ক্যু দে’তা হচ্ছে অকস্মাৎ একটি সামরিক বা বেসামরিক সংঘবদ্ধ দল কর্তৃক বৈধ সরকারের কাছ থেকে অবৈধভাবে রাষ্ট্র-ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া। ক্যু দে’তার এক বা একাধিক নেতা থাকেন, যিনি বা যারা নিজেদেরকে রাষ্ট্র-ক্ষমতার ধারক হিসেবে ঘোষণা করে তাদের প্রতি রাষ্ট্রের সকল অঙ্গের ও নাগরিকদের আনুগত্য দাবি এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্ব-সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি প্রত্যাশা করেন।

ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, সাধারণত যারা ক্যু দে’তা সংঘটন করেন, তারা তাদের নেতার নাম ঘোষণা করেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেতা নিজেই বলেন, ‘আমি অমুক বলছি, তমুককে ক্ষমতা থেকে এই এই কারণে উৎখাত করা হয়েছে।’

কিন্তু গত শুক্রবারের তথাকথিত তুর্কি ক্যু দে’তাতে আমরা এমন কিছুই শুনিনি। শুনেছি, টেলিভিশনে একটি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমি তন্নতন্ন করে খুঁজেও ঘোষণার পূর্ণ পাঠ কোথাও পাইনি (যদি কেউ পান, দয়া করে জানান)। তবে, দৈনিক টেলিগ্রাফ তাদের রিপৌর্টে বলেছে:

The coup attempt began late Friday, with a statement from the military saying it had seized control “to reinstall the constitutional order, democracy, human rights and freedoms, to ensure that the rule of law once again reigns in the country, for law and order to be reinstated.

অর্থাৎ, ‘‘“ক্যু দে’তার প্রচেষ্টা শুরু হয় শুক্রবারের শেষদিকে সেনাবাহিনী থেকে একটি বিবৃতির মাধ্যমে এই বলে যে, “দেশে যাতে পুনরায় আইনে শাসন রাজত্ব করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশে’’ তারা নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে।”’’

কোথাও কি কেউ শুনেছেন, তুরস্কের তথাকথিত ক্যু দে’তার সংগঠক ও সংঘটকেরা কাকে উৎখাত করে কাকে প্রেসিডেন্ট বা সামরিক আইন প্রশাসক বা রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্র-ক্ষমতা অর্জনের কথা বলেছেন?

ক্যু-অভ্যাস বাংলাদেশের নেহায়াৎ কম নয়। কোনো ক্যু দে’তাই ব্যক্তি-বিশেষ কর্তৃক রাষ্ট্র-ক্ষমতা অধিকার করার দাবি ছাড়া সংঘটিত হয়নি।

প্রশ্ন হচ্ছে ক্যু দে’তায় কাকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হয়েছিল? তার কাছ থেকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত করা কিংবা নিয়ে নেওয়া হয়েছিল?

উপরের প্রশ্নের উত্তর কেউ জানেন না। শুধু জানেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তাও পুরোপুরি জানেন না, কিছুটা জানেন। আর সেই কিছুটা কী? সেই কিছুটা হচ্ছে এই যে, এর মূলে আছে গুলেন।

তুরস্কে কে কার কাছ থেকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল? এর উত্তর এই বিশ্বের কেউ জানে না। তবে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ক্যু দে’তা পরিধির বহু দূর থেকে দাবি করেছেন, এটি নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যানসিলভানিয়াবাসী তুর্কি ধর্মতাত্ত্বিক ফেতুল্লাহ গুলেনের কাজ।

 

Islamic preacher Fethullah Gulen - 111
এটি নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যানসিলভানিয়াবাসী তুর্কি ধর্মতাত্ত্বিক ফেতুল্লাহ গুলেনের কাজ

 

ফেতুল্লাহ গুলেন আমেরিকায় বসে তুরস্কে ক্যু দে’তা করিয়েছেন, এটি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দাবি হলেও স্বয়ং গুলেন অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি আজীবন সামরিক শক্তি দিয়ে ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে এবং এ-জন্যে তাঁকে নির্যাতনও ভোগ করতে হয়েছে। তিনি তুর্কি ক্যু দে’তার নিন্দাও করছেন কঠোরতম ভাষায়।

আবার, এই প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানই বলেছেন, সেনাবাহিনীকে পরিষ্কার করার জন্যে এই অভ্যুত্থান হচ্ছে আল্লাহ্‌র দান। এই বলে তিনি শুধু সেনাবাহিনীই পরিষ্কার করেছেন না, তিনি বিচার বিভাগ থেকে ২,৭৪৫ জন জাজকে চাকুরিচ্যুত করেছেন।

সুস্থ চিন্তার যে কোনো মানুষের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সেনাবাহিনী যদি ক্যু দে’তার ব্যর্থ চেষ্টা করে থাকে, সৈনিকদের গ্রেফতার করে বিচার করা যেতে পারে (ইতোমধ্যে ২,৮৩৯ গ্রেফতার), কিন্তু বিচার বিভাগের পৌনে তিন হাজার বিচারক বরখাস্ত ও অনেক জ্যেষ্ঠ বিচারককে গ্রেফতার করা হল কেন?

বিচারকেরাও কি বন্দুক নিয়ে বা ট্যাংক নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন? নাকি তাঁরা তার পরিকল্পনা করেছিলেন? এমন কথা এখনও প্রমাণ হিসেবে আসেনি।

তবুও তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম, বিচারকগণ এই ক্যু দে’তার পরিকল্পনায় সামিল ছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন আসে, কোনো বিচার ছাড়া, আইনের বিধান ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কীভাবে পৌনে তিন হাজার বিচারককে বরখাস্ত করা হয় সেনাবাহিনীর একাংশের কথিত সেই ক্যু দে’তার ‘অপরাধে’?

স্পষ্টত তুরস্কে আইনের শাসন নেই। গণতন্ত্র নেই। মানবাধিকার নেই। সংবিধানের প্রকৃত কার্যকারিতা নেই। কারণ, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন না।

উপরের দাবিটি কোনো অভিযোগ নয়, এটি স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের কথা। গত ১৮ মার্চের বিশ্বের প্রায় সকল সংবাদ-মাধ্যমের খবরে অনুসারে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দাবি হচ্ছে:

Democracy, freedom and rule of law… For us, these phrases have absolutely no value any longer.

[অর্থাৎ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসন… আমাদের জন্যে এ কথাগুলোর আর চূড়ান্ত কোনো মূল্য নেই।]

— The Daily Independent, 18 March, 2016

পাঠকের প্রশ্ন হতে পারে, তুরস্কে যদি ক্যু দে’তা না হয়ে থাকে, হয়েছেটা কী? এর উত্তর আমি জানি না। হতে পা্রে, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত বিদ্রোহ যাকে ক্যু দে’তা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। কিংবা হতে পারে অত্যন্ত কৌশলে সেনাবাহিনীর একাংশকে উস্কে দিয়ে এটি করানো হয়েছে ‘বাকিটুকু আমরা দেখব’ আশ্বাস দিয়ে।

তবে, ইতিহাস থেকে জানি, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠিত সংবিধান অতিক্রম করে কেউ যদি নিজেকে পরম ক্ষমতার অধিকারী করে বিশ্বপরিমণ্ডলে আসগ্রাসী হয়ে ওঠে, তখন তার পক্ষে এমন অনেক ঘটনা ঘটানো সম্ভব, যা আপাত অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে সমগ্র জাতি ও বিশ্বের কাছে।

১৯৩০ সালের জানুয়ারিতে অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলার হওয়ার পরই নিজেকে জার্মানির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ও জার্মানিকে ভয়ঙ্কর নাৎসি রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্যে একটি সাংঘাতিক ঘটনা ঘটান। তিনি তাঁর বাহিনীকে দিয়ে জার্মানির পার্লামেণ্ট বা রাইখন্টাগ আগুন জ্বালিয়ে ভষ্মীভূত করে তার জন্যে কমিউনিস্টদের দায়ী করেন।

 

Adolf Hitler - 333
১৯৩০ সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলার হওয়ার পরই জার্মানিকে ভয়ঙ্কর নাৎসি রাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি সাংঘাতিক ঘটনা ঘটান

 

লক্ষণীয়, তুরস্কেও তথাকথিত ক্যু দে’তা সংঘটনকালে তুরস্কের পার্লামেণ্টে কামানের গোলা ছোঁড়া হয়। এর প্রতীকী অর্থ হচ্ছে এটি বুঝানো যে, ক্যু দে’তার সংঘটনকারীগণ গণতন্ত্রের শত্রু। তখন গণতন্ত্রের শত্রুদের নির্মূল করার জন্যে চলে আইন-বহির্ভূত পার্জিং বা নিধন।

হিটলার যেমন রাইখস্টাগের অগ্নিকাণ্ডের পর প্রথমে কমিউনিস্টদের ও পরে সৌশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নিধন শুরু করেছিলেন, প্রেসিডেণ্ট এরদোয়ানও তুরস্কে সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ পর্যন্ত সর্বত্র তার বিবেচনায় শত্রু গুলেনবাদীদের উৎখাত শুরু করেছেন।

জার্মান একনায়ক হিটলার যেমন জার্মান পার্লামেণ্ট অগ্নিকাণ্ডকে beacon from heaven বলেছেন, তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানও তেমনি পার্লামেণ্টে আক্রমণ করা তথাকথিত ক্যু দে’তাকে a gift from God বলেছেন।

হিটলারের সঙ্গে এরদোয়ানের এই মিল কি কাকতালীয় নাকি সচেতন অনুসরণ? এই প্রশ্নের উত্তরও আমাদের খুঁজতে হবে এরদোয়ানের বাক্য থেকে।

১ জানুয়ারি, ২০১৬ তারিখে বিশ্বের প্রায় সকল সংবাদ-মাধ্যম ফলাও করে প্রচার করে যে, তুর্কি প্রেসিডেন্ট জার্মান নাজি শাসক অ্যাডলফ হিটলারের রাষ্ট্র-পরিচালনার প্রশংসা করেছেন। দৈনিক গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে জানাই:

Asked on his return from a visit to Saudi Arabia whether an executive presidential system was possible while maintaining the unitary structure of the state, he said: “There are already examples in the world. You can see it when you look at Hitler’s Germany.

অর্থাৎ, ‘‘এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র রেখেও নির্বাহী-রাষ্ট্রপতির শাসন-পদ্ধতি সম্ভব কিনা এমন প্রশ্ন সৌদি আরব সফর শেষে প্রত্যাবর্তনের পর জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “বিশ্বে ইতোমধ্যে উদাহরণ আছে। আপনারা যখন হিটলারের জার্মানির দিকে তাকাবেন, তখন এটি দেখতে পাবেন।””

আমরা ইতিহাস থেকে জানি, জার্মান রাষ্ট্রপ্রধান হিটলার কমিউনিস্ট-বিরোধী ও সোভিয়েত-বিরোধী হওয়ার পরও স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তি করেছিলেন, যা তিনি যথাসময়ে ঠিকই ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন।

একইভাবে আমরা লক্ষ্য করছি, গত নভেম্বের মার্কিন সহায়তায় তুরস্কের হাতে রুশ জেট ভূপাতিত ও রুশ পাইলট নিহত হওয়ার সূত্র ধরে রাশিয়ার প্রতি তীব্র বিরুদ্ধতা প্রকাশ করার পরও, তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গত মাসে হঠাৎ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে ক্ষমা চেয়ে অল্পদিনের মধ্যেই মার্কিন-বিরোধী কথাবার্তা শুরু করে দিয়েছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বের ঘটনাপ্রবাহ পাঠের প্রেক্ষিতে বর্তমান ঘটনাসমূহ বিবেচনা করে আমার কাছে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে অতি-সম্ভাবনাময় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘নব্য হিটলার’ বলেই মনে হয়। আর, সে-কারণে তুরস্কে সংঘটিত তথাকথিত ক্যু দে’তা সম্পর্কে তার প্রদত্ত ভাষ্য সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বাস করতে পারি না।

১৮ জুলাই, ২০১৬; লন্ডন, ইংল্যান্ড

মাসুদ রানালন্ডন-প্রবাসী শিক্ষক

৯৬ Responses -- “তুরস্কে ক্যু দে’তা ও নব্য হিটলারের উত্থান প্রসঙ্গে”

  1. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    হায় রে মানুষ! যে যুক্তি তিনি দেখিয়েছেন তাতে তো শেখ হাসিনাও হিটলার (BDR হামলা)!আসল কথা একটাই মুক্তমনা হতে হলে ইসলাম বা এর সংশ্লিস্ট মানুষদের গালি দিতেই হবে। এরদোয়ানের বাস্তব জীবনে ভুল ধরতে না পেরে উনি কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন। কল্পনা করা ভালো কথা। কিন্তু সেটা পত্রিকায় প্রকাশ করা কতটুক যৌক্তিক?

    Reply
  2. তারেক

    যার (এরদোয়ানের) ডাকে মাঝ রাতে বৃদ্ধা, শিশুদের নিয়ে তুর্কি জনগণ রাস্তায় নেমে আসে, তাকে অপমান করা হয়েছে

    Reply
    • শামিম

      মওদুদীর অনুসারী তো। জামায়াত কোনো প্রোগ্রামের আওয়াজ দিলে তাদের সব আণ্ডাবাচ্চা একসাথে ঝাঁপাইয়া পড়ে না? এটা জনগণের মতের প্রতিফলন না।

      Reply
  3. Md.Tareq

    আপনাকে আরও চিন্তা করে লেখা উচিত ছিল। এরদোয়ানের ডাকে মাঝরাতে বৃদ্ধা, শিশুদের নিয়ে তুর্কি জনগণের রাস্তায় নেমে আসা অগ্রাহ্য করে পরোক্ষভাবে জনগণের ইচ্ছার অপমান করেছেন!!!

    Reply
    • প্রদীপ

      যে সৈনিকটি রাশিয়ার বিমান ভুপাতিত করেছে, সে কি দেশদ্রোহী? পুতিনের সন্তুষ্টির জন্যে এরদোয়ান তার বিচারের ব্যবস্থা করেছে। তাহলে এরদোয়ানের ক্ষমতায় থাকার মাজেজা যে স্রেফ জনগণ নয়, এটি তার প্রমাণ। ইরান আর রাশিয়াকে নিয়ে এরদোয়ান শক্তিশালী হতে চাচ্ছেন। কারণ, ন্যাটো আর আমেরিকার উপর ভরসা নেই। ইরাক সিরিয়ার মতো আরেকটি ফ্রন্ট হয়তো খুলতে যাচ্ছে। আমেরিকা সাদ্দাম, গাদাফিকে উৎখাত করেছে। বাশার আল আসাদকে উৎখাত করতে চায়, এর পর কাকে ধরবে? সুলতান কে? একটু মাথা খাঁটান…

      Reply
  4. Dipu Haque

    হিটলার ক্ষমতায় এসেছিলেন ১৯৩৩ সালে এবং রাইখস্ট্যাগের আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছিল ১৯৩৩ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারিতে, ১৯৩০ সালে নয়।

    Reply
  5. রিয়াজ

    ভাই আর কত কমিউনিস্ট-এর দালালী করবেন?

    ফালতু পোষ্ট, পড়ে সময় নষ্ট করলাম।

    Reply
  6. লতিফ

    বাংলাদেশের ব্যর্থ ক্যু-গুলোর সাথে মিল আছে। ফলাফল একই। এখানে প্রতিটা ব্যর্থ (অথবা নাটক) ক্যুর পরে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী থেকে বেছে বেছে মুক্তিযোদ্ধাদের অপসারণ অথবা হত্যা করা হয়েছিল। তুরষ্কে বহিষ্কার অথবা হত্যা করা হচ্ছে এরদোয়ান বিরোধীদের (আসলে তারা আই্এসবিরোধী), তবে তা সেনাবাহিনীতে সীমাবদ্ধ নেই; বিচারক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, স্কুলশিক্ষক, পুলিশ সর্বত্র এরদোয়ান তার কালো হাত সম্প্রসারিত করেছে। ন্যায়বিচার সেখানে চুলোয় উঠেছে। আর এসব করা হচ্ছে গণতন্ত্র এবং ইসলামের নামে।

    Reply
  7. লতিফ

    তুরষ্কের ব্যর্থ ক্যুর (!) ফলাফল
    …………………………………….
    ২১,০০০ বেসরকারি স্কুল-শিক্ষক বহিষ্কার (মানে শিক্ষকতার লাইসেন্স বাতিল)
    ১৫,০০০ সরকারি স্কুল-শিক্ষক ও কর্মচারী বহিষ্কার
    ১,৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন বহিষ্কার
    ৬,০০০ সেনা কর্মকর্তা বহিষ্কার
    ৯,০০০ পুলিশ কর্মকর্তা বহিষ্কার
    ৩,০০০ বিচারক বহিষ্কার
    ২৪ টি বেসরকারি টিভি ও রেডিওর লাইসেন্স বাতিল

    কিসের তদন্ত, কিসের কী! অথবা তালিকা আগেই করা ছিল, শুধু ক্যুর নাটক ঘটিয়ে তা কার্যকর করা হলো।

    Reply
  8. শামীম

    এরদোগানকে আমি পছন্দ করি না।
    আবার সামরিক অভ্যুত্থানকেও সমর্থন করা যায় না কোনো যুক্তিতেই।

    Reply
  9. আয়াত

    এসব পোস্ট মানতে পারলাম না।।।
    হিটলারের সাথে এরদোয়ানের তুলনা,,,ছি:।

    Reply
  10. Mamun

    বেশ ভালো লাগলো লেখাটা! কিন্তু সমস্যা হলো এই দেশে হিটলারেরও প্রচুর ভক্ত আছে। কারণ সে নির্বিচারে ইহুদীদের হত্যা করেছিল! এই অনুভূতিশীল ভণ্ড মুসলিমদের কাছে ফিলিস্তিনের হত্যায় Save Gaza হ্যাশট্যাগ এলেও তাঁদের মানবতা কেবল অবস্থাদৃষ্টে বর্তমান হয়! এরা গণতন্ত্র বুঝে কেবল যেসব দেশে তারা সংখ্যালঘু সেসব দেশে, সংখ্যাগরিষ্ট হওয়া মাত্র এদের মনে শরীয়ার স্বপ্ন জাগে! এই হিংসা নিয়েই IS-এ যোগ দেয় দলে দলে আর পরে বলে সব মোসাদ আর ইহুদীদের ষড়যন্ত্র আর তারা দুধের শিশু! IS-এর প্রত্যক্ষ মদদদাতা এরদোগানের প্রতি তাঁদের সমর্থন অথচ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যারা IS-এ যোগ দিয়েছে তারা তুরস্ক হয়েই সেখানে গেছে। IS-এর লুটের মাল এই তুরস্কতেই কেনা হয়েছে আর যখন IS এখন নিজেদের কাঁধে এসে পরেছে তখন তারা সব ষড়যন্ত্রের স্বীকার! সত্যি তো হলো অধিকাংশ মুসলিমের ভিতরে একেকজন IS-এর বাস, তাই IS এত দ্রুত আগুনের মতো ছড়িয়ে পরতে পেরেছে। ধর্ম নামক ভাইরাসে আক্রান্ত এই জাতি কি বুঝে গণতন্ত্রের মূল্য। ধর্মের দোহাই দিয়ে গাঁধাও এদের চালাতে পারে সহজেই। তবে এরদোগান যতই উড়ুক…ইন পুতিন আই ট্রাস্ট…

    Reply
    • রায়হানুল ইসলাম

      এটা মতামত বা অভিমত লেখার কলাম, যে কেউ স্বাধীনভাবে লিখতে পারেন – – লেখকের বক্তব্য “কোট” করে আপত্তি লিখুন – – সরাসরি আক্রমন করে আপনার চারিত্রিক দৈন্যতা ফুটিয়ে তুলছেন কেন ?

      Reply
  11. Dr. Muhammed Idris Bhuiyan

    Comments and opinions should come up on logical proposition only, not providing low level discourse of so much ego, anger & jealousy or criticizing the writer too quickly.
    It is not the question of left or right. In the strong hold of democracy arresting judges and police officers in the first place is definitely alarming…

    Reply
  12. সিম্পল গার্ল

    আমি সবসময় একটি বিষয় বলে থাকি, মুসলিম দেশে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ মানে ইসলাম বিরোধিতা। তার প্রমাণ আবারও পাওয়া গেল তুরস্কের ঘটনায়। আমাদের দেশের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা তুরস্কে ক্যু সফল না হওয়ায় খুবই কষ্ট পেয়েছে। যেমনটি তারা আনন্দিত হয়েছিল মিসরে সফল হওয়ায়। অথচ মিসর ও তুরস্ক উভয় দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ছিল। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা গণতন্ত্র মানে বোঝে শুধু তাদের মতোই সব চলবে। অন্য কারো, বিশেষ করে, মুসলিম বা ইসলামের কোনো মত বা পছন্দ সেখানে চলবে না। এ কারণে এরদোয়ানের মতো আধুনিক মুসলিম নেতাকেও তারা পছন্দ করছে না। তার মতো প্রগতিশীল মানুষের বিপরীতে তারা সামরিক শাসনকে পছন্দ করছে। যেমনটি করেছে মিসরে।

    এসব বাস্তবে আবারো প্রমাণ করে– ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা কথায় যা বলে– ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয় আসলে হলো ইসলামহীনতা। ইসলামের সামান্য ছোঁয়া আছে বলে তারা এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক শাসনের মতো চরম অগণতান্ত্রিক শক্তিকেও স্বাগত জানাতে কুণ্ঠিত হচ্ছে না। অথচ ওরা মিয়ানমারের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলত, বাংলাদেশে সংবিধানে যোগ করেছে সামরিক শাসন জারি তো দূরে থাক, তার চেষ্ঠা করাও হবে ফাঁসি দেওয়ার মতো অপরাধ। আর তুরস্কের ক্ষেত্রে ওরা সামরিক শাসন আসেনি কেন সেটা নিয়ে খুবই মন খারাপ। তার কারণ তুরস্কের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ইসলামকে কিছুটা পছন্দ করে।

    এটিই হলো বাস্তবে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের চরিত্র।

    Reply
    • রায়হানুল ইসলাম

      আর তুরস্ক? এই রাষ্ট্র শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিজেদের ধর্ম নিরপেক্ষ দাবি করে আর আমেরিকার দালালি করে। এখন নিজেদের ইসলামি চেতনাধারী দাবি করছে অথচ জেহাদের বিকৃত ব্যাখ্যাকারী ইহুদী প্রভাবিত শয়তানদের মদদ দিচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবাধে খুনী-ধর্ষকদের পার করে দিচ্ছে, লুটের মাল কিনে নিচ্ছে, যা দিয়ে খুনীগুলো টিকে আছে। আর ইসলামমতে, কোরআন শরীফের সুস্পষ্ট নির্দেশ হচ্ছে ধর্মে জোরজবরদস্তি নেই, শান্তিতে প্রচার করতে হবে এবং ধাপে ধাপে জেহাদ করতে হবে–

      প্রথম ধাপ: নফস তথা লোভ-লালসা ত্যাগ করা এবং আত্মশুদ্ধি অর্জন করা, যেমন রোজা রাখা (একটি উদাহরণ, আরও শত শত হতে পারে)। রোজা রাখতে আল্লাহ্‌ কি বলপ্রয়োগ করতে বলেছেন?

      দ্বিতীয় ধাপ: অজ্ঞানতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে সবকিছু জানার চেষ্টা করা এবং সেভাবে চলা– যতই কষ্ট হোক।

      তৃতীয় ধাপ: রীতিনীতি মেনে অধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা, কেউ তৃতীয় ধাপের জেহাদ বা ধর্মযুদ্ধ করতে চাইলে তাকে অবশ্যই প্রথম দুইটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে এবং নিরীহ-নিষ্পাপদের রক্ষা করতে হবে (কোরআন শরীফে পরিষ্কারভাবে এই দায়িত্ব যোদ্ধাদের দেওয়া হয়েছে)।

      আসুন, আমরা নিজেকে নিজে প্রশ্ন করি আমরা কোন ধাপে আছি?

      Reply
      • সাজ্জাদ আলী খান

        আমি নিজে এবং আমার মতো অনেক বাঙ্গালি মুসলমান একইসাথে প্রথম দুইটি সংগ্রাম বা জেহাদ করে চলেছি। আর আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি: প্রথম দুইটি ধাপ অতিক্রম করার আগে তৃতীয় ধাপে কাজ করা প্রায় অসম্ভব এবং যদি তৃতীয় ধাপের কোনো কাজ করতে গিয়ে কারো উপর জুলুম করি বা নিরীহ মানুষকে খুন-জখম করি তাহলে মহান আল্লাহ্‌ আমাকে কঠিনতম শাস্তি দিতেই পারেন…

    • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      রাশিয়া, আমেরিকা, ইরান আর ন্যাটো, কারো না কারো আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে থাকতে হচ্ছে এই সুলতানকে। বাস্তবতা মানুষ মানতে চায় না, কারণ সে সবকিছুকে ফ্যান্টাসাইজ করতে ভালবাসে। এরকম যৌক্তিক একটা লেখাকে খারিজ করে দিচ্ছি, কারণ এরদোয়ান আমাদের যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে সাফাই গেয়েছে। সেটাই আমাদের বড় প্রাপ্তি এবং তাই তিনি আমাদের হিরো! এই হচ্ছে আমাদের আসল পরিচয়! দেশের খাই দাই আর দেশবিরোধীদের গান গাই।

      Reply
  13. রফিকুল হাসান খান

    অনেকে অনেক মন্তব্য করেছেন, কিন্তু সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেনঃ

    ১- আইএস-এ যোগদানের জন্য এই তুরস্কই সীমান্তে ‘বিশেষ’ ব্যবস্থা রেখেছে যদিও (অজস্র খুন-ধর্ষণ করে তার জন্য ইসলামের দুর্নাম ছড়ানোর ফলে আইএস গ্রহণযোগ্যতা হারানোর ফলে) মুখে এরদোয়ান সরকার আইএস-বিরোধী

    ২- ন্যাটোর বিশ্বস্ত সদস্য তুরস্ক বা এরদোয়ান মূলতঃ ইহুদী-মার্কিন গংদের অনুচর

    ৩- আইএস কর্তৃক চোরাই-লুটের মাল (তেলসহ) তুরস্কের ব্যবসায়ীরা এরদোয়ান সরকারের সম্মতি-সহায়তায় কেনে, যা দিয়ে ইহুদী-মার্কিন শয়তানগুলো আইএস-কে টিকিয়ে রাখতে চায় যতদিন সম্ভব। কারণ, এই আইএস ইসলামের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এবং মুসলমানের হাতে মুসলমানের (বা নিরস্ত্র নিরীহ মানুষের) রক্ত ঝরাতে বড় ভূমিকা রাখছে

    ৪- আমেরিকা নিজে ওকালতি করেও যখন বাংলাদেশের খুনী-ধর্ষক জামাতীদের বাচাতে পারল না তখন পাকিস্তানের পর তুরস্কই একমাত্র দেশ যারা ফাসীর দন্ডপ্রাপ্ত খুনী-ধর্ষক জামাতীদের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলেছিল

    Reply
  14. ইমরান হাসান

    লেখক এরদোয়ানকে হিটলার বানাতে এরদোয়ানের কতগুলো উক্তিকে খণ্ডিতভাবে একস্থানে জমা বৃহৎ মিথ্যের এক পসার জমা করলেন।
    লেখক এরদোয়ানের ডাকে মাঝরাতে বৃদ্ধা, শিশুদের নিয়ে তুর্কি জনগণকে রাস্তায় নেমে আসাকে অগ্রাহ্য করে পরোক্ষভাবে তুর্কি জনগণকেই অপমান করেছেন।
    লেখকের অতিমাত্রায় পুতিন-ভক্তির কারণে এরদোয়ানের ক্ষমা চাওয়াকে তাঁর নিচুতা এবং একজন খুনী পুতিনকে মহান বানানোর অপচেষ্টা করেছেন অনাগত বিশ্বযুদ্ধের হুমকির কথা বলে সত্যের সাথে মিথ্যেকে মিশিয়ে।
    লেখকের লেখায়, তুর্কি জনগণ এবং তাদের অবিসংবাদিত নেতা এরদোয়ান তার অতিমাত্রায় ঘৃণার এবং হিংসার শিকার হয়েছে।
    সবকিছু বিবেচনা করে এই লেখাকে অপরিণত চিন্তকের চিন্তার ফসল হিসেবে কিংবা একজন হিংসুকের হিংসা হিসেবে দেখার চাইতে আর অন্যকিছু দেখা যাচ্ছে না।

    Reply
    • Shamsul Alam

      Thank you Mr Imran for your comment about the above article. Writer is a fan of autocracy/militocracy, not democracy; he proved in his write up. It’s enough.

      Reply
    • জিয়া

      সুন্দর বলেছেন। নিজেকে বড় পণ্ডিত মনে করেন, এটা লেখা না অন্য কিছু?

      Reply
    • Sarkar

      অনেকে অনেক মন্তব্য করেছেন, কিন্তু সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেনঃ

      ১- আইএস-এ যোগদানের জন্য এই তুরস্কই সীমান্তে ‘বিশেষ’ ব্যবস্থা রেখেছে যদিও (অজস্র খুন-ধর্ষণ করে তার জন্য ইসলামের দুর্নাম ছড়ানোর ফলে আইএস গ্রহণযোগ্যতা হারানোর ফলে) মুখে এরদোয়ান সরকার আইএস-বিরোধী

      ২- ন্যাটোর বিশ্বস্ত সদস্য তুরস্ক বা এরদোয়ান মূলতঃ ইহুদী-মার্কিন গংদের অনুচর

      ৩- আইএস কর্তৃক চোরাই-লুটের মাল (তেলসহ) তুরস্কের ব্যবসায়ীরা এরদোয়ান সরকারের সম্মতি-সহায়তায় কেনে, যা দিয়ে ইহুদী-মার্কিন শয়তানগুলো আইএস-কে টিকিয়ে রাখতে চায় যতদিন সম্ভব। কারণ, এই আইএস ইসলামের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এবং মুসলমানের হাতে মুসলমানের (বা নিরস্ত্র নিরীহ মানুষের) রক্ত ঝরাতে বড় ভূমিকা রাখছে

      ৪- আমেরিকা নিজে ওকালতি করেও যখন বাংলাদেশের খুনী-ধর্ষক জামাতীদের বাচাতে পারল না তখন পাকিস্তানের পর তুরস্কই একমাত্র দেশ যারা ফাঁসি দণ্ডপ্রাপ্ত খুনী-ধর্ষক জামাতীদের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলেছিল

      Reply
    • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      জনাব, আপনি কি তুরস্কে এখন গণতন্ত্র সংরক্ষিত হয়েছে বলে বুঝাতে চাচ্ছেন? যে লোক ২,৭৪৫ জন বিচারপতিকে আপসারন করতে পারেন কোনো আইনকানুন ছাড়া, তিনি গণতন্ত্রের ধারক? এ দেশীয় এরদোয়ানপ্রেমীরা একটু বিবেচনা করেন? জার্মানির পার্লামেন্টে হিটলারের দেওয়া আগুনকে সে ‘স্বর্গের আলো’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, আর সেনাবাহিনীকে পরিস্কার করার জন্যে এই ক্যুকে এরদোয়ান বলছেন ‘এক্ট অব গড’। স্পষ্টত তুরস্কে আইনের শাসন নেই। গণতন্ত্র নেই। মানবাধিকার নেই। সংবিধানের প্রকৃত কার্যকারিতা নেই। কারণ, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন না। এটা এরদোয়ানের নিজের ভাষ্য, যা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।

      Reply
  15. কায়সার

    এরদোগান অবশ্যই জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত, যেমনটা নির্বাচিত হয়েছিলেন মিসরের মুরসি। এই জনগণ হলো ধর্মীয় অনুভূতিতে বুদ হয়ে যাওয়া জনগণ, তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছে দেশ থেকে গণতন্ত্র চিরতরে বিদায় করে দেওয়ার জন্যেই। তারা দেশে শরিয়া বিধান চায়, চায় ইসলামী শাসন। শরিয়া বিধান কোনো গনতন্ত্রকে সমর্থন করে না। মুসলিম জনগণ সেই শাসনই চায়, তারা গণতন্ত্র চায় না…

    Reply
    • জিয়া

      মাসুদ রানা সাহেব, আপনি দেশে এসে দেখে যান আমরা কী রকম সুখে আছি! আপনার কথায় কিছুটা আঁচ করতে পারছি…

      Reply
    • রফিক হারীরী

      এরদোগান সফল হওয়ায় আমেরিকা-ইসরাঈলের মতো অনেক ইসলাম বিদ্বেষীর গা জ্বলছে!
      বাট কিচ্ছু করার নাই মামু! সহো! !!

      Reply
  16. মনিরুজজামান

    মাসুদ সাহেব বেশ সুন্দর স্বপ্ন দেখেন। বিংশ শতাব্দিতে উনি বাংলায় সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে উনি জানেন না যে ঐ বস্তাপঁচা থিওরি এখন আর চলে না। যে সোভিয়েত রাশিয়ার শ্রমজীবী মানুষ ঈশ্বরকে লাথি মেরে আকাশ থেকে ফেলার দাবি করত, তারাই এখন আস্তাকুঁড়ে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। উনি এ জন্য ধর্মীয় রাজনিতি এবং যারা তা করে কাউকেই সহ্য করতে পারেন না। তারা সবাই হিটলার। আমার প্রশ্ন তাহলে উনি কি?

    Reply
  17. নাহিদ

    আমেরিকার জায়গা দিয়েছেন উনি বা উনার দেশ, তাই মুসলিম নেতা এরদোয়ানের বলা যায় না। আইএস তৈরিতে তার দেশ ও আমেরিকা দায়ী।

    Reply
  18. নাহিদ

    আমেরিকার জায়গা দিয়েছেন উনি বা উনার দেশ, তাই মুসলিম নেতা এরদোয়ানের বলা যায় না। দুই আইএস-এর চোরাই তেল কেনাবেচা তার দেশের মাধ্যমে হয়ে থাকে। আমেরিকার গোলাম এই এরদোয়ান।

    Reply
  19. MD SHAKHAWAD HOSSAIN

    আমার তো মনে হয় এটা যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ-এর কাজ। দেখুন আগামী কয়েক বছর পর কোনো ফাঁস হওয়া দলিলে এটা প্রকাশ পাবে। মধ্যপ্রচ্যের প্রত্যেকটা সংকটের জন্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইল দায়ী।

    Reply
  20. জোবায়ের

    অনেকের কমেন্ট পড়ে মনে হলো লেখার সারমর্ম না বুঝেই এরদোগানের প্রতি আনুগত্যসুলভ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। পড়লাম। কোথাও তো পেলাম না লেখক এই ঘটনার রায় দিয়েছেন। যেটা আমার মনে হয়েছে, লেখক শুধু সম্ভাবনার কথা বলছেন। এখানে ব্যক্তি আক্রমনের কোনো কারণ আছে কি? দ্বিমত থাকতেই পারে। আমারও আছে। তাই বলে রূঢ় ভাষায় দ্বিমত পোষন করতে হবে কেন?

    Reply
  21. md iqbal hossain

    ছিঃ! ঘৃণা হচ্ছে এমন মিথ্যাবাদী লোকদের জন্য যারা সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকতে চায় ৷ আর এমন বাজে লোকের মিথ্যাচার কী করে পত্রিকায় স্থান পায়? হিটলারের সাথে তুরস্কের জনগণের প্রাণের নেতার তুলনাও করলেন যার জন্য তারা জীবন বাজি রেখে ট্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে অভ্যুত্থানকে ব্যার্থ করে দিল ৷ আপনি কি পারবেন এ রকম ত্যাগ করতে আপনার নেতার জন্য? আপনাদের মতো কিছু আনাড়ি লেখক আছে যারা ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের দালাল ৷ লেখাতে কোনো কাজের কথা না থাকলেও ইহুদীবাদীদের কাছে পুরস্কৃত হবেন আর স্বজাতির কাছে তিরস্কার ৷

    Reply
    • Sarkar

      Mr Iqbal, এই ইসলাম সেবক এরদোয়ান আসলে আইএসের গডফাদার, তিনি প্রকৃতপক্ষে পশ্চিমা ও আমেরিকানদের দালাল…

      Reply
  22. Abdullahil Amaan Azmi

    লেখকের লেখায় এটা স্পষ্ট যে, তিনি এরদোগানবিরোধী। বিরোধীতা করতে চাইলে যুক্তির অভাব হয় না। তিনি অনেক যুক্তির অবতারণা করেছেন, কিন্তু তার অনেক বক্তব্যই সঠিক নয়। তিনি বলেছেন, “ক্যু-অভ্যাস বাংলাদেশের নেহাৎ কম নয়। কোনো ক্যু দে’তাই ব্যক্তি-বিশেষ কর্তৃক রাষ্ট্র-ক্ষমতা অধিকার করার দাবি ছাড়া সংঘটিত হয়নি।” ১৯৯৬ সালের ২০ মে বাংলাদেশে যে “অভ্যুত্থান” চেষ্টা হয়েছিল, সেসময়ে কি কেউ “রাষ্ট্র-ক্ষমতা” অধিকার করার দাবী করেছিল? তিনি আরো বলেছেন, “প্রশ্ন হচ্ছে ক্যু দে’তায় কাকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হয়েছিল? তার কাছ থেকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত করা কিংবা নিয়ে নেওয়া হয়েছিল?” বাংলাদেশে ১৯৮১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার পর যারা ক্যু করেছিল তারা কি কাউকে রাষ্ট্র-ক্ষমতা ন্যস্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল? এভাবে লাইন বাই লাইন তার আরো অনেক বক্তব্য খণ্ডন করা যায়। কেবল দুটা উদাহরণই তার বক্তব্যের অসারতা প্রমাণে যথেষ্ট মনে করে আর উদাহরণ দিতে চাই না। আসলে বাংলাদেশের একশ্রেণির মানুষ এই ক্যু ব্যর্থ হওয়ায় হতাশ হয়েছেন। তাদের পরিচয় সকল সচেতন দেশবাসী জানেন। তারা এরদোগানকে হিটলার আখ্যায়িত করতে চাইলে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।

    Reply
  23. a.udddin

    আমার মনে হয়, আপনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য আরো ভালো করে জানা দরকার।
    আপনি এরদোগানের সম্পর্কে কিছুই জানেন না, যার জন্য এরকম মন্তব্য করতে পারলেন।

    Reply
  24. Imtiaz Ahmed

    এই ক্যু কট্টর এরদোয়ানকে অারো কট্টর হতে সাহায্য করেছে। যার অালামত দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।

    Reply
  25. ইসলামে সন্ত্রাসীবাদ নেই

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, এই ধরনের ফালতু পোষ্ট রিমুভ করুন, এরদোয়ান নব্য হিটলার! আবার এই পোষ্টে ইঙ্গিত করেছে যে এরদোয়ানই এই অভ্যুন্থান ঘটিয়েছে! এসব ভিত্তিহীন কথা হাসির খোরাক হচ্ছে…

    Reply
  26. শহিদুল

    যে অভিযোগ তুরস্কের কোনো বিরোধী দল করল না, এরদোয়ানেরে ডাকে রাস্তায় এত জনতা, তারা বুঝল না, যুক্তরাস্ট্র থেকে বুঝলেন গুলেন আর লন্ডন থেকে বুঝলেন লেখক৷ লেখকের মানসিকতাটা অন্তত পরিস্কার বোঝা গেল!

    Reply
    • Sarkar

      উনি একনায়কতন্ত্র কাযেম করেছেন, কার সাধ্য আছে উনার বিরুদ্ধে কিছু বলার?

      Reply
    • শামিম

      কোন বিরোধী দল করবে? কত নিরীহ মানুষ যারা এই ক্যুয়ের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত না, তাদের যেখানে ফাঁসাচ্ছে সেখানে কে তার বিরুদ্ধে কথা বলবে?

      Reply
  27. ইসলামে সন্ত্রাসীবাদ নেই

    এডমিন বামপন্থি তো, আর এ ধরনের লোকদের কাজই হলো সত্যকে মিথ্যা, আর মিথ্যা সত্য বানানো, এরদোয়ান যদি বামপন্থি হতেন, তাহলে এডমিনের কাছ থেকে এরদোয়ানের প্রশংসা পেতাম। আর বিচারকরা ওই অভ্যুথানে পক্ষের, পরবর্তিতে তারা আবার এ ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে তাই এরদোয়ান এদের বরখাস্ত করেছে, আর এটিই সঠিক সিদ্ধান্ত।

    Reply
  28. md iqbal

    লেখককে তিরস্কার জানাই এ রকম বিভ্রান্তিমূলক মতামত লেখার জন্য ৷

    Reply
  29. নিয়ামাতঊল্লাহ

    এই লেখক একজন উদ্ভট বামপন্থী তাত্ত্বিক। ক্যু চলাকালীন কেউ দাবীদার থাকে না, যখন পরিস্থিতি জান্তার নিয়ন্ত্রণে আসে তখনই ঘোষণা আসে। উনি আবার সরাসরি বলতে চান না যে এরদোগান নিজেই এটা করছেন। অদ্ভুত এনালজি! তার কাছে আমার প্রশ্ন, তুরস্কে যে চারটা ক্যু হয়েছে তাতে কারা জড়িত ছিল, সেগুলো সফল ছিল কেন? এবার কেন বিফল হলো? হিটলার আর এরদোগানকে এক করে যে সরল রেখা টেনেছেন এই ‘পিল’ শাহাবাগে দারুন পপুলার হবে। কেননা, তারা একটু হতাশায় ভুগছে। এরদোগানের বিজয় ন্যাটো, ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র, রাম ও বামপন্থীর সাথে শাহবাগীরা নিদারুণ দুঃখ পেয়েছে। তাই লেখক হতাশা থেকে ভারসাম্যহীন হয়েছেন।

    Reply
    • R. Masud

      প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তুরস্কে যে চারটা ক্যু হয়েছে তাতে কারা জড়িত ছিল, সেগুলো সফল ছিল কেন? এবার কেন বিফল হলো?
      এখানেই তো জবাব লুকিয়ে আছে ভায়া-
      সত্যিকারের ক্যু হলে তো, যেখানে তিন সফল ছিল, তাহলে চারবারের বারও সফল হবারই কথা। কেন হলো না? জবাব, এরদোয়ানের সাজানো ক্যু, নয় কি?

      Reply
  30. Saiful

    যেখানে সরকারি দল ও বিরোধী দল একসাথে মিলেমিশে বিদ্রোহ দমন করেছে, সেখানে লেখক কি বোঝাতে চেয়েছেন। ফালতু লেখা…

    Reply
  31. R. Masud

    জনাব জুনাঈদ, AL Jahan, পারভেজ গং, আপনাদের অনেক জ্ঞ্যান আছে তা মানি। সেই জ্ঞ্যান দিয়ে খণ্ডান তো দেখি এ কথাগুলো–
    যেমন হিটলার আর এরদোয়ানের তুলনা; এরদোয়ান কে এমন ফেরেশতা ভাবার কারণ আছে কি?
    বাঙ্গালি হলে তো এরদোয়ান নামটার মুখে আনার পর কুলি করা উচিৎ! বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে এই দানবের নগ্ন হস্তক্ষেপের কথা আপনাদের মতো জ্ঞ্যানীদের জানা থাকা উচিৎ। নাকি আপনারা ঐ দলের?
    এরদোয়ানকে সন্দেহ করার একটা কারণেই যথেষ্ট, তা হলো, ২৫০০ বিচারক, ৮০০০ পুলিশ চাকুরিচ্যুত করাটার বিষয়টি; জবাব আছে কি আপনাদের কাছে? ক্যু হওয়ার পর এই ধরনের ব্যপার ঘটেছে কোথাও?
    চরম শয়তান জনসাধারণকে অল্পতেই ভুল বোঝাতে পারে, যেমন বুশ আর ব্লেয়ার পেরেছিল সারা দুনিয়ার জনসাধারণকে।
    তাই বলে তা চাপা থাকেনি– অমন আটঘাঁট বেঁধে নেমেও পাপ চাপা দেওয়া যায়নি, হয়তো বা সময় লেগেছিল ১২ বছর পাপ বের হতে।
    গুলেন-এর অভিযোগ যদি সত্যি হয় তা ২ মাসেই বের হতে পারে–তাই বলছি, সত্যিটা বেরিয়ে আসতেও পারে।
    আসুন না আর একটু অপেক্ষা করি। তারপরই না হয় বগল চাপড়াবেন!!

    Reply
  32. নবীউল করিম

    অমন ডিক্টেটর তো ভালো, যার জন্য তার দেশের সাধারণ জনগণ জান দিয়ে দেয় শয়ে শয়ে, বৃদ্ধারা লাঠি হাতে পাহারাদার হয়ে যায় মাঝরাতে, তরুণরা অন্ধকার রাতে ট্যাংকের সামনে শুয়ে পরে! আপনি জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সব দেশের কোন বা কটা শাসককে এর চেয়ে ভালো ডিক্টেটর বলবেন? শাসক তো জনগণের জন্য, জনগণ যদি সুখী হয় তবে অন্যের এত চুলকায় কেন? কারণ একটাই… আসলে সবাই ভেকধারী…নিজের আইডিওলজি বা স্বার্থের বা মাইন্ড সেট-আপ বা পছন্দ-অপছন্দের বাইরে সবকিছুই পরিত্যাজ্য। এ জন্যই বোধ হয় এই কথাগুলো:
    “নিচু ও স্বার্থপর লোকেরা অন্যকে কষ্ট দিতে হাতিয়ার হিসেবে অশ্লীল বাক্য ও অপবাদকে ব্যবহার করে।”
    –এডগার এলান পো।

    “অক্ষমের সর্বশেষ অস্ত্র পরনিন্দা।”
    –হযরত আলী (রা:)
    দুর্জনের কথায় প্রভাবিত হবেন না। ঐ দেশের মানুষ যাতে খুশী তাতেই সবার খুশী হওয়া উচিৎ।

    Reply
  33. Mohan

    দেখুন, সাজানো কোনো অভ্যুথান এত নিখুঁতভাবে সম্ভব নয়। অভ্যুথান হয়েছে, ইস্তাম্বুল এবং আঙ্কারা শহরে, সেনাবাহিনীর প্রায় তিনটি গ্যারিসন এতে সায় দেয়, ঠিক সেসময় এরদোগান মারমারা শহরে ছিলেন, যেটি গ্রিসের সীমান্তবর্তী একটি শহর। শুরু থেকেই এই অভ্যুথানে সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভক্তি ছিল। এরদোয়ান যখন কামাল আতাতুর্ক এয়ারপোর্ট ইস্তাম্বুলে আসে তত ক্ষণে বিদ্রোহ অনেকটাই জনগণের নিয়ন্ত্রণে, তারপরও এরদোয়ানের হোটেল ত্যাগ করার ঠিক ৪০ মিনিট পরেই বিদ্রোহী সেনাদের একটি দল মারমারা শহরে এরদোয়ানের অবকাশযাপনের হোটেলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। যেখানে জনগণের ব্যাপক সাপোর্ট থাকে, এবং প্রায় ৩০০ বিদ্রোহী, পুলিশ অফিসার, জনগণ মারা যায়, সেখানে এটা পূর্বপরিকল্পিত হওয়া অসম্ভব। আর অভ্যুথান দমনের পর যখন ব্যাপক হারে গণগ্রেপ্তার হয় তখনই পূর্বপরিকল্পিত কথাটি এসেছে পশ্চিমা মিডিয়ার মাধ্যমে। এটা ঠিক যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তারা সবাই অভ্যুথানে জড়িত না, তবে তারা গুলেন মুভমেন্টের চিহ্নিত ব্যক্তি, মনে হয় না সবাইকে শাস্তি দিবে, তদন্তের পর হয়তো অনেককে ছেড়ে দিবে।

    Reply
  34. ফারুক হোসেন

    হাতির মামা ভম্বলদাস কাহিনী হুনসো বেটা ফাজিল… আপনি হচ্ছেন তাই…!

    Reply
  35. M.Maksud

    আমার মনে হয় এই লেখক একজন কমিউনিষ্ট । নাহয় তিনি একজন ইসলামী নেতার বিরুদ্ধে এধরনের কথা কেন বলছেন

    Reply
  36. the rock

    কিসের মধ্যে কী, পান্তা ভাতে ঘি!
    লেখক যে বিশাল বুজুর্গ তা তার লেখা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। ঘোড়ার ডিম।

    Reply
  37. Al Jasan

    তুর্কী প্রেসিডেন্ট এদোয়ান বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থনে আমাদের বিচার বিভাগের উপর অশ্রদ্ধা জানিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির পর তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত দৃষ্টিকটু এবং মৌলবাদ ঘেঁষা। অথচ তিনিই এখন হাজার হাজার বিদ্রোহীকে ফাঁসিতে ঝুলানোর পাঁয়তারা করছেন। তাঁর বর্তমান আচরণ হিটলার-মুসোলিনিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। কোনো তদন্ত ছাড়াই হাজার হাজার বিচারক, সৈনিক ও পুলিশকে আটক/বরখাস্ত করার মধ্য দিয়ে বর্তমান আইএস-এর হিংস্রাই সামনে আসে। অতি বাড় ভালো নয়। সাদ্দাম, গাদ্দাফী কেবল নিজেরা নিপাত হয়নি, মুসলিম বিশ্বকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এদোয়ান যেন সে দিকেই যাচ্ছে . . .

    Reply
  38. হাছান

    বাজে লোকের ফালতু লেখা , অল্প জানা স্বল্প বেকুব নয় , পড়ে সময়টাই নস্ট করলাম।

    Reply
  39. আবু ওবায়দা

    লেখক ইতিহাস সম্পর্কে যে অনেকটাই অসচেতন আর সম্ভবত বাম ধারার লোক তা বোঝাই যাচ্ছে।
    এটা তো ঐতিহাসিকভাবে সত্য যে উসমানীয় যুগে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শত্রু ছিল এই তুরস্ক। আর তারা ছিল মুসলিম দেশগুলো দখলে ইউরোপ বা খ্রিস্টান শক্তির একমাত্র বাধা। খিলাফত আন্দোলন, রেশমী রুমাল আন্দোলন সম্পর্কে যাঁরা জানেন তাঁরা বলতে পারবেন। আফ্রিকা, মধ্য ইউরোপ, মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য বা মুসলিম দেশগুলা, যার সংখ্যা প্রায় ৫০-এরও বেশি, দখল করা ইউরোপের জন্য অসম্ভব ছিল যদি না তুরস্ককে দুর্বল করা যায়। তাই তারা তুরস্ককে দুর্বল করে বা তুর্কী সাম্রাজ্য নিজের ভুলের কারণেই দুর্বল হয়ে যায়। ফলাফল ১৮ শতাব্দীর শেষের দিকে একে একে প্রায় সব গুণো মুসলিম দেশ দখল করে নেয়। এর প্রতিক্রিয়ার ১৮৮০-১৯৪৫ সালের মাঝে প্রায় ২০-৪০ লাখ মুসলিম নিহত হয়।

    আর এখন এরদোগান মুসলিম বিশ্বের জন্য আবার যখন তুর্কীকে সহায়কশক্তি হিসেবে নিয়ে আসার চেস্টা করছিল তখনই তা ইউরোপ, আমেরিকা বা ইসরায়েলের কাছে হয়ে উঠে মানবতাবিরোধী, ধর্মান্ধ (যদিও এরদোগান মোটেও খুব ধার্মিক না, বরং লিবারেল মুসলিম এবং ইসলাম পালনের স্বাধীনতার পক্ষে যা বামদের ক্ষুব্দ করে), স্বৈরাচারি লেবেলিং করে। অবশেষে ফেতুল্লাহ গুলেনের মতো এক চরম ইসলালের মূলধারাবিরোধী আর অনেকটাই ইহুদীপন্থী, কিন্তু আংশিক জনপ্রিয় এক ব্যাক্তির জনপ্রিয়তা বা প্রভাবকে কাজে লাগানোর চেস্টা করে। যা তারা করেছে মীর জাফর, মীরন, ইউনুস, পারভেজ মুশাররফ (পাকিস্তান), এরশাদ, মুস্তাকের মতো লোকদের দ্বারা যুগে যুগে।

    Reply
    • আবু ওবায়দা

      অনুমোদন না দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। জয়তু লিমিটেড সাংবাদিকতা।

      Reply
  40. এম হোসেইন

    গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েও কেউ চরম স্বৈরতন্ত্রকে বেছে নিতে পারেন। নিজেও অগণতান্ত্রিক হয়ে ওঠতে পারেন। তুরস্কের এরদোয়ান তার বড় প্রমাণ। চরম সাম্প্রদায়িক ও বিশ্ব সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক এই ব্যক্তি মসনদ থেকে বিদায় হলে বিশ্ব-জঙ্গি ও ইসরাইলের দাপটে কিছুটা হলেও আঘাত আসবে। আর সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপও সেই দেশের জন্য নতুন কিছু নয়। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতোই মনে হতে পারে। এই জঙ্গিনেতা বাংলাদেশের জন্যও ক্ষতিকর হিসেবে ইতোমধ্যে ঘৃণিত। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সেখানে জনবিক্ষোভ তৈরি হোক। আয়ুব ইয়াহিয়া জিয়া এরশাদ স্টাইলের ক্ষমতা দখলও কাম্য নয়…

    Reply
  41. আবু ওবায়দা

    লেখক ইতিহাস সম্পর্কে যে অনেকটাই অজ্ঞ আর সম্ভবত বামধারার লোক তা বুঝাই যাচ্ছে।
    এটা তো ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত যে ওসমানীয় যুগে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শত্রু ছিল এই তুরস্ক। আর তারা ছিল মুসলিম দেশগুলো দখলে ইউরোপ বা খ্রিস্টান শক্তির একমাত্র বাধা। খিলাফাত আন্দোলন, রেশমী রুমাল আন্দোলন সম্পর্কে যাঁরা জানেন তাঁরা বলতে পারবেন। আফ্রিকা, মধ্য ইউরোপ, মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য বা মুসলিম দেশগুলা– যার সংখ্যা প্রায় ৫০-এরও বেশি ছিল– দখল করা ইউরোপের অসম্ভব ছিল যদি না তুরস্ককে দুর্বল করা যায়। তাই তারা তুরস্ককে দুর্বল করে। আর ১৮ শতকের শেষের দিকে একে একে প্রায় সবগুলা মুসলিম দেশ দখল করে নেয়। যখন তুর্কি শক্তি শেষ হয়ে আসে।
    আর এরদোগান মুসলিম বিশ্বের জন্য আবার যখন তুর্কীকে সহায়ক শক্তি হিসেবে নিয়ে আসার চেস্টা করছিল তখনই তা ইউরোপ, আমেরিকা বা ইসরায়েল এর কাছে হয়ে উঠে মানবতাবিরোধী, ধর্মান্ধ (যদিও এরদোগান মোটেও খুব ধার্মিক না, বরং লিবারেল মুসলিম এবং ইসলাম পালনের স্বাধীনতার পক্ষে যা বামদের ক্ষুব্দ করে), স্বৈরাচারী লেবেলিং করে। অবশেষে ফেতুল্লাহ গুলেনের মতো এক চরম ইসলামী মূলধারাবিরোধী আর অনেকটাই ইহুদীপন্থী, কিন্তু আংশিক জনপ্রিয় এক ব্যাক্তির জনপ্রিয়তা বা প্রভাবকে কাজে লাগানোর চেস্টা করে, যা তারা করেছে মীর জাফর, মীরন, ইউনুস, পারভেজ মুশাররফ (পাকিস্তান), এরশাদ, মুস্তাকের মতো লোকদের দ্বারা যুগে যুগে।

    Reply
    • R. Masud

      জনাব আবু ওবায়দা,বলবেন কী অমন মডারেট এরদোয়ান কেন হাজার হাজার মুসলিমকেই মারার উদ্দ্যোগ নিচ্ছে? দশজন খ্রিষ্টান কিম্বা ঈহুদি মেরে দেখো টের পাবে।
      নিজের মুসলিম ভাইকে মারা আর নিজের ঘরের বউকে পেটানোর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
      ‘ইসলাম’, ‘ইসলাম’ বলে চীৎকার করা জঙ্গিরাই বলুন, ইসলামের আইনের জন্য গলা ফাটানো পাকিস্তান, সৌদি আরব ইত্যাদি সরকারের কথাই বলুন, সামনে থেকে মারছে মুসলিমকেই অথবা দু-একজন ভিন্নধর্মী নিরপরাধ লোককে পিছন থেকে কাপুরুষের মতো (যেমন নিসে কিম্বা গুলশানে)।
      এরদোয়ান একটা বদমাইশ আমার কাছে তখন থেকেই, যেদিন সে বাংলাদেশের অভ্যান্তরীণ ব্যাপারে নাক গলাতে এসেছে। খুব শিগ্রিই তার পতন হবে…

      Reply
  42. তুহিন হোসেন

    জনগণের সমর্থন ছিলো বলেই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে। আর গণতান্ত্রিক সরকারের সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ।

    Reply
  43. ইয়াসিন

    ওনার মাথার নাট-েবোল্টু মনে হয় ঢিলা হয়ে গেছে…
    অথবা দালালী করার জন্য এমন বিশ্লেষণ…

    Reply
  44. Palash

    যার যা মনে হয়ে লিখে দিলেই হলো.. বাঙালি হয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে সমস্যার কথা বলার চেষ্টা করেন, তা হলে দেশের জন্য ভালো। গরু পানি খায়, মুরগিও পানি খায়। তা হলে গরুও একটা মুরগি… কী দারুণ লিখেছেন ভাই!

    Reply
  45. উইল স্মিথ

    জি ঠিক বলেছেন! জনগণ যদি হিটলারকে নির্বাচিত করতে চায় তাতে কার আপত্তি? মিসরে অগণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। খুব মজা লাগছে তাই না? এসব প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা।

    Reply
  46. Al Jahan

    কী হাস্যকর লেখা! মনে হচ্ছে, এই লেখক এরদোয়ানের পতন চাইছেন। তিনি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং দেশের অধিকাংশ মানুষ তাঁকে চায়। আপনি গণতন্ত্র বলতে কী বোঝেন? জনগণের চাওয়া নাকি আপনার চাওয়া?

    Reply
    • Azam

      @Jahan, Sorry to step in. Just think twice of his notes. The writing isn’t against democracy. The writing is all about possible scenario and aspect at the back of the Turkey’s recent incident. You can think twice situation and effect. I am sure you will have lots of questions about the coup!

      Reply
  47. জুনাইদ

    কিসের মধ্যে কী, পান্তা ভাতে ঘি!
    গণতন্ত্রই যদি না থাকে তবে তাঁর (এরদোয়ান) সামান্য একটি ফোনকলে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নামল কেন?

    Reply
    • Al Jahan

      আমার মনে হচ্ছে এই লেখক গণতন্ত্র কী তা জানেন না। এরদোয়ান তাঁর দেশের জনগণের সমর্থনি নিয়েই সরকার চালাচ্ছেন, বাংলাদেশের মতো পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব দিয়ে নয়…

      Reply
      • এম হোসেইন

        আল জাহান সাহেব, এরদোয়ানপ্রীতি যে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী এটা কি বিশ্বাস করেন? এই লোক বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী ও খুনীদের বিচার বন্ধে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ করেছে। আপনি কি রাজাকার খুনীদের পক্ষের কেউ?

      • Al Jahan

        M Hussain, I am not talking about Liking or disliking Erdogan. You can like or dislike anyone, but that doesn’t mean you should hide the truth. The truth is that Erdogan is elected by a fare and free election. Most of the Turkish people like him. So I just trying to say the truth. If that mean I am supporting him, than obviously I will support…

      • Sarkar

        Mr Al Jahan, আপনি নিরপেক্ষ নন। তাই আপনার চিন্তায় যুক্তির স্থান নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—