তাবৎ ক্ষমতাসীন পশ্চিমা নেতৃত্বের অনুরোধ ও আহ্বান উপক্ষো করে ব্রিটেনের ভোটাররা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দিল যেটি প্রায় মাস খানেক আগের ঘটনা। ব্রেক্সিটের ফলাফল নিশ্চিতভাবেই ইইউয়ের ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। এটি একই সঙ্গে ইউরোপজুড়ে তৈরি করে দিল এক ধরনের অস্থিরতা। এ ঘটনায় ইউরোপের অন্যান্য দেশের চরম ডানপন্থী রক্ষণশীল দলগুলো নিশ্চিতভাবেই ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য গণভোটের ডাক দিতে উৎসাহিত হচ্ছে।

বিশ্বরাজনীতি ও ইউরোপের রাজনীতিতে ব্রেক্সিটের প্রভাব কী ধরনের হবে তা সময়ই নির্ধারণ করে দেবে। তবে ইইউ আদৌ টিকে থাকবে কি না– এ প্রশ্ন তোলা হয়তো একটু আগাম হয়ে যাবে।

সংকট মোকাবিলায় ইইউ নেতৃত্বকে সময় দিতে হবে। তবে এর প্রভাব থাকবে দীর্ঘদিন এবং ইইউয়ের পক্ষে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে না, তা নিশ্চিত। ইইউ নেতৃবৃন্দ এই সংকট কীভাবে মোকাবিলা করবেন সেটিই এখন দেখার বিষয়। এবং এ ক্ষেত্রে জার্মানি, ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশের নেতৃত্বকে অগ্রভাগে থাকতে হবে।

প্রাথমিকভাবে ব্রেক্সিটের দুই ধরনের প্রভাব আলোচনা করা যেতে পারে– মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জগতে এবং ইউরোপের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে। পশ্চিমা রাজনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে খুব সাদামাটাভাবে বলা যায়, ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার মানে হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইইউয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভেতরে তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রকে হারাল। এ জন্যই হয়তো-বা প্রেসিডেন্ট রাবাক ওবামা ব্রিটিশদের ইইউয়ের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

অবশ্য ইইউয়ের অন্যান্য সদস্যও মার্কিনিদের মিত্র ও ন্যাটোর সদস্য, তবে দেশ হিসেবে ব্রিটেন আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে মার্কিনিদের সবচেয়ে বেশি অনুগামী ছিল। সেদিক থেকে ইইউয়ের নীতি নির্ধারণে মার্কিনিদের অগ্রাধিকারভিত্তিক বিষয়গুলো (প্রেফারেন্স) বাস্তবায়নে ব্রিটিশদের একটা ভূমিকা নিশ্চিতভাবেই ছিল। কারণ, যতদিন ইইউ টিকে থাকবে ততদিন বিশ্বরাজনীতিতে ‘ট্রান্স ন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠান হিসাবে ইইউয়ের প্রভাব থাকবে নিশ্চিতভাবেই। এখন মার্কিনিদের ইইউয়ের ভেতরে নিজস্ব স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য ব্রিটেনের বিকল্প হিসেবে নতুন মিত্রের সন্ধান করতে হবে।

আর ইউরোপের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে বেক্সিটের প্রাথমিক প্রভাব হিসেবে যা শঙ্কার এবং সবার আগে বিবেচনায় আসবে, তা হচ্ছে ইউরোপজুড়ে ডানপন্থীদের উত্থান ও বিকাশ।

তাহলে প্রশ্ন এসে যাচ্ছে, বিশ্ব কি বড় আকারের চরম ডানপন্থী রক্ষণশীল যুগে প্রবেশ করতে যাচেছ? কারণ, ইউরোপে ডানপন্থীদের বিকাশের সঙ্গে যুক্ত হবে মুসলিম-অধ্যুষিত বিভিন্ন দেশে তথাকথিত চরম ধারার ইসলামপন্থী দলগুলোর বিকাশ। এই দুয়ের বিকাশ নিশ্চিতভাবেই বিশ্বপরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাবে।

দেখার বিষয় হচ্ছে, ইইউ বিলুপ্ত করে ডানপন্থীদের উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপ কি আবার যুদ্ধবিগ্রহের যুগে ফিরে যাবে? আফগান-আরব অঞ্চলে শুরু করা যুদ্ধ কি তাদের হাত ধরেই তাদের দেশে ফিরে যাবে? কারণ, ইউরোপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হচ্ছে অন্যতম শান্তিপূর্ণ যুগ। যদিও এর মধ্যে সেখানে বলকান যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে। এছাড়া বাকি সময় ইউরোপে কমবেশি যুদ্ধ-দ্বন্দ্ব-বিগ্রহের মধ্য দিয়েই পার করেছে।

ব্রেক্সিটের ফলাফলের পরপরই ইউরোপের ডানপন্থী দলগুলো নড়েচড়ে বসতে শুরু করেছে। তাদের পালে হাওয়া দিচ্ছে এ ঘটনা। যেমন, ব্রেক্সিটের চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হওয়ার পরপরই ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের ডানপন্থী রাজনৈতিক দল গণভোট আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রিটেনে গণভোটের এই রায়ের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ছাড়াও আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, বিভিন্ন দেশে ইইউবিরোধী পপুলিস্টদের কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রিটেনের গণভোটের ‘ডমিনো ইফেক্ট’ পড়াটা এখন অবশ্যম্ভাবী।

এ ক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রান্স থেকেই শুরু হতে পারে ‘ব্রেক্সিট’এর পরবর্তী পর্যায় ‘ফ্রেক্সিট’। ফ্রান্সের ডানপন্থী দল দ্য ন্যাশনাল ফ্রন্টের (এফএন) প্রধান মারিনে লে পেন ইতিমধ্যেই নিজেকে ‘ফ্রেক্সিট’এর নেতা বলে ভাবতে শুরু করেছেন। ব্রিটেনে গণভোটের ফল প্রকাশের পরপরই লে পেন এক টুইট বার্তায় বলেছেন, এটা মুক্তির বিজয়। ব্রিটেনের এই উদাহরণ সামনে রেখে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এ ধরনের গণভোটের আয়োজন করা উচিৎ।

ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফ্রন্ট বরাবরই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কড়া সমালোচক। দলটি বলছে, ইইউ ঠিক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। এর মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সংকট রয়েছে। তাদের অভিযোগ হচ্ছে, ইউরো জোনে বেকারত্ব হ্রাসে ইইউ ব্যর্থ হযেছে। কালোবাজারি, সন্ত্রাসী ও অর্থনৈতিক অভিবাসীদের ইউরোপে প্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের রক্ষণশীল দলের নেতা গ্রিট ভিল্ডাসও ব্রিটেনের ভোটারদের স্বাগত জানিয়েছেন। ডাচ পার্টি ফর ফ্রিডমের (পিভিভি) এই নেতা হুমকি দিয়েছেন, তিনি যদি আগামী বছরের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, তবে ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য গণভোট ‘নেক্সিট’-এর আয়োজন করবেন। তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের জনগণকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

এদিকে, জার্মানির চরম রক্ষণশীল দল অল্টারনেটিভ ফর ডয়েচল্যান্ডও (এএফডি) ব্রিটেনের গণভোটের ফলে স্বাগত জানিয়েছে। সম্প্রতি চরম ডানপন্থী এই পুপলিস্ট ধারার দলটির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বর্তমান ১২ থেকে ১৪ শতাংশ জার্মান এ দলটিকে সমর্থন দিচ্ছেন বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমগুলাতে বলা হয়েছে। গত এক বছরে জার্মানিতে ১.১ মিলিয়ন উদ্বাস্তুর আগমন ও ইসলামভীতি দলটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে বিশেজ্ঞরা মনে করছেন। জার্মানির ১৬ প্রদেশের মধ্যে আটটি প্রদেশের পার্লামেন্টেই দলটির প্রতিনিধি রয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও দলটি পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করার আশা করছে। এই দলের অন্যতম নেতা ফ্রাউকে পেটট্রি বলছেন, ইউরোপে নতুন দিনের সূচনা হতে যাচ্ছে।

এছাড়া হাঙ্গেরি ও নরডিকভূক্ত দেশগুলোতে গণভোটের জোয়ার দেখা দিতে পারে। জাতীয়তাবাদী ও অভিবাসনবিরোধী সুইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির জনপ্রিয়তা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ফিনল্যান্ডের আলট্রা জাতীয়তাবাদী ট্ররু ফিন পার্টির জনপ্রিয়তাও ঊর্ধ্বমুখী। ২০১৫ সালের নির্বাচনে দলটি ২০ শতাংশ ভোট পায়। ডেনমার্কের ডেনিশ পিপলস পার্টিও পপুলার ভোট আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী হিসেবে পরিচিত এ দলটি সরকারে না থাকলেও সরকার গঠনে মধ্য ডানপন্থী সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। বিরোধী দল রেড গ্রিন অ্যালায়েন্সও গণভোটের পক্ষে মতামত দিয়েছে।

যদিও ইউরোপের ক্ষমতাসীন দলগুলোর নেতারা চরম ডানপন্থীদের এসব দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। কেউ কেউ আবার হাতাশাও ব্যক্ত করেছেন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী লার্স রাসমুসেন গণভোটের আহ্বান নাকচ করে দিলেও এ কথা স্বীকার করেছেন যে, ব্রিটেনের গণভোটের ফল ইইউকে সংকুচিত করে দেবে। তিনি মন্তব্য করেছেন, নিকট ভবিষ্যতে ইইউ ভেঙে যাওয়ার কোনো শঙ্কা বা সম্ভাবনা নেই। অপরদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল বলেন, ব্রেক্সিট এক ইউরোপীয় উদ্যোগে জল ঢেলে দেওয়ার মতো অবস্থা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছ, ইউরোপজুড়ে রক্ষণশীল ডানপন্থীদের বিকাশ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন? সংক্ষেপে বলা যায়, এর কারণ হচ্ছে মূলত রাজনৈতিক অর্থনীতি। নেদারল্যান্ডসের ডানপন্থী নেতা তো সরাসরি বলে দিয়েছেন, ‘আমার আমাদের সার্বভৌম অবস্থায় ফিরে যেতে চাই।’ এর মানে ইইউয়ের অধীনে নিজেদের সার্বভৌম মনে করছেন না তাঁরা। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, ইইউএর পক্ষ থেকে অনেক সিদ্ধান্তই তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেমন, অর্থনৈতিক সংস্কার ও কৃচ্ছ্রতা।

বিশেষ করে গত দুই দশক ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অথনৈতিক সংস্কারের নামে সামাজিক নিরাপত্তার সুযোগ-সুবিধার খাত সংকুচিত করা হয়েছে। অপরদিকে উদ্বাস্তুর সংখ্যা বাড়ায় এ বিষয়ক ব্যয়ও বেড়েছে। যেমন, গত আড়াই দশকে ‘অ্যাকটিভ লেবার মার্কেট পলিসি’ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বেকার ভাতা হ্রাস ও ভাতাপ্রাপ্তির মেয়াদ সংকোচন করা হয়েছে বিভিন্ন দেশে। কমানো হয়েছে চিকিৎসা সুবিধার অনেক সুযোগই। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দায় ইউরোপজুড়ে বেড়েছে বেকারত্বের হার। কমেছে জীবনযাত্রার মান।

এ অবস্থায় গ্রিস, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্সের মতো সমস্যাসংকুল দেশগুলোর জনসাধারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরও কৃ্চ্ছ্রতাসাধনের পরামর্শ স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেয়নি। তাই গত কিছু দিন ধরেই জনসাধারণের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ ছিল। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপ্রাসের মতে, অতিরিক্ত কৃচ্ছ্রতার নীতি উত্তর ও দক্ষিণ ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে বৈষম্য ও পার্থক্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। সমস্যাসংকুল দেশগুলোর ঋণের বোঝা ভাগাভাগিতে ইইউয়ের পর্যাপ্ত অংশগ্রহণ না থাকাতে তাঁর মতো আরও অনেক নেতাই হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

এই রাজনৈতিক অর্থনীতির সংকটের সঙ্গে ডানপন্থী দলগুলো যুক্ত করেছে ‘ইসলামফোবিয়া’। গত কয়েক দশক ধরেই ইউরোপে গণহারে মুসলিমদের প্রবেশ সাধারণ ইউরোপীয়দের মধ্যে এক ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে নিশ্চিতভাবেই। অনেকের মধ্যেই এ ধরনের একটা ধারণা বিদ্যমান যে, তাদের সুযোগ-সুবিধা হ্রাস করে অভিবাসীদের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে। এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রতিক উদ্বাস্তু সংকট। ইউরোপমুখী উদ্বাস্তু ঢল পরিস্থিতি আরও নাজুক করে দিয়েছে গত এক-দেড় বছরে।

অভিবাসীদের মাধ্যমে ইউরোপে যেমন ইসলামের প্রসার ঘটছে, আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ইসলাম-ভীতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এ সুযোগটি নিচ্ছে রক্ষণশীল ডানপন্থী দলগুলো। অর্থনৈতিক সঙ্কট, উদ্বাস্তু-বিষয়ক সঙ্কট আর ইসলামের প্রসার (ইসলামফোবিয়া)– এই তিন বিষয় এক বিন্দুতে মিলিয়ে রক্ষণশীল দলগুলো জনমত গঠনের চেষ্টা করছে। বেক্সিটের ফল বলে দিচ্ছে, প্রাথমিকভাবে তারা সফল।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যত কী? এ প্রতিষ্ঠান কি টিকে থাকবে? ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো-বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন নতুন রূপ ধারণ করে শেষ পর্যন্ত টিকে যাবে এক ধরনের ‘ট্রান্সন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজনৈতিক জোট আকারে। একক মুদ্রা ‘ইউরো’, অর্থনৈতিক ক্ষেত্র ‘ইউরো জোন’ এবং অবাধ কাজের ও যাতায়াতের সুযোগ থাকবে কি না তা সময়ই বলে দেবে।

তবে এই রক্ষণশীল ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো যত সফল হবে ইইউয়ের ভবিষ্যত ততই হুমকির মুখে পড়বে।

মারুফ মল্লিকজার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী

Responses -- “ইউরোপীয় ইউনিয়ন কি টিকে থাকবে?”

  1. মুহাঃ তারিক হাসান খান, এডভকেট !

    “কারণ, ইউরোপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হচ্ছে অন্যতম শান্তিপূর্ণ যুগ। যদিও এর মধ্যে সেখানে বলকান যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে। এ ছাড়া বাকি সময় ইউরোপে কমবেশি যুদ্ধ-দ্বন্দ্ব-বিগ্রহের মধ্য দিয়েই পার করেছে।”
    এই বাক্যগুলো সংশোধন ও পুনঃমূল্যায়ন করুন। কেননা, এখানে তথ্যগত ঐতিহাসিক ভুল রয়েছে বলেই মনে হয়!
    তবে আপনার অপরাপর বক্তব্যসমুহ ভাবনার খোরাক যোগায়! ধন্যবাদ!

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—