নূরজাহান বেগম একজন সফল সাংবাদিক এবং নারীজাগরণ, নারীআন্দোলন ও সমাজ-প্রগতির পথে হাঁটা এক লড়াকু সৈনিক। ১৯৪৭ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাপ্তাহিক ‘বেগম’ সম্পাদনা করেছেন। এদেশের নারীসমাজের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ‘বেগম’ পত্রিকাটি অনন্য ভূমিকা পালন করে এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বহু নারী লেখকের হাতেখড়ি হয়েছে এই পত্রিকায়। এই লেখালেখির সূত্রে পরবর্তী সময়ে খ্যাতিমানও হয়েছেন তাঁরা।

নারী সাংবাদিকতা ও লেখক তৈরির ক্ষেত্রে যাঁঁর অনন্য, অসাধারণ ভূমিকা সেই পথিকৃত নূরজাহান বেগম চলে গেলেন না-ফেরার গন্তব্যে, গত ২৩ মে। তবে তাঁর এই চলে-যাওয়া, চলে যাওয়া নয়। এদেশের সকল চলমান আন্দোলন, জাগরণ এবং সাহিত্য, সমাজ, সংস্কৃতির বহমান জগতে তিনি থাকবেন আলোকবর্তিকা হয়ে। এই বাতিঘর, যাঁর আলোয় আমাদের পথচলা, তাঁকে যেন আমরা সঠিক মূল্যায়ন করি, ভুলে না যাই, সে জন্যই তাঁর সঙ্গে আমার অন্তরঙ্গ কিছু কথার স্মৃতি পাঠকদের জন্য তুলে ধরলাম।

নূরজাহান বেগমের জন্ম চাঁদপুরের চালতাতলি গ্রামে। তাঁর যখন সাড়ে তিন বছর বয়স তখন তাঁকে তাঁর বাবা, ‘সওগাত’ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন কোলকাতায় নিজের কাছে নিয়ে যান। নূরজাহান বেগমের কোলকাতায় যাওয়ার নেপথ্যের কারণটি তিনি খুব মজা করে আমাকে বলেছিলেন। গ্রামে থাকাকালীন তিনি নাকি দু দুবার পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়েছিলেন। তাই শঙ্কিত বাবা মেয়ের সময় নষ্ট না করে তাঁকে কোলকাতায় নিজের কাছে নিয়ে গেলেন।

নূরজাহান দুঃখ করে বলেছিলেন, সেই সময় তাঁর নাকে একটি লাল পাথরের সোনার নোলক ছিল। বাবা সেই নোলক খুলে মাথার চুল ছোট করে গ্রামের চেহারা একদিনেই পাল্টে দিলেন। কারণ বাবা তখন থেকেই নূরজাহান বেগমকে প্রগতির পথে হাঁটা এক আধুনিক সাহসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছিলেন।

কোলকাতায় তাদের বাড়ি ছিল ১১ নং ওয়েলেসলি স্ট্রিটে। দোতলা বাড়ির একদিকে ছিল ‘সওগাত’ পত্রিকার অফিস, অন্যদিকে তাঁরা থাকতেন। নিচে ছিল পত্রিকার প্রেস। যার নাম ছিল ক্যালকাটা আর্ট প্রিন্টার্স।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে কর্ম ও আদর্শগত চিন্তা-চেতনার মিল থাকায় নাসিরউদ্দিন সাহেবের সঙ্গে তাঁর চমৎকার একটা সমঝোতা ছিল। তাই নূরজাহান বেগমকে তিনি সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের শিশু শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন। এই স্কুল থেকেই নূজোহান প্রবেশিকা এবং পরে লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ থেকে ১৯৪৬ সালে গ্রাজুয়েশন করেন।

ওই কলেজের অভিজ্ঞতা বর্ণনার সময় তিনি বলেছিলেন, গোঁড়ামি ও সামাজিক বাধার কারণে সেখানে গুটিকয়েক মুসলিম মেয়ে তখন পড়াশোনা করতেন। সেই উদ্যমী মেয়েদের নিয়ে তাঁরা একটি সাংস্কৃতিক দলও গঠন করেন। এই দলের মাধ্যমেই তাঁরা নাচ, গান, অভিনয়ে যুক্ত হয়ে প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। কলেজের মেয়েরা মিলে ব্যাডমিন্টনও খেলতেন। সেই সময়ে তাঁর সহপাঠী ছিলেন রোকেয়া রহমান কবির, সেবতী সরকার, জোৎস্না দাশগুপ্ত, বিজলী নাগ, কামেলা খান মজলিশ, হাজেরা মাহমুদ, জাহানারা ইমাম, হোসনে আরা রশীদ প্রমুখ।

নিজের জীবনে চলার পথে বাবার ভূমিকার তাই মূল্যায়ন করেছেন এমন বিনম্রভাবেই:

‘‘আমি কতটা সফল জানি না। সাফল্যের পরিচয় যদি কিছু থেকে থাকে, তা অনেকটা পারিবারিক পরিবেশ, ধৈর্য এবং একাগ্রতার ফল। আমার বাবা অনেক কষ্টে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অর্থাৎ তিনি নিজেই নিজেকে গড়ে তুলেছেন। তাঁর আদর্শ ও প্রেরণা নিঃসন্দেহে আমাদের চলার পথে সহায়ক হয়েছে। সফল হবার জন্য যে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের প্রয়োজন, সেটা আমার বাবাই আমাদের দেখিয়েছেন তাঁর নিজের জীবনযাত্রার ভেতর দিয়ে।’’

‘বেগম’ পত্রিকা প্রকাশের পরিকল্পনা ও পটভূমি সম্পর্কে নূরজাহান জানিয়েছিলেন:

‘‘প্রথম যখন সাপ্তাহিক ‘বেগম’ প্রকাশিত হয়, সে সময়টায় বিশেষ করে মুসলিম সমাজ আজকের মতো উদার ছিল না। মেয়েদের দায়িত্ব ছিল প্রধানত রান্নাঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এমনকি শিক্ষিত মেয়েরাও এর বাইরে কিছু ভাবতে পারত না। মেয়েদের প্রতিভার স্ফুরণের তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এই সীমাবদ্ধতা থেকে নারী সমাজকে টেনে তোলার জন্য আমার বাবা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বাবার সঙ্গে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের চিন্তা ও কর্মের একটা যোগাযোগ ছিল।’’

‘সওগাত’ এবং পরবর্তী সময়ে ‘মহিলা সওগাত’ প্রকাশের সময় তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা এবং পরামর্শ সম্পাদক নাসিরউদ্দিনকে সাহস ও প্রেরণা দিয়েছে। মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন তখন প্রথম মহিলা সংখ্যা ‘সওগাত’ প্রকাশ করেন পরীক্ষামূলকভাবে। এর ফলে কিছু কিছু লেখিকার সন্ধান পাওয়া যায়। কিন্তু বছরে একটি মাত্র সংখ্যা বের করে মহিলা সমাজের তেমন কিছু কল্যাণ সম্ভব ছিল না। তাই তাঁরই উদ্যোগ এবং প্রেরণায় ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই সাপ্তাহিক ‘বেগম’এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

প্রথম সংখ্যা প্রকাশের সময়ের ঘটনা জানতে চাইলে তিনি বলেন:

‘‘তেমন কোনো ঘটনা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। নামকরণ নিয়ে কিছুটা চিন্তা-ভাবনা ছিল। অনেকগুলো নামের মধ্যে শেষ পর্যন্ত টিকল দুটি, ‘বেগম’ আর ‘খাতুন’। পরিশেষে চূড়ান্ত পর্যায়ে ‘বেগম’ই টিকে গেল।’’

সেই সমাজের মহিলাদের সম্পর্কে তিনি বলেন:

‘‘সার্বিকভাবে তখনকার দিনে মহিলাদের মধ্যে অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। শিক্ষকতার কাজ ছাড়া অন্য পেশায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল একেবারেই কম। সমাজে গোঁড়ামি ও কূপমণ্ডুকতা থাকায় মেয়েদের স্বাধীনভাবে চলাফেরায় বাধা ছিল। সামাজিক গোঁড়ামিও ছিল যথেষ্ট। আর এর ফলে প্রতিভাবান মেয়েদের পক্ষে ইচ্ছা-অনুযায়ী কর্মক্ষেত্র বেছে নেওয়া সম্ভব ছিল না। দৈনিক পত্রিকার মহিলা বিভাগ সম্পাদনায় জড়িত দুএকজন ছাড়া মহিলা সাংবাদিক চোখে পড়ত না। অনেক শিক্ষিত পরিবারের মেয়েরাও ডিগ্রি নিয়ে ঘর-সংসার পরিচালনা ছাড়া অন্য কোনো পেশায় নিজেকে জড়িত করার সুযোগ পেত না।’’

এই পিছিয়ে পড়া সমাজে মেয়েদের লেখা কীভাবে পেতেন জানতে চাইলে তিনি বলেন:

‘‘প্রথমদিকে বেশ কষ্ট করে লেখা সংগ্রহ করতে হত। কিছু কিছু অনুবাদ করিয়ে পত্রিকার কলেবর পূর্ণ করতে হত। ধীরে ধীরে নতুন লেখিকা বেরিয়ে আসতে লাগল। লেখার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় মেয়েদের ভেতরেও বেশ সাড়া পড়ে গেল। তাঁরা লেখালেখির ব্যাপারে এগিয়ে এলেন। মৌলিক লেখা না হোক অনুবাদ করেও ‘বেগম’এর সঙ্গে তাঁরা নিজেদের জড়িত করলেন।’’

অনেক পুরুষের ধারণা, বেশিরভাগ লেখিকা তেমন কিছু লিখতে পারেন না। শুধু মহিলা বলে তাদের লেখা ছাপা হয় (সুফিয়া কামাল, রিজিয়া রহমান বা সেলিনা হোসেনদের কথা বলছি না)। গড়পড়তা লেখিকাদের কথা বলছি, যাদের লেখা ‘বেগম’ পত্রিকায় হরহামেশা ছাপা হয়, তাদের সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

এর উত্তরে তিনি বলেছিলেন:

‘‘আচ্ছা, তুমি আমাকে বল তো দৈনিক পত্রিকা বা অন্যান্য সাময়িকীতে যেসব পুরুষের লেখা ছাপা হয় তার সবগুলোই কি মান-উত্তীর্ণ? নতুন যারা লিখছেন তাদের লেখা তো কিছুটা দুর্বল হবেই। লিখতে লিখতেই তো লেখার মান উন্নত হয়। মেয়ে হোক আর পুরুষই হোক– যাঁরা প্রথম লেখেন তাদের লেখার সঙ্গে একজন প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকের লেখার তুলনা তো চলে না। ‘বেগম’এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, লেখিকা সৃষ্টি। সুতরাং নতুন লেখিকাদের সুযোগ দিতে গিয়ে যদি দুএকটি দুর্বল লেখা ছাপা হয়েও থাকে, তার জন্য এমন ধারণা করা ঠিক নয়। কোনো অপাঠ্য লেখা তো ‘বেগম’ পত্রিকায় ছাপা হয় না। অবশ্য তুলনামূলকভাবে আমাদের ভালো লেখকের চেয়ে ভালো লেখিকার সংখ্যা কম। এর কারণ পুরুষেরা দীর্ঘদিন থেকে লিখছে, মেয়েরা সে সুযোগ পায়নি।’’

‘বেগম পত্রিকা’র সামাজিক ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন:

‘‘আমার মনে হয় লেখিকা সৃষ্টি করাটাও একটি সামাজিক দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে ‘বেগম’এর অবদান উল্লেখযোগ্য। নারীমুক্তি আন্দোলনের ক্ষেত্রে এবং এদেশের নারী সমাজের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রেও এ পত্রিকার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মুসলিম বিবাহ ও পারিবারিক আইন প্রবর্তনে ‘বেগম’ এবং ‘বেগম ক্লাব’এর যথেষ্ট ভূমিকা ছিল। বিভিন্ন সমস্যা, সংকট ও সামাজিক সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে ‘বেগম’ ও এই ক্লাব সাহসী বক্তব্য নিয়ে এগিয়ে এসেছে। ‘বেগম’ কেন্দ্র করে ১৯৫৪ সালে ‘বেগম ক্লাব’ গঠিত হয়। এদেশের নারী জাগরণ ও সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এই ক্লাবেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।’’

অনেকে ‘বেগম’ পত্রিকাকে প্রাচীন ধাঁচের বলে মনে করেন, তাঁর কী মনে হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন:

‘‘মুদ্রণ পারিপাট্যের দিক থেকে ‘বেগম’ চোখ-ঝলসানো নয়। কিন্তু প্রাচীন ধাঁচ বলতে যা বোঝায় ‘বেগম’কে সেই পর্যায়ে ফেলা ঠিক হবে না। এর ভাষা ও লেখার মান সহজ, সরল। খুব উঁচুদরের রচনা (যা পড়ে সাধারণ পাঠক/পাঠিকা ভালো বুঝতে পারবে না) এমন লেখা এই পত্রিকায় ছাপা হয় না, এর পাঠক/পাঠিকাদের প্রতি লক্ষ্য রেখে। সাধারণত স্বল্পশিক্ষিত নারী যারা ঘর-সংসারের কাজে নিজেদের জড়িত রেখেছেন, তারাই এই পত্রিকার বেশিরভাগ পাঠক। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও আছে। অনেক উচ্চশিক্ষিত পরিবারেও ‘বেগম’এর যথেষ্ট কদর আছে।’’

‘‘কিন্তু সহজ-সরল ভাষায় পত্রিকা বের করা আর প্রাচীন ধাঁচে পত্রিকা বের করা, এক কথা নয়। রান্না, সেলাই, ঘরকন্না, সন্তান পালন, রূপচর্চা প্রভৃতি ধরনের বিভাগ সেই ১৯৪৭ সাল থেকে ‘বেগম’এ ছাপা হচ্ছে। আজ এই সময়েও যেসব পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে, এমনকি অত্যাধুনিক নামকরা যেসব পত্র-পত্রিকা চোখে পড়ে, দৈনিক পত্রিকার মহিলা বিভাগসহ, তাতেও দেখি এইসব বিভাগ ছাপা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা ‘বেগম’এর ছাপার মান উন্নত করা যেত, কিন্তু তাতে এর দাম রাখতে হত অনেক বেশি। আর এই মূল্যবৃদ্ধির দরুণ পত্রিকাটি সাধারণ পাঠিকাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেত। সেটি আমরা একেবারেই চাই না।’’

‘‘মেয়েদের পত্রিকায় এমন বিজ্ঞাপনও তেমন আশা করা যায় না যে, সেই বিজ্ঞাপনের আয়ে খরচ পুষিয়ে নেওয়া যাবে। তবে সুস্থ মন-মানসিকতার সহায়ক, রুচিমার্জিত পরিপাটি পত্রিকা হচ্ছে ‘বেগম’। রঙ-ঝলমলে পত্রিকার প্রতি যাঁরা আকৃষ্ট হবেন, তাঁরা অবশ্য ‘বেগম’ আর কিনবেন না। পত্রিকার কাটতি দেখেই পাঠকের চাহিদা বোঝা যায়।’’

‘বেগম’এর অব্যাহত সাফল্যের কারণ বলতে যেয়ে তিনি বলেন:

‘‘দীর্ঘ সাধনার পর অনেক পত্রিকারই একটা ট্রাডিশন গড়ে ওঠে। বিশেষ করে যে সব পত্রিকা পাঠক/পাঠিকাদের মন জয় করতে পারে।’’

বাংলাদেশের মহিলাদের সামনে কী কী সমস্য রয়েছে এবং তার সমাধানের পথ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন:

‘‘সামনে অনেক সমস্যা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা মেয়েদের শিক্ষা। মেয়েদের ব্যাপকভাবে লেখাপড়া শেখাতে হবে। মেয়েরা শিক্ষিত হলে সমাজের অনেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস করি। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মেয়েদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। মেধা-অনুযায়ী তাদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু একটি সমস্যা যা নাকি ক্রমশ বেড়েই চলেছে, তা হচ্ছে নারীনির্যাতন। কীভাবে এর সমাধান হবে বুঝতে পারছি না। এর জন্য সামাজিক দিক থেকে ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও মেয়েদের ভূমিকা আরও বাস্তবধর্মী করা প্রয়োজন। মহিলা সংগঠনগুলো আন্দোলনের ফলে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু সার্বিক সাফল্য এখনও আসেনি। যেতে হবে তৃণমূলে। তাহলেই সমাজে বড়সড় পরিবর্তন আনার আশা করা যেতে পারে।’’

দিল মনোয়ারা মনুসাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী

Responses -- “আমার মনে হয় লেখিকা সৃষ্টি করাটাও একটি সামাজিক দায়িত্ব”

  1. আরিফ

    ধমীর্য় রীতিনীতি পালন করা কি সামাজিক গোড়ামী?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—