলে ছিলেন। ”
      এটা কি দোষের? নাকি বলতে চাচ্ছিলেন, রনাজ্ঞনে গিয়ে যুদ্ধ্য করেনি বলে বঙ্গবন্ধু দোষ করে ফেলেছেন —-
      তাহলে তো, নেলসন মান্ডেলা, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাধীন হবার ২৭ বছর আগে থেকেই জেলে ছিলেন। তারপরও উনি এখন বিশ্ববিখ্যাত নেতাদের টপ বলে দুনিয়ার বেশীর ভাগ লোকই মানে — অবশ্য এই ধরনের কথা আপনাকে বলা আর ছাইয়ের মাঝে মুত্রত্যাগ করা সমান। এবার বোধ হয় টের পেয়েছেন লজ্জা পাবেন কেন বলেছি –

      আসলে, আপনাদের মত স্বাধীনতা বিরোধী অনেকেই এই উপমাটা ব্যাবহার করেন কিনা তাই একটু বেশী হাসির ব্যাপার আর রাগের ব্যাপারও —

      “পৃথিবীতে ৪,৩০০ ধর্মের সব ধর্মই তার নিজ ধর্মকেই শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করছে”
      কথাটা একদম ঠীক –
      কিন্তু সমস্যা তো শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করা নিয়ে নয় ভায়া — সমস্যাটা তো হলো শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করার পর বাকী ধর্ম গুলোর দরকার নেই বলে খোলাখুলি ভাবেই এক অংশের সুন্নি মুসলমানরাই (জজ্ঞিরা) সুধু অন্য ধর্মের বা নিজের ধর্মের মানুষ গুলোকে (যারা তাদের পক্ষে নয় ) পশুর মত হত্যা করে।
      ওমর শেহাব বাবু তাই বলতে চাচ্ছিলেন বলে আমি মনে করি —
      পতাই বলে আমাকে আবার হিন্দু বা শিয়া মতালম্বি বলে ধরে নেবেন না । আমি একজন খাঁটি সুন্নি মুসলমান —

      Reply
      • বিবেক

        আমি আসলেই ভেবে অবাক হই আপনাদের মতো চেতনাধারীর কাছে মুক্তিযুদ্ধ কি এতই ঠুনকো যে আমি মুক্তিযুদ্ধের ২৬ বছর পর জন্মেও স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেলাম!! বাকস্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের দাবি করে এত এত অসহিষ্ণু কিভাবে হন বলুন তো? আর বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন তাতে বিন্দুমাত্র দোষ নেই। কিন্তু সব ক্রেডিট একমাত্র তাঁর, অন্যরা কিছুই করেনি এটা আমি বিশ্বাস করি না।

    • চার্লস ডারউইন

      রাজনীতিতে ক্ষমতায় থাকার জন্য জনগণের সামনে কিছু স্লোগান পরিবর্তন মনে হয় রাজনিতিরই অংশ।
      তবে জ্ঞানী লোকদের দেখা উচিৎ সে কোন নীতিতে বিশ্বাস করে। তবে আপনাকে ধন্যবাদ।
      আর ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন। আমার মনের ধারণাকেই শুধু লিখলাম মাত্র।

      Reply
      • বিবেক

        পরিবর্তন আর নিজের ব্যর্থতাকে আড়াল করার জন্য ভণ্ডামি দুটো এক জিনিস নয়।

  7. Niaz Mahmud

    সত্য কথাকে এর চাইতে সত্য করে আর প্রকাশ করা যায় না। লেখককে সাধুবাদ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—